Manzur's posts
الذهاب إلى القناة على Telegram
Here, posts and lectures of Ustaz Manzurul Karim will be shared in sha Allah.
إظهار المزيد7 068
المشتركون
+224 ساعات
+47 أيام
-430 أيام
جاري تحميل البيانات...
القنوات المماثلة
سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
يوليو '26
يوليو '26
+84
في 4 قنوات
يونيو '26
+107
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '26
+131
في 2 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+137
في 4 قنوات
Get PRO
مارس '26
+227
في 3 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+109
في 5 قنوات
Get PRO
يناير '26
+76
في 2 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+78
في 1 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+63
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+91
في 2 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+106
في 1 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+146
في 2 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+238
في 3 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+222
في 7 قنوات
Get PRO
مايو '25
+144
في 6 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+125
في 3 قنوات
Get PRO
مارس '25
+140
في 6 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+77
في 1 قنوات
Get PRO
يناير '25
+104
في 3 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+179
في 2 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+116
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+392
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+318
في 4 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+593
في 7 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+112
في 1 قنوات
Get PRO
يونيو '24
+131
في 1 قنوات
Get PRO
مايو '24
+195
في 2 قنوات
Get PRO
أبريل '24
+112
في 3 قنوات
Get PRO
مارس '24
+260
في 2 قنوات
Get PRO
فبراير '24
+186
في 5 قنوات
Get PRO
يناير '24
+244
في 6 قنوات
Get PRO
ديسمبر '23
+228
في 5 قنوات
Get PRO
نوفمبر '23
+402
في 11 قنوات
Get PRO
أكتوبر '23
+244
في 2 قنوات
Get PRO
سبتمبر '23
+118
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '23
+275
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '23
+193
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '23
+200
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '23
+440
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '23
+35
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '23
+60
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '23
+138
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '23
+274
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '22
+108
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '22
+103
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '22
+121
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '22
+110
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '22
+317
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '22
+99
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '22
+75
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '22
+107
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '22
+187
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '22
+125
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '22
+21
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '22
+48
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '21
+166
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '21
+116
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '21
+1 065
في 0 قنوات
| التاريخ | نمو المشتركين | الإشارات | القنوات | |
| 27 يوليو | +4 | |||
| 26 يوليو | +4 | |||
| 25 يوليو | +2 | |||
| 24 يوليو | +3 | |||
| 23 يوليو | +3 | |||
| 22 يوليو | +6 | |||
| 21 يوليو | +3 | |||
| 20 يوليو | +1 | |||
| 19 يوليو | +5 | |||
| 18 يوليو | +4 | |||
| 17 يوليو | +3 | |||
| 16 يوليو | +2 | |||
| 15 يوليو | +2 | |||
| 14 يوليو | +3 | |||
| 13 يوليو | +13 | |||
| 12 يوليو | +3 | |||
| 11 يوليو | +1 | |||
| 10 يوليو | +5 | |||
| 09 يوليو | +1 | |||
| 08 يوليو | 0 | |||
| 07 يوليو | +4 | |||
| 06 يوليو | +4 | |||
| 05 يوليو | +3 | |||
| 04 يوليو | 0 | |||
| 03 يوليو | +2 | |||
| 02 يوليو | +3 | |||
| 01 يوليو | 0 |
منشورات القناة
| 2 | "ইলম হচ্ছে দুনিয়ার উপভোগ্য বিষয়গুলোর একটি। তবে যখন এর ওপর আমল করা হয় তখন তা আখিরাতের বিষয়ে পরিণত হয়"।
.
~ ইমাম সাহল বিন আব্দিল্লাহ [রাহ.]
.
[ ইমাম আল খাতীব আল বাগদাদী (রাহ.), ইক্বতিদ্বাউল ইলমিল আমাল, পৃ: ২৯] | 326 |
| 3 | "নিশ্চয়, আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল; কিন্তু অধিকাংশ লোক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না"।
.
إِنَّ اللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَشْكُرُونَ
.
