ar
Feedback
iTahmid

iTahmid

الذهاب إلى القناة على Telegram

Tech, History, Geopolitics

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام iTahmid

تُعد قناة iTahmid (@itahmidtg) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 574 مشتركاً، محتلاً المرتبة 4 526 في فئة السياسة والمرتبة 1 985 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 574 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 17 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 14، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 121، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 13.98‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 6.03‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 615 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 697 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 33.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
Tech, History, Geopolitics

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 18 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة السياسة.

11 574
المشتركون
+12124 ساعات
+867 أيام
+1430 أيام

جاري تحميل البيانات...

سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
يونيو '26
يونيو '26
+150
في 0 قنوات
مايو '26
+31
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+15
في 1 قنوات
Get PRO
مارس '26
+364
في 1 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+24
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '26
+27
في 3 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+6
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+9
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+112
في 1 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+30
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+8
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+19
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+1 298
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '25
+1 225
في 2 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+136
في 4 قنوات
Get PRO
مارس '25
+578
في 1 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+98
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '25
+80
في 2 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+298
في 2 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+195
في 3 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+327
في 5 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+295
في 2 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+718
في 12 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+711
في 7 قنوات
Get PRO
يونيو '24
+105
في 1 قنوات
Get PRO
مايو '24
+468
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '24
+390
في 2 قنوات
Get PRO
مارس '24
+99
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '24
+305
في 3 قنوات
Get PRO
يناير '24
+263
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '23
+680
في 4 قنوات
Get PRO
نوفمبر '23
+2 066
في 5 قنوات
Get PRO
أكتوبر '23
+2 853
في 2 قنوات
Get PRO
سبتمبر '23
+1
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '23
+6
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '23
+24
