uk
Feedback
Hope

Hope

Відкрити в Telegram

আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Hope

Канал Hope (@hope24hours) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 17 760 підписників, посідаючи 4 647 місце в категорії Релігія і духовність та 1 248 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 17 760 підписників.

За останніми даними від 16 липня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -60, а за останні 24 години на -3, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 8.09%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 3.09% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 1 436 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 549 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 26.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 17 липня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

17 760
Підписники
-324 години
-67 днів
-6030 день

Триває завантаження даних...

Хмара тегів
Немає даних
Виникли проблеми? Будь ласка, оновіть сторінку або зверніться до нашого support-менеджера.
Вхідні та вихідні згадування
---
---
---
---
---
---
Залучення підписників
липень '26
липень '26
+42
в 1 каналах
червень '26
+54
в 2 каналах
Get PRO
травень '26
+57
в 1 каналах
Get PRO
квітень '26
+55
в 2 каналах
Get PRO
березень '26
+40
в 11 каналах
Get PRO
лютий '26
+360
в 8 каналах
Get PRO
січень '26
+83
в 3 каналах
Get PRO
грудень '25
+75
в 0 каналах
Get PRO
листопад '25
+117
в 3 каналах
Get PRO
жовтень '25
+138
в 9 каналах
Get PRO
вересень '25
+76
в 2 каналах
Get PRO
серпень '25
+125
в 5 каналах
Get PRO
липень '25
+101
в 12 каналах
Get PRO
червень '25
+90
в 3 каналах
Get PRO
травень '25
+121
в 7 каналах
Get PRO
квітень '25
+116
в 9 каналах
Get PRO
березень '25
+476
в 15 каналах
Get PRO
лютий '25
+173
в 11 каналах
Get PRO
січень '25
+337
в 15 каналах
Get PRO
грудень '24
+611
в 8 каналах
Get PRO
листопад '24
+376
в 8 каналах
Get PRO
жовтень '24
+712
в 14 каналах
Get PRO
вересень '24
+769
в 11 каналах
Get PRO
серпень '24
+1 101
в 20 каналах
Get PRO
липень '24
+173
в 7 каналах
Get PRO
червень '24
+265
в 7 каналах
Get PRO
травень '24
+268
в 7 каналах
Get PRO
квітень '24
+270
в 13 каналах
Get PRO
березень '24
+460
в 13 каналах
Get PRO
лютий '24
+332
в 9 каналах
Get PRO
січень '24
+460
в 12 каналах
Get PRO
грудень '23
+578
в 9 каналах
Get PRO
листопад '23
+759
в 17 каналах
Get PRO
жовтень '23
+420
в 10 каналах
Get PRO
вересень '23
+267
в 0 каналах
Get PRO
серпень '23
+445
в 0 каналах
Get PRO
липень '23
+357
в 0 каналах
Get PRO
червень '23
+345
в 0 каналах
Get PRO
травень '23
+1 131
в 0 каналах
Get PRO
квітень '23
+403
в 0 каналах
Get PRO
березень '23
+395
в 0 каналах
Get PRO
лютий '23
+490
в 0 каналах
Get PRO
січень '23
+326
в 0 каналах
Get PRO
грудень '22
+473
в 0 каналах
Get PRO
листопад '22
+472
в 0 каналах
Get PRO
жовтень '22
+450
в 0 каналах
Get PRO
вересень '22
+543
в 0 каналах
Get PRO
серпень '22
+603
в 0 каналах
Get PRO
липень '22
+798
в 0 каналах
Get PRO
червень '22
+347
в 0 каналах
Get PRO
травень '22
+461
в 0 каналах
Get PRO
квітень '22
+566
в 0 каналах
Get PRO
березень '22
+721
в 0 каналах
Get PRO
лютий '22
+396
в 0 каналах
Get PRO
січень '22
