ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 326 подписчиков, занимая 7 900 место в категории Религия и духовность и 2 063 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 326 подписчиков.

Согласно последним данным от 29 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 59, а за последние 24 часа — -5, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 13.95%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.80% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 580 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 657 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 35.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 30 августа, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 326
Подписчики
-524 часа
+107 дней
+5930 день
Архив постов
বন্ধু মফিজ চেহারায় রাগ নিয়ে আমায় বললো, এই ছেলেগুলো কায়দা নামের একটা জঙ্গি গোষ্ঠীর সাপোর্ট করে, এদের কী এতটুকু বুঝ নাই, এই দল এখন পর্যন্ত শুধু মুসলিমদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করছে। এরা কখনোই কা*ফে*রদের বিরুদ্ধে ল*ড়াই করেনি। আমি হামি দিয়ে বললাম, সোমালিয়ায় ইথিওপিয়ান খ্রিস্টান বাহিনীর বিরুদ্ধে আমার গ্রামের চাচাতো ভাইরা লড়াই করতেছে। এরপর থেকেই বন্ধুর সাথে কথা বন্ধ আজ দীর্ঘদিন! বুঝলাম না, আমার অপরাধটা কী?!

বিশিষ্ট ফকিহ ও উসুলদি মুফতি মুহসিল গুলজার হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, হিউম্যানিজম (পশ্চিমা সভ্যতা) : এক নতুন ধর্ম হিউম্যানিজম—আকর্ষণীয় নাম; তবে এর অন্তরালে রয়েছে এক নতুন কুফর। এটাকে ভালো করে চিনতে হবে—যাতে উসুলে ফিকহ অধ্যায়নকালে বুঝা যায় প্রতিটি অধ্যায়ের উদ্দেশ্য ও নির্দেশনা। হিউম্যানিজম—এক আকর্ষণীয় মোড়ক; তবে এর ভিতরে রয়েছে স্তূপীকৃত ভয়ানক দুর্গন্ধ ও কদর্যতাযুক্ত আধুনিক কুফর। এ কুফর পূর্বের যে-কোন সময়ের চেয়ে অধিক দুর্গন্ধযুক্ত ও ভয়ানক। আধুনিক এ কুফর ও জানদাকা আমাদের সমাজে দীন থেকে দূরে থাকা ছেলেমেয়েদের ঈমান ছিনতাই করছে। এবং চুপিসারে ইরতিদাদ-ধর্মত্যাগের পরিবেশ কায়েম করছে। এই কুফর হিন্দু, খ্রিস্টান বা ইহুদী ধর্মের পোশাকে আসেনি; এসেছে বিজ্ঞান, গবেষণা ও যুক্তিবাদের পোশাকে। এ ধর্মের কোনো নির্দিষ্ট নাম নেই, অন্যধর্মের যেমন রয়েছে—হিন্দু, ইহুদি ইত্যাদি। এ ধর্মের কাছে আকিদা ও ওহীর সামান্যতম গুরুত্বও নেই; তবে বিজ্ঞান, যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব রয়েছে ঢের। এই ধর্মের অনুসারীরা ইসলাম নাম উচ্চারণ না করেও মহাবিশ্ব ও মানুষ সৃষ্টিতত্ত্ব ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাখ্যার মাধ্যমে ইসলাম নিয়ে হাসিঠাট্টা করে। নাউজুবিল্লাহ পূর্বেকার জামানায় যারা মুরতাদ হত; তারা পুরনো কোন মিথ্যা ধর্ম গ্রহণ পূর্বক মন্দির, গির্জা ইত্যাদিতে গিয়ে ইবাদত করত। মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মুসলিমদের থেকে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকসহ সবধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করত। জীবন যাপন, আহার-খাদ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে পূর্ণ বৈপরীত্ব ধারণ করত। ফলে বোঝা যেত যে, এর সাথে এখন থেকে মুসলিম সমাজ, কুরআন, ইসলাম বিশেষভাবে রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু এই আধুনিক কুফর—হিউম্যানিজম ধর্মে অন্তর্ভুক্তির সময় আল্লাহ, রাসুল, ওহী, আখেরাত সব অস্বীকার করা সত্ত্বেও এ ধর্ম তার অনুসারীদের অনুমতি প্রদান করে, যাতে তারা নাম, সংস্কৃতি, ইবাদত, খাদ্য, ব্যবসাবাণিজ্যে ইসলামের ছাঁচের অনুসরণ করে। শুধু দীন-ধর্মের উপর্যুক্ত বিষয়গুলো অস্বীকার করো আর বেশভূষা ও চলফেরায় মুসলিম সমাজের সাথেই থাকো। পূর্বে কাফের-মুরতাদদের জন্য আবশ্যক ছিল—ইবাদত, লেনদেন, চলাফেরাসহ সার্বিকভাবে মুসলিম জামাত থেকে দূরে থাকা। তবে এখন আর এগুলো আবশ্যক নয়; বরং গোপনে আল্লাহ-রাসুলকে অস্বীকার করো। বিপরীতে যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও পঞ্চইন্দ্রিয়ে অনুধাবনযোগ্য বিষয়গুলোকে মেনে নাও। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সঙ্ঘাত ( প্রকাশিতব্য ) . (সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত এখনো অনেক কাজ বাকি। আল্লাহ যেনো সহজ করে, কবুল করে ও নাজাতের উসিলা বানায়)

