Hope
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop
显示更多📈 Telegram 频道 Hope 的分析概览
频道 Hope (@hope24hours) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 17 718 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 4 642,并在 孟加拉国 地区排名第 1 275 位。
📊 受众指标与增长动态
自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 17 718 名订阅者。
根据 01 八月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -66,过去 24 小时变化为 -1,整体触达仍然可观。
- 认证状态: 未认证
- 互动率 (ER): 平均受众互动率为 7.38%。内容发布后 24 小时内通常能获得 2.88% 的反应,占订阅者总量。
- 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 308 次浏览,首日通常累积 510 次浏览。
- 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 23。
📝 描述与内容策略
作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন।
প্রয়োজনে: @HopeDM
আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215
এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours
উত্তর:
https://t.me/a_teardrop”
凭借高频更新(最新数据采集于 02 八月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。
数据加载中...
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 02 八月 | +1 | |||
| 01 八月 | +3 |
| 2 | 没有文字... | 285 |
| 3 | মানবতার সর্বনিম্ন স্তরে যখন পৃথিবী তখন আর্কাইভই হয়ে উঠে মাধ্যম প্রমাণের।
মাত্র ১০ দিনে ১১৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ Archive Genocide (Israel Exposed Archive) ঘুরে দেখেছেন। ৬৪,৫০০-এর বেশি ভিডিও, ১৭,৯০০ ছবি, অনুসন্ধানযোগ্য ডেটাবেস, জিওলোকেটেড ম্যাপ, ভিকটিম রেজিস্ট্রি এবং শত শত সাংবাদিক ও ডকুমেন্টেশন প্রকল্পের তথ্য এক জায়গায় সংরক্ষিত আছে।
প্রচার মুছে ফেলা যায়, প্রমাণ না।
আর্কাইভ ⬇️⚠️
https://archivegenocide.com | 536 |
| 4 | আগের অংশ
শৈশবে মায়ের দায়িত্ব, তার আদর্শ তরবিয়তের গুরুত্ব এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাবকে মুফাককিরে ইসলাম হযরত আবুল হাসান আলী নদভী রাহ. তাঁর মর্মস্পর্শী বক্তব্যে কত চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন! হযরত বলেন, ‘মায়েদের দায়িত্ব এটুকুতেই শেষ নয় যে, বাচ্চাকে আল্লাহ-রাসূলের নাম শিখিয়ে দেবে, সময় হলে নামায পড়া এমনকি কুরআন শরীফ পড়াও শিখিয়ে দেবে, মাতৃভাষাও রপ্ত করিয়ে দেবে..., এ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর বাইরে তাদের এও জরুরি দায়িত্ব যে, তারা এ বাচ্চাদের কোমল অন্তরে কুফর-শিরকের প্রতি ঘৃণা তৈরি করবে। তাওহীদের সঙ্গে ভালোবাসা, এর ওপর গর্ববোধ এবং ইসলাম ও মুসলিম পরিচয়ে আনন্দ ও মর্যাদার অনুভূতি সঞ্চার করবে। দ্বীনের প্রতি গায়রত ও আত্মমর্যাদাবোধ, আল্লাহর আনুগত্য ও আখেরি পয়গম্বর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি হৃদয়নিংড়ানো ও মন উজাড় করা ভালোবাসা জাগরুক করবে। গুনাহের প্রতি বিদ্বেষ সৃষ্টি করবে। পার্থিব জৌলুসকেই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য এবং উন্নতি ও সফলতার মাপকাঠি ভাবা থেকে রক্ষা করবে। তার মাঝে ন্যায়পরায়নতা ও সত্যবাদিতার অভ্যাস গড়ে তুলবে। পরার্থপরতা, সৃষ্টিসেবা ও দেশপ্রেমের জযবা বদ্ধমূল করবে। এসব মায়েদেরই দায়িত্ব ও তাদেরই করার কাজ। এসব গুণ ও অনুভূতি যদি শৈশবে এবং ঘরের পরিবেশে জন্ম না নেয়, তাহলে পৃথিবীর বড় থেকে বড় জ্ঞানকেন্দ্র এবং সরকারি বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোনো শিক্ষালয় এ কাজ করতে অক্ষম।’
হযরত আরও বলেন, ‘সত্য কথা হলো, হৃদয়ের মণিকোঠায়, মনের গহিনে ও অন্তরের উর্বর জমিতে সে শক্তিশালী বীজ মায়েরা এবং ঘরের পর্দানশীনরাই বপন করতে পারেন। এ বীজ যখন পরিণত হয়ে যায়, তখন কোনো মহাশক্তিই তা নির্মূল করতে পারে না। ইতিহাস এমন হাজারো দৃষ্টান্ত পেশ করেছে যে, মা-বোনদের থেকে পাওয়া শিক্ষা, তাদের শেখানো দ্বীন, তাদের জাগিয়ে দেয়া চেতনা ও অনুভূতি বড় বড় মুজাহিদের দৃঢ়তা ও অবিচলতার কারণ হয়েছে। আপনি যদি ভালোভাবে অনুসন্ধান ও তত্ত্বতালাশ করেন, তাহলে জানতে পারবেন, এ অবিচলতা ও জযবার গোড়ায় রয়েছে মায়েদের অবদান। এমন অনেক নজির আছে যে, বড় অনেক উলামায়ে ইসলাম গত হয়েছেন যাঁদের পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল মায়েদের। মায়েরাই তাঁদেরকে জীবনের অন্তিম নিঃশ্বাস পর্যন্ত ইসলামের ওপর অবিচল থাকার শক্তি ও প্রেরণা জুগিয়েছেন। আপনি প্রায় প্রত্যেক মনীষীর জীবনপাতা উল্টে দেখুন, তাঁদের তরবিয়তে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল মায়েদের, বড়বোনদের, ঘরওয়ালিদের।’ —ইসলাম মেঁ আওরাত কা দারাজা পৃষ্ঠা : ২৩৬, ২৪০
