fa
Feedback
Manzur's posts

Manzur's posts

رفتن به کانال در Telegram

Here, posts and lectures of Ustaz Manzurul Karim will be shared in sha Allah.

نمایش بیشتر
7 058
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-77 روز
-930 روز
آرشیو پست ها
দারসুল হাদীস: দার্স ২ https://youtu.be/wcDFQPQ-FQs

যে সত্য সাক্ষ্য গোপন করে তার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন, وَلَا تَكْتُمُوا الشَّهَادَةَ وَمَنْ يَكْتُمْهَا فَإِنَّهُ آثِمٌ قَلْبُهُ "আর তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না। আর যে কেউ তা গোপন করে অবশ্যই তার অন্তর পাপী"। [১] . এই আয়াতে অন্তরকে পাপী কেন বলা হল তার ব্যাখ্যায় আল্লামা জারুল্লাহ যামাখশারী [রাহ.] লিখেছেন, "সাক্ষ্য গোপন করা হলো: তা অন্তরে লুকিয়ে রাখা এবং তা মুখে প্রকাশ না করা। যেহেতু এটি এমন একটি গুনাহ যা অন্তর দ্বারা অর্জিত হয়, তাই তা অন্তরের প্রতি সম্বন্ধিত করা হয়েছে। কেননা কোনো কর্মকে সেই অঙ্গের প্রতি সম্বন্ধিত করা, যে অঙ্গ দ্বারা তা সম্পাদিত হয়, তা অধিক বাগ্মিতাপূর্ণ অভিব্যক্তি"।[২] . [১) সূরা বাকারাহ: ২৮৩; ২) আল্লামা জারুল্লাহ যামাখশারী (রাহ.), আল কাশশাফ: ১/৩২৯]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ذَاقَ طَعْمَ الْإِيمَانِ مَنْ رَضِيَ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا "যে লোক আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট, সে-ই ঈমানের স্বাদ পেয়েছে"।[১] . এর ব্যাখ্যায় আল্লামা উবাইদুল্লাহ আল মুবারাকপুরী [রাহ.] লিখেছেন, "তাহরীর” গ্রন্থের রচয়িতা বলেন: কোনো বিষয়ের ব্যাপারে ‘আমি সন্তুষ্ট হয়েছি’ (رَضِيتُ بِالشَّيْءِ)—এর অর্থ হলো, আমি তাতে সন্তুষ্ট থেকেছি, সেটাকেই যথেষ্ট মনে করেছি এবং তার পাশাপাশি অন্য কিছু চাইনি। সুতরাং হাদিসের অর্থ হলো—সে আল্লাহ তাআলা ছাড়া অন্য কাউকে চায়নি, ইসলামের পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে চলার চেষ্টা করেনি এবং মুহাম্মাদ ﷺ-এর শরীআতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় ছাড়া অন্য কোনো পথ অবলম্বন করেনি। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, যার বৈশিষ্ট্য এমন, তার অন্তরে ঈমানের মিষ্টতা পূর্ণরূপে প্রবেশ করেছে এবং সে ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করেছে"।[২] . [১) সহীহ মুসলিম, মিশকাত, হা: ৯; ২) আল্লামা উবাইদুল্লাহ আল মুবারাকপুরী (রাহ.), মিরআতুল মাফাতীহ: ১/৫৩]

আল্লাহর জন্য ভালোবাসা অর্থ কী? ইমাম মুল্লা আলী আল ক্বারী [রাহ.] বলেন, "অর্থাৎ, সে তাকে কোনো উদ্দেশ্য, পার্থিব স্বার্থ বা বিনিময়ের প্রত্যাশায় ভালোবাসেনা। তার প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে কোনো দুনিয়াবি স্বার্থ কিংবা মানবীয় কোনো উদ্দেশ্য মিশ্রিত থাকে না; বরং তার ভালোবাসা একান্তভাবে আল্লাহ তাআলার জন্যই হয়ে থাকে। ফলে সে আল্লাহর জন্য ভালোবাসার গুণে গুণান্বিত হয় এবং আল্লাহর জন্য যারা পরস্পর পরস্পরকে ভালোবাসে, তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়"। [ মিরক্বাতুল মাফাতীহ: ১/৭৫]