আমার এক সাথী জাহিদ ভাই প্রায় বলতো, টাকা কামানোই যদি জীবনে একমাত্র উদ্দেশ্য হয় তাহলে ইয়াবা বেইচা টাকা কামামু। তাও ধর্ম বেইচা কামামু না। . বিভিন্ন দীনি বইয়ের মার্কেটিং দেখে সাথী ভাইয়ের কথাটা মনে পড়লো।

মুসলিমদের পক্ষ থেকে আন্তধর্মীয় সংলাপ প্রচারকারীরা সর্বদা এ দাবী করে যে, এই সমস্ত সংলাপের দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ইসলাম ধর্মের সত্যতাকে উপস্থাপন করা আর পরষ্পর সম্প্রীতি ঠিক রাখা। কিন্তু বাস্তবতা হলো আন্তঃধর্মীয় সংলাপের উপর চটকদার যে শিরোনামই পড়ানো হোক শেষ পরিনাম আর উদ্দেশ্যের দিক দিয়ে তা মূলত তাওহিদুল আদয়ান তথা সকল ধর্মের মিশ্রণে এক নতুন ধর্ম সৃষ্টি করা। কারণ, আন্তঃধর্মীয় সংলাপে যে কাজগুলো, যে প্রস্তবনাগুলো দেওয়া হয়, সম্প্রীতির নামে বাস্তবে যা করা হয় সেগুলো একটু পরখ করলে এটাই স্পষ্ট হয়ে দেখা দিবে। কয়েকটি আন্তঃধর্মীয় সম্মেলনের চিত্র একটু দেখে নেওয়া যাক। ... আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির নামে সকল ধর্মকে এক করে ফেলার কেমন চক্রান্ত দেশব্যাপি চলছে তার একটি স্পষ্ট উদাহরণ হলো গত ২০ অক্টোবর ২০২১ ইং-এর একটি অনুষ্ঠান, যা ঈদে মিলাদুন্নবী নামে পালন করা হয়। সেদিন একই স্থানে একদল মুসলিম দেশব্যাপী মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনী, তাঁর আধ্যাত্মিক শিক্ষা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উদযাপন করে। হিন্দুরা বার্ষিক কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা উদযাপন করে। পূজাটি তাদের নিজ গৃহে প্রতি দিনের প্রার্থনার মতোই করা হয়। বৌদ্ধরা বুদ্ধের অহিংস শিক্ষার বাণী আলোচনার মাধ্যমে বার্ষিক প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন করে। এই ঘটনা সম্পর্কে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা কাজল দেবনাথ বলেন, ‘একই দিনে একই স্থানে তিন ধর্মের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন একটি কাকতালীয় ব্যাপার। কিন্তু আমি এটিকে আন্তঃধর্মীয় ঐক্যকে সমুন্বত রাখার ইঙ্গিত হিসেবে দেখি। কারণ আমরা সবাই একই স্রষ্টার সৃষ্টি। তিনিই আমাদের সবার প্রভু।’ . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সঙ্ঘাত ( প্রকাশিতব্য ) (সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত এখনো অনেক কাজ বাকি। আল্লাহ যেনো সহজ করে, কবুল করে ও নাজাতের উসিলা বানায়)

