Irfan Sadik
رفتن به کانال در Telegram
9 485
مشترکین
+624 ساعت
+527 روز
+12630 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئن '26
ژوئن '26
+187
در 2 کانالها
مه '26
+111
در 1 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+87
در 4 کانالها
Get PRO
مارس '26
+70
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+907
در 3 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+195
در 4 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+100
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+116
در 6 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+98
در 1 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+228
در 4 کانالها
Get PRO
اوت '25
+245
در 10 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+418
در 8 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+201
در 8 کانالها
Get PRO
مه '25
+100
در 4 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+114
در 1 کانالها
Get PRO
مارس '25
+354
در 7 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+101
در 3 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+150
در 5 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+254
در 5 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+715
در 3 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+209
در 5 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+385
در 7 کانالها
Get PRO
اوت '24
+367
در 4 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+1 117
در 10 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+193
در 2 کانالها
Get PRO
مه '24
+105
در 3 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+67
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '24
+113
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '24
+921
در 3 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+367
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '23
+506
در 10 کانالها
Get PRO
نوامبر '23
+701
در 8 کانالها
Get PRO
اکتبر '23
+1 199
در 9 کانالها
Get PRO
سپتامبر '23
+140
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '23
+255
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '23
+131
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '23
+178
در 0 کانالها
Get PRO
مه '23
+317
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '23
+52
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '23
+59
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '23
+295
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '23
+504
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '22
+76
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '22
+53
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '22
+203
در 0 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 18 ژوئن | +15 | |||
| 17 ژوئن | +8 | |||
| 16 ژوئن | +10 | |||
| 15 ژوئن | +2 | |||
| 14 ژوئن | +21 | |||
| 13 ژوئن | +23 | |||
| 12 ژوئن | +3 | |||
| 11 ژوئن | +7 | |||
| 10 ژوئن | +1 | |||
| 09 ژوئن | 0 | |||
| 08 ژوئن | +7 | |||
| 07 ژوئن | +9 | |||
| 06 ژوئن | +13 | |||
| 05 ژوئن | +7 | |||
| 04 ژوئن | +52 | |||
| 03 ژوئن | +6 | |||
| 02 ژوئن | +2 | |||
| 01 ژوئن | +1 |
پستهای کانال
আল্লাহ ড. মুরসীকে ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাত নসীব করুন।
তিনি উম্মাহর জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন। দ্বীনকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। যা করেছেন, ইখলাসের সাথে করেছেন।
তিনি গাযার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, সুরিঅ।র মুসলিমদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন।
বক্তব্য, রেটরিক ও ন্যারেটিভে তিনি চেষ্টা করেছেন সেক্যুলার বা আরব জাতীয়তাবাদ থেকে বের হয়ে ইসলামী সিয়াসাত ও উম্মাহর জায়গা থেকে কথা বলতে।
তবে সাথে এটাও সত্য, মিশরে বিপ্লব শেষ হওয়ার আগেই রেজিমের একটা অংশ, অর্থাৎ সেনাবাহিনীর সাথে তারা নেগোসিয়েশনে গিয়েছিলেন।
গাযা ইস্যুতেও তিনি ক্যাম্প ডেভিড একোর্ড ছুঁড়ে ফেলতে পারেন নি।
তিনি আগের সিস্টেমকে ধ্বংস করতে, তাকে বদলে দিয়ে দ্বীন কায়েম করতে ব্যর্থ হয়েছেন। শুধু তাই নয়, মিশরের সংবিধান ইতিমধ্যেই ইসলামিক আছে বলে দাবি করেছেন।
বিপ্লব শেষ করতে না পারা, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে না পারা, লড়াইয়ের গাটস না থাকার পরিণতিতে তাকে নির্মমভাবে পদচ্যুত করা হয়েছে।
হাজার হাজার ব্রাদারহুড নেতাকর্মীকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে।
মিশরে যেকোনো ইসলামী আন্দোলন দাঁড় করানোর সম্ভাবনাকে একটা দীর্ঘ সময়ের জন্য শেষ করে দেওয়া হয়েছে।
আমি বিশ্বাস করি, ড. মুরসি যা করেছেন, ইখলাসের সাথে করেছেন।
আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে দিন। জান্নাত নসীব করুন।
কিন্তু আমাদের ড. মুরসি ও তাঁর দল থেকে অনেককিছু শেখার আছে। গণভিত্তি তৈরির ক্ষেত্রে তাঁদের সফলতা থেকেও শেখার আছে। সংস্কারবাদি গণতান্ত্রিক পন্থার পরিণতি থেকেও শেখার আছে।
Insanity is doing the same thing over and over again and expecting different results.
