Engineer's Diary
前往频道在 Telegram
📈 Telegram 频道 Engineer's Diary 的分析概览
频道 Engineer's Diary (@engineersdiary) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 10 201 名订阅者,在 教育 类别中位列第 19 596,并在 孟加拉国 地区排名第 2 337 位。
📊 受众指标与增长动态
自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 10 201 名订阅者。
根据 13 十月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -118,过去 24 小时变化为 -2,整体触达仍然可观。
- 认证状态: 未认证
- 互动率 (ER): 平均受众互动率为 6.77%。内容发布后 24 小时内通常能获得 1.95% 的反应,占订阅者总量。
- 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 691 次浏览,首日通常累积 199 次浏览。
- 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 6。
📝 描述与内容策略
作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“EngineersDiaryBD.com”
凭借高频更新(最新数据采集于 14 十月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 教育 类别中的关键影响点。
10 201
订阅者
-224 小时
-197 天
-11830 天
数据加载中...
吸引订阅者
十月 '2610月 '26
十月 '26
+1
在0个频道中
九月 '26
+10
在0个频道中
Get PRO
八月 '26
+10
在0个频道中
Get PRO
七月 '26
+45
在0个频道中
Get PRO
六月 '26
+5
在0个频道中
Get PRO
五月 '26
+1
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+8
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+3
在0个频道中
Get PRO
二月 '26
+83
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+27
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+14
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+3
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+23
在0个频道中
Get PRO
九月 '25
+26
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+23
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+6
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+8
在0个频道中
Get PRO
五月 '25
+33
在0个频道中
Get PRO
四月 '25
+31
在0个频道中
Get PRO
三月 '25
+859
在1个频道中
Get PRO
二月 '25
+271
在0个频道中
Get PRO
一月 '25
+276
在0个频道中
Get PRO
十二月 '24
+132
在0个频道中
Get PRO
十一月 '24
+43
在1个频道中
Get PRO
十月 '24
+72
在1个频道中
Get PRO
九月 '24
+218
在0个频道中
Get PRO
八月 '24
+4 057
在0个频道中
Get PRO
七月 '24
+3 370
在0个频道中
Get PRO
六月 '24
+1 380
在0个频道中
Get PRO
五月 '24
+1 215
在0个频道中
Get PRO
四月 '24
+721
在0个频道中
Get PRO
三月 '24
+1 720
在0个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 13 十月 | 0 | |||
| 12 十月 | 0 | |||
| 11 十月 | 0 | |||
| 10 十月 | 0 | |||
| 09 十月 | 0 | |||
| 08 十月 | 0 | |||
| 07 十月 | 0 | |||
| 06 十月 | 0 | |||
| 05 十月 | 0 | |||
| 04 十月 | 0 | |||
| 03 十月 | 0 | |||
| 02 十月 | +1 | |||
| 01 十月 | 0 |
频道帖子
| 2 | নোবেল শান্তি কমিটির তামাশাটা দেখেছেন?
এরা এই বছর শান্তিতে নোবেল দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারক নাভানেথেম নাভি পিল্লাইকে। এই ভদ্রমহিলাকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে পছন্দ করি। কারন তিনি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী মানুষ। কিন্তু তাঁকে নোবেলটা দেয়া হয়েছে কেন জানেন?
রোহিঙ্গাদের অধিকারের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে যে মামলা হয়েছে; সেই মামলার বিচারের দায়িত্বে তিনি ছিলেন। ওই মামলায় তিনি রোহিঙ্গাদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। তবে বলা হয়েছে-মূলত যুদ্ধ বিরোধী অবস্থানের জন্য তাঁকে নোবেল দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে হয়েছেটা কী?
কোন রোহিঙ্গা কি বাংলাদেশ থেকে ফেরত গেছে? কোন যুদ্ধ কি বন্ধ হয়েছে? গা*জায় গণহ*ত্যা কি বন্ধ হয়েছে? আন্তর্জাতিক আদালতের কি কোন ক্ষমতা আছে?
যদি থাকতোই, তাহলে গা*জাতে যে নেতানিয়াহু লাইভে গণহ*ত্যা করছে। এর জন্য যে আন্তর্জাতিক আদালত নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। এতে কি নেতানিয়াহুর কিছু যায় এসেছে?
সে তো দিব্যি দিন কয়েক আগেও অ্যামেরিকার নিউইয়র্কে গিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছে। তাহলে রায় দেয়ার জন্য কেন এই ভদ্রমহিলাকে নোবেল দেয়া হলো? আর তাঁকে যদি নোবেল দেয়া যায়, তাহলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যারা রায় দিয়েছিল, তাঁদের সবাইকে নোবেল দেয়া হলো না কেন? ওটা তো আরও বেশি কার্যকরী হতো। একজনকে দিয়ে লাভ কী হলো?
