uk
Feedback
Engineer's Diary

Engineer's Diary

Відкрити в Telegram

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Engineer's Diary

Канал Engineer's Diary (@engineersdiary) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 10 683 підписників, посідаючи 18 818 місце в категорії Освіта та 2 149 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 10 683 підписників.

За останніми даними від 13 червня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -151, а за останні 24 години на -3, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 6.89%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 2.32% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 736 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 248 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 5.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
EngineersDiaryBD.com

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 14 червня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Освіта.

10 683
Підписники
-324 години
-327 днів
-15130 день

Триває завантаження даних...

Хмара тегів
Немає даних
Виникли проблеми? Будь ласка, оновіть сторінку або зверніться до нашого support-менеджера.
Вхідні та вихідні згадування
---
---
---
---
---
---
Залучення підписників
червень '26
червень '26
+2
в 0 каналах
травень '26
+1
в 0 каналах
Get PRO
квітень '26
+8
в 0 каналах
Get PRO
березень '26
+3
в 0 каналах
Get PRO
лютий '26
+83
в 0 каналах
Get PRO
січень '26
+27
в 0 каналах
Get PRO
грудень '25
+14
в 0 каналах
Get PRO
листопад '25
+3
в 0 каналах
Get PRO
жовтень '25
+23
в 0 каналах
Get PRO
вересень '25
+26
в 0 каналах
Get PRO
серпень '25
+23
в 0 каналах
Get PRO
липень '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
червень '25
+8
в 0 каналах
Get PRO
травень '25
+33
в 0 каналах
Get PRO
квітень '25
+31
в 0 каналах
Get PRO
березень '25
+859
в 1 каналах
Get PRO
лютий '25
+271
в 0 каналах
Get PRO
січень '25
+276
в 0 каналах
Get PRO
грудень '24
+132
в 0 каналах
Get PRO
листопад '24
+43
в 1 каналах
Get PRO
жовтень '24
+72
в 1 каналах
Get PRO
вересень '24
+218
в 0 каналах
Get PRO
серпень '24
+4 057
в 0 каналах
Get PRO
липень '24
+3 370
в 0 каналах
Get PRO
червень '24
+1 380
в 0 каналах
Get PRO
травень '24
+1 215
в 0 каналах
Get PRO
квітень '24
+721
в 0 каналах
Get PRO
березень '24
+1 720
в 0 каналах
Дата
Залучення підписників
Згадування
Канали
14 червня0
13 червня0
12 червня0
11 червня0
10 червня0
09 червня0
08 червня0
07 червня0
06 червня0
05 червня0
04 червня+1
03 червня+1
02 червня0
01 червня0
Дописи каналу
ব্রাজিলের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের বানিজ্যিক মূল্য ৪ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য ও কাঁচামাল এর বড় অংশ আসে ব্রাজিল থেকে। বিশেষ করে সয়াবিন, গম চিনি ব্রাজিল থেকে আমদানি করা হয়। পারিবারিকভাবে জিয়া পরিবার ব্রাজিল ফুটবলের ভক্ত। সে হিসেবে আজকে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ব্রাজিল দলের জন্য শুভকামনা জানিয়ে একটা পোস্ট দেয়া যেতে পারে। এতে দুদেশের সম্পর্ক আরো বন্ধুত্বপূর্ণ হবে। যদিও পরে দেখা যাবে উসা বলবে, আমারটা কই??

2
Немає тексту...
