ch
Feedback
Hope

Hope

前往频道在 Telegram

আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

显示更多

📈 Telegram 频道 Hope 的分析概览

频道 Hope (@hope24hours) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 17 760 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 4 656,并在 孟加拉国 地区排名第 1 247

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 17 760 名订阅者。

根据 12 七月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -70,过去 24 小时变化为 -6,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 8.01%。内容发布后 24 小时内通常能获得 3.00% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 423 次浏览,首日通常累积 533 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 24

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

凭借高频更新(最新数据采集于 13 七月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

17 760
订阅者
-624 小时
-147
-7030

数据加载中...

标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
七月 '26
七月 '26
+37
在1个频道中
六月 '26
+54
在2个频道中
Get PRO
五月 '26
+57
在1个频道中
Get PRO
四月 '26
+55
在2个频道中
Get PRO
三月 '26
+40
在11个频道中
Get PRO
二月 '26
+360
在8个频道中
Get PRO
一月 '26
+83
在3个频道中
Get PRO
十二月 '25
+75
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+117
在3个频道中
Get PRO
十月 '25
+138
在9个频道中
Get PRO
九月 '25
+76
在2个频道中
Get PRO
八月 '25
+125
在5个频道中
Get PRO
七月 '25
+101
在12个频道中
Get PRO
六月 '25
+90
在3个频道中
Get PRO
五月 '25
+121
在7个频道中
Get PRO
四月 '25
+116
在9个频道中
Get PRO
三月 '25
+476
在15个频道中
Get PRO
二月 '25
+173
在11个频道中
Get PRO
一月 '25
+337
在15个频道中
Get PRO
十二月 '24
+611
在8个频道中
Get PRO
十一月 '24
+376
在8个频道中
Get PRO
十月 '24
+712
在14个频道中
Get PRO
九月 '24
+769
在11个频道中
Get PRO
八月 '24
+1 101
在20个频道中
Get PRO
七月 '24
+173
在7个频道中
Get PRO
六月 '24
+265
在7个频道中
Get PRO
五月 '24
+268
在7个频道中
Get PRO
四月 '24
+270
在13个频道中
Get PRO
三月 '24
+460
在13个频道中
Get PRO
二月 '24
+332
在9个频道中
Get PRO
一月 '24
+460
在12个频道中
Get PRO
十二月 '23
+578
在9个频道中
Get PRO
十一月 '23
+759
在17个频道中
Get PRO
十月 '23
+420
在10个频道中
Get PRO
九月 '23
+267
在0个频道中
Get PRO
八月 '23
+445
在0个频道中
Get PRO
七月 '23
+357
在0个频道中
Get PRO
六月 '23
+345
在0个频道中
Get PRO
五月 '23
+1 131
在0个频道中
Get PRO
四月 '23
+403
在0个频道中
Get PRO
三月 '23
+395
在0个频道中
Get PRO
二月 '23
+490
在0个频道中
Get PRO
一月 '23
+326
在0个频道中
Get PRO
十二月 '22
+473
在0个频道中
Get PRO
十一月 '22
+472
在0个频道中
Get PRO
十月 '22
+450
在0个频道中
Get PRO
九月 '22
+543
在0个频道中
Get PRO
八月 '22
+603
在0个频道中
Get PRO
七月 '22
+798
在0个频道中
Get PRO
六月 '22
+347
在0个频道中
Get PRO
五月 '22
+461
在0个频道中
Get PRO
四月 '22
+566
在0个频道中
Get PRO
三月 '22
+721
在0个频道中
Get PRO
二月 '22
+396
在0个频道中
Get PRO
一月 '22
+405
在0个频道中
Get PRO
十二月 '21
+217
在0个频道中
Get PRO
十一月 '21
+390
在0个频道中
Get PRO
十月 '21
+496
在0个频道中
Get PRO
九月 '21
+652
在0个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
13 七月+2
12 七月0
11 七月0
10 七月+9
09 七月+2
08 七月+3
07 七月+10
06 七月0
05 七月0
04 七月+3
03 七月0
02 七月+8
01 七月0
频道帖子
Repost from N/a