কবিরা গুনাহ: দার্স ৬৯ https://youtu.be/OI0UhOWGnuA

কবিরা গুনাহ: দার্স ৬৮ https://youtu.be/m0zJKUDaCbo

আল্লাহ তাআলা বলেন, . إِنَّ ٱلَّذِینَ یُحِبُّونَ أَن تَشِیعَ ٱلۡفَـٰحِشَةُ فِی ٱلَّذِینَ ءَامَنُوا۟ لَهُمۡ عَذَابٌ أَلِیمࣱ فِی ٱلدُّنۡیَا وَٱلۡـَٔاخِرَةِۚ وَٱللَّهُ یَعۡلَمُ وَأَنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ . "নিশ্চয় যারা এটা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ুক, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না।"[১] . শাইখুল ইসলাম তাহির বিন আশূর [রাহ.] এর ব্যাখ্যায় লিখেছেন, "এই আয়াত থেকে শেখা একটা আদাব হচ্ছে মু'মিনের বৈশিষ্ট্য হল সে অন্য মু'মিন ভাইদের জন্য সেটাই পছন্দ করবে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করবে। যেভাবে সে এটা পছন্দ করে না যে তার ব্যাপারে কোনো খারাপ কথা প্রচারিত হোক, একইভাবে সে এটাও পছন্দ করবে না যে মু'মিন ভাইদের খারাপ বিষয়ের প্রচার ঘটুক"। [২] . [১) সূরা নূর: ১৯; ২) শাইখুল ইসলাম তাহির বিন আশূর (রাহ.), আত তাহরীর ওয়াত তানউইর: ১৮/১৮৫]

সূরা বাকারার ২৮২ নং আয়াতের ব্যাপারে হাফিয সালাহুদ্দীন ইউসুফ [রাহ.] তাফসিরে আহনাসুল বায়ানে লিখেছেন, "যে সমাজে সূদী কার্যকলাপকে কঠোরভাবে নিষেধ করে সাদাকা-খয়রাত করার প্রতি তাকীদ করা হয়েছে, সেই সমাজে ঋণ করার প্রয়োজন পড়ে বেশী। কারণ সূদ তো হারাম এবং সব মানুষ সাদাকা-খয়রাত করার সামর্থ্য রাখে না। তাছাড়া সব লোক সাদাকা নিতে পছন্দও করে না। সুতরাং স্বীয় প্রয়োজন পূরণ করার জন্য উপায় এখন ঋণ আদান-প্রদান করা। আর এই কারণেই ঋণ দেওয়া যে বড় ফযীলতের কাজ, সে কথা বহু হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। তবে ঋণ যেহেতু অতীব প্রয়োজনীয় জিনিস, তাই এর প্রতি গুরুত্ব না দিলে অথবা এ ব্যাপারে অলসতা করলে, তা কলহ-বিবাদের কারণও হতে পারে। তাই এই আয়াতে --যাকে ‘আয়াতুদ দাইন’ বলা হয় এবং যেটা কুরআনের মধ্যে সব থেকে লম্বা আয়াত -তাতে মহান আল্লাহ ঋণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দান করেছেন। যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনটি কলহ-বিবাদের কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। কাজেই এ ব্যাপারে একটি নির্দেশ হল, মেয়াদ নির্দিষ্ট করে নাও। দ্বিতীয় নির্দেশ, এটা লিখে নাও এবং তৃতীয় নির্দেশ হল, এর উপর দু’জন মুসলিম পুরুষকে অথবা একজন পুরুষ ও দু’জন মহিলাকে সাক্ষী বানিয়ে নাও।"

মিশকাতুল মাসাবীহ, কিতাবুল ঈমান, দার্স ১ https://youtu.be/QwNTQhldguA

একটা পেইজ খুলেছি ফেবুতে। উপকারী মনে করলে ফলো করতে পারেন, https://www.facebook.com/profile.php?id=61593205241214

একজন লোক সালমান আল ফারিসী [রা.] কে বললেন, "হে আবু আব্দুল্লাহ, আমাকে উপদেশ দিন"। তিনি বললেন, "তুমি কথা বলো না"। সে ব্যক্তি বলল, "যে লোকেদের মাঝে বসবাস করে সে কথা না বলে থাকতে তো সক্ষম হবে না।" . সালমান [রা.] বললেন, "যদি তুমি কথা বলই তাহলে হক কথা বল নয়তো চুপ থাক"। . লোকটি বলল, "আমাকে আরও উপদেশ দিন"। সালমান [রা.] বললেন, "তুমি রাগ করো না"। সে বলল, "আপনি আমাকে রাগ না করার নির্দেশ দিয়েছেন, অথচ এমন কিছু পরিস্থিতি আমাকে গ্রাস করে, যা আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না"। . সালমান [রা.] বললেন, "যদি রাগ করেই ফেলো, তাহলে তোমার জিহ্বা ও হাতকে নিয়ন্ত্রণে রেখো"। . লোকটি বলল, "আমাকে আরও উপদেশ দিন"। সালমান [রা.] বললেন, "মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করো না"। লোকটি বলল, "যে ব্যক্তি মানুষের মধ্যে জীবনযাপন করে, তার পক্ষে তাদের সঙ্গে মেলামেশা না করা সম্ভব নয়।" . সালমান [রা.] বললেন, "যদি তাদের সঙ্গে মেলামেশা করতেই হয়, তাহলে কথায় সত্যবাদী হও এবং আমানত আদায় করো"। . [ ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া (রাহ.), আস সামতু ওয়া আদাবুল লিসান, হা: ৬১০]

"আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ ও অতি পাপীদেরকে ভালোবাসেন না"। . يَمْحَقُ اللَّهُ الرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ كُلَّ كَفَّارٍ أَثِيمٍ . [ সূরা বাকারাহ: ২৭৬]

জীবনাচরণে নববী আদর্শ, দার্স ১২৯। এটা নববী আদর্শের সর্বশেষ দার্স: https://youtu.be/S5zzmL0s1bc

"যে ব্যক্তি সূদের দ্বারা সম্পদ বাড়িয়েছে, পরিণামে তার সম্পদ হ্রাসপ্রাপ্ত হবেই"। . مَا أَحَدٌ أَكْثَرَ مِنَ الرِّبَا، إِلَّا كَانَ عَاقِبَةُ أَمْرِهِ إِلَى قِلَّةٍ . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম ইবনু মাজাহ (রাহ.), আস সুনান, হা: ২২৭৯, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ]

মানুষ কেন গীবতে জড়ায়, এর কারণ সম্পর্কে ইমাম গাযালী [রাহ.] গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন যার সংক্ষিপ্তসার হচ্ছে: . ১) যার গীবত করা হচ্ছে, তার দোষ-ত্রুটি উল্লেখ করে গীবতকারী নিজের ক্রোধ বা ক্ষোভ প্রশমিত করা। ২) সমবয়সী, সহকর্মী বা বন্ধুদের মনোরঞ্জন করা এবং তারা যে গীবতের আলোচনায় লিপ্ত হয়েছে, তাতে তাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করা। ৩) অন্য ব্যক্তির ব্যাপারে খারাপ ধারণা পোষণ করা, যা তাকে গীবতের দিকে প্ররোচিত করে। ৪) নিজের কোনো দোষ থেকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে সেই দোষ অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া, অথবা অন্য ব্যক্তির সম্পর্কে বলা যে, সেও ওই কাজে তার অংশীদার। ৫) অন্যের ত্রুটি-দোষ তুলে ধরে নিজেকে উচ্চতর ও পবিত্র হিসেবে প্রকাশ করা। ৬) এমন ব্যক্তির প্রতি হিংসা করা, যার প্রশংসা মানুষ করে এবং যার ভালো গুণাবলি তারা উল্লেখ করে। ৭) অন্যদের নিয়ে উপহাস, ঠাট্টা-বিদ্রূপ এবং তাদের হেয় বা তুচ্ছজ্ঞান করা।[১] . কারণগুলোকে মনোযোগের সাথে পড়ুন। তাহলে এগুলো সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্ক হওয়া এবং বেঁচে থাকা সম্ভব হবে ইন শা আল্লাহ। . [ ১) নাদ্বরাতুন নাঈম ফী মাকারিমি আখলাক্বির রাসূলিল কারীম: ১১/৫১৬৩]

