Hope
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop
نمایش بیشتر📈 تحلیل کانال تلگرام Hope
کانال Hope (@hope24hours) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 18 475 مشترک است و جایگاه 4 293 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 230 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 18 475 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 16 سپتامبر, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 784 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 3 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 7.23% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.43% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 1 336 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 634 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 15 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন।
প্রয়োজনে: @HopeDM
আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215
এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours
উত্তর:
https://t.me/a_teardrop”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 17 سپتامبر, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
در حال بارگیری داده...
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 17 سپتامبر | +1 | |||
| 16 سپتامبر | +3 | |||
| 15 سپتامبر | +32 | |||
| 14 سپتامبر | +30 | |||
| 13 سپتامبر | +89 | |||
| 12 سپتامبر | +1 | |||
| 11 سپتامبر | 0 | |||
| 10 سپتامبر | 0 | |||
| 09 سپتامبر | +1 | |||
| 08 سپتامبر | 0 | |||
| 07 سپتامبر | +3 | |||
| 06 سپتامبر | +5 | |||
| 05 سپتامبر | 0 | |||
| 04 سپتامبر | +36 | |||
| 03 سپتامبر | +105 | |||
| 02 سپتامبر | +543 | |||
| 01 سپتامبر | +2 |
| 2 | 🌸সিরিজ: রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম....
🍁পর্ব: ৪.৩ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... )
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতের জন্য প্রত্যেক নামাজে এমন দোয়া করতেন; যে দোয়ার কথা একবার শুনেই হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান! হাদিসে পাকে এসেছে-
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, একদিন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মনে আনন্দ দেখে বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমার জন্য দোয়া করুন।’ তখন তিনি (নবিজী) বললেন-
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِعَائِشَةَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنَبِهَا وَمَا تَأَخَّرَ مَا أَسَرَّتْ وَمَا أَعْلَنَتْ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মাগফির লি-আয়েশাতা মা তাকাদ্দামা মিন জামবি ওয়া মা তাআখখারা মা আসাররাত ওয়া মা আলানাত।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আয়েশার আগের ও পরের, গোপন এবং প্রকাশ্য সব গুনাহ ক্ষমা করে দিন।’
তখন হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হেসে দিলেন। এমনকি হাসতে হাসতে নবিজীর কোলে তাঁর মাথা পড়ে গেলো। তখন তিনি (নবিজী) বললেন- ‘আমার দোয়া কি তোমাকে আনন্দ দিয়েছে?
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘আপনার দোয়া আমাকে কেন আনন্দ দেবে না?’ তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
وَاللَّهِ إِنَّهَا لَدُعَائِي لِأُمَّتِي فِي كل صلاة
‘আমার উম্মতের জন্য প্রত্যেক নামাজেই আমার এমন দোয়া থাকে।’ (ইবনে হিব্বান) | 797 |
| 3 | لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর।
অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক ও অদ্বিতীয়, তার কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই, তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
🌸লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু পড়ার ফজিলত
হাদিস নং ১
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন কদীর।” অর্থাৎ- ‘আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই; তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই; তাঁরই রাজত্ব, তাঁরই যাবতীয় প্রশংসা; তিনিই সব বিষয়ের উপর শক্তিধর’- যে লোক এ দু‘আ প্রতিদিনে একশ’ বার পাঠ করে সে দশজন গোলামমুক্ত করার পুণ্য অর্জন হয়, তার (‘আমালনামায়) একশ’ নেকী লেখা হয় এবং তার হতে একশ’ পাপ মিটিয়ে দেয়া হয়।
আর তা ঐ দিন বিকাল পর্যন্ত শাইতান (তার কুমন্ত্রণা) হতে তার জন্যে রক্ষাকারী হয়ে যায়! সেদিন সে যা পুণ্য অর্জন করেছে তার চেয়ে বেশি পুণ্যবান কেউ হবে না! তবে কেউ তার চাইতে বেশি ‘আমাল করলে তার কথা আলাদা। আর যে লোক দিনে একশ’ বার “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহী”! অর্থাৎ- ‘আমি আল্লাহর সপ্রশংসা সহ তার পরিবত্রতা বর্ণনা করছি’ পাঠ করবে, তার সমস্ত পাপ মিটিয়ে দেয়া হবে, যদি ও তা সমুদ্রের ফেনার সম পরিমাণ হয়।
সহীহ মুসলিম: ৬৭৩৫
হাদিস নং ২
আমর ইবনু মাইমুন (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
যে ব্যক্তি দশবার “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন কদীর।” অর্থাৎ- ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, তিনি-ই সব বিষয়ের উপর সম্পূর্ণ শক্তিধর’ পাঠ করবে সে যেন ইসমা‘ঈল (‘আঃ)-এর বংশের চারজন গোলামকে মুক্তি করে দিলেন।
সহীহ মুসলিম: ৬৭৩৭
হাদিস নং ৩
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
তিনি বলেন, একদা আবূ যার (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! ধনীরা তো সওয়াবে অগ্রগামী হয়ে যাচ্ছে। আমরা যেমন সলাত আদায় করি, তেমন তারাও সলাত আদায় করে, আমরা যেমন সওম পালন করি, তারাও তেমন সওম পালন করে। কিন্তু তারা তাদের অতিরিক্ত ধন-সম্পদ দান-খয়রাত করে। (দান খয়রাতের জন্য) আমাদের তো পর্যাপ্ত সম্পদ নেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ যার! আমি কি তোমাকে এমন দুটি বাক্য শিক্ষা দিবো না যা পাঠ করলে তুমি তোমার চেয়ে অগ্রগামীদের সমপর্যায় হতে পারবে এবং তোমার পিছনের লোকেরাও তোমাকে অতিক্রম করতে পারবে না?