এই প্রবন্ধে আমরা এমন কিছু মনীষীর জীবনে তাঁদের মায়েদের ভূমিকা পেশ করব, যাঁরা ছিলেন ইলম ও আমলে উম্মতের সমুজ্জ্বল নক্ষত্র।
@FatayatalHuda | 616 |
| 5 | 🌸সালাফের নারীগণ -২
শৈশবেই ঈমানের বীজ বপন
শিশুর দ্বীনী মানসিকতা গঠনে মায়ের শিক্ষা ও তরবিয়তের তুলনা হয় না। শৈশব হল ভিত্তিস্থাপন ও বীজ বপনের বয়স। এ বয়সে মায়েরাই পারেন সন্তানের উর্বর হৃদয়ে এমন বীজ বপন করতে, যা আল্লাহ চাহে তো বিশাল, মজবুত ও ফলদায়ক বৃক্ষে পরিণত হতে পারে। সালাফের যুগে শিশুরা মায়ের সুশীতল পাঠশালা থেকেই পেতো ঈমান-তাওহীদের প্রাথমিক ধারণা। শিখত তাকওয়া, উত্তম আদাব-আখলাক ও ফরজে আইন ইলম। মায়ের কোল থেকেই সন্তানরা পেত ঈমানী চেতনা ও মর্যাদাবোধ, গুনাহ ও অন্যায়ের প্রতি ঘৃণার দীক্ষা। শৈশব থেকেই মায়েরা সন্তানকে ইবাদতে অভ্যস্ত করে তুলতেন।
হযরত উম্মে সুলাইম রা. যখন ইসলামের আলোয় আলোকিত হন, তখন তাঁর স্বামী মালিক বিন নাদর সফরে। মালিক ছিলেন মুশরিক। সফর থেকে ফেরার পর তিনি উম্মে সুলাইম রা.কে ধমক দিয়ে বললেন, তুমি ধর্মত্যাগী হয়ে গেছ?
উম্মে সুলাইম রা. উত্তর দিলেন, ‘আমি ধর্মত্যাগী হইনি, বরং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর ঈমান এনেছি।’
তাদের সংসারে আনাস নামক এক দুধের শিশু ছিল, যার সবে মুখ ফুটেছে। উম্মে সুলাইম রা. তাঁর এ সন্তানকেও আলোকিত করে গড়ে তোলার প্রত্যয় গ্রহণ করলেন। তাই এ বয়সেই তাকে শেখাতেন, বাবা, বলো, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। বলো, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ।
শিশুটিও আধোআধোভাবে বলত। এভাবে উম্মে সুলাইম রা. তাঁর শিশু আনাসের অস্তিত্বে ঈমানের আভা ছড়াতেন। তার মুশরিক পিতা এসব দেখে রাগান্বিত হয়ে বলত, আমার ছেলেকে নষ্ট করছ কেন?
উম্মে সুলাইম রা. উত্তর দিতেন, আমি তাকে নষ্ট করছি না।
কিছুদিন পরেই মালিক মৃত্যুবরণ করলে উম্মে সুলাইম রা. এ শিশুর তরবিয়ত ও খেদমতের জন্য নিজেকে ওয়াক্ফ করার ওয়াদা করেন। বলেন—
আমি ওয়াদা করলাম, যতক্ষণ পর্যন্ত আনাস বেঁচে থেকে নিজেই দুধ না ছাড়বে, ততক্ষণ তার দুধ ছাড়াব না। আনাস বড় হয়ে যদি নিজেই আমাকে বিয়ে বসতে না বলে আমি বিয়েও বসব না।
উম্মে সুলাইম রা. ছিলেন বানূ নাজ্জার গোত্রের সম্ভ্রান্ত নারী। তাই দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তাব সহজেই পেতেন। কিন্তু এ সন্তানের জন্য তিনি ত্যাগ স্বীকারের সংকল্প করেন। মায়ের এ ত্যাগের কথা হযরত আনাস রা. স্মরণ করে বলতেন—
আল্লাহ আমার মাকে উত্তম প্রতিদান দিন, তিনি আমার কত সুন্দর প্রতিপালন করেছেন। —তাবাকাতে ইবনে সা’দ ১০ : ৩৯৬
শতাব্দীর পর শতাব্দীজুড়ে উম্মতের মাঝে সমাদৃত এক মাযহাবের প্রণেতা ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইদরীস আশ্-শাফিয়ী রাহ. (২০৪ হি.)। তাঁর জন্ম হয় গাজা শহরে। তাঁর পিতা সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। মায়ের কোলই এ শিশুর একমাত্র আশ্রয়। কিন্তু এ শিশু তো কুরাইশ বংশের সন্তান। তাকে তো এ বংশের লাজ রাখতে হবে। এ বংশের আদর্শের ধারক হতে হবে। গাজার পরিবেশ এর অনুকূল নয়। তাই তার বয়স যখন দুই বছর মা তার বংশপরিচয় বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকায় তাকে নিয়ে কুরাইশের কেন্দ্র্রস্থল পবিত্র মক্কায় পাড়ি জমান। —সিয়ারু আ’লামিন নুবালা ১০ : ৬
লক্ষ্য করুন, যে বয়সে অনেক মা শিশুর দ্বীনী তরবিয়তের ফিকির করেন না, তখন থেকেই ইমাম শাফিয়ী রাহ. এর আম্মাজান এ দুধের শিশুর আদর্শ তরবিয়তের জন্য অনুকূল পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে ফিলিস্তিন থেকে সুদূর মক্কায় পাড়ি জমিয়েছেন। মক্কায় স্বামীহারা এ নারীর জীবন ছিল অভাব-অনটনের। সংসারের খরচ নিজেই চালাতেন। তবুও এ দৈন্যদশা আদর্শ সন্তান গঠনে বাধা হতে পারেনি।
পরের অংশ | 567 |
| 6 | সূরা কাহাফ, দুরুদ, আর বেশি বেশি দুআ... | 605 |
| 7 | 🌸সালাফের নারীগণ -১
সালাফের নারীগণ সন্তান জন্মের পূর্ব থেকেই সন্তানকে আদর্শ সন্তান হিসেবে গড়ে তোলার ফিকির ও পরিকল্পনা করতেন। এর জন্য পূর্বপ্রস্তুতি নিতেন। কুরআন মাজীদে উম্মে মারয়াম রা. এর মহান মান্নতের ঘটনা এর সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মহান রবের দরবারে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাপূর্ণ ও হৃদয়নিংড়ানো আকুতি নিয়ে বললেন—
رَبِّ إِنِّي نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي مُحَرَّرًا فَتَقَبَّلْ مِنِّي إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ.
