ar
Feedback
iTahmid

iTahmid

الذهاب إلى القناة على Telegram

Tech, History, Geopolitics

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام iTahmid

تُعد قناة iTahmid (@itahmidtg) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 515 مشتركاً، محتلاً المرتبة 4 502 في فئة السياسة والمرتبة 1 983 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 515 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 10 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 53، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -1، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 12.04‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.87‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 387 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 676 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 41.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
Tech, History, Geopolitics

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 11 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة السياسة.

11 515
المشتركون
-124 ساعات
-357 أيام
+5330 أيام

جاري تحميل البيانات...

سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
يوليو '26
يوليو '26
+9
في 0 قنوات
يونيو '26
+170
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '26
+31
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+15
في 1 قنوات
Get PRO
مارس '26
+364
في 1 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+24
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '26
+27
في 3 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+6
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+9
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+112
في 1 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+30
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+8
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+19
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+1 298
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '25
+1 225
في 2 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+136
في 4 قنوات
Get PRO
مارس '25
+578
في 1 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+98
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '25
+80
في 2 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+298
في 2 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+195
في 3 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+327
في 5 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+295
في 2 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+718
في 12 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+711
في 7 قنوات
Get PRO
يونيو '24
+105
في 1 قنوات
Get PRO
مايو '24
+468
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '24
+390
في 2 قنوات
Get PRO
مارس '24
+99
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '24
+305
في 3 قنوات
Get PRO
يناير '24
+263
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '23
+680
في 4 قنوات
Get PRO
نوفمبر '23
+2 066
في 5 قنوات
Get PRO
أكتوبر '23
+2 853
في 2 قنوات
Get PRO
سبتمبر '23
+1
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '23
