367
订阅者
无数据24 小时
+57 天
+930 天
数据加载中...
吸引订阅者
六月 '26
六月 '26
+15
在2个频道中
五月 '26
+16
在1个频道中
Get PRO
四月 '26
+27
在1个频道中
Get PRO
三月 '26
+12
在1个频道中
Get PRO
二月 '26
+5
在1个频道中
Get PRO
一月 '26
+5
在1个频道中
Get PRO
十二月 '25
+12
在1个频道中
Get PRO
十一月 '25
+14
在2个频道中
Get PRO
十月 '25
+13
在2个频道中
Get PRO
九月 '25
+8
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+19
在2个频道中
Get PRO
七月 '25
+15
在2个频道中
Get PRO
六月 '25
+31
在3个频道中
Get PRO
五月 '25
+15
在2个频道中
Get PRO
四月 '25
+6
在0个频道中
Get PRO
三月 '25
+6
在2个频道中
Get PRO
二月 '25
+3
在2个频道中
Get PRO
一月 '25
+10
在2个频道中
Get PRO
十二月 '24
+9
在2个频道中
Get PRO
十一月 '24
+7
在2个频道中
Get PRO
十月 '24
+5
在2个频道中
Get PRO
九月 '24
+26
在2个频道中
Get PRO
八月 '240
在1个频道中
Get PRO
七月 '240
在1个频道中
Get PRO
六月 '24
+33
在1个频道中
Get PRO
五月 '240
在2个频道中
Get PRO
四月 '24
+12
在1个频道中
Get PRO
三月 '240
在2个频道中
Get PRO
二月 '240
在0个频道中
Get PRO
一月 '24
+147
在1个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 18 六月 | +3 | |||
| 17 六月 | 0 | |||
| 16 六月 | +1 | |||
| 15 六月 | 0 | |||
| 14 六月 | +3 | |||
| 13 六月 | 0 | |||
| 12 六月 | +1 | |||
| 11 六月 | +1 | |||
| 10 六月 | 0 | |||
| 09 六月 | 0 | |||
| 08 六月 | 0 | |||
| 07 六月 | +1 | |||
| 06 六月 | +1 | |||
| 05 六月 | +1 | |||
| 04 六月 | +1 | |||
| 03 六月 | +1 | |||
| 02 六月 | +1 | |||
| 01 六月 | 0 |
频道帖子
| 2 | বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (তৎকালীন ইউএসডিএফ) প্রাক্তন সদস্য এবং দীর্ঘদিনের গণআন্দোলনের সাথী শহীদ কমরেড শুভদীপ ঘোষ তোমায় জানাই লাল সেলাম!
(কমরেডের মৃত্যুর কথা জানাতে দেরি হওয়ায় আমরা সর্বতোভাবে দুঃখিত। এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমাদের মানসিক অবস্থাও জর্জরিত ছিল)
https://www.facebook.com/share/17kttyXB2R/
https://www.instagram.com/p/DZnZDEeAbwQ/ | 39 |
| 3 | 没有文字... | 101 |
| 4 | 没有文字... | 11 |
| 5 | এক একটি আত্মহত্যা আদতেই একটি সামাজিক হত্যা। মানুষের চেতনা শুধু মস্তিষ্ক থেকেই নয়, শ্রেণিবিভক্ত সমাজ এবং প্রকৃতির সাথে মানুষের পারস্পরিক ক্রিয়া, শ্রেণিসংগ্রাম এবং উৎপাদন সংগ্রামের মধ্যে দিয়েই গড়ে ওঠে। মানসিক স্বাস্থ্যকে এই গুঢ় সত্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখলে কি হতে পারে, সে বিষয়ে অ্যানড্রিউ হার্টম্যানের একটি উক্তি উল্লেখ্য —
“Marxism, we could say, is therapy in the form of politics, a response on behalf of life to the damage done to it by unchecked profit seeking. Like psychoanalysis, it is a therapy, however, that rejects quick fixes and a culture comprised of endless treatments - all of the helpless half measures (keto, netflix, prozac, tinder) we use to try to keep our lives afloat. Instead Marxism is a therapy that is rooted in knowledge and life-long revolt, in the thrill of changing one's life and striking back at the forces that wound it. Prozac, after all, can certainly help you forget that you are bleeding but it can't cut the head of the thing that bit you.”
