iTahmid
📈 Análisis del canal de Telegram iTahmid
El canal iTahmid (@itahmidtg) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 507 suscriptores, ocupando la posición 4 505 en la categoría Política y el puesto 1 980 en la región Bangladesh.
📊 Métricas de audiencia y dinámica
Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 507 suscriptores.
Según los últimos datos del 12 julio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 59, y en las últimas 24 horas de 3, conservando un alto alcance.
- Estado de verificación: No verificado
- Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 12.40%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.62% de reacciones respecto al total de suscriptores.
- Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 428 visualizaciones. En el primer día suele acumular 647 visualizaciones.
- Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 41.
📝 Descripción y política de contenido
El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
“Tech, History, Geopolitics”
Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 13 julio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Política.
Carga de datos en curso...
| Fecha | Crecimiento de Suscriptores | Menciones | Canales | |
| 13 julio | 0 | |||
| 12 julio | +4 | |||
| 11 julio | 0 | |||
| 10 julio | 0 | |||
| 09 julio | 0 | |||
| 08 julio | +3 | |||
| 07 julio | 0 | |||
| 06 julio | +3 | |||
| 05 julio | 0 | |||
| 04 julio | 0 | |||
| 03 julio | +2 | |||
| 02 julio | 0 | |||
| 01 julio | +1 |
| 2 | ম্যাকাবিয়াতে গেমসে অংশ নিতে আর্জেন্টাইন ইহুদীরা ইজ্রাইল যাবে, জুইশ অলিম্পিকে অংশ নিতে। ইজ্রাইলে রওনা হওয়ার আগেই তাদের জন্য স্পেশাল শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন, আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি।
জুইশ অলিম্পিকে অংশ নিতে যাওয়াদের শুভেচ্ছা জানানো কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
কারণ, আর্জেন্টিনার একটা উল্লেখযোগ্য অংশক মানুষ এন্টি জায়োনিস্ট তথা ইজ্রাইল বিদ্বেষী।
যদিও সংখ্যায় তারা অনেক কম। কিন্তু উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ এন্টি ইজ্রাইলী।
প্রথম ইন্তিফাদার শেষের দিকে এসে লাতিন আমেরিকায় ইজরাইলের সবচেয়ে বড় সেন্টার AMIA (Argentine Israelite Mutual Association) তে আত্মঘাতী গাড়ী বোমা হামলায় ৮৫ জন মারা যায়।
আর্জেন্টিনা দাবী করে এই হামলার সাথে হিজবুল্লাহ জড়িত।
আমিয়া জুইশ সেন্টারে হামলার বিচারের দাবীতে ২০১১ সালে ক্যাম্পেইন করেন মেসি।
এটাকে আর্জেন্টাইন জিউরা তাদের পক্ষে মেসির বড় কন্ট্রিবিউশন হিসেবে দেখে।
তো ইজ্রাইলের জুইশ অলিম্পিকে অংশ নিতে যাওয়া টিমকে শুভেচ্ছা জানানোর এক মাস পর মেসি তার ক্লাবের টিমমেট সহ ইজ্রাইল-ফিলিস্তিনের একটা পিস ট্যুরে যান।
লিওনেল মেসি, নেইমার সহ তাদের সফরসঙ্গীরা ইহুদীদের ধর্মীয় স্থান ওয়েস্টার্ন ওয়ালে মাথা ঠেকান।
সেই ট্যুরে মেসিকে এবং তার টিমমেটদের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাওয়াত করে।
সেখানে মেসি, ইনিয়েস্তা, পিকে, জাভি, দানি আলভেজরা নেতানিয়াহুর সাথে দেখা করে তার ফ্যামিলীর সাথেও ছবি তোলে।
মূলত মেসির জন্যই পুরো বিষয়টির এরেঞ্জ করেন নেতানিয়াহু এবং শিমন পেরেজ।
ইজ্রাইলে গিয়ে ওয়েস্টার্ন ওয়ালে সিজদা দেয়া, নেতানিয়াহুর সাথে দেখা করে আলাদা করে ছবি তোলা নিয়ে অনলাইনে প্রচণ্ড সমালোচনা হয়।
এই শান্তির সফর শেষ হওয়ার কিছু মাস পরেই গাযায় ভয়াবহ ইজ্রাইলী বিমান হামলা শুরু হয়।
২০২৩ এর আগে এটাই ছিল সবচেয়ে বড় ইজ্রাইলী হামলা।
সে সময় ইতালীতে পোপ ইজ্রাইল-ফিলিস্তিনে শান্তি কামনা করে একটা পীস ম্যাচের আয়োজন করে।
যেখানে ম্যারাডোনা, মেসির অংশগ্রহণের কথা ছিল।
ইঞ্জুরীর কথা বলে মেসি শেষ পর্যন্ত এই ম্যাচে অংশ নেয়নি। মেসির বন্ধু নেইমারও এই ম্যাচ খেলতে আসেনি।
মেসি একবার মিশরের গরীবদের জন্য তার বুট দান করতে চাইলে মিশরীয় ফুটবল ফেডারেশন এবং কোচ মেসিকে 'প্রো ইজ্রাইলী, জায়োনিস্ট' বলে তার বুট নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলে- যে ইজ্রাইলের জন্য ডোনেশন পাঠায়, ইজরাইলের জন্য সব কিছু করে, তার বুট আমাদের দরকার নাই।'
মিশর ফুটবল ফেডারেশনের মুখপাত্র বলে- 'মিশরের মানুষ গরীব হতে পারে, কিন্তু তাই বলে একজন জায়োনিস্টের সাহায্য নেয়ার দরকার আমাদের নাই।'
২০১৮ সালে বিশ্বকাপের আগে আগে ৯ জুন ইজরাইলে গিয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নেয় আর্জেন্টিনা ফুটবল এসোসিয়েশন।
আর্জেন্টাইন সুপারস্টার মেসি এই ম্যাচের প্রধান আকর্ষণ। খেলা হবে টেডি স্টেডিয়াম।
