es
Feedback
Engineer's Diary

Engineer's Diary

Ir al canal en Telegram

📈 Análisis del canal de Telegram Engineer's Diary

El canal Engineer's Diary (@engineersdiary) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 10 408 suscriptores, ocupando la posición 18 732 en la categoría Educación y el puesto 2 249 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 10 408 suscriptores.

Según los últimos datos del 26 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -125, y en las últimas 24 horas de -1, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 8.46%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 2.07% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 881 visualizaciones. En el primer día suele acumular 215 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 2.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
EngineersDiaryBD.com

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 27 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Educación.

10 408
Suscriptores
-124 horas
-407 días
-12530 días

Carga de datos en curso...

Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
agosto '26
agosto '26
+9
en 0 canales
julio '26
+45
en 0 canales
Get PRO
junio '26
+5
en 0 canales
Get PRO
mayo '26
+1
en 0 canales
Get PRO
abril '26
+8
en 0 canales
Get PRO
marzo '26
+3
en 0 canales
Get PRO
febrero '26
+83
en 0 canales
Get PRO
enero '26
+27
en 0 canales
Get PRO
diciembre '25
+14
en 0 canales
Get PRO
noviembre '25
+3
en 0 canales
Get PRO
octubre '25
+23
en 0 canales
Get PRO
septiembre '25
+26
en 0 canales
Get PRO
agosto '25
+23
en 0 canales
Get PRO
julio '25
+6
en 0 canales
Get PRO
junio '25
+8
en 0 canales
Get PRO
mayo '25
+33
en 0 canales
Get PRO
abril '25
+31
en 0 canales
Get PRO
marzo '25
+859
en 1 canales
Get PRO
febrero '25
+271
en 0 canales
Get PRO
enero '25
+276
en 0 canales
Get PRO
diciembre '24
+132
en 0 canales
Get PRO
noviembre '24
+43
en 1 canales
Get PRO
octubre '24
+72
en 1 canales
Get PRO
septiembre '24
+218
en 0 canales
Get PRO
agosto '24
+4 057
en 0 canales
Get PRO
julio '24
+3 370
en 0 canales
Get PRO
junio '24
+1 380
en 0 canales
Get PRO
mayo '24
+1 215
en 0 canales
Get PRO
abril '24
+721
en 0 canales
Get PRO
marzo '24
+1 720
en 0 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
27 agosto0
26 agosto0
25 agosto0
24 agosto0
23 agosto0
22 agosto0
21 agosto0
20 agosto+2
19 agosto0
18 agosto0
17 agosto0
16 agosto0
15 agosto0
14 agosto0
13 agosto0
12 agosto0
11 agosto+1
10 agosto0
09 agosto+1
08 agosto+3
07 agosto+1
06 agosto0
05 agosto0
04 agosto0
03 agosto+1
02 agosto0
01 agosto0
Publicaciones del Canal
আমরা এখন একটা নাপা ট্যাবলেট মাত্র ১ টাকায় কিনে খাচ্ছি না? আর কিছুদিন পর এই নাপা ট্যাবলেট প্রতি পিস ৩০ টাকারও বেশি দরে কিনে খেতে হতে পারে আমাদের। অন্যান্য দামী ওষুধের কথা নাই বা বললাম। যেমন আমার মায়ের একটা প্রেশারের ওষুধ প্রতি পিস ১২ টাকায় কিনে খেতে হয়। সামনে ওটা ৫০ টাকায়ও পাব কি না সন্দেহ আছে। দাম বাড়বে কেন? সরকার বাড়াবে? নাহ, সরকার বাড়াবে না। এমনিতেই বেড়ে যাবে। এ আবার কেমন কথা, এমনিতেই বাড়ে নাকি? হ্যাঁ বাড়ে। একটু বুঝিয়ে বলি, শুনুন- নাপার জেনেরিক নাম হলো 'প্যারাসিটামল'। প্যারাসিটামল দুনিয়ার বুকে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান কেমিস্ট হারম্যান নরথ্রপ, ১৮৭৭ সালে। তাঁর আবিষ্কৃত এই ক্যামিকেল সর্বপ্রথম কমার্শিয়ালি বাজারজাত করতে শুরু করে McNeil ল্যাবরেটরিজ কোম্পানি ১৯৫৫ সালে। মানে এই কোম্পানি ১৯৫৫ সালে প্যারাসিটামল তথা নাপার প্যাটেন্ট কিনে নেয়। এর অর্থ হলো- বাজারে প্রাপ্ত যে নাপা আমরা খাই, তা সর্বপ্রথম ট্যাবলেট আকারে বাজারে ছাড়ে এই কোম্পানি। যেকোনো একটা ওষুধ আবিষ্কারের পেছনে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়, সময় ব্যয় হয় বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ। এই নাপার ক্ষেত্রেই দেখেন, কেমিকেল ফর্মুলা আবিষ্কার হবার পর থেকে বাজারে আসতে এর সময় লেগেছে ৭৮ বছর। সে কেমিকেল স্ট্রাকচারটাও তৈরি হতে যে কত যুগ সময় লেগেছে, তা আমাদের অজানা। এখন এই কোম্পানি, মানে McNeil কোম্পানি এরপর থেকে আজীবনের তরে প্যারাসিটামল থেকে লাভ ভোগ করতে থাকবে। এজন্যই ওরা একেকটা ওষুধের পেছনে এত অর্থ ব্যয় করে, এত সময় ব্যয় করে। উন্নত দেশগুলোয় গেলে দেখবেন, কোনো প্যারাসিটামল ট্যাবলেট আপনি এত কম দামে পান না। ওসব দেশে প্যারাসিটামল তথা নাপাও বেশি দামে কিনে খেতে হয়। যেমন আমাদের দেশের নাপা= আমেরিকার Tylenol। আমাদের দেশের নাপা এক পিসের দাম