fa
Feedback
Nashita Wellness

Nashita Wellness

رفتن به کانال در Telegram

নাশিতা (نشط) শব্দটির বাংলা হল পুনর্জীবিত করা (revive)। আমাদের লক্ষ্য- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ গুলো পুনর্জীবিত করা; সুন্নাহর পরশে এই মৃতপ্রায় সমাজকে বাঁচিয়ে তোলা; মানুষের মাঝে কল্যাণ (wellness) ছড়িয়ে দেয়া- উভয় দুনিয়ার ও আখিরাতের।

نمایش بیشتر
5 411
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-57 روز
-730 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
اوت '26
اوت '26
+31
در 0 کانال‌ها
ژوئیه '26
+39
در 2 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '26
+34
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+58
در 1 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+47
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+43
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+93
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+50
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+75
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+211
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+30
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+82
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+35
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+22
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+31
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+91
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+157
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+222
در 1 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+96
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+93
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+87
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+57
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+80
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+282
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+170
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+57
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+83
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+22
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+128
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+88
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+184
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+132
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+85
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+441
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+1 160
در 1 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+55
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+62
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+95
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+109
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+79
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+82
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '23
+128
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '23
+87
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '23
+37
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '22
+73
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '22
+59
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '22
+128
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '22
+67
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '22
+36
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '22
+102
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '22
+107
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '22
+52
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '22
+140
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '22
+315
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '22
+123
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '22
+280
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '21
+41
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '21
+184
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '21
+29
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '21
+42
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '21
+764
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
19 اوت+1
18 اوت0
17 اوت0
16 اوت0
15 اوت+1
14 اوت+1
13 اوت+1
12 اوت+3
11 اوت+4
10 اوت+1
09 اوت+1
08 اوت+2
07 اوت+1
06 اوت+6
05 اوت+1
04 اوت+3
03 اوت+3
02 اوت+1
01 اوت+1
پست‌های کانال
একবার ইব্রাহীম (আঃ) স্ত্রী সারাকে নিয়ে এমন এক জনপদে যান, যেখানে একজন স্বৈরাচারী শাসক ছিল। সেই শাসক খবর পাওয়া মাত্র সারাকে তলব করে।  সারা উপস্থিত হলে সে তাঁর দিকে অগ্রসর হতে থাকে মন্দ উদ্দেশ্য নিয়ে। অপর দিকে সারা আল্লাহর কাছে দুআ করতে থাকেন- اللهُمَّ إِنْ كُنْتُ آمَنْتُ بِكَ وَبِرَسُولِكَ فَلاَ تُسَلِّطْ عَلَيَّ الْكَافِرَ (আল্লাহুম্মা ইন কুনতু আমানতু বিকা, ওয়াবি রাসুলিকা, ফালা তুসল্লিত আলাইয়াল কাফির) "হে আল্লাহ্! আমি যদি তোমার ও তোমার রাসূলের প্রতি ঈমান এনে থাকি তাহলে আমার উপর ঐ কাফিরকে ক্ষমতা দিও না।" দুআ করার সঙ্গে সঙ্গেই জালেমের হাত, পা, এমনকি সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশ হয়ে যায়। এভাবে আল্লাহ তাআলা সারার ইজ্জত রক্ষা করেন।  প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় তিন কুল, আয়াতুল কুরসী ও নিরাপত্তা লাভের মাসনূন দুআ গুলোর পাশাপাশি এই দুআটি পড়তে পারেন। নিজে পড়বেন, আর বাচ্চাদেরও ফুঁ দিয়ে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ দুআ শ্রবণকারী ও সকলের হিফাজতকারী। আমাদের নিরাপত্তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।  #Nashita_Wellness

2
بدون متن...
901
3
অনেক সময় দেখা যায়, একজন সবসময় খুব হেলদি খাবার খায় তবু প্রায়ই বিভিন্ন অসুখে ভোগে। কখনও আবার দেখা যায়, মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগ ধরা পড়ে, কিন্তু দৃশ্যমান কারণ কোনভাবেই বের করা সম্ভব হয়। অথবা, ডাক্তার রিপোর্ট দেখে জানায় সব ঠিক আছে, কিন্তু রোগী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ব্যথা ও কষ্ট অনুভব করে। অদ্ভুত হলেও এই ঘটনাগুলো সত্য, আমাদের চারপাশে প্রায়ই ঘটে। রোগের মূল কারণ ঠাহর না করতে পারার ফলে স্বাভাবিকভাবে নিরাময় করাও সম্ভব হয় না। আমরা অসুস্থ হলে ভাবি, ওষুধ খেলেই ঠিক হয়ে যাবো। অথচ অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ তেমন কিছু করতে পারে না, বরং অন্যান্য ফ্যাক্টর বেশি ভূমিকা রাখে। যেমন, ডেইলি মুভমেন্ট কম হওয়ার কারণে হেলদি খাবার খেলেও শরীর পুষ্টি ঠিকমত পায় না। তাছাড়া খাবারে ভেজালের কারণে শরীরের অঙ্গগুলো স্বাভাবিক কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে, ফলে সমস্যা আরও প্রকট হয়। শারীরিক অসুস্থতার পিছনে আরো কারণ হতে পারে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন আর ডিভাইস এডিকশান, যেসব নানা মানসিক সমস্যার জন্যও দায়ী। শরীর ও মন তো একে অন্যের সাথে সম্পর্কিত, বর্তমান বিজ্ঞান এমনই বলছে। আবার কিছু অদৃশ্য কারণও আছে, যেসব ব্যাপারে বিজ্ঞান আজ পর্যন্ত কোন তথ্য দিতে পারে নি। কিন্তু আমরা কুরআন ও হাদীস থেকে এর কথা জানতে পারি, এবং মুসলিম হিসেবে বিশ্বাস করি। আল্লাহ কুরআনে জ্বিন ও শয়তা"নের কথা বলেছেন। রাসূল (সা:) স্বয়ং সিহরে আক্রান্ত হয়েছেন। সাহাবারা বদ নজরের শিকার হয়েছেন। যুগ যুগ ধরেই এগুলোর চর্চা ছিল, আছে, থাকবে। তবে এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করার দরকার নেই। কারণ আল্লাহ এমন কোন রোগ দেননি, যার কোন প্রতিকার নেই। আমাদের সেটা কেবল খুঁজে বের করতে হবে। তাই যেকোন রোগ হলে সেটার কারণ নিয়ে অস্থির না হয়ে দুআ ও দাওয়াই একত্রে অবলম্বন করা উত্তম। এতে নিরাময়ের সম্ভাবনা বেড়ে যায় বহুগুণ। রোগ যেটাই হোক, শিফা তো আসে এক আল্লাহর থেকেও। আমাদের চেষ্টা ও বাকি সব কিছু উসীলা মাত্র। [আমাদের ডিটক্স চ্যালেঞ্জ এ শরীর, মন ও রূহের ত্রিমুখী ট্রিটমেন্ট দেয়া হয়েছে। লিংক কমেন্টে থাকছে] #Nashita_Wellness
1 064
4
بدون متن...
