Irfan Sadik
رفتن به کانال در Telegram
9 446
مشترکین
+524 ساعت
-217 روز
+1530 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '26
ژوئیه '26
+20
در 1 کانالها
ژوئن '26
+226
در 3 کانالها
Get PRO
مه '26
+111
در 1 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+87
در 4 کانالها
Get PRO
مارس '26
+70
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+907
در 3 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+195
در 4 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+100
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+116
در 6 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+98
در 1 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+228
در 4 کانالها
Get PRO
اوت '25
+245
در 10 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+418
در 8 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+201
در 8 کانالها
Get PRO
مه '25
+100
در 4 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+114
در 1 کانالها
Get PRO
مارس '25
+354
در 7 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+101
در 3 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+150
در 5 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+254
در 5 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+715
در 3 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+209
در 5 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+385
در 7 کانالها
Get PRO
اوت '24
+367
در 4 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+1 117
در 10 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+193
در 2 کانالها
Get PRO
مه '24
+105
در 3 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+67
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '24
+113
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '24
+921
در 3 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+367
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '23
+506
در 10 کانالها
Get PRO
نوامبر '23
+701
در 8 کانالها
Get PRO
اکتبر '23
+1 199
در 9 کانالها
Get PRO
سپتامبر '23
+140
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '23
+255
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '23
+131
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '23
+178
در 0 کانالها
Get PRO
مه '23
+317
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '23
+52
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '23
+59
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '23
+295
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '23
+504
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '22
+76
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '22
+53
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '22
+203
در 0 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 09 ژوئیه | +1 | |||
| 08 ژوئیه | +8 | |||
| 07 ژوئیه | +1 | |||
| 06 ژوئیه | +1 | |||
| 05 ژوئیه | +3 | |||
| 04 ژوئیه | 0 | |||
| 03 ژوئیه | +3 | |||
| 02 ژوئیه | +3 | |||
| 01 ژوئیه | 0 |
پستهای کانال
সাংবাদিক Rajib Ahamod আজকে একটা পোস্টে বললেন,
"ইসলামপন্থিদের মধ্যে গণতন্ত্রে অংশ নেওয়া নিয়মতান্ত্রিক দল যেমন আছে, আবার গণতন্ত্রকে হারাম মনে করা উগ্রগোষ্ঠীও আছে। প্রথম পক্ষটি ব্যালটে বিশ্বাসী, দ্বিতীয়টি বুলেটে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রথম পক্ষের সহাবস্থান জরুরি। কিন্তু দ্বিতীয় পক্ষটির স্থান নেই।
... যে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়, গণতন্ত্রে তার স্থান নেয়নি বাংলাদেশের দ্বিতীয় পক্ষটি যেহেতু বুলেটে বিশ্বাসী তো তাদেরও স্থান নেই। তাদের ধরে বিচার করাটা তাই মোটেও ইসলামবিদ্বেষ নয়। জঙ্গী নাটকও নয়।"
এ পোস্টে আবার এনসিপির নেতা Sarwar Tusher এরও লাইক আছে। কিছুদিন আগে সারওয়ার তুষারও এ ধরণের কথা ঢাকা স্ট্রিমের সাক্ষাৎকারে বলেন।
এখানে সাংবাদিক রাজিব আহমদের কথা শুনে বোঝা গেলো, ইসলামপন্থীদের মধ্যে দুইটা অংশ আছে। একটা গুড মুসলিম, আরেকটা ব্যাড মুসলিম।
গুড মুসলিম বা গুড ইসলামিস্ট হলো তারা যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।
আর ব্যাড মুসলিম বা ব্যাড ইসলামিস্ট মানে হলো যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। রাজিব আহমদের লেখায় ধরে নেওয়া হয়েছে এরা ডিফল্ট বুলেটে বিশ্বাসী। এদেরকে ধরে ধরে বিচার করতে হবে (যদিও এরা আইন ভেঙেছে এমন কিছু না)।
অর্থাৎ কারো কোনো কাজ করার প্রয়োজন নাই, আইন ভাঙার প্রয়োজন নাই, কেউ যদি বিশ্বাস করে গণতন্ত্র কুফরি—তাকে জেলে ভরো, শাস্তি দাও।
এটা তো বাজে রকম অরওয়েলিয়ান চিন্তা বটেই, সাথে এটা পুরোপুরি মিলে যায় ৯/১১ পরবর্তী সময়ে আমেরিকার প্রভাবশালী থিংক ট্যাংক RAND Corporation-এর সাথে। যারা মুসলিমদেরকে চারভাগে ভাগ করেছে। এর মধ্যে তাদের কাছে গুড মুসলিম হলো মডার্নিস্ট ও সেক্যুলারিস্ট মুসলিমরা।
তাদের বৈশিষ্ট্য কী?