+405
в 0 каналах
Get PRO
грудень '21
+217
в 0 каналах
Get PRO
листопад '21
+390
в 0 каналах
Get PRO
жовтень '21
+496
в 0 каналах
Get PRO
вересень '21
+652
в 0 каналах
Дата
Залучення підписників
Згадування
Канали
16 липня0
15 липня0
14 липня+5
13 липня+2
12 липня0
11 липня0
10 липня+9
09 липня+2
08 липня+3
07 липня+10
06 липня0
05 липня0
04 липня+3
03 липня0
02 липня+8
01 липня0
Дописи каналу
“আর কাফির বলবেঃ হায়, আমি যদি মাটি হতাম।” অর্থাৎ দুনিয়ায় যদি আমরা মাটিরূপে থাকতাম, যদি আমাদেরকে সৃষ্টিই না করা হতো এবং আমাদ
“আর কাফির বলবেঃ হায়, আমি যদি মাটি হতাম।” অর্থাৎ দুনিয়ায় যদি আমরা মাটিরূপে থাকতাম, যদি আমাদেরকে সৃষ্টিই না করা হতো এবং আমাদের কোন অস্তিত্বই না থাকতো তবে কতই না ভাল হতো! তারা সেদিন আল্লাহর আযাব স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবে। নিজেদের মন্দ ও পাপকর্মগুলো সামনে থাকবে যেগুলো পবিত্র ফেরেশতাদের ন্যায়পূর্ণ হস্তে লিখিত হয়েছে। সুতরাং একটি অর্থ তো এই হলো যে, তারা দুনিয়াতেই মাটি হবার আকাঙ্ক্ষা করবে। অর্থাৎ সৃষ্টি না হওয়া কামনা করবে। দ্বিতীয় অর্থ এই যে, যখন জীবজন্তুগুলোর ফায়সালা হয়ে যাবে এবং প্রতিশোধ গ্রহণ করিয়ে দেয়া হবে, এমন কি যদি শিংবিহীন বকরীকে শিংবিশিষ্ট বকরী মেরে থাকে তবে তারও প্রতিশোধ নিয়ে দেয়া হবে। তারপর তাদেরকে (জন্তুগুলোকে) বলা হবেঃ তোমরা মাটি হয়ে যাও, তখন তারা মাটি হয়ে যাবে। তখন এই কাফির লোকও বলবেঃ হায়, যদি আমি (এদের মত) মাটি হয়ে যেতাম! অর্থাৎ যদি আমিও জন্তু হতাম এবং এভাবে মাটি হয়ে যেতাম তবে কতই না ভাল হতো! - ইবনে কাসীর

2
সূরা কাহাফ আর দুরুদ....
310
3
📖 ৬৮. আল-কলম - আয়াতঃ ৪২ স্মরণ করুন, সে দিনের কথা যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচিত করা হবে(১), সেদিন তাদেরকে ডাকা হবে সিজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না; জাকারিয়া তাফসীর: (১) আয়াতে বলা হয়েছে, "যেদিন পায়ের গোছা উম্মোচিত করা হবে"। পায়ের গোছা উম্মোচিত করার এক অর্থ অবস্থা কঠিন হওয়াও হয়। আর তখন অর্থ হবে, যেদিন মানুষের অবস্থা অত্যন্ত কঠিন হবে। [বাগভী; ফাতহুল কাদীর] কিন্তু এ আয়াতের তাফসীরে সহীহ হাদীসে স্পষ্ট এসেছে যে, এখানে মহান আল্লাহর "পায়ের গোছা" বোঝানো হয়েছে। আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "আমাদের রব তাঁর পায়ের গোছা" অনাবৃত করবেন, ফলে প্রতিটি মুমিন নর ও নারী তাঁর জন্য সিজদাহ করবেন। পক্ষান্তরে যারা দুনিয়াতে প্রদর্শনেচ্ছা কিংবা শুনানোর উদ্দেশ্যে সিজদাহ করেছিল, তারা সিজদাহ করতে সক্ষম হবে না। তারা সিজদাহ করতে যাবে কিন্তু তাদের পিঠ বাঁকা হবে না।" [বুখারী: ৪৯১৯] ইবনে কাসীরে আরো এসেছে: এরপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ তাদের দৃষ্টি উপরের দিকে উঠবে না, তারা লাঞ্ছিত ও অপমানিত হবে। কেননা, তারা দুনিয়ায় বড়ই উদ্ধত ও অহংকারী ছিল। সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় যখন তাদেরকে সিজদার জন্যে আহ্বান করা হতো তখন তারা সিজদা করা হতে বিরত থাকতো, যার শাস্তি এই হলো যে, আজ তারা সিজদা করতে চাচ্ছে, কিন্তু করতে পারছে না। পক্ষান্তরে, পূর্বে সিজদা করতে পারতো কিন্তু করতো না। আল্লাহর দ্যুতি বা তাজাল্লী দেখে সমস্ত মু'মিন সিজদায় পতিত হয়ে যাবে। কিন্তু কাফিররা ও মুনাফিকরা সিজদা করতে পারবে না। তাদের কোমর তক্তার মত শক্ত হয়ে যাবে। সুতরাং ঝুঁকতেই পারবে না, বরং পিঠের ভরে চিৎ হয়ে পড়ে যাবে। দুনিয়াতেও তাদের অবস্থা মু'মিনদের বিপরীত, পরকালেও তাদের অবস্থা হবে মুমিনদের বিপরীত। 🛑কিয়ামতের দিন এই ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুক, আমীন। ইখলাসের সাথে আমলের তাওফীক দিক, আমীন।
469
4
Немає тексту...