'মুমিন একই গর্তে দুবার দংশিত হয় না’ (বুখারি : ৬১৩৩)
‘আল্লাহ তোমাদের উপদেশ দিচ্ছেন—তোমরা যদি মুমিন হও তবে কখনো অনুরূপ আচরণের পুনরাবৃত্তি করো না।’ (সুরা নুর : ১৭)
| 2 | بدون متن... | 291 |
| 3 | আধুনিক সময়ে কি সেলিব্রেটিরাই খোদা?
https://youtube.com/shorts/8-BpIxV8_tE | 522 |
| 4 | দিনশেষে সারাদিন প্র্যাক্টিসিং মুসলমানদের চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ করা সব সেলফ রাইচাস সেক্যুলাররা একেকটা বাজে মাত্রার চরিত্রহীন, ক্রিমিনাল। earki-এর এডিটরের বিষয়টাতেও অবাক হওয়ার কিছু নাই। একই প্যাটার্ন। | 643 |
| 5 | মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন হারাম। তবে ইবাদতের উদ্দেশ্যে না হলে শিরক হবে না।
কিন্তু কুফরি আইন দিয়ে শাসন করা, হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করা যে কুফরে আকবর, এটা কুরআন, সুন্নাহ ও সালাফদের ইজমা দ্বারা প্রমাণিত।
পপুলিস্ট ও রেটরিকের রাজনীতি করলে দ্বিতীয়টা মেনে নিয়ে প্রথমটা নিয়ে অনেক কনসার্ন দেখানো যায়, মাতামাতি করা যায়, সেটা নিয়ে কথা বলে বাহাবাও পাওয়া যায়।
কিন্তু কুরআন ও সুন্নাহর চোখে দ্বিতীয় কাজটাই নিকৃষ্টতম ধরণের কাজ। সেটার ভয়াবহতা ও হুকুম নিয়ে কথা বলাটা রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক না। কঠিন রাস্তা।
তাই যাক, প্রচলিত রাজনীতির জন্য পপুলিজমই ভালো। | 819 |
| 6 | ২০১৮ সালে বিশ্বখ্যাত পাবলিশার Routledge থেকে একটি বই প্রকাশিত হয়। বইটার নাম হলো—Islamophobia in Muslim Majority Societies. বইটা মূলত একটি স্কলারলি রিসার্চ ভলিউম। বেশ কিছু রিসার্চার বিভিন্ন মুসলিম দেশের ইসলামোফোবিয়া নিয়ে এখানে একেকটা অধ্যায় লিখেছেন।
ইসলামোফোবিয়া নিয়ে যখন আলাপ হয়, তখন সাধারণ পশ্চিমা বিশ্ব নিয়ে আলাপ হয়, যেখানে মুসলিমরা মাইনোরিটি। অর্থাৎ অমুসলিমরা মুসলিমদেরকে জুলুম করছ—এমন সিম্পলিফাইড ওয়েতে সাধারণত ইসলামোফোবিয়ার আলাপটা করা হয়।
এ বইয়ে তারা এ বিষয়টাকেই চ্যালেঞ্জ করেছেন। পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক, ইথিওপিয়ার মত নানা মুসলিমপ্রধার দেশের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তারা বলেছেন, সেক্যুলার এলিট, পোস্ট কলোনিয়াল ইন্সটিটিউশন, সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্র, মিডিয়া ও জাতীয়তাবাদি নানা প্রজেক্টও ইসলামোফোবিয়ার চর্চা করে এবং প্রচার করে।
পোস্ট কলোনিয়াল মুসলিম মেজোরিটি রাষ্ট্রগুলোর শাসনব্যবস্থা, ব্যুরোক্রেসি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কলোনিয়ালিজমের সময় প্রতিষ্ঠিত কাঠামো। সে সময় তারা যে কাজ করে যাচ্ছিলো, পরেও তারা সে কাজই করছে—মুসলিমসহ জনসাধারণকে শোষণ করা এবং ইসলামকে আদারিং করে প্রতিরোধের স্পিরিটকে দমন করা।
উল্লেখ্য, এখানের যে এডিটর বা রিসার্চরা, তারা ইসলামিস্ট কেউ না। জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরের মত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারদের লেখা একটা রিসার্চ ভলিউম এটা।
দ্য পোস্ট, নেত্র নিউজের নাজমুল আহসানসহ অনেকেই ৯০% মুসলমানদের দেশে আদৌ ইসলামোফোবিয়া থাকতে পারে কিনা—এ আলাপটা করছেন। এ আলাপগুলো যারা করছেন তারা প্রায় সবাই হয় কলকাতাপন্থী বাঙালি জাতীয়তাবাদি অথবা পশ্চিমা সেক্যুলার মতাদর্শী লোকজন।
ব্যাপারটা অনেকটা হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্ট শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাজ্ঞদের কাছে এসে রেসিজম অস্বীকার করার মত। যারা জালিম, তারা তো তাদের জুলুমকে জুলুম মনে করবে না। তারা মনে করতে পারে আমরা এটা ডিজার্ভ করি। এমনকি তারা এ জুলুমকে মজলুমের প্রতি দেখানো ভালোবাসা বলেও মনে করতে পারে!