এরা গণতন্ত্র, আন্তর্জাতিক আইন, প্লুরালিজম, তাদের প্রেস্ক্রাইভড নারী অধিকার, হিউম্যান রাইটস ইত্যাদিতে বিশ্বাস করে। যারা তা করে না, এরা মৌলবাদি, ট্র্যাডিশনালিস্ট মুসলিম। আমেরিকার লড়াই মূলত এদের সাথেই।
র্যান্ড বলছে—মডার্নিস্ট ও সেক্যুলারিস্টদের সাথে আমেরিকার এলাই করতে হবে, যাতে করে "মৌলবাদি"দেরকে দমন করা যায়।
রাজিব আহমেদের মত সাংবাদিকরা যে বাংলাদেশে র্যান্ডের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে, এবং এনসিপির মত প্রভাবশালী দলের নেতারাও যে এসব এজেন্ডার সাথে একমত এবং এটা নিজেরাও বিশ্বাস করে, তা জেনে আশা করি আমেরিকা খুশীই হবে। ফান্ড আসবে।
গণতন্ত্র কুফরি বিশ্বাস করা—এটাকে ধরা হয়েছে জ/ঙ-ইবাদের স্ট্যান্ডার্ড। অথচ ট্র্যাডিশনাল অসংখ্য দেওবন্দী আলিম, সালাফি আলিমরা, ইভেন জামাআত-ইখওয়ানের প্রধান প্রধান তাত্ত্বিকরা সবাই মনে করতো গণতন্ত্র কুফরি। এটা নিয়ে দ্বিমত নেই।
এমনকি যারা গণতান্ত্রিক পন্থায় যান, এমন আলিমরাও গণতন্ত্রকে কুফরিই মনে করেন। দ্বিমতের জায়গা হলো, সেক্যুলার রাষ্ট্রকে উলটে দিতে গণতন্ত্রকে ব্যবহার করা হবে কি হবে না, যাবে কি যাবে না তা নিয়ে। হুকুম নিয়ে তেমন কোনো দ্বিমত বা প্রশ্ন নেই।
রাজিব আহমেদ ও সারওয়ার তুষারের সংজ্ঞা অনুসারে, বাংলাদেশে দেওবন্দি, সালাফি আলিম ও ছাত্রদের বড় অংশই হলো জঙ-ই।
এই হলো জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ।
জুলাইয়ের দল ও সাংবাদিক থেকে নিয়ে রাজনীতিবিদরা শুধু আপনার বিশ্বাস ও কথার জন্য আপনাকে জেলে দেওয়া, শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে এডভোকেট করছে। জর্জ অরওয়েলের ডিস্টোপিয়ার মত শুধু চিন্তার কারণে আপনি ক্রিমিনালাইজড হচ্ছেন।
ভালো। চালিয়ে যান। আপনারা আমেরিকার থিংক ট্যাংকদের কথা অনুসারে কাজ করুন, আমরা করবো আল্লাহর কথা অনুসারে। দেখা যাক, কাকে আল্লাহ বিজয়ী করেন।
হাসবুনাল্লাহ।
| 2 | মারদিয়া মমতাজরা বলে ক্ষমতায় এসে অশ্লীলতা, সিনেমা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করে দিলেই নারীরা খুব কষ্টে পড়ে যাবে, ইসলামী শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে। এর মাধ্যমে তারা এ কওমের মেয়েদের ব্যাপারে কেমন ধারণা রাখে তা বোঝা যায়।
তারা মনে করে, এ কওমের মেয়েরা অধিকাংশই দ্বীনকে ঘৃণা করে, পর্দাকে ঘৃণা করে। তাই তারা সবাই বিদ্রোহী হয়ে দ্বীনের বিধানকে অস্বীকার করবে।
অন্যদিকে আমরা মনে করি, আমাদের কওমের মেয়েরা দ্বীনকে ভালোবাসে। দ্বীনের বিধান মানতে না পারলেও তারা সেটাকেই উত্তম বা সঠিক মনে করে। নাটক-সিনেমা, মিডিয়া, শিক্ষাব্যবস্থা, পিয়ার প্রেসারের কারণে, ঈমানি দূর্বলতার কারণে তারা দ্বীনের নানা বিধিবিধানের উপর আমল করতে পারে না।
শরিআহ আসলে তাদের দ্বীনের বিধান পুরোপুরি অনুসরণের পথে যত বাধা আছে, সেগুলো দূর করা হবে। তাদের ঈমান বৃদ্ধির ব্যাপারে নানা শিক্ষামূলক, তারবিয়াতি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইনশাআল্লাহ আমাদের বোনেরা দ্বীনে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করবেন।
