uk
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Відкрити в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 11 301 підписників, посідаючи 8 130 місце в категорії Релігія і духовність та 2 026 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 11 301 підписників.

За останніми даними від 25 червня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 77, а за останні 24 години на -2, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 19.07%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 8.07% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 2 155 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 912 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 46.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 26 червня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

11 301
Підписники
-224 години
+227 днів
+7730 день
Архів дописів
আকসা থেকে তুফানুল আকসা ভিডিওটি আশা করি মনোযোগসহ দেখবেন।

এদেশের সাধারণ হিন্দুদের কেনো বাধ্য করা হচ্ছে না ইস ক ন থেকে দায়মুক্তির বিবৃতি দিতে? মুসলিম সুশীলরা কেন এই বিষয়টা লেখছেন না? কওমীর শাহবাগীগুলোও কেনো এই বিষয়ে বুদ্ধবৃত্তিক প্রবন্ধ ফাদতেছে না? কিন্তু মুসলমানদের থেকে কথিত অনাখাঙ্খিত কিছু ঘটলেই তো পুরো দেশ আলেমদের থেকে দায়মুক্তি বিবৃতির জন্য একদম পাগল হয়ে যায়! আসল ঘটনা কী?

আমার বন্ধু মফিজ মাওলানা যুবায়ের সাহেবদের কড়া বিরোধী, কিন্তু বন্ধু এখনো তাদের একটি বইও পড়ে দেখেনি। তার বক্তব্যের খোলাসা হলো সে এগুলো কখনোই পড়ে দেখবে না। তার যুক্তি হলো এগুলো পড়লে দেমাগ নষ্ট হয়ে যাবে। বললাম, বন্ধু কীভাবে জানো? 'শুনেছি' বলে মুখ ভেঙছে জানিয়ে দিলো। 'ফেরাকে বাতেলা হিসেব বইগুলো মাদরাসার মাকতাবায় রাখো।' বন্ধু মফিজকে বলেছিলাম। সেটাও করবে না বলে বন্ধু সাফ জানিয়ে দিলো।

চট্টগ্রামে আদালত চত্বরে আজকে যা হয়েছে তা রীতিমতো বিভীষিকাময়! গ্রেফতারকৃত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আদালতে তোলার পর জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই আদালত চত্বরে হামলে পড়ে চিন্ময় এর অনুসারীরা। কোর্ট চত্বরে চিন্ময়ের সমর্থকেরা সাইফুল ইসলাম নামে একজন আইনজীবীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। সেই হামলায় সেখানেই সাইফুল মারা যান। আরও ৬-৭ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। চিন্ময়ের অনুসারীরা আদালত চত্বরের মসজিদও ভাঙচুর করেছে। থমথমে একটা পরিবেশ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত বিজিবি নিয়োগ করা হয়েছে। তবে রাতের বেলা আরও অতিরিক্ত পুলিশ-বিজিবি-আর্মি মোতায়েন করে কড়া নজরদারির ভেতর রাখা উচিৎ। আর চিন্ময়ের সমর্থক যারা কুপিয়ে ওই আইনজীবীকে মেরে ফেললো, এদের প্রত্যেককে একেবারে চিরুনি অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তাছাড়া চিন্ময়ের যেসব সমর্থকেরা কোর্ট চত্বরে এভাবে হামলা করেছে এবং এইরকম নারকীয় কাজ ঘটানোর উষ্কানি দিয়েছে, এদের প্রত্যেককে কঠোর আইনী শাস্তির আওতায় আনতে হবে, এক্ষেত্রে কোন ছাড় দেওয়া চলবে না। আর ওই সংশ্লিষ্ট এলাকার মুসলমানদের উচিৎ নিজেদের হাতে আইন তুলে না নেওয়া। কোন অবস্থাতেই পাল্টা আক্রমণ করা যাবে না। এটা করলে পুরো ব্যাপারটাই অন্যদিকে মোড় নিবে, তখন এটাকে সাম্প্রদায়িক দা ঙ্গা হিসাবে এস্টাবলিশ করে ফায়দা তুলবে একটা গোষ্ঠী এবং পাশের দেশ। তাই সবারই উচিৎ অস্থিতিশীল পরবেশ তৈরী না করে ধৈর্যধারণ করে সতর্কদৃষ্টি রাখা এবং আইনিভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে সহায়তা করা। @সাইদ আব্দুল্লাহ