তবে তার কথা ভিন্ন যে তোমার মতো আমল করে। তিনি বললেন, হাঁ, নিশ্চয়। তিনি বললেনঃ তুমি প্রত্যেক সলাতের পর তেত্রিশবার ‘আল্লাহু আকবার’, তেত্রিশবার ‘আলহামদু লিল্লাহ’, তেত্রিশবার ‘সুবহানাল্লাহ’ এবং শেষে একবার “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর” বলবে। কেউ এ দু’আ পড়লে তার গুনাহ সমুদ্রের ফেনারাশি পরিমাণ হলেও তা ক্ষমা হবে। সহীহ: কিন্তু: “কেউ এ দু’আ পড়লে তার গুনাহ সমুদ্রের ফেনারাশি পরিমাণ হলেও তা ক্ষমা হবে।” তার এ কথাটুকু মুদরাজ।
সুনানে আবু দাউদ: ১৫০৪
@Dua24hours | 1 086 |
| 4 | হোপ ও হোপের সংশ্লিষ্ট সকল চ্যানেলে চলমান সিরিজ সূমহ -
🌸সিরিজ: রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম....
পর্ব: ১ (রাসূল ﷺ এর বিনয়): https://t.me/Hope24hours/7148
পর্ব: ২ (রাসূল ﷺ এর সত্যবাদিতা): https://t.me/Hope24hours/7150
পর্ব: ২.২ (রাসূল ﷺ এর সত্যবাদিতা): https://t.me/Hope24hours/7155
পর্ব: ৩.১ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7159
পর্ব: ৩.২ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7170
পর্ব: ৩.৩ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7172
পর্ব: ৩.৪ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7176
পর্ব: ৩.৫ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7178
পর্ব: ৩.৬ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7184
পর্ব: ৩.৭ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7191
পর্ব: ৩.৮ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7194
পর্ব: ৩.৯ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7197
পর্ব: ৪ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... ): https://t.me/Hope24hours/7203
পর্ব: ৪.১ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... ): https://t.me/Hope24hours/7205
পর্ব: ৪.২ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... ): https://t.me/Hope24hours/7207
🌸সিরিজ: রবের বাণী
(শায়খ আব্দুল্লাহ কতৃক কুরআনের অনুবাদ মূলক সিরিজ)
সিরিজ: রবের বাণী - পর্ব:১ https://t.me/SHAbdullahbinAbdurRazzakDawah/230
🌸সিরিজ: হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ -
(শায়খ আহমাদুল্লাহ কতৃক)
পর্ব – ১: https://t.me/SHAhmadullahDawah/585
পর্ব ২: https://t.me/SHAhmadullahDawah/587
🍀আন নূর চ্যানেলে তাফসীর সিরিজ:
https://t.me/ayatannur/3
🗨️পরিচিত মানুষদের কাছে সিরিজ গুলো পৌছে দিন, কুরআন আর সুন্নাহর এমন সিরিজ একত্রিত করে শিখতে পারা বিশাল সৌভাগ্য, আমরা সময়ে সময়ে এভাবে গুছিয়ে রাখব সব। গুছানো তালিকা পাবেন এখানে- https://t.me/HopeAllLink
উমম, আরো কিছু আলাপ আছে, অন্যদিন করব ইন শা আল্লাহ, আজ ঝটপট পড়ুন, শিখুন, দেখুন পরিচিত জনদের কে দিন। আর আপনি কি জানেন, কাউকে নেক কাজের দাওয়াত দিলে আপনি ও সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন?
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি (কাউকে) সৎপথের দিকে আহবান করবে, সে তার প্রতি আমলকারীদের সমান নেকী পাবে। এটা তাদের নেকীসমূহ থেকে কিছুই কম করবে না। আর যে ব্যক্তি (কাউকে) ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করবে, তার উপর তার সমস্ত অনুসারীদের গোনাহ চাপবে। এটা তাদের গোনাহ থেকে কিছুই কম করবে না(মুসলিম ৬৯৮০ প্রমুখ)
আর দুআর দরখাস্ত.... | 1 318 |
| 5 | ইয়াকুব আ. অনেক বছর ছেলে হারানোর দুঃখ সহ্য করেও মানুষের কাছে অভিযোগ করেননি। তিনি শুধু আল্লাহ তাআলার দিকেই ফিরে গিয়েছিলেন।
আইয়্যূব আ.-এর শরীর, সম্পদ, পরিবার—সবই একের পর এক পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিল। তবু তিনি কাউকে দোষ দিলেন না, কারও কাছে কান্নাকাটি করলেন না। শুধু আল্লাহ তাআলার কাছেই সাহায্য চেয়েছেন।
ইব্রাহিম আ. আগুনে ফেলার মতো ভয়ঙ্কর ঘটনায়ও মানুষকে নয়—আল্লাহ তাআলাকেই যথেষ্ট মনে করেছিলেন।
ইসমাইল আ. কঠিন পরীক্ষার কথা শুনেও বলেছিলেন—আমি ধৈর্য ধরব, আল্লাহ তাআলাই দেখবেন।
মুসা আ.-এর মা নবজাতক সন্তানটিকে নদীতে ভাসিয়ে দিলেন—এটি একজন মায়ের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত। কিন্তু আল্লাহ তাআলার উপর ভরসা তাকে এমন এক শক্তি দিল যে তিনি ভয়কে জয় করার মতো সাহস পেলেন।