(Living a Marxist Life)
ভারতের প্রকৃত চিত্র ঘাটলে দেখা যাবে – আত্মহত্যা একটি মহামারীর আকার নিচ্ছে। অর্থনৈতিক কারণে কৃষকদের আত্মহত্যার পরিসংখ্যান আজ বিশ্বের মধ্যে ভারতে সবচেয়ে বেশি। এখানে প্রতি বছর গড়ে ১৫-১৬ হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেন। প্রাতিষ্ঠানিক চাপ ও অর্থনৈতিক কারণে দেশজুড়ে পড়ুয়া বা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আত্মহত্যার পরিসংখ্যা বছরে ১৩ হাজারেরও বেশি। আমরা দেখেছি করোনা মহামারীর সময় থেকে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মানসিক অবসাদের পরিমাণ বেড়ে চলেছে। সম্প্রতি নিট কেলেঙ্কারির জন্য ১৭ জনের অধিক ছাত্রছাত্রী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। কমরেড শুভদীপের মৃত্যু আমাদের দেশের এই বাস্তবতাকেই তুলে ধরছে।
বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার মূলোৎপাটন ছাড়া অর্থনৈতিক ও অন্যান্য কারণে সৃষ্ট এই মহামারীর কোনো স্থায়ী প্রতিকার সম্ভব নয়। এর বিরুদ্ধে আমাদের অস্ত্র হওয়া উচিত বিপ্লবী আশাবাদ এবং বিপ্লবী অনুশীলন ও যৌথ কর্মদ্যোগের মাধ্যমে মানসিক ব্যাধির সাথে সংগ্রাম। কমরেড শুভদীপ তোমায় জানাই লাল সেলাম। বিপ্লবী গণআন্দোলনের প্রতি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তোমার কর্তব্য পালনকে আমরা স্মরণ করে যাবো। যে শোষণমুক্ত সমাজের লড়াইয়ে শুভদীপ অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলো — তাঁর ফেলে যাওয়া সেই কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আসুন আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই এবং বিপ্লবী আন্দোলনকে সর্বতোভাবে সাহায্য করি।
(কমরেডের মৃত্যুর কথা জানাতে দেরি হওয়ায় আমরা সর্বতোভাবে দুঃখিত। এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমাদের মানসিক অবস্থাও জর্জরিত ছিল) | 35 |
| 6 | বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (তৎকালীন ইউএসডিএফ) প্রাক্তন সদস্য এবং দীর্ঘদিনের গণআন্দোলনের সাথী শহীদ কমরেড শুভদীপ ঘোষ তোমায় জানাই লাল সেলাম!
“...this society is an extremely dangerous thing. It was capable of causing the death…” — Comrade Mao Tse Tung (Miss Chao's Suicide)
সাথী, গত ৭ই জুন আমাদের অগ্রণী কমরেড শুভদীপ আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে আমরা ভীষণভাবে ব্যথিত ও শোকস্তব্ধ। বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্ট (RSF) তাঁর পরিবার এবং স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে।
বর্ধমানের ছেলে কমরেড শুভদীপ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে স্নাতক স্তরে ভর্তি হন। স্নাতক থেকেই তিনি বিপ্লবী ছাত্ররাজনীতির সংস্পর্শে আসেন। সেসময় থেকেই তিনি পূর্বতন ইউএসডিএফের কর্মী হিসাবে যোগদান করেন এবং ছাত্রসংগঠক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলেন। তারপর কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে পড়ার সুবাদে কলকাতায় আসা। ২০১৮ সাল নাগাদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এন্ট্রান্স পরীক্ষা পুনরায় লাগু করার দাবিতে ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে। সেসময় সামনের সারিতে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্বে দেন কমরেড শুভদীপ। ছাত্রছাত্রীদের অনশন মঞ্চে ইউএসডিএফের পক্ষ থেকে অংশ নেওয়া দুই কমরেডের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শুভদীপ। এছাড়াও বস্তার সলিডারিটি নেটওয়ার্কের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রোগ্রাম, জনতার সাহিত্য উৎসবের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রগতিশীল গণউদ্যোগগুলোতে কমরেড শুভদীপ অসামান্য ভুমিকা রেখেছেন।
পরবর্তী জীবনে কমরেড শুভদীপ কমিটি ফর দ্য রিলিজ অফ পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের (সিআরপিপি) পশ্চিমবঙ্গ শাখার সদস্য হিসাবে যোগ দেন। একাগ্রচিত্তে রাজনৈতিক বন্দিদের অধিকার রক্ষার কাজ চালিয়ে যান। সাম্রাজ্যবাদের দালাল বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে যেভাবে চারদিকে ভিন্নমতের ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছে, সেখানে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক বন্দিমুক্তির প্রশ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাজবন্দীদের মামলা দেখাশোনা, তাদের পরিবারের সাথে যাবতীয় যোগাযোগ, এ বিষয়ক কোর্টের বিভিন্ন রায় সংক্রান্ত পড়াশোনা এবং চর্চা – এই কাজগুলি বরাবর এগিয়ে থেকে করে গেছেন কমরেড শুভদীপ। শুধু সিআরপিপি-ই নয়, ২০২০ সাল থেকে কমরেড ‘প্রতিক্ষণ’ প্রকাশনা সংস্থার লে আউট এডিটর ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে বিপ্লবী কমিউনিস্ট আন্দোলনের পত্রপত্রিকার লে আউটের কাজও তিনি করে এসেছেন। এছাড়াও যুক্ত ছিলেন ‘প্রতিরোধের ভাষা’, ‘কবিকে মুক্ত করো’, ‘কবি ও বধ্যভূমি’ সহ একাধিক গণ-বিপ্লবী উদ্যোগে। কমরেডের মৃত্যু এই প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি।
