1 524
Obunachilar
-124 soatlar
-57 kunlar
-530 kunlar
Postlar arxiv
1 524
যিলহজের জিকিরঃ
বেশি বেশি পড়ব।
উঠতে বসতে পড়ব।
সময় পেলেই পড়ব। ইন শা আল্লাহ।
১ঃ সুবহানাল্লাহ (سبحَان الله)। আলহামদুলিল্লাহ (الحمدُلله)। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لا إله إلا الله)। আল্লাহু আকবার (الله أكبر)।
২ঃ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (سبحان الله وبحمدِه)। সুবহানাল্লাহিল আযীম (سبحان الله العَظيم)।
৩ঃ লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (لا حَول ولا قُوة إلا بالله)।
৪ঃ আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি (أستغفر الله و أتُوب إليه)।
৫ঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (اللهُم صل وسلم على نبينا مُحمد)।
৬ঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
لا إله إلا الله وحدهُ لا شريك له ، له المُلك وله الحمد وهو على كُل شيء قدِير
৭ঃ হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযীম।
حسبي الله لا إله إلا هو ، عليه تَوكلت وهُو ربّ العرش العظيم
৮ঃ আল্লাহুম্মাজ আলনী মিনাত তাউয়াবীনা ওয়াজআলনী মিনাল মুতাতাহহিরীন।
اللهم إجعلنِي من التَوابين وإجعلنِي من المُتطهرين
৯ঃ লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন।
لا إله إلا أنت سبحانك إني كُنت من الظَالمين
১০ঃ ৯ যিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত তাকবির পাঠ করা।
الله أكبر، الله أكبر،لا إله إلاالله والله أكبر،الله أكبر ولله الحمد
তাকবিরঃ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
- শায়েখ আতিকুল্লাহ
1 524
আপনি একটিভ না থাকলে দুনিয়া কি উলটে যাবে বলে মনে করেন? lol, কিছুই হবেনা ভাই, সবই আগের মতই থাকবে।
সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে তাই এত সিরিয়াস হয়েন না, আমলে মনোযোগ দেন। অনলাইন একটা ধোঁকা!
1 524
জেনারেল পরিবার থেকে বিলং করার অন্যতম বড় সমস্যা হচ্ছে—বিয়ের বয়স পার হয়ে গেলেও তারা ভাবে—আমার ছেলে-মেয়ে, আমার ভাই-বোন এখনও ছোট। আরও কয়েক বছর যাক, প্রতিষ্ঠিত হোক, ভালো করে জগৎটাকে চিনুক; তারপর বিয়ে দেব।
অবশেষে বিয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু তখন আর সেটা স্বাভাবিক এবং প্রাণবন্ত থাকে না। অনেক ক্ষেত্রে বিয়েটা হয়ে দাঁড়ায় সামাজিক দায় মেটানোর একটি আনুষ্ঠানিকতা। সমাজ যা আশা করে, সেটুকু পূরণ করা—এই পর্যন্তই।
সেই বয়সে গিয়ে ছেলে-মেয়েরা বিয়ে করে, কিন্তু তাদের ভেতরে সেই উচ্ছ্বাস, স্বপ্ন, এবং স্বাভাবিক আবেগটাও আর থাকে না। সম্পর্কটা যেন শুরুই হয় এক ধরনের ক্লান্তি আর দায়িত্ব পালনের তাগাদা নিয়ে। তখন বিয়েটা ভালোবাসার আশ্রয় হয় না, বরং বিয়েটা হয়ে যায় দায়িত্বের বোঝা।
প্রশ্ন থেকেই যায়, বিয়ে কি শুধুই দায়িত্ব পালন?
