Engineer's Diary
الذهاب إلى القناة على Telegram
📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Engineer's Diary
تُعد قناة Engineer's Diary (@engineersdiary) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 10 316 مشتركاً، محتلاً المرتبة 18 859 في فئة التعليم والمرتبة 2 263 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 10 316 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 16 سبتمبر, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -149، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -3، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 8.89%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 2.25% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 917 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 232 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 17.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“EngineersDiaryBD.com”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 17 سبتمبر, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة التعليم.
10 316
المشتركون
-324 ساعات
-347 أيام
-14930 أيام
جاري تحميل البيانات...
القنوات المماثلة
سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
سبتمبر '26
سبتمبر '26
+4
في 0 قنوات
أغسطس '26
+10
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '26
+45
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '26
+5
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '26
+1
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+8
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '26
+3
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+83
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '26
+27
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+14
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+3
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+23
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+26
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+23
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+6
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+8
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '25
+33
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+31
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '25
+859
في 1 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+271
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '25
+276
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+132
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+43
في 1 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+72
في 1 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+218
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+4 057
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+3 370
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '24
+1 380
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '24
+1 215
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '24
+721
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '24
+1 720
في 0 قنوات
| التاريخ | نمو المشتركين | الإشارات | القنوات | |
| 17 سبتمبر | +1 | |||
| 16 سبتمبر | +2 | |||
| 15 سبتمبر | 0 | |||
| 14 سبتمبر | +1 | |||
| 13 سبتمبر | 0 | |||
| 12 سبتمبر | 0 | |||
| 11 سبتمبر | 0 | |||
| 10 سبتمبر | 0 | |||
| 09 سبتمبر | 0 | |||
| 08 سبتمبر | 0 | |||
| 07 سبتمبر | 0 | |||
| 06 سبتمبر | 0 | |||
| 05 سبتمبر | 0 | |||
| 04 سبتمبر | 0 | |||
| 03 سبتمبر | 0 | |||
| 02 سبتمبر | 0 | |||
| 01 سبتمبر | 0 |
منشورات القناة
ডাকসুতে মুহম্মদ আলী জিন্নাহ্ বা শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকা না-থাকা নিয়ে যখন তুমুল তুলকালাম চলছে, তখন তড়িঘড়ি করে আজ ডাকসু সংগ্রহশালায় চলে এসেছি ঘটনা প্রত্যক্ষ করার জন্য। এই মুহূর্তে বসে আছি মধুর ক্যান্টিনে। মধুর ক্যান্টিনে বিদ্যুৎ আছে, ডাকসু সংগ্রহশালায় বিদ্যুৎ নেই। যা হোক, এখানকার সর্বশেষ আপডেট হলো—
১. ডাকসু সংগ্রহশালায় একজন সার্বক্ষণিক কেয়ারটেকার থাকে। সে-ই সংগ্রহশালা দেখভাল করে, নিরাপত্তার ব্যাপারটাও দেখে। কিন্তু এখানে এখন কোনো কেয়ারটেকার নেই। সংগ্রহশালায় যে-কেউ ঢুকে যেতে পারছে। চাইলে যে-কেউ এখানকার যেকোনো কিছু ছিঁড়েও ফেলতে পারে, চুরিও করতে পারে। সবকিছু অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে।
২. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ্র যে-ছবিটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু তৈয়ব হাবিলদার নামক এক সাবেক ছাত্র ছিঁড়ে ফেলেছেন, সেটা নতুন করে আর সাঁটানো হয়নি। ডাকসু সংগ্রহশালায় আপাতত জিন্নাহ্ নেই (টুকুও নেই)।
৩. ডাকসু সংগ্রহশালায় ঢোকার পথে মুহম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও গোলাম আজমের যে-দুটো ছবি পদদলিত করার জন্য ছাত্রদল সাঁটিয়ে দিয়েছিল, শিবির সে-দুটো সরিয়ে ফেলেছে।
৪. ১৯৮১ সালের জানুয়ারি মাসে গোলাম আজম বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুতাপেটার শিকার হয়েছিলেন, ১৯৯১ সালের মে মাসে মতিউর রহমান নিজামি প্রহারের শিকার হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রদল এই দুই ঘটনার ছবি ডাকসু সংগ্রহশালায় সাঁটিয়ে দিয়েছিল। ছাত্রশিবির সেই দুই ছবি এখনও সরায়নি। বহাল আছে।
৫. বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েম যে সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিয়নে বক্তৃতা করতে গিয়েছিল, শিবির সেই ছবিও ডাকসু সংগ্রহশালায় সাঁটিয়ে রেখেছে। সাঁটিয়ে রেখেছে বর্তমান কমিটির কার্যক্রমের আরও দুটো ছবি।
৬. ডাকসুর ২০১৯ সালের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক হয়েছিল ছাত্রলিগের গোলাম রাব্বানি। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রাব্বানিকে অবৈধ সাধারণ সম্পাদক আখ্যা দিয়ে রাশেদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিশেবে ঘোষণা করেছে। ডাকসুর নতুন অনার্স বোর্ডে ২০১৯-২০ মেয়াদের সাধারণ সম্পাদক পদে সাদিক-ফরহাদ কমিটি কারও নাম লেখেনি। দু’এক দিন আগে সম্ভবত ছাত্রদল এসে সাধারণ সম্পাদকের কলামে রাশেদ খানের নাম লিখে দিয়ে গেছে।
৭. ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকের একাংশ শিরোনামে’ ডাকসু সংগ্রহশালায় কিছু ছবি দেখতে পেলাম।
ক) এই ফ্রেমে ‘আবুল কাসেম ফজলুল হক’ নামক একজনকে দেখতে পাচ্ছি। আবুল কাসেম ফজলুল হক নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের যে প্রয়াত অধ্যাপককে আমরা চিনি, যিনি বাংলা অ্যাকাডেমির সভাপতিও ছিলেন; সেই আবুল কাসেম ফজলুল হক আর ছবির ‘আবুল কাসেম ফজলুল হক’ এক ব্যক্তি না। তা হলে ছবির ‘আবুল কাসেম ফজলুল হক’ কে? ওঁর পরিচয় কী? এই আবুল কাসেম ফজলুল হক কি কোনোভাবে সংগীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের আত্মীয়? এই আবুলের চেহারা অনেকটা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মতো।
খ) ‘জসীমউদ্দীন’ নামক যে-ব্যক্তির ছবি এখানে দেখা যাচ্ছে, তিনি কোন জসীমউদ্দীন? পল্লিকবি বলতে যাকে আমরা চিনি, তার নামের বানান পাঠ্যপুস্তকে ‘জসীমউদ্দীন’, কোনো-কোনো ঐতিহাসিক কাগজপত্রে ‘জসীম উদ্দীন’। বানান যা-ই হোক, জসীমউদ্দীন বা জসীমউদ্দীন নামে পল্লিকবি বাদে আর কোনো কবি-সাহিত্যিককে আমরা চিনি না এবং ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি পল্লিকবি জসীমউদ্দীন নন। তা হলে ডাকসু সংগ্রহশালার দেয়ালে ঝুলে থাকা এই ‘জসীমউদ্দীন’ কোথাকার জসীমউদ্দীন?
