en
Feedback
iTahmid

iTahmid

Open in Telegram

Tech, History, Geopolitics

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel iTahmid

Channel iTahmid (@itahmidtg) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 499 subscribers, ranking 4 507 in the Politics category and 2 022 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 499 subscribers.

According to the latest data from 19 July, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -77 over the last 30 days and by -3 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 11.98%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 5.49% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 1 378 views. Within the first day, a publication typically gains 631 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 39.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
Tech, History, Geopolitics

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 20 July, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Politics category.

11 499
Subscribers
-324 hours
-197 days
-7730 days

Data loading in progress...

Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
July '26
July '26
+27
in 0 channels
June '26
+170
in 0 channels
Get PRO
May '26
+31
in 1 channels
Get PRO
April '26
+15
in 1 channels
Get PRO
March '26
+364
in 1 channels
Get PRO
February '26
+24
in 0 channels
Get PRO
January '26
+27
in 3 channels
Get PRO
December '25
+6
in 0 channels
Get PRO
November '25
+9
in 0 channels
Get PRO
October '25
+112
in 1 channels
Get PRO
September '25
+30
in 0 channels
Get PRO
August '25
+8
in 0 channels
Get PRO
July '25
+19
in 0 channels
Get PRO
June '25
+1 298
in 0 channels
Get PRO
May '25
+1 225
in 2 channels
Get PRO
April '25
+136
in 4 channels
Get PRO
March '25
+578
in 1 channels
Get PRO
February '25
+98
in 0 channels
Get PRO
January '25
+80
in 2 channels
Get PRO
December '24
+298
in 2 channels
Get PRO
November '24
+195
in 3 channels
Get PRO
October '24
+327
in 5 channels
Get PRO
September '24
+295
in 2 channels
Get PRO
August '24
+718
in 12 channels
Get PRO
July '24
+711
in 7 channels
Get PRO
June '24
+105
in 1 channels
Get PRO
May '24
+468
in 1 channels
Get PRO
April '24
+390
in 2 channels
Get PRO
March '24
+99
in 0 channels
Get PRO
February '24
+305
in 3 channels
Get PRO
January '24
+263
in 0 channels
Get PRO
December '23
+680
in 4 channels
Get PRO
November '23
+2 066
in 5 channels
Get PRO
October '23
+2 853
in 2 channels
Get PRO
September '23
+1
in 0 channels
Get PRO
August '23
+6
in 0 channels
Get PRO
July '23
+24
in 0 channels
Get PRO
June '23
+45
in 0 channels
Get PRO
May '23
+249
in 0 channels
Get PRO
April '23
+142
in 0 channels
Get PRO
March '23
+60
in 0 channels
Get PRO
February '23
+933
in 0 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
19 July+1
18 July+5
17 July0
16 July+3
15 July+4
14 July+1
13 July0
12 July+4
11 July0
10 July0
09 July0
08 July+3
07 July0
06 July+3
05 July0
04 July0
03 July+2
02 July0
01 July+1
Channel Posts
photo content