414
5
প্রশান্তি মূলত কীসে ┇ মাওলানা সাজ্জাদ নোমানী ┇ Molana Sajjad Nomani @islamicvideo24hours
প্রশান্তি মূলত কীসে ┇ মাওলানা সাজ্জাদ নোমানী ┇ Molana Sajjad Nomani @islamicvideo24hours
630
6
বর্ণনাকারী: আনাস (রাঃ) নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে। রেফারেন্স:হাদিস নং ১৩, সহিহ বুখারী
685
7
দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় কতটা তুচ্ছ? কারও দুনিয়ার জীবন ৫০ বছর, কারও ৬০ বছর, কারও ৮০ বছর। এর আগে আমরা ছিলাম মায়ের পেটে প্রায় ১০ মাস। এখন ভাবুন—এই ১০ মাসের জীবনকে ৫০–৮০ বছরের জীবনের সাথে তুলনা করলে কত ছোট মনে হয়! আমরা সবাই বলব—ওটা আবার কোনো জীবন হলো নাকি! এবার আরেক ধাপ সামনে যাই। ৮০ বছর দুনিয়া কাটিয়ে আমরা কবরে চলে যাব। আদম আ.-এর সময় থেকে আজ পর্যন্ত কত মানুষ কবরে শুয়ে আছে! আর কে জানে আরো কতদিন শুয়ে থাকবে! এখন দুনিয়ার ৫০–৮০ বছরের জীবনকে কবরের এই দীর্ঘ জীবনের সাথে তুলনা করুন—দুনিয়ার জীবন কত তুচ্ছ মনে হবে! কিন্তু কবরের জীবনও চিরস্থায়ী না। কবরের জীবন যতই দীর্ঘ হোক, এটাও শেষ হয়ে যাবে। তারপর আসবে হাশরের দিন। হাশরের একদিন হবে ৫০ হাজার বছরের সমান! এখন কবরের জীবনকে এই ৫০ হাজার বছরের সাথে তুলনা করলে—কবরের জীবনও একেবারে তুচ্ছ মনে হবে! তারপর শুরু হবে আসল জীবন। এই ৫০ হাজার বছরের দিন শেষ হলে শুরু হবে আসল জীবন। যে জীবন কখনো শেষ হবে না, কোনো সীমা নেই, কোনো শেষ নেই। তুমি ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে যাবে, কিন্তু সেই জীবন শেষ হবে না! #খুতুবাত
817
8
বৃষ্টিভেজা এই পথটা শুধু চা পৌঁছে দেওয়ার পথ নয়, এটি এক ছোট্ট যোদ্ধার সংগ্রামের গল্প। ওর নাম মাহমুদ ফাহিম। ক্যান্সারের সঙ্গে
বৃষ্টিভেজা এই পথটা শুধু চা পৌঁছে দেওয়ার পথ নয়, এটি এক ছোট্ট যোদ্ধার সংগ্রামের গল্প। ওর নাম মাহমুদ ফাহিম। ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করেও বাবার চায়ের দোকানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখেনি। এক হাতে ছাতা, অন্য হাতে চায়ের কেতলি জীবনের কঠিন বাস্তবতার মাঝেও সে এগিয়ে চলছে। অনেকের কাছে বৃষ্টি রোমান্টিক, কিন্তু কারও কারও কাছে বৃষ্টি মানে দায়িত্ব, সংগ্রাম আর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি। মাহমুদ ফাহিমের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং তার প্রতিটি কষ্ট সহজ করে দেন। - copied @happy_picturess
864
9
দুরুদ শরীফের অপার ফজিলত ======================= দুরুদ শরীফ শুধু কয়েকটি শব্দের যিকির নয়; এটি আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল, নবী ﷺ–এর প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের একটি মহান মাধ্যম। এই চারটি বিষয় হৃদয়ে ধারণ করে দুরুদ পড়ুন—ইনশা আল্লাহ, দুরুদের প্রতি আপনার ভালোবাসা ও আগ্রহ দিন দিন বেড়ে যাবে। ১) আপনি যখন দুরুদ পড়েন, রাসূল ﷺ-এর কাছে আপনার দুরুদ পৌঁছে যায় আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার পড়া দুরুদ আল্লাহর ব্যবস্থাপনায় রাসূল ﷺ-এর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। রাসূল ﷺ বলেছেন: "তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, তোমাদের দুরুদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।" (সুনান আবু দাউদ : ২০৪২; মুসনাদ আহমদ: ১০৫৯৪)। আরেকটি সহিহ বর্ণনায় এসেছে, বিশেষ ফেরেশতারা উম্মতের সালাম ও দুরুদ রাসূল ﷺ-এর কাছে পৌঁছে দেন এবং দুরুদ পাঠকারীর পরিচয়ও উল্লেখ করেন। ভাবুন তো, কোটি কোটি উম্মতের মাঝে আপনার নামও সেই সৌভাগ্যবানদের তালিকায় উচ্চারিত হচ্ছে—এটি কত বড় সম্মান! ২) একবার দুরুদ পড়লে আল্লাহ দশগুণ রহমত বর্ষণ করেন