9 441
订阅者
无数据24 小时
无数据7 天
-1630 天
数据加载中...
吸引订阅者
七月 '26
七月 '26
+53
在1个频道中
六月 '26
+226
在3个频道中
Get PRO
五月 '26
+111
在1个频道中
Get PRO
四月 '26
+87
在4个频道中
Get PRO
三月 '26
+70
在1个频道中
Get PRO
二月 '26
+907
在3个频道中
Get PRO
一月 '26
+195
在4个频道中
Get PRO
十二月 '25
+100
在2个频道中
Get PRO
十一月 '25
+116
在6个频道中
Get PRO
十月 '25
+98
在1个频道中
Get PRO
九月 '25
+228
在4个频道中
Get PRO
八月 '25
+245
在10个频道中
Get PRO
七月 '25
+418
在8个频道中
Get PRO
六月 '25
+201
在8个频道中
Get PRO
五月 '25
+100
在4个频道中
Get PRO
四月 '25
+114
在1个频道中
Get PRO
三月 '25
+354
在7个频道中
Get PRO
二月 '25
+101
在3个频道中
Get PRO
一月 '25
+150
在5个频道中
Get PRO
十二月 '24
+254
在5个频道中
Get PRO
十一月 '24
+715
在3个频道中
Get PRO
十月 '24
+209
在5个频道中
Get PRO
九月 '24
+385
在7个频道中
Get PRO
八月 '24
+367
在4个频道中
Get PRO
七月 '24
+1 117
在10个频道中
Get PRO
六月 '24
+193
在2个频道中
Get PRO
五月 '24
+105
在3个频道中
Get PRO
四月 '24
+67
在0个频道中
Get PRO
三月 '24
+113
在1个频道中
Get PRO
二月 '24
+921
在3个频道中
Get PRO
一月 '24
+367
在1个频道中
Get PRO
十二月 '23
+506
在10个频道中
Get PRO
十一月 '23
+701
在8个频道中
Get PRO
十月 '23
+1 199
在9个频道中
Get PRO
九月 '23
+140
在0个频道中
Get PRO
八月 '23
+255
在0个频道中
Get PRO
七月 '23
+131
在0个频道中
Get PRO
六月 '23
+178
在0个频道中
Get PRO
五月 '23
+317
在0个频道中
Get PRO
四月 '23
+52
在0个频道中
Get PRO
三月 '23
+59
在0个频道中
Get PRO
二月 '23
+295
在0个频道中
Get PRO
一月 '23
+504
在0个频道中
Get PRO
十二月 '22
+76
在0个频道中
Get PRO
十一月 '22
+53
在0个频道中
Get PRO
十月 '22
+203
在0个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 16 七月 | 0 | |||
| 15 七月 | +1 | |||
| 14 七月 | +3 | |||
| 13 七月 | +16 | |||
| 12 七月 | +2 | |||
| 11 七月 | +3 | |||
| 10 七月 | +4 | |||
| 09 七月 | +5 | |||
| 08 七月 | +8 | |||
| 07 七月 | +1 | |||
| 06 七月 | +1 | |||
| 05 七月 | +3 | |||
| 04 七月 | 0 | |||
| 03 七月 | +3 | |||
| 02 七月 | +3 | |||
| 01 七月 | 0 |
频道帖子
একটা প্লাটফর্ম, যারা নিজেদেরকে বুদ্ধিবৃত্তিক প্লাটফর্ম দাবি করে, তারা তাদের বিভিন্ন মিডিয়া থেকে কোনো প্রকার কারণ দর্শানো ছাড়াই আসিফ আদনানের ভাইয়ের সব কনটেন্ট সরিয়ে ফেলেছে। মুসলিমবঙ্গ বইয়ের উপরে পডকাস্ট, শিক্ষাব্যবস্থা ও সভ্যতার সংঘাত টপিকের আলোচনা—এগুলো সব সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
এটা সরানোর ক্ষেত্রে না আসিফ আদনান ভাইকে আগে কিছু জানানো হয়েছে, না পাবলিকলি কিছু বলা হয়েছে। যেটা চরম মাত্রার আনপ্রফেশনাল ও আউটরাইট ডিজরেস্পেক্টফুল।
একটা প্লাটফর্মে যখন কোনো বক্তা বা গবেষক কিছু প্রেজেন্ট করে, এটা শুধুমাত্র সেই প্লাটফর্মের সম্পত্তি থাকে না। বরং সেই বক্তা ও গবেষকের ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টিও হয় সেটা। একইসাথে প্রতিষ্ঠিত বক্তা বা গবেষককে নিজেদের প্লাটফর্মে এনে নিজেদের ব্র্যান্ডভ্যালু বাড়ানো, অডিয়েন্স টেনে আনার বিষয়গুলো তো আছেই।
এ ধরণের আনপ্রফেশনাল আচরণ তাদের মধ্যে বারবার দেখা গেছে। ওসমান হাদিকে তাদের প্লাটফর্মে এনে তার বক্তব্য একক ব্যক্তির সিদ্ধান্তে বক্তব্য প্রকাশ না করা (পরে মৃত্যুর পর প্রকাশ করা হয়েছে), ক্রেডিটের জন্য আসিফ মাহমুদের পেইজ রিপোর্ট করে গায়েব করে দেওয়া—এমন নানা ধরণের আচরণ।
রিসেন্টলি আসিফ আদনান ভাইকে নিয়ে ডেমোক্রেটিক ইসলামিস্ট, মুসলিম জাতীয়তাবাদি ও সেক্যুলারদের একাংশের ক্রমাগত প্রভাবেই এমনটা হয়েছে।