আমরা কওমের নারীদেরকে মুর্তাদ, ইসলামবিদ্বেষী মনে করি না। যেটা খুব সম্ভবত মারদিয়া মমতাজরা মনে করে।
https://youtu.be/VUilZK3CerQ | 669 |
| 3 | সিয়ান ব্লগে একটা লেখা দিলাম। এখন থেকে ইনশাআল্লাহ নানা ব্লগে লেখা দেবো।
https://seanpublication.com/boi-theke-biplob/ | 651 |
| 4 | ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনিকে নিয়ে যে মুসলিম জাতীয়তাবাদি ও সেক্যুলাররা প্রচুর আদিখ্যেতা দেখাচ্ছে, এরা হয় প্রচন্ড ডিসঅনেস্ট, অথবা এরা এতোটাই রিটার্ডেড যে সাধারণভাবে চিন্তা করার ক্যাপাসিটিও তারা হারিয়ে ফেলেছে।
তারা যে কারণে ইসলামিস্টদেরকে অপছন্দ করে, ইসলামিস্টদের যে পয়েন্টগুলোর বিরোধিতা করে, এগুলোর অনেকগুলোই পূর্ণমাত্রায় বা আরো বেশি মাত্রায় খামেনি, তার ছেলে ও বর্তমান ইরানি শাসকবর্গের মধ্যে আছে।
- ২৪ এর অভ্যুত্থানের পরে ইসলামিস্টদের একাংশ যখন শরিআহর কথা বললো, তখন তারা ২৮ কে সাবোটাজের অভিযোগ আনলো ইসলামিস্টদের বিরুদ্ধে। অথচ খোমেনিও একই কাজ করেছিলো একটা সবার অংশগ্রহণে হওয়া অভ্যুত্থানে।
পার্থক্য হলো, ইসলামিস্টরা শুধু বলেছে। আর এদিকে খোমেনি কায়েমও করে ফেলেছে।
- এই মুসলিম জাতীয়তাবাদিরা আগে থেকেই, ইভেন জুলাই আসার পরেও বোরকা পরা ও জার্সি পরা দুজন ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ের জুলাইয়ে লাঠি হাতে বের হওয়ার ছবি দেখিয়ে বলে এটাই নাকি সামনের বাংলাদেশ। ইসলামিস্টরা অন্ধ, বোকা, নারী অধিকারের বিরোধী।
অথচ খামেনির ইরানে শুধু নারীর পোষাকের সমালোচনা করা হয় এমন না, বরং পোষাক কিছুটা এদিক ওদিক থাকলে তাকে জেলেও নেওয়া হয়। শাস্তিও দেওয়া হয়।
- ইসলামিস্টদের অনেককে তারা নানা "যঙ/গি" সংগঠনের সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ জানায়। এদিকে খামেনিরা ত/লিব।ন, হ/ম/স, হিযবুল্লাহ, অ/ল-কায়েদ/—যাদেরকে যঙ-ই সংগঠন বলা হয়, এদের অনেককেই কোনো না কোনো পর্যায়ে সাহায্য করেছে।
এদের অনেকের টপ লিডারশিপকেও তারা দেশে নানা চুক্তির মাধ্যমে আশ্রয় দিয়েছে।
এই মুসলিম জাতীয়তাবাদিরা হাসিনাকে ঘৃণা করার দাবি করে, অথচ খামেনি ও ইরানের তত্ত্বাবধায়নে যে পরিমাণ মানুষ হত্য/ করা হয়েছে, যেনোস/ইড চালানো হয়েছে, এসব দিক থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নিতান্তই শিশু খামেনিদের সামনে।
- সির ইয়ায় বাশার আল আসাদ ও তার আগে হাফিজ আল আসাদের হাতে হওয়া ম্যাসাকার ও গণধর্ষণের সরাসরি সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে গেছে খামেনি।
- এছাড়াও তার প্রকাশ্য নির্দেশে পরিচালিত কুদস ফোর্সসহ সির ইয়ান আর্মির হাতে সির-ইয়া, ইরাকে নিহত হয়েছে ৩ লাখেরও বেশি মানুষ।
- অ/ফগানিস্ত/নে আমেরিকার আগ্রাসনে সরাসরি আমেরিকাকে সমর্থন করেছে ইরান। মৌলিক না, কাজের। এটা নিয়ে তাদের সাবেক প্রেসিডেন্টের প্রকাশ্য বক্তব্য আছে।
