1 542
المشتركون
-124 ساعات
-27 أيام
-1130 أيام
أرشيف المشاركات
1 542
অন্তরে এত অপবিত্রতা নিয়েও রবের অসংখ্য নিয়ামত ভো'গ করছি, এটিই তো সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের!
- সংগৃহীত
1 542
আল্লাহর কাছে জান্নাতুল ফিরদাউস যেমন চাইবেন, ঠিক তেমনিভাবে এই দুনিয়ার সামান্য লবণটুকুও আল্লাহর কাছে চেয়ে নিবেন।
কোনো কিছু প্রয়োজন হলে সবার আগে আল্লাহকে বলবেন। হাসবেন্ড বা বাবার হাতে বাজারের লিস্ট ধরিয়ে দেওয়ার আগে আল্লাহর কাছে উত্তম,বিষমুক্ত খাবার চাইবেন।
অল্প তেল-মসলায় সুস্বাদু খাবার রান্না করার তওফিক চাইবেন। খাবারে ক্ষতিকর কিছু থাকলে তা থেকে হেফাজতের দুআ করবেন,আল্লাহ যেন সেই খাবারকে আপনার ও আপনার পরিবারের কারও ক্ষতির কারণ হতে না দেন।
কোনো কিছু দেখলেই কিনে ফেলবেন না।আল্লাহর কাছে দুআ করবেন। জিনিসটা যদি আপনার জন্য কল্যাণকর হয়, আল্লাহ যেন তা আপনার জন্য সহজ করে দেন। আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে দূরে রাখেন।
চারপাশে এখন এয়ার ফ্রায়ারের বেশ চল দেখা যাচ্ছে। এভাবে মাঝে মাঝে অনেক কিছুর হিড়িক পড়ে। কিন্তু সবাই করছে বলেই আপনাকেও করতে হবে, এমন তো নয়! সবার দেখাদেখি কোনো কিছু করার আগে আল্লাহর সাহায্য চাইবেন। তাঁর কাছে কল্যাণ চাইবেন। তারপর সিদ্ধান্ত নিবেন।কেননা অন্যের জন্য যা কল্যাণকর,আপনার জন্য তা অনুত্তমও হতে পারে।
আল্লাহর কাছে চাইতে জানলে জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপেই চাওয়া যায়। সকাল থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত,ছোট-বড় প্রতিটা প্রয়োজন, প্রতিটা সিদ্ধান্ত, প্রতিটা কাজে আল্লাহর কাছে দুআ করা যায়।
আল্লাহর কাছে চাইতে শিখুন। শুধু বড় বড় প্রয়োজনগুলো নয়, জীবনের ছোট ছোট বিষয়েও তাঁকে স্মরণ করুন।আমাদের সকল প্রয়োজনের কথা আল্লাহ জানেন। আর তাঁর কাছেই আছে সবকিছুর মালিকানা!
~ তাহিয়া ইসলাম
#Tahia_Islam
#দুআটিপস
1 542
রিযিক কিসে বাড়ে জানেন?'
গোপনে যদি দান করেন, মন থেকে অন্যের ভালো চান এবং বেশি বেশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, দেখবেন আপনার রিযিক বাড়বে!'
