9 402
订阅者
-124 小时
-257 天
-7430 天
帖子存档
9 403
জুলাইকে কীভাবে পরিণতি দেওয়া হবে সেটা নিয়ে বিএনপি ও ফরহাদ মজহার গোষ্ঠির চিন্তার অনেক বড় পার্থক্য আছে।
বিএনপির মতে জুলাই শুধুমাত্র সরকার পতন। জালিমের পতন। এখানে সংবিধান বা অন্য কিছু ফেলে দেওয়ার কিছু নাই। সমস্যা ছিল হাসিনা, সে চলে গেছে। তাই সংবিধানের কিছু সংস্কার করে ভালো মানুষ দেশ চালালেই হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার, সেনাবাহিনী—এরা সবাই মোটামুটি এভাবেই চিন্তা করেছে।
তাই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে প্রেসিডেন্টকে বহাল রাখা হয়েছে। হাসিনা তার কাছেই পদত্যাগ করেছে বলে জানায়। সে ১০৬ অনুচ্ছেদে অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের মতামত চায়, যেন নতুন অন্তর্বর্তী সরকারকে বৈধতা দেওয়া যায়।
আবার ইউনুসকে প্রধান উপদেষ্টা বানাতে তড়িঘড়ি করে তাকে সব অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে ফরহাদ মজহাররা বারবার সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলতে। হাসিনার পদত্যাগপত্র দেখাতে। ফরহাদ মজহারদের দাবি হলো, ৫ই অগাস্টের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হয় সংবিধান বাতিল হয়ে গেছে। নয় হাসিনা এখনও প্রধানমন্ত্রী।
তারা আরো মনে করেন, সংবিধান বহাল রেখে কোনো পরিবর্তন সম্ভব না। বরং সংবিধান ফেলে দিয়ে ফরমানের মাধ্যমে আপাতত দেশ চালানো। এরপর সবার মত নিয়ে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা দরকার। তাহলেই নতুন জনগণের নতুন বাংলাদেশ হবে।
রিভোল্যুশনারি তত্ত্বের জায়গা থেকে মজহার সাহেবের কথা বেশি যৌক্তিক।
সমস্যা হলো, এখানে একটা কি ইলিমেন্ট আছে। রিভোল্যুশনারি থিওরি বাদে রিভোল্যুশনারি মুভমেন্ট অচল, এবং ভাইস ভার্সা। রিভোল্যুশনারি তত্ত্বকে বাস্তবে রূপ দিতে দরকার হয় একটা অর্গানাইজড ফোর্স। যাকে ভ্যানগার্ডও বলা হয়।
তারাই সংবিধান ফেলে দেয়। ব্যুরোক্রেসি, ডিপ স্টেইট সবকিছু উলটে দেয়।
দিনশেষে বিপ্লব হলো বাস্তবতার নাম, ঘোষণার নাম না। শুধু সংবিধান বাতিলের ঘোষণা দেওয়া, বিপ্লবের ঘোষণা দেওয়া যথেষ্ট না। বরং এসব আগে হয়ে যায়, পরে ঘোষণা আছে। আগে ভাঙা হয়, এরপর নতুন কিছু সৃষ্টির ঘোষণা হয়। বিপ্লব শক্তির খেলা।
তত্ত্ব দরকার। একইসাথে তত্ত্বকে বাস্তব রূপ দিতে দরকার—বিপ্লবী আদর্শ, ভ্যানগার্ড, গণভিত্তি, সামাজিক শক্তি। নয় শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে লাভ হবে না।
9 403
"আমি আগে মানুষ"—কথাটা শুনতে অনেক সুন্দর, ক্ষেত্রবিশেষে মারাত্মক পাঞ্চলাইন মনে হতে পারে, কিন্তু এর পেছনে আসলে তেমন কোনো অর্থ নাই।
মানুষ কে? কী কী বৈশিষ্ট্য থাকলে একজন মানুষ হয়? মানুষ হলে কী কী অধিকার তার থাকে?—এ ব্যাপারে একেক ওয়ার্ল্ডভিউ, ধর্ম বা মতবাদের একেক ধরণের ব্যাখ্যা আছে।
শুধু রক্ত মাংসের যে মানুষ, সে শুধু মানুষ বলে তার কোনো অধিকার আছে এমনটা প্রমাণ করা যায় না। একটা কুকুর, গরু বা বিড়ালের যে অধিকার, তারও একই অধিকার।