পুঁজিবাদের পলিসিগুলো কখনোই জনসাধারণের সম্পদের প্রবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সাজানো হয় না। ... পুঁজিবাদি রাষ্ট্র চাই তা লিবারেল হোক বা সমাজতন্ত্র, এমন কোনো আইনিনীতি প্রণয়ন করে না, যার মাধ্যমে মূল্যের স্থিতিশীলতা ঠিক করে উৎপাদনের উপকরণগুলো এমনভাবে ব্যবহৃত হবে, যার মাধ্যমে ক্রমবর্ধবান মূলধন সম্ভাব্য সমানহারে সকলের কাছে পৌঁছতে পারে। কেননা পুঁজিবাদি রাষ্ট্রগুলো যাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে তারা নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ, গোষ্ঠি স্বার্থ বা অর্থনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করতেই রাষ্ট্রের সকল পলিসিগুলো নির্ধারণ করে। সেগুলো কোনো অর্থেই জনসাধারণের পুঁজির প্রতিনিধি নয়। পুঁজিবাদে কোনো নিরপেক্ষতা নেই। পুঁজিবাদে একমাত্র নিরপেক্ষতা এটাই যে, সমাজের সকল মানুষ তাদের যোগ্যতানুযায়ী পুঁজিবাদের উন্নতিকরণে নিজের সকল সম্পদ বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবে। যাকে সুযোগের সমতা (Equlity of Opporturnity) বলে। এবং প্রত্যেক ব্যক্তিকে এই ধারণা দেওয়া হবে, তোমার গুরুত্ব ততটুকুই, যা তুমি পুঁজিবাদের প্রবৃদ্ধিকে আরো বৃদ্ধি করার জন্য করেছো। পুঁজিবাদি সমাজ নিজের তৈরি নিরপেক্ষতার সংজ্ঞানুযায়ী একটি জালেম সমাজব্যবস্থা। ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সঙ্ঘাত ( প্রকাশিতব্য ) (সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত এখনো অনেক কাজ বাকি। আল্লাহ যেনো সহজ করে, কবুল করে ও নাজাতের উসিলা বানায়)

ঢাকার ভাইরা মিস দিয়েন না অন্তত।
ঢাকার ভাইরা মিস দিয়েন না অন্তত।

পাকিস্তানের বেরলবি ঘরোনার বিখ্যাত আলেম মুফতি মুনিবুর রহমান গত সপ্তাহে মিলাদুন নবি নিয়ে সেখানের সবচেয়ে বড় পত্রিকা ‘জঙ্গ’-এ একটি ফতোয়া জারি করেন। এদেশে যারা মিলাদুন নবি নামে অনেক কিছু করতে চান ও করেন এবং এটা নিয়ে পুরো মাস সোচ্চার থাকেন তারা কী এভাবে বলেন? এই বাস্তবতা আর এই মাসআলাগুলো বলেন? উনার ফাতাওয়ার উল্লেখযোগ্য অংশ এই ভিডিওতে জামিয়া আশরাফিয়া লাহোরের শিক্ষক পড়ে শুনাচ্ছেন। । বেরলবি ভাইরা একটু শুনুন। https://youtu.be/iBX5DBG5ERM?si=rb71FggnRSjNUbe3

