ar
Feedback
Manzur's posts

Manzur's posts

الذهاب إلى القناة على Telegram

Here, posts and lectures of Ustaz Manzurul Karim will be shared in sha Allah.

إظهار المزيد
7 052
المشتركون
+224 ساعات
-37 أيام
-830 أيام
أرشيف المشاركات
দারসুল হাদীস: দার্স ৬ https://youtu.be/OqFTYRWL3SQ

"সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজেদের মধ্যে সদ্ভাব স্থাপন কর; যদি তোমরা বিশ্বাসী হও, তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য কর।" . فَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَأَصۡلِحُوا۟ ذَاتَ بَیۡنِكُمۡۖ وَأَطِیعُوا۟ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥۤ إِن كُنتُم مُّؤۡمِنِینَ . [ সূরা আনফাল: ১]

"ইব্রাহীমের [আ.] সাথে আমার মিরাজের রাতে সাক্ষাৎ হয়। তিনি বললেন, ইয়া মুহাম্মাদ, আপনার উম্মাহকে আমার পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন। আর তাদের জানাবেন যে জান্নাতের জমিন অতীব সুগন্ধি সমৃদ্ধ এবং সেখানকার পানি অত্যন্ত সুস্বাদু। আর তা এক বৃক্ষবিহীন সমতল ভূমি। এর বৃক্ষ হল (অর্থাৎ এতে বৃক্ষরোপণের উপায় হল) سُبْحَانَ اللَّهِ وَالحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) পড়া"। . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ৩৪৬২, ইমাম তিরমিযীর মতে হাসান গারীব]

একবার খালিদ বিন ওয়ালিদ ও সা'দ [রা.] এর মধ্যে কোনো এ বিষয়ে তর্কাতর্কি হল। এরপর এক ব্যক্তি সা'দ [রা.] এর কাছে খালিদ [রা.] এর প্রসঙ্গ উত্থাপন করে কিছু বলতে চাইলে সা'দ [রা.] খুব সুন্দর একটা জবাব দিয়েছিলেন যা আমাদের প্রত্যেকের জীবনে শিক্ষণীয়। . তিনি বলেছিলেন, "থাম, আমাদের মাঝে যা হয়েছে তা আমাদের দ্বীনের ওপর প্রাধান্য পেতে পারে না"। [১] . অর্থাৎ আমাদের মাঝে মনোমালিন্য হওয়া মানে এই নয় যে আমরা গীবত করব বা গীবত শুনবো। . সাধারণত, এই রকম ক্ষেত্রগুলোতেই শয়তান ও নফস মানুষকে ধোঁকায় ফেলে দেয়। এসময় কেউ এসে প্রতিপক্ষের গীবত করলে মনে খুব ভালোই ফিল হয়। কিন্তু এটাই আসল সময়, যখন নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং গীবতের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। . [ ১) ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ (রাহ.), আল মুসান্নাফ, হা: ৩২৬৭২, শাইখ সা'দ আশ শাসরীর (হাফি.) মতে সহীহ]

"সাহাবীদের কাছে সর্বোত্তম ছিলেন তাঁরাই যারা ইসলাম গ্রহণে ছিলেন অগ্রগামী এবং সর্বনিম্ন গীবতকারী"। . ~ ইমাম ইয়াস বিন মুআউইয়াহ বিন কুররাহ [রাহ.] . [ ইমাম তাবারানী (রাহ.), মাকারিমুল আখলাক, হা: ৭৩]

"মানুষের সাহচর্য সেভাবে গ্রহণ কর যেভাবে আগুনের কাছে যেয়ে থাক। (অর্থাৎ) এর উপকার গ্রহণ করে তবে সতর্ক থাকো যেন তা তোমায় পুড়িয়ে দিতে না পারে"। . ~ ইমাম শাকীক আল বালখী [রাহ.] . [ ইমাম আবু নুআইম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৮/৭৭]