মাত্র এক টাকা৷ আমেরিকার Tylenol এক পিসের দাম প্রায় ৩০ টাকা। তাও এই দামটাই ওখানে সর্বনিম্ন। কোম্পানিভেদে আরও বেশি দামেরও আছে। আচ্ছা যাইহোক, এইযে আমরা যে নাপা খাই, সেটা বেক্সিমকো কোম্পানির। বেক্সিমকো কোম্পোনি কি প্যারাসিটামল আবিষ্কার করেছে? করেনি। প্যারিসিটামল আবিষ্কারের পেছনে কোনো অবদান রেখেছে? রাখেনি? প্যারাসিটামল আবিষ্কারে কোনো অর্থ ব্যয় করেছে? করেনি? তাহলে তারা কীভাবে এত কম দামে প্যারাসিটামল দিচ্ছে? দিচ্ছে, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে ওষুধপত্র বিষয়ে দেখাশোনা করার জন্য একটা সংস্থা আছে। এর নাম USFDA। এদের একটা নিয়ম আছে- তা হলো 'গরীব দেশগুলোর জন্য ড্রাগ প্যাটেন্টে বিশেষ ছাড়'। মানে আমাদের মতো হতদরিদ্র দেশগুলোর জন্য বিশেষ ছাড়টা হলো- আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো চাইলেই যেকোনো ওষুধ হুবহু কপি করতে পারে। ওদের অত আবিষ্কার, ট্রায়াল, ওসবের ভেতর দিয়ে যেতে হয় না অতটা কঠোরভাবে। তারা চাইলেই যেকোনো ওষুধের ফর্মুলা জেনে সেটা কপি করে নিজেদের মতো দাম সেট করে বাজারজাত করতে পারে। ধরেন আপনি কিছু একটা আবিষ্কার করলেন। সেটা সারা পৃথিবীর জন্য প্রয়োজনীয়। সারা পৃথিবীতে সেটা দেদারসে বিক্রি হবে। আপনি চাইবেন না, এমন একটা নিয়ম থাকুক, যে পৃথিবীর যেখানেই বিক্রি হোক, তার লভ্যাংশের কিছু অংশ আপনার পকেটে ঢুকুক? ওষুধের ক্ষেত্রে এই বিষয়টা দেখে ইউএসএফডিএ। যাইহোক, কাজের কথায় আসি- এতদিন দরিদ্র দেশ হিসেবে আমরা ছাড় পেতাম। যেকোনো ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে মাদার কোম্পানিকে কোনো লভ্যাংশ শেয়ার করতে হত না। বিগত সরকার কি একটা LDC না কি যেন করেছিল, সেটার আওতায় আমাদের ২০২৬ সালের মধ্যে দরিদ্র দেশের কাতার থেকে বের হয়ে যাবার কথা। মানে সক্ষমতা থাকুক, না থাকুক, আমরা আর দরিদ্র দেশের কাতারে থাকব না ২০২৬ সালের পর। এরফলে যেটা হবে- তা হলো, ওষুধের ক্ষেত্রেও আমরা আর কোনো ছাড় পাব না। আমাদের এরপর থেকে মাদার কোম্পানিকে আমাদের লভ্যাংশ শেয়ার করতে হবে। ফলে আমাদের ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাবে। আমাদের দেশের কোনো কোম্পানি তো আর নিজের বাবার জমি বিক্রি করে মাদার কোম্পানিকে লভ্যাংশ দেবে না, তাই না? তারা যা করবে, এই টাকা আপনার, আমার পকেট থেকেই বের করবে। শুনলাম, কারা যেন চেষ্টা তদবির করে এই সময়টা, মানে ২০২৬ সালকে টেনেটুনে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত নিয়ে গেছে। মানে খুব সম্ভবত আমরা বিশেষ করে ওষুধের ক্ষেত্রে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ছাড় পেতে পারি (এখনো শিওর না)। এরপর হয়তো এক নাপা ট্যাবলেট আমাদের প্রতি পিস ৩০ টাকা বা তারও বেশি দরে কিনে খেতে হবে। আর হ্যাঁ, আমরা আসলে আজও ফকির মিসকিনই আছি। কিন্তু সরকারিভাবে আমরা উন্নয়নশীল না কি যেন একটা দেশে উন্নিত হতে যাচ্ছি শীঘ্রই। এর ফলে আমাদের স্টুডেন্টদের বাইরের দেশে স্কলারশিপও কমে গেছে কিন্তু। উন্নত দেশগুলো দয়াবশত গরীব দেশের স্টুডেন্টদের বিভিন্ন স্কলারশিপ দিত। ওসব সামনে বন্ধ হয়ে যাবে। অলরেডি কমে গেছে অনেকটা। - হুমায়ুন কবির

2
ফুলবাড়ি উন্মুক্ত কয়লা খনিতে ৩০ বছরে লোকসান হবে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন ডলার, সর্বোচ্চ ৪৬ বিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পকে লাভজনক করা সম্ভব
ফুলবাড়ি উন্মুক্ত কয়লা খনিতে ৩০ বছরে লোকসান হবে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন ডলার, সর্বোচ্চ ৪৬ বিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পকে লাভজনক করা সম্ভব শুধু মাত্র মানুষকে ক্ষতিপূরণ না দিয়ে এবং পরিবেশ দূষনকে উপেক্ষা করে। থিওরেটিকালি এই কয়লা দিয়ে সর্বোচ্চ ৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানো সম্ভব। যার কয়লা উত্তোলন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মোট ব্যয় ২৫ বিলিয়ন ডলার। অথচ ২৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুত পরিবেশ দূষন না করেই স্থাপন করা সম্ভব। অনেকেই মেয়াদ শেষের সোলার প্যানেলের বর্জ্য নিয়ে প্রশ্ন করেন। তাদের জন্য - একটি সোলার প্যানেলের মেয়াদ শেষে এর ৯৫ শতাংশ রিসাইকেল করে পুনরায় সোলার প্যানেল বানানো সম্ভব।
373
3
বিজ্ঞান আজকে যা দাবী করে ১০০ বছর পর দেখা যায় সেটা মিথ‍্যা প্রমাণ হয়েছে তাই, আজকে এক আলেমের ডিএনএ রেজাল্ট একরকম দিল ১০০ বছর পর এটার রেজাল্ট যে ভিন্ন হবে না তার গ্যারান্টি কি? তাই, ষড়যন্ত্র করে আলেমদের নামে বদনাম করার এই ডিএনএ টেস্ট নামের নীল নকশা কেউ বিশ্বাস করবেন না। অচিরেই রাষ্ট্রীয় ভাবে ডিএনএ পরীক্ষা নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ করতে হবে আলেমদের সম্মিলিতভাবে এটাকে হারাম ঘোষণা করতে হবে এমনটা না হলে, মুসলিম ঘরের সন্তানরা দিনে দিনে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে তাদের রক্ষা করতে ডিএনএ, ফিএনএ টাইপের মিথ্যা পরীক্ষা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা জোর দাবি জানাচ্ছি। - কালেক্টেড।
