Hope
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop
显示更多📈 Telegram 频道 Hope 的分析概览
频道 Hope (@hope24hours) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 17 815 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 4 687,并在 孟加拉国 地区排名第 1 249 位。
📊 受众指标与增长动态
自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 17 815 名订阅者。
根据 20 六月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -50,过去 24 小时变化为 -5,整体触达仍然可观。
- 认证状态: 未认证
- 互动率 (ER): 平均受众互动率为 10.54%。内容发布后 24 小时内通常能获得 3.35% 的反应,占订阅者总量。
- 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 877 次浏览,首日通常累积 597 次浏览。
- 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 31。
📝 描述与内容策略
作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন।
প্রয়োজনে: @HopeDM
আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215
এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours
উত্তর:
https://t.me/a_teardrop”
凭借高频更新(最新数据采集于 21 六月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。
数据加载中...
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 21 六月 | +1 | |||
| 20 六月 | 0 | |||
| 19 六月 | +7 | |||
| 18 六月 | +1 | |||
| 17 六月 | 0 | |||
| 16 六月 | +5 | |||
| 15 六月 | +1 | |||
| 14 六月 | +1 | |||
| 13 六月 | +1 | |||
| 12 六月 | +4 | |||
| 11 六月 | +4 | |||
| 10 六月 | +1 | |||
| 09 六月 | 0 | |||
| 08 六月 | 0 | |||
| 07 六月 | +2 | |||
| 06 六月 | 0 | |||
| 05 六月 | 0 | |||
| 04 六月 | +4 | |||
| 03 六月 | +5 | |||
| 02 六月 | +1 | |||
| 01 六月 | +2 |
| 2 | আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৩৪
Surah Baqarah ২:৩০
وَإِذۡ قَالَ رَبُّكَ لِلۡمَلَٰٓئِكَةِ إِنِّي جَاعِلٞ فِي ٱلۡأَرۡضِ خَلِيفَةٗۖ قَالُوٓاْ أَتَجۡعَلُ فِيهَا مَن يُفۡسِدُ فِيهَا وَيَسۡفِكُ ٱلدِّمَآءَ وَنَحۡنُ نُسَبِّحُ بِحَمۡدِكَ وَنُقَدِّسُ لَكَۖ قَالَ إِنِّيٓ أَعۡلَمُ مَا لَا تَعۡلَمُونَ
অর্থ : আর স্মরণ করুন, যখন আপনার রব ফেরেশতাদের [১] বললেন [২] ‘নিশ্চয় আমি যমীনে খলীফা [৩] সৃষ্টি করছি’, তারা বলল, ‘আপনি কি সেখানে এমন কাওকে সৃষ্টি করবেন যে ফাসাদ ঘটাবে ও রক্তপাত করবে [৪] ? আর আমরা আপনার হামদসহ তাসবীহ পাঠ করি এবং পবিত্রতা ঘোষণা করি [৫]। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি তা জানি, যা তোমরা জান না’ [৬]।
[১] এখানে মূল আরবী শব্দ ‘মালায়িকা' হচ্ছে বহুবচন। এক বচন মালাক। ‘মালাক’-এর আসল অর্থ হচ্ছে ‘বাণী বাহক’। এরই শাব্দিক অনুবাদ হচ্ছে, ‘যাকে পাঠানো হয়েছে’ বা ফেরেশতা। ফেরেশতা নিছক কিছু কায়াহীন, অস্তিত্বহীন শক্তির নাম নয়। বরং এরা সুস্পষ্ট কায়া ও স্বতন্ত্র অস্তিত্বের অধিকারী। আল্লাহ্র বিধান ও নির্দেশাবলী তারা প্রবর্তন করে থাকেন। মূর্খ লোকেরা ভুলক্রমে তাদেরকে আল্লাহ্র কর্তৃত্ব ও কাজ-কর্মে অংশীদার মনে করে। আবার কেউ কেউ তাদেরকে মনে করে আল্লাহ্র আত্মীয়। এজন্য দেবতা বানিয়ে তাদের পূজা করে। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ফেরেশতাদেরকে নূর থেকে তৈরী করা হয়েছে, জিনদেরকে নির্ধুম আগুন শিখা হতে। আর আদমকে তা থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে যা সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। " [মুসলিম ২৯৯৬]
অর্থাৎ আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ্ তা'আলা আদমকে এমন এক মুষ্ঠি মাটি থেকে তৈরী করেছেন। যে মাটি তিনি সমস্ত যমীন থেকে নিয়েছেন। তাই আদম সন্তানরা যমীনের মতই বৈচিত্ররূপে এসেছে। তাদের মধ্যে লাল, সাদা, কালো এবং এর মাঝামাঝি ধরনের লোক দেখতে পাওয়া যায়। আর তাদের মধ্যে সহজ, পেরেশান, খারাপ ও ভাল সবরকমের সমাহার ঘটেছে।” [তিরমিযী ২৯৫৫; আবুদাউদ ৪৬৯৩; মুসনাদে আহমাদ ৪/৪০০; মুস্তাদরাকে হাকিম ২/২৬১, ২৬২]