ফিলিস্তিনীদের বাড়ীঘর উচ্ছেদ করে বানানো এই স্টেডিয়াম পরে ব্যবহার হতো ফিলিস্তিনীদের নির্যাতন এবং গুপ্ত হত্যার জন্য।
বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠে এই ম্যাচ বাতিল করার জন্য। ফিলিস্তিনী ফুটবল এসোসিয়েশন এই ম্যাচ বাতিলের জন্য আর্জেন্টাইন ফুটবল এসোসিয়েশনকে আহবান জানায়।
পৃথিবীর সব আহবান উপেক্ষা করে মেসির আর্জেন্টিনা টিম এই ম্যাচ খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকে।
বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠন গুলো এই ম্যাচ বাতিলের জন্য ক্যাম্পেইন চালাতে থাকে। বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার সংগঠনগুল্প তাদের সরকারকে এই ম্যাচ বাতিলের জন্য আন্তর্জাতিক প্রেশার ক্রিয়েট করার জন্য চাপ দিতে থাকে।
বিডিএস ক্যাম্পেইন শুরু করে বিশ্বজুড়ে।
কিন্তু আর্জেন্টিনা জেরুজালেমের টেডি স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ খেলবেই।
ফিলিস্তিনীরা মেসি এবং আর্জেন্টিনার জার্সী পুড়ানো শুরু করে। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রাণঘাতী হুমকি আসে খেলোয়াড়দের প্রতি।
অবশেষে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে, বিশেষ করে মেসির জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকির জন্য এই ইজ্রাইল এবং আর্জেন্টিনা উভয়ে মিলে এই ম্যাচ বাতিল করে।
অবশেষে ৬ জুন, ম্যাচের নির্ধারিত তারিখের মাত্র ৩ দিন আগে, ইজ্রাইলের তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মিরি রেগেভ রয়টার্সকে জানান, মেসি, তাঁর পরিবার এবং অন্য খেলোয়াড়দের উদ্দেশে হুমকির কারণে পূর্বনির্ধারিত আর্জেন্টিনা-ইজরাইল প্রীতি ম্যাচ বাতিল হয়েছে।
রয়টার্সের একই প্রতিবেদনে আর্জেন্টিনা ফুটবল এসোসিয়েশন (আফা) এর সভাপতির বক্তব্যও প্রচার করা হয়।
আফা সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া বলেন, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ম্যাচের হোস্ট ইজ্রাইলী কর্মকর্তারা বলেন, মেসির জীবনের প্রতি সরাসরি হুমকি থাকায় এই ম্যাচ পরিচালনার রিস্ক আমরা নিতে পারিনা। যেখানে মেসিকে সরাসরি মৃত্যুর হুমকি দেয়া হয়েছে।
অবশেষে ম্যাচটি বাতিল হয়।
ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্তে ফিলিস্তিনী ফুটবল এসোসিয়েশন সহ অনেকেই আর্জেন্টিনাকে ধন্যবাদ জানায়।
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ম্যাচ বাতিলের কারণ হিসেবে সামগ্রিক নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা জানায়। | 436 |
| 3 | ফিলিস্তিন নিয়ে কথা বললেই, আগে একদল এসে বলতো- জাতিরাষ্ট্র কি হালাল? ফিলিস্তিনের পতাকা কি হালাল? ফিলিস্তিনী নারীরা মুখে দেখায়, এটা কি হালাল?
মানে এসব বলে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলা বন্ধ করাতে চাইতো।
এখন নতুন আরেকদলে উদ্ভব হইছে। যারা ফিলিস্তিন নিয়ে কিছু বললেই, বলে এটা কি হালাল? ওটা কি হালাল? আপনি নিজে কি নামাজ পড়েন?
ফিলিস্তিন ধর্মীয় বিষয় না। হালাল হারাম হলো ধর্মীয় বিষয়। এটাকে বলে শরয়ী আহকাম। শরীয়তে কোনটা হালাল, কোনটা হারাম সেটা নির্ধারণ করে দেয়া আছে।
ফি*লিস্তিন শরয়ী বিষয় না। ফি*লিস্তিন ইসলামী শরী/য়াহর আহকামের বিষয় না, তবে এটা অবশ্যই মুসলমানদের বিষয়।
যেহেতু মুসলমান না হলে, তাদের এই প্রসিকিউশনের শিকার হতে হতো না।
এটাকে জাতিগত বিষয়ও বলা যায়।
কিন্তু ফিলিস্তিনীদের বিষয়টা এমনকি শুধু মুসলমানদের বিষয়ও আর নাই। এটা পুরো পৃথিবীর মানবতার বিষয়। মানবাধিকারের বিষয়। পুরো পৃথিবীর মজলুমদের বিষয়।
জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমদের সংগ্রামের প্রতীক হয়ে গেছে ফিলিস্তিনীরা।
সারা পৃথিবীর হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আস্তিক, নাস্তিক, এন্টি জায়োনিস্ট জিউ সবাই আছে ফিলিস্তিনীদের পক্ষে।
হ্যাঁ, আমি নামাজ পড়ি। কিন্তু আমি নামাজ নাও পড়তাম, তাওও ফিলিস্তিনীদের পক্ষে থাকাটা, জায়োনিস্টদের বিরোধিতা করাটা আমার কর্তব্য হতো।
এটা আমার জন্য ফরজ হতো। এমন ফরজ, যেটা কাজা করার সুযোগ নাই।
এমনকি এটা তার চেয়েও উপরে। ঈমানের প্রশ্ন। ঈমান থাকলে তবেই তো ফরজ, হালাল, হারাম আসবে।
প্রথমে তো ঈমান থাকতে হবে।
ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে- আপনি যদি জালিমের বিরুদ্ধে লড়তে না পারেন, অন্তত তার প্রতিবাদ করতে হবে, তাকে ঘৃণা করতে হবে। প্রতিবাদ করতে না পারলেও, জালিমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মজলুমকে রক্ষা করতে না পারলেও, তাকে অন্তত ঘৃণা করতে হবে।
এই কিছু করতে না পেরে অন্তত ঘৃণা করাটা ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর।
এর পরে আর নাই।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জালিম হচ্ছে জায়োনিস্টরা। জায়োনিস্টদের বন্ধুরা। যারা প্রো জায়োনিস্ট।
জায়োনিস্ট হওয়ার জন্য আপনাত ইহু দী হওয়ার দরকার নাই। ইহুদী না হয়েও জায়োনিস্ট হওয়া যায়।
