1 552
Підписники
+124 години
-17 днів
-430 днів
Архів дописів
1 553
এটা কে বা কারা করছে জানিনা,, তবে পবিত্র কোরআনে বর্নিত জুলকারনাইন যে ইয়াজুজ-মাজুজ পাহাড় বন্দী মুক্তির হুবহু মেলানো হয়েছে --- فَانۡطَلَقَا ٝ حَتّٰۤی اِذَاۤ اَتَیَاۤ اَهۡلَ قَرۡیَۃِۣ اسۡتَطۡعَمَاۤ اَهۡلَهَا فَاَبَوۡا اَنۡ یُّضَیِّفُوۡهُمَا فَوَجَدَا فِیۡهَا جِدَارًا یُّرِیۡدُ اَنۡ یَّنۡقَضَّ فَاَقَامَهٗ ؕ قَالَ لَوۡ شِئۡتَ لَتَّخَذۡتَ عَلَیۡهِ اَجۡرًا
1 553
আল্লাহ এখানে সময় এর কসম খেয়ে বলেছেন মানুষ আসলে একটা বিশাল লসের (ক্ষতির) মধ্যে আছি।
কেন লস? কারণ আমাদের জীবনটা একদম বরফের মতো, যা প্রতি সেকেন্ডে গলে যাচ্ছে। আমরা চাই বা না চাই, সময় কিন্তু চলে যাচ্ছে।
তবে এই নিশ্চিত লস হওয়া থেকে বাঁচার জন্য ৪টা সহজ শর্ত দেওয়া হয়েছে:
ঈমান আনা: আল্লাহর ওপর মনেপ্রাণে বিশ্বাস রাখা।
সঠিক কাজ করা: শুধু বিশ্বাস করলেই হবে না, কাজেও তার প্রমাণ দেওয়া।
অন্যকে সত্যি ও ন্যায়ের পথে ডাকা: নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি আশেপাশের মানুষকে ভালো কাজের কথা বলা।
ধৈর্য ধরা ও ধৈর্য ধরতে বলা: সত্যের পথে চলতে গেলে ঝামেলা আসবেই, তাই নিজে ধৈর্য ধরা এবং অন্যকেও মানসিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া।
1 553
আপনার বয়স ২২-৩০ এর মধ্যে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে ২ লাখ টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সি মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল,সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নবী (সা) তে।সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন,নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন,জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানি স্বাদ দুনিয়া যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ)
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন।যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস,মদিনার রাস্তা,সব কিছু কেমন আরামদায়ক।আপনার সেই সময় মনে হবে,মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতে এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন।রাস্তা থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে দিবেন।কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে,কোলে উঠবে,মুরগি খাবে।আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।
এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নবী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন,সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন।মনে হবে,আরেহ এই তো আমার পরিচিত বন্ধু,কত দিনের চেনা।
আস্তে আস্তে ফজরে সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) রওজায় সালাম দিবেন, আপনার মনের কথা বলবেন। সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।
সিম্পল কিছু কাজ।৷ কিন্ত এই কাজের যে শান্তি,দুনিয়া সব সম্পদ হাতে দিলে আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়,একবার হলেও মদিনায় যাবেন,বেহেস্ত স্বাদ আপনি দুনিয়া পাবেন।
হে কাবার মালিক!
কবুল করে নেন আমাদের 🖤
1 553
দুনিয়ার পিছনে ঘুরতে ঘুরতে একদিন এভাবেই শেষ হয়ে যাবে আমাদের হায়াত।
হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন দুনিয়া এবং আখিরাতে।
1 553
আমি শুধু এই বিল্ডিংয়ে থাকা মানুষ গুলোর কথা ভাবছিলাম। কেমন ছিল তাদের মনের অবস্থা তখন! চারপাশের বাড়িঘর সব পানির স্রোতের সাথে ভেসে যাচ্ছে। একটু পরেই হয়তো তাদের এই বিল্ডিং ও ভাসিয়ে নিয়ে যাবে! মৃত্যুর কত কাছাকাছি এসে যেন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা!
নেপালের এই ভূমিধস এবং বন্যা কিয়ামতের একটি সিনারিও আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেল!
1 553
যখনই কোনো ভালো কাজের নিয়ত করেন, ফেরেশতারা সাথে সাথে সেটার সওয়াব আপনার আমলনামায় লিখে ফেলে। সেই ভালো কাজ করতে পারলেন কী না সেই অপেক্ষায় থাকে না।
কিন্তু, যখন কোনো খারাপ কাজের চিন্তা মাথায় আসে, ফেরেশতারা ততক্ষণ অবধি সেই খারাপ কাজের গুনাহ আপনার আমলনামায় লিখে না, যতক্ষণ না আপনি সেই খারাপ কাজটায় লিপ্ত হচ্ছেন।
কতো দয়াময় আপনার রব, ভাবুন!
