ar
Feedback
Hope

Hope

الذهاب إلى القناة على Telegram

আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Hope

تُعد قناة Hope (@hope24hours) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 17 726 مشتركاً، محتلاً المرتبة 4 647 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 1 268 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 17 726 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 29 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -56، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 6، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 7.39‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 2.84‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 310 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 504 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 24.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 30 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

17 726
المشتركون
+624 ساعات
-107 أيام
-5630 أيام

جاري تحميل البيانات...

سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
يوليو '26
يوليو '26
+83
في 4 قنوات
يونيو '26
+54
في 2 قنوات
Get PRO
مايو '26
+57
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+55
في 2 قنوات
Get PRO
مارس '26
+40
في 11 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+360
في 8 قنوات
Get PRO
يناير '26
+83
في 3 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+75
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+117
في 3 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+138
في 9 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+76
في 2 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+125
في 5 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+101
في 12 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+90
في 3 قنوات
Get PRO
مايو '25
+121
في 7 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+116
في 9 قنوات
Get PRO
مارس '25
+476
في 15 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+173
في 11 قنوات
Get PRO
يناير '25
+337
في 15 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+611
في 8 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+376
في 8 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+712
في 14 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+769
في 11 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+1 101
في 20 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+173
في 7 قنوات
Get PRO
يونيو '24
+265
في 7 قنوات
Get PRO
مايو '24
+268
في 7 قنوات
Get PRO
أبريل '24
+270
في 13 قنوات
Get PRO
مارس '24
+460
في 13 قنوات
Get PRO
فبراير '24
+332
في 9 قنوات
Get PRO
يناير '24
+460
في 12 قنوات
Get PRO
ديسمبر '23
+578
في 9 قنوات
Get PRO
نوفمبر '23
+759
في 17 قنوات
Get PRO
أكتوبر '23
+420
في 10 قنوات
Get PRO
سبتمبر '23
+267
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '23
+445
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '23
+357
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '23
+345
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '23
+1 131
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '23
+403
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '23
+395
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '23
+490
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '23
+326
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '22
+473
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '22
+472
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '22
+450
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '22
+543
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '22
+603
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '22
+798
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '22
+347
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '22
+461
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '22
+566
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '22
+721
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '22
+396
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '22
+405