কমরেড শুভদীপের আত্মহননের চেষ্টা এই প্রথমবার ছিল না। দীর্ঘকাল ধরেই তাঁর মানসিক অবসাদের কথা আমরা সকলেই জানতাম। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও শেষরক্ষা হলো না। এই ঘটনার দায় কার? প্রত্যেক ব্যক্তি সমাজের অংশ। সমাজের প্রত্যেকটি বিষয় এই মানুষগুলিকে প্রভাবিত করে। মানসিক অবসাদ প্রত্যক্ষভাবে সমাজব্যবস্থার সাথে জড়িত। মাও সেতুং আমাদের দেখিয়েছেন, সমাজ ব্যক্তির সামনে এমন একটা ভয়াবহ অবস্থা তৈরি করে, যেখানে মৃত্যু ছাড়া বাঁচার অন্য রাস্তা সে রাখে না। আজকের দিনের ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, জীবনমানের অধঃপতন, মতাদর্শগত অবনমন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, গোটা বিশ্ব জুড়েই বিপ্লবী কমিউনিস্ট আন্দোলনের পশ্চাদপসরণ – প্রত্যেককেই কমবেশি হতাশ ও মানসিকভাবে দুর্বল করে চলেছে। প্রধানত সামাজিক ব্যাধিগুলো থেকেই মানসিক ব্যাধির উৎপত্তি। তার মধ্যেই শাসক শ্রেণির আমদানি করা উত্তরাধুনিক মতাদর্শ মানুষকে মানুষের থেকে ‘বিচ্ছিন্নকরণ’ ঘটিয়ে চলেছে। পূর্বতন বা অনুশীলনরত বিপ্লবী রাজনৈতিক কর্মীরাও এই সমাজেরই অংশ। তাদের মধ্যেও এই পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য। রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিশ্বাসে অটল থেকে মতাদর্শগত সংগ্রাম চালাতে কেউ কেউ সক্ষম হয়, কেউ কেউ তা চালাতে পারে না।
সাইকিয়াট্রিকের চিকিৎসার অধীনে থাকলেও এবং কিছু কাছের মানুষের সহায়তায় তাঁকে পূর্বে উদ্ধার করা গেলেও, কমরেড শুভদীপ শেষ অব্দি পারেননি এই মতাদর্শগত সংগ্রাম চালিয়ে যেতে। এটা কঠোর সত্য হলেও এ দায় কেবলমাত্র ব্যক্তি শুভদীপের একার ছিলো না। তাকে মতাদর্শগত সংগ্রামে উত্তীর্ণ করবার দায় ছিল আমাদের সকলের। আমাদের দায় শুধু তাঁকে মৃত্যুর এই করালগ্রাস থেকে উদ্ধার করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, হতাশা-নিরাশা-নেশা-আত্মহননের সামাজিক-রাজনৈতিক-মতাদর্শগত দর্শনের বিরুদ্ধে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের আলোকে বৈজ্ঞানিক দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী দর্শনের মতাদর্শগত বিরোধের জায়গা তুলে ধরে তাঁকে সচেতন করা এবং নিরন্তর মতাদর্শগত সংগ্রাম চালিয়ে যেতে তাঁকে সাহায্য করা ও সেই সংগ্রাম থেকে বিপ্লবী-আশাবাদের ঐক্যে পৌঁছে দেবার দায়িত্ব ছিলো আমাদের সকলের। তাই, আমরাও আমাদের দায় এড়িয়ে যেতে পারি না। | 25 |
| 7 | Statement from the Revolutionary Students' Front (RSF) Condemning the Brutal State Repression Unleashed by the Fascist Pakistani State on the Protesting People of Pak-Occupied Kashmir
পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের আন্দোলনরত জনগণের ওপর ফ্যাসিবাদী পাকিস্তানি রাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত নৃশংস রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি
https://www.facebook.com/share/p/1AyScr6MXd/
https://www.instagram.com/p/DZk6BY8AZFh/ | 28 |
| 8 | 没有文字... | 29 |
| 9 | ভারত, পাকিস্তান ও চীন — রাষ্ট্রগুলির উদ্দেশ্য কাশ্মীরকে নিয়ন্ত্রণে রেখে তার প্রাকৃতিক সম্পদ, খনিজ, জন্য এবং সর্বোপরি সেখানের মানুষের শ্রমশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ও তাদের সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের স্বার্থ চরিতার্থ করা। কাশ্মীর দখল একটি দখলদারি-ঔপনিবেশিক প্রকল্প। যার প্রধান শিকার কাশ্মীরি জনগণ, তাদের জাতিসত্তার পরিচয় এবং তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। সামরিক শক্তি, রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন বা অর্থনৈতিক শোষণের মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষাকে স্তব্ধ করে রাখা যাবে না। বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্ট (RSF) কাশ্মীরের জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশ করছে এবং তাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে সমর্থন করছে। একই সাথে আমরা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গৃহীত জনবিরোধী পদক্ষেপের নিন্দা জানাই। আমরা বিশ্বের সমস্ত প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, বামপন্থী সংগঠনকে মানবাধিকার লঙ্ঘন করার বিরুদ্ধে ও জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার পক্ষে পাকিস্তান সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির দাবি জানাচ্ছি। কাশ্মীরের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের ন্যায্য দাবির পক্ষে দাঁড়ান। | 29 |