রাসূল ﷺ বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দুরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন, তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।"» (সুনান আন-নাসায়ি: ১২৯৭; সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯০৮)। আর আল্লাহ তাআলা নিজেই নির্দেশ দিয়েছেন— "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর নবীর প্রতি রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা দোয়া করেন । হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম প্রেরণ করো।" — সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৫৬। যে আমল আল্লাহ নিজে করেন, ফেরেশতারাও করেন, সেই আমলে শরিক হওয়া কত বড় সৌভাগ্য! ৩) দুরুদ দুশ্চিন্তা দূর করে, গুনাহ ক্ষমার কারণ হয় উবাই ইবন কা'ব (রা.) নবী ﷺ-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি তাঁর দোয়ার কতটুকু অংশ দুরুদের জন্য নির্ধারণ করবেন। শেষে যখন বললেন, "পুরোটাই?", তখন রাসূল ﷺ বললেন: "তাহলে তোমার সব দুশ্চিন্তা দূর করে দেওয়া হবে এবং তোমার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।" (সুনান আত-তিরমিজি: ২৪৫৭ — সহিহ)। তাই জীবনের কষ্ট, অস্থিরতা ও সংকটের সময় দুরুদকে নিজের নিত্যসঙ্গী বানান। এটি অন্তরে প্রশান্তি আনে এবং আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম। ৪) যিনি আমাদের জন্য কেঁদেছেন, তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠাতে কৃপণতা কেন? রাসূল ﷺ আমাদের মুক্তির জন্য অকল্পনীয় কষ্ট সহ্য করেছেন। তায়েফে রক্তাক্ত হয়েছেন, উহুদে আহত হয়েছেন, তবুও উম্মতের জন্যই দোয়া করেছেন। কিয়ামতের ভয়াবহ দিনে, যখন প্রত্যেকে নিজের চিন্তায় ব্যস্ত থাকবে, তখন তিনি বলবেন— 'ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি' (আমার উম্মত! আমার উম্মত!) (সহিহ মুসলিম: ২০২)। এই ভালোবাসার প্রতিদান আমরা কখনোই দিতে পারব না। তবে অন্তত বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করে তাঁর প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ করতে পারি। অতিরিক্ত আমল : দুরুদের পাশাপাশি বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন এবং দোয়া ইউনুস পাঠ করুন— لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ এটি বিপদে পড়া নবী ইউনুস (আ.)-এর দোয়া। আল্লাহ তাআলা কুরআনে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং এভাবে তিনি মুমিনদেরও মুক্তি দেন। আসুন, প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় দুরুদ, ইস্তিগফার ও আল্লাহর যিকিরে ব্যয় করি। হয়তো এই সামান্য আমলই হবে আমাদের গুনাহ ক্ষমার কারণ, হৃদয়ের প্রশান্তির কারণ এবং জান্নাতের পথে সবচেয়ে সুন্দর পাথেয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করার, ইস্তিগফারে অভ্যস্ত হওয়ার এবং রাসূল ﷺ–এর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার তাওফিক দান করুন। আমীন। Focused
1 002
10
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৪৭ Surah Baqarah ২:৪৩ وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱرۡكَعُواْ مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ অর্থ : আর তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা করো ও যাকাত দাও এবং রুকূ’কারীদের সাথে রুকূ করো [১]। [১] হাসান বলেন, সালাত এমন এক ফরয যা না পাওয়া গেলে অন্য কোনো আমলই কবুল করা হয় না। অনুরূপভাবে যাকাতও। [আত-তাফসীরুস সহীহ] আয়াতে বর্ণিত রুকূ’ এর শাব্দিক অর্থ ঝুঁকা বা প্রণত হওয়া। এ অর্থের পরিপ্রেক্ষিতে এ শব্দ সিজদার স্থলেও ব্যবহৃত হয়। কেননা সেটাও ঝুঁকারই