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '21
+217
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '21
+390
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '21
+496
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '21
+652
في 0 قنوات
التاريخ
نمو المشتركين
الإشارات
القنوات
30 يوليو+4
29 يوليو+6
28 يوليو0
27 يوليو0
26 يوليو+9
25 يوليو+8
24 يوليو0
23 يوليو0
22 يوليو+5
21 يوليو0
20 يوليو0
19 يوليو+5
18 يوليو+4
17 يوليو0
16 يوليو0
15 يوليو0
14 يوليو+5
13 يوليو+2
12 يوليو0
11 يوليو0
10 يوليو+9
09 يوليو+2
08 يوليو+3
07 يوليو+10
06 يوليو0
05 يوليو0
04 يوليو+3
03 يوليو0
02 يوليو+8
01 يوليو0
منشورات القناة
🌸সালাফের নারীগণ -১ সালাফের নারীগণ সন্তান জন্মের পূর্ব থেকেই সন্তানকে আদর্শ সন্তান হিসেবে গড়ে তোলার ফিকির ও পরিকল্পনা করতেন। এর জন্য পূর্বপ্রস্তুতি নিতেন। কুরআন মাজীদে উম্মে মারয়াম রা. এর মহান মান্নতের ঘটনা এর সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মহান রবের দরবারে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাপূর্ণ ও হৃদয়নিংড়ানো আকুতি নিয়ে বললেন— رَبِّ إِنِّي نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي مُحَرَّرًا فَتَقَبَّلْ مِنِّي إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ. হে আমার রব, আমার গর্ভে যে সন্তান আছে, আমি আপনার জন্য তার ব্যাপারে মান্নত করলাম যে, তাকে মুক্ত রাখা হবে। অতএব আপনি আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন। —সূরা আলে ইমরান, (৩) : ৩৫ অর্থাৎ দুনিয়ার সমস্ত ব্যস্ততা, ঝায়-ঝামেলা ও দায়দায়িত্ব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত, আল্লাহর ইবাদত ও বাইতুল মাকদিসের সেবার জন্য ওয়াক্ফকৃত। আকাক্সক্ষার বিপরীতে যখন কন্যাসন্তান জন্মলাভ করে, তিনি নিরাশ হননি। আল্লাহর ওপর ভরসা করে মান্নত পূর্ণ করলেন এবং বললেন, وَإِنِّي سَمَّيْتُهَا مَرْيَمَ وَإِنِّي أُعِيذُهَا بِكَ وَذُرِّيَّتَهَا مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ. আমি তার নাম রাখলাম মারয়াম এবং তাকে ও তার বংশধরগণকে অভিশপ্ত শয়তান থেকে হেফাজতের জন্য তোমার আশ্রয়ে অর্পণ করলাম। —সূরা আলে ইমরান, (৩) : ৩৬ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মায়ের এ নিষ্ঠা ও কুরবানিকে কী সাদরে মূল্যায়ন করলেন! فَتَقَبَّلَهَا رَبُّهَا بِقَبُولٍ حَسَنٍ وَأَنْبَتَهَا نَبَاتًا حَسَنًا وَكَفَّلَهَا زَكَرِيَّا. সুতরাং তাঁর প্রতিপালক তাঁকে (মারয়ামকে) উত্তমভাবে কবুল করলেন এবং তাঁকে উৎকৃষ্ট পন্থায় প্রতিপালন করলেন। এবং তাঁকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে সোপর্দ করলেন। —সূরা আলে ইমরান, (৩) : ৩৭ বলাবাহুল্য, এ কন্যাসন্তান মারিয়াম রা. ও তাঁর অস্তিত্বে সুপ্ত হযরত ঈসা আ. কত বরকতপূর্ণ ছিলেন। হযরত উম্মে মারয়াম রা. তাঁর এ ইখলাস ও কুরবানির মাধ্যমে মায়েদের জন্য রেখে গেলেন আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহর তরে সন্তানকে ওয়াক্ফ করার উজ্জ্বল শিক্ষা। মাওলানা মানযূর নুমানী রাহ. বলেন, “ইমাম আবু বকর জাস্সাস রাযী রাহ. ‘আহকামুল কুরআন’ কিতাবে এ আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে লিখেছেন, সন্তানকে আল্লাহর জন্য ওয়াক্ফ করার এ ধারা শরীয়তে মুহাম্মাদীতেও বহাল রয়েছে, তবে শরীয়তে মুহাম্মাদীর স্বভাব ও প্রকৃতি অনুুযায়ী তার রূপ সংশোধন করা হয়েছে। অর্থাৎ যারা সন্তানকে আল্লাহর জন্য ওয়াক্ফ করতে চায়, তারা এভাবে নিয়ত করবে যে, এই সন্তানকে আমি আল্লাহর জন্য এবং তাঁর দ্বীনের খিদমতের জন্য ওয়াক্ফ করলাম। এতে সে ইলমে দ্বীন হাসিল করা এবং দ্বীনের খেদমত করার জন্য ওয়াক্ফ হয়ে যাবে। তবে আমাদের শরীয়তে মুহাম্মাদীতে এজন্য তার সংসার ত্যাগ করার প্রয়োজন নেই এবং অনুমতিও নেই। জীবনকে সে আল্লাহর নামে উৎসর্গ করবে, জীবনের অঙ্গনে অবস্থান করে। প্রয়োজনে সে উপার্জন ও জীবিকার পথ গ্রহণ করবে, বিবাহ-সংসার নির্বাহ করবে এবং সন্তান-সন্ততির তরবিয়ত করবে, এমনকি মা-বাবার সেবা-দায়িত্বও পালন করবে, কিন্তু তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হবে ইলমের তলব, দ্বীনের খেদমত এবং আল্লাহ তাআলার রিযা ও সন্তুষ্টি অর্জন। জীবনের অঙ্গনে অবস্থান করেও এ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পথেই হবে তার জীবন ও মরণ।” —তালিবানে ইলমের রাহে মনযিল পৃ. ২২-২৩ @FatayatalHuda

2