হে আমার রব, আমার গর্ভে যে সন্তান আছে, আমি আপনার জন্য তার ব্যাপারে মান্নত করলাম যে, তাকে মুক্ত রাখা হবে। অতএব আপনি আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন। —সূরা আলে ইমরান, (৩) : ৩৫
অর্থাৎ দুনিয়ার সমস্ত ব্যস্ততা, ঝায়-ঝামেলা ও দায়দায়িত্ব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত, আল্লাহর ইবাদত ও বাইতুল মাকদিসের সেবার জন্য ওয়াক্ফকৃত। আকাক্সক্ষার বিপরীতে যখন কন্যাসন্তান জন্মলাভ করে, তিনি নিরাশ হননি। আল্লাহর ওপর ভরসা করে মান্নত পূর্ণ করলেন এবং বললেন,
وَإِنِّي سَمَّيْتُهَا مَرْيَمَ وَإِنِّي أُعِيذُهَا بِكَ وَذُرِّيَّتَهَا مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ.
আমি তার নাম রাখলাম মারয়াম এবং তাকে ও তার বংশধরগণকে অভিশপ্ত শয়তান থেকে হেফাজতের জন্য তোমার আশ্রয়ে অর্পণ করলাম। —সূরা আলে ইমরান, (৩) : ৩৬
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মায়ের এ নিষ্ঠা ও কুরবানিকে কী সাদরে মূল্যায়ন করলেন!
فَتَقَبَّلَهَا رَبُّهَا بِقَبُولٍ حَسَنٍ وَأَنْبَتَهَا نَبَاتًا حَسَنًا وَكَفَّلَهَا زَكَرِيَّا.
সুতরাং তাঁর প্রতিপালক তাঁকে (মারয়ামকে) উত্তমভাবে কবুল করলেন এবং তাঁকে উৎকৃষ্ট পন্থায় প্রতিপালন করলেন। এবং তাঁকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে সোপর্দ করলেন। —সূরা আলে ইমরান, (৩) : ৩৭
বলাবাহুল্য, এ কন্যাসন্তান মারিয়াম রা. ও তাঁর অস্তিত্বে সুপ্ত হযরত ঈসা আ. কত বরকতপূর্ণ ছিলেন। হযরত উম্মে মারয়াম রা. তাঁর এ ইখলাস ও কুরবানির মাধ্যমে মায়েদের জন্য রেখে গেলেন আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহর তরে সন্তানকে ওয়াক্ফ করার উজ্জ্বল শিক্ষা। মাওলানা মানযূর নুমানী রাহ. বলেন, “ইমাম আবু বকর জাস্সাস রাযী রাহ. ‘আহকামুল কুরআন’ কিতাবে এ আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে লিখেছেন, সন্তানকে আল্লাহর জন্য ওয়াক্ফ করার এ ধারা শরীয়তে মুহাম্মাদীতেও বহাল রয়েছে, তবে শরীয়তে মুহাম্মাদীর স্বভাব ও প্রকৃতি অনুুযায়ী তার রূপ সংশোধন করা হয়েছে। অর্থাৎ যারা সন্তানকে আল্লাহর জন্য ওয়াক্ফ করতে চায়, তারা এভাবে নিয়ত করবে যে, এই সন্তানকে আমি আল্লাহর জন্য এবং তাঁর দ্বীনের খিদমতের জন্য ওয়াক্ফ করলাম। এতে সে ইলমে দ্বীন হাসিল করা এবং দ্বীনের খেদমত করার জন্য ওয়াক্ফ হয়ে যাবে। তবে আমাদের শরীয়তে মুহাম্মাদীতে এজন্য তার সংসার ত্যাগ করার প্রয়োজন নেই এবং অনুমতিও নেই। জীবনকে সে আল্লাহর নামে উৎসর্গ করবে, জীবনের অঙ্গনে অবস্থান করে। প্রয়োজনে সে উপার্জন ও জীবিকার পথ গ্রহণ করবে, বিবাহ-সংসার নির্বাহ করবে এবং সন্তান-সন্ততির তরবিয়ত করবে, এমনকি মা-বাবার সেবা-দায়িত্বও পালন করবে, কিন্তু তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হবে ইলমের তলব, দ্বীনের খেদমত এবং আল্লাহ তাআলার রিযা ও সন্তুষ্টি অর্জন। জীবনের অঙ্গনে অবস্থান করেও এ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পথেই হবে তার জীবন ও মরণ।” —তালিবানে ইলমের রাহে মনযিল পৃ. ২২-২৩
@FatayatalHuda | 920 |
| 8 | চোখের পানির শক্তি
চোখের পানির অনেক শক্তি রয়েছে। আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম কে বলেন, 'হে ইবরাহীম! জাহান্নামের আগুনকে নেভানোর শক্তি কোনো পানির নেই, একটা পানি ছাড়া। তা হলো বান্দার চোখের পানি। এ পানি আমার জন্য দিলে জাহান্নামের আগুনও নিভে যায়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীসে বলেছেন,
لَا يَلِجُ النَّارَ رَجُلٌ بَكَى مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ حَتَّى يَعُودَ اللَّبَنُ فِي الضَّرْعِ
যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কাঁদে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। দুধ স্তনে ফিরে যাওয়া যেমন অসম্ভব, তেমনি তার জাহান্নামে প্রবেশ করাও অসম্ভব।
গুনাহের কারণে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। আর আল্লাহর অসন্তুষ্টির চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের নামই হল জাহান্নাম। আর সেই জাহান্নাম থেকে চোখের পানির উসিলায় যদি বেঁচে যেতে পারেন, এর অর্থ হলো আল্লাহ তাআলা আপনাকে হয় গুনাহটি থেকে বিশেষ রহমতে বাঁচিয়ে নিবেন কিংবা মউতের আগে হলেও এর থেকে তাওবার তাওফিক দিয়ে দিবেন।
-খুতুবাত | 987 |