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৪৭ Surah Baqarah ২:৪৩ وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱرۡكَعُواْ مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ অর্থ : আর তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা করো ও যাকাত দাও এবং রুকূ’কারীদের সাথে রুকূ করো [১]। [১] হাসান বলেন, সালাত এমন এক ফরয যা না পাওয়া গেলে অন্য কোনো আমলই কবুল করা হয় না। অনুরূপভাবে যাকাতও। [আত-তাফসীরুস সহীহ] আয়াতে বর্ণিত রুকূ’ এর শাব্দিক অর্থ ঝুঁকা বা প্রণত হওয়া। এ অর্থের পরিপ্রেক্ষিতে এ শব্দ সিজদার স্থলেও ব্যবহৃত হয়। কেননা সেটাও ঝুঁকারই সর্বশেষ স্তর। কিন্তু শরীআতের পরিভাষায় ঐ বিশেষ ঝুঁকাকে রুকূ’ বলা হয়, যা সালাতের মধ্যে প্রচলিত ও পরিচিত। আয়াতের অর্থ এই যে, রুকূ’কারীগণের সাথে রুকূ‘ কর। এখানে প্রণিধানযোগ্য এই যে, সালাতের সমগ্ৰ অংগ-প্রত্যংগের মধ্যে রুকূ’কে বিশেষভাবে কেন উল্লেখ করা হলো? উত্তর এই যে, এখানে সালাতের একটি অংশ উল্লেখ করে গোটা সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। যেমন, কুরআনুল কারীমের এক জায়গায় (وَقُرْاٰنَ الْفَجْرِ) ‘ফজর সালাতের কুরআন পাঠ' বলে সম্পূর্ণ ফজরের সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। তাছাড়া হাদীসের কোনো কোনো রেওয়াতে ‘সিজদা’ শব্দ ব্যবহার করে পূর্ণ এক রাকাআত বা গোটা সালাতকেই বুঝানো হয়েছে। সুতরাং এর মর্ম এই যে, সালাত আদায়কারীগণের সাথে সালাত আদায় কর। অর্থাৎ রুকূ’কারীদের সাথে শব্দদ্বয়ের দ্বারা জামা'আতের সাথে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।  -Tafsir Abu Bakr Zakaria সকল পর্ব

2
sticker.webp
256
3
এখানে মূলত ইসলামি ইতিহাসের অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং সম্মানিত তিনজন ব্যক্তিত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে তাঁদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হলো: ১. ইব্রাহিম ইবন আদহাম (রাহ.) পরিচিতি:তিনি ইসলামের ইতিহাসে প্রথম যুগের অন্যতম বিখ্যাত ইসলামি ইতিহাসে তিনি তাওয়াক্কুল, জুহদ (দুনিয়াবিমুখতা), বিনয় এবং আখিরাতমুখী জীবনের উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। তিনি তৎকালীন বালখ (বর্তমান আফগানিস্তান) অঞ্চলের একটি অত্যন্ত ধনী পরিবারে এবং রাজকীয় পরিবেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু আল্লাহর ভালোবাসায় বিভোর হয়ে তিনি একপর্যায়ে রাজকীয় বিলাসবহুল জীবন ত্যাগ করে এক সাধারণ জীবন বেছে নেন। ২. আবু ইউসুফ (রাহ.) গল্পে উল্লিখিত আবু ইউসুফ হলেন ইব্রাহিম ইবন আদহামের সমসাময়িক একজন পুণ্যবান সঙ্গী. ইব্রাহিম ইবন আদহামের মতোই তিনিও পার্থিব লোভ-লালসা ও ধন-সম্পদ থেকে দূরে থেকে একান্তে আল্লাহর ইবাদত এবং অল্পেতুষ্টির জীবন বেছে নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যকার এই ঘটনাটি প্রকাশ করে যে, বাহ্যিক দারিদ্র্য থাকা সত্ত্বেও আল্লাহর প্রতি ভরসা (তাওয়াক্কুল) তাঁদের অন্তরকে কতটা ধনী করে তুলেছিল। ৩. শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহ.)- তাঁর পুরো নাম আহমদ ইবনে আব্দুল হালিম ইবনে তাইমিয়্যাহ। তিনি হিজরি সপ্তম-অষ্টম শতকের (১২৬৩ - ১৩২৮ খ্রিষ্টাব্দ) একজন মহান ইসলামি চিন্তাবিদ, ফকিহ, মুহাদ্দিস এবং মুজাদ্দিদ (সংস্কারক) ছিলেন। তিনি কোরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ চর্চা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। গল্পে তাঁর যে বিখ্যাত উক্তিটির সূত্রপাত করা হয়েছে, তার পূর্ণ রূপটি হলো: নিশ্চয়ই এই দুনিয়াতেও একটি জান্নাত রয়েছে; যে ব্যক্তি দুনিয়ার এই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারেনি, সে আখেরাতের জান্নাতেও প্রবেশ করতে পারবে না।"    এখানে 'দুনিয়ার জান্নাত' বলতে তিনি আল্লাহর জিকির, তাঁর প্রতি ভালোবাসা, মহব্বত এবং ঈমানের মাধ্যমে অর্জিত অন্তরের পরম শান্তি ও সন্তুষ্টিকে বুঝিয়েছেন—যা ইব্রাহিম ইবন আদহাম ও আবু ইউসুফ রুটি ও সমুদ্রের পানি দিয়ে খাওয়ার সময় অনুভব করেছিলেন। এ কাহিনীর অনুভূতিটা আমরা অনেকেই অনুভব করতে পারব না, কারণ আমরা দুনিয়ায় কখনো এই সুকুন এর কিয়দাংশ ও অন্তরে পাইনি। আমাদের ইমান আমলগুলো যদি ইখলাসের সাথে করা হত এবং দুনিয়াবিমূখতা থাকত তাহলে আমরা ও অন্তরের এই সুকুন পেতাম...