খ্রিস্টানদের মধ্যে প্রচুর জায়োনিস্ট খ্রিস্টান আছে।
জায়োদের কারণে আজকে ফিলিস্তিনীদের এই অবস্থা।
গাযায় গণহত্যা চালিয়ে হাজার হাজার পরিবারকে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলেছে জায়োরা।
নেতানিয়াহু এবং তার বন্ধুরা।
এদের বিরুদ্ধে কিছু করতে না পারেন, ঘৃণা তো করতে পারেন।
এই গণহত্যার পক্ষে সরাসরি ভোট দেয়াদের ঘৃণা করাটা যে আপনার কর্তব্য, এটা আমি আপনাকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি কেবল।
কিন্তু হেদায়েতের মালিক তো আল্লাহ।
আমি আপনাকে বুঝানোর কেবল চেষ্টা করতে পারি।
বুঝার তৌফিক আল্লাহ আপনাকে না দিলে, আমি কিছুই করতে পারিনা।
এসব লেখার কারণে একদল এখন আমার শত্রু হয়ে যাচ্ছে।
অথচ শত্রু হয়ে গেলেও তো আমাদের লিখতেই হবে। | 605 |
| 4 | মেসি যে কতটা প্রো ইজরাইলী এবং জায়োনিস্ট, সেটা নিয়ে আজকে টাইমস অব ইজরাইল একটা আর্টিকেল পাবলিশ করেছে।
https://www.timesofisrael.com/lionel-messis-ostensibly-controversial-history-with-jewish-and-israeli-life-spoiler-hes-catholic/?fbclid=IwdGRjcATAxcFjbGNrBMDFt2V4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHpmhxAl3QkRGqGRVNm0PgpyLxoWQ7XKT_GTA5huxNYnKzxlVD8IxDcvtTElf_aem_gDoiFPavSp8yA5BXsLSu1Q | 615 |
| 5 | জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন অনেক অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ধরণও পরিবর্তিত হচ্ছে। সারা মৌসুমে সমানভাবে বৃষ্টি না হয়ে অল্প সময়ে অত্যন্ত বেশী বৃষ্টিপাত বা এক্সট্রিম রেইনফল ইভেন্ট ঘটছে। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ পানি পাহাড় থেকে নিচে নেমে আসছে।
কিন্তু আগে যে প্রাকৃতিক ডেনেজ ব্যবস্থা ছিল, সেটা তো আর নাই। ফলে পানি আগের মত দ্রুত নির্বিঘ্নে নামতে পারছে না।
আগের যে কার্যকর প্রাকৃতিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এই অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন করতে পারতো, এখন সেই ব্যবস্থার মাঝখানে বাঁধ তৈরী করে অপর্যাপ্ত কালভার্ট ও ব্রিজসহ দীর্ঘ উঁচু অবকাঠামোগত বাধা তৈরি হয়েছে।
অবকাঠামো পরিকল্পনার মূলনীতি হলো- সাধারণ সময়ের জন্য নয়, সম্ভাব্য চরম পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ডিজাইন করা।
অর্থাৎ ৫০ বছর, ১০০ বছর বা সংশ্লিষ্ট এলাকার উপযোগী নির্ধারিত রিটার্ন পিরিয়ডের বৃষ্টিপাত, সর্বোচ্চ পাহাড়ী ঢল, ক্যাচমেন্ট এরিয়া, নদীর ধারণক্ষমতা, জোয়ারের প্রভাব, ভূমির উচ্চতা এবং ভবিষ্যৎ জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে হাইড্রোলজিক্যাল ও হাইড্রোলিক মডেলিং করা প্রয়োজন।
কারণ বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। পাহাড়ী ঢলও বন্ধ করা সম্ভব নয়।
কিন্তু সেই পানি দ্রুত, নিরাপদে ও স্বাভাবিক পথে নেমে যাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।
আর পানি নামার প্রাকৃতিক পথ বন্ধ করে দিলে পানি কোথায় যাবে?
তার তো কোথাও যেতেই হবে।
ফলে সেটি প্রথমে জমতে থাকে, বিকল্প পথ খোঁজে এবং শেষ পর্যন্ত লোকালয়, কৃষিজমি প্লাবিত হয়ে মানুষের ঘরবাড়ীর উপর দিয়েই যায়।
তাই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের কারণে এই অঞ্চলের বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকির জন্য কতটা দায়ী, কী করা যায়, তার জন্য পূর্ণাঙ্গ হাইড্রোলজিক্যাল অডিট করে কোথায় প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, কোথায় কালভার্টের ধারণক্ষমতা অপর্যাপ্ত, কোথায় নতুন ব্রীজ বা ড্রেনেজ ওপেনিং প্রয়োজন, এসব বৈজ্ঞানিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে।
উন্নয়ন অবশ্যই প্রয়োজন।
রেললাইনও প্রয়োজন।
কিন্তু কোনো অবকাঠামো যদি একটি অঞ্চলের শত শত বছরের প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ভূপ্রকৃতি ও জলপ্রবাহের বিজ্ঞানকে উপেক্ষা করে নির্মিত হয়, তাহলে সেই উন্নয়নের মূল্য শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকেই দিতে হয়।
মানুষ পানির পথ বন্ধ করলে, পানি নতুন পথ তৈরি করে নেয়।
আর সেই নতুন পথ যখন মানুষের ঘরবাড়ী ও জনপদের ওপর দিয়ে যায়, তখন মানুষ বুঝতে পারে- অপরিকল্পিত উন্নয়ন মানুষের জন্য অভিশাপ। | 717 |
| 6 | চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন কি দক্ষিণ চট্টগ্রামের বন্যার জন্য দায়ী?
চট্টগ্রামের গ্রামাঞ্চলে এখনো প্রচুর মাটির ঘর দেখা যায়। অথচ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলোতে টিন, কাঠ বা তুলনামূলকভাবে পানি-সহনশীল নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বেশী। এর কারণ খুবই স্বাভাবিক। মাটির ঘর পানির সংস্পর্শে কিছুক্ষণ থাকলে সেটা দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, দেয়ালের কাঠামোগত শক্তি হারায় এবং একপর্যায়ে ধসে পড়ে।
তাহলে চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণাঞ্চলে এত মাটির ঘর কেন?