আমাদের জীবনবোধ, নৈতিকতা ইত্যাদি নানা বিষয় এই "মানুষ" শব্দটাকে অর্থ দেয়। আমরা বিশ্বাস করা শুরু করি, নৃশংসতা, ধর্ষণ, শিশুহত/, গণহত/ এগুলো মানুষের কাজ হতে পারে না। যদিও বা এগুলো মানুষ নামের প্রাণীটাই করে।
যখন ধর্মের কথা আসে, তখনই কেবল "আমি মানুষ"—এই আলাপটা আসে।
আপনি বাঙালি কিনা, বাংলাদেশী কিনা, আপনি বাবা কিনা, ছাত্র কিনা—এসব আলাপে কিন্তু সেগুলোকে ছাপিয়ে মানুষ পরিচয়কে সামনে আনা হয় না। এর কারণ হলো, "মানুষ"-এর একটা নির্দিষ্ট অর্থ ছোটবেলা থেকেই আমাদেরকে শেখানো হয়েছে।
এই মানুষ হলো সেক্যুলার ওয়ার্ল্ডভিউর "হিউম্যান"।
এই হিউম্যান সে, জন রলসের ভাষায় যার হিউম্যান রাইটস আছে। এ হিউম্যান সভ্য। এ হিউম্যান ধর্মের গন্ডি পেরিয়ে নিজেকে সেক্যুলার হিউম্যানিস্ট করে তুলতে পেরেছে।
এ হিউম্যানের জন্ম হয়েছে ধর্মের সাথে সংঘাতের মধ্য দিয়ে। এ হিউম্যান ধর্মকে ব্যক্তি জীবনে পাঠিয়ে দিয়ে সে নিজেই হয়ে ওঠে আইনপ্রণেতা। ধর্ম এ হিউম্যানের কাছে বিভক্তির কারণ। খৃস্টান নানা ফ্যাকশনের লড়াই থেকেই উঠে এসেছে এ হিউম্যান।
তাই, "আমি মানুষ"—এ কথাটার অর্থ হলো এটা। যে হিউম্যান ধর্মের প্রভাব থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে সেক্যুলার মূল্যবোধ ধারণ করে।
তাই কেউ যদি না বুঝে "আমি মানুষ" বলে পাঞ্চলাইন ধরণের জবাব দেয়, তাহলে এটা অর্থহীন জবাব। কারণ আপনি মানুষ বলেই আপনার সাথে কথা বলা হচ্ছে। মানুষ না হয়ে গরু-ছাগল হাঁস-মুরগী হলে কেউ আপনার সাথে কথা বলতো না।
আর যদি ধর্মের প্রশ্নের মুখে "আমি মানুষ" বলে চ্যাঁতে ওঠা হয়, তাহলে সেটা হলো সেক্যুলার ওয়ার্ল্ডভিউ থেকে উঠে আসা "হিউম্যান"। যে ধর্মের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে।
9 403
আহমদ আশ-শারাকে নিয়ে যে কী করবে, পোস্ট ইসলামিস্টরা বুঝে উঠতে পারছে না।
একদিকে আহমদ আশ-শারার একটা ইসলামিস্ট পাস্ট আছে, সেখান থেকে সে এখন সেক্যুলার—এটা পোস্ট ইসলামিস্টদের খুব পছন্দ।
আবার শারা কম্প্রোমাইজ করতে করতে এমন এমন কাজ করে বসে, যারা ডিফেন্ড করা পোস্ট ইসলামিস্টদের জন্যও লজ্জার। তখন কী করবে বুঝে উঠতে পারবে না।
তাই এখন তাদের অবস্থা হলো—
কিছুদিন আগে যখন শাইখ মাকদিসি কুফরি আইন দিয়ে শাসনের কারণে শারাকে তাকফির করলো, তখন তারা এমনভাবে শারার ডিফেন্সে ঝাঁপিয়ে পড়লো, যেন শারা তাদেরই লোক।
আবার গতকাল যখন শারা ইসর/য়েলের সাথে চুক্তির কথা বললো, এখন শারা আবার যিহ/দি হয়ে গেছে। এখন তারা বলে বেড়াচ্ছে, যিহ/দিদের শেষ স্থান নাকি যায়নবাদ বা বিন্দু তাবাদ। এখন আর শারা প্র্যাগমেটিক নাই।
পোস্ট ইসলামিস্টরা বাংলাদেশের সবচেয়ে ডিসঅনেস্ট কম্যিউনিটিদের একটা। এদের সাথে আপনি কোনো কনভার্সেশন করতে পারবেন না। জরুরিও না আসলে। আল্লাহই এদের চেহারা উন্মুক্ত করে দেবেন।
9 403
আমাদের মাঝে এমন একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে—বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা, এর সামরিক শক্তি, অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক জোটগুলো বুঝি চিরস্থায়ী এবং অপরিবর্তনীয়। কিন্তু ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে।
