ch
Feedback
Engineer's Diary

Engineer's Diary

前往频道在 Telegram

📈 Telegram 频道 Engineer's Diary 的分析概览

频道 Engineer's Diary (@engineersdiary) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 10 539 名订阅者,在 教育 类别中位列第 18 785,并在 孟加拉国 地区排名第 2 233

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 10 539 名订阅者。

根据 26 七月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -99,过去 24 小时变化为 8,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 7.11%。内容发布后 24 小时内通常能获得 2.38% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 749 次浏览,首日通常累积 251 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 4

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
EngineersDiaryBD.com

凭借高频更新(最新数据采集于 27 七月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 教育 类别中的关键影响点。

10 539
订阅者
+824 小时
-187
-9930

数据加载中...

标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
七月 '26
七月 '26
+45
在0个频道中
六月 '26
+5
在0个频道中
Get PRO
五月 '26
+1
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+8
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+3
在0个频道中
Get PRO
二月 '26
+83
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+27
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+14
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+3
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+23
在0个频道中
Get PRO
九月 '25
+26
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+23
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+6
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+8
在0个频道中
Get PRO
五月 '25
+33
在0个频道中
Get PRO
四月 '25
+31
在0个频道中
Get PRO
三月 '25
+859
在1个频道中
Get PRO
二月 '25
+271
在0个频道中
Get PRO
一月 '25
+276
在0个频道中
Get PRO
十二月 '24
+132
在0个频道中
Get PRO
十一月 '24
+43
在1个频道中
Get PRO
十月 '24
+72
在1个频道中
Get PRO
九月 '24
+218
在0个频道中
Get PRO
八月 '24
+4 057
在0个频道中
Get PRO
七月 '24
+3 370
在0个频道中
Get PRO
六月 '24
+1 380
在0个频道中
Get PRO
五月 '24
+1 215
在0个频道中
Get PRO
四月 '24
+721
在0个频道中
Get PRO
三月 '24
+1 720
在0个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
27 七月+10
26 七月+8
25 七月0
24 七月+1
23 七月0
22 七月+1
21 七月+1
20 七月0
19 七月0
18 七月0
17 七月0
16 七月+1
15 七月+1
14 七月0
13 七月0
12 七月+1
11 七月+15
10 七月+5
09 七月0
08 七月0
07 七月+1
06 七月0
05 七月0
04 七月0
03 七月0
02 七月0
01 七月0
频道帖子
অনেকেই প্রশ্ন করছেন রেলওয়ে, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন অবকাঠামো এইগুলা প্রাইভেট সেক্টরের হাতে দিয়ে দিচ্ছে সরকার। এইটা কি ঠিক হচ্ছে? এর উত্তর হচ্ছে একই সাথে না এবং হ্যা। প্রথমত আমি ক্রিটিক্যাল সেক্টর যেমন এনার্জি, ট্রান্সপোর্ট এগুলা প্রাইভেট সেক্টরের হাতে ছেড়ে দেয়ার একেবারেই পক্ষপাতি না। কিন্তু বাংলাদেশে একটা প্রবলেম আছে। মনে রাখবেন এইটা চীন না যে আপনি বুর‍্যোক্রেসি দিয়েই দেশকে উন্নত বানায়ে ফেলবেন। এইদেশের আমলারা আগাগোড়া মাথার চুল থেকে পায়ের নখ দূর্নীতিবাজ। এরা কখনোই পাবলিক সার্ভিসের জন্য আমলাতন্ত্রে আসেনা। এদের লক্ষ্যই একটা চেয়ারে বসবে আর নোটের বান্ডিল গুণবে। কত হাজার কোটি টাকা খরচ করা হইছে রেলওয়ের পেছনে? আজ পর্যন্ত রেলওয়েকে প্রফিটেবল বানানো গেছে? প্রতিবছর শ শ কোটি টাকার লোকশান গুনতে হয় সরকারেকে। এটার দায়টা কার? আমলাদের। মান্ধাতার আমলের আমলাতন্ত্র আর এসি রুমে বসে নোটের বান্ডিল গোনা ছাড়া এদের আর কি স্কিল আছে দেখাইতে পারবেন? ট্রেনের কয়টা বগি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন আর কয়টার ইঞ্জিন ঠিক আছে? ব্রডগেজ লাইন কয়টা বানাইছে? এইটা গেলো তো। এবার হিসাব কইরেন এরা কয়টাকা ঘুষ খাইছে। কিসের জন্য একটা ব্রডগেজ লাইনেও ট্রেনের স্পিড ১২০ এ উঠানো যায়না এটার উত্তর দিতে পারবে এরা? বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন কিছু মানেই সেটা রীতিমতো লুটপাটের কারখানা। আমলাদের পারসোনাল ব্যাংক সেটা। এই ভাইরাসদের সাথে লড়াই করার একটা সুযোগ ছিলো ৫ই আগস্ট এর পর পরই। কিন্তু ভাইরাসগুলাকে বিদায় করা গেছে? যায়নাই। এখন আর সুযোগও নাই। তাই আপাতত দৃষ্টিতে প্রফিটিবিলিটি ফিরায়ে আনার