তাছাড়া বাংলাদেশের মত পৃথিবীর সব চাইতে ঘনবসতি পূর্ণ দেশে আমরা প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি (সংখ্যাটা আসলে আরও অনেক বেশি। তবুও আমি জাতিসংঘের সংখ্যাটাই বলছি।) বছরের পর বছর এদেরকে আমরা দেখভাল করছি, নিরাপত্তা দিচ্ছি। প্রতিটা বাংলাদেশির এতে সেক্রিফাইস আছে। যদি রোহিঙ্গা বিষয়ে নোবেল দিতেই হয়। তাহলে বাংলাদেশকে কেন নোবেল দেয়া গেল না? রাষ্ট্রকে তো আর নোবেল দেয়া যায় না। কিন্তু প্রতিষ্ঠানকে তো দেয়া যায়।
বাংলাদেশের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে দেয়া যেত কিংবা মানবাধিকার কমিশনকে। ঠিক আছে আমাদের সমাজে সমস্যা আছে। বিচার হয় না। মৌলিক অধিকার পাই না। একে ধরে, তাঁকে মারে! এলিট-বুর্জোয়া শাসক শ্রেণী যুগের পর যুগ দেশটাকে ভাগাড় বানিয়ে রেখেছে। কিন্তু আমরা তো প্রায় ১৫/২০ লাখ রোহিঙ্গাকে (রাফলি) এখনও দেখভাল করছি। সরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া না গেলে, কোন একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও তো বেছে নেয়া যেত।
আপনাদেরকে একটা হিসাব দেই শুধু। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল দেশ মিলে ২০২৩ সালে আশ্রয় দিয়েছে ৪ লাহ ৯ হাজার মানুষকে। আপনারা ইউরো স্ট্যাটে গিয়ে দেখতে পারেন। আর ২০২৪ সালে দিয়েছে ৪ লাখ ৩৭ হাজার। মানে ২৭টা দেশ মিলে দুই বছরে ৯ লাখ মানুষকেও আশ্রয় দেয় নাই।
আর আমরা এতটুকু একটা দেশ। যেখানে মানুষ আর মানুষ। দরিদ্র জনগোষ্ঠী। সেই আমরা একাই কিনা প্রায় ১৫/২০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। রোহিঙ্গা বিষয়ে যদি নোবেল দিতেই হয়। তাহলে আমরা বাংলাদেশিরাই এটা ডিজার্ভ করি।
তবুও নাভানেথেম নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন। আজ যখন তিনি নোবেল প্রাপ্তির সংবাদ শুনেছেন। তাঁর আশপাশের সবাই হাততালি দিচ্ছিল। তিনি এরপর বলেছেন
- If you clap a little longer, I might share the Nobel Prize with Trump (তোমরা যদি আরেকটু বেশি সময় ধরে হাততালি দাও, তাহলে আমি ট্রাম্পের সঙ্গে নোবেল পুরস্কারটা ভাগ করে নিতে পারি!)
তিনি যখন এই কথা বলেছিলেন, পুরো হল জুড়ে যারা ছিলেন; সবাই হেসে উঠেছে। মানে তিনি ব্যাঙ্গ করে বলেছেন ট্রাম্পকে শিক্ষা দিতে। জগতটা এলিট-বুর্জোয়াতন্ত্র এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী মানুষে ভরে উঠুক। পৃথিবীটা মানুষের হোক।
- আমিনুল ইসলাম | 516 |
| 3 | এক ঘরেই যখন দুই অবিশ্বাস্য প্রতিভা ✨
নোবেল পাওয়ার খবর শুনে মেয়েদের বুকে জড়িয়ে ধরলেন সদ্য নোবেলজয়ী কার্ল, পাশেই স্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মিশেল।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ল ডাইসারোথ গতকাল মেডিসিনে নোবেল পেলেন। তিনি এমন একটা বিষয়ের জন্য নোবেল পেলেন যে তা ভবিষ্যতে মানব মস্তিস্কের চিকিৎসারই গতিপথ পাল্টে দিবে।
আগে এই ছবির দুই অবিশ্বাস্য প্রতিভা কেন বলেছি তাই বলি। কার্ল ডাইসারোথের পাশেই যে ভদ্রমহিলা দাঁড়িয়ে আছেন তিনি তাঁর স্ত্রী মিশেল মনজে। মিশেল মনজে নিজেও একজন বিশ্বখ্যাত নিউরো সাইন্টিস্ট। ক্যান্সার চিকিৎসায় এক বিপ্লব ঘটিয়েছেন মিশেল।
কার্ল বলেছিলেন মিশেল মনজের সাহায্য ছাড়া তার পক্ষে এই সফলতা সম্ভব ছিলোনা। দুজনেই স্টেনফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।কার্ল যেমন স্ট্যানফোর্ডের বায়োইঞ্জিনিয়ারিং ও সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক। মিশেল তেমনি নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক। বর্তমান বিশ্বে এই দম্পত্তিকে সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী দম্পত্তি হিসেবে ধরা হয়। কারণ তারা নিজেদের ল্যাবরেটরি আলাদাভাবে পরিচালনা করার পাশাপাশি অনেক জটিল স্নায়বিক রোগ ও ক্যান্সার গবেষণায় যৌথভাবেও কাজ করেছিলেন।
কার্ল ডাইসারোথ এমন এক উদ্ভাবন করেছেন, যা ইঁদুরের মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ভবিষ্যতে তা মানুষের ক্ষেত্রেও সফল হবে।কার্ল নোবেল পেয়েছেন অপটোজেনেটিক্স এর জন্য। এই প্রযুক্তির উদ্ভাবন মানব মস্তিষ্কের জটিল রহস্য উন্মোচনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করলো। কারণ এখন পর্যন্ত গবেষকরা জানতে পেরেছেন কীভাবে মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট সার্কিট মানুষের স্মৃতি, অনুভূতি এবং আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। যা বিষণ্নতা, অটিজম, সিজোফ্রেনিয়ার মতো জটিল মানসিক রোগের উৎস বুঝতে সাহায্য করছে।