fa
Feedback
iTahmid

iTahmid

رفتن به کانال در Telegram

Tech, History, Geopolitics

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام iTahmid

کانال iTahmid (@itahmidtg) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 551 مشترک است و جایگاه 4 485 را در دسته سیاست و رتبه 1 985 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 551 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 04 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 53 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -4 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 17.42% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 5.19% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 013 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 600 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 40 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
Tech, History, Geopolitics

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 05 ژوئیه, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کرده‌اند.

11 551
مشترکین
-424 ساعت
-157 روز
+5330 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '26
ژوئیه '26
+3
در 0 کانال‌ها
ژوئن '26
+170
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+31
در 1 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+15
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+364
در 1 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+27
در 3 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+6
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+9
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+112
در 1 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+30
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+8
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+19
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+1 298
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+1 225
در 2 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+136
در 4 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+578
در 1 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+98
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+80
در 2 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+298
در 2 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+195
در 3 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+327
در 5 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+295
در 2 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+718
در 12 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+711
در 7 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+105
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+468
در 1 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+390
در 2 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+99
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+305
در 3 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+263
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+680
در 4 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+2 066
در 5 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+2 853
در 2 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+1
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+6
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+45
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+249
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+142
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '23
+60
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '23
+933
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
05 ژوئیه0
04 ژوئیه0
03 ژوئیه+2
02 ژوئیه0
01 ژوئیه+1
پست‌های کانال
photo content
+1

2
দীপংকর দাসের বাতিঘর এই বইটা বের করেছে। বইটা লিখেছে একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, যে আওয়ামীলীগের আমলে গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থেকে পলাতক আমিনুল হক পলাশ। একজন পলাতক, মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তির প্রোপাগাণ্ডাকে বই হিসেবে ছাপানোর সাহস কীভাবে দেখায় বাতিঘর? বাতিঘরের পেছনে ব্যাকআপ দিচ্ছে কে? ভারত? আমরা জানি ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়েছিল আওয়ামীলীগ এবং ভারত। ভারত লুঙ্গী ধুতি গোচ দিয়ে নেমেছিল বাংলাদেশকে ব্যর্থ করতে। বাতিঘর একই প্রোপাগাণ্ডা বই হিসেবে ছেপেছে। এই বইয়ের ভূমিকা লিখেছে শেখ হাসিনা। বাতিঘরের দূঃসাহস দেখে অবাক হই না। সরকারের উচিৎ এই ব্যাপারটাকে সহজভাবে না নেয়া।
1 039
3
+1
بدون متن...
2
4
আজকে আলজেরিয়া বনাম অস্ট্রিয়ার ম্যাচ ড্র হওয়ায় ইরান বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে। গতকাল ইরানের হওয়া গোল অফসাইডে বাতিল নিয়েও প্রচুর বিতর্ক ছিল। ইরানীরা এখন বিশ্বাস করতেই পারেন, তাদের প্রতি ফিফার ষড়যন্ত্র ছিল। আজকে অস্ট্রিয়া বা আলজেরিয়া কেউ একজন হারলে ইরান পরবর্তী রাউন্ডে যেতে পারতো। ম্যাচটি ড্র হওয়ায় বিদায় নিতে হলো ইরানকে। ইরানী ফুটবলাররা আমেরিকায় খেলার ভিসা পেলেও, আমেরিকায় অবস্থানের অনুমতি দেয়া হয়নি তাদের। ম্যাচ শেষে তাদের চলে যেতে হতো মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। এমনকি প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে খেলতে এসে আবার ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে চলে যেতেও হয়েছে তাদের। চিন্তা করেন একবার! তাদের খেলার প্রস্তুতি কই, বিশ্রাম কই! ফ্লাইটে, জার্নীতেই তো তাদের সময় চলে গেল। তার উপর লজিস্টিক টিমের কাউকে ভিসা দেয়া হয়নি। পুরা ডেলিগেশনের অনেকেই ভিসা পায়নি। একটা ফুটবল টিমে কোচিং স্টাফ, মেডিক্যাল টিম, টিম ম্যানেজার, ট্রাভেল, কিট ম্যানেজার, ইকুইপমেন্ট, নিরাপত্তা, শেফ সহ কত কিছু থাকে। ইরানী অধিনায়ক গতকাল বলেছেন, তাদের লজিস্টিক টিমের কাউকে ভিসা দেয়া হয়নি। ফলে ফুটবলারদের সব নিজের কাজ নিজেকে করতে হয়েছে। ফিফা এই সমস্যার কোনো সমাধানই করেনি। এরপরও অনেকে বলবে, ফুটবল রাজনীতির বাইরে।
1 103
5
লাতিন আমেরিকার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুটি দেশ। ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা। অথচ সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে। এক দেশে সাদা কালো সব মানুষ আছে, অন্য দেশে কোনো কালোই নাই; সব সাফ করে ফেলেছে। ব্রাজিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা অধিবেশনে ফিলিস্তীনের গাযায় ইজ্রাইলী গণহত্যা বন্ধে প্রস্তাব আনে। ফিলিস্তিনের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিলেও বেসরকারি অস্ত্র নির্মাতাদের ইজ্রাইলে অস্ত্র সরবরাহ পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি প্রেসিডেন্ট লুলা। বড় অস্ত্র যেমন ট্যাংক, ক্ষেপানাস্ত্র বা যুদ্ধবিমান রফতানী করতে না পারলেও ছোট ছোট অস্ত্র এবং যন্ত্রাংশ সরবরাহ করেছে অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। দেশটির প্রেসিডেন্ট ফিলিস্তীনের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলা শুরু করে এবং অবস্থান নেয়। ফিলিস্তীনে গণহত্যা বন্ধে ব্রাজিল জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলে প্রস্তাব আনলেও, সেটি যুক্তরাষ্ট্রের ভেটোর কারণে বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে- ২০২৪ সালের ১০মে আর্জেন্টিনা ফিলিস্তীনকে জাতিসংঘে পূর্ণ সদস্যপদের প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। অর্থাৎ আর্জেন্টিনা ভোট দিয়ে জানায় যে- তারা জাতিসংঘে ফিলিস্তীনের সদস্যপদ চায় না। ২০২৪ এর ১৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত (ICJ) এর প্রস্তাবের ভিত্তিতে, ইজ্রাইলকে দখলকৃত ফিলিস্তিন ভূমি থেকে দখল প্রত্যাহারের আহবানের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট দেয় আর্জেন্টিনা। সেই বছরের নভেম্বর মাসে ফিলিস্তিনী জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের খসড়া প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয় আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনা সহ পুরো পৃথিবীর মাত্র ৬টি দেশ ফিলিস্তিনী জনগণের অধিকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট দিয়েছিল। ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গাযায় তাৎক্ষণিক, নিঃশর্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ইজ্রাইলের সাথে ভোট দেয় আর্জেন্টিনা। প্রস্তাবে ছিল- গাজায় তাৎক্ষণিক, নিঃশর্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, সব জিম্মির মুক্তি এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা। গাযায় ইজ্রাইল পানি, খাবার, অষুধ এবং বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়। সেখানে UNRWA মানবিক সহায়তা চালাতেও বাধা দিচ্ছিল ইজ্রাইল। অনরোয়াকে পশ্চিম তীরে এবং গাযায় বাধাহীনভাবে মানবিক সহায়তা চালিয়ে যেতে দেয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ইজ্রাইলের সঙ্গে ভোট দেয় আর্জেন্টিনা। সম্প্রতি ইরান-ইজ্রাইল যুদ্ধে ইজ্রাইলের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করে বলে স্টেটমেন্ট দেয় আর্জেন্টিনা। ইরানের উপর ইজ্রাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলাকে সরাসরি সমর্থন জানিয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলে বলেন- এটি ছিল the right thing to do। ইরানের আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা বলে- অতীতে আর্জেন্টিনার সব সন্ত্রাসী হামলার জন্য ইরান দায়ী। আর্জেন্টিনা সরকার প্রকাশ্য স্টেটমেন্টে বলে- Argentina will not be neutral বা আর্জেন্টিনা নিরপেক্ষ থাকবে না। ইরানকে আর্জেন্টিনার শত্রু ঘোষণা দিয়ে, ইজ্রাইলের পক্ষে থাকার ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা।
1 350
6
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন- তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমি বাড়িয়ে দেব। আর যারা আমার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেনা, তাদের জন্
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন- তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমি বাড়িয়ে দেব। আর যারা আমার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেনা, তাদের জন্য আমার শাস্তি ভয়াবহ। (সুরাহ ইবরাহীম।) কক্সবাজার-২ আসনের বিএনপির এমপি আলমগীর ফরিদ কুরআনের এই আয়াত দিয়ে বলেছেন- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুকরিয়া আদায় করতে হবে, মন্ত্রীদের শুকরিয়া আদায় করতে হবে। বিরোধীদল যেহেতু শুকরিয়া আদায় করেনা, তাদেরকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।
1 380
7
পৃথিবীতে কোনো কিছুই রাজনীতির বাইরে না। ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ একটি পলিটিক্যাল ইভেন্ট। এটি কোনোভাবেই রাজনীতি মুক্ত কিছু না। আপনার কাছে মনে হতে পারে যে, এগুলো কন্সপিরেসি থিউরী, এগুলো বাড়াবাড়ি, খেলার সাথে আবার রাজনীতির কী সম্পর্ক! কিন্তু সত্যি হচ্ছে, ফিফা আয়োজিত ফুটবল বিশ্বকাপও রাজনৈতিক একটা ইভেন্ট। এটা বিশ্বরাজনীতির অংশ, আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু এসব ব্যাপারে যদি আপনি মানুষকে বলতে যান, ফেইসবুকে লিখতে যান, তাহলে বড় অংশই ক্ষেপে যাবে। ক্ষেপে আপনাকে গালাগালি করবে। এজন্য ফুটবল নিয়ে কোনো সিরিয়াস আলাপ ফেইসবুকে দিই না। তবে ফেইসবুকে থাকা বেশীরভাগ অডিয়েন্সের