Manzur's posts
رفتن به کانال در Telegram
Here, posts and lectures of Ustaz Manzurul Karim will be shared in sha Allah.
نمایش بیشتر7 120
مشترکین
-824 ساعت
-127 روز
+8330 روز
در حال بارگذاری دادهها
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
نوامبر '26نوامبر '26
نوامبر '26
+11
در 1 کانالها
اکتبر '26
+165
در 7 کانالها
Get PRO
سپتامبر '26
+81
در 1 کانالها
Get PRO
اوت '26
+75
در 2 کانالها
Get PRO
ژوئیه '26
+104
در 5 کانالها
Get PRO
ژوئن '26
+107
در 0 کانالها
Get PRO
مه '26
+131
در 2 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+137
در 4 کانالها
Get PRO
مارس '26
+227
در 3 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+109
در 5 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+76
در 2 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+78
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+63
در 1 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+91
در 2 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+106
در 1 کانالها
Get PRO
اوت '25
+146
در 2 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+238
در 3 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+222
در 7 کانالها
Get PRO
مه '25
+144
در 6 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+125
در 3 کانالها
Get PRO
مارس '25
+140
در 6 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+77
در 1 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+104
در 3 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+179
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+116
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+392
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+318
در 4 کانالها
Get PRO
اوت '24
+593
در 7 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+112
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+131
در 1 کانالها
Get PRO
مه '24
+195
در 2 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+112
در 3 کانالها
Get PRO
مارس '24
+260
در 2 کانالها
Get PRO
فوریه '24
+186
در 5 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+244
در 6 کانالها
Get PRO
دسامبر '23
+228
در 5 کانالها
Get PRO
نوامبر '23
+402
در 11 کانالها
Get PRO
اکتبر '23
+244
در 2 کانالها
Get PRO
سپتامبر '23
+118
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '23
+275
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '23
+193
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '23
+200
در 0 کانالها
Get PRO
مه '23
+440
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '23
+35
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '23
+60
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '23
+138
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '23
+274
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '22
+108
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '22
+103
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '22
+121
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '22
+110
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '22
+317
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '22
+99
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '22
+75
در 0 کانالها
Get PRO
مه '22
+107
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '22
+187
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '22
+125
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '22
+21
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '22
+48
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '21
+166
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '21
+116
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '21
+1 065
در 0 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 06 نوامبر | +3 | |||
| 05 نوامبر | +1 | |||
| 04 نوامبر | +1 | |||
| 03 نوامبر | +2 | |||
| 02 نوامبر | +3 | |||
| 01 نوامبر | +1 |
پستهای کانال
"আল্লাহ তাআলা নেক আমল ও ইবাদতের মধ্যে এমন কিছু প্রভাব নিহিত রেখেছেন, যা অত্যন্ত প্রিয়, তৃপ্তিদায়ক ও পবিত্র। এগুলোর স্বাদ পাপাচারের স্বাদের তুলনায় বহুগুণ বেশি; বরং উভয়ের মধ্যে কোনো তুলনাই চলে না।
.
পক্ষান্তরে, তিনি মন্দ কাজ ও পাপাচারের মধ্যে এমন কিছু যন্ত্রণা, বিরূপ প্রভাব ও অন্তর্দহন সৃষ্টি করেছেন, যা সেগুলো করার সাময়িক স্বাদের তুলনায় বহুগুণ বেশি।
.
ইবনু আব্বাস [রা.] বলেন:
'নিশ্চয়ই নেক আমলের কিছু প্রভাব রয়েছে: তা অন্তরে আলো সৃষ্টি করে, চেহারায় জ্যোতি আনে, শরীরে শক্তি সঞ্চার করে, রিযক বৃদ্ধি করে এবং সৃষ্টির অন্তরে ভালোবাসা সৃষ্টি করে।
.
আর পাপাচারের কিছু প্রভাব রয়েছে: তা চেহারায় কালিমা সৃষ্টি করে, অন্তরে অন্ধকার আনে, শরীরে দুর্বলতা সৃষ্টি করে, রিযক কমিয়ে দেয় এবং সৃষ্টির অন্তরে ঘৃণা সৃষ্টি করে'। [১]
.
অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তি এসব বিষয় উপলব্ধি করতে পারেন এবং নিজের ও অন্যের জীবনে এর বাস্তব প্রতিফলন প্রত্যক্ষ করেন।"[২]
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[ ১) মূলত এটি ইমাম হাসান আল বাসরীর (রাহ.) উক্তি দেখুন ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ (রাহ.), আল মুসান্নাফ, হা: ৩৬৩৪৩; ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া (রাহ.), আত তাওবাহ, হা: ১৯৪; ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), শুআবুল ঈমান, হা: ৬৮২৬;
২) ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), মাদারিজুস সালিকীন: ২/৪০]
| 2 | "কাউকে এই উম্মতের কোনো বিষয়ের দায়িত্ব দেয়া হবে, তা সেটা অল্প হোক বা বেশি, সে যদি তাতে ন্যায় না করে তাহলে আল্লাহ তাকে অধঃমুখী করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন"।
.
~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
.
[ ইমাম হাকিম (রাহ.), আল মুস্তাদরাক, হা: ৭০১৪, ইমাম হাকিমের (রাহ.) মতে সহীহ, ইমাম যাহাবীও (রাহ.) একমত পোষণ করেছেন] | 220 |
| 3 | কবিরা গুনাহ: দার্স ৭৮ https://youtu.be/sjKaOBGgeRQ | 244 |
| 4 | "যে আমাদের ছোটদের প্রতি দয়া করে না আর আমাদের বড়দের সম্মান সম্পর্কে জানে না (তাঁদের সম্মান দিতে জানে না) সে আমাদের কেউ নয়"। [১]
.
لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيَعْرِفْ شَرَفَ كَبِيرِنَا
.
~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
.
এখানে বড় দ্বারা উদ্দেশ্য যিনি বয়সে কিংবা জ্ঞানগতভাবে বড়। [২]
.
[১) ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ১৯২০, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ;
২) আল্লামা মুবারাকপুরী (রাহ.), তুহফাতুল আহওয়াযী: ৬/৪০] | 238 |
| 5 | প্রকৃত দ্বীনি জ্ঞান ও আমল যখন ব্যক্তিকে সমৃদ্ধ করবে না তখন স্বাভাবিকভাবেই সে ভ্রান্তির দিকে এগুবে। এজন্য ইসলামে জ্ঞান অর্জনকে আবশ্যক করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে মানুষের জ্ঞানার্জনের আগ্রহ খুব অল্প। যাদের কিছুটা আগ্রহ আছেও, তাদের মাঝে দৃঢ়তা নেই। এছাড়া সঠিককে জানার আকাঙ্ক্ষাও বড্ড দুর্বল। ফলে যখন বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর দলের উদ্ভব হয় কিংবা বিভ্রান্তিকর কথা সমাজে ছড়িয়ে পড়ে তখন:
১) অনেকেই ভ্রান্তিকে গ্রহণ করে নেয়, কেননা একে রেজিস্ট করার জ্ঞান তার নেই,
২) অনেকে সামাজিক ও পারিবারিক কারণে সেটা বাহ্যিকভাবে না করলেও ভেতরে ভেতরে অস্বস্তিতে ভোগে,
৩) গুটি কয়েক এমন থাকে যারা:
ক) পূর্বে অর্জিত জ্ঞানের সুবাদে এর সঠিক জবাব জানে,
খ) আর নিজে না জানলেও কারা জবাব জানে তাঁদেরকে চেনে, ফলে তাঁদের কাছ থেকে জেনে নেয়।
.
বর্তমান সময়টা এমন যে দিন দিন ভ্রান্তি আরও বাড়বে বৈ কমবে না। আগে এক যুগ ছিল, ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতেন, উপার্জন করতেন, পরিবারকে সময় দিতেন আর বাকি সময় নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতেন। বর্তমান সময়কে এমন বলা যায় না। আপনি নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতে পারেন কিন্তু ছড়িয়ে পড়া ভ্রান্তি হয়তো আপনার সন্তান বা চেনাজানা কাউকে গ্রাস করে ফেলছে এই সময়টাতেই।
আধুনিক আলিমরা তো বলেনই যে এমনকি এখনকার প্রাসঙ্গিক মাসাইল, মাসলাহা, মাফসাদা এগুলো নির্ণয় করাও বেশ সুক্ষ্ণ কাজ।
.
