ch
Feedback
iTahmid

iTahmid

前往频道在 Telegram

Tech, History, Geopolitics

显示更多

📈 Telegram 频道 iTahmid 的分析概览

频道 iTahmid (@itahmidtg) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 438 名订阅者,在 政治 类别中位列第 4 585,并在 孟加拉国 地区排名第 1 997

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 438 名订阅者。

根据 15 六月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -109,过去 24 小时变化为 -8,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 18.01%。内容发布后 24 小时内通常能获得 6.13% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 2 060 次浏览,首日通常累积 701 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 37

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
Tech, History, Geopolitics

凭借高频更新(最新数据采集于 16 六月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 政治 类别中的关键影响点。

11 438
订阅者
-824 小时
-387
-10930

数据加载中...

标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
六月 '26
六月 '26
+7
在0个频道中
五月 '26
+31
在1个频道中
Get PRO
四月 '26
+15
在1个频道中
Get PRO
三月 '26
+364
在1个频道中
Get PRO
二月 '26
+24
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+27
在3个频道中
Get PRO
十二月 '25
+6
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+9
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+112
在1个频道中
Get PRO
九月 '25
+30
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+8
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+19
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+1 298
在0个频道中
Get PRO
五月 '25
+1 225
在2个频道中
Get PRO
四月 '25
+136
在4个频道中
Get PRO
三月 '25
+578
在1个频道中
Get PRO
二月 '25
+98
在0个频道中
Get PRO
一月 '25
+80
在2个频道中
Get PRO
十二月 '24
+298
在2个频道中
Get PRO
十一月 '24
+195
在3个频道中
Get PRO
十月 '24
+327
在5个频道中
Get PRO
九月 '24
+295
在2个频道中
Get PRO
八月 '24
+718
在12个频道中
Get PRO
七月 '24
+711
在7个频道中
Get PRO
六月 '24
+105
在1个频道中
Get PRO
五月 '24
+468
在1个频道中
Get PRO
四月 '24
+390
在2个频道中
Get PRO
三月 '24
+99
在0个频道中
Get PRO
二月 '24
+305
在3个频道中
Get PRO
一月 '24
+263
在0个频道中
Get PRO
十二月 '23
+680
在4个频道中
Get PRO
十一月 '23
+2 066
在5个频道中
Get PRO
十月 '23
+2 853
在2个频道中
Get PRO
九月 '23
+1
在0个频道中
Get PRO
八月 '23
+6
在0个频道中
Get PRO
七月 '23
+24
在0个频道中
Get PRO
六月 '23
+45
在0个频道中
Get PRO
五月 '23
+249
在0个频道中
Get PRO
四月 '23
+142
在0个频道中
Get PRO
三月 '23
+60
在0个频道中
Get PRO
二月 '23
+933
在0个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
16 六月0
15 六月0
14 六月0
13 六月+3
12 六月0
11 六月+1
10 六月0
09 六月0
08 六月0
07 六月0
06 六月0
05 六月0
04 六月0
03 六月0
02 六月+2
01 六月+1
频道帖子
photo content