আগে যেখানে মস্তিষ্কের কোনো অংশকে উদ্দীপিত করতে ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হতো ( এখন অপটোজেনেটিক্সের মাধ্যমে কোনো ক্ষতি ছাড়াই নির্দিষ্ট একটি নিউরনকে আলোর সাহায্যে সুইচের মতো 'অন' বা 'অফ' করা যায়। আগে ইলেকট্রোড ব্যবহার করলে এটি নির্দিষ্ট অংশ ছাড়াও আশেপাশের সব কোষকে একসাথে প্রভাবিত করতো। ফলে এটা বোঝা যেতোনা। এখন যখনই ফাইবার অপটিকের মাধ্যমে নীল আলো ফেলা হয়, তখন নিউরনটি সক্রিয় হয়ে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। আবার কোনো কোনো বিশেষ প্রোটিনের ওপর হলুদ আলো ফেললে নিউরনটি নিষ্ক্রিয় অর্থাৎ অফ হয়ে যায়। মানব মস্তিষ্কে প্রায় ১০০ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে। এই জটিল নেটওয়ার্কের ঠিক কোন অংশটি আমাদের কোন আচরণ বা আবেগের জন্য দায়ী, তা আগে সুনির্দিষ্টভাবে জানা অসম্ভব ছিল। অপটোজেনেটিক্স এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। কার্ল ডাইসারোথরা এই পরীক্ষাটি চালিয়েছেন ইঁদুরের উপর। সেখানে দেখা গেছে বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট কোষে আলো ফেলে তার ভয়, ক্ষুধা, রাগ বা স্মৃতির মতো বিষয়গুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে চালনা বা পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। কার্লের আগে দুই জার্মান বিজ্ঞানী পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল একটি এককোষী শৈবালের মধ্যে ‘চ্যানেলরোডোপসিন’ নামের এক প্রোটিন আবিষ্কার করেছিলেন। পরে কার্ল ডাইসেরথ ওই প্রোটিনকে স্নায়ুকোষের জন্য একটি আলোক-নিয়ন্ত্রিত সুইচে রূপান্তর করেন। পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেলও কার্লের সঙ্গে এ বছর নোবেল পেয়েছেন। অন্যদিকে মিশেল মনজে আবিষ্কার করেছেন ব্রেন ক্যান্সার কীভাবে মস্তিষ্কের সিগন্যাল হাইজ্যাক করে বৃদ্ধি পায়, যা ক্যান্সার চিকিৎসায় এক বিশাল মাইলফলক ধরা হয়। কার্ল সরাসরি চিকিৎসা না করলেও মিশেল কিন্তু নিজে প্র্যাকটিসিং ডাক্তারও। মিশেল তাঁর ল্যাবের আবিষ্কারকে সরাসরি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাধ্যমে ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুদের জীবন বাঁচাতে ব্যবহার ব্যবহার করেন। এই দুই অবিশ্বাস্য প্রতিভা যখন এক ঘরে, সেখানে ভবিষ্যতে আরও একটি নোবেল আসতেও পারে। | 588 |
| 4 | 没有文字... | 437 |
| 5 | এই বিএনপি নেতাটাই আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের বাঁচানোর জন্যে আইনী লড়াই করেছে।
জ্বী, এইটাই বিএনপি এইটাই তারেক রহমানের I have a plan. | 442 |
| 6 | 没有文字... | 437 |
| 7 | জামাতিরা যেহেতু নিজেরাই নিজেদের দিয়ে অর্গাজমের ফিল নেয় তাহলে ওদের জন্য আলাদা একটা রাষ্ট্রের দরকার। এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শফিক, প্রধানমন্ত্রী থাকবে সাদিক কায়েম। এই রাষ্ট্রের সবাই করবে শিবির, জাতির পিতা হবে ওসমান হাদী। বঙ্গোপসাগরের কোন দ্বীপ ওদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হোক। আর আমরা এই আজাব থেকে উদ্ধার হই। | 739 |
| 8 | 没有文字... | 747 |
| 9 | #তারেক_রহমানের এক ছবি #আওয়ামী_লীগ, #NCP ও জামাতকে এক সুতোয় গেঁথে দিয়েছে। সবাই মিলে হাহা যুদ্ধ শুরু করছে। অথচ সবাই জানে ঐটা অর্জিনাল ছবি, তারপরেও হাহা দিচ্ছে।
দেশের যতগুলো স্বাধীন ফ্যাক্টচেকার টিম আছে সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেক করে ছবিটিকে অর্জিনাল হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাতেও এই হাহা যোদ্ধারা থামেনি, উল্টা সেখানেও যেয়েও হাহা দিচ্ছে।
অর্থাৎ, তারা সত্য মানবে না এটাই শেষ কথা।
আপনি কি মনে করছেন যে, তারা হুদাই হাহা দিচ্ছে?
না, এটাকে তারা রাজনৈতিক কর্তব্য মনে করছে, দলীয় কর্মকাণ্ডের অংশ মনে করছে। তাই অনেকে পয়সা খরচ করে বটআইডি দিয়েও হাহা দিচ্ছে।
কেন করছে?
কারণ এটাই এখনকার সাইন্স, পলেটিক্যাল সাইন্স। এই সাইন্সে পারদর্শী হতে চান? নাম লেখিয়ে নিন যে কোন একটা রাজনৈতিক দলে, কয়েকমাস পরে আপনিও অন্যের লেখায় হাহা করবেন, অন্যের ছবিতে হাহা করবেন, সত্য জেনেও হাহা করে ভেটকাবেন, লজ্জা শরম আর থাকবে না।
- মাহমুদুল হাসান | 840 |
| 10 | ডাকসুতে মুহম্মদ আলী জিন্নাহ্ বা শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকা না-থাকা নিয়ে যখন তুমুল তুলকালাম চলছে, তখন তড়িঘড়ি করে আজ ডাকসু সংগ্রহশালায় চলে এসেছি ঘটনা প্রত্যক্ষ করার জন্য। এই মুহূর্তে বসে আছি মধুর ক্যান্টিনে। মধুর ক্যান্টিনে বিদ্যুৎ আছে, ডাকসু সংগ্রহশালায় বিদ্যুৎ নেই। যা হোক, এখানকার সর্বশেষ আপডেট হলো—
১. ডাকসু সংগ্রহশালায় একজন সার্বক্ষণিক কেয়ারটেকার থাকে। সে-ই সংগ্রহশালা দেখভাল করে, নিরাপত্তার ব্যাপারটাও দেখে। কিন্তু এখানে এখন কোনো কেয়ারটেকার নেই। সংগ্রহশালায় যে-কেউ ঢুকে যেতে পারছে। চাইলে যে-কেউ এখানকার যেকোনো কিছু ছিঁড়েও ফেলতে পারে, চুরিও করতে পারে। সবকিছু অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে।
২. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ্র যে-ছবিটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু তৈয়ব হাবিলদার নামক এক সাবেক ছাত্র ছিঁড়ে ফেলেছেন, সেটা নতুন করে আর সাঁটানো হয়নি। ডাকসু সংগ্রহশালায় আপাতত জিন্নাহ্ নেই (টুকুও নেই)।
৩. ডাকসু সংগ্রহশালায় ঢোকার পথে মুহম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও গোলাম আজমের যে-দুটো ছবি পদদলিত করার জন্য ছাত্রদল সাঁটিয়ে দিয়েছিল, শিবির সে-দুটো সরিয়ে ফেলেছে।
৪. ১৯৮১ সালের জানুয়ারি মাসে গোলাম আজম বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুতাপেটার শিকার হয়েছিলেন, ১৯৯১ সালের মে মাসে মতিউর রহমান নিজামি প্রহারের শিকার হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রদল এই দুই ঘটনার ছবি ডাকসু সংগ্রহশালায় সাঁটিয়ে দিয়েছিল। ছাত্রশিবির সেই দুই ছবি এখনও সরায়নি। বহাল আছে।
৫. বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েম যে সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিয়নে বক্তৃতা করতে গিয়েছিল, শিবির সেই ছবিও ডাকসু সংগ্রহশালায় সাঁটিয়ে রেখেছে। সাঁটিয়ে রেখেছে বর্তমান কমিটির কার্যক্রমের আরও দুটো ছবি।
৬. ডাকসুর ২০১৯ সালের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক হয়েছিল ছাত্রলিগের গোলাম রাব্বানি। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রাব্বানিকে অবৈধ সাধারণ সম্পাদক আখ্যা দিয়ে রাশেদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিশেবে ঘোষণা করেছে। ডাকসুর নতুন অনার্স বোর্ডে ২০১৯-২০ মেয়াদের সাধারণ সম্পাদক পদে সাদিক-ফরহাদ কমিটি কারও নাম লেখেনি। দু’এক দিন আগে সম্ভবত ছাত্রদল এসে সাধারণ সম্পাদকের কলামে রাশেদ খানের নাম লিখে দিয়ে গেছে।
৭. ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকের একাংশ শিরোনামে’ ডাকসু সংগ্রহশালায় কিছু ছবি দেখতে পেলাম।
ক) এই ফ্রেমে ‘আবুল কাসেম ফজলুল হক’ নামক একজনকে দেখতে পাচ্ছি। আবুল কাসেম ফজলুল হক নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের যে প্রয়াত অধ্যাপককে আমরা চিনি, যিনি বাংলা অ্যাকাডেমির সভাপতিও ছিলেন; সেই আবুল কাসেম ফজলুল হক আর ছবির ‘আবুল কাসেম ফজলুল হক’ এক ব্যক্তি না। তা হলে ছবির ‘আবুল কাসেম ফজলুল হক’ কে? ওঁর পরিচয় কী? এই আবুল কাসেম ফজলুল হক কি কোনোভাবে সংগীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের আত্মীয়? এই আবুলের চেহারা অনেকটা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মতো।
খ) ‘জসীমউদ্দীন’ নামক যে-ব্যক্তির ছবি এখানে দেখা যাচ্ছে, তিনি কোন জসীমউদ্দীন? পল্লিকবি বলতে যাকে আমরা চিনি, তার নামের বানান পাঠ্যপুস্তকে ‘জসীমউদ্দীন’, কোনো-কোনো ঐতিহাসিক কাগজপত্রে ‘জসীম উদ্দীন’। বানান যা-ই হোক, জসীমউদ্দীন বা জসীমউদ্দীন নামে পল্লিকবি বাদে আর কোনো কবি-সাহিত্যিককে আমরা চিনি না এবং ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি পল্লিকবি জসীমউদ্দীন নন। তা হলে ডাকসু সংগ্রহশালার দেয়ালে ঝুলে থাকা এই ‘জসীমউদ্দীন’ কোথাকার জসীমউদ্দীন?
গ) আসাদ চৌধুরী বলতে আমরা চিনি ‘বারবারা বিডলারকে’ বা ‘কোথায় পালাল সত্য’ কবিতার রচয়িতা আসাদ চৌধুরীকে; যার দাড়িও ছিল, পান চিবোতেন সারাদিন। কিন্তু এই ছবির ‘আসাদ চৌধুরী’ কে? এই ফ্রেমের ‘জসীমউদদীন’ এবং ‘আসাদ চৌধুরী’র চেহারা একই না? ‘জসীমউদ্দীন’ নামে যার ছবি এখানে দেখানো হয়েছে, তার ছবিই এডিট করে চশমা ও সুট বসিয়ে এই ‘আসাদ চৌধুরী’র ছবি তৈরি করা হয়েছে না?
ঘ) এই ফ্রেমে ‘মুনীর চৌধুরী’ নামক যে-ব্যক্তির ছবি রাখা হয়েছে, তিনি কোন মুনীর চৌধুরী? ‘কবর’ বা ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের রচয়িতা বাবদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ অধ্যাপক যে মুনীর চৌধুরীকে আমরা চিনি, এই ছবি তার না। তা হলে ছবির এই ‘মুনীর চৌধুরী’ কে? এই ‘মুনীর চৌধুরী’র ডানচোখের কোণায় চশমার ফ্রেম দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ মূল ছবিতে এই ব্যক্তির চোখে চশমা ছিল? এডিট করে চশমা বাদ দেওয়া হলো কেন? বাদই যখন দেওয়া হলো, তখন এডিটটা এত কাঁচাহাতে করা হলো কেন? কেন চশমার ফ্রেমের একাংশ রয়ে গেল? এই ‘আবুল কাসেম ফজলুল হক’ আর এই ‘মুনীর চৌধুরী’র চেহারায় এত মিল কেন? একই ব্যক্তির ছবি এডিট করে কি তা হলে দুটো ছবি বানানো হয়েছে?
ঙ) এই ফ্রেমের আবুল ফজল কোন আবুল ফজল? এঁর পরিচয় কী? সাহিত্যিক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, আবুল মোমেনের বাবা আবুল ফজলের চেহারা তো এমন না!
