ar
Feedback
iTahmid

iTahmid

الذهاب إلى القناة على Telegram

Tech, History, Geopolitics

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام iTahmid

تُعد قناة iTahmid (@itahmidtg) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 469 مشتركاً، محتلاً المرتبة 4 504 في فئة السياسة والمرتبة 2 031 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 469 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 26 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -92، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 1، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 10.67‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.27‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 224 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 605 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 29.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
Tech, History, Geopolitics

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 27 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة السياسة.

11 469
المشتركون
+124 ساعات
-237 أيام
-9230 أيام
أرشيف المشاركات
iTahmid
11 469
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ায় দেখলাম অনেকে দূঃখ পেয়েছেন। অনেকে পরামর্শ দিচ্ছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক মুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার কর‍তে। তো সেই টুথপেস্টটা আপনি ব্যবহার করবেন কী দিয়ে? ব্রাশ দিয়েই তো। আপনার প্লাস্টিকের ব্রাশ দিয়ে যখন মুখের ভেতরে ডলা দেন, তখন শত শত মাইক্রোপ্লাস্টিক আপনার মুখের ভেতরে এক্সপোজ হয়। তো 'মাইক্রোপ্লাস্টিক মুক্ত টুথপেস্ট' ব্যবহার করে কী লাভ হলো? সেই তো মাইক্রোপ্লাস্টিক ওয়ালা ব্রাশ দিয়েই সেটা ব্যবহার করছেন। পরিমাণে বেশী ফ্লোরাইড মানুষের মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। বাচ্চাদের ব্রেইন ডেভেলপে বাধা দেয় এই ফ্লোরাইড। মানুষকে ডাম্ব করে ফেলে। স্টাডিতে পাওয়া গেছে, ফ্লোরাইড এক্সপোজড বাচ্চাদের আইকিউ কম হয়। এজন্য বাচ্চাদের টুথপেস্টে ফ্লোরাইড খুবই কম রাখা হয়। একজন গবেষকের একটা ভিডিও দেখেছিলাম, এই মুহুর্তে তার নাম মনে পড়ছে না। সেখানে সে বলেছিল- সুপারমার্কেটের সবচেয়ে ক্ষতিকর আইল হলো টুথপেস্টের আইল। তো ফ্লোরাইড হলো টুথপেস্টের অন্যতম একটা উপাদান। আপনি মাইক্রোপ্লাস্টিক থেকেও বাঁচবেন কীভাবে? ফ্লোরাইড থেকেও বাঁচবেন কীভাবে? এজন্য কিছু বছর আগে আমি জয়তুন গাছের মিসওয়াক ধরেছি। খুব অল্প স্বল্প করে, একেবারে না করলেই নয় হিসেবে ব্রাশ করি। মূলত ব্যবহার করি মিসওয়াক। গতমাসে একটা মিসওয়াক কিনেছি, ১০০ টাকা দিয়ে। ব্যবহার করে খুবই আরাম।

iTahmid
11 469
🚨🟢 Hamas: — In the name of Allah, the Most Gracious, the Most Merciful. The Islamic Resistance Movement Hamas announces the election of brother fighter Khalil Al-Hayya as head of the movement's Political Bureau, succeeding the martyr commander Yahya Sinwar. Monday, 20/07/2026 AD Corresponding to: 06 Safar 1448 AH

iTahmid
11 469
দিল্লীতে সরকার বিরোধী আন্দোলনকারীদের পেটাচ্ছে রাষ্ট্রীয় বাহিনী।

iTahmid
11 469
এশিয়া থেকে ইউরোপ, মিডল ইস্ট থেকে আফ্রিকা, আমেরিকা থেকে ওশেনিয়া সবখানেই প্রো ফিলিস্তিনীরা বিশ্বকাপে কয়েকদিন ধরে দুটো জিনিস চেয়েছে। আর্জেন্টিনার হার, স্পেনের বিজয়। স্পেনের জায়গায় অন্য কোনো দেশ হলে শুধু হয়তো আর্জেন্টিনার হারই চাইতো। কিন্তু দেশটা স্পেন হওয়ায় স্পেনের জয় চেয়েছে। আয়ারল্যান্ড হলেও চাইতো। দুনিয়া জুড়ে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে, জায়োনিস্ট সিম্প্যাথাইজাররা বাদে— প্রো ফিলিস্তিনী ডান বাম, সবাই চেয়েছে নেতানিয়াহুর পছন্দের দলের পরাজয় এবং স্পেনের বিজয়। আর্জেন্টিনার পরাজয় এবং স্পেনের জয়ের পর সারা পৃথিবীতে প্রো প্যালেস্টাইনীরা স্পেনের পতাকা নিয়ে সেলিব্রেট করছে। ফিলিস্তিনীরা স্পেনের পতাকা উড়িয়ে রাস্তায় উদযাপন করছে। স্প্যানিশরা সেলিব্রেট করছে ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে। এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এবারও বাংলাদেশের নাম এসেছে। অবশ্যই রং সাইডে। খারাপভাবে। ইজ্রাইল আর্জেন্টিনার সাথে বাংলাদেশ নিয়েও ট্রল হচ্ছে। বলা হচ্ছে হচ্ছে, আর্জেন্টিনার হারে ইজ্রাইলের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশী কষ্ট পেয়েছে বাংলাদেশীরা। টুইটারে ইজ্রাইলের সাথে সাথে বাংলাদেশ নিয়েও সমানে ট্রল করছে প্রো ফিলিস্তিনীরা।

