1 548
Subscribers
+424 hours
+147 days
+1930 days
Posts Archive
1 548
- রিজিক আটকে গেছে,
- টেনশন ছাড়ছে না,
- বিপদে আছে কাজ পাচ্ছে না,
- কাজে বরকত পাচ্ছো না,
চিন্তা নেই!
বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ো!
আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ!
নূহ (আ.) তাঁর কওমকে বলেছিলেন, 'তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও, তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, আর ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন'। [সূরা নূহ, ১০-১২]
ইস্তিগফার সব দরজা খুলে দেয়।
1 548
দুআ... সাথে যারা রোজা আছেন তাদের আরো বেশি দুআ কবুলের সুযোগ। সময়টা কাজে লাগাই। উম্মাহকে দুআয় স্মরণ করব ইন শা আল্লাহ
1 548
আশুরার মাত্র দুইটি রোজা রেখে পূর্ববর্তী ১ বছরের সমস্ত গুনাহ মাফের সুযোগ। বছরে এই একবারই এমন সুযোগ আসে। তাই কেউ মিস করবেন না।
এ বছর আশুরার দিন হলো– ২৬ জুন (১০ মুহাররম)। যেহেতু আশুরার রোজা দুইটি রাখতে হয়। তাই ২৬ তারিখের সাথে আগের দিন ২৫ তারিখ অথবা পরের দিন ২৭ তারিখ রেখে মোট ২টি রোজা রাখবো, ইনশাআল্লাহ্।
উল্লেখ্য, যারা আগামীকাল (বৃহঃবার) রোজা রাখবেন, তারা আশুরার রোজার নিয়তের পাশাপাশি, সাপ্তাহিক নফল রোজার নিয়তও করে নিবেন, তাহলে ডাবল রোজার সওয়াব পাবেন।
লেখা : মাহমুদুল হাছান
1 548
একদিন আপনি এতোটাই আর্থিক ভাবে সচ্ছল হবে যে, আল্লাহ আপনার পকেটের টাকা অন্যদের রিজিকের মাধ্যম বানাবেন - ইনশাআল্লাহ..!!
1 548
❁ রিযিক লাভের দোয়া ❁
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী
• আল-কাসাস | আয়াত ২৪
1 548
যখন সূরা নামলের সেই পিঁপড়ার ঘটনাটা পড়েন, তখন কি কখনো থেমে ভেবেছেন— কেন আল্লাহ তাআলা কোটি কোটি প্রাণীর মধ্যে এই ছোট্ট প্রাণীটিকেই বেছে নিলেন? আপনি হয়তো বড় কিছু খুঁজেন— বড় মানুষ, বড় ক্ষমতা, বড় প্রভাব। কিন্তু আল্লাহ আপনাকে দেখান একেবারে বিপরীত চিত্র: একটা ক্ষুদ্র পিঁপড়া, যার শরীর প্রায় অদৃশ্য, কিন্তু যার চিন্তা, দায়িত্ববোধ আর সচেতনতা বিশাল পাহাড়ের মতো।
একটু কল্পনা করেন— সুলাইমান (আ.)-এর বিশাল বাহিনী এগিয়ে আসছে। এমন এক বাহিনী, যার সামনে দাঁড়ানোর সাহস কারো নেই। সেই মুহূর্তে একটি পিঁপড়া কী করল? সে চুপ থাকেনি, পালায়নি, নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েনি। বরং সে দাঁড়িয়ে নিজের পুরো জাতিকে বলল— “তোমরা সবাই তোমাদের ঘরে ঢুকে পড়ো, না হলে সুলাইমান ও তার বাহিনী তোমাদের পিষে ফেলবে— অথচ তারা বুঝতেও পারবে না।” এই একটি বাক্যের ভেতর এমন কিছু স্তর লুকিয়ে আছে, যেগুলো আপনি যদি বুঝতে পারেন, তাহলে আপনার নিজের জীবনটার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাবে।