৮. ডাকসু কার্যালয়ে এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ আছে। কিন্তু সংগ্রহশালা বন্ধ।
- আখতারুজ্জামান আজাদ | 1 290 |
| 11 | 没有文字... | 915 |
| 12 | BUET থেকে Electrical Engineering পড়া একটা ছেলে যদি চার বছর পর ব্যাংকের চাকরির জন্য প্রস্তুতি নেয়, আমরা এটাকে Brain Drain বলি না।
ঢাবি থেকে একজন Computer Science গ্রাজুয়েট যদি তিন বছর BCS-এর জন্য বাংলা ব্যাকরণ আর সাধারণ জ্ঞান মুখস্থ করে, এটাকেও Brain Drain বলি না।
একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যদি Research বাদ দিয়ে ফাইল, কমিটি, অনুমোদন আর দাপ্তরিক কাজে বেশি সময় দেন, এটাও Brain Drain না।
Brain Drain বলতে আমরা বুঝি, ছেলেটা Heathrow বিমানবন্দরে নামছে।
আমার মনে হয় সংজ্ঞাটাই ভুল।
ধরেন, বাংলাদেশ ৫০ লাখ টাকা খরচ করে একটা MRI machine কিনল।
তারপর সেই মেশিন দিয়ে হাসপাতালের attendance sheet প্রিন্ট করা শুরু করল।
মেশিন তো দেশেই আছে।
কিন্তু ৫০ লাখ টাকার মেশিন দিয়ে ৫ হাজার টাকার প্রিন্টারের কাজ করানো আর মেশিনটার ভ্যালু হারানো, অর্থনীতির হিসাবে খুব বেশি আলাদা না।
মানুষের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে।
একজন Engineer তৈরি করতে একটা দেশের প্রায় ২০-২২ বছর লাগে। পরিবার টাকা দেয়। সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তুকি দেয়। ভালো ভালো শিক্ষকরা সময় দেন। মানুষটা জীবনের সবচেয়ে শেখার বয়সটা খরচ করে একটা কঠিন স্কিল তৈরি করে।
তারপর তাকে এমন জায়গায় বসানো হলো, যেখানে সেই স্কিলের ১০ শতাংশও কাজে লাগে না।
মানুষটা বাংলাদেশেই আছে। মেধাটা আর কাজে নেই।
চার বছর Engineering পড়া মানুষটা আবার শিখছে অরণ্যে রোদন, অকাল কুষ্মাণ্ড, গড্ডলিকা প্রবাহ আর উভয় সংকট কাকে বলে।
Physics ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট পাওয়া মানুষটা মুখস্থ করছে ঝালকাঠি কোন বিভাগের, চুয়াডাঙ্গার আগের নাম কী, আর পঞ্চগড়ের কয়টা উপজেলা।
তারপর একদিন সে সরকারি পরীক্ষায় পাশ করে।
আমরা বলি, ছেলেটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
কিন্তু কেউ হিসাব করি না, যে মস্তিষ্কটাকে তৈরি করতে পরিবার এবং রাষ্ট্র ২০ বছর বিনিয়োগ করল, সেই মস্তিষ্কের আসলে কত শতাংশ এখন ব্যবহার হচ্ছে বা হবে।
Brain Drain-এর সবচেয়ে ভয়ংকর ভার্সন শুধু এটা না যে একজন Engineer জার্মানিতে চলে গেছে।
সে যদি সেখানে engineering করে, নতুন সিস্টেম বানায়, রিসার্চ করে, পেটেন্ট করে, তার brain অন্তত কাজ করছে। দেশ তার আউটপুট হারিয়েছে।
কিন্তু আমার কাছে মনে হয় এর চেয়েও অদ্ভুত হলো, এই Engineer বাংলাদেশেই আছে। Brain-ও বাংলাদেশেই আছে। শুধু Engineering-টাই নাই।
আমরা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে Brain Drain গুনি।
অথচ সবচেয়ে বড় leak হয় তার অনেক আগেই।
যেদিন একটা মেধাবী ছেলে বুঝে যায়, তার মেধার চেয়ে এই দেশে একটা নিরাপদ চাকরির দাম বেশি, সেদিনই Brain Drain হয়ে গেছে। তার পাসপোর্টে তখনও একটাও ভিসা লাগেনি, লাগেনি।
-Amirul Islam
Software engineer | 1 105 |
| 13 | হঠাৎ করে চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে মস্কোতে পাঠানো হয়েছিল আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ (CIA)-এর প্রধানকে।
সিআইএ-এর প্রধান জন র্যাটক্লিফ রাশিয়ার সরকারকে বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো রকম সামরিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখতে পারবে না রাশিয়া। আর এর উত্তরে রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক তো রাখবেই, বরং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করে ইরানে আরো একটি নতুন পরমাণু চুল্লি তৈরি করবে রাশিয়া।
রাশিয়া, আরো জানিয়েছে, ভ্লাদিমির পুতিন খুব শিগগিরই এসসিও (SCO) সামিটে আলাদা করে ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করবেন। লক্ষ্য একটাই, ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরো মজবুত করা, আরো শক্তিশালী করা।
এতদিন তো সবাই এটাই জানতেন যে মোসাদ এবং সিআইএ, ওরে বাপরে বাপ! তারা এত বড় সংস্থা, তারা পৃথিবীতে কী হবে আগে থেকে সব জ্যোতিষীর মতো জেনে ফেলেন, আর সব্বার সবকিছুকে ভণ্ডুল করে দিয়ে গোটা পৃথিবীকে তারা নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সিআইএ-এর প্রধান জন র্যাটক্লিফকে সোজা অপমান করে রাশিয়া থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি মস্কোতে আমেরিকার যে দূতাবাস, সেই দূতাবাস থেকে সাময়িকভাবে হলেও মার্কিন পতাকাকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিবাদস্বরূপ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ইরানের জন্যে 'ডি-ডে' (D-Day) ঘোষণা করেছে, অর্থাৎ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইরানকে সমস্ত দিক থেকে যাতে কোণঠাসা করা যায়। চীনের কাছে যখন ভিড়তে পারছে না, অন্তত রাশিয়াকে চাপ প্রয়োগ করে চেয়েছিল ইরানকে দুর্বল করা। সেই কাজ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
রাশিয়া জানিয়েছে, লাটভিয়া, যেটি ইউরোপের দেশ এবং ন্যাটোভুক্ত দেশ, সেই লাটভিয়াতে কিন্তু আক্রমণ চালানো হবে। আর কোন দুটি দেশ যে দেশে আক্রমণ চালাবে রাশিয়া, সেই দেশের নাম অবশ্য রাশিয়া এখনো জানায়নি।
ইরানের প্রতিবেশী ১৬টি দেশের রাষ্ট্রনায়ককে ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগত, একেবারে নিজে ফোন করেছেন একটার পর একটা। এখন তার মধ্যে ৮টি দেশ সোজা সপাটে জানিয়েছে, তারা ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছেদ করতে পারবে না। কারণ তাদের সঙ্গে ইরানের গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে সমস্ত রকম অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা একেবারেই অসম্ভব।
বাকি ৮টি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রনায়ক, তারা আমতা আমতা করে বলেছেন, 'দেখছি জো হুজুর, আপনি যেহেতু বলছেন আমরা বিবেচনা করে দেখছি ব্যাপারটা আদৌ সম্ভব কি না।'
আমেরিকার এই স্যাংশন ইরানের কাছে একই সিনেমা বারবার দেখার মতো। অর্থাৎ এই স্যাংশনকে ইরান মোটেই ভয় পায় না। সেই ১৯৭৯ সালে শুরু হয়েছিল স্যাংশন দেওয়া।
ইরান গত ৪৭ বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে সেই স্যাংশনকে মোকাবেলা করে আসছে, আগামী দিনেও মোকাবেলা করবে।
এখন মজার কথা হলো এই, বর্তমানে চীন এবং রাশিয়ার মতো পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো এখন ইরানের সঙ্গে আগের তুলনায় অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। তাই বর্তমানে আমেরিকার সঙ্গে লড়াই করা ইরানের জন্য সহজতর। সে সামরিক লড়াই হোক কিংবা অর্থনৈতিক লড়াই হোক।
অর্থাৎ আরো একবার ব্যর্থ হলো মার্কিন প্রচেষ্টা। ©রাজিক হাসান | 1 245 |
| 14 | আমরা এখন একটা নাপা ট্যাবলেট মাত্র ১ টাকায় কিনে খাচ্ছি না?