503
3
দেশে মেধাবী ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ম করে মারা এক প্রকার ফরজ কাজ হয়ে গিয়েছে এই দেশে। মার্ক করা ছেলেটা হচ্ছে - বুয়েট ১৭ ব্যাচের ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার। চিন্তা করে দেখেন, সারাজীবন স্কুল কলেজে ফার্স্ট হয়ে, বুয়েট এ চান্স পেয়ে তার এলাকা স্কুল এবং বাবা মা এর মুখ উজ্জল করেছে। নিজের মেধা দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছে, দেশকে সার্ভিস দেয়ার জন্য। প্রতিদানে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর হাতে মব হচ্ছে। আমি প্রায়শই বলি নিজের ক্লোজ সার্কিটে আড্ডা দেয়ার সময়। সোসাইটির সবচেয়ে মেধাবীরা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হয়ে, কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে নিগৃহীত হয়। না পায় সম্মান, না পায় টাকা। এবং বেশির ভাগ ইঞ্জিনিয়ার আর ডক্টর এই কথা মুখ ফুটে বলতেই পারে না। তার উপর কর্মক্ষেত্রে গিয়ে নানা রকম অপমান, নিন্ম শ্রেণীর মানুষ এর হাতে মাইর খেতে হয়। নাইলে দেখেন, ডাক্তারদের দুইদিন পর পর মব করে রোগীরা, প্রপার ইঞ্জিনিয়ারদের পিছে মেয়াদ উর্তীর্ণ সিলেবাস পড়ানো ডিপ্লোমাদের লেলিয়ে দিয়ে রেখেছে সিস্টেম। এসব ঘটনা বার বার ঘটার পরেও, এসে সোসাইটি এর কাছে উত্তর দেয়া লাগে, বিদেশে কেন যাইতেছি, এখনো বাংলাদেশ মিসাইল বানায় না কেন? এখনো নিজের প্রযুক্তি নাই কেন? কিন্তু ঠিকই, আমার বন্ধুরাই যারা পিএইচডি, মাস্টার্স করছে ইউএসএ তে। তারা কমপ্লেক্স প্রবলেম সলভ করছে। এই যে বাংলাদেশেই পড়াশুনা করে রবিন খুদা গিয়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার ইন্ডিয়াতে ইনভেস্ট করেছে। সিম্পল হিসাব হচ্ছে, যতদিন গুণীর কদর এই সিস্টেমে করা শুরু হবে না, যত ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট আসুক, দেশের আদতে লাভ হবে না। একটা জেনারেশন ডক্টর আর ইঞ্জিনিয়ারদের কাজে লাগান, নেক্সট কয়েকটা জেনারেশন আমাদের থ্যাংক ইউ জানাবে। - মাহি
494
4
মিশেল ভাউজোর তখন প্যারিসের কুখ্যাত লা সাঁতে কারাগারে বন্দি ছিলেন, ব্যাংক ডাকাতির সাজা ভোগ করছিলেন। তিনি এর আগেও একাধিকবার পালানোর চেষ্টা করেছিলেন এবং কুখ্যাত “এস্কেপ আর্টিস্ট” হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার স্ত্রী নাতালি ভাউজোর তাকে মুক্ত করার জন্য এক অসাধারণ পরিকল্পনা করেন। তিনি গোপনে কয়েক মাস ধরে হেলিকপ্টার চালানো শেখেন, যাতে করে একটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করে সরাসরি কারাগার থেকে তাকে উদ্ধার করা যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনি একটি হেলিকপ্টার ভাড়া করেন এবং নিরাপত্তা ভাঙার মতো ছদ্মবেশে সেটি প্যারিসের লা সাঁতে কারাগারের ছাদে উড়িয়ে নিয়ে যান। কারাগারের রক্ষীরা তখন সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত ছিল। হেলিকপ্টারটি ছাদের ওপরে নেমে আসতেই মিশেল দ্রুত সেখানে উঠে পড়েন। নাতালি সঙ্গে সঙ্গে হেলিকপ্টারটি আবার উড়িয়ে নেন এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা কারাগার এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। তবে এই স্বাধীনতা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। পুলিশ দ্রুত ব্যাপক অভিযান চালায়। কিছুদিন পর মিশেল ভাউজোর পুলিশের সাথে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ধরা পড়েন এবং পরে আবার কারাগারে ফেরত যান। নাতালিও পরে গ্রেপ্তার হন।
393
5
Немає тексту...
345
6
