fa
Feedback

فریب کلاهبرداران را نخورید! تل‌متریو این کانال‌ها را شناسایی و برچسب‌گذاری می‌کند 👉 برای مشاهده برچسب، اشتراک تهیه کنید

ilhaam

ilhaam

رفتن به کانال در Telegram
1 553
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-27 روز
-230 روز
آرشیو پست ها
ilhaam
1 553
আমরা যদি দুনিয়াতে পরীক্ষার সম্মুখীন না হতাম, বিপদ-আপদের কষ্ট যদি সহ্য করা না লাগত, তাহলে কিয়ামতের দিন আমাদের দেউলিয়া হয়ে উপস্থিত হতে হতো। — ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) [সূত্র : যাদুল মাআদ, ৪/১৭৬]

ilhaam
1 553
দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে...

ilhaam
1 553
 السلام عليكم ورحمة الله وبركاته  আমাদের চ্যানেলের নিচে মাঝেমধ্যে কিছু বিজ্ঞাপন (Sponsored message) দেখা যেতে পারে। আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এই বিজ্ঞাপনগুলো পরিচালনার পেছনে আমাদের চ্যানেলের কোনো ভূমিকা বা নিয়ন্ত্রণ নেই। এগুলো সম্পূর্ণ টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা এবং সাধারণত ব্যাবহারকারীর অ্যাকাউন্টটি পেইড (Premium) না হলে এই বিজ্ঞাপনগুলো এসে থাকে। উল্লেখ্য, সাধারণ কোনো অ্যাড-ব্লকার (Ad-blocker) অ্যাপ ব্যবহার করে বা ডিএনএস (DNS) পরিবর্তন করে টেলিগ্রাম অ্যাপের ভেতরের এই অফিশিয়াল বিজ্ঞাপনগুলো বন্ধ করা যায় না। তাই কারো এন্ডে এগুলো আসলে বিচলিত না হয়ে এগুলো এড়িয়ে চলুন এবং অতি অবশ্যই কোনো অপরিচিত লিংকে ক্লিক করা থেকে সতর্ক থাকুন। جزاكن الله خيرا ©

ilhaam
1 553
⚰️📜 মৃত্যুর কোনো বয়স নেই 📜⚰️ — ✍️ জাবিরা আফরিন ​মৃত্যুর কোনো বয়স নেই, কখন যে আসে ক্ষণ, ⏳ হাসতে হাসতে থেমে যেতে পারে, এই তো
⚰️📜 মৃত্যুর কোনো বয়স নেই 📜⚰️ — ✍️ জাবিরা আফরিন ​মৃত্যুর কোনো বয়স নেই, কখন যে আসে ক্ষণ, ⏳ হাসতে হাসতে থেমে যেতে পারে, এই তো জীবন। 💔 ​আগাম কোনো চিঠি আসে না, আসে না কোনো খবর, ✉️ হঠাৎ করেই ডাক পড়ে যায়, দুনিয়া হয়ে যায় পর। 🕯️ ​আজ যে মানুষ স্বপ্ন বোনে, আগামী দিনের তরে, 🌙 কাল সে মানুষ নাও থাকতে পারে, এই ধরণীর বুকে। 🥀 ​কত আশা জমিয়ে রাখি, কত রঙিন বাসনা, 🍂 মৃত্যু এলে মুহূর্তে সব, হয়ে যায় যে অচেনা। 🌫️ ​যৌবন দেখে ভেবো না তুমি, মৃত্যু অনেক দূর, 🌿 কত তরুণ পাড়ি দিয়েছে, দুনিয়ার মায়া ছেড়ে। 🕊️ ​বৃদ্ধ হলেই মৃত্যু আসবে—এমন কোনো কথা নেই, 🧓 রবের ডাকে কখন যেতে হবে, সে খবর কারো নেই। ☁️ ​বৃদ্ধ হলে তওবা করব—এই আশাতে থেকো না, 🍂 মৃত্যু কখন এসে দাঁড়ায়, তার খবর তুমি জানো না। 🕊️ ​তাই হে মন, গাফেল থেকো না, ফিরে এসো রবের পানে, 🤲 তওবার অশ্রু ঝরুক আজি, নির্জন রাতের প্রহরে। 💧 ​কোন সকাল যে শেষ সকাল, কে জানে এই ভুবনে, 🌅 মৃত্যুর আগে রবের পথে, ফিরে আসি আপন মনে। ✨