আর কিছুদিন পর এই নাপা ট্যাবলেট প্রতি পিস ৩০ টাকারও বেশি দরে কিনে খেতে হতে পারে আমাদের।
অন্যান্য দামী ওষুধের কথা নাই বা বললাম। যেমন আমার মায়ের একটা প্রেশারের ওষুধ প্রতি পিস ১২ টাকায় কিনে খেতে হয়। সামনে ওটা ৫০ টাকায়ও পাব কি না সন্দেহ আছে।
দাম বাড়বে কেন? সরকার বাড়াবে?
নাহ, সরকার বাড়াবে না। এমনিতেই বেড়ে যাবে।
এ আবার কেমন কথা, এমনিতেই বাড়ে নাকি?
হ্যাঁ বাড়ে। একটু বুঝিয়ে বলি, শুনুন-
নাপার জেনেরিক নাম হলো 'প্যারাসিটামল'। প্যারাসিটামল দুনিয়ার বুকে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান কেমিস্ট হারম্যান নরথ্রপ, ১৮৭৭ সালে।
তাঁর আবিষ্কৃত এই ক্যামিকেল সর্বপ্রথম কমার্শিয়ালি বাজারজাত করতে শুরু করে McNeil ল্যাবরেটরিজ কোম্পানি ১৯৫৫ সালে। মানে এই কোম্পানি ১৯৫৫ সালে প্যারাসিটামল তথা নাপার প্যাটেন্ট কিনে নেয়।
এর অর্থ হলো- বাজারে প্রাপ্ত যে নাপা আমরা খাই, তা সর্বপ্রথম ট্যাবলেট আকারে বাজারে ছাড়ে এই কোম্পানি।
যেকোনো একটা ওষুধ আবিষ্কারের পেছনে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়, সময় ব্যয় হয় বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ।
এই নাপার ক্ষেত্রেই দেখেন, কেমিকেল ফর্মুলা আবিষ্কার হবার পর থেকে বাজারে আসতে এর সময় লেগেছে ৭৮ বছর। সে কেমিকেল স্ট্রাকচারটাও তৈরি হতে যে কত যুগ সময় লেগেছে, তা আমাদের অজানা।
এখন এই কোম্পানি, মানে McNeil কোম্পানি এরপর থেকে আজীবনের তরে প্যারাসিটামল থেকে লাভ ভোগ করতে থাকবে। এজন্যই ওরা একেকটা ওষুধের পেছনে এত অর্থ ব্যয় করে, এত সময় ব্যয় করে।
উন্নত দেশগুলোয় গেলে দেখবেন, কোনো প্যারাসিটামল ট্যাবলেট আপনি এত কম দামে পান না। ওসব দেশে প্যারাসিটামল তথা নাপাও বেশি দামে কিনে খেতে হয়।
যেমন আমাদের দেশের নাপা= আমেরিকার Tylenol।
আমাদের দেশের নাপা এক পিসের দাম মাত্র এক টাকা৷ আমেরিকার Tylenol এক পিসের দাম প্রায় ৩০ টাকা।
তাও এই দামটাই ওখানে সর্বনিম্ন। কোম্পানিভেদে আরও বেশি দামেরও আছে।
আচ্ছা যাইহোক, এইযে আমরা যে নাপা খাই, সেটা বেক্সিমকো কোম্পানির।
বেক্সিমকো কোম্পোনি কি প্যারাসিটামল আবিষ্কার করেছে?
করেনি।
প্যারিসিটামল আবিষ্কারের পেছনে কোনো অবদান রেখেছে?
রাখেনি?
প্যারাসিটামল আবিষ্কারে কোনো অর্থ ব্যয় করেছে?
করেনি?
তাহলে তারা কীভাবে এত কম দামে প্যারাসিটামল দিচ্ছে?
দিচ্ছে, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে ওষুধপত্র বিষয়ে দেখাশোনা করার জন্য একটা সংস্থা আছে। এর নাম USFDA।
এদের একটা নিয়ম আছে- তা হলো 'গরীব দেশগুলোর জন্য ড্রাগ প্যাটেন্টে বিশেষ ছাড়'।
মানে আমাদের মতো হতদরিদ্র দেশগুলোর জন্য বিশেষ ছাড়টা হলো- আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো চাইলেই যেকোনো ওষুধ হুবহু কপি করতে পারে। ওদের অত আবিষ্কার, ট্রায়াল, ওসবের ভেতর দিয়ে যেতে হয় না অতটা কঠোরভাবে।
তারা চাইলেই যেকোনো ওষুধের ফর্মুলা জেনে সেটা কপি করে নিজেদের মতো দাম সেট করে বাজারজাত করতে পারে।
ধরেন আপনি কিছু একটা আবিষ্কার করলেন। সেটা সারা পৃথিবীর জন্য প্রয়োজনীয়। সারা পৃথিবীতে সেটা দেদারসে বিক্রি হবে। আপনি চাইবেন না, এমন একটা নিয়ম থাকুক, যে পৃথিবীর যেখানেই বিক্রি হোক, তার লভ্যাংশের কিছু অংশ আপনার পকেটে ঢুকুক?