iTahmid
11 469
ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়ে স্পেনের জয় উদযাপন করছে স্প্যানিশরা।

iTahmid
11 469
photo content

iTahmid
11 469
আমেরিকা এর আগে দুইবার ইরানে সরাসরি অভিযান চালাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরেছে। অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, ইউরেনিয়াম সম্মৃদ্ধ পারমাণবিক সরঞ্জাম ইরানের হাত থেকে উদ্ধার করে নিয়ে চলে আসা। কিন্তু একবার তুর্কী ইন্টেলিজেন্স ইরানকে জানিয়ে দেয় এবং এরদোয়ান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেশার ক্রিয়েট করে অভিযান বন্ধ করতে রাজী করায়। আরেকবার স্পেশাল ফোর্স ব্যর্থ হয়ে ফিরে। কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক সমর বিশ্লেষকরা বলছেন, আমেরিকা হয়তো তৃতীয়বারের মত গ্রাউন্ড ফোর্স পাঠিয়ে অভিযান চালাতে পারে।

iTahmid
11 469
আমেরিকা ইরানে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে।

iTahmid
11 469
আরাকান থেকে পালাতে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে নৌকা ডুবে সাড়ে ৫শ রোহিঙ্গা মারা গেছে। নির্যাতন, নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে পালাচ্ছিল। তাও শেষ রক্ষা হলো না।

iTahmid
11 469
এই সময় রোনাল্ড রিগানের প্রশাসন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে। আর্জেন্টিনা ভেবেছিল, লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় মিত্র আর্জেন্টিনার পক্ষেই আমেরিকা থাকবে। আমেরিকার প্রস্তাব ছিল, প্রথমে আর্জেন্টিনার সেনা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তারপর দ্বীপের জনগণের মতামত নিয়ে, তারা যা চায় সেটাই হবে। এটা মার্গারেট থ্যাচার মেনে নিলেও আর্জেন্টিনা মানতে নারাজ। তারা বলে সেনা প্রত্যাহার হবেনা। আর্জেন্টিনার কর্তৃত্ব স্বীকার করতে হবে, আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে হবে। জাতিসংঘ প্রস্তাব দেয় যুদ্ধ বন্ধ করে, সৈন্য প্রত্যাহার করে, উভয় পক্ষ আলোচনায় বসতে। আর্জেন্টিনার সামরিক শাসক জেনারেল গালতিয়েরির একগুঁয়েমির কারণে সমঝোতা চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার ধারণা ছিল, বৃটেন যুদ্ধ করতে পারবে না। আর আমেরিকা আর্জেন্টিনার পক্ষেই থাকবে। কিন্তু সমঝোতা চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় আমেরিকা সরাসরি বৃটেনে পক্ষে নেয়। যুদ্ধে আর্জেন্টিনা পরাজিত হয়। ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সেনা নিহত হয়। বন্দী হয় ১১ হাজার আর্জেন্টাইন সেনা। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ১৪ জুন ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা আত্মসমর্পণ করে বৃটেনের কাছে। যুদ্ধে ৩ জন ফকল্যান্ডবাসীও মারা যায়। ফকল্যান্ড থেকে ৩৭০ কিলোমিটার বৃটেনের ইকোনমিক জোন ঘোষণা করেন মার্গারেট থ্যাচার। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসকের পতন ঘটে। জনপ্রিয়তার তলানীতে থাকা মার্গারেট থ্যাচার এবং তার দল বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রী হন। পরে ২০১৩ সালে ফকল্যান্ড দ্বীপে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্ন ছিল, তারা বৃটেনের ওভারসীজ টেরিটরি হিসেবে থাকতে চায় কিনা। গণভোটে ৯৯% এর বেশী মানুষ বৃটেনের পক্ষে থাকার জন্য ভোট দেয়। দ্বীপের ৭% মানুষ স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে।