প্রথমত, এই পিঁপড়া আপনাকে শিখায়—ক্ষুদ্রতা কোনো অজুহাত না। আপনি হয়তো ভাবেন, “আমি তো কিছুই না, আমার কথা কেউ শুনবে না।” কিন্তু সেই পিঁপড়াটাও তো কিছুই ছিল না এই বিশাল দুনিয়ার তুলনায়। তবুও সে নিজের দায়িত্ব বুঝেছিল। সে জানত—আমি যদি চুপ থাকি, তাহলে ক্ষতি হবে। এখানেই তার মহত্ত্ব। আপনি যদি সত্য জানেন, যদি বিপদ দেখতে পান, তাহলে চুপ থাকা আপনার জন্য নিরাপদ হতে পারে, কিন্তু তা সঠিক নয়। আপনার অবস্থান ছোট হতে পারে, কিন্তু আপনার সচেতনতা ছোট হওয়ার কোনো কারণ নেই।
দ্বিতীয়ত, আপনি পিঁপড়ার সমাজের দিকে তাকান—এখানে একটা গভীর “পিঁপড়া কালচার” আছে। তারা কখনো একা বাঁচে না, তারা একা ভাবে না, তারা একা কাজ করে না। তাদের পুরো অস্তিত্বটাই “আমরা” কেন্দ্রিক। একজন খাবার পেলে অন্যদের জানায়, একজন বিপদ দেখলে সবাইকে সতর্ক করে। এখানে স্বার্থপরতার জায়গা নেই। এখন আপনি নিজের জীবনের দিকে তাকান—আপনি কি “আমি” নিয়ে বাঁচছেন, নাকি “আমরা” তৈরি করার চেষ্টা করছেন? আপনি হয়তো সফল হতে পারেন একা, কিন্তু শক্তিশালী হতে পারবেন না। পিঁপড়ারা ছোট হয়েও শক্তিশালী—কারণ তারা একসাথে।
তৃতীয়ত, পিঁপড়ার ভাষায় আপনি যে সৌন্দর্য দেখেন, সেটা আজকের অনেক মানুষের মধ্যে নেই। সে বলেনি—“ওরা আমাদের ধ্বংস করতে আসছে।” সে বলেনি—“ওরা খারাপ।” বরং সে বলেছে—“তারা বুঝতেও পারবে না।” এখানে আপনি এক অসাধারণ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখতে পান। সে পরিস্থিতি বুঝেছে, বিপদ চিনেছে, কিন্তু ঘৃণা ছড়ায়নি। আপনি যখন সমস্যায় পড়েন, তখন কি এমনভাবে ভাবতে পারেন? নাকি আপনি দোষারোপে ব্যস্ত হয়ে পড়েন? পিঁপড়া আপনাকে শেখায়—সমস্যাকে চিহ্নিত করুন, কিন্তু ঘৃণা তৈরি করবেন না; সমাধানের পথ দেখান।
চতুর্থত, এখানে নেতৃত্বের আসল সংজ্ঞা লুকিয়ে আছে। নেতৃত্ব মানে সামনে দাঁড়িয়ে নির্দেশ দেওয়া না; নেতৃত্ব মানে বিপদের সময় অন্যদের কথা আগে ভাবা। সেই পিঁপড়াটা চাইলে একাই নিজের গর্তে ঢুকে বেঁচে যেতে পারত। কিন্তু সে তা করেনি। সে নিজের নিরাপত্তার আগে পুরো জাতির নিরাপত্তার কথা ভেবেছে। আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনি কি শুধু নিজের জন্য চিন্তা করেন, নাকি অন্যদের জন্যও দাঁড়াতে পারেন? কারণ প্রকৃত নেতৃত্ব আসে দায়িত্ববোধ থেকে, পদ বা পরিচয় থেকে না।
