uk
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Відкрити в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 11 319 підписників, посідаючи 7 894 місце в категорії Релігія і духовність та 2 062 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 11 319 підписників.

За останніми даними від 31 серпня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 58, а за останні 24 години на -7, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 13.99%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 5.84% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 1 584 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 661 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 37.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 01 вересня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

11 319
Підписники
-724 години
-47 днів
+5830 день
Архів дописів
কেউ যদি ইসলাম ছাড়া সেকুলারিজম, গণতন্ত্র বা অন্যকিছু প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করে তাহলে তার ঈমান থাকবে না। -চরমোনাই পীর ফয়জুল করিম সাহেব (উনার এই কথাগুলোর সাথে একমত, এবং কথাগুলো সুন্দরও। আল্লাহ উনাকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। হা, এখন উনারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যে পথ বেছে নিয়েছে, সেটাকে আমরা বাস্তবতা ও দলিলের কারণে উপযোগি ও কার্যকরী মনে করি না। বরং এই পথে শ্রম যাবে কোনো ফল আসবে না বলে মনে করি। কিন্তু আমরা আশা রাখি ইমানের এই কথাগুলো উনারা নিয়মিত উচ্চারণ করবেন এবং একজন দায়ী হিসেবে আওয়ামী, বিএনপির কাছেও পৌঁছাবেন, ‘যে উদ্দেশ্যে আপনারা রাজনীতি করছেন এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে জাহান্নামী হবেন।’

ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষের জন্য এটা বিশাল সুসংবাদ। মেঙ্গল সাহেবের মত গাইরাতবান আলেমের সোহবত আমাদের খুবই প্রয়ো
ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষের জন্য এটা বিশাল সুসংবাদ। মেঙ্গল সাহেবের মত গাইরাতবান আলেমের সোহবত আমাদের খুবই প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ যদি কোনো আফাত না আসে৷ তাহলে অবশ্যই হযরতকে সচক্ষে একবার দেখার জন্য যাবো মাহফিলে।

এখন আমরা যারা দুর্বল এবং বিভিন্ন কারণে সরাসরি যু*দ্ধ জি/হা/দে অংশগ্রহণ করতে পারছি না বা পারার মতো ক্ষমতা ও সাহস রাখছি না তারা আল্লাহ তা'আলার কাছে কখন ওজরপ্রাপ্ত হবো? এক কথায় মু*জাহি*দদের প্রতি কল্যাণকামিতা রাখা এবং নিজের মাঝে আফসোসে অনুভূতি রাখার দ্বারা। পাশাপাশি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণের চেষ্টার দ্বারা। আর সেটা হবে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে তাদেরকে সাহায্য করা এবং বিরোধিতা না করার মাধ্যমে। (ইলমী আলাপ ও নকদ ভিন্ন ব্যাপার। সেটা নিঃসন্দেহে চলবে। তবে ইনসাফের সাথে)। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, لَیۡسَ عَلَی الضُّعَفَآءِ وَلَا عَلَی الۡمَرۡضٰی وَلَا عَلَی الَّذِیۡنَ لَا یَجِدُوۡنَ مَا یُنۡفِقُوۡنَ حَرَجٌ اِذَا نَصَحُوۡا لِلّٰہِ وَرَسُوۡلِہٖ ؕ  مَا عَلَی الۡمُحۡسِنِیۡنَ مِنۡ سَبِیۡلٍ ؕ  وَاللّٰہُ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ ۙ وَّلَا عَلَی الَّذِیۡنَ اِذَا مَاۤ اَتَوۡکَ لِتَحۡمِلَہُمۡ قُلۡتَ لَاۤ اَجِدُ مَاۤ اَحۡمِلُکُمۡ عَلَیۡہِ ۪  تَوَلَّوۡا وَّاَعۡیُنُہُمۡ تَفِیۡضُ مِنَ الدَّمۡعِ حَزَنًا اَلَّا یَجِدُوۡا مَا یُنۡفِقُوۡنَ ؕ দুর্বল লোকদের (জিহাদে না যাওয়াতে) কোনও গুনাহ নেই এবং পীড়িত ও সেই সকল লোকেরও নয়, যাদের কাছে খরচ করার মত কিছু নেই, যদি তারা আল্লাহ ও তার রাসূলের প্রতি অকৃত্রিম থাকে। সৎ লোকদের সম্পর্কে কোনও অভিযোগ নেই। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। সেই সকল লোকেরও (কোনও গুনাহ) নেই, যাদের অবস্থা এই যে, তুমি তাদের জন্য কোন বাহনের ব্যবস্থা করবে যখন এই আশায় তারা তোমার কাছে আসল আর তুমি বললে, আমার কাছে তো তোমাদেরকে দেওয়ার মত কোন বাহন নেই, তখন তাদের কাছে খরচ করার মত কিছু না থাকার দুঃখে তারা এভাবে ফিরে গেল যে, তাদের চোখ থেকে অশ্রু ঝরছিল। (সুরা তাওবাঃ ৯১-৯২) ইমাম আবু বকর আল জাসসাস রহিমাহুল্লাহ আহকামুল কুরআনে এর ব্যাখ্যায় বলেছেন বলেছেন, فذكر الضعفاء وهم الذين يضعفون عن الجهاد بأنفسهم لزمانة، أو عمى، أو سن، أو ضعف في الجسم، وذكر المرضى وهم الذين بهم أعلال مانعة من النهوض، والخروج للقتال، وعذر الفقراء الذين لا يجدون ما ينفقون، وكان عذر هؤلاء ومدحهم بشريطة النصح لله ورسوله; لأن من تخلف منهم وهو غير ناصح لله ورسوله بل يريد التضريب والسعي في إفساد قلوب من بالمدينة لكان مذموما مستحقا للعقاب. ومن النصح لله تعالى حث المسلمين على الجهاد وترغيبهم فيه والسعي في إصلاح ذات بينهم ونحوه مما يعود بالنفع على الدين، ويكون مع ذلك مخلصا لعمله من الغش; لأن ذلك هو النصح، ومنه التوبة النصوح. (أحكام القرآن: ٣/٨٦، ط: دار الكتب العلمية) অর্থাৎ, তাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যারা দুর্বল, অর্থাৎ যারা শারীরিক কারণে নিজেরা উপস্থিত হয়ে জি*হাদে অংশ নিতে অক্ষম—যেমন পঙ্গু হওয়া, অন্ধত্ব, বার্ধক্য বা শারীরিক দুর্বলতা। এরপর অসুস্থদের উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে এমন রোগ রয়েছে যা তাদের জিহাদের জন্য উঠতে-বসতে বা যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে বাধা দেয়। তৃতীয়ত, দরিদ্রদেরকে অপারগ ধরা হয়েছে, যারা যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করতে অক্ষম। তবে এই সকল শ্রেণী মানুষের অজুহাত গ্রহণযোগ্য এবং প্রশংসনীয় তখনই, যদি তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি আন্তরিক থাকে। কারণ, যদি তাদের মধ্যে কেউ পিছিয়ে থাকে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি আন্তরিক ও কল্যাণকামী না হয়, বরং মুসলমানদের বিভ্রান্ত করতে এবং মদিনার মানুষের মনে অস্থিরতা ছড়াতে চায়, তাহলে সে নিন্দনীয় এবং শাস্তির যোগ্য হবে। আল্লাহর প্রতি কল্যাণকামিতার কিছু দিক হলো, মুসলমানদের জিহাদের জন্য উৎসাহিত করা, তাদের এতে আগ্রহী করে তোলা, মুসলমানদের মধ্যে সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা করা যেগুলো দীনের জন্য উপকারী কাজ বলে গণ্য হবে। এছাড়াও, এর সাথে নিজের কাজকে প্রতারণামুক্ত এবং পুরোপুরি নিষ্ঠাবান হওয়া জরুরি; কেননা এটি-ই প্রকৃত আন্তরিকতা। আর এর অন্তর্ভুক্ত হলো খাঁটি তাওবা। (আহকামুল কুরআনঃ ৩/৮৬) আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে বোঝার তাওফীক দান করুন।