1 542
চলুন একটি হাদীস পড়ি। মন ভালো হয়ে যাবে এবং চোখে পানি চলে আসবে।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন– ‘এক বান্দা গুনাহ্ করল। তারপর সে বলল, হে আমার রব! আমি তো গুনাহ্ করে ফেলেছি। আমার অপরাধ মাফ করে দিন।
তারপর আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমার বান্দা গুনাহ করেছে আর এরপর বুঝতে পেরেছে, তার একজন রব রয়েছেন- যিনি গুনাহের জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার শাস্তিও দিতে পারেন।
সে পুনরায় পাপ করে আর বলে, ও আমার রব! আমার গুনাহ মাফ করে দিন।
এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমার বান্দা অপরাধ করেছে আর তারপর বুঝতে পেরেছে, তার একজন রব রয়েছেন- যিনি গুনাহের জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার শাস্তিও দিতে পারেন।
সে আবারও গুনাহ করে আর বলে, হে আমার রব! আমার পাপ ক্ষমা করে দিন।
তারপর আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমার বান্দা গুনাহ করেছে আর এরপর বুঝতে পেরেছে, তার এক রব রয়েছেন- যিনি গুনাহের জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার তার বিচারও করতে পারেন। আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম। তার যা ইচ্ছা সে তা করুক। এরকম তিনবার বললেন।’ (সহীহ্ বুখারী : ৭৫০৭)
যতবার মন দিয়ে পড়ি, অনুভব করি– চোখ ভিজে আসে। এত্ত মহানুভব মালিক আমার!
এমন মালিকের দাস হবার সৌভাগ্য কজন মানুষের হয়? এতই মহৎ, মহান আর স্নেহময় ক্ষমাশীল তিনি! তোমার ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন তিনি।
তবুও কি তুমি বুঝবে না, ফিরবে না? নিজের গুনাহকে এত বড় ভাবছ এখনো?
তাঁর অপার রহমত আর ক্ষমার চাইতেও নিজের অপরাধকে, গুনাহকে বিশাল মনে করার দুঃসাহস কিভাবে করছ?
বই : তোমাকেই বলছি
1 542
গুনাহের কিন্তু তাৎক্ষণিক কিছু শাস্তি আছে। গুনাহ করার পর যদি খাস তাওবা করা না হয়, তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বান্দাকে তাৎক্ষণিক কিছু শাস্তির মুখোমুখি করেন। যেমন—
১. গুনাহের ফলে বান্দার শরীরে অলসতা ভর করে। আর অলসতার কারণে তার প্রোডাক্টিভিটি (কর্ম-উদ্দীপনা) কমতে থাকে।
২. গুনাহে লিপ্ত হলে বান্দা তার সময়ে বারাকাহ হারিয়ে ফেলে। সময় চলে যায়, কিন্তু নিজের কাজটুকু গুছিয়ে আনতে পারে না। শেষ করে উঠতে পারে না। নানাবিধ অহেতুক কাজে জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে জড়িয়ে পড়ে যা তার সময়কে অপচয় করে।
৩. যারা গুনাহে লিপ্ত থাকে নিরলসভাবে, তারা আয় উপার্জনেও বারাকাহ পায় না। তার মনে হয় যে, খরচ বেড়ে যাচ্ছে, খরচের কোনো কূল কিনারা পাওয়া যাচ্ছে না। আগে যে উপার্জনে দিব্যি চলে যেত, এখন সেই উপার্জনে চলতে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে।
৪. অতীব গুরুত্বপূর্ণ হলো, গুনাহ তাকে আমল ইবাদাতে অমনোযোগি করে তোলে। সালাত আদায়ের জন্য মাসজিদে যেতে আর তার মন সাঁয় দেয় না। ওয়াক্তের শেষ মুহূর্তে গিয়ে সালাত আদায় করে। নফল সিয়াম রাখতে পারে না। নফল সালাত, তাহাজ্জুদ পড়তে পারে না। আমল ইবাদাত যা করে সেটুকু হয়ে পড়ে যান্ত্রিক।
And, the list goes on...