2
没有文字...
663
3
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সহ সব পরিচালকদের সরিয়ে দিয়ে, পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করেছে সরকার। একজন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে।
787
4
প্রশাসক বসাতে বসাতে বিএনপি ইসলামী ব্যাংকেও প্রশাসক বসায়ে দিছে।
776
5
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইন্টেরিম সরকার বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারী করেন
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইন্টেরিম সরকার বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারী করেন। তার প্রেক্ষিতে গত ১২ জুন দুবাই পুলিশ বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বলে উল্লেখ করলেও, পরে সংশোধন করে এই সরকার পর্যবেক্ষণ করেছে বলে মন্তব্য করেন। ধন্যবাদ মুহাম্মদ ইউনূস।
873
6
ফেইসবুক ডাউন।
1 320
7
আজ ১২ তারিখ, শুক্রবার। এমন এক ১২ তারিখের শুক্রবারে, এমন এক দুপুরে, জুমার নামাজের পর আমার ভাই শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা হয়।
1 360
8
বাংলাদেশে মন্দির হবে, গীর্জা হবে। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যিযাস ক্রাইস্টের স্ট্যাচু কিংবা ভারতের চেয়ে বড় বা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় রামের মূর্তি হলে তো সমস্যা। বাঙালী হিন্দুদের মধ্যে রাম সবচেয়ে বড় সেলিব্রেটেড কেউ না। এজন্য পুরো অবিভক্ত বাংলায় ঐতিহাসিকভাবে পুরনো কোনো রাম মন্দির আপনি খুঁজে পাবেন না। কলকাতাতে খুঁজেন, পাবেন না। বাংলায় ধুমধাম করে দেবী দূর্গা বা সরস্বতীর মত রামচন্দ্রের পুজো হতো, এমন কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তিও পাবেন না। এখনো হয় না। এমনকি কালী কিংবা মনসা কাছাকাছিও সেলিব্রেটেড কেউ না। বাংলায় রামচন্দ্র রাম নবমীর সন্ধ্যার মত ছোট করে পুজা হতো। বাচ্চারা গল্পে রামের নাম জানতো। রাম মূলত আরএসএস বিজেপির যে হিন্দুত্ববাদ, সেটার সিম্বল। বাবরী মসজিদ ভেঙে রামমন্দির করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতে বিজেপির উত্থান ঘটে। এবং দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তারা বাবরী মসজিদ ধ্বংস করে সেখানে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করে। যে রাম বাংলার না, সেই রামের সুবিশাল স্ট্যাচু বাংলাদেশের রংপুরের মত সেন্সেটিভ জায়গায় কেন? আপনি দূর্গা বা সরস্বতীর প্রতিমা বানালেন না, বানালেন রামের সুবিশাল স্ট্যাচু। আপনার যদি পূজা করতেই হয়, মন্দিরের ভেতরে রামের মূর্তি বানিয়ে পূজা করেন। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম রাম মূর্তির নামে সুবিশাল রামের স্ট্যাচু কেন? স্ট্যাচু তো পূজা করার জন্য হয় না, স্ট্যাচু সেই দেশের প্রতীক। ভারতের সবচেয়ে বড় স্ট্যাচুও রামের না, গুজরাটি বল্লবের। হিন্দুদ্দ্র ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করে, বাংলাদেশে সুবিশাল রামের স্ট্যাচু বসিয়ে আপনি কী করতে চান? বাংলাদেশে বিজেপির প্রভাব জানান দিতে চান? নাকি ধর্মীয় দাঙ্গা লাগাতে চান? সরকার এই প্রকল্পের অনুমোদন কীভাবে দিল?
1 326
9
বানানোর পর বলছে স্থগিত।
বানানোর পর বলছে স্থগিত।
1 080
10