বুয়েটের সেই সোনালী দিনগুলো শেষ করে যখন পাওয়ার সেক্টরের এই চাকরিতে জয়েন করেছিলাম, বুকে অনেক স্বপ্ন ছিল। ভেবেছিলাম মেধা, যোগ্যতা আর সততা দিয়ে দেশের সেবা করব, নিজের একটা ক্যারিয়ার গড়বো। শুরুর দিকে সবকিছু ঠিকঠাকই মনে হচ্ছিল। কাজের প্রতি একটা অন্যরকম ভালোবাসা ছিল, তাই সিনিয়রিটি বা পদোন্নতির ওই নোংরা পলিটিক্স নিয়ে কখনো মাথা ঘামাইনি। ভাবতাম, কাজ জানলে মূল্যায়ন একদিন মিলবেই। ​কিন্তু আজ যখন প্রতিষ্ঠানের সিনিয়রিটি লিস্টটার দিকে তাকাই, হতাশ হয়ে যাই। এক বুক তীব্র হতাশা আর অপমান ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আমাদের সামনে সিনিয়রিটি লিস্টে যারা বসে আছে, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কেবলই একটা ডিপ্লোমা ডিগ্রি আর সন্ধ্যায় কেনা একটা সার্টিফিকেট । শুধু গায়ের জোরে, ব্যাকডেট দিয়ে জয়েনিং ডিলে করিয়ে, নোংরা সিন্ডিকেটবাজি করে তারা আজ আমাদের মাথার ওপর চেপে বসেছে। আমাদের চোখের সামনে দিয়ে তারা ষষ্ঠ গ্রেডে চলে যাচ্ছে, আর আমরা? এই নোংরা সিস্টেমের বেড়াজালে আটকে আগামী ১০ বছরেও আমাদের ষষ্ঠ গ্রেডে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। ​সবচেয়ে বড় নির্মম পরিহাস কী জানেন? আমার বর্তমান এক্সেন (XEN) একজন ডিপ্লোমাধারী। পদে তিনি এক্সেন ঠিকই, কিন্তু কাজের বেলায়? ফিল্ডে কোনো একটা টেকনিক্যাল প্রবলেম হলে উনাকে না পারি কোনো কিছু বুঝিয়ে বলতে, না উনি নিজে মাথা খাটিয়ে সেটার কোনো সল্যুশন বের করতে পারেন। পদের চেয়ারটা উনার ভারী, কিন্তু টেকনিক্যাল জ্ঞানের দিক থেকে উনি কতটা ‘শূন্য’, সেটা আর মুখে প্রকাশ করতে পারছি না। ​বুয়েট থেকে পাস করার পর একজন ডিপ্লোমাধারীর অধীনে জব করা যে কতটা কুঁকড়ে যাওয়া যন্ত্রণার, কতটা লজ্জার সেটা কেবল ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না। মাঝে মাঝে মনে হয়, দেশসেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াটাই কি আমাদের অপরাধ ছিল? এই কি আমাদের মেধার পুরস্কার? এটা চাকরি নয়, এ যেন কোনো এক অমোঘ পাপের জন্য নিজের অর্জিত জ্ঞানের কাফফারা দেওয়া! ​তাই আজ বুয়েট, রুয়েট, চুয়েট, কুয়েটসহ দেশের সমস্ত ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই-বোন, রানিং স্টুডেন্ট এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে আমার একটাই আকুল আহ্বান তোমরা যদি পড়াশোনা শেষ করে দেশের বাইরে চলে যেতে চাও, তবে ভালো কথা, চলে যাও। কিন্তু যদি এই দেশে থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রফেশনে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে চাও, তবে এখনই জেগে ওঠো! এই মরণঘাতী ‘ডিপ্লোমা সিন্ডিকেট’ নির্মূল করার জন্য বুক চিতিয়ে সর্বোচ্চ প্রতিরোধ গড়ে তোলো। ​যদি আজ তোমরা চুপ করে থাকো, তবে এই সিন্ডিকেট তোমাদের সম্মানের সাথে চাকরি তো করতেই দেবে না, বরং এদের অধীনে চাকরি করতে করতে তোমাদের পুরো জীবনটা বিষিয়ে দেবে, তোমাদের মেধা আর স্বপ্নগুলোকে তিলে তিলে মেরে ফেলবে। মেডিকেল সেক্টরের ডাক্তাররা যেভাবে লড়াই করে নিজেদের পেশার মর্যাদা ধরে রেখেছে, প্রমাণ করে দিয়েছে যে মেধার উপরে কিছু হতে পারে না ঠিক একইভাবে আমাদেরও এক হতে হবে। এই বৈষম্য আর সিন্ডিকেটের দেয়াল ভাঙার লড়াইয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দাও। নিজেদের অধিকার আর পেশাগত আত্মসম্মান ফিরিয়ে আনার জন্য এখনই রাজপথে, টেবিলে, কলমে সবখানে আওয়াজ তোলো। আজ না লড়লে, আগামী দিনগুলো শুধুই অন্ধকারের! সাবেক বুয়েট শিক্ষার্থী ব্যাচ-২০১০
541
7
Немає тексту...