কবিরা গুনাহ: দার্স ৭১ https://youtu.be/tE2KO61J0KI

“জেনে রাখো! তোমাদের প্রত্যেকেই (সালাতে) স্বীয় রবের সাথে মুনাজাতে (নিভৃত আলাপে) রত আছো। কাজেই তোমরা পরস্পরকে কষ্ট দিও না এবং পরস্পরের সামনে ক্বিরাআতে বা সালাতে আওয়ায উঁচু করো না”।[১] . «أَلَا إِنَّ كُلَّكُمْ مُنَاجٍ رَبَّهُ، فَلَا يُؤْذِيَنَّ بَعْضُكُمْ بَعْضًا، وَلَا يَرْفَعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَعْضٍ فِي الْقِرَاءَةِ»، أَوْ قَالَ: «فِي الصَّلَاةِ» . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। . শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়াহ [রাহ.] লিখেছেন, “কারও জন্য এটা বৈধ নয় যে সে সালাতের ভেতরে বা সালাতের বাইরে উচ্চস্বরে এমতাবস্থায় তিলাওয়াত করবে যে অন্যরা মসজিদে সালাতে রত আছে আর সে উচ্চস্বরে তিলাওয়াতের মাধ্যমে তাদের কষ্ট দিচ্ছে”। [২] . [১) ইমাম আহমাদ (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ১১৮৯৬; ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ১৩৩২, আল্লামা শুআইব আরনাউত্বের (রাহ.) মতে ইমাম বুখারী ও মুসলিমের (রাহ.) শর্তে সহীহ; ২) শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়াহ (রাহ.), মাজমুঊল ফাতাওয়া: ২৩/৬৪]

"যে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে লিপ্ত হয় সে আল্লাহর জিম্মাদারীতে থাকে। যে কোনো রোগীকে দেখতে যায়, সে আল্লাহর জিম্মাদারীতে থাকে। যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হয় সে আল্লাহর জিম্মাদারীতে থাকে। যে ব্যক্তি শাসকের কাছে গিয়ে সৎ কাজে সাহায্য করে সে আল্লাহর জিম্মাদারীতে থাকে। যে স্বীয় বাড়িতে বসে যায় আর কোনো মানুষের গীবত করে না, সে আল্লাহর জিম্মাদারীতে থাকে"।[১] . مَنْ جَاهَدَ فِي سَبِيلِ اللهِ، كَانَ ضَامِنًا عَلَى اللهِ، وَمَنْ عَادَ مَرِيضًا، كَانَ ضَامِنًا عَلَى اللهِ، وَمَنْ غَدَا إِلَى مَسْجِدٍ، أَوْ رَاحَ، كَانَ ضَامِنًا عَلَى اللهِ، وَمَنْ دَخَلَ عَلَى إِمَامٍ يُعَزِّرُهُ كَانَ ضَامِنًا عَلَى اللهِ، وَمَنْ جَلَسَ فِي بَيْتِهِ لَمْ يَغْتَبْ إِنْسَانًا، كَانَ ضَامِنًا عَلَى اللهِ . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা: ১) "সে আল্লাহর জিম্মাদারীতে থাকে", মানে হচ্ছে সে আল্লাহ তাআলার তত্ত্বাবধায়ন ও নিরাপত্তায় থাকে। [২] ২) " শাসকের কাছে গিয়ে সৎ কাজে সাহায্য করে", অর্থাৎ হক্ব কাজের নসীহাহ করে। [৩] . [১) ইমাম ইবনু হিব্বান (রাহ.), আস সহীহ, হা: ৮০৬; আল্লামা শুআইব আরনাউত্বের (রাহ.) মতে সনদ হাসান, আল ইহসান ফী তাক্বরীবি সহীহি ইবনি হিব্বান: ২/৯৫; ২) ইমাম হাসান বিন আলী আল ফাইয়্যুমী (রাহ.), ফাতহুল ক্বারীবিল মুজীব আলাত তারগীব: ৬/৪৮৯; ৩) আল হাদীসুল মাউদ্বুঈ, পৃ: ২০৬]