কেনো মাওলানা যুবায়ের সাহেবরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা বুঝানোর জন্য নিজেদের জানমাল, ইজ্জত, ক্যেরিয়ার, পরিবার-পরিজন সবকিছু কুরবান করেছেন তা এখনো আমার বন্ধু মফিজ বুঝে না। এবং বুঝতেও চায় না। বন্ধু মফিজ আমার এতটা প্রিয় যে, তাকে আমি না পারি একদম ছেড়ে দিতে, আবার না পারি তার বাচ্চাসূলভ ও আবলতাবল কথাগুলো মেনে নিয়ে তার সাথে তর্ক থামিয়ে দিতে! আমি এক অদ্ভুত জীবন কাটাচ্ছি।

ক্রিসমাস খ্রিস্টধর্মের একটা অংশ। দূর্গাপূজা হিন্দু ধর্মের একটা অংশ। কিন্তু কোনো মুসলমান যদি ক্রিসমাসে বা দূর্গাপূজায় অংশগ্রহণ করে তাহলে শুধু এই অংশগ্রহনের কারণেই দুনিয়ার কোনো ফকিহ তাকে তাকফির করে না। বরং এখানে অনেকগুলো স্তর দেখা হয়। এটা একদম স্পষ্ট মাসআলা। এখানে কোনো অস্পষ্টতা নেই। এই মাসআলাটি নিয়ে চিন্তা করলেও বিকৃত চিন্তার মানুষগুলোর ধোঁকা আর ধোঁকাবাজি থেকেও আমাদের জন্য বেঁচে থাকা বহু সহজ।

জাতীয় মেহরাব থেকে...
জাতীয় মেহরাব থেকে...

আমার বন্ধু মফিজ, "এদিকে আকসার মুক্তিও চায়। আবার জাতিসংঘের স্বীকৃতিও চায়।"

মাকদেসী হাফিজাহুল্লাহের রচিত 'আর রিসালাতুস সালাসিনিয়্যাহ' কিতাবটির পিডিএফ।

আবু মুহাম্মদ আলমাকদেসি হাফিজাহুল্লাহের বেশকিছু মত আছে যেটা মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। এবং জি হা দি কাফেলাগুলোও তার সবগুলো ফতোয়া মেনে নেনও না। তাকফিরের ক্ষেত্রে তার কিছু সিদ্দাত সর্বজন বিধিত। এছাড়াও নজদিধারার কিছু উসুলের ব্যাপক প্রয়োগের বাড়াবাড়িও উনার মাঝে আছে। (তবে মাকদেসীকে আমার কট্টর নজদি মনে হয়নি কখনো, ইলম ও আহলে ইলমের বিষয়ে বেশ শ্রদ্ধাশীলই মনে হয়েছে) কিন্তু শ্রদ্ধেয় মিজান হারুন সাহেব (আল্লাহ তার ইলম দ্বারা আমাদের আরো উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন) মাকদেসীর বিভিন্ন চিন্তা নিয়ে যেভাবে লেখেছেন আমার মনে হয় এটা মাকদেসীর সঠিক তরজুমানি হয়নি। বিশেষত যারা মাকদেসীর আর রিসালাতুস সালাসিনিয়্যাহ পড়েছেন তারা জানেন মীজান হারুন সাহেব মাকদেসীর যে মতগুলো উল্লেখ করেছেন তার অধিকাংশেরই ব্যাখ্যা দিয়েছেন কিতাবে মাকদেসী হাফিজাহুল্লাহ করেছেন, যেগুলোর মাধ্যমে মীজান হারুন সাহেবের মতের বিপরীত চিত্রই উঠে আসে বলেই মনে হয়। বিস্তারিত বলার মানসিকতা নাই। আগ্রহী তালেবে ইলমদের জন্য কমেন্টে কিতাবটির পিডিএফ দিয়ে দিচ্ছি তারা তানকিহের সাথে মুতালাআ করবেন বলে আশা রাখি। . যাইহোক, জি হা দ ও তাকফির সংক্রান্ত যেকোনো মৌলিক বিধান আমরা আমাদের ফুকাহায়ে কেরাম থেকেই নিবো। আধুনিক যত তাতবিক আছে তাও ফুকাহাদের বক্তব্যের আলোকেই দিবো। আমাদের জন্য আমাদের ফকিহদের কিতাবই নিরাপদ। তবে তাদের উসুল ও নীতির আলোকে আমরা আহলুস সুন্নাহের যেকোনো সমকালীন আলেম থেকেই ইসতিফাদা করতে পারবো তানকিহ ও সমকালীন আলেমদের সাথে মুজাকারার সাথে। আল্লাহ আমাদের আমলের তাওফিক দান করুন।