চোখের পানির শক্তি চোখের পানির অনেক শক্তি রয়েছে। আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম কে বলেন, 'হে ইবরাহীম! জাহান্নামের আগুনকে নেভানোর শক্তি কোনো পানির নেই, একটা পানি ছাড়া। তা হলো বান্দার চোখের পানি। এ পানি আমার জন্য দিলে জাহান্নামের আগুনও নিভে যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীসে বলেছেন, لَا يَلِجُ النَّارَ رَجُلٌ بَكَى مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ حَتَّى يَعُودَ اللَّبَنُ فِي الضَّرْعِ যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কাঁদে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। দুধ স্তনে ফিরে যাওয়া যেমন অসম্ভব, তেমনি তার জাহান্নামে প্রবেশ করাও অসম্ভব। গুনাহের কারণে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। আর আল্লাহর অসন্তুষ্টির চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের নামই হল জাহান্নাম। আর সেই জাহান্নাম থেকে চোখের পানির উসিলায় যদি বেঁচে যেতে পারেন, এর অর্থ হলো আল্লাহ তাআলা আপনাকে হয় গুনাহটি থেকে বিশেষ রহমতে বাঁচিয়ে নিবেন কিংবা মউতের আগে হলেও এর থেকে তাওবার তাওফিক দিয়ে দিবেন। -খুতুবাত
608
3
ডাক্তারদের মতে মানুষের স্বাভাবিক বয়সের সীমা হলো একশ’ বিশ বছর। ষাট বছর পর্যন্ত তো মানুষ যুবক রূপেই থাকে। তারপর তার রক্তের গরম কমতে থাকে এবং শেষে অচল বৃদ্ধ হয়ে যায়। সুতরাং আয়াতের এই বয়স উদ্দেশ্য হওয়াই সমীচীন। এ উম্মতের অধিকাংশের বয়স এটাই। এক হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার উম্মতের বয়স ষাট হতে সত্তর বছর। এর চেয়ে বয়স বেশী হয় এরূপ লোকের সংখ্যা খুব কম।” (এ হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (রঃ) ও ইমাম ইবনে মাজাহ (রঃ) বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী (রঃ) এ হাদীসটি সম্পর্কে বলেন যে, এর আর কোন সনদ নেই। এটা বড়ই বিস্ময়কর ব্যাপার যে, ইমাম সাহেব কি করে এ কথা বলেছেন। এটা অন্য একটি সনদে ইবনে আবিদ দুনিয়া (রঃ) বর্ণনা করেছেন। স্বয়ং ইমাম তিরমিযী (রঃ) এ হাদীসটি অন্য সনদে তার জামে' কিতাবে কিতাবুল যুহদে বর্ণনা করেছেন) একটি দুর্বল হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার উম্মতের মধ্যে সত্তর বছরের লোকও খুব হবে। অন্য একটি রিওয়াইয়াতে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে তাঁর উম্মতের বয়স সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ “তাদের বয়স পঞ্চাশ হতে ষাট বছর পর্যন্ত হবে। আবার জিজ্ঞেস করা হলোঃ “সত্তর বছর বয়স কারো হবে কি? তিনি জবাবে বলেনঃ “এটা খুব কম হবে। আল্লাহ তাদের উপর ও আশি বছর বয়সের লোকের উপর দয়া করুন!” (এটা বাযযার (রঃ) বর্ণনা করেছেন) সহীহ হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর বয়স তেষট্টি বছর ছিল। একটি উক্তি আছে যে, তার বয়স ষাট বছর হয়েছিল। এ কথাও বলা হয়েছে যে, তাঁর বয়স। পঁয়ষট্টি বছরে পৌঁছেছিল। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। মহান আল্লাহ বলেনঃ তোমাদের কাছে তো সতর্ককারীও এসেছিল। অর্থাৎ তোমাদের সাদা চুল দেখা দিয়েছিল, অথবা স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) এসেছিলেন। এই দ্বিতীয় উক্তিটি সঠিকতর। ইবনে যায়েদ (রঃ) অর্থাৎ প্রথম সতর্ককারীদের মধ্যে ইনি একজন সতর্ককারী। (৫৩:৫৬) সুতরাং বয়স দিয়ে, রাসূল পাঠিয়ে আল্লাহ তাআলা স্বীয় হুজ্জত পুরো করেছেন। যখন জাহান্নামীরা মত্যুর আকাক্ষা করবে তখন তাদেরকে জবাব দেয়া হবে। তোমাদের কাছে সত্য এসেছিল। অর্থাৎ আমি রাসূলদের তোমাদের কাছে সত্যসহ পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু তোমরা স্বীকার করনি। অন্য আয়াতে রয়েছেঃ অর্থাৎ “আমি রাসূল প্রেরণ না করা পর্যন্ত শাস্তি প্রদান করিনি।”(১৭:১৫) অন্য জায়গায় আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ অর্থাৎ “যখনই তাতে (জাহান্নামে) কোন দলকে নিক্ষেপ করা হবে, তাদেরকে রক্ষীরা জিজ্ঞেস করবেঃ তোমাদের নিকট কি কোন সতর্ককারী আসেনি? তারা বলবেঃ অবশ্যই আমাদের নিকট সতর্ককারী এসেছিল, আমরা তাদেরকে মিথ্যাবাদী গণ্য করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ কিছুই অবতীর্ণ করেননি। তোমরা তো মহা বিভ্রান্তিতে রয়েছো। (৬৭:৮-৯) আল্লাহ তাআলা বলেনঃ সুতরাং তোমরা শাস্তি আস্বাদন কর। অর্থাৎ তোমরা যে নবীদের বিরুদ্ধাচরণ করেছিলে তার শাস্তির স্বাদ আজ গ্রহণ কর। এরপর প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ যালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই। আজ অর্থাৎ কিয়ামতের দিন তাদের সাহায্যের জন্যে কেউই এগিয়ে আসবে না। আর তাদের কেউই আযাব থেকে বাচার কোন পথ পাবে না এবং কেউ তাদেরকে আযাব থেকে রক্ষা করতেও পারবে না।
918
4