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '23
+45
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '23
+249
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '23
+142
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '23
+60
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '23
+933
في 0 قنوات
التاريخ
نمو المشتركين
الإشارات
القنوات
18 يونيو+18
17 يونيو+125
16 يونيو0
15 يونيو0
14 يونيو0
13 يونيو+3
12 يونيو0
11 يونيو+1
10 يونيو0
09 يونيو0
08 يونيو0
07 يونيو0
06 يونيو0
05 يونيو0
04 يونيو0
03 يونيو0
02 يونيو+2
01 يونيو+1
منشورات القناة
পৃথিবীতে কোনো কিছুই রাজনীতির বাইরে না। ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ একটি পলিটিক্যাল ইভেন্ট। এটি কোনোভাবেই রাজনীতি মুক্ত কিছু না। আপনার কাছে মনে হতে পারে যে, এগুলো কন্সপিরেসি থিউরী, এগুলো বাড়াবাড়ি, খেলার সাথে আবার রাজনীতির কী সম্পর্ক! কিন্তু সত্যি হচ্ছে, ফিফা আয়োজিত ফুটবল বিশ্বকাপও রাজনৈতিক একটা ইভেন্ট। এটা বিশ্বরাজনীতির অংশ, আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু এসব ব্যাপারে যদি আপনি মানুষকে বলতে যান, ফেইসবুকে লিখতে যান, তাহলে বড় অংশই ক্ষেপে যাবে। ক্ষেপে আপনাকে গালাগালি করবে। এজন্য ফুটবল নিয়ে কোনো সিরিয়াস আলাপ ফেইসবুকে দিই না। তবে ফেইসবুকে থাকা বেশীরভাগ অডিয়েন্সের যেহেতু বুঝার ক্ষমতা অত্যন্ত নিন্ম লেভেলের, তাই তারা যেকোনো কিছু নিজের দিকে টেনে নেয়। ক্ষেপে যায়। ক্ষেপে গিয়ে আবার গালাগালি করে। অবশ্য আমার মজাই লাগে, এজন্য এদেরকে আমি প্রচুর ক্ষেপাই। এদের প্রিয় দল, প্রিয় খেলোয়াড় নিয়ে আপনি কিছু বললে— এর আপনাকে বাপ মা তোলে গালাগালি করবে। জিনিসটা আমি আবিষ্কার করি, ২০১৪ সালে। আর্জেন্টিনা কীভাবে দেশের সব কালো মানুষকে মুছে ফেলে পুরোপুরি সাদা হয়ে গেল, কালোদের উপর চালানো গণহত্যা নিয়ে লিখেছিলাম। তখন যাদেরকে ভালো লোক ভাবতাম, তারাও এসে আমাকে অ্যাটাক করে। কারণ তারা আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। ব্যাপারটাকে আমি প্রচণ্ড অবাক হই। আমি কিন্তু ইতিহাস, রাজনীতি নিয়ে লিখেছি। খেলার সাথে এর কোনো সম্পর্ক ছিল না। গণহারে রিপোর্ট করে আমার সেই লেখাও রিমুভ করে দেয় তারা। তখন বুঝতে পারি, এই দেশে ফুটবল ফ্যানরা কত ফ্যানাটিক। আমার অবজারভেশনে ভুল থাকতে পারে, অন্যদের চেয়ে আলাদা হতে পারে; কিন্তু আর্জেন্টিনা আর মেসি ফ্যানদের একটা বড় অংশ ফ্যানাটিক। আমি বলছি না, সবাই। আমার অনেক ক্লোজ মানুষ এই দলের সাপোর্টার। কিন্তু একটা বড় অংশ অত্যন্ত ফ্যানাটিক। এর একটা কারণ হতে পারে, বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা সাপোর্টার বেশী, তাই হয়তো এরকম অংশও বেশী। অন্যান্য দলের সাপোর্টারদের মধ্যেও সেইম লোক আছে, কিন্তু তারা সংখ্যায় অত্যন্ত নগন্য। মেসি যে জায়োনিস্ট, এটা বললেও এসে গালাগাল করবে। ইভেন মেসির পরে পরবর্তী তারকা হিসেবে জায়োনিস্টরা নেইমারকে পছন্দ করে গ্রুম করতে পিক করেছিল। কিন্তু নানা কারণে সেটা হয় নাই। ব্রাজিলের রাজনৈতিক কারণ, আমেরিকার সাথে ব্রাজিলের বিপরীত মেরুর অবস্থানের কারণে এটা অতটা সহজ না। যতটা সহজ একজন আর্জেন্টাইন বা সুইডিশ কাউকে করা। আবার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এন্টি জায়োনিস্ট, এন্টি ইজরাইলী না হলে, সে ছিল একটা খুব ভালো চয়েস। কিন্তু এন্টি জায়োনিস্ট হওয়ায়, তাকে দমিয়ে রাখতে পারাটাও একটা সাফল্য। কিন্তু সে এসব বিট করেছে, অনেকভাবেই। যাই হোক, এই লেখাটা কোনো খেলা নিয়ে লেখা না। এই লেখাটা রাজনৈতিক। আমি কোনো ফুটবল দলেরই খেলার জন্য সাপোর্টার না।

2
لا يوجد نص...
1 225
3
لا يوجد نص...