মঙ্গোলদের অপ্রতিরোধ্য মনে হতো—একসময় তারা ইসলাম গ্রহণ করল। ক্রুসেডাররা জেরুজালেম শাসন করত—একসময় তাদের বের করে দেওয়া হলো।
১৯২৪ সালে খিলাফাতকে “মৃত” ঘোষণা করা হয়েছিল—তবুও একশ বছর পর মানুষ এখনো এটি নিয়ে কথা বলছে।
আজকের বিশ্বব্যবস্থায় ভাঙনের সুর বেজে উঠেছে। একে যতটা অজেয় মনে করা হয়, এটি আসলে ততটা মজবুত নয়। বারবার অর্থনৈতিক ধাক্কা এবং সুদের বোঝায় জর্জরিত বিশাল ঋণের ভারে বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে শাসকদের ওপর থেকে মানুষের বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। এমনকি উদারনীতিবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শও আজ জীর্ণপ্রায়। বিশ্ব আজ এক দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা আমাদের কল্পনারও বাইরে—এবং মুসলিম বিশ্বও সেই পরিবর্তনের সাক্ষী হচ্ছে।
বই: শরীয়াহ শাসন কি অসম্ভব? ইসলামী শাসনব্যবস্থা নিয়ে আধুনিক সন্দেহের খণ্ডন
অর্ডার করুন: রকমারি । ওয়াফি
9 403
চলে এলো ফাইনালি বইটা। অনেক অনেক আলোচনা এসেছে বইটাতে।
শরিআহ শাসন নিয়ে অনেকগুলো প্রশ্নের জবাব, ইমারাহ নাকি খিলাফাহ, শরিআহ শাসনের পথে বাঁধা থেকে নিয়ে অনেক অনেক কিছু নিয়ে আলোচনা।
এখনই সংগ্রহ করুন। রকমারি ও ওয়াফি লিংক কমেন্টে।
9 403
চলে এলো ফাইনালি বইটা। অনেক অনেক আলোচনা এসেছে বইটাতে।
শরিআহ শাসন নিয়ে অনেকগুলো প্রশ্নের জবাব, ইমারাহ নাকি খিলাফাহ, শরিআহ শাসনের পথে বাঁধা থেকে নিয়ে অনেক অনেক কিছু নিয়ে আলোচনা।
এখনই সংগ্রহ করুন। রকমারি ও ওয়াফি লিংক কমেন্টে।
9 403
সুলতান নুরুদ্দিন যিংকি শামে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন 'বিমারস্থান'। আধুনিক সময়ে আমরা যেটাকে বলি হাসপাতাল। সেখানে কীভাবে ট্রিটমেন্ট হতো, কী লক্ষ্যে তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এগুলো নিয়ে সুন্দর, বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ফ্রান্সেসকা বোক্কা-আলদাকরে।
ফ্রান্সেসকা একজন ইতালি থিওলজিয়ান এবং লেখক। তাঁর স্পেশালিটি হলো মূল সাইকোলজিতে। তিনি বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটিতে ইসলামিক সাইকোলজির ডিপার্টমেন্ট হেড। তাঁর এ ফিল্ডে বেশ ভালো কিছু কাজ আছে।
পডকাস্টটা শুনে দেখুন। শুনবেন আর এমেইজড হবেন। প্রচন্ড আফসোসও হবে কী সোনালি অতীত ফেলে এসে কী আবর্জনা গ্রহণ করেছি। তখনকার চিকিৎসা, হাসপাতাল আজকের চেয়ে কত উন্নত ছিল—ভাবতেই অন্যরকম লেগে উঠবে।
এ আফসোসকে পরিণত করতে হবে স্বপ্নে। আকাঙ্খায়। মানুষের কাছে একে সমাধান হিসেবে পৌঁছে দিতে। এ গৌরব ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে অংশ নিতে হবে।
https://youtu.be/rWQxn7UjVi0?si=NSlFkjB9uW-VeFPt
9 403
ককরোচ পার্টি খুব সহজে হাল ছেড়ে দেওয়া অস্বাভাবিক কিছু না।
.