Tafsir Ibn Kathir ৩৬-৩৭ নং আয়াতের তাফসীর: সৎ লোকদের বর্ণনা দেয়ার পর আল্লাহ্ তা'আলা এখন দুষ্ট ও পাপীদের বর্ণনা দিচ্ছেন। তারা জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে থাকবে। তাদের আর মৃত্যু হবে না। যেমন তিনি বলেনঃ অর্থাৎ “সেখানে তারা মরবেও না, বাঁচবেও না।” (২০:৭৪) সহীহ্ মুসলিমে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যারা চিরস্থায়ী জাহান্নামী তাদের সেখানে মৃত্যুও হবে না এবং তারা সেখানে বেঁচেও থাকবে না (অর্থাৎ সুখময় জীবন লাভ করবে না)।” তারা বলবেঃ “হে জাহান্নামের দারোগা! আল্লাহকে বল যে, তিনি যেন আমাদের মৃত্যু ঘটিয়ে দেন। তখন উত্তর দেয়া হবেঃ “তোমাদেরকে তো এখানেই অবস্থান করতে হবে।” তারা মৃত্যুকেই নিজেদের জন্যে আরাম ও শান্তিদায়ক মনে করবে। কিন্তু মৃত্যু আসবেই না এবং তাদের শাস্তিও কম করা হবে না। যেমন অন্য জায়গায় আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ অর্থাৎ “পাপীরা চিরকাল জাহান্নামের শাস্তির মধ্যে থাকবে, যে শাস্তি কখনো সরবেও না এবং কমও হবে না।” (৪৩:৭৪-৭৫) তারা সমস্ত কল্যাণ হতে নিরাশ হয়ে যাবে। যেমন এক জায়গায় ঘোষিত হয়েছেঃ অর্থাৎ “জাহান্নামের আগুন সদা-সর্বদা তেজ হতেই থাকবে।” (১৭:৯৭) আর এক জায়গায় বলেনঃ অর্থাৎ “তোমরা আস্বাদ গ্রহণ কর, আমি তো তোমাদের শাস্তিই শুধু বৃদ্ধি করবো।” (৭৮:৩০) মহা প্রতাপান্বিত আল্লাহ্ বলেন:এই ভাবেই আমি প্রত্যেক অকৃজ্ঞকে শাস্তি দিয়ে থাকি। সেখানে তারা আর্তনাদ করে বলবেঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে নিষ্কৃতি দিন এবং দুনিয়ায় ফিরে যেতে দিন। এবার দুনিয়ায় গিয়ে আমরা সৎ কর্ম করবো এবং পূর্বে যা করতাম তা করবো না। কিন্তু আল্লাহ্ রাব্বল আলামীন খুবই ভাল জানেন যে, তারা দুনিয়ায় ফিরে গেলে আবার অবাধ্যাচরণই করবে। সুতরাং তাদের ঐ মনের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করা হবে না। অন্য স্থানে তাদের আকাঙ্ক্ষার জবাবে বলা হয়েছে ? তোমরা তো তারাই যে, যখন তোমাদের সম্মুখে আল্লাহর একত্রে বর্ণনা দেয়া হতো তখন তোমরা তা অস্বীকার করতে, তার সাথে শরীক স্থাপন করতে, তাতে তোমরা আনন্দ পেতে। কাজেই বেশ বুঝা যাচ্ছে যে, তোমাদেরকে যদি আবার দুনিয়ায় ফিরিয়ে দেয়া হয় তবে তোমরা তাই করবে যা করতে নিষেধ করা হতো। আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে আরো বলবেনঃ তোমরা দুনিয়ায় বেশ দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলে। তোমরা এ দীর্ঘ সময়ে বহু কিছু করতে পারতে। যেমন কেউ সতেরো বছরের জীবন লাভ করলো। এই সতেরো বছরে সে বহু কিছু করতে পারে। হযরত কাতাদা (রঃ) বলেনঃ “জেনে রেখো যে, দীর্ঘ জীবন আল্লাহর পক্ষ হতে হুজ্জত হয়ে যায়। সুতরাং দীর্ঘ জীবন হতে আমাদের আল্লাহ্ তা'আলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করা উচিত। যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন কোন কোন লোকের বয়স শুধু আঠারো বছর ছিল।” অহাব ইবনে মুনাব্বাহ্ (রঃ) বলেন যে, আল্লাহ্ তা'আলার এই উক্তি দ্বারা বিশ বছর বয়স বুঝানো হয়েছে। হাসান (রঃ) বলেছেন চল্লিশ বছর। মাসরূক (রঃ) বলেন যে, চল্লিশ বছর বয়সে মানুষের সতর্ক হয়ে যাওয়া উচিত। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন যে, চল্লিশ বছর বয়স হলে আল্লাহর পক্ষ হতে বান্দার ওযর পেশ করার সুযোগ থাকে না। তাঁর থেকে ষাট বছরের কথাও বর্ণিত আছে। আর এটাই অধিকতর সঠিকও বটে, যেমন একটি হাদীসে রয়েছে। যদিও ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) হাদীসটির সনদের ব্যাপারে সমালোচনা করেছেন, কিন্তু তাঁর এ সমালোচনা ঠিক নয়। হযরত আলী (রাঃ) হতেও ষাট বছরই বর্ণিত আছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেন, কিয়ামতের দিন একটি ঘোষণা এও হবেঃ 'ষাট বছরে পদার্পণ করেছে এরূপ লোক কোথায়?' এটা ঐ বয়স যে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেনঃ “আমি কি তোমাদেরকে এতো দীর্ঘ জীবন দান করিনি যে, সতর্ক হতে চাইলে সতর্ক হতে পারতে?” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাদীসটির সনদ সঠিক নয়। এসব ব্যাপারে আল্লাহই ভাল জানেন) হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ্ তা'আলা যে বান্দাকে এতোদিন জীবিত রেখেছেন যে, তার বয়স ষাট অথবা সত্তর বছরে পৌছে গেছে, আল্লাহর কাছে তার কোন ওযর চলবে না।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন) এ কথা তিনি তিনবার বলেন। সহীহ্ বুখারীর কিতাবুর রিকাকে আছে যে, ঐ ব্যক্তির ওযর আল্লাহ্ কেটে দিয়েছেন যাকে তিনি দুনিয়ায় ষাট বছর পর্যন্ত রেখেছেন। এই হাদীসের অন্য সনদও রয়েছে। অন্য সনদ যদি নাও থাকতো তবুও ইমাম বুখারী (রঃ)-এর হাদীসটিকে তাঁর সহীহ্ গ্রন্থে আনয়নই ওর বিশুদ্ধতার জন্যে যথেষ্ট ছিল। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এ কথা বলেন যে, হাদীসটির সনদের সত্যাসত্য যাচাই করা জরুরী। ইমাম বুখারী (রঃ)-এর হাদীসটিকে সহীহ বলার তুলনায় ওটার একটা যবের মূল্যের সমানও দাম নেই। এসব ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী।
829
5
لا يوجد نص...