[ সূরা বাকারাহ: ২৪৩] | 392 |
| 4 | কবিরা গুনাহ: দার্স ৬৫
https://youtu.be/31bM177TMsA | 402 |
| 5 | "নীরবতার সর্বনিম্ন উপকার হচ্ছে নিরাপত্তা লাভ। আফিয়াতের (সুস্থতা ও স্বস্তি) জন্য নিরাপত্তা লাভই তো যথেষ্ট।
অন্যদিকে কথা বলার সর্বনিম্ন ক্ষতি হচ্ছে খ্যাতি লাভ করা। আর মুসিবত হিসেবে খ্যাতি লাভ করাই তো যথেষ্ট"।
.
~ ইমাম আবু বাকর আইয়্যাশ [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নুআইম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৮/৩০৩-৩০৪] | 728 |
| 6 | "সুন্নাহ হচ্ছে কোনো মানুষের কাছে যখন এমন কিছু থাকে যার ব্যাপারে সে বদ নজরের ভয় করে, এ থেকে বাঁচার জন্য যে আল্লাহর যিকর করবে, তাঁর কাছে (বরকতের) দুআ করবে এবং বদ নজর থেকে আশ্রয় চাইবে"।
.
~ শাইখ আব্দুর রাযযাক বিন আব্দিল মুহসিন আল বাদার [হাফি.]
.
[ ফিক্বহুল আদঈয়্যাহ ওয়াল আযকার: ৩/৩০১] | 774 |
| 7 | "আর মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ"।
.
وَجَزَ ٰۤؤُا۟ سَیِّئَةࣲ سَیِّئَةࣱ مِّثۡلُهَاۖ
.
[সূরা শূরা: ৪০] | 712 |
| 8 | "কথা হচ্ছে তোমার কাছে বন্দী, তবে যখন তা তোমার মুখ থেকে একবার বের হয়ে যায় তখন তুমি তার কাছে বন্দী হয়ে যাও। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক বক্তার জবানকে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। তিনি বলেন,
«{مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ»
'সে যে কথাই উচ্চারণ করে তার কাছে সদা উপস্থিত সংরক্ষণকারী রয়েছে'।[১]"।[২]
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[ ১) সূরা ক্বফ: ১৮;
২) ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), আদ দা ওয়াদ দাওয়া, পৃ: ৩৭৫] | 790 |
| 9 | আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَٱلَّذِینَ تَدۡعُونَ مِن دُونِهِۦ لَا یَسۡتَطِیعُونَ نَصۡرَكُمۡ
.
"এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমরা যাদেরকে আহবান কর, তারা তোমাদের কোন প্রকার সাহায্য করতে পারে না"। [১]
.
অর্থাৎ তাদের ইবাদাতকারীদের সাহায্য করতে পারেনা।
«{وَلَا أَنْفُسَهُمْ يَنْصُرُونَ}»
"এবং ওদের নিজেদেরও নয়"।
অর্থাৎ কেউ ওদের ক্ষতি করতে চাইলে ওরা নিজেদেরও রক্ষা করতে পারেনা। যেমন ইব্রাহীম খলীল আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম তাঁর কওমের মূর্তিসমূহকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করেছেন এবং সেগুলোকে চরমভাবে অপমানিত করেছেন, যেমনটি মহান আল্লাহ তাঁর সম্পর্কে (পবিত্র কুরআনে) জানিয়েছেন:
.
«فَرَاغَ عَلَيْهِمْ ضَرْبًا بِالْيَمِينِ»
"অতঃপর তিনি তাদের উপর সবলে আঘাত হানলেন।"। [২]
.
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন,
«{فَجَعَلَهُمْ جُذَاذًا إِلَّا كَبِيرًا لَهُمْ لَعَلَّهُمْ إِلَيْهِ يَرْجِعُونَ»
"তঃপর তিনি চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিলেন মূর্তিগুলোকে, তাদের প্রধানটি ছাড়া; যাতে তারা তার দিকে ফিরে আসে"। [৩]
.
অনুরূপ ঘটনা ঘটেছিল মু'আয ইবন আমর ইবনুল জামূহ এবং মু'আয ইবনু জাবাল [রা.]-এর ক্ষেত্রেও। তারা ছিলেন দুইজন তরুণ, যারা রাসূলুল্লাহ ﷺ মদীনায় আগমনের পর ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।
.