জন্য প্রাইভেট সেক্টরের হাতে কিছু জিনিস দিয়ে দেয়াই বেটার আমার মনে হয়। এতে অন্তত আমলাদের খাইখাই বন্ধ হবে। আর প্রাইভেট সেক্টরের যেহেতু মুল লক্ষ্য মুনাফা তাই সরকার চাইলে মুনাফা থেকে হিউজ রাজস্ব তুলতে পারবে। প্রাইভেট সেক্টর কখনোই লস করে ব্যবসা করবেনা। আর প্রাইভেট সেক্টর সরাসরি ডিল করে পলিটিক্যাল লিংক ধরে তাই এখানে আমার মতে আমলাদের হাত ঢুকানোর সুযোগ অনেকটাই কমবে। প্রাইভেট কোম্পানিগুলা যাতে কোনোভাবেই জনগণের ওপর অতিরিক্ত খরচের ছড়ি ঘুরাইতে না পারে এজন্য কঠোর রেগুলেটরি কাঠামো তৈরী করতে হবে। তবে হ্যা রেলওয়ে বা বিদ্যুৎ যেটাই প্রাইভেট সেক্টরকে দেক না কেনো মাস্টবি সকল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সরকারকেই বানাইতে হবে। প্রাইভেট কোম্পানি জাস্ট লিজ নিয়ে পরিচালনা করবে। কুইক রেন্টাল টাইপ কিছু যেন আবার না হয়। প্রাইভেট এসব কোম্পানির প্রফিট মার্জিনের ওপর থেকে প্রচুর রাজস্ব তুলে পূণরায় আবার সেই অর্থ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট এ ইনভেস্ট করতে হবে। - আহনাফ তাহমিদ অর্জন

2
দুই হুজুর আবাসিক হোটেলে গেছে। গিয়া পড়ছে প্যারায়। ওইদিনই পুলিশ রেড দিছে। ১৫ জনরে ধরছে, লগে হুজুর দুইটারেও, মেয়ে মানুষ সহ। অন্য হুজুররা যথারীতি জাতি ভাইদের দুর্দিনে আগায়ে আইসা ফেসবুকে ন্যারেটিভস নির্মাণ করে ফেলছিল যে, হুজুররা নিজেদের বউদের নিয়েই হোটেলে উঠছিল। বাকি সবাইর সাথে হুজুরদের গ্রেফতার করে জুলুম করা হইছে। ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান ডিসেন্ট এই কান্ডে দিছে আগুন ধরায়ে। তারা তদন্ত করে দেখছে যে হুজুররা বউ নিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু সেটা নিজেদের না, অন্যের বউ। একজন নিছে নিকটাত্মীয়ের বউকে, অন্যজন নিছে পরিচিত এক ভাইয়ের। - মীর হুজাইফা
47
3
没有文字...
47
4
没有文字...
253
5
নরমালি সুইসাইড করা লোকজনের প্রতি কোনো sympathy/empathy কাজ করে না আমার।কিন্তু গতকাল আমার ডিপার্টমেন্টের(বুয়েট মেকানিক্যাল) ইমিডিয়েট জুনিয়র সুইসাইড করলো, এই ঘটনা আমি নিজে ফিল করতে পারতেছি। যদিও ওর সাথে সরাসরি পরিচয় ছিল না কিন্তু সে কোন ধরনের মেন্টাল সিচুয়েশনের মধ্যে দিয়ে গেছে এটা ফিল করতে পারতেছি। BUET কে অনেকে Land of Living বলে কিন্তু আমার কাছে এটা Land of Depressed Souls।বেশিরভাগ ছেলেপেলের চোখেমুখে হতাশা খেয়াল করলেই বুঝা যায়।ফাস্ট ইয়ারের ছেলেদের চোখেমুখে যে আনন্দ থাকে তা বেশিদিন স্থায়ী হয় না। এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে বের হতে পারেনি।খুব বেশি বাকি ছিল এমনও না। ১/২ টার্ম আরেকটু ধৈর্য ধরলেই হয়তো হয়ে যেত।বুয়েটে যারা একবার পিছিয়ে পড়ে তাদের জন্য বুয়েট লিটারেলি একটা জাহান্নাম।একটা পরীক্ষা না দিতে পারলে / ল্যাগ খাইলে সেটা আবার এক্সাম দিলে ৪ এর মধ্যে ৩ এর বেশি পাওয়ার অপশন নাই। এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে থিসিসও নিতে পারেনি।থিসিস নেওয়ার জন্য মিনিমাম ক্রেডিট বেশ কিছু ডিপার্টমেন্টে কয়েক ক্রেডিট কম থাকলেও কন্সিডার করে কিন্তু মেকানিক্যালে ০.২৫ ক্রেডিট কম থাকলেও দেয়নি এমনও শুনেছি।ব্যাচের সাথে থিসিস না পেলে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পার্টনার ছাড়া একা থিসিস করতে হয়।কোনো স্যার ল্যাগারদের প্রতি কোনো সিম্প্যাথী দেখায় না। পদে পদে অপদস্ত হওয়ার সব বন্দোবস্ত বুয়েট করে রাখছে। মেন্টালি স্ট্রং না থাকলে এই ফেইজ পার করে পাশ করে বের হওয়া বেশ কঠিন।জুনিয়রদের সাথে ক্লাস করতে যাদের হয় তারা কি রকম মেন্টাল কন্ডিশনের মধ্যে দিয়ে যায় তা সরাসরি এক্সপেরিয়েন্স না থাকলেও ফিল করতে পারি।এই সিচুয়েশনে যারা পড়ে তাদের সেল্ফ কনফিডেন্স পুরো ধ্বংস হয়ে যায়।এমন না যে তারা স্টুডেন্ট হিসেবে খারাপ কিন্ত নিজের প্রতি কনফিডেন্স ধ্বংস হয়ে গেলে সেই মানুষের বেঁচে থাকা খুব কষ্টকর হয়ে যায়।বুয়েটে চান্স পাওয়া প্রায় সবার উপরই পরিবারের এক্সপেকটেশন অনেক হাই থাকে।ফলে এই সিচুয়েশনে পরিবারের কারো সাথেও সে নিজের দুঃখ-কষ্ট শেয়ার করতে পারে না। এই সিচুয়েশনে ফেস করা স্টুডেন্টের সংখ্যা টেন পার্সেন্টও হবে না হয়তো। বুয়েটের টিচাররা সবাই ডিপার্টমেন্টের টপার ছিল।তাই তারাও এই ক্যাটাগরির স্টুডেন্টদের সাফারিংস ফিল করতে পারে না।