Hope
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop
Больше📈 Аналитический обзор Telegram-канала Hope
Канал Hope (@hope24hours) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 17 746 подписчиков, занимая 4 646 место в категории Религия и духовность и 1 265 место в регионе Бангладеш.
📊 Показатели аудитории и динамика
С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 17 746 подписчиков.
Согласно последним данным от 18 июля, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -71, а за последние 24 часа — -3, при этом общий охват остаётся высоким.
- Статус верификации: Не верифицирован
- Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 8.01%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 3.09% реакций от общего числа подписчиков.
- Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 421 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 549 просмотров.
- Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 25.
📝 Описание и контентная политика
Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
“আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন।
প্রয়োজনে: @HopeDM
আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215
এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours
উত্তর:
https://t.me/a_teardrop”
Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 19 июля, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.
Загрузка данных...
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 18 июля | +4 | |||
| 17 июля | 0 | |||
| 16 июля | 0 | |||
| 15 июля | 0 | |||
| 14 июля | +5 | |||
| 13 июля | +2 | |||
| 12 июля | 0 | |||
| 11 июля | 0 | |||
| 10 июля | +9 | |||
| 09 июля | +2 | |||
| 08 июля | +3 | |||
| 07 июля | +10 | |||
| 06 июля | 0 | |||
| 05 июля | 0 | |||
| 04 июля | +3 | |||
| 03 июля | 0 | |||
| 02 июля | +8 | |||
| 01 июля | 0 |
| 2 | Нет текста... | 117 |
| 3 | সূরা মূলক পড়ে ঘুমাব ইন শা আল্লাহ | 299 |
| 4 | নিজের নফসকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন? - মাওলানা সাজ্জাদ নোমানি হাফিজাহুল্লাহ। @islamicvideo24hours
কনটেক্সট: https://t.me/SocietyUncensored/10755?single | 533 |
| 5 | 📖 ৮৯. আল-ফাজর
২৩. আর সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, তখন এ স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
২৪. সে বলবে, হায়! আমার এ জীবনের জন্য আমি যদি কিছু অগ্রিম পাঠাতাম?
তাফসীর থেকে:
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “সেদিন জাহান্নামের সত্তর হাজার লাগাম থাকবে এবং প্রত্যেক লাগামে সত্তর হাজার ফেরেশতা থাকবে। তারা জাহান্নামকে টেনে নিয়ে আসবে।” (এ হাদীসটি ইমাম মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ স্বীয় সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে এটা ইমাম তিরমিযীও (রঃ) আবদুল্লাহ ইবনে আবদির রহমান দারিমী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন) সেদিন মানুষ তার নতুন পুরাতন সকল আমল বা কার্যাবলী স্মরণ করতে থাকবে। মন্দ আমলের জন্যে অনুশোচনা করবে, ভালো কাজ না করা বা কম করার কারণে দুঃখ আফসোস করবে। পাপ কর্মের জন্যে লজ্জিত হবে।