গ) আসাদ চৌধুরী বলতে আমরা চিনি ‘বারবারা বিডলারকে’ বা ‘কোথায় পালাল সত্য’ কবিতার রচয়িতা আসাদ চৌধুরীকে; যার দাড়িও ছিল, পান চিবোতেন সারাদিন। কিন্তু এই ছবির ‘আসাদ চৌধুরী’ কে? এই ফ্রেমের ‘জসীমউদদীন’ এবং ‘আসাদ চৌধুরী’র চেহারা একই না? ‘জসীমউদ্দীন’ নামে যার ছবি এখানে দেখানো হয়েছে, তার ছবিই এডিট করে চশমা ও সুট বসিয়ে এই ‘আসাদ চৌধুরী’র ছবি তৈরি করা হয়েছে না?
ঘ) এই ফ্রেমে ‘মুনীর চৌধুরী’ নামক যে-ব্যক্তির ছবি রাখা হয়েছে, তিনি কোন মুনীর চৌধুরী? ‘কবর’ বা ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের রচয়িতা বাবদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ অধ্যাপক যে মুনীর চৌধুরীকে আমরা চিনি, এই ছবি তার না। তা হলে ছবির এই ‘মুনীর চৌধুরী’ কে? এই ‘মুনীর চৌধুরী’র ডানচোখের কোণায় চশমার ফ্রেম দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ মূল ছবিতে এই ব্যক্তির চোখে চশমা ছিল? এডিট করে চশমা বাদ দেওয়া হলো কেন? বাদই যখন দেওয়া হলো, তখন এডিটটা এত কাঁচাহাতে করা হলো কেন? কেন চশমার ফ্রেমের একাংশ রয়ে গেল? এই ‘আবুল কাসেম ফজলুল হক’ আর এই ‘মুনীর চৌধুরী’র চেহারায় এত মিল কেন? একই ব্যক্তির ছবি এডিট করে কি তা হলে দুটো ছবি বানানো হয়েছে?
ঙ) এই ফ্রেমের আবুল ফজল কোন আবুল ফজল? এঁর পরিচয় কী? সাহিত্যিক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, আবুল মোমেনের বাবা আবুল ফজলের চেহারা তো এমন না!
৮. ডাকসু কার্যালয়ে এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ আছে। কিন্তু সংগ্রহশালা বন্ধ।
- আখতারুজ্জামান আজাদ
| 2 | لا يوجد نص... | 184 |
| 3 | BUET থেকে Electrical Engineering পড়া একটা ছেলে যদি চার বছর পর ব্যাংকের চাকরির জন্য প্রস্তুতি নেয়, আমরা এটাকে Brain Drain বলি না।
ঢাবি থেকে একজন Computer Science গ্রাজুয়েট যদি তিন বছর BCS-এর জন্য বাংলা ব্যাকরণ আর সাধারণ জ্ঞান মুখস্থ করে, এটাকেও Brain Drain বলি না।
একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যদি Research বাদ দিয়ে ফাইল, কমিটি, অনুমোদন আর দাপ্তরিক কাজে বেশি সময় দেন, এটাও Brain Drain না।
Brain Drain বলতে আমরা বুঝি, ছেলেটা Heathrow বিমানবন্দরে নামছে।
আমার মনে হয় সংজ্ঞাটাই ভুল।
ধরেন, বাংলাদেশ ৫০ লাখ টাকা খরচ করে একটা MRI machine কিনল।
তারপর সেই মেশিন দিয়ে হাসপাতালের attendance sheet প্রিন্ট করা শুরু করল।
মেশিন তো দেশেই আছে।
কিন্তু ৫০ লাখ টাকার মেশিন দিয়ে ৫ হাজার টাকার প্রিন্টারের কাজ করানো আর মেশিনটার ভ্যালু হারানো, অর্থনীতির হিসাবে খুব বেশি আলাদা না।
মানুষের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে।
একজন Engineer তৈরি করতে একটা দেশের প্রায় ২০-২২ বছর লাগে। পরিবার টাকা দেয়। সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তুকি দেয়। ভালো ভালো শিক্ষকরা সময় দেন। মানুষটা জীবনের সবচেয়ে শেখার বয়সটা খরচ করে একটা কঠিন স্কিল তৈরি করে।
তারপর তাকে এমন জায়গায় বসানো হলো, যেখানে সেই স্কিলের ১০ শতাংশও কাজে লাগে না।
মানুষটা বাংলাদেশেই আছে। মেধাটা আর কাজে নেই।
চার বছর Engineering পড়া মানুষটা আবার শিখছে অরণ্যে রোদন, অকাল কুষ্মাণ্ড, গড্ডলিকা প্রবাহ আর উভয় সংকট কাকে বলে।
Physics ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট পাওয়া মানুষটা মুখস্থ করছে ঝালকাঠি কোন বিভাগের, চুয়াডাঙ্গার আগের নাম কী, আর পঞ্চগড়ের কয়টা উপজেলা।
তারপর একদিন সে সরকারি পরীক্ষায় পাশ করে।
আমরা বলি, ছেলেটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
কিন্তু কেউ হিসাব করি না, যে মস্তিষ্কটাকে তৈরি করতে পরিবার এবং রাষ্ট্র ২০ বছর বিনিয়োগ করল, সেই মস্তিষ্কের আসলে কত শতাংশ এখন ব্যবহার হচ্ছে বা হবে।
Brain Drain-এর সবচেয়ে ভয়ংকর ভার্সন শুধু এটা না যে একজন Engineer জার্মানিতে চলে গেছে।
সে যদি সেখানে engineering করে, নতুন সিস্টেম বানায়, রিসার্চ করে, পেটেন্ট করে, তার brain অন্তত কাজ করছে। দেশ তার আউটপুট হারিয়েছে।
কিন্তু আমার কাছে মনে হয় এর চেয়েও অদ্ভুত হলো, এই Engineer বাংলাদেশেই আছে। Brain-ও বাংলাদেশেই আছে। শুধু Engineering-টাই নাই।
আমরা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে Brain Drain গুনি।
অথচ সবচেয়ে বড় leak হয় তার অনেক আগেই।
যেদিন একটা মেধাবী ছেলে বুঝে যায়, তার মেধার চেয়ে এই দেশে একটা নিরাপদ চাকরির দাম বেশি, সেদিনই Brain Drain হয়ে গেছে। তার পাসপোর্টে তখনও একটাও ভিসা লাগেনি, লাগেনি।
-Amirul Islam
Software engineer | 801 |
| 4 | হঠাৎ করে চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে মস্কোতে পাঠানো হয়েছিল আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ (CIA)-এর প্রধানকে।
সিআইএ-এর প্রধান জন র্যাটক্লিফ রাশিয়ার সরকারকে বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো রকম সামরিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখতে পারবে না রাশিয়া। আর এর উত্তরে রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক তো রাখবেই, বরং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করে ইরানে আরো একটি নতুন পরমাণু চুল্লি তৈরি করবে রাশিয়া।