372
4
সরকারের কাছে থ্রি-হুইলার নিয়ে চলা অরাজকতাকে কিভাবে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আনা যাবে সেটার কোন ট্রানজিশনাল প্ল্যান নাই। প্ল্যান যারাই করে, যা-ই করে, সেগুলা কী কী ধাপে বাস্তবায়ন করা দরকার, সেটা নিয়ে কোন আলাপ দেখি না। আপনি সৌর বিদ্যুতের আলাপ করবেন, কিন্তু ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেডি করতে কতদিন লাগবে, এবং সেই ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেডি হওয়া পর্যন্ত সময়টা কিভাবে হ্যান্ডেল করবেন, সেটার ট্রানজিশনাল প্ল্যান নিয়ে কোন আলাপ করবেন না। আপনি মহাসড়কে টেসলা চলতে দিবেন না। কিন্তু মহাসড়কের যেই পয়েন্ট থেকে যেই পয়েন্টে টেসলা চলতেসে, সেই রুটগুলায় মহাসড়ক বাদ দিয়ে চলাচল করার আদৌ কোন বিকল্প রাস্তা আছে কিনা সেটা নিয়ে আলাপ করবেন না। আপনি একদিকে পারলে অটো নিষিদ্ধই করে দেন, আরেকদিকে আপনি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে অটোরিকশা বিতরণ করেন। বুয়েটকে দিয়ে ডিজাইন গাইডলাইন রেডি করানোর নামে সারাদেশের মানুষের হাসির পাত্র বানাইলেন, কিন্তু সরকারপ্রধানের হাত দিয়ে বিতরণ করা রিকশা সেই গাইডলাইন অনুযায়ী বানানো কিনা, সেটা আদৌ চেক করেছিলেন? শহরে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের কোন আগামাথা নাই। রাস্তার অর্ধেক অচল থাকে হকার আর অবৈধ দখলদারিতে। ম্যাস পাবলিকের যদি র‍্যাপিড মুভমেন্টের জন্য অটোর মতো ইজিলি অ্যাক্সেসিবল বাহনের সত্যিকারের ডিমান্ড না থাকতো, তাহলে আপনাদের সত্যিই মনে হয় যে এত লাখ লাখ অটো রাস্তায় চলাচল করে দিনশেষে কমার্শিয়ালি সাস্টেইন করতে পারতো? আরেকটা দরকারি আলাপ উঠাই। ঢাকার রাস্তায় অটোরিকশা এই টেসলারাই প্রথম? সিএনজি নামে যেই বাহনটা চিনি আমরা, সেটা আসলে কী? সেটাও তো অটোরিকশা-ই! কোন সিন্ডিকেটের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ঢাকার রাস্তায় বৈধভাবে সিএনজি অটোরিকশা নামানো যায় না? সিএনজি ভাড়া কেন সাধারণ মানুষের আওতার বাইরে? কার পকেটের টাকা যায় কার পকেটে? খেলাটা চলে আসলে কোন লেভেলে? যাক! কথা না বাড়াই! সমস্যা সমাধানের নিয়ত থাকলে সমস্যার রুট কজ খুঁজে বাইর করে সেই শিকড় থেকে সমস্যারে এরা আপরুট করতো। রুট কজগুলা খুঁজে বাইর করে অ্যাড্রেস না করলে, ট্রানজিশনাল পিরিয়ডের জন্য প্রোপার ফেইজওয়াইজ প্ল্যান না করলে, সড়কের থ্রি-হুইলারের হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চুরির কথা বলেন, আর আকাশে বিমান বাংলাদেশের হাজার কোটি টাকার দুই নাম্বারির কথা বলেন, কোনটাই কোন সরকার সমাধান করতে পারে নাই, পারবে-ও না। অবশ্য, তাদের প্রতিবারের ধর তক্তা মার পেরেক মার্কা কাজবাজ দেখে ছোটবেলায় মনে করতাম যে তারা মনে হয় সমাধানের সঠিক রাস্তা জানে না। বয়েস কম ছিল, নাইভ ছিলাম, তাই অবাক হইতাম যে কেন বোকার মতো স্টেপ নিতেসে। এখন বাল পাকতেসে, দাঁত ভাংতেসে, এখন একটু একটু বুঝে আসছে যে পাকা শয়তানগুলা নিজেরাও জানে যে কোন সমাধানটা কাজে দিবে, আর কোনটা দিবে না। এদের আসলে নিয়ত এরই ঠিক নাই! এরা চাই-ই না কোন সমস্যার সমাধান হোক। কারণ একবার কোন একটা সেক্টরে যদি কোন একটা সমস্যা সমাধানের উদাহরণ তৈরি হয়ে যায়, তাহলে তো এর পরে একটা একটা করে সব সেক্টরের সব সমস্যা সমাধানের জন্য পাবলিক প্রেশার দেয়া শুরু করে দিবে! তাহলে তো একসময় ডোমিনো এফেক্টের মতো দুই নাম্বারির প্রাসাস তাসের ঘরের কতো ভাইঙা পড়া শুরু করবে! এরচেয়ে যেমনে চলছে চলুক। পাবলিক বেশি প্যাড়া খাইলে একটু ধুনফুন, আইওয়াশ স্টেপ নিয়া নিবে। দুইদিন পর সেইসব স্টেপস ফেইল করবে। আর ভান ধরবে যে আমরা তো চেষ্টা করসি-ই। তারপর দিবে মাস্টারস্ট্রোক! কোন একভাবে প্রমাণ করে দিবে যে উলটা পাবলিক নিজেই খারাপ, তাই তারা সমস্যা সমাধান করতে পারে নাই! কী দুর্দান্ত গ্যাসলাইটিং! - Tanvir Arafat Dhrubo
717
5
Sin texto...
894
6
প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের মন্ত্রীদের নামে, পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব পোস্টে হাজার হাজার লাইক ও ভিউ হচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয় কোথায়? দিনের পর দিন গুজব ছড়ানো হচ্ছে—এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী? প্রধানমন্ত্রীর নামে গুজব ছড়ানো হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব তো নিজের ফেসবুক আইডি থেকেও এ বিষয়ে পোস্ট করতে পারতেন। সেটাও কি বুঝি পারেন না? গুজব ছড়ানো ছেলেটির পরিচয়— নাম: MD Antarul Haque গ্রাম: রাজগাতি কালপার, পুরান মহাজন বাড়ি ইউনিয়ন: রাজগাতি উপজেলা: নান্দাইল বাবার নাম: শহীদ মিয়া জেলা: ময়মনসিংহ এভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের কাছে বিভ্রান্তিকর বার্তা যাচ্ছে এবং সরকারের বদনাম হচ্ছে। সরকারের উচিত, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া। আর কতদিন চুপ করে থাকবে? গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সরকার কি এরপরও প্রশ্রয় দেবে? - ফাহাদ মোহাম্মদ
981
7
Sin texto...