হযরত মুহাম্মদ ইবনে উমরাহ (রাঃ) নামক রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর একজন সাহাবী হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ কোন বান্দা যদি জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত সিজদায় পড়ে থাকে এবং অল্লাহ তা'আলার পূর্ণ আনুগত্যে সারা জীবন কাটিয়ে দেয় তবুও সে কিয়ামতের দিন তার সকল পুণ্যকে তুচ্ছ ও সামান্য মনে করবে। তার একান্ত ইচ্ছা হবে যে, যদি সে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে গিয়ে আরো অনেক পুণ্য সঞ্চয় করতে পারতো।'
-------
☘দুনিয়ার আফসোস আর আখিরাতের আফসোসে তফাত কি আমরা বুঝি? | 640 |
| 6 | Нет текста... | 579 |
| 7 | আজকে মসজিদে নববীতে জুমার খুতবা ছিল সংক্ষিপ্ত, তবে গুরুত্বপূর্ণ। দাম্পত্য জীবনের সংহতি ছিল প্রতিপাদ্য বিষয়। মূল পয়েন্টগুলো সংক্ষেপে আমি নিজের ভাষায় তুলে ধরছি-
ক. তালাক নিয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে, যেন এই বিষয়ে আল্লাহর সীমা কেউ লঙ্ঘন না করে।
খ. স্বামীরা যেমন স্ত্রীদেরকে অহেতুক তালাক দিবে না, তেমনি স্ত্রীরাও যথেষ্ট শক্তিশালী কারণ ছাড়া স্বামীর থেকে তালাক চাইবে না।
গ. স্ত্রীর কোন কিছু পছন্দ না হলে তার মধ্য তালাশ করলে পছন্দ হবার মতো অনেক কিছু পাবে। সেগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে আগের অপছন্দটা সহনশীল হবে।
ঘ. কোন নারী অহেতুক স্বামীর থেকে তালাক চাইলে সে জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না।
ঙ. দাম্পত্য জীবনের স্থিতিশীলতার সবচে বড় মাধ্যম হলো উভয় পক্ষ থেকেই সবর অবলম্বন করার চর্চা করা। - আব্দুল্লাহ আল মাসুদ | 763 |
| 8 | দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে... | 791 |
| 9 | দুরুদ এর মত ছোট, সহজ কিন্তু ইফেক্টিভ আমল আর নেই... | 905 |
| 10 | “আর কাফির বলবেঃ হায়, আমি যদি মাটি হতাম।” অর্থাৎ দুনিয়ায় যদি আমরা মাটিরূপে থাকতাম, যদি আমাদেরকে সৃষ্টিই না করা হতো এবং আমাদের কোন অস্তিত্বই না থাকতো তবে কতই না ভাল হতো! তারা সেদিন আল্লাহর আযাব স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবে। নিজেদের মন্দ ও পাপকর্মগুলো সামনে থাকবে যেগুলো পবিত্র ফেরেশতাদের ন্যায়পূর্ণ হস্তে লিখিত হয়েছে।
সুতরাং একটি অর্থ তো এই হলো যে, তারা দুনিয়াতেই মাটি হবার আকাঙ্ক্ষা করবে। অর্থাৎ সৃষ্টি না হওয়া কামনা করবে। দ্বিতীয় অর্থ এই যে, যখন জীবজন্তুগুলোর ফায়সালা হয়ে যাবে এবং প্রতিশোধ গ্রহণ করিয়ে দেয়া হবে, এমন কি যদি শিংবিহীন বকরীকে শিংবিশিষ্ট বকরী মেরে থাকে তবে তারও প্রতিশোধ নিয়ে দেয়া হবে। তারপর তাদেরকে (জন্তুগুলোকে) বলা হবেঃ তোমরা মাটি হয়ে যাও, তখন তারা মাটি হয়ে যাবে। তখন এই কাফির লোকও বলবেঃ হায়, যদি আমি (এদের মত) মাটি হয়ে যেতাম! অর্থাৎ যদি আমিও জন্তু হতাম এবং এভাবে মাটি হয়ে যেতাম তবে কতই না ভাল হতো!