অথচ তা সত্ত্বেও মুসলিম জাতীয়তাবাদি, শাহবাগী সেক্যুলাররা খামেনিকে নিয়ে আদিখ্যেতা করবে। খামেনিদের মত কাজ অন্য কেউ অল্প করে করলেও সেটার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। তাদেরকে দমন করতে বয়ান দাঁড় করাতে চাইবে। কিন্তু খামেনিকে পাস দেবে।
এর পেছনে কারণ হতে পারে পিউর রিএকশন। আগপিছ না ভেবে যেটা করা রিটার্ডেড লোকদের কাজ। অথবা তারা মারাত্মক ডিসঅনেস্ট। বাংলাদেশে মেইনস্ট্রিম আহলুস সুন্নাহর ইসলামকে ডিলেজিটিমাইজড করতে তারা এ ধরণের কাজ বেছে নিচ্ছে।
অবশ্য চিন্তা করার কারণ নেই। Sooner or later, আল্লাহ সবার চেহারা থেকে পর্দা সরিয়ে নেন। খোমেনিকে তাকফির করা একজন মুয/হিদ আব্দুল্লাহ অ/যয/ম যেভাবে বলেছেন, আল্লাহ অন্তর ও মুখকে বেশিদিন আলাদা থাকতে দেন না।
এভাবে না দাঁড়াবে তাদের রাজনীতি, না তারা ইসলামের যাত্রা ঠেকাতে পারবে। | 787 |
| 5 | ডেমোক্রেটিক ইসলামিস্ট, পোস্ট ইসলামিস্ট ও মুসলিম জাতীয়তাবাদিদের সাথে তর্ক করলে বা আলোচনা করলে আপনার দুটো বিষয় হবে।
১. দুনিয়ার যেকোনো কাজ বৈধ মনে হবে, যতক্ষণ কেউ সেটা "হিকমাহ"র জন্য করছে। ঠিক ভুল কেবল অন্যদের জন্য। কিন্তু নিজেদের সব কাজই সঠিক, কারণ এর পেছনে "হিকমা" আছে, রাজনৈতিক স্বার্থে তা করা হয়েছে।
২. বেসিক চলিত বাংলা ভাষা, মাত্রাজ্ঞান, কমনসেন্স—সবকিছু ভুলে যাবেন। আইকিউ ডাউন হয়ে যেতে পারে। তাদের কেউ মানুষ মেরে ফেললে তারা আপনাকে যুক্তি দেখাবে, "এই দেখো, তোমরাও তো মানুষকে চড় থাপ্পর মারো।"
এদের সাথে তর্কে যাওয়ার কোনো মানে নেই। বোঝানোর চেষ্টা করারও কোনো মানে নেই। | 690 |
| 6 | আমাদের বিচারব্যবস্থায় বিচার পেতে কেন এত লম্বা সময় লাগে? তবুও কেন ন্যায়বিচার পাওয়া যায় না?
ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশদের দ্বারা তৈরি এই বিচারব্যবস্থার মূল লক্ষ্যই বা কী ছিল?
https://youtu.be/IdRQiInbBeo | 685 |
| 7 | ইরাক
আফগানিস্তান
ফিলিস্তিন
সিরিয়া
ইরান
ইয়েমেন
আমেরিকা এ উম্মাহর পরীক্ষিত শত্রু। | 721 |
| 8 | রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,
"আল্লাহর কসম, আমি তোমাদের জন্য দারিদ্রের আশঙ্কা করিনা।
বরং আমি আশঙ্কা করি যে, তোমাদের কাছে দুনিয়ার প্রাচুর্য এসে যাবে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের কাছে এসেছিল, তখন তোমরা তা লাভ করতে পরস্পরে প্রতিযোগিতা করবে যেমনভাবে তারা করেছিল।
আর এ ধন-সম্পদ তাদেরকে যেমনিভাবে ধ্বংস করেছিল তোমাদেরকেও তেমনিভাবে ধ্বংস করে দিবে।"
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৭২৪ ও সুনান আত-তিরমিজী, হাদীস নং ২৪৬২) | 809 |
| 9 | সেক্যুলারিজম, ডেমোক্রেসিকে অস্বীকার করা, ইসলামের সকল বিধানকে অন্তরে লালন করা তাওহীদবাদি মুসলিমরা বাদে আর সবাই তাদের হয় নেতা, নয় পরীক্ষিত বন্ধু।
তাওহীদবাদি মুসলিম বাদে যেকারো সাথেই এরা হাত মেলাবে। এরাই প্রকৃত রিয়েকশনারি। | 812 |
| 10 | আওয়ামী লীগের বিচার শেষ হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধের আন্দোলন, যদি আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ না হতো, তাহলে কী হতো?