বাস্তবতা হলো, আমাদের এখানে ইসলামকে আদারিং করা, ইসলাম পালনকে নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করা এবং প্র্যাক্টিসিং মুসলিমদেরকে নানারকম বৈষম্য করার মত যে ইসলামবিদ্বেষী বিষয়গুলো ঘটে—সে বিষয়টা এসেছে দুটো ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে।
১. বেঙ্গল রেনেসাঁ এবং ব্রিটিশ-বিন্দু জমিদারদের মৈত্রী
২. পাকিস্তানবিরোধী বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান
ব্রিটিশরা তাদের সিভিলাইজেশনাল প্রজেক্টের অংশ হিসেবে এবং তাদের কাজ এগিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবে মুসলিমদের মধ্যে একটা অংশ তৈরি করেছে, যাদের ব্যাপারে ম্যাকলের ভাষায় বললে “রক্ত মাংসে ভারতীয়, চিন্তা চেতনায় ব্রিটিশ”। তাদেরকেই নানা পর্যায়ে ক্ষমতা হ্যান্ড ওভার করে ব্রিটিশরা চলে গেছে।
ফলে আমরা যাদের মধ্যে ইসলামোফোবিয়া দেখি, এরা আদর্শিকভাবে ব্রিটিশ এবং প্রবল আত্মঘৃণা রাখা মুসলিম নামধারী। দ্য পোস্ট, নাজমুল আহসানরা এদেরই অংশ।
মুসলিমদেশে কাঠামোগত ইসলামোফোবিয়া থাকে—এটা অসংখ্য রিসার্চ ও ঘটনা দ্বারা প্রমাণিত। এটা যারা স্বীকার করে না, হয় তারা এটা স্বীকার না করে জুলুম চালিয়ে যেতে চায়, অথবা তারা মূর্খ। | 870 |
| 7 | بدون متن... | 730 |
| 8 | রিসেন্টলি বাংলাদেশের নানা সাংবাদিক ও প্লাটফর্ম নতুন একটা কথা মাঠে আনছে। সেটা হলো—বাংলাদেশে ইসলামোফোবিয়া আছে, বা ইসলামোফোবিয়া একটা প্রধান সমস্যা এটা ভুল কথা। ৯০% মুসলমান যে দেশে সে দেশে ইসলামই তো ডোমিনেন্ট।
তাই যারা এ কথা বলে তাদের আসলে অন্য এজেন্ডা আছে। তারা ইসলামোফোবিয়া নিয়েও আসলে কনসার্নড না, তারা মুসলমানদের নিরাপত্তা নিয়েও কনসার্নড না।
আসলেই ব্যাপারটা কি এমন কিনা? এ বিষয়টা নিয়ে জুলাইয়ের পর পর এক সেমিনারে আলোচনা করেছিলাম। ৯০% মুসলমানের দেশে কীভাবে ইসলামোফোবিয়া থাকতে পারে? পশ্চিমের প্রেস্ক্রিপশনই আমরা বাংলায় বসিয়ে দিচ্ছি কিনা? এর বাস্তবতা কী?
