Manzur's posts
前往频道在 Telegram
Here, posts and lectures of Ustaz Manzurul Karim will be shared in sha Allah.
显示更多7 061
订阅者
+124 小时
-77 天
-2230 天
帖子存档
7 062
আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস [রাহ.] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে তার নিকট দিয়ে একজন শরীফ লোক যাচ্ছিলেন। আলকামা [রাহ.] তাকে বলেন, তোমার সাথে আমার আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে এবং অন্যান্য অধিকারও আছে। আমি লক্ষ্য করছি যে, তুমি এসব আমীর-ওমরার নিকট যাতায়াত করো এবং তাদের সাথে আল্লাহ যেমন চান- কথাবার্তা বলো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবী বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযানী [রা.] কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
.
«إِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مِنْ رِضْوَانِ اللَّهِ، مَا يَظُنُّ أَنْ تَبْلُغَ مَا بَلَغَتْ، فَيَكْتُبُ اللَّهُ عز وجل لَهُ بِهَا رِضْوَانَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مِنْ سُخْطِ اللَّهِ، مَا يَظُنُّ أَنْ تَبْلُغَ مَا بَلَغَتْ، فَيَكْتُبُ اللَّهُ عز وجل عَلَيْهِ بِهَا سُخْطَهُ إِلَى يَوْمِ يَلْقَاهُ»
.
"তোমাদের কেউ অবশ্যই আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক কথা বলে, অথচ তার প্রতিদান সম্পর্কে সে জ্ঞাত নয়। আল্লাহ তাআলা এই কথার বিনিময়ে তার জন্য কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর সন্তোয লিখে দেন। পক্ষান্তরে তোমাদের কেউ আল্লাহর অসন্তুষ্টিমূলক কথা বলে, যার পরিণতি সম্পর্কে সে বেখবর। আল্লাহ এই কথার বিনিময়ে তার জন্য কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর অসন্তুুষ্টি লিখে দেন"।
.
আলকামা [রাহ.] বলেন, লক্ষ্য করো, ভেবে দেখ, তুমি কি বলছো এবং মুখ থেকে কি কথা বের করছো। বিলাল ইবনুল হারিস [রা.] এর নিকট আমি যে হাদিস শুনেছি তা আমাকে অনেক কথাই বলতে বাধা দেয়।"[১]
.
[১) ইমাম ইবনু মাজাহ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৩৯৬৯; শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ]
7 062
"আগুন যেভাবে সোনা-রূপার ময়লা দূর করে দেয় তদ্রুপ আল্লাহ তাআলা কোনো মুসলিমের রোগের দ্বারা তার গুনাহসমূহ দূর করে দেন"
.
فَإِنَّ مَرَضَ الْمُسْلِمِ يُذْهِبُ اللَّهُ بِهِ خَطَايَاهُ، كَمَا تُذْهِبُ النَّارُ خَبَثَ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ
.
~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
.
[ ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৩০৯২, ইমাম ইবনু মুফলিহের (রাহ.) মতে হাসান- আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ২/২০০]
7 062
"আর অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় হলো মানুষের জন্য হারাম খাদ্য, জুলুম-অত্যাচার, ব্যভিচার, চুরি, মদ্যপান, বেগানা নারীর দিকে তাকানো এবং এই জাতীয় অন্যান্য হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকা ও নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই সহজ মনে হয়; কিন্তু নিজের জিহ্বার নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করা তার জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়!
.
এমনকি আপনি এমন অনেক মানুষকেও দেখতে পাবেন, যাকে দ্বীনদারী, দুনিয়াবিমুখতা ও ইবাদত-বন্দেগির কারণে সামাজিকভাবে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয় (খুব বুজুর্গ ভাবা হয়); অথচ সে অবলীলায় আল্লাহর অসন্তুষ্টির এমন সব কথা বলে ফেলে যার প্রতি সে সামান্যতম ভ্রুক্ষেপও করে না! অথচ তার অসতর্কভাবে বলা সেই একটিমাত্র কথার কারণে সে (জাহান্নামের আগুনে) পূর্ব ও পশ্চিমের দূরত্বের চেয়েও গভীরে গিয়ে পতিত হয়!
.