তারা রাতের বেলা মুশরিকদের মূর্তিগুলোর ওপর গোপনে হামলা চালাতেন, সেগুলো ভেঙে ফেলতেন, নষ্ট করে দিতেন এবং সেগুলোকে বিধবাদের জন্য জ্বালানি কাঠ হিসেবে ব্যবহার করতেন। এর উদ্দেশ্য ছিল, যাতে তাদের জাতির লোকেরা এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং নিজেদের ব্যাপারে পুনর্বিবেচনা করে।
.
আমর ইবনুল জামূহ,যিনি তাঁর গোত্রের একজন নেতা ছিলেন, তাঁর একটি মূর্তি ছিল, যেটির তিনি উপাসনা করতেন এবং সুগন্ধি দিয়ে সাজিয়ে রাখতেন। মু'আযদ্বয় রাতে এসে সেই মূর্তিটিকে উল্টে মাথার ওপর ফেলে দিতেন এবং তার গায়ে মল (নাপাক বস্তু) মেখে দিতেন।
.
সকালে আমর ইবনুল জামূহ এসে মূর্তিটির এ অবস্থা দেখে তা ধুয়ে পরিষ্কার করতেন, সুগন্ধি মাখাতেন এবং তার পাশে একটি তলোয়ার রেখে বলতেন, “নিজেকে রক্ষা করো!”
.
এরপরও তারা আবার আগের মতোই করতেন, আর সেও আবার একই কাজ করত।
.
অবশেষে একদিন তারা মূর্তিটিকে একটি মৃত কুকুরছানার সঙ্গে বেঁধে একটি দড়ি দিয়ে কাছের একটি কূপে ঝুলিয়ে দিলেন।
যখন আমর ইবনুল জামূহ এসে এ দৃশ্য দেখলেন, তখন তিনি চিন্তা করলেন এবং বুঝতে পারলেন যে তিনি যে ধর্মের ওপর ছিলেন, তা বাতিল। তখন তিনি বললেন:
تَاللَّهِ لَوْ كُنْتَ إِلَهًا مُسْتَدَنًّا
لَمْ تَكُ وَالْكَلْبُ جَمِيعًا فِي قَرَنٍ
'আল্লাহর কসম! যদি তুমি সত্যিই এমন উপাস্য হতে, যার কাছে সাহায্য ও আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়, তবে তুমি কখনো এই কুকুরের সঙ্গে একই রশিতে বাঁধা অবস্থায় থাকতে না'।
.
এরপর তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং অত্যন্ত সুন্দরভাবে ইসলামের ওপর অবিচল থাকেন। পরে উহুদের যুদ্ধে তিনি শহীদ হন। আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন, তাঁকে সন্তুষ্ট করুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসকে তাঁর আবাসস্থল বানিয়ে দিন"। [৪]
.
[ ১) সূরা আ'রাফ: ১৯৭;
২) সূরা সাফফাত: ৯৩;
৩) সূরা আম্বিয়া: ৫৮;
৪) ইমাম ইবনু কাসীর (রাহ.), তাফসীরুল কুরআনিল আযীম: ৪/১৩৯] | 722 |
| 10 | "আল্লাহ তা'আলা তাঁর মু'মিন বান্দাদের তাঁর আদেশ ব্যতীত অন্য কোন বস্তুর প্রতি খুশি ও সন্তুষ্ট থাকার অনুমতি দান করেন নি। এমনিভাবে আল্লাহ তাআলার অবতীর্ণ বিধান ব্যতীত অন্য কোন বস্তুকে হাকিম ও বিচারক মনোনীত করা অথবা তার নিকট মীমাংসার প্রত্যাশী হবারও অনুমতি তিনি দেননি; বরং তিনি তাঁর হুকুম ও বিধান ব্যতীত অন্য সকল হুকুম-বিধান ও মতবাদসমূহকে অস্বীকার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাঁর হুকুম ও বিধান ছাড়া অন্য কোন হুকুম ও বিধানের প্রতি আন্তরিকভাবে সন্তুষ্ট থাকাকে কঠোর গুমরাহী এবং শয়তানের আনুগত্যকরণ বলে অভিহিত করেছেন; যেমন আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন:
.
أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِینَ یَزۡعُمُونَ أَنَّهُمۡ ءَامَنُوا۟ بِمَاۤ أُنزِلَ إِلَیۡكَ وَمَاۤ أُنزِلَ مِن قَبۡلِكَ یُرِیدُونَ أَن یَتَحَاكَمُوۤا۟ إِلَى ٱلطَّـٰغُوتِ وَقَدۡ أُمِرُوۤا۟ أَن یَكۡفُرُوا۟ بِهِۦۖ وَیُرِیدُ ٱلشَّیۡطَـٰنُ أَن یُضِلَّهُمۡ ضَلَـٰلَۢا بَعِیدࣰا
.
'আপনি কি তাদেরকে দেখেননি যারা দাবি করে যে, আপনার প্রতি যা নাযিল হয়েছে এবং আপনার পূর্বে যা নাযিল হয়েছে তাতে তারা ঈমান এনেছে, অথচ তারা তাগূতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও সেটাকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর শয়তান তাদেরকে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট করতে চায়'। [সূরা নিসা: ৬০]
.
সুতরাং যে কোন লোকই আল্লাহ তা'আলা এবং তাঁর রসূলের দেয়া হিদায়াত ব্যাতীত অন্য কোন মতবাদ দ্বারা স্বীয় জীবন সমস্যার সমাধান নিতে চায়, তাদের তাগুতকে স্বীয় ফয়সালাকারী ও সমাধানকারীরূপে সমর্থন করে নেওয়া এবং তার নিকট ফয়সালা প্রার্থনা করা হয়ে থাকে। ঐ সব বস্তুকে তাগুত বলা হয়, যা বান্দা হবার সীমা অতিক্রম করে মাবুদ বা অনুকরণীয় হওয়ার পদমর্যাদা গ্রহণ করে থকে।
.
সুতরাং প্রত্যেকটি জাতির তাণ্ডত হলো তারাই, যাদেরকে মানুষ আল্লাহ তাআলা এবং তার রসূল (স) ব্যতীত নিজেদের মীমাংসাকারী ভেবে থাকে অথবা আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত তাদের বন্দেগীতে লেগে যায় অথবা জ্ঞানচক্ষু বন্ধ করে তাদের অন্ধ অনুকরণ করতে থাকে। অথবা ঐ বস্তুগুলোর আনুগত্য এমনভাবে করে যায় যে, আনুগত্য পাবার অধিকারী যে একমাত্র আল্লাহ তা'আলা তা একটুও উপলব্ধি করতে পারে না।
.
সুতরাং যারাই আল্লাহ তা'আলার প্রতি ঈমান আনবে তাদের জন্য গায়রুল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং আনুগত্য করা আর আল্লাহ তা'আলার হুকুম ব্যতীত অন্য কারো হুকুমকে বৈধ আইন বলে সমর্থন করে নেওয়ার অনুমতি তাদের জন্য কোনক্রমেই নেই"।
.
~সায়্যিদ আব্দুল কাদির আওদা [রাহ.]
.
[ ইসলামী আইন বনাম মানব রচিত আইন, পৃ: ৩৫-৩৬, অনু: মাওলানা কারামত আলী নিযামী ] | 550 |
| 11 | "যদি চুপ থাকার কারণে তোমার মন (কথা না বলতে পেরে) দুঃখে ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে তাহলে তুমি যে জবানের স্খলন থেকে নিরাপদ রয়েছ (এর উপকারিতার কথা) স্মরণ করবে"।
.
~ ইমাম ইব্রাহীম বিন আদহাম [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৮/২০] | 616 |
| 12 | "ক্ষেত্রে বিশেষে যদি কোন হিকমতের কারণে কোন মু'মিন দুনিয়াতে বিজয়ী নাও হয়, তবুও তাঁর আসলে উদ্দেশ্য সফল হয়। কেননা, মু'মিন মাত্রেরই জীবন-সাধনার উদ্দেশ্য আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভ করা, আর সে উদ্দেশ্য অর্জিত হয়। এভাবেই মু'মিনের জীবন-সাধনা সার্থক হয়"।
.
~ মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম [রাহ.]
.
