বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
Official Telegram Channel of Basherkella Page. Page Link: https://www.facebook.com/Basherkella07
Mostrar más📈 Análisis del canal de Telegram বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
El canal বাঁশেরকেল্লা - Basherkella (@basherkella) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 220 788 suscriptores, ocupando la posición 725 en la categoría Noticias y medios y el puesto 18 en la región Bangladesh.
📊 Métricas de audiencia y dinámica
Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 220 788 suscriptores.
Según los últimos datos del 05 septiembre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -3 373, y en las últimas 24 horas de -123, conservando un alto alcance.
- Estado de verificación: No verificado
- Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 3.44%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 2.76% de reacciones respecto al total de suscriptores.
- Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 7 595 visualizaciones. En el primer día suele acumular 6 083 visualizaciones.
- Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 288.
📝 Descripción y política de contenido
El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
“Official Telegram Channel of Basherkella Page.
Page Link: https://www.facebook.com/Basherkella07”
Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 06 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Noticias y medios.
Carga de datos en curso...
| Fecha | Crecimiento de Suscriptores | Menciones | Canales | |
| 05 septiembre | +4 | |||
| 04 septiembre | 0 | |||
| 03 septiembre | 0 | |||
| 02 septiembre | 0 | |||
| 01 septiembre | +1 |
| 2 | খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি যেভাবে হেটে হেটে লংমার্চ করতো! | 1 215 |
| 3 | সিফাত তার ভিডিওতে দাবি করেছিলেন যে, গত দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) তার প্রায় ১০,০০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে এবং তিনি তা পরিশোধ করেছেন। সময় টিভির দেওয়া তথ্য এবং মূল বিলের হিসাব একত্র করলে দেখা যায়, এই দুই মাসে তার মোট বিল এসেছে ১০,৬৮১ টাকা। অর্থাৎ, সিফাতের বলা টাকার অংকটি সম্পূর্ণ সত্য এবং গাণিতিকভাবে সঠিক।
পল্লী বিদ্যুতের নোটিশে তথ্য গোপন: পল্লী বিদ্যুতের ভাইরাল হওয়া অফিসিয়াল তদন্ত নোটিশে ৩টি মিটারের কথা উল্লেখ থাকলেও, হিসাবের ছকে সুকৌশলে ৩য় মিটারের তথ্যটি গায়েব করে দেওয়া হয়েছিল। এতে দুই মাসের মোট বিলের অংক অনেক কম (প্রায় ৭,৬৮৬ টাকা) মনে হয়েছে। সময় টিভির প্রতিবেদনে সেই লুকানো ৩য় মিটারের হিসাবটি (জুলাইয়ে ১,৬৩৩ টাকা ও আগস্টে ১,৩৬২ টাকা) প্রকাশ পেয়েছে, যা ৩য় বিলের ছবির (১,৩৬২ টাকা) সাথে হুবহু মিলে যায়।
সংবাদমাধ্যমের ন্যারেটিভ: সময় টিভি ৩য় মিটারের হিসাবটি সামনে এনে সিফাতের মোট বিল যে আসলেই ১০ হাজার টাকার বেশি, তা প্রমাণ করেছে। কিন্তু তারা বিষয়টিকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছে যেন সিফাতের পুরো দাবিটিই মিথ্যা। সিফাতের মূল অভিযোগ ছিল অস্বাভাবিক খরচের পরিমাণ নিয়ে, যা মিথ্যা নয়। তবে সিফাত ভিডিওতে ৩টি মিটারের কথা উল্লেখ না করে পুরো বাড়ির সম্মিলিত বিলকে সাধারণ বিল হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। সময় টিভি মূলত সেই দুর্বলতাটি কাজে লাগিয়ে পল্লী বিদ্যুতের পক্ষে সাফাই গেয়েছে।
বিলের গাণিতিক স্বচ্ছতা: সময় টিভির রিপোর্ট এবং ৩টি মূল বিলের কপি যাচাই করে দেখা যায়, ব্যবহৃত ইউনিটের সাথে বিলের অংকের কোনো গাণিতিক ভুল বা ঘাপলা নেই। বিদ্যুৎ বিভাগের নির্ধারিত স্ল্যাব ও রেট অনুযায়ীই বিল তৈরি হয়েছে।
- Arch Sheehab | 1 488 |
| 4 | খাম্বা তারেক সবসময় ভাল মানুষের মুখোশ পড়ে থাকে, আর সব ক্যাম্পাসগুলোতে তার এই রামদা বাহিনীকে কোপাকুপি করতে লেলিয়ে দিয়েছে।
ভিডিও: আজকের পত্রিকা | 3 290 |
| 5 | ধরুন তারেক রহমানকে এভাবে লাল কার্ড দেখাইলো শিবির অথবা এনসিপির কোনো কর্মী।
তাও কোথায়? হাজার হাজার ছাত্রদল-যুবদল-বিএনপি নেতাকর্মীদের সামনে। এনসিপি বা শিবিরের ওই ছেলেটা আবার একা।
এরপর কল্পনা করুন কি কি ঘটবে!