আর আপনি এমন কতশত মানুষকে দেখতে পাবেন যে অশ্লীলতা ও জুলুম-নির্যাতন থেকে অত্যন্ত সতর্ক ও পরহেযগার, অথচ তার জিহ্বা জীবিত ও মৃত মানুষের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে (গীবত ও অপবাদ দিচ্ছে), আর সে নিজে পাত্তাই দিচ্ছে না যে সে মুখ দিয়ে কী উগড়ে দিচ্ছে!"
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[ আদ দা ওয়াদ দাওয়া, পৃ: ৩৬৬-৬৭]
7 062
"নিশ্চয় আমি হাস্যরস করি, তবে (এসময়ও) আমি কেবল হক কথাই বলি"
.
إِنِّي لَأَمْزَحُ وَلَا أَقُولُ إِلَّا حَقًّا
.
~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
.
[ ইমাম তাবারানী (রাহ.), আল মু'জামুস সগীর, হা: ৭৭৯, ইমাম হাইসামী (রাহ.) বলেছেন, এটি আত তাবারানী আস সগীরে বর্ণনা করেছেন, আর এর সনদ হাসান]
7 062
"নিজের নেক আমল প্রকাশ্যে করা, যেন অন্যরা (যেমন সন্তান) তার অনুসরণ করতে পারে এবং তা থেকে শিখতে পারে, একটি প্রশংসনীয় কাজ। এটি রিয়া নয়। কেননা রিয়া তখন হয় যখন আমলের মাধ্যমে মানুষের প্রশংসা পাওয়া কাম্য হয়। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে সালাম আদায় করে বললেন,
«أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّمَا صَنَعْتُ هَذَا لِتَأْتَمُّوا وَلِتَعَلَّمُوا صَلَاتِي»
'হে লোক সকল! আমি এটা এ জন্য করেছি যে, তোমরা যেন আমার অনুসরণ করতে পার এবং আমার সালাত শিখে নিতে পার।'[১]"[২]
.
~ শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ [হাফি.]
.
[ ১) ইমাম বুখারী (রাহ.), আস সহীহ,হা: ৯১৭; ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ১০৮০;
২) শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ (হাফি.), যাদুল মুরাব্বী, পৃ: ৮]
7 062
"আর আপনি অবশ্যই মানুষের মধ্যে মেজাজের দিক থেকে সবচেয়ে উগ্র, আত্মঅহমিকায় মগ্ন এবং নিজের মতামতের প্রতি অন্ধ গোঁড়া হিসেবে তাদেরকেই পাবেন, যারা কোনো বিষয়ে সত্যতা যাচাই করে না এবং স্পষ্ট অনুসন্ধান চালায় না। ফলে অবাধ্যতা, অহংকার এবং মানুষের প্রতি অবজ্ঞা ও অসম্মান তাদের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে। তাদের দৃষ্টিতে বাকি সব মানুষই মূর্খ, তারা কিছুই জানে না, আর কেবল তারাই হলো পরম জ্ঞানী ও সমঝদার"।
.
~ শাইখ ফাইসাল বিন হাইয়্যান।
.
[ মাসাইল ফিল ফিতান, পৃ: ৬৭]
7 062
"আল্লাহর কসম, আমরা নিশ্চয়ই এমন বহু লোককে দেখেছি যারা অত্যন্ত দ্রুত ফিতনার দিকে ধাবিত হতো এবং তাতে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ত। আবার অন্য কিছু লোক আল্লাহর প্রতি ভয় ও তাঁর শাস্তির আশঙ্কায় তা থেকে নিজেদের হাত গুটিয়ে রাখত।
.
অতঃপর, সেই ফিতনা যখন কেটে গেল, তখন দেখা গেল যারা নিজেদের দূরে রেখেছিল তারা (মানসিকভাবে) অনেক বেশি পবিত্র ও প্রশান্তচিত্তের অধিকারী ছিল, তাদের বক্ষসমূহ ছিল অনেক বেশি প্রফুল্ল এবং (অন্যায় রক্তপাতের বোঝা না থাকায়) তাদের কাঁধ ছিল সবচেয়ে হালকা; সেইসব লোকদের তুলনায় যারা ফিতনার দিকে দ্রুত ছুটে গিয়েছিল এবং তাতে নিমজ্জিত হয়েছিল।
.
