es
Feedback
Manzur's posts

Manzur's posts

Ir al canal en Telegram

Here, posts and lectures of Ustaz Manzurul Karim will be shared in sha Allah.

Mostrar más
7 087
Suscriptores
-424 horas
+67 días
+7530 días
Archivo de publicaciones
জীবনাচরণে নববী আদর্শ, দার্স ১১৪ https://youtu.be/z14mOsrdzwQ

অসুস্থতার জন্য আমি ফেবু, টেলি, এক্স ও ইউটিউবের কমিউনিটি পোস্ট থেকে সাময়িক বিরতি নিচ্ছি। ইন শা আল্লাহ পরে আবার দেখা হবে।

"আমি কি তোমাকে এমন কিছু কথা শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুঃখ-কষ্টে পড়লে বলবে? সেগুলো হচ্ছে- أَللَّهُ أَللَّهُ رَبِّي لَا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا . 'আল্লাহ, আল্লাহ আমার রব। আমি তাঁর সাথে কোনো কিছুই শরীক করিনা"। [১] . শাইখ আব্দুর রাযযাক বিন আব্দিল মুহসিন আল বাদার [হাফি.] লিখেছেন, . "এর সামগ্রিক অর্থ হলো, 'তিনিই আমার সেই ইলাহ যাঁর আমি ইবাদত করি এবং ভয়, আশা, বিনয়, আনুগত্য, অন্তরের আকুতি ও আত্মনিবেদনসহ যাবতীয় ইবাদতকে কেবল যাঁর জন্যই সুনির্দিষ্ট করি। . তিনিই আমার সেই 'রব', যিনি আমাকে তাঁর নেয়ামত দিয়ে লালন-পালন করেছেন, শূন্য থেকে আমাকে অস্তিত্ব দান করেছেন এবং নানা প্রকারের দান ও অনুগ্রহ দিয়ে আমাকে ধন্য করেছেন'। . আর তাঁর ﷺ বাণী لَا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئاً -আমি তাঁর সাথে কোনো কিছুই শরীক করিনা, এর অর্থ হলো, আমি ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকেই অংশীদার বানাব না, সে যে-ই হোক না কেন। কারণ, বাক্যটিতে ব্যবহৃত شَيْئاً শব্দটি না-বোধক বাক্যের প্রেক্ষাপটে আসার কারণে তা ব্যাপকতা প্রকাশ করে (অর্থাৎ ছোট-বড়, দৃশ্য-অদৃশ্য কোনো শরীকই এর বাইরে নয়)। . যাহোক, এই মহান বাক্যটি তাওহীদের মূল দুটি রুকন বা স্তম্ভকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, তা হলো—'নাফি' (অস্বীকৃতি) এবং 'ইসবাত' (স্বীকৃতি)। অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া অন্য সকলের কাছ থেকে উপাস্য হওয়ার যোগ্যতা অস্বীকার করা এবং তা একমাত্র আল্লাহর জন্যই সাব্যস্ত করা। আর এই হাদিসটি একথার সুস্পষ্ট দলিল যে, যাবতীয় বিপদ-আপদ ও কঠিন সংকটে তাওহীদই হলো একমাত্র আশ্রয়স্থল, এবং মানুষের মনের দুশ্চিন্তা ও দুঃখ-কষ্ট দূর হওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম।"[২] . [১) ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ১৫২৫, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ; ২) শাইখ আব্দুর রাযযাক বিন আব্দিল মুহসিন আল বাদার (হাফি.), ফিক্বহুল আদঈয়্যাহ ওয়াল আযকার: ৩/১৮২]

