ch
Feedback
সম্ভাব্য সত্য

সম্ভাব্য সত্য

前往频道在 Telegram

কিছু লেখা ও তথ্য সংগ্রহ করা, কিছু সাম্প্রতিক খবর শেয়ার করা এবং নিজের অল্প কিছু কথা বলার জন্য... চ্যানেল সম্পর্কে যেকোনো ফিডব্যাক এই বটের(@Channel_Owner_chat_bot) মাধ্যমে জানাতে পারেন।

显示更多

📈 Telegram 频道 সম্ভাব্য সত্য 的分析概览

频道 সম্ভাব্য সত্য (@somvabbosotto) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 14 246 名订阅者,在 新闻与媒体 类别中位列第 14 631,并在 孟加拉国 地区排名第 1 651

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 14 246 名订阅者。

根据 05 九月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -49,过去 24 小时变化为 0,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 13.58%。内容发布后 24 小时内通常能获得 3.61% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 934 次浏览,首日通常累积 514 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 22

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
কিছু লেখা ও তথ্য সংগ্রহ করা, কিছু সাম্প্রতিক খবর শেয়ার করা এবং নিজের অল্প কিছু কথা বলার জন্য... চ্যানেল সম্পর্কে যেকোনো ফিডব্যাক এই বটের(@Channel_Owner_chat_bot) মাধ্যমে জানাতে পারেন।

凭借高频更新(最新数据采集于 06 九月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 新闻与媒体 类别中的关键影响点。

14 246
订阅者
无数据24 小时
-47 天
-4930 天

数据加载中...

标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
九月 '26
九月 '26
+27
在0个频道中
八月 '26
+105
在0个频道中
Get PRO
七月 '26
+189
在3个频道中
Get PRO
六月 '26
+129
在2个频道中
Get PRO
五月 '26
+135
在1个频道中
Get PRO
四月 '26
+111
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+10
在1个频道中
Get PRO
二月 '26
+114
在2个频道中
Get PRO
一月 '26
+85
在2个频道中
Get PRO
十二月 '25
+67
在1个频道中
Get PRO
十一月 '25
+90
在1个频道中
Get PRO
十月 '25
+104
在5个频道中
Get PRO
九月 '25
+82
在4个频道中
Get PRO
八月 '25
+101
在2个频道中
Get PRO
七月 '25
+206
在10个频道中
Get PRO
六月 '25
+138
在4个频道中
Get PRO
五月 '25
+167
在7个频道中
Get PRO
四月 '25
+206
在7个频道中
Get PRO
三月 '25
+165
在6个频道中
Get PRO
二月 '25
+153
在4个频道中
Get PRO
一月 '25
+281
在7个频道中
Get PRO
十二月 '24
+1 070
在11个频道中
Get PRO
十一月 '24
+923
在6个频道中
Get PRO
十月 '24
+1 202
在8个频道中
Get PRO
九月 '24
+984
在4个频道中
Get PRO
八月 '24
+3 007
在41个频道中
Get PRO
七月 '24
+2 482
在16个频道中
Get PRO
六月 '24
+501
在4个频道中
Get PRO
五月 '24
+596
在4个频道中
Get PRO
四月 '24
+558
在4个频道中
Get PRO
三月 '24
+593
在3个频道中
Get PRO
二月 '24
+555
在4个频道中
Get PRO
一月 '24
+805
在3个频道中
Get PRO
十二月 '23
+773
在5个频道中
Get PRO
十一月 '23
+355
在8个频道中
Get PRO
十月 '23
+829
在5个频道中
Get PRO
九月 '23
+47
在0个频道中
Get PRO
八月 '23
+98
在0个频道中
Get PRO
七月 '23
+85
在0个频道中
Get PRO
六月 '23
+37
在0个频道中
Get PRO
五月 '23
+7
在0个频道中
Get PRO
四月 '23
+20
在0个频道中
Get PRO
三月 '23
+12
在0个频道中
Get PRO
二月 '23
+1
在0个频道中
Get PRO
一月 '23
+14
在0个频道中
Get PRO
十二月 '22
+6
在0个频道中
Get PRO
十一月 '22
+5
在0个频道中
Get PRO
十月 '22
+12
在0个频道中
Get PRO
九月 '22
+15
在0个频道中
Get PRO
八月 '22
+15
在0个频道中
Get PRO
七月 '22
+12
在0个频道中
Get PRO
六月 '22
+8
在0个频道中
Get PRO
五月 '22
+23
在0个频道中
Get PRO
四月 '22
+213
在0个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
06 九月+3
05 九月+2
04 九月+3
03 九月+15
02 九月+4
01 九月0
频道帖子
কারাগারে বেশ প্রচলিত কিছু শব্দ আছে, তার মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হচ্ছে "ফাইল"। আপনি সব কিছু ভুলে গেলেও এই ফাইলকে ভোলা যাবে না। ফাইল বলতে বোঝায় কয়েদির সংখ্যা। কারাগারে প্রত্যেকটা কাজ এই ফাইলের অনুপাতে হয়। দিনে তিনবার ফাইল গুনে দেখা হয় কয়েদির সংখ্যা ঠিক আছে কি না। আপনার খাবার থেকে শুরু করে সব কিছুর বরাদ্দ এই ফাইলের উপর নির্ভর করবে। কোনো কারণে যদি কখনো ফাইল না মিলে, তাহলে সব শেষ। যতক্ষণ না ফাইল মিলবে, কারাগারে কোনো কিছুই মিলবে না৷ কারাগারে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হচ্ছে ঘণ্টা। ঘণ্টা বাজিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়, এখন ফাইল হবে, ফাইল মিলেছে কি মেলেনি। কখন খাবার আসবে। সব। প্রথম দিকে এই ঘণ্টা শুনলে স্কুলজীবনের কথা মনে হতো৷ মনে হতো যেন স্কুলের বারান্দায় চলে এসেছি। এই তো কিছুক্ষণ পর ছুটির ঘণ্টা বাজবে। দূরে দেয়ালের ওই পারের আকাশে পাখির মতো হারিয়ে যাব। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সময়ে সেই ছুটির ঘণ্টা বাজত না। কারাগার আসলে অদ্ভুত, আপনাকে যেমন ভাঙবে, পরীক্ষা নেবে। তেমনি শেখাবে সবর, তাওয়াক্কুল, তাকদিরের উপর বিশ্বাস। আপনাকে শেখাবে জোর করে মানিয়ে নেওয়াকে। শেখাবে পরাধীনতার শেকলে নতুন করে স্বপ্ন বুনতে। আমাদের ব্লকে একটা কথা প্রচলিত ছিল, আমাদের যার মধ্যে যে বিষয়ে কমতি আছে, সেটা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার ছুটি নেই। বাস্তবেও তাই দেখেছি, কারাগার তার শিক্ষার কোটা পূর্ণ করেই ছুটি মঞ্জুর করেছে। আফসোস হচ্ছে সেই শিক্ষাকে মুক্ত বাতাসে ভুলতে বসেছি। ✍️ Topu Ahmed