808
8
"গাড়ল" বিএনপির দরকার একটা "কুত্তামারা" প্রফেশনাল টিম, যারা টাকা নেবে আর কাজ করবে। তাদের কো-অর্ডিনেট করার জন্য, অন দ্যা হেড বিএনপির কোর এক্টিভিস্টরা স্ট্র‍্যাটেজি মেকার হিসেবে থাকতে পারে, কিন্তু একজিকিউশনার হিসেবে নট দেম, থাকা প্রয়োজন প্রফেশনাল "ভাড়াখাটা" "ব্রেইনি" লোকজন। সিআরআই ক্যামনে ফাংশন করেছে এই মূর্খদের যদি কেউ একবার দেখাতো! বিএনপি পিআরের জায়গায় বসাইছে কতক অপোগন্ড গাধাকে, যাদের আলাপ হচ্ছে "১৭ বছর অনেক ত্যাগ করেছি।" ভাইরে, আপনাদের কেউ এই ত্যাগ অস্বীকার করতেছে না। কিন্তু কারো ত্যাগের জন্য আপনি নিশ্চয় ডাক্তার হিসেবে একজন অনার্স পাশ ছেলেরে হস্পিটালে বসাবেন না। এইটা বেইসিক কমন সেন্স। আপনে তারে অন্য যেখানে খুশি বসান, কিন্তু পিআরের কাজে না। মহামান্য দেশনেতা কি এই বাস্তবতা ঠাওড়াবেন? - তাশরিক হাসান
1 245
9
আজ কোনো একটি প্রোগ্রামে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী স্যার বলেন— ​"সবার বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার প্রয়োজন নেই। মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের অনেক দেশে উচ্চশিক্ষিত বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার কিংবা চিকিৎসকের চেয়ে হাতে-কলমে দক্ষ কর্মীর চাহিদাই বেশি। যারা ভালোভাবে কারিগরি কাজ দক্ষতার সঙ্গে করতে পারেন, তাঁদের জন্যই সেখানে বেশি সুযোগ রয়েছে।" ​আমরাও বলি—সবার তো ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার প্রয়োজন নেই। যারা এসএসসি বা এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে টপ ক্লাস রেজাল্ট করবে এবং লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর সাথে প্রতিযোগিতা করে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পাবে, তারাই পড়বে। আর এসএসসিতে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা, ভোকেশনাল কিংবা উন্মুক্ত থেকে পাস করা ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য হবে ডিপ্লোমা বা কারিগরি শিক্ষা। কারিগরি শিক্ষা অর্জন করে একজন ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ান নিজেকে দক্ষ জনশক্তি বা কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবে। ​অথচ বাংলাদেশের হাতে-কলমে দক্ষ কর্মী তথা ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের শতভাগ ডিপ্লোমা কোটা দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পদে নিয়োগ দিয়ে প্রকৌশলী বানানো হয়... এবং বিসিএস ক্যাডারের মতো মর্যাদাপূর্ণ পদেও এদের পদোন্নতি দেওয়া হয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে, ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের সাধারণ কোনো চাকরির ১৫তম গ্রেডেও আবেদন করার যোগ্যতা নেই। যদি ডিপ্লোমা কোটা না থাকত, তবে টেকনিশিয়ানরা সবার সাথে প্রতিযোগিতা করে ১৬তম গ্রেডেও পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারত না। এটাই হচ্ছে ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের জন্য চরম সত্য। ​এছাড়াও, আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, যারা ডিএমএফএ/ডিএমএ শেষ করে, সরকারি এবং বেসরকারি কোনোভাবেই তাদের জন্য উচ্চশিক্ষার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি—যাতে তারা এমবিবিএস ডিগ্রি পেতে পারে। অথচ দেখুন, পলিটেকনিক পাস ডিপ্লোমাধারীদের জন্য 'ডুয়েট' (DUET) রয়েছে। এমনকি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখান থেকে রাতের অন্ধকারে খুব সহজেই বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সনদ কেনা যায়! ​ ​মোরল অব দ্য স্টোরি, ডিপ্লোমা পাস করেই একজন টেকনিশিয়ান বা কর্মী নিজেকে দাবি করে— "I am an Engineer." - আব্দুল্লাহ আল মাসুদ
1 375
10
অনেকেই প্রশ্ন করছেন রেলওয়ে, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন অবকাঠামো এইগুলা প্রাইভেট সেক্টরের হাতে দিয়ে দিচ্ছে সরকার। এইটা কি ঠিক হচ্ছে? এর উত্তর হচ্ছে একই সাথে না এবং হ্যা। প্রথমত আমি ক্রিটিক্যাল সেক্টর যেমন এনার্জি, ট্রান্সপোর্ট এগুলা প্রাইভেট সেক্টরের হাতে ছেড়ে দেয়ার একেবারেই পক্ষপাতি না। কিন্তু বাংলাদেশে একটা প্রবলেম আছে। মনে রাখবেন এইটা চীন না যে আপনি বুর‍্যোক্রেসি দিয়েই দেশকে উন্নত বানায়ে ফেলবেন। এইদেশের আমলারা আগাগোড়া মাথার চুল থেকে পায়ের নখ দূর্নীতিবাজ। এরা কখনোই পাবলিক সার্ভিসের জন্য আমলাতন্ত্রে আসেনা। এদের লক্ষ্যই একটা চেয়ারে বসবে আর নোটের বান্ডিল গুণবে। কত হাজার কোটি টাকা খরচ করা হইছে রেলওয়ের পেছনে? আজ পর্যন্ত রেলওয়েকে প্রফিটেবল বানানো গেছে? প্রতিবছর শ শ কোটি টাকার