মুহুর্তেই হয়তো গণধোলাই খেয়ে মারা যাবে ছেলেটা। ধরুন কপাল জোরে বেঁচে গেলো! এরপর তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হবে। থানায় আরেক দফা উত্তম মাধ্যম দিবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা। হাড়গোড় ভাংবে। এরপর কোনোক্রমে বাঁচলেও হাসপাতালে নেওয়া হবে না। গারদে রাখা হবে।
টকশোতে বয়ান বানানো হবে এটাকে বেয়াদবি হিসেবে। এরপর এই মারকে জাস্টিফাই করা হবে। ফেসবুকে চলবে হইচই। ওই ছেলের গ্রামের বাড়িতে আগুন না দিলেও এতোক্ষণে ভাংচুর হবে! চোদ্দগুষ্টি জীবন নিয়া পালাবে।
এরপর...
সকালে এই ছেলেকে আদালতে তোলা হবে সন্ত্রাস বিরোধী বা এই টাইপের কোনো মামলা দিয়া। ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ। ওইদিকে গণমাধ্যমে বয়ান তৈরি হবে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে। মেজিস্ট্রেট রিমান্ড মঞ্জুর করবে হয়তো ৫ দিন। তবে দয়া দেখাইয়া চিকিৎসা করার নির্দেশ দিবে।
আর ছাত্রদলের এই ছেলে লালকার্ড দেখাইয়া সুন্দর মতো চলে গেছে। কেউ কিছু বলেনি। এমন নতুন বাংলাদেশই আমরা বানাতে চাইছি।
- তুহিন | 3 268 |
| 6 | ৬ দফা দাবি আদায়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ‘লং মার্চের’ চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানের সমাপনী সমাবেশের স্থিরচিত্র।
৬ দফা দাবি পূরণ না করলে আন্দোলন চলমান রাখার ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের। | 3 038 |
| 7 | ইবিতে জুনিয়র ব্যাচের ছাত্রদল কর্মী কর্তৃক অসুস্থ ছাত্রশিবির নেতার ওপর আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়ায়। এর পরপরই ক্যাম্পাসের আশপাশের বহিরাগত সশস্ত্র ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে ক্যাম্পাসে সশস্ত্র মহড়া দেয় ছাত্রদল। আবার সশস্ত্র বহিরাগতদের নিয়ে মিছিলে স্লোগান দেয়, "ছাত্রদলের অঙ্গীকার, নিরাপদ ক্যাম্পাস"!
ছাত্রশিবিরের সবচেয়ে বড় দুঃখ হলো তারা কখনোই তাদের মতো কাউকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে পায়নি। পেয়েছে ছাত্রলীগ অথবা তাদের ফটোকপি সংগঠন ছাত্রদল। ছাত্রশিবিরের শিক্ষার্থীবান্ধব কাজের বিপরীতে এদের একমাত্র কাজ ক্যাম্পাসে এমন সশস্ত্র মহড়া দিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করা। | 3 235 |
| 8 | সরকারকে নিয়ে অশালীন বক্তব্য ও কটূক্তির অভিযোগে সিফাত আব্দুল্লাহ নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে আটক এবং পরবর্তীতে একটি পুরোনো মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানোর ঘটনায় হতাশা ও নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (HRSS)।
HRSS কোন ধরনের অশালীন ও আপত্তিকর বক্তব্যকে সমর্থণ করে না।HRSS মনে করে, কোনো নাগরিকের বক্তব্য অশালীন, আপত্তিকর বা মানহানিকর হলে প্রচলিত আইনে তার প্রতিকার ও জবাবদিহির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে শুধুমাত্র সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা কিংবা কটূক্তির অভিযোগকে সন্ত্রাসী কার্য হিসেবে গণ্য করে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রয়োগ করা হলে তা আইনের অপব্যবহার ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করার আশঙ্কা তৈরি করে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় ও আইনানুগ আচরণের অধিকার, ৩২ অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সুরক্ষা এবং ৩৩ অনুচ্ছেদে গ্রেপ্তার ও আটক-সংক্রান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৩৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশ ও বাক্স্বাধীনতার অধিকার স্বীকৃত। এসব অধিকার সীমিত করার ক্ষেত্রেও আইনগত ভিত্তি, প্রয়োজনীয়তা ও আনুপাতিকতা নিশ্চিত করা আবশ্যক। | 3 395 |
| 9 | লংমার্চে ছাত্রদলের টোকাই কর্তৃক উস্কানি, পাত্তা দিলনা লংমার্চের স্বেচ্ছাসেবকেরা।
জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে লংমার্চের গাড়িবহর যখন চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা অতিক্রম করতেছিল তখন রোড ডিভাইডারের পেছন থেকে হঠাৎ একটা 'লাল কার্ড' নিয়ে বেরিয়ে এসে উস্কানি দেয় ছাত্রদলের এই টোকাই। যদিও এই টোকাই কোনপ্রকার পাত্তা না পেয়ে এখন অনলাইনে নিজের ঢোল নিজে পেটাচ্ছে। আবার বিএনপির পেইড অ্যাক্টিভিস্টরাও তাকে নিয়ে ব্যাপক প্রশংসামূলক পোস্ট করতেছে।
