1 557
Підписники
-224 години
-37 днів
+430 день
Архів дописів
1 557
দুনিয়ার পিছনে ঘুরতে ঘুরতে একদিন এভাবেই শেষ হয়ে যাবে আমাদের হায়াত।
হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন দুনিয়া এবং আখিরাতে।
1 557
আমি শুধু এই বিল্ডিংয়ে থাকা মানুষ গুলোর কথা ভাবছিলাম। কেমন ছিল তাদের মনের অবস্থা তখন! চারপাশের বাড়িঘর সব পানির স্রোতের সাথে ভেসে যাচ্ছে। একটু পরেই হয়তো তাদের এই বিল্ডিং ও ভাসিয়ে নিয়ে যাবে! মৃত্যুর কত কাছাকাছি এসে যেন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা!
নেপালের এই ভূমিধস এবং বন্যা কিয়ামতের একটি সিনারিও আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেল!
1 557
যখনই কোনো ভালো কাজের নিয়ত করেন, ফেরেশতারা সাথে সাথে সেটার সওয়াব আপনার আমলনামায় লিখে ফেলে। সেই ভালো কাজ করতে পারলেন কী না সেই অপেক্ষায় থাকে না।
কিন্তু, যখন কোনো খারাপ কাজের চিন্তা মাথায় আসে, ফেরেশতারা ততক্ষণ অবধি সেই খারাপ কাজের গুনাহ আপনার আমলনামায় লিখে না, যতক্ষণ না আপনি সেই খারাপ কাজটায় লিপ্ত হচ্ছেন।
কতো দয়াময় আপনার রব, ভাবুন!
1 557
অনেক আমল করেও ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারছেন না? তাহলে মূসা (আ.)-এর এই ঘটনাটি থেকে শিক্ষা নিন।
এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ইবাদত-বন্দেগি করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছিলেন না। এমন অবস্থায় আমাদের মনে হতাশা আসতে পারে। কিন্তু আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হওয়া যাবে না।
✅ মূসা (আ.)-এর জীবনের অসাধারণ ২টি ঘটনা আমাদের এ শিক্ষা দেয়।
১. বর্ণিত আছে, হযরত মূসা (আ.)-এর সময়ে এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে অভিযোগ করলেন: “হে মূসা! আমার বিয়ে হয় না, সন্তানাদি হয় না। আমার ভাগ্যে এসব কিছুই নেই। আমি খুব কষ্টে আছি।”
হযরত মূসা (আ.) আল্লাহ তা‘আলার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলেন। আল্লাহ তা‘আলা ওহীর মাধ্যমে জানালেন যে, “ওই ব্যক্তির ভাগ্যে সন্তান নির্ধারিত হয়নি।”
কয়েক বছর পর হযরত মূসা (আ.) সেই ব্যক্তিকে আবার দেখলেন। আশ্চর্যের বিষয়, তার ঘরে কয়েকজন সন্তান খেলা করছে! মূসা (আ.) বিস্মিত হয়ে আল্লাহর কাছে এর রহস্য জানতে চাইলেন।
আল্লাহ তা‘আলা জানালেন: “ওই ব্যক্তি এত বেশি আন্তরিকতা ও কান্নাকাটির সাথে আমার কাছে দোয়া করেছে যে, তার অবিরাম দোয়া ও আকুতিতে আমি তার পূর্বের তাকদীর পরিবর্তন করে তাকে সন্তান দান করেছি।”
২. যখন মূসা (আ.) মাদইয়ান থেকে মিসরের দিকে ফিরছিলেন, তখন তিনি পরিবারসহ পথ হারিয়ে ফেলেন। চারদিকে অন্ধকার, অনিশ্চয়তা ও বিপদের আশঙ্কা। এমন কঠিন মুহূর্তে তিনি আল্লাহর ওপর ভরসা রাখলেন। তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে তূর পাহাড়ের কাছে ডাকলেন এবং নবুওয়াত দান করলেন। (সূরা ত্ব-হা ২০:৯-১৪)
আরেকটি বিখ্যাত দোয়া হলো, যখন মূসা (আ.) মাদইয়ানে পৌঁছে একেবারে নিঃস্ব ও অসহায় অবস্থায় ছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে এই দোয়া করেন—
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
"হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।"
— (সূরা আল-কাসাস ২৮:২৪)
এই দোয়ার পরই আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য আশ্রয়, খাদ্য, কাজ এবং পরবর্তীতে একটি সম্মানিত পরিবারে বিবাহের ব্যবস্থা করে দেন। (সূরা আল-কাসাস ২৮:২৫-২৮)