2
আমেরিকা এর আগে দুইবার ইরানে সরাসরি অভিযান চালাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরেছে। অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, ইউরেনিয়াম সম্মৃদ্ধ পারমাণবিক সরঞ্জাম ইরানের হাত থেকে উদ্ধার করে নিয়ে চলে আসা। কিন্তু একবার তুর্কী ইন্টেলিজেন্স ইরানকে জানিয়ে দেয় এবং এরদোয়ান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেশার ক্রিয়েট করে অভিযান বন্ধ করতে রাজী করায়। আরেকবার স্পেশাল ফোর্স ব্যর্থ হয়ে ফিরে। কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক সমর বিশ্লেষকরা বলছেন, আমেরিকা হয়তো তৃতীয়বারের মত গ্রাউন্ড ফোর্স পাঠিয়ে অভিযান চালাতে পারে।
797
3
আমেরিকা ইরানে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে।
926
4
আরাকান থেকে পালাতে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে নৌকা ডুবে সাড়ে ৫শ রোহিঙ্গা মারা গেছে। নির্যাতন, নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে পালাচ্ছিল। তাও শেষ রক্ষা হলো না।
942
5
এই সময় রোনাল্ড রিগানের প্রশাসন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে। আর্জেন্টিনা ভেবেছিল, লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় মিত্র আর্জেন্টিনার পক্ষেই আমেরিকা থাকবে। আমেরিকার প্রস্তাব ছিল, প্রথমে আর্জেন্টিনার সেনা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তারপর দ্বীপের জনগণের মতামত নিয়ে, তারা যা চায় সেটাই হবে। এটা মার্গারেট থ্যাচার মেনে নিলেও আর্জেন্টিনা মানতে নারাজ। তারা বলে সেনা প্রত্যাহার হবেনা। আর্জেন্টিনার কর্তৃত্ব স্বীকার করতে হবে, আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে হবে। জাতিসংঘ প্রস্তাব দেয় যুদ্ধ বন্ধ করে, সৈন্য প্রত্যাহার করে, উভয় পক্ষ আলোচনায় বসতে। আর্জেন্টিনার সামরিক শাসক জেনারেল গালতিয়েরির একগুঁয়েমির কারণে সমঝোতা চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার ধারণা ছিল, বৃটেন যুদ্ধ করতে পারবে না। আর আমেরিকা আর্জেন্টিনার পক্ষেই থাকবে। কিন্তু সমঝোতা চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় আমেরিকা সরাসরি বৃটেনে পক্ষে নেয়। যুদ্ধে আর্জেন্টিনা পরাজিত হয়। ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সেনা নিহত হয়। বন্দী হয় ১১ হাজার আর্জেন্টাইন সেনা। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ১৪ জুন ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা আত্মসমর্পণ করে বৃটেনের কাছে। যুদ্ধে ৩ জন ফকল্যান্ডবাসীও মারা যায়। ফকল্যান্ড থেকে ৩৭০ কিলোমিটার বৃটেনের ইকোনমিক জোন ঘোষণা করেন মার্গারেট থ্যাচার। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসকের পতন ঘটে। জনপ্রিয়তার তলানীতে থাকা মার্গারেট থ্যাচার এবং তার দল বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রী হন। পরে ২০১৩ সালে ফকল্যান্ড দ্বীপে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্ন ছিল, তারা বৃটেনের ওভারসীজ টেরিটরি হিসেবে থাকতে চায় কিনা। গণভোটে ৯৯% এর বেশী মানুষ বৃটেনের পক্ষে থাকার জন্য ভোট দেয়। দ্বীপের ৭% মানুষ স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে।
1 029