+6
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '23
+24
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '23
+45
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '23
+249
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '23
+142
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '23
+60
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '23
+933
في 0 قنوات
التاريخ
نمو المشتركين
الإشارات
القنوات
11 يوليو0
10 يوليو0
09 يوليو0
08 يوليو+3
07 يوليو0
06 يوليو+3
05 يوليو0
04 يوليو0
03 يوليو+2
02 يوليو0
01 يوليو+1
منشورات القناة
স্যান্ডেল পরা কাতারের আমীরের সামনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখে মনে হচ্ছে, কোনো মার্কেটিং কোম্পানীতে চাকরী করা লোক স্যুট কোট পরে দে
স্যান্ডেল পরা কাতারের আমীরের সামনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখে মনে হচ্ছে, কোনো মার্কেটিং কোম্পানীতে চাকরী করা লোক স্যুট কোট পরে দেখা করতে আসছে।

2
চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ। বাঁশখালীতে লাখ লাখ মানুষ পানি বন্দী। সাঙ্গু নদী ওভার ফ্লো হয়ে পানি বিপদ সীমা অতিক্রমের কার+3
চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ। বাঁশখালীতে লাখ লাখ মানুষ পানি বন্দী। সাঙ্গু নদী ওভার ফ্লো হয়ে পানি বিপদ সীমা অতিক্রমের কারণে সাতকানিয়া, চকরিয়া প্রবলভাবে আক্রান্ত। চকরিয়া, বদরখালী হাইওয়ে পানির নীচে চলে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ। বেশ কয়েকটি বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয় তলিয়ে গেছে চকরিয়া উপজেলায়।
670
3
নেতানিয়াহু ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করার কথা বলেছে। এক ভিডিও বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেছে, আমি চাই এবারের বিশ্বকাপ আর
নেতানিয়াহু ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করার কথা বলেছে। এক ভিডিও বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেছে, আমি চাই এবারের বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনা জিতুক।
792
4
ফেইসবুকে অনেককে দেখলাম, আর্জেন্টাইন সাপোর্টাররা ইজ্রাইলী ফ্ল্যাগ উড়াচ্ছে বলেই আর কখনো আর্জেন্টিনা সাপোর্ট না করার শপথ নিচ্ছেন। কেউ কেউ এটা দেখিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন, আর্জেন্টিনা ইজ্রাইলী সাপোর্টার। অথচ ফ্ল্যাগ যে কেউই উড়াতে পারে। কোথাকার কোন র‍্যান্ডম সাপোর্টার পতাকা উড়ালে সেটা দিয়ে দেশের সাপোর্ট হয়ে যায় না। পতাকা তো চাইলে আপনিও উড়াতে পারেন। আমি যদি এখন তাইওয়ানের পতাকা উড়াই, তার মানে এই না যে, বাংলাদেশ তাইওয়ানকে স্বীকৃতি দিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার যদি তাইওয়ানের পক্ষে ভোট দেয়, এক চীন নীতির বিপক্ষে ভোট দেয়, তাইওয়ানের আত্মস্বীকৃতির অধিকার আছে বলে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, তাহলে সেটা হবে তাইওয়ানের জন্য বাংলাদেশের সাপোর্ট। কোনো ইজ্রাইলী আর্জেন্টিনার পতাকা উড়ালেই, সেটা আর্জেন্টিনা ইজ্রাইলকে সাপোর্ট দেয়া হয়ে যায় না। সাপোর্ট দেয়া হবে তখনই, যদি আর্জেন্টিনা ইজ্রাইলের পক্ষে জাতিসংঘে ভোট দেয়। আর্জেন্টিনা যদি বলে, ইজ্রাইলের আত্মরক্ষার অধিকার আছে। আর্জেন্টিনা যদি গাযায় গণহত্যা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে জাতিসংঘে ভোট দেয়। আর্জেন্টিনা যদি গণহত্যা বন্ধের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট দেয়। প্রশ্ন হলো, আর্জেন্টিনা কি এসব করেছে? আর্জেন্টিনা কি গাযায় ইজ্রাইলী গণহত্যা বন্ধের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট দিয়েছে? সেটা দিয়ে আপনি নির্ধারণ করবেন, রাষ্ট্রটা কোন পক্ষে। আবার বলতে পারেন, রাষ্ট্র তো আলাদা, খেলোয়াড়রা আলাদা। আলাদা হলে আপনি প্রতিবাদ করতে পারেন। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করতে পারেন। যেমন মিশরের স্বৈরাচার, সামরিক শাসক সিসির অবস্থান ইজ্রাইলের পক্ষে হওয়ার পরও, মিশরীয় কোচ ফিলিস্তিনী পতাকা উড়িয়েছেন। এটা দূঃসাহস। কিন্তু ওনি করেছেন। নির্বাচিত শাসক হলে একটা কথা ছিল। স্বৈরশাসকের অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে তিনি এটা করেছেন। ওনি না করলেও পারতেন। কারণ নির্বাচিত শাসকের দায় জনগণের উপর বর্তালেও, স্বৈরশাসকের দায় সরাসরি জনগণে উপরে দেয়া যায় না। বলতে পারেন, হাসিনার সময়ের ক্রিকেট টিমের প্লেয়াররা কি হাসিনার পক্ষেই ছিল? যারা হাসিনার পক্ষে ছিল না, তাদের অনেকে খেলতে পারে নাই। আবার অনেকে হাসিনার সরাসরি পক্ষ নেয় নাই। যেমন ধরেন তাসকিন। তাহলে আপনি তাসকিনকে বাদ দিতেই পারেন হাসিনা সাপোর্টার থেকে। কিন্তু যারা সরাসরি পক্ষ নিয়েছে, তাদেরকে কি আলাদা করতে পারবেন? যেমন মাশরাফি, সাকিব আল হাসান। আপনি হাসিনার দায় থেকে তাসকিন, সৌম্যকে আলাদা করতে পারলেও, সাকিব মাশরাফিকে পারবেন না। কারণ তারা সরাসরি প্রকাশ্যে হাসিনার পক্ষ অবলম্বন করেছে। যেকোনো দেশের যেকোনো প্লেয়ার যদি ইজ্রাইলে গিয়ে, তার নিজ ধর্ম না হওয়ার পরও ওয়েস্টার্ন ওয়ালে মাথা ঠেকায়ে আসে, তাহলে সে প্রকাশ্যে পক্ষালম্বন করেছে। সে বলতে পারে, আমি তো আমার চাকরীর অংশ, কাজের অংশ হিসেবে, শান্তি দূত হয়ে গেছিলাম। বুঝলাম কাজের অংশ হয়ে গেছ। ওয়েস্টার্ন ওয়ালে সিজদা দেয়া তোমার কোন কাজের অংশ? আপনি বলতে পারেন, এমি মার্তিনেজ সিজদা দেয় নাই। ওকে, ফাইন। এমিকে বাদ দেন। যে দিছে, সে যে জায়োনিস্ট, এটা নিয়ে তর্ক করবেন না। তর্ক করার অর্থ হলো, নড়বেনা জেনেও পাহাড় ঠেলা। কোনো দেশ গাযায় ইজ্রাইলী গণহত্যা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরাসরি ভোট দেয়, তার সেরা প্লেয়ার গিয়ে ওয়েস্টার্ন ওয়ালে মাথা ঠেকায়ে আসে। এরপরও যদি আপনি তার পক্ষ হয়ে তর্ক করেন, এটাকে নানাভাবে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেন, তাহলে আপনার সাথে ইজ্রাইলের বন্ধুদের পার্থক্য কোথায়? আপনিও তো জায়োনিস্টদের জন্য লড়ছেন।
903
5
ইরানে মুহুর্মুহু হামলা যুক্তরাষ্ট্রের।
908
6
পৃথিবীর কয়েকটা জিনিসের প্রতি আমার প্রচণ্ড আবেগ কাজ করে। যেকোনো মজলুমের কষ্ট আমাকে প্রচণ্ডভাবে স্পর্শ করে। ফিলিস্তিন, আরাকান, উইগার, কাশ্মীর, কাতালানদের প্রতি আমি যে টান অনুভব করি, সেটা আর কোন্য কিছুর প্রতিই করিনা। এই পৃথিবীটা পুরোপুরি রাজনৈতিক। কোনো কিছুই এর বাইরে না। পার্থক্য হচ্ছে- কেউ সেটা বুঝে, আর কেউ বুঝতে চায় না।
1 059
7
আমি ফুটবল বিশেষজ্ঞ না। ফুটবল নিয়ে আমার বিশেষজ্ঞ লেভেলের জ্ঞান নাই, পড়াশোনাও নাই। ফুটবল নিয়ে আমার জ্ঞান খুবই বেসিক লেভেলের। একজন সাধারণ দর্শক হিসেবে যতটুকু বুঝার দরকার, এটুকুই। আমি নিশ্চিত যে- পাড়ার দোকানদার আমার চেয়েও বেশী ফুটবলের খবর রাখে। ফুটবলের বেসিক নিয়ম কানুন, আইনের বাইরে- কোন দলের প্লেয়ারের নাম কী, বেতন কত, জন্মদিন কখন, কে কোন পজিশনে খেলে, এগুলার ব্যাপারে কোনো ইতিহাসই আমি জানিনা। আমি এমনকি মেসি-রোনালদোর জন্মদিন কবে, তাদের বাচ্চাকাচ্চা কী! সেটাও জানিনা। এগুলা নাকি একদম বেসিক। কিন্তু আমি জানিনা। লাগলে যাস্ট গুগল করে বের করি। ফুটবলের বেসিক নিয়ম, ফাউল, রুলস, ল এগুলা জানি। যেহেতু