মরিয়ম আ. সমাজের তিরস্কার সহ্য করলেন, মানুষের কঠিন কথা শুনে চুপ রইলেন, কারণ তিনি জানতেন—আল্লাহই তাঁর সত্যতা প্রকাশ করবেন। ফলে ধৈর্যের সেই নীরবতা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এক অনন্য সম্মানে রূপ নিল।
নূহ আ. বছরের পর বছর মানুষকে সত্যের পথে ডাকলেন। গালি, উপহাস, প্রত্যাখ্যান—কিছুই তাকে ভেঙে দিতে পারল না। তিনি কাজ করে গেলেন, আর ফলাফল আল্লাহ তাআলার হাতে ছেড়ে দিয়েছিলেন।
এসব ঘটনা একটি সত্য প্রমাণ করে—মুসিবতের সময় প্রথম দরবার, প্রথম ভরসা, প্রথম আশ্রয় একটাই : আল্লাহ তাআলার দরবার।
ہر مرحلہ گم میں ملا تجھ سے تسلی
ہر موڑ پہ گھبرا کے ترا نام لیا ہوں
জীবনের প্রতিটি দুঃখের ধাপে তোমার কাছেই শান্তি পেয়েছি;
প্রতিটি ভয়ের মোড়ে তোমারই নাম ধরে আশ্রয় চেয়েছি।
- খুতুবাত | 1 184 |
| 6 | এশার সালাত পড়ার আগে মিসওয়াক করা, আযানের জবাব দেয়া, জামায়াতে সালাত পড়া, সূরা মূলক পড়া, রাতে অযু করে ঘুমানো, ঘুমানোর আগে তিনকূল আয়াতুল কুরসীর আমল করা...
কতটা করেছি? যদি না করি তাহলে ভেবে দেখা উচিত, আজ রাতে যদি আমি মারা যাই আমার কবরের জীবন আসলে কেমন হবে। আল্লাহুম্মাগফিরলি, আল্লাহুম্মাগফিরলি,
আল্লাহুম্মাগফিরলি... | 1 287 |
| 7 | আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস [রা.] বলেছেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাশে ছিলাম, তিনি তখন ফিতনার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন,
«إِذَا رَأَيْتُمُ النَّاسَ قَدْ مَرِجَتْ عُهُودُهُمْ، وَخَفَّتْ أَمَانَاتُهُمْ، وَكَانُوا هَكَذَا»
.
"তোমরা যখন দেখবে, মানুষের ওয়াদা নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের আমানতদারী কমে গেছে এবং তারা এরূপ হয়ে গেছে।"
- এ বলে তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মধ্যে মিলালেন।
.
আব্দুল্লাহ [রা.] বলেন,
একথা শুনে আমি দাঁড়িয়ে তাঁকে বললাম, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্যে উৎসর্গিত করুন! আমি তখন কি করবো?
.
জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
«الْزَمْ بَيْتَكَ، وَامْلِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ، وَخُذْ بِمَا تَعْرِفُ، وَدَعْ مَا تُنْكِرُ، وَعَلَيْكَ بِأَمْرِ خَاصَّةِ نَفْسِكَ، وَدَعْ عَنْكَ أَمْرَ الْعَامَّةِ»
.
"তুমি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে তোমার ঘরে অবস্থান করো, তোমার জবান সংযত রাখো, যা চেন তাই গ্রহণ করো এবং অজানাকে পরিত্যাগ করো। আর তোমার নিজের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক হও এবং জনসাধারণের বিষয়গুলো ছেড়ে দাও"। [১]
.
প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা:
ক) "তারা এরূপ হয়ে গেছে...", অর্থাৎ, তাদের একাংশকে অন্য অংশের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে এবং তাদের দ্বীনের বিষয়টি এমনভাবে জটিল ও অস্পষ্ট হয়ে পড়বে যে, বিশ্বস্তকে বিশ্বাসঘাতক থেকে এবং সৎকর্মশীলকে পাপাচারী থেকে চেনা যাবে না। [২]
খ) "তোমার জবান সংযত রাখো", অর্থাৎ মানুষের অবস্থা নিয়ে কথা বলো না, যেন লোকেরা তোমাকে কষ্ট দিতে না পারে।
গ) "যা চেন তাই গ্রহণ করো এবং অজানাকে পরিত্যাগ করো," অর্থাৎ তুমি যা সত্য বলে জানতে পেরেছ, তা গ্রহণ করো; আর যা অন্যায় বা মন্দ বলে জানতে পেরেছ, তা পরিত্যাগ করো এবং তা থেকে দূরে থাকো। [৩]
.
ঘ) "আর তোমার নিজের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক হও এবং জনসাধারণের বিষয়গুলো ছেড়ে দাও", অর্থাৎ, তুমি নিজের বিষয়ের প্রতি মনোযোগী থাকো, নিজের দ্বীন সংরক্ষণ করো, মানুষকে ছেড়ে দাও এবং তাদের অনুসরণ করো না। যখন দুষ্কৃতিকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং সৎকর্মশীলদের শক্তি দুর্বল হয়ে যায়, তখন এটি সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করা পরিত্যাগের ক্ষেত্রে একটি অবকাশ (রুখসত)। [৪]
.
শিক্ষা:
১) ফিতনার যুগের আলামতসমূহ কী কী,
২) সে সময় কী কী ক্ষতির সম্মুখীন মানুষ হবে,
৩) তখন নিজের দ্বীন ও ঈমানকে হিফাজত করতে যা যা করণীয়।
.