6
১৬৯০ সালে জন স্ট্রং নামের একজন ইংরেজ নাবিক আটলান্টিক মহাসাগরের দুটি দ্বীপের মাঝখান দিয়ে জাহাজ চালিয়ে যান। স্কটল্যান্ডের অভিজাত পরিবারের সম্ভ্রান্ত পুরুষ অ্যান্থনী ক্যারী পঞ্চম ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ডের নামে। পঞ্চম ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ড বৃটিশ নৌবাহিনীর একজন উচ্চস্তরের পৃষ্ঠপোষক। বৃটিশ নাবিক জন স্ট্রং এই প্রণালীটা দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় নামকরণ করে ফকল্যান্ড সাউন্ড। তার ৭৫ বছর পর ফ্রেঞ্চরা চিন্তা করলো, আটলান্টিকে এই দ্বীপ ফেলে রেখে কী লাভ! আমরা বসতি স্থাপন করি। এই বলে তারা বসতি স্থাপন করলো। বৃটিশরা চিন্তা করলো, দ্বীপগুলা আবিষ্কার করলাম আমরা। নামকরণ করলাম আমরা। আর বসতি স্থাপন করছে ফ্রান্স। তাহলে আমরা বসে আছি কেন? তারপর জনবসতিহীন দুটি পাশাপাশি দ্বীপে ১৭৬৪ এবং ১৭৬৫ সালে বসতি স্থাপন করে বৃটিশ এবং ফ্রেঞ্চরা। দ্বীপ দুটোতে এতদিন নাবিকরা মাঝেমধ্যে জাহাজ নোঙ্গর করে বিশ্রাম নিত। কিন্তু কেউ জনবসতি স্থাপন করেনি। ফ্রেঞ্চদের বসতি স্থাপন করা দ্বীপটির নাম ইস্ট ফকল্যান্ড, বৃটিশদের বসতি স্থাপন করা দ্বীপটার নাম ওয়েস্ট ফকল্যান্ড। ফ্রেঞ্চরা ভাবলো, আমরা যখন বসতি স্থাপন করেই ফেলেছি, তাহলে বৃটিশদের দেয়া নাম রাখবো কেন! ফ্রান্সেএ বন্দর নগরী সেন্ট মালো থেকে আসা লোকেরা তাদের বসতি স্থাপন করা ইস্ট ফকল্যান্ড দ্বীপটার নাম দিল Malouines। পরে ফ্রান্সের কাছ থেকে দ্বীপের দখল নেয় স্প্যানিশরা। স্প্যানিশ ভাষায় Malouines হয়ে যায় Malvinas। ফলে দ্বীপের এক পাশে বৃটিশ সাম্রাজ্য, অন্যপাশে স্প্যানিশ। ১৭৭০ সালের দিকে বৃটিশরা বিপুল অর্থব্যয় সামলাতে পারছিল না, অর্থনৈতিক ব্যয় সামলাতে না পেরে অনেকগুলো জায়গা থেকে নিজেদের সৈন্য সরিয়ে নেয়, ঘাঁটিগুলো বন্ধ করে দেয়। ১৭৭৪ সালে বৃটেন ফকল্যান্ড থেকে নৌঘাঁটি এবং সেনা বসতি প্রত্যাহার করে নেয়। বৃটিশরা ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার পর স্পেন পুরো দ্বীপপুঞ্জের কন্ট্রোল নিয়ে নেয়। কিন্তু বৃটেন দ্বীপের মালিকানার দাবী ত্যাগ করে নাই। তারা বলেছিল, আমরা আবার ফিরে আসবো। ব্রিটিশরা চলে যাওয়ার পর স্পেন দ্বীপপুঞ্জে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। পরে ১৮১১ সালে স্পেনও তাদের গ্যারিসন প্রত্যাহার করে নেয়। ১৮১৫ থেকে ১৮২৫ সালের মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকা ছেড়ে চলে যায়। ১৮১৬ সালে আর্জেন্টিনা স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। আর্জেন্টিনা দাবী করে বসে- যেহেতু আর্জেন্টিনার মত ফকল্যান্ডও স্প্যানিশদের উপনিবেশ ছিল, তাই ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার। ১৮২০ এর দশকে আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দখলে নেয়া এবং কর্তৃত্ত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। কিন্তু ১৮৩৩ সালে বৃটিশরা আবার ফিরে এসে দ্বীপের দখল নেয়। এভাবেই চলছিল দেড়শ বছর। ১৯৮২সালে আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসক জেনারেল লিওপল্ডো গালতিয়েরির জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে। অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামরিক সরকার প্রায় পর্যুদস্ত। জনগণের বিরুদ্ধে ডার্টি ওয়ার চালাচ্ছিল সরকার। সরকারী বিরোধী হাজার হাজার মানুষকে গুম, হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন চালাচ্ছি। ফলে জান্তা সরকারের জনপ্রিয়তা একেবারে তলানীতে চলে যায়। তখন জেনারেল লিওপল্ডো গালতিয়েরি চিন্তা করলো, দেশের মানুষের মধ্যে একটু দেশপ্রেম এবং জাতীয়তাবাদের নেশা জাগিয়ে দিই। দেশের মানুষের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে জেনারেল গালতিয়েরির মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো। ভাবলো- ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ বৃটেনের হাত থেকে দখল করে নিই। তাহলে জনপ্রিয়তা আবার তুঙ্গে চলে যাবে। ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা বৃটেন এই দ্বীপ আর উদ্ধার করতে পারবে না। বৃটেনকে এপ্রিল ফুল দেয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিল আর্জেন্টাইন নেভী। পৌঁছাতে পৌঁছাতে অবশ্য সেকেন্ড এপ্রিল হয়ে গেল। ১৯৮২ সালের ২রা এপ্রিল শুরু হলো, আর্জেন্টিনার অপারেশন রোজারিও। সেখানে কার্যত কোনো বৃটিশ আর্মী বা নেভী ছিল না। মাত্র অল্প, কয়েক ডজন রয়েল মেরিন সেখানে অবস্থান করছিল। খুব অল্প সময়েই আর্জেন্টাইন বাহিনী ফকল্যান্ড দখল করে ফেলে। প্রথমবারের মত ফকল্যান্ড সরাসরি আর্জেন্টিনার দখলে আসে। আর্জেন্টিনায় শুরু হয় বিশাল উদযাপন। রাজধানী বুয়েন্স আইরেস এ হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। সামরিক সরকার মনে করলো, কাজ হয়ে গেছে। অন্যদিকে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী তখন মার্গারেট থ্যাচার। তার দেশেও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। বেকারত্ব বাড়ছে, চাকরী নাই। ফলে সরকারের জনপ্রিয়তা কমছিল। তখনই আর্জেন্টিনা বৃটিশদের কাছ থেকে ফকল্যান্ড দখল করে নেয়। মার্গারেট থ্যাচার ঘোষণা দেয়- ব্রিটিশ ভূখণ্ড সামরিক শক্তি দিয়ে দখল করা হয়েছে। এটি মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সাথে সাথে নেভাল টাস্ক ফোর্স রেডি করেন। কিন্তু সমস্যা অনেক ভয়াবহ। লন্ডন থেকে ফকল্যান্ড ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে। এত দূরে গিয়ে যুদ্ধ করা শুধু কঠিনই না, প্রায় অসম্ভব। তারপরও বৃটেন ১০০টির বেশী যুদ্ধজাহাজ নিয়ে আটলান্টিকের দিকে যাত্রা শুরু করে।
771
7
ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচ জিতেই আর্জেন্টাইন প্লেয়াররা ফকল্যান্ড দাবী করে বসে আছে। কিন্তু ফুটবল তো রিয়েল যুদ্ধ না, সার্কাস। এখানে
ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচ জিতেই আর্জেন্টাইন প্লেয়াররা ফকল্যান্ড দাবী করে বসে আছে। কিন্তু ফুটবল তো রিয়েল যুদ্ধ না, সার্কাস। এখানে জিতলে গরীব সমর্থকরা নেশাগ্রস্ত হয়, ফুটবলাররা টাকা পায়। রিয়েল যুদ্ধ জেতা যায় না। সাহস থাকলে গতবারের মত আবার ফকল্যান্ড দখল করতে যাক, ইংল্যান্ড একেবারে ছাতু বানায়ে দেবে।
721
8
ইরানের হামাদান প্রদেশে সারারাত বম্বিং করেছে আমেরিকা।
774
9
গতরাতে বিশ্ব যখন ফুটবল ম্যাচে বুঁদ হয়ে আছে, তখন ইজ্রাইলী ফোর্স গাযায় বিমান হামলা চালিয়েছে।
গতরাতে বিশ্ব যখন ফুটবল ম্যাচে বুঁদ হয়ে আছে, তখন ইজ্রাইলী ফোর্স গাযায় বিমান হামলা চালিয়েছে।