| 10 | পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের আন্দোলনরত জনগণের ওপর ফ্যাসিবাদী পাকিস্তানি রাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত নৃশংস রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি
গত ৮ই জুন পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষুব্ধ গণআন্দোলনের ওপর নৃশংস দমনপীড়ন চালায়। যার ফলে অন্তত ২৭ জন নিহত ও ২০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন। সম্প্রতি নিষিদ্ধ জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (JAAC) ডাকে এই বিক্ষোভ সংগঠিত হয়। খাদ্যদ্রব্যের আকাশছোঁয়া দাম, বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান খরচ, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলা রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন এবং জনগণের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকারের ক্রমাগত বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে কেন্দ্র করেই এই বিক্ষোভের সূত্রপাত। তাছাড়াও, আন্দোলনকারীরা আসন্ন নির্বাচনে শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিলেরও দাবি জানিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে, JAAC এই সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছে। তাদের যুক্তি, এই আইন পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের জনগণকে প্রকৃত রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করছে। এদিকে অঞ্চলের ভূমিপুত্রদের এই আসনগুলিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ নেই। যার ফলে আইনসভার গুরুত্বপূর্ণ অংশই স্থানীয় জনগণের গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে যাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে সামরিক শক্তির প্রভাবাধীন পাকিস্তানি রাষ্ট্র এই গণতান্ত্রিক দাবিগুলির জবাবে গ্রেপ্তার, নিষেধাজ্ঞা ও সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছে। আমরা দেখেছি, ইনকিলাবি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য এবং আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি গিলগিট-বালটিস্তানের সভাপতি কমরেড এহসান আলীকে গণআন্দোলন সংগঠিত করার অপরাধে ‘সন্ত্রাসবাদী’ তকমা দিয়ে দীর্ঘদিন জেলে আটক রেখেছিল ফ্যাসিবাদী পাকিস্তান সরকার। কিন্তু তীব্র গণবিক্ষোভের মুখে তাঁকে মুক্ত করতে বাধ্য হয় তারা। চলমান অর্থনৈতিক সংকট বিশ্বজুড়ে জনরোষকে আরও তীব্র করে তুলেছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব সহ জীবনযাত্রার মানের অধঃপতন সাধারণ মানুষকে চরম সংকটের মুখে এনে ফেলেছে। এদিকে, পাকিস্তান সরকার বেলুচিস্তানের মতো পরিবেশগত সংবেদনশীল অঞ্চলে খনিজ ও জীবাশ্ম জ্বালানি উত্তোলনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র, পর্তুগাল এবং অন্যান্য দেশের বিভিন্ন সংস্থার সাথে বেশ কিছু চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিদেশি পুঁজির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ এর ফলে সৃষ্ট সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতির বোঝা বহন করতে হচ্ছে স্থানীয় জনগণকে। এই সম্পদ লুণ্ঠনের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান সরকার জনগণের সম্পদগুলি শোষণের পথ প্রশস্ত করছে।