2
~ জাতিসংঘ, যৌন নির্যাতন এবং যে প্রশ্ন কখনো করা হয়না ~ ✍️ RealityCheck BD
1 087
3
Why did the Islamic World Reject the Printing Press | Al Muqaddimah https://www.youtube.com/watch?v=5PwdYmT5U9c
2 000
4
কিছু লোক দেখছি মিউজিকের হারাম ফতোয়া নিয়ে তাচ্ছিল্য করছে। বলছে, মোল্লারা এক সময় টিভি হারাম ফতোয়া দিছিল, ইংরেজি ভাষার বিরুদ্ধে ফতোয়া দিছিল। এরাই এখন এগুলা করে। এই লোকগুলো কি আসলে নিজেদের অন্তরে খাহেশাতের মহর মেরে রেখেছে? এজন্যই তাদের খাহেশাত বিরোধী যেকোন শরয়ী সিদ্ধান্ত দেখলেই খাহেশাত পূরণের পথ খুঁজে। ভাষা হারাম নিয়ে ১৪০০ বছরের তুরাসে কোন ফতোয়া নাই। বৃটিশ আমলে আপত পরিস্থিতিতে এটা ইংরেজ কালচারের বিরুদ্ধে ফতোয়া ছিল। ভাষার বিরুদ্ধে নয়। আর টিভি ইত্যাদি আবিষ্কার কয়েকদিনের। এগুলোর সাথে মিউজিকের তুলনা হয় না। মিউজিক খুবই প্রাচীন চর্চার বিষয়। যুগ যুগ ধরেই এটি মানুষকে খাহেশাত আর কল্পনার মায়াজালে ফেলে বিভ্রান্ত করে আসছে। এমন না যে বিংশ শতাব্দীতে এসে মিউজিক হারামের ফতোয়া এসেছে। বরং ইসলামের ১৪০০ বছরের ইলমি জ্ঞানতত্ত্ব ও ট্রাডিশনে এই বিধান বিরাজমান। তাও কুরআন, সুন্নাহ, ইজমার ভিত্তিতে। কারো ব্যক্তিগত ইজতিহাদের ভিত্তিতে নয়। ✍️ ইফতেখার সিফাত
2 166
5
//গত পনেরো বছরে বিপুলসংখ্যক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। এই গুমের সঙ্গে রাষ্ট্রের পাঁচটি বাহিনীর চিহ্নিত কিছু কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন। এর মধ্যে র‌্যাবের কর্মকর্তারা ৬০ শতাংশ গুমে জড়িত ছিলেন। গত ৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুমে জড়িত ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ছয়জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।// বাস্তবতা হচ্ছে, আরো বেশী পরিমান সদস্য জরিত ছিল। র‍্যাবের চাইতে সিটিটিসির সদস্যরা আরো বেশী জড়িত ছিল। CTTC এর ১০০% কর্মকর্তারা গুমে জড়িত ছিলো। CTTC এর গুমের বিষয় টা ছিল একদম ওপেন সিক্রেট। DMP এর কার্যালয়ের ভেতরে রাখঢাক ছাড়াই তারা গড়ে তুলেছিল, সিক্রেট প্রিজন। ভিক্টিমদের সবার সামনে দিয়েই লিফটে আনা নেওয়া করা হতো। এমন কি DMP এর অনান্য ডিপার্ট্মেন্ট থেকেও কর্মকর্তা আসত। তাদের সামনেই ইন্টারোগেশন, হাত পায়ে হ্যান্ড কাপ লাগিয়ে মেঝেতে ফেলে রাখা হতো, জম টুপি পড়িতে লিফটে আনা নেওয়া করা হতো । CTTC এর প্রধান থেকে শুরু করে একজন সুইপার পর্যন্ত এই গুমের বিষয়ে জানত। এমন কি CTTC তে ঝাড়ু দেয়া, খাবার আনা নেওয়া করা, সিসিটিভি লাগানোর জন্য বাইতে থেকে চুক্তি ভিত্তিক লোক নিয়োগ করা হতো। তারাও এই গুমের বিষয় জানত। প্রতিদিন খাবার দিতে, ঝাড়ু দিতে তারা সাত তলায় আসত। সিসিটিভি ক্যামেরা আপগ্রেড করতেও বাইরে থেকে লোক আনা হতো। সেলে নেট লাগানো, রঙ করা সবই করা হতো বাইরের লোক দিয়ে। কাজেই এটা হাস্যকর যে, পুলিশের কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা গুম খুনের সাথে জড়িত ছিলো। বাস্তবতা হচ্ছে পুরো চেইন অফ কমান্ড জড়িত। এই র‍্যাব,সিটিটিসিকে যতদিন পর্যন্ত বিলুপ্ত করা না হবে ততদিন গুমের বিচার তো দূরের কথা, গুম বন্ধ করা যাবেনা। ✍️ Topu Ahmed
2 088
6
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,বলেছেন— আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সমস্ত পৃথিবীর মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। তাই আদম সন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,বলেছেন— আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সমস্ত পৃথিবীর মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। তাই আদম সন্তানরা মাটির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এসেছে-কেউ লাল, কেউ সাদা, কেউ কালো, কেউ নরম স্বভাবের, কেউ কঠিন স্বভাবের। সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৬৯৩
1 436
7
২০২৩ সালের ৩০শে জানুয়ারি রাতে গাজীপুর মহানগরের চতর বাজারসংলগ্ন মাদ্রাসা আব্দুল্লাহ ইব্‌নে মাসুদ (রহ.) এতিমখানার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল হোসাইন আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি’র একটি দল। এরপর তাকে মাইক্রোবাসে করে ঢাকার মিন্টো রোডে সিটিটিসি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভবনের সপ্তম তলায় অবস্থিত একটি গোপন হাজতখানায় তাকে রাখা হয়। হেফাজতে থাকা আল-আমিনকে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। দায় এড়াতে তার মরদেহ তুলশীখালী সেতু থেকে ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেয়া হয়। এ ঘটনায় তৎকালীন সিটিটিসি প্রধান ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান, তৎকালীন এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ পিপিএম, পুলিশ পরিদর্শক (নি:) মো. আসাদুজ্জামান মিয়া, পুলিশ পরিদর্শক (নি:) মো. মেজবাহ উদ্দিন আহাম্মেদ এবং এসআই (নি:) তৌহিদুল ইসলাম সুমনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা। এই মামলার তদন্তে প্রত্যক্ষদর্শীসহ ৩০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ৫ জন ভুক্তভোগীর ওপর নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে হত্যা, পাঁচজনকে মারধর এবং চারজনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা রয়েছে। 🍥 the gist