আর (অন্যদিকে) যারা ফিতনায় জড়িয়েছিল, তাদের সেইসব কর্মকাণ্ড তাদের নিজেদের অন্তরের জন্যই এক স্থায়ী ক্ষত ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যথায় পরিণত হলো। যখনই তারা সেই স্মৃতির কথা স্মরণ করে (ততবারই তারা অনুতপ্ত হয়)।
.
আল্লাহর কসম, ফিতনা যখন ধেয়ে আসে, তখন যদি মানুষ তার ভয়াবহতা সেভাবেই চিনতে পারত যেভাবে তা চলে যাওয়ার পর চিনতে পারে, তবে মানবজাতির এক বিরাট দল অবশ্যই সুবুদ্ধির পরিচয় দিত (তা থেকে বেঁচে থাকত)। আল্লাহর কসম, যখনই কোনো ফিতনা সৃষ্টি হয়েছে তার সূচনালগ্নে এক ধরণের সন্দেহ, বিভ্রান্তি ও অস্পষ্টতা থেকেছে।
.
আর আমি দুনিয়া পূজারীকে দেখেছি, সে দুনিয়ার জন্যই আনন্দিত হয়, দুনিয়ার জন্যই ব্যথিত হয়, দুনিয়ার প্রাপ্তিতেই সন্তুষ্ট হয় এবং দুনিয়ার ক্ষতিতেই ক্ষুব্ধ হয়। আল্লাহর কসম, সে যদি এই দুনিয়াকেই শক্ত করে আঁকড়ে ধরে এবং এর ওপরই হুমড়ি খেয়ে পড়ে, তবে খুব শীঘ্রই এই দুনিয়া তাকে ছুড়ে ফেলে দেবে এবং তার আয়ু ফুরিয়ে যাবে"।
.
~ ইমাম কাতাদাহ বিন দিআমাহ [রাহ.]
.
[ ইমাম আবূ নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ২/৩৩৭]
7 062
"হে মানবসকল, তোমরা আল্লাহ তাআলাকে ভয় করো। আর জেনে রেখো যে, দুনিয়া ও আখেরাতের সৌভাগ্য নিহিত রয়েছে অন্তরের সংশোধন ও তার প্রশস্ততার মাঝে, এবং অন্তরের যাবতীয় দুশ্চিন্তা, বিষাদ ও দুঃখ-বেদনার অবসানের মাঝে। সুতরাং, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য এবং তাঁর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনুগত্যকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো, তবেই তোমরা এই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে। আর তোমরা আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো; জেনে রেখো, আল্লাহর যিকির বা স্মরণের মাধ্যমেই কেবল অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।
.
তোমরা কি জানো না যে আশা, ভয় ও অনুশোচনা নিয়ে যাবতীয় বিপদ-আপদ ও পরিস্থিতিতে আল্লাহর প্রতি ধাবিত হওয়াই বক্ষসমূহ উন্মোচিত হওয়া, আত্মার প্রশান্তি লাভ এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যসমূহ অর্জনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম?
.
এবং (তোমরা কি জানো না যে) আল্লাহর প্রতি বিমুখতা প্রদর্শন করা এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণে ঝাঁপিয়ে পড়া অন্তরের মাঝে এক লেলিহান আগুন, এবং এক চরম ক্ষতি ও আফসোস! আর অন্যদিকে নেক নিয়তের সাথে উপকারী ইলম অর্জনে সচেষ্ট হওয়া যে অন্যতম বৃহৎ ইবাদত; এবং যার মাধ্যমে মন্দ পরিণতি, অজ্ঞতা এবং জটিল ও কঠিন সমস্যাবলি দূরীভূত হয়ে যায়?"
.
~ শাইখ আব্দুর রাহমান নাসির আস সা'দী [রাহ.]
.
[ আল ফাওয়াকিহুশ শাহিয়্যাহ, পৃ: ১৮-১৯]
7 062
"নিশ্চয়ই ফিতনা মানুষকে সঠিক পথ দেখাতে আসে না; বরং তা আসে কেবল মু'মিনকে তার দ্বীন থেকে বিচ্যুত করার জন্য"।
.