কারণ, ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চলের মানুষ বন্যার সঙ্গে পরিচিত নয়। এমন অনেক প্রজন্ম আছে, যারা জীবনে বড় বন্যা দেখেনি।
ফলে স্থানীয় বসতি, বাড়িঘরের নির্মাণপদ্ধতি ও ভূমি ব্যবস্থাপনাও গড়ে উঠেছে সেই পুরোনো প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জলপ্রবাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।
কিন্তু গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে।
বর্ষা এলেই সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।
প্রশ্ন হলো- কেন?
এর উত্তর খুঁজতে হলে প্রথমে দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক ভূপ্রকৃতি বা টপোগ্রাফি বুঝতে হবে।
চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের একদিকে পাহাড়ী ভূখণ্ড, অন্যদিকে বঙ্গোপসাগর। মাঝখানে রয়েছে সমতল ভূমি, প্লাবনভূমি, বিল, নিম্নাঞ্চল এবং বিস্তীর্ণ নীচু জমির সাথে খাল ও নদীর একটি প্রাকৃতিক ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক।
পাহাড়ী অঞ্চলে অরোগ্রাফিক প্রভাবে এমনিতেই তুলনামূলক বেশি বৃষ্টিপাত হয়। ভারী বর্ষণের সময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে বিপুল পরিমাণ সারফেস রানঅফ দ্রুত নীচু এলাকার দিকে নেমে আসে। এই পানি সাঙ্গু, মাতামুহুরীসহ বিভিন্ন নদী দিয়ে সমুদ্রে যায়। একই সঙ্গে অসংখ্য ছোট খাল, ছড়া, বিল, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক নিচু ভূমি স্থানীয় পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে কাজ করে।
পুরোটাই একটা বিশাল প্রাকৃতিক হাইড্রোলজিক্যাল সিস্টেমের অংশ।
অর্থাৎ, এই পুরো অঞ্চলটি একটি বিশাল প্রাকৃতিক ড্রেনেজ সিস্টেম।
এখানে বিল, জলাভূমি ও নিচু জমিগুলো কোনো ‘অব্যবহৃত খালি জায়গা’ নয়। এগুলো বৃষ্টির পানি ধারণ করে, প্রবাহের গতি কমায় এবং ধীরে ধীরে পানি নিষ্কাশনে সাহায্য করে।
কোনো নির্দিষ্ট একক জায়গার উপর চাপ সৃষ্টি না করে, কিছুক্ষণের মধ্যেই পানি নেমে যায় বিস্তৃত জায়গা দিয়ে।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনার ভাষায় এগুলোকে ফ্লাডপ্লেইন, রিটেনশন এরিয়া, ডিটেনশন এরিয়া এবং ন্যাচারাল ড্রেনেজ করিডরের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সমস্যা তৈরী হয় যখন এই প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের উপরে আড়াআড়ি দীর্ঘ উঁচু অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়।
যেমন রেললাইন, মহাসড়ক বা উঁচু বাঁধ এখানে কার্যত একটি দীর্ঘ কৃত্রিম বাধা বা লিনিয়ার ব্যারিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রেললাইন নির্মাণের জন্য দীর্ঘ এলাকাজুড়ে উঁচু এমব্যাংকমেন্ট বা মাটির বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে যেসব বিস্তৃত বিল, নীচু জমি, খাল, ছড়া ও প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের পথ দিয়ে আগে পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টির পানি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে নির্বিঘ্নে দ্রুত নীচের দিকে নেমে যেতে পারত, সেসব স্থানে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রশ্ন হলো, এই রেলওয়ে এমব্যাংকমেন্টের নীচ দিয়ে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানি পার হওয়ার জন্য কি পর্যাপ্ত সংখ্যক এবং পর্যাপ্ত ধারণক্ষমতার কালভার্ট ও ব্রিজ রাখা হয়েছে?
উত্তর হচ্ছে, না। রাখা হয়নি।
কিছু কালভার্ট রেখেছে, যেগুলো শুধু অপর্যাপ্তই নয়, কেবল ফর্মালিটির অংশের মত।
ভাবখানা এমন যে, দিলাম তো কিছু কালভার্ট।
অথচ শুধু কালভার্ট নির্মাণ করলেই সমস্যার সমাধান হয় না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- কালভার্টের সংখ্যা কত, কোথায় স্থাপন করা হয়েছে, এর ক্রস-সেকশনাল এরিয়া কত, সর্বোচ্চ বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের সময় কত কিউসেক পানি প্রবাহিত হতে পারে এবং ক্যাচমেন্ট এরিয়ার মোট রানঅফ বহনের সক্ষমতা সেই কাঠামোর আছে কি না এসব বিবেচনায় রেখে কালভার্ট দিতে হবে।
যদি কোনো এলাকার প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের তুলনায় কালভার্ট বা ব্রিজের হাইড্রোলিক ক্যাপাসিটি কম হয়, তাহলে সেখানে তৈরি হয় ‘বটলনেক ইফেক্ট’।
সহজ ভাষায়, আগে যে পানি বিস্তৃত এলাকা দিয়ে নেমে যেতে পারত, এখন সেই একই পরিমাণ পানিকে সীমিত কয়েকটি সরু পথ দিয়ে যেতে হচ্ছে।
ফলে কী ঘটে?