এই সমস্ত প্রকল্প নিছক কোনো অর্থনৈতিক উদ্যোগ নয়; বরং তা বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের সাথে যুক্ত। যার ফলে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর, বেলুচিস্তান সহ এইসমস্ত অঞ্চলে সাম্রাজ্যবাদী প্রভাব আরও গভীর হবে। যা আবার ওইসব অঞ্চলে সামরিকীকরণের বৃদ্ধি ঘটাবে। দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে আরও তীব্র হবে উত্তেজনা। কাশ্মীর বিশ্বের অন্যতম সামরিক অধ্যুষিত অঞ্চল। ভারত-পাকিস্তান বিভাজনের অনেক আগে থেকেই কাশ্মীরের জনগণ স্ব-শাসন ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার সংগ্রামে লিপ্ত ছিল। আত্মনিয়ন্ত্রণের এই আকাঙ্ক্ষা সীমান্তের উভয় পাশের রাজনৈতিক জীবনকে আজও প্রভাবিত করে চলেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৪৭ নম্বর প্রস্তাবে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য একটি গণভোটের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলি বারবার এই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি হ্রাস করার ও নাগরিক অধিকারের ধারাবাহিক লঙ্ঘন বন্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছে।
অন্যদিকে, ভারত সরকারের ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা বাতিলের ফলে জম্মু ও কাশ্মীরে খাতায়কলমের অবশিষ্ট স্বায়ত্তশাসনের অধিকারটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ৩৫এ ধারাটি অপসারণের ফলে বহিরাগতদের জন্য এই অঞ্চলে জমি কেনার পথ খুলে গেছে। যা কাশ্মীরিদের জন্য পূর্বে সংরক্ষিত ভূমির মালিকানার সুরক্ষাকে শেষ করে দিচ্ছে। এরপর থেকেই শিল্প প্রকল্প, সামরিক পরিকাঠামো ও বসতি সম্প্রসারণের নামে বৃহৎ পরিমাণে ভূমি অধিগ্রহণ চলছে কাশ্মীর ও লাদাখজুড়ে। যার ফলে হাজার হাজার স্থানীয় মানুষ তাদের বাড়িঘর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বিজেপি-আরএসএস সরকার এই মুহূর্তটিকে ব্যবহার করে কাশ্মীরের উপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করছে। পাশাপাশি তারা প্রান্তিক জনগণকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে তাদের ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদের এজেন্ডাকেও আরও বিস্তৃত করছে। সাংবিধানিক সুরক্ষার এই অপসারণ দেশিবিদেশি সংস্থাগুলির কাছে এখানে জমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণকে আরও সহজ করে দিয়েছে। একই সাথে দৈনন্দিন জীবনের উপর নজরদারি ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণও বেড়ে চলেছে। | 27 |
| 11 | 没有文字... | 24 |
| 12 | 没有文字... | 1 |
| 13 | The aim of the states — India, Pakistan and China — is to control Kashmir and use its natural resources, minerals, and above all, the labor of its people to enrich themselves and their imperialist masters. The occupation of Kashmir is a settler-colonial project. And the primary victims are the Kashmiris, their national identity, and their right to self determination. Their aspirations cannot be silenced through military force, state repression, or economic exploitation. The Revolutionary Students’ Front (RSF) stands in solidarity with the people of Kashmir and supports their democratic right to determine their own future. Simultaneously we condemn the anti-people action taken by the Pakistani military. We call on all progressive, democratic, left-wing organizations around the world to put pressure on the Pakistani government to oppose human rights violations and accept the people's demands. Stand up for the just demand of the people of Kashmir for their right to self-determination. | 23 |
| 14 | Statement from the Revolutionary Students' Front (RSF) Condemning the Brutal State Repression Unleashed by the Fascist Pakistani State on the Protesting People of Pak-Occupied Kashmir
On 8th June, 2026 the Pakistani military launched a brutal crackdown on a mass protest movement in Pakistan-occupied Kashmir, killing at least 27 people and leaving more than 200 people injured. The protests, supported by the recently banned Joint Awami Action Committee (JAAC), emerged in response to soaring flour prices, rising electricity costs, growing state repression, and the continued denial of social, political, and economic rights. Protesters have also demanded the abolition of the 12 reserved seats for refugees in the upcoming elections. For years, the JAAC has opposed this system of reserved seats, arguing that it deprives the people of Pakistan-occupied Kashmir of genuine political representation. Residents of the region are barred from contesting these seats, ensuring that key sections of the legislature remain beyond the democratic control of the local population.