452
8
লাগান। - আখতারুজ্জামান আজাদ
696
9
ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র সর্বশেষ পর্ব ধারণ করা হয়েছে নরসিংদীতে। নাগরিক পার্টির ইমামবাড়া গোলাম সরোয়ার তুষার কিছুক্ষণ আগে এ-ব্যাপারে লিখেছে— ‘যে-জেলায় ইত্যাদি হয়, সেই জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরা ইত্যাদির পুরোনো রেওয়াজ। ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হিশেবে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহিদ আসাদ, ভাই গিরীশচন্দ্র সেনের বসতভিটা, সমাধিস্থল, জাদুঘর, লাইব্রেরি দেখানো হলো। তাদের কীর্তি ও সংক্ষিপ্ত ইতিহাসও বর্ণিত হলো। নরসিংদীর সন্তান হিশেবে অবশ্যই আমরা গর্বিত। বিস্ময়ের সাথে লক্ষ করলাম হানিফ সংকেতের চৈতন্যে জুলাই নেই, জুলাইয়ের নরসিংদী নেই। জুলাইয়ের নরসিংদীর বীরোচিত কারাবিদ্রোহের ইতিহাস নাই। শহিদ তাহমিদ, শহিদ ইমন বা শহিদ রাব্বি নেই। জুলাইয়ের উত্তাল নরসিংদী হানিফ সংকতের চৈতন্যে নাই। উপস্থিত দর্শকদের জন্য সাজানো কুইজের প্রশ্নে নরসিংদীর সন্তান কবি শামসুর রাহমান, আলাউদ্দিন আল আজাদ আছেন; নাই সেরেফ জুলাই।’ ইতিহাস একদিনে বা এক-দেড়-দুই বছরে তৈরি হয় না। ইতিহাস তৈরি হতে দশকের পর দশক সময় লাগে। দশকের পর দশক ধরে তর্ক-বিতর্ক চলার পর একটা ইতিহাস মীমাংসিত হয়। এরপর তা সর্বজনশিরোধার্য হয়, পাঠ্যপুস্তকে উঠে আসে, অরাজনৈতিক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানেও নিশ্চিন্তে ঠাঁই পায়। অবশ্য, দশকের পর দশক ধরে তর্ক-বিতর্ক চলার পরও কোনো-কোনো ইতিহাস অমীমাংসিতই থেকে যায়, কালের বিবর্তনে হারিয়ে যায়। অমুসলমান হওয়া সত্ত্বেও নরসিংদীর গিরীশচন্দ্র সেন কোরানের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হিশেবে স্বীকৃত। এই ভদ্রলোক মারা গেছেন একশো ষোলো বছর আগে। এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে মারা যাওয়ায় এবং এই ফাঁকে তাকে নিয়ে কোনো বিতর্ক না-হওয়ায় ইতিহাসে তিনি স্থায়ী আসন পেয়ে বসে আছেন। বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামি অপছন্দ করলেও শামসুর রাহমান বাংলা কবিতার ইতিহাসে অমরত্ব পেয়ে গেছেন। কোনো ছুঁচো-কেঁচো নিন্দেমন্দ করে শামসুর রাহমানের অমরত্বের কেশাগ্রও নষ্ট করতে পারবে না। মতিউর রহমান নিহত হয়েছেন পঞ্চান্ন বছর আগে। পাকিস্তানের পাইলট অফিসার রশিদ মিনহাজের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিমান ছিনিয়ে বাংলাদেশে আনতে গিয়ে মতিউর রহমান নিহত হয়েছিলেন, মতিউর রহমানকে প্রতিহত করতে গিয়ে নিহত হয়েছিলেন রশিদ মিনহাজও। পাকিস্তান রশিদ মিনহাজকে বীর হিশেবে স্মরণ করে, মতিউর রহমানকে গাদ্দার হিশেবে। বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামিও রশিদকে বীর এবং মতিউর রহমানকে গাদ্দার মনে করে। কিন্তু তাতে মতিউর রহমানের কিছুই যায়-আসেনি। মতিউর রহমান ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছেন ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ হিশেবে। মতিউর রহমানকে নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। তিনি চূড়ান্তভাবে মীমাংসিত। কিন্তু বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামি জুলাইয়ের ব্যাপারে ভীষণ অস্থির। জামায়াতে ইসলামি একাত্তরেরও পরাজিত শক্তি, সাতচল্লিশেরও পরাজিত শক্তি। তাই, জামায়াতের তড়িঘড়ি করে একটা নতুন স্বাধীনতা দরকার, নতুন সংবিধান দরকার, নতুন জাতীয় সংগীত দরকার, দেশের জন্য নতুন নাম দরকার, দরকার জাতির নতুন পিতা। ছাত্রদের রক্তাক্ত লাশ দেখে সারাদেশের মানুষ জুলাই আন্দোলনে অংশ নিলেও