আল্টিমেটলি যখন বন্ধুবান্ধবরা হল থেকে বের হয়ে যায় সবাই, ফ্যামিলির সামনে দেওয়ার মত কোনো সদুত্তর থাকে না, টিচারদের থেকেও কোনো মেন্টাল সাপোর্ট পাওয়া যায় না তখন যারা একটু ইন্ট্রোভার্ট তাদের দুনিয়া একদম সংকীর্ণ হয়ে আসে। বুয়েটে যারা আসে তাদের প্রায় সবারই জীবনে কখনো ফেইলুর হ্যান্ডেল করার এক্সপেরিয়েন্স থাকে না।ইন্টার পর্যন্ত সব কাপায় এসে বুয়েটে ভর্তি হয়ে যখন পিছায়ে যায় তখন যেই সাইকোলজিক্যাল ট্রমার লুপে একবার আটকে যায়, তার জন্য সেখান থেকে নিস্তার পাওয়া বেশ দূরূহ। ছেলেটা প্র্যাকটিসিং না এমনও না, সে সুইসাইড করার আফটার ইফেক্ট ভালোভাবেই জানতো কিন্তু এত রাজ্যের হতাশায় হয়তো নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি। সুইসাইড করা কাপুরুষের কাজ।জীবনে পিছায় পড়লে আবার লড়াই করে ঘুড়ে দাঁড়ানোর হিম্মত রাখতে হবে।জুনিয়রদের প্রতি অনুরোধ কারোর যদি এমন চিন্তাভাবনা মাথায় আসে ক্লোজ সিনিয়রদের সাথে একটু বসিস।গল্প করিস দেখবি হালকা হয়ে যাবি।আমাকেও নক দিতে পারিস যেকোনো সময়।বুয়েটে গিয়ে একসাথে চা খেতে খেতে গল্প করে আসবো।হয়তো কিছু সুপরামর্শও দিতে পারবো। - আসিফ আহমেদ
248
6
বাংলাদেশ খুবই সেন্সিটিভ একটা জায়গায় হাত দিছে। সেইটা হচ্ছে ক্রিটিকাল মিনারেল বা বিরল খনিজ। এই কপার আর লিথিয়াম ছাড়া পৃথিবীর প্রায় প্রতিটা টেকনোলজি অচল। আপনি বানাইতেই পারবেন না সেটা ফাইটার জেট হোক বা মিসাইল বা আপনার ফোনের সামান্য ব্যাটারি বা ল্যাপটপের প্রসেসর। খুবই হাই ভ্যালু সেক্টর এটা। এই কপার আর লিথিয়ামকে যদি খুবই সেন্সিটিভববভাবে হ্যান্ডেল করা যায় এই খনিজ গেম চেঞ্জার হইতে পারে। কেমনে এক্সপ্লেইন করি। প্রথমত গ্লোবাল টেকনোলজি আর সেমিকন্ডাক্টর সেক্টর যে খনিজ সম্পদগুলা দ্বারা প্রভাবিত এগুলার মার্কেট খুবই ভলনারেবল। মানে ধরেন আজ যদি গ্লোবাল মার্কেটে হুট করে কপার, লিথিয়াম, নিওডিমিয়াম এসবের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায় যুদ্ধ বা কোনো কিছুর কারণে, তাইলে মুহুর্তের মধ্যে আপনার ল্যাপটপের র‍্যাম থেকে কারেন্টের তার সবকিছুর দাম ৫০ গুণ বাড়তেও নুন্যতম সময় লাগবেনা। আর এই খনিজগুলা ভুরাজনৈতিকভাবে এতটাই সেন্সিটিভ যে, যেকোনো মুহুর্তে যেকোনোভাবে এর সাপ্লাই বন্ধ হওয়ার মত যথেষ্ট চান্স আছে। ওদিকে পৃথিবীর সকল বিরল খনিজ সম্পদের প্রায় ৯০% নিয়ন্ত্রণ করে চীন। মানে চীন যদি সাপ্লাই বন্ধ করে দেয় তাইলে আমেরিকার মিসাইল থেকে শুরু করে AI সব বন্ধ, পশ্চিমা টেক সেক্টরের হাতে হ্যারিকেন চলে আসবে। এইখানে লেভারেজটা নিতে পারবে বাংলাদেশ। প্রথমত চিলির সাথে এই বিরল খনিজ নিয়ে আলাপ আলোচোনা করেছে বাংলাদেশ। ইভেন ইতিহাসে প্রথম চিলির রাজধানী স্যানটিয়াগো এবং ঢাকাতে প্রথমবারের মত দূতাবাস খোলা হবে। চিলির সঙ্গে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টও হইতে পারে বাংলাদেশের। বিনা শুল্কে আমদানি রপ্তানি। আর চিলির কাছে পৃথিবীর বৃহত্তম কপার এবং লিথিয়াম ডেপোজিট আছে। এইটা নিয়েই ড.খলিল এবং চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ বৈঠক করেছেন। চিলি গ্লোবাল কপার সাপ্লাই চেইনের ২৪% এবং লিথিয়াম সাপ্লাই চেইনের ৩১% কন্ট্রোল করে। মানে এই চুক্তি যদি সিরিয়াসলি নেয় বাংলাদেশ, তাইলে দক্ষিণ এশিয়ার লার্জেস্ট কপার এবং লিথিয়ামের রিজার্ভ তৈরী করা বাংলাদেশের কাছে ব্যাপার না। রিমেম্বার যুদ্ধের সময় আমেরিকা তাদের তেলের রিজার্ভ থেকে তেল বিক্রি করে কি পরিমাণ মুনাফা কামিয়েছে? এই সেইম অপরচুনিটি বাংলাদেশ কপার ও লিথিয়ামের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারে। বাংলাদেশ যদি দূরদর্শিতা দেখিয়ে চিলি থেকে কাঁচামাল এনে দেশে ক্রিটিক্যাল মিনারেলের একটি স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ এবং প্রসেসিং হাব গড়ে তুলতে পারে, তবে এটি বাংলাদেশেকে শুধু দক্ষিণ এশিয়া না সমগ্র এশিয়াতেই জিওপলিটিক্স ও ইকোনমিক্স দুই ক্ষেত্রকেই একটি ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতের মতো টেক জায়ান্টদের চিপ ও ইভি তৈরির জন্য তামা ও লিথিয়ামের ওপর শতভাগ নির্ভর করতে হয়। বাংলাদেশে যদি এই খনিজগুলোর বড় রিজার্ভ এবং প্রসেসিং সুবিধা থাকে, তবে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন সংকটের সময় যেমন যুদ্ধ বা কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেক কোম্পানিগুলোর জন্য একটি সেফ হ্যাভেন বা নিরাপদ সাপ্লাই