487
4
যখন হযরত ইব্রাহীম (আ.)-কে অগ্নিকুণ্ডের কাছে আনা হলো, তাঁর গায়ের কাপড় খুলে ফেলা হলো এবং তাঁর হাত-পা শক্ত করে বেঁধে মিনজানিক (পাথর বা মানুষ ছুঁড়ে মারার প্রাচীন যন্ত্র)-এ রাখা হলো, তখন এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে পুরো সৃষ্টিজগত এবং ফেরেশতাগণ কেঁদে উঠল! সবাই আল্লাহর দরবারে আকুল হয়ে বলতে লাগল, "হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার একনিষ্ঠ বান্দাকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, দয়া করে আমাদের অনুমতি দিন যেন আমরা তাকে সাহায্য করতে পারি।" এমনকি স্বয়ং আগুনও কেঁদে উঠে বলল, "হে রব! আপনি আমাকে মানুষের অধীন করেছেন, আর আজ আপনারই প্রিয় বান্দাকে আমার ভেতরে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে!" তখন আল্লাহ তা’আলা সবার উদ্দেশ্যে বললেন, "নিশ্চয়ই আমার এই বান্দা কেবল আমারই ইবাদত করেছে এবং আমার পথেই সে আজ এত কষ্ট ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। সে যদি আমার কাছে সাহায্য চায়, আমি নিজেই তার ডাকে সাড়া দেব। আর সে যদি তোমাদের কাছে সাহায্য চায়, তবেই কেবল তোমরা তাকে সাহায্য করো।" এরপর যখন হযরত ইব্রাহীম (আ.)-কে মিনজানিক থেকে আগুনের দিকে ছুঁড়ে দেওয়া হলো, তখন মিনজানিক ও আগুনের মাঝখানের শূন্যস্থানে স্বয়ং প্রধান ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.) তাঁর সামনে হাজির হলেন। জিবরাইল (আ.) বললেন, "আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, হে ইব্রাহীম! আমি জিবরাইল। আপনার কি কোনো সাহায্য লাগবে? আপনার কি কোনো প্রয়োজন আছে?" ইব্রাহীম (আ.) অত্যন্ত দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর দিলেন, "তোমার কাছে? না, তোমার কাছে আমার কোনো প্রয়োজন নেই! আমার যা কিছু প্রয়োজন, তা কেবল আমার রবের কাছেই।" সুবহানাল্লাহ! আমাদের জীবনে সামান্য কোনো বিপদ-আপদ বা সংকট আসলে আমরা আল্লাহর কথা ভুলে গিয়ে দুনিয়ার মানুষের পেছনে ছুটি। একটু টাকা-পয়সার সমস্যা হলে, চাকরি চলে গেলে বা কোনো বিপদে পড়লে আমরা ভাবি অমুক নেতা, অমুক বন্ধু বা অমুক আত্মীয় বুঝি আমাদের বাঁচিয়ে দেবে। অথচ ইব্রাহীম (আ.)-এর ঈমান দেখুন — সামনে লেলিহান আগুন, হাত-পা বাঁধা, আর সাহায্য করতে এসেছেন স্বয়ং ফেরেশতাদের সর্দার জিবরাইল (আ.), যার এক ডানার ঝাপটায় পুরো নমরুদের রাজত্ব ধ্বংস হয়ে যেতে পারত! কিন্তু ইব্রাহীম (আ.) সৃষ্টির সাহায্য চাননি, তিনি চেয়েছেন সরাসরি স্রষ্টার সাহায্য। আমরা মনে করি, সব উপায়-উপকরণ ঠিক থাকলে বুঝি বিপদ কেটে যাবে। কিন্তু উপায় যার হাতে, সেই আল্লাহর ওপর যদি ভরসা ১০০% খাঁটি হয়, তবে দুনিয়ার কোনো শক্তি আপনার ক্ষতি করতে পারবে না। ইব্রাহীম (আ.) যখন জিবরাইল (আ.)-কেও ফিরিয়ে দিয়ে আল্লাহর ওপর পুরো ফয়সালা ছেড়ে দিলেন, তখন আল্লাহ আগুনকে নির্দেশ দিলেন, "ইয়া নারু কূনী বারদান ওয়া সালামান আলা ইব্রাহীম" হে আগুন! তুমি ইব্রাহীমের জন্য ঠাণ্ডা ও শান্তিদায়ক হয়ে যাও। (সূূরা আম্বিয়া) আগুন তার পোড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ইব্রাহীম (আ.)-এর জন্য আরামদায়ক বাগান হয়ে গেল। আল্লাহ তা’আলা আমাদের অন্তরে হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর মতো খাঁটি ঈমান ও তাওয়াক্কুলের নেয়ামত নসিব করুন। জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে দুনিয়ার সমস্ত সৃষ্টির মায়া ছেড়ে কেবল আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন,আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন। © Salman Farsi তথ্যসূত্র: الرقة والبكاء لابن قدامة @Afiyah24hours
470
5
দুর্গম পথ, গাছের ডালের বাধা পেরিয়েও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ-বহরের লরি দুর্গত অঞ্চলে পৌঁছেছে। একের পর এক লরি ঢুকছে বন্যাদ
দুর্গম পথ, গাছের ডালের বাধা পেরিয়েও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ-বহরের লরি দুর্গত অঞ্চলে পৌঁছেছে। একের পর এক লরি ঢুকছে বন্যাদুর্গত এলাকায়। এবারের বন্যায় আমরা প্রাথমিকভাবে ৮১ টন জরুরি ত্রাণ, যা ৬ হাজার দুর্গত পরিবারের মাঝে বিতরণের পরিকল্পনা করেছি। তহবিল সংগ্রহ সাপেক্ষে আরো বাড়তে পারে ইনশাআল্লাহ। আজ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে প্রথম ধাপে ২ হাজার প্যাকেট ত্রাণের প্যাকেজিং শুরু হচ্ছে। এগুলো আগামীকাল সকালে বাঁশখালী উপজেলায় বিতরণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য এলাকাগুলোতেও বিতরণ করব আমরা। এছাড়া গৃহহারাদের জন্য বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের পরিকল্পনা তো রয়েছেই। বন্যা থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া এবং সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করছি। -শায়খ আহমাদুল্লাহ