The Pakistani state, long dominated by military influence, has responded to these democratic demands with arrests, bans, and violence. We have seen that Comrade Ehsan Ali, a member of the Inquilabi Communist Party and the Chairman of the Awami Action Committee Gilgit-Baltistan, was labeled 'terrorist’ for organizing mass movement and detained in jail for a long period by the fascist Pakistani government. But they were forced to release him after the intense public protests. The ongoing economic crisis has only intensified public anger across the world. Rising prices, unemployment and worsening living conditions have pushed ordinary people into struggle. At the same time, the Pakistani government has signed a series of Memorandums of Understanding with corporations from the United States, Portugal, and other countries for the extraction of minerals and fossil fuels in ecologically sensitive regions such as Balochistan. These agreements hand over vast natural wealth to foreign capital at throwaway prices while local communities bear the social, economic and environmental costs. Acting as intermediaries for this plunder, the Pakistani authorities are facilitating the exploitation of resources that belong to the people.
These projects are not merely economic ventures. They are tied to broader geopolitical interests and could further deepen imperialist influence in the PoK, Balochistan and other regions, increasing militarisation and sharpening tensions across South Asia. Kashmir remains one of the most heavily militarised regions in the world. Long before the partition of India and Pakistan, the people of Kashmir were engaged in struggles for self-government and political freedom. The aspiration for self-determination continues to shape political life on both sides of the border. United Nations Security Council Resolution 47 called for a plebiscite to determine the future of the region, while international human rights organisations have repeatedly demanded a reduction in military presence and an end to systematic violations of civil liberties.
On the other side, the Indian government's abrogation of Articles 370 and 35A stripped away the limited autonomy that remained in Jammu and Kashmir. The removal of Article 35A opened the door for non-residents to purchase land in the region, ending protections that had previously reserved land ownership for Kashmiris. Since then, large-scale land acquisitions for industrial projects, military infrastructure, and settlement expansion are ongoing in Kashmir and Ladakh. These have displaced thousands of local people from their lands and homes. The BJP-RSS regime has used this moment to deepen its project of Brahminical Hindutva Fascism, targeting marginalised communities while consolidating political control over Kashmir. The erosion of constitutional safeguards has also made it easier for Indian and foreign corporations to access land and natural resources, while expanding surveillance and state control over everyday life. | 28 |
| 15 | Statement from the Revolutionary Students' Front (RSF) in Solidarity with the Affected Workers of the Vizag Steel Plant Disaster
বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি
https://www.facebook.com/share/p/1JGGbtgMZb/ | 43 |
| 16 | 没有文字... | 42 |