645
6
sticker.webp
823
7
🍁মৃত্যুর পর যেসব আফসোস করবে মানুষ... সে বলতে লাগলো- হায়, আমি যদি কাউকে আমার পালনকর্তার সাথে শরীক না করতাম।’ (সুরা কাহফ : আয়াত ৪২) আর আপনি যদি দেখেন, যখন তাদের জাহান্নামের উপর দাঁড় করানো হবে! তারা বলবে- কতই না ভাল হত! যদি আমাদের পুনরায় (দুনিয়া) পাঠানো হতো; তাহলে আমরা স্বীয় পালনকর্তার নিদর্শনসমূহে মিথ্যারোপ করতাম না এবং আমরা বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।’ (সুরা আনআম : আয়াত ২৭) ‘আর তোমাদের মধ্যে এমনও কেউ কেউ রয়েছে, যারা অবশ্য বিলম্ব করবে এবং তোমাদের উপর কোনো বিপদ উপস্থিত হলে বলবে, আল্লাহ আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে, আমি তাদের সাথে যাইনি।’ (সুরা নিসা : আয়াত ৭২) পক্ষান্তরে তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো অনুগ্রহ এলে তারা এমন ভাবে বলতে শুরু করবে যেন তোমাদের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে কোনো মিত্রতাই (বিরোধিতা) ছিল না। (তারা সেখানে বার বার এ আকাঙক্ষা করতে থাকবে)- ‘হায়, আমি যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম; তাহলে আমি ও যে সফলতা লাভ করতাম।’ (সুরা নিসা : আয়াত ৭৩) ‘তারা আরও বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা,! আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের কথা মেনেছিলাম, অতপর তারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল। হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি তাদের দ্বিগুণ শাস্তি দিন এবং তাদের মহা অভিসম্পাত করুন।’ (সুরা আহজাব : আয়াত ৬৭-৬৮) হায় আফসোস! আমি যদি রসূলের সাথে পথ অবলম্বন করতাম।’ (সুরা ফুরকান : আয়াত ২৭) হায়, আমার দূর্ভাগ্য! আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।’ (সুরা ফুরকান : আয়াত ২৭-২৮) হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম। ( সুরা আহজাব : আয়াত ৬৪-৬৬)যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ হায় আমায় যদি আমার আমল নামা না দেয়া হতো। আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব! হায়, আমার মৃত্যুই যদি শেষ হত।’ (সুরা হাক্বকাহ : আয়াত ২৫-২৭) ‘আমার ধন-সম্পদ আমার কোনো উপকারে এলো না। আমার ক্ষমতাও বরবাদ হয়ে গেল। ফেরেশতাদের বলা হবে- এদের ধর, গলায় বেড়ি পড়িয়ে দাও। অতপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে। অতপর তাকে শৃঙ্খলিত কর, সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে। নিশ্চয় সে মহান আল্লাহতে বিশ্বাসী ছিল না। আর মিসকিনকে খাবার দিতে উৎসাহিত করত না। অতএব, আজকের দিন এখানে তার কোনো সুহূদ নেই। আর কোনো খাদ্য নেই, ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ ব্যতিত। গোনাহগার ব্যতিত কেউ এটা খাবে না।’ (সুরা হাক্বকাহ : আয়াত ২৮-৩৭) ‘এই দিবস (পরকাল) সত্য। অতপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরি করুক। আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে (মৃত্যুর আগে) পাঠিয়েছে। আর (সেদিন তা দেখে) কাফেররা বলবে- ‘হায়, আফসোস! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।’ (সুরা নাবা : আয়াত ৩৯-৪০) ‘এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে আর আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন। এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে? সে (আক্ষেপ করে) বলবে- ‘হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু আগে পাঠাতাম!’সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দেবে না। আর তার বন্ধনের মত বন্ধনও কেউ দেবে না।’ (সুরা ফাজর : আয়াত ২১-২৬) নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদেরকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্যে জলন্ত অগুন (জাহান্নাম) প্রস্তুত রেখেছেন। তথায় তারা অনন্তকাল থাকবে এবং কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না। যেদিন আগুনে তাদের মুখমণ্ডল ওলট-পালট করা হবে; সেদিন তারা বলবে- হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম। ( সুরা আহজাব : আয়াত ৬৪-৬৬) 🌸আয়াতগুলোর তাফসীর পেছনের পোস্ট গুলোতে পাবেন... এখান থেকে- https://t.me/Hope24hours/7057
1 043
8
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাঃ) আমি হায়েজগ্রস্ত থাকাকালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর মাথা আমার কোলে রেখে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। রেফারেন্স: হাদিস নং ৬৩৪ সুনানে ইবনে মাজাহ
1 132
9