ওষুধের ক্ষেত্রে এই বিষয়টা দেখে ইউএসএফডিএ।
যাইহোক, কাজের কথায় আসি-
এতদিন দরিদ্র দেশ হিসেবে আমরা ছাড় পেতাম। যেকোনো ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে মাদার কোম্পানিকে কোনো লভ্যাংশ শেয়ার করতে হত না।
বিগত সরকার কি একটা LDC না কি যেন করেছিল, সেটার আওতায় আমাদের ২০২৬ সালের মধ্যে দরিদ্র দেশের কাতার থেকে বের হয়ে যাবার কথা।
মানে সক্ষমতা থাকুক, না থাকুক, আমরা আর দরিদ্র দেশের কাতারে থাকব না ২০২৬ সালের পর।
এরফলে যেটা হবে- তা হলো, ওষুধের ক্ষেত্রেও আমরা আর কোনো ছাড় পাব না। আমাদের এরপর থেকে মাদার কোম্পানিকে আমাদের লভ্যাংশ শেয়ার করতে হবে।
ফলে আমাদের ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাবে। আমাদের দেশের কোনো কোম্পানি তো আর নিজের বাবার জমি বিক্রি করে মাদার কোম্পানিকে লভ্যাংশ দেবে না, তাই না?
তারা যা করবে, এই টাকা আপনার, আমার পকেট থেকেই বের করবে।
শুনলাম, কারা যেন চেষ্টা তদবির করে এই সময়টা, মানে ২০২৬ সালকে টেনেটুনে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত নিয়ে গেছে।
মানে খুব সম্ভবত আমরা বিশেষ করে ওষুধের ক্ষেত্রে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ছাড় পেতে পারি (এখনো শিওর না)। এরপর হয়তো এক নাপা ট্যাবলেট আমাদের প্রতি পিস ৩০ টাকা বা তারও বেশি দরে কিনে খেতে হবে।
আর হ্যাঁ, আমরা আসলে আজও ফকির মিসকিনই আছি। কিন্তু সরকারিভাবে আমরা উন্নয়নশীল না কি যেন একটা দেশে উন্নিত হতে যাচ্ছি শীঘ্রই। এর ফলে আমাদের স্টুডেন্টদের বাইরের দেশে স্কলারশিপও কমে গেছে কিন্তু।
উন্নত দেশগুলো দয়াবশত গরীব দেশের স্টুডেন্টদের বিভিন্ন স্কলারশিপ দিত। ওসব সামনে বন্ধ হয়ে যাবে। অলরেডি কমে গেছে অনেকটা।
- হুমায়ুন কবির | 1 181 |
| 15 | ফুলবাড়ি উন্মুক্ত কয়লা খনিতে ৩০ বছরে লোকসান হবে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন ডলার, সর্বোচ্চ ৪৬ বিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পকে লাভজনক করা সম্ভব শুধু মাত্র মানুষকে ক্ষতিপূরণ না দিয়ে এবং পরিবেশ দূষনকে উপেক্ষা করে। থিওরেটিকালি এই কয়লা দিয়ে সর্বোচ্চ ৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানো সম্ভব। যার কয়লা উত্তোলন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মোট ব্যয় ২৫ বিলিয়ন ডলার। অথচ ২৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুত পরিবেশ দূষন না করেই স্থাপন করা সম্ভব। অনেকেই মেয়াদ শেষের সোলার প্যানেলের বর্জ্য নিয়ে প্রশ্ন করেন। তাদের জন্য - একটি সোলার প্যানেলের মেয়াদ শেষে এর ৯৫ শতাংশ রিসাইকেল করে পুনরায় সোলার প্যানেল বানানো সম্ভব। | 925 |
| 16 | বিজ্ঞান আজকে যা দাবী করে ১০০ বছর পর দেখা যায় সেটা মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে
তাই, আজকে এক আলেমের ডিএনএ রেজাল্ট একরকম দিল ১০০ বছর পর এটার রেজাল্ট যে ভিন্ন হবে না তার গ্যারান্টি কি?
তাই, ষড়যন্ত্র করে আলেমদের নামে বদনাম করার এই ডিএনএ টেস্ট নামের নীল নকশা কেউ বিশ্বাস করবেন না।
অচিরেই রাষ্ট্রীয় ভাবে ডিএনএ পরীক্ষা নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ করতে হবে
আলেমদের সম্মিলিতভাবে এটাকে হারাম ঘোষণা করতে হবে
এমনটা না হলে, মুসলিম ঘরের সন্তানরা দিনে দিনে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে
তাদের রক্ষা করতে ডিএনএ, ফিএনএ টাইপের মিথ্যা পরীক্ষা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা জোর দাবি জানাচ্ছি।
- কালেক্টেড। | 873 |
| 17 | সরকারের কাছে থ্রি-হুইলার নিয়ে চলা অরাজকতাকে কিভাবে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আনা যাবে সেটার কোন ট্রানজিশনাল প্ল্যান নাই। প্ল্যান যারাই করে, যা-ই করে, সেগুলা কী কী ধাপে বাস্তবায়ন করা দরকার, সেটা নিয়ে কোন আলাপ দেখি না।
আপনি সৌর বিদ্যুতের আলাপ করবেন, কিন্তু ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেডি করতে কতদিন লাগবে, এবং সেই ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেডি হওয়া পর্যন্ত সময়টা কিভাবে হ্যান্ডেল করবেন, সেটার ট্রানজিশনাল প্ল্যান নিয়ে কোন আলাপ করবেন না।
আপনি মহাসড়কে টেসলা চলতে দিবেন না। কিন্তু মহাসড়কের যেই পয়েন্ট থেকে যেই পয়েন্টে টেসলা চলতেসে, সেই রুটগুলায় মহাসড়ক বাদ দিয়ে চলাচল করার আদৌ কোন বিকল্প রাস্তা আছে কিনা সেটা নিয়ে আলাপ করবেন না।
আপনি একদিকে পারলে অটো নিষিদ্ধই করে দেন, আরেকদিকে আপনি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে অটোরিকশা বিতরণ করেন। বুয়েটকে দিয়ে ডিজাইন গাইডলাইন রেডি করানোর নামে সারাদেশের মানুষের হাসির পাত্র বানাইলেন, কিন্তু সরকারপ্রধানের হাত দিয়ে বিতরণ করা রিকশা সেই গাইডলাইন অনুযায়ী বানানো কিনা, সেটা আদৌ চেক করেছিলেন?