কোনো প্লাটফর্ম যদি সহজে ইন্টিমিডেটেড হয়, তাহলে তার উচিত ইন দ্য ফার্স্ট প্লেসই বিপ্লবী রাজনৈতিক লাইনের কাউকে না আনা। কেননা আজ হোক বা কাল, এদেরকে নানা দিকের আক্রমণের শিকার হতে হবেই। তখন নিজেদের ডানপন্থী চেহারা ধরে রাখার জন্য মুসলিম জাতীয়তাবাদি ও পোস্ট ইসলামিস্টদের নিয়েই চলা লাগবে।
এমন একটা বিষয় আগেও একটা ফেমাস গ্রুপের ক্ষেত্রে দেখেছি। শুরু করেছিল ডেমোক্রেটিক ইসলামিস্ট ঘেঁষা কিছু লোক। খুব প্রমিজ করেছিল, সবাইকেই তারা মুক্তভাবে কথা বলতে দেবে। এরপর তারা হেভি সেন্সর শুরু করলো র্যান্ড কর্পোরেশন রিলেটেড আলোচনা থেকে। এখন সেখানে আছে শুধু মুসলিম জাতীয়তাবাদিরা।
যে প্লাটফর্ম সমালোচনার মুখে নতি স্বীকার করে, তাদের নিজেদেরকে বুদ্ধিবৃত্তিক প্লাটফর্ম দাবি করা বেশ হাস্যকর। মুক্ত আলোচনার ক্ষেত্রে ব্যাকলেশ আসে—এটাই স্বাভাবিক।
দিনশেষে এটা তাদের সিদ্ধান্ত। তবে কাজটা আনপ্রফেশনাল, কাওয়ার্ডলি, ডিসরেস্পেক্টফুল এবং এরোগেন্ট। বারবার এসে রিকুয়েস্ট করে নিজেদের সাথে যুক্ত করা, নিজেরা যা না তা দেখানো, এরপর এসে এ ধরণের আচরণ আসলে একটা প্লাটফর্মকে কতদূর নিয়ে যেতে পারে এটাও একটা প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
তবে একটা মুসলিম জাতীয়তাবাদি, মডার্নিস্ট ও ডেমোক্রেটিক ইসলামিস্টদের প্লাটফর্ম হয়ে টিকে থাকলে অবাক হবো না—যেহেতু সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়াই মাকসাদ।
সবার জন্য শুভকামনা। এ ধরণের প্লাটফর্মের জন্য একটু বেশি।
| 2 | জুলাইয়ে সবচেয়ে বঞ্চিত লোকদের একজন হলো পিনাকি ভট্টাচার্য। তার সাথে আমাদের শত শত দ্বিমত থাকলেও এটা স্বীকার করতেই হবে, পিনাকি জুলাইয়ের অনেক আগ থেকেই ফ্রেঞ্চ রিভোলুশনের জন পল মারা-এর ভূমিকায় ছিলেন।
যে অল্প কয়েকজন হাসিনার পতনের স্বপ্ন জিইয়ে রেখেছে, তার মধ্যে তিনি একজন ছিলেন।
হাসিনা গেলো, আওয়ামী জাহেলিয়াহর পতন হলো, কিন্তু পিনাকির মত এক্টিভিস্ট দেশে আসতে পারেন নাই। এটা ইন্টারিমের ব্যর্থতা। এবং তিনি আসতে না পারলে এটা বর্তমান সরকারেরও ব্যর্থতা।
যে দেশকে হাসিনা থেকে মুক্ত করতে এমন ভূমিকা রেখেছে, সে এই দেশে আসতে পারছে না—এটা জুলাইয়ের পরিণতি কেমন হয়েছে তারও ইঙ্গিত দেয়। | 410 |
| 3 | দিনশেষে মূল অপরাধী জনতা।
নতুন শিক্ষামন্ত্রী এসে তামাশা শুরু করলেন নকল নিয়ে, যেন মূল অপরাধী ছাত্ররা। অথচ শিক্ষার যে ১২টা বাজিয়ে গেলো আগের সরকার, তা নিয়ে চিন্তা নাই।
শিক্ষা সংস্কার করবে। সেজন্য শিক্ষকদের ট্রেনিং, কারিকুলাম পরিবর্তন, শিক্ষাদানের পলিসি চেইঞ্জ—এগুলো কিছু করার আগে তাদের মনে হলো, এক্সামটা ব্যতিক্রমী করি, কঠিন করি। সাফারার সেই ছাত্ররাই।
আবার ছাত্ররাই ফার্মের মুরগী।
রাষ্ট্রের কোনো সমস্যা নেই। রাষ্ট্রের নেতাদেরও সমস্যা নেই। সমস্যা জনগণের। তাই জনতাকে দিনরাত ইনসাল্ট করো। আর এসি রুমে বসে জনতার জন্য মিনিটে ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেওয়ার মত সিদ্ধান্ত নয়।
প্রজারা তো সেটাই ডিজার্ভ করে। | 571 |
| 4 | সেক্যুলারিস্টসহ বিরোধী মতের সাথে তর্ক করতে গেলে সাধারণত কয়েক ধরণের আর্গুমেন্ট আমরা ব্যবহার করি। এর মধ্যে অমুক বিষয় (যেটাকে খারাপ বলা হয় তা) সব আদর্শের মধ্যেই আছে, একটা পার্টিকুলার দিকে ইসলাম কেন বেশি ভালো, অমুক সমস্যা ইসলাম কেন বেটার সমাধান করে ইত্যাদি।
যারা এসব তর্ক বেশি করেন, কিংবা যারা অনলাইনে বেশি এই তর্কের মধ্যে থাকেন, দেখেন, পড়েন, তাদের চিন্তার একটা ডিফল্ট মোড এমন হয়ে যায়, অমুক ঘটনার জবাব আমি কীভাবে দেবো।