নববী আদর্শ দার্স ১১৩ https://youtu.be/UX96bQneAPE

আমি মাঝেমধ্যেই একটা বিষয় সম্পর্কে সতর্ক করি, সেটা হচ্ছে উইয়ার্ড জিনিস থেকে দূরে থাকেন। দুনিয়ায় একের পর এক এমন সব জিনিস আসতেই থাকবে, তাই বলে কি স্রোতে গা ভাসিয়ে দিতে হবে? একটা বিষয় সামনে আসলে নিজেকে প্রশ্ন করুন, যদি তাকওয়া অন্তরে থাকে তাহলে খটকা লাগবেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, «وَالْإِثْمُ مَا حَاكَ فِي نَفْسِكَ» . "পাপ হচ্ছে তা যা তোমার মনে খটকা সৃষ্টি করে"। [১] . তবে এজন্য মনটাও তেমন মন হওয়া লাগবে। নয়তো যে নফস পাপের অন্ধকারে কলূষিত সে মনে কোনো খটকা লাগবে না। সে মন বরং পাপের জিনিস দেখলে আরও ঝাপিয়ে পড়বে। বিভিন্ন ভাবে একে হালালাইজ করার প্রয়াস নেবে। . দুই দিন ফেবুতে কোনো এক হালালা সেন্টার নিয়ে লেখা দেখলাম। আজকে দেখলাম সেটার আবেদনকারীদের নাম প্রকাশ হয়েছে। এই যে আবেদনকারী লোকগুলো, এসব পাঁঠা হতে চাওয়াদের সিংহভাগকে দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে পড়া। এরপরও এই অবস্থা কেন ? . আসলে অনেকেই সুযোগের অভাবে ভালো থাকে। কিন্তু সুযোগ পাওয়ামাত্রই পাপে জড়িয়ে যায়। এজন্য যেসব প্রতিষ্ঠানে মানুষ দিনরাত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কথা বলছে, পড়ছে, শিখছে, সেখানে আজকাল বিভিন্ন নিকৃষ্ট পাপের কথা শোনা যাচ্ছে। . মূল সমস্যা হচ্ছে তাকওয়া, অন্তরে তাকওয়া পয়দা না হলে আপনি অনলাইনে থাকেন আর অফলাইনে, মাদ্রাসায় পড়েন আর আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হন, পাপের টান আপনি ছাড়তে পারবেন না। ফলে সুযোগ পাওয়ামাত্র ঝাঁপিয়ে পড়বেন। আর আল্লাহ তাআলাও আপনাকে লাঞ্ছিত করবেন। . সফল হতে হলে জীবনে তাকওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আল্লাহ তাআলা বলেন, وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ . "আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যেন তোমরা সফল হতে পার"। [২] . [১) ইমাম মুসলিম (রাহ.), আস সহীহ, হা: ২৫৫৩; ২) সূরা আলে ইমরান: ১৩০]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন বললেন, «سَبَقَ دِرْهَمٌ مِائَةَ أَلْفِ دِرْهَمٍ . "এক দিরহাম এক লক্ষ দিরহাম থেকে অগ্রগামী হয়ে গেল"। . বিস্মিত সাহাবিরা [রা.] জিজ্ঞেস করলেন, সেটা কিভাবে? . তিনি উত্তরে বললেন, «كَانَ لِرَجُلٍ دِرْهَمَانِ، تَصَدَّقَ بِأَحَدِهِمَا، وَانْطَلَقَ رَجُلٌ إِلَى عُرْضِ مَالِهِ، فَأَخَذَ مِنْهُ مِائَةَ أَلْفِ دِرْهَمٍ، فَتَصَدَّقَ بِهَا . "এক ব্যক্তির দুই দিরহাম ছিল। এর মধ্যে এক দিরহাম সে দান করে দিল। অন্যদিকে আরেক ব্যক্তি তার প্রচুর সম্পদের কাছে গিয়ে তা থেকে এক লক্ষ দিরহাম নিয়ে সাদাকাহ করে দিল"। [১] . ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দিল হাদী আস সিন্দী [রাহ.] বলেছেন, "হাদিসটির বাহ্যিক শিক্ষা হল, দাতার অবস্থা মোতাবেক প্রতিদান মিলবে, দাতার দানের সামর্থ্য মোতাবেক নয়।" [২] . কাজেই যাঁদেরকে আল্লাহ তাআলা অনেক সামর্থ্য দিয়েছেন তাঁদের কর্তব্য হচ্ছে সে মোতাবেক অধিক দান করা। আর যাঁদের সামর্থ্য কম তাঁদের উচিৎ নিরাশ না হওয়া। . [১) ইমাম নাসাঈ (রাহ.), আস সুনানুল কুবরা, হা: ২৩১৯; শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে হাসান, সহীহু সুনানিন নাসাঈ, হা; ২৩৬৭; ২) ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দিল হাদী আস সিন্দী (রাহ.), হাশিয়াতুস সিন্দী আলা সুনানিন নাসাঈ: ৫/৫৯]

কবিরা গুনাহ: দার্স ৬০ https://youtu.be/p_f-o4Mb7Zo

"যে তোমার কাছে কারও ব্যাপারে কথা লাগায়, সে তোমার বিরুদ্ধেও অন্য কারও কাছে কথা লাগায়"। . ~ ইমাম খালীল বিন আহমাদ [রাহ.] . [ ইমাম আবু আব্দির রাহমান আস সুলামী (রাহ.), আদাবুস সুহবাহ, পৃ: ৯২]

আরবি ভাষা শিক্ষা কোর্সের ভর্তি চলমান আছে। আলহামদুলিল্লাহ অনেকেই ভর্তি হয়েছেন। বিস্তারিত এই লিংকে: https://t.me/manzursposts/3346 . ভর্তির লাস্ট ডেইট আগামীকাল। ইন শা আল্লাহ আগামীকাল রাত ৯: ৩০ এ প্রথম দার্স হবে। আর এরপর নেক্সট কোনো ব্যাচ এনাউন্স করব কি না আল্লাহ জানেন। আপাতত আমার কোনো প্ল্যান নেই। কাজেই যারা মাঝেমধ্যে নক করতেন যেন একটা ব্যাচ শুরু করি তাঁরা বিষয়টা খেয়াল রাখবেন। জাযাকুমুল্লাহু খাইরা।