আচ্ছা এভাবে যে উস্কানি দেওয়া হলো, লংমার্চের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবকেরা যদি ধরে উত্তমমাধ্যম দিতো তবে এরা তো ঠিকই কান্নাকাটি করতো। কিন্তু কোনপ্রকার ঝামেলা হোক সেটা চায়নি ১১ দলীয় ঐক্য যার কারণে শান্তিপূর্ণ ভাবেই তারা সুশৃঙ্খল ভাবে লংমার্চ সম্পন্ন করেছে। | 3 298 |
| 10 | ১১ দলীয় ঐক্য আজ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যেখানে পথসভা করেছে সেখানেই জনসমুদ্র হয়েছে।
লোকেশন: সীতাকুণ্ড [এখানে সমাবেশ করার কথা না থাকায় শুধুমাত্র কয়েক মিনিট জামায়াত আমীর বক্তব্য রাখেন] | 3 484 |
| 11 | ৬ দফা দাবি আদায়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ‘লং মার্চের’ চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানের সমাপনী সমাবেশের স্থিরচিত্র। | 3 610 |
| 12 | চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে চলছে লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ। দাবি না মানলে পর্যায়ক্রমে সব বিভাগীয় শহর শেষে ঢাকায় হবে আরও বড় পরিসরে লংমার্চ। | 5 057 |
| 13 | এই টোকাইগুলো এখন এভাবে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। অথচ ০৫ই আগস্টের আগে ধানক্ষেতে ঘুমাইতো। | 4 889 |
| 14 | চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা এনসিপির সদ্য সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী দেলওয়ার হোসেন এর উপর বিএনপির সন্ত্রাসী হামলা। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। | 4 634 |
| 15 | অশুভ শক্তির বিনাশ করতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয় : আইনমন্ত্রী
মদিনার ইসলামের কথা বলে ক্ষমতায় আসা বিএনপির আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্য নিয়ে কি ক্ষমতার পূজারীরা কোন ফতোয়া দিবেন?
বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন মো. আসাদুজ্জামান। ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে ২০২৪ সালের ৮ অগাস্ট অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ দখল করেন মো. আসাদুজ্জামান।
বিএনপির গুপ্তচর হিসেবে ইউনুসের পুরো শাসনামল পার করে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর বিএনপির পক্ষে নির্বাচনে অংশ নিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে সংসদে আসেন তিনি। পরবর্তীতে তাকে আইনমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয় তারেক রহমান। | 4 586 |
| 16 | সরি বললেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়? | 4 938 |
| 17 | ১১ দলীয় ঐক্য আজ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যেখানে পথসভা করেছে সেখানেই জনসমুদ্র হয়েছে। | 5 459 |
| 18 | মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রি করে পাওয়া টাকা সঙ্গে নিয়ে জামালপুর থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল হোসেন। কিন্তু বিয়ের দিন-তারিখ চূড়ান্ত করার আগেই তার সেই যাত্রা থেমে যায়। রাজধানীর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশ থেকে মুখে স্কচটেপ মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। এ সময় তার সঙ্গে থাকা নগদ ৫ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন ও বাজারের ব্যাগ পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার পর মরদেহটি উদ্ধার করে বনানী থানা পুলিশ। নিহত ইসমাইল হোসেন জামালপুর সদর উপজেলার হবদেশ গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম জালাল উদ্দিন।
নিহতের ছেলে হাসান জানান, ছোট বোন শারমিনের বিয়ের দিন-তারিখ চূড়ান্ত করতেই তার বাবা ঢাকায় আসছিলেন। ভোর সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন ইসমাইল। এর আগে রাত ১১টার দিকে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে পরদিন সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা জানিয়েছিলেন তিনি।
হাসান বলেন, মেয়ের বিয়ের খরচের জন্য সম্প্রতি ১১ শতাংশ জমি সাড়ে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন তার বাবা। ওই টাকা থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ পরিশোধ করা হয়। পাশাপাশি গ্রামের বাড়িতে একটি ঘর নির্মাণে কিছু টাকা খরচ করা হয়। বাকি ৫ লাখ টাকা নগদ সঙ্গে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। | 5 427 |
| 19 | দুনিয়ার যেখানে যা-ই ঘটুক না কেন, নিজেদের চরম রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ঢাকতে বিএনপি-ছাত্রদলের কিছু লোকের কাজ যেন একটাই সবকিছুতে হাস্যকরভাবে ‘শিবির কানেকশন’ আবিষ্কার করা!