আন্দোলনের একক মালিকানা হাতিয়ে নিয়েছে জামায়াত। পেছনে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা বা মার্কিন মেটিকিউলাস ডিজাইন আছে জানলে জুলাইয়ে কাকপক্ষীও রাজপথে নামত না। ফলে, জুলাইকে মীমাংসিত হতে দিতে আরও সময় লাগবে। কিন্তু অমীমাংসিত জুলাইকে মীমাংসিত হতে দিতে বৃহত্তর জামায়াত কোনো সময় দিতে চায় না। টাকায় জামায়াতের জুলাই গ্রাফিতি লাগবে, পাঠ্যপুস্তকে জুলাই লাগবে, সংবিধানে জুলাই লাগবে। বাকি ছিল হানিফ সংকেতের ইত্যাদি। জামায়াতের সেখানেও জুলাই লাগবে, জবরদস্তি করে হলেও লাগবে, মীমাংসিত হওয়ার আগেই লাগবে। এত তাড়াহুড়ো করলে চলবে না। মীমাংসিত হতে জুলাইকে অন্তত দশটা বছর সময় দিতে হবে। দশ বছর পর জুলাই নিজেই নিজের জায়গা খুঁজে নেবে। হানিফ সংকেত যদি তখনও বেঁচে থাকেন এবং তখনও যদি ‘ইত্যাদি’ বানান, তা হলে নিশ্চয়ই তিনি তখন ইত্যাদিতে জুলাই রাখবেন। দর্শকদের জন্য সাজানো প্রশ্নের তালিকায় হানিফ সংকেত নিশ্চয়ই এ-রকম প্রশ্ন রাখবেন— ‘জুলাইযোদ্ধা নীলা ইসরাফিলকে লাগাতে চাওয়া আরেক জুলাইযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার তুষারের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই নরসিংদীতেই। বলতে হবে তার জন্মস্থান নরসিংদীর কোন থানার কোন ইউনিয়নে এবং নীলা ইসরাফিলকে তিনি কবে লাগাতে চেয়েছিলেন, কী বলে লাগাতে চেয়েছিলেন। ওখানে একজন হাত তুলেছেন— লাল শাড়ি, শাদা ব্লাউজ। হ্যাঁ, আপনার উত্তর সঠিক হয়েছে। লাল শাড়ির জন্য করতালি। কী নাম আপনার? কী করেন আপনি? নরসিংদী সরকারি মহিলা কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী জুলাইকা অরোরা, আপনি চলে আসুন মঞ্চে।’ বিজয়ী দর্শকের হাতে কেয়া কসমেটিকসের পক্ষ থেকে কম্পিউটার ও সবসময়কার মহামূল্যবান পুরস্কার বই তুলে দেওয়ার জন্য হানিফ সংকেত কাকে ডাকবেন, জানি না। তবে, বিজয়ীর হাতে পরিবেশবন্ধু গাছ তুলে দেওয়ার জন্য হানিফ সংকেত তখন যে নরসিংদীর বীরোচিত বাড়াবিদ্রোহের মহানায়ক গোলাম সরোয়ার তুষারকেই ডাকবেন, এ-ব্যাপারে কারও দ্বিমত নেই। বিজয়ীর হাতে গাছ তুলে দিয়ে তুষার বলবে— আমি লাগাতে পারিনি, আপনার
703
10
রইদ, বনলতা সেন বা এক্সপ্রেস হাদী ভাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার একেকটা প্রজেক্ট । শিল্পের নাম করে যদিও ।
577
11
Немає тексту...
950
12
২৪ ঘন্টার মধ্যে ঝুলিয়ে দিতে চাওয়া ইতরেরা এখন কি বলবে? বিচারে যেমন ডিলে করলেও সমস্যা, তেমনি তাড়াহুরোও করা যাবেনা। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঝুলিয়ে দিতে চাওয়ার মরিয়া চেষ্টা, আবার শুধু রামিসাকে ধর্ষণ করতে বাড়ি ভাড়া করা! এখন নাম আসলো টাকাওয়ালা "ডলারের"। এগুলো কিন্তু প্রশ্ন তৈরি করে। এটা কি শুধুই ধর্ষণ করে প্রমাণ ডাকতে হত্যা? নাকি পরিকল্পিত হত্যা? এগুলোর তদন্ত হওয়া জরুরি, জনতুষ্টির চার্জশীটের চেয়েও জরুরী সুষ্টি বিচার হওয়া এবং অবশ্যই "গ্রহনযোগ্য দ্রুততার" সাথে। Md Abdus Salam
919
13
বাংলাদেশের পাঁচটা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডুয়েট থেকে গ্র‍্যাজুয়েট বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা একচুয়ালি ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে চাকরি করা নিয়ে সবচেয়ে বেশি কনসার্ন থাকে। অধিকাংশই প্রথম বর্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে জব প্রিপারেশন নিতে থাকে। অবশ্য তাদের উপসহকারী প্রকৌশলী এবং সহকারী প্রকৌশলী উভয় পদে সুযোগ থাকায়, এই দিকে জব করার ঝোঁকটা প্রচন্ড বেশি। অন্যদিকে, বাকি চারটা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন স্বনামধন্য বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল ডিগ্রি প্রদানকারী নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা প্রথম বর্ষ থেকে চিন্তা করে তারা বিদেশে চলে যাবে, অনেক বড় রিসার্চার হবে, সাইন্টিস্ট হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু তৃতীয় বর্ষে এসে অনেকের মোহ ভঙ্গ হয়, আর চতুর্থ বর্ষে এসে বুঝতে পারে যে, এখন দেশে কিছু করতে হলে বিসিএস-ই দিতে হবে। ফলে সবাই বিসিএসের পিছনে ঝুঁকে পড়ে। আবার অনেকেই রিসার্চ অরিয়েন্টেড ফিল্ডেই সময় ব্যয় করে। খুব অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী ভার্সিটি বা ক্যাম্পাসে থাকা অবস্থায় ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের জব প্রিপারেশন নেয়। এটার অবশ্য একটা বড় কারণ হচ্ছে, ৯ম গ্রেড সহকারী প্রকৌশলী পদে ডিপার্টমেন্টাল পোস্টের সংখ্যা বছরে ৩০/৪০ টাও আসে না। তাই এই রিলেটেড জব প্রিপারেশন খুবই রিস্কি হয়ে যায়। এজন্য সবাই বিসিএস কেন্দ্রিক প্রিপারেশন নিতে থাকে। এতক্ষণ যা বললাম, এগুলো আসলে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের চিরচেনা পটভূমি। এখন মূল কথায় আসি, ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারদের অস্তিত্ব সংকট যখন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে, তখনও আমাদের গ্র‍্যাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার চাকরিপ্রার্থীরা জেনারেল লাইনের পড়াশোনা তীব্র থেকে তীব্রতর করছে। ডিপ্লোমারা যে আজ সারা দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর পুরোপুরি দখলে নিয়েছে, দেশের শত শত সরকারি/আধা-সরকারি /স্বায়ত্তশাসিত /আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের পদগুলো দখল করে নিয়েছে এবং বর্তমানেও অনেক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ সার্কুলার আটকে রেখে প্রমোশন নিয়ে পদ দখল করছে, এগুলোর মূল ভুক্তভোগী বর্তমান গ্র‍্যাজুয়েট চাকরিপ্রার্থীরা, আর ভবিষ্যত ভুক্তভোগী (আগামী ১-২ বছরের মধ্যে যারা ভুক্তভোগী হবে) হচ্ছে রানিং ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টস। তাই ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরকে রিফর্ম করতে হলে সমস্তকিছু করতে হবে এই ভিক্টিমদেরকেই। তাদের কষ্ট-যন্ত্রণা অন্য কেউ বুঝবে না। আজ তারা যে ভয়াবহ জুলুমের শিকার হচ্ছে, সেটি অন্য কেউ অনুভব করতে পারবে না। কিন্তু এই জায়গায় একটু অভাব রয়েছে। আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং গ্র‍্যাজুয়েট চাকরিপ্রার্থীরা সমাধানের বদলে বরং জেনারেল সেক্টরে ২/৩ বছর প্রিপারেশন নিয়ে অন্যান্য জব নেওয়াকে বেছে নিয়েছে। এদিক দিয়ে ডুয়েটের গ্র‍্যাজুয়েট চাকরিপ্রার্থীরা এগিয়ে আছে। উদাহরণস্বরূপ - ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে সহকারী প্রকৌশলী সিভিলের নিয়োগ পরীক্ষায় রিট করেছে কর্মরত ডিপ্লোমারা। তারা চাকরির নিয়োগের আগে প্রমোশন চায়। আর্থিক লেনদেনও হয়েছে প্রচুর। কিন্তু এটা নিয়ে ৭৫ জন ভাইভাপ্রার্থীর মধ্যে অল্প কয়েকজন দৌড়ঝাঁপ করছে, তন্মধ্যে ডুয়েটের অনেকেই। আজকে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরকে ডিপ্লোমারা যে ইজরাইলের মতো দখল করে রেখেছে, ক্যান্সারের মতো পুরো সেক্টরে ছড়িয়ে গিয়েছে, সেটি থেকে বাঁচার জন্য, সেটাকে প্রতিরোধের জন্য সকলের সম্মিলিত সময়, শ্রম, মেধা ও অর্থ প্রয়োজন। আর সবার আগে এগুলো প্রয়োজন ভুক্তভোগীদের। অন্যথায় এই ইজরাইল গোষ্ঠীকে কেউ হটাতে পারবে না! - লিপু
785
14
Немає тексту...