কবিরা গুনাহ: দার্স ৭০ https://youtu.be/JG4UxeaAXVQ

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস [রা.] বলেছেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাশে ছিলাম, তিনি তখন ফিতনার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন, «إِذَا رَأَيْتُمُ النَّاسَ قَدْ مَرِجَتْ عُهُودُهُمْ، وَخَفَّتْ أَمَانَاتُهُمْ، وَكَانُوا هَكَذَا» . "তোমরা যখন দেখবে, মানুষের ওয়াদা নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের আমানতদারী কমে গেছে এবং তারা এরূপ হয়ে গেছে।" - এ বলে তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মধ্যে মিলালেন। . আব্দুল্লাহ [রা.] বলেন, একথা শুনে আমি দাঁড়িয়ে তাঁকে বললাম, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্যে উৎসর্গিত করুন! আমি তখন কি করবো? . জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, «الْزَمْ بَيْتَكَ، وَامْلِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ، وَخُذْ بِمَا تَعْرِفُ، وَدَعْ مَا تُنْكِرُ، وَعَلَيْكَ بِأَمْرِ خَاصَّةِ نَفْسِكَ، وَدَعْ عَنْكَ أَمْرَ الْعَامَّةِ» . "তুমি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে তোমার ঘরে অবস্থান করো, তোমার জবান সংযত রাখো, যা চেন তাই গ্রহণ করো এবং অজানাকে পরিত্যাগ করো। আর তোমার নিজের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক হও এবং জনসাধারণের বিষয়গুলো ছেড়ে দাও"। [১] . প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা: ক) "তারা এরূপ হয়ে গেছে...", অর্থাৎ, তাদের একাংশকে অন্য অংশের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে এবং তাদের দ্বীনের বিষয়টি এমনভাবে জটিল ও অস্পষ্ট হয়ে পড়বে যে, বিশ্বস্তকে বিশ্বাসঘাতক থেকে এবং সৎকর্মশীলকে পাপাচারী থেকে চেনা যাবে না। [২] খ) "তোমার জবান সংযত রাখো", অর্থাৎ মানুষের অবস্থা নিয়ে কথা বলো না, যেন লোকেরা তোমাকে কষ্ট দিতে না পারে। গ) "যা চেন তাই গ্রহণ করো এবং অজানাকে পরিত্যাগ করো," অর্থাৎ তুমি যা সত্য বলে জানতে পেরেছ, তা গ্রহণ করো; আর যা অন্যায় বা মন্দ বলে জানতে পেরেছ, তা পরিত্যাগ করো এবং তা থেকে দূরে থাকো। [৩] . ঘ) "আর তোমার নিজের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক হও এবং জনসাধারণের বিষয়গুলো ছেড়ে দাও", অর্থাৎ, তুমি নিজের বিষয়ের প্রতি মনোযোগী থাকো, নিজের দ্বীন সংরক্ষণ করো, মানুষকে ছেড়ে দাও এবং তাদের অনুসরণ করো না। যখন দুষ্কৃতিকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং সৎকর্মশীলদের শক্তি দুর্বল হয়ে যায়, তখন এটি সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করা পরিত্যাগের ক্ষেত্রে একটি অবকাশ (রুখসত)। [৪] . শিক্ষা: ১) ফিতনার যুগের আলামতসমূহ কী কী, ২) সে সময় কী কী ক্ষতির সম্মুখীন মানুষ হবে, ৩) তখন নিজের দ্বীন ও ঈমানকে হিফাজত করতে যা যা করণীয়। . [১) ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৪৩৪৩, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে হাসান সহীহ; ২) আল্লামা আযীমআবাদী (রাহ.), আউনুল মা'বূদ: ১১/৩৩৪; ৩) শাইখ আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ (হাফি.), শারহু সুনানি আবি দাউদ: ৪৮৯/৭; ৪) আল্লামা আযীমআবাদী (রাহ.), আউনুল মা'বূদ: ১১/৩৩৪-৩৫]

"যে ব্যক্তি কাতারের কোনো ফাঁক পূরণ করবে সে ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে"। . مَنْ سَدَّ فُرْجَةً فِي الصَّفِّ غُفِرَ لَهُ. . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম বাযযার (রাহ.), আল বাহরুয যাখখার, হা: ৪২৩৩, ইমাম হাইসামীর (রাহ.) মতে এর সনদ হাসান, মাজমাউয যাওয়াইদ, হা: ২৫০৩]