iTahmid
11 469
১৬৯০ সালে জন স্ট্রং নামের একজন ইংরেজ নাবিক আটলান্টিক মহাসাগরের দুটি দ্বীপের মাঝখান দিয়ে জাহাজ চালিয়ে যান। স্কটল্যান্ডের অভিজাত পরিবারের সম্ভ্রান্ত পুরুষ অ্যান্থনী ক্যারী পঞ্চম ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ডের নামে। পঞ্চম ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ড বৃটিশ নৌবাহিনীর একজন উচ্চস্তরের পৃষ্ঠপোষক। বৃটিশ নাবিক জন স্ট্রং এই প্রণালীটা দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় নামকরণ করে ফকল্যান্ড সাউন্ড। তার ৭৫ বছর পর ফ্রেঞ্চরা চিন্তা করলো, আটলান্টিকে এই দ্বীপ ফেলে রেখে কী লাভ! আমরা বসতি স্থাপন করি। এই বলে তারা বসতি স্থাপন করলো। বৃটিশরা চিন্তা করলো, দ্বীপগুলা আবিষ্কার করলাম আমরা। নামকরণ করলাম আমরা। আর বসতি স্থাপন করছে ফ্রান্স। তাহলে আমরা বসে আছি কেন? তারপর জনবসতিহীন দুটি পাশাপাশি দ্বীপে ১৭৬৪ এবং ১৭৬৫ সালে বসতি স্থাপন করে বৃটিশ এবং ফ্রেঞ্চরা। দ্বীপ দুটোতে এতদিন নাবিকরা মাঝেমধ্যে জাহাজ নোঙ্গর করে বিশ্রাম নিত। কিন্তু কেউ জনবসতি স্থাপন করেনি। ফ্রেঞ্চদের বসতি স্থাপন করা দ্বীপটির নাম ইস্ট ফকল্যান্ড, বৃটিশদের বসতি স্থাপন করা দ্বীপটার নাম ওয়েস্ট ফকল্যান্ড। ফ্রেঞ্চরা ভাবলো, আমরা যখন বসতি স্থাপন করেই ফেলেছি, তাহলে বৃটিশদের দেয়া নাম রাখবো কেন! ফ্রান্সেএ বন্দর নগরী সেন্ট মালো থেকে আসা লোকেরা তাদের বসতি স্থাপন করা ইস্ট ফকল্যান্ড দ্বীপটার নাম দিল Malouines। পরে ফ্রান্সের কাছ থেকে দ্বীপের দখল নেয় স্প্যানিশরা। স্প্যানিশ ভাষায় Malouines হয়ে যায় Malvinas। ফলে দ্বীপের এক পাশে বৃটিশ সাম্রাজ্য, অন্যপাশে স্প্যানিশ। ১৭৭০ সালের দিকে বৃটিশরা বিপুল অর্থব্যয় সামলাতে পারছিল না, অর্থনৈতিক ব্যয় সামলাতে না পেরে অনেকগুলো জায়গা থেকে নিজেদের সৈন্য সরিয়ে নেয়, ঘাঁটিগুলো বন্ধ করে দেয়। ১৭৭৪ সালে বৃটেন ফকল্যান্ড থেকে নৌঘাঁটি এবং সেনা বসতি প্রত্যাহার করে নেয়। বৃটিশরা ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার পর স্পেন পুরো দ্বীপপুঞ্জের কন্ট্রোল নিয়ে নেয়। কিন্তু বৃটেন দ্বীপের মালিকানার দাবী ত্যাগ করে নাই। তারা বলেছিল, আমরা আবার ফিরে আসবো। ব্রিটিশরা চলে যাওয়ার পর স্পেন দ্বীপপুঞ্জে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। পরে ১৮১১ সালে স্পেনও তাদের গ্যারিসন প্রত্যাহার করে নেয়। ১৮১৫ থেকে ১৮২৫ সালের মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকা ছেড়ে চলে যায়। ১৮১৬ সালে আর্জেন্টিনা স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। আর্জেন্টিনা দাবী করে বসে- যেহেতু আর্জেন্টিনার মত ফকল্যান্ডও স্প্যানিশদের উপনিবেশ ছিল, তাই ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার। ১৮২০ এর দশকে আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দখলে নেয়া এবং কর্তৃত্ত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। কিন্তু ১৮৩৩ সালে বৃটিশরা আবার ফিরে এসে দ্বীপের দখল নেয়। এভাবেই চলছিল দেড়শ বছর। ১৯৮২সালে আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসক জেনারেল লিওপল্ডো গালতিয়েরির জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে। অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামরিক সরকার প্রায় পর্যুদস্ত। জনগণের বিরুদ্ধে ডার্টি ওয়ার চালাচ্ছিল সরকার। সরকারী বিরোধী হাজার হাজার মানুষকে গুম, হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন চালাচ্ছি। ফলে জান্তা সরকারের জনপ্রিয়তা একেবারে তলানীতে চলে যায়। তখন জেনারেল লিওপল্ডো গালতিয়েরি চিন্তা করলো, দেশের মানুষের মধ্যে একটু দেশপ্রেম এবং জাতীয়তাবাদের নেশা জাগিয়ে দিই। দেশের মানুষের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে জেনারেল গালতিয়েরির মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো। ভাবলো- ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ বৃটেনের হাত থেকে দখল করে নিই। তাহলে জনপ্রিয়তা আবার তুঙ্গে চলে যাবে। ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা বৃটেন এই দ্বীপ আর উদ্ধার করতে পারবে না। বৃটেনকে এপ্রিল ফুল দেয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিল আর্জেন্টাইন নেভী। পৌঁছাতে পৌঁছাতে অবশ্য সেকেন্ড এপ্রিল হয়ে গেল। ১৯৮২ সালের ২রা এপ্রিল শুরু হলো, আর্জেন্টিনার অপারেশন রোজারিও। সেখানে কার্যত কোনো বৃটিশ আর্মী বা নেভী ছিল না। মাত্র অল্প, কয়েক ডজন রয়েল মেরিন সেখানে অবস্থান করছিল। খুব অল্প সময়েই আর্জেন্টাইন বাহিনী ফকল্যান্ড দখল করে ফেলে। প্রথমবারের মত ফকল্যান্ড সরাসরি আর্জেন্টিনার দখলে আসে। আর্জেন্টিনায় শুরু হয় বিশাল উদযাপন। রাজধানী বুয়েন্স আইরেস এ হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। সামরিক সরকার মনে করলো, কাজ হয়ে গেছে। অন্যদিকে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী তখন মার্গারেট থ্যাচার। তার দেশেও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। বেকারত্ব বাড়ছে, চাকরী নাই। ফলে সরকারের জনপ্রিয়তা কমছিল। তখনই আর্জেন্টিনা বৃটিশদের কাছ থেকে ফকল্যান্ড দখল করে নেয়। মার্গারেট থ্যাচার ঘোষণা দেয়- ব্রিটিশ ভূখণ্ড সামরিক শক্তি দিয়ে দখল করা হয়েছে। এটি মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সাথে সাথে নেভাল টাস্ক ফোর্স রেডি করেন। কিন্তু সমস্যা অনেক ভয়াবহ। লন্ডন থেকে ফকল্যান্ড ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে। এত দূরে গিয়ে যুদ্ধ করা শুধু কঠিনই না, প্রায় অসম্ভব। তারপরও বৃটেন ১০০টির বেশী যুদ্ধজাহাজ নিয়ে আটলান্টিকের দিকে যাত্রা শুরু করে।