1 223
4
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সহ সব পরিচালকদের সরিয়ে দিয়ে, পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করেছে সরকার। একজন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে।
1 235
5
প্রশাসক বসাতে বসাতে বিএনপি ইসলামী ব্যাংকেও প্রশাসক বসায়ে দিছে।
1 211
6
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইন্টেরিম সরকার বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারী করেন
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইন্টেরিম সরকার বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারী করেন। তার প্রেক্ষিতে গত ১২ জুন দুবাই পুলিশ বেনজির আহমেদকে গ্রেফতার করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বলে উল্লেখ করলেও, পরে সংশোধন করে এই সরকার পর্যবেক্ষণ করেছে বলে মন্তব্য করেন। ধন্যবাদ মুহাম্মদ ইউনূস।
1 352
7
ফেইসবুক ডাউন।
1 786
8
আজ ১২ তারিখ, শুক্রবার। এমন এক ১২ তারিখের শুক্রবারে, এমন এক দুপুরে, জুমার নামাজের পর আমার ভাই শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা হয়।
1 822
9
বাংলাদেশে মন্দির হবে, গীর্জা হবে। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যিযাস ক্রাইস্টের স্ট্যাচু কিংবা ভারতের চেয়ে বড় বা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় রামের মূর্তি হলে তো সমস্যা। বাঙালী হিন্দুদের মধ্যে রাম সবচেয়ে বড় সেলিব্রেটেড কেউ না। এজন্য পুরো অবিভক্ত বাংলায় ঐতিহাসিকভাবে পুরনো কোনো রাম মন্দির আপনি খুঁজে পাবেন না। কলকাতাতে খুঁজেন, পাবেন না। বাংলায় ধুমধাম করে দেবী দূর্গা বা সরস্বতীর মত রামচন্দ্রের পুজো হতো, এমন কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তিও পাবেন না। এখনো হয় না। এমনকি কালী কিংবা মনসা কাছাকাছিও সেলিব্রেটেড কেউ না। বাংলায় রামচন্দ্র রাম নবমীর সন্ধ্যার মত ছোট করে পুজা হতো। বাচ্চারা গল্পে রামের নাম জানতো। রাম মূলত আরএসএস বিজেপির যে হিন্দুত্ববাদ, সেটার সিম্বল। বাবরী মসজিদ ভেঙে রামমন্দির করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতে বিজেপির উত্থান ঘটে। এবং দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তারা বাবরী মসজিদ ধ্বংস করে সেখানে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করে। যে রাম বাংলার না, সেই রামের সুবিশাল স্ট্যাচু বাংলাদেশের রংপুরের মত সেন্সেটিভ জায়গায় কেন? আপনি দূর্গা বা সরস্বতীর প্রতিমা বানালেন না, বানালেন রামের সুবিশাল স্ট্যাচু। আপনার যদি পূজা করতেই হয়, মন্দিরের ভেতরে রামের মূর্তি বানিয়ে পূজা করেন। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম রাম মূর্তির নামে সুবিশাল রামের স্ট্যাচু কেন? স্ট্যাচু তো পূজা করার জন্য হয় না, স্ট্যাচু সেই দেশের প্রতীক। ভারতের সবচেয়ে বড় স্ট্যাচুও রামের না, গুজরাটি বল্লবের। হিন্দুদ্দ্র ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করে, বাংলাদেশে সুবিশাল রামের স্ট্যাচু বসিয়ে আপনি কী করতে চান? বাংলাদেশে বিজেপির প্রভাব জানান দিতে চান? নাকি ধর্মীয় দাঙ্গা লাগাতে চান? সরকার এই প্রকল্পের অনুমোদন কীভাবে দিল?
1 815
10
বানানোর পর বলছে স্থগিত।
বানানোর পর বলছে স্থগিত।
1 276
11
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন দেশে একটি ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই জন্য ওআইসিতে আলোচনা হয়। বিভিন্ন মুসলিম দেশ গুলো আগ্রহ দেখায়। বাংলাদেশের সরকার গুলোর সাথে চিঠি চালাচালি হয়। এমনকি আরবরা বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দেয়। বাংলাদেশে আইডিবির মত একটা ব্যাংক হওয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা হয়। আলোচনা হয়, ভ্রমণ হয়, মিটিং হয়, চিঠি আদানপ্রদান হয়। কিন্তু কাজের কাজ আর হয় না। বাংলাদেশে যেমনটা হয় আরকি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলামী কোনো ব্যাংক প্রতিষ্ঠা আর হয় নাই। আরবদের আগ্রহ থাকা স্বত্ত্বেও কোনো সরকার একটা শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক বানাতে পারেনাই অনেক বছরেও। ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর কাসেম আলী ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নেন। তার উদ্যোগের সাথে এগিয়ে আসে আরো ২১ জন বাংলাদেশী ব্যক্তিত্ব, ৪টি বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান, আইডিবি সহ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ১১টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারী সংস্থা, এবং সৌদি আরবের দুইজন লোক। ১৯৮৩ সালের ৩০ মার্চ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড নামে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম শরীয়াহ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংকটি যাত্রা শুরু করে। বেসরকারী উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শুধুমাত্র শরীয়াহ ভিত্তিক একটা ব্যাংক টিকে থাকতে পারবে কিনা, সেটা নিয়ে সবাই সন্দিহান ছিল। এটি যে টিকে থাকবে, সেটা অনেকের কাছেই অসম্ভব মনে হয়েছিল। মূলত এই কারণে এর আগে কেউ এগিয়ে এসে ব্যাংকটা প্রতিষ্ঠার সাহস করেনি, যেটা মীর কাসেম আলীরা করেছিলেন। ৬০ ভাগ বিদেশী, ৪০ ভাগ দেশীয় মালিকানায় যাত্রা শুরু করে ব্যাংকটি। টিকে থাকবে কিনা সন্দেহ করা ব্যাংকটা হয়ে উঠে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ব্যাংক। হয়ে উঠে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মূলধনী প্রতিষ্ঠান। হয়ে উঠে দেশের বৃহত্তম ঋণসেবা দাতা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড টানা ৯ বছর বিশ্বের ১,০০০ শীর্ষ ব্যাংকের তালিকায় আসে একমাত্র ও প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে। দেশে এক্সপোর্ট এবং রেমিট্যান্সের সিংহভাগ লেনদেন হতো এই ব্যাংকে। দ্য ইকোনোমিস্ট মন্তব্য করেছিল- বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের যে উত্থান, চীনের বাইরে বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের যে প্রধান উৎপাদন ভিত্তি, সেটার ক্ষেত্রে ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের অবদান সর্বোচ্চ। দেশের বৃহত্তম বেসরকারী ব্যাংকটি শুরু থেকেই জামায়াত নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক বলে পরিচিত ছিল। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে ম্যানেজমেন্ট পুরোটা ছিল জামায়াতপন্থী। মীর কাশেম আলী নিজে একজন জামায়াতের রাজনীতিবিদ। ফলে ক্ষমতায় আসার পর ব্যাংকটির উপরে চোখ পড়ে আওয়ামীলীগের। ব্যাংকটিকে জামায়াতমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জামায়াত মুক্ত করার অংশ হিসেবেই ব্যাংকটি তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বেক্সিমকো অথবা এস আলম গ্রুপকে। শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে দেশী এবং বিদেশী বেশীরভাগ শেয়ারহোল্ডারকে সরিয়ে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এস আলম গ্রুপ। দেশের সবচেয়ে ধনী বেসরকারী ব্যাংকটি আর্থিক সমস্যায় পড়ে। শুধুমাত্র ইসলামী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকেই এস আলম তুলে নেয় ৫০ হাজার কোটি টাকা। যে ঘাটতি মেটাতে ১৩ বছর লাগবে বলে গত বছর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একসময় যে ব্যাংক চলবে কিনা বলে সবাই সন্দিহান ছিল, সেই ব্যাংকের অবস্থা দেখে দেশে অনেকগুলো শরীয়াহ ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক চালু হয়। অন্যান্য ব্যাংকও ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো চালু করে। দেশে যে শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকের সাফল্য, সেটার জন্য ধন্যবাদ পেতে পারেন মীর কাশেম আলী। যিনি সাহস করে উদ্যোগ নিয়েছিলেন দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরীয়াহ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার, সাথে যারা তখন তার সাথে এগিয়ে এসেছিলেন। দেশের দুই কোটির বেশী মানুষ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক। দেশের গরীব, দূঃখী, মেহনতী মানুষের ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক। প্রবাসে রক্ত পানি করে কামলা দিয়ে দেশে টাকা পাঠানো শ্রমিকের ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক। আওয়ামীলীগের আমলে দূর্বল হওয়া ব্যাংকটিকে রিকভার করার জন্য নানা উদ্যোগ নেয় ইন্টেরিম। কিন্তু বিএনপি সরকার একইভাবে আওয়ামীলীগের মত জামায়াতমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেখা যাক, দেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ব্যাংকটির ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত কী আছে! ধন্যবাদ মরহুম মীর কাশেম আলী, আপনার কারণে দেশের কোটি কোটি মানুষ উপকৃত হয়েছে। যে রাস্তা আপনি দেখিয়ে গেছেন, সেটা বদলে দিয়ে গেছে অনেক মানুষের ভাগ্য। এই দেশের ভাগ্য। তবে এই দেশের মানুষের ভাগ্যে হয়তো সৌভাগ্য বেশিদিন সয় না। এটাই এইদেশের মানুষের পরিণতি।
1 418
12
খুললাম খুল্লা সংসদে এভাবে বলে কি আগে কেউ ব্যাংক দখল করতে চেয়ছিল?