413
6
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৪৬ Surah Baqarah ২:৪২ وَلَا تَلۡبِسُواْ ٱلۡحَقَّ بِٱلۡبَٰطِلِ وَتَكۡتُمُواْ ٱلۡحَقَّ وَأَنتُمۡ تَعۡلَمُونَ অর্থ : আর তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো না [১] এবং জেনে বুঝে সত্যকে গোপন করো না [২]। [১] কাতাদাহ ও হাসান বলেন, ‘হককে বাতিলের সাথে মিশ্রণ ঘটিয়ো না’ এর অর্থ ইয়াহুদীবাদ ও নাসারাবাদকে ইসলামের সাথে এক করে দেখবে না। কেননা, আল্লাহ্‌র নিকট একমাত্র দীন হচ্ছে, ইসলাম। আর ইয়াহুদীবাদ ও নাসারাবাদ (খৃষ্টবাদ) হচ্ছে বিদ’আত বা নব উদ্ভাবিত বিষয়। সেটি কখনো আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে নয়। সুতরাং এ আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে, বিভিন্ন ধর্মকে একাকার করে এক ধর্মে পরিণত করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে নাজায়েয। [আত-তাফসীরুস সহীহ] আবুল আলীয়াহ বলেন, এর অর্থ তোমরা হককে বাতিলের সাথে মিশ্রিত করো না। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাপারে আল্লাহ্‌র বান্দাদের কাছে নসীহত পূর্ণ কর। অর্থাৎ তোমাদের কিতাবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তা আল্লাহ্‌র বান্দাদের কাছে বর্ণনা কর। [আত-তাফসীরুস সহীহ] আল্লামা শানকীতী বলেন, তারা যে হককে বাতিলের সাথে সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে তা হচ্ছে, তারা তাওরাতের কিছু অংশের উপর ঈমান এনেছে। আর যে বাতিলকে হকের সাথে মিশিয়েছে তা হচ্ছে, তারা তাওরাতের কিছু অংশের সাথে কুফরী করেছে এবং তা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যেমন, মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে সমস্ত গুণাগুণসহ অনুরূপ যা কিছু তারা গোপন করেছে এবং মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। এর বর্ণনায় পবিত্র কুরআনের অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “তবে কি তোমরা কিতাবের কিছুর উপর ঈমান আন, আর কিছুর সাথে কুফরী কর।" [সূরা আল-বাকারাহ: ৮৫] এ আয়াত দ্বারা আরও প্রমাণিত হয় যে, শ্রোতা এবং সম্বোধিত ব্যক্তিকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ নাজায়েয। [২] ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, এর অর্থ, তোমরা আমার রাসূল মুহাম্মাদ এবং তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা সম্পর্কে যে জ্ঞান তোমাদের নিকট আছে তা গোপন কর না। অথচ তার সম্পর্কে তোমরা তোমাদের কাছে যে গ্রন্থ আছে তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক কিছু পাচ্ছ। [আত-তাফসীরুস সহীহ] মুজাহিদ বলেন, আহলে কিতাবগণ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গোপন করে থাকে। অথচ তারা তার ব্যাপারে তাওরাত ও ইঞ্জীলে সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা পেয়ে থাকে। [তাবারী] এ আয়াত থেকে আরও প্রমাণিত হয়েছে যে, কোনো ভয় বা লোভের বশবর্তী হয়ে সত্য গোপন করাও হারাম।  -Tafsir Abu Bakr Zakaria আগের পর্ব: ক্লিক সকল পর্ব :  @ayatannur
588
7
আমি এই গল্পটি বহুবার বলেছি। কিন্তু আল্লাহর কসম, এটি এমন একটি গল্প যা বারবার উল্লেখ করার মতো। দুজন মানুষ ছিলেন—একজনের নাম ছিল আবু ইউসুফ এবং অন্যজনের নাম ছিল ইব্রাহিম ইবন আদহাম। তাঁরা দুজনেই অত্যন্ত দরিদ্র মানুষ ছিলেন। তাঁদের পার্থিব কোনো ধন-সম্পদ ছিল না। দুনিয়া তাঁদের হাতে ছিল না। তাঁরা খুবই দরিদ্র মানুষ ছিলেন, তাঁদের কিছুই ছিল না। তো একদিন তাঁরা কোনোভাবে কিছুটা রুটি জোগাড় করতে পেরেছিলেন। তাঁরা কয়েকদিন ধরে ক্ষুধার্ত ছিলেন, তাঁদের খাওয়ার মতো কিছুই ছিল না। তাঁরা কোনোভাবে রুটি খুঁজে পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা যে রুটিটি পেয়েছিলেন তা ছিল অত্যন্ত শক্ত, নরম ছিল না। আর সেই রুটির সাথে খাওয়ার মতো কোনো ঝোল বা অন্য কিছু তাঁদের কাছে ছিল না। তাই তাঁরা দুজনে বললেন, 'চলুন সমুদ্রের তীরে যাই এবং আমাদের কাছে যে রুটি আছে তা সমুদ্রের পানিতে ডুবিয়ে নিই।' তাই তাঁরা রুটি নিয়ে সমুদ্রের পানিতে ডুবিয়ে নিলেন যাতে রুটিটি নরম হয় এবং এরপর তাঁরা দুজনেই খেতে লাগলেন। তাঁরা তাঁদের রুটি পানিতে ডুবিয়ে