1 932
8
অনেকেই মুরতাদের বিধানের যৌক্তিকতা খুঁজন, আসলে ইসলামের সমাধান‌ই সর্বশ্রেষ্ঠ সমাধান।
অনেকেই মুরতাদের বিধানের যৌক্তিকতা খুঁজন, আসলে ইসলামের সমাধান‌ই সর্বশ্রেষ্ঠ সমাধান।
1 562
9
যারা নারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি বাস নিয়ে ট্রল, সার্কাজম কিংবা মজা করছেন তাদের উচিত এই সীমালঙ্ঘন থেকে দূরে থাকা। নারীবান্ধব বাসের ব্যবস্থা করার পেছনে যারা জড়িত আছেন, এই কাজের উসিলায় আল্লাহ তা'আলা তাদের নাজাতের, হেদায়েতের ব্যবস্থা করে দিন। হ্যাঁ, নারীরা পাবলিক পরিবহনে পুরুষদের সাথে অনিরাপদ। এই সত্য যারা মানতে পারে না তারা হয় দুশ্চরিত্রের নাহয় অন্ধ। আব্দুল্লাহপুর কাউন্টারে এক লোকের কথা শুনলাম। পরিচিত একজন কিছুদিন আগে সেখানে টিকিট কাটতে গিয়ে দেখে সকাল থেকে একটা লোক টিকিট কাউন্টারে বসে আছে শুধু দূরপাল্লার বাসে কোনো মহিলার পাশে সিট নেয়ার উদ্দেশ্যে। পাশে পুরুষের সিট হওয়ায় একাধিকবার টিকিট ক্যান্সেল করে পরের বাসে উঠতে চেয়েছে। ঢাকার রাস্তার লোকাল বাসগুলোর মধ্যে যেখানে মেয়েরা প্রতিনিয়ত হেনস্থা, ব্যাড টাচের স্বীকার হয় সেখানে এই ধরণের যানবাহন কত নারীকে বেইজ্জত হওয়া থেকে রক্ষা করবে সেটা ভেবেই স্বস্তি পাওয়ার কথা। কিন্তু অনেকেই দেখছি এটা নিয়ে মজা নিচ্ছেন! যেই ইন্টেনশনেই করেন না কেন আপনাদের এসব কাজের প্রতি ধিক্কার জানাই। আমরা চাই নারীদের জন্য প্রত্যেকটা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এভাবেই ফ্রি-মিক্সিংমুক্ত নিরাপদ পরিবেশের ব্যবস্থা যেন করা হয়। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি সকল ক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা উচিত। ✍️ মেরাজ হোসেন ভাই
2 227
10
ভয়ংকর গুম স্কোয়াডের সদস্য মাহতাবউদ্দিন ৫ আগস্টের আগে সে অধিকাংশ গুমের অপারেশনে থাকতো। রাস্তা থেকে দাড়ি ও টুপি পরা লোক দেখলেই তাকে তুলে আনতো। তার অভিযানের অনেক ছবি অনলাইনে পাওয়া যায়। সে সিনিয়রদের সামনে নিজেকে অনেক স্মার্ট পরিচয় দিতো। কনস্টেবল হিসেবে চাকরি করেও আইফোন ব্যবহার করতো এবং গর্বের সঙ্গে সবাইকে দেখাতো। নামাজি ও পরহেযগার মানুষদের রাস্তা থেকে তুলে গুম করতো, এরপর মারধোর ও তুই-তোকারি করতো। পৈশাচিক নির্যাতন চালাতো। ভিকটিমদের বলতো, “তোর পরিবারসহ পালাবে আমাদের ভয়ে।” গালিগালি ও তুই-তোকারি ছাড়া অন্য কিছু কথা বলতো না। মাহতাবের বিরুদ্ধে ভয়াবহ নির্যাতন ও ইসলামবিদ্বেষের অভিযোগ আছে। এক ভিকটিমের বক্তব্য অনুযায়ী: "আমি যখন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজারবাগ পুলিশ জেনারেল হাসপাতালে ট্রাফিক ভবনে ভর্তি ছিলাম, আমার হাত সবসময় হাসপাতালের বেডের সঙ্গে আটকে রাখা হতো। প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলেও হাতকড়া খুলে দিতো না। এমনকি এক এসআই আমার কষ্ট বুঝে হাতকড়া খুলতে চাইলেও তিনি বাধা দিতো।" তিনি আরো বলেন: "আমাকে ধরে নেওয়ার এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই মাহতাব তার একমাত্র প্রতিবন্ধী সন্তানকে চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে গিয়েছিল। প্রশাসন চাইলে তার ভারত সফরের বিষয়টি পাসপোর্ট চেক করে দেখতে পারে। প্রায় এক মাস পর দেশে ফিরে এসে আমাকে বলেছিল, ‘কিরে, তুই এখনো বেঁচে আছিস!’ সুযোগ পেলে তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতো।" এমনকি ভিকটিমের পরিবারকেও গালিগালাজ করতো। এক ভিকটিমের পকেট থেকে টাকা ও গাড়ির চাবি নিয়ে নিয়েছিল। এগুলো সে ব্যাক্তিগত ভাবে ব্যাবহার করত । এমন কি ভিকটিমদের হেডফোন, ব্যাগ ইত্যাদি ব্যবহার করতেও দেখা গেছে তাকে। অত্যাচারের ক্ষেত্রে তিনি এত বেশি আগ্রাসী ছিল যে, তার মতে তার অফিসাররা ঠিকমত মারতে পারে না। তার কাছে লাঠি তুলে দিলে হাড্ডি একটাও থাকবেনা। তখন একাই সব সত্য কথা বলে দিবি।তার দায়িত্ব ছিল গুম সেলে রাখা ভিকটিমদের খোঁজ নেওয়া। কেউ বেশি অসুস্থ হলে ঔষধপত্র এনে দিতো। তার কাছে একাধিকবার ঔষধ চাইলেও সে দিতো না। এক ভিকটিমের ভাষ্য অনুযায়ী: "কারাগারে আমার রুমমেট একজন ছিলেন, যাকে এই আর্মস টিম নির্মমভাবে নির্যাতন করেছিল। প্লাস দিয়ে তার বুক ও হাতের চামড়া তুলে ফেলেছিল। প্রায় দুই বছর তাকে গুমে রেখেছিল সিটিটিসি। তিনি একদিন বলেছিলেন, মাহতাব তাকে এমন মারছিল যে এক পর্যায়ে মাহতাবের পায়ে নিজের লাঠির আঘাত লাগে, এরপর সে চার দিনের বেশি জ্বরে ভুগেছিল।" মাহতাব এখনো সিটিটিতে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে গুম কমিশন ও আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ওয়েব সাইটে পড়ুন- https://aynaghorarchive.com/500/ ✍️ Topu Ahmed
2 599
11