লোকশান গুনতে হয় সরকারেকে। এটার দায়টা কার? আমলাদের। মান্ধাতার আমলের আমলাতন্ত্র আর এসি রুমে বসে নোটের বান্ডিল গোনা ছাড়া এদের আর কি স্কিল আছে দেখাইতে পারবেন? ট্রেনের কয়টা বগি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন আর কয়টার ইঞ্জিন ঠিক আছে? ব্রডগেজ লাইন কয়টা বানাইছে? এইটা গেলো তো। এবার হিসাব কইরেন এরা কয়টাকা ঘুষ খাইছে। কিসের জন্য একটা ব্রডগেজ লাইনেও ট্রেনের স্পিড ১২০ এ উঠানো যায়না এটার উত্তর দিতে পারবে এরা? বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন কিছু মানেই সেটা রীতিমতো লুটপাটের কারখানা। আমলাদের পারসোনাল ব্যাংক সেটা। এই ভাইরাসদের সাথে লড়াই করার একটা সুযোগ ছিলো ৫ই আগস্ট এর পর পরই। কিন্তু ভাইরাসগুলাকে বিদায় করা গেছে? যায়নাই। এখন আর সুযোগও নাই। তাই আপাতত দৃষ্টিতে প্রফিটিবিলিটি ফিরায়ে আনার জন্য প্রাইভেট সেক্টরের হাতে কিছু জিনিস দিয়ে দেয়াই বেটার আমার মনে হয়। এতে অন্তত আমলাদের খাইখাই বন্ধ হবে। আর প্রাইভেট সেক্টরের যেহেতু মুল লক্ষ্য মুনাফা তাই সরকার চাইলে মুনাফা থেকে হিউজ রাজস্ব তুলতে পারবে। প্রাইভেট সেক্টর কখনোই লস করে ব্যবসা করবেনা। আর প্রাইভেট সেক্টর সরাসরি ডিল করে পলিটিক্যাল লিংক ধরে তাই এখানে আমার মতে আমলাদের হাত ঢুকানোর সুযোগ অনেকটাই কমবে। প্রাইভেট কোম্পানিগুলা যাতে কোনোভাবেই জনগণের ওপর অতিরিক্ত খরচের ছড়ি ঘুরাইতে না পারে এজন্য কঠোর রেগুলেটরি কাঠামো তৈরী করতে হবে। তবে হ্যা রেলওয়ে বা বিদ্যুৎ যেটাই প্রাইভেট সেক্টরকে দেক না কেনো মাস্টবি সকল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সরকারকেই বানাইতে হবে। প্রাইভেট কোম্পানি জাস্ট লিজ নিয়ে পরিচালনা করবে। কুইক রেন্টাল টাইপ কিছু যেন আবার না হয়। প্রাইভেট এসব কোম্পানির প্রফিট মার্জিনের ওপর থেকে প্রচুর রাজস্ব তুলে পূণরায় আবার সেই অর্থ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট এ ইনভেস্ট করতে হবে। - আহনাফ তাহমিদ অর্জন
1 244
11
দুই হুজুর আবাসিক হোটেলে গেছে। গিয়া পড়ছে প্যারায়। ওইদিনই পুলিশ রেড দিছে। ১৫ জনরে ধরছে, লগে হুজুর দুইটারেও, মেয়ে মানুষ সহ। অন্য হুজুররা যথারীতি জাতি ভাইদের দুর্দিনে আগায়ে আইসা ফেসবুকে ন্যারেটিভস নির্মাণ করে ফেলছিল যে, হুজুররা নিজেদের বউদের নিয়েই হোটেলে উঠছিল। বাকি সবাইর সাথে হুজুরদের গ্রেফতার করে জুলুম করা হইছে। ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান ডিসেন্ট এই কান্ডে দিছে আগুন ধরায়ে। তারা তদন্ত করে দেখছে যে হুজুররা বউ নিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু সেটা নিজেদের না, অন্যের বউ। একজন নিছে নিকটাত্মীয়ের বউকে, অন্যজন নিছে পরিচিত এক ভাইয়ের। - মীর হুজাইফা
787
12
Sin texto...
778
13
Sin texto...
845
14
নরমালি সুইসাইড করা লোকজনের প্রতি কোনো sympathy/empathy কাজ করে না আমার।কিন্তু গতকাল আমার ডিপার্টমেন্টের(বুয়েট মেকানিক্যাল) ইমিডিয়েট জুনিয়র সুইসাইড করলো, এই ঘটনা আমি নিজে ফিল করতে পারতেছি। যদিও ওর সাথে সরাসরি পরিচয় ছিল না কিন্তু সে কোন ধরনের মেন্টাল সিচুয়েশনের মধ্যে দিয়ে গেছে এটা ফিল করতে পারতেছি। BUET কে অনেকে Land of Living বলে কিন্তু আমার কাছে এটা Land of Depressed Souls।বেশিরভাগ ছেলেপেলের চোখেমুখে হতাশা খেয়াল করলেই বুঝা যায়।ফাস্ট ইয়ারের ছেলেদের চোখেমুখে যে আনন্দ থাকে তা বেশিদিন স্থায়ী হয় না। এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে বের হতে পারেনি।খুব বেশি বাকি ছিল এমনও না। ১/২ টার্ম আরেকটু ধৈর্য ধরলেই হয়তো হয়ে যেত।বুয়েটে যারা একবার পিছিয়ে পড়ে তাদের জন্য বুয়েট লিটারেলি একটা জাহান্নাম।একটা পরীক্ষা না দিতে পারলে / ল্যাগ খাইলে সেটা আবার এক্সাম দিলে ৪ এর মধ্যে ৩ এর বেশি পাওয়ার অপশন নাই। এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে থিসিসও নিতে পারেনি।থিসিস নেওয়ার জন্য মিনিমাম ক্রেডিট বেশ কিছু ডিপার্টমেন্টে কয়েক ক্রেডিট কম থাকলেও কন্সিডার করে কিন্তু মেকানিক্যালে ০.২৫ ক্রেডিট কম থাকলেও দেয়নি এমনও শুনেছি।ব্যাচের সাথে থিসিস না পেলে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পার্টনার ছাড়া একা থিসিস করতে হয়।কোনো স্যার ল্যাগারদের প্রতি কোনো সিম্প্যাথী দেখায় না। পদে পদে অপদস্ত হওয়ার সব বন্দোবস্ত বুয়েট করে রাখছে। মেন্টালি স্ট্রং না থাকলে এই ফেইজ পার করে পাশ করে বের হওয়া বেশ কঠিন।জুনিয়রদের সাথে ক্লাস করতে যাদের হয় তারা কি রকম মেন্টাল কন্ডিশনের মধ্যে দিয়ে যায় তা সরাসরি এক্সপেরিয়েন্স না থাকলেও ফিল করতে পারি।এই সিচুয়েশনে যারা পড়ে তাদের সেল্ফ কনফিডেন্স পুরো ধ্বংস হয়ে যায়।