- আওয়ামী লীগ গত নির্বাচনে অংশ নিতো।
- তারও আগ থেকে আওয়ামী লীগের মানবাধিকার ও বাক্স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা বুদ্ধিজীবিরা "রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ" এর কাজ করা বৈধতা দাঁড় করিয়ে ফেলতো।
- ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগ সীমিত পরিসরে হলেও "শান্তিপূর্ণভাবে" নিজেদের কাজ শুরু করে দিতো।
- গণবিস্ফোরণ না থাকলে সরকারি দলের একাংশ, ডিপ স্টেইট সহ সুশীল সমাজ দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ বিচার বানচাল করার ষড়যন্ত্র করে ফেলতো।
- আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক রিহ্যাবিলিটেশন হয়ে যেতো। তার রাজনীতি নর্মালাইজড হয়ে যেতো।
এগুলো যে হতো, এর সাথে রাজনীতি নিয়ে কিছুটা ধারণা রাখে এমন প্রত্যেকে একমত হবে।
কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আজ এগুলো কোনোটাই সম্ভব হয় নি। বিএনপিও এ কার্যক্রম নিষিদ্ধের অর্ডারটা ফেলে দিতে পারে নি। প্রতি জুলাইয়ে আওয়ামী লীগকে আরো বেশি ঘৃণা করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক।
Alhamdulillah, we are proud to be a part of that.
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের আন্দোলন ছিলো আমাদের নিজেদের ব্যানার ও পরিচয়ে করা প্রথম সফল আন্দোলন। তাজদিদি ইসলামপন্থীরা এ আন্দোলনে অন্যতম প্রধান স্টেইকহোল্ডার ছিলো আলহামদুলিল্লাহ।
এ আন্দোলনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অসহযোগিতা প্রমাণ করে, আওয়ামী লীগ ও ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসলামপন্থীরাই ফ্রন্টলাইনার ইনশাআল্লাহ। | 891 |
| 11 | https://youtube.com/shorts/XIRN7moRY4I?feature=share | 652 |
| 12 | গত ১৫-২০ বছরে নারী পুরুষের সম্পর্কে একটা ড্রামাটিক শিফট এসে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম একটা পরিবর্তন হলো, উপকারের প্রশ্নে।
হলিউড, বলিউড কিংবা আমাদের দেশীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলুন, সবখানেই নারী-পুরুষের সম্পর্ক পুরোপুরি ফ্রয়েডিয়ান। যেকোনো ইন্টারএকশন আল্টিমেটলি প্রেমের সম্পর্কে নিয়ে যাওয়া হয়। সাধারণ উপকার অপকার নেই।
- কোনো ছেলে কোনো মেয়েকে একটা বিষয়ে হেল্প করেছে। পরিণতিতে মেয়ে ছেলের প্রেমে পড়ে গেছে।
- কোনো মেয়ে কোনো ছেলেকে ইনসাল্ট করেছে। এর মানে মেয়ে মনে মনে ছেলেকে পছন্দ করে।
- মেয়ে কোনোভাবে ছেলের প্রতি কৃতজ্ঞ। ছেলের অন্তরে প্রতিদান হিসেবে প্রেমের আহ্বান বসে যাচ্ছে।
অবশ্য শুধু ফিল্ম সিনেমা না। নীল দুনিয়াতেও ব্যাপারটা মোটামুটি এভাবে কাজ করে। আধুনিক ফিল্ম-সিনেমা ও নীল দুনিয়ার নারী-পুরুষ সম্পর্কের ফিলোসফি যে মোটামুটি একই—এটা তারই একটা ইন্ডিকেশন।
ফলে যেটা হয়েছে, সমাজ থেকে নারী পুরুষের স্বাভাবিক সব ইন্টারএকশন হারিয়ে গেছে। সাধারণভাবে উপকারের ধারণা হারিয়ে গেছে। পুরুষ নারীকে সাহায্য করে পটাতে। নারীর জন্যও পুরুষকে সাধারণভাবেই বিশ্বাস করা টাফ হয়ে যায়।
এ কারণে স্বাভাবিকভাবেই যারা সমাজের মোরাল ডিক্লাইন নিয়ে কনসার্নড, তাদের পক্ষেও এগুলো স্বাভাবিকভাবে দেখা আর সম্ভব হয় না।
সেক্যুলাররা যখন পুরুষ ও মহিলা সাহাবিদের স্বাভাবিক ইন্টারএকশন এনে ইসলামিস্টদের কড়াকড়ির বিরুদ্ধে দলিল দিতে চায়, তখন তা এ কারণে ভুল। সেসময় সামগ্রিকভাবে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি এমন ফ্রয়েডিয়ান ছিলো না৷