| 17 | বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা ঘটা মৃত্যু দেশের সেই আর্থসামাজিক পরিস্থিতিরই পরিণতি, যেখানে শ্রমিকদের সহজলভ্য ও সস্তা শ্রমের উৎস হিসেবে গণ্য করে। যারা শিল্পকে জনগণের পরিবর্তে পুঁজির স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়। আমরা বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্ট নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানার শ্রমিকদের বিচার, দায়বদ্ধতা ও কর্মপরিবেশের নিরাপত্তার দাবির লড়াইয়ে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছি। আমরা ছাত্র, শ্রমিক, যুবসমাজ এবং গণতান্ত্রিক ও বামপন্থী শক্তিগুলোকে তাদের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা ডাক দিচ্ছে শ্রমিকদের লাশের ওপর নির্ভর করে ফুলেফেঁপে ওঠা শাসকশ্রেণীর বিরুদ্ধে যৌথ সংগ্রামী জঙ্গি গণআন্দোলন গড়ে তুলুন।
আমাদের দাবি —
১) মৃত শ্রমিকদের পরিবারের জন্য অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ এবং স্থায়ী সহায়তা প্রদান করতে হবে।
২) কর্তৃপক্ষকে সকল আহত শ্রমিকের সুষ্ঠু চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩) দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি স্বচ্ছ ও স্বাধীন বিচারবিভাগীয় তদন্ত চালাতে হবে। তার ফলাফল জনসমক্ষে আনতে হবে।
৪) অবহেলা প্রমাণিত হলে এই অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
৫) অবিলম্বে সকল ইস্পাত কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাসায়নিক কারখানা, খনি ও ঝুঁকিপূর্ণ শিল্পকেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা নিরীক্ষণ চালাতে হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৬) ঝুঁকিপূর্ণ কর্মস্থানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। নিরাপত্তাহীন কর্মপরিবেশের অবসান ঘটাতে হবে।
৭) শ্রমিকবিরোধী শ্রম কোড বাতিল করতে হবে। শ্রমিকদের অধিকার তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে। | 44 |
| 18 | বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি
গত ৮ই জুন, ২০২৬ বিশাখাপত্তনমের রাষ্ট্রীয় ইস্পাত নিগম লিমিটেডের (RINL) কারখানায় মনুষ্যসৃষ্ট দুর্ঘটনায় নয়জন শ্রমিকের মৃত্যু এবং এগারো জন গুরুতর আহত হন। বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) পক্ষ থেকে আমরা তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানাচ্ছি এবং তার সাথেই শ্রমিকদের প্রতি চলমান চরম শোষণ ও অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছি। এই ঘটনা মানুষের জীবনের চেয়ে মুনাফাকে অতিরিক্ত মূল্য দেওয়া সমাজ ব্যবস্থার এক গুরুতর সামাজিক অপরাধ।
শুধুমাত্র গত কয়েক মাসেই ছত্তিশগড়ের বেদান্ত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, অন্ধ্রপ্রদেশের আতশবাজি, তেলেঙ্গানার রাসায়নিক এবং মহারাষ্ট্রের বিস্ফোরক প্রস্তুতকারক কারখানার দুর্ঘটনায় দেশজুড়ে বহু শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। তেলেঙ্গানার সিগাছি ইন্ডাস্ট্রিজে বিস্ফোরণে প্রচুর মানুষের মারা গেছেন। বেদান্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিস্ফোরণেও নিহত-আহত শ্রমিকের সংখ্যা বহু। একদিকে ব্রাহ্মণবাদী হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদী বিজেপি-আরএসএসের সরকার ‘উন্নয়ন’ ও ‘জিডিপি’র বিকাশের জয়গান গেয়ে চলেছে। অন্যদিকে, উপরিউক্ত ঘটনাগুলি ভারতে শ্রমিকদের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীন ও শোষণমূলক কর্মপরিবেশের তথ্য সামনে নিয়ে আসছে। ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দালাল ‘গোদি মিডিয়া’ এই ধারাবাহিক মৃত্যুর ঘটনাগুলিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে প্রচার করলেও, বাস্তবে তা এই শোষক-নিপীড়ক ব্যবস্থার স্বার্থে মুনাফার লোভে শ্রমিকদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা ছাড়া কিছুই নয়। এই প্রত্যেকটি মৃত্যুই প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল।
ভারতের অর্থনীতি কোটি কোটি শ্রমিকের শ্রমের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। অথচ শ্রম সমীক্ষা এবং ‘ইন্ডিয়া এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্টে’ দেখা যাচ্ছে, ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ শ্রমশক্তি এখনও নিয়মনীতি বহির্ভূত ও অসংগঠিত কর্মসংস্থানে আটকা পড়ে আছে। যেখানে নেই পর্যাপ্ত সামাজিক ও চাকরির নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পেনশন বা কোনো আইনি সুরক্ষা। অথচ তাদের প্রকৃত মজুরি (Real Wage) বাড়ার নাম নেই, দিনদিন অধঃপতিত হচ্ছে জীবনযাত্রার মান। বরং ফ্যাসিবাদী বিজেপি-আরএসএসের সরকার ‘শ্রম