1 542
❝ যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তার পেছনে পড়ো না। ❞
📖 সূরা: আল-ইসর (الْإِسْرَاءِ)
📌 আয়াত নম্বর: ৩৬
🔢 সূরা নম্বর: ১৭
সব কথা বিশ্বাস করা, সব কথা ছড়িয়ে দেওয়া কিংবা সব বিষয়ে মন্তব্য করা জরুরি নয়। কোনো কিছু না জেনে ধারণা করা, যাচাই না করে কথা বলা কিংবা অন্যের ব্যাপারে অনুমান করে সিদ্ধান্ত নেওয়া—কত সহজেই আমরা এসব করে ফেলি! অথচ আমাদের প্রতিটি কথা ও কাজের ব্যাপারেই জবাবদিহি করতে হবে। তাই শোনা কথা যাচাই করো, বলার আগে ভেবে নাও, আর না জানলে চুপ থাকতে শেখো। কারণ, সবকিছু জানা জরুরি নয়; বরং যা জানো না, সে বিষয়ে নিজেকে সংযত রাখাই প্রজ্ঞার পরিচয়~🌸
1 542
📍📍সবার জীবনেই নিজস্ব দুঃখ-কষ্ট রয়েছে, কীভাবে সেগুলো থেকে মুক্তি পাবো?
কতজন ধনী মানুষকে চিনেন যাদের প্রচুর সম্পদ রয়েছে? তাদের মাঝে এমন অনেককেই পাবেন যারা তাদের সন্তানদের কারণে কঠোর যন্ত্রণাদায়ক জীবনযাপন করছেন। তার ছেলে হয়তো একেবারে উচ্ছৃঙ্খল। চারিদিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখুন, মানুষ কঠোর যন্ত্রণাদায়ক জীবনযাপন করছে। অনেকের দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে দেখেন তার রয়েছে বিশাল বাড়ি, সুন্দর মার্সিডিজ গাড়ি। যদি তার জায়গায় থাকতেন, হয়তো বলতেন,
❝
আমার বর্তমান অবস্থাই ভালো, যদিও তাতে ছিদ্র রয়েছে; কারণ অন্তত আমি রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারি। তার তার জায়গায় থাকলে আমাকে যতসব ঘুমের বড়ি খেয়ে ঘুমাতে হতো।❞সবার জীবনেই তাদের নিজস্ব দুঃখ-কষ্ট রয়েছে। চমৎকার সুখী জীবনযাপন করছেন এমন মানুষের সংখ্যা খুবই বিরল। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ❝
দুনিয়ার জীবনের ভিত্তি হলো দুঃখ-কষ্ট। সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো যখন দুঃখ-কষ্টে নিমজ্জিত থাকেন তখন আল্লাহর কাছ থেকে সহজ সময়ের অপেক্ষা করা (ধৈর্য ধরা)। ❝মুসলমানরা যদি এই চিত্রটি নিজের মনে গেঁথে রাখতে পারতো যে, দুনিয়ার এই সকল দুঃখ-কষ্টে আমি যদি ধৈর্যধারণ করি, এর মানে আমি ইবাদত করছি। আপনি হয়তো আপনার ঘরে বসে আছেন, এমতাবস্থায় যদি এই মনোভাব বজায় রাখতে পারেন আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তাহলে আপনি আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন আছেন। আর যদি শুধু অভিযোগের পর অভিযোগ করতে থাকেন—❝
আমার উপরেই কেন সব বিপদ এসে পড়ে? চারিদিকে শুধু অন্ধকার, হতাশা আর ব্যর্থতা। সবকিছুই তমসাচ্ছন্ন ও বিষণ্ণ।❞ তখন আল্লাহ আপনাকে অভিযোগ করার জন্য আরও বেশি সুযোগ করে দিবেন। আপনাকে সত্যিকারের অভিযোগ করার মতো জিনিস দিবেন। কারণ, হাদিসে আছে—যদি ছোটখাটো কষ্টের ব্যাপারে অভিযোগ করেন তাহলে আল্লাহ আপনাকে বড় বড় কষ্টে নিপতিত করবেন। 📍আর যদি আমি-আপনি কেবল কৃতজ্ঞ হতে পারি তাহলে কী হবে? আল্লাহ ওয়াদা করেছেন,