রাশিয়া, আরো জানিয়েছে, ভ্লাদিমির পুতিন খুব শিগগিরই এসসিও (SCO) সামিটে আলাদা করে ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করবেন। লক্ষ্য একটাই, ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরো মজবুত করা, আরো শক্তিশালী করা।
এতদিন তো সবাই এটাই জানতেন যে মোসাদ এবং সিআইএ, ওরে বাপরে বাপ! তারা এত বড় সংস্থা, তারা পৃথিবীতে কী হবে আগে থেকে সব জ্যোতিষীর মতো জেনে ফেলেন, আর সব্বার সবকিছুকে ভণ্ডুল করে দিয়ে গোটা পৃথিবীকে তারা নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সিআইএ-এর প্রধান জন র্যাটক্লিফকে সোজা অপমান করে রাশিয়া থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি মস্কোতে আমেরিকার যে দূতাবাস, সেই দূতাবাস থেকে সাময়িকভাবে হলেও মার্কিন পতাকাকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিবাদস্বরূপ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ইরানের জন্যে 'ডি-ডে' (D-Day) ঘোষণা করেছে, অর্থাৎ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইরানকে সমস্ত দিক থেকে যাতে কোণঠাসা করা যায়। চীনের কাছে যখন ভিড়তে পারছে না, অন্তত রাশিয়াকে চাপ প্রয়োগ করে চেয়েছিল ইরানকে দুর্বল করা। সেই কাজ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
রাশিয়া জানিয়েছে, লাটভিয়া, যেটি ইউরোপের দেশ এবং ন্যাটোভুক্ত দেশ, সেই লাটভিয়াতে কিন্তু আক্রমণ চালানো হবে। আর কোন দুটি দেশ যে দেশে আক্রমণ চালাবে রাশিয়া, সেই দেশের নাম অবশ্য রাশিয়া এখনো জানায়নি।
ইরানের প্রতিবেশী ১৬টি দেশের রাষ্ট্রনায়ককে ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগত, একেবারে নিজে ফোন করেছেন একটার পর একটা। এখন তার মধ্যে ৮টি দেশ সোজা সপাটে জানিয়েছে, তারা ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছেদ করতে পারবে না। কারণ তাদের সঙ্গে ইরানের গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে সমস্ত রকম অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা একেবারেই অসম্ভব।
বাকি ৮টি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রনায়ক, তারা আমতা আমতা করে বলেছেন, 'দেখছি জো হুজুর, আপনি যেহেতু বলছেন আমরা বিবেচনা করে দেখছি ব্যাপারটা আদৌ সম্ভব কি না।'
আমেরিকার এই স্যাংশন ইরানের কাছে একই সিনেমা বারবার দেখার মতো। অর্থাৎ এই স্যাংশনকে ইরান মোটেই ভয় পায় না। সেই ১৯৭৯ সালে শুরু হয়েছিল স্যাংশন দেওয়া।
ইরান গত ৪৭ বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে সেই স্যাংশনকে মোকাবেলা করে আসছে, আগামী দিনেও মোকাবেলা করবে।
এখন মজার কথা হলো এই, বর্তমানে চীন এবং রাশিয়ার মতো পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো এখন ইরানের সঙ্গে আগের তুলনায় অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। তাই বর্তমানে আমেরিকার সঙ্গে লড়াই করা ইরানের জন্য সহজতর। সে সামরিক লড়াই হোক কিংবা অর্থনৈতিক লড়াই হোক।
অর্থাৎ আরো একবার ব্যর্থ হলো মার্কিন প্রচেষ্টা। ©রাজিক হাসান | 1 070 |
| 5 | আমরা এখন একটা নাপা ট্যাবলেট মাত্র ১ টাকায় কিনে খাচ্ছি না?
আর কিছুদিন পর এই নাপা ট্যাবলেট প্রতি পিস ৩০ টাকারও বেশি দরে কিনে খেতে হতে পারে আমাদের।
অন্যান্য দামী ওষুধের কথা নাই বা বললাম। যেমন আমার মায়ের একটা প্রেশারের ওষুধ প্রতি পিস ১২ টাকায় কিনে খেতে হয়। সামনে ওটা ৫০ টাকায়ও পাব কি না সন্দেহ আছে।
দাম বাড়বে কেন? সরকার বাড়াবে?
নাহ, সরকার বাড়াবে না। এমনিতেই বেড়ে যাবে।
এ আবার কেমন কথা, এমনিতেই বাড়ে নাকি?
হ্যাঁ বাড়ে। একটু বুঝিয়ে বলি, শুনুন-
নাপার জেনেরিক নাম হলো 'প্যারাসিটামল'। প্যারাসিটামল দুনিয়ার বুকে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান কেমিস্ট হারম্যান নরথ্রপ, ১৮৭৭ সালে।
তাঁর আবিষ্কৃত এই ক্যামিকেল সর্বপ্রথম কমার্শিয়ালি বাজারজাত করতে শুরু করে McNeil ল্যাবরেটরিজ কোম্পানি ১৯৫৫ সালে। মানে এই কোম্পানি ১৯৫৫ সালে প্যারাসিটামল তথা নাপার প্যাটেন্ট কিনে নেয়।
এর অর্থ হলো- বাজারে প্রাপ্ত যে নাপা আমরা খাই, তা সর্বপ্রথম ট্যাবলেট আকারে বাজারে ছাড়ে এই কোম্পানি।
যেকোনো একটা ওষুধ আবিষ্কারের পেছনে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়, সময় ব্যয় হয় বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ।
এই নাপার ক্ষেত্রেই দেখেন, কেমিকেল ফর্মুলা আবিষ্কার হবার পর থেকে বাজারে আসতে এর সময় লেগেছে ৭৮ বছর। সে কেমিকেল স্ট্রাকচারটাও তৈরি হতে যে কত যুগ সময় লেগেছে, তা আমাদের অজানা।
এখন এই কোম্পানি, মানে McNeil কোম্পানি এরপর থেকে আজীবনের তরে প্যারাসিটামল থেকে লাভ ভোগ করতে থাকবে। এজন্যই ওরা একেকটা ওষুধের পেছনে এত অর্থ ব্যয় করে, এত সময় ব্যয় করে।
উন্নত দেশগুলোয় গেলে দেখবেন, কোনো প্যারাসিটামল ট্যাবলেট আপনি এত কম দামে পান না। ওসব দেশে প্যারাসিটামল তথা নাপাও বেশি দামে কিনে খেতে হয়।
যেমন আমাদের দেশের নাপা= আমেরিকার Tylenol।
আমাদের দেশের নাপা এক পিসের দাম মাত্র এক টাকা৷ আমেরিকার Tylenol এক পিসের দাম প্রায় ৩০ টাকা।
তাও এই দামটাই ওখানে সর্বনিম্ন। কোম্পানিভেদে আরও বেশি দামেরও আছে।
আচ্ছা যাইহোক, এইযে আমরা যে নাপা খাই, সেটা বেক্সিমকো কোম্পানির।
বেক্সিমকো কোম্পোনি কি প্যারাসিটামল আবিষ্কার করেছে?
করেনি।
প্যারিসিটামল আবিষ্কারের পেছনে কোনো অবদান রেখেছে?
রাখেনি?
প্যারাসিটামল আবিষ্কারে কোনো অর্থ ব্যয় করেছে?
করেনি?
তাহলে তারা কীভাবে এত কম দামে প্যারাসিটামল দিচ্ছে?
