ch
Feedback
Hope

Hope

前往频道在 Telegram

আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

显示更多

📈 Telegram 频道 Hope 的分析概览

频道 Hope (@hope24hours) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 18 475 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 4 289,并在 孟加拉国 地区排名第 1 229

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 18 475 名订阅者。

根据 21 九月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 796,过去 24 小时变化为 -6,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 8.06%。内容发布后 24 小时内通常能获得 3.16% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 490 次浏览,首日通常累积 583 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 17

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

凭借高频更新(最新数据采集于 22 九月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

18 475
订阅者
-624 小时
+357 天
+79630 天

数据加载中...

标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
九月 '26
九月 '26
+864
在1个频道中
八月 '26
+54
在3个频道中
Get PRO
七月 '26
+83
在4个频道中
Get PRO
六月 '26
+54
在2个频道中
Get PRO
五月 '26
+57
在2个频道中
Get PRO
四月 '26
+55
在2个频道中
Get PRO
三月 '26
+40
在11个频道中
Get PRO
二月 '26
+360
在9个频道中
Get PRO
一月 '26
+83
在3个频道中
Get PRO
十二月 '25
+75
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+117
在3个频道中
Get PRO
十月 '25
+138
在9个频道中
Get PRO
九月 '25
+76
在2个频道中
Get PRO
八月 '25
+125
在5个频道中
Get PRO
七月 '25
+101
在12个频道中
Get PRO
六月 '25
+90
在3个频道中
Get PRO
五月 '25
+121
在7个频道中
Get PRO
四月 '25
+116
在9个频道中
Get PRO
三月 '25
+476
在15个频道中
Get PRO
二月 '25
+173
在11个频道中
Get PRO
一月 '25
+337
在15个频道中
Get PRO
十二月 '24
+611
在8个频道中
Get PRO
十一月 '24
+376
在8个频道中
Get PRO
十月 '24
+712
在14个频道中
Get PRO
九月 '24
+769
在11个频道中
Get PRO
八月 '24
+1 101
在20个频道中
Get PRO
七月 '24
+173
在7个频道中
Get PRO
六月 '24
+265
在7个频道中
Get PRO
五月 '24
+268
在7个频道中
Get PRO
四月 '24
+270
在13个频道中
Get PRO
三月 '24
+460
在13个频道中
Get PRO
二月 '24
+332
在9个频道中
Get PRO
一月 '24
+460
在12个频道中
Get PRO
十二月 '23
+578
在9个频道中
Get PRO
十一月 '23
+759
在17个频道中
Get PRO
十月 '23
+420
在10个频道中
Get PRO
九月 '23
+267
在0个频道中
Get PRO
八月 '23
+445
在0个频道中
Get PRO
七月 '23
+357
在0个频道中
Get PRO
六月 '23
+345
在0个频道中
Get PRO
五月 '23
+1 131
在0个频道中
Get PRO
四月 '23
+403
在0个频道中
Get PRO
三月 '23
+395
在0个频道中
Get PRO
二月 '23
+490
在0个频道中
Get PRO
一月 '23
+326
在0个频道中
Get PRO
十二月 '22
+473
在0个频道中
Get PRO
十一月 '22
+472
在0个频道中
Get PRO
十月 '22
+450
在0个频道中
Get PRO
九月 '22
+543
在0个频道中
Get PRO
八月 '22
+603
在0个频道中
Get PRO
七月 '22
+798
在0个频道中
Get PRO
六月 '22
+347
在0个频道中
Get PRO
五月 '22
+461
在0个频道中
Get PRO
四月 '22
+566
在0个频道中
Get PRO
三月 '22
+721
在0个频道中
Get PRO
二月 '22
+396
在0个频道中
Get PRO
一月 '22
+405
在0个频道中
Get PRO
十二月 '21
+217
在0个频道中
Get PRO
十一月 '21
+390
在0个频道中
Get PRO
十月 '21
+496
在0个频道中
Get PRO
九月 '21
+652
在0个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
21 九月0
20 九月+2
19 九月0
18 九月+11
17 九月+1
16 九月+3
15 九月+32
14 九月+30
13 九月+89
12 九月+1
11 九月0
10 九月0
09 九月+1
08 九月0
07 九月+3
06 九月+5
05 九月0
04 九月+36
03 九月+105
02 九月+543
01 九月+2
频道帖子
দু'আ নিয়ে Nusus এর খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সিরিজ ❝সার্থক মুনাজাত❞। এই সিরিজে দু'আ করার পদ্ধতি, প্রয়োজনীয়তা, দু'আ করার আদব, দু'আ কবুলের সময়, উসিলা দ্বারা দু'আ করার পদ্ধতি, কীভাবে দু'আ করলে কবুল হবে— সব বিস্তারিত বর্ণনা করা আছে। আশা করছি সবাই মনোযোগের সাথে পড়বেন এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন, কাছের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে শেয়ার করবেন ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের বেশি বেশি দু'আ করার তওফিক দিন আমিন। • পর্ব-১ প্রথম অংশ (দু'আ করার পদ্ধতি) • পর্ব-১ শেষ অংশ (দু'আ দুই রকমের হয়ে থাকে) • পর্ব-২ (দু'আর গুরুত্ব ও উপকারিতা) • পর্ব-৩ (৫টি কারণে দু'আ কবুল হয়না) • পর্ব-৪ প্রথম অংশ (দু'আ কবুলের জন্য ৫টি করণীয় এবং দু'আ করার ১৫টি আদব) • পর্ব-৪ শেষ অংশ (দু'আ করার আদব) • পর্ব-৫ (ইসমে আযম দিয়ে দু'আ করার উপকারিতা) • পর্ব-৬ (উসিলা দিয়ে দু'আ করা নিয়ে বিস্তারিত) • পর্ব-৭ (দু'আ কবুলের ২০টি গুরুত্বপূর্ণ সময়) • পর্ব-৮ (যাদের দু'আ কবুল হয় তাদের বৈশিষ্ট্য ও পরিচয়) • পর্ব-৯ (দু'আ করার সময় কী কী বিষয় চাওয়া উচিত) • পর্ব-১০ (দু'আর মধ্যে কীভাবে কান্না করা যায়) • শেষ পর্ব (যেভাবে দু'আ করলে দু'আ কবুল হবে ইন শা আল্লাহ) @FatayatalHuda