লেখা : মাহমুদ বিন নুর
1 524
❁ শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহসমূহ ❁
• ফজরের সালাতে সুরা আস-সাজদাহ ও সুরা ইনসান পড়া। [১]
• মিসওয়াক করা। [২]
• গোসল করা এবং যথাসাধ্য পবিত্রতা অর্জন করা। [৩]
• উত্তম পোশাক পরিধান করা এবং সুগন্ধি লাগানো। [৪]
• জুমু'আহ সালাতের জন্য আগে আগে রওনা হওয়া। [৫]
• বেশি বেশি দরূদ পাঠ করা। [৬]
• সুরা আল-কাহাফ পাঠ করা। [৭]
• নীরব থেকে খুতবা শোনা ও জুমু'আহর সালাত আদায় করা। [৮]
• জুমু'আহর সালাত এর পর হাল্কা নিদ্রায় যাওয়া।[৯]
• বেশি করে দু’আ করা,বিশেষ করে আসরের শেষের দিকে। [১০]
📑 রেফারেন্সঃ
[১] সহীহ বুখারী ৮৯১,সহীহ মুসলিম ১৯২০
[২] সুনান ইবনু মাজাহ ১০৯৮
[৩] সহীহ বুখারী ৮৮৩,৮৭৭
[৪] সুনান আবূ দাউদ ৩৪৩
[৫] সহীহ বুখারী ৮৮১
[৬] সুনান আবূ দাউদ ১০৪৭
[৭] মিশকাতুল মাসাবীহ ২১৭৫ (মিশকাত),দারেমী, হা/৩৪০৭, শাইখ আলবানী হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন, দ্রষ্টব্য: সহীহুল জামে হা/৬৪৭১
[৮] সহীহ বুখারী ৯৩৪
[৯] সহীহ বুখারী ৯৪০
[১০] সুনান আবূ দাউদ ১০৪৮
1 524
“ফজর নামাজ না পড়া এবং এর ওয়াক্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকা মুনাফিকির লক্ষণ।”
~শাইখ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ)
সূত্র: [মাজমুউল ফাতাওয়া: ৩/৪২৪]
1 524
"মুমিনের দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ ব্যক্তির মত যে খেজুর গাছ লাগিয়ে এই ভয় করে যে না জানি কাঁটা ধরে। আর মুনাফিকের দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ ব্যক্তির মত যে কাঁটাগাছ লাগিয়ে এই আশা করে যে খেজুর ফল ফলবে। এটা অসম্ভব।"
~ ইমাম শাকীক আল বালখী [রাহ.]
.
[ ইমাম ইবনুল জাওযী (রাহ.), সিফাতুস সাফওয়াহ: ২/৩৩৯]
1 524
এখন যদি ঘটনাক্রমে কেউ অল্প সময়ের ভেতর তেল নিয়ে নিতে পারে, যদি বেশিক্ষন লাইনে দাঁড়াতে না হয়, খুশির সীমা থাকে না তার। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েও সেটা জানান দেই আমরা।
বেশি না, মাত্র তিন মাস আগের কথাই ভাবুন না। জানুয়ারী মাসে যদি কেউ এই টাইপ স্ট্যাটাস দিতো - আলহামদুলিল্লাহ, আজ ১৫ মিনিটে তেল নিয়ে নিয়েছি - অবাক হয়ে ভাবতাম, এই লোক পাগলটাগল হয়ে গেলো নাতো। পেট্রল পাম্প থেকে তেল নিয়েছে, এটা আবার স্ট্যাটাস দেয়ার কী আছে।
আজ মার্কেটে গেলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পেয়ে যাচ্ছি। তরিতরকারী,মাছ মাংস, সবই এভেইলেবল। আল্লাহ না করেন - এমন দিন যদি আসে, ফেসবুক স্ট্যাটাসে খুশি প্রকাশ করতে হয়, আলহামদুলিল্লাহ আজ আধা কেজি ঢেরশ, এক কেজি আলু ১০ মিনিট লাইন ধরেই পেয়ে গিয়েছি। এখন অদ্ভুত শোনালেও তখন দিল থেকেই এই প্রাপ্তিতে শুকরিয়া করবো আমরা।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনটা যদি আমাদের রব স্বীয় অনুগ্রহে আমাদের অনুকুলে নিয়ন্ত্রন না করেন, একটা দিনও ভালভাবে কাটানো সম্ভব না। শত নিখুত পরিকল্পনা এবং পূর্ব প্রস্তুতি মুহুর্তেই ব্যর্থ হয়ে যাবে, কিছুই কাজে আসবে না তখন আর।
কোন একজন আলিমের মুখে শুনেছিলাম,
আল্লাহর কাছে এই দুআ করা যাবে না, যেন কিয়ামত না হয়। যেন কিয়ামতের আলামতগুলো, সেই বড় বড় দূর্যোগগুলো যেন না আসে। এগুলো নির্ধারিত সময়ে আসবেই। তবে আমরা নিজেদের জন্য দুআ করতে পারি, আল্লাহ যেন আমাদেরকে, আমাদের পরিবারবর্গকে সেই সমস্ত দূর্যোগে হিফাযতে রাখেন।
