Revolutionary Students' Front
رفتن به کانال در Telegram
361
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+17 روز
+1130 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئن '26
ژوئن '26
+8
در 1 کانالها
مه '26
+16
در 1 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+27
در 1 کانالها
Get PRO
مارس '26
+12
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+5
در 1 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+5
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+12
در 1 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+14
در 2 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+13
در 2 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+8
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '25
+19
در 2 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+15
در 2 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+31
در 3 کانالها
Get PRO
مه '25
+15
در 2 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+6
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '25
+6
در 2 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+3
در 2 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+10
در 2 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+9
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+7
در 2 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+5
در 2 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+26
در 2 کانالها
Get PRO
اوت '240
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئیه '240
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+33
در 1 کانالها
Get PRO
مه '240
در 2 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+12
در 1 کانالها
Get PRO
مارس '240
در 2 کانالها
Get PRO
فوریه '240
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+147
در 1 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 13 ژوئن | 0 | |||
| 12 ژوئن | +1 | |||
| 11 ژوئن | +1 | |||
| 10 ژوئن | 0 | |||
| 09 ژوئن | 0 | |||
| 08 ژوئن | 0 | |||
| 07 ژوئن | +1 | |||
| 06 ژوئن | +1 | |||
| 05 ژوئن | +1 | |||
| 04 ژوئن | +1 | |||
| 03 ژوئن | +1 | |||
| 02 ژوئن | +1 | |||
| 01 ژوئن | 0 |
پستهای کانال
Statement from the Revolutionary Students' Front (RSF) in Solidarity with the Affected Workers of the Vizag Steel Plant Disaster
বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি
https://www.facebook.com/share/p/1JGGbtgMZb/
| 2 | بدون متن... | 21 |
| 3 | বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা ঘটা মৃত্যু দেশের সেই আর্থসামাজিক পরিস্থিতিরই পরিণতি, যেখানে শ্রমিকদের সহজলভ্য ও সস্তা শ্রমের উৎস হিসেবে গণ্য করে। যারা শিল্পকে জনগণের পরিবর্তে পুঁজির স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়। আমরা বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্ট নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানার শ্রমিকদের বিচার, দায়বদ্ধতা ও কর্মপরিবেশের নিরাপত্তার দাবির লড়াইয়ে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছি। আমরা ছাত্র, শ্রমিক, যুবসমাজ এবং গণতান্ত্রিক ও বামপন্থী শক্তিগুলোকে তাদের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা ডাক দিচ্ছে শ্রমিকদের লাশের ওপর নির্ভর করে ফুলেফেঁপে ওঠা শাসকশ্রেণীর বিরুদ্ধে যৌথ সংগ্রামী জঙ্গি গণআন্দোলন গড়ে তুলুন।
আমাদের দাবি —
১) মৃত শ্রমিকদের পরিবারের জন্য অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ এবং স্থায়ী সহায়তা প্রদান করতে হবে।
২) কর্তৃপক্ষকে সকল আহত শ্রমিকের সুষ্ঠু চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩) দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি স্বচ্ছ ও স্বাধীন বিচারবিভাগীয় তদন্ত চালাতে হবে। তার ফলাফল জনসমক্ষে আনতে হবে।