এক সাহাবির অদ্ভুত নবীপ্রেম . হযরত তালহা ইবন বারা রাযি.। তিনি ছিলেন অল্প বয়সের সাহাবি। জীবনের শুরুতেই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। একদিন তিনি ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। এমন অসুস্থতা—যা দেখে বোঝা যাচ্ছিল, এটাই হয়তো শেষ সময়। খবর পৌঁছাল রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে। প্রিয় নবী নিজে ছুটে এলেন তাঁর খোঁজ নিতে। ঘরে ঢুকেই বুঝে গেলেন—এই রোগ থেকে তাঁর আর ফেরা নেই। নবীজি ﷺ সেদিন উপস্থিত লোকদের বললেন, ‘তালহার যখন ইন্তেকাল হবে, আমাকে খবর দিও। আমি এসে জানাযার নামায পড়াব।’ ভাবুন একবার! যার জানাযা রাসূলুল্লাহ ﷺ পড়াবেন—তার মর্যাদা কতটা মহান! এটা কি ছোট সম্মান? এটা তো দুনিয়া-আখিরাতের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য! নবীজি কথা বলে চলে গেলেন। কিন্তু এখানেই দেখা গেল তালহার প্রকৃত নবীপ্রেম। তিনি উপস্থিত লোকদের ডেকে বললেন, ‘যদি রাতে আমার মৃত্যু হয়, দয়া করে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে খবর দিও না।’ সুবহানাল্লাহ! কেন এই নিষেধ? কারণ তিনি জানতেন—রাসূল ﷺ-এর বাড়ি থেকে তাঁর বাড়ি তিন-চার মাইল দূরে। পথে ইহুদিদের বসতি। রাতের অন্ধকারে চলাফেরা কষ্টকর।নিরাপত্তার ঝুঁকি আছে। তিনি ভাবলেন, আমার জানাযার জন্য নবীজি কেন কষ্ট করবেন? আমার কারণে কেন আমার প্রিয় নবীর কষ্ট হবে? যদিও নবীজি জানাযা পড়ালে তাঁর জন্য বিশাল ফজিলত ছিল, তবুও তিনি সেই সুযোগ নিজের হাতে ছেড়ে দিলেন। এটাই তো প্রেম! এটাই তো নিঃস্বার্থ ভালোবাসা! অবশেষে রাতে তাঁর ইন্তেকাল হয়ে গেল।পরিবার তাঁর ওসিয়ত অনুযায়ী রাসূল ﷺ-কে খবর দিল না। পরদিন সকালে নবীজি জানতে পারলেন। খুব আফসোস করলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কবরের কাছে গেলেন। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে এই দোয়া করলেন اللَّهُمَّ الْقَ طَلْحَةَ تَضْحَكُ إِلَيْهِ وَيَضْحَكُ إِلَيْكَ হে আল্লাহ! তালহার সাথে আপনি এমন অবস্থায় মিলিত হোন, যেন আপনি তাকে দেখে হাসছেন, আর সে আপনাকে দেখে হাসছে। [মাজমাউয যাওয়াইদ : ১৫৯৬৯] ভাবুন একবার—রাসূল ﷺ নিজে নাম ধরে দোয়া করছেন! যদি নবীজি জানাযায় আসতেন, তাহলে সাধারণ জানাযার দোয়া পড়তেন اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا, وَمَيِّتِنَا হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত সবাইকে ক্ষমা করে দিন...। এই দোয়ায় তালহার নাম আসত না। সাধারণ দোয়ার মধ্যে মিশে যেত। কিন্তু তালহা নিজের সুবিধা ত্যাগ করলেন, নবীর কষ্ট এড়াতে চাইলেন, নবীকে আরাম দিলেন। ফলাফল কী হলো? নবীর জবান দিয়ে তাঁর নাম ধরে দোয়া বের হয়ে এল! এটাকেই বলে—দোয়া বের করানো। অনেকে আছে—দোয়া চায়, আমার জন্য দোয়া করবেন। কিন্তু খুব কম মানুষ আছে—যারা এমন কাজ করে যার কারণে বড় মানুষের মুখ থেকেই আপনা-আপনি দোয়া বের হয়ে আসে।একটু খেদমত, একটু আদব, একটু ভালো ব্যবহার—কখনো কখনো দোয়ার দরজা খুলে দেয়। - খুতুবাত @Afiyah24hours
1 276
10
একদিন আমি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব। তখন আমার সন্তানরা আমাকে কীভাবে স্মরণ করবে? তারা কি বলবে আমাদের আব্বু/আম্মু গভীর রাতে তাহাজ্জুদ পড়তেন, কুরআন তিলাওয়াত করতেন, আল্লাহর কাছে অনেক দোয়া করতেন। নাকি বলবে আমাদের আব্বু/আম্মু রাত জেগে মোবাইল চালাতেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটাতেন, কিন্তু নামাযের জন্য উঠতে পারতেন না। একটু নিজের বিবেককে জিজ্ঞেস করুন, আপনি আপনার সন্তানদের জন্য কোন স্মৃতিটি রেখে যেতে চান? আমরা প্রায়ই সন্তানদের নসীহত করি, বাবা, পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ো। কিন্তু সে কি কখনো দেখেছে যে, আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা সব কাজ ফেলে মসজিদের দিকে ছুটে গেছি? আমরা বলি, বাবা, মোবাইল কম দেখো। কিন্তু আমাদের নিজের হাতেই কি সারাক্ষণ মোবাইল থাকে না? আমরা বলি, মিথ্যা বলা মহাপাপ। কিন্তু নিজেদের প্রয়োজনে কি আমরা ছোট-বড় মিথ্যাকে সহজভাবে গ্রহণ করি না? আমরা চাই সন্তান ভদ্র হোক, অথচ আমাদের মুখে রাগ, গালি ও কঠোর ভাষা। আমরা চাই সন্তান সত্যবাদী হোক, অথচ আমাদের কথার সঙ্গে কাজের মিল নেই। মনে রাখতে হবে, সন্তান কেবল আমাদের উপদেশ শোনে না; সে আমাদের জীবন পড়ে। সে আমাদের প্রতিটি আচরণ, প্রতিটি অভ্যাস এবং প্রতিটি সিদ্ধান্ত নীরবে শিখে নেয়। এ কারণেই বলা হয়, সন্তান হলো মা-বাবার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। মূল ছবিতে যা থাকবে, প্রতিচ্ছবিতেও তাই ফুটে উঠবে। তাই যদি আমরা চাই আমাদের সন্তানরা আল্লাহভীরু, সৎ, নামাযী, কুরআনপ্রেমী, চরিত্রবান ও আদর্শ মানুষ হোক, তাহলে প্রথমে নিজেদের জীবনকেই বদলাতে হবে। -খুতুবাত @FatayatalHuda
1 019
11
একবার নবীজী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-কে বললেন, তুমি আমাকে একটু তিলাওয়াত করে শোনাও তো। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনাকে তিলাওয়াত শোনাব, আপনার উপরই তো কুরআন নাযিল হয়েছে! নবীজী বললেন, আমার মনে চাচ্ছে, কারো থেকে একটু তিলাওয়াত শুনি! এ শুনে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. সূরা নিসা তিলাওয়াত করতে শুরু করলেন। পড়তে পড়তে যখন এ আয়াত পর্যন্ত আসলেন- فَكَیْفَ اِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ اُمَّةٍۭ بِشَهِیْدٍ وَّ جِئْنَا بِكَ عَلٰی هٰۤؤُلَآءِ شَهِیْدًا. [সুতরাং (তারা ভেবে দেখুক) সেই দিন (তাদের অবস্থা) কেমন হবে, যখন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব এবং (হে নবী), আমি তোমাকে ওইসব লোকের বিরুদ্ধে সাক্ষীরূপে উপস্থিত করব? -সূরা নিসা (০৪) : ৪১] এতটুকু তিলাওয়াত করার পর নবীজী বললেন, ঠিক আছে। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, নবীজী থামতে বলার পর আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখি, তাঁর দুচোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছে। (দ্রষ্টব্য : সহীহ বুখারী, হাদীস ৫০৫৫, ৪৫৮২, ৫০৪৯)....