[ তফসীরে নূরুল কোরআন: ৯/২১৫] | 645 |
| 13 | রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
« إِذَا قَالَ الرَّجُلُ: هَلَكَالنَّاسُ فَهُوَ أَهْلَكُهُمْ
"যখন একজন লোক বলে যে লোকেরা তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, তখন সে-ই তাদের মাঝে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত"।[১]
.
ব্যাখ্যা:
"ইমাম মালিক [রাহ.] বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যখন মানুষের মধ্যে (দ্বীনের অবক্ষয়) দেখে নিজের দুঃখ ও অনুশোচনা প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে এরূপ বলে, অর্থাৎ মানুষের দ্বীনের ব্যাপারে (হতাশা থেকে বলে) তখন আমি এতে কোনো সমস্যা দেখি না।
আর যদি সে নিজের প্রতি অহংকার ও আত্মতুষ্টিবশত এবং অন্য মানুষকে ছোট ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার উদ্দেশ্যে এরূপ বলে, তবে এটিই হলো সেই অপছন্দনীয় কাজ,যা (হাদিসে) নিষেধ করা হয়েছে"। [২]
.
ইমাম ইসহাক [রাহ.] বলেন, আমি ইমাম মালিককে [রাহ.] জিজ্ঞেস করলাম, এর কারণ কী (অর্থাৎ এই লোক অধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত হবার কারণ কী)?
তিনি বললেন, "এই লোক আসলে লোকেদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে এবং ভেবেছে যে সে তাদের চেয়ে ভালো। এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে সে-ই তাদের মাঝে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থাৎ সবচাইতে নিকৃষ্ট লোক"। [৩]
.
[১) ইমাম মুসলিম (রাহ.), আস সহীহ, হা: ২৬২৩;
২) ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান: ৫/২৯৬;
৩) ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), আল আদাব, পৃ: ১১৯] | 627 |
| 14 | কবিরা গুনাহ ও আমাদের জীবনে এর প্রভাব: দার্স ৬৪ https://youtu.be/zZyBqsE0nfg | 607 |
| 15 | "যে একাকী থাকতে অপছন্দ করে এবং মানুষের সাথে মিশতে ভালোবাসে, সে রিয়া থেকে নিরাপদ থাকতে পারবে না। জবানকে নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে না হজ্ব করা বেশি কঠিন আর না জিহাদ করা বেশি কঠিন। যে নিজের জবানকে আটকে বা নিয়ন্ত্রণ করে রাখে তার চেয়ে অধিক কষ্ট আর কেউই ভোগ করেনা"।
.
~ ইমাম ফুদ্বাইল বিন ইয়াদ্ব [রাহ.]
.
[ ইমাম যাহাবী (রাহ.), সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ৮/৪৩৬] | 584 |
| 16 | "যারা আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকেই শরীক করেনা, তাদের সাহায্য করার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তাদের অভিভাকত্ব করেন। যারা তাদের সাথে দুশমনি করে তাদের দুশমনি কোনো ক্ষতিই করতে পারেনা"।
.
~ আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস [রা.]
.
[ ইমাম সানাউল্লাহ পানিপথী (রাহ.), আত তাফসীরুল মাযহারী: ৩/৪৪৫] | 616 |
| 17 | কবিরা গুনাহ ও আমাদের জীবনে এর প্রভাব: দার্স ৬৩ https://youtu.be/yJmh2qx2mQk | 687 |
| 18 | "যেভাবে তুমি কথা বলা শেখ সেভাবে চুপ থাকাও শেখ। কথা বলা যদি তোমাকে হিদায়াতের পথ দেখায় তাহলে চুপ থাকা তোমাকে রক্ষা করবে। চুপ থাকার মাধ্যমে তুমি দুটি জিনিস অর্জন করতে পারবে:
১) এর মাধ্যমে যিনি তোমার থেকে অধিক জানেন তাঁর থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে,
২) আর এর মাধ্যমে তোমার চেয়েও অধিক তর্ককারী ব্যক্তিকে তুমি প্রতিহত করতে পারবে"।
.
~ ইমাম আবুয যাইয়্যাল [রাহ.]
.