| 9 | ডাক্তারদের মতে মানুষের স্বাভাবিক বয়সের সীমা হলো একশ’ বিশ বছর। ষাট বছর পর্যন্ত তো মানুষ যুবক রূপেই থাকে। তারপর তার রক্তের গরম কমতে থাকে এবং শেষে অচল বৃদ্ধ হয়ে যায়। সুতরাং আয়াতের এই বয়স উদ্দেশ্য হওয়াই সমীচীন। এ উম্মতের অধিকাংশের বয়স এটাই। এক হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার উম্মতের বয়স ষাট হতে সত্তর বছর। এর চেয়ে বয়স বেশী হয় এরূপ লোকের সংখ্যা খুব কম।” (এ হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (রঃ) ও ইমাম ইবনে মাজাহ (রঃ) বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী (রঃ) এ হাদীসটি সম্পর্কে বলেন যে, এর আর কোন সনদ নেই। এটা বড়ই বিস্ময়কর ব্যাপার যে, ইমাম সাহেব কি করে এ কথা বলেছেন। এটা অন্য একটি সনদে ইবনে আবিদ দুনিয়া (রঃ) বর্ণনা করেছেন। স্বয়ং ইমাম তিরমিযী (রঃ) এ হাদীসটি অন্য সনদে তার জামে' কিতাবে কিতাবুল যুহদে বর্ণনা করেছেন)
একটি দুর্বল হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার উম্মতের মধ্যে সত্তর বছরের লোকও খুব হবে। অন্য একটি রিওয়াইয়াতে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে তাঁর উম্মতের বয়স সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ “তাদের বয়স পঞ্চাশ হতে ষাট বছর পর্যন্ত হবে। আবার জিজ্ঞেস করা হলোঃ “সত্তর বছর বয়স কারো হবে কি? তিনি জবাবে বলেনঃ “এটা খুব কম হবে। আল্লাহ তাদের উপর ও আশি বছর বয়সের লোকের উপর দয়া করুন!” (এটা বাযযার (রঃ) বর্ণনা করেছেন) সহীহ হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর বয়স তেষট্টি বছর ছিল। একটি উক্তি আছে যে, তার বয়স ষাট বছর হয়েছিল। এ কথাও বলা হয়েছে যে, তাঁর বয়স। পঁয়ষট্টি বছরে পৌঁছেছিল। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।
মহান আল্লাহ বলেনঃ তোমাদের কাছে তো সতর্ককারীও এসেছিল। অর্থাৎ তোমাদের সাদা চুল দেখা দিয়েছিল, অথবা স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) এসেছিলেন। এই দ্বিতীয় উক্তিটি সঠিকতর। ইবনে যায়েদ (রঃ)
অর্থাৎ প্রথম সতর্ককারীদের মধ্যে ইনি একজন সতর্ককারী। (৫৩:৫৬) সুতরাং বয়স দিয়ে, রাসূল পাঠিয়ে আল্লাহ তাআলা স্বীয় হুজ্জত পুরো করেছেন। যখন জাহান্নামীরা মত্যুর আকাক্ষা করবে তখন তাদেরকে জবাব দেয়া হবে। তোমাদের কাছে সত্য এসেছিল। অর্থাৎ আমি রাসূলদের তোমাদের কাছে সত্যসহ পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু তোমরা স্বীকার করনি। অন্য আয়াতে রয়েছেঃ
অর্থাৎ “আমি রাসূল প্রেরণ না করা পর্যন্ত শাস্তি প্রদান করিনি।”(১৭:১৫) অন্য জায়গায় আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
অর্থাৎ “যখনই তাতে (জাহান্নামে) কোন দলকে নিক্ষেপ করা হবে, তাদেরকে রক্ষীরা জিজ্ঞেস করবেঃ তোমাদের নিকট কি কোন সতর্ককারী আসেনি? তারা বলবেঃ অবশ্যই আমাদের নিকট সতর্ককারী এসেছিল, আমরা তাদেরকে মিথ্যাবাদী গণ্য করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ কিছুই অবতীর্ণ করেননি। তোমরা তো মহা বিভ্রান্তিতে রয়েছো। (৬৭:৮-৯)
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ সুতরাং তোমরা শাস্তি আস্বাদন কর। অর্থাৎ তোমরা যে নবীদের বিরুদ্ধাচরণ করেছিলে তার শাস্তির স্বাদ আজ গ্রহণ কর।
এরপর প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ যালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই। আজ অর্থাৎ কিয়ামতের দিন তাদের সাহায্যের জন্যে কেউই এগিয়ে আসবে না। আর তাদের কেউই আযাব থেকে বাচার কোন পথ পাবে না এবং কেউ তাদেরকে আযাব থেকে রক্ষা করতেও পারবে না। | 1 298 |
| 10 | Tafsir Ibn Kathir
৩৬-৩৭ নং আয়াতের তাফসীর:
সৎ লোকদের বর্ণনা দেয়ার পর আল্লাহ্ তা'আলা এখন দুষ্ট ও পাপীদের বর্ণনা দিচ্ছেন। তারা জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে থাকবে। তাদের আর মৃত্যু হবে না। যেমন তিনি বলেনঃ
অর্থাৎ “সেখানে তারা মরবেও না, বাঁচবেও না।” (২০:৭৪) সহীহ্ মুসলিমে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যারা চিরস্থায়ী জাহান্নামী তাদের সেখানে মৃত্যুও হবে না এবং তারা সেখানে বেঁচেও থাকবে না (অর্থাৎ সুখময় জীবন লাভ করবে না)।” তারা বলবেঃ “হে জাহান্নামের দারোগা! আল্লাহকে বল যে, তিনি যেন আমাদের মৃত্যু ঘটিয়ে দেন। তখন উত্তর দেয়া হবেঃ “তোমাদেরকে তো এখানেই অবস্থান করতে হবে।” তারা মৃত্যুকেই নিজেদের জন্যে আরাম ও শান্তিদায়ক মনে করবে। কিন্তু মৃত্যু আসবেই না এবং তাদের শাস্তিও কম করা হবে না। যেমন অন্য জায়গায় আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ
অর্থাৎ “পাপীরা চিরকাল জাহান্নামের শাস্তির মধ্যে থাকবে, যে শাস্তি কখনো সরবেও না এবং কমও হবে না।” (৪৩:৭৪-৭৫)
তারা সমস্ত কল্যাণ হতে নিরাশ হয়ে যাবে। যেমন এক জায়গায় ঘোষিত হয়েছেঃ
অর্থাৎ “জাহান্নামের আগুন সদা-সর্বদা তেজ হতেই থাকবে।” (১৭:৯৭) আর এক জায়গায় বলেনঃ
অর্থাৎ “তোমরা আস্বাদ গ্রহণ কর, আমি তো তোমাদের শাস্তিই শুধু বৃদ্ধি করবো।” (৭৮:৩০)
মহা প্রতাপান্বিত আল্লাহ্ বলেন:এই ভাবেই আমি প্রত্যেক অকৃজ্ঞকে শাস্তি দিয়ে থাকি। সেখানে তারা আর্তনাদ করে বলবেঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে নিষ্কৃতি দিন এবং দুনিয়ায় ফিরে যেতে দিন। এবার দুনিয়ায় গিয়ে আমরা সৎ কর্ম করবো এবং পূর্বে যা করতাম তা করবো না। কিন্তু আল্লাহ্ রাব্বল আলামীন খুবই ভাল জানেন যে, তারা দুনিয়ায় ফিরে গেলে আবার অবাধ্যাচরণই করবে। সুতরাং তাদের ঐ মনের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করা হবে না। অন্য স্থানে তাদের আকাঙ্ক্ষার জবাবে বলা হয়েছে ? তোমরা তো তারাই যে, যখন তোমাদের সম্মুখে আল্লাহর একত্রে বর্ণনা দেয়া হতো তখন তোমরা তা অস্বীকার করতে, তার সাথে শরীক স্থাপন করতে, তাতে তোমরা আনন্দ পেতে। কাজেই বেশ বুঝা যাচ্ছে যে, তোমাদেরকে যদি আবার দুনিয়ায় ফিরিয়ে দেয়া হয় তবে তোমরা তাই করবে যা করতে নিষেধ করা হতো।
আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে আরো বলবেনঃ তোমরা দুনিয়ায় বেশ দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলে। তোমরা এ দীর্ঘ সময়ে বহু কিছু করতে পারতে। যেমন কেউ সতেরো বছরের জীবন লাভ করলো। এই সতেরো বছরে সে বহু কিছু করতে পারে। হযরত কাতাদা (রঃ) বলেনঃ “জেনে রেখো যে, দীর্ঘ জীবন আল্লাহর পক্ষ হতে হুজ্জত হয়ে যায়। সুতরাং দীর্ঘ জীবন হতে আমাদের আল্লাহ্ তা'আলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করা উচিত। যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন কোন কোন লোকের বয়স শুধু আঠারো বছর ছিল।” অহাব ইবনে মুনাব্বাহ্ (রঃ) বলেন যে,
আল্লাহ্ তা'আলার এই উক্তি দ্বারা বিশ বছর বয়স বুঝানো হয়েছে। হাসান (রঃ) বলেছেন চল্লিশ বছর। মাসরূক (রঃ) বলেন যে, চল্লিশ বছর বয়সে মানুষের সতর্ক হয়ে যাওয়া উচিত। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন যে, চল্লিশ বছর বয়স হলে আল্লাহর পক্ষ হতে বান্দার ওযর পেশ করার সুযোগ থাকে না। তাঁর থেকে ষাট বছরের কথাও বর্ণিত আছে। আর এটাই অধিকতর সঠিকও বটে, যেমন একটি হাদীসে রয়েছে। যদিও ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) হাদীসটির সনদের ব্যাপারে সমালোচনা করেছেন, কিন্তু তাঁর এ সমালোচনা ঠিক নয়। হযরত আলী (রাঃ) হতেও ষাট বছরই বর্ণিত আছে।
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেন, কিয়ামতের দিন একটি ঘোষণা এও হবেঃ 'ষাট বছরে পদার্পণ করেছে এরূপ লোক কোথায়?' এটা ঐ বয়স যে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেনঃ “আমি কি তোমাদেরকে এতো দীর্ঘ জীবন দান করিনি যে, সতর্ক হতে চাইলে সতর্ক হতে পারতে?” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাদীসটির সনদ সঠিক নয়। এসব ব্যাপারে আল্লাহই ভাল জানেন)
হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ্ তা'আলা যে বান্দাকে এতোদিন জীবিত রেখেছেন যে, তার বয়স ষাট অথবা সত্তর বছরে পৌছে গেছে, আল্লাহর কাছে তার কোন ওযর চলবে না।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)
এ কথা তিনি তিনবার বলেন।
সহীহ্ বুখারীর কিতাবুর রিকাকে আছে যে, ঐ ব্যক্তির ওযর আল্লাহ্ কেটে দিয়েছেন যাকে তিনি দুনিয়ায় ষাট বছর পর্যন্ত রেখেছেন। এই হাদীসের অন্য সনদও রয়েছে। অন্য সনদ যদি নাও থাকতো তবুও ইমাম বুখারী (রঃ)-এর হাদীসটিকে তাঁর সহীহ্ গ্রন্থে আনয়নই ওর বিশুদ্ধতার জন্যে যথেষ্ট ছিল। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এ কথা বলেন যে, হাদীসটির সনদের সত্যাসত্য যাচাই করা জরুরী। ইমাম বুখারী (রঃ)-এর হাদীসটিকে সহীহ বলার তুলনায় ওটার একটা যবের মূল্যের সমানও দাম নেই। এসব ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী। | 1 090 |
| 11 | 没有文字... | 821 |
| 12 | sticker.webp | 1 074 |
| 13 | 🍁মৃত্যুর পর যেসব আফসোস করবে মানুষ...