1 048
12
সালাওয়াত (দুরূদ শরীফ) বদলে দিবে আপনার জীবন | @BaseeraUnofficial
1 237
13
তৃষ্ণায় শীতল পানির চেয়েও প্রিয় আলী রাযিয়াল্লাহু কে জিজ্ঞেস করা হল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আপনারা কেমন ভালোবাসতেন? জবাবে তিনি বলেন, كَانَ وَاللَّهِ أَحَبُّ إِلَيْنَا مِنْ أَمْوَالِنَا وَأَوْلَادَنَا، وآبائِنَا وَأُمَّهَاتِنَا، وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ عَلَى الظَّما আল্লাহর কসম! তিনি আমাদের নিকট আমাদের ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি, পিতৃ ও মাতৃকুল এবং প্রচন্ড তৃষ্ণার সময় ঠান্ডা পানি যেমন প্রিয়, তার চাইতেও অধিক প্রিয় ছিলেন। (আশ-শিফা বি তা'রীফি হুকুক্বিল মুস্তাফা: ২/৫২) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - খুতুবাত 🍀জুমার রাত, দুরুদ আর সূরা কাহাফ এর আমল ভুলব না... @FatayatalHuda
1 445
14
📖 ৩. আলে-ইমরান - আয়াতঃ ৯২ ৯২. তোমরা যা ভালবাস তা থেকে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনো সওয়াব অর্জন করবে না। আর তোমরা যা কিছু ব্যয় কর, নিশ্চয় আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ অবগত।(১) তাফসীর: (১) সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন কুরআনী নির্দেশের প্রথম সম্বোধিত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রত্যক্ষ সঙ্গী। কুরআনী নির্দেশ পালনের জন্য তারা ছিলেন উম্মুখ। আলোচ্য আয়াত নাযিল হওয়ার পর তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ সহায় সম্পত্তির প্রতি লক্ষ্য করলেন যে, কোনটি তাদের নিকট সর্বাপেক্ষা প্রিয়। এরপর আল্লাহর পথে তা ব্যয় করার জন্যে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আবেদন করতে লাগলেন। মদীনার আনসারগণের মধ্যে আবু তালহা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বেশ ধনী ছিলেন। মসজিদে নববী সংলগ্ন বিপরীত দিকে তার একটি বাগান ছিল, যাতে 'বীরাহা' নামে একটি কুপ ছিল। বর্তমানে মসজিদের নববীর বাব আল মাজীদ্দীর বাদশাহ ফাহদ গেট দিয়ে ভিতরে মসজিদে ঢুকার পর পরই সামান্য বাম পার্শ্বে এ স্থানটি পড়ে। পরিচিতির সুবিধার্থে দুই থামের মাঝখানের তিনটি গোল চক্কর দিয়ে তার স্থান নির্দেশ করা আছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাঝে মাঝে এ বাগানে পদার্পণ করতেন এবং বীরহা কুপের পানি পান করতেন। এ কুপের পানি তিনি পছন্দও করতেন। আবু তালহার এ বাগান অত্যন্ত মূল্যবান, উর্বর এবং তার বিষয়-সম্পত্তির মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রিয় ছিল। আলোচ্য আয়াত নাযিল হওয়ার পর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে হাজির হয়ে বললেনঃ আমার সব বিষয়-সম্পত্তির মধ্যে বীরহা আমার কাছে সর্বাপেক্ষা প্রিয়। আমি এটি আল্লাহর পথে ব্যয় করতে চাই। আপনি যে কাজে পছন্দ করেন, এটি তাতেই খরচ করুন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বিরাট মুনাফার এ বাগানটি আমার মতে তুমি স্বীয় আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বন্টন করে দাও। আবু তালহা এ পরামর্শ গ্রহণ করেন। [বুখারীঃ ১৪৬১, মুসলিমঃ ৯৯৮] এ হাদীস থেকে জানা গেল যে, শুধু ফকীর-মিসকীনকে দিলেই পুণ্য হয় না- পরিবার-পরিজন ও আত্নীয়-স্বজনকে দান করাও বিরাট পুণ্য ও সওয়াবের কাজ।
1 292
15
لا يوجد نص...
905
16
📖 ২৩. আল-মুমিনুন - আয়াতঃ ১০৮ আল্লাহ বলবেন- ‘তোমরা ধিকৃত অবস্থায় এখানেই পড়ে থাক, আমার সঙ্গে কোন কথা বল না।’ ইবনে কাসীর তাফসীরে- এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে কাফিরদেরকে জবাব দেয়া হচ্ছে যে, যখন তারা জাহান্নাম হতে বের হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে তখন তাদেরকে বলা হবেঃ তোমরা হীন অবস্থায় এখানেই থাকো। খবরদার! এ ব্যাপারে তোমরা আমার সাথে কথা বলো না! প্রম দয়ালু ও দাতা আল্লাহর হবে এটা উক্তি। কাফির ও মুশরিকরা সমস্ত কল্যাণ থেকে নিরাশ হয়ে যাবে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন যে, জাহান্নামীরা প্রথমে জাহান্নামের রক্ষককে ডাকতে থাকবে। ডাকতে থাকবে তারা চল্লিশ বছর পর্যন্ত। কিন্তু কোন উত্তর তারা পাবে না। চল্লিশ বছর পরে উত্তর দেয়া হবেঃ “তোমরা এখানেই পড়ে থাকো।” জাহান্নামের রক্ষকের কাছে এবং মহান আল্লাহর কাছে তাদের ডাকের কোনই গুরুত্ব থাকবে না। আবার তারা আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করবে ও বলবেঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুর্ভাগ্যের কারণে আমরা ধ্বংস হয়ে গিয়েছি এবং বিভ্রান্তির মধ্যে নিমজ্জিত হয়েছি। হে আল্লাহ! এখন আপনি আমাদেরকে এখান থেকে বের করে নিন এবং পুনরায় দুনিয়ায় পাঠিয়ে দিন! এরপরেও যদি আমরা মন্দ কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ি তবে আপনার ইচ্ছামত শাস্তি আপনি দিবেন। আমাদের আর কিছুই বলার থাকবে না। তাদের এ কথার জবাব তাদেরকে এই দুনিয়ার দ্বিগুণ বয়স পর্যন্তও দেয়া হবে না। তারপর তাদেরকে বলা হবেঃ “তোমরা আমার রহমত হতে দূর হয়ে গিয়ে এই জাহান্নামের মধ্যেই লাঞ্ছিত অবস্থায় অবস্থান করতে থাকো। আমার সাথে আর একটি কথাও বলো না।” তখন তারা সম্পূর্ণরূপে নিরাশ হয়ে যাবে এবং গাধার মত বিকট শব্দ করতে থাকবে। ঐ সময় তাদের চেহারা বদলে যাবে এবং তাদের সুন্দর আকৃতি কদাকৃতিতে রূপান্তরিত হবে। এমন কি কতকগুলো, মুমিন ব্যক্তি শাফাআতের অনুমতি লাভ করে এখানে আসবে কিন্তু তাদের কাউকেও চিনতে পারবে না। জাহান্নামীরা তাদেরকে দেখে বলবেঃ “আমি অমুক।” কিন্তু তারা তাদেরকে উত্তরে বলবেঃ “তোমরা মিথ্যা বলছো, আমরা তোমাদেরকে চিনি না।” তখন ঐ জাহান্নামীরা মহান আল্লাহকে ডাকতে থাকবে। উত্তরে তাদেরকে যে কথা বলা হবে তা উপরে বর্ণিত হয়েছে। অতঃপর জাহান্নামের দরযা বন্ধ করে দেয়া হবে এবং তারা সেখানেই সড়তে পচতে থাকবে...