রেলওয়ে এমব্যাংকমেন্টের উজান অংশে পানির প্রবাহের গতি কমে যায়, পানির উচ্চতা বাড়তে থাকে এবং তৈরি হয় ব্যাকওয়াটার ইফেক্ট। অতিরিক্ত পানি লোকালয়, কৃষিজমি ও নীচু এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘসময় পানি আটকে থাকার ফলে সাধারণ জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে ভয়াবহ বন্যার রূপ নেয়।
সমস্যাটি আরও গুরুতর হয় যখন একই সময়ে পাহাড়ী এলাকায় অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাত ঘটে। | 655 |
| 7 | আমেরিকার কট্টর যুদ্ধপন্থী যুদ্ধাপরাধীটা আজকে মারা গেছে।
লিন্ডসি গ্রাহাম আমেরিকাকে ইরাক আক্রমণে রাজী করান। ২০০২ সালের ইরাক আক্রমণ, ২০২৬ সালের ইরান আক্রমণ, মুসলমানদের বিরুদ্ধে আমেরিকার ক্রুসেড ওয়ার অন টেরর এসবের অন্যতম মূল হোতা হলো এই লোক।
সে এত কট্টর যুদ্ধপন্থী যে, তাকে ওয়ার হক ডাকা হতো।
ইজ্রাইলের কট্টর সমর্থক এই লোক ইজ্রাইলের যুদ্ধে আমেরিকাকে টেনে নিয়ে গেছে বারবার। ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকান আক্রমণও সেটার একটা।
আজ ইজ্রাইলের আকাশে-বাতাসে শোক। | 656 |
| 8 | স্যান্ডেল পরা কাতারের আমীরের সামনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখে মনে হচ্ছে, কোনো মার্কেটিং কোম্পানীতে চাকরী করা লোক স্যুট কোট পরে দেখা করতে আসছে। | 798 |
| 9 | চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ।
বাঁশখালীতে লাখ লাখ মানুষ পানি বন্দী।
সাঙ্গু নদী ওভার ফ্লো হয়ে পানি বিপদ সীমা অতিক্রমের কারণে সাতকানিয়া, চকরিয়া প্রবলভাবে আক্রান্ত। চকরিয়া, বদরখালী হাইওয়ে পানির নীচে চলে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ।
বেশ কয়েকটি বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয় তলিয়ে গেছে চকরিয়া উপজেলায়। | 1 061 |
| 10 | নেতানিয়াহু ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করার কথা বলেছে।
এক ভিডিও বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেছে, আমি চাই এবারের বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনা জিতুক। | 1 150 |
| 11 | ফেইসবুকে অনেককে দেখলাম, আর্জেন্টাইন সাপোর্টাররা ইজ্রাইলী ফ্ল্যাগ উড়াচ্ছে বলেই আর কখনো আর্জেন্টিনা সাপোর্ট না করার শপথ নিচ্ছেন।
কেউ কেউ এটা দেখিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন, আর্জেন্টিনা ইজ্রাইলী সাপোর্টার।
অথচ ফ্ল্যাগ যে কেউই উড়াতে পারে। কোথাকার কোন র্যান্ডম সাপোর্টার পতাকা উড়ালে সেটা দিয়ে দেশের সাপোর্ট হয়ে যায় না।
পতাকা তো চাইলে আপনিও উড়াতে পারেন।
আমি যদি এখন তাইওয়ানের পতাকা উড়াই, তার মানে এই না যে, বাংলাদেশ তাইওয়ানকে স্বীকৃতি দিয়ে দিচ্ছে।
কিন্তু বাংলাদেশ সরকার যদি তাইওয়ানের পক্ষে ভোট দেয়, এক চীন নীতির বিপক্ষে ভোট দেয়, তাইওয়ানের আত্মস্বীকৃতির অধিকার আছে বলে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, তাহলে সেটা হবে তাইওয়ানের জন্য বাংলাদেশের সাপোর্ট।
কোনো ইজ্রাইলী আর্জেন্টিনার পতাকা উড়ালেই, সেটা আর্জেন্টিনা ইজ্রাইলকে সাপোর্ট দেয়া হয়ে যায় না।
সাপোর্ট দেয়া হবে তখনই, যদি আর্জেন্টিনা ইজ্রাইলের পক্ষে জাতিসংঘে ভোট দেয়।
আর্জেন্টিনা যদি বলে, ইজ্রাইলের আত্মরক্ষার অধিকার আছে।
আর্জেন্টিনা যদি গাযায় গণহত্যা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে জাতিসংঘে ভোট দেয়।
আর্জেন্টিনা যদি গণহত্যা বন্ধের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট দেয়।
প্রশ্ন হলো, আর্জেন্টিনা কি এসব করেছে?
আর্জেন্টিনা কি গাযায় ইজ্রাইলী গণহত্যা বন্ধের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট দিয়েছে?
সেটা দিয়ে আপনি নির্ধারণ করবেন, রাষ্ট্রটা কোন পক্ষে।
আবার বলতে পারেন, রাষ্ট্র তো আলাদা, খেলোয়াড়রা আলাদা।
আলাদা হলে আপনি প্রতিবাদ করতে পারেন। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করতে পারেন।
যেমন মিশরের স্বৈরাচার, সামরিক শাসক সিসির অবস্থান ইজ্রাইলের পক্ষে হওয়ার পরও, মিশরীয় কোচ ফিলিস্তিনী পতাকা উড়িয়েছেন।
এটা দূঃসাহস। কিন্তু ওনি করেছেন।
নির্বাচিত শাসক হলে একটা কথা ছিল। স্বৈরশাসকের অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে তিনি এটা করেছেন।
ওনি না করলেও পারতেন। কারণ নির্বাচিত শাসকের দায় জনগণের উপর বর্তালেও, স্বৈরশাসকের দায় সরাসরি জনগণে উপরে দেয়া যায় না।
বলতে পারেন, হাসিনার সময়ের ক্রিকেট টিমের প্লেয়াররা কি হাসিনার পক্ষেই ছিল?
যারা হাসিনার পক্ষে ছিল না, তাদের অনেকে খেলতে পারে নাই।
আবার অনেকে হাসিনার সরাসরি পক্ষ নেয় নাই।
যেমন ধরেন তাসকিন।
তাহলে আপনি তাসকিনকে বাদ দিতেই পারেন হাসিনা সাপোর্টার থেকে।
কিন্তু যারা সরাসরি পক্ষ নিয়েছে, তাদেরকে কি আলাদা করতে পারবেন?