لَأَزِيدَنَّكُمْ —'আমি তোমাদের আরো বেশি, আরো বেশি, আরো বেশি দান করবো।[সূরা ইব্রাহীম: ৭] আল্লাহ আপনার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আপনাকেই সমৃদ্ধি দান করবেন—হেদায়াত, স্বাস্থ্য, রিজিকসহ সকল ক্ষেত্রে। সবকিছুই ঠিক হয়ে যাবে যদি আমি-আপনি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হতে পারি। তিনি বলেন,
❝যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে তা নিজের কল্যাণেই করে।❞ [সূরা লুকমান : ১২]হয় আমি সবসময় লোভী ও অসুখী; আমি আমার সম্পর্কগুলো নিয়ে অসুখী, সন্তানদের নিয়ে অসুখী, পিতামাতাকে নিয়ে অসুখী, বন্ধুদের নিয়ে অসুখী, চাকরি নিয়ে অসন্তুষ্ট, জামাকাপড় নিয়েও অসন্তুষ্ট, আমার চেহারা নিয়ে অসন্তুষ্ট, পড়ালেখা নিয়ে অসন্তুষ্ট, সম্পর্কে মানুষের মতামত নিয়ে অসন্তুষ্ট। এভাবে সবসময় কিছু না কিছু নিয়ে অসন্তুষ্ট,আমি এমনই। আপনার অবস্থা যদি এমন হয়; সারাক্ষণ যদি বিভিন্ন জিনিস কামনা করতে থাকেন, এই আয়াতটি আমাদের শিক্ষা দিচ্ছে আপনি এর মাধ্যমে আসলে নিজেকে কষ্ট দিচ্ছেন। নেতিবাচক চিন্তার মাঝে নিজেকে ডুবিয়ে রাখছেন। এটা আপনাকে অসাড়-নিস্তেজ বানিয়ে ফেলছে। প্রকৃতপক্ষে, কৃতজ্ঞতার জিন্দেগী পরিত্রাণ নিয়ে আসে। এটা আপনাকে নেতিবাচক চিন্তা থেকে মুক্তি দান করে। ফলে অনেক বেশি কর্মক্ষম থাকেন, সক্রিয় থাকেন। কৃতজ্ঞতা আপনাকে মানসিক শক্তি দান করে, আশাবাদী করে তোলে, উজ্জীবিত করে তোলে। আপনি এমনসব কাজ করতে পারেন যা অন্যথায় সম্ভব হতো না। যখন একজন পিতা সবসময় নেতিবাচক চিন্তা করে, মা সবসময় নেতিবাচক চিন্তায় ডুবে থাকে, কিভাবে সেই পরিবারে কৃতজ্ঞ ছেলে-মেয়ে বেড়ে উঠবে? তারা যদি আপনাকে সবসময় অভিযোগ করতে দেখে, দুঃখ-ভারাক্রান্ত দেখে, যদি আপনাকে কখনো কোনো কিছুর জন্য কৃতজ্ঞ হতে না দেখে, আপনার চেহারায় পরিতৃপ্তি না দেখে, কার কাছ থেকে তারা কৃতজ্ঞতা শিখবে? [শাইখ হামজা ইউসুফ ও উস্তাদ নোমান আলী খান]
1 542
আমরা যদি দুনিয়াতে পরীক্ষার সম্মুখীন না হতাম, বিপদ-আপদের কষ্ট যদি সহ্য করা না লাগত, তাহলে কিয়ামতের দিন আমাদের দেউলিয়া হয়ে উপস্থিত হতে হতো।
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[সূত্র : যাদুল মাআদ, ৪/১৭৬]
1 542
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