iTahmid
11 469
ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচ জিতেই আর্জেন্টাইন প্লেয়াররা ফকল্যান্ড দাবী করে বসে আছে। কিন্তু ফুটবল তো রিয়েল যুদ্ধ না, সার্কাস। এখানে
ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচ জিতেই আর্জেন্টাইন প্লেয়াররা ফকল্যান্ড দাবী করে বসে আছে। কিন্তু ফুটবল তো রিয়েল যুদ্ধ না, সার্কাস। এখানে জিতলে গরীব সমর্থকরা নেশাগ্রস্ত হয়, ফুটবলাররা টাকা পায়। রিয়েল যুদ্ধ জেতা যায় না। সাহস থাকলে গতবারের মত আবার ফকল্যান্ড দখল করতে যাক, ইংল্যান্ড একেবারে ছাতু বানায়ে দেবে।

iTahmid
11 469
ইরানের হামাদান প্রদেশে সারারাত বম্বিং করেছে আমেরিকা।

iTahmid
11 469
গতরাতে বিশ্ব যখন ফুটবল ম্যাচে বুঁদ হয়ে আছে, তখন ইজ্রাইলী ফোর্স গাযায় বিমান হামলা চালিয়েছে।

iTahmid
11 469
জর্দানে আমেরিকার ফাইটার জেট স্টোরেজে হামলা চালিয়েছে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড।

iTahmid
11 469
কাল রাতে পশ্চিম তীরে ইজরাইলী ফোর্স রাতের বেলা ৩ জন ফিলিস্তিনীকে কোনো কথা ছাড়াই ঘর থেকে তুলে নিয়ে চলে গেছে।

iTahmid
11 469
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বলেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের বাহরাইন, কুয়েত এবং মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।

iTahmid
11 469
মার্কিন হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৪০ ছাড়িয়েছে।

iTahmid
11 469
The US military has launched a second wave of strikes against Iran, with CENTCOM saying they “are targeting Iranian military capabilities used to threaten vessels freely transiting through the Strait of Hormuz”।

iTahmid
11 469
ইরানের আরেকটি ক্যান্সার হাসপাতাল লক্ষ্য করে মিসাইল ছুঁড়েছে আমেরিকা।