ilhaam
1 553
দুনিয়ার কত ছোটখাটো কারণে আমাদের চোখে পানি আসে। কারো ওপর অভিমান করে, প্রিয় কাউকে হারিয়ে, জীবনের না-পাওয়াগুলো মনে পড়লে, এমনকি একটা আবেগঘন ভিডিও দেখেও চোখ ভিজে ওঠে। . কিন্তু শেষ কবে রাতের নির্জনে একা বসে শুধু আল্লাহর কথা ভেবে চোখ দিয়ে পানি পড়েছিল? . বইয়ের এই হাইলাইট করা অংশে একটি হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে: . "আল্লাহর ভয়ে যে মানুষ কেঁদেছে, সে জাহান্নামে যাবে না, যতক্ষণ না পশুর ওলান থেকে দোহন করা দুধ আবার সেখানে ফিরিয়ে দেওয়া যায়।" . গাভী থেকে একবার দুধ দোহন করার পর তা আর ওলানে ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। তেমনি আল্লাহর মহত্ত্ব ভেবে, নিজের ভুলের অনুশোচনায় যার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়েছে, তার জাহান্নামে যাওয়াও অসম্ভব হয়ে যায়। আল্লাহর দয়া তাকে আগলে রাখে। . আমরা মানুষের সামনে কাঁদতে লজ্জা পাই, সবসময় নিজেকে শক্ত দেখাতে চাই। কিন্তু রাতের অন্ধকারে জায়নামাজে বসে নিজের রবের সামনে কাঁদা দুর্বলতা নয়, বরং মুমিনের শক্তি। . আমাদের জীবনে হয়তো অনেক ভুলত্রুটি জমে আছে। আল্লাহর সামনে আন্তরিকভাবে ফেলা চোখের পানি সেই গুনাহগুলো মুছে দেওয়ার উসিলা হতে পারে। . দুনিয়ার ব্যস্ততায় হয়তো অন্তর শক্ত হয়ে গেছে, সহজে কান্না আসে না। তবু আজ রাতে কিছুক্ষণ নির্জনে বসে হাত তুলে বলা যায়: . "হে আল্লাহ, আমার শক্ত হয়ে যাওয়া মনটাকে নরম করে দাও। তোমার ভয়ে, তোমার ভালোবাসায় চোখের পানি ফেলার তাওফিক আমাকে দাও।" . আল্লাহ আমাদের সেই চোখ দান করুন, যে চোখ তাঁর ভয়ে কাঁদতে জানে। আমিন। - মুহাম্মদ আবু সুফিয়ান

ilhaam
1 553
তুমি আমল করতে থাকো কেননা ম*রে গেলে আর ফিরে আসবে না। যারা চলে গেছে তাদের দিকে চেয়ে দেখো, তারা কি আর ফিরে এসেছে? - মুহাম্মাদ ব
তুমি আমল করতে থাকো কেননা ম*রে গেলে আর ফিরে আসবে না। যারা চলে গেছে তাদের দিকে চেয়ে দেখো, তারা কি আর ফিরে এসেছে? - মুহাম্মাদ বিন মুক্কাতিল (রহি.)

ilhaam
1 553
দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে...