দিচ্ছে, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে ওষুধপত্র বিষয়ে দেখাশোনা করার জন্য একটা সংস্থা আছে। এর নাম USFDA।
এদের একটা নিয়ম আছে- তা হলো 'গরীব দেশগুলোর জন্য ড্রাগ প্যাটেন্টে বিশেষ ছাড়'।
মানে আমাদের মতো হতদরিদ্র দেশগুলোর জন্য বিশেষ ছাড়টা হলো- আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো চাইলেই যেকোনো ওষুধ হুবহু কপি করতে পারে। ওদের অত আবিষ্কার, ট্রায়াল, ওসবের ভেতর দিয়ে যেতে হয় না অতটা কঠোরভাবে।
তারা চাইলেই যেকোনো ওষুধের ফর্মুলা জেনে সেটা কপি করে নিজেদের মতো দাম সেট করে বাজারজাত করতে পারে।
ধরেন আপনি কিছু একটা আবিষ্কার করলেন। সেটা সারা পৃথিবীর জন্য প্রয়োজনীয়। সারা পৃথিবীতে সেটা দেদারসে বিক্রি হবে। আপনি চাইবেন না, এমন একটা নিয়ম থাকুক, যে পৃথিবীর যেখানেই বিক্রি হোক, তার লভ্যাংশের কিছু অংশ আপনার পকেটে ঢুকুক?
ওষুধের ক্ষেত্রে এই বিষয়টা দেখে ইউএসএফডিএ।
যাইহোক, কাজের কথায় আসি-
এতদিন দরিদ্র দেশ হিসেবে আমরা ছাড় পেতাম। যেকোনো ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে মাদার কোম্পানিকে কোনো লভ্যাংশ শেয়ার করতে হত না।
বিগত সরকার কি একটা LDC না কি যেন করেছিল, সেটার আওতায় আমাদের ২০২৬ সালের মধ্যে দরিদ্র দেশের কাতার থেকে বের হয়ে যাবার কথা।
মানে সক্ষমতা থাকুক, না থাকুক, আমরা আর দরিদ্র দেশের কাতারে থাকব না ২০২৬ সালের পর।
এরফলে যেটা হবে- তা হলো, ওষুধের ক্ষেত্রেও আমরা আর কোনো ছাড় পাব না। আমাদের এরপর থেকে মাদার কোম্পানিকে আমাদের লভ্যাংশ শেয়ার করতে হবে।
ফলে আমাদের ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাবে। আমাদের দেশের কোনো কোম্পানি তো আর নিজের বাবার জমি বিক্রি করে মাদার কোম্পানিকে লভ্যাংশ দেবে না, তাই না?
তারা যা করবে, এই টাকা আপনার, আমার পকেট থেকেই বের করবে।
শুনলাম, কারা যেন চেষ্টা তদবির করে এই সময়টা, মানে ২০২৬ সালকে টেনেটুনে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত নিয়ে গেছে।
মানে খুব সম্ভবত আমরা বিশেষ করে ওষুধের ক্ষেত্রে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ছাড় পেতে পারি (এখনো শিওর না)। এরপর হয়তো এক নাপা ট্যাবলেট আমাদের প্রতি পিস ৩০ টাকা বা তারও বেশি দরে কিনে খেতে হবে।
আর হ্যাঁ, আমরা আসলে আজও ফকির মিসকিনই আছি। কিন্তু সরকারিভাবে আমরা উন্নয়নশীল না কি যেন একটা দেশে উন্নিত হতে যাচ্ছি শীঘ্রই। এর ফলে আমাদের স্টুডেন্টদের বাইরের দেশে স্কলারশিপও কমে গেছে কিন্তু।
উন্নত দেশগুলো দয়াবশত গরীব দেশের স্টুডেন্টদের বিভিন্ন স্কলারশিপ দিত। ওসব সামনে বন্ধ হয়ে যাবে। অলরেডি কমে গেছে অনেকটা।
- হুমায়ুন কবির | 1 038 |
| 6 | ফুলবাড়ি উন্মুক্ত কয়লা খনিতে ৩০ বছরে লোকসান হবে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন ডলার, সর্বোচ্চ ৪৬ বিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পকে লাভজনক করা সম্ভব শুধু মাত্র মানুষকে ক্ষতিপূরণ না দিয়ে এবং পরিবেশ দূষনকে উপেক্ষা করে। থিওরেটিকালি এই কয়লা দিয়ে সর্বোচ্চ ৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানো সম্ভব। যার কয়লা উত্তোলন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মোট ব্যয় ২৫ বিলিয়ন ডলার। অথচ ২৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুত পরিবেশ দূষন না করেই স্থাপন করা সম্ভব। অনেকেই মেয়াদ শেষের সোলার প্যানেলের বর্জ্য নিয়ে প্রশ্ন করেন। তাদের জন্য - একটি সোলার প্যানেলের মেয়াদ শেষে এর ৯৫ শতাংশ রিসাইকেল করে পুনরায় সোলার প্যানেল বানানো সম্ভব। | 877 |
| 7 | বিজ্ঞান আজকে যা দাবী করে ১০০ বছর পর দেখা যায় সেটা মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে
তাই, আজকে এক আলেমের ডিএনএ রেজাল্ট একরকম দিল ১০০ বছর পর এটার রেজাল্ট যে ভিন্ন হবে না তার গ্যারান্টি কি?
তাই, ষড়যন্ত্র করে আলেমদের নামে বদনাম করার এই ডিএনএ টেস্ট নামের নীল নকশা কেউ বিশ্বাস করবেন না।
অচিরেই রাষ্ট্রীয় ভাবে ডিএনএ পরীক্ষা নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ করতে হবে
আলেমদের সম্মিলিতভাবে এটাকে হারাম ঘোষণা করতে হবে
এমনটা না হলে, মুসলিম ঘরের সন্তানরা দিনে দিনে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে
তাদের রক্ষা করতে ডিএনএ, ফিএনএ টাইপের মিথ্যা পরীক্ষা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা জোর দাবি জানাচ্ছি।
- কালেক্টেড। | 840 |
| 8 | সরকারের কাছে থ্রি-হুইলার নিয়ে চলা অরাজকতাকে কিভাবে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আনা যাবে সেটার কোন ট্রানজিশনাল প্ল্যান নাই। প্ল্যান যারাই করে, যা-ই করে, সেগুলা কী কী ধাপে বাস্তবায়ন করা দরকার, সেটা নিয়ে কোন আলাপ দেখি না।
আপনি সৌর বিদ্যুতের আলাপ করবেন, কিন্তু ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেডি করতে কতদিন লাগবে, এবং সেই ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেডি হওয়া পর্যন্ত সময়টা কিভাবে হ্যান্ডেল করবেন, সেটার ট্রানজিশনাল প্ল্যান নিয়ে কোন আলাপ করবেন না।
আপনি মহাসড়কে টেসলা চলতে দিবেন না। কিন্তু মহাসড়কের যেই পয়েন্ট থেকে যেই পয়েন্টে টেসলা চলতেসে, সেই রুটগুলায় মহাসড়ক বাদ দিয়ে চলাচল করার আদৌ কোন বিকল্প রাস্তা আছে কিনা সেটা নিয়ে আলাপ করবেন না।
আপনি একদিকে পারলে অটো নিষিদ্ধই করে দেন, আরেকদিকে আপনি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে অটোরিকশা বিতরণ করেন। বুয়েটকে দিয়ে ডিজাইন গাইডলাইন রেডি করানোর নামে সারাদেশের মানুষের হাসির পাত্র বানাইলেন, কিন্তু সরকারপ্রধানের হাত দিয়ে বিতরণ করা রিকশা সেই গাইডলাইন অনুযায়ী বানানো কিনা, সেটা আদৌ চেক করেছিলেন?