অনেক আগে থেকেই মোটামুটি ক্লাব ফুটবল দেখা হতো। আর আপডেটেড ল থাকলে সেটাও জানি, যেহেতু বিশ্বকাপে নজর রাখি। খেলা দেখার জন্য, বুঝার জন্য যা যা দরকার, এর বাইরে কিছু অতিরিক্ত কোনো বিষয়েই আমি জানিনা। কার সিজনে গোল কত, এসিস্ট কত, কোন ক্লাব কত দিয়ে কিনছে, এসব জানার আগ্রহ নাই। খেলা যে আমার পছন্দের জিনিস, সেটাও না। আগ্রহ থাকলে আমি সেটাতে সময় দিয়ে সব খুব ভালোভাবে জেনে নিতাম। প্রিভিয়াস ম্যাচও আমি বুঝার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেখতাম। এ নিয়ে বই কিনতাম, ডকুমেন্টারি দেখতাম। পছন্দের জিনিস হলে সব স্ট্যাট মনে রাখতাম। যেভাবে মনে রাখি অস্ট্রিয়ান শিল্পীর জীবনের ইভেন্টস গুলা, স্ট্যালিনের জন্ম মৃত্যু, ইয়াসির আরাফাতের জীবনের ঘটনার সাল তারিখ, রেসিস্টেন্স ফোর্সের জম্ম, বেড়ে উঠা, যুদ্ধ, তাদের নেতাদের জয়েনের তারিখ, ফেডারেল রিজার্ভ এক্টের অনুমোদন ডেট, টাইটানিক ডুবে যাওয়ার তারিখ, রোনাল্ড রিগানের প্রেসিডেন্সি, চে গেভারার দেশ ত্যাগ, গ্রেফতার সহ এমন শত শত বিষয়ে গুলা আমি গুগল করা ছাড়াই বলতে পারবো। পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখতে পারবো। কারণ আমার আগ্রহের বিষয় হচ্ছে ইতিহাস, রাজনীতি আর বিজ্ঞান। সাল মনে রাখার জন্য সাল আমি মুখস্ত করিনাই। এগুলা যাস্ট আমার মনে আছে। মনে থাকে, কারণ এর সঙ্গে পৃথিবীর অনেক কিছুই জড়িত। পৃথিবীর সব কিছুই রাজনৈতিক। ভূ-রাজনীতি নিয়ে যেহেতু আমার তুমুল আগ্রহ, তাই আমি রাজনৈতিক প্রতিটা বিষয়কে ভালোভাবে দেখি। বুঝার চেষ্টা করি। আর ভালোভাবে না বুঝলে আমার ভালো লাগেনা। বিশ্বকাপে নজর রাখি এই ইভেন্টটা পুরোপুরি রাজনৈতিক একটা ইভেন্ট এজন্য। খেলা দেখার জন্য না। যারা মনে করেন খেলা রাজনীতির বাইরে, তারা আসলে মনেপ্রাণে একেকজন শিশু। না না, আপনার বাসায় খেলা লুডু খেলা, সামনে খেলা টেনিস, ব্যাডমিন্টন, পাড়ার মাঠে খেলা ফুটবল, ক্রিকেটের কথা বলছি না। বিশ্বকাপের মত ইভেন্টের কথা বলছি। ইভেন্ট রাজনৈতিক, খেলা জুয়াড়ীদের। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়, যেটা বিগ ব্রাদাররা চায়। কার সাথে কার খেলা পড়বে, কীভাবে করলে কার সাথে পড়বে, বাদ পড়লে কার সাথে পড়বে এগুলা সব হিসাব নিকাশ করা থাকে। এটা যেহেতু সিনেমা না, তাই সরাসরি কন্ট্রোল করা যায় না। কিন্তু দিক পরিবর্তন করানো যায়। সবকিছু সবসময় বাই বুক হয় না, কিন্তু অনেক কিছুই হয়। জিনিসটা ধরেন পাল তোলা নৌকার মত। ইঞ্জিনের নৌকার মত আপনি ইচ্ছেমতো দিক পরিবর্তন করে, ইচ্ছেমত চলতে পারবেন না। কিন্তু স্রোত আর বাতাস ক্যালকুলেট করে, পছন্দের দিকে যেতে পারবেন। এর জন্য স্রোত আর বাতাসটা কিছুটা অনুকূলে থাকতে হবে। আপনি ৩ ধাপ আঘাতে পারলে, আপনাকে ২ ধাপ এগিয়ে দেয়া হবে। ফুটবল নিয়ে ট্রল আর মক করার বাইরে, সিরিয়াস কিছু নিয়ে কোনো কথা আমি বলিনা। কিন্তু যখন বলি, এর অর্থ এককভাবে ফুটবল না। রাজনৈতিক কারণেই বলি। ফুটবল নিয়ে আমার কখনো কোনো আবেগ নাই। ক্রিকেট নিয়েও নাই। অলিম্পিকের কিছু খেলা দেখে মজা পেতাম। কিন্তু ক্রিকেট ফুটবলে কখনো কোনো আবেগ ছিল না। পছন্দের কোনো টীম বা খেলা দেখার জন্য সাপোর্ট দেয়া কোনো টীম হারলেও কখনো খারাপ লাগে নাই। মানুষের যে আসলেই খারাপ লাগে, সেটা নিজের চোখে দেখার আগে আমি বিশ্বাসই করতাম না। খেলা নিয়ে মানুষ কী যে ইমোশনাল, না দেখলে আমি কখনো বিশ্বাস করতাম না। আমার ক্লোজ বন্ধুরা আমাকে বলতো, অনূভুতিহীন রোবট। আমি ফুটবল ভালো খেলতাম। কিন্তু তাও আমার ফুটবল খেলতে অত ভালো লাগতো না। তাও বন্ধুদের জোরাজুরিতে ছোট বেলায় খেলতাম। ওরাও জোরাজুরি করতো, কারণ জানতো- আব্বুকে বললেই আমাকে সবচেয়ে দামী ফুটবলটা কিনে