এখানে ধাপে ধাপে আমি দেখিয়েছি ইসলামোফোবিয়ার উৎপত্তি কোথা থেকে, কোন কোন সেক্টরে ইসলামোফোবিয়া হয়। দেখতে পারেন।
https://youtu.be/gMjRYdJ9S8k | 794 |
| 9 | https://youtube.com/shorts/mjQ6IZCMQ0w?feature=share | 713 |
| 10 | মুসলিম জাতীয়তাবাদি ও পোস্ট ইসলামিস্টরা এখনও নিকাবের প্রশ্নকে ফ্রেইম করে যাচ্ছেন ব্যক্তিস্বাধীনতার জায়গা থেকে। অথচ এ ফ্রেইমিং এর ব্যর্থতা প্রমাণিত।
ধর্মীয় ও ব্যক্তিস্বাধীনতার জায়গা থেকে সেক্যুলাররা এর অধিকার দিলেও নিকাব তাদের কাছে প্রেফারেবল না। তারা অধিকার দিতে পারে—কিন্তু একে সম্মান করবে না। একে সমালোচনার শতভাগ স্বাধীনতা ও অধিকার তাদের আছে।
তাই কিছু একটা হলেই তারা নিকাবকে আক্রমণ করে। হোক সেটা ফ্রান্স, আমেরিকা, ভারত কিংবা বাংলাদেশে।
নিকাব কোনো ফ্যাশন চয়েজ না। যেসব মুসলিম নারী নিকাব পরেন, তারা আল্লাহর আদেশ হিসেবে এটা পরেন। তাই লিবারেল অবস্থান থেকে নিকাবকে আজীবনই একটা পরাধীনতা, আরোপিত কিছু হিসেবে দেখা হবে।
নিকাব ব্যক্তিস্বাধীনতা তো নয়ই, বরং নিকাব হলো নিজেকে প্রদর্শনের ইচ্ছা, রূপের প্রশংসিত হওয়ার ইচ্ছা, প্রবৃত্তির চাহিদাকে দমন করে আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ।
যদি আপনি তাদেরকে ফ্রেইমিং মেনে নেন, তাহলে নিকাবের সমালোচনার স্বাধীনতা, ধর্মীয় বিধানের সমালোচনার অধিকার ও অশ্লীলতা প্রসারের অধিকারও মেনে নিতে হবে। সেখানে অন্য কোনো অধিকারের প্রশ্ন আনা যাবে না।
যারা মুসলিম, যারা আল্লাহর আনুগত্য করে, যারা ইসলামকে একমাত্র হক্ব দ্বীন বলে মানে, তারা এ ব্যাপারে সেক্যুলারদের এপ্রুভাল খুঁজতে হীনম্য ফ্রেইমিং থেকে দূরে থাকবে। পর্দাকে পরিষ্কারভাবে আল্লাহর বিধান হিসেবেই ডিফেন্ড করবে।
আল্লাহ তৌফিক দিন। | 828 |
| 11 | https://youtu.be/dXcDN9IWkQg?si=_xz0iMlBTJh75X30 | 915 |
| 12 | জামাআতে ইসলামী মানহাযের লোকদের একটা সমস্যা হলো, তারা সবকিছু রাজনীতির দৃষ্টিতে দেখে। রাজনীতিকেই ইসলামের মূল বিষয় বলে তারা মনে করে। রাজনীতির স্বার্থে সব কিছুকে বৈধ মনে করে। (রাজনীতি বলতে সেক্যুলার ডেমোক্রেটিক রাজনীতি)
.
তাই আপনি দেখবেন, ইসলামপন্থীদের মধ্যে যারা সেক্যুলার ডেমোক্রেট রাজনীতি করে না, তাদের ব্যাপারে এ লোকরা খুবই হস্টাইল। এটা কওমি-সালাফি আলিমদের থেকে নিয়ে তাজদিদি ইসলামিস্ট—সবাইকেই তারা মূর্খ কিংবা খারেজি বা নানাকিছু মনে করে।
.
এই একই কারণে, তারা হারামকে হালাল বানায়, সব হারামের পক্ষে যুক্তি বের করে ফেলে, নিজের দলের ইমেইজ বাঁচাতে সাহাবাদেরকে তোহমত দেয়, ঢাবি সংসদ নির্বাচনে গ্লোরিফাইড ক্লাস ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য দ্বীনের মৌলিক বিষয়াশয় ছেড়ে দেয়, বদলে ফেলে।
.