এটা করতে গিয়ে দেখা যায়, প্রথম চিন্তা এটা হয় না যে শরিআহ এটাকে কীভাবে দেখে। এমন ঘটনায় সাহাবাদের পজিশন কেমন হতো। প্রথমেই চিন্তা হয়, জবাব দেওয়ার, ফিলোসফিকেল আর্গুমেন্ট সেট করার। এটা করতে গিয়ে ইসলামকে "উত্তম" দেখাতে গিয়ে অনেক কিছু কন্ডেম করে ফেলা হয়।
রিসেন্টলি কিছু শাইখের তাবিজ কেটে দেওয়া ইস্যুসহ আরো নানা ইস্যুতে এমনটা দেখা যাচ্ছে। কোনো বিষয় প্রাথমিকভাবে শরিআহর দৃষ্টিতে দেখার প্রবণতা হারিয়ে যায় দেখে এমন অবস্থা হয়। | 85 |
| 5 | ১. কোনো আন্দোলনের শুরুর দিকে খুব নিখুঁত, ফ্ললেস দাবি থাকে না। বরং সেই আন্দোলনের মূল স্পিরিট কী—সেটাই মূখ্য। আন্দোলনের সমর্থনে থাকতে সব দাবির প্রতি সমর্থন থাকা সবসময় জরুরি না।
২. সরকারবিরোধী যে আন্দোলনই হবে, সেটা জামায়াত, এনসিপি আর ইসলামিস্টদের আন্দোলন না হলে, আওয়ামী লীগ শেয়ার দেবে, সমর্থন জানাবে। এটা বোঝা কমনসেন্স। এর মানে সেটা অটো আওয়ামী এজেন্ডা হয়ে যাবে না।
৩. তবে এটাও সত্য, যেকোনো আন্দোলনে ঢুকে আওয়ামী লীগ সুবিধা নিতে চাইবে। আন্দোলনকে ডাইভার্ট করা, অরাজকতার মত অনেক কিছু করার চেষ্টা তারা করতে পারে। আন্দোলনকারীদের সচেতন থাকতে হবে।
৪. আন্দোলনের মূল দাবি হলো একাউন্টেবলিটি ও ক্ষতিপূরণ। এর সাথে সংহতি থাকা জরুরি।
৫. শিক্ষাব্যবস্থার এ অবস্থাটা স্ট্রাকচারাল, যেটা দিনকে দিন খারাপের দিকে যাবে। এটা অনেকেই বুঝতে পারছেন। তাই শুধু পদত্যাগের দাবি না তুলে সিস্টেম সংস্কারের দাবি তোলা জরুরি। নিজেরাও সেটা ভালোভাবে বোঝা জরুরি।
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন। | 687 |
| 6 | আজকে যারা এ বৃষ্টির মধ্যে ভিজে, ময়লা হাঁটুপানির মধ্যে গিয়ে পরীক্ষা দিলো, তারা অনেকেই বলছে, শিক্ষামন্ত্রী তার এসি রুম ও গাড়ি থেকে বের হয়ে এসে দেখুক কী অবস্থা।
ব্যাপারটা হলো, এ সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রে শাসকের সাথে আমাদের হলো শোষিতের সম্পর্ক। তারা রাজা, আমরা প্রজা। প্রজার কষ্ট তাকে স্পর্শ করে না, করবেও না।
এই শিক্ষার্থীরা যেভাবে বলেছে, সেটাই সত্য—রাজার আসন ছেড়ে প্রজার অবস্থায় নেমে আসলে সে বুঝতে পারতো।
প্রজার অবস্থা নিয়ে সে তখনই কনসার্নড হবে, যখন জনঅসন্তোশব তার শাসনের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।
এই শিক্ষার্থীরা হবে সামনে জাতির নেতা। তারা আমলা হবে, বিসিএস ক্যাডার হবে, ইন্ডাস্ট্রি বানাবে। আর এদেরকেই এভাবে করে ট্রিট করা হচ্ছে। সমাজের বাকি অংশকে কীভাবে ট্রিট করা হয় ভেবে দেখুন।
নিম্নবিত্ত, শ্রমিক, দিনমজুর, রিক্সাওয়ালাদের সাথে।
শাসক ও নাগরিকের ক্ষমতার ভারসাম্য জরুরি। শাসকদেরকে জনমানুষের পর্যায়ে নেমে আসা জরুরি। এবসল্যুট পাওয়ার থেকে ডিসেন্ট্রালাইজেশন জরুরি।
এবং এ মাটির ইতিহাস বলে, ইসলাম ছাড়া তা সম্ভব না। | 771 |
| 7 | ইতিহাস বলে, আন্দালুসের শাসক আবু আব্দুল্লাহ গ্রানাডা সারেন্ডার করার আগে মুসলিমদের মধ্যে একটা প্রবল বিতর্ক হয়েছিল।
একদল বলেছিল, আপাতত সারেন্ডার করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তাহলে আমরা বেঁচে থাকবো। আমরা আমাদের প্রজন্মকে গড়তে পারবো। হয়তো তারা একদিন আবার আন্দালুসের হারানো গ্লোরি ফিরিয়ে আনবে।