৪) অবহেলা প্রমাণিত হলে এই অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
৫) অবিলম্বে সকল ইস্পাত কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাসায়নিক কারখানা, খনি ও ঝুঁকিপূর্ণ শিল্পকেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা নিরীক্ষণ চালাতে হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৬) ঝুঁকিপূর্ণ কর্মস্থানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। নিরাপত্তাহীন কর্মপরিবেশের অবসান ঘটাতে হবে।
৭) শ্রমিকবিরোধী শ্রম কোড বাতিল করতে হবে। শ্রমিকদের অধিকার তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে। | 22 |
| 4 | বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি
গত ৮ই জুন, ২০২৬ বিশাখাপত্তনমের রাষ্ট্রীয় ইস্পাত নিগম লিমিটেডের (RINL) কারখানায় মনুষ্যসৃষ্ট দুর্ঘটনায় নয়জন শ্রমিকের মৃত্যু এবং এগারো জন গুরুতর আহত হন। বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) পক্ষ থেকে আমরা তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানাচ্ছি এবং তার সাথেই শ্রমিকদের প্রতি চলমান চরম শোষণ ও অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছি। এই ঘটনা মানুষের জীবনের চেয়ে মুনাফাকে অতিরিক্ত মূল্য দেওয়া সমাজ ব্যবস্থার এক গুরুতর সামাজিক অপরাধ।
শুধুমাত্র গত কয়েক মাসেই ছত্তিশগড়ের বেদান্ত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, অন্ধ্রপ্রদেশের আতশবাজি, তেলেঙ্গানার রাসায়নিক এবং মহারাষ্ট্রের বিস্ফোরক প্রস্তুতকারক কারখানার দুর্ঘটনায় দেশজুড়ে বহু শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। তেলেঙ্গানার সিগাছি ইন্ডাস্ট্রিজে বিস্ফোরণে প্রচুর মানুষের মারা গেছেন। বেদান্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিস্ফোরণেও নিহত-আহত শ্রমিকের সংখ্যা বহু। একদিকে ব্রাহ্মণবাদী হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদী বিজেপি-আরএসএসের সরকার ‘উন্নয়ন’ ও ‘জিডিপি’র বিকাশের জয়গান গেয়ে চলেছে। অন্যদিকে, উপরিউক্ত ঘটনাগুলি ভারতে শ্রমিকদের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীন ও শোষণমূলক কর্মপরিবেশের তথ্য সামনে নিয়ে আসছে। ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দালাল ‘গোদি মিডিয়া’ এই ধারাবাহিক মৃত্যুর ঘটনাগুলিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে প্রচার করলেও, বাস্তবে তা এই শোষক-নিপীড়ক ব্যবস্থার স্বার্থে মুনাফার লোভে শ্রমিকদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা ছাড়া কিছুই নয়। এই প্রত্যেকটি মৃত্যুই প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল।
ভারতের অর্থনীতি কোটি কোটি শ্রমিকের শ্রমের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। অথচ শ্রম সমীক্ষা এবং ‘ইন্ডিয়া এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্টে’ দেখা যাচ্ছে, ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ শ্রমশক্তি এখনও নিয়মনীতি বহির্ভূত ও অসংগঠিত কর্মসংস্থানে আটকা পড়ে আছে। যেখানে নেই পর্যাপ্ত সামাজিক ও চাকরির নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পেনশন বা কোনো আইনি সুরক্ষা। অথচ তাদের প্রকৃত মজুরি (Real Wage) বাড়ার নাম নেই, দিনদিন অধঃপতিত হচ্ছে জীবনযাত্রার মান। বরং ফ্যাসিবাদী বিজেপি-আরএসএসের সরকার ‘শ্রম সংস্কারে’র নামে শ্রমিক শোষণকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। চারটি শ্রম কোড শ্রমিকদের সুযোগসুবিধা আরও কমিয়ে দিয়েছে। মালিকদের স্বার্থে ছাঁটাই ও বেতন কমানোর সীমা তুলে দিয়েছে। শ্রমিকদের প্রতিবাদকে অপরাধ বানানো হয়েছে, শ্রমিকদের দর কষাকষির ক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে এবং শ্রমকে করে তোলা হয়েছে চুক্তিভিত্তিক। এই পরিস্থিতিতে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা গৌণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ অবহেলিত হয়ে চলেছে। স্থায়ী শ্রমিকদের পরিণত করা হয়েছে সস্তা ও সহজলভ্য শ্রমশক্তিতে।
