বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
Official Telegram Channel of Basherkella Page. Page Link: https://www.facebook.com/Basherkella07
Mostrar más📈 Análisis del canal de Telegram বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
El canal বাঁশেরকেল্লা - Basherkella (@basherkella) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 224 498 suscriptores, ocupando la posición 733 en la categoría Noticias y medios y el puesto 13 en la región Bangladesh.
📊 Métricas de audiencia y dinámica
Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 224 498 suscriptores.
Según los últimos datos del 01 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -3 387, y en las últimas 24 horas de -107, conservando un alto alcance.
- Estado de verificación: No verificado
- Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 3.92%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 3.50% de reacciones respecto al total de suscriptores.
- Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 8 799 visualizaciones. En el primer día suele acumular 7 861 visualizaciones.
- Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 352.
📝 Descripción y política de contenido
El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
“Official Telegram Channel of Basherkella Page.
Page Link: https://www.facebook.com/Basherkella07”
Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 02 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Noticias y medios.
Carga de datos en curso...
| Fecha | Crecimiento de Suscriptores | Menciones | Canales | |
| 02 agosto | 0 | |||
| 01 agosto | +10 |
| 2 | টিএফআই সেলের আলামত ধ্বংসের উদ্দেশ্যে সেখানে থাকা টর্চার সরঞ্জাম, অস্ত্র ও অন্যান্য উপকরণ কেটে টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। এর একটি অংশ র্যাব সদর দপ্তরের অভ্যন্তরে অবস্থিত লেকে নিক্ষেপ করা হয়।
পরবর্তীতে তদন্তকারী সংস্থা একজন সাক্ষীর তথ্যের ভিত্তিতে ওই লেকে ডুবুরি অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আলামত উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া আলামতের মধ্যে ছিল ১২.৭×৯৯ মিমি (.50 ক্যালিবার) হেভি মেশিনগানের গুলি। এখানেই প্রশ্ন ওঠে যে বাহিনীর আনুষ্ঠানিক ইনভেন্টরিতে এ ধরনের হেভি মেশিনগান থাকার তথ্য প্রকাশ্যে নেই, তাদের কাছে এই গোলাবারুদ কীভাবে এলো এবং কী উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল?
১২.৭ মিমি গোলাবারুদ সাধারণত হেভি মেশিনগান (HMG), অ্যান্টি-ম্যাটেরিয়াল স্নাইপার রাইফেল এবং কিছু বিশেষায়িত সামরিক প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত হয়। তাই এ ধরনের গোলাবারুদ উদ্ধারের বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।
- DRF | 1 583 |
| 3 | অথর্ব বিএনপি সরকারের দুঃশাসনে মানুষ যখন দিশেহারা, নারীরা যখন রাস্তায় হাড়ি-পাতিল নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচীতে নেমেছে তখন ছাত্রদলকে লেলিয়ে দিয়েছে বিরোধীদলের ওপর হামলা চালিয়ে যেন নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করা যায়।
একদিন এনসিপি, একদিন শিবিরের ওপর হামলা চালিয়ে তারা এই অরাজকতা তৈরি করছে এই জনদুর্ভোগের নজর সরাতে। | 1 576 |
| 4 | শোন চাকর বাকরেরা,
হাদি ব্যবসা তোদের মুনিব করেছে। দেশে ফিরেই নির্বাচন সামনে রেখে দৌড়ে গিয়ে হাদির কবর জিয়ারত করেছিল যে, আজ ভুলে গেলি নাকি?
তারপর? তারপর জেতার পর আজপর্যন্ত হাদির কবরে গিয়েছে? জেতার পর হাদির নাম গন্ধ-ই নেই।
কিছুদিন আগে ঢাবিতে ঘুরে এসেছে। কই তখনো কি একবার এত কাছে এসেও হাদির কবরে একবার গিয়েছে? যায় নি।
হাদি নামক প্রোডাক্ট বেচা শেষ। এক আবেগের চালানেই প্রধানমন্ত্রী। এখন আর হাদির গুরুত্ব নেই। হাদি এখন শত্রু। হাদির কবর তুলে ফেলতে চায় দুই দিন পরপর ছাত্রদল।
কাদের হাদি ব্যবসায়ী কস? বলার আগে এগুলো চিন্তা করে বলিস!