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন দেশে একটি ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই জন্য ওআইসিতে আলোচনা হয়। বিভিন্ন মুসলিম দেশ গুলো আগ্রহ দেখায়। বাংলাদেশের সরকার গুলোর সাথে চিঠি চালাচালি হয়। এমনকি আরবরা বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দেয়। বাংলাদেশে আইডিবির মত একটা ব্যাংক হওয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা হয়। আলোচনা হয়, ভ্রমণ হয়, মিটিং হয়, চিঠি আদানপ্রদান হয়। কিন্তু কাজের কাজ আর হয় না। বাংলাদেশে যেমনটা হয় আরকি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলামী কোনো ব্যাংক প্রতিষ্ঠা আর হয় নাই। আরবদের আগ্রহ থাকা স্বত্ত্বেও কোনো সরকার একটা শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক বানাতে পারেনাই অনেক বছরেও। ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর কাসেম আলী ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নেন। তার উদ্যোগের সাথে এগিয়ে আসে আরো ২১ জন বাংলাদেশী ব্যক্তিত্ব, ৪টি বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান, আইডিবি সহ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ১১টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারী সংস্থা, এবং সৌদি আরবের দুইজন লোক। ১৯৮৩ সালের ৩০ মার্চ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড নামে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম শরীয়াহ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংকটি যাত্রা শুরু করে। বেসরকারী উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শুধুমাত্র শরীয়াহ ভিত্তিক একটা ব্যাংক টিকে থাকতে পারবে কিনা, সেটা নিয়ে সবাই সন্দিহান ছিল। এটি যে টিকে থাকবে, সেটা অনেকের কাছেই অসম্ভব মনে হয়েছিল। মূলত এই কারণে এর আগে কেউ এগিয়ে এসে ব্যাংকটা প্রতিষ্ঠার সাহস করেনি, যেটা মীর কাসেম আলীরা করেছিলেন। ৬০ ভাগ বিদেশী, ৪০ ভাগ দেশীয় মালিকানায় যাত্রা শুরু করে ব্যাংকটি। টিকে থাকবে কিনা সন্দেহ করা ব্যাংকটা হয়ে উঠে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ব্যাংক। হয়ে উঠে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মূলধনী প্রতিষ্ঠান। হয়ে উঠে দেশের বৃহত্তম ঋণসেবা দাতা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড টানা ৯ বছর বিশ্বের ১,০০০ শীর্ষ ব্যাংকের তালিকায় আসে একমাত্র ও প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে। দেশে এক্সপোর্ট এবং রেমিট্যান্সের সিংহভাগ লেনদেন হতো এই ব্যাংকে। দ্য ইকোনোমিস্ট মন্তব্য করেছিল- বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের যে উত্থান, চীনের বাইরে বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের যে প্রধান উৎপাদন ভিত্তি, সেটার ক্ষেত্রে ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের অবদান সর্বোচ্চ। দেশের বৃহত্তম বেসরকারী ব্যাংকটি শুরু থেকেই জামায়াত নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক বলে পরিচিত ছিল। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে ম্যানেজমেন্ট পুরোটা ছিল জামায়াতপন্থী। মীর কাশেম আলী নিজে একজন জামায়াতের রাজনীতিবিদ। ফলে ক্ষমতায় আসার পর ব্যাংকটির উপরে চোখ পড়ে আওয়ামীলীগের। ব্যাংকটিকে জামায়াতমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জামায়াত মুক্ত করার অংশ হিসেবেই ব্যাংকটি তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বেক্সিমকো অথবা এস আলম গ্রুপকে। শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে দেশী এবং বিদেশী বেশীরভাগ শেয়ারহোল্ডারকে সরিয়ে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এস আলম গ্রুপ। দেশের সবচেয়ে ধনী বেসরকারী ব্যাংকটি আর্থিক