যেহেতু বুঝার ক্ষমতা অত্যন্ত নিন্ম লেভেলের, তাই তারা যেকোনো কিছু নিজের দিকে টেনে নেয়। ক্ষেপে যায়। ক্ষেপে গিয়ে আবার গালাগালি করে। অবশ্য আমার মজাই লাগে, এজন্য এদেরকে আমি প্রচুর ক্ষেপাই। এদের প্রিয় দল, প্রিয় খেলোয়াড় নিয়ে আপনি কিছু বললে— এর আপনাকে বাপ মা তোলে গালাগালি করবে। জিনিসটা আমি আবিষ্কার করি, ২০১৪ সালে। আর্জেন্টিনা কীভাবে দেশের সব কালো মানুষকে মুছে ফেলে পুরোপুরি সাদা হয়ে গেল, কালোদের উপর চালানো গণহত্যা নিয়ে লিখেছিলাম। তখন যাদেরকে ভালো লোক ভাবতাম, তারাও এসে আমাকে অ্যাটাক করে। কারণ তারা আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। ব্যাপারটাকে আমি প্রচণ্ড অবাক হই। আমি কিন্তু ইতিহাস, রাজনীতি নিয়ে লিখেছি। খেলার সাথে এর কোনো সম্পর্ক ছিল না। গণহারে রিপোর্ট করে আমার সেই লেখাও রিমুভ করে দেয় তারা। তখন বুঝতে পারি, এই দেশে ফুটবল ফ্যানরা কত ফ্যানাটিক। আমার অবজারভেশনে ভুল থাকতে পারে, অন্যদের চেয়ে আলাদা হতে পারে; কিন্তু আর্জেন্টিনা আর মেসি ফ্যানদের একটা বড় অংশ ফ্যানাটিক। আমি বলছি না, সবাই। আমার অনেক ক্লোজ মানুষ এই দলের সাপোর্টার। কিন্তু একটা বড় অংশ অত্যন্ত ফ্যানাটিক। এর একটা কারণ হতে পারে, বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা সাপোর্টার বেশী, তাই হয়তো এরকম অংশও বেশী। অন্যান্য দলের সাপোর্টারদের মধ্যেও সেইম লোক আছে, কিন্তু তারা সংখ্যায় অত্যন্ত নগন্য। মেসি যে জায়োনিস্ট, এটা বললেও এসে গালাগাল করবে। ইভেন মেসির পরে পরবর্তী তারকা হিসেবে জায়োনিস্টরা নেইমারকে পছন্দ করে গ্রুম করতে পিক করেছিল। কিন্তু নানা কারণে সেটা হয় নাই। ব্রাজিলের রাজনৈতিক কারণ, আমেরিকার সাথে ব্রাজিলের বিপরীত মেরুর অবস্থানের কারণে এটা অতটা সহজ না। যতটা সহজ একজন আর্জেন্টাইন বা সুইডিশ কাউকে করা। আবার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এন্টি জায়োনিস্ট, এন্টি ইজরাইলী না হলে, সে ছিল একটা খুব ভালো চয়েস। কিন্তু এন্টি জায়োনিস্ট হওয়ায়, তাকে দমিয়ে রাখতে পারাটাও একটা সাফল্য। কিন্তু সে এসব বিট করেছে, অনেকভাবেই। যাই হোক, এই লেখাটা কোনো খেলা নিয়ে লেখা না। এই লেখাটা রাজনৈতিক। আমি কোনো ফুটবল দলেরই খেলার জন্য সাপোর্টার না।
2 446
8
بدون متن...
2 228
9
بدون متن...
2 212
10
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সহ সব পরিচালকদের সরিয়ে দিয়ে, পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করেছে সরকার। একজন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে।
2 056
11
প্রশাসক বসাতে বসাতে বিএনপি ইসলামী ব্যাংকেও প্রশাসক বসায়ে দিছে।
2 120
12
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইন্টেরিম সরকার বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারী করেন
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইন্টেরিম সরকার বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারী করেন। তার প্রেক্ষিতে গত ১২ জুন দুবাই পুলিশ বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বলে উল্লেখ করলেও, পরে সংশোধন করে এই সরকার পর্যবেক্ষণ করেছে বলে মন্তব্য করেন। ধন্যবাদ মুহাম্মদ ইউনূস।
2 400
13
ফেইসবুক ডাউন।
2 531
14
আজ ১২ তারিখ, শুক্রবার। এমন এক ১২ তারিখের শুক্রবারে, এমন এক দুপুরে, জুমার নামাজের পর আমার ভাই শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা হয়।
2 651
15