ছোট একটি দুআ শিখিয়েছিলেন তিনি। সকাল সন্ধ্যা নিয়মিত যদি কেউ তিলাওয়াত করে, আশা করা যায় আল্লাহ তাআলা তাকে হিফাযতে রাখবেন।
اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَعُوْذُبِكَ مِنَ الْفِتَنِ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ
হে আল্লাহ! প্রকাশ্য ও গোপনীয় সকল ফিতনা থেকে আমরা আপনার কাছেই আশ্রয় চাই।
- রিজওয়ানুল কবির
1 524
বিপদাপদ আল্লাহ তায়ালার পরীক্ষা। সড়ক দূর্ঘটনাও মুসীবত। এধরণের বিপদে অন্যকে পড়তে দেখলে আল্লাহর রাসূলে একটা দুআ শিখিয়েছেন। যা পড়লে সেই বিপদ আর আপনাকে ছোঁবে না।
مَن رَأَى مُبتَلًى فقال: الحمدُ للهِ الذي عافَانِي مِمَّا ابْتلاكَ به، وفَضَّلَنِي على كَثيرٍ مِمَّنْ خلق تَفضِيلًا، لَمْ يُصِبْهُ ذلكَ البلاءُ
যে ব্যক্তি কোনো পরীক্ষাগ্রস্থ ব্যক্তিকে দেখে এই দুআ পড়বে তাকে উক্ত বিপদ স্পর্শ করবে না। দুআটি এই:
الحمدُ للهِ الذي عافَانِي مِمَّا ابْتلاكَ به، وفَضَّلَنِي على كَثيرٍ مِمَّنْ خلق تَفضِيلًا
আলহামদুলিল্লাহিল্লাযী আফানি মিম্মাব তালাকা বিহি ওয়া ফাদ্দ্বালানি আলা কাসিরিন মিম্মান খলাকা তাফদ্বীলা।
[তাবারানী ৭৯৯]
1 524
মৃত বাবা মার জন্য একজন সন্তান হিসেবে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো, তাদের অনাদায়কৃত রোজা, যাকাত এবং হজ্ব আদায়ের ব্যবস্থা করা। এগুলো তাদের উপর ফরজ ছিল, এগুলো আদায় না করার কারনে তাদের শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার আশংকা আছে।
আমরা তিন দিন / চল্লিশা পালন করি, মৃত্যুবার্ষিকী পালন করি, অথচ এগুলোর ইসলামী শরিয়তে কোনই ভিত্তি নেই। রসম রেওয়াজ হিসেবে প্রচলিত এই অনুষ্ঠানগুলোতে নানা ধরনের বিদআতে এমন ভাবে ভরপুর থাকে যে, এগুলো করে মৃত আত্মীয় স্বজনের কাছে কিছু সাওয়াব পৌছানোর পরিবর্তে তাদের গুনাহের পাল্লা ভারী হওয়ার ব্যবস্থা করে দেই আমরা। অথচ এর চেয়ে জরুরী ছিলো, তাদের অনাদায়কৃত ফরজ বিধানগুলো আদায় করা। তাদের রোজাগুলোর ফিদয়া দেয়া। যাকাতগুলো হিসেবে করে আদায় করে দেয়া। নিজে আগে হজ্জ করে থাকলে এবং হজের বিধান সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকলে নিজেই বদলী হজ করা অথবা কোন নির্ভরযোগ্য দ্বীনদার আলেমকে দিয়ে বদলী হজ্জ করানো।
একজন মানুষ মারা গেলে তার সমস্ত আমল করার সুযোগ শেষ হয়ে যায়। তাদের কবরে আযাব হতে থাকলে, সেটা বন্ধ করার কোনই ক্ষমতা তাদের আর থাকে না। কিন্তু তার নেক সন্তান, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব যাদেরকে সে দুনিয়াতে রেখে এসেছে, তাদের উসিলায় আল্লাহ তাআলা তার শাস্তি মাফ করে দিতে পারেন। তারা নেক আমল করে সাওয়াব রেসানী করলে, তার অনাদায়কৃত ফরজ আমলগুলো পালন করলে, আল্লাহ তাআলা তার মর্যাদা বাড়িয়ে দিতে পারেন, তার শাস্তিকে ক্ষমা করে দিতে পারেন।
আমরা কথায় কথায় বলি “ রেস্ট ইন পিস/ ওপারে শান্তিতে থাকো”, অথচ এটার জন্য আমাদেরও যে কিছু করনীয় আছে, সেটা বেমালুম ভুলে যাই আমরা।
আল্লাহ তাআলা আমাদের বোঝার এবং আমল করার তাওফিক দিন।
- Collected
Endi mavjud! Telegram Tadqiqoti 2025 — yilning asosiy insaytlari 