যেমন মাশরাফি, সাকিব আল হাসান।
আপনি হাসিনার দায় থেকে তাসকিন, সৌম্যকে আলাদা করতে পারলেও,
সাকিব মাশরাফিকে পারবেন না।
কারণ তারা সরাসরি প্রকাশ্যে হাসিনার পক্ষ অবলম্বন করেছে।
যেকোনো দেশের যেকোনো প্লেয়ার যদি ইজ্রাইলে গিয়ে, তার নিজ ধর্ম না হওয়ার পরও ওয়েস্টার্ন ওয়ালে মাথা ঠেকায়ে আসে, তাহলে সে প্রকাশ্যে পক্ষালম্বন করেছে।
সে বলতে পারে, আমি তো আমার চাকরীর অংশ, কাজের অংশ হিসেবে, শান্তি দূত হয়ে গেছিলাম।
বুঝলাম কাজের অংশ হয়ে গেছ।
ওয়েস্টার্ন ওয়ালে সিজদা দেয়া তোমার কোন কাজের অংশ?
আপনি বলতে পারেন, এমি মার্তিনেজ সিজদা দেয় নাই। ওকে, ফাইন।
এমিকে বাদ দেন। যে দিছে, সে যে জায়োনিস্ট, এটা নিয়ে তর্ক করবেন না।
তর্ক করার অর্থ হলো, নড়বেনা জেনেও পাহাড় ঠেলা।
কোনো দেশ গাযায় ইজ্রাইলী গণহত্যা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরাসরি ভোট দেয়, তার সেরা প্লেয়ার গিয়ে ওয়েস্টার্ন ওয়ালে মাথা ঠেকায়ে আসে।
এরপরও যদি আপনি তার পক্ষ হয়ে তর্ক করেন, এটাকে নানাভাবে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেন, তাহলে আপনার সাথে ইজ্রাইলের বন্ধুদের পার্থক্য কোথায়?
আপনিও তো জায়োনিস্টদের জন্য লড়ছেন। | 1 341 |
| 12 | ইরানে মুহুর্মুহু হামলা যুক্তরাষ্ট্রের। | 1 159 |
| 13 | পৃথিবীর কয়েকটা জিনিসের প্রতি আমার প্রচণ্ড আবেগ কাজ করে।
যেকোনো মজলুমের কষ্ট আমাকে প্রচণ্ডভাবে স্পর্শ করে।
ফিলিস্তিন, আরাকান, উইগার, কাশ্মীর, কাতালানদের প্রতি আমি যে টান অনুভব করি, সেটা আর কোন্য কিছুর প্রতিই করিনা।
এই পৃথিবীটা পুরোপুরি রাজনৈতিক। কোনো কিছুই এর বাইরে না।
পার্থক্য হচ্ছে- কেউ সেটা বুঝে, আর কেউ বুঝতে চায় না। | 1 429 |
| 14 | আমি ফুটবল বিশেষজ্ঞ না। ফুটবল নিয়ে আমার বিশেষজ্ঞ লেভেলের জ্ঞান নাই, পড়াশোনাও নাই।
ফুটবল নিয়ে আমার জ্ঞান খুবই বেসিক লেভেলের। একজন সাধারণ দর্শক হিসেবে যতটুকু বুঝার দরকার, এটুকুই।
আমি নিশ্চিত যে- পাড়ার দোকানদার আমার চেয়েও বেশী ফুটবলের খবর রাখে।
ফুটবলের বেসিক নিয়ম কানুন, আইনের বাইরে- কোন দলের প্লেয়ারের নাম কী, বেতন কত, জন্মদিন কখন, কে কোন পজিশনে খেলে, এগুলার ব্যাপারে কোনো ইতিহাসই আমি জানিনা।
আমি এমনকি মেসি-রোনালদোর জন্মদিন কবে, তাদের বাচ্চাকাচ্চা কী! সেটাও জানিনা। এগুলা নাকি একদম বেসিক।
কিন্তু আমি জানিনা। লাগলে যাস্ট গুগল করে বের করি।
ফুটবলের বেসিক নিয়ম, ফাউল, রুলস, ল এগুলা জানি। যেহেতু অনেক আগে থেকেই মোটামুটি ক্লাব ফুটবল দেখা হতো। আর আপডেটেড ল থাকলে সেটাও জানি, যেহেতু বিশ্বকাপে নজর রাখি।
খেলা দেখার জন্য, বুঝার জন্য যা যা দরকার, এর বাইরে কিছু অতিরিক্ত কোনো বিষয়েই আমি জানিনা। কার সিজনে গোল কত, এসিস্ট কত, কোন ক্লাব কত দিয়ে কিনছে, এসব জানার আগ্রহ নাই।
খেলা যে আমার পছন্দের জিনিস, সেটাও না। আগ্রহ থাকলে আমি সেটাতে সময় দিয়ে সব খুব ভালোভাবে জেনে নিতাম।
প্রিভিয়াস ম্যাচও আমি বুঝার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেখতাম।
এ নিয়ে বই কিনতাম, ডকুমেন্টারি দেখতাম।
পছন্দের জিনিস হলে সব স্ট্যাট মনে রাখতাম।
যেভাবে মনে রাখি অস্ট্রিয়ান শিল্পীর জীবনের ইভেন্টস গুলা, স্ট্যালিনের জন্ম মৃত্যু, ইয়াসির আরাফাতের জীবনের ঘটনার সাল তারিখ, রেসিস্টেন্স ফোর্সের জম্ম, বেড়ে উঠা, যুদ্ধ, তাদের নেতাদের জয়েনের তারিখ, ফেডারেল রিজার্ভ এক্টের অনুমোদন ডেট, টাইটানিক ডুবে যাওয়ার তারিখ, রোনাল্ড রিগানের প্রেসিডেন্সি, চে গেভারার দেশ ত্যাগ, গ্রেফতার সহ এমন শত শত বিষয়ে গুলা আমি গুগল করা ছাড়াই বলতে পারবো।
পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখতে পারবো।
কারণ আমার আগ্রহের বিষয় হচ্ছে ইতিহাস, রাজনীতি আর বিজ্ঞান।
সাল মনে রাখার জন্য সাল আমি মুখস্ত করিনাই। এগুলা যাস্ট আমার মনে আছে। মনে থাকে, কারণ এর সঙ্গে পৃথিবীর অনেক কিছুই জড়িত।
পৃথিবীর সব কিছুই রাজনৈতিক। ভূ-রাজনীতি নিয়ে যেহেতু আমার তুমুল আগ্রহ, তাই আমি রাজনৈতিক প্রতিটা বিষয়কে ভালোভাবে দেখি। বুঝার চেষ্টা করি।
আর ভালোভাবে না বুঝলে আমার ভালো লাগেনা।