আমাদের চ্যানেলের নিচে মাঝেমধ্যে কিছু বিজ্ঞাপন (Sponsored message) দেখা যেতে পারে। আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এই বিজ্ঞাপনগুলো পরিচালনার পেছনে আমাদের চ্যানেলের কোনো ভূমিকা বা নিয়ন্ত্রণ নেই। এগুলো সম্পূর্ণ টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা এবং সাধারণত ব্যাবহারকারীর অ্যাকাউন্টটি পেইড (Premium) না হলে এই বিজ্ঞাপনগুলো এসে থাকে।
উল্লেখ্য, সাধারণ কোনো অ্যাড-ব্লকার (Ad-blocker) অ্যাপ ব্যবহার করে বা ডিএনএস (DNS) পরিবর্তন করে টেলিগ্রাম অ্যাপের ভেতরের এই অফিশিয়াল বিজ্ঞাপনগুলো বন্ধ করা যায় না।
তাই কারো এন্ডে এগুলো আসলে বিচলিত না হয়ে এগুলো এড়িয়ে চলুন এবং অতি অবশ্যই কোনো অপরিচিত লিংকে ক্লিক করা থেকে সতর্ক থাকুন।
جزاكن الله خيرا
©
1 542
⚰️📜 মৃত্যুর কোনো বয়স নেই 📜⚰️
— ✍️ জাবিরা আফরিন
মৃত্যুর কোনো বয়স নেই, কখন যে আসে ক্ষণ, ⏳
হাসতে হাসতে থেমে যেতে পারে, এই তো জীবন। 💔
আগাম কোনো চিঠি আসে না, আসে না কোনো খবর, ✉️
হঠাৎ করেই ডাক পড়ে যায়, দুনিয়া হয়ে যায় পর। 🕯️
আজ যে মানুষ স্বপ্ন বোনে, আগামী দিনের তরে, 🌙
কাল সে মানুষ নাও থাকতে পারে, এই ধরণীর বুকে। 🥀
কত আশা জমিয়ে রাখি, কত রঙিন বাসনা, 🍂
মৃত্যু এলে মুহূর্তে সব, হয়ে যায় যে অচেনা। 🌫️
যৌবন দেখে ভেবো না তুমি, মৃত্যু অনেক দূর, 🌿
কত তরুণ পাড়ি দিয়েছে, দুনিয়ার মায়া ছেড়ে। 🕊️
বৃদ্ধ হলেই মৃত্যু আসবে—এমন কোনো কথা নেই, 🧓
রবের ডাকে কখন যেতে হবে, সে খবর কারো নেই। ☁️
বৃদ্ধ হলে তওবা করব—এই আশাতে থেকো না, 🍂
মৃত্যু কখন এসে দাঁড়ায়, তার খবর তুমি জানো না। 🕊️
তাই হে মন, গাফেল থেকো না, ফিরে এসো রবের পানে, 🤲
তওবার অশ্রু ঝরুক আজি, নির্জন রাতের প্রহরে। 💧
কোন সকাল যে শেষ সকাল, কে জানে এই ভুবনে, 🌅
মৃত্যুর আগে রবের পথে, ফিরে আসি আপন মনে। ✨
1 542
দুনিয়ার কত ছোটখাটো কারণে আমাদের চোখে পানি আসে। কারো ওপর অভিমান করে, প্রিয় কাউকে হারিয়ে, জীবনের না-পাওয়াগুলো মনে পড়লে, এমনকি একটা আবেগঘন ভিডিও দেখেও চোখ ভিজে ওঠে।
.
কিন্তু শেষ কবে রাতের নির্জনে একা বসে শুধু আল্লাহর কথা ভেবে চোখ দিয়ে পানি পড়েছিল?
.
বইয়ের এই হাইলাইট করা অংশে একটি হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে:
.
"আল্লাহর ভয়ে যে মানুষ কেঁদেছে, সে জাহান্নামে যাবে না, যতক্ষণ না পশুর ওলান থেকে দোহন করা দুধ আবার সেখানে ফিরিয়ে দেওয়া যায়।"
.
গাভী থেকে একবার দুধ দোহন করার পর তা আর ওলানে ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। তেমনি আল্লাহর মহত্ত্ব ভেবে, নিজের ভুলের অনুশোচনায় যার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়েছে, তার জাহান্নামে যাওয়াও অসম্ভব হয়ে যায়। আল্লাহর দয়া তাকে আগলে রাখে।
.