800
5
অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত নানা রকম ক্ষতিকর পদার্থ বা টক্সিন জমা হচ্ছে। সুস্থ থাকতে এই টক্সিনগুলো দূর করা অত্যন্ত জরুরি, যাকে ডিটক্সিফিকেশন বা সংক্ষেপে ডিটক্স বলা হয়ে থাকে।  আমাদের শরীরের প্রধান দুটি ফিল্টার অঙ্গ হলো লিভার ও কিডনি, যা ক্ষতিকর উপাদান ছেঁকে বের করে দেয়। কিন্তু অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, অলস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং দূষণের ফলে এই অঙ্গগুলোর কার্যক্ষমতা কমে যায়। ডিটক্স প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যখন শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদানগুলো নিয়মিত পরিষ্কার হতে থাকে, তখন ফ্যাট বা চর্বি জমার প্রবণতা কমে যায়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি রক্ত বিশুদ্ধ হওয়ার কারণে এর ইতিবাচক প্রভাব সরাসরি ত্বকের ওপর দৃশ্যমান হয়।  শরীরের কর্মক্ষমতা এবং রোগ প্রতিরোধ বাড়াতেও ডিটক্সের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বিষাক্ত পদার্থ জমে থাকলে শরীর সারাক্ষণ ক্লান্ত ও অলস মনে হয়, কিন্তু সঠিক ডিটক্সের ফলে ক্লান্তি দূর হয়ে শরীরে নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটে।  তাছাড়া ডিটক্স প্রক্রিয়া অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমায় এবং বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি থেকে শরীরকে রক্ষা করে।  কোনো কৃত্রিম ওষুধ ছাড়াই ফাস্টিং, পর্যাপ্ত পানি পান, এক্সারসাইজ, আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া ইত্যাদি উপায়ের মাধ্যমে ডিটক্স করা সম্ভব। তবে এটা শুধু শরীরের ডিটক্স। একই সাথে আমাদের মন আর রুহের ডিটক্সও জরুরি।  আমাদের ৭ দিনের ডিটক্স নিয়ে দেয়া পোস্টে একটা ছোট্ট গাইডলাইন পাবেন এই নিয়ে (লিংক কমেন্টে)। এই বরকতময় জিলহজ্জে সেটা শুরু করতে পারেন, অথবা চাইলে পরেও করতে পারেন।  ৭ দিনের প্রোটোকল শুরু করার আগে কয়টি বিষয় নোট করবেন: ১. আপনার ওজন (সকালে খালি পেটে মাপবেন) ২. আপনার বডির মাপ (নিশ্বাস ছেড়ে ফিতা দিয়ে কোমর, বুক, বাহুর মাপ নিবেন) ৩. আপনার স্কিনের অবস্থা (একটা সেলফি তুলে রাখবেন) সাত দিন শেষে আবার এগুলো নোট করবেন এবং মিলিয়ে দেখবেন। খুব বেশি পার্থক্য চোখে ধরা না পড়লেও, কিছুটা ভালো অনুভব করার কথা।  কারো মনে কোন প্রশ্ন থাকলে জিজ্ঞেস করতে পারেন। আমরা হেল্প করার চেষ্টা করবো, ইন শা আল্লাহ।  #Detox_Challenge_by_Nashita #Nashita_Wellness 
918
6
بدون متن...
721
7
بدون متن...