প্রথমে নিউজের শিরোনামটি দেখুন, তারপরে নিউজটি দেখুন। --------------- পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে হঠাৎ ওই মাদ্রাসার সঙ্গে থাকা ইমন সরদারের বসতঘরের সামনে বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে করে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আবিদা (৮), জান্নাত (৯), মিনহা (১০) ও মাইমুনাসহ (৯) পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইমন সরদার গণমাধ্যমকে বলেন, আমার ঘরের সামনে কিভাবে বোমা বিস্ফোরিত হলো- আমি জানি না। --------------- শিরোনাম এবং মূল খবরের মাঝে কোনো কি সামঞ্জস্যতা খুঁজে পাচ্ছেন? মূল প্রতিবেদনের ভাষা অনুযায়ী ঘটনাটি স্থান কোথায়? “ওই মাদ্রাসার সঙ্গে থাকা ইমন সরদারের বসতঘরের সামনে” অর্থাৎ প্রতিবেদনের বর্ণনা অনুযায়ী বিস্ফোরণের স্থান মাদ্রাসার ভেতরে নয়, বরং মাদ্রাসার সঙ্গে থাকা একজনের বসতঘরের সামনে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—প্রতিবেদনে ইমন সরদার নিজেই বলেছেন: “আমার ঘরের সামনে কিভাবে বোমা বিস্ফোরিত হলো—আমি জানি না।” সুতরাং এখানে অন্তত তিনটি প্রশ্ন ওঠে: 1. ঘটনাস্থল কোথায়? মাদ্রাসায়, নাকি বসতঘরের সামনে? 2. বোমাটি কার বা কোথা থেকে এসেছে? প্রতিবেদনে তার কোনো প্রমাণ নেই। 3. মাদ্রাসাকে শিরোনামের প্রধান অভিযুক্ত/ঘটনাস্থল হিসেবে দেখানোর ভিত্তি কী? মূল প্রতিবেদনের এই অংশে তার কোনো ব্যাখ্যা নেই। এর নামই হলুদ সাংবাদিকতা। মূল ধারার সংবাদপত্রে মাদ্রাসা নিয়ে প্রকাশিত যে কোন সংবাদ বিশ্বাস করার আগে যাচাই-বাছাই করুন। ✍️ Ask Sumon
2 011
12
কি ভাবছেন ? এগুলো এআই দিয়ে তৈরি ছবি ? না । এগুলো ১৯৪৬ সালে কলকাতা রায়টে নিহত মুসলিমদের ছবি। এগুলো দুর্লভ ছবি ? না । এগুলো পাবলিক ইমেজ। উইকি থেকে নিয়েছি। জাস্ট আপনাদের জানানো হয় না। তাই আপনারা জানেন না যে কলকাতা রায়টে কত মুসলিম জীবন হারিয়েছিল। তাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা আমাদের স্বপ্নের আজাদি পেয়েছিলাম। আপনাদের পাঠ্যপুস্তকে কখনো জানানো হবে না যে সূর্য সেন যে অনুশীলন নামক সংগঠনের সদস্য ছিল, সেই অনুশীলন কতটা মুসলিম বিদ্বেষী ছিল। আপনারা এটাও জানবেন না যে সূর্য সেন শুধু ইংরেজ নারী ও শিশুদের হত্যা করে নাই। সূর্য সেনের চোখের বহিরাগত বলতে শুধু ইংরেজ ছিল না। তার চোখে মুসলমানরাও বহিরাগত ছিল। তার দল চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে গুলি করে ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহকে হত্যা করে। ঢাবির জিন্নাহ হলের নাম পাল্টিয়ে রাখা হল সূর্য সেন হল। ২৪ এর বিপ্লবের পরেও সেই হলের নাম বদলায় নাই। যেখানে আপনারা সূর্য সেন এর নামে থাকা হলের নাম বদলাতে পারেন না, সেখানে ভারতের দাসত্ব থেকে মুক্তি পাবেন কি করে ? লীগ ফিরে আসলে ওই সূর্য সেন, ক্ষুদিরামের লিগ্যাসি ধরেই ফিরে আসবে। কলকাতা রায়টে এভাবে মুসলিমদের লাশ রাস্তায় পড়ে ছিল। শকুনে খেয়েছে কিন্ত তবুও কবর দিতে দেয় নাই। এক দিনেই কলকাতাতে ২০ হাজার মুসলমান শহীদ হয়। আর তাদের ত্যাগের বিনিময়ে পাকিস্তান তৈরি হয়। পাকিস্তান তৈরি হবার পরে মুসলিম লীগ ৫১ সালে জমিদারি প্রথা বাতিল করে। এরপর আপনি আমি জমির মালিক হই। বিশ্বাস না হলে, আপনার জমির পর্চা আজ খুজে বের করেন। দেখবেন, আপনার জমির দাগ নাম্বার সি এস খতিয়ানে কোন হিন্দুর নামে ছিল। পাকিস্তান আপনাকে জমি দিয়েছে, নাগরিক বানিয়েছে। আর এই সব কিছু এই বনি আদমদের রক্তের বিনিয়মে পেয়েছেন। আল্লাহ অকৃতজ্ঞদের পছন্দ করেন না। এতটা অকৃতজ্ঞ হয়েন না যে পাকিস্তানকে অস্বীকার করবেন। আজকে যারা মসজিদে নামাজ পড়তে যাবেন, তারা অন্তত কলকাতা রায়টে শহিদ মুসলিমদের জন্য দোয়া করিয়েন। ✍️ মোহাম্মদ মোতাহের হোসেন
385
13
বাংলাদেশে পাহাড়িদের দুই গ্রুপ। এক গ্রুপ এসেছে চায়না থেকে হাজার বছর আগে। এদের চেনার উপায় হল যে, এদের মূল অবস্থান মূলত ভারতে, এবং এদের নামে প্রদেশও আছে। যেমন ত্রিপুরা, মনিপুর, নাগা, মিজু। এরা একে অপরের কাজিন গোত্র। হাজার বছর আগে চীনে বন্যা, নদী ভাঙনের কারণে এরা নদী পথে এ অঞ্চলগুলোতে আসে। এগুলো এখনো তাদের নিজস্ব নথিগুলোতে লেখা আছে। এবং এরা একটু নরম প্রকৃতির। এরা প্রকৃতি পূজা করে। কিন্তু এখন আবার বড় একটা অংশ খ্রিষ্টান হয়ে যাচ্ছে। আরেক গ্রুপ হল, যারা থাইল্যান্ড, মিয়ানমার এর পূর্ব অংশ থেকে এসেছে ১০০ বা ২০০ বছর পূর্বে। যেমন চাকমা। এরা একটু কঠোর। যেহেতু প্রথম প্রকার পাহাড়িরা অনেক দিন ধরে এখানে অবস্থান করছে, তাদের মধ্যে একটা নম্রতা এসেছে। কিন্তু থাইল্যান্ড থেকে আগত পাহড়িরা প্রতিনিয়ত কর্কশ লাইফ স্টাইল লিড করে আসতে হয়েছিল। বিষয়টা তাদের আচরণ এবং খাদ্যাভ্যাস খেয়াল করে আমার দুই টাইপের পার্থক্যটা বুঝতে পারবো। এরা মূলত জাতিতে বৌদ্ধ। কিন্তু এখন আবার খ্রিষ্টান হয়ে যাচ্ছে অনেকেই। এই দুই দলের চেহারায়ও অনেক পার্থক্য। ওরা নিজেরা নিজেদের বুঝতে পারে। আমিও কিছুটা ধরতে পারি যে, কোন টাইপ। তবে প্রথম প্রকারের সাথে বাঙালিদের মিক্সচার হয়েছে, বিশেষ করে যারা ত্রিপুরা। এজন্য কুমিল্লা, বিবাড়িয়া, ফেনীর অনেক বাঙালীদের মধ্যে সেই ধাচটা দেখতে পাবেন, কারণ পূর্বে হয়ত যারা মুসলিম হয়েছিল, তাদের সাথে বাঙালীদের বিয়ে-শাদি হয়েছিল। কুমিল্লা আর ত্রিপুরা তো একটা সময় একই অঞ্চল ছিল। এমনকি কুমিল্লা শব্দটাও ত্রিপুরা ককবরক ভাষার। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল যে, এই দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথম গ্রুপ আমাদের প্রতি নরম। কারণ তাদের মূল অংশটা ভারতের। এবং তারা স্বাধীনতা চায়। তো তারা এদেশের এসে তাদের জাতির লোকদের সাথেই মিশে থাকে। অপরদিকে দ্বিতীয় গ্রুপটা ভারত-বাংলাদেশ উভয় দিকেই আছে। এদের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভারত সাপোর্ট দেয়। প্রথম গ্রুপকে দেয় না, কারণ তারা ভারতের শত্রু। তাই আমাদের এখানে চিন্তার বিষয় আছে। ভালো করে খেয়াল করেন, ত্রিপুরাদের ভারত সাহায্য করে না। তাই, তারা আমাদের ডিরেক্ট মিত্র। আর চাকমা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভারত সাহায্য করে। তাই তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আমাদের শত্রু। আবার এদিকে কুকিচিন ভারত-বাংলাদেশ উভয়ের জন্যই বড় হুমকি। এবং এদের একটা পক্ষ আরেকটা পক্ষকে দেখতে পারে না। প্রথমপক্ষটা একটু নরম হওয়ার দ্বিতীয় পক্ষটা তাদের উপর ছড়ি ঘুরায়। এমনকি উপজাতি কোটার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা তারা বেশী পায়। বিশেষ করে চাকমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল, যেটার নাম শান্তি বাহিনী, এটা থাকায়, তাদের বেশী তোয়াজ করতে হয়, যেটা ত্রিপুরাদের করতে হয় না। এসব তথ্য বাংলাদেশের বেশীরভাগ মানুষই জানে না। বা এতটা কেয়ার করে না। শাহবাগীরা তো এমনিতেই নির্বোধ। এমনকি ইসলামপন্থীরাও জানে না। যা জানে, সেটা হয় এজেন্সির কিছু পলিসি মেকাররা। কিন্তু আমার মনে হয়েছে যে, হাসিনার আমলের এজেন্সির লোকেরাও নির্বোধ। এমনকি আর্মিও অনেক সময় ফারাক করতে পারে না এক্সিকিউশন লেভেলে। যেমন চাকামারা গ্যাঞ্জাম করে ত্রিপুরা গ্রামে পালায়। আর্মি তো আর বুঝে না যে কে কোনটা। দেয় ধুমায়া ত্রিপুরাদের সাইজ। ওরা বলে, আমগো কি দোষ! কিন্তু দুঃখ করা ছাড়া কিছু করার থাকে না। কয়েক বছর আগে চাকমা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আর্মি মেরে ফেলসিলো, মনে আছে আপনাদের? ত্রিপুরার একজন বলে যে, ভাই! ভারত যেমনে চাকমাদের ব্যাকিং দেয়, বাংলাদেশ যদি এমনে আমাদের ব্যাকিং দিত - আমার ভারতের নর্থ-ইস্ট তামা তামা কইরা ফেলতে পারতাম। হ্যাঁ! আর্মি শান্তি বাহিনীদের মধ্যে গ্রুপিং করানো, তাদের মধ্যে লোভীদের কিনে ফেলা থেকে শুরু করে, অনেক প্রশংসনীয় কাজ করেছিল - এ কারণে এদের একটু নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল। কিন্তু এর চেয়েও ভালো কাজ সম্ভব- জাস্ট এই দুই গ্রুপকে আলাদাভাবে ট্রিট করতে হবে। মিশনারীদের বদলে সেখানে মুসলিমদের দাওয়াহ কাজ ফুল ইফোর্টে করতে দিতে হবে। আমাদের আসলে দাওয়াহ, কনভার্ট-রিভার্ট করতে চাই, বলতে লজ্জা পাওয়া উচিত না। পশ্চিমারা ঘোষণা দিয়ে এসে কনভার্ট করছে এখানে। এদিকে আমরা লজ্জা পাচ্ছি যে, আমরা কনভার্ট-রিভার্ট করতে গেলে মৌলবাদী বলবে, এই বলবে, সেই বলবে। সরকারকে প্রেশার দিতে হবে যে, পাহাড়ি এবং রোহিঙ্গাদের এনজিওদের হাতে ছেড়ে দেয়া যাবে না। খুব বড় রকমের ঝামেলার তারা তৈরি করে যাচ্ছে। অথচ আমার মুসলিমরা বাঁধাগুলো কাটিয়ে ওইদিকে নযর দিতে হবে, বাঁধা পেলেই মুখ ফিরিয়ে নেয়া যাবে না। ফিকির এবং লেগে থাকতে হবে। একটা অংশকে আত্মনিয়োগ করতেই হবে। তারা দ্বীনের দাওয়াহ না পেলে, আমরা কি জাবাব দিবো? অথচ আমাদের পাশেই ছিল। শাহ-জালালরা কোত্থেকে এসে কি করে গেছেন, অথচ আমরা পাশে থেকেও কিছু করতে পারছি না। ✍️ Bearded Bengali
2 506
14
এটাই গুনতান্ত্রিক সিস্টেমের সৌন্দ‍র্য।
এটাই গুনতান্ত্রিক সিস্টেমের সৌন্দ‍র্য।
2 892
15
ছোটোবেলায় জাহান্নামের আগুনের উত্তাপের কথা বইয়ে পড়তাম,ওয়াজে শুনতাম। আমার বিশ্বাস হতোনা— আল্লাহ কি আসলেই এতটা নির্দয়? তাঁর পছন্
ছোটোবেলায় জাহান্নামের আগুনের উত্তাপের কথা বইয়ে পড়তাম,ওয়াজে শুনতাম। আমার বিশ্বাস হতোনা— আল্লাহ কি আসলেই এতটা নির্দয়? তাঁর পছন্দের সৃষ্টি মানুষকে তিনি এভাবেই আগুনে জ্বলতে দিবেন? এটাও বুঝতে চাইতাম,জাহান্নামের আগুন আসলে কত গরম? ক্লাস নাইনে উঠে জানলাম থার্মাইট, হোয়াইট ফসফরাসের কথা।এগুলা অনায়াসে ১৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হিট জেনারেট করে। তখন আমার ধারণা ছিল জাহান্নামের আগুন হয়ত এরকমই কিছু একটা.... আজ দেখলাম ফিলিস্তিনের বাচ্চাদেরকে হোয়াইট ফসফরাস দিয়ে মেরে ফেলেছে। হ্যাঁ,ইজরায়েল। তাদের এই জিনিস সাপ্লাই দিয়েছে এমেরিকা। টুইটারে এটা নিয়ে উল্লাস করছে ইন্ডিয়ানরা। আমি আজও মনকে বুঝাতে পারিনা। আল্লাহর ধৈর্য আসলে কত বেশি যে তিনি কেয়ামতের আগেই সবকিছু ধ্বংস করে দিচ্ছেন না!! ✍️ M. Asif Rahman
3 226
16