[১) ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৪৩৪৩, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে হাসান সহীহ;
২) আল্লামা আযীমআবাদী (রাহ.), আউনুল মা'বূদ: ১১/৩৩৪;
৩) শাইখ আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ (হাফি.), শারহু সুনানি আবি দাউদ: ৪৮৯/৭;
৪) আল্লামা আযীমআবাদী (রাহ.), আউনুল মা'বূদ: ১১/৩৩৪-৩৫]
উস্তাদ মনজুরুল করীম | 1 417 |
| 8 | হযরত আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন :
ﻻَ ﻳُﻐْﻨِﻲْ ﺣَﺬَﺭٌ ﻣِﻦْ ﻗَﺪَﺭٍ ﻭَﺍﻟﺪُّﻋَﺎﺀُ ﻳَـﻨْـﻔَﻊُ ﻣِﻤَّﺎ ﻧَﺰَﻝَ ﻭَﻣِﻤَّﺎ ﻟَـﻢْ ﻳَﻨْـﺰِﻝْ ﻭَﺇِﻥَّ ﺍﻟْﺒَﻼَﺀَ ﻟَﻴَﻨْـﺰِﻝُ ﻓَﻴَﻠْـﻘَﺎﻩُ ﺍﻟﺪُّﻋَﺎﺀُ ﻓَﻴَﻌْـﺘَﻠِﺠَﺎﻥِ ﺇِﻟَﻰ ﻳَﻮْﻡِ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ
“সাবধানতার দ্বারা তকদীর বা ভাগ্য পরিবর্তিত হয় না। যে বিপদ বা মুসিবত নাযিল হয়ে গিয়েছে এবং যা এখনো নাযিল হয়নি (ভবিষ্যতের ভাগ্যে আছে কিন্তু এখনো বাস্তবে আসেনি) এরূপ সকল বিপদ কাটাতে প্রার্থনা উপকারী। আসমান থেকে বালা-মুসিবত নাযিল হওয়ার অবস্থায় প্রার্থনা তাকে বাঁধা দেয় এবং তারা উভয়ে কেয়ামত পর্যন্ত ধাক্কাধাক্কি করতে থাকে। (কোনো অবস্থাতেই দু‘আ বিপদকে নিচে নেমে আসতে দেয় না)”।
হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৬৭০; তিরমিযী, আস-সুনান ৫/৫৫২; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১৪৬; আহমদ, আল-মুসনাদ ৫/২৩৪; মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৪৭৮। | 1 183 |
| 9 | আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন :
মাসআলা জানা সহ যে কোনো প্রয়োজনে ফোন করুন এই নাম্বারে :
09610-001089
কল সেন্টারের পাশাপাশি লিখিতভাবেও আমরা সাধারণ মানুষের দ্বীনি জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়ে থাকি। এ জন্য আমাদের রয়েছে iqa.info (ইসলামী প্রশ্নোত্তর) প্ল্যাটফর্ম।
একদল বিজ্ঞ ও অভিজ্ঞ মুফতি এই প্ল্যাটফর্মের গবেষণা ও প্রশ্নের উত্তর প্রদানের কাজে নিয়োজিত আছেন।
ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে আপনিও আপনার দ্বীনি জিজ্ঞাসা পাঠাতে পারেন। আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলে আপনাকে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
নিয়মিতভাবে আমরা ওয়েবসাইটটিতে প্রশ্নের উত্তর প্রকাশ করি।
ওয়েবসাইট লিংক : https://www.iqa.info/ | 1 257 |
| 10 | প্রতিটা শুক্রবার এর শেষবেলায় যখন দুআ কবুলের সময়টা হয়ে আসে, মাগরিবের আজানের শব্দ দূর থেকে ভেসে আসে, বিশাল একটা কষ্টে বুকটা ভারী হয়ে আসে। প্রতিটা জুমায়ই মনে হয় যথেষ্ট পরিমাণ দুরুদ পড়া হয়নি, আমল করা হয়নি, দুআ করা হয়নি। আরেকটু দুআ আমলের জন্য এত আক্ষেপ হয়। ভীষণভাবে অনুভূত হয় যদি মৃত্যুর এসে দুয়ারে কড়া নারে আর আমার এই অনুভূতি তখনও হয় আমার আরেকটু আমল করা দরকার ছিলো... কিংবা যদি হঠাৎ ই চলে যেতে হয়।
জীবনের কোনো এক সময় হিদায়াতের সামান্য স্পর্শ পাওয়া এই অন্তর গুলোর আল্লাহর দিকে পরিপূর্ণ ভাবে ফিরতে না পারার কষ্ট কি দিয়ে বোঝানো সম্ভব? | 1 223 |
| 11 | দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে... | 1 256 |
| 12 | আজ সারাদিন যত বেশি সম্ভব দুরুদ পড়ব ইন শা আল্লাহ... | 1 462 |
| 13 | ভালোবাসি তোমাকে হে নবী।
عن مُعاذِ بنِ جَبَلٍ رَضِيَ اللهُ عنه، قال: لمَّا بَعَثَه رَسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم إلى اليَمَنِ خَرَجَ مَعَه رَسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم يوصيه، ومُعاذٌ راكِبٌ ورَسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم يَمشي تَحتَ راحِلتِه، فلمَّا فرَغَ قال: يا مُعاذُ، إنَّك عَسى ألَّا تَلقاني بَعدَ عامي هذا، ولعَلَّك أن تَمُرَّ بمَسجِدي هذا وقَبري
মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁকে ইয়ামানের দিকে পাঠালেন, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে উপদেশ দিতে দিতে তাঁর সঙ্গে কিছুদূর চললেন। মুআজ (রা.) ছিলেন সওয়ারিতে উপবিষ্ট আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বাহনের নিচে হেঁটে চলছিলেন। উপদেশ দেওয়া শেষ হলে তিনি বললেন: হে মুআজ! তুমি হয়তো এই বছরের পর আর আমার সাক্ষাৎ পাবে না। আর হয়তো তুমি আমার এই মসজিদ ও আমার কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে!