আমরা মানুষের সামনে কাঁদতে লজ্জা পাই, সবসময় নিজেকে শক্ত দেখাতে চাই। কিন্তু রাতের অন্ধকারে জায়নামাজে বসে নিজের রবের সামনে কাঁদা দুর্বলতা নয়, বরং মুমিনের শক্তি।
.
আমাদের জীবনে হয়তো অনেক ভুলত্রুটি জমে আছে। আল্লাহর সামনে আন্তরিকভাবে ফেলা চোখের পানি সেই গুনাহগুলো মুছে দেওয়ার উসিলা হতে পারে।
.
দুনিয়ার ব্যস্ততায় হয়তো অন্তর শক্ত হয়ে গেছে, সহজে কান্না আসে না। তবু আজ রাতে কিছুক্ষণ নির্জনে বসে হাত তুলে বলা যায়:
.
"হে আল্লাহ, আমার শক্ত হয়ে যাওয়া মনটাকে নরম করে দাও। তোমার ভয়ে, তোমার ভালোবাসায় চোখের পানি ফেলার তাওফিক আমাকে দাও।"
.
আল্লাহ আমাদের সেই চোখ দান করুন, যে চোখ তাঁর ভয়ে কাঁদতে জানে। আমিন। - মুহাম্মদ আবু সুফিয়ান
1 542
তুমি আমল করতে থাকো কেননা ম*রে গেলে আর ফিরে আসবে না। যারা চলে গেছে তাদের দিকে চেয়ে দেখো, তারা কি আর ফিরে এসেছে?
- মুহাম্মাদ বিন মুক্কাতিল (রহি.)
1 542
কখনো কি চিন্তা করেছেন, আল্লাহ তাআলা কেন একথা বললেন না যে "প্রতিটি প্রাণীই মারা যাবে"? বরং তিনি বলেছেন, ”প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে”।
মৃত্যু কি কোনো খাবার বা পানীয় যে, আমাদের তার স্বাদ নিতে হবে?
আমরা কোরআনের এই আয়াতটি প্রায়ই পড়ি। কিন্তু খুব কম মানুষই (ذَائِقَةُ) বা 'স্বাদ গ্রহণ' শব্দটিতে থেমে একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন। আল্লাহ কেন সাধারণ ভাষায় 'আমরা মরে যাব' বা 'ধ্বংস হয়ে যাব' না বলে 'স্বাদ নেওয়া' শব্দটি বেছে নিলেন?
এর পেছনে এমন এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মিক রহস্য লুকিয়ে আছে, যা নিয়ে ভাবলে বাস্তবেই কলিজা কেঁপে ওঠে!
আপনি যখন কোনো খাবার মুখে দেন, তার স্বাদ কিন্তু এক সেকেন্ডেই গায়েব হয়ে যায় না। বরং তা আপনার পুরো অনুভূতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং আপনি তা অনুভব করতে থাকেন।
আল্লাহ তাআলা এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন এটা বোঝানোর জন্য যে, মৃত্যু হঠাৎ করে নিভে যাওয়া বা 'সুইচ অফ' হয়ে যাওয়ার মতো কিছু নয়! এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া। ধীরে ধীরে রূহ টানা হতে থাকে এবং মানুষ তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে মৃত্যুর প্রতিটি মুহূর্তকে সজ্ঞানে 'উপলব্ধি' করে।
মানুষ তখন ফেরেশতা এবং অদৃশ্যের ওই জগত দেখতে শুরু করে, যা সে দুনিয়াতে ভুলে ছিল।
আল্লাহ বলেন,"আমি তোমার ওপর থেকে পর্দা সরিয়ে দিয়েছি, আজ তোমার দৃষ্টি বড়ই প্রখর!" (সূরা ক্বাফ: ২২)
রূহ একবারে বের হয় না; বরং পায়ের আঙুল থেকে বের হতে শুরু করে ধীরে ধীরে কণ্ঠনালিতে এসে পৌঁছায়।
কোরআনে বলা হয়েছে,
"কখনো নয়! যখন প্রাণবায়ু কণ্ঠনালিতে পৌঁছাবে... আর সে বুঝতে পারবে যে, এটাই বিদায়বেলা!"(সূরা কিয়ামাহ: ২৬-২৮)
যে মুহূর্তে রূহ শরীর ছেড়ে যায়, মানুষের চোখ তখন আসমানের দিকে সেটার পিছু নেয়।
যেমনটা নবীজি (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই রূহ যখন কবজ করা হয়, দৃষ্টি তখন তার পিছু নেয় (তাকিয়ে থাকে)।" (সহিহ মুসলিম)
কেন 'স্বাদ' শব্দটিই বেছে নেওয়া হলো?