হাব হিসেবে আবির্ভূত হবে। ​বিশ্ববাজারে লিথিয়াম ও তামার দাম অত্যন্ত অস্থির। কম দামে চিলি থেকে খনিজ কিনে রিজার্ভে রেখে, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে তা প্রসেস করে চড়া দামে রপ্তানি করা সম্ভব। ​যদি বাংলাদেশ আগামী ৭-১০ বছরে ১ থেকে ২ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ ক্রিটিক্যাল মিনারেলের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ গড়ে তোলে তাহলে বিশ্ববাজারের ওঠানামা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ প্রতি বছর ১৫% থেকে ২৫% প্রফিট মার্জিন পেতে পারে। ২ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ থাকলে প্রতি বছর কেবল মিনারেল ট্রেডিং ও প্রসেসিং ৩,৬০০ কোটি থেকে ৬,০০০ কোটি টাকা নিট মুনাফা করা সম্ভব। কাঁচামালের অভাবের ভয়ে অনেক বড় কোম্পানি বাংলাদেশে কারখানা খুলতে চায় না। দেশে রিজার্ভ নিশ্চিত থাকলে বিশ্বের শীর্ষ ইভি ব্যাটারি মেকার যেমন: CATL, BYD বা সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে মেগা ফ্যাক্টরি করতে ছুটবে। আগামী ১০ বছরে ৩৬,০০০ কোটি থেকে ৬০,০০০ কোটি টাকা মেগা হাইটেক ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে বিনিয়োগ আসবে জাস্ট এই ক্রিটিকাল মিনারেলের জন্য। একটি স্থায়ী ও সুসংগঠিত ক্রিটিক্যাল মিনারেল রিজার্ভ ও প্রসেসিং হাব এককভাবে বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রতি বছর প্রায় ২.৫ থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার ভ্যালু অ্যাড করতে সক্ষম। ​যেভাবে ১৯৭১ সালের পর মধ্যপ্রাচ্য তেল দিয়ে বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করেছে, ২১ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করবে ক্রিটিক্যাল মিনারেল। ​বাংলাদেশ যদি তেল বা গ্যাসের অভাব সত্ত্বেও আগেভাগে তামা, লিথিয়াম ও রেয়ার আর্থ মিনারেলের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ তৈরি করতে পারে, তবে বাংলাদেশ কেবল পোশাক রপ্তানিকারক দেশ থাকবে না। বরং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনের একটি অপরিহার্য স্ট্র্যাটেজিক প্লেয়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবে চোখ বন্ধ করে। - আহনাফ তাহমিদ অর্জন
196
7
没有文字...
161
8
Shakib Khan এর একটা অজানা ইতিহাস জানলাম আজকে Purnima র কারনে! রিসেন্ট যতগুলো মুভি বের হয়েছে আমি তার একটাও দেখি নি,সাকিব খানের ৯০'স মুভি গুলোই ভালো ছিল,নরমালি এত সময় ধরে পডকাস্ট দেখার সময় পাইনা। আজকে দেখলাম। অপু বিশ্বাস,বুবলি আসার অনেক আগেই শাকিব খান একজন কে ভালোবাসতেন,এমন কি তাকে বিয়ে করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন। এমন হয়না? আমরা যাকে খুউউউব বেশি ভালোবেসে ফেলি, তার কথা আশেপাশের সবাই কে জানাই? শাকিব খান ও এই ব্যাপার টা আশেপাশের মানুষ কে জানিয়েছিলেন, এমনকি পুর্ণিমা কেও। পূর্ণিমা ওই মেয়েটার সাথে কথাও বলেছিলো। অপু বিশ্বাস,বুবলীর ব্যাপারে শাকিব যেভাবে সবার থেকে লুকিয়েছিলো,ওই মেয়ের ব্যাপারে লুকায় নাই৷ বিয়ে করবে ভেবে আগেই জানিয়েছিলো অনেক কেই। আজকে সেই মেয়ের টপিক উঠায় শাকিব যেনো নষ্টালজিক হয়ে গিয়েছিলো! শাকিব আরো একটা কথা বলেছিলো, ''ভালোবাসলাম কাকে, আর গেলাম কোথায়?'' এই কথাটা খুব হিট করলো! এইটা আসলে অনেকের ই লাইফ স্টোরি! তারা বিশেষ একটা মানুষ কে তীব্র ভাবে ভালোবেসেছিলো, ভেবেছিলো ওই মানুষ টা কেই বিয়ে করবে!পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুমহলে সবখানে জানানোও ছিল " একজন আছে " শেষে তাদের সম্পর্ক আর পূর্ণতা পায় নাই। তারা হয়তো এখন অন্য একজনের সাথে সংসার করে, নয়ত নতুন কারো সাথে হাত ধরে সুখের স্বপ্ন বুনছে কিন্তু যে ভালোবেসেছিল তার মনে সেও "না পাওয়া'' মানুষটার জন্য হাহাকার থেকেই যায়! একটা কথা আছেনা? বিরহ দেয়না ভুলিতে! ব্যাক্তি শাকিব খানের উর্ধে তার আজকের বিষয়টা গভীর ভাবে নাড়া দিল। সম্পর্কের পিক মোমেন্টে থাকলে,সম্পর্ক স্ট্যাবল থাকলে বিয়ে করে সারাজীবন একসাথে থাকার প্রতিজ্ঞা করুন।হারিয়ে গেলে হয়ত আরো বেটার পাবেন,ভালোও পাবেন কিন্ত সেই মানুষটিকে হয়ত আর পাবেন না। অনেকেই আছে এমন! দিব্যি সংসার করতেছে আবার একটা হাহাকার চলেই আসে মনে! সেই মানুষ টার কথা মনে পড়ে, যার সাথে স্বপ্নে একটা সুন্দর সংসার সাজিয়ে ফেলেছিলো❤️
309
9
没有文字...