এমন না যে তারা স্টুডেন্ট হিসেবে খারাপ কিন্ত নিজের প্রতি কনফিডেন্স ধ্বংস হয়ে গেলে সেই মানুষের বেঁচে থাকা খুব কষ্টকর হয়ে যায়।বুয়েটে চান্স পাওয়া প্রায় সবার উপরই পরিবারের এক্সপেকটেশন অনেক হাই থাকে।ফলে এই সিচুয়েশনে পরিবারের কারো সাথেও সে নিজের দুঃখ-কষ্ট শেয়ার করতে পারে না। এই সিচুয়েশনে ফেস করা স্টুডেন্টের সংখ্যা টেন পার্সেন্টও হবে না হয়তো। বুয়েটের টিচাররা সবাই ডিপার্টমেন্টের টপার ছিল।তাই তারাও এই ক্যাটাগরির স্টুডেন্টদের সাফারিংস ফিল করতে পারে না।আল্টিমেটলি যখন বন্ধুবান্ধবরা হল থেকে বের হয়ে যায় সবাই, ফ্যামিলির সামনে দেওয়ার মত কোনো সদুত্তর থাকে না, টিচারদের থেকেও কোনো মেন্টাল সাপোর্ট পাওয়া যায় না তখন যারা একটু ইন্ট্রোভার্ট তাদের দুনিয়া একদম সংকীর্ণ হয়ে আসে। বুয়েটে যারা আসে তাদের প্রায় সবারই জীবনে কখনো ফেইলুর হ্যান্ডেল করার এক্সপেরিয়েন্স থাকে না।ইন্টার পর্যন্ত সব কাপায় এসে বুয়েটে ভর্তি হয়ে যখন পিছায়ে যায় তখন যেই সাইকোলজিক্যাল ট্রমার লুপে একবার আটকে যায়, তার জন্য সেখান থেকে নিস্তার পাওয়া বেশ দূরূহ। ছেলেটা প্র্যাকটিসিং না এমনও না, সে সুইসাইড করার আফটার ইফেক্ট ভালোভাবেই জানতো কিন্তু এত রাজ্যের হতাশায় হয়তো নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি। সুইসাইড করা কাপুরুষের কাজ।জীবনে পিছায় পড়লে আবার লড়াই করে ঘুড়ে দাঁড়ানোর হিম্মত রাখতে হবে।জুনিয়রদের প্রতি অনুরোধ কারোর যদি এমন চিন্তাভাবনা মাথায় আসে ক্লোজ সিনিয়রদের সাথে একটু বসিস।গল্প করিস দেখবি হালকা হয়ে যাবি।আমাকেও নক দিতে পারিস যেকোনো সময়।বুয়েটে গিয়ে একসাথে চা খেতে খেতে গল্প করে আসবো।হয়তো কিছু সুপরামর্শও দিতে পারবো। - আসিফ আহমেদ
790
15
বাংলাদেশ খুবই সেন্সিটিভ একটা জায়গায় হাত দিছে। সেইটা হচ্ছে ক্রিটিকাল মিনারেল বা বিরল খনিজ। এই কপার আর লিথিয়াম ছাড়া পৃথিবীর প্রায় প্রতিটা টেকনোলজি অচল। আপনি বানাইতেই পারবেন না সেটা ফাইটার জেট হোক বা মিসাইল বা আপনার ফোনের সামান্য ব্যাটারি বা ল্যাপটপের প্রসেসর। খুবই হাই ভ্যালু সেক্টর এটা। এই কপার আর লিথিয়ামকে যদি খুবই সেন্সিটিভববভাবে হ্যান্ডেল করা যায় এই খনিজ গেম চেঞ্জার হইতে পারে। কেমনে এক্সপ্লেইন করি। প্রথমত গ্লোবাল টেকনোলজি আর সেমিকন্ডাক্টর সেক্টর যে খনিজ সম্পদগুলা দ্বারা প্রভাবিত এগুলার মার্কেট খুবই ভলনারেবল। মানে ধরেন আজ যদি গ্লোবাল মার্কেটে হুট করে কপার, লিথিয়াম, নিওডিমিয়াম এসবের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায় যুদ্ধ বা কোনো কিছুর কারণে, তাইলে মুহুর্তের মধ্যে আপনার ল্যাপটপের র‍্যাম থেকে কারেন্টের তার সবকিছুর দাম ৫০ গুণ বাড়তেও নুন্যতম সময় লাগবেনা। আর এই খনিজগুলা ভুরাজনৈতিকভাবে এতটাই সেন্সিটিভ যে, যেকোনো মুহুর্তে যেকোনোভাবে এর সাপ্লাই বন্ধ হওয়ার মত যথেষ্ট চান্স আছে। ওদিকে পৃথিবীর সকল বিরল খনিজ সম্পদের প্রায় ৯০% নিয়ন্ত্রণ করে চীন। মানে চীন যদি সাপ্লাই বন্ধ করে দেয় তাইলে আমেরিকার মিসাইল থেকে শুরু করে AI সব বন্ধ, পশ্চিমা টেক সেক্টরের হাতে হ্যারিকেন চলে আসবে। এইখানে লেভারেজটা নিতে পারবে বাংলাদেশ। প্রথমত চিলির সাথে এই বিরল খনিজ নিয়ে আলাপ আলোচোনা করেছে বাংলাদেশ। ইভেন ইতিহাসে প্রথম চিলির রাজধানী স্যানটিয়াগো এবং ঢাকাতে প্রথমবারের মত দূতাবাস খোলা হবে। চিলির সঙ্গে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টও হইতে পারে বাংলাদেশের। বিনা শুল্কে আমদানি রপ্তানি। আর চিলির কাছে পৃথিবীর বৃহত্তম কপার এবং লিথিয়াম ডেপোজিট আছে। এইটা নিয়েই ড.খলিল এবং চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ বৈঠক করেছেন। চিলি গ্লোবাল কপার সাপ্লাই চেইনের ২৪% এবং লিথিয়াম সাপ্লাই চেইনের ৩১% কন্ট্রোল করে। মানে এই চুক্তি যদি সিরিয়াসলি নেয় বাংলাদেশ, তাইলে দক্ষিণ এশিয়ার লার্জেস্ট কপার এবং লিথিয়ামের রিজার্ভ তৈরী করা বাংলাদেশের কাছে ব্যাপার না। রিমেম্বার যুদ্ধের সময় আমেরিকা তাদের তেলের রিজার্ভ থেকে তেল বিক্রি করে কি পরিমাণ মুনাফা কামিয়েছে? এই সেইম অপরচুনিটি বাংলাদেশ কপার ও লিথিয়ামের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারে। বাংলাদেশ যদি দূরদর্শিতা দেখিয়ে চিলি থেকে কাঁচামাল এনে দেশে ক্রিটিক্যাল মিনারেলের একটি স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ এবং প্রসেসিং হাব গড়ে তুলতে পারে, তবে এটি বাংলাদেশেকে শুধু দক্ষিণ এশিয়া না সমগ্র এশিয়াতেই জিওপলিটিক্স ও ইকোনমিক্স দুই ক্ষেত্রকেই একটি ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতের মতো টেক জায়ান্টদের চিপ ও ইভি তৈরির জন্য তামা ও লিথিয়ামের ওপর শতভাগ নির্ভর করতে হয়। বাংলাদেশে যদি এই