فبَكى مُعاذٌ جَشَعًا لفِراقِ رَسولِ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم، ثُمَّ التَفتَ فأقبَل بوَجهِه نَحوَ المَدينةِ، فقال: إنَّ أَولى النَّاسِ بي المُتَّقونَ مَن كانوا وحَيثُ كانوا
কথাটি শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিচ্ছেদের বেদনায় মুআজ (রা.) কান্নায় ভেঙে পড়লেন। এরপর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেছনের দিকে তাকিয়ে মদীনামুখী হয়ে বললেন: আমার নিকটতম মানুষ তারাই, যারা তাকওয়াবান (আল্লাহভীরু)-তারা যে-ই হোক না কেন এবং যেখানেই থাকুক না কেন।
মুসনাদে আহমাদ-২২০৫২
💔
জুমার রাত, বেশি বেশি দুরুদ পড়ি ইন শা আল্লাহ | 1 679 |
| 14 | তুমি রোগের ভয়েই রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েছ। শায়খ রাতেব নাবুলসী (হাফিঃ)। | 1 604 |
| 15 | 🌸সিরিজ: রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম....
🍁পর্ব: ৪.২ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... )
একান্ত জাগতিক বিষয়েও উম্মতের বিপদাপদে নবীজী ছিলেন নিঃস্বার্থ সহযোগিতার আধার। সাহাবী হযরত আবূ হুরাইরা রা. বর্ণনা করেন যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
অর্থাৎ, দুনিয়া ও আখেরাতে আমি প্রত্যেক মুমিনেরই সবচেয়ে ঘনিষ্ঠতর। ইচ্ছা হলে তোমরা এ আয়াতটি তিলাওয়াত কর- (মুমিনদের পক্ষে নবী তাদের প্রাণ অপেক্ষাও বেশি ঘনিষ্ঠ।) তাই সম্পদ রেখে কোনো মুমিন মারা গেলে আত্মীয়-স্বজন তার ওয়ারিস হবে। আর যদি সে ঋণ কিংবা অসহায় পরিজন রেখে যায়, তবে তারা যেন আমার নিকট আসে। আমিই তাদের অভিভাবক। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৪৭৮১
দেখুন, স্বার্থহীনতার কেমন আদর্শ ছিলেন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। একদিকে অসহায় উম্মতের অভিভাবক তিনি। কিন্তু অপরদিকে তাদের বিত্ত বৈভবের দাবিদার নন। আর তাই তো অন্যত্র নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
অর্থাৎ, আমি তোমাদের জন্য পিতৃতুল্য। -সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস ৮০; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ১৪৩১
বরং তিনি কি জন্মদাতা পিতার চেয়েও বেশি ঘনিষ্ঠ নন?
ইহলোক পাড়ি দিয়ে আখিরাতের কঠিন মুহূর্তেও এ উম্মতের মুক্তির সুপারিশ করবেন তিনি। এই প্রসঙ্গে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- অর্থাৎ, প্রত্যেক নবীকে এমন একটি বিশেষ দুআর অধিকার দেয়া হয়েছে, যা কবুল করা হবে। তারা (দুনিয়াতে) সে দুআ করেছেন এবং তা কবুলও করা হয়েছে। আর আমি আমার দুআ কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের শাফাআতের উদ্দেশ্যে মূলতবী রেখেছি। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯৯
ইমাম নববী রাহ. এই হাদীসের ব্যাখ্যায় বলেছেন- অর্থাৎ, এই হাদীসে উম্মতের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্ণ মায়া-মমতা ও দরদের কথা এবং তাদের কল্যাণসাধনে তাঁর প্রচেষ্টার কথা ফুটে উঠেছে। তাইতো তিনি এই উম্মতের জন্য তাঁর বিশেষ দুআ তাদের সবচে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য তুলে রেখেছেন।
উম্মতের প্রতি নবীজী কী পরিমাণ দয়ার্দ্র ও অনুগ্রহশীল ছিলেন- এখানে তার কিঞ্চিতই বিবৃত হল। আল্লাহ তাআলা এককথায় বড় সুন্দরভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন- (হে মানুষ!) তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকেই তোমাদের কাছে এক রাসূল এসেছে। তোমাদের যেকোন কষ্ট তার জন্য অতি পীড়াদায়ক। সে সতত তোমাদের কল্যাণকামী, মুমিনদের প্রতি অত্যন্ত সদয়, পরম দয়ালু। -সূরা তাওবা (৯) : ১২৮