খাচ্ছিলেন, আবার ডুবাচ্ছিলেন আর খাচ্ছিলেন। তখন তাঁদের একজন অন্যজনকে বললেন, 'আল্লাহর কসম! রাজারা এবং রাজপুত্ররা যদি জানত যে আমরা এখন কী পরিমাণ নেয়ামত ও আনন্দের মধ্যে আছি, তারা যদি জানত যে আপনার ও আমার কাছে কী সুখ, নেয়ামত এবং কল্যাণ রয়েছে; রাজারা এবং রাজপুত্ররা যদি তা জানতে পারত, তবে তারা তাদের রাজপ্রাসাদ ছেড়ে চলে আসত এবং আমাদের কাছ থেকে তরবারি নিয়ে হলেও তা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করত। আমার ভাইয়েরা, এই দুই ব্যক্তির কাছে কিছুই ছিল না। তাঁরা কেবল ওই দুটি রুটিই জোগাড় করতে পেরেছিলেন। তাঁদের অন্তরে এই অনুভূতির পেছনের কারণ কী ছিল, তা আমাদের শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহ.) বলেছেন। তিনি বলেছেন: 'নিশ্চয়ই এই দুনিয়াতেও একটি জান্নাত রয়েছে.………..@islamicvideo24hours
709
8
@islamicvideo24hours
@islamicvideo24hours
646
9
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৪৫ Surah Baqarah ২:৪১ وَءَامِنُواْ بِمَآ أَنزَلۡتُ مُصَدِّقٗا لِّمَا مَعَكُمۡ وَلَا تَكُونُوٓاْ أَوَّلَ كَافِرِۭ بِهِۦۖ وَلَا تَشۡتَرُواْ بِـَٔايَٰتِي ثَمَنٗا قَلِيلٗا وَإِيَّٰيَ فَٱتَّقُونِ অর্থ : আর আমি যা নাযিল করেছি তোমরা তাতে ঈমান আনো। এটা তোমাদের কাছে যা আছে তার সততা প্রমাণকারী। আর তোমরাই এর প্রথম অস্বীকারকারী হয়ো না এবং আমার আয়াতসমূহের বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহন করো না [১]। আর তোমরা শুধু আমারই তাকওয়া অবলম্বন কর। [১] আলোচ্য আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলার আয়াতসমূহের বিনিময়ে মূল্য গ্রহণ নিষিদ্ধ হওয়ার অর্থ হলো, মানুষের মর্জি ও স্বার্থের বিনিময়ে আয়াতসমূহের মর্ম বিকৃত বা ভুলভাবে প্রকাশ করে তা গোপন রেখে টাকা-পয়সা, অর্থ-সম্পদ গ্রহণ করা। এ কাজটি সর্বসম্মতিক্রমে হারাম।  -Tafsir Abu Bakr Zakaria আগের পর্ব: ক্লিক সকল পর্ব :  @ayatannur
773
10
শুক্রবার আসে, শুক্রবার যায়। কত দুআ কবুলের সময় চলে যাচ্ছে... কোনো এক জুমাবার যে জীবনের শেষ জুমা হবে সে খেয়াল এ বুকটা হু হু করে
শুক্রবার আসে, শুক্রবার যায়। কত দুআ কবুলের সময় চলে যাচ্ছে... কোনো এক জুমাবার যে জীবনের শেষ জুমা হবে সে খেয়াল এ বুকটা হু হু করে উঠে। উম্মাহর দূর্দশা, নিজের গুনাহ আর নাফস কে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার এক গভীর কষ্টের ভার যেন শেষ হওয়ারই না... একটু আধটু প্রাকটিসিং প্রতিটা ভাইবোনের এই আক্ষেপ গুলো যেন শেষ হওয়ার নয়। আল্লাহ নেক ইচ্ছে গুলোকে কাজে রূপান্তর হওয়ার তাওফীক দিক, দূঃখ কষ্টের এই পৃথিবীর সংক্ষিপ্ত যাত্রা শেষ করে জান্নাতে মিলিয়ে দিক আমীন...
917
11
দুআ কবুলের উত্তম সময়...
914
12
যে ব্যক্তি প্রতিদিন মৃত্যুকে স্মরণ করে, আল্লাহ তাকে এমন ৩টি নিয়ামত দান করেন যা হাজারো মানুষ চাইলেও পায় না! আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহ.) লিখেছেন, যে ব্যক্তি বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করে, আল্লাহ তাআলা তাকে তিনটি মহামূল্যবান তাওফিক দান করেন। ❶ গুনাহ হয়ে গেলেও দ্রুত তাওবার তাওফিক তার থেকে কোনো পাপ হয়ে গেলে সে দেরি করে না। সঙ্গে সঙ্গে তাওবা করে আল্লাহর ক্ষমা চাইতে থাকে। কারণ, তার মনে সব সময় একটি ভয় কাজ করে, "যদি তাওবা করার আগেই মৃত্যু এসে যায়?" ❷ অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকার সৌভাগ্য মৃত্যুকে স্মরণকারী মানুষ লোভ-লালসার দাস হয় না। আল্লাহ তাকে যতটুকু দিয়েছেন, তাতেই সন্তুষ্ট থাকে। সে মনে করে, "জীবন তো কয়েক দিনের। অযথা দুনিয়ার পেছনে ছুটে কী লাভ? শেষ পর্যন্ত তো সবকিছু ছেড়েই চলে যেতে হবে।" এই সন্তুষ্টিই তার অন্তরে শান্তি, স্বস্তি ও প্রশান্তি এনে দেয়। ❸ ইবাদতে একাগ্রতা যখন সে ইবাদত করে, তখন প্রাণ ঢেলে করার চেষ্টা করে। কারণ তার মনে দুটি অনুভূতি থাকে, প্রথমত: কে জানে, এটাই হয়তো জীবনের শেষ নামাজ, শেষ সিজদা, শেষ কুরআন তিলাওয়াত! দ্বিতীয়ত: আখিরাতের অফুরন্ত প্রতিদানের প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস থাকে। তাই ইবাদতে সে এমন এক প্রশান্তি ও আনন্দ অনুভব করে, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। তাই, যে মৃত্যুকে ভুলে যায়, সে দুনিয়ায় ডুবে যায়। আর যে মৃত্যুকে স্মরণ করে, আল্লাহ তার দুনিয়া ও আখিরাত — উভয়টাই সুন্দর করে দেন। গ্রন্থ: اللہ سے شرم کیجئے © Salman Farsi
1 145
13
জুমার রাত, বেশি বেশি দুরুদ, সূরা কাহাফ...