[২] অর্থাৎ মহান আল্লাহ্ তা'আলা যখন আদম ‘আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করার প্রাক্কালে এ সম্পর্কে ফেরেশতাদের পরীক্ষা নেয়ার জন্য তার এ ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এতে ইংগিত ছিল যে, তারা যেন এ ব্যাপারে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করেন। কাজেই ফেরেশতাগণ অভিমত প্রকাশ করলেন যে, মানব জাতির মাঝে এমনও অনেক লোক হবে, যারা শুধু বিশৃংখলা সৃষ্টি করবে ও রক্তপাত ঘটাবে। সুতরাং এদের উপর খেলাফত ও শৃংখলা বিধানের দায়িত্ব অর্পণের কারণ তাদের পুরোপুরি বোধগম্য নয়। এ দায়িত্ব পালনের জন্য ফেরেশতাগণই যোগ্যতম বলে মনে হয়। কেননা, পুণ্য ও সততা তাদের প্রকৃতিগত গুণ। তারা সদা অনুগত। এ জগতের শাসনকার্য পরিচালনা ও শৃংখলা বিধানের কাজও হয়তো তারাই সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবেন। তাদের এ ধারণা যে ভুল, তা আল্লাহ্ শাসকোচিত ভংগীতে বর্ণনা করে বলেন যে, বিশ্ব খেলাফতের প্রকৃতি ও আনুষাঙ্গিক প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে তোমরা মোটেও ওয়াকিফহাল নও। তা শুধু আমি পূর্ণভাবে পরিজ্ঞাত। অতঃপর অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে ফেরেশতাদের উপর আদম ‘আলাইহিস সালামের শ্রেষ্ঠত্ব ও জ্ঞানের ক্ষেত্রে তার অনুপম মর্যাদার বর্ণনা দিয়ে দ্বিতীয় উত্তরটি দেয়া হয়েছে যে, বিশ্ব-খেলাফতের জন্য ভূ-পৃষ্ঠের অন্তর্গত সৃষ্ট বস্তুসমূহের নাম, গুণাগুণ, বিস্তারিত অবস্থা ও যাবতীয় লক্ষণাদি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকা আবশ্যক।
[৩] আয়াতে বর্ণিত 'খলীফা’ শব্দের অর্থ নির্ণয়ে বিভিন্ন মত এসেছে। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেন, এর অর্থ স্থলাভিষিক্ত হওয়া। অর্থাৎ আল্লাহ্ তা'আলা ফেরেশতাদের সম্বোধন করে বলছেন যে, আমি তোমাদের ছাড়া এমন কিছু সৃষ্টি করতে যাচ্ছি যারা যুগ যুগ ধরে বংশানুক্রমে একে অপরের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। ইবন জারীর বলেন, আয়াতের ব্যাখ্যা হচ্ছে, আমি যমীনে আমার পক্ষ থেকে প্রতিনিধি নিয়োগ করতে চাই, যে আমার সৃষ্টিকুলের মধ্যে ইনসাফের সাথে আমার নির্দেশ বাস্তবায়ন করবে। আর এ প্রতিনিধি হচ্ছে আদম এবং যারা আল্লাহ্র আনুগত্য ও আল্লাহ্র বান্দাদের মধ্যে ইনসাফের সাথে তার বিধান প্রতিষ্ঠায় আল্লাহ্র স্থলাভিষিক্ত হবে।
[৪] এখানে প্রশ্ন জাগে যে, ফেরেশতারা কিভাবে জানতে পারল যে, যমীনে বিপর্যয় হবে? এর উত্তর বিভিন্নভাবে এসেছে। কোনো কোনো মুফাসসিরের মতে, এ যমীনে পূর্বে জ্বিনরা বাস করত। তারা যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করেছিল। ফলে আল্লাহ্ তাদেরকে ধ্বংস করে দেন। [দেখুন, অনুরূপ বর্ণনা মুস্তাদরাকে হাকিম ২/২৮৭]
ফেরেশতারা তাদের উপর কিয়াস করে একথা বলেছিলেন। আবার কারও কারও মতে, তারা মাটি থেকে আদমের সৃষ্টি দেখে বুঝতে পেরেছিল যে, তাদের মধ্যে বিপর্যয় হবে।
[পরের অংশ] | 157 |
| 3 | একদিন হাসান বসরী মক্কার বাজারে কাপড় কিনতে গেলেন। একটি দোকানের সামনে দাঁড়াতেই দোকানদার কাপড়ের এমন প্রশংসা শুরু করল, যেন এর চেয়ে উত্তম কাপড় আর নেই। সঙ্গে কসম—আল্লাহর কসম! এর চেয়ে ভালো কাপড় আপনি পাবেন না।
হাসান বসরী রহ. সব শুনলেন, কিন্তু মনে মনে বললেন, ‘যে ব্যবসায়ী বিক্রির জন্য আল্লাহর নামে কসম করে, তার কাছ থেকে কেনা উচিত নয়।’
অতঃপর তিনি সেখান থেকে সরে গিয়ে অন্য দোকান থেকে কাপড় কিনলেন।
দুই বছর পর আবার হজের সফরে এসে কাকতালীয়ভাবে সেই দোকানের সামনে দাঁড়ালেন। কিন্তু এবার দৃশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। না অতিরিক্ত প্রশংসা, না কোনো কসম—শান্ত, স্বাভাবিক ব্যবসা।
তিনি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সেই লোক নও, যার কাছ থেকে আমি একদিন ফিরে গিয়েছিলাম?
লোকটি মাথা নিচু করে বলল, জি, আমিই।
—তোমার এই পরিবর্তনের কারণ কী?
লোকটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, আমার এক স্ত্রী ছিল। আমি অল্প উপার্জন নিয়ে গেলে সে বলত, ‘এতেই কী হবে?’ আর বেশি নিয়ে গেলেও বলত, ‘এ তো খুব কম!’ তার অবিরাম অসন্তোষ আমাকে বাধ্য করত বাড়তি প্রশংসা করতে, কসম খেতে, যেভাবেই হোক বেশি বিক্রি করতে।
অতঃপর আল্লাহ তাকে নিয়ে গেলেন। পরে আমি আবার বিয়ে করলাম। এখন যখন বাজারে বের হই, আমার স্ত্রী আমার জামা ধরে বলে—
‘আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের জন্য শুধু হালাল রিযিক নিয়ে আসুন। অল্প আনলেও আমরা তাতেই বরকত খুঁজব। আর কিছু না আনতে পারলে, আমরাও নিজের হাতে কাজ করে আপনাকে সহযোগিতা করব।’
তার এই কথাগুলোই আমাকে বদলে দিয়েছে।
(আবু বকর আদ-দীনাওয়ারী, আল-মুজালাসা ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম, ২৫২)
একটি ঘরের ভেতরে উচ্চারিত ‘আল্লাহকে ভয় করুন’—এই একটি বাক্য একজন মানুষের জীবনের গতিপথ বদলে দিতে পারে।
এ থেকেই বোঝা যায়, একজন নেক স্ত্রী স্বামীর ঈমান, আমল ও হালাল জীবনের সহায়ক হতে পারেন। আবার অবিরাম অসন্তোষ, তুলনা ও চাপ একজন মানুষকে দুর্বলতার দিকেও ঠেলে দিতে পারে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে নেক জীবনসঙ্গী এবং শান্তিময়, বরকতময় সংসার দান করুন। আমীন।
- খুতুবাত | 508 |
| 4 | গণহত্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত—এমনটাই মনে করছেন জেনোসাইড ওয়াচ-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. গ্রেগরি স্ট্যান্টন।
কেন তিনি এমনটা মনে করছেন? কীভাবে ভারতের মুসলিমরা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বিলুপ্তির দিকে?
- The Missing Pitch
@HopeStudy24hours | 627 |
| 5 | দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে... | 787 |
| 6 | দুটোই আজকের সংবাদ শিরোনাম। কী চমৎকার কোলাবোরেশান! দূরের শকুন, কাছের শকুন, ঘরের শকুন সব এক হচ্ছে ঠুকরে ঠুকরে গিলতে। এদিকে আমরা আছি হাজারো পথে বিচ্ছিন্ন।
বাংলাদেশে তুরস্ক আসল অস্ত্র-ড্রোন বিক্রি করতে। রাশিয়ার প্রজেক্ট তো আছেই। চীনের সাথে সরকারের সম্পর্ক বেশ। সকাল-বিকাল যাচ্ছে-আসছে। সব মিলিয়ে পাশের দেশ অনেকটা অস্বস্তিতে আছে। সেই অস্বস্তি থেকেই হয়ত চলছে নানাবিধ ষড়যন্ত্র। এদিকে পাশের দেশের ক্ষমতাধররা কৌশলে বলেই দিচ্ছে যে, বাংলাদেশকে তারা আলাদা কোনো রাষ্ট্র হিসেবে দেখেন না। আহ, হনুমানের কী দরদ!
আমরা দিনদিন চূড়ান্ত কনফ্লিক্টের দিকে যাচ্ছি।
প্রস্তুতি কই?- কপিড
@SocietyUncensored | 821 |
| 7 | অত্যাধিক পরিমাণে দুরুদের আমলের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, সাথে সূরা কাহাফ... | 949 |
| 8 | বান্দার নিরাপত্তার জন্য কুরআনের চারটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী বাক্য আছে—যেগুলো চার ধরনের বিপদ থেকে আল্লাহর হেফাজত নিশ্চিত করে—
• কুদৃষ্টি থেকে বাঁচায়—
مَا شَاءَ اللَّهُ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
[আল্লাহ যা চান তাই হয়; আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।]
• শয়তানের চক্রান্ত ধ্বংস করে—
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
[আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আর তিনিই সর্বোত্তম কর্মবিধায়ক।]
• শত্রুর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে—
وَأُفَوِّضُ أَمْرِي إِلَى اللَّهِ
[আমি আমার সব বিষয় আল্লাহর হাতে সোপর্দ করলাম।]
• মনভার ও দুশ্চিন্তা দূর করে—
لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
[আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; আপনি পবিত্র—নিশ্চয়ই আমি নিজের ওপর জুলুম করেছি।]
এই চারটি বাক্য যেন চারটি নিরাপত্তা-বলয়। যে এগুলো আঁকড়ে ধরে, আল্লাহ তাকে একা ছেড়ে দেন না। [তাফসিরে কুরতুবি ১০/৪০৭]
আল্লাহ আমাদের জিহ্বা ও হৃদয়কে এই যিকিরগুলোর সাথে জুড়ে দিন—আমীন।
- খুতুবাত
@Dua24hours | 1 066 |