পঞ্চমত, এই ঘটনাটি আপনাকে আল্লাহর এক বিস্ময়কর দিক দেখায়। বিশাল বাহিনীর শব্দের ভিড়ে, এই ক্ষুদ্র পিঁপড়ার কণ্ঠস্বরও হারিয়ে যায়নি। আল্লাহ তা শুনেছেন এবং তা মূল্য দিয়েছেন। আপনি হয়তো মনে করেন— আপনার ছোট প্রচেষ্টা, আপনার ছোট ভালো কাজ—এসব কেউ দেখে না। কিন্তু মনে রাখবেন, কোনো ভালো কাজই হারিয়ে যায় না। আপনি যদি সত্য ও কল্যাণের পথে থাকেন, তাহলে আপনার কণ্ঠস্বর যত ক্ষীণই হোক, তা আল্লাহর কাছে পৌঁছায়।
সবশেষে, এই পিঁপড়া আপনার অহংকার ভেঙে দেয়। আপনি নিজেকে বড় ভাবেন? আপনি নিজের গুরুত্ব নিয়ে গর্ব করেন? তাহলে মনে রাখুন— যে প্রাণীকে আপনি পায়ের নিচে পিষে ফেলেন, আল্লাহ তাকে কুরআনে জায়গা দিয়েছেন। কারণ তার অন্তরে ছিল দায়িত্ব, মায়া, আর সচেতনতা। বড় হওয়া শরীরের আকারে না, পদবীতে না—বড় হওয়া চিন্তায়।
তাই আপনি নিজেকে ছোট ভাববেন না। আপনি অকেজো না, অপ্রয়োজনীয় না। আপনার একটি কথা, একটি সতর্কবার্তা, একটি সঠিক সিদ্ধান্ত— কারো জীবন বাঁচাতে পারে, একটি সমাজকে সচেতন করতে পারে। হয়তো আপনি তা দেখবেন না, কিন্তু তার প্রভাব থেকে যাবে।
নিজেকে শুধু একটা প্রশ্ন করুন—
“আমি কি সেই পিঁপড়ার মতো সচেতন?”
কারণ ইতিহাস বড়দের দিয়ে নয়— সচেতনদের দিয়েই লেখা হয়।
লেখা : মিরাজুল ইসলাম
©
1 548
কারও দুনিয়ার জীবন ৫০ বছর, কারও ৬০ বছর, কারও ৮০ বছর। এর আগে আমরা ছিলাম মায়ের পেটে প্রায় ১০ মাস।
এখন ভাবুন—এই ১০ মাসের জীবনকে ৫০-৮০ বছরের জীবনের সাথে তুলনা করলে কত ছোট মনে হয়! আমরা সবাই বলব—ওটা আবার কোনো জীবন হলো নাকি!
এবার আরেক ধাপ সামনে যাই। ৮০ বছর দুনিয়া কাটিয়ে আমরা কবরে চলে যাব। আদম আ.-এর সময় থেকে আজ পর্যন্ত কত মানুষ কবরে শুয়ে আছে! আর কে জানে আরো কতদিন শুয়ে থাকবে! এখন দুনিয়ার ৫০-৮০ বছরের জীবনকে কবরের এই দীর্ঘ জীবনের সাথে তুলনা করুন—দুনিয়ার জীবন কত তুচ্ছ মনে হবে!
কিন্তু কবরের জীবনও চিরস্থায়ী না। কবরের জীবন যতই দীর্ঘ হোক, এটাও শেষ হয়ে যাবে। তারপর আসবে হাশরের দিন। হাশরের একদিন হবে ৫০ হাজার বছরের সমান! এখন কবরের জীবনকে এই ৫০ হাজার বছরের সাথে তুলনা করলে—কবরের জীবনও একেবারে তুচ্ছ মনে হবে!
তারপর শুরু হবে আসল জীবন। এই ৫০ হাজার বছরের দিন শেষ হলে শুরু হবে আসল জীবন। যে জীবন কখনো শেষ হবে না, কোনো সীমা নেই, কোনো শেষ নেই। তুমি ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে যাবে, কিন্তু সেই জীবন শেষ হবে না!