এটা এদেশের একটি অন্যতম মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাংলাভাষায় এই বিষয় এত চমৎকার কাজ এর আগে হয়নি। মৌলিকও না, অনুবাদও না। অথচ বইট
এটা এদেশের একটি অন্যতম মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাংলাভাষায় এই বিষয় এত চমৎকার কাজ এর আগে হয়নি। মৌলিকও না, অনুবাদও না। অথচ বইটা আমরা সংগ্রহ করছি না। ফলে এমন মৌলিক কাজ না আর প্রকাশক ছাপার হিম্মত করবে না লেখকরা আর সাহস করবে! উৎসাহের জন্য হলেও এই বইটা আমাদের সংগ্রহ করা দরকার।

খসড়া ফাইল। প্রস্তুতি। (আল্লাহর ওয়াস্তে যারা দেখবেন মনে মনে মাশাআল্লাহ বইলেন)
খসড়া ফাইল। প্রস্তুতি। (আল্লাহর ওয়াস্তে যারা দেখবেন মনে মনে মাশাআল্লাহ বইলেন)

বৃহস্পতিবার একটা জরুরি কাজে পিজি হাসপাতালে যাই। ফিরার পথে অল্প সময়ের জন্য বাইতুল মুকাররম বইমেলায় ঢুকি। বের হওয়ার সময় দূর থেকে দেখলাম মেলায় প্রবেশ করছেন বিশিষ্ট্য আলেমে দীন ও দায়ী মাওলানা Abdul Majid সাহেব হাফিজাহুল্লাহ। (শাইখুল হাদিস বাড্ডা মিফতাহুল উলুম মাদরাসা) দৌড়ে চেতনার স্টলে গিয়ে আমার অনূদিত বইটি এক কপি নিয়ে হযরতের কাছে আসলাম হাদিয়া দেয়ার জন্য। হযরত বই হাতে নিয়ে দেখলেন এবং খুব উতসাহিত করলেন লেখালেখির জন্য। . এরপর হযরত আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নসিহত করলেন যা বলার জন্যই এই লেখা। হযরত বললেন, "খুব লেখেন, তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন তাকরারে জুহুদ যেনো না হয়। তাকরারে জুহুদ বিষয়টি বুঝেছেন?" আমি হযরত থেকে সুন্দর ব্যাখ্যার আশায় বললাম, "আরেকটু স্পষ্ট করে দিলে ভালো হয়।" "তাকরারে জুহুদ হলো, যে বিষয়ে কোনো মুতাবার কাজ হয়ে গেছে ঐ বিষয়ে আরো একটি কাজ না করে যেসব বিষয়ে এখনো মুতবার কোনো কাজ হয়নি সেগুলোর বিষয়ে কাজের চেষ্টা করবেন।" ব্যাখ্যা করে বললেন হযরত। অতপর "আল্লাহ আপনার হাদিয়া কবুল করুক" বলে স্বভাবজাত আন্তরিকতার সাথে আমাদের বিদায় দিলেন। . আল্লাহ হযরতের এই নসিহাতের উপর জীবনভর কাজ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

❤️❤️❤️
❤️❤️❤️

হেফজ প্রতিযোগিতার নামে তাকরিমসহ অসংখ্য হাফেজ ছেলের জীবনকে যারা ধ্বংস করছে আল্লাহ তুমি দুনিয়ার বুকেই এদের চূড়ান্ত লাঞ্চিত করো।
হেফজ প্রতিযোগিতার নামে তাকরিমসহ অসংখ্য হাফেজ ছেলের জীবনকে যারা ধ্বংস করছে আল্লাহ তুমি দুনিয়ার বুকেই এদের চূড়ান্ত লাঞ্চিত করো। আমীন।

বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে কালের কণ্ঠ চাঞ্চল্যকর একটি ভিডিও নিউজ করেছে। দেখতে পারেন। https://youtu.be/EEFe7LUTzkg?si=AH3WsCnDCpUrL9BX