২০২১ সালের জানুয়ারিতে বিজেপি-আরএসএস সরকার RINL-এর ১০০% বিলগ্নীকরণ অনুমোদন করে। যা দেশের প্রথম উপকূলভিত্তিক ইস্পাত কারখানা RINL-কে বেসরকারিকরণের রাস্তা খুলে করে দেয়। এই ঘোষণা শ্রমিক, ট্রেড ইউনিয়ন, ছাত্র সহ অন্ধ্রপ্রদেশের জনগণের পক্ষ থেকে এক বিশাল প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। ধারাবাহিক সংগ্রামের মাধ্যমে বিলগ্নীকরণের প্রস্তাবটি আটকে দেওয়া হয়। কিন্তু কারখানায় অনিশ্চয়তা, স্বল্প সরকারি বিনিয়োগ ও গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আউটসোর্স করার ঘটনা ঘটতে থাকে। ভাইজ্যাগ ইস্পাত কারখানার বেসরকারিকরণ অভিযানটি পূর্ববর্তী সরকারগুলির অনুসৃত একটি বৃহত্তর নীতির অংশ, যা বিজেপি-আরএসএস শাসনামলে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে। যা হচ্ছে সাধারণ মানুষের শ্রম ও সম্পদ দিয়ে নির্মিত সরকারি উদ্যোগগুলিকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করে দিয়ে বেসরকারিকরণের রাস্তা খুলে দেওয়া। এমনকি প্রতিরক্ষার মত খাতগুলিও আজ ব্যতিক্রম নয়। সরকারের ‘উন্নয়ন’ এবং ‘বিশ্বগুরু’র স্লোগানের আড়ালে রয়েছে তীব্র শোষণ, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তাহীন কর্মপরিবেশ এবং মুষ্টিমেয় কিছু কোটিপতি দালালের হাতে সম্পদের কেন্দ্রীকরণ। আজ ভারতের অর্থনীতিতে আদানি, আম্বানি, টাটা, জিন্দাল, বেদান্ত ও অন্যান্য কর্পোরেটের আধিপত্য। এই কর্পোরেশনগুলো আমাদের দেশের শ্রমশক্তির চরম শোষণ, প্রাকৃতিক সম্পদের লুণ্ঠন করছে। শুধু তাই নয় রাষ্ট্রকে ব্যবহার করে বিপুল কর ছাড়ের ব্যবস্থা করে নিজেদের ও তাদের বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের সমৃদ্ধ করে চলেছে। এভাবেই তারা বিদেশী পুঁজির স্বার্থে তৈরি নয়াউদারনৈতিক উন্নয়ন মডেলের সেবা করে যাচ্ছে। জনগণের সম্পদ এই দালালদের মুনাফা ‘লাভের গুড়ে’ পরিণত হয়েছে। আর এর ফলে উৎপন্ন অর্থনৈতিক সংকটের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে নিপীড়িত জনগণের উপর। | 20 |
| 5 | بدون متن... | 18 |
| 6 | The deaths at Vizag Steel Plant are the consequence of the country's socio-economic system where workers are treated as an expendable cheap source of labour and industry is organised in the interests of capital rather than the people. We extend our condolences to the bereaved families and stand with the workers of Vizag Steel Plant in their demand for justice, accountability, and safe working conditions. We call upon the students, workers, youth, and democratic and leftist forces to stand in solidarity with them and build a militant mass movement against the ruling classes thriving on the deaths of workers.
Our Demands :
1) Immediate compensation and long-term support for the families of the deceased workers.
2) Full medical treatment and rehabilitation for all injured workers at the expense of the management.
3) A transparent and independent inquiry into the causes of the disaster, with findings made public.
4) Criminal accountability for negligence wherever established.
5) Immediate implementation of comprehensive safety audits in all steel plants, power plants, chemical factories, mines, and hazardous industries.
6) An end to contractualisation and precarious employment in hazardous sectors.
7) Repeal of anti-worker labour codes and restoration of workers' rights. | 18 |
| 7 | Statement from the Revolutionary Students' Front (RSF) in Solidarity with the Affected Workers of the Vizag Steel Plant Disaster
Revolutionary Students' Front (RSF) stands in solidarity with the families of the workers killed and injured in the horrific man-made disaster at the Rashtriya Ispat Nigam Limited (RINL), Visakhapatnam that took place on 8th June 2026. We express our anguish and rage against this severe exploitation and dehumanisation of workers. The death of nine workers and the severe injury of eleven others is a social crime born of a system that values profit over human life.