| 9 | শায়খ আহমাদুল্লাহ সাহেব কেন ফুটবল খেলার উন্মাদনা নিয়ে মন্তব্য করলেন সেজন্য অনেকেই দেখি বেশ খেপেছে তাঁর উপর। বলছে, 'সবাইকে সব বিষয়ে মন্তব্য করতে হয় না। এতে সম্মান কমে যায়।' মানে, যতক্ষণ তিনি মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবেন ততক্ষণ তিনি ভাল হুজুর। যখনই তাদের নফসের খাহেশাতের বিরুদ্ধে যায় এমন কোন কথা বলেন তখন আর তিনি ভাল হুজুর না। তিনি সম্মানের উপযুক্ত না। এই হলো এদের ভাল-মন্দের মাপকাঠি। তারা চায় তিনি স্রোতের বিপরীত কিছু না বলুন। অথচ এটা আলেমের শান না। আর সম্মানের কথা যদি বলেন, তবে সেটা তো আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। এসব কথা শুনলে একটা আয়াতই মাথায় আসে,
وَلَا یَحۡزُنكَ قَوۡلُهُمۡۘ إِنَّ ٱلۡعِزَّةَ لِلَّهِ جَمِیعًاۚ هُوَ ٱلسَّمِیعُ ٱلۡعَلِیمُ
"আর তাদের কথা যেন আপনাকে দুঃখ না দেয়। নিশ্চয়ই সকল মর্যাদা আল্লাহর। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।"- Abdullah Al Masud | 875 |
| 10 | আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৩৩
Surah Baqarah ২:২৯
هُوَ ٱلَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي ٱلۡأَرۡضِ جَمِيعٗا ثُمَّ ٱسۡتَوَىٰٓ إِلَى ٱلسَّمَآءِ فَسَوَّىٰهُنَّ سَبۡعَ سَمَٰوَٰتٖۚ وَهُوَ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمٞ
অর্থ : তিনিই যমীনে যা আছে সব তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তারপর [১] তিনি আসমানের প্রতি মনোনিবেশ [২] করে সেটাকে সাত আসমানে বিন্যস্ত করেছেন; আর তিনি সবকিছু সম্পর্কে সবিশেষ অবগত।
[১] এখানে যমীন সৃষ্টির পরে আসমান সৃষ্টি করা হয়েছে বলে বর্ণিত হয়েছে। অথচ সূরা আন-নাযিআতের ৩০ নং আয়াত বাহ্যতঃ এর বিপরীত মনে হয়। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনের সূরা ফুসসিলাতের ১০ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এখানে শুধু এটা জানাই যথেষ্ট যে, সহীহ সনদে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন, ‘আল্লাহ্ তা'আলা যমীনকে আসমানের আগেই সৃষ্টি করেছিলেন এবং তার মধ্যে খাবার জাতীয় সবকিছুর ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু সেটাকে আসমান সৃষ্টির পূর্বে প্রসারিত ও সামঞ্জস্য বিধান করেন নি। তারপর তিনি আকাশের প্রতি মনোযোগী হয়ে সেটাকে সাত আসমানে বিন্যস্ত করেন। তারপর তিনি যমীনকে সুন্দরভাবে প্রসারিত ও বিস্তৃত করেছেন। এটাই এ আয়াত এবং সূরা আন-নাযিআতের ৩০ নং আয়াতের মধ্যে বাহ্যতঃ উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর। [আত-তাফসীরুস সহীহ] মুজাহিদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আল্লাহ্ তা'আলা আসমান সৃষ্টি করার আগেই যমীন সৃষ্টি করেন। যমীন সৃষ্টির পর তা থেকে এক ধোঁয়া বা বাষ্প উপরের দিকে উঠতে থাকে। আর সেটাই আল্লাহ্র বাণী, “তারপর তিনি আসমান সৃষ্টির দিকে মনোনিবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে, সেটা ছিল ধুম্রাকার।" [সূরা ফুসসিলাত: ১১] [ইবন কাসীর]
[২] পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে (اسْتَوٰى) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, স্থান বিশেষে বিভিন্ন প্রকার অর্থে। সংক্ষিপ্তভাবে বলা যায় তা তিনভাবে ব্যবহৃত হয়েছে:
১) (اسْتَوٰى) শব্দটি যেখানে পূর্ণ ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে অর্থাৎ তার পরে (عَلٰى) বা (اِلٰى) কিছুই না আসে তখন তার অর্থ হবে, সম্পূর্ণ হওয়া বা পূর্ণতা লাভ করা। যেমন আল্লাহ্ তা'আলা মূসা ‘আলাইহিস সালাম সম্পর্কে বলেন,
(وَلَمَّا بَلَغَ اَشُدَّهٗ وَاسْتَوٰى)
অর্থাৎ আর যখন মূসা যৌবনে পদার্পণ করলেন এবং পূর্ণতা লাভ করলেন। [সূরা আল-কাসাস: ১৪]
২) (اسْتَوٰى) শব্দটির সাথে যদি (عَلٰى) আসে তখন তার অর্থ হবে - উপরে উঠা, আরোহণ করা। যেমন আল্লাহ্ তা'আলা তার নিজের সম্পর্কে বলেন,
(ثُمَّ اسْتَوٰى عَلَى الْعَرْشِ)
অর্থাৎ তারপর তিনি আরশের উপর উঠলেন। অনুরূপভাবে সূরা (طه) তে এসেছে
(اَلرَّحْمٰنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوٰى)
অর্থাৎ দয়াময় (রহমান) ‘আরশের উপর উঠলেন।