সমস্যায় পড়ে। শুধুমাত্র ইসলামী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকেই এস আলম তুলে নেয় ৫০ হাজার কোটি টাকা। যে ঘাটতি মেটাতে ১৩ বছর লাগবে বলে গত বছর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একসময় যে ব্যাংক চলবে কিনা বলে সবাই সন্দিহান ছিল, সেই ব্যাংকের অবস্থা দেখে দেশে অনেকগুলো শরীয়াহ ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক চালু হয়। অন্যান্য ব্যাংকও ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো চালু করে। দেশে যে শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকের সাফল্য, সেটার জন্য ধন্যবাদ পেতে পারেন মীর কাশেম আলী। যিনি সাহস করে উদ্যোগ নিয়েছিলেন দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরীয়াহ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার, সাথে যারা তখন তার সাথে এগিয়ে এসেছিলেন। দেশের দুই কোটির বেশী মানুষ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক। দেশের গরীব, দূঃখী, মেহনতী মানুষের ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক। প্রবাসে রক্ত পানি করে কামলা দিয়ে দেশে টাকা পাঠানো শ্রমিকের ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক। আওয়ামীলীগের আমলে দূর্বল হওয়া ব্যাংকটিকে রিকভার করার জন্য নানা উদ্যোগ নেয় ইন্টেরিম। কিন্তু বিএনপি সরকার একইভাবে আওয়ামীলীগের মত জামায়াতমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেখা যাক, দেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ব্যাংকটির ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত কী আছে! ধন্যবাদ মরহুম মীর কাশেম আলী, আপনার কারণে দেশের কোটি কোটি মানুষ উপকৃত হয়েছে। যে রাস্তা আপনি দেখিয়ে গেছেন, সেটা বদলে দিয়ে গেছে অনেক মানুষের ভাগ্য। এই দেশের ভাগ্য। তবে এই দেশের মানুষের ভাগ্যে হয়তো সৌভাগ্য বেশিদিন সয় না। এটাই এইদেশের মানুষের পরিণতি।
1 237
11
খুললাম খুল্লা সংসদে এভাবে বলে কি আগে কেউ ব্যাংক দখল করতে চেয়ছিল?
খুললাম খুল্লা সংসদে এভাবে বলে কি আগে কেউ ব্যাংক দখল করতে চেয়ছিল?
1 126
12
বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে যত ঝামেলার শুরু। এস আলম ঘনিষ্ঠ ডেপুটি গভর্ণর খুরশীদ আলম, যিনি জুলাই অভ্যুত্থানের পর চাকরি হারান, তাকে ব্যাংকের শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর গত ৬ দিন গ্রাহকরা তুলে নেয় ৫ হাজার কোটি টাকা। আজকে আবার বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকে নতুন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিছে।
1 190
13
Islami bank annual Report 2025 (1).pdf
1 254
14
আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ সংসদে বলেছেন- 'ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার কোটি টাকা বণ্টন করা হয়েছে। ৫ আগস্টের পর এগুলো বিতরণ করা হয়। আগে ঋণ দিয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা, নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার জন্য পরে আবার দিয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। এর কোনো হদীস নাই।' কিন্তু ইসলামী ব্যাংক ১৯৯৬ থেকে তার ৩০ বছরের ইতিহাসে আরডিএস প্রকল্পে মোট ঋণ দিয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকারও কম। তাও ৯৮% ফেরৎ দিয়েছেন গ্রহীতারা। তাহলে ২২ হাজার কোটি টাকার কথা আসলো কোত্থেকে?
1 263
15
没有文字...
1 194
16