ঈদে মিলাদুন্নবী তো অন্যায়। ভুল কথা। ঈদ হলো, ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা। ঈদে মিলাদুন্নবী নামে কোন ঈদ নাই। অনেকেই অসন্তুষ্ট হবেন আমার কথায়। এখান থেকে বের হয়ে গিয়ে দেখবেন যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কত কথা আসবে আমার বিরুদ্ধে। কিন্তু সেটা তো আমার চিন্তা করতে হবে না। ওটাতো স্পষ্ট একটা ইতিহাস। ইসলামের ঈদ সম্পর্কে তো একটা ইতিহাস আছে। সাহাবা জামানা, তাবেয়ী জামানা, তাবে-তাবেয়ী জামানা। নবী করীম সাল্লাল্লাহু সালামের সীরাতের আলোচনা হবে, জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা হবে— সে আলোচনার জন্য ঈদে মিলাদুন্নবীর নাম দেওয়া, তাঁর জন্মদিন কে ঈদ বানানো— এটা তোমার ইচ্ছা? তোমার নিজের ইচ্ছা মত বানাবা ঈদ? এটাতো শরীয়ত দিবে। নবীজির আদর্শ। নবীজিকে নিয়ে, নবীজির আদর্শ কী, সেটা দেখবা না? . মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ০৫-০৯-২০২৫ ঈ. বাইতুল মুকাররম মসজিদ অনুলিখন: Sadik Shahriar

মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসুদ ভাই লেখেছেন, এদেশের মুসলিমদের ঈমান আকিদা রক্ষায় যুগে যুগে নানান ধর্মীয় ঘরানার আলেমদের অবদানের একটা সামগ্রিক ধারণা পাওয়া যাবে ইমরান রাইহান ভাইর একটা আলোচনাতে। এটা সংক্ষেপের মধ্যে খুবই জরুরি আলাপ। মনে হয়েছে বড়সড় একটা থিসিসকে সাবলীলভাবে সংক্ষেপে তিনি বর্ণনা করে দিয়েছেন। গুরুত্ব বিবেচনায় এটা আমি একবার নয়, দুইবার শুনেছি। আরো একাধিকবার হয়ত শুনব। আপনারাও শুনতে পারেন। লিংক কমেন্টে পাবেন। https://www.youtube.com/watch?v=_wXVApaHhcA

আল কায়দা তো শুধু মুসলমানদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করে। মুসলমান হত্যা করাই এদের কাজ। এখন কেনো এটা করলো? মূলত এটা সিক্রেট জব। শুধু মুর্খরাই এটাকে মুজাহিদের আক্রমণ মনে করে। তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক নেই। -জিহাদ তো আমরাও মহব্বত করি ঐক্যগোষ্ঠী

শাবাবের গাজার প্রতিশোধ। সামনে আসতে আরো বড় আক্রমন। . সোমালিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী আশ-শাবাব এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা গাজার
শাবাবের গাজার প্রতিশোধ। সামনে আসতে আরো বড় আক্রমন। . সোমালিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী আশ-শাবাব এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা গাজার যুদ্ধের জবাবে মার্কিন ঘাঁটিতে একটি বিশেষ ধরনের হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটি আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এটি কেবল শুরু, সামনে আরও বড় ধরনের হামলা আসবে। . সোর্স : গাজা নাও টেলিগ্রাম

কেমন ছিলো আমাদের আকাবীর। . হযরত গাওস হাযারাবি রহিমাহুল্লাহ একবার এক মুনাজারার জন্য যাচ্ছিলেন। স্টেশনে যখন পৌঁছলেন তখন টেলিফোন আসলো আপনার একমাত্র সন্তাম মারা গেছে। হযরত তা শুনে বললেন, তাকে গোসল দিয়ে দাফন করে দেও। আমার ছেলের থেকেও দীনের মূল্য অনেক বেশি। . হযরত গাওয হাজারাবি রহিমাহুল্লাহের যে বহসের ঘটনা এখানে মাওলানা মেঙ্গল সাহেব বলেছেন, তা রেজাখানিদের সাথে নয়, কাদিয়ানের সাথে। . https://youtu.be/EN9mdMZazVA?si=T-JN7Tu0gZeemUa7