(اسْتَوٰى) শব্দটির সাথে যদি (إلٰى) আসে তখন তার অর্থ হবে – ইচ্ছা করা, সংকল্প করা, মনোনিবেশ করা। আর সে অর্থই এ আয়াতে ব্যবহৃত (ثُمَّ اسْتَوٰى اِلَى السَّمَآءِ)–এর অর্থ করা হবে- আকাশ সৃষ্টির ইচ্ছা করলেন। তবে মুজাহিদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এখানেও উপরে উঠার অর্থ হবে।
শেষোক্ত দু'অবস্থায় (اسْتَوٰى) শব্দটি যখন আল্লাহ্ তা'আলার সাথে সম্পৃক্ত হবে তখন তা তাঁর একটি সিফাত বা গুণ হিসেবে গণ্য হবে। আর আল্লাহ্র জন্য সে সিফাত বা গুণ কোনো প্রকার অপব্যাখ্যা, পরিবর্তন, সদৃশ নির্ধারণ ছাড়াই সাব্যস্ত করা ওয়াজিব।
-Tafsir Abu Bakr Zakaria
সকল পর্ব : @ayatannur | 1 023 |
| 11 | মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার আল্লাহর রাসুল (সা.) তার হাত ধরে বলেন, ‘হে মুআজ, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি। তিনি বলেন, হে মুআজ, আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক নামাজের পর এ দোয়া কখনো পরিহার করবে না।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৫২২)
আরবি :
اللَّهُمَّ أعِنَّا عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ইন্নি আলা জিকরিকা, ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।
অর্থ : হে আল্লাহ, আপনার জিকির করতে, আপনার শোকরিয়া আদায় করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন। | 905 |
| 12 | ইসলামি সাম্রাজ্যের অন্যতম সর্ববৃহৎ ও ঐতিহাসিক দু'টি অভিযান লঞ্চ করা হয়েছিল মেয়েদের সম্মান রক্ষার্থে।
দোর্দণ্ডপ্রতাপ ঊমাইয়া খিলাফতের নর্দার্ন আফ্রিকা মহাদেশীয় আর্মির কমাণ্ডার, ফিল্ড মার্শাল মুসা বিন নুসাইরের স্পেন অভিযান। যার ফলে আজকের স্পেন ৮০০ বছরের জন্য মুসলিম খিলাফতের অধীনে চলে আসে।
আরেকটি হলো ঊমাইয়া খিলাফতের অত্যাচারী বলে পরিচিতি পাওয়া গভর্নর হাজ্জাজ বিন ইঊসুফ কর্তৃক ফিল্ড মার্শাল মুহাম্মাদ বিন কাসিমকে দিয়ে ভারতের দিকে পরিচালনা করা অভিযান। যার ফলে আমাদের উপমহাদেশে ইসলামের আগমন হয়।
একটি অভিযানের পেছনে অন্যতম কারণ ছিলেন কাঊন্টেস ফ্লোরিণ্ডা। যাকে স্পেনের রাজপ্রাসাদে সম্রাট ধর্ষণের শিকারে পরিণত করেছিল। যার ফলে তাঁর পিতা আফ্রিকার ঈগলের সন্ধানে মুসা বিন নুসাইরের কাছে ছুটে গিয়েছিলেন।
আরেকটি অভিযানের পেছনে স্রেফ একজন মুসলিম নারীর আর্তনাদ ছিল। যার উত্তর দিয়েছিলেন হাজ্জাজ বিন ইঊসুফ "আমি হাজির আছি!" বলে।
আরেকটি অভিযান, আব্বাসি সাম্রাজ্যের খলিফা মু'তাসিম আরম্ভ করেছিলেন ঠিক অনুরূপভাবে। তবে, এবারের অভিযান ছিল সম্পূর্ণ প্রতিশোধমূলক। নিজেদের অভিযানে দখলকৃত শহরে মুসলিম নারীদের ধর্ষণ করেছিল রোমান সেনাবাহিনী। সুতরাং, খলিফা সংবাদ পাওয়ার পর স্বয়ং নিজ বাহিনীর সাথে বেরিয়ে রোম সাম্রাজ্যের শহর আমূরিয়ার ওপর ঝাপিয়ে পড়েন। খলিফার উপস্থিতিতে তাঁর আদেশে রোমান সাম্রাজ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটির মাঝে অন্যতম বলে বিবেচিত হওয়া আমূরিয়ার পতন নিশ্চিত করা হয়। যেখানে তারপর টানা ০৫ দিন যাবত শহর লুট করে মুসলিম সেনাবাহিনী। শহরের মাঝে ফেলে ৭০,০০০ রোমান সৈনিককে হত্যা করা হয়। শহরের বেঁচে যাওয়া অবশিষ্ট বাসিন্দাদের ক্রীতদাস হিসাবে উঠিয়ে নিয়ে যায় খিলাফতের বাহিনী। প্রতিশোধের চূড়ান্ত নিদর্শন স্থাপন করতে শহর ছেড়ে যাওয়ার পূর্বে খলিফার আদেশে মুসলিম সেনারা সমগ্র শহরে আগুন ধরিয়ে শহরের স্রেফ দেওয়াল ব্যতিত সমস্ত কিছু মাটিতে মিশিয়ে দেয়।
শহর হতে বেরিয়ে যাওয়ার পর ফিরে আসার পথে ক্রীতদাসদের মাঝে ৬,০০০ বিশিষ্ট জনকে আলাদা করে বিদ্রোহ ও পলায়নের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে হত্যা করে ফেলা হয়। মুসলিম বাহিনীর তুলনাহীন হিংস্রতায় আতংকিত সম্রাট থিওফিলোস এরপর পূর্বেকার কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে লেখা চিঠি ও উপহার সমেত দূত খলিফার নিকট প্রেরণ করে। খলিফা সেগুলো প্রত্যাখ্যান করলে তারপর সম্রাটের দূত আরেকটি হুমকিমূলক চিঠি খলিফাকে হস্তান্তর করে। রাগান্বিত খলিফার আদেশে তখন ৪২ জন বিশিষ্ট বন্দি, যাদের অনেকের মুক্তির আবেদন নিয়ে দূতের আগমন হয়েছিল, ওদের সকলকে হত্যা করে দেওয়া হয়।
মুসলিমদের পূর্বসূরীরা নারীদের সম্মানকে এমনভাবে দেখতেন। - Revan M
@HopeStudy24hours | 939 |