সে বলতে লাগলো- হায়, আমি যদি কাউকে আমার পালনকর্তার সাথে শরীক না করতাম।’ (সুরা কাহফ : আয়াত ৪২)
আর আপনি যদি দেখেন, যখন তাদের জাহান্নামের উপর দাঁড় করানো হবে! তারা বলবে- কতই না ভাল হত! যদি আমাদের পুনরায় (দুনিয়া) পাঠানো হতো; তাহলে আমরা স্বীয় পালনকর্তার নিদর্শনসমূহে মিথ্যারোপ করতাম না এবং আমরা বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।’ (সুরা আনআম : আয়াত ২৭)
‘আর তোমাদের মধ্যে এমনও কেউ কেউ রয়েছে, যারা অবশ্য বিলম্ব করবে এবং তোমাদের উপর কোনো বিপদ উপস্থিত হলে বলবে, আল্লাহ আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে, আমি তাদের সাথে যাইনি।’ (সুরা নিসা : আয়াত ৭২)
পক্ষান্তরে তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো অনুগ্রহ এলে তারা এমন ভাবে বলতে শুরু করবে যেন তোমাদের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে কোনো মিত্রতাই (বিরোধিতা) ছিল না। (তারা সেখানে বার বার এ আকাঙক্ষা করতে থাকবে)- ‘হায়, আমি যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম; তাহলে আমি ও যে সফলতা লাভ করতাম।’ (সুরা নিসা : আয়াত ৭৩)
‘তারা আরও বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা,! আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের কথা মেনেছিলাম, অতপর তারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল। হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি তাদের দ্বিগুণ শাস্তি দিন এবং তাদের মহা অভিসম্পাত করুন।’ (সুরা আহজাব : আয়াত ৬৭-৬৮)
হায় আফসোস! আমি যদি রসূলের সাথে পথ অবলম্বন করতাম।’ (সুরা ফুরকান : আয়াত ২৭)
হায়, আমার দূর্ভাগ্য! আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।’ (সুরা ফুরকান : আয়াত ২৭-২৮)
হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম। ( সুরা আহজাব : আয়াত ৬৪-৬৬)যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ হায় আমায় যদি আমার আমল নামা না দেয়া হতো। আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব! হায়, আমার মৃত্যুই যদি শেষ হত।’ (সুরা হাক্বকাহ : আয়াত ২৫-২৭)
‘আমার ধন-সম্পদ আমার কোনো উপকারে এলো না। আমার ক্ষমতাও বরবাদ হয়ে গেল। ফেরেশতাদের বলা হবে- এদের ধর, গলায় বেড়ি পড়িয়ে দাও। অতপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে। অতপর তাকে শৃঙ্খলিত কর, সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে। নিশ্চয় সে মহান আল্লাহতে বিশ্বাসী ছিল না। আর মিসকিনকে খাবার দিতে উৎসাহিত করত না। অতএব, আজকের দিন এখানে তার কোনো সুহূদ নেই। আর কোনো খাদ্য নেই, ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ ব্যতিত। গোনাহগার ব্যতিত কেউ এটা খাবে না।’ (সুরা হাক্বকাহ : আয়াত ২৮-৩৭)
‘এই দিবস (পরকাল) সত্য। অতপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরি করুক। আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে (মৃত্যুর আগে) পাঠিয়েছে। আর (সেদিন তা দেখে) কাফেররা বলবে- ‘হায়, আফসোস! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।’ (সুরা নাবা : আয়াত ৩৯-৪০)
‘এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে আর আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন। এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে? সে (আক্ষেপ করে) বলবে- ‘হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু আগে পাঠাতাম!’সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দেবে না। আর তার বন্ধনের মত বন্ধনও কেউ দেবে না।’ (সুরা ফাজর : আয়াত ২১-২৬)
নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদেরকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্যে জলন্ত অগুন (জাহান্নাম) প্রস্তুত রেখেছেন। তথায় তারা অনন্তকাল থাকবে এবং কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না। যেদিন আগুনে তাদের মুখমণ্ডল ওলট-পালট করা হবে; সেদিন তারা বলবে-
হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম। ( সুরা আহজাব : আয়াত ৬৪-৬৬)
🌸আয়াতগুলোর তাফসীর পেছনের পোস্ট গুলোতে পাবেন... এখান থেকে- https://t.me/Hope24hours/7057 | 1 387 |
| 14 | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাঃ)
আমি হায়েজগ্রস্ত থাকাকালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর মাথা আমার কোলে রেখে কুরআন তিলাওয়াত করতেন।
রেফারেন্স:
হাদিস নং ৬৩৪
সুনানে ইবনে মাজাহ | 1 335 |
| 15 | এক সাহাবির অদ্ভুত নবীপ্রেম
.