আরেকদল দ্বিমত করে বলেছিল, আজকে গ্রানাডার পতন ইসলাম স্পেন থেকে হারিয়ে যাওয়া। আমাদের অবশ্যই লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। যদি এ লড়াইয়ে আমরা শেষও হয়ে যাই, তাও ইতিহাস মনে রাখবে, We chose to die on our feet rather than live on our knees. আমাদের রক্ত থেকে নতুন প্রজন্মের উত্থান হবে।
প্রথম দলের সাথে একমত হয়ে আবু আব্দুল্লাহ গ্রানাডা সারেন্ডার করে দিলো।
নিঃসন্দেহে প্রথম দলের কথা শুনতেই বেশি যৌক্তিক মনে হয়।
দ্বিতীয় দলের কথা হলো অদৃশ্যের উপরে ভরসা, সম্মান-মর্যাদার মত এবস্ট্রাক্ট কিছু ধারণা, ভবিষ্যতের ব্যাপারে অযৌক্তিক বিশ্বাস—যেগুলো কোনোটাই যুক্তির মানদন্ডে টেকে না। এ দুনিয়াতে যুক্তির মানদন্ড যেভাবে ধরা হয় সেই হিসেবে।
কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, দ্বিতীয় দলই সঠিক ছিল।
প্রথম দল আর দ্বিতীয় দলের পার্থক্য কী?
প্রথম দলের কাছে জীবন ও সম্পদের গুরুত্বই ছিল সবচেয়ে বেশি। তারা কুরবানি করতে প্রস্তুত ছিল না। লড়াই করার গাটস তাদের ছিল না। তারা ভেবেছিল, এটাই যৌক্তিক।
কিন্তু দ্বিতীয় দলের কাছে, জীবন ও সম্পদের চেয়ে আত্মমর্যাদা ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দ্বীন বাদে কুফরের অধীনে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াকে তারা শ্রেয় মনে করেছেন। তারা সেই প্রজন্ম হতে চান নি, যারা খৃস্টানদের সামনে ইসলামকে অসম্মানিত করেছে।
তাদের কাছে, A life without honour is not a life worth having.
আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নানা জায়গায় হ/ম।সের কারণে কত জীবন ধ্বংস হয়েছে, হ/ম।সের ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া কত 'স্মার্ট' কাজ হয়েছে, তাদের এ কাজ আরো আগে করা দরকার ছিল—এমন আলাপ শুনবেন।
বাস্তবতা হলো, এদের যুক্তির মানদন্ডে শুধু জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তাই আছে। নেই আত্মমর্যাদা, আত্মসম্মান, দ্বীনের শাসন, কুফরের অধীনে থাকার অসম্মানের মত কথাগুলো।
ইতিহাস থেকেই আমরা জানি, এরা আল্টিমেটলি কোথায় নিক্ষিপ্ত হবে। | 846 |
| 8 | কওমের ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গি
https://irfansadik.substack.com/p/f10 | 829 |
| 9 | ঢাকা স্ট্রিমের ফাতাহ কমব্যাটকে নিয়ে করা রিপোর্টটাতে শিবিরের বর্তমান সভাপতি এ কথা বলেন।
ব্যাপারটা খেয়াল করুন। এখানে সাদ্দাম সাহেবকে কেউ কালিমার পতাকা নিয়ে জিজ্ঞেস করে নি। এমনকি ঢাকা স্ট্রিমও এই রিপোর্টে এর সাথে কালিমার পতাকাকে যুক্ত করেনি। কথা শুধু ফাতাহ কমব্যাট নিয়ে।
কিন্তু সাদ্দামের কাছে কালিমার পতাকা যারা উড়িয়েছে এবং ফাতাহ কমব্যাটের সে লোকরা—সব একই। বলে রাখা ভালো, কালিমার পতাকা ওড়ানোর ডিরেকশন ছিলো শাইখ হারুন ইযহার হাফিজাহুল্লাহর।
তার কাছে ফাতাহ কমব্যাটের বে/মা বানানো আর কালিমার পতাকা ওড়ানোর মত কালচারাল এক্সপ্রেশন একই রকমের ক্রাইম। এরা একই ধরণের লোক।
শুধু তাই না, সে ফ্রাস্ট্রেটেড কেন ইন্টারিম সরকার ও বিএনপি সরকার এ নিয়ে কঠোর হয়ে সবাইকে দমন করে ফেলে নাই। সে সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছে দমন করার।
শুধু এখনই না, সাদ্দাম সাহেব সেক্রেটারি থাকাকালীনও যারাই গণতন্ত্রের বিরোধিতা করে, তারা সবাই আনস/র আল্লাহ, অ/ইএস ইত্যাদি বলে আখ্যায়িত করেছে।
অথচ কালিমার পতাকার ইস্যুতে ঢাবির জিএস ফরহাদ ভাই বেশ সুন্দরভাবেই বলেছেন, শুধু পতাকা ওড়ানোর কারণে কাউকে ক্রিমিনালাইজ করা যাবে না। আবার সাবেক সভাপতি জাহেদ ভাইও বেশ সজ্জন মানুষ ছিলেন।
তাহলে সাদ্দাম সাহেবের এই অবস্থা কেন?