এজন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন
وَاللَّهِ مَا الدُّنْيَا فِي الآخِرَةِ إِلاَّ مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ بِمَ يَرْجِعُ
আল্লাহর কসম! দুনিয়া আখেরাতের তুলনায় অতটুকুই, যেমন তোমাদের কেউ তার এ আঙ্গুলটি সমুদ্রে পানিতে ভিজিয়ে দেখল যে, কতটুকু পরিমাণ এতে পানি লেগেছে। [সহীহ মুসলিম : ২৮৫৮]
-খুতুবাত
1 548
যিলহজের জিকিরঃ
বেশি বেশি পড়ব।
উঠতে বসতে পড়ব।
সময় পেলেই পড়ব। ইন শা আল্লাহ।
১ঃ সুবহানাল্লাহ (سبحَان الله)। আলহামদুলিল্লাহ (الحمدُلله)। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لا إله إلا الله)। আল্লাহু আকবার (الله أكبر)।
২ঃ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (سبحان الله وبحمدِه)। সুবহানাল্লাহিল আযীম (سبحان الله العَظيم)।
৩ঃ লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (لا حَول ولا قُوة إلا بالله)।
৪ঃ আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি (أستغفر الله و أتُوب إليه)।
৫ঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (اللهُم صل وسلم على نبينا مُحمد)।
৬ঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
لا إله إلا الله وحدهُ لا شريك له ، له المُلك وله الحمد وهو على كُل شيء قدِير
৭ঃ হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযীম।
حسبي الله لا إله إلا هو ، عليه تَوكلت وهُو ربّ العرش العظيم
৮ঃ আল্লাহুম্মাজ আলনী মিনাত তাউয়াবীনা ওয়াজআলনী মিনাল মুতাতাহহিরীন।
اللهم إجعلنِي من التَوابين وإجعلنِي من المُتطهرين
৯ঃ লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন।
لا إله إلا أنت سبحانك إني كُنت من الظَالمين
১০ঃ ৯ যিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত তাকবির পাঠ করা।
الله أكبر، الله أكبر،لا إله إلاالله والله أكبر،الله أكبر ولله الحمد
তাকবিরঃ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
- শায়েখ আতিকুল্লাহ
1 548
আপনি একটিভ না থাকলে দুনিয়া কি উলটে যাবে বলে মনে করেন? lol, কিছুই হবেনা ভাই, সবই আগের মতই থাকবে।
সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে তাই এত সিরিয়াস হয়েন না, আমলে মনোযোগ দেন। অনলাইন একটা ধোঁকা!
1 548
জেনারেল পরিবার থেকে বিলং করার অন্যতম বড় সমস্যা হচ্ছে—বিয়ের বয়স পার হয়ে গেলেও তারা ভাবে—আমার ছেলে-মেয়ে, আমার ভাই-বোন এখনও ছোট। আরও কয়েক বছর যাক, প্রতিষ্ঠিত হোক, ভালো করে জগৎটাকে চিনুক; তারপর বিয়ে দেব।
অবশেষে বিয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু তখন আর সেটা স্বাভাবিক এবং প্রাণবন্ত থাকে না। অনেক ক্ষেত্রে বিয়েটা হয়ে দাঁড়ায় সামাজিক দায় মেটানোর একটি আনুষ্ঠানিকতা। সমাজ যা আশা করে, সেটুকু পূরণ করা—এই পর্যন্তই।
সেই বয়সে গিয়ে ছেলে-মেয়েরা বিয়ে করে, কিন্তু তাদের ভেতরে সেই উচ্ছ্বাস, স্বপ্ন, এবং স্বাভাবিক আবেগটাও আর থাকে না। সম্পর্কটা যেন শুরুই হয় এক ধরনের ক্লান্তি আর দায়িত্ব পালনের তাগাদা নিয়ে। তখন বিয়েটা ভালোবাসার আশ্রয় হয় না, বরং বিয়েটা হয়ে যায় দায়িত্বের বোঝা।
প্রশ্ন থেকেই যায়, বিয়ে কি শুধুই দায়িত্ব পালন?
লেখা : মাহমুদ বিন নুর
Available now! Telegram Research 2025 — the year's key insights 