সর্বশেষ স্তর। কিন্তু শরীআতের পরিভাষায় ঐ বিশেষ ঝুঁকাকে রুকূ’ বলা হয়, যা সালাতের মধ্যে প্রচলিত ও পরিচিত। আয়াতের অর্থ এই যে, রুকূ’কারীগণের সাথে রুকূ‘ কর। এখানে প্রণিধানযোগ্য এই যে, সালাতের সমগ্ৰ অংগ-প্রত্যংগের মধ্যে রুকূ’কে বিশেষভাবে কেন উল্লেখ করা হলো? উত্তর এই যে, এখানে সালাতের একটি অংশ উল্লেখ করে গোটা সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। যেমন, কুরআনুল কারীমের এক জায়গায় (وَقُرْاٰنَ الْفَجْرِ) ‘ফজর সালাতের কুরআন পাঠ' বলে সম্পূর্ণ ফজরের সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। তাছাড়া হাদীসের কোনো কোনো রেওয়াতে ‘সিজদা’ শব্দ ব্যবহার করে পূর্ণ এক রাকাআত বা গোটা সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। সুতরাং এর মর্ম এই যে, সালাত আদায়কারীগণের সাথে সালাত আদায় কর। অর্থাৎ রুকূ’কারীদের সাথে শব্দদ্বয়ের দ্বারা জামা'আতের সাথে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।  -Tafsir Abu Bakr Zakaria সকল পর্ব
903
11
sticker.webp
826
12
এখানে মূলত ইসলামি ইতিহাসের অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং সম্মানিত তিনজন ব্যক্তিত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে তাঁদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হলো: ১. ইব্রাহিম ইবন আদহাম (রাহ.) পরিচিতি:তিনি ইসলামের ইতিহাসে প্রথম যুগের অন্যতম বিখ্যাত ইসলামি ইতিহাসে তিনি তাওয়াক্কুল, জুহদ (দুনিয়াবিমুখতা), বিনয় এবং আখিরাতমুখী জীবনের উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। তিনি তৎকালীন বালখ (বর্তমান আফগানিস্তান) অঞ্চলের একটি অত্যন্ত ধনী পরিবারে এবং রাজকীয় পরিবেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু আল্লাহর ভালোবাসায় বিভোর হয়ে তিনি একপর্যায়ে রাজকীয় বিলাসবহুল জীবন ত্যাগ করে এক সাধারণ জীবন বেছে নেন। ২. আবু ইউসুফ (রাহ.) গল্পে উল্লিখিত আবু ইউসুফ হলেন ইব্রাহিম ইবন আদহামের সমসাময়িক একজন পুণ্যবান সঙ্গী. ইব্রাহিম ইবন আদহামের মতোই তিনিও পার্থিব লোভ-লালসা ও ধন-সম্পদ থেকে দূরে থেকে একান্তে আল্লাহর ইবাদত এবং অল্পেতুষ্টির জীবন বেছে নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যকার এই ঘটনাটি প্রকাশ করে যে, বাহ্যিক দারিদ্র্য থাকা সত্ত্বেও আল্লাহর প্রতি ভরসা (তাওয়াক্কুল) তাঁদের অন্তরকে কতটা ধনী করে তুলেছিল। ৩. শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহ.)- তাঁর পুরো নাম আহমদ ইবনে আব্দুল হালিম ইবনে তাইমিয়্যাহ। তিনি হিজরি সপ্তম-অষ্টম শতকের (১২৬৩ - ১৩২৮ খ্রিষ্টাব্দ) একজন মহান ইসলামি চিন্তাবিদ, ফকিহ, মুহাদ্দিস এবং মুজাদ্দিদ (সংস্কারক) ছিলেন। তিনি কোরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ চর্চা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। গল্পে তাঁর যে বিখ্যাত উক্তিটির সূত্রপাত করা হয়েছে, তার পূর্ণ রূপটি হলো: নিশ্চয়ই এই দুনিয়াতেও একটি জান্নাত রয়েছে; যে ব্যক্তি দুনিয়ার এই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারেনি, সে আখেরাতের জান্নাতেও প্রবেশ করতে পারবে না।"    এখানে 'দুনিয়ার জান্নাত' বলতে তিনি আল্লাহর জিকির, তাঁর প্রতি ভালোবাসা, মহব্বত এবং ঈমানের মাধ্যমে অর্জিত অন্তরের পরম শান্তি ও সন্তুষ্টিকে বুঝিয়েছেন—যা ইব্রাহিম ইবন আদহাম ও আবু ইউসুফ রুটি ও সমুদ্রের পানি দিয়ে খাওয়ার সময় অনুভব করেছিলেন। এ কাহিনীর অনুভূতিটা আমরা অনেকেই অনুভব করতে পারব না, কারণ আমরা দুনিয়ায় কখনো এই সুকুন এর কিয়দাংশ ও অন্তরে পাইনি। আমাদের ইমান আমলগুলো যদি ইখলাসের সাথে করা হত এবং দুনিয়াবিমূখতা থাকত তাহলে আমরা ও অন্তরের এই সুকুন পেতাম...