যদিও মাওলানা মওদূদী রাহিমাহুল্লাহর দ্বীনের জন্য অনেক ভূমিকা আছে, কিন্তু এ চিন্তার ভিত্তি তিনিই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। সালাত, সিয়াম থেকে নিয়ে কুরআনি অনেক পরিভাষাকেও তিনি প্রচলিত রাজনীতির সাথে গুলিয়ে ফেলেছিলেন।
.
তাই জামাআতের এ ধরণের কথার সমস্যা ব্যক্তির সমস্যা না। সমস্যা তাদের মানহায, উসূল ও তাদের প্রতিষ্ঠাতা তাত্ত্বিকের দৃষ্টিভঙ্গিতে। জামায়াত-শিবির দল হিসেবে এগুলো সমাধান করবে বলে মনে হয় না। কারণ তা করলে তাদের রাজনীতিই টিকে থাকে না।
.
কিন্তু জামাআত-শিবিরের মধ্যে যারা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর প্রকৃত অনুসরণ করতে চান, যথাযথভাবে দ্বীন বুঝতে চান, তাদের দ্বীনের মৌলিক উসুলে ফিরে আসা উচিত। ইসলামের এই রিচ সিলসিলা থেকে নিজের চিন্তা ও মতাদর্শ পরিশুদ্ধ করা উচিত। | 1 022 |
| 13 | ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের যে ক্রেজ এটার পেছনে নানা কারণই আছে।
.
ফুটবল জনমানুষের খেলা, যেখানে ক্রিকেটকে ধরা হয় এলিটদের খেলা। আবার যখন দেশে নতুন নতুন টিভি আসলো, তখন ম্যারাডোনা কিংবা পেলের হাত ধরে আমাদের এখানে ফুটবল ক্রেইজ প্রবেশ করলো।
.
তবে খেলা নিয়ে মাতামাতি আমাদের এখানে প্রবেশ করেছে ভিন্ন ফেইজে।
.
স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে জার্মানির পতাকা বানানো, খেলা নিয়ে মানুষ খুন করে ফেলা থেকে নিয়ে সমাজ ও রাজনীতির সবকিছুকে ছাপিয়ে বিশ্বকাপই প্রধান আলোচনা হয়ে যাওয়া—এগুলোকে আর সাধারণ বিনোদন বা নিরীহ ভালোবাসা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
.
কিছু বছর দেখেই বাংলাদেশের মানুষের একটা সাধারণ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সে প্রতিদিনই নতুন ইস্যু খোঁজে, নতুন নতুন বিষয় নিয়ে সে ব্যস্ত থাকতে চায়। সে প্রবল আগ্রহ নিয়ে গালাগালি, কটাক্ষ, হাসি-তামাসা করার ইস্যু খুঁজতে চায়।
.
ফুটবল বিশ্বকাপও এর ব্যতিক্রম না।
.
এর পেছনে একটা কারণ হলো, আমাদের আসলে জাতিগতভাবে কোনো লক্ষ্য নেই। কালেক্টিভ পারপাস নেই। জাতিগতভাবে আমরা কী করতে চাই—সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমাদের মধ্যে চেপে বসে আছে anomie বা উদ্দেশ্যহীনতা।
.
বাংলাদেশের পয়েন্ট কী? কেন এ দেশটার এক্সিস্ট করতে হবে? এ মাটিতে থাকা মানুষগুলোর লক্ষ্য কী? কোনদিকে আমাদের অন্তিম নিয়তি?
.
এ প্রশ্নগুলোর কোনো জবাব সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রের নেই। সেক্যুলারিজম এক প্রকার নিহিলিজম। সেক্যুলারিজমের কাছে মানুষের জীবনের আসলে কোনো পয়েন্ট নেই—subject to entropy decay and eventual death. এটাই জীবন।
.
ভেবে দেখুন, ২০২৪ এর অগাস্টে কি মানুষের অবস্থা এমন ছিল? সে সময় বিশ্বকাপ হলে কি এ পাগলামি করতো?
.
না। কেননা মানুষের সামনে অনেক বড় লক্ষ্য ছিল। মানুষ নিজেকে ইতিহাসের অংশ বলে মনে করছিল। সে মনে করেছিল, সে এক ঐতিহাসিক আমূল পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। এখানে সে জাতির ব্যাপারে রেসপন্সিবল। তার কিছু করার আছে।
.