খুললাম খুল্লা সংসদে এভাবে বলে কি আগে কেউ ব্যাংক দখল করতে চেয়ছিল?
1 199
13
বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে যত ঝামেলার শুরু। এস আলম ঘনিষ্ঠ ডেপুটি গভর্ণর খুরশীদ আলম, যিনি জুলাই অভ্যুত্থানের পর চাকরি হারান, তাকে ব্যাংকের শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর গত ৬ দিন গ্রাহকরা তুলে নেয় ৫ হাজার কোটি টাকা। আজকে আবার বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকে নতুন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিছে।
1 351
14
Islami bank annual Report 2025 (1).pdf
1 416
15
আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ সংসদে বলেছেন- 'ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার কোটি টাকা বণ্টন করা হয়েছে। ৫ আগস্টের পর এগুলো বিতরণ করা হয়। আগে ঋণ দিয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা, নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার জন্য পরে আবার দিয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। এর কোনো হদীস নাই।' কিন্তু ইসলামী ব্যাংক ১৯৯৬ থেকে তার ৩০ বছরের ইতিহাসে আরডিএস প্রকল্পে মোট ঋণ দিয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকারও কম। তাও ৯৮% ফেরৎ দিয়েছেন গ্রহীতারা। তাহলে ২২ হাজার কোটি টাকার কথা আসলো কোত্থেকে?
1 387
16
لا يوجد نص...
1 386
17
আমরা সবাই জানি, রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে অস্ত্রের মুখে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার তার পূর্বের মালিকদের কাছ থেকে নিয়েছে এস আলম। যেটাকে বলা যায়- দ্য গ্রেট ইসলামী ব্যাংক হাইজ্যাক, বাই এস আলম। আজকে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে এত আলোচনা, এত ঝামেলা, এত নাটকীয়তা- সব কিছুর মূল এই এস আলমের ব্যাংক হাইজ্যাক। এস আলম যদি ইসলামী ব্যাংক দখল না করতো, এস আলম যদি অন্যান্য ব্যাংকগুলা দখল করে দেউলিয়া না করতো, এস আলম যদি ইসলামী ব্যাংক থেলে লক্ষকোটি টাকা নামে বেনামে লোন না নিত, এস আলম যদি ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ খেলাফী না করতো- তাহলে আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ইসলামী ব্যাংক থাকতো না। এস আলম সংশ্লিষ্ট কাউকে চেয়ারম্যান নিয়োগের কারণেও গ্রাহকরা প্যানিক হয়ে টাকা তুলে নিত না। সব কিছুর মূল কারণ- দ্য গ্রেট হাইজ্যাক অব ইসলামী ব্যাংক বাই এস আলম। ইসলামী ব্যাংক যদি মূল মালিকদের কাছে ফেরৎ যায়, তাহলে এস আলম দখল করার আগের মালিকদের কাছেই যেতে হবে। এস আলমের বদলে সালমান এফ রহমানকে দিয়ে দিলে সেটা তো মূল মালিকদের কাছে ফেরৎ যাওয়া হলো না। এস আলমের কাছে গেলে তো, একেবারেই না। আজকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন- ইসলামী ব্যাংক তার শেয়ার হোল্ডারদের কাছে ফেরৎ যাবে। কীভাবে শেয়ার খরিদ করেছে, সেটা ভিন্ন আলাপ। না মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এটা