ilhaam
1 553
কখনো কি চিন্তা করেছেন, আল্লাহ তাআলা কেন একথা বললেন না যে "প্রতিটি প্রাণীই মারা যাবে"? বরং তিনি বলেছেন, ”প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে”। মৃত্যু কি কোনো খাবার বা পানীয় যে, আমাদের তার স্বাদ নিতে হবে? আমরা কোরআনের এই আয়াতটি প্রায়ই পড়ি। কিন্তু খুব কম মানুষই (ذَائِقَةُ) বা 'স্বাদ গ্রহণ' শব্দটিতে থেমে একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন। আল্লাহ কেন সাধারণ ভাষায় 'আমরা মরে যাব' বা 'ধ্বংস হয়ে যাব' না বলে 'স্বাদ নেওয়া' শব্দটি বেছে নিলেন? এর পেছনে এমন এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মিক রহস্য লুকিয়ে আছে, যা নিয়ে ভাবলে বাস্তবেই কলিজা কেঁপে ওঠে! আপনি যখন কোনো খাবার মুখে দেন, তার স্বাদ কিন্তু এক সেকেন্ডেই গায়েব হয়ে যায় না। বরং তা আপনার পুরো অনুভূতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং আপনি তা অনুভব করতে থাকেন। আল্লাহ তাআলা এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন এটা বোঝানোর জন্য যে, মৃত্যু হঠাৎ করে নিভে যাওয়া বা 'সুইচ অফ' হয়ে যাওয়ার মতো কিছু নয়! এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া। ধীরে ধীরে রূহ টানা হতে থাকে এবং মানুষ তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে মৃত্যুর প্রতিটি মুহূর্তকে সজ্ঞানে 'উপলব্ধি' করে। মানুষ তখন ফেরেশতা এবং অদৃশ্যের ওই জগত দেখতে শুরু করে, যা সে দুনিয়াতে ভুলে ছিল। আল্লাহ বলেন,"আমি তোমার ওপর থেকে পর্দা সরিয়ে দিয়েছি, আজ তোমার দৃষ্টি বড়ই প্রখর!" (সূরা ক্বাফ: ২২) রূহ একবারে বের হয় না; বরং পায়ের আঙুল থেকে বের হতে শুরু করে ধীরে ধীরে কণ্ঠনালিতে এসে পৌঁছায়। কোরআনে বলা হয়েছে, "কখনো নয়! যখন প্রাণবায়ু কণ্ঠনালিতে পৌঁছাবে... আর সে বুঝতে পারবে যে, এটাই বিদায়বেলা!"(সূরা কিয়ামাহ: ২৬-২৮) যে মুহূর্তে রূহ শরীর ছেড়ে যায়, মানুষের চোখ তখন আসমানের দিকে সেটার পিছু নেয়। যেমনটা নবীজি (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই রূহ যখন কবজ করা হয়, দৃষ্টি তখন তার পিছু নেয় (তাকিয়ে থাকে)।" (সহিহ মুসলিম) কেন 'স্বাদ' শব্দটিই বেছে নেওয়া হলো? আল্লাহ কেন বললেন না যে, প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুকে 'দেখবে' বা 'শুনবে'? আপনি কোনো ভয়ংকর দৃশ্য দেখলে চোখ বন্ধ করতে পারেন, কটু শব্দ শুনলে কানে আঙুল দিতে পারেন, গরম কিছু ছুঁয়ে ফেললে হাত সরিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু 'স্বাদ'? মুখে কোনো কিছু চলে গেলে আর জিভে লাগলে, আপনি কিছুতেই তার স্বাদ থেকে পালাতে পারবেন না! সেই অভিজ্ঞতা আপনার 'ভেতরে' প্রবেশ করে এবং আপনার অস্তিত্বের অংশ হয়ে যায়। মৃত্যু এমন কোনো ঘটনা নয় যা আপনি দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখবেন। বরং মৃত্যু আপনার শিরা-উপশিরায়, কোষের ভেতরে ঢুকে যাবে। আপনি চান বা না চান, এর স্বাদ আপনাকে পেতেই হবে। যেহেতু মৃত্যুকে 'আস্বাদন' করতে হবে, তাই নিশ্চিতভাবেই এর একটা স্বাদ আছে। খাবারের যেমন আলাদা স্বাদ থাকে, তেমনি আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক আর আমলের ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুর স্বাদও একেকজনের জন্য একেক রকম হবে। নবীজি (সা.) বলেছেন: "পানির পাত্র থেকে যেভাবে সহজে পানি গড়িয়ে পড়ে, মুমিনের রূহ ঠিক সেভাবেই সহজে বেরিয়ে আসে।" (মুসনাদে আহমাদ) এটি এমন এক স্বাদ, যা প্রশান্তি আর জান্নাতের সুসংবাদে ভরপুর। নবীজি (সা.) বলেছেন, "ভেজা পশমের ভেতর থেকে কাঁটাযুক্ত লোহার শিঁক যেভাবে টেনে বের করা হয়, (পাপীর) রূহকে ঠিক সেভাবেই টেনে-হিঁচড়ে বের করা হয়।" (মুসনাদে আহমাদ) এটি চরম কষ্ট, অনুশোচনা আর আক্ষেপের স্বাদ। এমনকি নবী-রাসূল এবং নেককাররাও 'সাকারাতুল মাউত' বা মৃত্যুর কষ্ট অনুভব করেন। কিন্তু মুমিনের জন্য এই কষ্ট তার মর্যাদা বুলন্দ করার মাধ্যম, যা আল্লাহর সাথে পবিত্র হয়ে সাক্ষাতের আগে তার আমলনামাকে একেবারেই নিখুঁত করে দেয়। সারকথা হলো, মৃত্যু এমন এক পেয়ালা, যা সব মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে। আমরা সবাই এই পেয়ালার পানীয় পান করব। তবে কেউ এর স্বাদ পাবে প্রশান্তি আর জান্নাতের সুবাসে, আর কেউ পাবে চরম ভয় আর আক্ষেপের তিক্ততায়। আজকের এই দিনে কয়েক মিনিটের জন্য হলেও একা বসে নিজের বিবেককে একটা প্রশ্ন করি, আমার বর্তমান আমল, আমার নামাজ আর আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্কের হিসাব অনুযায়ী... আমি নিজের জন্য মৃত্যুর কোন "স্বাদ" তৈরি করছি? আল্লাহ তাআলা আমাদের সুন্দর মৃত্যু নসিব করুন।  মৃত্যুকে আমাদের জন্য সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তির উপায় বানিয়ে দিন।  আমিন। ©