চার শ্রেনীর মানুষ আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ১. নারী; ২. গোলাম; ৩. জনসাধারণ; ৪. জিম্মি। নারী খলিফার নিয়োগ ও নির
চার শ্রেনীর মানুষ আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ১. নারী; ২. গোলাম; ৩. জনসাধারণ; ৪. জিম্মি। নারী খলিফার নিয়োগ ও নির্বাচনে নারীদের কোনো ভূমিকা নেই, কারণ অতীতে খলিফা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কখনোই তাদের থেকে মতামত চাওয়া হয়নি। যদি নারীদের সাথে এই বিষয়ে পরামর্শ করা হতো; তবে সাইয়্যিদা ফাতিমা বিনতে রাসুল ﷺ ও রাসুলের স্ত্রীগণ রা. এই বিষয়ে পরামর্শের জন্য অধিক উপযুক্ত ছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ এর বিপরীত। সুতরাং, নারী খলিফা নির্বাচনের পরামর্শে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কেননা নারীদের জন্য ঘরে থাকা আবশ্যক। তারা পুরুষদের সমাবেশে উপস্থিত হতে পারে না। এর ফলে তারা জনগণের পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান রাখে না। ফলশ্রুতিতে তারা খিলাফতের জন্য যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচন করতেও সক্ষম হবে না। নারীদের বিষয়গুলো পুরুষদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। কারণ পুরুষরা নারীদের তত্ত্বাবধায়ক ও শাসক হিসাবে নিযুক্ত এবং তারা নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ পুরুষরা নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল। বই: ইসলামি খেলাফত (প্রকাশিতব্য) লেখক: মাওলানা জাহিদ ইকবাল অনুবাদ: ফাদলুল্লাহ জাবের

এই মাসে যারা রাসুল সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি মধ্যম মানের আকর্ষনীয় সিরাত পড়তে চান, তাদেরকে আমি জাকারিয়া মাসুদ ভাইয়ের
এই মাসে যারা রাসুল সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি মধ্যম মানের আকর্ষনীয় সিরাত পড়তে চান, তাদেরকে আমি জাকারিয়া মাসুদ ভাইয়ের এই বইটি পড়তে বলবো। সহজ-সাবলিল ও সময়ের ভাষায় মাসুদটা লেখেছেন। ভাষার বিচার করার মত ভাষা আমার জানা নেই,তবে কেমন একটা মায়াবী আবেশ লেগেছিলো পুরো বইতে মাসুদ ভাইয়ের ভাষাটার মধ্যে। আরেকটা ভালো লাগার বিষয় হলো, শুধুই সিরাতের ধারাবাহিক বর্ণনা না এই বইটি। লেখক চেষ্টা করেছেন সিরাতকে আমাদের জীবনের সাথে মিলিয়ে দেখানোর জন্য। তবে অতিরঞ্জন করেননি, যাতে সিরাত পাঠের ধারাবাহিকতায় বিঘ্নতা ঘটে। . আর যারা আরো ছোট সিরাত পড়তে চান তারা মুফতি শফি রহিমাহুল্লাহের সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া পড়তে পারেন। আর আরো বড় পড়তে চাইলে আমার অনুরোধ থাকবে ইদ্রিস কান্ধলবির সিরাতে মুসতফাটা পড়ার। । . তবে রেইনডপসের সিরাহটাও আমার কাছে বেশ ভালো ও সাবলিল লেগেছে