বরং সময়ের সাথে অনেকেই পিছিয়েও পড়ছেন। নাম উল্লেখ করছি না, তবে কিছু দিন আগে "এক্স" এ এমন ব্যক্তি সম্পর্কেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এই কথা বলতে দেখেছি যে উনি আসলে পিছিয়ে পড়ছেন এখন অবসরে যাওয়া উচিৎ, যিনি কিনা বহুকাল ধরে আধুনিক বিষয়গুলো ট্র্যাক করছিলেন। এর কারণ হচ্ছে সময়ের গতিশীলতাকে ধরতে পারার বয়সটা চলে গেছে। এখন আর তাল মেলানো যাচ্ছেনা।
.
কাজেই সময়ের প্রয়োজনীয়তাকে বুঝতে হবে। দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে মানুষের মাঝে সেই সচেতনতা তো নেই। শেখার এখন কত সুযোগ; উন্মুক্ত প্লাটফর্মেরই তো অভাব নেই, সেই সাথে স্বল্প মূল্যে অথবা ভালো এমাউন্টে পে করে অনেক স্থানেই জ্ঞান অর্জন করা এখন সম্ভব। অন্য কোথাও না গিয়ে ফ্রি টাইমে বাসায় বসেও অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু মানুষের মাঝে সেই আকাঙ্ক্ষা নেই। আবার যাদের আকাঙ্ক্ষা আছে তাঁদের মাঝে দৃঢ়তা নেই যে লেগে থাকবে।
.
এমতাবস্থায় আধুনিক ফিতনা প্রতিহত করার মত জানবাজ বাহিনী নির্মাণ দূরের কথা, ঈমান বাঁচানোই মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। | 451 |
| 6 | অনেক কষ্ট, চিন্তা, অস্থিরতা, মানসিক পেইন ইত্যাদি ফিল করলে দুটা কাজ করুন:
১) দীর্ঘ সিজদার সাথে নফল সালায় আদায় করুন,
২) তারতিলের সাথে দীর্ঘক্ষণ তিলাওয়াত করুন।
In sha Allah, you'll thank me later. | 434 |
| 7 | বিভিন্ন সময় অনেকের বই, প্রবন্ধ, ক্লিপ ইত্যাদি দেখেছি, যেগুলোর মূল নির্যাস হচ্ছে বিভিন্ন আধুনিক বিষয়কে সীরাহ, হাদিস ইত্যাদির আলোকে তুলে ধরা। এগুলোকে মোটিভেশনাল প্রোডাক্টও বলা চলে। মানুষ এসব বিষয় এখন বেশ পছন্দও করে। সমস্যা হচ্ছে, এই ক্যাটাগরির যা-ই সামনে এসেছে তা থেকে আমি একটা বিষয় উপলব্ধি করেছি যে এখানে একটা কমন কনসেপচুয়াল ভুল হল, যারা এ ধরণের কাজ করেন, তাঁরা আসলে এ সংক্রান্ত সেক্যুলার নলেজকে ফান্ডামেন্টাল বেইজ হিসেবে ধরেন, এরপর এর আলোকে আয়াত, হাদিস বা সীরাহ থেকে উদ্ধৃতি দেন। এতে যেন এমনটাই বোঝা যায় যে, আমাদের শাস্ত্রও ঠিক আছে, কম যায় না; কিংবা আমরাও কম্পিটেবল এই আধুনিক জামানায়।
.
এরপর সেসকল নলেজের সাথে মেলাতে গিয়ে আয়াত, তাফসির, হাদিস বা সীরাহ থেকে চুজ এন্ড পিক করা হয় আর অবশ্যই দুটা জিনিসকে এভয়েড করা হয়:
১) তথ্যের অথেনটিসিটি,
২) সালাফের ব্যাখ্যা ও বুঝ।
.
হয় দুটাই পাবেন না অথবা যে কোনো একটা অবশ্যই পাবেন না।
.
এভাবে আসলে দ্বীনের মূল সেন্সটাই গায়েব হয়ে যায়।
.