894
8
✳️ প্রো টিপস: ফোন সেটিংস এর wellbeing এ গিয়ে এডিকটিভ সাইট গুলো ব্লক করে দিতে পারেন। 👉 আপনি কি চ্যালেঞ্জ নিতে আগ্রহী? তাহলে কমেন্টে লিখুন: ইন শা আল্লাহ। (অথবা, আমাদের পেইজে মেসেজ করে জানান) 📌 জিলহজ্জের ১-৩ তারিখের ভেতর চ্যালেঞ্জ শুরু করতে হবে আর ৯ তারিখের ভেতর কমপ্লিট করতে হবে। যেদিন শুরু করবেন, টানা ৭দিন চলবে। একটি কাগজে ৭টি টার্গেট লিখবেন, আর প্রতিদিন পাশে ঠিক চিহ্ন দিবেন। ঈদের পর কমেন্টকারী সকলের আপডেট নেয়া হবে, ইন শা আল্লাহ।  এছাড়া, Nashita Womens Club নামের টেলিগ্রাম গ্রুপে রেগুলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হবে। বোনেরা চাইলে জয়েন করতে পারেন। প্রিয়জনদের পার্টনার বানিয়ে চ্যালেঞ্জ শুরু করে দিন, আল্লাহর নামে। #Nashita_Wellness 
884
9
 ❇️ 7-Day Detox Challenge ❇️ ডিটক্স (Detox) অর্থ হলো ক্ষতিকর টক্সিন  বের করার প্রক্রিয়া। জিলহজ্জের এই সেরা দিনগুলোতে আমরা সবাই ইবাদতের পাশাপাশি আমাদের শরীর, মন আর রুহের সাফাই করবো, ইন শা আল্লাহ। থাকবে ৭ দিনে ৭টা করে টার্গেট। প্রতিদিন প্রতিটি করার চেষ্টা চলবে। নিচে বিস্তারিত দেয়া হলো। ১. ফাস্টিং ফাস্টিং (রোজা বা উপবাস) করলে আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম কিছুটা রেস্ট পায়। ১২ ঘণ্টা অতিক্রম করলে শরীরে “অটোফ্যাজি” নামে একটি প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়, যেখানে পুরোনো বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পরিষ্কার করা হয়। তাই আমাদের চেষ্টা থাকবে জিলহজ্জের শুরুর দিনগুলোয় রোজা রাখা, যা এমনিতেও সুন্নত। সেটা সম্ভব না হলে ডিনারের সাথে পরদিনের ব্রেকফাস্টে ১৪-১৬ ঘণ্টা বিরতি দেয়া। ✳️ প্রো টিপস: ফাসটিং এর সর্বোচ্চ উপকার পেতে চাইলে আপনাকে ইফতারে অবশ্যই সাদা চিনি পরিহার করতে হবে। তবে চাইলে মধু খেতে পারেন।   ২. খালি পেটে খেজুর ও কালোজিরা খেজুরে থাকা ফাইবার রেচক (Laxative) হিসেবে কাজ করে। কালোজিরার থায়েমোকুইনোন লিভারকে বিষাক্ত পদার্থ থেকে সুরক্ষিত রাখে। তাছাড়া উভয়েই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা শরীরের ক্ষতিকর কোষগুলো ধ্বংস করে। তাই প্রতিদিন খালি পেটে খেজুর ও কালোজিরা খাওয়ার চেষ্টা করবেন। চাইলে ২-৩টি খেজুর ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে নাবীজ বানিয়ে পান করতে পারেন। ✳️ প্রো টিপস: উপকারিতার দিক থেকে আজওয়া খেজুর বেস্ট। হাদীস অনুযায়ী প্রতিদিন ৭টি খেলে যেকোন বিষ ও জাদু থেকে নিরাপদ থাকা যাবে। তবে না পারলে অন্তত ১টি হলেও খাবেন। ৩. সারাদিনে ২-৩ লিটার পানি  সুস্থ থাকতে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা উচিত। তবে ওজন, আবহাওয়া, পরিশ্রম ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে কমবেশি হয়।  প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রায় ৪০ মিলিলিটার পানি খাওয়া প্রয়োজন। আপনি আপনার ওজন অনুযায়ী হিসাব করে টার্গেট সেট করুন। পর্যাপ্ত পানি পান কিডনিকে রক্ত ফিল্টার করতে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। রক্তের পিএইচ এবং ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স রক্ষা করে। ✳️ প্রো টিপস: বাড়তি ডিটক্স ইফেক্ট পেতে পানিতে লেবু ও সামান্য পিংক সল্ট যোগ করতে পারেন।  ৪. সেলফ রুকিয়াহ্  রুকইয়াহ (শরীয়াহসম্মত ঝাড়ফুঁক) হলো বদনজর, হিংসা, জাদুসহ বিভিন্ন শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতারও একটি কার্যকর চিকিৎসা। নিজের রুকিয়াহ্ নিজে করা হলো সুন্নাহ। এটি করাও কঠিন কিছু না। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় মাসনুন দুআ গুলো পড়া রুকিয়াহর অংশ। আরেকটু সময় নিয়ে ৩ অথবা ৭ বার করে সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ে পানিতে ফুঁ দিলেই রুকইয়াহ্ পানি প্রস্তুতি করা যায়, যা পরিবারের সবাই খেতে পারে (জমজমের বা বৃষ্টির পানি হলে ভালো, সাধারণ পানির সাথে মিক্স করা যেতে পারে)। একই সাথে অলিভ অয়েল, মধু, আতর, খেজুর ও কালোজিরায়ও ফুঁ দিতে পারেন। চাইলে এর সাথে রুকইয়ার আরও কিছু বিশেষ আয়াত (যেমন, বাক্বারাহর ১০২, সফফাতের ১-১০) পড়তে পারেন, এতে উপকারিতা আরও বাড়বে ইনশাআল্লাহ। আগামী ৭দিন গোসলের পানিতে এক গ্লাস রুকইয়ার পানি মিশিয়ে নিবেন। ঘর মোছার পানিতেও দিবেন। সিহরের রোগী হলে গোসলের পানির সাথে একটু লবণ, সামান্য বড়ই (সিদরা) পাতা পেস্ট ও আতর মিক্স করার কথা বলা হয়ে থাকে। ✳️ প্রো টিপস: সুরা বাক্বারা সম্পূর্ণ পড়ে পানিতে ফুঁ দিলে সবচেয়ে কার্যকরী হবে। এক বসাতেই পুরাটা পড়ে শেষ করতে হবে এমন না। ৫. ঘাম ঝরানো শরীরের মূল ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া লিভার ও কিডনিতে ঘটলেও, ঘামের মাধ্যমেও অল্প পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া, হেভি মেটাল ইত্যাদি বিষাক্ত পদার্থ বের হতে পারে। বিশেষ করে ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, ফলে টক্সিন বেশি নিষ্কাশন করা যায়। বিভিন্ন এপ বা ভিডিও দেখে করে অল্প সময়েই কার্যকরী ব্যায়াম করতে পারেন। তাই প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট ঘাম ঝরিয়ে ব্যায়াম করুন। নো মোর এক্সকিউজ! ✳️ প্রো টিপস: ডাম্বেল বা কোন ভারী কিছু সাথে নিয়ে একই এক্সারসাইজ করুন, এতে মাসল স্ট্রং হবে। ৬. এক বাটি সালাদ কাঁচা সবজিতে থাকা উচ্চমাত্রার ফাইবার, ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং এনজাইম শরীরের ক্ষতিকর উপাদান সহজেই বের করে দেয়।   চেষ্টা করবেন অন্তত ২ বেলা খাবারের সাথে এক বাটি সালাদ রাখার। বিভিন্ন প্রকারের সবজি হলে সবচেয়ে ভালো, না থাকলে শসা বা গাজর যাই থাকে একটি আস্ত খেয়ে ফেলতে পারেন। ✳️ প্রো টিপস: খাওয়ার শুরুতে এক বাটি সালাদ খেয়ে নিলে সবচেয়ে ভালো ইফেক্ট পাবেন।  ৭. নো স্ক্রলিং  শরীর এর পাশাপাশি মনটাকেও ডিটক্স করুন। সারাদিন স্যোশাল মিডিয়ায় স্ক্রলিং করে আমাদের ব্রেইনে যে অপ্রয়োজনীয় তথ্য ডাম্প করি, তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।  সবচেয়ে ভালো হয় স্যোশাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকলে। যদি কোন প্রয়োজন থাকে, তাহলে ঢুকে নোটিফিকেশন সেকশন থেকে ডাইরেক্ট কাজ সেরে বের হয়ে আসবেন। কোন ভাবেই নিউজফিড এ আসবেন না, রিলস/শর্টস দেখা তো একেবারেই না।
1 020
10
بدون متن...
1 006
11
গুনাহ্ থেকে ফেরা এবং তাওবাহ করা সবসময়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বছরের এ সময়টা হলো আল্লাহ তাআ'লার বিশেষ দয়া লাভের সময়। তাই এসময়ে গুনাহ্ থেকে দূরে থাকা ও এর জন্য অধিক তাওবাহ করা উচিত। ✔️ আরো যা যা করণীয়  ভালো কাজের সওয়াব ও বারাকাহ্ এ সময়ে আরো বেড়ে যায়। ভালো কাজ গুলো হতে পারে- 🔸 বেশি বেশি উপকারী জ্ঞান অর্জন করা (বই কিংবা লেকচার থেকে)। 🔸পরিবারের দেখভাল করা, তাদেরকে সময় দেয়া। 🔸অপরের কাজে সাহায্য করা, সেটা যত সামান্যই হোক না কেন।  🔸ঈদ উপলক্ষে প্রিয়জনদের হাদীয়া দিতে পারেন ইত্যাদি। আসলে, ছোট বা বড় যে কোন ভালো কাজই ইবাদত ও সওয়াবের উসীলা হিসেবে গণ্য হবে, যদি তা আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের উদ্দেশ্যে করা হয়।  আল্লাহ আমাদের এই শ্রেষ্ঠ দশ দিনের সকল নেক আমল কবুল করুন ও পরিপূর্ণ মুসলিম হওয়ার তৌফিক দিন। আমিন। [শীঘ্রই আমরা যিলহজ্ব উপলক্ষে একটি ডিটক্স চ্যালেঞ্জ আয়োজন করতে যাচ্ছি, ইন শা আল্লাহ। পেইজে চোখ রাখবেন।] #Nashita_Wellness
1 005
12