জীবনাচরণে নববী আদর্শ, দার্স ১১২ https://youtu.be/4IHoyeL-4rE

"মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী একে অপরের অংশ, তারা অসৎকাজের নির্দেশ দেয় এবং সৎকাজে নিষেধ করে, তারাতাদের হাতগুটিয়ে রাখে, তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়েছে, ফলে তিনিও তাদেরকেছেড়ে দিয়েছেন; মুনাফেকরা তো ফাসিক।" . الْمُنَافِقُونَ وَالْمُنَافِقَاتُ بَعْضُهُمْ مِنْ بَعْضٍ يَأْمُرُونَ بِالْمُنْكَرِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمَعْرُوفِ وَيَقْبِضُونَ أَيْدِيَهُمْ نَسُوا اللَّهَ فَنَسِيَهُمْ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ هُمُ الْفَاسِقُونَ . [ সূরা তাওবাহ: ৬৭] ব্যাখ্যা: এ থেকে উদ্দেশ্য হল কৃপণতা করা। অর্থাৎ, মু’মিনদের গুণ হল; তারা আল্লাহর পথে ব্যয় করে থাকে। কিন্তু মুনাফিক্বদের গুণ এর বিপরীত; তারা কৃপণতা করে থাকে। অর্থাৎ, আল্লাহর পথে ব্যয় করে না। [তাফসীরে আহসানুল বায়ান]

"ব্যক্তির জন্য এটা হালাল নয় যে সে তার ভাইয়ের সম্পদ থেকে না-হকভাবে কিছু গ্রহণ করবে"। . لَا يَحِلُّ لِامْرِئٍ أَنْ يَأْخُذَ مَالَ أَخِيهِ بِغَيْرِ حَقِّهِ . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম আহমাদ (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ২৩৬০৫, আল্লামা শুআইব আরনাউত্বের (রাহ.) মতে সনদ সহীহ]

"তিনজনের দুআ কবুল হয়: মজলুমের দুআ, মুসাফিরের দুআ আর সন্তানের জন্য পিতার দুআ" . ثَلَاثُ دَعَوَاتٍ مُسْتَجَابَاتٍ: دَعْوَةُ الْمَظْلُومِ، وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ، وَدَعْوَةُ الْوَالِدِ عَلَى وَلَدِهِ . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম বুখারী (রাহ.), আল আদাবুল মুফরাদ, হা: ৪৮১, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ]

"তোমাদের যে কারও দুআ কবুল হয়ে থাকে যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়ো করে। (তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে যে) সে বলে, আমি তো দুআ করেছি কিন্তু আমার দুআ কবুল হয়না"। . «يُسْتَجَابُ لِأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَعْجَلْ، يَقُولُ: دَعَوْتُ فَلَمْ يُسْتَجَبْ لِي . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম বুখারী (রাহ.), আস সহীহ, হা: ৬৩৪০]

ফেবুতে দিলেও এটা এখানে দেয়া হয়নি। এজন্য শেয়ার করলাম। লাস্ট ডেইট ৮ তারিখ দিন পর্যন্ত। ৮ তারিখ রাতে ইন শা আল্লাহ আরবির দার্স শুরু হবে।

"কোনো ব্যক্তি কথা বলে এদিক সেদিক চেয়ে (কেউ শুনছে কি না) দেখলে, সেই কথা আমানত বলে গণ্য হবে"। [১] . إِذَا حَدَّثَ الرَّجُلُ بِالْحَدِيثِ ثُمَّ الْتَفَتَ فَهِيَ أَمَانَةٌ . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . ইমাম ইবনু মুফলিহ [রাহ.] বলেন, "যে ব্যক্তি কথা বলার সময়ে (অন্য কেউ শুনে ফেলছে কি না তা দেখার জন্য এদিক সেদিক) তাকাতে থাকে, তার কথা গোপন রাখা (শ্রবণকারীর ওপর) ওয়াজিব, যাতে তা ছড়িয়ে না পড়ে। কারণ, তার এদিক সেদিক তাকানোটিই হচ্ছে তার কথাকে আমানত রাখার লক্ষণ"।[২] . [ ১) ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৪৮৬৮, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে হাসান; ২) ইমাম শামসুদ্দীন ইবনু মুফলিহ (রাহ.), আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ২/২৬৭]

জীবনাচরণে নববী আদর্শ, দার্স ১১১ https://youtu.be/cGkNVthutTE

"মুনাফিকদের সুসংবাদ দিন যে, নিশ্চয় তাদের জন্যই রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব, মুমিনগণের পরিবর্তে যারা কাফেরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে তারা কি ওদের কাছে ইযযত চায়? সমস্ত ইযযত তো আল্লাহরই" . [ সূরা আন নিসা: ১৩৮-৩৯]

"বান্দার কর্তব্য হচ্ছে যখনই সে কোনো ইবাদাত থেকে ফারেগ হবে তখন নিজের কমতির জন্য আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার করবে আর এই ইবাদাতের তাওফিক দেয়ার জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে"। . ~ শাইখ আব্দুর রাহমান বিন নাসির আস সা'দী [রাহ.] . [ তাইসিরুল কারিমির রাহমান, পৃ: ৯২]