616
15
“বাংলাদেশ দখল করার আগেই ভারতের ৬ টি বড় শহর মাটির নীচে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে” --প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সাল সালের ২০ ডিসেম্বর ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে প্রেসিডেন্টে জিয়ার সফরের দ্বিতীয় দিন। ৭০ বছর বয়স্ক ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসেন রাষ্ট্রপতি ভবনে। আগের দিন এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে দুদিনে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে এত সন্মান দেওয়া রাম বাবুর একেবারেই সহ্য হয়নি।৮১ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাই, ৬৬ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট নীলম সন্জীভ রেড্ডি এবং ৫৪ বছর বয়সী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সহ ভারতের সকল সিনিয়র নেতারা বাংলাদেশের ৪১ বছর বয়সী এই ছোকরা প্রেসিডেন্টকে এত সন্মান ও প্রটোকল দেওয়ায় বাহ‍্যত কিছু না বলতে পারলেও মনে মনে খুবই ক্ষুব্ধ। তাছাড়া ১৯৭৭ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে যে পানিবণ্টন চুক্তি হয় সেটা রীতিমতো নজিরবিহীন এবং বাংলাদেশ কুটনৈতিক ভাবে জয়লাভ করে। তাই প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশিদিন কেবিনেট মন্ত্রী থাকা এই দলিত নেতা সকল প্রটোকল ভেঙে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে প্রশ্ন করে বসেন, “Did you ever compare the population and military power of Bangladesh and India? প্রেসিডেন্ট জিয়া উত্তর দিলেন, “Yes I do!” জগজীবন রাম অত্যন্ত তাচ্ছিল্যের সাথে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “Then have you calculated how much time is needed by India to grab your whole country?” (তাহলে বাংলাদেশ দখল করতে ভারতের কত সময় লাগবে সেটা কি হিসাব করে দেখেছেন?”) প্রেসিডেন্ট জিয়া এই বুড়ো শিয়ালকে সানগ্লাসের ফাঁক দিয়ে একটু তীর্যক দৃষ্টিতে দেখে মাথা সোজা করে উত্তর দিলেন, “But you must be careful because before seizure our boys will destroy 6 main cities of India into ruins and also don’t forget we defeated India in 1965!” (তোমরা বাংলাদেশ দখল করার আগেই আমাদের ছেলেরা তোমাদের ৬টি বড় শহর মাটির নীচে গুঁড়িতে দেবে আর ভুলে যেওনা ৬৫ সালে ভারতকে আমরা পরাজিত করেছি”)। জগজীবন রাম আর কোন কথা না বলে সোফা থেকে উঠে হন হন করে চলে যাবার সময় আমাদের বাহাদুর এই প্রেসিডেন্ট আবার জগজীবন রামকে বলতে থাকেন, Won’t you ask which six cities we’d destroy” (কোন ৬টা শহরের আমরা কেয়ামত করে দেব জানতে চাইলেন না যে”?) । জগজীবন রামের সাথে আশা ভারতের সেসময়ের পররাষ্ট্র সচিব জগৎ সিং মেহতা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার কেপিএস মেনন ছিলেন ভারতের ঘাঘু দুই কুটনৈতিক। রামের এই আচরনে তারাও দিশেহারা হয়ে তার পিছু নেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাইকে ঘটনাটি জানিয়ে দেন। প্রেসিডেন্ট জিয়ার পাশে বসা ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অধ্যাপক শামসুল হক,পানি বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টা বিএম আব্বাস এটি,পররাষ্ট্র সচিব তবারক হোসেন এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার শামসুর রহমান খান।তাঁরা ঘটনা দেখে রীতিমতো স্তম্ভিত ও শঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু আমাদের ইতিহাসের সেরা এই সরকার প্রধান ছিলেন কনফিডেন্ট এবং দৃঢ়। প্রেসিডেন্ট জিয়া ইশারায় তাদের বসতে বলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো ঘটনায় কুটনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেশাই ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাজপেয়ী উপস্থিত হন কিছুক্ষণের মধ্যে এবং প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে দেখা করে তাঁর মনোভাব জানতে চান।আমাদের প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবে বলেন, তেমন কিছুই ঘটেনি। তিনি বলেন, মিষ্টার রাম আমার সাথে ফান করেছেন বলে মনে হলো- আমি তার সাথে ফান করে কিছু কথা বলেছি-এইযা!” সুতরাং প্রেসিডেন্ট জিয়ার মন্ত্র উচ্চারণ যেমন করব,বাস্তবায়নে ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ প্রতিটি বাংলাদেশী নতুন প্রজন্মের বারুদ সন্তানেরা। এই হলো আমাদের দেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আজ উনারা ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাহাকে হত্যা করে, 😓🇧🇩 প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যাকে নিয়ে গর্ব করতে পারে প্রতিটি বাংলাদেশী। এই রকম মানুষের রাজনীতি আমরা করেছি যিনি ছিলেন সত্যিকারের একজন যোদ্ধা, যোগ্য, সৎ, অকুতোভয়, ডাইনামিক এবং অসীম সাহসী দেশপ্রেমিক। May Allah bless you and keep you in the highest place of Jannah -Collected
628
16
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা তার উপজাত। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা তার উপজাত। কোন উপজাতই পুরোপুরি জাতের না।
525
17
Немає тексту...