| 13 | আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৩২
Surah Baqarah ২:২৮
كَيۡفَ تَكۡفُرُونَ بِٱللَّهِ وَكُنتُمۡ أَمۡوَٰتٗا فَأَحۡيَٰكُمۡۖ ثُمَّ يُمِيتُكُمۡ ثُمَّ يُحۡيِيكُمۡ ثُمَّ إِلَيۡهِ تُرۡجَعُونَ
অর্থ : তোমরা কিভাবে আল্লাহ্র সাথে কুফরি করছ ? অথচ তোমরা ছিলে প্রাণহীন, অতঃপর তিনি তোমাদেরকে জীবিত করেছেন। তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন ও পুনরায় জীবিত করবেন, তারপর তারই দিকে তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
-Tafsir Abu Bakr Zakaria
সকল পর্ব : @ayatannur | 826 |
| 14 | কারও দুনিয়ার জীবন ৫০ বছর, কারও ৬০ বছর, কারও ৮০ বছর। এর আগে আমরা ছিলাম মায়ের পেটে প্রায় ১০ মাস।
এখন ভাবুন—এই ১০ মাসের জীবনকে ৫০-৮০ বছরের জীবনের সাথে তুলনা করলে কত ছোট মনে হয়! আমরা সবাই বলব—ওটা আবার কোনো জীবন হলো নাকি!
এবার আরেক ধাপ সামনে যাই। ৮০ বছর দুনিয়া কাটিয়ে আমরা কবরে চলে যাব। আদম আ.-এর সময় থেকে আজ পর্যন্ত কত মানুষ কবরে শুয়ে আছে! আর কে জানে আরো কতদিন শুয়ে থাকবে! এখন দুনিয়ার ৫০-৮০ বছরের জীবনকে কবরের এই দীর্ঘ জীবনের সাথে তুলনা করুন—দুনিয়ার জীবন কত তুচ্ছ মনে হবে!
কিন্তু কবরের জীবনও চিরস্থায়ী না। কবরের জীবন যতই দীর্ঘ হোক, এটাও শেষ হয়ে যাবে। তারপর আসবে হাশরের দিন। হাশরের একদিন হবে ৫০ হাজার বছরের সমান! এখন কবরের জীবনকে এই ৫০ হাজার বছরের সাথে তুলনা করলে—কবরের জীবনও একেবারে তুচ্ছ মনে হবে!
তারপর শুরু হবে আসল জীবন। এই ৫০ হাজার বছরের দিন শেষ হলে শুরু হবে আসল জীবন। যে জীবন কখনো শেষ হবে না, কোনো সীমা নেই, কোনো শেষ নেই। তুমি ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে যাবে, কিন্তু সেই জীবন শেষ হবে না!
এজন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন
وَاللَّهِ مَا الدُّنْيَا فِي الآخِرَةِ إِلاَّ مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ بِمَ يَرْجِعُ
আল্লাহর কসম! দুনিয়া আখেরাতের তুলনায় অতটুকুই, যেমন তোমাদের কেউ তার এ আঙ্গুলটি সমুদ্রে পানিতে ভিজিয়ে দেখল যে, কতটুকু পরিমাণ এতে পানি লেগেছে। [সহীহ মুসলিম : ২৮৫৮]
-খুতুবাত | 957 |
| 15 | আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৩১
Surah Baqarah ২:২৭
ٱلَّذِينَ يَنقُضُونَ عَهۡدَ ٱللَّهِ مِنۢ بَعۡدِ مِيثَٰقِهِۦ وَيَقۡطَعُونَ مَآ أَمَرَ ٱللَّهُ بِهِۦٓ أَن يُوصَلَ وَيُفۡسِدُونَ فِي ٱلۡأَرۡضِۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡخَٰسِرُونَ
অর্থ : যারা আল্লাহ্র সাথে দৃঢ় অঙ্গীকারে আবদ্ধ হওয়ার পর ভঙ্গ করে, আর যে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখতে আল্লাহ্ আদেশ করেছেন তা ছিন্ন করে এবং যমীনের উপর ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায় [১], তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।
[১] আবুল আলীয়া বলেন, এটি মুনাফিকদের ছয়টি স্বভাবের অন্তর্গত। তারা কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে খেলাফ করে, আমানত রাখলে খিয়ানত করে, সাথে সাথে আয়াতে বর্ণিত তিনটি কাজ, অর্থাৎ আল্লাহ্র সাথে দৃঢ় অঙ্গীকারে আবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গ করে, আর আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং যমীনের উপর ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়। [আত-তাফসীরুস সহীহ]
-Tafsir Abu Bakr Zakaria
-Tafsir Abu Bakr Zakaria
সব গুলো পর্ব সিরিয়ালে @ayatannur এ পাবেন। | 984 |
| 16 | যশ-খ্যাতির মোহ এক ভয়ংকর ব্যাধি। যা মানুষের ভেতরকে অন্তঃসারশূন্য করে দেয়। তখন তার ইবাদতে মন বসে না। ভালো কাজগুলো হয়ে যায় একদম প্রাণশূন্য। কাব ইবনে মালিক আল-আনসারি (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, দুটি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে ছাগলের পালে ছেড়ে দেওয়া হলে পরে তা যতটুকু না ক্ষতিসাধন করে, কারো সম্পদ ও প্রতিপত্তির লোভ এর চেয়ে বেশি ক্ষতিসাধন করে তার ধর্মের। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৩৭৬)