তো যেই নবী উম্মতের জন্য এতটা মহানুভব ছিলেন; সেই নবীর প্রতি উম্মতের আচরণ কেমন হওয়া চাই! | 1 338 |
| 16 | আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৬৯
Surah Baqarah ২:৬৫
وَلَقَدۡ عَلِمۡتُمُ ٱلَّذِينَ ٱعۡتَدَوۡاْ مِنكُمۡ فِي ٱلسَّبۡتِ فَقُلۡنَا لَهُمۡ كُونُواْ قِرَدَةً خَٰسِـِٔينَ
অর্থ : আর তোমাদের মধ্যে যারা শনিবার সম্পর্কে সীমালঙ্ঘন করেছিলো তাদেরকে তোমরা নিশ্চিতভাবে জেনেছিলে [১]। ফলে আমরা তদেরকে বলেছিলাম, ‘তোমরা ঘৃণিত বানরে পরিণত হও’।
[১] আয়াতে বর্ণিত এ ঘটনাটি দাউদ ‘আলাইহিস সালামের আমলেই সংঘটিত হয়। ইসরাঈল-বংশধরদের জন্য শনিবার ছিল পবিত্র এবং সাপ্তাহিক উপাসনার জন্য নির্ধারিত দিন। এ দিন মৎস শিকার নিষিদ্ধ ছিল। তারা সমুদ্রোপকূলের অধিবাসী ছিল বলে মৎস শিকার ছিল তাদের প্রিয় কাজ। তারা প্রথম প্রথম কলা-কৌশলের অন্তরালে এবং পরে সাধারণ পদ্ধতিতে ব্যাপকভাবে মৎস শিকার করতে থাকে। এতে তারা দুই দলে বিভক্ত হয়ে যায়। একদল ছিল সৎ ও বিজ্ঞ লোকদের। তারা এ অপকর্মে বাধা দিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ বিরত হলো না। অবশেষে তারা এদের সাথে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করে পৃথক হয়ে গেলেন। এমনকি বাসস্থানও দুই ভাগে ভাগ করে নিলেন। একভাগে অবাধ্যরা বসবাস করতো আর অপর ভাগে সৎ ও বিজ্ঞজনেরা বাস করতেন। একদিন তারা অবাধ্যদের বস্তিতে অস্বাভাবিক নীরবতা লক্ষ্য করলেন। অতঃপর সেখানে পৌছে দেখলেন যে, সবাই বিকৃত হয়ে বানরে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। কাতাদাহ বলেন, তাদের যুবকরা বানরে এবং বৃদ্ধরা শুকরে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। রূপান্তরিত বানররা নিজ নিজ আত্মীয় স্বজনকে চিনতো এবং তাদের কাছে এসে অঝোরে অশ্রু বিসর্জন করতো। হাদীসে এসেছে, জনৈক সাহাবী একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের যুগের বানর ও শুকরগুলো কি সেই রূপান্তরিত ইয়াহুদী সম্প্রদায়? তিনি বললেন, "আল্লাহ্ তা'আলা যখন কোনো সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দিয়ে থাকেন তখন তিনি তাদের অবশিষ্ট বংশধর রাখেন না। বস্তুতঃ বানর ও শূকর পৃথিবীতে তাদের পূর্বেও ছিল। [মুসলিম ২৬৬৩] সুতরাং বর্তমান বানরদের সাথে রূপান্তরিত বানর ও শূকরের কোনো সম্পর্ক নেই। [দেখুন, আত-তাফসীরুস সহীহ] যেমনিভাবে এ ধারণা করারও কোনো সুযোগ নেই যে, মানুষ কোনো এক সময় বানরের বংশধর ছিল।
-Tafsir Abu Bakr Zakaria
সকল পর্ব | 1 136 |
| 17 | 🌸সিরিজ: রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম....
🍁পর্ব: ৪.১ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... )
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন দয়া-মমতার সাগর। উম্মতের প্রতি ছিল তাঁর গভীর মায়া, সীমাহীন মমতা এবং তাদের কল্যাণ সাধনে ছিলেন সদা ব্যাকুল, ব্যতিব্যস্ত। তাদেরকে তিনি নিঃস্বার্থ ভালোবাসতেন। তিনি তাদের থেকে না এর কোনো প্রতিদান চাইতেন, আর না কৃতজ্ঞতা কামনা করতেন। চাইতেন শুধু তাদের নাজাত ও সফলতা। চাইতেন যেন উম্মত হেদায়েতের পথ হারিয়ে না ফেলে, আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো আযাব তাদেরকে আক্রান্ত না করে। হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস রা. বলেছেন-
