ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 301 подписчиков, занимая 8 130 место в категории Религия и духовность и 2 026 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 301 подписчиков.

Согласно последним данным от 25 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 77, а за последние 24 часа — -2, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 19.07%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 8.07% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 155 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 912 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 46.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 26 июня, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 301
Подписчики
-224 часа
+227 дней
+7730 день
Архив постов
মুমিনের বিজয়গুলো এমন হয়! পুরো পৃথিবীর এক ইসলাম।
মুমিনের বিজয়গুলো এমন হয়! পুরো পৃথিবীর এক ইসলাম।

প্রিয় গণতান্ত্রিক সিরিয়া।
প্রিয় গণতান্ত্রিক সিরিয়া।

'পলাইছেরে পলাইছে কুত্তা বাসার পলাইছে' এই শ্লোগানে পুরো ঢাকায় মিছিল বের করতে মনে চাচ্ছে।

যুদ্ধরত রাষ্ট্র ও তার সাথে সম্পর্কের বিধান : .... এই সম্পর্কে পাকিস্তানের দেওবন্দী ঘরোনার বিজ্ঞ মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, "যুদ্ধরত রাষ্ট্র বললে সাধারণত আমাদের মাথায় যে চিত্র ভেসে উঠে তা হলো নিজের রাষ্ট্রের সাথে অপর রাষ্ট্রের সরাসরি যুদ্ধ অবস্থা বিদ্যমান থাকা। কিন্তু এটা একটি অসম্পূর্ণ ধারণা। ইসলামি ফিকহে যুদ্ধরত শব্দের মধ্যে ঐ সকল রাষ্ট্রও অন্তর্ভূক্ত যারা দুনিয়ার কোথাও না কোথাও মুসলমানদের সাথে যুদ্ধেলিপ্ত রয়েছে, যেমন আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স ইত্যদি। এই রাষ্ট্রগুলো যে মুসলিম ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধ লিপ্ত তাদের বিবেচনায় শুধু এরা যুদ্ধরত রাষ্ট্র এমন নয়, বরং পুরো দুনিয়ার সকল মুসলমানদের নিকটই তারা যুদ্ধরত রাষ্ট্র। এবং ঐ সকল রাষ্ট্রও যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলে বিবেচিত হবে, যার অস্তিত্বই কোনো মুসলিম ভূখণ্ডকে অন্যায়ভাবে দখলের মাধ্যমে হয়েছে। যেমন ইজরাইল, ভারত, মিয়ানমার ইত্যাদি। এরা যদিও বাহ্যত ইসলামি ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধে নাও লিপ্ত থাকে তাও এরা মুহারিব বা যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলেই গণ্য হবে। কেননা এই রাষ্ট্রগুলো যে ভূখণ্ডের উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো শতবছর যাবত মুসলিম ভূখণ্ড ছিলো। কিন্তু মুসলমানদের উদাসীনতা ও দূর্বলতা এবং কাফেরদের ধোঁকাবাজির কারণে এই ভূখণ্ডগুলো মুসলিমদের হাতছাড়া হয়ে যায়। এবং কুফরি বিধিবাধান এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।"....। সূত্র : ইসলামি শাসনব্যবস্থা, অধ্যায় পরারাষ্ট্রনীতি, চতুর্থ পরিচ্ছেদ : অপরাপর রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের মূলনীতি ও বিধিবিধান . জীবনের একটা অন্যতম স্বপ্নের কাজ। এটা শেষ করে (যেভাবে চাচ্ছি আরকি) যদি মরেও যাই কোনো আফসোস থাকবে না।

সিরিয়ায় কী হয়েছে এবং এখন কী হতে যাচ্ছে, তা জানার জন্য সংক্ষেপে এই সিরিজটা ফলো করতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/12CbU9gSvvk/

তাকফিরের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি নিয়ে তো আমাদের মাঝে অনেক আলোচনা হয়। কিন্তু মাসআলার আরেকটি দিকও আছে, দুঃখজনক হলো সে দিকটি আমাদের মাঝে আলোচিত হয় না বললেই চলে—তাকফিরের ক্ষেত্রে ছাড়াছাড়ি। তাকফিরের বাড়াবড়ি যেমন নিন্দনীয়, তেমনি এক্ষেত্রে ছাড়াছাড়িও একটি নিন্দনীয় ও নাজায়েয কাজ। আলহামদুলিল্লাহ, এই বিষয়টিকে তুলে এনেছেন এই উপমহাদেশের গর্ব মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব। হযরতের লেখাটি প্রকাশিত হয় পাকিস্তানের দেওবন্দি ঘরোনার বিখ্যাত মসিক 'মাহনামায়ে সফদার' ম্যাগাজিনে। পড়েই সাথে সাথে সিন্ধান্ত নেই প্রবন্ধটি অনুবাদ করার। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর তাওফিকে তা সম্পন্ন হয়েছে।