লেখেছেন প্রিয় আবু উসামা জাফর দাওয়াত ও তাবলীগে অনেক আগে থেকেই জিহাদ ও কি তাল বিষয়ে আয়াতগুলোর তাহরীফ ও অপব্যাখ্যা চলে আসছিল। এক্ষেত্রে ইতাআতী আর ওয়াজাহাতী মধ্যে কোনো পার্থক্য ছিল না। এমনকি অনেক বড় বড় মুরুব্বির পক্ষ থেকেও বিভিন্ন তাহরীফ চোখে পড়েছে। মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহিমাহুল্লাহ রহঃ, মুফতী তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহসহ মুহাক্কিক উলামায়ে বিষয়গুলো বিভিন্ন সময় তুলে ধরেছেন। কিন্তু এতদসত্ত্বেও আমরা তাবলীগ জামাতকে কখনও নিজেদের প্রতিপক্ষ বানাইনি। তাদেরকে ছুড়ে ফেলে দেইনি। বরং আমরা সবসময় এটাই বলে এসেছি যে তাবলীগে আমাদের আরও বেশি বেশি সময় লাগাতে হবে। মুহাক্কিক আলেমদের সেখানে বেশি বেশি যেতে হবে। নিজ এলাকার কমপক্ষে দৈনন্দিন তালিম আলেমদের হাতে রাখতে হবে। তাদের সাথে মিশে তাহরীফগুলো দূর করতে হবে। এবং ইসলামী শরীয়তের তাকাযাও এটাই। মুজাদ্দিদে আলফে সানী রহিমাহুল্লাহ তার সময় সূফীবাদের নামে যে সকল ভন্ডামি ও উল্টাপাল্টা চলছিল সেগুলো দূর করার জন্য তাসাউফ এর বিরোধিতা করেননি, সুফিদেরকে দূরে সরিয়ে দেননি। বরং তিনি নিজে তাসাউফের সঠিক দীক্ষা মানুষকে দিয়েছেন, সংস্কার করেছেন। আর এজন্যই তিনি মুজাদ্দিদ হয়েছেন। কিন্তু আফসোসের ব্যাপার হলো, জি*হাদের বিষয়ে যদি মু*জা*হিদরা ভুল করে বা কোনো মাসআলায় ভিন্ন মত অবলম্বন করে তাহলে আমরা একেবারে ধুয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। যেন তাদের পক্ষ থেকে ভুল হওয়া যাবেই না! এক্ষেত্রে আমরা কেন যেন তাবলীগ ও তাসাওউফের মত অবস্থান ধরে রাখতে পারি না। এর এক জলজ্যান্ত উদাহরণ আমরা দেখেছিলাম পা*কি*স্তানের কোন এক সামরিক স্কুলে টি*টি*পির একটা হামলা নিয়ে। সেটা নিয়ে এদেশে মিছিল পর্যন্ত হয়েছিল! নামকরা কিছু মাসিক ম্যাগাজিনে তাদের বিরুদ্ধে জঘন্যভাবে নিন্দা ও কটুবাক্যের হামলা করা হয়েছিল। অথচ এর কয়েকদিন আগেই পাকিস্তানের নাপাক সেনারা কাবাইলীদের নারী শিশুদের পাইকারি হারে হত্যা করেছিল এবং কত হাজার হত্যা করেছিল তার সঠিক হিসাব এই মুহূর্তে মনে নেই। সেটা নিয়ে তাদেরকে টু শব্দটিও করতে দেখা যায়নি। পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর ৮১ বছরের আকাম কুকাম সম্পর্কে কোনো বক্তব্য তাদেরকে দিতে দেখিনি। কিন্তু টি*টি*পির সমালোচনার ক্ষেত্রে সামান্যতম কার্পণ্যও দেখা যায়নি। অথচ পুরো সমালোচনা করা হয়েছে পাকিস্তানের মিডিয়ার উপর ভরসা করে। সংবাদগুলোও যাচাই করা হয়নি! অথচ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَإٍ فَتَبَيَّنُوا أَنْ تُصِيبُوا قَوْمًا بِجَهَالَةٍ فَتُصْبِحُوا عَلَىٰ مَا فَعَلْتُمْ نَادِمِينَ (سورة الحجرات: 6) অনুবাদ: "হে ঈমানদারগণ! যদি কোনো পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা ভালোভাবে যাচাই করো, যাতে তোমরা অজ্ঞতার বশবর্তী হয়ে কোনো সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত হানো না, ফলে তোমরা যা করেছ তার জন্য অনুতপ্ত হতে না হয়।" তখন নাকি নাবালেগ শিশুদেরকে হত্যা করা হয়েছিল। পরে দেখা গেল একেকজন শিশুর (?!) বয়স ২০-২৫ বছরের মত! এই হামলার বৈধতা সম্পর্কে যথেষ্ঠ দলিল দেওয়া সম্ভব। পাকিস্তানের সামরিক স্কুলগুলো সামরিক ট্রেনিংয়ের একটা জায়গা। তারা ত্বায়িফায়ে মুমতানিয়ার হারবী হওয়ায় সন্দেহ নেই। হ্যাঁ কূটনৈতিক দিক থেকে ও কৌশলগতভাবে হামলাটি উপযুক্ত ছিল কিনা সেটা ভিন্ন বিষয়। সেটাকে আমরা কৌশল কথা ভুল বলতে পারি। আর এমন কৌশলগত ভুল সাহাবীদেরও হয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে কারীমে তাদের সমালোচনাও করেছেন আবার ক্ষমাও করেছেন। কিন্তু তাদেরকে দূরে সরিয়ে দেননি। উহুদ যুদ্ধের ঘটনা এক্ষেত্রে আমাদের সামনে অনেক বড় প্রমাণ। এমনিভাবে খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ, উসামা বিন যায়েদ প্রমুখ সাহাবীর যুদ্ধের ময়দানে কিছু অসতর্ক হত্যা ও আক্রমণের কাজ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক্ষেত্রে তাদেরকে তিরস্কার করলেও দূরে ফেলে দেননি। তাদেরকে সংশোধন করেছেন। উম্মাহর উলামায়ে কেরাম যদি মু*জা*হিদদেরকে কল্যাণ কামনা করে শক্ত নরম ভাবে নসীহত করেন, তাদেরকে ভালোবেসে মৃদু ভর্ৎসনা করেন, এমনকি কখনও সুযোগ হলে সামনে পেলে একটা থাপ্পড় দিয়ে বুকে টেনে বুঝিয়ে দেন তাহলে ওয়াল্লাহি তারা মাথা পেতে নিবে। তারা সব সময় আলেমদের দিক নির্দেশনা চায়। কিন্তু সেটা চাই কল্যাণকামিতার সাথে। দূরে ঠেলে দেওয়ার সাথে নয়। কোন সন্দেহ নেই এই যুগে মুসলিমরা অনেক বেশি দুর্বল। আর এই দুর্বলতার যুগে সবাই একসাথে একযোগে জি*হাদ (সরাসরি যু*দ্ধ অর্থে) করবে এটাও সম্ভব নয়। জিহাদ যেমন আমাদের জন্য ফরজে আইন (ব্যাপকার্থে, বিশেষ অর্থে না), তেমনি আরো অনেক ফরজে আইন আমাদের সামনে রয়েছে। প্রতিটি ফরজ আদায় করার জন্য যোগ্য যোগ্য লোকবল, মেধা ও ফিল্ডের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে কার কাজ বেশি অগ্রগামী কার কাজ কম অগ্রগামী এমন তুলনা করার মত সময় নেই। বরং একে অপরের সহযোগী হয়ে প্রতিটি কাজে সবাইকে সহযোগিতা করাই সময়ের দাবী।