এ প্রসঙ্গে একজন উত্তর আমেরিকান আলিমের কথা মনে পড়ে গেল। উনার বক্তব্যের সারকথা ছিল, জীবনে উনি বিপুল পরিমাণে প্রাচীন আলিমদের উৎসগ্রন্থগুলো পাঠ করেছেন, এরপর আধুনিকদের লেখাও পড়েছেন। উনার অনুভূতি ছিল যে আধুনিক লেখকরা আসলে ইসলামী জ্ঞানের সেক্যুলারাইজেনশন করে ছাড়ছে! আল্লাহু আ'লাম। আমি জাস্ট সিচুয়েশনটা বললাম আর কি। | 524 |
| 8 | "যে ব্যক্তি কোনো কিছু অর্জনের ব্যাপারে আল্লাহর ওপর যথার্থ তাওয়াক্কুল করে, সে তা অর্জন করতে সক্ষম হয়"।
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[ মাদারিজুস সালিকীন: ২/৩৮৪] | 591 |
| 9 | দারসুল হাদীস, দার্স ১৬ https://youtu.be/WcwTIO3Bisk | 694 |
| 10 | "যখন বান্দা যথাসাধ্য চেষ্টা করবে, মহান আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করবে এবং নিয়মিত ইস্তিগফার ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে, তখন আল্লাহ অবশ্যই নিজ অনুগ্রহে তাকে এমন কিছু দান করবেন, যা সে কখনো কল্পনাও করেনি"।
.
~ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ [রাহ.]
.
[ মাজমুঊল ফাতাওয়া: ১১/৩৯০] | 694 |
| 11 | কাফিরদের ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে কিভাবে বিজয়ী হতে হবে সে প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَإِن تَصۡبِرُوا۟ وَتَتَّقُوا۟ لَا یَضُرُّكُمۡ كَیۡدُهُمۡ شَیۡـًٔاۗ
"তোমরা যদি ধৈর্যশীল হও এবং মুত্তাকী হও তবে তাদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কিছুই ক্ষতি করতে পারবে না" [১]
.
আল্লামা হাফিয সালাহুদ্দীন ইউসুফ [রাহ.] লিখেছেন,
"এটা হল তাদের প্রবঞ্চনা ও প্রতারণা থেকে বাঁচার পথ ও চিকিৎসা। অর্থাৎ, মুনাফিক এবং ইসলাম ও মুসলিমদের অন্যান্য সকল শক্রর চক্রান্ত থেকে বাঁচার জন্য ধৈর্য ও আল্লাহভীরুতার প্রয়োজন অত্যধিক। মুসলিমদের মাঝে এই ধৈর্য ও তাকওয়া না থাকার ফলেই অমুসলিমদের যাবতীয় চক্রান্ত সাফল্যমন্ডিত হয়েছে। মানুষ মনে করে যে, কাফেরদের সফলতার কারণ হল, আর্থিক উপায়-উপকরণের প্রাচুর্য এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যায় তাদের উন্নতি। অথচ প্রকৃত ব্যাপার হল, মুসলিমদের অবনতির মূল কারণ তাদের দ্বীনের উপর ধৈর্যের সাথে প্রতিষ্ঠিত না থাকা এবং তাকওয়া-শূন্যতা। পক্ষান্তরে এই দু’টি জিনিসই হল মুসলিমদের উন্নতির চাবিকাঠি এবং আল্লাহর বিজয় লাভের অসীলা।" [২]
.
[১) সূরা আলে ইমরান: ১২০;
২) তাফসিরে আহসানুল বায়ান] | 825 |
| 12 | আল্লাহ তাআলা কাফিরদের ব্যাপারে বলেন,
مَثَلُ مَا يُنْفِقُونَ فِي هَذِهِ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا كَمَثَلِ رِيحٍ فِيهَا صِرٌّ أَصَابَتْ حَرْثَ قَوْمٍ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ فَأَهْلَكَتْهُ وَمَا ظَلَمَهُمُ اللَّهُ وَلَكِنْ أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ
"এ পার্থিব জীবনে তারা যা ব্যয় করে তার দৃষ্টান্ত হিমশীতল বাতাসের মত যা নিজেদের প্রতি যুলমকারী সম্প্রদায়ের শস্যক্ষেত্রকে আঘাত করে এবং তাকে নষ্ট করে। মূলতঃ তাদের প্রতি আল্লাহ কোন প্রকার যুলম করেননি, বরং তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলম করে থাকে।"[১]
.