ইসলামে বিজয়ের পর প্রথম কাজ। হালবের (আলেপ্পো) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আন্দান, হারিতান, কাফরহামরা এবং হায়ান অঞ্চলের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর মুজাহিদিনরা একসাথে হয়ে রবের দরবারে শুকরিয়া জানাচ্ছে।

সিরিয়ার সবচেয়ে বড় তাগুত বাশারের পিতা লক্ষ লক্ষ মুসলিমের রক্তচোষা হাফিজ আল আসাদের মুর্তি ভাঙ্গছেন মুজাহিদরা। মুর্তি ভাঙ্গা আমাদের রাজনৈতিক নয়, ধর্মীয় অধিকার।

আমার বন্ধু মফিজ এখনো ডারতের আলোর মতি ও দিল্লি স্টারের মাহফুজকে মুসলমান মনে করে! তার কথা হলো এদেরকে নাকি কা ফ র মনে করা খারেজিদের আলামত! হায়রে বন্ধুরে!

হালবের গভর্নর ভবনে একজন মুসলিম ভাই! (আমিও একদেশের গভর্নর ভবনে নিজেকে কল্পনা করি এভাবে সিলাহসহ)
হালবের গভর্নর ভবনে একজন মুসলিম ভাই! (আমিও একদেশের গভর্নর ভবনে নিজেকে কল্পনা করি এভাবে সিলাহসহ)

এমন একটি তৃপ্তির সিজদা দিয়ে যদি দুনিয়া থেকে চলে যেতে পারতাম তাহলেও কোনো আফসোস অন্তরে থাকতো না। আল্লাহ লাল কিল্লায় এমন সিজদা দেওয়ার আগে মৃত্যু দিয়ো না। আজ মুমিনদের খুশির দিন।

শামে বর্তমানে কী হচ্ছে তা জানতে নীচের লেখাটি পড়তে পারেন। এবং আন্তর্জাতিক যেকোনো বিশ্লেষনের জন্য হযরতকে ফলো দিতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/1GYMbFRA5f/

এক ভাইয়ের মন্তব্য : বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বইটার যে কী, গুরুত্ব এটা বুঝতে পারলে সবাই এটা সংগ্রহ করত। পাঠকের ক্লিক
এক ভাইয়ের মন্তব্য : বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বইটার যে কী, গুরুত্ব এটা বুঝতে পারলে সবাই এটা সংগ্রহ করত। পাঠকের ক্লিক

#জুমার_বয়ান_সারাংশ (২৯ নভেম্বর ২০২৪) বাইতুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ অনুলেখক: মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আফনান চট্টগ্রামের তাওহীদ বিরোধীদের হাতে তাওহীদের কালেমা পাঠ করার অপরাধে যাকে শহীদ করা হয়েছে, তার প্রতি ফোটা রক্ত অত্যন্ত দামি। আর হত্যাকারী এবং সমর্থনকারীদের রক্ত তার তুলনায় মূল্যহীন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আল্লাহর কাছে আমরা না দিলেও আল্লাহ বিচার করবেন। সরকারেরও উচিত এর যথাযথ বিচার করা। এসব ঘাতক সংগঠন দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, অরাজকতা তৈরি করছে এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে, এটা যদি আমরা বুঝতে না পারি তাহলে কিছুই করার নেই। বাইতুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদের জুমার খুতবায় মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব এই কথা বলেন। তাকওয়ার ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসাবে তিনি বলেন, তাকওয়ার প্রধান অংশ হচ্ছে তাওহীদ। এজন্য সকল নবীগণ তাওহীদ ও শরীয়তের দাওয়াত নিয়ে এসেছেন। সকল নবীগণ এই কথা বলেছেন— فاتقوا الله وأطيعون —অর্থাৎ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার অনুসরণ করো। এজন্য মুমিনের প্রধান কাজ হচ্ছে, তাওহীদের উপর অবিচল থাকা এবং তাওহীদ পরিপন্থী সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা। তাওহীদের উপরে অবিচল ঢাকা এবং এজন্য সর্বস্ব ত্যাগ করার অনন্য উদাহরণ হচ্ছে আসহাবে কাহাফের ঘটনা। আল্লাহ নিজে তাদের ঘটনা কুরআনে বর্ণনা করেছেন। তারা দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেছেন— ربنا رب السموات والأرض —আমাদের রব হচ্ছেন আসমান জমিনের রব। আল্লাহ ছাড়া আমরা কাউকে ইলাহ হিসাবে মানিনা। তাওহীদ পরিপন্থী কোন কথা বলা জঘন্য বিষয়। তিনি আরও বলেন, ইসলাম হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ শান্তির ধর্ম। এই ধর্মের মধ্যে মানবজাতির ইহ ও পরোকালীন কল্যাণ রয়েছে। আজকে ইহুদি-খৃষ্টানরা সারা পৃথিবীতে সেবার নামে ধর্মপ্রচার করছে, অথচ তাদের কারো কাছেই শান্তির বার্তা নেই। মানুষ বিজ্ঞানের কল্যাণে চাঁদের ভ্রমণ করছে আর হিন্দুরা এখনও গো-মাতার পিছনে পড়ে রয়েছে। এগুলো সমালোচনা নয়; আক্ষেপের বিষয়। তাদের ধর্মগ্রন্থসমূহে ইসলামের নবীর আলোচনা রয়েছে। এগুলো গোপন রেখে তারা কখনো মানবতার কল্যাণ করতে পারবে না। কাদিয়ানীরাও ইসলামের নামে তাদের ধর্মপ্রচার করছে। এসব কোন কিছুতেই বাধা আসে না। আর শান্তির ধর্ম প্রচার করতে গেলে, তাওহীদের দাওয়াত দিতে গেলেই সব বাধা আসে। তিনি বলেন, এসব কাজে অন্যতম সহযোগী হচ্ছে তথ্যসন্ত্রাস সৃষ্টিকারী মিডিয়া, পত্র-পত্রিকা। তারা বছরের পর বছর মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। অন্যায় ভাংচুর বা অনানুমোদিত ভাংচুর যেভাবে অপরাধ, তথ্যসন্ত্রাসও তেমন অপরাধ। আমরা সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে। সকল নাগরিককে এসব অপরাধের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে হবে।