দারসুল হাদীস: দার্স ৫ https://youtu.be/TdaQlXyD6CI

"লোকে যা চায় সে সবই যে ব্যক্তি পূরণ করে, লোকেরা তার দ্বীন-দুনিয়া ধ্বংস করে দেয়"। [১] . ~ ইমাম আব্দুল্লাহ বিন দাউদ আল খুরাইবী {রাহ.] . [ ১) ইমাম যাহাবী (রাহ.), সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ৯/৩৪৯]

ফিতনার সময় কোন ধরণের লোকেরা সর্বাধিক ক্ষতিকর এমন প্রশ্নের জবাবে হুযাইফাহ [রা.] বলেছিলেন, كُلُّ خَطِيبٍ مُصْقِعٍ، وَكُلُّ رَاكِبٍ مُوضِعٍ . এখানে الخطيب المصقع মানে হচ্ছে সেই ব্যক্তি, যার কথায় বাধা পড়ে না (আটকে যায় না) এবং কথা বলার সময় তোতলায় না। এখানে 'খতিব' বলতে ফিতনার দিকে আহ্বানকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। শব্দটির মূল হলো 'الصَّقْع' থেকে, যার অর্থ হলো উচ্চস্বরে কথা বলা এবং তা ধারাবাহিকভাবে বা অবিরামভাবে চালিয়ে যাওয়া। . আর আল-মূদি (المُوضِع): অর্থ হলো ফিতনায় দ্রুতগামী, তথা তাতে সচেষ্টভাবে ছুটে চলা ব্যক্তি। বলা হয়: أوضع الراكب إيضاعاً (আরোহী দ্রুতবেগে ছুটালো)।[১] . তাহলে সহজ কথায় দাঁড়ালো, এসময় সবচাইতে ক্ষতিকর হচ্ছে ফিতনার দিকে আহ্বানকারী সকল বাগ্মী খতিব এবং ফিতনার দিকে দ্রুতগামী সকল ব্যক্তি। [২] . এই দুই দল অতি ক্ষতিকর হবার কারণ হচ্ছে: ১) এ ধরণের খতিবের অসাধারণ বাগ্মীতায় মানুষ সহজে আকৃষ্ট হয়। সে যেদিকে আবেগ নিয়ে ডাকে মানুষ সেদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর এই ধরণের লোকেরা নিজেরা যাচাই-বাছাই করে কম। ফলে এরা রীতিমত আগুনে ঘি ঢেলে দেয়। ২) যেসকল লোকেরা স্বভাব হচ্ছে কোথাও ফিতনার আগুন প্রজ্বলিত দেখলে দ্রুত ঝাঁপিয়ে পড়া, তাদের ত্বরাপ্রবণতার কারণে অন্য মানুষ ঠিকমত বোঝার সুযোগই পায় না যে ঘটনাটা আসলে কী। ফলে ফিতনা চারদিকে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সবাই। . কাজেই যে কোনো ইস্যুতে আগে এই ক্যাটাগরির লোকদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে; বরং ধীরস্থির, দৃঢ়-প্রাজ্ঞ আলিমদের অবস্থান, বুঝ ও কার্যক্রম দেখতে হবে এবং যারা সাবধানতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করেন এমন ব্যক্তিদের সাথে এগিয়ে যেতে হবে। . [ ১) ইমাম খাত্তাবী (রাহ.), গারীবুল হাদিস: ২/৪৯৯; ২) ইমাম হাকিম (রাহ.), আল মুস্তাদরাক, হা: ৮৬১২, ইমাম হাকিমের (রাহ.) মতে সহীহ আর ইমাম যাহাবীর (রাহ.) মতে ইমাম বুখারী ও মুসলিমের (রাহ.) শর্তে সহীহ]