শহরে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের কোন আগামাথা নাই। রাস্তার অর্ধেক অচল থাকে হকার আর অবৈধ দখলদারিতে। ম্যাস পাবলিকের যদি র্যাপিড মুভমেন্টের জন্য অটোর মতো ইজিলি অ্যাক্সেসিবল বাহনের সত্যিকারের ডিমান্ড না থাকতো, তাহলে আপনাদের সত্যিই মনে হয় যে এত লাখ লাখ অটো রাস্তায় চলাচল করে দিনশেষে কমার্শিয়ালি সাস্টেইন করতে পারতো?
আরেকটা দরকারি আলাপ উঠাই। ঢাকার রাস্তায় অটোরিকশা এই টেসলারাই প্রথম? সিএনজি নামে যেই বাহনটা চিনি আমরা, সেটা আসলে কী? সেটাও তো অটোরিকশা-ই! কোন সিন্ডিকেটের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ঢাকার রাস্তায় বৈধভাবে সিএনজি অটোরিকশা নামানো যায় না? সিএনজি ভাড়া কেন সাধারণ মানুষের আওতার বাইরে? কার পকেটের টাকা যায় কার পকেটে? খেলাটা চলে আসলে কোন লেভেলে?
যাক! কথা না বাড়াই!
সমস্যা সমাধানের নিয়ত থাকলে সমস্যার রুট কজ খুঁজে বাইর করে সেই শিকড় থেকে সমস্যারে এরা আপরুট করতো। রুট কজগুলা খুঁজে বাইর করে অ্যাড্রেস না করলে, ট্রানজিশনাল পিরিয়ডের জন্য প্রোপার ফেইজওয়াইজ প্ল্যান না করলে, সড়কের থ্রি-হুইলারের হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চুরির কথা বলেন, আর আকাশে বিমান বাংলাদেশের হাজার কোটি টাকার দুই নাম্বারির কথা বলেন, কোনটাই কোন সরকার সমাধান করতে পারে নাই, পারবে-ও না।
অবশ্য, তাদের প্রতিবারের ধর তক্তা মার পেরেক মার্কা কাজবাজ দেখে ছোটবেলায় মনে করতাম যে তারা মনে হয় সমাধানের সঠিক রাস্তা জানে না। বয়েস কম ছিল, নাইভ ছিলাম, তাই অবাক হইতাম যে কেন বোকার মতো স্টেপ নিতেসে।
এখন বাল পাকতেসে, দাঁত ভাংতেসে, এখন একটু একটু বুঝে আসছে যে পাকা শয়তানগুলা নিজেরাও জানে যে কোন সমাধানটা কাজে দিবে, আর কোনটা দিবে না।
এদের আসলে নিয়ত এরই ঠিক নাই! এরা চাই-ই না কোন সমস্যার সমাধান হোক। কারণ একবার কোন একটা সেক্টরে যদি কোন একটা সমস্যা সমাধানের উদাহরণ তৈরি হয়ে যায়, তাহলে তো এর পরে একটা একটা করে সব সেক্টরের সব সমস্যা সমাধানের জন্য পাবলিক প্রেশার দেয়া শুরু করে দিবে! তাহলে তো একসময় ডোমিনো এফেক্টের মতো দুই নাম্বারির প্রাসাস তাসের ঘরের কতো ভাইঙা পড়া শুরু করবে!
এরচেয়ে যেমনে চলছে চলুক। পাবলিক বেশি প্যাড়া খাইলে একটু ধুনফুন, আইওয়াশ স্টেপ নিয়া নিবে। দুইদিন পর সেইসব স্টেপস ফেইল করবে। আর ভান ধরবে যে আমরা তো চেষ্টা করসি-ই।
তারপর দিবে মাস্টারস্ট্রোক! কোন একভাবে প্রমাণ করে দিবে যে উলটা পাবলিক নিজেই খারাপ, তাই তারা সমস্যা সমাধান করতে পারে নাই!
কী দুর্দান্ত গ্যাসলাইটিং!
- Tanvir Arafat Dhrubo | 1 163 |
| 9 | لا يوجد نص... | 1 134 |
| 10 | প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের মন্ত্রীদের নামে, পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব পোস্টে হাজার হাজার লাইক ও ভিউ হচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয় কোথায়? দিনের পর দিন গুজব ছড়ানো হচ্ছে—এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী?
প্রধানমন্ত্রীর নামে গুজব ছড়ানো হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব তো নিজের ফেসবুক আইডি থেকেও এ বিষয়ে পোস্ট করতে পারতেন। সেটাও কি বুঝি পারেন না?
গুজব ছড়ানো ছেলেটির পরিচয়—
নাম: MD Antarul Haque
গ্রাম: রাজগাতি কালপার, পুরান মহাজন বাড়ি
ইউনিয়ন: রাজগাতি
উপজেলা: নান্দাইল
বাবার নাম: শহীদ মিয়া
জেলা: ময়মনসিংহ
এভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের কাছে বিভ্রান্তিকর বার্তা যাচ্ছে এবং সরকারের বদনাম হচ্ছে। সরকারের উচিত, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
আর কতদিন চুপ করে থাকবে? গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সরকার কি এরপরও প্রশ্রয় দেবে?
- ফাহাদ মোহাম্মদ | 1 283 |
| 11 | لا يوجد نص... | 1 008 |
| 12 | "গাড়ল" বিএনপির দরকার একটা "কুত্তামারা" প্রফেশনাল টিম, যারা টাকা নেবে আর কাজ করবে। তাদের কো-অর্ডিনেট করার জন্য, অন দ্যা হেড বিএনপির কোর এক্টিভিস্টরা স্ট্র্যাটেজি মেকার হিসেবে থাকতে পারে, কিন্তু একজিকিউশনার হিসেবে নট দেম, থাকা প্রয়োজন প্রফেশনাল "ভাড়াখাটা" "ব্রেইনি" লোকজন। সিআরআই ক্যামনে ফাংশন করেছে এই মূর্খদের যদি কেউ একবার দেখাতো!
বিএনপি পিআরের জায়গায় বসাইছে কতক অপোগন্ড গাধাকে, যাদের আলাপ হচ্ছে "১৭ বছর অনেক ত্যাগ করেছি।"
ভাইরে, আপনাদের কেউ এই ত্যাগ অস্বীকার করতেছে না। কিন্তু কারো ত্যাগের জন্য আপনি নিশ্চয় ডাক্তার হিসেবে একজন অনার্স পাশ ছেলেরে হস্পিটালে বসাবেন না।
এইটা বেইসিক কমন সেন্স। আপনে তারে অন্য যেখানে খুশি বসান, কিন্তু পিআরের কাজে না।
মহামান্য দেশনেতা কি এই বাস্তবতা ঠাওড়াবেন?