আরবের বিশিষ্ট আলেম ড. আব্দুল আজিজ বিন মুস্তফা কামেল লেখেন, ‘লিবারেলজমের পুরো আলোচনার সারমর্ম হলো, লিবারেলিজম হলো একটি দাজ্জালি (ধোঁকায় ভরা) মতবাদ। তা ঐসকল দাজ্জালের অনুসারীদের ধর্ম যারা বড় দাজ্জালের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। মূল দাজ্জাল আসার আগে তারা ধোঁকায় পুরো পৃথিবী ভরে ফেলবে—ইতর আর দুষ্টশ্রেণীর মানুষই হবে তখন কোটিতে। যাতে তারা সহজেই দাজ্জালের আহবানে সারা দেয়।’ . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সঙ্ঘাত (প্রকাশিতব্য) (সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত)

সেক্যুলারিজম.pdf33.86 MB

ধুলোমলিন এই ময়লা চেহারায় প্রশান্তির এক ঝিলিক যেনো ফুটে উঠেছে। .
ধুলোমলিন এই ময়লা চেহারায় প্রশান্তির এক ঝিলিক যেনো ফুটে উঠেছে। .

... বাস্তব কথা হলো, জি*হা*দ ঐসকল লোকদের কাজ নয়, যারা অনুমান, হিসাব-নিকাশ ও সংখ্যার খেলায় মগ্ন থাকে। বরং জি*হা*দ তো এমন মুমিনদ
... বাস্তব কথা হলো, জি*হা*দ ঐসকল লোকদের কাজ নয়, যারা অনুমান, হিসাব-নিকাশ ও সংখ্যার খেলায় মগ্ন থাকে। বরং জি*হা*দ তো এমন মুমিনদের কাজ, যারা নিজেদের পার্থিব জীবনকে পরকালের বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়।... . আধুনিক যুগে জি]হা*দ; আপত্তি ও জবাব (প্রকাশিতব্য) কালান্তর প্রকাশনি

এবার মেলা শুরুর আগেই বেশ কয়েকটা মিডিয়া নিউজ করেছে। আপনারা কী করবেন? . - দেশব্যাপী হাইপ তুলুন। প্রতিটা আড্ডায় মেলার কথা বলুন। . - অনেকদিন দেখা হয় না, এমন বন্ধুরা গেট টুগেদার প্ল্যান করুন মেলায়। "তোরা সবাই অমুক দিন মেলায় আয়।" . - কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা আগামী একমাসের কন্টেন্টে মেলাকে ফোকাসে রাখুন। . - মাদরাসার উস্তাযরা ছাত্রদের নিয়ে আসুন মেলায়। উস্তাযরা উস্তাযরা মিলে জামাত করে আসুন। . - আলিমগণ মেলায় এসে মেলাপ্রাঙ্গণে বরকত দিয়ে যান। লেখক, প্রকাশকদের সাহস দিয়ে যান... . - পুরুষরা ফ্যামিলি, বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে উইকডে তে আসুন (বাচ্চাদের প্লে জোন থাকছে + ফিমেল কর্নার তো গতবারও ছিল) . - দায়ীরা সম্ভাবনাময় তরুণদের নিয়ে মেলায় আসুন। ঘোরার সুযোগে দাওয়াত দিন। বই গিফট করুন। . - খতিব সাহেবগণ জুমআর বয়ানে মেলার কথা বলুন। প্র‍্যাকটিসিং ভাইয়েরা খতিব সাহেবকে খবরটা জানিয়ে দিন। . - কলেজ, ভার্সিটির বিপ্লবী জেন-জি মিছিল করতে করতে মেলায় আসুন। শ্লোগান দিন। সাহিত্যিক টাইপের একটা ক্লাসমেটকে ধরে "মেলায় যাইরে..." এর একটা ইসলামি বইমেলা ভার্শন বানিয়ে ফেলুন। পারলে ফান করে রেকর্ডও করে ফেলুন। ইতিহাসের অংশ হয়ে যাবেন... . - দুষ্টু জুনিয়ররা সিনিয়রদের ফুসলিয়ে মেলায় নিয়ে এসে জোরপূর্বক হাদিয়া নিন। "ঘোরাঘুরির প্রলোভন দেখিয়ে হাদিয়া!!" . - স্ত্রীরা স্বামীকে Whatsapp এ বাজারের লিস্টের পাশাপাশি বইয়ের লিস্টিও ধরিয়ে দিন। মেসেজ পিন করে রাখুন। . - মেট্রোরেলের আশেপাশের মানুষজন 'হুদাই' মেলায় আসুন। আপনাদের মেলায় আসতে আবার কারণ লাগবে কেন? আশ্চর্য!! মেট্রোতে করে সহজে আসা যায়, এটাই কি যথেষ্ট না!! . - বইয়ের সাথের সংশ্লিষ্ট লোকজন সারাদিন মেলার কথা বলুন, বইয়ের কথা বলুন। এ সময় লজ্জা পেয়ে কী লাভ!! কুরবানীর আগে গরুর ব্যবসায়ী আর কুরবানীর পর গরুখোর... এদের কখনো লজ্জা পেতে দেখেছেন?? . - প্রকাশকদের কি কিছু বলা লাগবে? . কপি