বিশ্বকাপে নজর রাখি এই ইভেন্টটা পুরোপুরি রাজনৈতিক একটা ইভেন্ট এজন্য। খেলা দেখার জন্য না।
যারা মনে করেন খেলা রাজনীতির বাইরে, তারা আসলে মনেপ্রাণে একেকজন শিশু।
না না, আপনার বাসায় খেলা লুডু খেলা, সামনে খেলা টেনিস, ব্যাডমিন্টন, পাড়ার মাঠে খেলা ফুটবল, ক্রিকেটের কথা বলছি না।
বিশ্বকাপের মত ইভেন্টের কথা বলছি।
ইভেন্ট রাজনৈতিক, খেলা জুয়াড়ীদের।
শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়, যেটা বিগ ব্রাদাররা চায়।
কার সাথে কার খেলা পড়বে, কীভাবে করলে কার সাথে পড়বে, বাদ পড়লে কার সাথে পড়বে এগুলা সব হিসাব নিকাশ করা থাকে।
এটা যেহেতু সিনেমা না, তাই সরাসরি কন্ট্রোল করা যায় না। কিন্তু দিক পরিবর্তন করানো যায়।
সবকিছু সবসময় বাই বুক হয় না, কিন্তু অনেক কিছুই হয়।
জিনিসটা ধরেন পাল তোলা নৌকার মত।
ইঞ্জিনের নৌকার মত আপনি ইচ্ছেমতো দিক পরিবর্তন করে, ইচ্ছেমত চলতে পারবেন না।
কিন্তু স্রোত আর বাতাস ক্যালকুলেট করে, পছন্দের দিকে যেতে পারবেন।
এর জন্য স্রোত আর বাতাসটা কিছুটা অনুকূলে থাকতে হবে।
আপনি ৩ ধাপ আঘাতে পারলে, আপনাকে ২ ধাপ এগিয়ে দেয়া হবে।
ফুটবল নিয়ে ট্রল আর মক করার বাইরে, সিরিয়াস কিছু নিয়ে কোনো কথা আমি বলিনা।
কিন্তু যখন বলি, এর অর্থ এককভাবে ফুটবল না।
রাজনৈতিক কারণেই বলি।
ফুটবল নিয়ে আমার কখনো কোনো আবেগ নাই। ক্রিকেট নিয়েও নাই।
অলিম্পিকের কিছু খেলা দেখে মজা পেতাম।
কিন্তু ক্রিকেট ফুটবলে কখনো কোনো আবেগ ছিল না। পছন্দের কোনো টীম বা খেলা দেখার জন্য সাপোর্ট দেয়া কোনো টীম হারলেও কখনো খারাপ লাগে নাই।
মানুষের যে আসলেই খারাপ লাগে, সেটা নিজের চোখে দেখার আগে আমি বিশ্বাসই করতাম না।
খেলা নিয়ে মানুষ কী যে ইমোশনাল, না দেখলে আমি কখনো বিশ্বাস করতাম না।
আমার ক্লোজ বন্ধুরা আমাকে বলতো, অনূভুতিহীন রোবট।
আমি ফুটবল ভালো খেলতাম। কিন্তু তাও আমার ফুটবল খেলতে অত ভালো লাগতো না।
তাও বন্ধুদের জোরাজুরিতে ছোট বেলায় খেলতাম। ওরাও জোরাজুরি করতো, কারণ জানতো- আব্বুকে বললেই আমাকে সবচেয়ে দামী ফুটবলটা কিনে দেবে।
খেলাও দেখতে যেতাম ওদের সাথে। আমি খেলা দেখার চেয়ে, মানুষের খেলা দেখার যে অনূভুতি, এক্সপ্রেশন— সেটা দেখে বেশী মজা পেতাম।
মানুষ খেলা দেখতো, আমি মানুষকে দেখতাম।
ছোট বেলায় কোনো টিমকে সাপোর্ট দেয়াও সামাজিক চাপের অংশ হিসেবে।
পরে পরে অবশ্য বুঝতে শিখলাম, বিগ ব্রাদাররা এগুলোকে রাজনৈতিক ইভেন্ট বানিয়ে ফেলেছে। মানুষ শ্রেফ মজা পায়, কিন্তু ওদের কাছে এগুলো শ্রেফ বিনোদন না।
এগুলা দিয়ে কন্ট্রোল করা হয় পৃথিবীর অনেক কিছুই। ইনফ্লুয়েন্স করা হয় পৃথিবীর প্রায় সব কিছুকেই। | 1 333 |
| 15 | ০১|
আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচের রেফারির নাম হলো François Letexier। আলোচ্য ফ্রেঞ্চ রেফারির জন্ম হয়েছিল একটি অর্থোডক্স ইয়াহুদি পরিবারে। যার দাদা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানদের থেকে পালিয়ে পরবর্তীতে ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল। আশা করি বোঝা গিয়েছে।
০২|
Peter Thiel নামের একজন ব্যক্তি রয়েছে। যার Palantir Technologies Inc দুনিয়ার অধিকাংশ ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন ও সামরিক বাহিনীর ওপর প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করতে সমর্থ হয়েছে। বিশেষ করে US Intelligence Community, UK Intelligence Community যার মাঝে উল্লেখযোগ্য। Israeli Intelligence Community এর সাথে লোকটির নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। গাজায় Israeli Air Force এর বিমান হামলার টার্গেট সিলেকশনে লোকটির সংস্থার তৈরি করা Artificial Intelligence সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
কিছুদিন হলো Peter Thiel নিজের পুরো পরিবার নিয়ে আর্জেন্টিনায় চলে গিয়েছে৷ সেখানে ১২ মিলিয়ন ডলারের ম্যানশন কিনে নিজের বাচ্চাদের আর্জেন্টিনার রাজধানী শহরের একটি স্কুলে ভর্তি করিয়েছে।
০৩|