অর্থাৎ, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত পাঠ করলেন, যাতে ইবরাহীম আলাইহিস সালামের কথা উল্লেখ আছে : (তরজমা) “হে আমার রব! এসব প্রতীমা বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত হবে।” (আর সেই আয়াতও পড়লেন যেখানে আছে) (তরজমা) “(এবং ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন,) যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি দেন তবে তারা তো আপনারই বান্দা। আর যদি তাদেরকে ক্ষমা করেন তবে নিশ্চয়ই আপনার ক্ষমতাও পরিপূর্ণ এবং হিকমতও পরিপূর্ণ।” অতপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’হাত তুলে কেঁদে কেঁদে বললেন- ‘হে আল্লাহ, আমার উম্মত! আমার উম্মত!!’ তখন আল্লাহ তাআলা বললেন, হে জিবরাঈল! মুহাম্মাদকে গিয়ে জিজ্ঞাসা কর সে কেন কাঁদে? যদিও তোমার রবই ভালো জানেন। অতপর জিবরাঈল আলাইহিস সালাম নবীজীর কাছে এসে তা জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব খুলে বললেন। যদিও আল্লাহ তাআলা সব জানেন। অতপর আল্লাহ তাআলা বললেন, হে জিবরাঈল! মুহাম্মাদকে গিয়ে বলো, আমি অচিরেই তোমার উম্মতের ব্যাপারে তোমাকে সন্তুষ্ট করব, ব্যথিত করব না। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ২০২
আরেক হাদীছে উদাহরণ টেনে নবীজী উম্মতের প্রতি তাঁর দরদকে এভাবে বুঝিয়েছেন-
অর্থাৎ, আমার ও তোমাদের দৃষ্টান্ত সে ব্যক্তির দৃষ্টান্তের মত, যে আগুন জ্বালালো, ফলে ফড়িংদল পতঙ্গরাজি তাতে পড়তে লাগল। আর সে ব্যক্তি তাদের তা থেকে তাড়াতে লাগল। অনুরূপ আমিও আগুন থেকে রক্ষার জন্য তোমাদের কোমর ধরে টানছি, আর তোমরা আমার হাত থেকে ছুটে যাচ্ছ। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ২২৮৫
উম্মতের হেদায়েত লাভে তাঁর দরদ ও আত্মত্যাগের মাত্রা বুঝবার জন্য কুরআন কারীমের এই একটি আয়াতই যথেষ্ট-
অর্থাৎ, মনে হয় যেন আপনি ওদের পিছনে পরিতাপ করতে করতে স্বীয় প্রাণ নাশ করে ফেলবেন, যদি ওরা এই বাণীর প্রতি ঈমান না আনে। -সূরা কাহ্ফ (১৮) : ৬
এমনকি অকৃতজ্ঞ উম্মতের ধৃষ্টতার সামনেও তাঁর দয়ার বাঁধ ছিল অটল। তায়েফবাসীর কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন তাওহীদের বাণী, হেদায়েতের পয়গাম। তাদেরকে দেখাতে চেয়েছিলেন মুক্তির পথ। কিন্তু তাদের অজ্ঞতা তাদের উপর চেপে বসল। চরম ধৃষ্টতা দেখিয়ে তারা নবীজীর উপর চড়াও হল। পাথরের আঘাতে তাঁকে জর্জরিত করল। আঘাতে আঘাতে তাঁকে রক্তাক্ত করে ফেলল। কেঁপে উঠল আল্লাহর আরশ। পাঠালেন জিবরীল আমীনকে। জিবরীল বললেন-
আপনার কওম আপনার উদ্দেশে যা বলেছে এবং আপনার সাথে যে আচরণ করেছে আল্লাহ তা দেখেছেন। আপনার আদেশ পালনে পাহাড়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ফিরিশতাকে পাঠিয়েছেন। তখন পাহাড়ের ফিরিশতা আমাকে সম্বোধন করে সালাম দিল এবং বলল, আমি পাহাড়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ফিরিশতা। হে মুহাম্মাদ! আপনার কওমের বক্তব্য আল্লাহ শুনেছেন। আমাকে পাঠিয়েছেন আপনার আদেশ পালন করতে। আপনি আমাকে কী আদেশ করবেন করুন। আপনি যদি আদেশ করেন তাহলে আমি দুই পাহাড়ের মাঝে এদেরকে পিষে ফেলব।
কিন্তু দয়ার সাগর নবীজী জবাব দিলেন-
(আমি এটা চাই না;) বরং আমি আশা রাখি, আল্লাহ তাআলা এদের বংশধরদের মাঝে এমন মানুষ বের করবেন, যারা এক আল্লাহ্র ইবাদত করবে, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৭৯৫; সহীহ বুখারী, হাদীস ৩২৩১ | 1 046 |
| 18 | উস্তাদ হাফিজ আল মুনাদি ও উস্তাদ এফজেড ইমরান উভয় Sab'a Sanabil Foundation থেকে সরে গিয়েছেন৷ উনারা নানা অভিযোগ ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। এগুলোর কোনো সদুত্তর আসেনি৷
উস্তাদ হাফিজ আল মুনাদি ও উস্তাদ এফজেড ইমরান এর সততা সম্পর্কে ব্যাক্তিগত ভাবে আমি অবগত। রুকইয়াহ সেক্টরে উনাদের সাথে সামান্য পরিচয় এর সুযোগ হয়েছিলো।
হোপ থেকে এই ফাউন্ডেশন সম্পর্কে সচেতন করা হলো এবং ডোনেট না করার জন্য ব্যাক্তিগত ভাবে অনুরোধ করা হলো | 1 127 |
| 19 | 🌸সিরিজ: রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম....