যিলহজ্ব মাসের নামকরণই হয়েছে এ মাসে ইসলামের 'হজ্জ' পালনকে কেন্দ্র করে। তবে যিলহজ্ব মাসের ফজিলত শুধুমাত্র হজ্জ পালনকারীদের জন্যই নয়। হজ্জ করতে যেতে না পারা মানুষদের জন্যও আল্লাহ সাওয়াব অর্জনের বিশাল একটি সুযোগ দিয়েছেন! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহ্ তা'আলার নিকট যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত অপেক্ষা অধিক পছন্দনীয় আর কোন ইবাদত নেই।" [সহিহ্ বুখারী খণ্ড ২, ৪৫৭] কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, যিলহজ্ব এর প্রথম ১০ দিন ইবাদতের সবচেয়ে উত্তম সময় হওয়া সত্ত্বেও আমরা অনেকেই এর সদ্ব্যবহার করতে পারিনা। তাই চলুন জেনে নেই কি কি করণীয় এই বছরের সেরা দশদিনে। ✔️ কুরবানী বা উদহিয়াহ কুরবানী শব্দটি এসেছে ফার্সি কুরবান শব্দ থেকে যার মূল ধাতু 'নৈকট্য'। আরবীতে একে বলে 'উদহিয়াহ'। সামর্থবান মুসলিমদের জন্য (নারী-পুরুষ নির্বিশেষে) এটি আদায় করা কর্তব্য। চাইলে যে কেউ মাংসের কিছু অংশ বা পুরোটাই দরিদ্রদের দান করে দিতে পারেন।  ⚠️ নোট : যে ব্যক্তি কুরবানি দিতে ইচ্ছা করবে, তার জন্য যিলহজ্ব মাসের চাঁদ উঠার পর থেকে কুরবানি করার পূর্ব পর্যন্ত মাথার চুল, হাত বা পায়ের নখ কাটা নিষেধ। ✔️ রোজা বা সিয়াম পালন ইমাম নববী বলেন, “এই দিন গুলোতে (প্রথম নয় দিন) রোযা পালন করা মুস্তাহাব বা পছন্দনীয়”। এতদিন না পারলে অন্তত ৯ তারিখ আরাফার রোযা রাখা উচিত। কেননা আরাফার দিবসের রোযা বিগত এবং আগত এক বছরের গুনাহ মোচন করে দেয়। (সহীহ মুসলিম)  ✔️ যিকির  যিকির বা মৌখিকভাবে আল্লাহর স্মরণ করা বরকতপূর্ণ এই ১০ দিনের জন্য হতে পারে একটি চমৎকার ইবাদত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই জিকিরগুলো করতে উৎসাহিত করেছেন,  🔸তাসবীহ্⇨ সুবহানাল্লাহ্ [আল্লাহ্ পবিত্র] 🔸তাহমিদ⇨ আলহামদুলিল্লাহ্  [সকল প্রশংসা আল্লাহ্'র] 🔸তাকবীর⇨ আল্লাহু আকবার  [আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ] 🔸তাহলীল⇨ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ [আল্লাহই একমাত্র ইলাহ্] এছাড়াও দৈনিক পাঠযোগ্য আরো অনেক জিকির রয়েছে যা আমরা এই কদিন একটু বাড়তি মনোযোগের সাথে পড়তে পারি। ✔️ তাকবীর যিলহজ্ব মাসের চাঁদ উঠার পর থেকেই উঁচু আওয়াজে বেশী বেশী তাকবীর পাঠ করা সুন্নাহ। এ তাকবীর দু‘ ধরণের-  (ক) অনির্দিষ্ট তাকবীর:  সময় ও স্থান নির্ধারণ না করে বাড়ী, মসজিদ, রাস্তা ও বাজারে উঁচু আওয়াজে তাকবীর পাঠ করা। (নারীরা নিচু আওয়াজে)। প্রথম দিন থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত এ তাকবীর চলতে থাকবে।   (খ) নির্দিষ্ট তাকবীর:  অর্থাৎ নির্দিষ্টভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর তাকবীর পাঠ করা। এই তাকবীর যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাযের পর থেকে শুরু করে আইয়ামে তাশরীক তথা যিলহজ্ব মাসের ১৩ তারিখ সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকবে। তাকবীরটি হলো:  الله أكبر , ألله أكبر, لاإله إلا الله, والله أكبر , الله أكبر ولله الحمد  (আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।) ✔️ সালাত ফরজ সালাত তো বটেই, পাশাপাশি সুন্নাহ সালাত গুলো সব আদায় করার চেষ্টা করতে হবে। সেই সাথে সাধ্যানুযায়ী নফল সালাত আদায় করা উচিত, যেমন- দুহার সালাত, তাহাজ্জুদ সালাত, ওযুর পর দুরাকাত সালাত ইত্যাদি। তাছাড়া সালাত ওয়াক্তের শুরুতে পড়ার চেষ্টা করতে হবে, যা আল্লাহর অত্যন্ত পছন্দ। সম্ভব হলে জামাত করে সালাত আদায় করা উচিত, যাতে সাওয়াব বহুগুণে বেড়ে যায়। সালাতে সর্বোচ্চ মনোযোগ (খুশু) নিশ্চিত করতে হবে।  ✔️ কুরআন  যথাসম্ভব কুরআনের সাথে সময় কাটানোর চেষ্টা করতে হবে, বিশেষ করে ফজর সালাতের পর। তিলাওয়াতের পাশাপাশি কিছু আয়াত মুখস্ত করা যায়, অর্থ ও তাফসীর পড়া যায়। এমনকি বিশ্রামের সময়টাতেও কুরআন তিলাওয়াত প্লে করে রাখতে পারেন।  ✔️ সাদাকাহ প্রথমেই নির্দিষ্ট করে রাখুন কত টাকা সাদাকা করবেন এই কদিন। আপনার সাদাকা শুধু যে অপরকে সাহায্য করবে তাই না, আপনাকেও বিপদাপদ থেকে রক্ষা করবে ইন শা আল্লাহ। তাছাড়া এটা আপনার গুনাহ্ মাফের উসিলাও হবে।  ✔️ দুআ দুআও একটি উত্তম ইবাদত। তাই আল্লাহর শেখানো দুআ গুলোর মাধ্যমে নাহয় তারই সুন্দর নাম গুলোর সাহায্যে দুআ করা উচিত। দুআ কবুলের সময় গুলো যেন মিস না হয়ে যায় অন্তত এই কদিন।  ✔️ সুন্নাহ যেকোন ছোট আমলও এই কদিনে অনেক বেশি প্রিয় হবে আল্লাহর কাছে। তাই ছোট খাটো সুন্নাহ গুলোকে অবহেলা না করে গুরুত্বের সাথে পালন করা উচিত। খেজুর খাওয়া, মিসওয়াক করা, সুগন্ধি লাগানো ইত্যাদি অনেক ছোট ছোট সুন্নাহ আছে, যেগুলো আমরা পালন করতে পারি। ✔️ সকলের সাথে সুসম্পর্ক রাখা এই কদিন ব্যক্তিগত আমল করার পাশাপাশি আত্মীয় ও বন্ধুদের খোঁজ নেয়া উচিত। তবে অবশ্যই অপ্রয়োজনীয় গাল গল্প এড়িয়ে যেতে হবে। কারো সাথে দীর্ঘদিন আলাপ না করা হলে কিংবা মনোমালিন্য থাকলে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আবার সুসম্পর্ক গড়ার শ্রেষ্ঠ সময় এখনই।  ✔️ তাওবাহ
947
13
☀️ মিশন জিলহজ্ব-১৪৪৭ 🌱চতুর্থ সপ্তাহ🌱 টার্গেট ১০: আউয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায় টার্গেট ১১: অপরকে খাওয়ানো  টার্গেট ১২: জিলহজ্জের জন্য দুআ জিলহজ্জের আর দশদিনেরও কম বাকি। এখন কোমর বেঁধে লাগবো আমরা। জান প্রাণ দিয়ে আল্লাহকে খুশি করার চেষ্টা করবো, ইন শা আল্লাহ। 🔸টার্গেট ১০: আউয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায় আউয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা অর্থ হলো সালাতের সময় শুরু হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব তা আদায় করা। ইসলামে এটি অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ আমল এবং আল্লাহর কাছে প্রিয় কাজগুলোর একটি। রাসূল ﷺ-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বলেন— "ওয়াক্তের শুরুতে সালাত আদায় করা।" [সহীহ বুখারী] এখন থেকে টার্গেট থাকবে আযান শোনার সাথে সাথে দুনিয়াবি কাজে বিরতি দিয়ে সালাতের জন্য তৈরি হওয়া। 🔸টার্গেট ১১: অপরকে খাওয়ানো  অপরকে খাওয়ানো যে ভালো কাজ, তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু কত ভালো, সেটা হয়তো জানা নেই সবাই। একদিন এক সাহাবী জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, ইসলামের কোন কাজ উত্তম? রাসূল ﷺ বলেন, "তুমি মানুষকে খাদ্য খাওয়াবে এবং পরিচিত ও অপরিচিত সবাইকে সালাম দেবে।" [সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ১২] নিয়মিত রান্না করে কাউকে খাওয়ানো হয়তো আপনার জন্য কষ্টকর। সেক্ষেত্রে কোন এতিমখানায় মাসিক ভিত্তিতে খাবার খরচ দান করতে পারেন। অথবা বিশ্বস্ত চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানকে দান করুন, যারা ক্ষুধার্ত উম্মাহর কাছে খাবার পৌঁছে দিবে। এখন বলতে পারেন, আপনার তেমন সামর্থ্য নেই অপরকে খাবার বা খাবারের খরচ দেয়ার। সেক্ষেত্রে আপনি পশু পাখিকে খাবার দিবেন, সামান্য পানি বা উচ্ছিষ্ট খাবার দিলেই ওরা খুশি। অথবা গাছে পানি দিবেন, চাল/ডাল ধোয়া পানি দিলে সাথে পুষ্টিও পাবে।  হয়তো আগেও এসব করতেন, এবার আল্লাহকে খুশি করার নিয়তে করবেন।  🔸টার্গেট ১২: জিলহজ্জের জন্য দুআ জিলহজ্জে যদি অনেক আমল করতে চান, তাহলে এখন থেকেই সেই তৌফিক আল্লাহর কাছে চেয়ে নেয় সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। তিনি তৌফিক না দিলে তো কিছুই করা সম্ভব না। দুআ করবেন সুন্দর ও বরকতময় জিলহজ্জের জন্য। বছরের সেরা দশটি দিনে যেন নিজের সেরাটা দিতে পারেন। শুধু এই বছর না, আগামী সব জিলহজ্জের জন্যই দুআ করবেন। কোন এক জিলহজ্ব মাসে যেন বায়তুল্লাহর মেহমান হতে পারেন, সেই দুআও করবেন।  আল্লাহ চাইলে সবই সম্ভব। 📌 মিশন জিলহজ্জের ১২টি টার্গেট ও রামাদানের ৩০টি টার্গেট নিয়মিত পালন করার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে সুন্নাহ অভ্যাস যেগুলো, সেগুলোকে প্রায়োরিটি দিবেন। কোন অভ্যাসটা আপনার কাজে লেগেছে কমেন্টে জানাবেন। সব গুলো না হোক, কেবল মাত্র একটি সুঅভ্যাসও যদি আমাদের মিশন গুলোর কারণে আপনার আয়ত্বে এসে যায়, তাহলেই আমরা খুশি। আল্লাহও যেন আমাদের প্রতি খুশি থাকেন। [মিশন জিলহজ্ব এখানেই শেষ হলো। পরবর্তীতে আবার নতুন কোন মিশন নিয়ে হাজির হবো, ইন শা আল্লাহ।] #Mission_zilhajj_1447 #Nashita_Wellness 
1 226
14
بدون متن...