খনিজগুলোর বড় রিজার্ভ এবং প্রসেসিং সুবিধা থাকে, তবে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন সংকটের সময় যেমন যুদ্ধ বা কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেক কোম্পানিগুলোর জন্য একটি সেফ হ্যাভেন বা নিরাপদ সাপ্লাই হাব হিসেবে আবির্ভূত হবে। ​বিশ্ববাজারে লিথিয়াম ও তামার দাম অত্যন্ত অস্থির। কম দামে চিলি থেকে খনিজ কিনে রিজার্ভে রেখে, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে তা প্রসেস করে চড়া দামে রপ্তানি করা সম্ভব। ​যদি বাংলাদেশ আগামী ৭-১০ বছরে ১ থেকে ২ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ ক্রিটিক্যাল মিনারেলের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ গড়ে তোলে তাহলে বিশ্ববাজারের ওঠানামা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ প্রতি বছর ১৫% থেকে ২৫% প্রফিট মার্জিন পেতে পারে। ২ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ থাকলে প্রতি বছর কেবল মিনারেল ট্রেডিং ও প্রসেসিং ৩,৬০০ কোটি থেকে ৬,০০০ কোটি টাকা নিট মুনাফা করা সম্ভব। কাঁচামালের অভাবের ভয়ে অনেক বড় কোম্পানি বাংলাদেশে কারখানা খুলতে চায় না। দেশে রিজার্ভ নিশ্চিত থাকলে বিশ্বের শীর্ষ ইভি ব্যাটারি মেকার যেমন: CATL, BYD বা সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে মেগা ফ্যাক্টরি করতে ছুটবে। আগামী ১০ বছরে ৩৬,০০০ কোটি থেকে ৬০,০০০ কোটি টাকা মেগা হাইটেক ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে বিনিয়োগ আসবে জাস্ট এই ক্রিটিকাল মিনারেলের জন্য। একটি স্থায়ী ও সুসংগঠিত ক্রিটিক্যাল মিনারেল রিজার্ভ ও প্রসেসিং হাব এককভাবে বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রতি বছর প্রায় ২.৫ থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার ভ্যালু অ্যাড করতে সক্ষম। ​যেভাবে ১৯৭১ সালের পর মধ্যপ্রাচ্য তেল দিয়ে বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করেছে, ২১ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করবে ক্রিটিক্যাল মিনারেল। ​বাংলাদেশ যদি তেল বা গ্যাসের অভাব সত্ত্বেও আগেভাগে তামা, লিথিয়াম ও রেয়ার আর্থ মিনারেলের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ তৈরি করতে পারে, তবে বাংলাদেশ কেবল পোশাক রপ্তানিকারক দেশ থাকবে না। বরং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনের একটি অপরিহার্য স্ট্র্যাটেজিক প্লেয়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবে চোখ বন্ধ করে। - আহনাফ তাহমিদ অর্জন
557
16
Sin texto...
531
17
Shakib Khan এর একটা অজানা ইতিহাস জানলাম আজকে Purnima র কারনে! রিসেন্ট যতগুলো মুভি বের হয়েছে আমি তার একটাও দেখি নি,সাকিব খানের ৯০'স মুভি গুলোই ভালো ছিল,নরমালি এত সময় ধরে পডকাস্ট দেখার সময় পাইনা। আজকে দেখলাম। অপু বিশ্বাস,বুবলি আসার অনেক আগেই শাকিব খান একজন কে ভালোবাসতেন,এমন কি তাকে বিয়ে করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন। এমন হয়না? আমরা যাকে খুউউউব বেশি ভালোবেসে ফেলি, তার কথা আশেপাশের সবাই কে জানাই? শাকিব খান ও এই ব্যাপার টা আশেপাশের মানুষ কে জানিয়েছিলেন, এমনকি পুর্ণিমা কেও। পূর্ণিমা ওই মেয়েটার সাথে কথাও বলেছিলো। অপু বিশ্বাস,বুবলীর ব্যাপারে শাকিব যেভাবে সবার থেকে লুকিয়েছিলো,ওই মেয়ের ব্যাপারে লুকায় নাই৷ বিয়ে করবে ভেবে আগেই জানিয়েছিলো অনেক কেই। আজকে সেই মেয়ের টপিক উঠায় শাকিব যেনো নষ্টালজিক হয়ে গিয়েছিলো! শাকিব আরো একটা কথা বলেছিলো, ''ভালোবাসলাম কাকে, আর গেলাম কোথায়?'' এই কথাটা খুব হিট করলো! এইটা আসলে অনেকের ই লাইফ স্টোরি! তারা বিশেষ একটা মানুষ কে তীব্র ভাবে ভালোবেসেছিলো, ভেবেছিলো ওই মানুষ টা কেই বিয়ে করবে!পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুমহলে সবখানে জানানোও ছিল " একজন আছে " শেষে তাদের সম্পর্ক আর পূর্ণতা পায় নাই। তারা হয়তো এখন অন্য একজনের সাথে সংসার করে, নয়ত নতুন কারো সাথে হাত ধরে সুখের স্বপ্ন বুনছে কিন্তু যে ভালোবেসেছিল তার মনে সেও "না পাওয়া'' মানুষটার জন্য হাহাকার থেকেই যায়! একটা কথা আছেনা? বিরহ দেয়না ভুলিতে! ব্যাক্তি শাকিব খানের উর্ধে তার আজকের বিষয়টা গভীর ভাবে নাড়া দিল। সম্পর্কের পিক মোমেন্টে থাকলে,সম্পর্ক স্ট্যাবল থাকলে বিয়ে করে সারাজীবন একসাথে থাকার প্রতিজ্ঞা করুন।হারিয়ে গেলে হয়ত আরো বেটার পাবেন,ভালোও পাবেন কিন্ত সেই মানুষটিকে হয়ত আর পাবেন না। অনেকেই আছে এমন! দিব্যি সংসার করতেছে আবার একটা হাহাকার চলেই আসে মনে! সেই মানুষ টার কথা মনে পড়ে, যার সাথে স্বপ্নে একটা সুন্দর সংসার সাজিয়ে ফেলেছিলো❤️
720
18
Sin texto...