দেবে। খেলাও দেখতে যেতাম ওদের সাথে। আমি খেলা দেখার চেয়ে, মানুষের খেলা দেখার যে অনূভুতি, এক্সপ্রেশন— সেটা দেখে বেশী মজা পেতাম। মানুষ খেলা দেখতো, আমি মানুষকে দেখতাম। ছোট বেলায় কোনো টিমকে সাপোর্ট দেয়াও সামাজিক চাপের অংশ হিসেবে। পরে পরে অবশ্য বুঝতে শিখলাম, বিগ ব্রাদাররা এগুলোকে রাজনৈতিক ইভেন্ট বানিয়ে ফেলেছে। মানুষ শ্রেফ মজা পায়, কিন্তু ওদের কাছে এগুলো শ্রেফ বিনোদন না। এগুলা দিয়ে কন্ট্রোল করা হয় পৃথিবীর অনেক কিছুই। ইনফ্লুয়েন্স করা হয় পৃথিবীর প্রায় সব কিছুকেই।
1 029
8
০১| আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচের রেফারির নাম হলো François Letexier। আলোচ্য ফ্রেঞ্চ রেফারির জন্ম হয়েছিল একটি অর্থোডক্স ইয়াহুদি পরিবারে। যার দাদা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানদের থেকে পালিয়ে পরবর্তীতে ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল। আশা করি বোঝা গিয়েছে। ০২| Peter Thiel নামের একজন ব্যক্তি রয়েছে। যার Palantir Technologies Inc দুনিয়ার অধিকাংশ ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন ও সামরিক বাহিনীর ওপর প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করতে সমর্থ হয়েছে। বিশেষ করে US Intelligence Community, UK Intelligence Community যার মাঝে উল্লেখযোগ্য। Israeli Intelligence Community এর সাথে লোকটির নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। গাজায় Israeli Air Force এর বিমান হামলার টার্গেট সিলেকশনে লোকটির সংস্থার তৈরি করা Artificial Intelligence সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিছুদিন হলো Peter Thiel নিজের পুরো পরিবার নিয়ে আর্জেন্টিনায় চলে গিয়েছে৷ সেখানে ১২ মিলিয়ন ডলারের ম্যানশন কিনে নিজের বাচ্চাদের আর্জেন্টিনার রাজধানী শহরের একটি স্কুলে ভর্তি করিয়েছে। ০৩| আর্জেন্টিনার বর্তমান রাষ্ট্রপতি একজন কট্টর ইসরায়েলপন্থী। এমনকি সে নিজেকে ইয়াহুদী বংশোদ্ভূত দাবি করে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সাথে আর্জেন্টিনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে সে অত্যধিক সোচ্চার। এমনকি, সে নিজেকে উগ্র ইয়াহুদী বলে দাবি করে থাকে। রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণের পূর্বে সে নিঊ ইয়র্কে Chabad-Lubavitch Hasidic Movement এর ইয়াহুদি ধর্মগুরু Menachem Mendel Schneerson এর কবর পরিদর্শন করেছিল। মনে রাখার বিষয় হলো, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পূর্বে President Donald Trump নিজেও একই কাজ করেছিল। সবমিলিয়ে, বর্তমান আর্জেন্টিনা দেশটি একটি অন্ধকারের আবরণে আচ্ছাদিত হয়ে রয়েছে। আমি যার খুব সামান্য একাংশ তুলে ধরেছি। স্বল্প পরিসরে এর থেকে বেশি সম্ভব না আসলে। আর্জেন্টিনা স্রেফ নিরপরাধ ফুটবলের দেশ নয়। এটি স্মরণে রাখলে ভালো করবেন। মুহাম্মাদ ফাওয়াজ আল-ওয়াহিদি, মিসরের পক্ষ হতে গাজায় শরণার্থী সহায়তার দায়িত্ব পাওয়া একজন কর্মকর্তা। তিনি গাজায় শরণার্থীদের ফুটবল দেখার জন্য স্ক্রিনের ব্যবস্থা করছিলেন। গতকাল Israel Defense Forces তাকে হত্যা করে। গতকালের ম্যাচের ওপর ইসরায়েল খুব ঘনিষ্ঠ নজর রেখেছিল। এর অর্থ এখন নিজের মতো করে ভেবে নিন। ধন্যবাদ। -Revan M
849
9
গাযায় ফিলিস্তিনীরা মিশরের পতাকা হাতে মিশরকে সাপোর্ট করছে খেলা দেখার সময়। খেলা দেখার আয়োজককে হত্যা করেছে ইজরাইলী মিলিটারী।+1
গাযায় ফিলিস্তিনীরা মিশরের পতাকা হাতে মিশরকে সাপোর্ট করছে খেলা দেখার সময়। খেলা দেখার আয়োজককে হত্যা করেছে ইজরাইলী মিলিটারী।
810
10
لا يوجد نص...