2
আজকের আকাশটা অসম্ভব সুন্দর, ঠিক না? শহুরে এক চিলতে আকাশের ছবি খুব ভালো আর কি হবে। সে যাই হোক, রাত বড় হচ্ছে, দ্রুত ঘুমিয়ে তাড়া+1
আজকের আকাশটা অসম্ভব সুন্দর, ঠিক না? শহুরে এক চিলতে আকাশের ছবি খুব ভালো আর কি হবে। সে যাই হোক, রাত বড় হচ্ছে, দ্রুত ঘুমিয়ে তাড়াতাড়ি উঠে তাহাজ্জুদ দুহার সালাত পড়ার সবচেয়ে সহজ সময় গুলো আসছে। সাথে নফল রোজার ও... শীতকাল অতি আসন্ন... রমজান মাসের ও কতক মাসই বাকি। আমলের প্রস্তুতি নিই ইন শা আল্লাহ।
741
3
ইবনুস-সাম্মাক তাঁর এক ভাইকে লিখেছিলেন “অতঃপর—আমি তোমাকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বনের উপদেশ দিচ্ছি। তিনি তোমার গোপন অবস্থার অন্তরঙ্গ সঙ্গী এবং প্রকাশ্য অবস্থার পর্যবেক্ষক। অতএব, তোমার প্রতিটি অবস্থায় তাঁকে তোমার স্মরণে রেখো। তাঁর নৈকট্য ও তোমার ওপর তাঁর ক্ষমতার অনুপাতে তাঁকে ভয় করো। জেনে রেখো, তুমি তাঁর দৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত; তাঁর কর্তৃত্ব থেকে বের হয়ে অন্য কোনো কর্তৃত্বের অধীনে যেতে পারবে না। তাই তাঁর ব্যাপারে তোমার ভয় যেন গভীর হয় এবং তাঁর প্রতি তোমার অন্তরের ভীতি যেন বৃদ্ধি পায়। আর জেনে রেখো—জ্ঞানী ব্যক্তির পাপ অজ্ঞ ব্যক্তির পাপের চেয়ে অধিক গুরুতর; আর আলেমের পাপ জাহেলের পাপের চেয়ে অধিক গুরুতর। আমরা নিজেদের দাবি অনুযায়ী পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছি; অথচ পথপ্রদর্শক সমুদ্রে ঘুমিয়ে থাকে না! ঈসা আলাইহিস সালাম বলতেন: ‘তোমরা আর কতকাল পথিকদের জন্য পথের বর্ণনা দিতে থাকবে, অথচ নিজেরাই বিভ্রান্তদের আবাসে অবস্থান করবে? তোমরা পানীয় থেকে মশা সরিয়ে ফেলো, অথচ বোঝাই উট গিলে ফেলো!’ হে আমার ভাই! কত এমন ব্যক্তি আছে, যে মানুষকে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, অথচ নিজেই আল্লাহকে ভুলে থাকে! কত এমন ব্যক্তি আছে, যে মানুষকে আল্লাহর শাস্তির ভয় দেখায়, অথচ নিজেই আল্লাহর ব্যাপারে নির্ভীক ও দুঃসাহসী! কত এমন ব্যক্তি আছে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে, অথচ নিজেই আল্লাহ থেকে পলায়নকারী! আর কত এমন ব্যক্তি আছে, যে আল্লাহর কিতাব পাঠ করে, অথচ সে কিতাবের আয়াতসমূহের শিক্ষা থেকে নিজেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওয়াসসালাম।” (সিফাতুস সাফওয়াহ-৩/১৭৪-১৭৫)
897
4
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৮৭ রুকু : ১০ Surah Baqarah ২:৮৩ وَإِذۡ أَخَذۡنَا مِيثَٰقَ بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ لَا تَعۡبُدُونَ إِلَّا ٱللَّهَ وَبِٱلۡوَٰلِدَيۡنِ إِحۡسَانٗا وَذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡيَتَٰمَىٰ وَٱلۡمَسَٰكِينِ وَقُولُواْ لِلنَّاسِ حُسۡنٗا وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ ثُمَّ تَوَلَّيۡتُمۡ إِلَّا قَلِيلٗا مِّنكُمۡ وَأَنتُم مُّعۡرِضُونَ অর্থ : আর স্মরণ কর, যখন আমরা ইসরাঈল-সন্তানদের প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলাম যে, তোমরা আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কারো ‘ইবাদাত করবে না, মাতা-পিতা [১], আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম ও দরিদ্রের [২] সাথে সদয় ব্যবহার করবে এবং মানুষের সাথে সদালাপ করবে [৩]। আর সালাত প্রতিষ্ঠা করবে এবং যাকাত দিবে, তারপর তোমাদের মধ্য হতে কিছুসংখ্যক লোক ছাড়া [৪] তোমরা সকলেই অবজ্ঞা করে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলে। [১] আব্দুল্লাহ ইবন মাসঊদ বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল ! আল্লাহ্‌র কাছে কোন আমল সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, “সময়মত সালাত