In recent months alone, workers across the country have been killed in industrial disasters at the Vedanta thermal power plant in Chhattisgarh, explosives factories in Maharashtra, fireworks factories in Andhra Pradesh, and chemical plants in Telangana. The Sigachi Industries explosion in Telangana claimed dozens of lives. The Vedanta power plant blast left many workers dead and injured. These incidents expose the increasingly unsafe and exploitative conditions workers are compelled to labour under across India, while the Brahminical Hindutva fascist BJP-RSS government continues to celebrate ‘GDP growth’. The fascists and their bootlicker Godi media always describe these deaths as mere accidents. In reality, these preventable deaths are products of a system of exploitation and oppression that systematically murders workers at the altar of profit.
India's economy rests on the labour of hundreds of millions of workers. Yet, according to labour studies and the India Employment Report, nearly 90 percent of India's workforce remain trapped to be employed informally and unorganised, without adequate social and job security, healthcare, pensions, or legal protection while real wages stagnate and living conditions deteriorate. The fascist BJP-RSS regime has accelerated workers’ exploitation through its ‘labour reforms’. The four labour codes substantially decrease flexibility for workers, raises thresholds for layoffs and retrenchment, criminalises workers' protests, weakens collective bargaining power of workers, and facilitates greater contractualisation of labour. Under such conditions, workplace safety becomes a secondary concern. Safety measures and proper maintenance are neglected. Permanent workers are turned into a cheap and disposable labour force.
In January 2021, the BJP-RSS Government approved 100% strategic disinvestment of RINL, paving the way for the privatisation of the country's first shore-based integrated steel plant. This sparked a massive resistance movement by workers, trade unions, students, and the people of Andhra Pradesh. Even after the disinvestment proposal was stalled through sustained struggle, the plant continued to face uncertainty, under-investment, and attempts to outsource key functions. The privatisation drive of Vizag Steel is part of a broader policy pursued by successive governments and accelerated under the BJP-RSS regime. Public sector enterprises built through the labour and resources of the common masses are systematically weakened and opened up for privatisation. Even strategic sectors are no exception. Behind the slogans of ‘development’ and ‘Vishwa Guru’ is intensified exploitation, contractualisation, unsafe working conditions for the workers, and the concentration of wealth in the hands of a few billionaire comprador. Today, India's economy is dominated by a handful of them, such as Adani, Ambani, Tata, Jindal, Vedanta and others. These corporations enrich themselves and their foreign imperialist masters through the super-exploitation of our country's labour force, the plunder of natural resources, and enormous concessions granted by the state. They serve the neo-liberal development model shaped by the interests of the foreign capital. Public resources are redirected toward profit-making opportunities for these compradors while the burden of economic crises are imposed on the oppressed masses. | 18 |