মহান আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
[মুসলিম বাংলা - প্রবন্ধ] | 1 203 |
| 17 | যেসব স্বভাব মানুষের ধ্বংসের কারণ
লেখক: মুফতী জাওয়াদ তাহের
মানুষের ভালো-মন্দ নানা রকম স্বভাব আছে। ভালো স্বভাব মানুষকে ভালোর দিকে টেনে নিয়ে যায়। আবার কিছু স্বভাব এমন আছে, যা মানুষকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়। আমার ভেতর যদি এসব মন্দ স্বভাব থাকে তাহলে নিজেকে তা থেকে বিরত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করা।
ধীরে ধীরে একটি স্বভাব থেকে নিজেকে পবিত্র রাখার চেষ্টা করা। আমাদের সবার মাঝেই এসব স্বভাব কমবেশি আছে। তাই নিজের এসব ত্রুটি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা কর্তব্য।
এমন কিছু স্বভাব হলো—
কৃপণতা
কৃপণতা মানুষের এক মন্দ স্বভাব। কোরআন ও হাদিসে কৃপণ মানুষের ব্যাপারে অনেক নিন্দা এসেছে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ প্রদত্ত অনুগ্রহে (সম্পদে) যারা কৃপণতা করে, তারা যেন কিছুতেই মনে না করে, এটা তাদের জন্য ভালো কিছু; বরং এটা তাদের পক্ষে অতি মন্দ। যে সম্পদের ভেতর তারা কৃপণতা করে, কিয়ামতের দিন তাকে তাদের গলায় বেড়ি বানিয়ে দেওয়া হবে। আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর মিরাস কেবল আল্লাহরই জন্য। তোমরা যা কিছুই করো আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবগত।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৮০)
অহংকার
আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত ইত্যাদি নিয়ে অহংকার করা। অন্যকে ও দুর্বল মনে করা, সত্যকে অস্বীকার করা এবং মানুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা—এগুলো সব অহংকারের বহিঃপ্রকাশ। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, মানুষ চায় যে তার পোশাক সুন্দর হোক, তার জুতা সুন্দর হোক, এটাও কি অহংকার? রাসুল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ সুন্দর, তিনি সুন্দর ভালোবাসেন।
প্রকৃতপক্ষে অহংকার হচ্ছে দম্ভভরে সত্য ও ন্যায় অস্বীকার করা এবং মানুষকে ঘৃণা করা।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬৬)
আত্মপ্রবঞ্চনা ও আত্মতৃপ্তি
আত্মতৃপ্তি মানুষের অধঃপতন ডেকে আনে। যে ব্যক্তি নিজেকে সর্বেসর্বা মনে করে, তার কোনো ভুল হয় না—এমনটা বিশ্বাস করে, সে ক্ষতির মধ্যে আছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বস্তুত আল্লাহ বহু ক্ষেত্রে তোমাদের সাহায্য করেছেন এবং (বিশেষ করে) হুনায়নের দিন, যখন তোমাদের সংখ্যাধিক্য তোমাদের আত্মপ্রসাদে লিপ্ত করেছিল। কিন্তু সে সংখ্যাধিক্য তোমাদের কোনো কাজে আসেনি এবং জমিন তার প্রশস্ততা সত্ত্বেও তোমাদের জন্য সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। অতঃপর তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে (যুদ্ধক্ষেত্র থেকে) পলায়ন করেছিলে।’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ২৫)
লৌকিকতা
লোক দেখানো ইবাদত এটি অত্যন্ত ঘৃণিত। আরবিতে এটিকে রিয়া বলে। শয়তান মানুষের ভেতরে, ছলে বলে কৌশলে এই লৌকিকতা ঢুকিয়ে দেয়। আল্লাহ তাআলা লৌকিকতার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাজির জন্য, যারা তাদের নামাজ সম্পর্কে উদাসীন। যারা লোক দেখানোর জন্য তা করে। এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অন্যকে দেয় না। (সুরা : মাউন, আয়াত : ৪-৮)
হিংসা
আত্মিক এক ধ্বংসাত্মক ব্যাধির নাম হিংসা। হিংসা মানুষকে তিলে তিলে ক্ষয় করে দেয় শেষ করে দেয়। যারা হিংসুক, তারা ইহকাল ও পরকাল উভয় জগতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, নবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা ধারণা করা থেকে বিরত থাকো। ধারণা বড় মিথ্যা ব্যাপার। তোমরা দোষ তালাশ করো না, গোয়েন্দাগিরি করো না, পরস্পর হিংসা পোষণ করো না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষণ করো না এবং পরস্পর বিরোধে লিপ্ত হয়ো না; বরং তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬০৬৪)
অনিয়ন্ত্রিত রাগ