দাওরার নীচের তালেবে ইলমদের বই রুচি নিয়ে আমি বেশ চিন্তিত! . গত কয়েক মাসে ফেসবুকের ধোঁকা খেয়ে অনেক তালেবে ইলম আমার কাছে এসেছে ইলমি পরামর্শের জন্য! তাদেরকে আমি প্রথম যে প্রশ্নটি করি—আপনার উস্তাদ রেখে আমার কাছে কেনো এসেছেন? আমার তাকওয়া-তাহারাত সম্পর্কে আপনি কিছু জানেন? কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির থেকে আমার ব্যাপারে কোনো ভালো শাহাদাত আপনার কাছে আছে? তাহলে কেনো এসেছেন? ফেসবুকের লেখা পড়ে? এই প্রশ্নগুলোরে বেশিরভাগই নিরব থাকে এবং যতটুকু বুঝি, এমন প্রশ্নের সম্মুখীন এর আগে হয়তো হয়নি। . এভার আসি আসল কথায়, পরামর্শের যারা এসেছেন এদের একটি বড় অংশই হলো হেদায়েতুন নাহু থেকে দাওরা পর্যন্ত। আর আমার অভিজ্ঞতা হলো এই বয়সের তালেবে ইলমদের মধ্যে যারা কিছুটা পড়াশোনাতে আগ্রহী এদের বই সংগ্রহের প্রতি একটা ব্যাপক ঝোক থাকে। অন্তত আমার কাছে যারা এসেছে তাদের প্রত্যেককেই দেখলাম ব্যাপকভাবেই বাংলা বইপত্র সংগ্রহ করছে আর দুঃখজনকভাবে আবিষ্কার করলাম এরা এমন সকল বই সংগ্রহ করছে যা এখন তার কোনো প্রয়োজন নেই৷ এটা তো কিছু মানা যায়, সবচেয়ে বড় ভয়ংকর যে বিষয়টি লেগেছে, তা হলো এত এত বাংলা বই সংগ্রহের কারনে কয়েকজন বললো, তাদের আরবী বই আর তেমন সংগ্রহ হয় না! . বিভিন্ন বিষয়ে জাহালাত দূর করার জন্য নির্ভরযোগ্য ও মানোত্তীর্ণ বাংলা বই পড়া দোষের কিছু না। কিন্তু হেদায়েতুন নাহু থেকে উপরের দিকের তালেবে ইলমরা এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ইলমি ইসতেদাদকে পাকা করার বদলে, এবং আরবী ভাষাসহ শাস্ত্রীয় বিভিন্ন বিষয়ে দৃঢ়তা অর্জন বাদ দিয়ে বাংলায় বিভিন্ন জ্ঞানঅর্জনে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া এটা খুবই আশংকাজনক বিষয়। . আরো দুঃখজনক হলো এধরণের তালেবে ইলমরা বেশিরভাগ বই সংগ্রহ করে ফেসবুকের হাইপ দেখে! অথচ এটা একজন তালেবে ইলমের জন্য কস্মিনকালেও উচিত নয়। . প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা! ইলমের এই ঝুকিপূর্ণ ও উত্তাল সময়ে একজন সময়ে এই পথ পাড়ি দেওয়া একজন বিজ্ঞ নাবিককে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করে নিন। আল্লাহর ওয়াস্তে এভাবে নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে নিজের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে চলে শেষ করে দিয়েন না। . সম্মানীত উস্তাদবৃন্দ, তালেবে ইলমদের বইয়ের এই যে নেশা, এটাকে সঠিক পথে পরিচালনা করুন আল্লাহর ওয়াস্তে। ধমক দিয়ে উড়িয়ে দিয়েন না। এগুলো দরকার নাই বলে বকে দিয়েই ক্ষান্ত দিয়েন না। তাকে সুন্দর করে কারণটিও বুঝিয়ে দিন। ‘দরসের পড়াই পারোস না আবার বাহিরের বই’ এমন কথা বলে তার পাঠক সত্তাকে নষ্ট করবেন না দয়া করে। কথা বলুন ছাত্রদের সাথে, আপনি যেমন সম্পূর্ণ ‘শুনলাম মেনে নিলাম’ ছিলেন আপনার তালেবে ইলম এমনই হবে এটা জরুরি না। আর আপনি যেমন ছিলেন তালেবে ইলম তেমন না হলেই যে নষ্ট আর ধ্বংস তা ধরে বসে থাইকেন না! এধরণের আচরণই তালেবে ইলমকে আপনার থেকে বিরূপ করে রাখে। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

আলহামদুলিল্লাহ, বইটির প্রথম এডিশন শেষ হয়ে দ্বিতীয় এডিশন বাজারে এসেছে। এগুলো সবটাই ধারণার বাহিরে। এরসবই মুফতি উবাইদুর রহমান মা
আলহামদুলিল্লাহ, বইটির প্রথম এডিশন শেষ হয়ে দ্বিতীয় এডিশন বাজারে এসেছে। এগুলো সবটাই ধারণার বাহিরে। এরসবই মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের ইখলাস ও বরকতের ফল। . আরেকটি কথা বাইতুল মুকাররম বইমেলা দশদিন সময় বেড়েছে এটা অনেকেই জানে না। একাধিক প্রকাশক বিষয়টি জানালেন। আমাদের মেলা আমাদেরই প্রচার করতে হবে৷