997
13
যখন হযরত ইব্রাহীম (আ.)-কে অগ্নিকুণ্ডের কাছে আনা হলো, তাঁর গায়ের কাপড় খুলে ফেলা হলো এবং তাঁর হাত-পা শক্ত করে বেঁধে মিনজানিক (পাথর বা মানুষ ছুঁড়ে মারার প্রাচীন যন্ত্র)-এ রাখা হলো, তখন এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে পুরো সৃষ্টিজগত এবং ফেরেশতাগণ কেঁদে উঠল! সবাই আল্লাহর দরবারে আকুল হয়ে বলতে লাগল, "হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার একনিষ্ঠ বান্দাকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, দয়া করে আমাদের অনুমতি দিন যেন আমরা তাকে সাহায্য করতে পারি।" এমনকি স্বয়ং আগুনও কেঁদে উঠে বলল, "হে রব! আপনি আমাকে মানুষের অধীন করেছেন, আর আজ আপনারই প্রিয় বান্দাকে আমার ভেতরে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে!" তখন আল্লাহ তা’আলা সবার উদ্দেশ্যে বললেন, "নিশ্চয়ই আমার এই বান্দা কেবল আমারই ইবাদত করেছে এবং আমার পথেই সে আজ এত কষ্ট ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। সে যদি আমার কাছে সাহায্য চায়, আমি নিজেই তার ডাকে সাড়া দেব। আর সে যদি তোমাদের কাছে সাহায্য চায়, তবেই কেবল তোমরা তাকে সাহায্য করো।" এরপর যখন হযরত ইব্রাহীম (আ.)-কে মিনজানিক থেকে আগুনের দিকে ছুঁড়ে দেওয়া হলো, তখন মিনজানিক ও আগুনের মাঝখানের শূন্যস্থানে স্বয়ং প্রধান ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.) তাঁর সামনে হাজির হলেন। জিবরাইল (আ.) বললেন, "আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, হে ইব্রাহীম! আমি জিবরাইল। আপনার কি কোনো সাহায্য লাগবে? আপনার কি কোনো প্রয়োজন আছে?" ইব্রাহীম (আ.) অত্যন্ত দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর দিলেন, "তোমার কাছে? না, তোমার কাছে আমার কোনো প্রয়োজন নেই! আমার যা কিছু প্রয়োজন, তা কেবল আমার রবের কাছেই।" সুবহানাল্লাহ! আমাদের জীবনে সামান্য কোনো বিপদ-আপদ বা সংকট আসলে আমরা আল্লাহর কথা ভুলে গিয়ে দুনিয়ার মানুষের পেছনে ছুটি। একটু টাকা-পয়সার সমস্যা হলে, চাকরি চলে গেলে বা কোনো বিপদে পড়লে আমরা ভাবি অমুক নেতা, অমুক বন্ধু বা অমুক আত্মীয় বুঝি আমাদের বাঁচিয়ে দেবে। অথচ ইব্রাহীম (আ.)-এর ঈমান দেখুন — সামনে লেলিহান আগুন, হাত-পা বাঁধা, আর সাহায্য করতে এসেছেন স্বয়ং ফেরেশতাদের সর্দার জিবরাইল (আ.), যার এক ডানার ঝাপটায় পুরো নমরুদের রাজত্ব ধ্বংস হয়ে যেতে পারত! কিন্তু ইব্রাহীম (আ.) সৃষ্টির সাহায্য চাননি, তিনি চেয়েছেন সরাসরি স্রষ্টার সাহায্য। আমরা মনে করি, সব উপায়-উপকরণ ঠিক থাকলে বুঝি বিপদ কেটে যাবে। কিন্তু উপায় যার হাতে, সেই আল্লাহর ওপর যদি ভরসা ১০০% খাঁটি হয়, তবে দুনিয়ার কোনো শক্তি আপনার ক্ষতি করতে পারবে না। ইব্রাহীম (আ.) যখন জিবরাইল (আ.)-কেও ফিরিয়ে দিয়ে আল্লাহর ওপর পুরো ফয়সালা ছেড়ে দিলেন, তখন আল্লাহ আগুনকে নির্দেশ দিলেন, "ইয়া নারু কূনী বারদান ওয়া সালামান আলা ইব্রাহীম" হে আগুন! তুমি ইব্রাহীমের জন্য ঠাণ্ডা ও শান্তিদায়ক হয়ে যাও। (সূূরা আম্বিয়া) আগুন তার পোড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ইব্রাহীম (আ.)-এর জন্য আরামদায়ক বাগান হয়ে গেল। আল্লাহ তা’আলা আমাদের অন্তরে হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর মতো খাঁটি ঈমান ও তাওয়াক্কুলের নেয়ামত নসিব করুন। জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে দুনিয়ার সমস্ত সৃষ্টির মায়া ছেড়ে কেবল আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন,আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন। © Salman Farsi তথ্যসূত্র: الرقة والبكاء لابن قدامة @Afiyah24hours
836
14
দুর্গম পথ, গাছের ডালের বাধা পেরিয়েও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ-বহরের লরি দুর্গত অঞ্চলে পৌঁছেছে। একের পর এক লরি ঢুকছে বন্যাদ