"কিয়ামতের দিন কাফেরদের ধন-সম্পদ না কোন উপকারে আসবে, না তাদের সন্তান-সন্তুতি; এমন কি বাহ্যিকভাবে জন-সাধারণের কল্যাণ ও মঙ্গলের কাজে যে সব অর্থ ব্যয় করে, তাও ব্যর্থ হয়ে যাবে। আর এর উদাহরণ হল, সেই প্রচন্ড ঠান্ডা অথবা গরম প্রবল ঝড়ো হাওয়ার মত, যা সবুজ-শ্যামল শস্যক্ষেতকে ধ্বংস করে দেয়। অত্যাচারী তো এই ক্ষেত দেখে বড়ই আনন্দবোধ করে এবং তার লাভের প্রতি চরম আশাবাদী থাকে, কিন্তু হঠাৎ করে তার সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা মাটিতে মিশে যায়। এ থেকে জানা গেল যে, কল্যাণ ও মঙ্গলের কাজে অর্থ ব্যয়কারীদের দুনিয়াতে যতই প্রশংসা হোক না কেন, ঈমান না আনা পর্যন্ত আখেরাতে তারা এ সব কাজের কোনই প্রতিদান পাবে না। সেখানে আছে তাদের জন্য জাহান্নামের চিরন্তন শাস্তি।"[২]
.
[১) সূরা আলে ইমরান: ১১৭;
২) তাফসিরে আহসানুল বায়ান] | 725 |
| 13 | দারসুল হাদীস: দার্স ১৫ https://youtu.be/v7figld-TVQ | 610 |
| 14 | "সকল বিষয়ে রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আনুগত্য অন্তরকে পুনরুজ্জীবিত করে আর তাঁর অবাধ্যতা অন্তরকে মেরে ফেলে"।
.
~ ইমাম মুহাম্মাদ সানাউল্লাহ পানিপথী [রাহ.]
.
[ আত তাফসিরুল মাযহারী: ৪/৪৬] | 665 |
| 15 | "তোমাদের পরবর্তীরা তোমাদের পরিণতি দেখে শিক্ষা গ্রহণ করার আগেই তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের পরিণতি দেখে শিক্ষা গ্রহণ কর"।
.
~ ইমাম ইবনুল জাওযী [রাহ.]
.
[ আল লাতাইফ, পৃ: ৭] | 766 |
| 16 | "তোমরা পাপাচার ও সীমালঙ্ঘন থেকে বেঁচে থাকো। কেননা তোমাদের পূর্বে যেসব লোকেরা ধ্বংস হয়েছে তারা এ উভয়টির কারণেই ধ্বংস হয়েছে"।
.
~ ইমাম কাতাদাহ [রাহ.]
.
[ ইমাম ইবনু আবি হাতিম (রাহ.), তাফসিরুল কুরআনিল আযীম: ৩/৭৩৭] | 801 |
| 17 | আল্লাহ তাআলা বলেন,
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ
.
"তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, মানব জাতির জন্য যাদের বের করা হয়েছে"। [১]
.
ইমাম নবাব সিদ্দীক হাসান খান [রাহ.] এর ব্যাখ্যায় লিখেছেন,"أُخْرِجَتْ অর্থাৎ প্রকাশ করা হয়েছে, لِلنَّاسِ অর্থাৎ সব যুগে মানুষের উপকার ও কল্যাণ সাধনের জন্য"। [২]
.
[১) সূরা আলে ইমরান: ১১০;
২) ইমাম নবাব সিদ্দীক হাসান খান (রাহ.), ফাতহুল বায়ান ফী মাক্বাসিদীল কুরআন: ২/৩১০] | 776 |
| 18 | কতটুকু আল্লাহভীতি অর্জন করা প্রয়োজন?
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ [রাহ.] বলেছেন,
"ভয়ের সীমা হলো, যা তোমাকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বিরত রাখে ততটুকু। এর অতিরিক্ত ভয়ের কোনো প্রয়োজন নেই।"[১]
.
[১) ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), মাদারিজুস সালিকীন: ৩/১৬৫] | 801 |
| 19 | আল্লাহর সাহায্য লাভের উপায়: https://youtu.be/4clM-gywY-8 | 847 |
| 20 | "আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা চোখকে বানিয়েছেন অন্তরের দর্পণ। কাজেই বান্দা যখন নজরকে সংযত করে তখন অন্তরও স্বীয় কামনাবাসন ও আকাঙ্ক্ষাকে নিয়ন্ত্রণ করে। আর বান্দা যখন স্বীয় নজরকে বন্ধনমুক্ত করে ছেড়ে দেয় তখন অন্তরও নিজের প্রাবৃত্তিক কামনাবাসনাকে বে-লাগাম করে দেয়"।
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[ রাউদ্বাতুল মুহিব্বীন, পৃ: ১৪৬] | 843 |