কিন্তু সে দিন শেষ। মানুষ ফিরে গেছে আগের লাইফে। হীনমন্য, উদ্দেশ্যহীন, মূল্যহীন জীবনযাপনে। অন্তত সে নিজে সেটা মনে করে। এখন মানুষ রাতে ঘুমাতে গিয়ে নিজেকে নিয়ে গর্বিত হতে পারে না। অন্তর ভরা আত্মতৃপ্তি নিয়ে ঘুম দিতে পারে না।
.
ইসলাম যেকোনো কওমকে উদ্দেশ্য দেয়, লক্ষ্য দেয়। ইসলাম মানুষকে এক গ্লোরিয়ার ফিউচারের স্বপ্ন দেখায়। এজন্য তাকে কুরবানি করতে উৎসাহী করে, কাজ করতে আগ্রহী করে। ইসলাম মানুষকে কওমের ভাগ্য গড়তে, লড়াই করতে প্রস্তুত করে।
.
ইসলাম কওমকে বলে দ্বীনের ঝান্ডা নিয়ে যেতে পূর্ব থেকে পশ্চিমে।
.
আমাদের জাতির চিন্তা ও মানসিকতার র্যাডিকেল পরিবর্তন দরকার। ধ্বংস দরকার মানুষের সেন্সকে অবশ করে রাখা ভোগবাদ, বিনোদন ও মূল্যহীনতার। পতন দরকার এগুলোকে তৈরি করা, বাঁচিয়ে রাখা পোস্ট কলোনিয়ার এ জাতিরাষ্ট্রের।
.
এর জন্য দরকার—দাওয়াহ ও তাজদিদ। প্রতিষ্ঠা করতে হবে—আল্লাহর নিজাম। | 1 410 |
| 14 | গত বিশ্বকাপের সময় বিশ্বকাপ নিয়ে কমন কিছু তর্কের জবাব দিয়েছিলাম। দেখতে পারেন। যদিও তখন দেখতে একদম রোগা ছিলাম।
https://youtu.be/XfunGSJaTZ4?si=9CVJNMMrHlk-Minj | 1 244 |
| 15 | আমি ইনাদেরকে কিছুটা র্যাশনাল লোক ভাবতাম। দেখি ইনারা সারাক্ষণ তক্কে তক্কে থাকে, কখন ইসলামিস্ট মহলের কিছু একটা হবে, এবং তা নিয়ে প্রত্যেকে, আই রিপিট, প্রত্যেকে পোস্ট না দিলে হামলে পড়বে, "হ্যাঁ এখন মুখটা বন্ধ কেন, হ্যাঁ?"
অথচ আজকে সকাল থেকেই দেখছি খিলাফতপন্থীরাই গণহারে হালালার বিরুদ্ধে লিখছে। ভালো ধরণের ফলোয়ার থাকা লোকজনই। আর ইসলামিক মহলের অভ্যন্তরের মোরাল ডিকে নিয়ে আমরা "প্রত্যেকেই" লিখেছি। সমালোচনা করেছি, ইসলাহ করেছি।
কিন্তু না, দ্যাট ইজ নট গুড এনাফ ফর দেম। কারণ যেকোনো মূল্যে সেক্যুলার ডেমোক্রেসির মূর্তিকে তাদের রক্ষা করতে হবে। | 1 297 |
| 16 | بدون متن... | 1 175 |
| 17 | আল-জাজিরার Bodies of Evidence ডকুমেন্টারিটি প্লিজ সবাই দেখুন। কারাগারে ফল/স্টিনি বন্দিদের সাথে কী করা হয়, এর বেশ ডিটেইল বর্ণনা তারা এনেছে। ধর্ষণে কুকুরকে ব্যবহারের বর্ণনা ইতিমধ্যেই আপনারা দেখেছেন।
সম্ভব হলে কিছু কাজ করুন—
১. এটার বাংলা সাবটাইটেল করে ফেলুন (ডাব করতে পারলে খুব ভালো)
২. এটা শকিং, গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ক্লিপ করুন
৩. এটা নিয়ে এক্টিভিস্ট ক্লাবগুলো প্রদর্শনীর আয়োজন করতে পারেন
৪. এর মূল পয়েন্টগুলো দিয়ে ইনফোগ্রাফিক্স ক্যারোসল, ফটোকার্ড হতে পারে
৫. এটা নিয়ে দেড়-দুই মিনিটের এক্সপ্লেনেশন ভিডিও আসতে পারে
সব কাজেই শুধু ইসর/ইল কত খারাপ তা না দেখিয়ে, কাদের সমর্থন, অর্থ ও অস্ত্রে এসব কাজ হচ্ছে তা দেখাতে হবে। একইসাথে এদের, এপস্টিনদের আদর্শ কী সেটাও তুলে ধরতে হবে। সতর্ক করতে হবে যারা এগুলো আমদানি করতে চায় তাদের ব্যাপারেও।