বছরের প্রথমদিন এমন সুসংবাদ দিয়ে শুরু হলো! বলদ নাপাক বাহিনী, মৌছাকের চাকে ডিল মেরে এখন আপার জয়বাংলা হচ্ছে!
বছরের প্রথমদিন এমন সুসংবাদ দিয়ে শুরু হলো! বলদ নাপাক বাহিনী, মৌছাকের চাকে ডিল মেরে এখন আপার জয়বাংলা হচ্ছে!

বাংলাদেশ ভারতের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, ইন্ডিয়ার সরাসরি বাংলাদেশে আক্রমণ সম্ভবনাসহ অনেকগুলো বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সাবেক একজন আর্মি আলোচনা করেছেন। আলোচনাটা শুনা দরকার ও শুনানোও দরকার। *আলোচনাটা সুন্দর ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝার জন্য, এছাড়া ধর্মীয় অন্যান্য বিষয় না। https://youtu.be/3_AF5hDYzqo?si=5Or04SsIEO3OlrYF

এগুলোর পর কী ভিডিও এসেছিলো? কেউ কী স্পষ্ট ভাষায় ফরিদ মাসুদকে আহলুস সুন্নাহ থেকে বের করেছিলো? আসলে গরিব পিডাইয়া বহুত মজারে ভাই!