804
10
জর্দানে আমেরিকার ফাইটার জেট স্টোরেজে হামলা চালিয়েছে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড।
781
11
কাল রাতে পশ্চিম তীরে ইজরাইলী ফোর্স রাতের বেলা ৩ জন ফিলিস্তিনীকে কোনো কথা ছাড়াই ঘর থেকে তুলে নিয়ে চলে গেছে।
776
12
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বলেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের বাহরাইন, কুয়েত এবং মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
853
13
মার্কিন হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৪০ ছাড়িয়েছে।
876
14
The US military has launched a second wave of strikes against Iran, with CENTCOM saying they “are targeting Iranian military capabilities used to threaten vessels freely transiting through the Strait of Hormuz”।
907
15
ইরানের আরেকটি ক্যান্সার হাসপাতাল লক্ষ্য করে মিসাইল ছুঁড়েছে আমেরিকা।
878
16
Explosion on Iran's Qeshm Island as the U.S. continues bombing Iran.
886
17
ইরানে শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতালে বম্বিং করেছে আমেরিকা।
864
18
জায়োনিস্ট একটা দেশকে পছন্দ বলে, মানুষ নিজেকে কোথায় কোথায় নিয়ে যাচ্ছে! নাউজুবিল্লাহ! বিশ্বকাপকে ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান কেউ ব
জায়োনিস্ট একটা দেশকে পছন্দ বলে, মানুষ নিজেকে কোথায় কোথায় নিয়ে যাচ্ছে! নাউজুবিল্লাহ! বিশ্বকাপকে ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান কেউ বলে নাই। এই যে ফিলিস্তিনের জন্য দেশে দেশে মানুষ মিছিল করে, বিক্ষোভ করে, এতেও ফিলিস্তিন স্বাধীন হয়ে যায় না। ফিলিস্তিনের জন্য মানুষ দোয়া করে, কোকাকোলা বয়কট করে, বিডিএস মুভমেন্ট যে ইজ্রাইলী পণ্য বয়কটের ডাক দেয়, তাতেও ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান হয়ে যায় না। বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা কোকাকোলা বয়কট করে, তুর্কী পার্লামেন্ট কোকাকোলা সরিয়ে দেয়, এতেও ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান হয়ে যায় না। তারপরও বিশ্বজুড়ে মানুষ ফিলিস্তিনের জন্য মিছিল করে, নামাজে কান্নাকাটি করে দোয়া করে, কোকাকোলা বয়কট করে, বিডিএস মুভমেন্টের সাথে সংহতি প্রকাশ করে। একদল মুক্তিকামী মানুষ নিজের প্রাণ বিলিয়ে দেয়, যুদ্ধ করে। কিন্তু তারা দখলদার বাহিনীর হাত থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করতে পারেনা। দখলদার বাহিনীটির পরাজয় ঘটেনা। তার মানে কি আল্লাহ মুসলমানদের অপছন্দ করেন? (নাউজুবিল্লাহ) আর্জেন্টিনা নামক একটা দেশকে তারা পছন্দ করে বলে, সেটার কীর্তিকলাপ নিয়ে কিছু বললে, তারা তারা কী কী স্টেটমেন্ট দেয়!
958
19
তালা জুমা আবু মাতার, মাত্র ৯ বছর বয়সী শিশুটিকে গুলি করে হত্যা করেছে ইজ্রাইলী মিলিটারী।
তালা জুমা আবু মাতার, মাত্র ৯ বছর বয়সী শিশুটিকে গুলি করে হত্যা করেছে ইজ্রাইলী মিলিটারী।
864
20
মাত্র ৯ বছর বয়সী ফিলিস্তিনী শিশুকে ট্যাংক থেকে ফায়ার করে হত্যা করে ইজ্রাইলী মিলিটারী।
মাত্র ৯ বছর বয়সী ফিলিস্তিনী শিশুকে ট্যাংক থেকে ফায়ার করে হত্যা করে ইজ্রাইলী মিলিটারী।
874