পশ্চিমা নারীদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতারণাগুলোর একটি হলো, তাদের সুখের সংজ্ঞাটাই বদলে দেওয়া হয়েছে। তাদের একটি মিথ্যা স্বপ্ন দেখানো হয়েছে, আর তা হলো: ফেমিনিজম বা নারীবাদ। তাদের শেখানো হয়েছে যে উচ্চশিক্ষা, ক্যারিয়ার ও স্বাধীনতার মাঝেই লুকিয়ে আছে প্রকৃত সুখ। "ক্ষমতায়নের" নামে শেষ পর্যন্ত তাদের একাকী করে তোলা হয়েছে, আর "স্বাধীনতার" নামে দিকহারা করে দেওয়া হয়েছে। এভাবেই তাদের এমন এক জীবনের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, যেখানে যৌবনের সবচেয়ে মূল্যবান বছরগুলো কেটে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান আর ভ্রমণের পেছনে। এদের অনেকেরই বিয়ে, মাতৃত্ব বা সংসারের জন্য কোনো সময় বা শক্তি অবশিষ্ট ছিল না। অনেকে আবার জীবনসঙ্গী খোঁজার ইচ্ছে থাকলেও, একজন পুরুষের সাথে কীভাবে মানিয়ে চলতে হয় তার কিছুই জানতেন না। আরও অনেকে নিজেদের ফিতরাত বা নারীসুলভ সহজাত প্রকৃতিকে নির্মমভাবে অবদমন করেছেন। স্ত্রী ও মা হওয়ার যে জন্মগত আকাঙ্ক্ষা, তাকে গলা টিপে মেরেছেন। "সমাজে অবদান রাখার" নামে, কিংবা "নিজের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে" কাজে লাগানোর দোহাই দিয়ে তারা নিজেদের স্বাভাবিক চাওয়া-পাওয়াগুলোকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। তাদের বোঝানো হয়েছে—কর্পোরেট অফিসের একটি কিউবিকলে বসে কাজ করাই, বসের জন্য কফি আনা কিংবা সারাদিন স্প্রেডশিটে তথ্য বসানোই যেন জীবনের পূর্ণতা। এক বা দুই দশক পর, এদের অনেকেই কমেন্টের ওই নারীটির মতো পরিণতি বরণ করেন, যিনি লিখেছেন: "আমার বয়স ৪৭, আমি এখনো 'সঠিক মানুষটির' অপেক্ষায় আছি যার সাথে একটি সংসার শুরু করতে পারি! এই অলৌকিক ঘটনাটি যেন ঘটে, তার জন্য কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করছি।" বিষয়টি সত্যিই মর্মান্তিক। ৪৭ বছর বয়সী একজন নারী—পুরোপুরি একাকী, স্বামী বা সন্তান নেই, কোনো পরিবার নেই। অথচ প্রায় পঞ্চাশের কোঠায় এসেও তিনি মরিয়া হয়ে এসবের স্বপ্ন দেখছেন। এখন যখন তার ক্যারিয়ার, পড়াশোনা, ভ্রমণ আর সব তথাকথিত "অভিজ্ঞতার" পালা শেষ, রূপের জৌলুসও যখন ম্লান হতে শুরু করেছে, যখন তার উদ্দাম যৌবনের দিনগুলো ফুরিয়ে গেছে এবং ক্যাজুয়াল সম্পর্কগুলো আর সহজে মিলছে না... ঠিক তখন তিনি একজন স্বামী খুঁজে নিয়ে সন্তান জন্মদানে প্রস্তুত হয়েছেন। কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি! তিনি যে কাউকে স্বামী হিসেবে মেনে নিতে বা "আপস" করতে রাজি নন। যে পুরুষটি তাকে বিয়ে করতে সম্মত হবে, তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার মতো বোধও তার তৈরি হয়নি। বরং তিনি এখনো সেই স্বপ্নের রাজপুত্রের অপেক্ষায় আছেন। প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সী এই "রাজকন্যা" এখনো অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, কখন সেই সঠিক মানুষটি এসে তাকে জাদুর মতো উড়িয়ে নিয়ে যাবে আর তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করবেন। এরপর তিনি একটি পরিবার "শুরু" করবেন, মেনোপজ বা ঋতুবন্ধের বয়সে এসে সন্তান জন্ম দেবেন! প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সে এসেও তিনি যেন জীববিজ্ঞান, বাস্তবতা, পরিসংখ্যান এবং সাধারণ বোধ—সবকিছুকেই অবলীলায় উপেক্ষা করছেন। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তিনি "এই অলৌকিক ঘটনার জন্য প্রার্থনা করছেন।" অবচেতনভাবে হলেও তিনি অন্তত এটুকু বোঝেন যে, এই বয়সে এসে এটা ঘটা কেবল কোনো অলৌকিক ব্যাপার হলেই সম্ভব। এটি কেবল একজন নারীর গল্প নয়। এই মোহ বা রূপকথার ফ্যান্টাসিতে তিনি একা নন। আধুনিক নারীদের একটি পুরো প্রজন্মকেই এই বিভ্রমের ওপর বড় করে তোলা হয়েছে। এই আত্মঘাতী পথে চলতে শেখানো হয়েছে। তাদের এই অসম্ভব কল্পনায় ভাসানো হয়েছে যে, চাইলেই সবকিছু একসাথে পাওয়া সম্ভব। যেমনঃ কৈশোর আর যৌবনের সিংহভাগ সময় পড়াশোনা, ডিগ্রি, ক্যারিয়ার আর ভ্রমণের পেছনে ব্যয় করেও, প্রায় পঞ্চাশে পৌঁছে অবলীলায় স্বপ্নের পুরুষকে খুঁজে পাওয়া যাবে এবং তারপর সংসার "শুরু" করে সন্তান নেওয়া যাবে। কিন্তু দিন শেষে, যখন এই নারীরা কল্পনার পেছনে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তখন তারা বিষণ্ণতা, উদ্বেগ আর হতাশায় ডুবে যান। তখন বিষণ্ণতা আর অ্যাংজাইটির ওষুধ এবং অ্যালকোহল ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় থাকে না। হে মুসলিম নারীরা, তাদের এই দুর্ভাগ্যজনক পথ অনুসরণ করবেন না। আপনাদের কাউকে কিছু প্রমাণ করার নেই। একজন মুসলিম নারী হিসেবে আপনি যে "নির্যাতিত নন", কিংবা আপনি যে "ক্ষমতায়িত" এবং "স্বাধীন", তা কাউকে দেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই। শুধু আল্লাহর ইবাদত করুন, একজন দীনদার মুসলিম পুরুষকে বিয়ে করুন, নেককার সন্তান গড়ে তুলুন এবং আপনার সুন্দর পরিবার ও এর থেকে পাওয়া আনন্দকে পুরোপুরি উপভোগ করুন। নিজের নারীত্বকে উদ্‌যাপন করুন। তাদের নারীবাদকে প্রত্যাখ্যান করুন। আল্লাহ নারী ও পুরুষ উভয়কে নারীবাদের এই শোচনীয় পথ ও এর ভ্রান্তি থেকে রক্ষা করুন, আমিন। ✍️ উম্মু খালিদ