[ ইমাম ইবনু আব্দিল বারর (রাহ.), জামিঊ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদ্বলিহ: ১/৫৫০] | 568 |
| 19 | "আর যারা শয়তানের ভাই, শয়তানেরা তাদেরকে ভ্রান্তির দিকে টেনে নেয় এবং এ বিষয়ে তারা কোন ত্রুটি করে না।"[১]
.
وَإِخۡوَ ٰنُهُمۡ یَمُدُّونَهُمۡ فِی ٱلۡغَیِّ ثُمَّ لَا یُقۡصِرُونَ
.
"সুতরাং অন্যায় কাজে তারা একে অপরের সহযোগী। তারা সর্বক্ষণ পথভ্রষ্টতাতেই লিপ্ত থাকে। তাদের কাছে কোন প্রকার ওয়ায নসীহত আসলেও তা কাজে লাগে না। ওয়ায ও নসীহত তাদের চক্ষু খুলে দেয় না, যেমনটি পূর্বের আয়াতে বলা হয়েছে যে, যারা তাকওয়া অবলম্বন করে তারা শয়তানের ধোঁকায় পড়লেও ওয়ায-নসীহত পেলে তাদের চোখ খুলে যায় এবং তারা অন্যায় কাজ থেকে ফিরে আসে। কিন্তু যারা খারাপ লোক তারা শয়তানের প্ররোচনা ও ভ্রষ্টতাতেই লিপ্ত থাকে। তারা কখনো চক্ষুষ্মান হয় না।"[২]
.
[ ১) সূরা আ'রাফ: ২০২, অনু: তাফসীরে আহসানুল বায়ান;
২) তাফসীরে জাকারিয়া] | 652 |
| 20 | রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
.
«يظهرُ الإسلامُ حتى تَختَلِفَ التُّجارُ في البحر، وحتى تَخوضَ الخيلُ في سبيل الله، ثم يَظهرُ قومٌ يقرؤون القرآن، يقولون: من أقرأُ منّا؟ من أعلمُ منا؟ من أفقه منا؟»
.
"ইসলাম (এক সময় এতখানি) প্রসারিত হবে যে, ব্যবসায়ী দল (নিরাপদে ও অবাধে) সমুদ্রে যাতায়াত করবে এবং ঘোড়াগুলো আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) অবতীর্ণ হবে। অতঃপর এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা কুরআন তিলাওয়াত করবে এবং (অহংকার করে) বলবে, 'আমাদের চেয়ে বড় ক্বারী আর কে আছে? আমাদের চেয়ে বড় জ্ঞানী আর কে আছে? আমাদের চেয়ে বড় ফকীহ আর কে আছে?"
.
এরপর তিনি সাহাবীদেরকে জিজ্ঞেস করলেন,
«هل في أولئك مِنْ خَيرٍ؟»
.
"এদের মধ্যে কি কোনো কল্যাণ রয়েছে?"
.
সাহাবীরা [রা.] বললেন,
«الله ورسوله أعلم»
"(এ বিষয়ে) আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত।"।
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
"أولئك منكم من هذه الأمّة، وأولئك هم وقودُ النارِ
.
"এরা এই উম্মতের মধ্যেই তোমাদেরই (অর্থাৎ মুসলিমদেরই) অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে এরা হবে জাহান্নামের জ্বালানি"। [১]
.
এই হাদিসের ওপর ভিত্তি করে ইমাম ইবনু হাজার আল হাইতামী [রাহ.] উল্লেখ করেছেন যে, কোনো যৌক্তিক অধিকার ও শরঈ প্রয়োজন ছাড়াই কেবলমাত্র অহংকার এবং গৌরব প্রকাশের উদ্দেশ্যে ইলম, কুরআন বা যেকোনো ইবাদতের ক্ষেত্রে নিজেকে বড় বা শ্রেষ্ঠ হিসেবে দাবি করা কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। [২]
.
[১) শাইখ আলবানী (রাহ.), সহীহুত তারগীব, হা: ১৩৫, শাইখ আলবানীর মতে হাসান লি-গাইরিহ;
২) ইমাম ইবনু হাজার আল হাইতামী (রাহ.), আয যাওয়াজির: ১/১৫৮] | 668 |