ilhaam
1 553
কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না (বিপদাপদের কারণে) এক ব্যক্তি আর এক ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মৃ*ত ব্যক্তির স্থানে হওয়
কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না (বিপদাপদের কারণে) এক ব্যক্তি আর এক ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মৃ*ত ব্যক্তির স্থানে হওয়ার বাসনা করবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষন না এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে যাত্রাকালে বলবে, হায়! আমি যদি তার স্থানে হতাম।”
[সহিহ মুসলিম: ৭০৩৭]

ilhaam
1 553
এটা কে বা কারা করছে জানিনা,, তবে পবিত্র কোরআনে বর্নিত জুলকারনাইন যে ইয়াজুজ-মাজুজ পাহাড় বন্দী মুক্তির হুবহু মেলানো হয়েছে --- فَانۡطَلَقَا ٝ حَتّٰۤی اِذَاۤ اَتَیَاۤ اَهۡلَ قَرۡیَۃِۣ اسۡتَطۡعَمَاۤ اَهۡلَهَا فَاَبَوۡا اَنۡ یُّضَیِّفُوۡهُمَا فَوَجَدَا فِیۡهَا جِدَارًا یُّرِیۡدُ اَنۡ یَّنۡقَضَّ فَاَقَامَهٗ ؕ قَالَ لَوۡ شِئۡتَ لَتَّخَذۡتَ عَلَیۡهِ اَجۡرًا