সেক্যুলাররা তাদের ফিল্ম ও সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি, নীল দুনিয়া, (কু)সাহিত্যের মাধ্যমে এমন এক সমাজ তৈরি করেছে, যেখানে নারীর দেহ সব পরিচয় ছাপিয়ে প্রধান হয়ে ওঠে। আর পুরুষ হয়ে উঠেছে লালসায় আসক্ত এক প্রিডেটর।
ইসলামী সমাজ বাদই দিই, ২০০ বছর আগে, যখন ডিভাইসের এতো প্রসার ছিলো না, সেসময়ও সমাজে নারী-পুরুষের সম্পর্কের বিষয়টা এমন ছিল না। অথচ পর্দা তখনও সেভাবে স্ট্রিক্টলি ফলো করা হতো না।
ইসলাম এখানে সুন্দর সমাধান দেয়। ইসলাম পুরুষের সংযত দৃষ্টি নিশ্চিত করে, অশ্লীলতা প্রসারের মাধ্যমগুলোকে বন্ধ করে দেয়, নারীকে পর্দায় এনে নারীর দেহকে সমাজ ও পুরুষের চিন্তা থেকে অপ্রাসঙ্গিক করে দেয়।
সমাজ থেকে যৌনতাকে যখন ব্যক্তিগত পর্যায়ে নিয়ে আসা যায়, তখন সমাজ ও পরিবারে নারী-পুরুষের হারমনি তৈরি হয়। যৌনতার বাইরে একটা স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি হয়। এভাবেই আল্লাহর বলা সেই সামাজিক সংহতি তৈরি হয়—
"আর মু’মিন পুরুষরা ও মু’মিনা নারীরা হচ্ছে পরস্পর একে অন্যের বন্ধু। তারা সৎ বিষয়ের শিক্ষা দেয় এবং অসৎ বিষয় হতে নিষেধ করে, আর সালাতের পাবন্দী করে ও যাকাত প্রদান করে, আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদেশ মেনে চলে।" [সূরা তওবা, আয়াত ৭১]
এভাবেই তৈরি হয় একটা সুন্দর সমাজ, যেখানে পুরুষ ও নারীর সম্মান, সম্ভ্রম ও চিন্তার পবিত্রতা নিশ্চিত হয়। | 727 |
| 13 | আমরা বাঙালিরা সবসময় কেন জানি ভুল শিক্ষা নিতে অভ্যস্ত।
ইরানের কথাই ধরুন।
ইরানের সাথে আমেরিকার যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নেওয়ার বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক বিশ্ব যেসব আন্তর্জাতিক আইন বা জেনেভা কনভেনশন ইত্যাদি চাপিয়ে দেয়, সেগুলোর তোয়াক্কা না করে নিজের শক্তি তৈরি করা।
ইরান থেকে আরো একটা শিক্ষা হলো, ইরান যখন পশ্চিমাপন্থী শাসককে বিদায় করে দিয়ে নিজেদের শিয়াধর্মের পক্ষে বিপ্লব ঘটিয়ে ক্ষমতা নিয়েছে, এরপরেই তারা জাতীয় ঐক্য ও আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে।
কিন্তু বাঙালিরা শিক্ষা নিলো কী?
"অতি বিশুদ্ধতা" বাদ দিয়ে আমাদেরকে শিয়া, কুবুরি, বিদআতি, নদীয়া—সব ধরণের বিকৃত ইসলামকে এলাউ করে "বহুত্ববাদি", "ইনক্লুসিভ" রাষ্ট্র করা লাগবে।
ইসলাম নিয়ে এতো কড়াকড়ি ভালো না। তাই ইসলাম বাদ দিয়ে মাথার এক অংশ আমেরিকার দিকে, আরেক অংশ ভারতের দিকে ঝুলিয়ে দেওয়া হলো প্রকৃত প্র্যাগমেটিজম। তাহলেই ইরানের মত যোদ্ধাজাতি হবো আমরা।
এগুলো কোনোটাই ঘুনাক্ষরেও ইরানের ক্ষেত্রে এপ্লিকেবল না। তার থেকে তারা যদি বলতো, আমাদের সবার কট্টর শিয়া হয়ে উচিত—সেটা আরো বেশি সেন্স মেক করতো।
ইরানসহ যারাই বৈশ্বিক সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে, তাদের প্রায় সবার ক্ষেত্রেই কিছু কমন বৈশিষ্ট্য আছে যা তাদেরকে ফাইটিং স্পিরিট দিয়েছে, আত্মমর্যাদা দিয়েছে, জাতীয় ঐক্য দিয়েছে। সেগুলো হলো—
১. এরা পশ্চিমা বাদ-মতবাদ ছুড়ে ফেলে নিজেদের আদর্শের ভিত্তিতে রাষ্ট্র ও সমাজকে গড়ে নিয়েছে
২. পশ্চিমাদের স্বার্থ হাসিল করা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার, জেনেভা কনভেনশনের মত মূর্তিগুলোকে প্রত্যাখ্যান করে নিজ এজেন্ডায় কাজ করে গেছে
৩. নিজেদের সক্ষমতা, জাতীয় ঐক্য তৈরির ক্ষেত্রে তারা বিশ্বের কে কী বলছে তার খুব বেশি পরওয়া করে নি
অথচ বাংলাদেশে ইরান নিয়ে যারা আদিখ্যেতা সবচেয়ে বেশি করে, তারা সবাই হয় সেক্যুলারিস্ট, নয় গণতন্ত্রী, জাতীয়তাবাদি, ইসলামোফোব, আমেরিকা কিংবা ভারতের আনুগত্যশীল লোকজন। কী আইরনি!