🌸আমাদের জন্য শিক্ষা
🌿 আমল করার পরও ফল দেরিতে আসতে পারে, কিন্তু আল্লাহ কখনো বান্দার আমল নষ্ট করেন না।
🌿 বিপদের সময় হতাশ না হয়ে আল্লাহর কাছে বারবার দোয়া করতে হবে।
🌿 আল্লাহর সাহায্য এমন সময় আসে, যখন মানুষ কল্পনাও করতে পারে না।
🌿 তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর ভরসা) এবং ধৈর্য সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি।
🌸একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
"এই একটি আমল করলেই ভাগ্য বদলে যাবে"—এ ধরনের কথা কুরআন-হাদিসে নির্দিষ্টভাবে নেই। তবে মূসা (আ.)-এর এই দোয়াটি অত্যন্ত বরকতময়। অর্থ বুঝে, বিনয়ের সঙ্গে এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে বেশি বেশি পড়া যেতে পারে—
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
অর্থ: হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবেন, আমি তারই মুখাপেক্ষী।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।"
— (সূরা আশ-শারহ ৯৪:৫-৬)
তাই হতাশ না হয়ে আমল, দোয়া, তাওবা ও হালাল উপায়ে চেষ্টা চালিয়ে যান। আল্লাহ চাইলে এক মুহূর্তেই অবস্থার পরিবর্তন করে দিতে পারেন। ইনশাআল্লাহ।
1 557
দ্রুত বিয়ের আমল:
১| অধিক ইস্তেগফার, গোনাহ ত্যাগ করা
২| ফজর ও মাগরিবের পর তিনবার দরুদে ইব্রাহীম পাঠ এবং বিয়ের জন্য দোয়া
৩| প্রতি ওয়াক্ত নামাযের পর সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পাঠ
৪| সুযোগ পেলে সুরা হজ্ব পাঠ, সুরা ইখলাছ পাঠ করে বেশি বেশি দোয়া করা
৫| মনে মনে বিয়ে সহজের নিয়ত করে বেশি বেশি লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পাঠ
৬| তাহাজ্জুদে বিয়ের জন্য নিয়মিত দোয়া করা
৭| সদকা করা
সালফে সালেহীন, পূর্ববর্তী ইমামগণ, নিকট অতীতের বিখ্যাত আলিমগণ এবং বর্তমান সময়ের প্রখ্যাত আলিমদের বয়ান, কিতাব থেকে সংগৃহীত।
.
- মুমিনের সংসার জীবন
1 557
*"আপনার রিজিক (জীবিকা) নিয়ে দুশ্চিন্তা করা মানে হলো আল্লাহর সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ করা। আপনার যতটুকু প্রাপ্য, তা মহাবিশ্বের কেউ আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না।"*
- উস্তাদ নোমান আলী খান.
1 557
আমি জানি না, আমার সমাধান জানা নেই। আমার পুরো একটা জীবন চোখের সামনে শ খানেক মানুষকে দেখেছি যারা আপনার মত পরিস্থিতিতে গিয়েছে। (আমি নিজে ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া)
তবে আমি একটা জিনিস জানি, এ বিষয়গুলোর পরিণতি জানি। একটা সময় আসবে এই আবেগ বাস্তবতার সাথে আর মিলবে না। বাস্তবতার ধাক্কায় দেখবেন হুট করে বয়সটা অনেক হয়ে গিয়েছে। নিজের ভেতরে থাকা আবেগ গুলো শেষ হয়ে গিয়েছে। না পেয়েছেন ওই মানুষকে, না পেয়েছেন নিজেকে। নিজের বলে কিছুই নেই, কিছুই ভালো লাগে না। আর আখিরাত? দিনকে দিন এই গুনাহের ফলে আল্লাহ কে অনুভব করা ত দূরে থাকুক, তওবা করা যে প্রয়োজন সেটাই হয়তো ভুলে যাবেন।
আমার সত্যিই জানা নেই আপনার সমস্যার সমাধান, শুধু জানি, আপনার সামনে একটা ভয়ংকর পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে যদি বের হতে না পারেন।
ছোট্ট একটা পরামর্শ দিতে পারি, বুঝতে পারলে হয়ত পরিস্থিতি বুঝবেন। আগুন লাগা ঘরে আসবাবপত্রের মায়া করতে নেই, জীবনটা নিয়ে বের হওয়াই আসল। কিন্তু হারামের আগুনের পোড়াটা বহুবছর পর হয়, তাই জীবনটা নিয়ে বের হওয়ার আগেই অনেকে মারা যায়...