ilhaam
1 553
আল্লাহ এখানে সময় এর কসম খেয়ে বলেছেন মানুষ আসলে একটা বিশাল লসের (ক্ষতির) মধ্যে আছি। ​কেন লস? কারণ আমাদের জীবনটা একদম বরফের মতো
আল্লাহ এখানে সময় এর কসম খেয়ে বলেছেন মানুষ আসলে একটা বিশাল লসের (ক্ষতির) মধ্যে আছি। ​কেন লস? কারণ আমাদের জীবনটা একদম বরফের মতো, যা প্রতি সেকেন্ডে গলে যাচ্ছে। আমরা চাই বা না চাই, সময় কিন্তু চলে যাচ্ছে। ​তবে এই নিশ্চিত লস হওয়া থেকে বাঁচার জন্য ৪টা সহজ শর্ত দেওয়া হয়েছে: ​ঈমান আনা: আল্লাহর ওপর মনেপ্রাণে বিশ্বাস রাখা। ​সঠিক কাজ করা: শুধু বিশ্বাস করলেই হবে না, কাজেও তার প্রমাণ দেওয়া। ​অন্যকে সত্যি ও ন্যায়ের পথে ডাকা: নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি আশেপাশের মানুষকে ভালো কাজের কথা বলা। ​ধৈর্য ধরা ও ধৈর্য ধরতে বলা: সত্যের পথে চলতে গেলে ঝামেলা আসবেই, তাই নিজে ধৈর্য ধরা এবং অন্যকেও মানসিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া।

ilhaam
1 553
আপনার বয়স ২২-৩০ এর মধ্যে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে ২ লাখ টাকা জমানো। এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সি মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা। প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল,সব নরমাল। মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন। মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নবী (সা) তে।সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন,নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন। আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন,জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানি স্বাদ দুনিয়া যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ) পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন।যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন। এরপর বের হয়ে মদিনা চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস,মদিনার রাস্তা,সব কিছু কেমন আরামদায়ক।আপনার সেই সময় মনে হবে,মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতে এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)। হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন।রাস্তা থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে দিবেন।কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে,কোলে উঠবে,মুরগি খাবে।আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন। এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নবী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন,সামনে কাতারে। নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন।মনে হবে,আরেহ এই তো আমার পরিচিত বন্ধু,কত দিনের চেনা। আস্তে আস্তে ফজরে সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) রওজায় সালাম দিবেন, আপনার মনের কথা বলবেন। সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন। সিম্পল কিছু কাজ।৷ কিন্ত এই কাজের যে শান্তি,দুনিয়া সব সম্পদ হাতে দিলে আপনি এই শান্তি পাবেন না। যদি সুযোগ হয়,একবার হলেও মদিনায় যাবেন,বেহেস্ত স্বাদ আপনি দুনিয়া পাবেন। হে কাবার মালিক! কবুল করে নেন আমাদের 🖤

ilhaam
1 553
জীবন মৃত্যুর ঘনিষ্ঠ সঙ্গী..

ilhaam
1 553
দু'আ— আপনার হাতে থাকা সবচেয়ে কার্যকরী হাতিয়ার 🤲 —আরিফ আজাদ।

ilhaam
1 553
দুনিয়া না আখিরাত কোনটি উদ্দেশ্য?

ilhaam
1 553
তুমি কি পেলে, যদি আল্লাহকে হারাও! তুমি কি হারালে, যদি আল্লাহকে পেয়ে যাও! 💚🥀
তুমি কি পেলে, যদি আল্লাহকে হারাও! তুমি কি হারালে, যদি আল্লাহকে পেয়ে যাও! 💚🥀

ilhaam
1 553
একটু অসাবধানতায় জমানো স্বপ্নটাই নষ্ট! 😢 উইপোঁকা খেয়ে নিলো টাকা 🥲।

ilhaam
1 553
দুনিয়ার পিছনে ঘুরতে ঘুরতে একদিন এভাবেই শেষ হয়ে যাবে আমাদের হায়াত। হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন দুনিয়া এবং আখিরাতে।

ilhaam
1 553
আমি শুধু এই বিল্ডিংয়ে থাকা মানুষ গুলোর কথা ভাবছিলাম। কেমন ছিল তাদের মনের অবস্থা তখন! চারপাশের বাড়িঘর সব পানির স্রোতের সাথে ভেসে যাচ্ছে। একটু পরেই হয়তো তাদের এই বিল্ডিং ও ভাসিয়ে নিয়ে যাবে! মৃত্যুর কত কাছাকাছি এসে যেন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা! নেপালের এই ভূমিধস এবং বন্যা কিয়ামতের একটি সিনারিও আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেল!