fa
Feedback

فریب کلاهبرداران را نخورید! تل‌متریو این کانال‌ها را شناسایی و برچسب‌گذاری می‌کند 👉 برای مشاهده برچسب، اشتراک تهیه کنید

Manzur's posts

Manzur's posts

رفتن به کانال در Telegram

Here, posts and lectures of Ustaz Manzurul Karim will be shared in sha Allah.

نمایش بیشتر
7 112
مشترکین
+124 ساعت
+277 روز
+5030 روز
آرشیو پست ها
আমার ছোট ভাইদের আমি পরামর্শ দেব যে ছাত্রজীবন থেকেই দয়া করে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলুন। অনেকে ভাবেন যে একসময় চাকরি বা ব্যবসা করব, তখন হাতে ফ্রি টাইম থাকবে, সেসময় আমি বিভিন্ন দ্বীনি বিষয়ে জ্ঞানার্জন করব ইন শা আল্লাহ। এটা চিন্তা হিসেবে সুন্দর তবে প্রায়োগিক না। বয়সের সাথে সাথে ঘাড় যেমন ভারি হয়ে যাবে, ফলে আগের মত মুখ গুজে বইয়ের মাঝে পড়ে থাকতে পারবেন না, তেমনি বিভিন্ন দায়িত্ব-কর্তব্যের ভিড়ে পড়ার সময় করে ওঠা অনেক কঠিন হবে। যার অল্প বয়সে পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে না, সে আসলে পরে আর সেভাবে গড়ে তুলতেও পারেনা। . কাজেই করণীয় হচ্ছে ছাত্র জীবনকে মূল্যায়ন করা। অবশ্যই নিজের একাডেমিক পড়াশোনাকে প্রায়োরিটি দিতে হবে। তবে এর পাশাপাশি সময় বের করে সিলেবাস বানিয়ে বা সিরিয়াল ধরে একের পর এক বই পড়ে যেতে হবে। যদি এটা করতে পারেন তাহলে ইন শা আল্লাহ পরবর্তী জীবনেও আপনি জ্ঞান অন্বেষণ সর্বদা জারি রাখতে পারবেন। কেননা আপনি কিছু অসাধারণ স্কিল ছাত্র জীবনেই শিখে ফেলেছেন যা আপনাকে পরেও এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। যেমন: ১) কাজের ফাঁকে সময় বের করা, ২) অধিক পঠন, ৩) প্রায়োরিটি সেট আপ, ৪) নিজের জন্য সিলেবাস বানানো ও টার্গেট নির্ধারণ, ৫) পড়াকে নিজের পাসটাইম বানানো ইত্যাদি।

"যে আমাদের বড়দের সম্মান করেনা, ছোটদের প্রতি দয়া করেনা আর আমাদের আলিমদের (হক, মর্যাদা) স্বীকার করেনা, সে আমার উম্মতের কেউ নয়" . لَيْسَ مِنْ أُمَّتِي مَنْ لَمْ يُجِلَّ كَبِيرَنَا، وَيَرْحَمْ صَغِيرَنَا، وَيَعْرِفْ لِعَالِمِنَا . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম আহমাদ (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ২২৭৫৫, ইমাম হাইসামীর (রাহ.) মতে সনদ হাসান- মাজমাউয যাওয়াইদ, হা: ৫৩২]

জুমআর দিনের একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হচ্ছে আসরের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত সময়টা। এই সময়টা দুআ কবুলের সময়। বিশেষ করে মাগরিবের ওয়াক্ত হবার ঠিক আগের সময়টা। সালাফের অনেকের থেকেই বর্ণনা পাওয়া যায় যে তাঁরা এই সময়টা মসজিদেই কাটাতেন, যেন এই সুযোগ মিস হয়ে না যায়। অথচ আমরা এই সময়ের ব্যাপারে কতই না উদাসীন!

সেক্যুলার শিক্ষা, জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি দিক হচ্ছে এর মাঝে যারা মিশে যায় তাদের তাওহিদের প্রতি কমিটমেন্ট দুর্বল হয়ে যায়, শির্কের প্রতি সফটনেস চলে আসে, নৈতিক ও আখলাকী অবক্ষয় হয়।

"মানুষকে দুটি জিনিস রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুসরণ করা থেকে বিরত রাখে: ১) অজ্ঞতা অথবা ২) নিয়তের খারাবী"। . ~ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ [রাহ.] . [ মাজমুঊল ফাতাওয়া: ১৫/৯৩]

মিশকাতুল মাসাবীহ, দারস ১৩ https://youtu.be/vAd7G2BB6SQ

কবিরা গুনাহ ও আমাদের জীবনে এর প্রভাব: দারস ৭৭ https://youtu.be/jjwayD6s2nc

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, مَنْ لَقِيَ اللَّهَ لَا يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا، وَيُصَلِّي الْخَمْسَ، وَيَصُومُ رَمَضَانَ - غُفِرَ لَهُ "যে এমতাবস্থায় আল্লাহর সাথে মিলিত হবে যে সে কোনো কিছুকে আল্লাহর সাথে শরীক করেনি, ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেছে এবং রমাদ্বানে সিয়াম পালন করেছে, সে ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে"। . উপস্থিত সাহাবী মুআয [রা.] বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি কি লোকেদেরকে এই সুসংবাদ দিয়ে দেব না? . তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, " دَعْهُمْ يَعْمَلُوا "তাদেরকে (তাদের হালতে) ছেড়ে দাও, তারা আমল করতে থাকুক"।[১] . অর্থাৎ তারা অধিক পরিমাণে সুন্নাহ ও নফল আমল করার প্রয়াস করতে থাকুক আর শাহাদাৎ ও ফরয আমল আদায়ের ওপর ভরসা করে বসে না যাক। [২] . [১) ইমাম আহমাদ (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ২২০২৮, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে এর সনদ সহীহ, সিলসিলাতুল আহাদিসিস সহীহাহ, হা: ১৩১৫; ২) আল্লামা উবাইদুল্লাহ আল মুবারাকপুরী (রাহ.), মিরআতুল মাফাতীহ: ১/১১৯]

দারসুল হাদীস: দারস ১২ https://youtu.be/BuEbx9RupSY

আমর বিন আবাসাহ [রা.] জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইসলাম কী? তিনি বললেন, طِيبُ الْكَلَامِ، وَإِطْعَامُ الطَّعَامِ "উত্তম কথা এবং মানুষকে খাবার খাওয়ানো"। . আমর [রা.] জিজ্ঞেস করলেন, ঈমান কী? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, الصَّبْرُ وَالسَّمَاحَةُ "সবর ও মুহানুভবতা"। . আমর [রা.] জিজ্ঞেস করলেন, সর্বোত্তম ইসলাম কী (অর্থাৎ সর্বোত্তম মুসলিম কে?)? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ "যা জবান ও হাত থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকে"। . আমর [রা.] এবার জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে সর্বোত্তম ঈমান (অর্থাৎ ঈমানের সর্বোত্তম শাখা) কী? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, خُلُقٌ حَسَنٌ "উত্তম আখলাক"। . আমর [রা.] জিজ্ঞেস করলেন, সর্বোত্তম সালাত কোনটি (অর্থাৎ কোন ধরণের সালাতে সাওয়াব বেশি)? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, : طُولُ الْقُنُوتِ "দীর্ঘ কিয়াম বা কিরাআত বা খুশু সমৃদ্ধ সালাত"। . আমর [রা.] জিজ্ঞেস করলেন, কোন হিজরত সর্বোত্তম? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, أَنْ تَهْجُرَ مَا كَرِهَ رَبُّكُ "(সেটা হচ্ছে) তোমার রব যা অপছন্দ করেন তুমি তা বর্জন করবে/তা থেকে হিজরত করবে"। . আমর [রা.] জিজ্ঞেস করলেন, কোন জিহাদ সর্বোত্তম? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, مَنْ عُقِرَ جَوَادُهُ، وَأُهْرِيقَ دَمُهُ "যার ঘোড়ার হাত-পা কর্তিত হয় এবং নিজের রক্তও প্রবাহিত হয় (তার জিহাদ সর্বোত্তম"। . আমর [রা.] জিজ্ঞেস করলেন, "(ইবাদাতের জন্য) কোন সময় সর্বোত্তম? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, جَوْفُ اللَّيْلِ الْآخِرِ "রাতের শেষ অর্ধাংশ"। . [ ইমাম আহমাদ (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ১৯৪৩৫, শাইখ হুসাইন আসাদের (রাহ.) মতে সনদ হাসান- মাজমাউয যাওয়াইদ: ১/৩৫১, এর তাহক্বীক]

"নিশ্চয় প্রতি বৃহস্পতিবার জুমআ রাতে আদম সন্তানের আমল (আল্লাহর সামনে) পেশ করা হয়। তবে (তখন) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীর আমল কবুল করা হয় না"। . "إِنَّ أَعْمَالَ بَنِي آدَمَ تُعْرَضُ كُلَّ خَمِيسٍ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ، فَلَا يُقْبَلُ عَمَلُ قَاطِعِ رَحِمٍ . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম আহমাদ (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ১০২৭২, আল্লামা শুআইব আরনাউত্বের (রাহ.) মতে সনদ হাসান]

কবিরা গুনাহ, দার্স ৭৬ https://youtu.be/-vEs-wWVttw

"সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যে এই উম্মতের মধ্যে সর্বদা এমন লোক বিদ্যমান রয়েছেন, যাঁরা বাতিলপন্থীদের কথাবার্তায় নিহিত বাতিলকে শনাক্ত করতে পারেন এবং তা খণ্ডন করেন"। . ~ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ [রাহ.] . [ মাজমুঊল ফাতাওয়া: ৯/২৩৩]

মিশকাতুল মাসাবীহ, দার্স ১১ https://youtu.be/HhQBiu8NwU0

"মুসলিমের জন্য শির্কের স্থানে ও আল্লাহ তাআলা ছাড়া অন্যের ইবাদত করা হয় এমন স্থানে, যেমন গির্জা, মাজার ইত্যাদিতে কাজ করা জায়েয নয়। কেননা, এর মাধ্যমে সে বাতিলকে স্বীকৃতি দেয় এবং বাতিলপন্থীদের সে বিষয়ে সহযোগিতা করে। তার এ কাজ হারাম। অতএব, তার জন্য এ ধরনের কাজে নিয়োজিত হওয়া বৈধ নয়"। . ~ শাইখ সালিহ বিন ফাওযান [হাফি.] . [ মাজমুঊ ফাতাওয়া: ২/৭২০]

"বিবাহে মাহর অতিরিক্ত বাড়িয়ে দেওয়া মাকরূহ। আর তা বিবাহের বরকত কম হওয়া এবং বিবাহকে কঠিন করে তোলার অন্যতম কারণ"। . ~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.] . [যাদুল মাআদ: ৫/২৪৮]

"তোমরা যখন ছয়টি বিষয় দেখতে পাবে, তখন তোমাদের কারও প্রাণ যদি তার নিজের হাতে থাকে, তবে সে যেন তা ছেড়ে দেয় (অর্থাৎ পারলে মরেই যায়, এটা অবস্থা গুরুতর বোঝাতে বলা হয়েছে)। এ কারণেই আমি মৃত্যুকামনা করি; আমার আশঙ্কা হয়, যেন আমি এসব বিষয়ের সময়কাল পর্যন্ত বেঁচে না থাকি। বিষয়গুলো হলো: . ১) নির্বোধদের কর্তৃত্ব মেনে নেওয়া হবে। ২) বিচার বিক্রি করা হবে (অর্থাৎ টাকার বিনিময়ে আদালতে রায় দেয়া হবে)। ৩) রক্তপাতকে তুচ্ছ মনে করা হবে। ৪) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে। ৫) পুলিশের সংখ্যা বেড়ে যাবে। ৬) এমন এক প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা কুরআনকে বাদ্যযন্ত্রের মতো ব্যবহার করবে।” . ~ আবু হুরাইরাহ [রা.] . [ ইমাম ইবনু কাসির (রাহ.), আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ: ৮/১৬৪]

"লোকেদের মধ্যে সর্বাধিক অক্ষম হচ্ছে সে যে দুআ করতে অক্ষম (অর্থাৎ যে দুআ করেনা বা অল্প করে), আর সর্বাধিক কৃপণ হচ্ছে সে যে সালামের ক্ষেত্রে কৃপণতা করে" . أعجز الناس من عجز عن الدعاء وأبخل الناس من بخل بالسلام . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ শাইখ আলবানী (রাহ.), সহীহুল জামি, হা: ১০৪৪, সহীহ]

মাথায় বারবার অকাজের চিন্তা আসা এবং অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে ব্যস্ত থাকা থেকে নিজেকে কিভাবে বাঁচানো যায়, সে সম্পর্কে ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.] লিখেছেন, . "(এর) সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা হলো, যে বিষয় আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করে নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং যে বিষয় আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, তা থেকে বিরত থাকা। কেননা, অনর্থক বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা করাই সব অনিষ্টের প্রবেশদ্বার। যে ব্যক্তি নিজের জন্য অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে চিন্তা করে, সে নিজের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো থেকে বঞ্চিত হয় এবং নিজের জন্য সবচেয়ে উপকারী বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়ার পরিবর্তে এমন বিষয় নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, যাতে তার কোনো উপকার নেই"। . [ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), আল ফাওয়াইদ, পৃ: ২৫৫]

"রাষ্ট্রের ওপরও মানুষের মধ্যে সামাজিক পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংহতি প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব রয়েছে। কেননা, রাষ্ট্র জনগণের ব্যাপারে দায়িত্বশীল। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জুলুম প্রতিরোধ এবং এ ধরনের অন্যান্য দায়িত্ব পালন করাও রাষ্ট্রের কর্তব্য। অনুরূপভাবে, সৎকর্ম ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করাও তার দায়িত্ব। এর অন্তর্ভুক্ত হলো অধিকারসমূহ যথাযথভাবে আদায় করা, প্রাপ্য ব্যক্তিদের তাদের প্রাপ্য প্রদান করা এবং এ ধরনের অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা।" . ~ ড. ওয়াহবাহ আয যুহাইলী [রাহ.] . [ আল ফিক্বহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু: ৮/৬৩৯১]