আদায় করা।” বললেন, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, “পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার" বললেন, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, “আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করা।” [বুখারী ৫২৭, মুসলিম ৮৫] [২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মিসকীন সে নয়, যে এক খাবার বা দুই খাবারের জন্য ঘুরে বেড়ায় বরং মিসকীন হচ্ছে, যার সামর্থ নেই অথচ সে লজ্জায় কারও কাছে চায় না। অথবা মানুষকে আগলে ধরে কোনো কিছু চায় না।” [বুখারী ১৪৭৬, মুসলিম ১০৩৯] [৩] আয়াতে এমন কথাকে বুঝানো হয়েছে, যা সৌন্দর্যমণ্ডিত। এর অর্থ এই যে, যখন মানুষের সাথে কথা বলবে, নম্রভাবে হাসিমুখে ও খোলামনে বলবে। তবে দীনের ব্যাপারে শৈথিল্য অথবা কারো মনোরঞ্জনের জন্য সত্য গোপন করবে না। কারণ, আল্লাহ্ তা'আলা যখন মূসা ও হারূন ‘আলাইহিমাস সালামকে নবুয়ত দান করে ফি’রআউনের প্রতি পাঠিয়েছিলেন, তখন এ নির্দেশ দিয়েছিলেন, “ তোমরা উভয়েই ফির’আউনকে নরম কথা বলবে। " [সূরা ত্বা-হা: ৪৪] আজ যারা অন্যের সাথে কথা বলে, তারা মূসা ‘আলাইহিস সালামের চাইতে উত্তম নয় এবং যার সাথে কথা বলে, সেও ফিরআউন অপেক্ষা বেশী মন্দ বা পাপিষ্ঠ নয়। সুতরাং সবার সাথে সুন্দরভাবে কথা বলা উচিত। হাদীসে এসেছে, “তোমরা সৎকাজের সামান্যতম কিছুকে খাটো করে দেখ না। যদিও তা হয় তোমার ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত করা। " [মুসলিম ২৬২৬] তাছাড়া মানুষের সাথে সদালাপের অর্থ আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস থেকে এক বর্ণনায় এসেছে যে, তা হচ্ছে সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ। [আত-তাফসীরুস সহীহ] [৪] ‘অল্প কয়েকজন’ অর্থ, তারাই যারা তাওরাতের পুরোপুরি অনুসরণ করত, তাওরাত রহিত হওয়ার পূর্বে তারা মূসা ‘আলাইহিস সালাম প্রবর্তিত শরীআতের অনুসারী ছিল এবং তাওরাত রহিত হওয়ার পর ইসলামী শরীআতের অনুসারী হয়ে যায়। আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, একত্ববাদে ঈমান, এবং পিতা-মাতা, আত্মীয় স্বজন, ইয়াতীম বালক-বালিকা ও দীন-দরিদ্রের সেবাযত্ন করা, মানুষের সাথে নম্রভাবে কথাবার্তা বলা, সালাত আদায় করা ও যাকাত দেয়া ইসলামী শরীআতসহ পূর্ববর্তী শরী‘আতসমূহেও ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে মানুষ সেগুলো ত্যাগ করে।  -Tafsir Abu Bakr Zakaria সকল পর্ব
837
5
আসর থেকে মাগরিব, জুমার দিনের এই সময়টা দুআ কবুলের জন্য বেশ উত্তম৷ দুরুদ আর দুআ মিলিয়ে এ সময় টা ব্যয় করুন ইন শা আল্লাহ...
802
6
ফুডপান্ডায় কাজ করে চার হাজারের অধিক কাস্টমারের ডাটাবেইজ তৈরি করে সেটা এখন সেল করছেন। ৩৭টির অধিক রেস্টুরেন্টে এবং দুটো ফুড ডেলিভারি কোম্পানিতে উচ্চমূল্যে বিক্রি করেছেন। কী বিক্রি করছেন? মানুষের প্রাইভেসি। যে তথ্যগুলো নির্দিষ্ট সেবার জন্য বিশ্বাস করে দিয়েছিল ভোক্তারা, সেগুলোকেই কালপ্রিটরা পণ্যে রূপান্তরিত করে মার্কেটে সেল করছে। দু'হাতে টাকা কামাই করেছে। সে ঘুষ, সুদ, জুয়া তেমন কিছুই করে নি। মানুষের গোপন ডাটাবেইজ তৈরি করে সেল করছে। এটা যে সুদ-ঘুষের চেয়ে কম নয়, এই বোধ কতজন মানুষের আছে? আজকাল মানুষ মাত্র সীমিত কয়েকটি জিনিসকে হারাম ভাবে। অথচ এদিকে হাজারো চোরাপথ আমাদেরকে গিলে ফেলছে। কাজের প্রয়োজনে আপনি আপনার গ্রাহকদের তথ্য নিতে পারবেন, তবে নেওয়ার পর আপনার ওপর আলাদা দায়িত্ব চাপবে। অবশ্যই সেই তথ্যগুলো অন্যের আমানত হিসেবে সুনির্দিষ্ট কাজে ব্যবহার করতে হবে। তথ্যদাতার অনুমতি ছাড়া নিজের কাছে রেখে দেওয়া বা ডাটাবেইজ তৈরি করে তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করা সম্পূর্ণ হারাম। আপনি ওই পণ্যই বিক্রি করতে পারবেন যা আপনার মালিকানাধীন। যার ওপর আপনার অধিকার নেই, মালিকানা নেই, সেটা বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা টোটালি হারাম। শুধু তা-ই নয়, গ্রাহকের অজান্তে তাদের ডাটা রেস্তোরাঁ বা অন্যান্য সংস্থাকে দেওয়ার ফলে সময়ে-অসময়ে যে স্প্যাম কল, মার্কেটিং মেসেজ বা নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে, সেটার দায়ও এই ধরনের প্রতারকের কাঁধে পড়বে। প্রাইভেসি বান্দার হক। যারাই নষ্ট করবে বান্দা মাফ না করলে মাফ পাবে না। এবার চিন্তা করুন, ব্যবসার মুখোশে কী পরিমাণ হারাম ঢুকছে। - নজরুল ভাই @HopeIslamicTech
848
7
没有文字...