- জায়েফ খান নাদিম | 1 639 |
| 5 | জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্স আয়োজিত ফার্স্ট কনক্লেভ অব জুলাই রেভ্যুলেশনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবার আহ্বান। | 1 669 |
| 6 | ভরা যৌবন পেতে যাচ্ছে হ্যারিকেন। | 2 289 |
| 7 | সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ‘ঢাকা পেপার্স’-এর বামপন্থী সম্পাদক আরিফুজ্জামান তুহিন বলেছেন, “একটা ক্রসফায়ারের হিসেব দেখেন: ২০০৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত বার্কলি ইউনিভার্সিটির(এই তথ্যটি ভুয়া) এক গবেষণায় পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৬১% মানুষ বামপন্থী।”
তবে বাংলাফ্যাক্টের যাচাইয়ে দেখা যায়, ক্রসফায়ারের শিকারদের রাজনৈতিক পরিচয়ের এ হারটি অসত্য। একই কারণে শেখ হাসিনার আমলে ক্রসফায়ারে নিহতদের বড় অংশটাই বামপন্থি–এই বয়ানও বিভ্রান্তিকর।
নাজমুল আহসান কেবল “রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া” ২৫৬ জনের ৬৩% কে উগ্রবাদী বামপন্থী বলেছেন। কিন্তু আরিফুজ্জামান তুহিন বলেছেন, ক্রসফায়ারে মোট নিহতদের ৬৩ শতাংশই বামপন্থী!
অথচ মোটের (২০০০ জন) হিসেবে, ক্রসফায়ারে নিহতদের মাত্র ৮% সশস্ত্র বামপন্থী।
উল্লেখ্য, নাজমুল আহসানের বিশ্লেষণে যে ১৬৩ জন বামপন্থী নিহতের তথ্য দেয়া আছে, তাদের সকলকেই “চরমপন্থী বাম” গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশে মূলধারার বা নিয়মতান্ত্রিক বামপন্থীদের একজনও এই তালিকায় নেই।
- বাংলা ফ্যাক্ট | 2 551 |
| 8 | ছাত্র খুনি স্বৈরাচার হাসিনার পুলিশ বাহিনীর এপিসি গাড়িতে "খুনি" লিখে দিল শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে। এসময় তারা শ্লোগান দেয়, "ছিঃ ছিঃ হাসিনা, লজ্জ্বায় বাঁচিনা"।
(ফিরে দেখা ৩৩ জুলাই ২০২৪) | 2 802 |
| 9 | শহীদুল্লাহ্ হলের এজিসের রুমে তার গ্রামের বাড়ি থেকে দুইজন ছেলে এসে থেকেছিলো, যারা ঢাকায় এসেছিলো ডাক্তার দেখাতে। ঘটনা ২৭ জুলাইয়ের। এজিএস যখন সকালে ক্লাসে চলে যায়, তখন তার রুমমেট এই দুইজন গেস্টকে অশালীন অবস্থায় ভিডিও করে। কিন্তু এই ঘটনা যারা ভিডিও করেছে, তারা এজিএসকে জানায় নাই, হল প্রশাসনকেও জানায় নাই৷ এজিএস এই ঘটনা প্রথম জানতে পারে ফেসবুকে আপলোড হওয়া ভিডিও দেখে।
তারা ভিডিওটা হাতে নিয়ে ওয়েট করতেছিলো৷ কখন সমকামী ইস্যুতে একটা ক্যাচাল হবে এবং স্বভাবতই শিবির সমকামী ইস্যুতে স্বাভাবিকভাবেই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে, তখনই তারা মার্কেটে ভিডিওটা ছেড়ে অনলাইনে একযোগে হামলে পড়বে।
যথারীতি তাদের সামনে সেই সুযোগটা আসলো৷ ৩০ জুলাই৷ যখন শিবিরের ডাকসুর রায়হান এবং মোসাদ্দেক একটা সমকামী ইস্যুতে একটা পজিশন নিলো৷ রায়হান এবং মোসাদ্দেকের অবস্থানের বিপরীতে আমার একটা স্বতন্ত্র পজিশন আছে এই ব্যাপারে, তবে সেই আলাপটা আপাতত তোলা থাকুক৷
এইখানে দুইটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। নিছক সমকামীতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াই যদি ভিডিও প্রকাশকারীদের উদ্দেশ্য হতো, তবে তারা তৎক্ষনাৎ ভিডিও ছেড়ে দিতো এবং হল প্রশাসনকে অবহিত করতো৷
অথচ এই দুইটার কোনটাই তারা করে নাই৷
কারণ তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিলো দুইটা।
এক. শিবিরের বিরুদ্ধে এই ঘটনাকে কোন একটা হিট অফ দ্য মোমেন্টে "ভাইরাল চাটনি" হিসেবে ব্যবহার করা, যদিও সংশ্লিষ্ট কেউই শিবিরের নন।
এবং সেই ভাইরাল চাটনি দিয়ে শিবিরকে মোরালি ডাউন করার চেষ্টা করা যাতে ভবিষ্যতে শিবির সমকামিতার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে গেলে একটা ভুয়া ন্যারেটিভ সাজানো যায়৷
দুই. এই ছুতোয় সুযোগমতো ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে হামলার টার্গেট বানানো।