| 8 | بدون متن... | 29 |
| 9 | SOS SOS SOS
সাথী, আমরা জানতে পেরেছি, বাঘাযতীন স্টেশন চত্বরে গতকাল থেকে ব্যারিকেড এনে রাখা হয়েছে। আজ পুলিশ রেইকি করে গেছে। আমরা আশঙ্কা করছি, আজ রাতেই পুলিশ ও সামরিক বাহিনী বাঘাযতীন স্টেশনের হকার উচ্ছেদ করতে আসবে এবং ভাঙচুর চালাবে। আগেই বাহিনীর ভয়ে বেশকিছু হকার ও দোকানদার স্টেশন থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। বাকিদের উচ্ছেদ করে ভাঙচুর চালানোর পরিকল্পনা নির্দিষ্ট করতেই আজকের এই রেইকি। যা প্রত্যেক ক্ষেত্রের মতোই এবারও রাতের অন্ধকারে সম্পন্ন হবে। আপনারা যারা যারা বাঘাযতীন স্টেশনের কাছাকাছি রয়েছেন, তাদের কাছে অনুরোধ স্টেশনে এসে জড়ো হোন এবং ফ্যাসিবাদী বুলডোজার বাহিনীকে আটকে দিন।
গত বেশকিছু দিন ধরে আমরা দেখছি একে একে সমস্ত স্টেশন চত্বর থেকে হকার-ছোট ব্যবসায়ীদের উৎখাত করা হচ্ছে। কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছি যাদবপুর স্টেশনে সামরিক বলপ্রয়োগ করে, অগণতান্ত্রিক ভাবে প্রতিবাদীদের ব্যাপকভাবে মারধোর, লাঠিচার্জ ও আটক করে হকার উচ্ছেদ ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। রাজ্যের শাসক ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশিবিদেশি কর্পোরেটের স্বার্থে জনগণের রুটিরুজি কেড়ে নিতে তৎপর হয়ে উঠেছে। যাদবপুরে সর্বাত্মক আক্রমণ চালিয়ে তারা বুঝিয়ে দিয়েছে, কর্পোরেট স্বার্থে জনগণের ওপর সমস্ত ধরণের দমন নিপীড়ন নামাতে তারা প্রস্তুত। এই অবস্থায় বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্ট (RSF) সমস্ত গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল, বামপন্থী ও ফ্যাসিবিরোধী ব্যক্তি ও সংগঠন এবং আপামর নিপীড়িত-শোষিত জনগণকে আবারও প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছে।
https://www.facebook.com/share/p/1CXEg4or7Q/
https://www.instagram.com/p/DZYElkChOTc/ | 29 |
| 10 | https://youtube.com/shorts/-RSpqrgdqQk | 36 |
| 11 | بدون متن... | 126 |
| 12 | আজ (০৮/০৬/২০২৬) মাঝরাতে যাদবপুর স্টেশনে হকার উচ্ছেদ করতে আসা কলকাতা পুলিশ, সিআরপিএফ, র্যাফ যৌথভাবে ঘিরে ধরে হামলা চালায়। সাধারণ মানুষ, এমনকি শিশুদের ওপরেও লাঠিচার্জ করা হয়, রাস্তায় ফেলে মারা হয়। গুরুতর আহত হন বহুজন। জনগণকে ছত্রভঙ্গ করার পর গণআন্দোলনকর্মীদের গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। হকার, ছোট ব্যবসায়ীদের দোকান গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। আমরা অবিলম্বে সাথীদের নিঃশর্ত মুক্তি চাই। আমরা আহতদের চিকিৎসা ও প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত হকার ও ছোট ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণের দাবি করছি। এবিষয়ে শুনুন বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) মুখপাত্রের বক্তব্য।
https://www.facebook.com/share/v/1BNGcH2MqV/
https://www.instagram.com/reel/DZTGvICz6fZ/ | 30 |
| 13 | بدون متن... | 31 |
| 14 | بدون متن... | 33 |
| 15 | ফ্যাসিবাদী কায়দায় যাদবপুর স্টেশনের হকার ও ছোট ব্যবসায়ী উচ্ছেদ এবং প্রতিবাদীদের ওপর অগণতান্ত্রিক লাঠিচার্জের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি
https://www.facebook.com/share/v/1BENK4oQ7a/ | 29 |
| 16 | ফ্যাসিবাদী কায়দায় যাদবপুর স্টেশনের হকার ও ছোট ব্যবসায়ী উচ্ছেদ এবং প্রতিবাদীদের ওপর অগণতান্ত্রিক লাঠিচার্জের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি
গতকাল সন্ধ্যা থেকেই যাদবপুর স্টেশন চত্বরজুড়ে ব্যারিকেড সহ কলকাতা পুলিশ ও সিআরপিএফের গাড়ি ঢুকতে শুধু করে। রাতের মধ্যে বাহিনীর মদতে জেসিবি, বুলডোজার এনে ঘিরে ফেলা হয় স্টেশন চত্বর। এরপরই হকার ও ছোট ব্যবসায়ীদের সাথে বিভিন্ন গণসংগঠন সদস্য ও প্রতিবাদী জনতা ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং বাহিনীকে ঢুকতে বাধা দেন। রেললাইন ও রাস্তা অবরোধ করা হয়। এই অবস্থায় পুলিশবাহিনী চারিদিক থেকে প্রতিবাদীদের ঘিরে ফেলে বলপূর্বক স্টেশনে বুলডোজার ঢুকিয়ে দেয়। তার সাথেই রাস্তায় ফেলে মারধর ও লাঠিচার্জ শুরু করা হয়েছে। আহত হন বেশ কয়েকজন। এরপরেও জনগণ অবিচল থাকলে র্যাফ নিয়ে আসা হয়। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, পুলিশের সাথে জনগণের প্রত্যক্ষ সংগ্রাম চলছে।
গত ২রা জুন মাঝরাতে যাদবপুর স্টেশনের ২নং প্ল্যাটফর্মের হকারদের উচ্ছেদ করতে রাষ্ট্রীয় বাহিনী জেসিবি নিয়ে আসে। কিন্তু সেদিন ব্যাপক জনগণের যৌথ প্রতিরোধের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয় তারা। বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্ট আগেই আশঙ্কা করেছিল, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় থাকা ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদী আরএসএস-বিজেপির সরকার কোনোমতেই যাদবপুর স্টেশনের হকার, ছোট ব্যবসায়ীদের ছেড়ে দেবে না। যা আমরা রাজ্যের বিভিন্ন স্টেশন চত্বর জুড়ে প্রত্যক্ষ করে চলেছি। এসবই সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির স্বার্থে বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। গতকালই রাজ্যে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এসে ঘোষণা করে গেছে, রেলের বিভিন্ন খাতে এক লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসতে চলেছে। বলাই বাহুল্য, এই বিনিয়োগ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও তাদের দালাল মুৎসুদ্দি পুঁজিপতিদের থেকেই আসবে। সুতরাং এদের স্বার্থেই রাজ্যে একশোর বেশি স্টেশনকে ‘অমৃতভারত’ স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা হয়েছে। ৪০টি ‘উন্নয়ন প্রকল্পে’র নামে জমি হস্তান্তর করা হবে রেলকে। যা উক্ত অঞ্চলের জনগণের ঘরবাড়ি ও কর্মক্ষেত্রকে বিপদের মুখে ফেলবে। কোনরকম সুষ্ঠু বিকল্পব্যবস্থা ছাড়া তাদের সবকিছুই বুলডোজারে পিষে ফেলা হবে। এই পরিকল্পনাগুলি আসলে উন্নয়নের নামে রেলের বেসরকারিকরণের ধারাবাহিক প্রয়াস। তাছাড়া, এভাবে এক বড় অংশের মানুষের কর্মসংস্থান কেড়ে নিয়ে তাদের সরকারের মুখাপেক্ষী শ্রমভাণ্ডারে পরিণত করার ফ্যাসিবাদী পরিকল্পনা তো আছেই।
আমরা বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের তরফে প্রত্যেক হকার, ছোট ব্যবসায়ী, গণআন্দোলনকর্মী এবং ব্যাপক জনতার ওপর ফ্যাসিবাদী হামলার তীব্র বিরোধিতা করছি। প্রত্যেক আটক ব্যক্তিকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। কর্পোরেট স্বার্থে চলমান গণবিরোধী উচ্ছেদ অভিযান ও অসাংবিধানিক বুলডোজার রাজ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সরকারকে প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত হকার ও ছোট ব্যবসায়ীর আর্থিক ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা ও