শহরে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের কোন আগামাথা নাই। রাস্তার অর্ধেক অচল থাকে হকার আর অবৈধ দখলদারিতে। ম্যাস পাবলিকের যদি র্যাপিড মুভমেন্টের জন্য অটোর মতো ইজিলি অ্যাক্সেসিবল বাহনের সত্যিকারের ডিমান্ড না থাকতো, তাহলে আপনাদের সত্যিই মনে হয় যে এত লাখ লাখ অটো রাস্তায় চলাচল করে দিনশেষে কমার্শিয়ালি সাস্টেইন করতে পারতো?
আরেকটা দরকারি আলাপ উঠাই। ঢাকার রাস্তায় অটোরিকশা এই টেসলারাই প্রথম? সিএনজি নামে যেই বাহনটা চিনি আমরা, সেটা আসলে কী? সেটাও তো অটোরিকশা-ই! কোন সিন্ডিকেটের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ঢাকার রাস্তায় বৈধভাবে সিএনজি অটোরিকশা নামানো যায় না? সিএনজি ভাড়া কেন সাধারণ মানুষের আওতার বাইরে? কার পকেটের টাকা যায় কার পকেটে? খেলাটা চলে আসলে কোন লেভেলে?
যাক! কথা না বাড়াই!
সমস্যা সমাধানের নিয়ত থাকলে সমস্যার রুট কজ খুঁজে বাইর করে সেই শিকড় থেকে সমস্যারে এরা আপরুট করতো। রুট কজগুলা খুঁজে বাইর করে অ্যাড্রেস না করলে, ট্রানজিশনাল পিরিয়ডের জন্য প্রোপার ফেইজওয়াইজ প্ল্যান না করলে, সড়কের থ্রি-হুইলারের হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চুরির কথা বলেন, আর আকাশে বিমান বাংলাদেশের হাজার কোটি টাকার দুই নাম্বারির কথা বলেন, কোনটাই কোন সরকার সমাধান করতে পারে নাই, পারবে-ও না।
অবশ্য, তাদের প্রতিবারের ধর তক্তা মার পেরেক মার্কা কাজবাজ দেখে ছোটবেলায় মনে করতাম যে তারা মনে হয় সমাধানের সঠিক রাস্তা জানে না। বয়েস কম ছিল, নাইভ ছিলাম, তাই অবাক হইতাম যে কেন বোকার মতো স্টেপ নিতেসে।
এখন বাল পাকতেসে, দাঁত ভাংতেসে, এখন একটু একটু বুঝে আসছে যে পাকা শয়তানগুলা নিজেরাও জানে যে কোন সমাধানটা কাজে দিবে, আর কোনটা দিবে না।
এদের আসলে নিয়ত এরই ঠিক নাই! এরা চাই-ই না কোন সমস্যার সমাধান হোক। কারণ একবার কোন একটা সেক্টরে যদি কোন একটা সমস্যা সমাধানের উদাহরণ তৈরি হয়ে যায়, তাহলে তো এর পরে একটা একটা করে সব সেক্টরের সব সমস্যা সমাধানের জন্য পাবলিক প্রেশার দেয়া শুরু করে দিবে! তাহলে তো একসময় ডোমিনো এফেক্টের মতো দুই নাম্বারির প্রাসাস তাসের ঘরের কতো ভাইঙা পড়া শুরু করবে!
এরচেয়ে যেমনে চলছে চলুক। পাবলিক বেশি প্যাড়া খাইলে একটু ধুনফুন, আইওয়াশ স্টেপ নিয়া নিবে। দুইদিন পর সেইসব স্টেপস ফেইল করবে। আর ভান ধরবে যে আমরা তো চেষ্টা করসি-ই।
তারপর দিবে মাস্টারস্ট্রোক! কোন একভাবে প্রমাণ করে দিবে যে উলটা পাবলিক নিজেই খারাপ, তাই তারা সমস্যা সমাধান করতে পারে নাই!
কী দুর্দান্ত গ্যাসলাইটিং!
- Tanvir Arafat Dhrubo | 1 163 |
| 18 | 没有文字... | 1 134 |
| 19 | প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের মন্ত্রীদের নামে, পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব পোস্টে হাজার হাজার লাইক ও ভিউ হচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয় কোথায়? দিনের পর দিন গুজব ছড়ানো হচ্ছে—এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী?
প্রধানমন্ত্রীর নামে গুজব ছড়ানো হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব তো নিজের ফেসবুক আইডি থেকেও এ বিষয়ে পোস্ট করতে পারতেন। সেটাও কি বুঝি পারেন না?
গুজব ছড়ানো ছেলেটির পরিচয়—
নাম: MD Antarul Haque
গ্রাম: রাজগাতি কালপার, পুরান মহাজন বাড়ি
ইউনিয়ন: রাজগাতি
উপজেলা: নান্দাইল
বাবার নাম: শহীদ মিয়া
জেলা: ময়মনসিংহ
এভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের কাছে বিভ্রান্তিকর বার্তা যাচ্ছে এবং সরকারের বদনাম হচ্ছে। সরকারের উচিত, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
আর কতদিন চুপ করে থাকবে? গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সরকার কি এরপরও প্রশ্রয় দেবে?
- ফাহাদ মোহাম্মদ | 1 283 |
| 20 | 没有文字... | 1 008 |