হযরত তালহা ইবন বারা রাযি.। তিনি ছিলেন অল্প বয়সের সাহাবি। জীবনের শুরুতেই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। একদিন তিনি ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। এমন অসুস্থতা—যা দেখে বোঝা যাচ্ছিল, এটাই হয়তো শেষ সময়।
খবর পৌঁছাল রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে। প্রিয় নবী নিজে ছুটে এলেন তাঁর খোঁজ নিতে। ঘরে ঢুকেই বুঝে গেলেন—এই রোগ থেকে তাঁর আর ফেরা নেই। নবীজি ﷺ সেদিন উপস্থিত লোকদের বললেন, ‘তালহার যখন ইন্তেকাল হবে, আমাকে খবর দিও। আমি এসে জানাযার নামায পড়াব।’
ভাবুন একবার! যার জানাযা রাসূলুল্লাহ ﷺ পড়াবেন—তার মর্যাদা কতটা মহান! এটা কি ছোট সম্মান? এটা তো দুনিয়া-আখিরাতের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য!
নবীজি কথা বলে চলে গেলেন। কিন্তু এখানেই দেখা গেল তালহার প্রকৃত নবীপ্রেম। তিনি উপস্থিত লোকদের ডেকে বললেন, ‘যদি রাতে আমার মৃত্যু হয়, দয়া করে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে খবর দিও না।’
সুবহানাল্লাহ! কেন এই নিষেধ? কারণ তিনি জানতেন—রাসূল ﷺ-এর বাড়ি থেকে তাঁর বাড়ি তিন-চার মাইল দূরে। পথে ইহুদিদের বসতি। রাতের অন্ধকারে চলাফেরা কষ্টকর।নিরাপত্তার ঝুঁকি আছে। তিনি ভাবলেন, আমার জানাযার জন্য নবীজি কেন কষ্ট করবেন? আমার কারণে কেন আমার প্রিয় নবীর কষ্ট হবে?
যদিও নবীজি জানাযা পড়ালে তাঁর জন্য বিশাল ফজিলত ছিল, তবুও তিনি সেই সুযোগ নিজের হাতে ছেড়ে দিলেন। এটাই তো প্রেম! এটাই তো নিঃস্বার্থ ভালোবাসা!
অবশেষে রাতে তাঁর ইন্তেকাল হয়ে গেল।পরিবার তাঁর ওসিয়ত অনুযায়ী রাসূল ﷺ-কে খবর দিল না।
পরদিন সকালে নবীজি জানতে পারলেন। খুব আফসোস করলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কবরের কাছে গেলেন। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে এই দোয়া করলেন
اللَّهُمَّ الْقَ طَلْحَةَ تَضْحَكُ إِلَيْهِ وَيَضْحَكُ إِلَيْكَ
হে আল্লাহ! তালহার সাথে আপনি এমন অবস্থায় মিলিত হোন, যেন আপনি তাকে দেখে হাসছেন, আর সে আপনাকে দেখে হাসছে। [মাজমাউয যাওয়াইদ : ১৫৯৬৯]
ভাবুন একবার—রাসূল ﷺ নিজে নাম ধরে দোয়া করছেন! যদি নবীজি জানাযায় আসতেন, তাহলে সাধারণ জানাযার দোয়া পড়তেন
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا, وَمَيِّتِنَا
হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত সবাইকে ক্ষমা করে দিন...।
এই দোয়ায় তালহার নাম আসত না। সাধারণ দোয়ার মধ্যে মিশে যেত। কিন্তু তালহা নিজের সুবিধা ত্যাগ করলেন, নবীর কষ্ট এড়াতে চাইলেন, নবীকে আরাম দিলেন। ফলাফল কী হলো? নবীর জবান দিয়ে তাঁর নাম ধরে দোয়া বের হয়ে এল! এটাকেই বলে—দোয়া বের করানো।
অনেকে আছে—দোয়া চায়, আমার জন্য দোয়া করবেন। কিন্তু খুব কম মানুষ আছে—যারা এমন কাজ করে যার কারণে বড় মানুষের মুখ থেকেই আপনা-আপনি দোয়া বের হয়ে আসে।একটু খেদমত, একটু আদব, একটু ভালো ব্যবহার—কখনো কখনো দোয়ার দরজা খুলে দেয়।
- খুতুবাত
@Afiyah24hours | 1 493 |
| 16 | একদিন আমি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব। তখন আমার সন্তানরা আমাকে কীভাবে স্মরণ করবে?
তারা কি বলবে আমাদের আব্বু/আম্মু গভীর রাতে তাহাজ্জুদ পড়তেন, কুরআন তিলাওয়াত করতেন, আল্লাহর কাছে অনেক দোয়া করতেন।
নাকি বলবে আমাদের আব্বু/আম্মু রাত জেগে মোবাইল চালাতেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটাতেন, কিন্তু নামাযের জন্য উঠতে পারতেন না।
একটু নিজের বিবেককে জিজ্ঞেস করুন, আপনি আপনার সন্তানদের জন্য কোন স্মৃতিটি রেখে যেতে চান?
আমরা প্রায়ই সন্তানদের নসীহত করি, বাবা, পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ো। কিন্তু সে কি কখনো দেখেছে যে, আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা সব কাজ ফেলে মসজিদের দিকে ছুটে গেছি?
আমরা বলি, বাবা, মোবাইল কম দেখো। কিন্তু আমাদের নিজের হাতেই কি সারাক্ষণ মোবাইল থাকে না?
আমরা বলি, মিথ্যা বলা মহাপাপ। কিন্তু নিজেদের প্রয়োজনে কি আমরা ছোট-বড় মিথ্যাকে সহজভাবে গ্রহণ করি না?