আদর্শিক ও রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে তারা এখন সস্তা গুজব আর অপপ্রচারের ওপর নির্ভর করে টিকে থাকার বৃথা চেষ্টা করছে।
গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কতিপয় শিক্ষার্থীর অত্যন্ত নিন্দনীয় ও ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হয়রানি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আমরা স্পষ্ট, কঠোর ও আপসহীন।
কিন্তু নিজেদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ও রাজনৈতিক শূন্যতা ঢাকতে ও রাজনৈতিক ফায়দা লুঠতে নির্লজ্জভাবে শিবিরের ঘাড়ে চাপানোর এই অপচেষ্টা কেবল নিন্দনীয়ই নয়, বরং তাদের চরম রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বেরই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করছি, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর সাথে ছাত্রশিবিরের কোন সম্পর্ক নাই।
অনলাইনে অভিযুক্তদের একজনকে ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার যে অপচেষ্টা চলছে, তার যুক্তি কী? তার সঙ্গে মহি ভাই, সাদিক ভাই বা ফরহাদ ভাইয়ের ছবি আছে!
যেসকল ছবি নিয়ে এই প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো মূলত ফোকাসের বার্ষিক ‘গ্র্যান্ড ফেলিসিটেশন’ অনুষ্ঠানের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিবছর এই উন্মুক্ত আয়োজন হয়, যেখানে হাজারো শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকে এবং অতিথিদের সঙ্গে ছবি তোলে।
একটি উন্মুক্ত অনুষ্ঠানের ছবিকে কেন্দ্র করে কাউকে সাংগঠনিকভাবে সম্পৃক্ত প্রমাণের চেষ্টা প্রমাণ করে, ছাত্রদল আজ কতটা যুক্তিহীন ও দেউলিয়া। ভাল কইরা খেয়াল কইরা দেখেন একই শার্ট পইড়া সে ছবি তুলছে যে প্রোগ্রামে মহি ভাই, সাদিক ভাই ও ফরহাদ ভাই তিনজনই ছিল।
আমরা ছাত্রদলের মতো সন্ত্রাসী, অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার রাজনীতি করি না।
ডাকসুর ভিপি,জিএস, এজিএস পাবলিক ফিগার। ঢাবির অসংখ্য শিক্ষার্থীর সাথে তাদের ছবি আছে, ঢাবির ৪৮% শিক্ষার্থী সাদিক কায়েমকে ভোট দিয়ে তাদের ভিপি বানিয়েছে তারা কি সবাই শিবিরের সাথে জড়িত ? এমনকি জগন্নাথ হলের যে ১০ জন ভোট দিয়েছে তারা কি শিবির?
গ্যাস, বিদ্যুৎ না দিয়ে সারাদেশের মানুষের উপর জুলুম করে বুদ্ধিহীন ও সস্তা রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডার কেবল তাদের পক্ষেই সম্ভব, যাদের নিজস্ব কোনো গঠনমূলক রাজনীতি বা আদর্শ অবশিষ্ট নেই। এটি তাদের রাজনৈতিক দৈন্যদশারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
অপরাধীদের বিরুদ্ধে যেকোন আইনগত পদক্ষেপে সংগঠন হিসেবে ছাত্রশিবির পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে পাশে থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
একইসঙ্গে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ঘটনার দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।
- মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ
প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক, ঢাবি শিবির | 4 778 |
| 20 | ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের অভিমুখে লংমার্চ : ফেনীর পথসভা জনসমুদ্রে পরিণত | 5 752 |