727
8
ফেইসবুকে ইদানীং কিছু লেখা চোখে পড়ে এ টাইপের - স্বামী তার স্ত্রীর জন্য এটা করতে বাধ্য না, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য ওটা করতে বাধ্য না। আজকে দেখলাম একজন লিখেছেন, পিতা-মাতার ঋণ থাকলে সন্তানের জন্য তার ঋণ পরিশোধ করতে এগিয়ে আসা ওয়াজিব না মানে সন্তান বাধ্য না তার পিতার ঋণ পরিশোধ করা। এই টাইপের লেখাগুলো দেখলে আসলে খারাপ লাগে কারণ এই লেখাগুলো যদিওবা অসত্য না তবুও পরোক্ষ ভাবে এ ধরনের লেখাগুলোর মাধ্যমে আমাদের পরিবারগুলো থেকে, পারিবারিক সম্পর্কগুলো থেকে ইহসান উঠায় নেওয়া হচ্ছে। যে কোন সম্পর্কের গভীরতা, সৌন্দর্য ও বন্ডিং যাই বলিনা কেন, তা নির্ভর করে ইহসানের উপর। পৃথিবীতে কোন সম্পর্ক আপনি এত পুংখানুপুংখ হিসাব করে টিকিয়ে রাখতে পারবেননা অথবা টিকে থাকলেও সময়ের ব্যবধানে এর সৌন্দর্য, এর বন্ডিং শিথিল হয়ে যায়। আমাদের আজকাল এত বেশি অধিকার সচেতনতা শেখানো হচ্ছে যে ইহসান করার মানসিকতা নিরবে disappear হয়ে যাচ্ছে। আমাদের অনুভূতিগুলোতে এখন বিবেক কাজ করে বেশি, আবেগ না। সম্পর্কগুলোতে আমরা আজকাল তুলনামূলক অনেক বেশি হিসাবী। কারও জন্য কোন কিছু করার আগে আমরা যেন একে অপরের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য কিংবা লাভ-লোকসানের খাতা খুলে বসে যা। গত কয়েকদিন ধরে ইউকে তে বেশ গরম পড়ছিলো। কোন হেল্পিং হ্যান্ড ছাড়া বাসায় পাঁচজন সদস্যের জন্য চুলার আগুনে অসুস্থ শরীরে কয়েকবেলা রান্না করলাম এই গরমেও। একেকবাচ্চার একেক আব্দার, একেক রকম ভালো লাগা। কষ্ট হলেও দিন শেষে খাবারের পর স্বামী-সন্তানদের তৃপ্তির ঢেঁকুরটা আনন্দ দেয়। এই যে শরীর টানেনা তারপরও গরমে রান্না করাটা আসলে আমার জন্য ওয়াজিব না এই হিসাব করতে বসে গেলে সম্পর্কগুলোর গভীরতা কতদুর যাবে❓ আবার বাচ্চাদের বাবা এই গরমে কোন হেল্পিং হ্যান্ড ছাড়া সিঙ্গেল হ্যান্ড বাজার করে এসে দরদর করে ঘামছিলেন। বাজার গোছাতে গিয়ে খেয়াল করলাম যা কিনেছেন সব আমাদের পছন্দের। আমি, বাচ্চারা যা যা খেতে ভালোবাসি তাই নিয়ে এসেছেন অথচ উনার পছন্দের কোন মাছ বা সবজি কিছুই আনেননি। এই যে নিজেকে লিস্ট প্রায়োরিটি তে রেখে পরিবারের বাকি সদস্যদের জন্য জন্য বাড়তি খরচ করা এগুলো করতে তিনি তো বাধ্য না এমন হিসাব-নিকাশে বসে গেলে কেমন হয়❓এইসব চিন্তা চেতনার ভবিষ্যত ক❓ কি ম্যাসেজ আমরা দিচ্ছি আমাদের সন্তানদের❓ এক মরুব্বী কিছু বছর আগে বলছিলেন মা-রে কি যমানা আসলো, সন্তান যোগ্যতা থাকা স্বত্তেও তার বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে চায়না কিন্তু বাবা দিবস/ মা দিবসে সেল্ফি নিতে ভুলে না। বাবা-মার হাসপাতাল বিল, রুটিন ডাক্তার ও ঔষধ খরচ নিজের কাঁধে তুলতে চায়না কিন্তু সেল্ফি তুলতে চায়। সবাই যেন এখন হিসাবী, নিজের লাভ-লোকসানের ব্যাপারে সচেতন। আগে প্রতিবেশীরা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যের মত হয়ে যেত। সুখে দুঃখে ইহসান স্বরুপ পাশে থাকতো। আর এখন ইহসান তো দুর কি বাত, প্রতিবেশীর নাম টা পর্যন্ত জানা হয়না। যেখানে এখন আর সন্তান ও পিতা-মাতা উভয় উভয়ের প্রতি কিংবা স্বামী ও স্ত্রী উভয় উভয়ের প্রতি ইহসান করেনা সেখানে বাকি সম্পর্কগুলোর মধ্যে মায়া-মমতা-ইহসানের চিন্তা করাটাও দোষণীয় পর্যায়ের। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা আমাদের জন্য ইবাদাত হিসাবে যা ফরয করে দিয়েছেন তা সহীহ ভাবে আমল করলে-ই নাযাতের জন্য যথেষ্ট হবে। কিন্তু তবুও আমরা বাড়তি লিমিটলেস অনেক নফল ইবাদাত করি। এর অন্যতম কারণ হলো, নফল ইবাদাতগুলো আমাদেরকে আনন্দ দেয় … এক মহা পরাক্রমশালী আল্লাহর উপাসনার আনন্দ। আল্লাহর প্রতি বান্দার ভালোবাসার গভীরতা যত বেশি তার নফল ইবাদাতের পরিমানও তত বেশি হয়। যাকে যতবেশি ভালোবাসবেন তাকে হিসাব-নিকাশ ছাড়া ততবেশি এন্টেনশান দিবেন এটাই প্রতিষ্ঠিত সত্য। তাই যত নিজেকে বেশি ভালোবাসবেন ততই রবের সাথে আপনার যেমন দুরত্ব বাড়বে, দুরত্ব বাড়বে রব্বে কারীম প্রদত্ত সম্পর্কের নিয়ামতগুলোর সাথেও। সকল প্রশংসা তাই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লার যিনি আমাদের জন্য অনন্তকালের আখিরাত রেখেছেন। আখিরাত আছে বলেই দুনিয়াতে সব যুলুমের পরেও অন্তরে বদলা পাবার আশা থাকে… আখিরাত আছে বলেই দুনিয়াতে প্রত্যেক ইহসানের বিপরীতে বেহিসাবী প্রতিদানের সুকুন থাকে… আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা আমাদেরকে বেশি বেশি ইহসান করার তাওফিক দিন। [সংগৃহীত]
1 365
9