- ইবনে কাসীর | 947 |
| 11 | সূরা কাহাফ আর দুরুদ.... | 889 |
| 12 | 📖 ৬৮. আল-কলম - আয়াতঃ ৪২
স্মরণ করুন, সে দিনের কথা যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচিত করা হবে(১), সেদিন তাদেরকে ডাকা হবে সিজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না;
জাকারিয়া তাফসীর:
(১) আয়াতে বলা হয়েছে, "যেদিন পায়ের গোছা উম্মোচিত করা হবে"। পায়ের গোছা উম্মোচিত করার এক অর্থ অবস্থা কঠিন হওয়াও হয়। আর তখন অর্থ হবে, যেদিন মানুষের অবস্থা অত্যন্ত কঠিন হবে। [বাগভী; ফাতহুল কাদীর] কিন্তু এ আয়াতের তাফসীরে সহীহ হাদীসে স্পষ্ট এসেছে যে, এখানে মহান আল্লাহর "পায়ের গোছা" বোঝানো হয়েছে। আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "আমাদের রব তাঁর পায়ের গোছা" অনাবৃত করবেন, ফলে প্রতিটি মুমিন নর ও নারী তাঁর জন্য সিজদাহ করবেন। পক্ষান্তরে যারা দুনিয়াতে প্রদর্শনেচ্ছা কিংবা শুনানোর উদ্দেশ্যে সিজদাহ করেছিল, তারা সিজদাহ করতে সক্ষম হবে না। তারা সিজদাহ করতে যাবে কিন্তু তাদের পিঠ বাঁকা হবে না।" [বুখারী: ৪৯১৯]
ইবনে কাসীরে আরো এসেছে:
এরপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ তাদের দৃষ্টি উপরের দিকে উঠবে না, তারা লাঞ্ছিত ও অপমানিত হবে। কেননা, তারা দুনিয়ায় বড়ই উদ্ধত ও অহংকারী ছিল। সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় যখন তাদেরকে সিজদার জন্যে আহ্বান করা হতো তখন তারা সিজদা করা হতে বিরত থাকতো, যার শাস্তি এই হলো যে, আজ তারা সিজদা করতে চাচ্ছে, কিন্তু করতে পারছে না। পক্ষান্তরে, পূর্বে সিজদা করতে পারতো কিন্তু করতো না। আল্লাহর দ্যুতি বা তাজাল্লী দেখে সমস্ত মু'মিন সিজদায় পতিত হয়ে যাবে। কিন্তু কাফিররা ও মুনাফিকরা সিজদা করতে পারবে না। তাদের কোমর তক্তার মত শক্ত হয়ে যাবে। সুতরাং ঝুঁকতেই পারবে না, বরং পিঠের ভরে চিৎ হয়ে পড়ে যাবে। দুনিয়াতেও তাদের অবস্থা মু'মিনদের বিপরীত, পরকালেও তাদের অবস্থা হবে মুমিনদের বিপরীত।
🛑কিয়ামতের দিন এই ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুক, আমীন। ইখলাসের সাথে আমলের তাওফীক দিক, আমীন। | 1 024 |
| 13 | Нет текста... | 792 |
| 14 | প্রশান্তি মূলত কীসে ┇ মাওলানা সাজ্জাদ নোমানী ┇ Molana Sajjad Nomani @islamicvideo24hours | 923 |
| 15 | বর্ণনাকারী: আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে।
রেফারেন্স:হাদিস নং ১৩, সহিহ বুখারী | 972 |
| 16 | দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় কতটা তুচ্ছ?
কারও দুনিয়ার জীবন ৫০ বছর, কারও ৬০ বছর, কারও ৮০ বছর। এর আগে আমরা ছিলাম মায়ের পেটে প্রায় ১০ মাস।
এখন ভাবুন—এই ১০ মাসের জীবনকে ৫০–৮০ বছরের জীবনের সাথে তুলনা করলে কত ছোট মনে হয়! আমরা সবাই বলব—ওটা আবার কোনো জীবন হলো নাকি!
এবার আরেক ধাপ সামনে যাই। ৮০ বছর দুনিয়া কাটিয়ে আমরা কবরে চলে যাব। আদম আ.-এর সময় থেকে আজ পর্যন্ত কত মানুষ কবরে শুয়ে আছে! আর কে জানে আরো কতদিন শুয়ে থাকবে! এখন দুনিয়ার ৫০–৮০ বছরের জীবনকে কবরের এই দীর্ঘ জীবনের সাথে তুলনা করুন—দুনিয়ার জীবন কত তুচ্ছ মনে হবে!
কিন্তু কবরের জীবনও চিরস্থায়ী না। কবরের জীবন যতই দীর্ঘ হোক, এটাও শেষ হয়ে যাবে। তারপর আসবে হাশরের দিন। হাশরের একদিন হবে ৫০ হাজার বছরের সমান!
এখন কবরের জীবনকে এই ৫০ হাজার বছরের সাথে তুলনা করলে—কবরের জীবনও একেবারে তুচ্ছ মনে হবে!