আমরা সবাই জানি, রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে অস্ত্রের মুখে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার তার পূর্বের মালিকদের কাছ থেকে নিয়েছে এস আলম। যেটাকে বলা যায়- দ্য গ্রেট ইসলামী ব্যাংক হাইজ্যাক, বাই এস আলম। আজকে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে এত আলোচনা, এত ঝামেলা, এত নাটকীয়তা- সব কিছুর মূল এই এস আলমের ব্যাংক হাইজ্যাক। এস আলম যদি ইসলামী ব্যাংক দখল না করতো, এস আলম যদি অন্যান্য ব্যাংকগুলা দখল করে দেউলিয়া না করতো, এস আলম যদি ইসলামী ব্যাংক থেলে লক্ষকোটি টাকা নামে বেনামে লোন না নিত, এস আলম যদি ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ খেলাফী না করতো- তাহলে আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ইসলামী ব্যাংক থাকতো না। এস আলম সংশ্লিষ্ট কাউকে চেয়ারম্যান নিয়োগের কারণেও গ্রাহকরা প্যানিক হয়ে টাকা তুলে নিত না। সব কিছুর মূল কারণ- দ্য গ্রেট হাইজ্যাক অব ইসলামী ব্যাংক বাই এস আলম। ইসলামী ব্যাংক যদি মূল মালিকদের কাছে ফেরৎ যায়, তাহলে এস আলম দখল করার আগের মালিকদের কাছেই যেতে হবে। এস আলমের বদলে সালমান এফ রহমানকে দিয়ে দিলে সেটা তো মূল মালিকদের কাছে ফেরৎ যাওয়া হলো না। এস আলমের কাছে গেলে তো, একেবারেই না। আজকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন- ইসলামী ব্যাংক তার শেয়ার হোল্ডারদের কাছে ফেরৎ যাবে। কীভাবে শেয়ার খরিদ করেছে, সেটা ভিন্ন আলাপ। না মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এটা ভিন্ন আলাপ না। এটাই মূল আলাপ। এটাই প্রাইমারী আলাপ। এটাই মেইন আলাপ। বাকী সব ভিন্ন আলাপ। শেয়ার হোল্ডারদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার নামে এস আলমের কাছে ব্যাংক ফিরিয়ে দেয়ার আলাপ আপনি করতে পারেন না। এটা নৈতিক কথা না। আচ্ছা, এস আলম কত টাকার শেয়ার কিনেছে? সে ইসলামী ব্যাংক থেকে মেরে দিয়েছে কত টাকা? তার শেয়ারের বিপরীতে এই টাকার রেশিও কত? সে আর কত টাকা ফেরৎ পাবে বা পুরো শেয়ারের মূল্য বাদ দিলেও ইসলামী ব্যাংক আর কত টাকা তার কাছে পাবে? আলাপটা তো এভাবেই হতে পারে। শেয়ার হোল্ডার ইজ শেয়ার হোল্ডার, কীভাবে খরিদ করেছে সেটা ভিন্ন আলোচনা বলা কোনো রেসপন্সিবল মন্ত্রীর কথা হতে পারেনা।
1 207
17
ব্যাংক কীভাবে ফাংশন করে সেটা খুব সহজভাবে বলি। ধরেন, গ্রাহকরা সবাই মিলে ১০০ টাকা রাখলো ব্যাংকে। এখন ব্যাংক তো সেই ১০০ টাকা পুরাটা ক্যাশ হিসেবে রেখে দেয় না। সে কী করে, মোটামুটি ৯০ টাকা বিভিন্ন গ্রাহক/প্রতিষ্ঠানকে ঋণ হিসেবে দিয়ে দেয়। সেই টাকা ব্যাংকে আছে, কিন্তু ব্যাংকের কাছে নাই। সেই টাকা মার্কেটে সার্কুলেশন করছে। ব্যাংকের কাছে ক্যাশ আছে ১০ টাকার মত। কারণ সব গ্রাহক একসাথে সব টাকা তুলতে যায় না। একজন ২টাকা তুললে, অন্যদিকে ২ জন ৪টাকা জমা দেয়। ফলে ব্যাংক থেকে গ্রাহক খালি হাতে ফিরে না। কিন্তু ধরেন, সব গ্রাহক চিন্তা করলো- তারা তাদের সব টাকা তুলে নেবে। সবাই মিলে গেল ১০০ টাকা তুলে ফেলতে। এখন ব্যাংকের কাছে কিন্তু আপনার দেয়া টাকা ক্যাশ বা লিকুইড আকারে নাই। টাকা গুলা মার্কেটে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণ, নানা জায়গায় ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে চলে গেছে। আপনি সব টাকা তুলতে চাইলেও, ব্যাংকের পক্ষে সেটা সম্ভব না। কারণ ঋণ যাদেরকে দিয়েছে, সেটা কিন্তু আজকে চাইলেই সে নিতে পারবে না। ঋণ পরিশোধের জন্য লম্বা সময় আছে। ফলে সব গ্রাহক একসাথে টাকা তুলতে চাইলে, ব্যাংকের পক্ষে দেয়া সম্ভব না। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ধার দেনা করে এনেও সে কাভার দিতে পারবে না। এমনকি সব গ্রাহক না, ধরেন অর্ধেক গ্রাহক চিন্তা করলো, তারা ৫০ টাকা তুলে ফেলবে। সেটাও সম্ভব না। কারণ মূল ধণ ১০০ টাকা হলেও, ৫০ টাকা ক্যাশ তার কাছে নাই। ফলে ব্যাংক কলাপ্স করবে। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাংকটাও রাতারাতি ধ্বসে পড়বে। সিলিকন ভ্যালী ব্যাংকের মত ব্যাংকও ২০২৩ সালে গ্রাহকদের আতংকের কারণে ধ্বসে পড়েছিল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গ্রাহকদের আতংকিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এস আলমের ব্যাংকগুলোর তারল্যসংকট এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানে রাখা গ্রাহকদের আমানত তারা ফেরত দিতে পারছে না। গ্রাহকরা তাদের‍ জমা রাখা টাকা তুলতে পারছে না। এখনো এই ব্যাংকের গ্রাহকরা অত্যন্ত অর্থ কষ্টে আছে। একজনকে আমি চিনি, যার একাউন্টে ৮৫ লাখ টাকা ছিল। কিন্তু ডেইলী উইথড্র লিমিট ৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ একদম প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা করে তুললে, এই পুরো টাকা ওনার তুলতে লাগবে ৫ বছর। অনেক মানুষ এখনো ঘুরছে, টাকা তুলতে পারেনা। ইসলামী ব্যাংকেও এস আলমের নামে বেনামে লোন লক্ষকোটি টাকার মত। এর মধ্যে ৫৭ হাজার কোটি টাকার খেলাপী ঋণ। এস আলমের লোকজনের হাতে ব্যাংকের টপ ম্যানেজমেন্ট তুলে দেয়ার খবরে গ্রাহকরা আতংকিত হবেন, এটাই স্বাভাবিক। যতই গ্রাহকদেরকে বিভিন্ন দলের লোকজন বলে ট্যাগ দেয়ার চেষ্টা করেন, গ্রাহক কেন তার কষ্টে অর্জিত টাকার রিস্ক নেবে? ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলে তো সে ২ লাখ টাকার বেশী পাবে না। কে চাইবে, তার নিজের টাকাটা অনিরাপদ, অনিশ্চিত জায়গায় রাখতে? এটা তো আপনিও চাইবেন না। গ্রাহকরা অলরেডি এস আলম নিয়ন্ত্রিত অন্যান্য ইসলামী ব্যাংক গুলোর পরিণতি দেখেছে। ফলে তারা খুব সহজেই প্যানিক হয়ে যাচ্ছে। হওয়াটাই স্বাভাবিক। দেশের অর্থনীতির, বিশেষ করে রেমিট্যান্স এর সবচেয়ে বড় যোগানদাতা ব্যাংক ধ্বসে পড়লে, দেশের পুরো অর্থনীতি ধ্বসে পড়বে। মানুষ ব্যাংকের উপর থেকে বিশ্বাস হারাবে। কেউ ব্যাংকে টাকা রাখতে চাইবে না। গ্রাহক যে হারে টাকা তুলে নিচ্ছে- সেটা চলতে থাকলে এই ব্যাংক কলাপ্স করবে। কেউ সেটা ঠেকাতে পারবে না। সরকার টাকা ছাপিয়ে সেটা ঠেকানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু গ্রাহকদের টাকা তুলে ফেলার হার কন্টিনিউ থাকলে, টাকা ছাপিয়েও ব্যাংকটাকে বাঁচানো যাবে না। এটা বুঝার মত বুদ্ধি সরকারের নিশ্চয় আছে। ব্যাংকটাকে রাজনীকরণ না করে, এস আলম দখল করার আগের ম্যানেজমেন্টকে ফিরিয়ে দিয়ে আগের অবস্থায় আনার চেষ্টা করা উচিৎ। কারণ এস আলম দখল করার আগে ইসলামী ব্যাংক ছিল গ্রাহক সেবায় বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যাংক। গরীব মেহনতী মানুষের ব্যাংক। বিদেশে রক্তকে ঘাম করে দেশে টাকা পাঠানো প্রবাসীদের ব্যাংক। যারা সারাজীবন খেটে ব্যাংকটাকে দেশের শীর্ষ ব্যাংক বানিয়েছিল, তাদের কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে এক সকালে ব্যাংকটা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। দেশের স্বার্থে, অর্থনীতির স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে- ব্যাংকটাকে নিয়ে টানাটানি না করে, যারা গড়েছিল তাদেরকে দিয়ে ব্যাংকটাকে ঠিক করা হোক। এই ব্যাংক ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের কী পরিস্থিতি হবে, সেটা এখনো হয়তো অনেকে টের পাচ্ছেন না। ঝড় আসছে, যে ক্ষতি পোষানো যাবে না।