🌸সিরিজ: রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.... 🍁পর্ব: ৪.৩  (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... ) নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতের জন্য প্রত্যেক নামাজে এমন দোয়া করতেন; যে দোয়ার কথা একবার শুনেই হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান! হাদিসে পাকে এসেছে- হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, একদিন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মনে আনন্দ দেখে বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমার জন্য দোয়া করুন।’ তখন তিনি (নবিজী) বললেন- اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِعَائِشَةَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنَبِهَا وَمَا تَأَخَّرَ مَا أَسَرَّتْ وَمَا أَعْلَنَتْ উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মাগফির লি-আয়েশাতা মা তাকাদ্দামা মিন জামবি ওয়া মা তাআখখারা মা আসাররাত ওয়া মা আলানাত।’ অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আয়েশার আগের ও পরের, গোপন এবং প্রকাশ্য সব গুনাহ ক্ষমা করে দিন।’ তখন হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হেসে দিলেন। এমনকি হাসতে হাসতে নবিজীর কোলে তাঁর মাথা পড়ে গেলো। তখন তিনি (নবিজী) বললেন- ‘আমার দোয়া কি তোমাকে আনন্দ দিয়েছে? হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘আপনার দোয়া আমাকে কেন আনন্দ দেবে না?’ তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- وَاللَّهِ إِنَّهَا لَدُعَائِي لِأُمَّتِي فِي كل صلاة ‘আমার উম্মতের জন্য প্রত্যেক নামাজেই আমার এমন দোয়া থাকে।’ (ইবনে হিব্বান)
1 301
10
لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর। অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক ও অদ্বিতীয়, তার কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই, তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান। 🌸লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু পড়ার ফজিলত হাদিস নং ১ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন কদীর।” অর্থাৎ- ‘আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই; তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই; তাঁরই রাজত্ব, তাঁরই যাবতীয় প্রশংসা; তিনিই সব বিষয়ের উপর শক্তিধর’- যে লোক এ দু‘আ প্রতিদিনে একশ’ বার পাঠ করে সে দশজন গোলামমুক্ত করার পুণ্য অর্জন হয়, তার (‘আমালনামায়) একশ’ নেকী লেখা হয় এবং তার হতে একশ’ পাপ মিটিয়ে দেয়া হয়। আর তা ঐ দিন বিকাল পর্যন্ত শাইতান (তার কুমন্ত্রণা) হতে তার জন্যে রক্ষাকারী হয়ে যায়! সেদিন সে যা পুণ্য অর্জন করেছে তার চেয়ে বেশি পুণ্যবান কেউ হবে না! তবে কেউ তার চাইতে বেশি ‘আমাল করলে তার কথা আলাদা। আর যে লোক দিনে একশ’ বার “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহী”! অর্থাৎ- ‘আমি আল্লাহর সপ্রশংসা সহ তার পরিবত্রতা বর্ণনা করছি’ পাঠ করবে, তার সমস্ত পাপ মিটিয়ে দেয়া হবে, যদি ও তা সমুদ্রের ফেনার সম পরিমাণ হয়। সহীহ মুসলিম: ৬৭৩৫ হাদিস নং ২ আমর ইবনু মাইমুন (রাঃ) থেকে বর্ণিত: যে ব্যক্তি দশবার “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন কদীর।” অর্থাৎ- ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, তিনি-ই সব বিষয়ের উপর সম্পূর্ণ শক্তিধর’ পাঠ করবে সে যেন ইসমা‘ঈল (‘আঃ)-এর বংশের চারজন গোলামকে মুক্তি করে দিলেন। সহীহ মুসলিম: ৬৭৩৭ হাদিস নং ৩ আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, একদা আবূ যার (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! ধনীরা তো সওয়াবে অগ্রগামী হয়ে যাচ্ছে। আমরা যেমন সলাত আদায় করি, তেমন তারাও সলাত আদায় করে, আমরা যেমন সওম পালন করি, তারাও তেমন সওম পালন করে। কিন্তু তারা তাদের অতিরিক্ত ধন-সম্পদ দান-খয়রাত করে। (দান খয়রাতের জন্য) আমাদের তো পর্যাপ্ত সম্পদ নেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ যার! আমি কি তোমাকে এমন দুটি বাক্য শিক্ষা দিবো না যা পাঠ করলে তুমি তোমার চেয়ে অগ্রগামীদের সমপর্যায় হতে পারবে এবং তোমার পিছনের লোকেরাও তোমাকে অতিক্রম করতে পারবে না? তবে তার কথা ভিন্ন যে তোমার মতো আমল করে। তিনি বললেন, হাঁ, নিশ্চয়। তিনি বললেনঃ তুমি প্রত্যেক সলাতের পর তেত্রিশবার ‘আল্লাহু আকবার’, তেত্রিশবার ‘আলহামদু লিল্লাহ’, তেত্রিশবার ‘সুবহানাল্লাহ’ এবং শেষে একবার “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর” বলবে। কেউ এ দু’আ পড়লে তার গুনাহ সমুদ্রের ফেনারাশি পরিমাণ হলেও তা ক্ষমা হবে। সহীহ: কিন্তু: “কেউ এ দু’আ পড়লে তার গুনাহ সমুদ্রের ফেনারাশি পরিমাণ হলেও তা ক্ষমা হবে।” তার এ কথাটুকু মুদরাজ। সুনানে আবু দাউদ: ১৫০৪ @Dua24hours
1 574
11