আল্লাহ এ অমানুষদের থেকে বিশ্বকে রক্ষা করুন। মুয/হিদদেরকে বিজয় দান করুন। | 1 307 |
| 18 | তেমন কিছু না।
জাস্ট হাসিনাকে ভাগিয়ে দিয়েছে, অভ্যুত্থান হাইজাক করেছে, আওয়ামী খুনীদেরকে প্রটেকশন দিয়ে অনেককেই দেশ থেকে সেইফ এক্সিট দিয়েছে, আয়নাঘরের অবস্থা বিকৃত করেছেন যেন কেউ ক্রাইমের মাত্রা না বোঝে।
তো কী হয়েছে? বুকে পাথর চাপা দিয়ে দাড়িটা তো রেখে দিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। | 1 200 |
| 19 | সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষদের কাছে জিজ্ঞেস করে আসুন, তাদের ফাইটিং স্পিরিট কোত্থেকে আসে। তারা তাকবির কেন দেয়। কেন তারা ইন্ডিয়াকে রুখে দিতে এতো অগ্রণী। জবাবে তারা ইসলাম, মাটির প্রতি ভালোবাসার মত বিষয়গুলোই বলবে। স্পিরিট হিসেবে শাহাদাত, জান্নাতের মত বিষয়গুলোই তারা চিন্তা করে।
.
তাদেরকে বোঝাতে যান যে নয়া বন্দোবস্ত, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, লিবারেল মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক আইনই তাকে রক্ষা করবে। সেই স্পিরিটে সে প্রতিরোধ করুক। সে হেসে দেবে বা আপনাকে মাথানষ্ট কিছু একটা ভাববে।
.
উল্টো সেক্যুলাররা প্ল্যান করে এগুলো তার মধ্যে ঢুকাতে গেলে তার ফাইটিং স্পিরিটও নষ্ট হবে। তারা তখন যৌনস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতায় বুঁদ হয়ে পর্ন এডিকশন, হুক আপ কালচারে ঢুকবে। মাটি, কওম, দ্বীন মাথা থেকে বের হয়ে গিয়ে আত্মকেন্দ্রিক নার্সিসিস্ট কিছু লোক তৈরি হবে।
.
অর্থাৎ দায়িত্বশীলতা, ফাইটিং স্পিরিট—এ ধরণের বিষয়গুলোর জন্য, কওম ও মাটিকে রক্ষার জন্য আপনার ইসলামকেই লাগবে।
.
লিবারেল মূল্যবোধ, সেক্যুলারিজম কিছু নপুংসক, ভীতু, আত্মকেন্দ্রিক লোক তৈরি করবে, যারা নিজের দেহের আর নফসের সুখ বাদে আর কিছুই বোঝে না। কওম, মাটি ও দ্বীন নিয়ে চিন্তা করা যার জন্য বিরক্তিকর। Not cool enough. | 1 418 |
| 20 | মাওলানা মওদুদী রাহিমাহুল্লাহ তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন,
“যেহেতু আমাকে ছোটবেলা থেকেই আলাদা রাখা হয়েছিল, তাই এর ভালো-মন্দ দুটো দিকই আমার জীবনে ছিল। তবে এর ফলে আমি যখন সমাজে মিশতে শুরু করি, তখন আমি অনেক বেশি সচেতন ও সজাগ ছিলাম।
বাবার সাথে আলোচনা ও তার দেওয়া শিক্ষা আমাকে ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝতে শিখিয়েছিল। তার হাতে পাওয়া আমার এই প্রাথমিক শিক্ষা আমার ওপর এমন এক স্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল যে, আমি খুব সহজেই বাইরের কোনো প্রভাবে ভেসে যেতাম না।”
ছোটবেলাতেই বাচ্চাদেরকে স্কুলে না দিয়ে মোটামুটি একটা বয়স পর্যন্ত বাসায় পড়ানো ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার গুরুত্ব। | 1 455 |
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