ঢাবিতে শিবিরের নেতৃত্বের একটা অংশ আছে, যারা সরাসরিই পোস্ট ইসলামিস্ট সেক্যুলার। এরা মিউজিককে বৈধ মনে করে, শরিআহ আইনকে বেদরকারি মনে করে—এমন নানা কন্ট্রোভার্সিয়াল পজিশন রাখে।
ঢাবিতে পড়তে চেয়ে পড়তে না পেরেই কি সভাপতি সাহেবের এই হীনমন্যতা কিনা কে জানে।
তবে এটাকে বিচ্ছিন্ন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। শিবিরের ভেতরে পোস্ট ইসলামিস্টদের ক্রমাগত প্রভাব যে বাড়ছে—এরই উদাহরণ হলো সাদ্দাম সাহেবের মত লোকের সভাপতি হওয়া। শিবিরের চেইন অফ কমান্ড জেনেই বলছি।
তাই যারা সত্যিকার অর্থেই দ্বীনের জন্য শিবির করেন, তাদের আশঙ্কিত হওয়ার, সচেতন হওয়ার প্রয়োজন আছে। | 1 047 |
| 10 | 没有文字... | 927 |
| 11 | পার্লামেন্টে মেধাবীদের এমপি দাবি করলো, তার বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ, তার পরিবারে নাকি ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা আছে।
পরে দেখা গেলো তার জন্মই মুক্তিযুদ্ধের ১০ বছর পর ১৯৮১ সালে। এবং তার বাবা এখনও বেঁচে আছে। ফ্যামিলিতে এতো মুক্তিযোদ্ধা থাকার দাবিও ভুয়া।
আর মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসা নাকি আমরা করি। LOL. | 954 |
| 12 | ব্যাপারটা হলো, যাদের সাধারণ অনুসারী আছে, ফ্যান ফলোয়ার আছে, এমন যে কাউকেই সমালোচনা করলে গালিগালাজ খেতে হয়। এটা সাধারণ বাস্তবতা। যেটা অনলাইনে লেখালেখি করে এমন যে কেউই জানে। এটা কোনো ঘরানা বা ব্যক্তির জন্য খাস না।
হোক সেটা আওয়ামী লীগ, জামাআতের বট বাহিনী কিংবা অন্য কিছু।
তাই, র্যান্ডম ফেইক আইডির গালিগালাজ সামনে এনে যারা আমাদের পুরো ঘরানা বা এর ব্যক্তিবর্গকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, এরা ভুলে গেছে, এদের পছন্দের রাজনৈতিক দলের বট বাহিনীর গালিগালাজে যে কিছুদিন আগেই সেক্যুলার, ইসলামিস্ট সবাই অতিষ্ঠ ছিল।
এমনকি এখনও এদের প্রভাবশালী ইনফ্লুয়েন্সাররাই সেক্সুয়াল গালিগালাজ ছাড়া কথা বলতে পারে না। খুবই নিম্নমানের ভাষা ব্যবহার করে।
মূলত এদের বাজে আচরণ, গালিগালাজ, এদের নানা ধরণের অসততা মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। তাই এদের অবস্থা হয়েছে নষ্ট ফাসিকদের মত, যারা দ্বীনদার লোকের কাজে ভুল দেখানোর জন্য তক্কে তক্কে থাকে। ভুল না থাকলে কল্পনায় ভুল বানায়।
নিজেদের মুখ রক্ষার শেষ চেষ্টা। করুক। মানুষও দেখছে। | 1 077 |
| 13 | কোনো আওয়ামী নেতা/কর্মী/সাংবাদিককে আইন বহির্ভূতভাবে আটক।
জনৈক বুদ্ধিজীবি: এটা তো ইনসাফ হলো না!
তাবৎ সেক্যুলার মহল: হ্যাঁ হ্যাঁ সঠিক। শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে হবে!
—————
কোনো সশস্ত্র কাজে যুক্ত বলে অভিযুক্ত ইসলামিস্টকে আইন বহির্ভূতভাবে আটক।
জনৈক দাঈ বা ইসলামি লেখক: এটা তো ইনসাফ হলো না!