সংস্কারে’র নামে শ্রমিক শোষণকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। চারটি শ্রম কোড শ্রমিকদের সুযোগসুবিধা আরও কমিয়ে দিয়েছে। মালিকদের স্বার্থে ছাঁটাই ও বেতন কমানোর সীমা তুলে দিয়েছে। শ্রমিকদের প্রতিবাদকে অপরাধ বানানো হয়েছে, শ্রমিকদের দর কষাকষির ক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে এবং শ্রমকে করে তোলা হয়েছে চুক্তিভিত্তিক। এই পরিস্থিতিতে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা গৌণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ অবহেলিত হয়ে চলেছে। স্থায়ী শ্রমিকদের পরিণত করা হয়েছে সস্তা ও সহজলভ্য শ্রমশক্তিতে।
২০২১ সালের জানুয়ারিতে বিজেপি-আরএসএস সরকার RINL-এর ১০০% বিলগ্নীকরণ অনুমোদন করে। যা দেশের প্রথম উপকূলভিত্তিক ইস্পাত কারখানা RINL-কে বেসরকারিকরণের রাস্তা খুলে করে দেয়। এই ঘোষণা শ্রমিক, ট্রেড ইউনিয়ন, ছাত্র সহ অন্ধ্রপ্রদেশের জনগণের পক্ষ থেকে এক বিশাল প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। ধারাবাহিক সংগ্রামের মাধ্যমে বিলগ্নীকরণের প্রস্তাবটি আটকে দেওয়া হয়। কিন্তু কারখানায় অনিশ্চয়তা, স্বল্প সরকারি বিনিয়োগ ও গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আউটসোর্স করার ঘটনা ঘটতে থাকে। ভাইজ্যাগ ইস্পাত কারখানার বেসরকারিকরণ অভিযানটি পূর্ববর্তী সরকারগুলির অনুসৃত একটি বৃহত্তর নীতির অংশ, যা বিজেপি-আরএসএস শাসনামলে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে। যা হচ্ছে সাধারণ মানুষের শ্রম ও সম্পদ দিয়ে নির্মিত সরকারি উদ্যোগগুলিকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করে দিয়ে বেসরকারিকরণের রাস্তা খুলে দেওয়া। এমনকি প্রতিরক্ষার মত খাতগুলিও আজ ব্যতিক্রম নয়। সরকারের ‘উন্নয়ন’ এবং ‘বিশ্বগুরু’র স্লোগানের আড়ালে রয়েছে তীব্র শোষণ, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তাহীন কর্মপরিবেশ এবং মুষ্টিমেয় কিছু কোটিপতি দালালের হাতে সম্পদের কেন্দ্রীকরণ। আজ ভারতের অর্থনীতিতে আদানি, আম্বানি, টাটা, জিন্দাল, বেদান্ত ও অন্যান্য কর্পোরেটের আধিপত্য। এই কর্পোরেশনগুলো আমাদের দেশের শ্রমশক্তির চরম শোষণ, প্রাকৃতিক সম্পদের লুণ্ঠন করছে। শুধু তাই নয় রাষ্ট্রকে ব্যবহার করে বিপুল কর ছাড়ের ব্যবস্থা করে নিজেদের ও তাদের বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের সমৃদ্ধ করে চলেছে। এভাবেই তারা বিদেশী পুঁজির স্বার্থে তৈরি নয়াউদারনৈতিক উন্নয়ন মডেলের সেবা করে যাচ্ছে। জনগণের সম্পদ এই দালালদের মুনাফা ‘লাভের গুড়ে’ পরিণত হয়েছে। আর এর ফলে উৎপন্ন অর্থনৈতিক সংকটের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে নিপীড়িত জনগণের উপর। | 32 |
| 19 | 没有文字... | 31 |
| 20 | The deaths at Vizag Steel Plant are the consequence of the country's socio-economic system where workers are treated as an expendable cheap source of labour and industry is organised in the interests of capital rather than the people. We extend our condolences to the bereaved families and stand with the workers of Vizag Steel Plant in their demand for justice, accountability, and safe working conditions. We call upon the students, workers, youth, and democratic and leftist forces to stand in solidarity with them and build a militant mass movement against the ruling classes thriving on the deaths of workers.
Our Demands :
1) Immediate compensation and long-term support for the families of the deceased workers.
2) Full medical treatment and rehabilitation for all injured workers at the expense of the management.
3) A transparent and independent inquiry into the causes of the disaster, with findings made public.
4) Criminal accountability for negligence wherever established.
5) Immediate implementation of comprehensive safety audits in all steel plants, power plants, chemical factories, mines, and hazardous industries.
6) An end to contractualisation and precarious employment in hazardous sectors.
7) Repeal of anti-worker labour codes and restoration of workers' rights. | 32 |
现已上线!2025 年 Telegram 研究 — 年度关键洞察 