এর অংশ হিসেবেই ছাত্রদল আজকে শহীদুল্লাহ হলের প্রভোস্টের রুমে ছাত্রসংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উপর ছাত্রদল হামলা চালায়৷
সারাদেশেই ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপির লোকজনের পারফরম্যান্স তো আমরা দেখছিই, তাদের কাছ থেকে টেম্পুস্ট্যান্ড দখল, চাঁদাবাজি আর গুন্ডামি ছাড়া অন্য কিছু মানুষ প্রত্যাশাও করে না৷
কারণ গাবগাছ থেকে তো আর আঙ্গুর ফল আশা করে লাভ নাই৷
তবে এই ঘনঘটায় সবচেয়ে বেশি চোখে বাজলো এনসিপি ও ছাত্রশক্তি সম্পৃক্তদের এক্টিভিটি। তাদেরকে একটু স্মরণ করায়া দিতে চাই, একজন ছাত্র উপদেষ্টার এপিএসের সমকামিতার খবর আমরা সামনে আসতে দেই নাই তোমাদের অনুরোধেই৷ কারণ আমরা চাইছিলাম, ব্যক্তিগত জীবনে ফোকাস না দিয়া বরঙ একাউন্টিবিলিটিরে ফোকাস দিতে, দুর্নীতি প্রশ্নরে সামনে রাইখা সওয়াল-জবাব করতে৷ এবং এখনো আমরা এই প্রিন্সিপালেই আছি৷
এনসিপি ও ছাত্রশক্তির অনেকের যৌনজীবন সম্পর্কেও আমরা কিন্তু মোটেই বে-ওয়াকিফহাল না৷
কিন্তু আমরা তোমাদের ন্যুইসেন্সকে ন্যুইসেন্স দিয়া মোকাবেলা করি নাই, করতে চাই-ও না৷ কিন্তু তার মানে এই না, আমরা তোমাদের ন্যুইসেন্সরে আনচ্যালেঞ্জড ছাইড়া দিবো।
তোমাদের ন্যুইসেন্সরে ইয়াদ রাখলাম৷ আমরা এরে ভালোভাবেই মোকাবেলা করবো ইনশাআল্লাহ।
আর ছাত্রদলের জন্য মেসেজ হইলো, তোমরা ছাত্রলীগ হইয়া উঠলে কোলকাতায়ও পালাইতে পারবা না৷ কারণ ঐখানে আগে থেকে পলায়া থাকা ছাত্রলীগ তোমাদের বুঙ্গাবুঙ্গা করার জন্য অপেক্ষা করতেছে৷
- মোহাম্মদ হিজবুল্লাহ | 3 872 |
| 10 | ভুলবশত মনের কথা মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে ! | 3 293 |
| 11 | বাংলাদেশের সেনাপ্রধান — যিনি স্বৈরাচার সরকার প্রধানের সাথে আত্মীয়তার সূত্রে গাঁথা হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও এর জনসাধারণের প্রতি নিজ আনুগত্য বজায় রেখেছিলেন। | 3 433 |
| 12 | মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা ফল ভান্ডার নামে এক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে চাঁদার দাবিতে বিএনপির নেতা কর্মীরা হামলা করেছে। এই ঘটনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ নুর আলমসহ দুইজন আহত হয়েছে।
চলছে তারেকিয়া বাহিনীর দুঃশাসন। কোথাও যেন দেখার কেউ নাই। কে ঠেকাবে এসব চাঁদাবাজদের? | 3 915 |
| 13 | ১৭ বছরের ক্ষুধা বলে কথা। বিএনপির চোরগুলো গরীব অসহার মানুষের ত্রাণ লুট করতে শুরু করেছে।
এই লুটপাট চালানোর জন্যই বিরোধীদলীয় এমপিদের আসনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিএনপির নারী সাংসদদের। | 3 861 |
| 14 | ধর্ষণ মামলায় যশোর চৌগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত হোসেন রাব্বিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল যশোর জেলা শাখা তাকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানায়। এর আগে শনিবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আরাফাত উপজেলার ফুলসারা ইউনিয়নের বলিদাপাড়া গ্রামের অহিদুল ইসলামের ছেলে। তিনি চৌগাছা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, শনিবার সকালে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করার উদ্দেশ্যে চৌগাছায় আসার পথে এক কলেজছাত্রীকে মোটরসাইকেলে তুলে নেন রাব্বি। পরে পৌর শহরের নিরিবিলিপাড়া এলাকার একটি বাসায় নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কাউকে না জানানোর জন্য ভুক্তভোগীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। | 3 694 |
| 15 | ‘বিএনপি সরকারের উন্নতি
সন্ধ্যার পর মোমবাতি’ | 3 878 |
| 16 | খাম্বা রাজার অনেক গুণ,
মাস শেষে বিল দ্বিগুণ!