- তাশরিক হাসান | 1 425 |
| 13 | আজ কোনো একটি প্রোগ্রামে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী স্যার বলেন—
"সবার বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার প্রয়োজন নেই। মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের অনেক দেশে উচ্চশিক্ষিত বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার কিংবা চিকিৎসকের চেয়ে হাতে-কলমে দক্ষ কর্মীর চাহিদাই বেশি। যারা ভালোভাবে কারিগরি কাজ দক্ষতার সঙ্গে করতে পারেন, তাঁদের জন্যই সেখানে বেশি সুযোগ রয়েছে।"
আমরাও বলি—সবার তো ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার প্রয়োজন নেই। যারা এসএসসি বা এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে টপ ক্লাস রেজাল্ট করবে এবং লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর সাথে প্রতিযোগিতা করে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পাবে, তারাই পড়বে। আর এসএসসিতে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা, ভোকেশনাল কিংবা উন্মুক্ত থেকে পাস করা ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য হবে ডিপ্লোমা বা কারিগরি শিক্ষা। কারিগরি শিক্ষা অর্জন করে একজন ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ান নিজেকে দক্ষ জনশক্তি বা কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবে।
অথচ বাংলাদেশের হাতে-কলমে দক্ষ কর্মী তথা ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের শতভাগ ডিপ্লোমা কোটা দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পদে নিয়োগ দিয়ে প্রকৌশলী বানানো হয়... এবং বিসিএস ক্যাডারের মতো মর্যাদাপূর্ণ পদেও এদের পদোন্নতি দেওয়া হয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে, ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের সাধারণ কোনো চাকরির ১৫তম গ্রেডেও আবেদন করার যোগ্যতা নেই। যদি ডিপ্লোমা কোটা না থাকত, তবে টেকনিশিয়ানরা সবার সাথে প্রতিযোগিতা করে ১৬তম গ্রেডেও পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারত না। এটাই হচ্ছে ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের জন্য চরম সত্য।
এছাড়াও, আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, যারা ডিএমএফএ/ডিএমএ শেষ করে, সরকারি এবং বেসরকারি কোনোভাবেই তাদের জন্য উচ্চশিক্ষার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি—যাতে তারা এমবিবিএস ডিগ্রি পেতে পারে। অথচ দেখুন, পলিটেকনিক পাস ডিপ্লোমাধারীদের জন্য 'ডুয়েট' (DUET) রয়েছে। এমনকি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখান থেকে রাতের অন্ধকারে খুব সহজেই বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সনদ কেনা যায়!
মোরল অব দ্য স্টোরি, ডিপ্লোমা পাস করেই একজন টেকনিশিয়ান বা কর্মী নিজেকে দাবি করে— "I am an Engineer."
- আব্দুল্লাহ আল মাসুদ | 1 422 |
| 14 | অনেকেই প্রশ্ন করছেন রেলওয়ে, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন অবকাঠামো এইগুলা প্রাইভেট সেক্টরের হাতে দিয়ে দিচ্ছে সরকার। এইটা কি ঠিক হচ্ছে?
এর উত্তর হচ্ছে একই সাথে না এবং হ্যা। প্রথমত আমি ক্রিটিক্যাল সেক্টর যেমন এনার্জি, ট্রান্সপোর্ট এগুলা প্রাইভেট সেক্টরের হাতে ছেড়ে দেয়ার একেবারেই পক্ষপাতি না।
কিন্তু বাংলাদেশে একটা প্রবলেম আছে। মনে রাখবেন এইটা চীন না যে আপনি বুর্যোক্রেসি দিয়েই দেশকে উন্নত বানায়ে ফেলবেন।
এইদেশের আমলারা আগাগোড়া মাথার চুল থেকে পায়ের নখ দূর্নীতিবাজ। এরা কখনোই পাবলিক সার্ভিসের জন্য আমলাতন্ত্রে আসেনা। এদের লক্ষ্যই একটা চেয়ারে বসবে আর নোটের বান্ডিল গুণবে।
কত হাজার কোটি টাকা খরচ করা হইছে রেলওয়ের পেছনে? আজ পর্যন্ত রেলওয়েকে প্রফিটেবল বানানো গেছে? প্রতিবছর শ শ কোটি টাকার লোকশান গুনতে হয় সরকারেকে। এটার দায়টা কার?
আমলাদের।
মান্ধাতার আমলের আমলাতন্ত্র আর এসি রুমে বসে নোটের বান্ডিল গোনা ছাড়া এদের আর কি স্কিল আছে দেখাইতে পারবেন?
ট্রেনের কয়টা বগি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন আর কয়টার ইঞ্জিন ঠিক আছে? ব্রডগেজ লাইন কয়টা বানাইছে? এইটা গেলো তো।
এবার হিসাব কইরেন এরা কয়টাকা ঘুষ খাইছে। কিসের জন্য একটা ব্রডগেজ লাইনেও ট্রেনের স্পিড ১২০ এ উঠানো যায়না এটার উত্তর দিতে পারবে এরা?
বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন কিছু মানেই সেটা রীতিমতো লুটপাটের কারখানা। আমলাদের পারসোনাল ব্যাংক সেটা।
এই ভাইরাসদের সাথে লড়াই করার একটা সুযোগ ছিলো ৫ই আগস্ট এর পর পরই। কিন্তু ভাইরাসগুলাকে বিদায় করা গেছে? যায়নাই। এখন আর সুযোগও নাই।
তাই আপাতত দৃষ্টিতে প্রফিটিবিলিটি ফিরায়ে আনার জন্য প্রাইভেট সেক্টরের হাতে কিছু জিনিস দিয়ে দেয়াই বেটার আমার মনে হয়। এতে অন্তত আমলাদের খাইখাই বন্ধ হবে।
আর প্রাইভেট সেক্টরের যেহেতু মুল লক্ষ্য মুনাফা তাই সরকার চাইলে মুনাফা থেকে হিউজ রাজস্ব তুলতে পারবে। প্রাইভেট সেক্টর কখনোই লস করে ব্যবসা করবেনা।
আর প্রাইভেট সেক্টর সরাসরি ডিল করে পলিটিক্যাল লিংক ধরে তাই এখানে আমার মতে আমলাদের হাত ঢুকানোর সুযোগ অনেকটাই কমবে।
প্রাইভেট কোম্পানিগুলা যাতে কোনোভাবেই জনগণের ওপর অতিরিক্ত খরচের ছড়ি ঘুরাইতে না পারে এজন্য কঠোর রেগুলেটরি কাঠামো তৈরী করতে হবে।
তবে হ্যা রেলওয়ে বা বিদ্যুৎ যেটাই প্রাইভেট সেক্টরকে দেক না কেনো মাস্টবি সকল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সরকারকেই বানাইতে হবে।
প্রাইভেট কোম্পানি জাস্ট লিজ নিয়ে পরিচালনা করবে। কুইক রেন্টাল টাইপ কিছু যেন আবার না হয়।
প্রাইভেট এসব কোম্পানির প্রফিট মার্জিনের ওপর থেকে প্রচুর রাজস্ব তুলে পূণরায় আবার সেই অর্থ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট এ ইনভেস্ট করতে হবে।
- আহনাফ তাহমিদ অর্জন | 1 244 |
| 15 | দুই হুজুর আবাসিক হোটেলে গেছে। গিয়া পড়ছে প্যারায়। ওইদিনই পুলিশ রেড দিছে। ১৫ জনরে ধরছে, লগে হুজুর দুইটারেও, মেয়ে মানুষ সহ।
অন্য হুজুররা যথারীতি জাতি ভাইদের দুর্দিনে আগায়ে আইসা ফেসবুকে ন্যারেটিভস নির্মাণ করে ফেলছিল যে, হুজুররা নিজেদের বউদের নিয়েই হোটেলে উঠছিল। বাকি সবাইর সাথে হুজুরদের গ্রেফতার করে জুলুম করা হইছে।
ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান ডিসেন্ট এই কান্ডে দিছে আগুন ধরায়ে। তারা তদন্ত করে দেখছে যে হুজুররা বউ নিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু সেটা নিজেদের না, অন্যের বউ। একজন নিছে নিকটাত্মীয়ের বউকে, অন্যজন নিছে পরিচিত এক ভাইয়ের।
- মীর হুজাইফা | 787 |
| 16 | لا يوجد نص... | 778 |
| 17 | لا يوجد نص... | 845 |
| 18 | নরমালি সুইসাইড করা লোকজনের প্রতি কোনো sympathy/empathy কাজ করে না আমার।কিন্তু গতকাল আমার ডিপার্টমেন্টের(বুয়েট মেকানিক্যাল) ইমিডিয়েট জুনিয়র সুইসাইড করলো, এই ঘটনা আমি নিজে ফিল করতে পারতেছি। যদিও ওর সাথে সরাসরি পরিচয় ছিল না কিন্তু সে কোন ধরনের মেন্টাল সিচুয়েশনের মধ্যে দিয়ে গেছে এটা ফিল করতে পারতেছি।
BUET কে অনেকে Land of Living বলে কিন্তু আমার কাছে এটা Land of Depressed Souls।বেশিরভাগ ছেলেপেলের চোখেমুখে হতাশা খেয়াল করলেই বুঝা যায়।ফাস্ট ইয়ারের ছেলেদের চোখেমুখে যে আনন্দ থাকে তা বেশিদিন স্থায়ী হয় না।
এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে বের হতে পারেনি।খুব বেশি বাকি ছিল এমনও না। ১/২ টার্ম আরেকটু ধৈর্য ধরলেই হয়তো হয়ে যেত।বুয়েটে যারা একবার পিছিয়ে পড়ে তাদের জন্য বুয়েট লিটারেলি একটা জাহান্নাম।একটা পরীক্ষা না দিতে পারলে / ল্যাগ খাইলে সেটা আবার এক্সাম দিলে ৪ এর মধ্যে ৩ এর বেশি পাওয়ার অপশন নাই।
এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে থিসিসও নিতে পারেনি।থিসিস নেওয়ার জন্য মিনিমাম ক্রেডিট বেশ কিছু ডিপার্টমেন্টে কয়েক ক্রেডিট কম থাকলেও কন্সিডার করে কিন্তু মেকানিক্যালে ০.২৫ ক্রেডিট কম থাকলেও দেয়নি এমনও শুনেছি।ব্যাচের সাথে থিসিস না পেলে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পার্টনার ছাড়া একা থিসিস করতে হয়।কোনো স্যার ল্যাগারদের প্রতি কোনো সিম্প্যাথী দেখায় না। পদে পদে অপদস্ত হওয়ার সব বন্দোবস্ত বুয়েট করে রাখছে।
মেন্টালি স্ট্রং না থাকলে এই ফেইজ পার করে পাশ করে বের হওয়া বেশ কঠিন।জুনিয়রদের সাথে ক্লাস করতে যাদের হয় তারা কি রকম মেন্টাল কন্ডিশনের মধ্যে দিয়ে যায় তা সরাসরি এক্সপেরিয়েন্স না থাকলেও ফিল করতে পারি।এই সিচুয়েশনে যারা পড়ে তাদের সেল্ফ কনফিডেন্স পুরো ধ্বংস হয়ে যায়।এমন না যে তারা স্টুডেন্ট হিসেবে খারাপ কিন্ত নিজের প্রতি কনফিডেন্স ধ্বংস হয়ে গেলে সেই মানুষের বেঁচে থাকা খুব কষ্টকর হয়ে যায়।বুয়েটে চান্স পাওয়া প্রায় সবার উপরই পরিবারের এক্সপেকটেশন অনেক হাই থাকে।ফলে এই সিচুয়েশনে পরিবারের কারো সাথেও সে নিজের দুঃখ-কষ্ট শেয়ার করতে পারে না।
এই সিচুয়েশনে ফেস করা স্টুডেন্টের সংখ্যা টেন পার্সেন্টও হবে না হয়তো। বুয়েটের টিচাররা সবাই ডিপার্টমেন্টের টপার ছিল।তাই তারাও এই ক্যাটাগরির স্টুডেন্টদের সাফারিংস ফিল করতে পারে না।আল্টিমেটলি যখন বন্ধুবান্ধবরা হল থেকে বের হয়ে যায় সবাই, ফ্যামিলির সামনে দেওয়ার মত কোনো সদুত্তর থাকে না, টিচারদের থেকেও কোনো মেন্টাল সাপোর্ট পাওয়া যায় না তখন যারা একটু ইন্ট্রোভার্ট তাদের দুনিয়া একদম সংকীর্ণ হয়ে আসে। বুয়েটে যারা আসে তাদের প্রায় সবারই জীবনে কখনো ফেইলুর হ্যান্ডেল করার এক্সপেরিয়েন্স থাকে না।ইন্টার পর্যন্ত সব কাপায় এসে বুয়েটে ভর্তি হয়ে যখন পিছায়ে যায় তখন যেই সাইকোলজিক্যাল ট্রমার লুপে একবার আটকে যায়, তার জন্য সেখান থেকে নিস্তার পাওয়া বেশ দূরূহ।
ছেলেটা প্র্যাকটিসিং না এমনও না, সে সুইসাইড করার আফটার ইফেক্ট ভালোভাবেই জানতো কিন্তু এত রাজ্যের হতাশায় হয়তো নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি।
সুইসাইড করা কাপুরুষের কাজ।জীবনে পিছায় পড়লে আবার লড়াই করে ঘুড়ে দাঁড়ানোর হিম্মত রাখতে হবে।জুনিয়রদের প্রতি অনুরোধ কারোর যদি এমন চিন্তাভাবনা মাথায় আসে ক্লোজ সিনিয়রদের সাথে একটু বসিস।গল্প করিস দেখবি হালকা হয়ে যাবি।আমাকেও নক দিতে পারিস যেকোনো সময়।বুয়েটে গিয়ে একসাথে চা খেতে খেতে গল্প করে আসবো।হয়তো কিছু সুপরামর্শও দিতে পারবো।