1 050
15
☀️ মিশন জিলহজ্ব-১৪৪৭ 🌱তৃতীয় সপ্তাহ🌱 টার্গেট ৭: সকালে রুকইয়াহ পানি বানানো টার্গেট ৮: সকালে কালোজিরা খাওয়া টার্গেট ৯: সকালে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" পড়া আমরা কিন্তু জিলহজ্জের কাছাকাছি চলে এসেছি। এবার আমরা ফোকাস করবো আমাদের সারাদিনের সুরক্ষার ব্যাপারে, যেন কোন শয়তান বা অসুস্থতা আমাদের কাবু না করতে পারে। 🔸টার্গেট ৭: সকালে রুকইয়াহ পানি বানানো প্রতিদিন সকালে মাসনুন দুআ গুলো পড়া হয় আশা করি। আর কিছু না পড়লেও তিন কুল ও আয়াতুল কুরসী তো মাস্ট পড়তে হবে। এখন থেকে এই সুরা গুলো পড়ার পর পানির জগ বা বোতলে পানি পূর্ণ অবস্থায় ফুঁ দিবেন। হয়ে গেলো রুকইয়াহ পানি বানানো। আপনার ও আপনার পরিবার সারাদিন যেন ওই পানি পান করে। রুকইয়াহ পানি পান করলে বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা যেমন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাছাড়া এটি জাদুটোনা (সিহর), বদনজর (আইন), হিংসা (হাসাদ) এবং জিনের কুপ্রভাব থেকে রক্ষা পেতে অত্যন্ত জরুরি। 🔸টার্গেট ৮: সকালে কালোজিরা খাওয়া প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কালোজিরা খাওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, হজমশক্তি উন্নতি, ওজন কমানো, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং সর্দি-কাশি কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, বাতের ব্যথা কমায় এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে মধু, খেজুর বা হালকা গরম পানির সাথে ১ চা চামচ আস্ত কালোজিরা বা তেল খাওয়া ভালো। 🔸টার্গেট ৯: সকালে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" পড়া আপনি যদি একই সাথে প্রচুর সওয়াব আর অকল্যাণ থেকে রক্ষা পেতে চান তাহলে নিচের বাক্য গুলো মুখস্ত করে নিন অবশ্যই: لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর) অর্থ: একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। বিভিন্ন হাদীসে ফজরের পরে সালাতের বৈঠকে থেকেই ১০০ বার অথবা অন্তত ১০ বার এটি পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।একই ভাবে মাগরিবের পরেও পড়তে বলা হয়েছে। আল্লাহ প্রত্যেক বারের জন্য ১০টি সাওয়াব লিখবেন, ১০ টি গোনাহ ক্ষমা করবেন, তাঁর ১০ টি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। বিশেষত সেদিনের জন্য তাকে সকল অমঙ্গল ও ক্ষতি থেকে রক্ষা করা হবে, শয়তান থেকে পাহারা দেওয়া হবে। [বুখারী (৬৩-কিতাব বাদইয়িল খালক,১১-বাব সিফাত ইব্লিস) ৩/১১৯৮] 📌 যারা টিম করেছেন, তারা নিজ নিজ টিমমেটদের রেগুলার রিমাইন্ডার দিবেন এই টার্গেট গুলোর ব্যাপারে। নাহলে শয়তান ভুলিয়ে দিবে। 👉 যারা ১-৬ টার্গেট গুলো রেগুলার বা মাঝে মধ্যে ফলো করেছেন তারা কমেন্ট করবেন- আলহামদুলিল্লাহ। যারা একেবারেই ফলো করতে পারছেন না, তারা এবার একটু সিরিয়াস হোন। ভুলে যাওয়ার সমস্যা থাকবে টার্গেট গুলো একটি কাগজে লিখে কোথাও টানিয়ে রাখুন। #Mission_zilhajj_1447 #Nashita_Wellness
1 621
16
بدون متن...
1 431
17
আকাশ থেকে যখন অবিরাম ধারায় বৃষ্টি ঝড়ে, তখন পরিবেশের মত আমাদের মনটাও কেমন যেন অন্যরকম হয়ে যায়। কেউ খোঁজে চা, কেউ রাঁধে খিচুড়ি, কেউ কাথা মুড়ি দিয়ে ঘুম দেয় জম্পেশ! কখনো কি মনে হয়েছে, আমাদের রাসূল (সা:) কি করতেন এমন বাদল দিনে? সহিহ মুসলিমে বর্ণিত — আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: "আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সঙ্গে ছিলাম। বৃষ্টি নামল। তিনি তাঁর জামার কিছু অংশ খুললেন, বৃষ্টির ফোঁটা তাঁর শরীরে লাগতে দিলেন। আমরা জিজ্ঞেস করলাম: 'হে আল্লাহর রাসূল! কেন এমন করছেন?' তিনি বললেন: 'এটি তার রবের পক্ষ থেকে সদ্য এসেছে।' (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৮৯৮) খুব সহজ ও উপভোগ্য একটি সুন্নাহ, তাই না? বৃষ্টিতে এভাবে ভিজতে কার না ভালো লাগে! বৃষ্টি তো শুধু প্রকৃতি নয়, মানুষের মনকেও সতেজ করে। কেউ এক সমুদ্র হতাশা নিয়েও কিছুক্ষণ বৃষ্টিতে ভিজলে দেখবে, সব হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে! কিন্তু এমনটা হওয়ার কারণ কি হতে পারে? আসলে এর পেছনে কাজ করে এক অদৃশ্য শক্তি— নেগেটিভ আয়ন। নামটা যেমনই হোক, এই নেগেটিভ আয়ন কিন্তু বেশ উপকারী জিনিস। এটি হলো বাতাসে থাকা ক্ষুদ্র কণিকা, যেগুলো বিদ্যুতায়িত অবস্থায় আমাদের চারপাশের পরিবেশকে পরিশুদ্ধ করে। বজ্রপাত, বৃষ্টি, ঝর্ণার পানি, নদী বা সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় এগুলো বেশি তৈরি হয়। বিশেষত বৃষ্টির সময় এই আয়নের ঘনত্ব বাড়ে, আর এ কারণেই বৃষ্টির পর পরিবেশকে এতটা নির্মল ও প্রাণবন্ত মনে হয়। নেগেটিভ আয়ন শুধু পরিবেশ দূষণ হ্রাস করে না, মানুষের মন-মেজাজ ভালো করতে ও স্ট্রেস কমাতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়াও ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণের ক্ষমতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অতএব, বৃষ্টি হলো এক রকম প্রাকৃতিক থেরাপি। শুধু কিন্তু ভেজা নয়, চাইলে এই পানি সংরক্ষণ করে পান করতেও পারেন। বিদেশে এরকম নেগেটিভ আয়ন সমৃদ্ধ পানি চড়া মূল্যে বিক্রিও হয়! তাছাড়া শরীয়াহ সম্মত রুকইয়াহ করার ক্ষেত্রেও এই পানিটি বেশ উপকারী, একে যমযমের পানির বিকল্প বলেন অনেকে। তবে শহরে থেকে কেউ বৃষ্টিতে ভিজতে চাইলে বা পানি সংরক্ষণ করতে চাইলে কিছু বিষয় মাথায় রাখা দরকার— যেহেতু শহরের বাতাসে ধুলো, ধোঁয়া, গ্যাস ইত্যাদি অনেক বেশি থাকে। বৃষ্টি শুরুর প্রথম ফোঁটাগুলো নামার সময় এগুলোকে টেনে নিয়ে আসে। এজন্য প্রথম ১০ মিনিট অপেক্ষা করে নেয়া নিরাপদ। এরপর থেকে বৃষ্টি দেখলে হাত দুটো বাড়িয়ে কৃতজ্ঞ চিত্তে আল্লাহর প্রেরিত রহমত গ্রহণ করবেন। সুন্নাহ পালন হবে, সাথে সুস্বাস্থ্যও লাভ হবে। সাথে দুই হাত তুলে দুআও করবেন। কারণ বৃষ্টির সময় দু’আ অধিক কবুল হয়। #Nashita_Wellness
1 640
18
بدون متن...