#Basherkella | 3 713 |
| 17 | নেপালের এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পেছনে সবচেয়ে বড় দায়ী হলো ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী ও মিডিয়াগুলো। এমনকী যে এলাকায় এই সহিংসতার সূত্রপাত ঘটে সে কোশি প্রদেশ হলো ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিজেপি শাসিত বিহারের সাথে সীমান্ত লাগোয়া। ঐ এলাকায় স্বাভাবিকভাবেই উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোর ইনফ্লুয়েন্স আছে।
আর সেই ভারতীয় মিডিয়ার বরাতেই প্রতিনিয়ত নেপালের এই সহিংসতার আপডেট দিচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষ গণমাধ্যম ডেইলি স্টার। | 3 939 |
| 18 | ‘বওত দিন হাইয়্যু
আর ন হাইয়্যু’
৩৩ জুলাই ২০২৪ এ চট্টগ্রামবাসীর শ্লোগান। | 3 862 |
| 19 | আমি যখন ঢাকায় ছিলাম, অনেক মানুষ অনেক কারণে ফোন দিতো, বিশেষ করে যারায় ঢাকায় হসপিটালে আসে, কখনো কাওকে না বলিনি। এমন না যে সবাই পারসোনালি পরিচিত।
ঢাবির হলের রুমে সব সময় কারো না কারো গেস্ট থাকেই। একটা পর্যায়ে এরকম মানসিকতা সবার হয়ে যায়। মোটামুটি সবাই গ্রাম থেকে আসায় একটা মানুষ শহরে এসে কি রকম ভোগান্তিতে পরতে পারে এটা সবাই বুঝে।
(ইভেন, ইউকেতে আমি এরকম একাধিক মানুষকে এয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করছি যাদের কখনো চিনতাম না, এরা যদি কোন ক্রাইম করে এটার দায়ও কি আমি নিবো?)
এই যে ঢাবির হলে গেস্ট রাখার একটা সংস্কৃতি চালু আছে এটা খারাপ কিছু না। বরং একটা আন্তরিকতার সুন্দর উদাহরণ।
গতকালের ঘটনার পর দুইটা জিনিস খুব বাজে হইলো:
(১) যে দুইটা লোক ইনভলভ ছিলো, এদের কারণে আরো অনেকেই অস্বস্তিতে পড়লো। মানুষের যে স্বাভাবিক কমন সেন্স থাকে এটাও যদি এদের থাকতো, তাইলে এরকম পাবলিক প্লেইজে এসে এই কাজ করতো না।
(২) যে আশ্রয় দিলো, মানে উপকার করলো সেও বিপদে পড়লো। এখন ঢাবির অনেক শিক্ষার্থীরা আর গ্রাম থেকে আসা গেস্ট রাখতে চাইবে না। অথচ এরকম আত্নীয়/স্বজন বন্ধুবান্ধবের কানেকশনের মাধ্যমে হলে গেস্ট রাখাটা এতদিন ধরে নরমালই ছিলো। এই যে রাজনৈতিক কারণে একটা ব্যাপারটা এভাবে বিকৃত এবং দোষারোপে পরিণত করা হলো, এর ফলে গ্রাম থেকে আসা অনেকেই স্টুডেন্ট কতৃক হেল্প পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। পলিটিক্সে অন্ধ হয়ে মানুষ অনেক সময় একটা কাজের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি হতে পারে ভুলে যায়।
- তারেক আহমেদ
সাবেক শিক্ষার্থী, ঢাবি | 4 289 |
| 20 | জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, দিনাজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে বিশাল ”গণমিছিল ও গণসমাবেশ"। | 4 057 |