451
19
ককরোচ পার্টি বিশ তারিখে যেদিন সংসদ অভিমুখে লংমার্চ করেছিল, ঠিক সেদিনই ভারতের সংসদে FCRA বা Foreign Contribution Regulation Amendment প্রস্তাবনা উত্থাপনের কথা ছিল। এই প্রস্তাবনার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি অনুদান (Foreign Contribution) ও বিদেশি আতিথেয়তা (Foreign Hospitality) গ্রহণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা, যাতে বিদেশি অর্থের মাধ্যমে ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থে প্রভাব বিস্তার করা না যায়। প্রতিটি এনজিও— যারা বিদেশি অনুদান গ্রহণ করতে চায়, তাদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে FCRA রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এর ফলে ভারতে প্রবেশ করা সকল বৈদশিক আর্থিক অনুদান ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কিন্তু ককরোচ পার্টি যখন খুব মীরাকেলি সেদিনই সংসদ অভিমুখে মুভ করে, তখন ভারতীয় সরকার ও সরকারপন্থী লোকজন স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই অরগানিক মুভমেন্টকে ফরেইন ফান্ডেড হিসেবে গণ্য করে। ভারত সরকার আরো স্পষ্টভাবে সমীকরণ মেলাতে পারে ২১ তারিখ রাতে, যখন দিল্লীর ক্যাথলিক চার্চের ফাদাররা যন্তরমন্তর অভিমুখে যাত্রা করে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে। ভারতীয় সরকার তখন একপ্রকার নিশ্চিত হয় যে এই মুভমেন্টের চালিকাশক্তি বাইরে থেকে আসছে। কারণ একদিকে বিশ তারিখে ককরোচ পার্টি সংসদ অধিবেশন বসতে দেয়নি, অন্যদিকে ভারতে আসা বৈদশিক অনুদানের অধিকাংশ খরচ হওয়া চার্চগুলো যখন শিক্ষার্থীদের সংহতি জানিয়েছে..! ভারতীয় সরকার তখন ফাইনাল অ্যাসেসমেন্ট করে ফেলে যে, এই মুভমেন্ট অরগানিক না। কিন্তু তাড়িয়ে বেড়ানো অজানা ভয়ের বশবর্তী হয়ে অবচেতন মনের তৈরীকৃত এই অ্যাসেসমেন্ট ছিল সম্পূর্ণ ভুল। একদিকে ফাংশনাল ডেমোক্রেসি, আরেকদিকে ভুল অ্যাসেসমেন্ট— দুটোর যোগফল ছিল ‘লিমিটেড মাসল পাওয়ার’ একজন বাংলাদেশি হিসেবে আন্দোলনে পুলিশের লাঠিপেটা, রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান আমাদের কাছে ডালভাত। কিন্তু এই একই পানিশমেন্ট ভারতের মত দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ফাংশনাল ডেমোক্রেটিক কান্ট্রিতে বেশ বেমানান। ছেলেপেলেদের যখন পেটানো হলো, টিয়ার গ্যাস, জলকামান মারা হলো— তারা ক্ষেত্রবিশেষে এঞ্জয়'ও করলো আবার মেন্টালি এমন একটা প্রিপারেশনও নিলো যাতে ইন ফিউচারে তারা এসবে ‘ইউজড টু’ হতে পারে। দিল্লীতে ছেলেমেয়েরা মার খাচ্ছে তো বিহারে ছেলেমেয়েরা পুলিশকে পিটিয়ে দিচ্ছে। বিহারে মার খাচ্ছে তো কলকাতায় পিটিয়ে দিচ্ছে। ধীরে ধীরে একটা সফট এন্ড ইন্টালেকচ্যুয়াল রেজিস্ট্যান্স গড়ে উঠতে থাকলো। এই প্যাটার্নটা নিশ্চয়ই ভারত সরকারের নীতিনির্ধারকেরা অনুসরণ করেছে। একদিকে সরকারের মনে ‘ফরেইন ফান্ডেড’ নামক অজানা ভয়, আরেকদিকে ফাংশনাল ডেমোক্রেসির দেশে ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে থাকা রেজিস্ট্যান্স— মোদিকে চিন্তিত করে ফেলে। প্রথমদিকে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ না করানোর সিদ্ধান্তে অনড় থাকা মোদি শেষ মুহূর্তে ঠিকই পদত্যাগ করিয়েছে। অর্থাৎ মোদি অবশ্যই অবশ্যই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু ভীতসন্ত্রস্ত মোদি তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে। আন্দোলনকে স্ফুলিঙ্গ থেকে জ্বলতে থাকা লাভার মাঝেই সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে, যাতে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত না হয়। সাদা চোখে দেখলে, মোদির কৌশলগত বিজয় হয়েছে কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে। অন্যদিকে ককরোচদের কৌশলগত পরাজয় হয়েছে কিন্তু মূখ্য দাবিগুলি মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তাদের দীর্ঘমেয়াদী জয় হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে জয় এজন্য বললাম, কারণ— এই ছেলেমেয়েগুলির সরকারের একজন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করানোর প্রাক্টিস হয়ে গেলো। এই প্রাক্টিস তাদের কনফিডেন্স লেভেলকে যোজন যোজন বাড়িয়ে দিবে। ভারতের প্রচুর ভালনারিবিলিটিস আছে এবং প্রতিটি ভালনারিবিলিটি প্রচণ্ড পরিমাণ অরগানিক। শুধু শিক্ষাখাত না, রেলওয়ে করাপশন থেকে শুরু করে এনার্জি, এনভায়রনমেন্টাল রিস্ক ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রব্লেম যখন অরগানিক, প্রটেস্টও হবে অরগানিক। আর প্রতিটা অরগানিক প্রটেস্টেই ভারত সরকার ’ফরেইন ফান্ড’ নামক অজানা ভয়কে খুজে বেড়াবে এবং ভুল অ্যাসেসমেন্ট করবে। ভারতের এই ভালনারিবিলিটিস'ই কন্টিনিয়াস প্রটেস্টকে গ্লোরিফাই করে। তাই এই আন্দোলন কোনো একক আন্দোলন না। এটা একটা চলমান ধারা। এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং হটাত একদিন কোনো এক অরগানিক প্রটেস্টেই ফাংশনাল ডেমোক্রেসির ভারতে গণঅভ্যুত্থান ঘটে যাবে। - শাফিন রহমান
666
20
Sin texto...
518