1 171
19
☀️ মিশন জিলহজ্ব-১৪৪৭ 🌱দ্বিতীয় সপ্তাহ🌱 টার্গেট ৪: রাতে বাদাম খাওয়া টার্গেট ৫: রাতে মুহাসাবা করা টার্গেট ৬: রাতে বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ আমরা এবার রাতের কিছু অভ্যাসগুলো নিয়ে বেশি ফোকাস করছি, যেন আমাদের ঘুম ভালো হয়, অন্তর পরিশুদ্ধ হয়, রাত বরকতময় হয়। একটা ভালো দিনের জন্য রাতকে ঠিক করা জরুরি। 🔸টার্গেট ৪: রাতে বাদাম খাওয়া প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে বাদাম খেলে বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়।  বাদামে ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে। এর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এটি স্মৃতিশক্তি ও ব্রেইন ফাংশন ভালো রাখে। এতে ফাইবার থাকার কারণে অল্প খেলেও পেট ভরা থাকে, শক্তি দেয়। আর স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য বোনাস হলো: এটি সুগার ক্রেভিং কমায়। বাদাম দিনের বেলা খেলেও হবে তবে সন্ধ্যা/রাতে খেলে এটি ভালো ঘুমে সাহায্য করতে পারে। প্রতিদিন রাতে ৫–৮টা বাদাম যথেষ্ট। ৬–৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে ভিজিয়ে রেখে খেলে আরও ভালো। সব বাদামই উপকারী। তবে কাঠবাদাম (Almond) সবচেয়ে ভালো— বিশেষত মস্তিষ্ক, ত্বক ও ঘুমের জন্য। এরপর রয়েছে আখরোট ও কাজু। 👉 সতর্কতা: বেশি খেলে ওজন বাড়তে পারে। যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের এড়ানো উচিত। 🔸টার্গেট ৫: রাতে মুহাসাবা করা প্রতিদিন মুহাসাবা করা (অর্থাৎ নিজের হিসাব নেওয়া) খুব গুরুত্বপূর্ণ। উমার (রা.) বলেছেন: “তোমরা নিজের হিসাব নাও, তোমাদের হিসাব নেওয়ার আগে।” এর জন্য প্রতিদিন রাতে ৫ মিনিট সময় দিলেই যথেষ্ট। ঘুমানোর আগে মনে করুন: আজ সারাদিনে কী কী কাজ করেছেন—ভালো ও খারাপ দুটোই। কোথায় গুনাহ বা অন্যায় হয়েছে ভাবুন, তওবা করুন। আল্লাহর নেয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। 🔸টার্গেট ৬: রাতে বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ রাসূল (সা:) বলেছেন, সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত (আয়াত ২৮৫–২৮৬) এমন এক নূর/ধনভাণ্ডার থেকে দেওয়া হয়েছে, যা পূর্বের কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি। [মুসলিম ৮০৬] বিশেষ করে রাতে সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত (আয়াত ২৮৫–২৮৬) পড়া খুব ফজিলতপূর্ণ আমল। “যে ব্যক্তি রাতে সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।” [বুখারী : ৫০০৯] আলেমরা বলেন, এর অর্থ হতে পারে— ১. রাতের বিপদ ও শয়তান থেকে সুরক্ষা ২. তাহাজ্জুদ না পড়তে পারলেও কিছুটা সওয়াব পাওয়া ৩. বরকত ও নিরাপত্তা লাভ। আর আল্লাহই ভালো জানেন। 📌 যারা এই মিশনে টিম তৈরি করে অংশগ্রহণ করেছেন (অনলাইন/অফলাইনে), তারা নিজ নিজ টিমমেটদের কাছে জানাবেন, গত সপ্তাহের তিনটি টার্গেট ঠিক ঠাক ফলো করতে পেরেছেন কিনা। ফলো করতে কোন অসুবিধা হয়েছে কিনা বা কোন লাভ হয়েছে কিনা। ওই তিনটি টার্গেট এই সপ্তাহেও চলবে। 👉 যারা এক অংশ নিয়েছেন, আর টার্গেট গুলো রেগুলার বা মাঝে মধ্যে ফলো করেছেন তারা কমেন্ট করবেন- আলহামদুলিল্লাহ।  যারা একেবারেই ফলো করতে পারেননি, তারা বলবেন- আস্তাগফিরুল্লাহ, কোন কমেন্টে না, মনে মনে। একটা দৃঢ় নিয়তের পরও কোন কাজ করতে না পারলে একটু হলেও তো দুঃখিত উচিত, নাকি? #Mission_zilhajj_1447 #Nashita_Wellness 
1 996
20
بدون متن...
1 324