271
10
ককরোচ পার্টি বিশ তারিখে যেদিন সংসদ অভিমুখে লংমার্চ করেছিল, ঠিক সেদিনই ভারতের সংসদে FCRA বা Foreign Contribution Regulation Amendment প্রস্তাবনা উত্থাপনের কথা ছিল। এই প্রস্তাবনার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি অনুদান (Foreign Contribution) ও বিদেশি আতিথেয়তা (Foreign Hospitality) গ্রহণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা, যাতে বিদেশি অর্থের মাধ্যমে ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থে প্রভাব বিস্তার করা না যায়। প্রতিটি এনজিও— যারা বিদেশি অনুদান গ্রহণ করতে চায়, তাদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে FCRA রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এর ফলে ভারতে প্রবেশ করা সকল বৈদশিক আর্থিক অনুদান ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কিন্তু ককরোচ পার্টি যখন খুব মীরাকেলি সেদিনই সংসদ অভিমুখে মুভ করে, তখন ভারতীয় সরকার ও সরকারপন্থী লোকজন স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই অরগানিক মুভমেন্টকে ফরেইন ফান্ডেড হিসেবে গণ্য করে। ভারত সরকার আরো স্পষ্টভাবে সমীকরণ মেলাতে পারে ২১ তারিখ রাতে, যখন দিল্লীর ক্যাথলিক চার্চের ফাদাররা যন্তরমন্তর অভিমুখে যাত্রা করে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে। ভারতীয় সরকার তখন একপ্রকার নিশ্চিত হয় যে এই মুভমেন্টের চালিকাশক্তি বাইরে থেকে আসছে। কারণ একদিকে বিশ তারিখে ককরোচ পার্টি সংসদ অধিবেশন বসতে দেয়নি, অন্যদিকে ভারতে আসা বৈদশিক অনুদানের অধিকাংশ খরচ হওয়া চার্চগুলো যখন শিক্ষার্থীদের সংহতি জানিয়েছে..! ভারতীয় সরকার তখন ফাইনাল অ্যাসেসমেন্ট করে ফেলে যে, এই মুভমেন্ট অরগানিক না। কিন্তু তাড়িয়ে বেড়ানো অজানা ভয়ের বশবর্তী হয়ে অবচেতন মনের তৈরীকৃত এই অ্যাসেসমেন্ট ছিল সম্পূর্ণ ভুল। একদিকে ফাংশনাল ডেমোক্রেসি, আরেকদিকে ভুল অ্যাসেসমেন্ট— দুটোর যোগফল ছিল ‘লিমিটেড মাসল পাওয়ার’ একজন বাংলাদেশি হিসেবে আন্দোলনে পুলিশের লাঠিপেটা, রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান আমাদের কাছে ডালভাত। কিন্তু এই একই পানিশমেন্ট ভারতের মত দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ফাংশনাল ডেমোক্রেটিক কান্ট্রিতে বেশ বেমানান। ছেলেপেলেদের যখন পেটানো হলো, টিয়ার গ্যাস, জলকামান মারা হলো— তারা ক্ষেত্রবিশেষে এঞ্জয়'ও করলো আবার মেন্টালি এমন একটা প্রিপারেশনও নিলো যাতে ইন ফিউচারে তারা এসবে ‘ইউজড টু’ হতে পারে। দিল্লীতে ছেলেমেয়েরা মার খাচ্ছে তো বিহারে ছেলেমেয়েরা পুলিশকে পিটিয়ে দিচ্ছে। বিহারে মার খাচ্ছে তো কলকাতায় পিটিয়ে দিচ্ছে। ধীরে ধীরে একটা সফট এন্ড ইন্টালেকচ্যুয়াল রেজিস্ট্যান্স গড়ে উঠতে থাকলো। এই প্যাটার্নটা নিশ্চয়ই ভারত সরকারের নীতিনির্ধারকেরা অনুসরণ করেছে। একদিকে সরকারের মনে ‘ফরেইন ফান্ডেড’ নামক অজানা ভয়, আরেকদিকে ফাংশনাল ডেমোক্রেসির দেশে ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে থাকা রেজিস্ট্যান্স— মোদিকে চিন্তিত করে ফেলে। প্রথমদিকে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ না করানোর সিদ্ধান্তে অনড় থাকা মোদি শেষ মুহূর্তে ঠিকই পদত্যাগ করিয়েছে। অর্থাৎ মোদি অবশ্যই অবশ্যই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু ভীতসন্ত্রস্ত মোদি তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে। আন্দোলনকে স্ফুলিঙ্গ থেকে জ্বলতে থাকা লাভার মাঝেই সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে, যাতে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত না হয়। সাদা চোখে দেখলে, মোদির কৌশলগত বিজয় হয়েছে কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে। অন্যদিকে ককরোচদের কৌশলগত পরাজয় হয়েছে কিন্তু মূখ্য দাবিগুলি মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তাদের দীর্ঘমেয়াদী জয় হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে জয় এজন্য বললাম, কারণ— এই ছেলেমেয়েগুলির সরকারের একজন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করানোর প্রাক্টিস হয়ে গেলো। এই প্রাক্টিস তাদের কনফিডেন্স লেভেলকে যোজন যোজন বাড়িয়ে দিবে। ভারতের প্রচুর ভালনারিবিলিটিস আছে এবং প্রতিটি ভালনারিবিলিটি প্রচণ্ড পরিমাণ অরগানিক। শুধু শিক্ষাখাত না, রেলওয়ে করাপশন থেকে শুরু করে এনার্জি, এনভায়রনমেন্টাল রিস্ক ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রব্লেম যখন অরগানিক, প্রটেস্টও হবে অরগানিক। আর প্রতিটা অরগানিক প্রটেস্টেই ভারত সরকার ’ফরেইন ফান্ড’ নামক অজানা ভয়কে খুজে বেড়াবে এবং ভুল অ্যাসেসমেন্ট করবে। ভারতের এই ভালনারিবিলিটিস'ই কন্টিনিয়াস প্রটেস্টকে গ্লোরিফাই করে। তাই এই আন্দোলন কোনো একক আন্দোলন না। এটা একটা চলমান ধারা। এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং হটাত একদিন কোনো এক অরগানিক প্রটেস্টেই ফাংশনাল ডেমোক্রেসির ভারতে গণঅভ্যুত্থান ঘটে যাবে। - শাফিন রহমান
333
11
没有文字...