হোপ ও হোপের সংশ্লিষ্ট সকল চ্যানেলে চলমান সিরিজ সূমহ - 🌸সিরিজ: রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.... পর্ব: ১ (রাসূল ﷺ এর বিনয়): https://t.me/Hope24hours/7148 পর্ব: ২ (রাসূল ﷺ এর সত্যবাদিতা): https://t.me/Hope24hours/7150 পর্ব: ২.২ (রাসূল ﷺ এর সত্যবাদিতা): https://t.me/Hope24hours/7155 পর্ব: ৩.১ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7159 পর্ব: ৩.২ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7170 পর্ব: ৩.৩ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7172 পর্ব: ৩.৪ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7176 পর্ব: ৩.৫ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7178 পর্ব: ৩.৬ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7184 পর্ব: ৩.৭ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7191 পর্ব: ৩.৮ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7194 পর্ব: ৩.৯ (সাহাবীদের আনুগত্য... ): https://t.me/Hope24hours/7197 পর্ব: ৪ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... ): https://t.me/Hope24hours/7203 পর্ব: ৪.১ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... ): https://t.me/Hope24hours/7205 পর্ব: ৪.২ (উম্মাহর প্রতি রাসূল ﷺ এর ভালোবাসা... ): https://t.me/Hope24hours/7207 🌸সিরিজ: রবের বাণী (শায়খ আব্দুল্লাহ কতৃক কুরআনের অনুবাদ মূলক সিরিজ) সিরিজ: রবের বাণী - পর্ব:১ https://t.me/SHAbdullahbinAbdurRazzakDawah/230 🌸সিরিজ: হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ - (শায়খ আহমাদুল্লাহ কতৃক) পর্ব – ১: https://t.me/SHAhmadullahDawah/585 পর্ব ২: https://t.me/SHAhmadullahDawah/587 🍀আন নূর চ্যানেলে তাফসীর সিরিজ: https://t.me/ayatannur/3 🗨️পরিচিত মানুষদের কাছে সিরিজ গুলো পৌছে দিন, কুরআন আর সুন্নাহর এমন সিরিজ একত্রিত করে শিখতে পারা বিশাল সৌভাগ্য, আমরা সময়ে সময়ে এভাবে গুছিয়ে রাখব সব। গুছানো তালিকা পাবেন এখানে- https://t.me/HopeAllLink উমম, আরো কিছু আলাপ আছে, অন্যদিন করব ইন শা আল্লাহ, আজ ঝটপট পড়ুন, শিখুন, দেখুন পরিচিত জনদের কে দিন। আর আপনি কি জানেন, কাউকে নেক কাজের দাওয়াত দিলে আপনি ও সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন? আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি (কাউকে) সৎপথের দিকে আহবান করবে, সে তার প্রতি আমলকারীদের সমান নেকী পাবে। এটা তাদের নেকীসমূহ থেকে কিছুই কম করবে না। আর যে ব্যক্তি (কাউকে) ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করবে, তার উপর তার সমস্ত অনুসারীদের গোনাহ চাপবে। এটা তাদের গোনাহ থেকে কিছুই কম করবে না(মুসলিম ৬৯৮০ প্রমুখ) আর দুআর দরখাস্ত....
1 719
12
ইয়াকুব আ. অনেক বছর ছেলে হারানোর দুঃখ সহ্য করেও মানুষের কাছে অভিযোগ করেননি। তিনি শুধু আল্লাহ তাআলার দিকেই ফিরে গিয়েছিলেন। আইয়্যূব আ.-এর শরীর, সম্পদ, পরিবার—সবই একের পর এক পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিল। তবু তিনি কাউকে দোষ দিলেন না, কারও কাছে কান্নাকাটি করলেন না। শুধু আল্লাহ তাআলার কাছেই সাহায্য চেয়েছেন। ইব্রাহিম আ. আগুনে ফেলার মতো ভয়ঙ্কর ঘটনায়ও মানুষকে নয়—আল্লাহ তাআলাকেই যথেষ্ট মনে করেছিলেন। ইসমাইল আ. কঠিন পরীক্ষার কথা শুনেও বলেছিলেন—আমি ধৈর্য ধরব, আল্লাহ তাআলাই দেখবেন। মুসা আ.-এর মা নবজাতক সন্তানটিকে নদীতে ভাসিয়ে দিলেন—এটি একজন মায়ের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত। কিন্তু আল্লাহ তাআলার উপর ভরসা তাকে এমন এক শক্তি দিল যে তিনি ভয়কে জয় করার মতো সাহস পেলেন। মরিয়ম আ. সমাজের তিরস্কার সহ্য করলেন, মানুষের কঠিন কথা শুনে চুপ রইলেন, কারণ তিনি জানতেন—আল্লাহই তাঁর সত্যতা প্রকাশ করবেন। ফলে ধৈর্যের সেই নীরবতা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এক অনন্য সম্মানে রূপ নিল। নূহ আ. বছরের পর বছর মানুষকে সত্যের পথে ডাকলেন। গালি, উপহাস, প্রত্যাখ্যান—কিছুই তাকে ভেঙে দিতে পারল না। তিনি কাজ করে গেলেন, আর ফলাফল আল্লাহ তাআলার হাতে ছেড়ে দিয়েছিলেন। এসব ঘটনা একটি সত্য প্রমাণ করে—মুসিবতের সময় প্রথম দরবার, প্রথম ভরসা, প্রথম আশ্রয় একটাই : আল্লাহ তাআলার দরবার। ہر مرحلہ گم میں ملا تجھ سے تسلی ہر موڑ پہ گھبرا کے ترا نام لیا ہوں জীবনের প্রতিটি দুঃখের ধাপে তোমার কাছেই শান্তি পেয়েছি; প্রতিটি ভয়ের মোড়ে তোমারই নাম ধরে আশ্রয় চেয়েছি। - খুতুবাত
1 445
13
এশার সালাত পড়ার আগে মিসওয়াক করা, আযানের জবাব দেয়া, জামায়াতে সালাত পড়া, সূরা মূলক পড়া, রাতে অযু করে ঘুমানো, ঘুমানোর আগে তিনকূল আয়াতুল কুরসীর আমল করা... কতটা করেছি? যদি না করি তাহলে ভেবে দেখা উচিত, আজ রাতে যদি আমি মারা যাই আমার কবরের জীবন আসলে কেমন হবে। আল্লাহুম্মাগফিরলি, আল্লাহুম্মাগফিরলি, আল্লাহুম্মাগফিরলি...