1 499
18
আওয়ামীলীগের পতনের পর চাকরী হারানো ডেপুটি গভর্ণর খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়ার পর ব্যাংকটি গ্রাহকেরা ৫ দিনে তুলে নিয়েছেন সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা।
1 234
19
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ডা খলিলুর রহমান।
1 956
20
নেহেরুদের ধারণা ছিল, দূর্বল রাষ্ট্র পাকিস্তান ফাংশন করতে পারবে না। দুইদিন পর ভারত এই দেশ দখল করে নেবে। তখন পার্মানেন্ট গোলাম হয়েই থাকবে এরা। জিন্নাহর মৃত্যুর ঠিক দুই দিন পর ওরা হায়দারাবাদ আক্রমণ করে দখল করে নিয়েছিল। পাকিস্তান স্বাধীন হলো। জিন্নাহ যা চেয়েছিলেন, তার অর্ধেকও পান নাই। কিন্তু মুসলমানদের জন্য নিরাপদ একটা সীমানা নির্ধারণ করতে পেরেছিলেন। জিন্নাহর বিরোধিতা করে ভারতে থেকে যাওয়া জমিদার মুসলমানরা তাদের জমিদারি হারিয়েছে। তাদের বংশধরেরা নামাজ পড়তে পারেনা, কুরবানী করতে পারেনা। তাদের ঘরবাড়ী বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। জিন্নাহ পাকিস্তান আদায় করে নিতে পেরেছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানকে গড়ে যেতে পারেন নাই। এক বছরের মধ্যে ইন্তেকাল করেন। জিন্নাহর পাকিস্তানের প্রথম আইন ও শ্রম মন্ত্রী হন একজন নিম্নবর্ণের হিন্দু। একজন তফশীলি হিন্দু, যোগেন মণ্ডল। একজন দলিত হিন্দু মন্ত্রী হবে, এটা ভারতেও কল্পনা করা যায় না। কিন্তু জিন্নাহর পাকিস্তানে সেটা সম্ভব হয়েছিল। জিন্নাহ জানতেন তিনি বেশীদিন বাঁচবেন না। জিন্নাহ আশংকা করেছিলেন, তিনি বেশিদিন বাঁঁচবেন না এটা জানলে, বৃটিশদের বলে কংগ্রেস পার্টিশান প্ল্যান পিছিয়ে দেবে। ফলে আর কখনো মুসলমানদের আলাদা দেশ পাওয়া হবে না। জিন্নাহর আশংকা যে সত্য ছিল, সেটা লর্ড মাউন্টব্যাটেন নিজেই তার লেখাতে বলেছিলেন। জিন্নাহ বেশিদিন বাঁচবেন না জানলে তিনি দেশভাগ পিছিয়ে দিতেন। ফলে আর কখনো দেশভাগ হতো না। কারণ জিন্নাহর মত এক রোখা এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারবে, এরকম আর কেউ ছিল না। জিন্নাহ তড়িঘড়ি করে যা পেয়েছেন, সেটা নিয়েই পাকিস্তান গড়েন। বোন ফাতেমা জিন্নাহকে নিয়ে জন্মভূমি ছেড়ে নতুন দেশ পাকিস্তানে চলে যান। জিন্নাহ তার স্বপ্নের পাকিস্তান এনেছিলেন, কিন্তু গড়ে যেতে পারেননি। জিন্নাহ মারা যাওয়ার পর পাকিস্তান তার মূল নীতি থেকে সরে আসে। সেটার সবচেয়ে বড় প্রমাণ যোগেন মণ্ডল নিজে। তিনি জিন্নাহ মারা যাওয়ার দুই বছর পরই পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে দেশত্যাগ করেন। তার অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান সরকার হিন্দু বিদ্বেষ এবং বাঙালী বিদ্বেষ লালন করে। তারা পাঞ্জাবী বাদে বাকীদের প্রতি বৈষম্য করে। যোগেন মণ্ডল, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাকালীন আইনমন্ত্রী, পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। যিনি পাকিস্তানের মুখপাত্র ছিলেন, গণপরিষদের সভাপতি ছিলেন। জিন্নাহর পাকিস্তান একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। কিন্তু জিন্নাহকে বিশ্বাস করে তার সাথে চলে আসা মুসলমানদের বংশধরেরা একটা নিরাপদ সীমানা পেয়েছে। যেখানে তারা এখনো আজান দিতে পারে, নামাজ পড়তে পারে, গরু কুরবানী দিতে পারে, চাকরী বাকরী পায়। গরু খেতে খেতে জিন্নাহকে গালিও দিতে পারে। এটাই জিন্নাহর সাফল্য। লণ্ডন ফেরত এক উকিল ভবিষ্যৎ দেখেছিলেন, যা অন্যরা দেখেন নাই। যারা দেখেন নাই, তাদের বংশধররা প্রতিনিয়ত তার প্রায়শ্চিত্ত করে যাচ্ছে, প্রাণ দিয়ে।
2 551