~ ইমাম মুতাররিফ বিন আব্দিল্লাহ [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ২/২০৪]
7 062
হারূরিয়াহ তথা খারেজীদের একটি দল বিখ্যাত তাবেঈ মুতাররিফ বিন আব্দিল্লাহর [রাহ.] নিকট আগমন করল। তারা তাঁকে তাদের মতবাদের দিকে আহ্বান জানাচ্ছিল।
.
তখন তিনি তাদের উত্তরে বললেন: "হে লোকসকল, আমার যদি দুটি প্রাণ বা জীবন থাকত, তবে তার একটি দিয়ে আমি তোমাদের নিকট বাইআত হতাম আর অপরটি নিজের কাছে রেখে দিতাম। এরপর তোমরা যা বলছ তা যদি সত্যিই হিদায়াত হতো, তবে আমি আমার দ্বিতীয় প্রাণটিকেও সেটার অনুগামী করতাম। আর তা যদি গোমরাহী বা ভ্রষ্টতা হতো, তবে অন্তত একটি প্রাণ ধ্বংস হতো আর আমার অন্য প্রাণটি তো আমার জন্য বেঁচে থাকত।
.
কিন্তু বাস্তবতা হলো আমার তো প্রাণ মাত্র একটিই। সুতরাং, আমি আমার এই একটিমাত্র প্রাণকে (অনিশ্চয়তার) ধোঁকায় ফেলতে পারি না"।
.
[ ইমাম যাহাবী (রাহ.), তারিখুল ইসলাম: ৬/৪৮১]
7 062
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ، فَإِذَا شَهِدَ أَمْرًا فَلْيَتَكَلَّمْ بِخَيْرٍ أَوْ لِيَسْكُتْ
.
"যে আল্লাহর ওপর ও আখিরাতের ওপর বিশ্বাস রাখে, সে যদি কোনো বিষয় বা ঘটনার মুখোমুখি হয় তখন হয় সে কল্যাণকর কথা বলবে, অথবা চুপ থাকবে"। [১]
.
ইমাম নাওয়াউই [রাহ.] বলেছেন,
"অর্থাৎ মানুষের উচিৎ হচ্ছে কল্যাণকর কথা ব্যতীত অন্য কথা না বলা। আর যেসব মুবাহ বা বৈধ কথায় কোনো ফায়দা বা উপকার নেই তা বলা থেকে সে এই ভয়ে বিরত থাকবে যে তা হয়তো তাকে হারাম বা মাকরূহের দিকে টেনে নিয়ে যাবে"। [২]
.
[১) ইমাম মুসলিম (রাহ.), আস সহীহ, হা: ১৪৬৮;
২) ইমাম নাওয়াউই (রাহ.), আল মিনহাজ: ১০/৫৮]
7 062
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাল বলেছেন,
«يومُ عاشوراءَ، كانَتْ تَصومُهُ الأنبياءُ، فصوموهُ أنتُم»
.
"আশূরার দিন নবীগণ [আ.] সিয়াম পালন করেছেন। কাজেই তোমরাও সেদিন সিয়াম পালন কর"।
.
[ হাদিসটি ইমাম বাক্বী বিন মাখলাদের [রাহ.] মুসনাদের সূত্রে ইমাম ইবনু রাজাব হাম্বলী [রাহ.] "লাফাইফুল মাআরিফে, পৃ: ১২২ উল্লেখ করেছেন। লাতাইফের মুহাক্কিক শাইখ আমীর বিন আলী ইয়াসিনের মতে এটি শাওয়াহিদের কারণে হাসান।
অন্যদিকে শাইখ নূরুদ্দীন তালিবের তত্ত্বাবধায়নে তাহকীককৃত ইমাম ইবনু আব্দিল হাদীর [রাহ.] "মাআরিফুল ইনআমে", পৃ: ৬১, এর সনদকে জাইয়্যিদ বলা হয়েছে।]
7 062
"অচিরেই বিভিন্ন ফাসাদ-খারাবী ও সংশয়পূর্ণ বিষয় প্রকাশ পাবে। সেসময় তোমার কর্তব্য হবে ধীরতা অবলম্বন করা। অকল্যাণের নেতা হওয়ার চেয়ে এটাই ভালো যে তো তুমি কল্যাণের অনুসারী হবে"।
.
~ আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ [রা.]
.
[ ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ (রাহ.), আল মুসান্নাফ, হা: ৩৯৯৭১, শাইখ সা'দ আশ শাসরীর (রাহ.) মতে হাসান]
7 062
ইমাম হাফস বিন গিয়াস [রাহ.] বলেন, আমি ইমাম সুফইয়ান আস সাওরীকে [রাহ.] জিজ্ঞেস করলাম, লোকেরা তো মাহদীকে নিয়ে অনেক কথা বলছে। আপনি এ বিষয়ে কী বলেন?
জবাবে ইমাম সুফইয়ান [রাহ.] বললেন, "যদি তিনি আপনার দরজার পাশ দিয়েও অতিক্রম করেন তারপরও লোকেরা তাঁর চারপাশে জমা হওয়ার আগ পর্যন্ত এতে আপনি অংশ নেবেন না"।
.
[ ইমাম যাহাবী (রাহ.), সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ৭/২৫৩]
7 062
"এমন মু'মিনের সাথে কথা বলা যায় যার থেকে কল্যাণের আশা আছে। আবার এমন জাহিলের সাথেও কথা বলা যায়, যাকে শেখানো সম্ভব। কিন্তু যে তরবারি বা চাবুক উঁচিয়ে বলছে যে আমাকে ভয় কর, আমাকে ভয় কর; তার সাথে কথা বলায় না তোমার লাভ আছে, আর না তার লাভ আছে (অর্থাৎ সে মানবে না)"।
.
~ ইমাম হাসান আল বাসরী [রাহ.]
.
[ ইমাম ইবনু আব্দিল বারর (রাহ.), আত তামহীদ: ১৫/২২৮
7 062
মুতাররিফ [রাহ.] বলেছেন, "মানুষের মাঝে এমন এক যুগ অতিবাহিত হয়েছে যখন তাদের মাঝে দ্বীনের ক্ষেত্রে উত্তম ছিল তাঁরাই যারা দ্বীনি কাজে দ্রুত অগ্রসর হত। অচিরেই মানুষের মাঝে এমন এক যুগ আসবে যখন তাদের মাঝে দ্বীনের ক্ষেত্রে উত্তম হবে সেসকল লোকেরা যারা বিলম্বকারী বা সতর্ক"।
.
এই বক্তব্যের ব্যাখ্যায় সহীহ মুসলিমের রাবি, প্রখ্যাত ফক্বীহ ও আদিব ইমাম আলী বিন আসসাম [রাহ.] বলেছেন,
"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে যারা ছিলেন, তাঁরা কোনো বিষয়ে আদিষ্ট হলে সে কাজে অগ্রসর হতেন তাড়াহুড়ো করে। আর আজ, মু'মিনের কর্তব্য হচ্ছে আগে বিষয়টা বিস্তারিত জেনে নেয়া, আর যা সে জানে না বা যে বিষয়ের ভালো-মন্দ তার কাছে সুস্পষ্ট নয় সেটার জন্য পদক্ষেপ না নেয়া"। [১]
.
উল্লেখ্য যে ইমাম আলী বিন আসসাম [রাহ.] ২২৮ হিজরিতে মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ এই কথা তিনি আরও আগে বলেছেন। কাজেই বর্তমানে আমাদের বিষয়টা আরও বেশি বিবেচনায় রাখা উচিৎ।
.
[ ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), শুআবুল ঈমান, হা: ১৭৩৯]
7 062
আল্লাহ তাআলা বলেন,
اللَّهِ وَالْفِتْنَةُ أَكْبَرُ مِنَ الْقَتْلِ
"আর ফিতনা হত্যার চেয়েও গুরুতর"।[১]
.
জুন্দুব বিন আব্দিল্লাহ [রা.] এই আয়াতে ফিতনার অর্থ সম্পর্কে বলেন,
"শির্ক"। [২]
অর্থাৎ শির্ক হত্যার চেয়েও গুরুতর।
.
[১) সূরা বাকারাহ: ২১৭;
২) ইমাম ইবনু আবি হাতিম (রাহ.), তাফসিরুল কুরআনিল আযীম: ২/৩৮৭, ড. হিকমাত বিন বাশীরের মতে সনদ সহীহ- আস সহীহুল মাসবূর: ১/৩২৮]
现已上线!2025 年 Telegram 研究 — 年度关键洞察 