1 486
14
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস [রা.] বলেছেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাশে ছিলাম, তিনি তখন ফিতনার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন, «إِذَا رَأَيْتُمُ النَّاسَ قَدْ مَرِجَتْ عُهُودُهُمْ، وَخَفَّتْ أَمَانَاتُهُمْ، وَكَانُوا هَكَذَا» . "তোমরা যখন দেখবে, মানুষের ওয়াদা নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের আমানতদারী কমে গেছে এবং তারা এরূপ হয়ে গেছে।" - এ বলে তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মধ্যে মিলালেন। . আব্দুল্লাহ [রা.] বলেন, একথা শুনে আমি দাঁড়িয়ে তাঁকে বললাম, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্যে উৎসর্গিত করুন! আমি তখন কি করবো? . জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, «الْزَمْ بَيْتَكَ، وَامْلِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ، وَخُذْ بِمَا تَعْرِفُ، وَدَعْ مَا تُنْكِرُ، وَعَلَيْكَ بِأَمْرِ خَاصَّةِ نَفْسِكَ، وَدَعْ عَنْكَ أَمْرَ الْعَامَّةِ» . "তুমি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে তোমার ঘরে অবস্থান করো, তোমার জবান সংযত রাখো, যা চেন তাই গ্রহণ করো এবং অজানাকে পরিত্যাগ করো। আর তোমার নিজের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক হও এবং জনসাধারণের বিষয়গুলো ছেড়ে দাও"। [১] . প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা: ক) "তারা এরূপ হয়ে গেছে...", অর্থাৎ, তাদের একাংশকে অন্য অংশের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে এবং তাদের দ্বীনের বিষয়টি এমনভাবে জটিল ও অস্পষ্ট হয়ে পড়বে যে, বিশ্বস্তকে বিশ্বাসঘাতক থেকে এবং সৎকর্মশীলকে পাপাচারী থেকে চেনা যাবে না। [২] খ) "তোমার জবান সংযত রাখো", অর্থাৎ মানুষের অবস্থা নিয়ে কথা বলো না, যেন লোকেরা তোমাকে কষ্ট দিতে না পারে। গ) "যা চেন তাই গ্রহণ করো এবং অজানাকে পরিত্যাগ করো," অর্থাৎ তুমি যা সত্য বলে জানতে পেরেছ, তা গ্রহণ করো; আর যা অন্যায় বা মন্দ বলে জানতে পেরেছ, তা পরিত্যাগ করো এবং তা থেকে দূরে থাকো। [৩] . ঘ) "আর তোমার নিজের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক হও এবং জনসাধারণের বিষয়গুলো ছেড়ে দাও", অর্থাৎ, তুমি নিজের বিষয়ের প্রতি মনোযোগী থাকো, নিজের দ্বীন সংরক্ষণ করো, মানুষকে ছেড়ে দাও এবং তাদের অনুসরণ করো না। যখন দুষ্কৃতিকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং সৎকর্মশীলদের শক্তি দুর্বল হয়ে যায়, তখন এটি সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করা পরিত্যাগের ক্ষেত্রে একটি অবকাশ (রুখসত)। [৪] . শিক্ষা: ১) ফিতনার যুগের আলামতসমূহ কী কী, ২) সে সময় কী কী ক্ষতির সম্মুখীন মানুষ হবে, ৩) তখন নিজের দ্বীন ও ঈমানকে হিফাজত করতে যা যা করণীয়। . [১) ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৪৩৪৩, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে হাসান সহীহ; ২) আল্লামা আযীমআবাদী (রাহ.), আউনুল মা'বূদ: ১১/৩৩৪; ৩) শাইখ আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ (হাফি.), শারহু সুনানি আবি দাউদ: ৪৮৯/৭; ৪) আল্লামা আযীমআবাদী (রাহ.), আউনুল মা'বূদ: ১১/৩৩৪-৩৫] উস্তাদ মনজুরুল করীম
1 885
15
হযরত আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : ﻻَ ﻳُﻐْﻨِﻲْ ﺣَﺬَﺭٌ ﻣِﻦْ ﻗَﺪَﺭٍ ﻭَﺍﻟﺪُّﻋَﺎﺀُ ﻳَـﻨْـﻔَﻊُ ﻣِﻤَّﺎ ﻧَﺰَﻝَ ﻭَﻣِﻤَّﺎ ﻟَـﻢْ ﻳَﻨْـﺰِﻝْ ﻭَﺇِﻥَّ ﺍﻟْﺒَﻼَﺀَ ﻟَﻴَﻨْـﺰِﻝُ ﻓَﻴَﻠْـﻘَﺎﻩُ ﺍﻟﺪُّﻋَﺎﺀُ ﻓَﻴَﻌْـﺘَﻠِﺠَﺎﻥِ ﺇِﻟَﻰ ﻳَﻮْﻡِ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ “সাবধানতার দ্বারা তকদীর বা ভাগ্য পরিবর্তিত হয় না। যে বিপদ বা মুসিবত নাযিল হয়ে গিয়েছে এবং যা এখনো নাযিল হয়নি (ভবিষ্যতের ভাগ্যে আছে কিন্তু এখনো বাস্তবে আসেনি) এরূপ সকল বিপদ কাটাতে প্রার্থনা উপকারী। আসমান থেকে বালা-মুসিবত নাযিল হওয়ার অবস্থায় প্রার্থনা তাকে বাঁধা দেয় এবং তারা উভয়ে কেয়ামত পর্যন্ত ধাক্কাধাক্কি করতে থাকে। (কোনো অবস্থাতেই দু‘আ বিপদকে নিচে নেমে আসতে দেয় না)”। হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৬৭০; তিরমিযী, আস-সুনান ৫/৫৫২; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১৪৬; আহমদ, আল-মুসনাদ ৫/২৩৪; মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৪৭৮।