ভিন্ন আলাপ না। এটাই মূল আলাপ। এটাই প্রাইমারী আলাপ। এটাই মেইন আলাপ। বাকী সব ভিন্ন আলাপ। শেয়ার হোল্ডারদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার নামে এস আলমের কাছে ব্যাংক ফিরিয়ে দেয়ার আলাপ আপনি করতে পারেন না। এটা নৈতিক কথা না। আচ্ছা, এস আলম কত টাকার শেয়ার কিনেছে? সে ইসলামী ব্যাংক থেকে মেরে দিয়েছে কত টাকা? তার শেয়ারের বিপরীতে এই টাকার রেশিও কত? সে আর কত টাকা ফেরৎ পাবে বা পুরো শেয়ারের মূল্য বাদ দিলেও ইসলামী ব্যাংক আর কত টাকা তার কাছে পাবে? আলাপটা তো এভাবেই হতে পারে। শেয়ার হোল্ডার ইজ শেয়ার হোল্ডার, কীভাবে খরিদ করেছে সেটা ভিন্ন আলোচনা বলা কোনো রেসপন্সিবল মন্ত্রীর কথা হতে পারেনা।
1 399
18
ব্যাংক কীভাবে ফাংশন করে সেটা খুব সহজভাবে বলি। ধরেন, গ্রাহকরা সবাই মিলে ১০০ টাকা রাখলো ব্যাংকে। এখন ব্যাংক তো সেই ১০০ টাকা পুরাটা ক্যাশ হিসেবে রেখে দেয় না। সে কী করে, মোটামুটি ৯০ টাকা বিভিন্ন গ্রাহক/প্রতিষ্ঠানকে ঋণ হিসেবে দিয়ে দেয়। সেই টাকা ব্যাংকে আছে, কিন্তু ব্যাংকের কাছে নাই। সেই টাকা মার্কেটে সার্কুলেশন করছে। ব্যাংকের কাছে ক্যাশ আছে ১০ টাকার মত। কারণ সব গ্রাহক একসাথে সব টাকা তুলতে যায় না। একজন ২টাকা তুললে, অন্যদিকে ২ জন ৪টাকা জমা দেয়। ফলে ব্যাংক থেকে গ্রাহক খালি হাতে ফিরে না। কিন্তু ধরেন, সব গ্রাহক চিন্তা করলো- তারা তাদের সব টাকা তুলে নেবে। সবাই মিলে গেল ১০০ টাকা তুলে ফেলতে। এখন ব্যাংকের কাছে কিন্তু আপনার দেয়া টাকা ক্যাশ বা লিকুইড আকারে নাই। টাকা গুলা মার্কেটে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণ, নানা জায়গায় ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে চলে গেছে। আপনি সব টাকা তুলতে চাইলেও, ব্যাংকের পক্ষে সেটা সম্ভব না। কারণ ঋণ যাদেরকে দিয়েছে, সেটা কিন্তু আজকে চাইলেই সে নিতে পারবে না। ঋণ পরিশোধের জন্য লম্বা সময় আছে। ফলে সব গ্রাহক একসাথে টাকা তুলতে চাইলে, ব্যাংকের পক্ষে দেয়া সম্ভব না। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ধার দেনা করে এনেও সে কাভার দিতে পারবে না। এমনকি সব গ্রাহক না, ধরেন অর্ধেক গ্রাহক চিন্তা করলো, তারা ৫০ টাকা তুলে ফেলবে। সেটাও সম্ভব না। কারণ মূল ধণ ১০০ টাকা হলেও, ৫০ টাকা ক্যাশ তার কাছে নাই। ফলে ব্যাংক কলাপ্স করবে। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাংকটাও রাতারাতি ধ্বসে পড়বে। সিলিকন ভ্যালী ব্যাংকের মত ব্যাংকও ২০২৩ সালে গ্রাহকদের আতংকের কারণে ধ্বসে পড়েছিল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গ্রাহকদের আতংকিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এস আলমের ব্যাংকগুলোর তারল্যসংকট এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানে রাখা গ্রাহকদের আমানত তারা ফেরত দিতে পারছে না। গ্রাহকরা তাদের‍ জমা রাখা টাকা তুলতে পারছে না। এখনো এই ব্যাংকের গ্রাহকরা অত্যন্ত অর্থ কষ্টে আছে। একজনকে আমি চিনি, যার একাউন্টে ৮৫ লাখ টাকা ছিল। কিন্তু