তারপর শুরু হবে আসল জীবন। এই ৫০ হাজার বছরের দিন শেষ হলে শুরু হবে আসল জীবন। যে জীবন কখনো শেষ হবে না, কোনো সীমা নেই, কোনো শেষ নেই। তুমি ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে যাবে, কিন্তু সেই জীবন শেষ হবে না!
#খুতুবাত | 1 128 |
| 17 | বৃষ্টিভেজা এই পথটা শুধু চা পৌঁছে দেওয়ার পথ নয়, এটি এক ছোট্ট যোদ্ধার সংগ্রামের গল্প।
ওর নাম মাহমুদ ফাহিম। ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করেও বাবার চায়ের দোকানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখেনি। এক হাতে ছাতা, অন্য হাতে চায়ের কেতলি জীবনের কঠিন বাস্তবতার মাঝেও সে এগিয়ে চলছে।
অনেকের কাছে বৃষ্টি রোমান্টিক, কিন্তু কারও কারও কাছে বৃষ্টি মানে দায়িত্ব, সংগ্রাম আর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি। মাহমুদ ফাহিমের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং তার প্রতিটি কষ্ট সহজ করে দেন। - copied
@happy_picturess | 1 111 |
| 18 | দুরুদ শরীফের অপার ফজিলত
=======================
দুরুদ শরীফ শুধু কয়েকটি শব্দের যিকির নয়; এটি আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল, নবী ﷺ–এর প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের একটি মহান মাধ্যম।
এই চারটি বিষয় হৃদয়ে ধারণ করে দুরুদ পড়ুন—ইনশা আল্লাহ,
দুরুদের প্রতি আপনার ভালোবাসা ও আগ্রহ দিন দিন বেড়ে যাবে।
১) আপনি যখন দুরুদ পড়েন,
রাসূল ﷺ-এর কাছে আপনার দুরুদ পৌঁছে যায়
আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন,
আপনার পড়া দুরুদ আল্লাহর ব্যবস্থাপনায় রাসূল ﷺ-এর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমরা যেখানেই থাকো না কেন,
তোমাদের দুরুদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।"
(সুনান আবু দাউদ : ২০৪২;
মুসনাদ আহমদ: ১০৫৯৪)।
আরেকটি সহিহ বর্ণনায় এসেছে,
বিশেষ ফেরেশতারা উম্মতের সালাম ও দুরুদ রাসূল ﷺ-এর কাছে পৌঁছে দেন এবং দুরুদ পাঠকারীর পরিচয়ও উল্লেখ করেন।
ভাবুন তো, কোটি কোটি উম্মতের মাঝে
আপনার নামও সেই সৌভাগ্যবানদের তালিকায় উচ্চারিত হচ্ছে—এটি কত বড় সম্মান!
২) একবার দুরুদ পড়লে আল্লাহ দশগুণ রহমত বর্ষণ করেন
রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দুরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন,
তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং
তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।"»
(সুনান আন-নাসায়ি: ১২৯৭;
সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯০৮)।
আর আল্লাহ তাআলা নিজেই নির্দেশ দিয়েছেন—
"নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর নবীর প্রতি রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা দোয়া করেন । হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম প্রেরণ করো।"
— সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৫৬।
যে আমল আল্লাহ নিজে করেন, ফেরেশতারাও করেন, সেই আমলে শরিক হওয়া কত বড় সৌভাগ্য!
৩) দুরুদ দুশ্চিন্তা দূর করে, গুনাহ ক্ষমার কারণ হয়
উবাই ইবন কা'ব (রা.) নবী ﷺ-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি তাঁর দোয়ার কতটুকু অংশ দুরুদের জন্য নির্ধারণ করবেন। শেষে যখন বললেন, "পুরোটাই?", তখন রাসূল ﷺ বললেন:
"তাহলে তোমার সব দুশ্চিন্তা দূর করে দেওয়া হবে এবং তোমার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ২৪৫৭ — সহিহ)।
তাই জীবনের কষ্ট, অস্থিরতা ও সংকটের সময় দুরুদকে নিজের নিত্যসঙ্গী বানান।
এটি অন্তরে প্রশান্তি আনে এবং
আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম।
৪) যিনি আমাদের জন্য কেঁদেছেন,
তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠাতে কৃপণতা কেন?