আল্লাহ কেন বললেন না যে, প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুকে 'দেখবে' বা 'শুনবে'?
আপনি কোনো ভয়ংকর দৃশ্য দেখলে চোখ বন্ধ করতে পারেন, কটু শব্দ শুনলে কানে আঙুল দিতে পারেন, গরম কিছু ছুঁয়ে ফেললে হাত সরিয়ে নিতে পারেন।
কিন্তু 'স্বাদ'? মুখে কোনো কিছু চলে গেলে আর জিভে লাগলে, আপনি কিছুতেই তার স্বাদ থেকে পালাতে পারবেন না! সেই অভিজ্ঞতা আপনার 'ভেতরে' প্রবেশ করে এবং আপনার অস্তিত্বের অংশ হয়ে যায়।
মৃত্যু এমন কোনো ঘটনা নয় যা আপনি দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখবেন। বরং মৃত্যু আপনার শিরা-উপশিরায়, কোষের ভেতরে ঢুকে যাবে। আপনি চান বা না চান, এর স্বাদ আপনাকে পেতেই হবে।
যেহেতু মৃত্যুকে 'আস্বাদন' করতে হবে, তাই নিশ্চিতভাবেই এর একটা স্বাদ আছে। খাবারের যেমন আলাদা স্বাদ থাকে, তেমনি আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক আর আমলের ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুর স্বাদও একেকজনের জন্য একেক রকম হবে।
নবীজি (সা.) বলেছেন: "পানির পাত্র থেকে যেভাবে সহজে পানি গড়িয়ে পড়ে, মুমিনের রূহ ঠিক সেভাবেই সহজে বেরিয়ে আসে।" (মুসনাদে আহমাদ)
এটি এমন এক স্বাদ, যা প্রশান্তি আর জান্নাতের সুসংবাদে ভরপুর।
নবীজি (সা.) বলেছেন, "ভেজা পশমের ভেতর থেকে কাঁটাযুক্ত লোহার শিঁক যেভাবে টেনে বের করা হয়, (পাপীর) রূহকে ঠিক সেভাবেই টেনে-হিঁচড়ে বের করা হয়।" (মুসনাদে আহমাদ)
এটি চরম কষ্ট, অনুশোচনা আর আক্ষেপের স্বাদ।
এমনকি নবী-রাসূল এবং নেককাররাও 'সাকারাতুল মাউত' বা মৃত্যুর কষ্ট অনুভব করেন। কিন্তু মুমিনের জন্য এই কষ্ট তার মর্যাদা বুলন্দ করার মাধ্যম, যা আল্লাহর সাথে পবিত্র হয়ে সাক্ষাতের আগে তার আমলনামাকে একেবারেই নিখুঁত করে দেয়।
সারকথা হলো, মৃত্যু এমন এক পেয়ালা, যা সব মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে। আমরা সবাই এই পেয়ালার পানীয় পান করব। তবে কেউ এর স্বাদ পাবে প্রশান্তি আর জান্নাতের সুবাসে, আর কেউ পাবে চরম ভয় আর আক্ষেপের তিক্ততায়।
আজকের এই দিনে কয়েক মিনিটের জন্য হলেও একা বসে নিজের বিবেককে একটা প্রশ্ন করি, আমার বর্তমান আমল, আমার নামাজ আর আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্কের হিসাব অনুযায়ী... আমি নিজের জন্য মৃত্যুর কোন "স্বাদ" তৈরি করছি?