তাবৎ সেক্যুলার, ডেমোক্রেটিক মহল: এইত তো বোঝা গেলো, এরা সব অ/ল-ক/এদা, অ/ইএস, যন-গি!
#মুসলমানদের_মানবাধিকার_থাকতে_নেই | 1 064 |
| 14 | সাংবাদিক Rajib Ahamod আজকে একটা পোস্টে বললেন,
"ইসলামপন্থিদের মধ্যে গণতন্ত্রে অংশ নেওয়া নিয়মতান্ত্রিক দল যেমন আছে, আবার গণতন্ত্রকে হারাম মনে করা উগ্রগোষ্ঠীও আছে। প্রথম পক্ষটি ব্যালটে বিশ্বাসী, দ্বিতীয়টি বুলেটে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রথম পক্ষের সহাবস্থান জরুরি। কিন্তু দ্বিতীয় পক্ষটির স্থান নেই।
... যে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়, গণতন্ত্রে তার স্থান নেয়নি বাংলাদেশের দ্বিতীয় পক্ষটি যেহেতু বুলেটে বিশ্বাসী তো তাদেরও স্থান নেই। তাদের ধরে বিচার করাটা তাই মোটেও ইসলামবিদ্বেষ নয়। জঙ্গী নাটকও নয়।"
এ পোস্টে আবার এনসিপির নেতা Sarwar Tusher এরও লাইক আছে। কিছুদিন আগে সারওয়ার তুষারও এ ধরণের কথা ঢাকা স্ট্রিমের সাক্ষাৎকারে বলেন।
এখানে সাংবাদিক রাজিব আহমদের কথা শুনে বোঝা গেলো, ইসলামপন্থীদের মধ্যে দুইটা অংশ আছে। একটা গুড মুসলিম, আরেকটা ব্যাড মুসলিম।
গুড মুসলিম বা গুড ইসলামিস্ট হলো তারা যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।
আর ব্যাড মুসলিম বা ব্যাড ইসলামিস্ট মানে হলো যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। রাজিব আহমদের লেখায় ধরে নেওয়া হয়েছে এরা ডিফল্ট বুলেটে বিশ্বাসী। এদেরকে ধরে ধরে বিচার করতে হবে (যদিও এরা আইন ভেঙেছে এমন কিছু না)।
অর্থাৎ কারো কোনো কাজ করার প্রয়োজন নাই, আইন ভাঙার প্রয়োজন নাই, কেউ যদি বিশ্বাস করে গণতন্ত্র কুফরি—তাকে জেলে ভরো, শাস্তি দাও।
এটা তো বাজে রকম অরওয়েলিয়ান চিন্তা বটেই, সাথে এটা পুরোপুরি মিলে যায় ৯/১১ পরবর্তী সময়ে আমেরিকার প্রভাবশালী থিংক ট্যাংক RAND Corporation-এর সাথে। যারা মুসলিমদেরকে চারভাগে ভাগ করেছে। এর মধ্যে তাদের কাছে গুড মুসলিম হলো মডার্নিস্ট ও সেক্যুলারিস্ট মুসলিমরা।
তাদের বৈশিষ্ট্য কী?
এরা গণতন্ত্র, আন্তর্জাতিক আইন, প্লুরালিজম, তাদের প্রেস্ক্রাইভড নারী অধিকার, হিউম্যান রাইটস ইত্যাদিতে বিশ্বাস করে। যারা তা করে না, এরা মৌলবাদি, ট্র্যাডিশনালিস্ট মুসলিম। আমেরিকার লড়াই মূলত এদের সাথেই।
র্যান্ড বলছে—মডার্নিস্ট ও সেক্যুলারিস্টদের সাথে আমেরিকার এলাই করতে হবে, যাতে করে "মৌলবাদি"দেরকে দমন করা যায়।
রাজিব আহমেদের মত সাংবাদিকরা যে বাংলাদেশে র্যান্ডের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে, এবং এনসিপির মত প্রভাবশালী দলের নেতারাও যে এসব এজেন্ডার সাথে একমত এবং এটা নিজেরাও বিশ্বাস করে, তা জেনে আশা করি আমেরিকা খুশীই হবে। ফান্ড আসবে।
গণতন্ত্র কুফরি বিশ্বাস করা—এটাকে ধরা হয়েছে জ/ঙ-ইবাদের স্ট্যান্ডার্ড। অথচ ট্র্যাডিশনাল অসংখ্য দেওবন্দী আলিম, সালাফি আলিমরা, ইভেন জামাআত-ইখওয়ানের প্রধান প্রধান তাত্ত্বিকরা সবাই মনে করতো গণতন্ত্র কুফরি। এটা নিয়ে দ্বিমত নেই।
এমনকি যারা গণতান্ত্রিক পন্থায় যান, এমন আলিমরাও গণতন্ত্রকে কুফরিই মনে করেন। দ্বিমতের জায়গা হলো, সেক্যুলার রাষ্ট্রকে উলটে দিতে গণতন্ত্রকে ব্যবহার করা হবে কি হবে না, যাবে কি যাবে না তা নিয়ে। হুকুম নিয়ে তেমন কোনো দ্বিমত বা প্রশ্ন নেই।
রাজিব আহমেদ ও সারওয়ার তুষারের সংজ্ঞা অনুসারে, বাংলাদেশে দেওবন্দি, সালাফি আলিম ও ছাত্রদের বড় অংশই হলো জঙ-ই।