রাসূল ﷺ আমাদের মুক্তির জন্য অকল্পনীয় কষ্ট সহ্য করেছেন। তায়েফে রক্তাক্ত হয়েছেন, উহুদে আহত হয়েছেন, তবুও উম্মতের জন্যই দোয়া করেছেন।
কিয়ামতের ভয়াবহ দিনে,
যখন প্রত্যেকে নিজের চিন্তায় ব্যস্ত থাকবে, তখন তিনি বলবেন—
'ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি'
(আমার উম্মত! আমার উম্মত!)
(সহিহ মুসলিম: ২০২)।
এই ভালোবাসার প্রতিদান আমরা কখনোই দিতে পারব না। তবে অন্তত বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করে তাঁর প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ করতে পারি।
অতিরিক্ত আমল :
দুরুদের পাশাপাশি বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন এবং দোয়া ইউনুস পাঠ করুন—
لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
এটি বিপদে পড়া নবী ইউনুস (আ.)-এর দোয়া। আল্লাহ তাআলা কুরআনে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং এভাবে তিনি মুমিনদেরও মুক্তি দেন।
আসুন, প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় দুরুদ,
ইস্তিগফার ও আল্লাহর যিকিরে ব্যয় করি।
হয়তো এই সামান্য আমলই হবে
আমাদের গুনাহ ক্ষমার কারণ,
হৃদয়ের প্রশান্তির কারণ এবং
জান্নাতের পথে সবচেয়ে সুন্দর পাথেয়।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করার, ইস্তিগফারে অভ্যস্ত হওয়ার এবং রাসূল ﷺ–এর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার তাওফিক দান করুন।
আমীন।
Focused | 1 256 |
| 19 | আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৪৭
Surah Baqarah ২:৪৩
وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱرۡكَعُواْ مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ
অর্থ : আর তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা করো ও যাকাত দাও এবং রুকূ’কারীদের সাথে রুকূ করো [১]।
[১] হাসান বলেন, সালাত এমন এক ফরয যা না পাওয়া গেলে অন্য কোনো আমলই কবুল করা হয় না। অনুরূপভাবে যাকাতও। [আত-তাফসীরুস সহীহ]
আয়াতে বর্ণিত রুকূ’ এর শাব্দিক অর্থ ঝুঁকা বা প্রণত হওয়া। এ অর্থের পরিপ্রেক্ষিতে এ শব্দ সিজদার স্থলেও ব্যবহৃত হয়। কেননা সেটাও ঝুঁকারই সর্বশেষ স্তর। কিন্তু শরীআতের পরিভাষায় ঐ বিশেষ ঝুঁকাকে রুকূ’ বলা হয়, যা সালাতের মধ্যে প্রচলিত ও পরিচিত। আয়াতের অর্থ এই যে, রুকূ’কারীগণের সাথে রুকূ‘ কর। এখানে প্রণিধানযোগ্য এই যে, সালাতের সমগ্ৰ অংগ-প্রত্যংগের মধ্যে রুকূ’কে বিশেষভাবে কেন উল্লেখ করা হলো? উত্তর এই যে, এখানে সালাতের একটি অংশ উল্লেখ করে গোটা সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। যেমন, কুরআনুল কারীমের এক জায়গায় (وَقُرْاٰنَ الْفَجْرِ) ‘ফজর সালাতের কুরআন পাঠ' বলে সম্পূর্ণ ফজরের সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। তাছাড়া হাদীসের কোনো কোনো রেওয়াতে ‘সিজদা’ শব্দ ব্যবহার করে পূর্ণ এক রাকাআত বা গোটা সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। সুতরাং এর মর্ম এই যে, সালাত আদায়কারীগণের সাথে সালাত আদায় কর। অর্থাৎ রুকূ’কারীদের সাথে শব্দদ্বয়ের দ্বারা জামা'আতের সাথে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
-Tafsir Abu Bakr Zakaria
সকল পর্ব | 1 085 |
| 20 | sticker.webp | 986 |