রাগ মানুষের স্বভাবগত একটি বিষয়। তবে অতিরিক্ত রাগ ক্ষতিকর। অনেক মানুষ আছে সামান্য কিছুতেই প্রচণ্ড রেগে যায়। এই রাগ তার শরীর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। রাগের মাধ্যমে অপ্রত্যাশিত অনেক কিছু ঘটে যায়। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, নবী (সা.)-এর কাছে একজন লোক এসে বলল, আমাকে কিছু শিখিয়ে দিন, তবে আমাকে বেশি বলবেন না, যাতে আমি তা মুখস্থ করতে পারি।
তিনি বললেন, ক্রোধ প্রকাশ করো না, উত্তেজিত হইয়ো না। লোকটি তার কথার পুনরাবৃত্তি করলে প্রতিবারই তিনি বললেন, ক্রোধ প্রকাশ করো না, উত্তেজিত হয়ো না। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২০২০)
প্রাচুর্যের মোহ
ধনসম্পদ আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামত। তবে ধন-সম্পদের প্রতি অতিরিক্ত লোভ-লালসা কল্যাণকর নয়। এই সম্পদের লোভ অনেক সময় তাকে পাপের পথে নিয়ে যেতে বাধ্য করে। মানুষ সম্পদের লোভে পড়ে নীতি-নৈতিকতা হারিয়ে ফেলে। অর্থের প্রতি অতিরিক্ত লালসা মানুষকে পশুর স্তরে নামিয়ে আনে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের জন্য দরিদ্রতার আশঙ্কা করি না; বরং আমি আশঙ্কা করি যে তোমাদের কাছে দুনিয়ার প্রাচুর্য আসবে যেমন তোমাদের আগের লোকদের কাছে এসেছিল, তখন তোমরা সেটা পাওয়ার জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতা করবে যেমন তারা করেছিল। আর তা তাদের যেভাবে ধ্বংস করেছিল তোমাদেরও ধ্বংস করে দেবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪০১৫)
যশ-খ্যাতি | 1 281 |
| 18 | ভারতের দিকে নজর দিন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনলাইন অন্তত লেখালেখি চালু রাখুন... | 1 077 |
| 19 | আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:৩০
Surah Baqarah ২:২৬
۞ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَسۡتَحۡيِۦٓ أَن يَضۡرِبَ مَثَلٗا مَّا بَعُوضَةٗ فَمَا فَوۡقَهَاۚ فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ فَيَعۡلَمُونَ أَنَّهُ ٱلۡحَقُّ مِن رَّبِّهِمۡۖ وَأَمَّا ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ فَيَقُولُونَ مَاذَآ أَرَادَ ٱللَّهُ بِهَٰذَا مَثَلٗاۘ يُضِلُّ بِهِۦ كَثِيرٗا وَيَهۡدِي بِهِۦ كَثِيرٗاۚ وَمَا يُضِلُّ بِهِۦٓ إِلَّا ٱلۡفَٰسِقِينَ
অর্থ : নিশ্চয় আল্লাহ্ মশা কিংবা তার চেয়েও ক্ষুদ্র কোনো বস্তুর উপমা দিতে সংকোচ বোধ করেন না [১]। অতঃপর যারা ঈমান এনেছে তারা জানে যে , নিশ্চয়ই এটা [২] তাদের রবের পক্ষ হতে সত্য। কিন্তু যারা কুফরী করেছে তারা বলে যে, আল্লাহ্ কী উদ্দেশে এ উপমা পেশ করছেন? এর দ্বারা অনেককেই তিনি বিভ্রান্ত করেন, আবার বহু লোককে হিদায়াত করেন। আর তিনি ফাসিকদের ছাড়া আর কাউকে এর দ্বারা বিভ্রান্ত করেন না [৩]।
[১] কাতাদাহ বলেন, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর কিতাবে মাকড়সা ও মাছি উদাহরণ পেশ করার পর মুশরিকরা বলাবলি শুরু করল যে, মাকড়সা ও মাছি কি উল্লেখযোগ্য কিছু? তখন আল্লাহ্ তা'আলা উক্ত আয়াত নাযিল করেন। [আত-তাফসীরুস সহীহ] আবুল আলীয়া বলেন, মশার উদাহরণ দেয়ার মধ্যে যৌক্তিকতা হচ্ছে, এ সকল কাফির মুশরিক ও মুনাফিকদের যখন আয়ু শেষ হয়ে যায় এবং সময় নিঃশেষ হয়ে যায় তখন তারা মশার মত প্রাণীতে পরিণত হয়। কারণ, মশা পেট ভরলে মরে যায়, আর যতক্ষণ ক্ষুধা থাকে বেঁচে থাকে। অনুরূপভাবে এ সমস্ত কাফের-মুশরিক ও মুনাফিকরা যাদের জন্য উদাহরণ পেশ করা হয়েছে তারাও দুনিয়ার জীবিকা শেষ করার পর আল্লাহ্ শক্ত হাতে তাদের পাকড়াও করবেন এবং তাদের ধ্বংস করবেন। [আত-তাফসীরুস সহীহ]
[২] অর্থাৎ ঈমানদারগণ নিশ্চিত জানে যে, এ উপমা প্রদান করা হক্ব বা যথাযথ। অথবা এর অর্থ, তারা জানে যে, এটা আল্লাহ্র বাণী এবং আল্লাহ্র পক্ষ থেকে হক হিসেবে তাদের কাছে এসেছে। [তাবারী]
[৩] অর্থাৎ তারা ফাসেক বা অবাধ্য হওয়াতেই তাদের শাস্তিস্বরূপ আল্লাহ্ তাদেরকে বিভ্রান্ত করেছেন। কেউ খারাপ পথে চলতে চাইলে আল্লাহ্ তাকে সে পথে চলতে দেন।
-Tafsir Abu Bakr Zakaria
সব গুলো পর্ব সিরিয়ালে @ayatannur এ পাবেন। | 1 462 |
| 20 | দুআ... | 1 622 |
现已上线!2025 年 Telegram 研究 — 年度关键洞察 