দুর্গম পথ, গাছের ডালের বাধা পেরিয়েও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ-বহরের লরি দুর্গত অঞ্চলে পৌঁছেছে। একের পর এক লরি ঢুকছে বন্যাদুর্গত এলাকায়। এবারের বন্যায় আমরা প্রাথমিকভাবে ৮১ টন জরুরি ত্রাণ, যা ৬ হাজার দুর্গত পরিবারের মাঝে বিতরণের পরিকল্পনা করেছি। তহবিল সংগ্রহ সাপেক্ষে আরো বাড়তে পারে ইনশাআল্লাহ। আজ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে প্রথম ধাপে ২ হাজার প্যাকেট ত্রাণের প্যাকেজিং শুরু হচ্ছে। এগুলো আগামীকাল সকালে বাঁশখালী উপজেলায় বিতরণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য এলাকাগুলোতেও বিতরণ করব আমরা। এছাড়া গৃহহারাদের জন্য বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের পরিকল্পনা তো রয়েছেই। বন্যা থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া এবং সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করছি। -শায়খ আহমাদুল্লাহ
652
15
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৪৬ Surah Baqarah ২:৪২ وَلَا تَلۡبِسُواْ ٱلۡحَقَّ بِٱلۡبَٰطِلِ وَتَكۡتُمُواْ ٱلۡحَقَّ وَأَنتُمۡ تَعۡلَمُونَ অর্থ : আর তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো না [১] এবং জেনে বুঝে সত্যকে গোপন করো না [২]। [১] কাতাদাহ ও হাসান বলেন, ‘হককে বাতিলের সাথে মিশ্রণ ঘটিয়ো না’ এর অর্থ ইয়াহুদীবাদ ও নাসারাবাদকে ইসলামের সাথে এক করে দেখবে না। কেননা, আল্লাহ্‌র নিকট একমাত্র দীন হচ্ছে, ইসলাম। আর ইয়াহুদীবাদ ও নাসারাবাদ (খৃষ্টবাদ) হচ্ছে বিদ’আত বা নব উদ্ভাবিত বিষয়। সেটি কখনো আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে নয়। সুতরাং এ আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে, বিভিন্ন ধর্মকে একাকার করে এক ধর্মে পরিণত করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে নাজায়েয। [আত-তাফসীরুস সহীহ] আবুল আলীয়াহ বলেন, এর অর্থ তোমরা হককে বাতিলের সাথে মিশ্রিত করো না। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাপারে আল্লাহ্‌র বান্দাদের কাছে নসীহত পূর্ণ কর। অর্থাৎ তোমাদের কিতাবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তা আল্লাহ্‌র বান্দাদের কাছে বর্ণনা কর। [আত-তাফসীরুস সহীহ] আল্লামা শানকীতী বলেন, তারা যে হককে বাতিলের সাথে সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে তা হচ্ছে, তারা তাওরাতের কিছু অংশের উপর ঈমান এনেছে। আর যে বাতিলকে হকের সাথে মিশিয়েছে তা হচ্ছে, তারা তাওরাতের কিছু অংশের সাথে কুফরী করেছে এবং তা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যেমন, মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে সমস্ত গুণাগুণসহ অনুরূপ যা কিছু তারা গোপন করেছে এবং মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। এর বর্ণনায় পবিত্র কুরআনের অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “তবে কি তোমরা কিতাবের কিছুর উপর ঈমান আন, আর কিছুর সাথে কুফরী কর।" [সূরা আল-বাকারাহ: ৮৫] এ আয়াত দ্বারা আরও প্রমাণিত হয় যে, শ্রোতা এবং সম্বোধিত ব্যক্তিকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ নাজায়েয। [২] ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, এর অর্থ, তোমরা আমার রাসূল মুহাম্মাদ এবং তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা সম্পর্কে যে জ্ঞান তোমাদের নিকট আছে তা গোপন কর না। অথচ তার সম্পর্কে তোমরা তোমাদের কাছে যে গ্রন্থ আছে তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক কিছু পাচ্ছ। [আত-তাফসীরুস সহীহ] মুজাহিদ বলেন, আহলে কিতাবগণ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গোপন করে থাকে। অথচ তারা তার ব্যাপারে তাওরাত ও ইঞ্জীলে সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা পেয়ে থাকে। [তাবারী] এ আয়াত থেকে আরও প্রমাণিত হয়েছে যে, কোনো ভয় বা লোভের বশবর্তী হয়ে সত্য গোপন করাও হারাম।  -Tafsir Abu Bakr Zakaria আগের পর্ব: ক্লিক সকল পর্ব :  @ayatannur