1 196
17
لا يوجد نص...
883
18
আয়াতুল কুরসি (বাকারার ২৫৫ নং আয়াত): একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলমানদের জাকাতের মাল-সম্পদ দেখাশুনার দায়িত্ব দেন আবু হুরায়রা (রা.)-কে। কিন্তু রাতের বেলা যাকাতের মাল থেকে এক ব্যক্তি চুরি করতে এসে পরপর তিনদিন ধরা খেয়ে যায়। তবে, বিভিন্ন কৌশলে ও মিথ্যা বলে সে বেঁচে যায়। সর্বশেষ দিন আবু হুরায়রা (রা.) তাকে রাসুলের কাছে নেওয়ার কথা বললে সে বলে, ‘তুমি আমাকে ছেড়ে দাও। আমি তোমাকে এমন কতগুলো শব্দ শিখিয়ে দেবো, যার দ্বারা আল্লাহ তোমার উপকার করবেন।’ আমি বললাম, ‘সেগুলো কী?’ সে বললো, ‘যখন তুমি (ঘুমানোর জন্য) বিছানায় যাবে, তখন আয়াতুল কুরসি পাঠ করে ঘুমাবে। তাহলে তোমার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত হবেন। সকাল পর্যন্ত তোমার কাছে শয়তান আসতে পারবে না।’ তখন আবু হুরায়রা (রা.) তাকে ছেড়ে দেন এবং এই ঘটনা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে জানান। তিনি এটি শুনে বললেন, ‘‘শোনো! সে নিজে ভীষণ মিথ্যাবাদী; কিন্তু তোমাকে সত্য কথা বলেছে। হে আবু হুরাইরা! তুমি কি জানো, তিন রাত ধরে তুমি কার সাথে কথা বলেছিলে?’’ আবু হুরায়রা (রা.) বললেন, ‘জি না।’ তিনি বললেন, ‘‘সে ছিলো শয়তান!’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ২৩১১] - রাতের তিলওয়াত
1 236
19
আল-আন'আম - আয়াতঃ ২৭ যদি তুমি দেখতে যখন তাদেরকে জাহান্নামের কিনারায় দাঁড় করানো হবে তখন তারা বলবে হায়! আমাদেরকে যদি আবার (পৃথিবীতে) পাঠানো হত, তাহলে আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলীকে মিথ্যে মনে করতাম না, আর আমরা মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। ---- আল্লাহ পাক এখানে কাফিরদের অবস্থা বর্ণনা করছেন যে, কিয়ামতের দিন যখন তাদেরকে আগুনের সামনে দাঁড় করানো হবে, তারা ওর কড়া ও শৃংখল দেখতে পাবে, তখন অফিসোস করে বলবেঃ হায়! পুনরায় যদি আমাদেরকে দুনিয়ায় ফিরিয়ে দেয়া হতো তবে আমরা ভাল কাজ করতাম এবং আমাদের প্রতিপালকের আয়াতসমূহ অবিশ্বাস করতাম না। বরং ঐগুলোর উপর ঈমান আনয়ন করতাম। আল্লাহ পাক বলেনঃ না, না, বরং কথা এই যে, কুফর, অবিশ্বাস ও বিরোধিতার যে ব্যাপারগুলো তারা অন্তরে গোপন রেখেছিল সেগুলো আজ প্রকাশ হয়ে গেল। যদিও দুনিয়া বা আখিরাতে তারা তা অস্বীকার করেছে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ “তাদের যুক্তি শুধুমাত্র এটাই যে, তারা বলে-আমরা মুশরিক ছিলাম না। লক্ষ্য কর, তারা কিরূপ মিথ্যা কথা বানিয়ে নিয়েছে। এর অর্থ এও হতে পারে দুনিয়ায় তারা যে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সত্যতা জানা সত্ত্বেও তাঁর উপর ঈমান আনেনি সেটা কিয়ামতের দিন তাদের কাছে প্রকাশ পেয়ে যাবে এবং তখন তারা আফসোস করতে থাকবে। দুনিয়ায় কিন্তু সেটা প্রকাশ পায়নি...(ইবনে কাসীর)
1 158
20
لا يوجد نص...
951