- আসিফ আহমেদ | 790 |
| 19 | বাংলাদেশ খুবই সেন্সিটিভ একটা জায়গায় হাত দিছে। সেইটা হচ্ছে ক্রিটিকাল মিনারেল বা বিরল খনিজ। এই কপার আর লিথিয়াম ছাড়া পৃথিবীর প্রায় প্রতিটা টেকনোলজি অচল।
আপনি বানাইতেই পারবেন না সেটা ফাইটার জেট হোক বা মিসাইল বা আপনার ফোনের সামান্য ব্যাটারি বা ল্যাপটপের প্রসেসর।
খুবই হাই ভ্যালু সেক্টর এটা। এই কপার আর লিথিয়ামকে যদি খুবই সেন্সিটিভববভাবে হ্যান্ডেল করা যায় এই খনিজ গেম চেঞ্জার হইতে পারে।
কেমনে এক্সপ্লেইন করি। প্রথমত গ্লোবাল টেকনোলজি আর সেমিকন্ডাক্টর সেক্টর যে খনিজ সম্পদগুলা দ্বারা প্রভাবিত এগুলার মার্কেট খুবই ভলনারেবল।
মানে ধরেন আজ যদি গ্লোবাল মার্কেটে হুট করে কপার, লিথিয়াম, নিওডিমিয়াম এসবের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায় যুদ্ধ বা কোনো কিছুর কারণে,
তাইলে মুহুর্তের মধ্যে আপনার ল্যাপটপের র্যাম থেকে কারেন্টের তার সবকিছুর দাম ৫০ গুণ বাড়তেও নুন্যতম সময় লাগবেনা।
আর এই খনিজগুলা ভুরাজনৈতিকভাবে এতটাই সেন্সিটিভ যে, যেকোনো মুহুর্তে যেকোনোভাবে এর সাপ্লাই বন্ধ হওয়ার মত যথেষ্ট চান্স আছে।
ওদিকে পৃথিবীর সকল বিরল খনিজ সম্পদের প্রায় ৯০% নিয়ন্ত্রণ করে চীন। মানে চীন যদি সাপ্লাই বন্ধ করে দেয় তাইলে আমেরিকার মিসাইল থেকে শুরু করে AI সব বন্ধ, পশ্চিমা টেক সেক্টরের হাতে হ্যারিকেন চলে আসবে।
এইখানে লেভারেজটা নিতে পারবে বাংলাদেশ। প্রথমত চিলির সাথে এই বিরল খনিজ নিয়ে আলাপ আলোচোনা করেছে বাংলাদেশ।
ইভেন ইতিহাসে প্রথম চিলির রাজধানী স্যানটিয়াগো এবং ঢাকাতে প্রথমবারের মত দূতাবাস খোলা হবে। চিলির সঙ্গে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টও হইতে পারে বাংলাদেশের। বিনা শুল্কে আমদানি রপ্তানি।
আর চিলির কাছে পৃথিবীর বৃহত্তম কপার এবং লিথিয়াম ডেপোজিট আছে। এইটা নিয়েই ড.খলিল এবং চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ বৈঠক করেছেন।
চিলি গ্লোবাল কপার সাপ্লাই চেইনের ২৪% এবং লিথিয়াম সাপ্লাই চেইনের ৩১% কন্ট্রোল করে।
মানে এই চুক্তি যদি সিরিয়াসলি নেয় বাংলাদেশ, তাইলে দক্ষিণ এশিয়ার লার্জেস্ট কপার এবং লিথিয়ামের রিজার্ভ তৈরী করা বাংলাদেশের কাছে ব্যাপার না।
রিমেম্বার যুদ্ধের সময় আমেরিকা তাদের তেলের রিজার্ভ থেকে তেল বিক্রি করে কি পরিমাণ মুনাফা কামিয়েছে? এই সেইম অপরচুনিটি বাংলাদেশ কপার ও লিথিয়ামের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারে।
বাংলাদেশ যদি দূরদর্শিতা দেখিয়ে চিলি থেকে কাঁচামাল এনে দেশে ক্রিটিক্যাল মিনারেলের একটি স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ এবং প্রসেসিং হাব গড়ে তুলতে পারে,
তবে এটি বাংলাদেশেকে শুধু দক্ষিণ এশিয়া না সমগ্র এশিয়াতেই জিওপলিটিক্স ও ইকোনমিক্স দুই ক্ষেত্রকেই একটি ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতের মতো টেক জায়ান্টদের চিপ ও ইভি তৈরির জন্য তামা ও লিথিয়ামের ওপর শতভাগ নির্ভর করতে হয়।
বাংলাদেশে যদি এই খনিজগুলোর বড় রিজার্ভ এবং প্রসেসিং সুবিধা থাকে, তবে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন সংকটের সময় যেমন যুদ্ধ বা কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেক কোম্পানিগুলোর জন্য একটি সেফ হ্যাভেন বা নিরাপদ সাপ্লাই হাব হিসেবে আবির্ভূত হবে।
বিশ্ববাজারে লিথিয়াম ও তামার দাম অত্যন্ত অস্থির। কম দামে চিলি থেকে খনিজ কিনে রিজার্ভে রেখে, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে তা প্রসেস করে চড়া দামে রপ্তানি করা সম্ভব।
যদি বাংলাদেশ আগামী ৭-১০ বছরে ১ থেকে ২ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ ক্রিটিক্যাল মিনারেলের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ গড়ে তোলে তাহলে বিশ্ববাজারের ওঠানামা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ প্রতি বছর ১৫% থেকে ২৫% প্রফিট মার্জিন পেতে পারে।
২ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ থাকলে প্রতি বছর কেবল মিনারেল ট্রেডিং ও প্রসেসিং ৩,৬০০ কোটি থেকে ৬,০০০ কোটি টাকা নিট মুনাফা করা সম্ভব।
কাঁচামালের অভাবের ভয়ে অনেক বড় কোম্পানি বাংলাদেশে কারখানা খুলতে চায় না। দেশে রিজার্ভ নিশ্চিত থাকলে বিশ্বের শীর্ষ ইভি ব্যাটারি মেকার যেমন: CATL, BYD বা সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে মেগা ফ্যাক্টরি করতে ছুটবে।
আগামী ১০ বছরে ৩৬,০০০ কোটি থেকে ৬০,০০০ কোটি টাকা মেগা হাইটেক ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে বিনিয়োগ আসবে জাস্ট এই ক্রিটিকাল মিনারেলের জন্য।
একটি স্থায়ী ও সুসংগঠিত ক্রিটিক্যাল মিনারেল রিজার্ভ ও প্রসেসিং হাব এককভাবে বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রতি বছর প্রায় ২.৫ থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার ভ্যালু অ্যাড করতে সক্ষম।
যেভাবে ১৯৭১ সালের পর মধ্যপ্রাচ্য তেল দিয়ে বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করেছে, ২১ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করবে ক্রিটিক্যাল মিনারেল।
বাংলাদেশ যদি তেল বা গ্যাসের অভাব সত্ত্বেও আগেভাগে তামা, লিথিয়াম ও রেয়ার আর্থ মিনারেলের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ তৈরি করতে পারে, তবে বাংলাদেশ কেবল পোশাক রপ্তানিকারক দেশ থাকবে না।
বরং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনের একটি অপরিহার্য স্ট্র্যাটেজিক প্লেয়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবে চোখ বন্ধ করে।
- আহনাফ তাহমিদ অর্জন | 557 |
| 20 | لا يوجد نص... | 531 |