হযরত আবুল বাশার সাইফুল সাহেবের সমীপে কিছু আকুতি! . হযরত! আপনি বাংলাদেশের অসংখ্য আলেমের উস্তাদ উস্তাজুল আসাতিজা, আপনার বহু ছাত্রের ছাত্র হওয়ার মত যোগ্যতাও হয়ত আমার নাই। তবে আজকে আপনার ভিডিওটি দেখে বেশ কষ্ট পেলাম। কষ্ট কারণ এটা না যে, আপনি এই ভিডিওতে ভুল বলেছেন বরং কষ্টের কারণটা একটু ভিন্ন। . হযরত! রফিকুল ইসলাম (মাদানী) যে কথাগুলো বলেছে, সেটার উসলুবটা দৃষ্টিকটু ছিলো, বা কিছুটা ভুল বুঝাবুঝিরও সুযোগ আছে, কিন্তু তার কথাটার একটি বাস্তবতাও আছে। কিছু ক্ষেত্রও আছে। এবং আপনিও বলেছেন কোনো কোনো আলেম থেকে এমন বক্তব্য আছে। এখন যদি কেউ সে বক্তব্য ও শরয়ী বিভিন্ন নসের আলোকে জিহাদকে সর্বোত্তম বলে ফেলে তাহলে এরকারণে তাকে রীতিমতো গোমরাহি বলাটাও তো ভয়ংকর! আমার তো বিষয়টি এমনি মনে হয়েছে, কিন্তু বিষয়টাকে কস্মিনকালেও এমন মনে হয়নি যে, এই কারণে রফিকুল ইসলাম বিশাল কোনো গোমরাহি ছড়িয়ে ফেলেছে জিহাদের নামে, যার কারণে ‘আবুল বাশার সাইফুল সাহেব’-এর মত মহান ব্যক্তি একদম ভিডিওসহ নাম নিয়ে এর রদ করতে হবে! হযরত! আমি ভিডিও থেকে যতটুকু বুঝেছি, জিহাদের মাহাত্ম্য বুঝাতেই মূলত রফিকুল ইসলাম এমন বলেছে। সেটা বলতে গিয়ে সে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে কিছুটা। এমন তো প্রায় অনেকেই এদেশে করে থাকে। নিজে যে কাজকে বেশি কিছু মনে করে সেটার মাহাত্ম্য বুঝাতে কত কিছুই বলে, যারকিছু তো রীতিমতো বিকৃতি ও গোমরাহি। এই তো কয়েকবছর আগে মিজানুর রহমান সাইদ সাহেব চরমোনাইয়ের মাহফিলে গিয়ে জোর গলায় বলে আসলো, যারা চরমোনাইয়ের বিরোধিতা করবে ইমান থাকবে না। কত ভয়ংকর কথা! হযরত তখন কী আপনি এত ভয়ংকর কথার এভাবে নামসহ, ভিডিওসহ খন্ডন করেছিলেন? নাকি মিজান সাহেব বড় মানুষ তাই তারটা গোপনে বলতে হবে, নিজ গন্ডিতে বলতে হবে আর রফিক ছোট মানুষ, এটারে পিডাইলেই বা কে কি বলবে, গরিব পিডাইলে কার কী, এমন কিছু। হযরত! জিহাদের কথাটাই যদি বলি, জিহাদের মত মহান ফরজ নিয়ে কত বিকৃতি আমাদের সমাজে চলে। কত বড় বড় মহান ব্যক্তিরাও এই বিকৃতি করে যাচ্ছে এবং তা হচ্ছে প্রকাশ্যে আরো বেশি জনগণের সামনে, তখন কিন্তু আপনার বা রিসালাতুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো আওয়াজ দেখা যায় না! হযরত! জিহাদের পক্ষে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে আপনি যতটা ক্ষেপে যান, কিন্তু জিহাদের বিপক্ষে অসংখ্য বিকৃতি হলেও তো আপনাদের এমন জোসওয়ালা পদক্ষেপ দেখা যায় না। রফিকের ভিডিওর ব্যাপারে একদিনের মধ্যে যেমন তার নাম ও ভিডিওসহ রদ দিয়ে ফেললেন, জিহাদের বিকৃত নিয়ে কী এমনটা করেন? আপনার উস্তাদ ফরিদ মাসুদের জিহাদ বিকৃতি নিয়ে কী আজ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেছেন? তার নাম নিয়ে কোথাও কোনো লেখালেখি, ভিডিও কী করেছেন? হযরত আমার ক্ষুদ্র নজরে তো পড়েনি! এই তো সম্প্রতি মুহতারাম আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেব জিহাদের কতগুলো মাসআলা বিকৃত করে তার বইয়ে লেখলো, গণতন্ত্রকে ইসলামাইজেশন করে দিলো, সেগুলো নিয়ে কি কোথাও কোনো কথা বলেছেন? বরং আমরা তো জানি আপনার ও তাহমিদুল মাওলা সাহেবের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মুয়াসসাসাহ থেকে বইটি ছেপেছেন এবং সেটার প্রচারও করছেন? হযরত! বেশ কিছু মানুষের দাবী হলো আপনি মূলত এদেশে জিহাদের যেকোনো কথাকেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখেন এবং এদেশে জিহাদের কথা বলাকে অপছন্দ করেন, আর সে অপছন্দ থেকেই মূলত এত বড় মানুষ হওয়ার পরেও একটা বাচ্চা ছেলের জিহাদ বিষয়ক সামান্য বাড়াবাড়িকে এত বড় করে দেখেছেন। হযরত! আমাকে ক্ষমা করবেন, জানিনা যারা এধরণের দাবী করে তাদের দাবী কতটুকু সত্য বা আপনার বিভিন্ন সময়ের নিরবতা ও আজকের এভাবে বিরোধিতা তাদের কথার পক্ষে তায়ীদ হয় কি না, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এগুলো বিশ্বাস করতে চাই না। আমি চাই, আপনারা আমাদের যেমন ইলম অর্জনে নেতৃত্ব দিবেন তেমনি সেই ইলমের উসুল ও উসলুব মতে জিহাদসহ যাবতীয় দ্বীনি খেদমতেরও নেতৃত্ব দিবেন। আল্লাহ আপনার ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘ করুন।

photo content

হযরত আবুল বাশার সাইফুল সাহেবের সমীপে কিছু আকুতি! হযরত! আপনি বাংলাদেশের অসংখ্য আলেমের উস্তাদ, উস্তাজুল আসাতিজা, আপনার বহু ছাত্রের ছাত্র হওয়ার মত যোগ্যতাও হয়ত আমার নাই। তবে আজকে আপনার ভিডিওটি দেখে বেশ কষ্ট পেলাম। কষ্টের কারণ এটা না যে, আপনি এই ভিডিওতে ভুল বলেছেন বরং কষ্টের কারণটা একটু ভিন্ন। . হযরত! রফিকুল ইসলাম (মাদানী) যে কথাগুলো বলেছে, সেটার উসলুবটা দৃষ্টিকটু ছিলো, বা কিছুটা ভুল বুঝাবুঝিরও সুযোগ আছে, কিন্তু তার কথাটার একটি বাস্তবতাও আছে। কিছু ক্ষেত্রেও আছে। আপনিই তো বলেছেন কারো কারো থেকেও এমন বক্তব্য আছে। এখন সেগুলোর আলোকে ও শরয়ী বিভিন্ন নসের আলোকে জিহাদকে সর্বোত্তম বলে ফেললে এটাকে রীতিমতো গোমরাহি বলাটাও তো ভয়ংকর! আমার তো বিষয়টি এমনি মনে হয়েছে, কিন্তু বিষয়টাকে কস্মিনকালেও এমন মনে হয়নি যে, এই কারণে রফিকুল ইসলাম বিশাল কোনো গোমরাহি ছড়িয়ে ফেলেছে জিহাদের নামে, যার কারণে ‘আবুল বাশার সাইফুল সাহেব’-এর মত মহান ব্যক্তি একদম ভিডিওসহ নাম নিয়ে এর রদ করতে হবে! হযরত! আমি ভিডিও থেকে যতটুকু বুঝেছি, জিহাদের মহত্ম বুঝাতেই মূলত রফিকুল ইসলাম এমন বলেছে, সেটা বলতে গিয়ে সে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে কিছুটা। এমন তো প্রায় অনেকেই এদেশে করে থাকে। নিজে যে কাজকে বেশি কিছু মনে করে সেটার মহত্ম বুঝাতে কত কিছুই বলে, এরকিছু তো রীতিমতো বিকৃতি। এই তো কয়েকবছর আগে মিজানুর রহমান সাইদ সাহেব চরমোনাইয়ের মাহফিলে গিয়ে জোর গলায় বলে আসলো, যারা চরমোনাইয়ের বিরোধিতা করবে ইমান থাকবে না। কত ভয়ংকর কথা, হযরত তখন কী আপনি এত ভয়ংকর কথার এভাবে নামসহ ভিডিওসহ ধরেছিলেন? নাকি মিজান সাহেব বড় মানুষ তাই তারটা গোপনে বলতে হবে, নিজ গন্ডিতে বলতে হবে আর রফিক ছোট মানুষ, এটারে পিডাইলেই বা কে কি বলবে, গরিব পিডাইলে কার কী, এমন কিছু, হযরত! জিহাদের কথাটাই যদি বলি, এই জিহাদের মত মহান ফরজ নিয়ে কয় বিকৃতি আমাদের সমাজে চলে। কত বড় বড় মহান ব্যক্তিরাও এই বিকৃতি করে যাচ্ছে, প্রকাশ্যে আরো বেশি জনগণের সামনে, তখনও কিন্তু আপনার বা রিসালাতুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো আওয়াজ দেখা যায় না! হযরত! জিহাদের পক্ষে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে আপনি যতটা চেতে যান, কিন্তু জিহাদের বিপক্ষে অসংখ্য বিকৃতি হলেও তো আপনাদের তেমন এমন জোসওয়ালা পদক্ষেপ দেখা যায় না। রফিকের ভিডিওর ব্যাপারে একদিনের মধ্যে তযেমন তার নাম ও ভিডিওসহ রদ দিয়ে ফেললেন, জিহাদের বিকৃত নিয়ে কী এমনটা করেন? আপনার উস্তাদ ফরিদ মাসুদের জিহাদ বিকৃতি নিয়ে কী আজ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেছেন? তার নাম নিয়ে কোথাও কোনো লেখালেখি, ভিডিও কী করেছেন? হযরত আমার ক্ষুদ্র নজরে তো পড়েনি! এই তো সম্প্রতি মুহতারাম আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেব জিহাদের কতগুলো মাসআলা বিকৃত করে তার বইয়ে লেখলো, গণতন্ত্রকে ইসলামাইজেশন করে দিলো, সেগুলো নিয়ে কি কোথাও কোনো কথা বলেছেন? বরং আমরা তো জানি আপনার ও তাহমিদুল মাওলা সাহেবের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মুয়াসসাসাহ থেকে বইটি ছেপেছেন এবং সেটার প্রচারও করছেন? হযরত! বেশ কিছু মানুষের দাবী হলো আপনি মূলত এদেশে জিহাদের যেকোনো কথাকেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখেন এবং এদেশে জিহাদের কথা বলাকে অপছন্দ করেন, আর সে অপছন্দ থেকেই মূলত এত বড় মানুষ হওয়ার পরেও একটা বাচ্চা ছেলের জিহাদ বিষয়ক সামান্য বাড়াবাড়িকে এত বড় করে দেখেছেন। হযরত! আমাকে ক্ষমা করবেন, জানিনা যারা এধরণের দাবী করে তাদের দাবী কতটুকু সত্য বা আপনার বিভিন্ন সময়ের নিরবতা ও আজকের এভাবে বিরোধিতা তাদের কথার পক্ষে তায়ীদ হয় কি না, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এগুলো বিশ্বাস করতে চাই না। আমি চাই, আপনারা আমাদের যেমন ইলম অর্জনে নেতৃত্ব দিবেন তেমনি সেই ইলমের উসুল ও উসলুব মতে জিহাদসহ যাবতীয় দ্বীনি খেদমতেরও নেতৃত্ব দিবেন। আল্লাহ আপনার ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘ করুন।

Repost from News Box Bangla
হিজবুল ইসলামি তুর্কিস্তানির (টিআইপি) কেন্দ্রীয় শুরা কাউন্সিলের একটি বিবৃতি অনুযায়ী, সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি ও সামরিক বাহিনীর সর
হিজবুল ইসলামি তুর্কিস্তানির (টিআইপি) কেন্দ্রীয় শুরা কাউন্সিলের একটি বিবৃতি অনুযায়ী, সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি ও সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আহমাদ আশ-শার'আ আবু মুহাম্মাদ আল-জুলানির নির্দেশে নবগঠিত সিরিয়ান আর্মিতে নিম্নোক্ত তুর্কিস্তানি কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়েছে: . -- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহিদ করিম (আব্দুল আজিজ দাঊদ হুদাবারদি) তুর্কিস্তানি -- কর্নেল জালালুদ্দিন (আব্দুস সালাম ইয়াসিন আহমাদ) তুর্কিস্তানি -- কর্নেল খুবায়েব (মাওলানা তুরসুন আব্দুস সালাম) তুর্কিস্তানি। . বিবৃতিতে সিরিয়ায় শহীদ, এতিম ও আহত যোদ্ধাসহ পূর্ব তুর্কিস্তানের মুজাহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো হয়। একই সঙ্গে দক্ষ নেতৃত্ব ও প্রশিক্ষণকে পূর্ব তুর্কিস্তান জিহাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। টিআইপি উইঘুরদের উপর চীনের নিপীড়নের নিন্দা জানিয়ে ইসলামি স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। . ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ DOAM #SYRIA

মাওলানা রফিকুল ইসলাম (মাদানী) ‘ঈমান আনার পর জি হা দ সর্বশ্রেষ্ঠ আমল’ এই কথা বলে যা বলেছেন তা তার উপস্থাপনাগত সমস্যা হলেও এটা মোটাদাগে তেমন কিছু না। কিন্তু এতটুকু বলার কারণে মাওলানা আফফান ভাই রফিকুল ইসলামের ব্যাপারে যেভাবে টোকাই শব্দসহ আরো বিশ্রীকিছু বস্তির শব্দ ব্যবহার করেছেন তা দেখে শুধু অবাকই হয়নি। অনেক্ষণ বিশ্বাসও হয়নি। যদি এটা বলার কারণে রফিকুল ইসলামকে টোকাই বলতে হয় তাহলে ইবনে তাইমিয়াকেও টোকাই বলতে হবে। আব্দুল্লাহ আজ্জমকেও টোকাই বলতে হবে, আব্দুল্লাহ আজ্জমের ফতোয়ায় সাইন করা অসংখ্য আলেমকে টোকাই বলতে হবে। আফফান ভাইয়ের উচিত রফিকুল ইসলামের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এমন বিশ্রী ও নিম্নজাতীর শব্দ চয়নের কারণে।

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদ নিজাদের সরল স্বীকারোক্তি, “আমরা আমেরিকাকে ইরাক ও আফগানিস্তানে সাহায্য করেছি”। জামাতের ভাইরা কী
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদ নিজাদের সরল স্বীকারোক্তি, “আমরা আমেরিকাকে ইরাক ও আফগানিস্তানে সাহায্য করেছি”। জামাতের ভাইরা কী এখনো বিশ্বাস করবেন, ইরান আর আমেরিকা শত্রু রাষ্ট্র? ইরান আর ইজরাইল শত্রু রাষ্ট্র? আর কত অন্ধের মত দৌড়াবেন?!