"সাহাবাগণ [রা.] পরস্পরের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করতেন। কারও অনুপস্থিতিতে তাঁরা তাঁর গীবত করতেন না। তাঁরা একে সর্বোত্তম আমলগুলোর একটি মনে করছেন। আর এর বিপরীত কাজকে মুনাফিকদের অভ্যাস বলে মনে করতেন"। . ~ ইমাম আবু হামিদ আল গাযালী [রাহ.] . [ ইহইয়াউ ঊলূমিদ্দীন: ৩/১৪৩]

"সাদাকাহ গুনাহকে এভাবে মিটিয়ে দেয়, যেভাবে পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়"। . وَالصَّدَقَةُ تُطْفِئُ الخَطِيئَةَ كَمَا يُطْفِئُ المَاءُ النَّارَ . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ৬১৪, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ]

আল্লাহ তাআলা বলেন, “নিশ্চয় মুনাফিকরা আল্লাহর সাথে ধোঁকাবাজি করতে চায়, বস্তুতঃ তিনি তাদেরকে ধোঁকায় ফেলেন। আর যখন তারা সালাতে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্যের সাথে দাঁড়ায়, শুধুমাত্র লোক দেখানোর জন্য দাঁড়ায় এবং আল্লাহকে তারা অল্পই স্মরণ করে"। [১] . إِنَّ ٱلۡمُنَـٰفِقِینَ یُخَـٰدِعُونَ ٱللَّهَ وَهُوَ خَـٰدِعُهُمۡ وَإِذَا قَامُوۤا۟ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ قَامُوا۟ كُسَالَىٰ یُرَاۤءُونَ ٱلنَّاسَ وَلَا یَذۡكُرُونَ ٱللَّهَ إِلَّا قَلِیلࣰا . শাইখ উসাইমিন [রাহ.] এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, "যে ব্যক্তি অলসতার সাথে সালাত আদায় করে, তার মধ্যে মুনাফিকদের সাদৃশ্য রয়েছে। সুতরাং তুমি সতর্ক থেকো, যাতে তুমি মুনাফিকদের সাদৃশ্যপ্রাপ্ত না হও; বরং উদ্যম, আনন্দ ও প্রফুল্লতার সাথে সালাত আদায় করো। আল্লাহর কসম! প্রকৃত মু’মিন সালাতের সময় হলে আনন্দিত হয়; কেননা সে অচিরেই আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর সাথে সংগোপনে কথা বলবে। আর যদি আমাদের মধ্যে কেউ তার বন্ধু বা প্রিয়জনের সাথে সাক্ষাৎ হবে জেনে আনন্দিত হয় এবং সেজন্য প্রস্তুতি নেয়, তাহলে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সাক্ষাৎ ও তাঁর সাথে অন্তরঙ্গ কথোপকথনের ব্যাপারে তোমার অবস্থা কেমন হওয়া উচিত (একবার ভেবে দেখো)! . আর এ কারণেই, যদি তুমি নিজের মধ্যে সালাতে অলসতা লক্ষ্য করো, তাহলে নিজের প্রতি সন্দিহান হও (অর্থাৎ নিজেকে দোষারোপ করো)। কেননা তুমি নিঃসন্দেহে এই বৈশিষ্ট্যে মুনাফিকদের সাদৃশ্যপ্রাপ্ত। তবে (এক্ষেত্রে করণীয় হলো) নিজেকে দোষারোপ করা এবং আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার দিকে নিজের পথচলা সংশোধন করা, আর শৈথিল্য না করা। কেননা হয়তো এখন তোমার কাছে সামান্য শৈথিল্য রয়েছে, কিন্তু তা ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যে, সালাতই তোমার কাছে সবচেয়ে ভারী ও কষ্টকর বিষয়ে পরিণত হয়ে যাবে”।[২] . [ ১) সূরা নিসা: ১৪২; ২) শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন (রাহ.), তাফসীরুল কুরআনিল কারীম- সূরাতুন নিসা: ২/৩৬৩]