একটা অভ্যুত্থানে নানা কারণে সাধারণ মানুষ যুক্ত হয়। এতে স্বার্থ থাকে, স্বপ্ন থাকে, আবেগ থাকে, অনেকক্ষেত্রে প্রতিশোধের নেশা থাকে।
.
তাই মানুষ প্রথমেই যুক্ত হয় না। বরং বিজয়ের সম্ভাবনা বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে একটা অভ্যুত্থানের সাথে যুক্ত হয়। ধীরে ধীরে সে ভয়, আশঙ্কা কাটিয়ে ওঠে।
.
কিন্তু যারা অগ্রবর্তী, ভ্যানগার্ড, যারা আন্দোলন শূন্য থেকে গড়ে তোলে, যারা একটা বিষয়কে এগিয়ে নিয়ে যায়, তারা স্বার্থ দ্বারা ড্রিভেন হলে হয় না। তারা পিউরলি আদর্শ দ্বারা পরিচালিত হতে হয়। দুনিয়ার মায়া তারা অনেক আগেই কাটিয়ে উঠতে হয়।
.
যে অগ্রবর্তী লোকেরা যত বেশি আত্মত্যাগী, যত বেশি আদর্শবাদি, তাদের সফলতার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কেননা সবচেয়ে কঠিনতম সময়গুলোতে তারা সবচেয়ে ডিসাইসিভ একশন নিতে পারে। দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দেওয়ার মত দম তাদের থাকে।
.
ফল/স্টিনি একজন শাইখ বলেছিলেন, এটা রাস্তা একটা টর্নেডোর মত। যারা এতে ঝাঁপ দিয়েছে তারা জানে না, এ ঝড় তাদেরকে কোথায় নিয়ে ফেলবে।
.
এজন্য সফল বিপ্লবী নেতাদেরকে সাধারণত খুব ছিন্নমূল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছে বলে দেখা যায় না। তারা ইতিহাসের দায়, আদর্শিক দায় কিংবা বৃহত্তর সমাজ ও সভ্যতার প্রতি দায়িত্ব থেকে তারা এ কাজে নেমে পড়ে, আত্মত্যাগ করে।
.
মাথায় রাখা ভালো, অভ্যুত্থানের সফলতা শুধু সরকার পতনেই না, বরং শাসনব্যবস্থার পতন করে নতুন কাঠামো তৈরি করার মধ্যে।
.
আধুনিক সময়ে এর ব্যাপক ঘাটতি থাকে বলেই সরকার পতন হয় ঠিকই, কিন্তু আগের কাঠামো থেকে যায়। অনেক সময় আগের রেজিমই আবার ক্ষমতা নিয়ে। অনেক ক্ষেত্রে অভ্যুত্থান পরিণত হয় একটা পশ্চিমা ব্যাকড কালার রেভোল্যুশনে।
.
অনেকে রক্তাক্ত রাস্তা ভয় পেয়ে প্রথমেই হাল ছেড়ে দেয়।
.
তাই যেকোনো অভ্যুত্থান সফল হওয়ার জন্য দরকার প্রবল আদর্শবাদি, আত্মত্যাগী, দুনিয়ার মায়া ছেড়ে দেওয়া একদল লোক, যারা টিকে থাকবে টিল দ্য ভেরি এন্ড। ময়দান তাদের প্রকৃত জীবন। ইনকিলাব অথবা মৃত্যু বাদে আর যেকোনো পরিণতি যার জন্য অসম্মানের।
.