Repost from Al Firdaws
ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা আমিরুল মুমিনিন হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ দেশটিতে ভবন নির্মাণ এবং প্রতি
ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা আমিরুল মুমিনিন হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ দেশটিতে ভবন নির্মাণ এবং প্রতিবেশীর দিকে জানালা রাখার বিষয়ে পাঁচ দফার একটি নির্দেশনা জারি করেছেন। এই আদেশ অনুযায়ী, যদি কেউ তার মালিকানাধীন জমিতে বা রাস্তার পাশের কোনো জায়গায় ভবন নির্মাণ করেন, তবে তাকে প্রতিবেশীর দিকে এমন কোনো জানালা স্থাপন করতে নিষেধ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিবেশীর ঘর দেখা যাবে। এছাড়াও, যারা পূর্বেই প্রতিবেশীর দিকে জানালা রেখেছেন, তাদেরকে মানব উচ্চতার সমান একটি দেয়াল বা অন্য কোনো উপায় অবলম্বন করে প্রতিবেশীর ক্ষতি দূর করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর, আফগান গণমাধ্যম হুররিয়াত রেডিও-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, আমিরুল মুমিনিন কর্তৃক জারিকৃত এই নির্দেশনাটি আফগানিস্তানের পৌরসভা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, প্রশাসন ভবন নির্মাণ প্রকল্পের উপর নজরদারি করবে এবং আদেশের লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

শায়খ আব্দুল্লাহ আজ্জাম রহিমাহুল্লাহ বসে বসে জিহাদের আলোচনা করতে অপছন্দ করতেন। কারণ হিসেবে তিনি বলতেন, বড় দোষনীয় বিষয় হলো আমরা জিহাদ নিয়ে কথা বলি নরম আসনে বসে। সূত্র: শায়খ আব্দুল্লাহ আজ্জাম; উম্মাহের মহিরুহ পৃ. ৯৭, সিজদাহ পাবলিকেশন

এই কুলাঙ্গকার পাপীর নাম হলো শুজা আলি, যে "হুলা গণহত্যার" কসাই ছিলো। এর সাহস আর সকল বীরত্ব শুধু শুধুমাত্র মহিলা, শিশু এবং "নির
এই কুলাঙ্গকার পাপীর নাম হলো শুজা আলি, যে "হুলা গণহত্যার" কসাই ছিলো। এর সাহস আর সকল বীরত্ব শুধু শুধুমাত্র মহিলা, শিশু এবং "নিরস্ত্রদের" উপরই ছিলো। একবার এক ছোট্ট মেয়েকে সে জবাই করার জন্য প্রস্তুত করছিলো, তখন মেয়েটি কসাইকে বললো, ‘আঙ্কেল, আমার গলা ব্যথা করছে।' অথচ নিস্পাপ ছোট্ট শিশুটি বুঝতেই পারেনি যে তাকে এই পিচাশ এখন জবাই করবে। সব প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের চোখকে এই নরপিচাশের ধ্বংসের মাধ্যমে শান্তি দিয়েছেন। *হুলা গণহত্যা হলো সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ২০১২ সালে হেমস প্রদেশের এক নিকৃষ্ট গণহত্যা। . এক আরব লেখকের টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে।

সিরিয়ান একজন মু জা হিদ গণতন্ত্র ও সেকুলারিজম নিয়ে কী বলতেছে দেখেন। অনেকেই খুশিতে আত্মহারা সিরিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে! আল্লাহ এদেরকে লাঞ্চিত করুক। মনে রাখবেন জুলানি যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দিকে আগায় তাহলে সে হবে উম্মাহের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গাদ্দার। হাজারো লাখো মুহাজির মুজাহিদ গণতন্ত্র বা সেকুলার জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য জান দেয় নাই।