একবার সাহাবীরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সঙ্গে সফরে ছিলেন। তাঁদের এক ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়লে তাঁদের মধ্যকার কেউ গিয়ে (মজার ছলে) তাঁর সঙ্গের রশি নিয়ে আসলেন। তাতে তিনি ভয় পেয়ে গেলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, لَا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يُرَوِّعَ مُسْلِمًا . "কোনো মুসলিমের জন্য অন্য মুসলিমকে ভয় দেখানো বৈধ নয়"। . [ ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৫০০৪, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ]

"হে ঈমানদারগণ! কোন মুমিন সম্প্রদায় যেন অপর কোন মুমিন সম্প্রদায়কে উপহাস না করে; কেননা যাদেরকে উপহাস করা হচ্ছে তারা উপহাসকারীদের চেয়ে উত্তম হতে পারে এবং নারীরা যেন অন্য নারীদেরকে উপহাস না করে; কেননা যাদেরকে উপহাস করা হচ্ছে তারা তারা উপহাসকারিণীদের চেয়ে উত্তম পারে।"[১] . یَـٰۤأَیُّهَا ٱلَّذِینَ ءَامَنُوا۟ لَا یَسۡخَرۡ قَوۡمࣱ مِّن قَوۡمٍ عَسَىٰۤ أَن یَكُونُوا۟ خَیۡرࣰا مِّنۡهُمۡ وَلَا نِسَاۤءࣱ مِّن نِّسَاۤءٍ عَسَىٰۤ أَن یَكُنَّ خَیۡرࣰا مِّنۡهُنَّۖ . "এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির সাথে উপহাস বা ঠাট্টা-বিদ্রূপ তখনই করে, যখন সে নিজেকে তার চাইতে উত্তম এবং তাকে নিজের চেয়ে হীন ও ছোট মনে করে। অথচ আল্লাহর কাছে ঈমান ও আমলের দিক দিয়ে কে উত্তম, আর কে নয় --এ জ্ঞান কেবল তাঁরই কাছে। কাজেই নিজেকে উৎকৃষ্ট এবং অপরকে নিকৃষ্ট মনে করার কোনই বৈধতা নেই। তাই আয়াতে অপরকে উপহাস করা হতে নিষেধ করা হয়েছে। আর চারিত্রিক এ রোগ মহিলাদের মধ্যে অধিকহারে বিদ্যমান থাকায় তাদের কথা পৃথকভাবে উল্লেখ করে বিশেষভাবে তাদেরকে এ কাজ থেকে নিষেধ করা হয়েছে। রসূল (সাঃ)-এর হাদীসে মানুষকে তুচ্ছ মনে করাকে ‘অহংকার’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে, (الْكِبْرُ بَطَرُ الْحَقِّ وَغَمْطُ النَّاسِ) (মুসলিম ৯১নং, তিরমিযী, হাকেম ১/২৬) আর অহংকার ও অহংকারীকে আল্লাহ চরম ঘৃণা করেন।"[২] . [১) সূরা হুজুরাত: ১১; ২) তাফসিরে আহসানুল বায়ান]

Manzur's posts - آمار و تحلیل کانال تلگرام @manzursposts