1 557
ইয়া রব।আপনি আমার থেকেও আমার অন্তর সম্পর্কে ভাল জানেন।আমার ভগ্ন হৃদয়ে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর ব্যথা গুলো সম্পর্কে আপনি অবগত।
আমার না বলা প্রতিটি দুয়া সম্পর্কে ও আপনি অবগত। আল্লাহ আপনি আমার জীবনে যেই ফয়সালা দিবেন আমি তার উপর সন্তুষ্ট।
আলহামদুলিল্লাহ।
1 557
হঠাৎই আল্লাহ সবকিছু ঠিক করে দেবেন। আপনি হয়তো ভাবছেন, যে বিষয়টির জন্য এতদিন ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করছেন, যার জন্য তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া শুরু করেছেন—সেই গল্পের সমাপ্তি হয়ে গেছে। কিন্তু ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই আল্লাহ একটি অলৌকিক পরিবর্তন এনে দেবেন। তিনি এমনভাবে পুরো পরিস্থিতি বদলে দেবেন, যা আপনি কখনো কল্পনাও করেননি। আপনার তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা)-এর কারণে তিনি আপনার জন্য সবকিছু নতুনভাবে সাজিয়ে দেবেন। যখন মনে হবে সবকিছু আপনার বিপক্ষে যাচ্ছে, তখন শুধু তাঁর এই বাণীটি স্মরণ করুন: "আপনি জানেন না, হতে পারে এর পর আল্লাহ নতুন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন।" — (সূরা আত-তালাক, ৬৫:১)
—সংগৃহিত
1 557
যারা সবদিক দিয়েই বিয়ের উপযুক্ত হয়ে আছেন, এরপরও বিয়ে করতে পারছেন না— তারা নিচের আমলগুলো বেশি বেশি করতে পারেনঃ
১। সূরা ফুরকান, আয়াত ৭৪ঃ
﴿رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا﴾
“হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য আদর্শ বানিয়ে দিন।”
২। সূরা কাসাস, আয়াত ২৪ঃ
﴿رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ﴾
“হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।”
৩। প্রতিদিন ১১ বার সূরা আদ-দুহা পড়তে পারেন।
৪। সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করতে পারেন।
৫। আল্লাহ তাআলার পবিত্র ৯৯টি নাম বেশি বেশি পড়তে পারেন।
এ ছাড়াও নিয়মিত দুআ করা সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
আল্লাহ তাআলা সকলের জন্য উত্তম ফয়সালা নির্ধারণ করুন। আমীন।
1 557
খেয়াল করেছেন?
আগে কারো মৃত্যুর সংবাদ শুনলে মানুষের অন্তরে একটা ভয় কাজ করত। নিজের মৃত্যুর কথাও মনে পড়ে যেত, আখিরাতের চিন্তাও আসত, নিজের আমল-আখলাক নিয়ে ভাবনা আসত। মানুষ নিজের জীবনটা নিয়ে একটু হলেও ভাবত। হয়তো দীর্ঘ সময়ের জন্য নয়, কিন্তু কিছু সময়ের জন্য হলেও নিজেকে খারাপ কাজ ও অনুচিত বিষয় থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করত। নিজেকে একটু বদলে নেওয়ার ইচ্ছা জাগত।
কিন্তু এখন যেন সেই অনুভূতিটা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর সংবাদ আর আগের মতো অন্তরে নাড়া দেয় না, ভয় জাগায় না, নিজের মৃত্যুর কথাও তেমন মনে করিয়ে দেয় না। যেনো আমাদের অন্তরগুলো মরে যাচ্ছে!
আচ্ছা বলেন তো এমন হওয়ার কারণগুলো কী?