সেই সোনার মানুষগুলোকে দরকার।
9 403
গত কিছুদিন ধরে সবখানে আলোচনার টপিক হলো, মানুষ যাদেরকে ইসলামপন্থী বলে মনে করে, তাদের চারিত্রিক অবক্ষয়, পার্ভার্শন।
এভাবে করে তারা মানুষের চোখে ইসলাম ও ইসলামিস্টদেরকে যেভাবে চিত্রায়িত করছেন, অপরাধের সাথে সাথে সেটার জবাব তারা আল্লাহর কাছে কীভাবে দেবেন, সেটা কি তারা ভাবেন কিনা—মাঝেমধ্যে জানতে ইচ্ছে হয়।
9 403
মিতা হকের সেই বহুল চর্চিত প্রশ্ন—
"তুমি মুসলমান ঠিক আছে। কিন্তু বাঙালি না কেন?"—
আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ভৌগোলিক ও ভাষাগত পরিচয়ের মধ্যকার এক গভীর দোলাচলকে সামনে এনে দাঁড় করায়। এই আত্মপরিচয়ের সংকট এবং "আসলে কোনটা আগে?"-এর মতো অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তর খোঁজার লক্ষ্যেই আমাদের প্ল্যাটফর্ম 'দ্যা মিসিং পিস'-এর যাত্রা।
আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের ইতিহাসের আড়ালে থাকা না-বলা সত্য ও গল্পগুলোকে সামনে আনা প্রয়োজন; আর তাই এই ভূখণ্ডের মাটি ও মানুষের সংকট ও সম্ভাবনাকে ইসলামের শাশ্বত ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোয় বিশ্লেষণ করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
ইনসাফ ও সততার সাথে আমাদের এই বুদ্ধিবৃত্তিক পথযাত্রাকে বেগবান করতে আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা ও সাদাকাহ নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়ান; আপনাদের একেকটি অবদান সমাজের চিন্তাজগতে ইতিবাচক পরিবর্তনে উম্মাহর জন্য 'সাদাকা-এ-জারিয়া' ও মূল জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ।
আমাদেরকে সাহায্য করতে পারেন বিকাশ, নগদ, ব্যাংক বা যেকোনো মাধ্যমে। আমাদেরকে সাপোর্টের লিংক: https://www.supportkori.com/themissingpitch
9 403
সেক্যুলার ডেমোক্রেসি সমাজে বিভক্তি তৈরি করে। তারা মানুষকে অসংখ্য ভাগে ভাগ করে। মানুষ তখন একে অপরের সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয়ে যায়। একে অপরকে ঘৃণা করে। ডিপ্লোমা ঘৃণা করে ইঞ্জিনিয়ারকে, আর্জেন্টিনা ঘৃণা করে ব্রাজিলকে, বিএনপির লোক ঘৃণা করে জামাআতের লোককে—এমন হাজারো সামাজিক বিভক্তি।
.
সেক্যুলার ডেমোক্রেটিক ব্যবস্থা টিকে থাকতেই বিভাজন প্রয়োজন। বহুদলীয় গণতন্ত্রে সকল দল "নাইস" আচরণ করবে, দ্বিমত শুধু পলিসি নিয়ে থাকবে—এটা শুধু কাগজে কলমেই আছে। বাস্তবে এখানে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, আদর্শিক বিরোধই প্রাধান্য পায়। শুধু বাংলাদেশে না, গণতান্ত্রিক প্রায় সব দেশেই ব্যাপারগুলো এমন।
.
অন্যদিকে সাধারণ মানুষ যত বেশি অন্য নিপীড়িত মানুষকে ঘৃণা করবে, নিজেদের মধ্যে নানা সংঘাতে জড়িয়ে যাবে, তত বেশি সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্র শক্তিশালী হবে। সব সমস্যার মূল যেই সেক্যুলার সিস্টেম, সেটাকে কেউ প্রশ্ন করবে না। ডিপ্লোমারা মনে করবে ইঞ্জিনিয়াররা সমস্যা, পরিবহন শ্রমিক মনে করবে ছাত্ররা সমস্যা।
.
বাস্তবে সমস্যা ও নিপীড়ক হলো সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্র। সাধারণ মানুষ নিপীড়িত।
.
তাই আমরা চাই, সমাজের এ যাবতীয় সমস্যাকে সিম্পল সমীকরণে নিয়ে আসতে। মূল সমস্যা চিহ্নিত করে দিতে। আমরা চাই মানুষ নিজেদের মধ্যে সংঘাতে না জড়িয়ে, সহ-নিপীড়িতকে ঘৃণা না করে, মূল সমস্যার দিকে সবাই ফোকাস করুক।
.