940
11
পুরা বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতার পর ফিলিস্তীনের পতাকা উচিয়ে সেলিব্রেশনের দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন, একজন। মিশরের কোচ। আজকে মিশরের সাথে আর্জেন্টিনার খেলা ছিল। আর্জেন্টিনা গাযা গণহত্যার কট্টর সমর্থক, যারা ইজরাইলের পক্ষে জাতিসংঘে ভোট দেয়। ইরানের উপর আক্রমণকে প্রকাশ্যে সাপোর্ট দেয়া দেশ এটি। গাযা গণহত্যা চালিয়ে যেতে এবং ইরানের বম্বিং চালু রাখার পক্ষে প্রকাশ্য কট্টর সাপোর্ট দেয়া দেশ। আজকে মিশরের সাথে ম্যাচে শুরু থেকেই অসম্ভব আনফেয়ার একটা ম্যাচ হয়। আর্জেন্টিনার পোস্টার বয় মেসি, যে ওয়েস্টার্ন ওয়ালে গিয়ে সিজদা দিয়ে আসে, রামমন্দিরে গিয়ে সিজদা দিয়ে আসে। তাকে আজকে শুরুতেই দেয়া হয়ে একটি পেনাল্টি। যেটি অবশ্যই সে মিস করে। এরপর আর্জেন্টিনাকে সব ধরণের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে ম্যাচ জেতানোর চেষ্টা লুকানোর চেষ্টাই করেনি রেফারী। আর্জেন্টাইন প্লেয়ারদের সাথে লাগলেই দেয়া হয় ফাউল। অথচ মিশরীয়দের ফাউল করলেও, ফাউল দেয়া হয় না। একজন মিশরীয় প্লেয়ারকে মুখে হাত দিয়ে ইচ্ছাকৃত আঘাতের পরও ফাউল দেয়া হয়নি। মিশরের দেয়া গোলকে VAR চেকের ভান করেই বাতিল করে দেয়া হয়। যেটা স্পষ্টত নির্লজ্জ ডাকাতি। পুরো ম্যাচে মিশরকে হারিয়ে দিতে নিজেদের নির্লজ্জ প্রচেষ্টা লুকানোর কোনো চেষ্টাই করেনি ফিফা। ইরানের সাথে খুব আনফেয়ার করে হারানো হয়েছিল। ফিলিস্তিনের ফ্ল্যাগ উড়ানো একমাত্র দলটিকেও অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে ডাকাতি করে আজ ফেরানো হলো। এরপরও অনেকে বলবে, খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবেন না।
1 265
12
+1
لا يوجد نص...
2 015
13
দীপংকর দাসের বাতিঘর এই বইটা বের করেছে। বইটা লিখেছে একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, যে আওয়ামীলীগের আমলে গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থেকে পলাতক আমিনুল হক পলাশ। একজন পলাতক, মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তির প্রোপাগাণ্ডাকে বই হিসেবে ছাপানোর সাহস কীভাবে দেখায় বাতিঘর? বাতিঘরের পেছনে ব্যাকআপ দিচ্ছে কে? ভারত? আমরা জানি ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়েছিল আওয়ামীলীগ এবং ভারত। ভারত লুঙ্গী ধুতি গোচ দিয়ে নেমেছিল বাংলাদেশকে ব্যর্থ করতে। বাতিঘর একই প্রোপাগাণ্ডা বই হিসেবে ছেপেছে। এই বইয়ের ভূমিকা লিখেছে শেখ হাসিনা। বাতিঘরের দূঃসাহস দেখে অবাক হই না। সরকারের উচিৎ এই ব্যাপারটাকে সহজভাবে না নেয়া।
1 902
14
+1
لا يوجد نص...
2
15
আজকে আলজেরিয়া বনাম অস্ট্রিয়ার ম্যাচ ড্র হওয়ায় ইরান বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে। গতকাল ইরানের হওয়া গোল অফসাইডে বাতিল নিয়েও প্রচুর বিতর্ক ছিল। ইরানীরা এখন বিশ্বাস করতেই পারেন, তাদের প্রতি ফিফার ষড়যন্ত্র ছিল। আজকে অস্ট্রিয়া বা আলজেরিয়া কেউ একজন হারলে ইরান পরবর্তী রাউন্ডে যেতে পারতো। ম্যাচটি ড্র হওয়ায় বিদায় নিতে হলো ইরানকে। ইরানী ফুটবলাররা আমেরিকায় খেলার ভিসা পেলেও, আমেরিকায় অবস্থানের অনুমতি দেয়া হয়নি তাদের। ম্যাচ শেষে তাদের চলে যেতে হতো মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। এমনকি প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে খেলতে এসে আবার ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে চলে যেতেও হয়েছে তাদের। চিন্তা করেন একবার! তাদের খেলার প্রস্তুতি কই, বিশ্রাম কই! ফ্লাইটে, জার্নীতেই তো তাদের সময় চলে গেল। তার উপর লজিস্টিক টিমের কাউকে ভিসা দেয়া হয়নি। পুরা ডেলিগেশনের অনেকেই ভিসা পায়নি। একটা ফুটবল টিমে কোচিং স্টাফ, মেডিক্যাল টিম, টিম ম্যানেজার, ট্রাভেল, কিট ম্যানেজার, ইকুইপমেন্ট, নিরাপত্তা, শেফ সহ কত কিছু থাকে। ইরানী অধিনায়ক গতকাল বলেছেন, তাদের লজিস্টিক টিমের কাউকে ভিসা দেয়া হয়নি। ফলে ফুটবলারদের সব নিজের কাজ নিজেকে করতে হয়েছে। ফিফা এই সমস্যার কোনো সমাধানই করেনি। এরপরও অনেকে বলবে, ফুটবল রাজনীতির বাইরে।