255
12
সেমিকন্ডাক্টর সামিট: প্রধানমন্ত্রীর সামনে বুয়েটের প্রসেসর ‘প্রগতি ভি-১’ উপস্থাপন "তৈরি পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর হতে পারে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধান রপ্তানি খাত" - রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিয়ার সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন। আজ সকালে অনুষ্ঠিত এই সামিটে প্রধানমন্ত্রীর সামনে নিজেদের তৈরি ওপেন-সোর্স ৩২-বিটের রিস্ক-ভি (RISC-V) প্রসেসর ‘প্রগতি ভি-১’ উপস্থাপন করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর একটি প্রতিনিধি দল। বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম হারুন-উর রশীদের তত্ত্বাবধানে এবং ‘নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর লিমিটেড’ এর কারিগরি সহায়তায় প্রসেসরটির নকশা করেছেন স্নাতক শিক্ষার্থী খালিদ হোসেন ও শেখ তারিফুল ইসলাম। গবেষক দল জানায়, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স (যেমন: এসি, ফ্রিজ) এবং বিভিন্ন ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইসে ব্যবহারের উপযোগী করে এই সিস্টেম-অন-চিপটি (SoC) তৈরি করা হয়েছে। সম্পূর্ণ ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিজাইন করা এই চিপটি বিনামূল্যে তৈরি (ফ্যাব্রিকেট) করে দিয়েছে জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘আইএইচপি’। দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর শিল্প বিকাশে এই প্রসেসর তৈরিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামিটে উপস্থাপনের আগে চিপটির একটি স্মারক বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইইই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শরীফ মোহাম্মদ মোমিনুজ্জামান, ড. আনিসুজ্জামান তালুকদার, নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর এর সিইও মো. শাখাওয়াত হোসেন, আইটেস্ট ইনকর্পোরেট এর পরিচালক সৈয়দ মুনির প্রমুখ। Md. Habib Nazzar Ratin 2406135 Design: Mahdi Hasan(2406170) #BUET
324
13
没有文字...
262
14
২০২৪ সালের মে মাসে গুলশান ডিপ্লোমেটিক জোনে একটি গাড়ি রঙ সাইডে বেপরোয়া ড্রাইভ করা অবস্থায় একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে ধাক্কা মারে। আহত চালক প্রতিবাদ করলে গাড়ি থেকে তিন চারজন বের হয়ে তাকে মারধর করে। পাশেই কুটনৈতিক পাড়ার ডিউটিরত এক পুলিশ ঘটনা দেখে এগিয়ে আসে এবং সেই গাড়ির আরোহীদের থামানোর চেষ্টা করলে একজন সেই পুলিশের উপর চড়াও হয়। সে সেই পুলিশকে মারধর করে এবং তার ইউনিফর্ম ছিঁড়ে ফেলে। আর এই ছেলেই সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নাতি, আরশাদ আদনানের ছেলে। সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ছিলেন বাংলাদেশের ২২ তম প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে চুপ্পু ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর ও পরবর্তীতে ২০২২ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিল। আর এই সময়েই ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০% শেয়ার-সীমা লঙ্ঘন করে বেনামি শেয়ার ক্রয় করে এস আলম ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়, এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের জোরপূর্বক অপসারণ করে নিজেদের লোক বসায়। পুরো এস আলম সিন্ডিকেট সময়েই চুপ্পু ইসলামী ব্যাংকের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এস আলমের লক্ষ কোটি টাকা লুটপাটের অনুমোদনকারী হিসাবে অধিষ্ঠিত ছিল। ২০২৪ সালের এক ইনভেস্টিগেটিভ প্রতিবেদনে উঠে আসে মালেশিয়াতে চুপ্পুর দেড় লক্ষ রিংগিত অর্থাৎ ৪৫ লক্ষ টাকা সেকেন্ড হোম প্রোগ্রামে ইনভেস্টমেন্ট আছে। দুবাইয়ের একাধিক ব্যাংক একাউন্ট ও ওয়ারাদ জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক বিনিয়োগের বিনিময়ে সেখানে রেসিডেন্স ভিসা নেয়ার তথ্যও উঠে এসেছে। এছাড়া চুপ্পুর তৃতীয় আরেক দেশের পাসপোর্ট আছে বলেও অনুসন্ধানে বলা হয়েছে। এর আগের ২১ জনের মধ্যে কেবল স্বৈরাচার এরশাদই কৃতকর্মের জন্যে গ্রেফতার হয়েছিল এবং বিচারের সম্মুখীন হয়েছিল। চুপ্পু এবং তার পরিবারের সদস্যরা অপকর্ম এবং অনিয়ম দুর্নীতির দায়ে আইনের সম্মুখীন হবে কি না তা সময় হলে দেখা যাবে। তবে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির যে আইনি ধারা আছে তা কেবল দাপ্তরিক কাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আমরা চাই আইন তার শক্তি প্রদর্শন পূর্বক ইসলামী ব্যাংক লুটপাটের অন্যতম এই সহযোগীকে বিচারের সম্মুখীন করুক। - মোতাহার হোসেন
333
15
没有文字...