4 424
17
আবাসিক হোটেলে হুজুর আটকের মিথ্যা নিউজ, দাঁড়ি টুপির প্রতি ঘৃণা ন্যারেটিভের চেষ্টা, মিডিয়া সন্ত্রাসের। গতকাল গাজীপুরের একটি আবাসিক হোটেলে পর্দানশীল নারী ও দাড়ি-টুপিওয়ালা আলেমকে নিয়ে দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক ইত্তেফাক মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে, কিছু মিডিয়া ইসলাম ও দ্বীনদার মুসলমানদের চরিত্রহননের সুযোগ খুঁজে বেড়ায়। মূল ঘটনা কী ছিল? প্রকৃত ঘটনা হলো,ওই আলেম চিকিৎসার জন্য শহরে গিয়েছিলেন। রাত হয়ে যাওয়ায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে রাত্রি যাপনের জন্য আবাসিক হোটেলে অবস্থান করেছিলেন। আবাসিক হোটেল নিজেই অবৈধ নয়। হোটেলে যদি অনৈতিক কার্যকলাপ হয়, সেটাই অবৈধ। কিন্তু এই দুটি পত্রিকা হোটেলের অন্যান্য অনৈতিক কার্যকলাপের সাথে তাদেরকে মিশিয়ে মিথ্যাভাবে সংবাদ প্রচার করেছে। এখানে একটি সহজ যুক্তি উপেক্ষা করা হয়েছে: যদি কেউ অপকর্মে যায়, তাহলে সে কখনোই দাড়ি-টুপি ও আলেমের পোশাকে সেখানে যাবে না। এটা পাগলও বোঝে। অথচ মিডিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে এই বাহ্যিক পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে চরিত্রহনন করেছে। অনলাইনে বা ছাপা সংবাদের মাধ্যমে কারো মানহানি করা সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২৫ ও ২৯ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই আলেমদের উচিত এই দুটি পত্রিকার বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করা। মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে কারো সম্মানহানি করা সহ্য করা যায় না। আইনের আশ্রয় নেওয়াই এ ক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ। মিডিয়ার একটি অংশ সবসময় অপেক্ষায় থাকে কিভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের চরিত্রহনন করা যায়। দ্বীনদার চেহারার কেউ কোথাও থাকলেই তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হয় এবং সুযোগ পেলেই মিথ্যা সংবাদ তৈরি করা হয়। বাহ্যিক পোশাক ও দাড়ি-টুপিকেই অপরাধের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের সাংবাদিকতা সত্য অনুসন্ধানের পরিবর্তে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চরিত্রহননে পরিণত হয়েছে। এজন্যই বলা হয়, মিডিয়া হলো শুক্রাণুর মতো। লাখে একটা মানুষ হয়। অর্থাৎ হাজারো সংবাদপত্র ও সাংবাদিকের মধ্যে সত্যিকারের দায়িত্বশীল ও ন্যায়পরায়ণ সাংবাদিক খুবই বিরল। গাজীপুরের এই ঘটনা শুধু একটি মিথ্যা সংবাদ নয়, বরং দ্বীনদার মুসলমানদের প্রতি মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের প্রতিচ্ছবি। আবাসিক হোটেলে অবস্থান করাই অপরাধ নয়; অপরাধ হলো মিথ্যা অভিযোগ এনে কারো সম্মান নষ্ট করা। আলেম ও সাধারণ দ্বীনদার মানুষদের উচিত এ ধরনের মানহানির বিরুদ্ধে আইনি পথে প্রতিবাদ করা। একই সাথে সমাজকেও সতর্ক থাকতে হবে,বাহ্যিক চেহারা দেখে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা যায় না। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোই একমাত্র কর্তব্য। ✍️ Ali Arshad Rajon
756
18
শাইখ ফারুক রামাদান রহঃ। নিজের পরিবার, সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে ইহুদিদের মোকাবিলায় গতকাল পশ্চিম তীরের নাবুলস শহরে শাহাদাতবরণ করেন
শাইখ ফারুক রামাদান রহঃ। নিজের পরিবার, সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে ইহুদিদের মোকাবিলায় গতকাল পশ্চিম তীরের নাবুলস শহরে শাহাদাতবরণ করেন। (সাথে জঙ্গি ইহুদিদের থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে দুই ইহুদিকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেন)
3 792
19
আপনাদের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হবে, তবে নিশ্চিত থাকেন এইটা বাস্তবতা - গত দশ বছর থেকে বাংলাদেশের ক্লাস নাইন থেকে ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইয়াবা আশক্ত। বিশেষ করে ঢাকাতে ক্লাস নাই টেন থেকেই ইয়াবা গ্রহন শুরু করে দেয় ছাত্র ছাত্রীরা৷ পাশাপাশি চলে ওপেন সেক্স যা মুলত বহুগামিতা চর্চা। সেক্সকে তারা ফান হিসেবে দেখে৷ আপনার আশেপাশের অনেক ছেলে মেয়েই ইয়াবা আসক্ত৷ এই যে রাস্তায় দেখেন একটুতে উগ্রতা প্রকাশ করে, কাকে কি বলছে হুস জ্ঞান নাই৷ কথায় কথায় সোসাল মিডিয়াতে এসে যাকে যা ইচ্ছা বলে যাচ্ছে। সব গুলো ইয়াবা আসক্ত। ঢাকা শহরে হাতে গুনা কয়েকটি স্কুল আছে এখনো যেখানে পড়াশোনা হয়, পাশাপাশি শিক্ষকেরাও যথেষ্ট আন্তরিক তাদের ছাত্র ছাত্রীদের প্রতি। বাকী সব স্কুল কলেজ নাম মাত্র চলে পড়শানা, আসলে যা ব্যাবসা খুলে বসে আছে। ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ, বাহারুদ্দিন কলেজ, তেজগাঁও কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ। এদের সকলের ড্রাগ টেস্ট নিলে দেখা যাবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইয়াবা আসক্ত। দীর্ঘ দশ বছর থেকে এইসব চলছে স্কুলগুলোতে। এইসবের সাথে সরাসরি জড়িত অনেক গার্জিয়ান৷ তাদের অবৈধ অর্থের কোন লাগাম নেই, ছেলেমেয়েদের হাত খরচের নামে টাকা ছড়ায় খোদ পিতামাতারাই। অবাক হয়ে দেখতে হবে আপনাকে যদি সুক্ষ ভাবে খেয়াল করেন এইসব ছাত্রছাত্রীদের টাকা উড়নো কাকে বলে। গত দশ বছরে অবৈধ অর্থ, দুর্নীতিকে এতটাই সামাজিক করা হয়েছে যে, আগে তাও ঘুসখোরেরা একটু লজ্জা শরম পাইতো আর এখন যার যত অবৈধ অর্থ তার সম্মান সবার থেকে বেশী। পিতামাতাদেরও সার্কেল হয়েছে যেখানে নিজের বা স্বামীর ঘুসের টাকা উড়ানো হচ্ছে আবার এইসব পিতামাতার বন্ধুরাই তাদের বাহবা দিচ্ছে। আমি নিজে দেখেছি ক্লাস ফোরের বাচ্চার হাতে আইফোন সেভেন্টিন প্রো৷ তার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছি এইটা কেন কিনে দিয়েছেন, তার বাবা আরও গর্ব করে আমাকে শুনাইলো , আগের মডেল গুলোও বাচ্চাটিকে আগে কিনে দিয়েছে৷ বাসায় মেয়ের কাছে শুনি তার সহপাঠীদের দৈনিক হাত খরচ দেয় পাঁচশত/হাজার টাকা প্রতিদিন। আর এরা এইসব দিয়ে নেশার জগতে ঢুকে যাচ্ছে। আজ থেকে দুই বছর আগে, একটা বাচ্চা মেয়ে ক্লাস নাইনে পড়ে দেশের অন্যতম সেরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। তাকে রক্ত দিতে গিয়ে শুনি বাচ্চাটির এব্রোশেন করিয়েছে। রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না৷ আমি নিজে রক্ত দিয়েছি, আরেকজনের কাছ থেকে রক্ত যোগার করে দিলাম। বাচ্চা মেয়েটির জন্যে যতটা খারাপ লাগছিল তার থেকে তার বাবা মায়ের আচরণ দেখে। তাদের কাছে বিষয়টি তেমন কোন কিছুই মনে হচ্ছে না। ঢাকাতে বাবা মায়েরা বাচ্চাদের এতটাই লাগামহীন করে ফেলেছে যে, এইসব বাচ্চাদের কাছে কোন নৈতিকতা নাই, কোন শ্রদ্ধা বোধ নাই৷ তারা অন্যদের মানুষই মনে করে না। আর গার্জিয়ানও তাদের এইসব অন্যায়ের পক্ষ নেয়। ঢাকা কলেজ, আইডিয়াল, সিটি কলেজ, তেজগা কলেজ, এইসব কলেজের ইলিভেন টুয়েলভ ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের ড্রাগ টেস্ট করা হোক, দেখবেন কি ভয়ংকর রুপ ধরা পরবে । আরেকটা ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে এদের বাবা মায়ের মধ্যেও বহুগামিতা এদের নৈতিকতাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে৷।। ✍️ রাশেদ আলম
4 458
20
Janjuatalks, একজন পাকিস্তানি ইনফ্লুয়েন্সার, একটা অনন্য ধরনের প্র্যাঙ্ক করে। তিনি অনলাইনে নকল ইসরাইলি আইডি ব্যবহার করে ভারতীয়দের সাথে ভিডিও কল করেন এবং শুরুতেই জিজ্ঞাসা করেন, “তুমি কি ইসরাইলকে পছন্দ করো?” যেই না ইসরাইলের নাম শোনে, অনেক ভারতীয় তৎক্ষণাৎ খুশিতে ফেটে পড়ে। তারা বলতে থাকে, “আমাদের দুই দেশের মধ্যে তো অসাধারণ সম্পর্ক! আমরা একসাথে আছি।” কেউ কেউ আরও উৎসাহ দেখিয়ে বলে, “ইসরাইল আমাদের ভাইয়ের মতো।” তখন Janjuatalks ধীরে ধীরে প্রশ্নটা ঘুরিয়ে দেন, “আমরা তো মুসলমানদের হত্যা করছি, তোমরা কি এটা সমর্থন করো?” অবাক করা বিষয় হলো, অনেকেই সরাসরি বলে ফেলে, “হ্যাঁ, পছন্দ করি। আমরাও মুসলমানদের বিরুদ্ধে আছি।” একটা ভিডিওতে একজন ভারতীয় আর্মির লোক গর্ব করে বলেছে, “আমি ইতিমধ্যে ১০-১২ জনের বেশি মুসলমানকে মেরেছি।” আরেকজন সৌদি আরবে থাকা ভারতীয় প্রবাসী আরও চরম কথা বলেছে, “আমি চাই পুরো পৃথিবী থেকে মুসলমানরা ধ্বংস হয়ে যাক।” কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে: একজন ভারতীয় যুবক বলেছে, “প্যালেস্টাইনের কোনো দরকার নেই, পুরো জায়গাটা ইসরাইলের হওয়া উচিত। মুসলমানদেরকে সাগরে ফেলে দাও।” আরেকজন বলেছে, “কাশ্মীরে যা করছি, সেটাই ঠিক। সব মুসলিমকে ওখান থেকে বিতাড়িত করতে হবে। ইসরাইল যেভাবে করছে, আমরাও সেভাবে করব।” কয়েকজন তো এমনকি হিন্দুত্ববাদী স্লোগান দিয়ে বলেছে যে, “মুসলমানদের জন্য ভারতে কোনো জায়গা নেই। তাদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানিয়ে রাখতে হবে।” প্রতিটা ভিডিওর শেষে Janjuatalks নিজের আসল পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমি আসলে পাকিস্তানি মুসলমান। তোমাদের মাথায় কি কোনো জ্ঞান নেই? তোমরা মুসলমান শিশু-বাচ্চাদের মারতে চাও? ইসরাইলকে সমর্থন করে নিজেদের মানবতা বিকিয়ে দিচ্ছো?” এই কথা শোনার সাথে সাথে অধিকাংশ ভারতীয় ভিডিও কল কেটে দেয়, কেউ কেউ গালাগালি করে, কেউ আবার চুপ করে থাকে। এতে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এই ধরনের চিন্তাভাবনা অনেকের মধ্যে গভীরভাবে গেঁথে আছে। শেষ কথা: এই ভিডিওগুলো দেখলে বোঝা যায়, কিছু মানুষ কতটা বিষাক্ত ঘৃণা পোষণ করে। একজন ইনফ্লুয়েন্সারের একটা প্র্যাঙ্কই অনেকের আসল চেহারা বের করে আনে। এই ঘৃণা শুধু ইসরাইল-প্যালেস্টাইন নিয়ে নয়, এটা মুসলমানদের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে। আপনারা নিজেরাই Janjuatalks এর পেজে গিয়ে ভিডিওগুলো দেখতে পারবেন। সত্যি চোখে দেখলে বিশ্বাস হবে। এই ধরনের প্রতারণা আর প্রকাশিত সত্য যেন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে। ঘৃণা ছড়ানোর আগে নিজেদের চিন্তাভাবনা একবার চেক করা উচিত। 🍥 Ali Akbar
3 461