এই হলো জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ।
জুলাইয়ের দল ও সাংবাদিক থেকে নিয়ে রাজনীতিবিদরা শুধু আপনার বিশ্বাস ও কথার জন্য আপনাকে জেলে দেওয়া, শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে এডভোকেট করছে। জর্জ অরওয়েলের ডিস্টোপিয়ার মত শুধু চিন্তার কারণে আপনি ক্রিমিনালাইজড হচ্ছেন।
ভালো। চালিয়ে যান। আপনারা আমেরিকার থিংক ট্যাংকদের কথা অনুসারে কাজ করুন, আমরা করবো আল্লাহর কথা অনুসারে। দেখা যাক, কাকে আল্লাহ বিজয়ী করেন।
হাসবুনাল্লাহ। | 1 576 |
| 15 | মারদিয়া মমতাজরা বলে ক্ষমতায় এসে অশ্লীলতা, সিনেমা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করে দিলেই নারীরা খুব কষ্টে পড়ে যাবে, ইসলামী শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে। এর মাধ্যমে তারা এ কওমের মেয়েদের ব্যাপারে কেমন ধারণা রাখে তা বোঝা যায়।
তারা মনে করে, এ কওমের মেয়েরা অধিকাংশই দ্বীনকে ঘৃণা করে, পর্দাকে ঘৃণা করে। তাই তারা সবাই বিদ্রোহী হয়ে দ্বীনের বিধানকে অস্বীকার করবে।
অন্যদিকে আমরা মনে করি, আমাদের কওমের মেয়েরা দ্বীনকে ভালোবাসে। দ্বীনের বিধান মানতে না পারলেও তারা সেটাকেই উত্তম বা সঠিক মনে করে। নাটক-সিনেমা, মিডিয়া, শিক্ষাব্যবস্থা, পিয়ার প্রেসারের কারণে, ঈমানি দূর্বলতার কারণে তারা দ্বীনের নানা বিধিবিধানের উপর আমল করতে পারে না।
শরিআহ আসলে তাদের দ্বীনের বিধান পুরোপুরি অনুসরণের পথে যত বাধা আছে, সেগুলো দূর করা হবে। তাদের ঈমান বৃদ্ধির ব্যাপারে নানা শিক্ষামূলক, তারবিয়াতি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইনশাআল্লাহ আমাদের বোনেরা দ্বীনে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করবেন।
আমরা কওমের নারীদেরকে মুর্তাদ, ইসলামবিদ্বেষী মনে করি না। যেটা খুব সম্ভবত মারদিয়া মমতাজরা মনে করে।
https://youtu.be/VUilZK3CerQ | 1 190 |
| 16 | সিয়ান ব্লগে একটা লেখা দিলাম। এখন থেকে ইনশাআল্লাহ নানা ব্লগে লেখা দেবো।
https://seanpublication.com/boi-theke-biplob/ | 970 |
| 17 | ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনিকে নিয়ে যে মুসলিম জাতীয়তাবাদি ও সেক্যুলাররা প্রচুর আদিখ্যেতা দেখাচ্ছে, এরা হয় প্রচন্ড ডিসঅনেস্ট, অথবা এরা এতোটাই রিটার্ডেড যে সাধারণভাবে চিন্তা করার ক্যাপাসিটিও তারা হারিয়ে ফেলেছে।
তারা যে কারণে ইসলামিস্টদেরকে অপছন্দ করে, ইসলামিস্টদের যে পয়েন্টগুলোর বিরোধিতা করে, এগুলোর অনেকগুলোই পূর্ণমাত্রায় বা আরো বেশি মাত্রায় খামেনি, তার ছেলে ও বর্তমান ইরানি শাসকবর্গের মধ্যে আছে।
- ২৪ এর অভ্যুত্থানের পরে ইসলামিস্টদের একাংশ যখন শরিআহর কথা বললো, তখন তারা ২৮ কে সাবোটাজের অভিযোগ আনলো ইসলামিস্টদের বিরুদ্ধে। অথচ খোমেনিও একই কাজ করেছিলো একটা সবার অংশগ্রহণে হওয়া অভ্যুত্থানে।
পার্থক্য হলো, ইসলামিস্টরা শুধু বলেছে। আর এদিকে খোমেনি কায়েমও করে ফেলেছে।
- এই মুসলিম জাতীয়তাবাদিরা আগে থেকেই, ইভেন জুলাই আসার পরেও বোরকা পরা ও জার্সি পরা দুজন ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ের জুলাইয়ে লাঠি হাতে বের হওয়ার ছবি দেখিয়ে বলে এটাই নাকি সামনের বাংলাদেশ। ইসলামিস্টরা অন্ধ, বোকা, নারী অধিকারের বিরোধী।