1 553
অনেক আমল করেও ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারছেন না? তাহলে মূসা (আ.)-এর এই ঘটনাটি থেকে শিক্ষা নিন।
এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ইবাদত-বন্দেগি করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছিলেন না। এমন অবস্থায় আমাদের মনে হতাশা আসতে পারে। কিন্তু আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হওয়া যাবে না।
✅ মূসা (আ.)-এর জীবনের অসাধারণ ২টি ঘটনা আমাদের এ শিক্ষা দেয়।
১. বর্ণিত আছে, হযরত মূসা (আ.)-এর সময়ে এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে অভিযোগ করলেন: “হে মূসা! আমার বিয়ে হয় না, সন্তানাদি হয় না। আমার ভাগ্যে এসব কিছুই নেই। আমি খুব কষ্টে আছি।”
হযরত মূসা (আ.) আল্লাহ তা‘আলার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলেন। আল্লাহ তা‘আলা ওহীর মাধ্যমে জানালেন যে, “ওই ব্যক্তির ভাগ্যে সন্তান নির্ধারিত হয়নি।”
কয়েক বছর পর হযরত মূসা (আ.) সেই ব্যক্তিকে আবার দেখলেন। আশ্চর্যের বিষয়, তার ঘরে কয়েকজন সন্তান খেলা করছে! মূসা (আ.) বিস্মিত হয়ে আল্লাহর কাছে এর রহস্য জানতে চাইলেন।
আল্লাহ তা‘আলা জানালেন: “ওই ব্যক্তি এত বেশি আন্তরিকতা ও কান্নাকাটির সাথে আমার কাছে দোয়া করেছে যে, তার অবিরাম দোয়া ও আকুতিতে আমি তার পূর্বের তাকদীর পরিবর্তন করে তাকে সন্তান দান করেছি।”
২. যখন মূসা (আ.) মাদইয়ান থেকে মিসরের দিকে ফিরছিলেন, তখন তিনি পরিবারসহ পথ হারিয়ে ফেলেন। চারদিকে অন্ধকার, অনিশ্চয়তা ও বিপদের আশঙ্কা। এমন কঠিন মুহূর্তে তিনি আল্লাহর ওপর ভরসা রাখলেন। তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে তূর পাহাড়ের কাছে ডাকলেন এবং নবুওয়াত দান করলেন। (সূরা ত্ব-হা ২০:৯-১৪)
আরেকটি বিখ্যাত দোয়া হলো, যখন মূসা (আ.) মাদইয়ানে পৌঁছে একেবারে নিঃস্ব ও অসহায় অবস্থায় ছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে এই দোয়া করেন—
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
"হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।"
— (সূরা আল-কাসাস ২৮:২৪)
এই দোয়ার পরই আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য আশ্রয়, খাদ্য, কাজ এবং পরবর্তীতে একটি সম্মানিত পরিবারে বিবাহের ব্যবস্থা করে দেন। (সূরা আল-কাসাস ২৮:২৫-২৮)
🌸আমাদের জন্য শিক্ষা
🌿 আমল করার পরও ফল দেরিতে আসতে পারে, কিন্তু আল্লাহ কখনো বান্দার আমল নষ্ট করেন না।
🌿 বিপদের সময় হতাশ না হয়ে আল্লাহর কাছে বারবার দোয়া করতে হবে।
🌿 আল্লাহর সাহায্য এমন সময় আসে, যখন মানুষ কল্পনাও করতে পারে না।
🌿 তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর ভরসা) এবং ধৈর্য সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি।
🌸একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
"এই একটি আমল করলেই ভাগ্য বদলে যাবে"—এ ধরনের কথা কুরআন-হাদিসে নির্দিষ্টভাবে নেই। তবে মূসা (আ.)-এর এই দোয়াটি অত্যন্ত বরকতময়। অর্থ বুঝে, বিনয়ের সঙ্গে এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে বেশি বেশি পড়া যেতে পারে—
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
অর্থ: হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবেন, আমি তারই মুখাপেক্ষী।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।"
— (সূরা আশ-শারহ ৯৪:৫-৬)
তাই হতাশ না হয়ে আমল, দোয়া, তাওবা ও হালাল উপায়ে চেষ্টা চালিয়ে যান। আল্লাহ চাইলে এক মুহূর্তেই অবস্থার পরিবর্তন করে দিতে পারেন। ইনশাআল্লাহ।
1 553
দ্রুত বিয়ের আমল:
১| অধিক ইস্তেগফার, গোনাহ ত্যাগ করা
২| ফজর ও মাগরিবের পর তিনবার দরুদে ইব্রাহীম পাঠ এবং বিয়ের জন্য দোয়া
৩| প্রতি ওয়াক্ত নামাযের পর সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পাঠ
৪| সুযোগ পেলে সুরা হজ্ব পাঠ, সুরা ইখলাছ পাঠ করে বেশি বেশি দোয়া করা
৫| মনে মনে বিয়ে সহজের নিয়ত করে বেশি বেশি লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পাঠ
৬| তাহাজ্জুদে বিয়ের জন্য নিয়মিত দোয়া করা
৭| সদকা করা
সালফে সালেহীন, পূর্ববর্তী ইমামগণ, নিকট অতীতের বিখ্যাত আলিমগণ এবং বর্তমান সময়ের প্রখ্যাত আলিমদের বয়ান, কিতাব থেকে সংগৃহীত।
.
- মুমিনের সংসার জীবন
1 553
*"আপনার রিজিক (জীবিকা) নিয়ে দুশ্চিন্তা করা মানে হলো আল্লাহর সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ করা। আপনার যতটুকু প্রাপ্য, তা মহাবিশ্বের কেউ আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না।"*
- উস্তাদ নোমান আলী খান.