আল্লাহ তাআলা আমাদের সুন্দর মৃত্যু নসিব করুন। মৃত্যুকে আমাদের জন্য সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তির উপায় বানিয়ে দিন। আমিন।
©
1 542
কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না (বিপদাপদের কারণে) এক ব্যক্তি আর এক ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মৃ*ত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার বাসনা করবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষন না এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে যাত্রাকালে বলবে, হায়! আমি যদি তার স্থানে হতাম।”[সহিহ মুসলিম: ৭০৩৭]
1 542
এটা কে বা কারা করছে জানিনা,, তবে পবিত্র কোরআনে বর্নিত জুলকারনাইন যে ইয়াজুজ-মাজুজ পাহাড় বন্দী মুক্তির হুবহু মেলানো হয়েছে --- فَانۡطَلَقَا ٝ حَتّٰۤی اِذَاۤ اَتَیَاۤ اَهۡلَ قَرۡیَۃِۣ اسۡتَطۡعَمَاۤ اَهۡلَهَا فَاَبَوۡا اَنۡ یُّضَیِّفُوۡهُمَا فَوَجَدَا فِیۡهَا جِدَارًا یُّرِیۡدُ اَنۡ یَّنۡقَضَّ فَاَقَامَهٗ ؕ قَالَ لَوۡ شِئۡتَ لَتَّخَذۡتَ عَلَیۡهِ اَجۡرًا
1 542
আল্লাহ এখানে সময় এর কসম খেয়ে বলেছেন মানুষ আসলে একটা বিশাল লসের (ক্ষতির) মধ্যে আছি।
কেন লস? কারণ আমাদের জীবনটা একদম বরফের মতো, যা প্রতি সেকেন্ডে গলে যাচ্ছে। আমরা চাই বা না চাই, সময় কিন্তু চলে যাচ্ছে।
তবে এই নিশ্চিত লস হওয়া থেকে বাঁচার জন্য ৪টা সহজ শর্ত দেওয়া হয়েছে:
ঈমান আনা: আল্লাহর ওপর মনেপ্রাণে বিশ্বাস রাখা।
সঠিক কাজ করা: শুধু বিশ্বাস করলেই হবে না, কাজেও তার প্রমাণ দেওয়া।
অন্যকে সত্যি ও ন্যায়ের পথে ডাকা: নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি আশেপাশের মানুষকে ভালো কাজের কথা বলা।
ধৈর্য ধরা ও ধৈর্য ধরতে বলা: সত্যের পথে চলতে গেলে ঝামেলা আসবেই, তাই নিজে ধৈর্য ধরা এবং অন্যকেও মানসিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া।
1 542
আপনার বয়স ২২-৩০ এর মধ্যে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে ২ লাখ টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সি মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল,সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নবী (সা) তে।সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন,নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন,জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানি স্বাদ দুনিয়া যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ)
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন।যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস,মদিনার রাস্তা,সব কিছু কেমন আরামদায়ক।আপনার সেই সময় মনে হবে,মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতে এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন।রাস্তা থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে দিবেন।কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে,কোলে উঠবে,মুরগি খাবে।আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।
এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নবী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন,সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন।মনে হবে,আরেহ এই তো আমার পরিচিত বন্ধু,কত দিনের চেনা।
আস্তে আস্তে ফজরে সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) রওজায় সালাম দিবেন, আপনার মনের কথা বলবেন। সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।
সিম্পল কিছু কাজ।৷ কিন্ত এই কাজের যে শান্তি,দুনিয়া সব সম্পদ হাতে দিলে আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়,একবার হলেও মদিনায় যাবেন,বেহেস্ত স্বাদ আপনি দুনিয়া পাবেন।
হে কাবার মালিক!
কবুল করে নেন আমাদের 🖤