পূঁজায় পাহাড়া ও হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই! শাইখুল হাদিস আল্লামা নুরুল হক হাফি: কুমিল্লা এস্যে হোতে হ্যে ওলামায়ে দেওবন্দ।

শামের এক ভাইয়ের পায়ের তলে রাশীয়ান ভাড়াটে। (অনেক হিসেব নিকাশ আছে এদের সাথে আমাদের)
শামের এক ভাইয়ের পায়ের তলে রাশীয়ান ভাড়াটে। (অনেক হিসেব নিকাশ আছে এদের সাথে আমাদের)

ফিলিস্তিনের বিষয়ে একটা নির্মম বাস্তবাত হলো, যেদিন থেকে আমরা আকসার থেকে বেশি সিরিয়ান মুজাহিদ আর সেখানের মানুষের জন্য বেশি চিন্তিত হবো ও সেখানের মুজাহিদের নুসরতের জন্য সার্বজনীন ফতোয়া দিবো, তাঁদের জন্য সকল সম্পদ উতসর্গ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হবো সেদিন থেকে আকসার আকাশের পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হবে। নির্মম আর তিতা হলেও এটাই সত্য! সিরিয়া আর সিরিয়ার মুজাহিদের হাতেই হবে আকসার মুক্তি। এছাড়া আর কারো হাতেই তা সম্ভব নয়। এই বাস্তবাতা আমাদের স্বীকার করতেই হবে।এবং এই বাস্তবতার উপরেই আমাদের উঠে আসতে হবে। মুসলমানদের চিরশত্রু ইরানের হাত ধরে নয়। নয় ফিলিস্তিনের পাশে থাকা তুরষ্ক, জর্ডান বা লিবিয়ার মত মুসলিম নামধারী তাগুত, মুনাফিক বা দুনিয়ালোভি শাসকদের হাতে। আকসার মুসলমানদের মুক্তির একটাই পথ সিরিয়ায় মুসলমানদের বিজয়! আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক।

গ য ও য়া তুল হিন্দের হাদিস প্রমাণিত হোক বা অপ্রমাণিত--এর সাথে জি হা দের ফরজিয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। ফাজায়েল দিয়ে ফিকহের বিধান
গ য ও য়া তুল হিন্দের হাদিস প্রমাণিত হোক বা অপ্রমাণিত--এর সাথে জি হা দের ফরজিয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। ফাজায়েল দিয়ে ফিকহের বিধান সাব্যস্ত হয় না। হাঁ, তবে যদি কোনো ফিকহের বিধানের বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদ্বুদ্ধ করে থাকেন তাহলে সে হাদিস বলে আমরাও উম্মতকে উদবুদ্ধ করবো। . এই বিষয় নিয়ে ছয় সাত বছর আগে একটি প্রবন্ধ লেখেছিলাম। তখন বেশ কিছু ইশকাল সামনে আসে। সে সকল ইশকাল নিয়ে আবার কাজ করি। এবং এই প্রবন্ধটি দাঁড়া করাই। লিংক : https://t.me/abdullahbinbashir/623

গযওয়াতুল হিন্দের হাদিসের তাহকিক ও তাতবিক

আকসা থেকে তুফানুল আকসা ভিডিওটি আশা করি মনোযোগসহ দেখবেন।