আমরা চাই সন্তান ভদ্র হোক, অথচ আমাদের মুখে রাগ, গালি ও কঠোর ভাষা। আমরা চাই সন্তান সত্যবাদী হোক, অথচ আমাদের কথার সঙ্গে কাজের মিল নেই।
মনে রাখতে হবে, সন্তান কেবল আমাদের উপদেশ শোনে না; সে আমাদের জীবন পড়ে। সে আমাদের প্রতিটি আচরণ, প্রতিটি অভ্যাস এবং প্রতিটি সিদ্ধান্ত নীরবে শিখে নেয়। এ কারণেই বলা হয়, সন্তান হলো মা-বাবার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। মূল ছবিতে যা থাকবে, প্রতিচ্ছবিতেও তাই ফুটে উঠবে।
তাই যদি আমরা চাই আমাদের সন্তানরা আল্লাহভীরু, সৎ, নামাযী, কুরআনপ্রেমী, চরিত্রবান ও আদর্শ মানুষ হোক, তাহলে প্রথমে নিজেদের জীবনকেই বদলাতে হবে।
-খুতুবাত
@FatayatalHuda | 1 117 |
| 17 | একবার নবীজী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-কে বললেন, তুমি আমাকে একটু তিলাওয়াত করে শোনাও তো। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনাকে তিলাওয়াত শোনাব, আপনার উপরই তো কুরআন নাযিল হয়েছে! নবীজী বললেন, আমার মনে চাচ্ছে, কারো থেকে একটু তিলাওয়াত শুনি! এ শুনে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. সূরা নিসা তিলাওয়াত করতে শুরু করলেন। পড়তে পড়তে যখন এ আয়াত পর্যন্ত আসলেন-
فَكَیْفَ اِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ اُمَّةٍۭ بِشَهِیْدٍ وَّ جِئْنَا بِكَ عَلٰی هٰۤؤُلَآءِ شَهِیْدًا.
[সুতরাং (তারা ভেবে দেখুক) সেই দিন (তাদের অবস্থা) কেমন হবে, যখন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব এবং (হে নবী), আমি তোমাকে ওইসব লোকের বিরুদ্ধে সাক্ষীরূপে উপস্থিত করব? -সূরা নিসা (০৪) : ৪১]
এতটুকু তিলাওয়াত করার পর নবীজী বললেন, ঠিক আছে। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, নবীজী থামতে বলার পর আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখি, তাঁর দুচোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছে। (দ্রষ্টব্য : সহীহ বুখারী, হাদীস ৫০৫৫, ৪৫৮২, ৫০৪৯).... | 1 162 |
| 18 | সালাওয়াত (দুরূদ শরীফ) বদলে দিবে আপনার জীবন | @BaseeraUnofficial | 1 368 |
| 19 | তৃষ্ণায় শীতল পানির চেয়েও প্রিয়
আলী রাযিয়াল্লাহু কে জিজ্ঞেস করা হল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আপনারা কেমন ভালোবাসতেন?
জবাবে তিনি বলেন,
كَانَ وَاللَّهِ أَحَبُّ إِلَيْنَا مِنْ أَمْوَالِنَا وَأَوْلَادَنَا، وآبائِنَا وَأُمَّهَاتِنَا، وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ عَلَى الظَّما
আল্লাহর কসম! তিনি আমাদের নিকট আমাদের ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি, পিতৃ ও মাতৃকুল এবং প্রচন্ড তৃষ্ণার সময় ঠান্ডা পানি যেমন প্রিয়, তার চাইতেও অধিক প্রিয় ছিলেন।
(আশ-শিফা বি তা'রীফি হুকুক্বিল মুস্তাফা: ২/৫২)
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
- খুতুবাত
🍀জুমার রাত, দুরুদ আর সূরা কাহাফ এর আমল ভুলব না...
@FatayatalHuda | 1 622 |
| 20 | 📖 ৩. আলে-ইমরান - আয়াতঃ ৯২
৯২. তোমরা যা ভালবাস তা থেকে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনো সওয়াব অর্জন করবে না। আর তোমরা যা কিছু ব্যয় কর, নিশ্চয় আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ অবগত।(১)
তাফসীর:
(১) সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন কুরআনী নির্দেশের প্রথম সম্বোধিত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রত্যক্ষ সঙ্গী। কুরআনী নির্দেশ পালনের জন্য তারা ছিলেন উম্মুখ। আলোচ্য আয়াত নাযিল হওয়ার পর তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ সহায় সম্পত্তির প্রতি লক্ষ্য করলেন যে, কোনটি তাদের নিকট সর্বাপেক্ষা প্রিয়। এরপর আল্লাহর পথে তা ব্যয় করার জন্যে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আবেদন করতে লাগলেন। মদীনার আনসারগণের মধ্যে আবু তালহা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বেশ ধনী ছিলেন। মসজিদে নববী সংলগ্ন বিপরীত দিকে তার একটি বাগান ছিল, যাতে 'বীরাহা' নামে একটি কুপ ছিল। বর্তমানে মসজিদের নববীর বাব আল মাজীদ্দীর বাদশাহ ফাহদ গেট দিয়ে ভিতরে মসজিদে ঢুকার পর পরই সামান্য বাম পার্শ্বে এ স্থানটি পড়ে। পরিচিতির সুবিধার্থে দুই থামের মাঝখানের তিনটি গোল চক্কর দিয়ে তার স্থান নির্দেশ করা আছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাঝে মাঝে এ বাগানে পদার্পণ করতেন এবং বীরহা কুপের পানি পান করতেন। এ কুপের পানি তিনি পছন্দও করতেন।
আবু তালহার এ বাগান অত্যন্ত মূল্যবান, উর্বর এবং তার বিষয়-সম্পত্তির মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রিয় ছিল। আলোচ্য আয়াত নাযিল হওয়ার পর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে হাজির হয়ে বললেনঃ আমার সব বিষয়-সম্পত্তির মধ্যে বীরহা আমার কাছে সর্বাপেক্ষা প্রিয়। আমি এটি আল্লাহর পথে ব্যয় করতে চাই। আপনি যে কাজে পছন্দ করেন, এটি তাতেই খরচ করুন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বিরাট মুনাফার এ বাগানটি আমার মতে তুমি স্বীয় আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বন্টন করে দাও। আবু তালহা এ পরামর্শ গ্রহণ করেন। [বুখারীঃ ১৪৬১, মুসলিমঃ ৯৯৮] এ হাদীস থেকে জানা গেল যে, শুধু ফকীর-মিসকীনকে দিলেই পুণ্য হয় না- পরিবার-পরিজন ও আত্নীয়-স্বজনকে দান করাও বিরাট পুণ্য ও সওয়াবের কাজ। | 1 509 |