উপযুক্ত আয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। যেভাবে বিচারব্যবস্থার গেরুয়াকরণ চালানো হচ্ছে, রাজ্যের ফ্যাসিবাদী বিজেপি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে আইনিপথে লড়াই সম্ভব নয়। তাই আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, বিরুদ্ধে সরব ও আন্দোলনরত সমস্ত প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, বামপন্থী শক্তি ও ব্যক্তিবর্গ ঐক্যবদ্ধ ভাবে সাথী হকার-ছোট ব্যবসায়ী এবং কমরেডদের মুক্তির দাবি তুলুন। এবং সমস্ত প্রান্তিক ও নিপীড়িত জনগণের অংশগ্রহণে যৌথ জঙ্গি গণআন্দোলন তৈরি করুন। | 34 |
| 17 | بدون متن... | 34 |
| 18 | জরুরী ঘোষণা:
যাদবপুর স্টেশনে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে আজ ফের হকার উচ্ছেদের পরিকল্পনা প্রশাসনের। এই মূহুর্তে সাইডিং এর সীমানা বরাবর ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরছে পুলিশ।
একই সাথে খবর আসছে ঢাকুরিয়া, বাঘাযতীন স্টেশনেও উচ্ছেদ চালাবে আজকে।
আগেরদিন যাদবপুর স্টেশনের হকাররা, ছোট ব্যবসায়ীরা, খেটে খাওয়া মানুষেরা, গণআন্দোলনকর্মীরা, বামপন্থী ছাত্রযুবরা সশস্ত্র বাহিনীর ভয় উপেক্ষা করে আটকে দিয়েছিলেন ফ্যাসিবাদী শাসকের জেসিবি, বুলডোজার।
আমরা জানতাম ফ্যাসিবাদী শক্তি এত সহজে হার মানবে না। তারা আবার ফিরে আসবেই। তাই আজ আবার হকার উচ্ছেদ করতে আসছে বাহিনী। এবার আরও আঁটোসাঁটো হয়ে। আগেরবারের তুলনায় আমাদেরও এবার আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওদের প্রতিরোধ করতে হবে। এ লড়াই আমার আপনার। ফ্যাসিবাদকে সম্পূর্ণ খতম না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়েই যেতে হয়। দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের স্বার্থে আজকে বিজেপি-আর.এস.এস-কে হারাতে আরও তীব্র, আরও ঐক্যবদ্ধ, আরও জঙ্গিভাবে বিভিন্ন ফ্রন্টে লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে।
সকলে ৭:৩০টার মধ্যে যাদবপুর স্টেশন চত্বরে আসুন। আবার লালঝান্ডা আটকে দিক গেরুয়া বুলডোজারের চাকা। আবার বিজয় হোক শ্রমজীবী জনগণের।
https://www.facebook.com/share/p/18r135S3k5/ | 128 |
| 19 | আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। কমরেড চিকো মেন্ডিস বলেছিলেন, শ্রেণী সংগ্রামহীন পরিবেশ চিন্তা শুধুই বাগান বিলাসিতা। আজকের বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থায় তা ভয়ানকভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পরিবেশ আজ পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদীদের মুনাফা তৈরির যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। ভারতের ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদী সরকার সাম্রাজ্যবাদের অন্যতম দালাল মুৎসুদ্দি পুঁজিপতি আদানির স্বার্থে — হাসদেও থেকে নিকোবর, পাহাড় থেকে উপকূলের ম্যানগ্রোভ — একের পর এক পরিবেশগত ঝুঁকির সামনে ফেলছে সমগ্র দেশবাসীকে। এই দেশবাসীর মধ্যে ফ্যাসিবাদী শক্তি ঘুঁটি হিসাবে ব্যবহৃত হিন্দুরাও ব্যতিক্রম নয়। এই প্রসঙ্গেই ছাত্রফৌজের প্রতিবেদন —
হিন্দুদের স্বার্থ না আদানির স্বার্থ
https://chhatrafauj.wordpress.com/2026/06/05/হিন্দুদের-স্বার্থ-না-আদা/ | 165 |
| 20 | Statement from the Revolutionary Students' Front (RSF) Condemning the Fascist Attack on educator Khan Sir and Recurring Irregularities Regarding Examinations
https://www.facebook.com/share/p/1CeBYDG97B/
https://www.instagram.com/p/DZMSiT3AcW5/ | 36 |
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