284
16
বর্তমান সরকারের বিদ‍্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রী ২০০১-০৬ এও ছিলেন একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত। ২০০১-০৬ পর্যন্ত বিএনপির সমর্থকেরা পর্যন্ত বিএনপিকে যে সেক্টরে ব‍্যর্থ বলবেন, সেটি হলো বিদ‍্যুৎ সেক্টর। আওয়ামী লীগ যে কুইক রেন্টাল+IPP করে দেশের টাকা লুটপাট, ব‍্যাংক লোন + ক‍্যাপাসিটি দেশকে ২০ বছর পিছিয়ে দিয়ে গেলো, এর পটভূমি তৈরীতে বিএনপির ০১-০৬ এ বিদ‍্যুৎ খাতে তুমুল ব‍্যর্থতাও কিছুটা দায়ী। একই ব‍্যক্তি এবার আবারো একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায়, আশংকায় ছিলাম এবার কি করেন তিনি। বিদ‍্যুৎমন্ত্রী চার মাসের মাথায় বিদ‍্যুৎ বিতরণ খাতকে বেসরকারী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পিডিবির ঋণ আকাশছোঁয়া। মূলত বেশিদামে বিদ‍্যুৎ কিনে কমদামে বিতরণ, সিস্টেম লস, চোরাই লাইন, ক‍্যাপাসিটি চার্জ ইত‍্যাদি কারণে পিডিবির ঋণ এমণ আকাশছোঁয়া হয়েছে। বিদ‍্যুত উৎপাদনে ২০০৯ এর পর যে বেসরকারী খাতে যাওয়া হলো, তার অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। বেসরকারী খাতে বিদ‍্যুৎ বিতরণ করা হলে নিশ্চিতভাবে বিদ‍্যুৎ খরচ আরো বহুগুণে বাড়বে, মূল‍্যস্ফীতি বাড়বে, আবারো এক বিদ‍্যুৎ খাতের জন‍্য, বিএনপি সরকারের সামনের সব সম্ভাব‍্য অর্জন ধুলোয় মিশে যাবে। হাসিনা পতনের পর ২ বছর পার হলেও আদানির ক‍্যাপাসিটি চার্জ বন্ধ হয়নি। মাননীয় মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, আদানির বিদ‍্যুৎ তিনগুণ দামে কিনে এই দামের বোঝা কেন এখনো জনগণের ওপর চাপানো হচ্ছে ? আদানিকে কেন আন্তর্জাতিক আদালতে নেয়া এখনো সম্ভব হচ্ছে না ? কিছুদিন আগে বিদ‍্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মৃত‍্যুর মতো হৃদয়বিদারক ঘটনা নিয়ে সংসদে হাস‍্যরস করেছেন শেখ সেলিমের এই বেয়াই। তিনি ভারতেরও অত‍্যন্ত ঘনিষ্ট, আবার শেখ কামালের বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন। এসব কিছু তার অযোগ‍্যতা না হলেও, বিএনপি ক্ষমতায় আসার ৩ মাসের মধ‍্যে বিদ‍্যুতের দাম বাড়ানোটা তার জনআকাঙ্খার প্রতি ignorant হবার একটা লক্ষণ। বিদ‍্যুৎ খাতকে এমন apathetic ব‍্যক্তির হাতে দিয়ে রাখলে, বিএনপি খাল কেটে কুমির আনবে। - আসলাম বেগ সায়েম
407
17
আর একারণেই প্রতিটা বাংলাদেশির মোদির বিজয় চাওয়া উচিত। M Hassan
459
18
আজকের ভারত কে বুঝতে হলে আপনাকে তাদের কালচারাল ডাইন্যামিক্স গুলা বুঝতে হবে। এনআথ্রোপলজি বুঝতে হবে। ইতিহাস বুঝতে হবে। ধর্ম বুঝতে হবে। মানুষ বুঝতে হবে। আজ থেকে ৩০০ বছর আগেও যদি ফেরত যান...ভারত নানে আলাদা কোন দেশ ছিলো না। এমন কি ১৯৪৭ এর আগেও ভারতে অনেক গুলা ছোট ছোট প্রিন্সলি স্টেট ছিলো। তো...স্বাভাবিক যুক্তিবিদ্যা যদি ধরেন...ভারত-পাকিস্তান নামক দুইটা আলাদা দেশ হবার কোন কারণ নাই। এখানে অসং্খ্য ছোট ছোট দেশ হতে পারতো। বাংলা ভাষাভাষি দুইটা, সেভেন সিস্টার্সে, সাউথ ইন্ডিয়ায়, শিখদের...এরকম সুযোগ ছিলো। কিন্ত ব্রিটিশরা সেটা দিলো না। হাজার বছরের বিচিত্র ইতিহাদ পায়ে মাড়িয়ে তারা জন্মদিলো কৃত্রিম দুই রাষ্ট্র: ভারত এবং পাকিস্তান। মানে ভারত একক ভাবে কোন দেশ না। অসং্খ্য ছোট ছোট দেশ মিলাইয়া বড়একটা দেশ। ____ ভারতের ফাউন্ডিং ফাদারস রা বিষয়টা বুঝতো।তাই তারা সিদ্ধান্ত নিলো এই বিচিত্র ছোট ছোট জনপদকে বাঁধতে হলে দুইটা জিনিস নিশ্চিত করতে হবে: ১। গণতন্ত্র ২। সেক্যুলারিজম। তারা চেষ্টা করলো তাদের প্রতিষ্ঠান গুলাকে সেক্যুলার চেহারা দেবার। ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস, জুডিসিয়াল সার্ভিস, পুলিশ সার্ভিস , সেনা সার্ভিস এগুলার চরিত্র তারা সেক্যুলার রাখার চেষ্টা করলো। আর আপনি যদি ভারতীয় সংবিধানে যান...এমন অনেক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে...যাতে রিপাব্লিক ভেংগে না পরে। ___ ভারতের জনপদ/জনমত কতোটা বিচিত্র। আপনি যদি দক্ষিণ ভারতের দিকে তাকান...তাইলে এক্টা সম্পূর্ণ ভিন্ন সভ্যতা দেখতে পাবেন। সাউথ ইন্ডিয়ানরা দ্রাবিরিয়ান সভ্যতার প্রতিনিধিত্ব করে। এবং দে আর প্রাউড অফ ইট। তাদের ভাষা এবং তাদের সংস্কৃতি নিয়ে তারা কতোটা গর্বিত...