পরিভাষার অজ্ঞতা; পশ্চিমের ইসলামি করণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার দুনিয়ার সকল জ্ঞানশাস্ত্রের নিজস্ব পরিভাষা রয়েছে, এবং প্রতিটি জ্ঞানশাস্ত্রকে তার সে পরিভাষার প্রকৃত মর্ম ছাড়া উদ্ধার করা সম্ভব নয়। ভিন্ন ভাষার পরিভাষাগুলো বুঝার ক্ষেত্রে প্রচলিত একটি পদ্ধতি হলো নিজস্ব ভাষায় সে পরিভাষার সামর্থবোধক শব্দ খোঁজা বা শাব্দিক অর্থ বের করে বুঝা। কিন্তু পরিভাষার মর্ম উদ্ধারের এই পদ্ধতি অগ্রহণযোগ্য একটি পদ্ধতি। কেননা প্রতিটি পরিভাষার তৈরির—চাই তা ইসলামি হোক বা অনিসলামি—নির্দিষ্ট ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্মীয় ও মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি থাকে। আর সেগুলোর জ্ঞানতত্ত্ব (Epistemology), অস্তিত্বতত্ত্ব (Ontology), সৃষ্টিতত্ত্ব (Cosomology) ও অদিবিদ্যা (Metaphysics) থেকে তৈরি হয়। পরিভাষা শুধুই অন্যের কাছে নিজের চিন্তা পৌছানোর মাধ্যম শুধু নয়, বরং তা একটি জাতীর ইতিহাস ও দর্শনের আয়না। এজন্য কোনো পরিভাষার প্রকৃত মর্ম উদ্বার করা পরিভাষার পিছনের অদিবিদ্যা (Metaphysics) পটভুমি জানা ছাড়া সম্ভব নয়। এই সুক্ষ বিষয়টি একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বুঝা যাক। Dead Labour মার্ক্সবাদিদের একটি নিজস্ব পরিভাষা। যার শাব্দিক অর্থ হয় ‘মৃত মজদুর’ বা ‘মৃত শ্রমিক’। অথচ মার্ক্সবাদিদের পরিভাষায় এর মর্ম হলো ‘পুঁজি’। একজন মুসলমান চাই সে যতই সঠিক ও মজবুত আকিদা বিশ্বাসের অধিকারী হোক না কেনো, যদি সে পশ্চিমা পরিভাষার প্রকৃত মর্ম ও বাস্তবতা না জানে, তাহলে সে পশ্চিমা মতবাদগুলোকে শুধু শাব্দিক কিছু মিলের কারণে ইসলামাইজেশন বা ইসলামিকরণ করতে থাকবে। যে সকল মডার্নিষ্টরা পশ্চিমা পরিভাষাগুলোকে ইসলামিকরণ করে তাদের একটি গোড়ার ভুল হলো, তারা পশ্চিমা পরিভাষাগুলোর বাহ্যত বা আংশিক কিছু মিল দেখেই সেগুলোকে ইসলামি বিভিন্ন পরিভাষার উপর কেয়াস করে ফেলে। এবং উভয়টি একই এমন সিন্ধান্ত দিয়ে ফেলে। যেমন ধরুন, Democracy বা গণতন্ত্র পশ্চিমের নির্দিষ্ট দর্শন থেকে উঠা আসা একটি পরিভাষা। ইসলামের শুরায়ী নেজামের সাথে এর আসমান জমিনের পার্থক্য থাকলেও কিছু আংশিক মিল দেখা যায়। এখন এই আংশিক আর বাহ্যত কিছু সামাঞ্জস্যে প্রভাবিত হয়ে গণতন্ত্রের পশ্চিমা দর্শন, ইতিহাস ও যে অতিপাকৃত বিশ্বাসের উপর তা প্রতিষ্ঠিত সেগুলোর সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তিরা গণতন্ত্রকে ইসলামিকরণ করে ফেলে। অথচ ইলমে কিয়াস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রাখা ব্যক্তিও জানে, একটি বিষয়কে আরেকটি বিষয়ের উপর কেয়াস করতে হলে উভয়ের মাঝে অনেকগুলো মৌলিক বিষয়ে মিল থাকতে হয়। অন্যথায় সে কেয়াস শাস্ত্রীয় বিবেচনায় কেয়াস মাআল ফারেক বলে বিবেচিত হবে। পরিভাষার এই মৌলিক ভুল ও অজ্ঞতার কারণে মর্ডানিষ্টরা পশ্চিমের অসংখ্য বিষয়কে ইসলামের মাঝে খুঁজে পায়। এবং সেগুলোকে ইসলামি করণ করে মানুষকে হয় ধোঁকা দেয় অথবা নিজেরা ধোঁকা খায়। পরিভাষা বুঝার সঠিক পদ্ধতি মানবতাবাদ (Humanism), যুক্তিবাদ (Rationalisom), রেনেসাঁ (Renaissance), এনলাইটেনমেন্ট (Enlightenment), ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ (Individualism), সমতা (Equality), স্বাধীনতা (freedom), পুঁজিবাদ (Capitalism)সহ পশ্চিম থেকে উঠে আসা প্রতিটি পরিভাষাকে শাব্দিকরণ ও বাহ্যত মিলের সাথে সামাঞ্জস্য করে না বুঝে সেগুলোর জ্ঞানতত্ত্ব ও যে অতিপাকৃত বিশ্বাসের উপর সেগুলো প্রতিষ্ঠিত তার আলোকে বুঝা অত্যান্ত জরুরি। তেমনিভাবে ইসলামি পরিভাষাগুলোও নিজস্ব জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপাকৃত কিছু বিশ্বাসের পটভুমিতে তৈরি হয়েছে। একেকটি পরিভাষায় নিজস্ব মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও মনস্তত্ত্ব রয়েছে। যেমন, সুন্নাত, ইজমা, ইজতিহাদ, মাকাসেদে শরয়িয়্যাহ, আজমতে সাহাবা, ফাতাওয়া, তাকলিদ, তালফিক, ইল্লত, ইবারাতুন নস, দালালাতুন নস, ইশারাতুন নস, ইকতিযায়ুন নস, ইসতিহসান, মাজাযে মুরসাল ইত্যাদি অসংখ্য পরিভাষাগুলোর গঠণ, গড়ন ও সৃষ্টি নির্দিষ্ট জ্ঞানতত্ত্ব ও কিছু বিশ্বাসের পটভূমিতেই তৈরি হয়েছে। যেগুলোর শাব্দিকিকরণ করে বুঝা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। বরং এগুলোকে বুঝতে হলে এগুলোর নিজস্ব ইতিহাস, জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপাকৃত বিশ্বাসগুলো জানতে হবে। মোটকথা প্রতিটি পরিভাষার নির্দিষ্ট জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপ্রাকৃত (Specific Epistemological Metaphysical) পটভূমি জানা ছাড়া সম্ভব নয়। সূত্র : লেখাটি কিছুটা পরিমার্জন, সংক্ষেপণ ও সংযোজনসহ নেয়া হয়েছে পাকিস্তানি গবেষক জাফর ইকবাল রচিত ‘ইসলাম আউর জাদিদিয়াত কা মাশমাকাশ’ (পৃ. ৭,৮,৯) গ্রন্থ থেকে।

এক তালেবান আফগানিস্তানের নতুন ম্যাপ প্রকাশ করে লেখেছে ২০২৯ ইনশাআল্লাহ। . এটাকে বিশেষজ্ঞরা কীভাবে দেখবে?
এক তালেবান আফগানিস্তানের নতুন ম্যাপ প্রকাশ করে লেখেছে ২০২৯ ইনশাআল্লাহ। . এটাকে বিশেষজ্ঞরা কীভাবে দেখবে?

এক তালেবাম অফিসারের টুইট। ইজরাইলের পর নতুন পেম্পাস বাহিনী।
এক তালেবাম অফিসারের টুইট। ইজরাইলের পর নতুন পেম্পাস বাহিনী।