855
16
আমি এই গল্পটি বহুবার বলেছি। কিন্তু আল্লাহর কসম, এটি এমন একটি গল্প যা বারবার উল্লেখ করার মতো। দুজন মানুষ ছিলেন—একজনের নাম ছিল আবু ইউসুফ এবং অন্যজনের নাম ছিল ইব্রাহিম ইবন আদহাম। তাঁরা দুজনেই অত্যন্ত দরিদ্র মানুষ ছিলেন। তাঁদের পার্থিব কোনো ধন-সম্পদ ছিল না। দুনিয়া তাঁদের হাতে ছিল না। তাঁরা খুবই দরিদ্র মানুষ ছিলেন, তাঁদের কিছুই ছিল না। তো একদিন তাঁরা কোনোভাবে কিছুটা রুটি জোগাড় করতে পেরেছিলেন। তাঁরা কয়েকদিন ধরে ক্ষুধার্ত ছিলেন, তাঁদের খাওয়ার মতো কিছুই ছিল না। তাঁরা কোনোভাবে রুটি খুঁজে পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা যে রুটিটি পেয়েছিলেন তা ছিল অত্যন্ত শক্ত, নরম ছিল না। আর সেই রুটির সাথে খাওয়ার মতো কোনো ঝোল বা অন্য কিছু তাঁদের কাছে ছিল না। তাই তাঁরা দুজনে বললেন, 'চলুন সমুদ্রের তীরে যাই এবং আমাদের কাছে যে রুটি আছে তা সমুদ্রের পানিতে ডুবিয়ে নিই।' তাই তাঁরা রুটি নিয়ে সমুদ্রের পানিতে ডুবিয়ে নিলেন যাতে রুটিটি নরম হয় এবং এরপর তাঁরা দুজনেই খেতে লাগলেন। তাঁরা তাঁদের রুটি পানিতে ডুবিয়ে খাচ্ছিলেন, আবার ডুবাচ্ছিলেন আর খাচ্ছিলেন। তখন তাঁদের একজন অন্যজনকে বললেন, 'আল্লাহর কসম! রাজারা এবং রাজপুত্ররা যদি জানত যে আমরা এখন কী পরিমাণ নেয়ামত ও আনন্দের মধ্যে আছি, তারা যদি জানত যে আপনার ও আমার কাছে কী সুখ, নেয়ামত এবং কল্যাণ রয়েছে; রাজারা এবং রাজপুত্ররা যদি তা জানতে পারত, তবে তারা তাদের রাজপ্রাসাদ ছেড়ে চলে আসত এবং আমাদের কাছ থেকে তরবারি নিয়ে হলেও তা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করত। আমার ভাইয়েরা, এই দুই ব্যক্তির কাছে কিছুই ছিল না। তাঁরা কেবল ওই দুটি রুটিই জোগাড় করতে পেরেছিলেন। তাঁদের অন্তরে এই অনুভূতির পেছনের কারণ কী ছিল, তা আমাদের শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহ.) বলেছেন। তিনি বলেছেন: 'নিশ্চয়ই এই দুনিয়াতেও একটি জান্নাত রয়েছে.………..@islamicvideo24hours
981
17
@islamicvideo24hours
@islamicvideo24hours
879
18
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৪৫ Surah Baqarah ২:৪১ وَءَامِنُواْ بِمَآ أَنزَلۡتُ مُصَدِّقٗا لِّمَا مَعَكُمۡ وَلَا تَكُونُوٓاْ أَوَّلَ كَافِرِۭ بِهِۦۖ وَلَا تَشۡتَرُواْ بِـَٔايَٰتِي ثَمَنٗا قَلِيلٗا وَإِيَّٰيَ فَٱتَّقُونِ অর্থ : আর আমি যা নাযিল করেছি তোমরা তাতে ঈমান আনো। এটা তোমাদের কাছে যা আছে তার সততা প্রমাণকারী। আর তোমরাই এর প্রথম অস্বীকারকারী হয়ো না এবং আমার আয়াতসমূহের বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহন করো না [১]। আর তোমরা শুধু আমারই তাকওয়া অবলম্বন কর। [১] আলোচ্য আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলার আয়াতসমূহের বিনিময়ে মূল্য গ্রহণ নিষিদ্ধ হওয়ার অর্থ হলো, মানুষের মর্জি ও স্বার্থের বিনিময়ে আয়াতসমূহের মর্ম বিকৃত বা ভুলভাবে প্রকাশ করে তা গোপন রেখে টাকা-পয়সা, অর্থ-সম্পদ গ্রহণ করা। এ কাজটি সর্বসম্মতিক্রমে হারাম।  -Tafsir Abu Bakr Zakaria আগের পর্ব: ক্লিক সকল পর্ব :  @ayatannur
1 036
19
শুক্রবার আসে, শুক্রবার যায়। কত দুআ কবুলের সময় চলে যাচ্ছে... কোনো এক জুমাবার যে জীবনের শেষ জুমা হবে সে খেয়াল এ বুকটা হু হু করে
শুক্রবার আসে, শুক্রবার যায়। কত দুআ কবুলের সময় চলে যাচ্ছে... কোনো এক জুমাবার যে জীবনের শেষ জুমা হবে সে খেয়াল এ বুকটা হু হু করে উঠে। উম্মাহর দূর্দশা, নিজের গুনাহ আর নাফস কে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার এক গভীর কষ্টের ভার যেন শেষ হওয়ারই না... একটু আধটু প্রাকটিসিং প্রতিটা ভাইবোনের এই আক্ষেপ গুলো যেন শেষ হওয়ার নয়। আল্লাহ নেক ইচ্ছে গুলোকে কাজে রূপান্তর হওয়ার তাওফীক দিক, দূঃখ কষ্টের এই পৃথিবীর সংক্ষিপ্ত যাত্রা শেষ করে জান্নাতে মিলিয়ে দিক আমীন...
1 234
20
দুআ কবুলের উত্তম সময়...
1 180