1 872
16
লাতিন আমেরিকার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুটি দেশ। ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা। অথচ সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে। এক দেশে সাদা কালো সব মানুষ আছে, অন্য দেশে কোনো কালোই নাই; সব সাফ করে ফেলেছে। ব্রাজিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা অধিবেশনে ফিলিস্তীনের গাযায় ইজ্রাইলী গণহত্যা বন্ধে প্রস্তাব আনে। ফিলিস্তিনের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিলেও বেসরকারি অস্ত্র নির্মাতাদের ইজ্রাইলে অস্ত্র সরবরাহ পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি প্রেসিডেন্ট লুলা। বড় অস্ত্র যেমন ট্যাংক, ক্ষেপানাস্ত্র বা যুদ্ধবিমান রফতানী করতে না পারলেও ছোট ছোট অস্ত্র এবং যন্ত্রাংশ সরবরাহ করেছে অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। দেশটির প্রেসিডেন্ট ফিলিস্তীনের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলা শুরু করে এবং অবস্থান নেয়। ফিলিস্তীনে গণহত্যা বন্ধে ব্রাজিল জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলে প্রস্তাব আনলেও, সেটি যুক্তরাষ্ট্রের ভেটোর কারণে বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে- ২০২৪ সালের ১০মে আর্জেন্টিনা ফিলিস্তীনকে জাতিসংঘে পূর্ণ সদস্যপদের প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। অর্থাৎ আর্জেন্টিনা ভোট দিয়ে জানায় যে- তারা জাতিসংঘে ফিলিস্তীনের সদস্যপদ চায় না। ২০২৪ এর ১৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত (ICJ) এর প্রস্তাবের ভিত্তিতে, ইজ্রাইলকে দখলকৃত ফিলিস্তিন ভূমি থেকে দখল প্রত্যাহারের আহবানের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট দেয় আর্জেন্টিনা। সেই বছরের নভেম্বর মাসে ফিলিস্তিনী জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের খসড়া প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয় আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনা সহ পুরো পৃথিবীর মাত্র ৬টি দেশ ফিলিস্তিনী জনগণের অধিকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট দিয়েছিল। ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গাযায় তাৎক্ষণিক, নিঃশর্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ইজ্রাইলের সাথে ভোট দেয় আর্জেন্টিনা। প্রস্তাবে ছিল- গাজায় তাৎক্ষণিক, নিঃশর্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, সব জিম্মির মুক্তি এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা। গাযায় ইজ্রাইল পানি, খাবার, অষুধ এবং বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়। সেখানে UNRWA মানবিক সহায়তা চালাতেও বাধা দিচ্ছিল ইজ্রাইল। অনরোয়াকে পশ্চিম তীরে এবং গাযায় বাধাহীনভাবে মানবিক সহায়তা চালিয়ে যেতে দেয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ইজ্রাইলের সঙ্গে ভোট দেয় আর্জেন্টিনা। সম্প্রতি ইরান-ইজ্রাইল যুদ্ধে ইজ্রাইলের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করে বলে স্টেটমেন্ট দেয় আর্জেন্টিনা। ইরানের উপর ইজ্রাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলাকে সরাসরি সমর্থন জানিয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলে বলেন- এটি ছিল the right thing to do। ইরানের আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা বলে- অতীতে আর্জেন্টিনার সব সন্ত্রাসী হামলার জন্য ইরান দায়ী। আর্জেন্টিনা সরকার প্রকাশ্য স্টেটমেন্টে বলে- Argentina will not be neutral বা আর্জেন্টিনা নিরপেক্ষ থাকবে না। ইরানকে আর্জেন্টিনার শত্রু ঘোষণা দিয়ে, ইজ্রাইলের পক্ষে থাকার ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা।
1 834