একদিকে থাকবে প্রধান সমস্যা, মূল নিপীড়ক, সর্বগ্রাসী সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্র ও এ রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে চাওয়া সকল অর্গান ও ব্যক্তিরা। অন্যদিকে থাকবে মজলুম, নিপীড়িত মুসলিম ও সাধারণ জনতা, যারা যুগ যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা নিয়ে একসময় অভিযান ঘোষণা করবে তাদের মূল নিপীড়কের বিরুদ্ধে। ইসলামের শ্বাশ্বত বিধান বুকে নিয়ে।
.
তাই নিজেদের মধ্যকার আসাবিয়াহ তৈরি খুব বেশি জরুরি। আল ওয়ালার চর্চা জরুরি। বারাআ হবে তাগুত ও নিপীড়কদের বিরুদ্ধে। সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।
9 403
বৃষ্টি হচ্ছে।
এর মধ্যেই বিল্ডিং এর ছোট্ট ছাউনির নিচে আরাম করে ঘুমিয়ে গেছে। নিশ্চিন্ত, শান্ত এক গভীর ঘুম।
নির্ঝঞ্ঝাট, দুশ্চিন্তাহীন, সরল এক জীবন।
9 403
১৮ জুলাই, ২০২৪।
রাস্তায় ধীরে ধীরে মানুষ জড়ো হচ্ছে প্রতিবাদের জন্য। মানুষ রাস্তায় এসে অবাক হয়ে একটা দৃশ্য লক্ষ্য করলো। সবার মুখের ভাষা যেন হারিয়ে গেলো।
তার আগের দিন থেকে দেশে যা হচ্ছে, সে চিত্র পুরো উল্টিয়ে দিয়ে যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভারে ঝুলে আছে দুজন পুলিশের ল/শ।
ঘটনার প্রথম শক কাটিয়ে ওঠার পর এ দৃশ্য পরিণত হলো মানুষের শক্তিতে। জনতার শক্তিতে আবার আস্থা ফিরে এলো। মনে হলো, "এ লড়াইয়ে জেতা সম্ভব।"
কী হয়েছিল সেদিন? সেটাই ফুটে উঠেছে সাইফুল ইসলামের কলমে। আমরা সেটাই এনেছি ভিডিও আকারে। দেখে ফেলুন সেই গৌরবময় দিনের গল্পটা।
#JulyUprising #July2024 #RememberingJuly
ইউটিউবে দেখুন: https://youtu.be/PopOXKfhxM0
9 403
স্বামী-স্ত্রী তাদের ছোট্ট বাচ্চাসহ হেঁটে যাচ্ছেন।
রাস্তা কাটা। পরিষ্কার কাজ চলছে।
এতে স্ত্রী বেশ বিরক্ত হয়ে স্বামীকে কিছু একটা বললেন।
স্বামী বললেন, "তোমাদের জন্য এসব পরিষ্কার করে তাদের জীবিকার ব্যবস্থা হয়। বিষয়টাকে এভাবে দেখো।"
সুন্দর এ মাটিতে সুন্দর মানুষ আছে। স্বপ্ন দেখার কারণ আছে।
9 403
১৮ জুলাই, ২০২৪
হেলিকপ্টার দিয়ে পুলিশকে বাঁচিয়ে নেওয়ার দিন
https://www.facebook.com/share/v/193vvvHjuq/
9 403
এ বছর ৩৬% ছাত্র-ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি। এটা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত।
কিন্তু আমাদের প্রশ্ন হলো, বাকি ৬৪% শিক্ষার্থীরা কেন পরীক্ষা দিলো? এই পরীক্ষা দিয়ে আসলে তার অর্জন কী?
যে স্বপ্ন নিয়ে একটা ছেলে এ শিক্ষাব্যবস্থায় প্রবেশ করে, যে স্বপ্ন তাকে সমাজ ও রাষ্ট্র দেখায়, সেটা কি সত্যিকার অর্থেই পূরণ করতে পারছে এ রাষ্ট্র ও অর্থনৈতিক কাঠামো?
এ প্রশ্ন নিয়েই আজকের আলোচনা।
প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার সেই সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করবো আপনাদের সাথে। সাথেই থাকুন!
#Education #HSC2026 #TheDebrief
ইউটিউবে দেখুন: https://youtu.be/QzErJgZzlrU