ডেইলী উইথড্র লিমিট ৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ একদম প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা করে তুললে, এই পুরো টাকা ওনার তুলতে লাগবে ৫ বছর। অনেক মানুষ এখনো ঘুরছে, টাকা তুলতে পারেনা। ইসলামী ব্যাংকেও এস আলমের নামে বেনামে লোন লক্ষকোটি টাকার মত। এর মধ্যে ৫৭ হাজার কোটি টাকার খেলাপী ঋণ। এস আলমের লোকজনের হাতে ব্যাংকের টপ ম্যানেজমেন্ট তুলে দেয়ার খবরে গ্রাহকরা আতংকিত হবেন, এটাই স্বাভাবিক। যতই গ্রাহকদেরকে বিভিন্ন দলের লোকজন বলে ট্যাগ দেয়ার চেষ্টা করেন, গ্রাহক কেন তার কষ্টে অর্জিত টাকার রিস্ক নেবে? ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলে তো সে ২ লাখ টাকার বেশী পাবে না। কে চাইবে, তার নিজের টাকাটা অনিরাপদ, অনিশ্চিত জায়গায় রাখতে? এটা তো আপনিও চাইবেন না। গ্রাহকরা অলরেডি এস আলম নিয়ন্ত্রিত অন্যান্য ইসলামী ব্যাংক গুলোর পরিণতি দেখেছে। ফলে তারা খুব সহজেই প্যানিক হয়ে যাচ্ছে। হওয়াটাই স্বাভাবিক। দেশের অর্থনীতির, বিশেষ করে রেমিট্যান্স এর সবচেয়ে বড় যোগানদাতা ব্যাংক ধ্বসে পড়লে, দেশের পুরো অর্থনীতি ধ্বসে পড়বে। মানুষ ব্যাংকের উপর থেকে বিশ্বাস হারাবে। কেউ ব্যাংকে টাকা রাখতে চাইবে না। গ্রাহক যে হারে টাকা তুলে নিচ্ছে- সেটা চলতে থাকলে এই ব্যাংক কলাপ্স করবে। কেউ সেটা ঠেকাতে পারবে না। সরকার টাকা ছাপিয়ে সেটা ঠেকানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু গ্রাহকদের টাকা তুলে ফেলার হার কন্টিনিউ থাকলে, টাকা ছাপিয়েও ব্যাংকটাকে বাঁচানো যাবে না। এটা বুঝার মত বুদ্ধি সরকারের নিশ্চয় আছে। ব্যাংকটাকে রাজনীকরণ না করে, এস আলম দখল করার আগের ম্যানেজমেন্টকে ফিরিয়ে দিয়ে আগের অবস্থায় আনার চেষ্টা করা উচিৎ। কারণ এস আলম দখল করার আগে ইসলামী ব্যাংক ছিল গ্রাহক সেবায় বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যাংক। গরীব মেহনতী মানুষের ব্যাংক। বিদেশে রক্তকে ঘাম করে দেশে টাকা পাঠানো প্রবাসীদের ব্যাংক। যারা সারাজীবন খেটে ব্যাংকটাকে দেশের শীর্ষ ব্যাংক বানিয়েছিল, তাদের কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে এক সকালে ব্যাংকটা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। দেশের স্বার্থে, অর্থনীতির স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে- ব্যাংকটাকে নিয়ে টানাটানি না করে, যারা গড়েছিল তাদেরকে দিয়ে ব্যাংকটাকে ঠিক করা হোক। এই ব্যাংক ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের কী পরিস্থিতি হবে, সেটা এখনো হয়তো অনেকে টের পাচ্ছেন না। ঝড় আসছে, যে ক্ষতি পোষানো যাবে না।
1 581
19
আওয়ামীলীগের পতনের পর চাকরী হারানো ডেপুটি গভর্ণর খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়ার পর ব্যাংকটি গ্রাহকেরা ৫ দিনে তুলে নিয়েছেন সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা।
1 276
20
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ডা খলিলুর রহমান।
2 104