দারসুল হাদীস: দার্স ৪ https://youtu.be/V36aKA5QVKA

আল্লাহ তাআলা বলেন, جَنَّاتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا وَمَنْ صَلَحَ مِنْ آبَائِهِمْ وَأَزْوَاجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ . "স্থায়ী জান্নাত, তাতে তারা প্রবেশ করবে এবং তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্নী ও সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে যারা সৎকাজ করেছে তারাও"। [১] . ইমাম ইবনু কাসির [রাহ.] এর তাফসিরে লিখেছেন, “অর্থাৎ, আল্লাহ তাদের মধ্যে এবং তাদের প্রিয়জনদের যেমন পিতা-মাতা, পরিবারের সদস্য ও সন্তানদের মধ্য থেকে এমন মু’মিনদেরকে একত্র করবেন, যারা জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত। এর ফলে তাদের চোখ শীতল হবে এবং তারা তাদের প্রিয়জনদের দেখে আনন্দিত হবে। এমনকি নিম্ন মর্যাদার ব্যক্তির মর্যাদাও উচ্চ মর্যাদার ব্যক্তির মর্যাদার সমপর্যায়ে উন্নীত করা হবে। তবে এতে উচ্চ মর্যাদার ব্যক্তির মর্যাদা সামান্যও কমানো হবে না; বরং এটি হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ ও দয়া”। [২] . সুতরাং কেবল নিজের জন্যই নয় নিজের পরিবার পরিজন, সন্তান-সন্ততি, প্রিয় মানুষ সবার কথা ভেবেই বেশি বেশি আমলে লিপ্ত থাকতে হবে, যেন আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে তাঁদের মধ্যে যারা তুনলামূলক পিছিয়ে পড়বে তাঁদেরকেও আমাদের সাথে জান্নাতে একত্রিত করে দেন। আল্লাহ তাআলা তাওফিক দিন সবাইকে-আমিন। . [১) সূরা রা'দ: ২৩; ২) ইমাম ইবনু কাসির (রাহ.), তাফসীরুল কুরআনিল আযীম: ৪/৫৭১]

"সর্বোত্তম জিহাদ হচ্ছে যে তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য স্বীয় নফস ও কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে লড়াই করবে"। . أفضل الجهاد أن تجاهد نفسك وهواك في ذات الله عز وجل . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ শাইখ আলবানী (রাহ.), সিলসিলাতুল আহাদিসিস সহীহাহ, হা: ১৪৯৬, ইমাম আবু নুআঈম ও দাইলামীর (রাহ.) সূত্রে। শাইখ আলবানীর মতে হাদিসটি সহীহ]

এটা আমার তাফসিরের দার্সের ভিডিও। এগুলো আন লিস্টেড থাকে। এটা শুরু আলে ইমরানের ১ম দার্স। আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। এখানে সূরা আলে ইমরানের একটা সংক্ষিপ্ত ওভারভিউ পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ: https://youtu.be/VVsXGyueRPk

মুসলিম উলামা ও জনগণ কোনো ইসলামী শরীআর ব্যাপারে কতটা সচেতন ছিলেন তার বেশ কিছু উদাহরণ ইতিহাসের পাতায় পাওয়া যায়। এমনকি কাফিরদের হাতে ক্ষমতা গেলেও মুসলিমরা যেন শরীআহ আইন অনুযায়ী শাসিত হয় এ বিষয়টি তাঁরা জোর দিতেন। একটা বই পড়তে গিয়ে এরকম একটা ঘটনা আবার সামনে এলো। . পড়ছিলাম অধ্যাপক ড. হাসান জামানের লেখা "কমিউনিস্ট শাসনে ইসলাম" বইটি। এতে একটা ইন্টারেস্টিং ঘটনা আছে। ১৮৬৫ সালে রুশ জেনারেল মিখাইল চেরনিয়ায়েভ কোকন্দ খানাতের গুরুত্বপূর্ণ নগরী তাশখন্দ দখল করেন। তখন সেখানকার উলামার চাপে তাকে যে সমন্বিত দলীলে সই করতে হয় তার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই হচ্ছে যে তাসখন্দে ইসলামী শরীআহ আইন যথারীতি বহাল থাকবে। এমনকি রুশ শাসনাধীনে থাকার পরও! (পৃ: ৩১-৩২ দ্রষ্টব্য)