আমার অনুদিত বই সম্পর্কে একটা কথা . আমি যে বইটি অনুবাদ করেছি তার মূল নাম হলো ‘গাইরে মুসলিম কি সাত মুখতালিফ নাওয়ায়িয়াত কী তায়াল্লুকাত’। মূল বইটির একটি পিডিএফ পাওয়া যায়, যার প্রথম তবয়া (এডিশন) হলো একশো দশ পৃষ্ঠা। সেটা সামনে রেখেই প্রথম অনুবাদ শুরু করি। অত:পর কাজ শেষ করে লেখকের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে বইটির দ্বিতীয় এডিশন দেয় যার মূল পৃষ্ঠা ২৫০+। যেখানে যা ন দাকা আর মু র তা দের অধ্যায়টি সম্পূর্ণ নতুন যা প্রথম এডিশনে ছিলো না। এছাড়া প্রতি অধ্যায়েই অসংখ্য মাসআলা নতুন ও আরো বেশি দলিল সমৃদ্ধ। আর এছাড়া আমার পক্ষ থেকেই বিভিন্ন জায়গায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিকা দেয়া হয়েছে ও শেষে দুটো পরিশিষ্টও যোগ করা হয়েছে। . কথাগুলো এজন্য বলা, অনেক তালেবে ইলম ভাইরা মূল উর্দুটা পড়েছেন, যা মূলত প্রথম এডিশন, তাদের কাউকে দেখলাম কমেন্টে মূল উর্দুটি দিয়ে বলছেন, এটা তো পড়েছিই/এটা পড়ে নিলেই হবে, অনুবাদ সংগ্রহের কী প্রয়োজন। . আমার বক্তব্য হলো, তালেবে ইলম ভাইদের জন্য মূল কিতাব পড়াটাই বেশি মুনাসিব। বাকি অনুবাদে যা এসেছে সেটা অনলাইনে পাওয়া যাওয়া উর্দুটিতে নাই। তালেবে ইলম ভাইরা হয়তো মূল উর্দুর দ্বিতীয় এডিশনের অপেক্ষা করেন, সেটা হয়তো কোনো সময় বের হবে অথবা অনুবাদটি সংগ্রহ করতে পারেন। বাকি, প্রথম এডিশন পড়ে যারা ভাবছেন মূল বই পড়ে ফেলেছেন, তারা বেশ বেশি কিছু থেকে বঞ্চিত হবেন।

মাওলানা যুবায়ের সাহেব লেখেন, “ধর্ম উপদেষ্টার সমালোচনা প্রসঙ্গ কিছুদিন আগে যখন ধর্ম উপদেষ্টার সমালোচনা হয়েছিল তখন একটু বেশি রকমের রেগে গিয়েছিলেন বলে মনে হয়েছে।  তিনি স্মরণ রাখতে পারছেননা, তিনি কোন পোশাক গায়ে জড়িয়ে আছেন। তিনি মনে রাখতে পারছেন না, তিনি কোন ঘরানার মুখপাত্র হিসাবে পরিচিত? তিনি কথায় কথায় দেওবন্দী পরিচয় প্রকাশ করছেন। কওমী পরিচয় প্রকাশ করছেন। এ দেশের আহলে হকের ঘরের লোক হিসাবে নিজেকে প্রকাশ করতে তিনি কোন প্রকার ত্রুটি করছেন না। কিন্তু এ পরিচয় ও এ প্রকাশ যে তাঁর দায়িত্বকে কতদূর বাড়িয়ে দেয়, তা তিনি অনুভব করতে পারছেন না। তিনি যে কথা ও আচরণ করছেন, তা যদি শরীয়তের মানদণ্ডে সমালোচনার উপযুক্ত হয়, তাহলে তার সমালোচনা করা সমালোচকদের উপর ওয়াজিব। এ সমালোচনা প্রকাশ্যে হওয়া জরুরী। কারণ, তিনি তাঁর কথা ও আচরণগুলো গোপনে করছেন না। প্রকাশ্যে করছেন এবং অকপটে করছেন। এমতাবস্থায় শরীয়তের মানদণ্ডে যদি সমালোচনা না হয় এবং তা প্রকাশ্যে না হয়, তাহলে কোটি কোটি সাধারণ মুসলিমদের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে যাবে এবং সে ভুলই প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে। বিষয়গুলোর ভয়াবহতা তাঁকে বুঝতে হবে এবং তাঁর ভক্তরাও বুঝতে হবে। মনে রাখতে হবে বিষয়গুলো দ্বীন ও শরীয়তের বিষয়। এগুলো ব্যক্তিগত স্বার্থভিত্তিক কোন বিষয় নয়।”