এটা কি তারা বোঝে না?
বোঝে।
তাহলে কেন ইরান নিয়ে আদিখ্যেতা দেখায়?
কারণ শিয়াইজমকে যদি বাংলাদেশে জনপ্রিয় করা যায়, তাহলে তাদের চিন্তা হলো, মানুষ কঠোর বিশুদ্ধবাদি (Puritan) ইসলাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে লালনবাদ ও নদীয়ার ইসলাম প্রমোটের কারণই এটা।
কারণ এই সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রের মূল সমস্যা এই বিশুদ্ধবাদি (or should I day, প্রকৃত?) ইসলামের সাথে। এই ইসলামের পলিটি ধ্বংস করেই সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রের জন্ম। আর ঐতিহাসিকভাবে এই ইসলামই তাদের গলার কাটা।
এজন্য এখন নেত্র নিউজদের মত মিডিয়াগুলো হাজি শরিআতুল্লাহকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে।
সুতরাং, তাদের অতি ইরানপ্রীতিতে ধোঁকা খাবেন না। আমেরিকা বিরোধিতায় এদের কোনো আগ্রহ নেই। আগ্রহ কেবল সেই ইসলামের বিরোধিতায়, যে ইসলাম এ মাটির মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, ফাইটিং স্পিরিট দিতে পারে ও সোনালি ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
দ্বীনে ফিরে আসুন। সত্যিকার আত্মমর্যাদাবান জাতি হয়ে উঠতে পারবেন। | 940 |
| 14 | https://youtu.be/RF1nM3gRM4A?si=wbwTmBmkfE-Y_4LN | 828 |
| 15 | মডারেট, মডার্নিস্ট, ডেমোক্রেটিক ইসলামিস্ট, নদীয়ার ইসলাম, লালনবাদি থেকে নিয়ে এমন ধরণের সব গোষ্ঠীর সাথে আমাদের পার্থক্য আদর্শবাদিতায়। বিশুদ্ধতায়।
এরা প্রত্যেকেই মনে করে নানা কারণে ইসলামকে কাটছাট করা যায়। হোক তা রাজনৈতিক স্বার্থ, কালচারাল ওয়ার, এ অঞ্চলের মুসলিমদের স্বার্থরক্ষা বা অন্যান্য অনেক কারণ।
এরা প্রত্যেকেই মনে করে নিজেদের স্বার্থে ইসলামের নানা অংশ ব্যবহার করা যায়।
আমরা এ পুরো চিন্তার কাঠামোই প্রত্যাখ্যান করি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—
১. ইসলাম রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার ও ব্যক্তিকে পরিচালনা করবে। ইসলাম পরিচালিত হবে না।
২. মানুষ ইসলাম অনুসারে নিজেকে বদলে নেবে। নিজের প্রয়োজন অনুসারে ইসলামকে বদলানো যাবে না।
৩. আমাদের আল্টিমেট লক্ষ্য কোনো রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক স্বার্থ না। আমাদের লক্ষ্য আল্লাহর কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পণের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ করা।
৪. দ্বীনে মানুষকে পূর্ণভাবে প্রবেশ করতে হবে। কোথাও আল্লাহর আইন, কোথাও তা অস্বীকার করে গ্বাইরুল্লাহর আইন—এভাবে করা ইসলামে নিষিদ্ধ।
তাই সেক্যুলারদের সাথে তর্কে জেতা, কিংবা "বৃহত্তর স্বার্থ", প্র্যাগমেটিজম বা অন্যান্য যে কারণে দ্বীনের কিছু অংশ ছেড়ে দেওয়া, দ্বীনের উপরে অন্য কিছুকে প্রাধান্য দেওয়া, দ্বীনকে কাটছাট করার আগে এটা মাথায় রাখা জরুরি।
আমাদের মূল শক্তি আমাদের দ্বীন। When we lose that, we lose everything. | 962 |
| 16 | অভ্যুত্থান একটা জাতির বুকে হয়ে থাকে এক নির্মমতম ট্র্যাজেডি।
অভ্যুত্থান মানে খুলির পাহাড়।
রক্তের নদী।
ধ্বংস, কান্না, হতাশা।