আর্জেন্টিনার বর্তমান রাষ্ট্রপতি একজন কট্টর ইসরায়েলপন্থী। এমনকি সে নিজেকে ইয়াহুদী বংশোদ্ভূত দাবি করে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সাথে আর্জেন্টিনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে সে অত্যধিক সোচ্চার। এমনকি, সে নিজেকে উগ্র ইয়াহুদী বলে দাবি করে থাকে। রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণের পূর্বে সে নিঊ ইয়র্কে Chabad-Lubavitch Hasidic Movement এর ইয়াহুদি ধর্মগুরু Menachem Mendel Schneerson এর কবর পরিদর্শন করেছিল। মনে রাখার বিষয় হলো, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পূর্বে President Donald Trump নিজেও একই কাজ করেছিল।
সবমিলিয়ে, বর্তমান আর্জেন্টিনা দেশটি একটি অন্ধকারের আবরণে আচ্ছাদিত হয়ে রয়েছে। আমি যার খুব সামান্য একাংশ তুলে ধরেছি। স্বল্প পরিসরে এর থেকে বেশি সম্ভব না আসলে। আর্জেন্টিনা স্রেফ নিরপরাধ ফুটবলের দেশ নয়। এটি স্মরণে রাখলে ভালো করবেন।
মুহাম্মাদ ফাওয়াজ আল-ওয়াহিদি, মিসরের পক্ষ হতে গাজায় শরণার্থী সহায়তার দায়িত্ব পাওয়া একজন কর্মকর্তা। তিনি গাজায় শরণার্থীদের ফুটবল দেখার জন্য স্ক্রিনের ব্যবস্থা করছিলেন। গতকাল Israel Defense Forces তাকে হত্যা করে। গতকালের ম্যাচের ওপর ইসরায়েল খুব ঘনিষ্ঠ নজর রেখেছিল। এর অর্থ এখন নিজের মতো করে ভেবে নিন।
ধন্যবাদ।
-Revan M | 1 029 |
| 16 | গাযায় ফিলিস্তিনীরা মিশরের পতাকা হাতে মিশরকে সাপোর্ট করছে খেলা দেখার সময়।
খেলা দেখার আয়োজককে হত্যা করেছে ইজরাইলী মিলিটারী। | 1 094 |
| 17 | Sin texto... | 1 140 |
| 18 | পুরা বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতার পর ফিলিস্তীনের পতাকা উচিয়ে সেলিব্রেশনের দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন, একজন।
মিশরের কোচ।
আজকে মিশরের সাথে আর্জেন্টিনার খেলা ছিল।
আর্জেন্টিনা গাযা গণহত্যার কট্টর সমর্থক, যারা ইজরাইলের পক্ষে জাতিসংঘে ভোট দেয়।
ইরানের উপর আক্রমণকে প্রকাশ্যে সাপোর্ট দেয়া দেশ এটি।
গাযা গণহত্যা চালিয়ে যেতে এবং ইরানের বম্বিং চালু রাখার পক্ষে প্রকাশ্য কট্টর সাপোর্ট দেয়া দেশ।
আজকে মিশরের সাথে ম্যাচে শুরু থেকেই অসম্ভব আনফেয়ার একটা ম্যাচ হয়।
আর্জেন্টিনার পোস্টার বয় মেসি, যে ওয়েস্টার্ন ওয়ালে গিয়ে সিজদা দিয়ে আসে, রামমন্দিরে গিয়ে সিজদা দিয়ে আসে।
তাকে আজকে শুরুতেই দেয়া হয়ে একটি পেনাল্টি।
যেটি অবশ্যই সে মিস করে।
এরপর আর্জেন্টিনাকে সব ধরণের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে ম্যাচ জেতানোর চেষ্টা লুকানোর চেষ্টাই করেনি রেফারী।
আর্জেন্টাইন প্লেয়ারদের সাথে লাগলেই দেয়া হয় ফাউল।
অথচ মিশরীয়দের ফাউল করলেও, ফাউল দেয়া হয় না।
একজন মিশরীয় প্লেয়ারকে মুখে হাত দিয়ে ইচ্ছাকৃত আঘাতের পরও ফাউল দেয়া হয়নি।
মিশরের দেয়া গোলকে VAR চেকের ভান করেই বাতিল করে দেয়া হয়।
যেটা স্পষ্টত নির্লজ্জ ডাকাতি।
পুরো ম্যাচে মিশরকে হারিয়ে দিতে নিজেদের নির্লজ্জ প্রচেষ্টা লুকানোর কোনো চেষ্টাই করেনি ফিফা।
ইরানের সাথে খুব আনফেয়ার করে হারানো হয়েছিল।
ফিলিস্তিনের ফ্ল্যাগ উড়ানো একমাত্র দলটিকেও অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে ডাকাতি করে আজ ফেরানো হলো।
এরপরও অনেকে বলবে, খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবেন না। | 1 421 |
| 19 | Sin texto... | 2 101 |
| 20 | দীপংকর দাসের বাতিঘর এই বইটা বের করেছে।
বইটা লিখেছে একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, যে আওয়ামীলীগের আমলে গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থেকে পলাতক আমিনুল হক পলাশ।
একজন পলাতক, মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তির প্রোপাগাণ্ডাকে বই হিসেবে ছাপানোর সাহস কীভাবে দেখায় বাতিঘর?
বাতিঘরের পেছনে ব্যাকআপ দিচ্ছে কে? ভারত?
আমরা জানি ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়েছিল আওয়ামীলীগ এবং ভারত।
ভারত লুঙ্গী ধুতি গোচ দিয়ে নেমেছিল বাংলাদেশকে ব্যর্থ করতে।
বাতিঘর একই প্রোপাগাণ্ডা বই হিসেবে ছেপেছে।
এই বইয়ের ভূমিকা লিখেছে শেখ হাসিনা।
বাতিঘরের দূঃসাহস দেখে অবাক হই না।
সরকারের উচিৎ এই ব্যাপারটাকে সহজভাবে না নেয়া। | 1 937 |