এইটা জাস্ট তাদের মুভি দেখলেই বুঝা যায়। দ্রাবিড়িয়ান সভ্যতা এর সাথে ইন্দো-আরিয়ান সভ্যতার সংঘাতটা কোথায় এটা নিয়ে অনেক বড় পোস্ট লিখা লাগবে। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হচ্ছে এই সংঘাতে আমাদের অবস্থান। যাই হোক। আপ্নি সেভেন সিস্টার্সে যান। এখানের অবস্থা আরো বিচিত্র। এখানের প্রদেশ গুলা দুইটা দুনিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে। এক্টা গ্রুপ হচ্ছে তিব্বতীয়/হিমালয়ান গ্রুপ। আরেকটা হচ্ছে সাউথ ইস্ট এশিয়ান গ্রুপ। এটা নিয়েও অদূর ভবিষ্যতে বিস্তারিত পোস্ট দেওয়া লাগবে। এর বাইরে শিখরা আছে। আরো বিচিত্র সব জাতিগোষ্ঠী আছে। কিন্ত...এদের সবাইকে ডমিনেট করে...হিন্দি বেল্ট। এরা ইন্দো-আরিয়ান সভ্যতার সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করে। ___ এখন আপ্নি যদি দেখেন...ভারতের ইকোনোমিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে সাউথ ইন্ডিয়ার। শিক্ষায় ওরা আগাইয়া। শিল্পে অবদান আছে। তারা জনসং্খ্যা কমাইয়া আনছে। অন্যদিকে হিন্দি বেল্টের লোকজন খালি খায় আর বাচ্চা পয়দা করে (মেক্সিমাম)। যার ফলে হিন্দি বেল্টের জনসং্খ্যা লাফাইয়া বাড়ছে। মোদি চেষ্টা করছিলো...জনসং্খ্যার অনুপাতে প্রদেশ গুলার মাঝে আসন ভাগ করতে। এইটা করলে..মোদির আজীবন ক্ষমতায় থাকার রাস্তা ক্লিয়ার হয়ে যাইতো। কারণ হিন্দি বেল্ট জনসং্খ্যার হিসেবে অনেক বেশি আসন পাইতো এইখানে বাদ সাধছে সাউথ ইন্ডিয়ানরা। তাদের বক্তব্য...আমরা কষ্ট করে জনসং্খ্যা কমাইলাম..সেইটা কি আমাদের ডিস্ক্রেডিট? মোদি এবার পিছাইয়া গেছে। কিন্ত সামনে আর পিছাবে না। একই খেলা আরো অনেক জায়গায় চলতেছে। মোদি সিস্টেমেটিক্যালি প্রতিষ্ঠান গুলা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। নষ্ট করতেছে। এক সময় হিন্দি বেল্ট ছিলো কংগ্রেসের ঠিকানা। সেখানে কংগ্রেস এখন নিজেই উদ্বাস্ত। আর মোদি হিন্দি বেল্টের বাইরে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে ডেস্পারেটলি। এজন্য যা করা লাগতেছে করতেছে ____ তাইলে...আমরা কেন চাচ্ছি...যে মোদি ক্ষমতায় টিকে থাকুক? কারণ..মোদি আসলে সাধারণ হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব করে না। সে প্রতিনিধিত্ব করে...উগ্র হিন্দুত্ববাদের। মোদি এখানে ইন্সট্রুমেন্ট মাত্র। তাকে সামনে রেখে ব্রাক্ষণ শ্রেষ্ঠত্বের আড়ালে আর্য শ্রেষ্ঠত্বের। মানে এখানে হিন্দি বেল্টের নিম্নবর্ণের হিন্দুরাও ইউজড হচ্ছে। দক্ষিণ ভারতের হিন্দু ধর্মের চর্চা বা নিম্ন বর্ণের হিন্দুদের ধর্ম চর্চা আর হিন্দি বেল্টের হিন্দুত্বের ভার্সন সেম না। মোদি যতো বেশি দিন ক্ষমতায় থাকবে...এই বিষয় গুলা আরো স্পষ্ট হবে। একই সাথে দক্ষিণ ভারত, সেভেন সিস্টার্স সহ ভারতের অন্যান্য অংশ নিজেদের হিস্যা বুঝে নিতে সোচ্চার হবে। যার ফলে...দাপট কমবে হিন্দি বেল্টের। _____ মনে রাখবেন...আমাদের মূল শত্রু সাধারণ ভারতের জনগ্ণ না। আমাদের দুশমন হিন্দি বেল্টের আগ্রাসী সাম্প্রদায়িক নেতারা। দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির জন্য তাই ভারত ভাগ হওয়া আবশ্যিক না। ভারতে প্রকৃত ফেডারেল ব্যবস্থা কায়েম হওয়া জরুরি। এইটা নিয়ে আলাপ উঠছে। এবং মোদি আরো দুই/তিন টার্ন ক্ষমতায় থাকলে এটা হবেই। কারণ ভারতকে এক সূতায় বাঁধার সূত্র...অসাম্প্রদিক ইন্সটিটিউশন এবং গণতন্ত্র...মোদি দুইটাই ধ্বংস ক রছে ( খুব সংক্্ষিপ্ত পোস্ট। ভবিষ্যতে বিস্তারিত লিখার ইচ্ছা আছে। আপাতত এটা বেসিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর জন্য।)
453
19
পরীক্ষার ভেতর চাকরি করতে হবে না ইকনকে, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
পরীক্ষার ভেতর চাকরি করতে হবে না ইকনকে, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
384
20
লাস্ট বাট নট, দ্যা লিস্ট ৫ আগস্টের পর আপনারা অনলাইনকে যে চূড়ান্ত রকমের টক্সিক আর নোংরা বানায় ফেলছিলেন সেখান থেকে বের হোন। ৫ আগস্টের পর অন্তত অনলাইনে সকল দল-মতের একটা কো-এক্সিসস্টেন্স আমরা এক্সপেক্ট করছিলাম সেটা আপনারা হতে দেন নাই। আশা করবো এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিবেন। অন্যদের জন্য ব্রিডিং স্পেস ক্রিয়েট করবেন। - সাদিব
409