1 417
16
আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন : মাসআলা জানা সহ যে কোনো প্রয়োজনে ফোন করুন এই নাম্বারে : 09610-001089 কল সেন্টারের পাশাপাশি লিখিতভাবেও আমরা সাধারণ মানুষের দ্বীনি জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়ে থাকি। এ জন্য আমাদের রয়েছে iqa.info (ইসলামী প্রশ্নোত্তর) প্ল্যাটফর্ম। একদল বিজ্ঞ ও অভিজ্ঞ মুফতি এই প্ল্যাটফর্মের গবেষণা ও প্রশ্নের উত্তর প্রদানের কাজে নিয়োজিত আছেন। ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে আপনিও আপনার দ্বীনি জিজ্ঞাসা পাঠাতে পারেন। আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলে আপনাকে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। নিয়মিতভাবে আমরা ওয়েবসাইটটিতে প্রশ্নের উত্তর প্রকাশ করি। ওয়েবসাইট লিংক : https://www.iqa.info/
1 522
17
প্রতিটা শুক্রবার এর শেষবেলায় যখন দুআ কবুলের সময়টা হয়ে আসে, মাগরিবের আজানের শব্দ দূর থেকে ভেসে আসে, বিশাল একটা কষ্টে বুকটা ভার
প্রতিটা শুক্রবার এর শেষবেলায় যখন দুআ কবুলের সময়টা হয়ে আসে, মাগরিবের আজানের শব্দ দূর থেকে ভেসে আসে, বিশাল একটা কষ্টে বুকটা ভারী হয়ে আসে। প্রতিটা জুমায়ই মনে হয় যথেষ্ট পরিমাণ দুরুদ পড়া হয়নি, আমল করা হয়নি, দুআ করা হয়নি। আরেকটু দুআ আমলের জন্য এত আক্ষেপ হয়। ভীষণভাবে অনুভূত হয় যদি মৃত্যুর এসে দুয়ারে কড়া নারে আর আমার এই অনুভূতি তখনও হয় আমার আরেকটু আমল করা দরকার ছিলো... কিংবা যদি হঠাৎ ই চলে যেতে হয়। জীবনের কোনো এক সময় হিদায়াতের সামান্য স্পর্শ পাওয়া এই অন্তর গুলোর আল্লাহর দিকে পরিপূর্ণ ভাবে ফিরতে না পারার কষ্ট কি দিয়ে বোঝানো সম্ভব?
1 425
18
দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে...
1 445
19
আজ সারাদিন যত বেশি সম্ভব দুরুদ পড়ব ইন শা আল্লাহ...
1 784
20
ভালোবাসি তোমাকে হে নবী। عن مُعاذِ بنِ جَبَلٍ رَضِيَ اللهُ عنه، قال: لمَّا بَعَثَه رَسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم إلى اليَمَنِ خَرَجَ مَعَه رَسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم يوصيه، ومُعاذٌ راكِبٌ ورَسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم يَمشي تَحتَ راحِلتِه، فلمَّا فرَغَ قال: يا مُعاذُ، إنَّك عَسى ألَّا تَلقاني بَعدَ عامي هذا، ولعَلَّك أن تَمُرَّ بمَسجِدي هذا وقَبري মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁকে ইয়ামানের দিকে পাঠালেন, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে উপদেশ দিতে দিতে তাঁর সঙ্গে কিছুদূর চললেন। মুআজ (রা.) ছিলেন সওয়ারিতে উপবিষ্ট আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বাহনের নিচে হেঁটে চলছিলেন। উপদেশ দেওয়া শেষ হলে তিনি বললেন: হে মুআজ! তুমি হয়তো এই বছরের পর আর আমার সাক্ষাৎ পাবে না। আর হয়তো তুমি আমার এই মসজিদ ও আমার কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে! فبَكى مُعاذٌ جَشَعًا لفِراقِ رَسولِ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم، ثُمَّ التَفتَ فأقبَل بوَجهِه نَحوَ المَدينةِ، فقال: إنَّ أَولى النَّاسِ بي المُتَّقونَ مَن كانوا وحَيثُ كانوا ​কথাটি শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিচ্ছেদের বেদনায় মুআজ (রা.) কান্নায় ভেঙে পড়লেন। এরপর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেছনের দিকে তাকিয়ে মদীনামুখী হয়ে বললেন: আমার নিকটতম মানুষ তারাই, যারা তাকওয়াবান (আল্লাহভীরু)-তারা যে-ই হোক না কেন এবং যেখানেই থাকুক না কেন। মুসনাদে আহমাদ-২২০৫২ 💔 জুমার রাত, বেশি বেশি দুরুদ পড়ি ইন শা আল্লাহ
2 072