অথচ খামেনির ইরানে শুধু নারীর পোষাকের সমালোচনা করা হয় এমন না, বরং পোষাক কিছুটা এদিক ওদিক থাকলে তাকে জেলেও নেওয়া হয়। শাস্তিও দেওয়া হয়।
- ইসলামিস্টদের অনেককে তারা নানা "যঙ/গি" সংগঠনের সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ জানায়। এদিকে খামেনিরা ত/লিব।ন, হ/ম/স, হিযবুল্লাহ, অ/ল-কায়েদ/—যাদেরকে যঙ-ই সংগঠন বলা হয়, এদের অনেককেই কোনো না কোনো পর্যায়ে সাহায্য করেছে।
এদের অনেকের টপ লিডারশিপকেও তারা দেশে নানা চুক্তির মাধ্যমে আশ্রয় দিয়েছে।
এই মুসলিম জাতীয়তাবাদিরা হাসিনাকে ঘৃণা করার দাবি করে, অথচ খামেনি ও ইরানের তত্ত্বাবধায়নে যে পরিমাণ মানুষ হত্য/ করা হয়েছে, যেনোস/ইড চালানো হয়েছে, এসব দিক থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নিতান্তই শিশু খামেনিদের সামনে।
- সির ইয়ায় বাশার আল আসাদ ও তার আগে হাফিজ আল আসাদের হাতে হওয়া ম্যাসাকার ও গণধর্ষণের সরাসরি সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে গেছে খামেনি।
- এছাড়াও তার প্রকাশ্য নির্দেশে পরিচালিত কুদস ফোর্সসহ সির ইয়ান আর্মির হাতে সির-ইয়া, ইরাকে নিহত হয়েছে ৩ লাখেরও বেশি মানুষ।
- অ/ফগানিস্ত/নে আমেরিকার আগ্রাসনে সরাসরি আমেরিকাকে সমর্থন করেছে ইরান। মৌলিক না, কাজের। এটা নিয়ে তাদের সাবেক প্রেসিডেন্টের প্রকাশ্য বক্তব্য আছে।
অথচ তা সত্ত্বেও মুসলিম জাতীয়তাবাদি, শাহবাগী সেক্যুলাররা খামেনিকে নিয়ে আদিখ্যেতা করবে। খামেনিদের মত কাজ অন্য কেউ অল্প করে করলেও সেটার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। তাদেরকে দমন করতে বয়ান দাঁড় করাতে চাইবে। কিন্তু খামেনিকে পাস দেবে।
এর পেছনে কারণ হতে পারে পিউর রিএকশন। আগপিছ না ভেবে যেটা করা রিটার্ডেড লোকদের কাজ। অথবা তারা মারাত্মক ডিসঅনেস্ট। বাংলাদেশে মেইনস্ট্রিম আহলুস সুন্নাহর ইসলামকে ডিলেজিটিমাইজড করতে তারা এ ধরণের কাজ বেছে নিচ্ছে।
অবশ্য চিন্তা করার কারণ নেই। Sooner or later, আল্লাহ সবার চেহারা থেকে পর্দা সরিয়ে নেন। খোমেনিকে তাকফির করা একজন মুয/হিদ আব্দুল্লাহ অ/যয/ম যেভাবে বলেছেন, আল্লাহ অন্তর ও মুখকে বেশিদিন আলাদা থাকতে দেন না।
এভাবে না দাঁড়াবে তাদের রাজনীতি, না তারা ইসলামের যাত্রা ঠেকাতে পারবে। | 1 154 |
| 18 | ডেমোক্রেটিক ইসলামিস্ট, পোস্ট ইসলামিস্ট ও মুসলিম জাতীয়তাবাদিদের সাথে তর্ক করলে বা আলোচনা করলে আপনার দুটো বিষয় হবে।
১. দুনিয়ার যেকোনো কাজ বৈধ মনে হবে, যতক্ষণ কেউ সেটা "হিকমাহ"র জন্য করছে। ঠিক ভুল কেবল অন্যদের জন্য। কিন্তু নিজেদের সব কাজই সঠিক, কারণ এর পেছনে "হিকমা" আছে, রাজনৈতিক স্বার্থে তা করা হয়েছে।
২. বেসিক চলিত বাংলা ভাষা, মাত্রাজ্ঞান, কমনসেন্স—সবকিছু ভুলে যাবেন। আইকিউ ডাউন হয়ে যেতে পারে। তাদের কেউ মানুষ মেরে ফেললে তারা আপনাকে যুক্তি দেখাবে, "এই দেখো, তোমরাও তো মানুষকে চড় থাপ্পর মারো।"
এদের সাথে তর্কে যাওয়ার কোনো মানে নেই। বোঝানোর চেষ্টা করারও কোনো মানে নেই। | 1 083 |
| 19 | আমাদের বিচারব্যবস্থায় বিচার পেতে কেন এত লম্বা সময় লাগে? তবুও কেন ন্যায়বিচার পাওয়া যায় না?
ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশদের দ্বারা তৈরি এই বিচারব্যবস্থার মূল লক্ষ্যই বা কী ছিল?
https://youtu.be/IdRQiInbBeo | 1 116 |
| 20 | ইরাক
আফগানিস্তান
ফিলিস্তিন
সিরিয়া
ইরান
ইয়েমেন
আমেরিকা এ উম্মাহর পরীক্ষিত শত্রু। | 1 134 |