1 046
14
ইবনুস সাম্মাক (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: “মৃত ব্যক্তিরা মৃত্যুর কারণে কাঁদে না; বরং তারা কাঁদে হারিয়ে যাওয়া সুযোগের অপূরণীয় আফসোসে। আল্লাহর কসম! তারা এমন এক জগৎ (দুনিয়া) ছেড়ে এসেছে, যেখান থেকে পরকালের জন্য কোনো সম্বল সংগ্রহ করেনি; আর তারা প্রবেশ করেছে এমন এক জগতে (আখিরাতে), যার জন্য কোনো প্রস্তুতি নিয়ে আসেনি। যারা চলে গেছে, তাদের জন্য আর কোনো মুহূর্ত অবশিষ্ট আছে? আর আমাদের জন্যই-বা কতটুকু সময় বাকি রয়েছে? আল্লাহর কসম! যে ব্যক্তি এ বিষয়টি গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করে, তার জন্য উপযুক্ত হলো—নিজ জন্মভূমির মোহ ত্যাগ করা, সঙ্গী-সাথীদের থেকে নিজেকে দূরে রাখা এবং মূল্যবান হোক বা তুচ্ছ—সব ধরনের পার্থিব আসক্তি পরিত্যাগ করা।” (আল-আকিবাহ ফী জিকরিল মউত-৪৬) আল-হাফিজ আব্দুল হক আল-ইশবিলি
1 323
15
মাদরাসা জীবনের এক লজিংবাড়িতে পেঁয়াজ-মরিচ আর পান্তাভাত ছিল আমার নিয়মিত খাবার। আজ চারিদিকে যখন বৈষয়িকতা, আত্মকেন্দ্রিকতা আর স্বার্থপরতার মন খারাপ করা নানান গল্প শুনি, তখন শৈশবের সেই স্মৃতিটা বারবার মনে পড়ে যায়। স্মৃতিটি একই সাথে করুণ আবার মধুরও। আমার বয়স তখন এগারো-বারো। ওই অল্প বয়সে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার দোয়ালিয়া গ্রামের একটি মাদরাসায় ভর্তি হয়েছি। কিতাব বিভাগের একেবারে প্রথম দিকের ক্লাসে পড়ি। সে সময় গ্রামাঞ্চলে ছাত্রদের লজিং রাখার চল ছিল। তখন আমিও একটা বাড়িতে লজিং থাকা শুরু করি। মাদরাসার খাবারের খরচ জোগানোর সামর্থ্য আমার বাবার ছিল। কিন্তু বোর্ডিংয়ের খাবারের তুলনায় লজিং বাড়ির খাবার কিছুটা ভালো হওয়ায় আমার এই লজিং থাকার সিদ্ধান্ত। সেকালে যারা ছাত্রদেরকে লজিং রাখতেন, তারা যে খুব অবস্থাপন্ন ছিলেন, তা কিন্তু নয়। বরং বাবা-মার আদর ফেলে দূর থেকে পড়তে আসা একটা নাবালেগ ছেলের খাবারের দায়িত্ব নেয়াকে তারা নিজেদের কর্তব্য মনে করতেন। কাজটাকে তারা ভালোও বাসতেন। লজিংয়ে পালাক্রমে কয়েকটি পরিবার থেকে আমার খাবারের ব্যবস্থা হতো। একটি পরিবারের কথা স্মরণ হলে এখনো আমার মন খারাপ হয়। পরিবারটি ছিল অত্যন্ত গরিব। বাঁশের বেড়া দেয়া একচালা টিনের ঘর ছিল তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই। একটু জোরে বাতাস হলেই পুরো ঘর নড়বড় করত। দিনের বেলা বেড়ার ফাঁক দিয়ে ঢুকত সূর্যের আলো। এমন বহুবার হয়েছে, আমি ঘরের মেঝেয় বসে ভাত খাচ্ছি আর আমার মুখের ওপর এসে পড়েছে রোদের কিরণ। ঘরের আসবাবপত্র বলতে ছিল বাঁশের খুঁটির ওপর কাঠের পাটাতন দেয়া চৌকি। ঘরের কোনায় কাঠের তাকের ওপর রাখা হতো থালা-বাসন, রশির সাথে ঝুলত কাপড়-চোপড়। এই পরিবারটির কাছে যখন আমার খাবারের পালা আসত, পেঁয়াজ-মরিচ দিয়ে পান্তাভাতের থালা সাজিয়ে দিত। আর সাথে থাকত বাড়ির পোষা মুরগির ডিম ভাজি। হলুদ রঙের ডিম ভাজিটি সাদা পান্তার পটভূমিকায় প্লেট জুড়ে ফুলের মতো ফুটে থাকত। তখন না বুঝলেও এখন বুঝি, এই ডিম গরিব সেই পরিবারটির আয়ের অন্যতম উৎস ছিল। আজ হতে বহু বছর আগে অচেনা এক মাদরাসা-বালকের জন্য হতদরিদ্র পরিবারটি যে দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন, ভাবলে এখন হৃদয় বিগলিত হয়। এই পরিণত বয়সে এসে এখন উপলব্ধি করতে পারি, গরিব হলেও তাদের হৃদয়টা ছিল বড়। সেই বড় হৃদয় তাদেরকে অমন দুঃসাহসী হওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছিল। আজ আমরা, গ্রাম বলুন কিংবা শহর, অর্থনৈতিকভাবে ওই পরিবারটির চেয়ে বহুগুণ ভালো আছি। কিন্তু তারপরও অচেনা শিক্ষার্থীর দু বেলা খাবারের দায়িত্ব নেয়া দূরে থাক, আত্মীয়-স্বজন আসলেই বেশিরভাগ মানুষ আমরা বিরক্ত হই। আত্মীয় বিদায় নিলে স্বস্তিবোধ করি। কেন এমন হলো? কারণ, সময়ের পালাবদলে আজ আমাদের অর্থের বৈভব বেড়েছে, কিন্তু হৃদয়টা সেভাবে বড় হয়নি। ফলে এই সংকীর্ণ হৃদয়ে পরার্থপরতা ও ত্যাগের মতো মহৎ গুণের আর জায়গা হয় না। আর একারণে বিত্তবান হওয়া সত্ত্বেও আত্মিকভাবে আমরা সুখী হয়ে উঠতে পারছি না। নবীজি (সা.) ঠিকই বলেছেন, ধন-সম্পদ বেশি থাকাই প্রকৃত ধনাঢ্যতা নয়; বরং প্রকৃত ধনাঢ্যতা হলো আত্মার ধনাঢ্যতা। তাই আসুন, প্রকৃত সুখী মানুষ হওয়ার জন্য অল্পে তুষ্ট থাকি, আত্মাকে বড় বানাই, ভোগ নয় ত্যাগের সাধনায় নিজেকে ব্যাপৃত রাখি। -শায়খ আহমাদুল্লাহ