17
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন- তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমি বাড়িয়ে দেব। আর যারা আমার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেনা, তাদের জন্
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন- তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমি বাড়িয়ে দেব। আর যারা আমার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেনা, তাদের জন্য আমার শাস্তি ভয়াবহ। (সুরাহ ইবরাহীম।) কক্সবাজার-২ আসনের বিএনপির এমপি আলমগীর ফরিদ কুরআনের এই আয়াত দিয়ে বলেছেন- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুকরিয়া আদায় করতে হবে, মন্ত্রীদের শুকরিয়া আদায় করতে হবে। বিরোধীদল যেহেতু শুকরিয়া আদায় করেনা, তাদেরকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।
1 637
18
পৃথিবীতে কোনো কিছুই রাজনীতির বাইরে না। ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ একটি পলিটিক্যাল ইভেন্ট। এটি কোনোভাবেই রাজনীতি মুক্ত কিছু না। আপনার কাছে মনে হতে পারে যে, এগুলো কন্সপিরেসি থিউরী, এগুলো বাড়াবাড়ি, খেলার সাথে আবার রাজনীতির কী সম্পর্ক! কিন্তু সত্যি হচ্ছে, ফিফা আয়োজিত ফুটবল বিশ্বকাপও রাজনৈতিক একটা ইভেন্ট। এটা বিশ্বরাজনীতির অংশ, আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু এসব ব্যাপারে যদি আপনি মানুষকে বলতে যান, ফেইসবুকে লিখতে যান, তাহলে বড় অংশই ক্ষেপে যাবে। ক্ষেপে আপনাকে গালাগালি করবে। এজন্য ফুটবল নিয়ে কোনো সিরিয়াস আলাপ ফেইসবুকে দিই না। তবে ফেইসবুকে থাকা বেশীরভাগ অডিয়েন্সের যেহেতু বুঝার ক্ষমতা অত্যন্ত নিন্ম লেভেলের, তাই তারা যেকোনো কিছু নিজের দিকে টেনে নেয়। ক্ষেপে যায়। ক্ষেপে গিয়ে আবার গালাগালি করে। অবশ্য আমার মজাই লাগে, এজন্য এদেরকে আমি প্রচুর ক্ষেপাই। এদের প্রিয় দল, প্রিয় খেলোয়াড় নিয়ে আপনি কিছু বললে— এর আপনাকে বাপ মা তোলে গালাগালি করবে। জিনিসটা আমি আবিষ্কার করি, ২০১৪ সালে। আর্জেন্টিনা কীভাবে দেশের সব কালো মানুষকে মুছে ফেলে পুরোপুরি সাদা হয়ে গেল, কালোদের উপর চালানো গণহত্যা নিয়ে লিখেছিলাম। তখন যাদেরকে ভালো লোক ভাবতাম, তারাও এসে আমাকে অ্যাটাক করে। কারণ তারা আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। ব্যাপারটাকে আমি প্রচণ্ড অবাক হই। আমি কিন্তু ইতিহাস, রাজনীতি নিয়ে লিখেছি। খেলার সাথে এর কোনো সম্পর্ক ছিল না। গণহারে রিপোর্ট করে আমার সেই লেখাও রিমুভ করে দেয় তারা। তখন বুঝতে পারি, এই দেশে ফুটবল ফ্যানরা কত ফ্যানাটিক। আমার অবজারভেশনে ভুল থাকতে পারে, অন্যদের চেয়ে আলাদা হতে পারে; কিন্তু আর্জেন্টিনা আর মেসি ফ্যানদের একটা বড় অংশ ফ্যানাটিক। আমি বলছি না, সবাই। আমার অনেক ক্লোজ মানুষ এই দলের সাপোর্টার। কিন্তু একটা বড় অংশ অত্যন্ত ফ্যানাটিক। এর একটা কারণ হতে পারে, বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা সাপোর্টার বেশী, তাই হয়তো এরকম অংশও বেশী। অন্যান্য দলের সাপোর্টারদের মধ্যেও সেইম লোক আছে, কিন্তু তারা সংখ্যায় অত্যন্ত নগন্য। মেসি যে জায়োনিস্ট, এটা বললেও এসে গালাগাল করবে। ইভেন মেসির পরে পরবর্তী তারকা হিসেবে জায়োনিস্টরা নেইমারকে পছন্দ করে গ্রুম করতে পিক করেছিল। কিন্তু নানা কারণে সেটা হয় নাই। ব্রাজিলের রাজনৈতিক কারণ, আমেরিকার সাথে ব্রাজিলের বিপরীত মেরুর অবস্থানের কারণে এটা অতটা সহজ না। যতটা সহজ একজন আর্জেন্টাইন বা সুইডিশ কাউকে করা। আবার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এন্টি জায়োনিস্ট, এন্টি ইজরাইলী না হলে, সে ছিল একটা খুব ভালো চয়েস। কিন্তু এন্টি জায়োনিস্ট হওয়ায়, তাকে দমিয়ে রাখতে পারাটাও একটা সাফল্য। কিন্তু সে এসব বিট করেছে, অনেকভাবেই। যাই হোক, এই লেখাটা কোনো খেলা নিয়ে লেখা না। এই লেখাটা রাজনৈতিক। আমি কোনো ফুটবল দলেরই খেলার জন্য সাপোর্টার না।
2 861
19
لا يوجد نص...
2 467
20
لا يوجد نص...
2 486