646
18
শিক্ষামন্ত্রীর কথাটা আমি অনেক আগে থেকেই বলে আসতেছি। আমি বরং এটাও বলি, একাডেমি ক্লাস না করায়া ক্লাসে বিসিএসের পড়া পড়াইলে বুয়েটের চেয়ে আমরা ভালো করব ইনশাআল্লাহ। বিসিএসে ঢাবি বুয়েটের কাছে পিছিয়ে যাচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের স্ট্র্যাটেজিক মুভ নিতে হবে। স্কুলগুলা যেমন বৃত্তির জন্য সিলেক্ট করে, ওই রকম করা উচিত। ফার্স্ট ইয়ারেই বলে দেওয়া হবে, তোমাদের ফলাফলের ভিত্তিতে সেকেন্ড ইয়ারে ক্যাডার ভাগ হবে। ফলে ফার্স্ট ইয়ারে টিএসসি, চানখাঁরপুল কম ঘোরো। সেকেন্ড ইয়ার থেকে ঠিক হবে কারা কোন ক্যাডার। ওই অনুযায়ী বিসিএসের সিলেবাস ধরে পড়ানো শুরু। ফাইনাল ইয়ারে হবে একের পর এক মক টেস্ট উইথ ভাইভা। বাকিদের অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ও গ্রেডের সরকারী চাকরির জন্য রেডি করতে হবে। প্রাইমারি শিক্ষকও ছাড়া হবে না। যারা এসবের মধ্যে থাকবে না তারা সোজা পলিটিকস। দেখায় দিব আমরা 👊✊💪 - রাজিব হাসান
732
19
আপনি গরুর নাম রাখবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই গরু নিয়ে রয়টার্সে রিপোর্ট হবে। সেই গরু দিবেন আবার কোরবান। সব মোজো সাংবাদিক, মোবাইল সাংবাদিক কোরবানীর দিন জবাইর ভিডিও করবে। সেই ভিডিও হবে ভাইরাল। সেই জবাইর ছবি আবার পত্রিকায় যাবে। ইসলামফোবরা ক্লিপ ব্যবহার করে আবার ক্যাপশন দিবে "ইসলামপন্থীরা ট্রাম্পের নামে গরু জবাই দিয়ে উল্লাস করে"। এই পুরো ঘটনার বলি ঐসব বলদরা হবেনা। বলি হবেন মেধাবী শিক্ষার্থীরা। স্কলারশীপ পাওয়া শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত অ্যাম্বাসিতে গেলে লাত্থি মেরে বের করে দেয়। ভিসা দেয়না। আপনাদের দুবাই পর্যন্ত ভিসা দেয়না। আপনাদের টুরিস্ট ভিসা দেয়না। কেনো দেয়না সেটা তো জানতে চান না। এসব বলদামী, গান্ডুগিরি, চুতিয়াগিরির কারনে দেশের ভালো ভালো মানুষ ভিসা পায় না। লিগ্যাল ডকুমেন্টেস থাকার পরও ভিসা দেয়না। কিন্তু আপনি যদি এসব বলদের এক হাতে আফগানিস্তানের ভিসা, অন্য হাতে আমেরিকার ভিসা দেন। দেখবেন সবার আগে আমেরিকার ভিসা পকেটে ডুকাবে। বলদরা ভিক্ষা করতে পছন্দ করে। ইচ্ছা করে নিজে নিজের কপালে লাথি মেরে আবার নিজেই চায় দেশ কেনো চেঞ্জ হয় না। দুই চারটা অ্যাম্বাসিতে গেলেই বুঝবেন আপনাদের কিভাবে ট্রিট করে। কাছ থেকে এসব দেখছি। - রিয়াদ
796
20
১৯৭১ সালে ইসলামি ছাত্র সংঘ (বর্তমান বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবির) শিক্ষিত ছেলেদের নিয়ে আল বদর আল শামস নামে বাহিনী গঠন করেছিল। ছবিতে তৎকালীন প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়, রাজশাহী (বর্তমান রুয়েট) এর একজন শিক্ষিত আল বদর। তাকে ধরার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয়েছে। লেখা ও ছবি সূত্র: Dulok Ahmed
839