1 473
16
ফজর, মাসনূন আমল বা কিছুক্ষণ কুরআন তিলওয়াত, কিছুটা সময় যিকির ; কিছুই যদি আমার দিনের শুরুতে না থাকে তবে আমার দিনটা কল্যাণকর কাজে ব্যয় হবে কিভাবে। এই যে আমরা ভালো নেই, বরকত নেই, রোগ ব্যাধি হতাশা জ্বীন জাদু, কত হাজার সমস্যা, আমরা কি ভেবেছি আমরা দিনের শুরু কিভাবে করি?
1 309
17
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৪৪ Surah Baqarah ২:৪০ يَٰبَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ ٱذۡكُرُواْ نِعۡمَتِيَ ٱلَّتِيٓ أَنۡعَمۡتُ عَلَيۡكُمۡ وَأَوۡفُواْ بِعَهۡدِيٓ أُوفِ بِعَهۡدِكُمۡ وَإِيَّٰيَ فَٱرۡهَبُونِ অর্থ : হে ইসরাঈল [১] বংশধরগণ [২] ! তোমারা আমার সে নিয়ামতের কথা স্মরণ করো যা আমি তোমাদেরকে দিয়েছি [৩] এবং আমার সঙ্গে তোমাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করো [৪], আমিও তোমাদের সঙ্গে আমার অঙ্গীকার পূর্ণ করবো। আর তোমরা শুধু আমাকেই ভয় কর। [১] ‘ইসরাঈল’ ইয়াকুব ‘আলাইহিস সালামের অপর নাম। ইয়াকুব ‘আলাইহিস সালাম এর দুটি নাম রয়েছে, ইয়াকুব ও ইসরাঈল। [২] এ সূরার চল্লিশতম আয়াত থেকে আরম্ভ করে একশত তেইশতম আয়াত পর্যন্ত শুধু আসমানী গ্রন্থে বিশ্বাসী আহলে-কিতাবদেরকে বিশেষভাবে সম্বোধন করা হয়েছে। সেখানে তাদেরকে আকৃষ্ট করার জন্য প্রথমে তাদের বংশগত কৌলিন্য, বিশ্বের বুকে তাদের যশ-খ্যাতি, মান-মর্যাদা এবং তাদের প্রতি আল্লাহ্ তা'আলার অগণিত অনুকম্পাধারার বর্ণনা দেয়া হয়েছে। অতঃপর তাদের পদচ্যুতি ও দুস্কৃতির জন্য সাবধান করে দেয়া হয়েছে এবং সঠিক পথের দিকে আহবান করা হয়েছে। প্রথম সাত আয়াতে এসব বিষয়েরই আলোচনা করা হয়েছে। সংক্ষেপে প্রথম তিন আয়াতে ঈমানের দাওয়াত এবং চার আয়াতে সৎকাজের শিক্ষা ও প্রেরণা রয়েছে। এরপর অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে তাদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে। বিস্তারিত সম্বোধনের সূচনাপর্বে গুরুত্ব সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যে (হে ইসরাঈলের বংশধর) শব্দসমষ্টি দ্বারা সংক্ষিপ্ত সম্বোধনের সূচনা হয়েছিল, সমাপ্তি পর্বেও সেগুলোরই পুনরুল্লেখ করা হয়েছে। [৩] বনী ইসরাঈলকে যে সমস্ত নে'আমত প্রদান করা হয়েছে তা পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। যেমন, ফেরআউন থেকে নাজাত, সমুদ্রে রাস্তার ব্যবস্থা করে তাদের বের করে আনা, তীহ ময়দানে মেঘ দিয়ে ছায়া প্রদান, মান্না ও সালওয়া নাযিলকরণ, সুমিষ্ট পানির ব্যবস্থা করণ ইত্যাদি। তাছাড়া তাদের হিদায়াতের জন্য অগণিত অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ ও তৎকালীন বিশ্বের সবার উপর শ্ৰেষ্ঠত্ব প্রদানও উল্লেখযোগ্য। [৪] এ আয়াতে ইসরাঈল-বংশধরগণকে সম্বোধন করে বলা হয়েছে, “আর তোমরা আমার অংগীকার পূরণ কর।" অর্থাৎ তোমরা আমার সাথে যে অংগীকার করেছিলে, তা পূরণ কর। কাতাদাহ-এর মতে তাওরাতে বর্ণিত সে অংগীকারের কথাই কুরআনের এ আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে, “নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তা'আলা ইসরাঈল-বংশধর থেকে অংগীকার গ্রহণ করেছিলেন এবং আমরা তাদের মাঝে থেকে বার জনকে দলপতি নিযুক্ত করে পাঠিয়েছিলাম।” [সূরা আল-মায়েদাহ: ১২] সমস্ত রাসূলের উপর ঈমান আনার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংগীকারই এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। যাদের মধ্যে আমাদের রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামও বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া সালাত, যাকাত এবং মৌলিক ‘ইবাদতও এ অংগীকারভূক্ত। এ জন্যই ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেছেন যে, এ অংগীকারের মূল অর্থ মুহাম্মাদ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্ণ অনুসরণ। এ আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, অংগীকার ও চুক্তির শর্তাবলী পালন করা অবশ্য কর্তব্য আর তা লংঘন করা হারাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, “অংগীকার ভংগকারীদেরকে নির্ধারিত শাস্তিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে এই শাস্তি দেয়া হবে যে, হাশরের ময়দানে যখন পূর্ববতী ও পরবর্তী সমগ্র মানবজাতি সমবেত হবে, তখন অংগীকার ভংগকারীদের পিছনে নিদর্শনস্বরূপ একটি পতাকা উত্তোলন করে দেয়া হবে এবং যত বড় অংগীকার ভংগ করবে, পতাকাও তত উচু ও বড় হবে।” [সহীহ মুসলিম ১৭৩৮] এভাবে তাদেরকে হাশরের ময়দানে লজ্জিত ও অপমানিত করা হবে।  -Tafsir Abu Bakr Zakaria সকল পর্ব :  @ayatannur
1 499
18
বেশি বেশি لاَ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ مُحَمَّدُ رَّسُوْ لُ الله লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ। (অর্থ: আল্লাহ এক আর
বেশি বেশি لاَ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ مُحَمَّدُ رَّسُوْ لُ الله লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ। (অর্থ: আল্লাহ এক আর কোনো উপাস্য নেই। হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর প্রেরিত রসুল।) এর যিকির করব। গুনাহ হয়ে গেলে তওবা করার পরও পড়তে পারি, ইন শা আল্লাহ। গুনাহের পর তওবা আর নেক কাজ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই আমলটা সহজ... সূরা আল বুরুজের তাফসীর দেখে মনে হলো এই আমলটার কথা আপনাদের ও স্মরণ করিয়ে দিই।
1 240
19
শাইখুল হাদীস মাওলানা আবরারুজ্জামান পাহাড়পুরী হুজুরকে একজন দুইটা নসিয়ত করার জন্য বলেন। তখন হুজুর বলেন, যার সারমর্ম হলো— আমাকে হুকুম করেছেন দুইটা নসিহত করার জন্য। তো দুইটা নসিহত করি। এক নম্বর নসিহত হলো: যখনই দোয়ার মধ্যে হাত তুলবো, মোনাজাতের মধ্যে, অন্তত পাঁচ মিনিট দোয়া করবো। সর্বনিম্ন পাঁচ মিনিট। দোয়ায় হাত তুললে শয়তান কিন্তু একটা ওয়াসওয়াসা তৈরি করে। ওয়াসওয়াসাটা হলো কিছুক্ষণ দোয়া করলেই মনের মধ্যে একটা হালাত আসে যে দোয়া কবুল হয়ে গেছে, এবার হাত নামায় ফেলো। দোয়া কবুল হয়ে গেছে, হাত নামায় ফেলো। দোয়া লম্বা সময় করতে দিবে না। এজন্য দোয়ার আগে একটা নিয়ত করে দোয়া শুরু করবো, যখন সময় থাকে তখন। অন্তত পাঁচ মিনিট। এটা এক নম্বর নসিহত। দ্বিতীয় নসিহত হলো: যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটবো, নজরকে রাখবো নিচের দিকে, পায়ের দিকে। আল্লাহ তাআলা দুইটা নসিহতের উপর আমল করার তৌফিক দান করেন। আমিন।
1 302
20
সূরা আল-ইনশিকাক এর তাফসীর ইবনে কাসীর এর থেকে হাদীসটা তুলে ধরা... কি ভয়ংকর সর্তকতা, আল্লাহ আমাদের আখিরাত এর প্রতি উদাসীন হওয়া
সূরা আল-ইনশিকাক এর তাফসীর ইবনে কাসীর এর থেকে হাদীসটা তুলে ধরা... কি ভয়ংকর সর্তকতা, আল্লাহ আমাদের আখিরাত এর প্রতি উদাসীন হওয়া থেকে হিফাজত করুক আমীন। ভেবে দেখুন আমার ভাই বোন, আজ সারাদিনের কত কাজ কত কি হলো, কিন্তু আমরা আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্য নিয়ে কি ভেবেছি? কিংবা কেনই বা আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সে বিষয়ে....
1 323