বাংলাদেশে মন্দির হবে, গীর্জা হবে। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যিযাস ক্রাইস্টের স্ট্যাচু কিংবা ভারতের চেয়ে বড় বা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় রামের মূর্তি হলে তো সমস্যা। বাঙালী হিন্দুদের মধ্যে রাম সবচেয়ে বড় সেলিব্রেটেড কেউ না। এজন্য পুরো অবিভক্ত বাংলায় ঐতিহাসিকভাবে পুরনো কোনো রাম মন্দির আপনি খুঁজে পাবেন না। কলকাতাতে খুঁজেন, পাবেন না। বাংলায় ধুমধাম করে দেবী দূর্গা বা সরস্বতীর মত রামচন্দ্রের পুজো হতো, এমন কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তিও পাবেন না। এখনো হয় না। এমনকি কালী কিংবা মনসা কাছাকাছিও সেলিব্রেটেড কেউ না। বাংলায় রামচন্দ্র রাম নবমীর সন্ধ্যার মত ছোট করে পুজা হতো। বাচ্চারা গল্পে রামের নাম জানতো। রাম মূলত আরএসএস বিজেপির যে হিন্দুত্ববাদ, সেটার সিম্বল। বাবরী মসজিদ ভেঙে রামমন্দির করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতে বিজেপির উত্থান ঘটে। এবং দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তারা বাবরী মসজিদ ধ্বংস করে সেখানে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করে। যে রাম বাংলার না, সেই রামের সুবিশাল স্ট্যাচু বাংলাদেশের রংপুরের মত সেন্সেটিভ জায়গায় কেন? আপনি দূর্গা বা সরস্বতীর প্রতিমা বানালেন না, বানালেন রামের সুবিশাল স্ট্যাচু। আপনার যদি পূজা করতেই হয়, মন্দিরের ভেতরে রামের মূর্তি বানিয়ে পূজা করেন। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম রাম মূর্তির নামে সুবিশাল রামের স্ট্যাচু কেন? স্ট্যাচু তো পূজা করার জন্য হয় না, স্ট্যাচু সেই দেশের প্রতীক। ভারতের সবচেয়ে বড় স্ট্যাচুও রামের না, গুজরাটি বল্লবের। হিন্দুদ্দ্র ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করে, বাংলাদেশে সুবিশাল রামের স্ট্যাচু বসিয়ে আপনি কী করতে চান? বাংলাদেশে বিজেপির প্রভাব জানান দিতে চান? নাকি ধর্মীয় দাঙ্গা লাগাতে চান? সরকার এই প্রকল্পের অনুমোদন কীভাবে দিল?
2 700
16
বানানোর পর বলছে স্থগিত।
বানানোর পর বলছে স্থগিত।
1 697
17
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন দেশে একটি ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই জন্য ওআইসিতে আলোচনা হয়। বিভিন্ন মুসলিম দেশ গুলো আগ্রহ দেখায়। বাংলাদেশের সরকার গুলোর সাথে চিঠি চালাচালি হয়। এমনকি আরবরা বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দেয়। বাংলাদেশে আইডিবির মত একটা ব্যাংক হওয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা হয়। আলোচনা হয়, ভ্রমণ হয়, মিটিং হয়, চিঠি আদানপ্রদান হয়। কিন্তু কাজের কাজ আর হয় না। বাংলাদেশে যেমনটা হয় আরকি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলামী কোনো ব্যাংক প্রতিষ্ঠা আর হয় নাই। আরবদের আগ্রহ থাকা স্বত্ত্বেও কোনো সরকার একটা শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক বানাতে পারেনাই অনেক বছরেও। ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর কাসেম আলী ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নেন। তার উদ্যোগের সাথে এগিয়ে আসে আরো ২১ জন বাংলাদেশী ব্যক্তিত্ব, ৪টি বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান, আইডিবি সহ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ১১টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারী সংস্থা, এবং সৌদি আরবের দুইজন লোক। ১৯৮৩ সালের ৩০ মার্চ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড নামে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম শরীয়াহ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংকটি যাত্রা শুরু করে। বেসরকারী উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শুধুমাত্র শরীয়াহ ভিত্তিক একটা ব্যাংক টিকে থাকতে পারবে কিনা, সেটা নিয়ে সবাই সন্দিহান ছিল। এটি যে টিকে থাকবে, সেটা অনেকের কাছেই অসম্ভব মনে হয়েছিল। মূলত এই কারণে এর আগে কেউ এগিয়ে এসে ব্যাংকটা প্রতিষ্ঠার সাহস করেনি, যেটা মীর কাসেম আলীরা করেছিলেন। ৬০ ভাগ বিদেশী, ৪০ ভাগ দেশীয় মালিকানায় যাত্রা শুরু করে ব্যাংকটি। টিকে থাকবে কিনা সন্দেহ করা ব্যাংকটা হয়ে উঠে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ব্যাংক। হয়ে উঠে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মূলধনী প্রতিষ্ঠান। হয়ে উঠে দেশের বৃহত্তম ঋণসেবা দাতা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড টানা ৯ বছর বিশ্বের ১,০০০ শীর্ষ ব্যাংকের তালিকায় আসে একমাত্র ও প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে। দেশে এক্সপোর্ট এবং রেমিট্যান্সের সিংহভাগ লেনদেন হতো এই ব্যাংকে। দ্য ইকোনোমিস্ট মন্তব্য করেছিল- বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের যে উত্থান, চীনের বাইরে বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের যে প্রধান উৎপাদন ভিত্তি, সেটার ক্ষেত্রে ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের অবদান সর্বোচ্চ। দেশের বৃহত্তম বেসরকারী ব্যাংকটি শুরু থেকেই জামায়াত নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক বলে পরিচিত ছিল। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে ম্যানেজমেন্ট পুরোটা ছিল জামায়াতপন্থী। মীর কাশেম আলী নিজে একজন জামায়াতের রাজনীতিবিদ। ফলে ক্ষমতায় আসার পর ব্যাংকটির উপরে চোখ পড়ে আওয়ামীলীগের। ব্যাংকটিকে জামায়াতমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জামায়াত মুক্ত করার অংশ হিসেবেই ব্যাংকটি তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বেক্সিমকো অথবা এস আলম গ্রুপকে। শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে দেশী এবং বিদেশী বেশীরভাগ শেয়ারহোল্ডারকে সরিয়ে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এস আলম গ্রুপ। দেশের সবচেয়ে ধনী বেসরকারী ব্যাংকটি আর্থিক সমস্যায় পড়ে। শুধুমাত্র ইসলামী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকেই এস আলম তুলে নেয় ৫০ হাজার কোটি টাকা। যে ঘাটতি মেটাতে ১৩ বছর লাগবে বলে গত বছর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একসময় যে ব্যাংক চলবে কিনা বলে সবাই সন্দিহান ছিল, সেই ব্যাংকের অবস্থা দেখে দেশে অনেকগুলো শরীয়াহ ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক চালু হয়। অন্যান্য ব্যাংকও ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো চালু করে। দেশে যে শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকের সাফল্য, সেটার জন্য ধন্যবাদ পেতে পারেন মীর কাশেম আলী। যিনি সাহস করে উদ্যোগ নিয়েছিলেন দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরীয়াহ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার, সাথে যারা তখন তার সাথে এগিয়ে এসেছিলেন। দেশের দুই কোটির বেশী মানুষ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক। দেশের গরীব, দূঃখী, মেহনতী মানুষের ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক। প্রবাসে রক্ত পানি করে কামলা দিয়ে দেশে টাকা পাঠানো শ্রমিকের ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক। আওয়ামীলীগের আমলে দূর্বল হওয়া ব্যাংকটিকে রিকভার করার জন্য নানা উদ্যোগ নেয় ইন্টেরিম। কিন্তু বিএনপি সরকার একইভাবে আওয়ামীলীগের মত জামায়াতমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেখা যাক, দেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ব্যাংকটির ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত কী আছে! ধন্যবাদ মরহুম মীর কাশেম আলী, আপনার কারণে দেশের কোটি কোটি মানুষ উপকৃত হয়েছে। যে রাস্তা আপনি দেখিয়ে গেছেন, সেটা বদলে দিয়ে গেছে অনেক মানুষের ভাগ্য। এই দেশের ভাগ্য। তবে এই দেশের মানুষের ভাগ্যে হয়তো সৌভাগ্য বেশিদিন সয় না। এটাই এইদেশের মানুষের পরিণতি।
1 986
18
খুললাম খুল্লা সংসদে এভাবে বলে কি আগে কেউ ব্যাংক দখল করতে চেয়ছিল?
খুললাম খুল্লা সংসদে এভাবে বলে কি আগে কেউ ব্যাংক দখল করতে চেয়ছিল?
1 561
19
বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে যত ঝামেলার শুরু। এস আলম ঘনিষ্ঠ ডেপুটি গভর্ণর খুরশীদ আলম, যিনি জুলাই অভ্যুত্থানের পর চাকরি হারান, তাকে ব্যাংকের শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর গত ৬ দিন গ্রাহকরা তুলে নেয় ৫ হাজার কোটি টাকা। আজকে আবার বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকে নতুন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিছে।
1 734
20
Islami bank annual Report 2025 (1).pdf
1 721