অভ্যুত্থান মানে শত ভাই হারা বোন, সন্তান হারা মা, বাবা হারা সন্তানের বুকফাটা হাহাকার।
গণহত্য/। গণকবর।
কিন্তু তা সত্ত্বেও অভ্যুত্থান পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম জিনিস।
অভ্যুত্থান রক্ত দিয়ে ধুয়ে সাফ করে দেয় অন্তরগুলোকে।
বুলেট ও গ্রেনেডের মুখে অন্তরের সেই অনুভূতি অন্যরকম পবিত্র।
অভ্যুত্থান তৈরি করে জাতীয় ঐক্য।
জীবনে দেখা না হওয়া মানুষগুলো সেদিন হয়ে যায় আত্মার ভাই, আত্মার বোন।
মা সন্তানকে প্রেরণ করে মৃত্যুর মুখে।
শহীদের রক্তে মাটি উর্বর হয়।
শত আঘাত, জুলুম ও অপমানের নেওয়া হয় চুড়ান্ত প্রতিশোধ।
আত্মমর্যাদার চূড়ান্ত বহিপ্রকাশ।
লোভ, লালসা, অহংকার থেকে নিয়ে সত্য গ্রহণে মনের সব বাঁধা ভেঙে যায় এক ধাক্কায়।
যুগ যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা ঘোষণা করে যুদ্ধ।
মজলুম ফিরে পায় কন্ঠস্বর।
জুলুমের বিরুদ্ধে হয় মৃত্যুর বিজয়।
সুখের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার।
জালিম ও অহংকারির হয় চূড়ান্ত অসম্মান।
সম্মানিত, প্রচলিত বলে ধরে নেওয়া সব প্রতিষ্ঠিত ধারণা ভেঙেচুড়ে যায়।
অভ্যুত্থান মানে অসম্ভব সুন্দর এক ভবিষ্যতের অদম্য স্বপ্ন।
অভ্যুত্থান একটা জাতির ইতিহাসে তাই এক অনন্য স্মৃতি। সোনার অক্ষরে লেখা ইতিহাস।
ঠিক এই কারণেই অভ্যুত্থানের সাথে বেঈমানির মূল্য অনেক বেশি।
রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা কেনা মুক্তপ্রাণকে খাঁচায় বেঁধে রাখা যায় না।
আজ হোক বা কাল, সে তার পাওনা বুঝে নেয়।
ব্যর্থতা ও বেঈমানি খুলে দেয় আরেক অনুপম উত্থানের দুয়ার।
অভ্যুত্থান পরিণত হয় বিপ্লবে।
আযাদির স্বপ্ন বাস্তব হয়।
তারই অপেক্ষা... | 978 |
| 17 | "পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা"
এটাই জুলাই। | 862 |
| 18 | https://youtu.be/Dk3VMabKP1o?si=zCYgwUwivfGAV0QS | 1 144 |
| 19 | সাইয়েদ কুতুব শহীদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
"মানুষ যদি হুবহু আল্লাহর শরীয়তের মতো করেও নিজেদের জন্য কোনো আইন তৈরি করে, তবুও তা যথেষ্ট হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা এসব আইনকে নিজেদের দিকে সম্বন্ধিত করবে এবং এতে নিজেদের কর্তৃত্বের তকমা লাগাবে, ততক্ষণ তা মূল্যহীন।
এই আইন তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন তারা আল্লাহর নিরঙ্কুশ ক্ষমতার কাছে আত্মসমর্পণ করবে, তাঁর 'উলুহিয়্যাহ' বা নিরঙ্কুশ সার্বভৌমত্বের একত্বকে মেনে নিয়ে তাঁর দিকেই ফিরে আসবে এবং শুধুমাত্র তাঁর নামেই তা বাস্তবায়ন করবে।
উলুহিয়্যাহর ক্ষেত্রে আল্লাহর একত্বের প্রতি এই বিশ্বাস মানুষকে মানবসৃষ্ট যেকোনো ক্ষমতা ও শাসনব্যবস্থার আনুগত্য থেকে মুক্তি দেয়। তখন একজন বান্দা নিজের ইচ্ছেমতো নয়, বরং কেবল আল্লাহর শরীয়তের বাস্তবায়নকারী হিসেবেই শাসনভার পালন করতে পারে।"
[ফী জিলালিল কুরআন, সূরা আল-মায়িদাহ, ভূমিকা, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৮২৮।] | 1 147 |
| 20 | সবখানে ম্যাক এয়ার আউট অফ স্টক। কখন আবার আসতে পারে কেউ জানেন? | 129 |