🍁পর্ব: ৩.৯ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... )
আমরা ছিলাম পথহারা, দিশেহারা। হেদায়াত ও সফলতার পথ সম্পর্কে ছিলাম অজ্ঞ। অতপর মহান রাব্বুল আলামীন হেদায়েতের বার্তা দিয়ে প্রেরণ করলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে। তিনি এসে আমাদেরকে সত্য-মিথ্যা চিনিয়েছেন। আমাদের নিকট সত্য দ্বীন নিয়ে এসেছেন। নাজাতের পথ দেখিয়েছেন। আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের পন্থা শিখিয়েছেন। এ ছিল আমাদের প্রতি আল্লাহর মহা অনুগ্রহ। এই অনুগ্রহের বর্ণনা পবিত্র কুরআনে মাজীদে এভাবে এসেছে-
আল্লাহ মুমিনদের প্রতি বড় অনুগ্রহ করেছেন; তিনি তাদেরই নিজেদের মধ্য হতে তাদের নিকট রাসূল প্রেরণ করেছেন। যিনি তাদের সামনে আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করেন, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমাহ শিক্ষা দেন, যদিও তারা এর আগে সুস্পষ্ট গোমরাহীতে লিপ্ত ছিল। -সূরা আলে ইমরান (৩) : ১৬৪
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমনিভাবে নবীগণের সর্দার তেমনিভাবে মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবেও তিনি সকলের চেয়ে মহান। তিনি এমন এক উৎকৃষ্ট সমাজ রেখে গেছেন, যার নজীর পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পরবর্তীরাও উৎকর্ষের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে পারে। কারণ তিনি সমাজ বিনির্মাণ করেছেন ওহীর ভিত্তিতে, যে ওহী মানব সভ্যতার প্রকৃত উৎকর্ষ নিশ্চিত করে। আর তাই এই উম্মতের জন্য তাঁকে মনোনীত করা উম্মতের প্রতি আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহ। তবে এই অনুগ্রহ থেকে তারাই মূলত উপকৃত হয়, যারা ঈমান আনে। তাই আয়াতে ব্যাপকভাবে উম্মতের বদলে শুধু মুমিনদের কথা বলা হয়েছে।
তিনি এসেছেন রহমত হয়ে
তিনি জগদ্বাসীর জন্য রহমত হয়ে এসেছেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন-
(হে নবী!) আমি তোমাকে বিশ্ব জগতের জন্য কেবল রহমত করেই পাঠিয়েছি। -সূরা আম্বিয়া (২১) : ১০৭
ইমাম ত্ববারী রাহ. বলেছেন-
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জগতের সকলের প্রতি আল্লাহ পাকের রহমত। মুমিন-কাফির নির্বিশেষে সকল মাখলুকই কিয়ামত পর্যন্ত এই মহান রহমতের মাধ্যমে উপকৃত হতে থাকবে। মুমিনকে তো আল্লাহ তাআলা তাঁর মাধ্যমে হিদায়াত দান করেছেন। তাঁর উপর ঈমান আনা এবং তিনি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে যে পয়গাম নিয়ে এসেছেন সে অনুযায়ী আমল করার কারণে তাকে জান্নাত দেবেন। আর এই উম্মতের অবিশ্বাসীকে তাঁর কারণে পূর্ববর্তী উম্মতের অবিশ্বাসীর মতো নগদ শাস্তি দেবেন না। -তাফসীরে ত্ববারী ১৮/৫৫২
মাওলানা শাব্বীর আহমদ উসমানী রাহ. এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, কাফেরদের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে জিহাদ করেছেন সেটাও ব্যাপকার্থে প্রকাশ্য রহমত ছিল। কেননা এর মাধ্যমে বড় রহমত, যা তিনি আল্লাহর তরফ থেকে নিয়ে এসেছিলেন তার হেফাজত হয়েছিল। তাছাড়া এর ফলে এমন অনেকের ঈমানের প্রতি অন্তর্দৃষ্টি খুলে গিয়েছিল, যে ব্যাপারে তারা স্বেচ্ছায় অন্ধত্ব বয়ে বেড়াচ্ছিল। (দ্র. তাফসীরে উসমানী) | 1 224 |
| 20 | একদিন বাজারে এক সাহাবিকে ইচ্ছামতো কিছু কিনতে দেখে থেমে গেলেন উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)।
অবাক হয়ে তিনি শুধু একটি প্রশ্ন করলেন-
"তোমার কি যখনই কিছু ইচ্ছা করে, তখনই তা কিনে ফেলো?"
খেয়াল করুন,
প্রশ্নটি শুধু সেই সাহাবির জন্য ছিল না।
হয়তো আজ আমাদের জন্যও।
কারণ আজ...
যখন-তখন ইচ্ছা হলেই ফেইসবুকে ডুব দেই,
ট্রিগারিং কিছু দেখলেই ক্লিক করে বসি।
মন চাইলেই যা-তা শেয়ার করি,
অন্তরে সামান্য একটি তাড়না উঠলেই সেদিকে ছুটে চলি।
আমরা ভাবি, "মন যা চায়, তাই করতে পারাই স্বাধীনতা।"
কিন্তু সত্যিকারের স্বাধীনতা হলো-
মন যা চায়, সবসময় তা না করার ক্ষমতা অর্জন করা।
আধুনিক মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় Impulse Control।
আর উমর (রা.) ১৪০০ বছর আগেই একটি প্রশ্নের মাধ্যমে আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়ে গেছেন।
তাহলে প্রশ্ন, কীভাবে নিজের আত্মনিয়ন্ত্রণ বাড়াবেন?
১. ২ মিনিট অপেক্ষা করুন।
মনের তাড়না উঠলেই সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দেবেন না। নিজেকে সময় দিন।
২. ছোট ছোট বিষয়ে "না" বলতে শিখুন।
প্রতিদিনের ছোট আত্মনিয়ন্ত্রণই বড় গুনাহ থেকে বাঁচার শক্তি তৈরি করে।
৩. পরিবেশ বদলে ফেলুন।
ফোনটা রেখে উঠে যান, ওযু করুন, অন্য রুমে যান বা হাঁটুন। অনেক সময় জায়গা বদলালেই চিন্তার গতিপথ বদলে যায়।
শেষে শুধু একটি কথা মনে রাখবেন,
আপনি মনের দাস নন। মন আপনার দাস হওয়ার কথা। তাই, মনের ওপর লাগাম দিন...
আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিজের নফসের ওপর নিয়ন্ত্রণ অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমীন।
https://t.me/RijalatTaqwa | 1 534 |