শাইখুল ইসলাম মোস্তফা আসসবারী রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু : ১৩৭৩ হি.) বলেন, ‘সাম্প্রতিক পশ্চিমাদের আদর্শে বিশ্বাসীরা ইসলামি বিশ্বে নতুন যা কিছুই প্রবর্তন করেছে, তা দীনের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ও ইসলামের সঙ্গে বিদ্রোহের প্রচেষ্টা হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রনীতি থেকে দীনকে পৃথককরণের ক্ষেত্রে তাদের চক্রান্ত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রের চক্রান্ত থেকে কঠিন ও ভয়ংকর। এটি জনগণের ধর্মের বিপক্ষে একটি রাষ্ট্রীয় বিপ্লব—যদিও বিপ্লব সাধারণত রাষ্ট্রের বিপক্ষে জনগনের হয়ে থাকে—এবং ইসলামের বিধিবিধানের সামনে রাষ্ট্রের আত্মসমর্পনের বিষয়টি বিনষ্টকরণ। বরং তা প্রথমত রাষ্ট্রের এবং দ্বিতীয়ত জনগোষ্ঠীর ইসলাম থেকে ‘ইরতিদাদ’ নিবৃত্ত হওয়া। যদি এই রাষ্ট্রের ভূখন্ডের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে ‘ইরতিদাদে’ নাও হয়, সামগ্রিকভাবে তো অবশ্যই। এটি ব্যক্তিগত ইরতিদাদের চেয়ে কুফরির আরো সংক্ষিপ্ত পথ। বরং তা আলাদা আলাদা ব্যক্তি ব্যক্তির ইরতিদাদকে আবশ্যক করে। কেননা তারা ওই মুরতাদ রাষ্ট্রের বশ্যতা স্বীকার করে নেয়, যে রাষ্ট্র ইসলামের বিধিবিধানের অনুগত থাকার পর এখন নিজেকে স্বতন্ত্র দাবী করছেইসলাম থেকে মুরতাদ হওয়া কোনো শাসনব্যবস্থা ইসলামি বিশ্বের উপর ক্ষমতাসীন হওয়া এবং ইসলামবিবর্জিত ভিনদেশি কোনো রাষ্ট্র ইসলামি বিশ্ব দখল করে নেয়া; দুয়ের মধ্যে কী পার্থক্য? বরং মুরতাদ অন্যের তুলনায় ইসলাম থেকে বেশি দূরে এবং উম্মতের দীনের জন্য তার ক্ষতির প্রভাব আরো প্রবল। কেননা ভিনদেশি রাষ্ট্র সাধারণত ধর্মীয় জাতিগোষ্ঠীর বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ করে না এবং তাদের থেকে একটি শ্রেণিকে নির্ধারন করে দেয় যারা ওই সকল বিষয়াদিতে ফায়সালা প্রদানের দায়িত্ব গ্রহণ করে। অপরদিকে নিজের দীন থেকে মুরতাদ হওয়া রাষ্ট্রকে উম্মত নিজেদের অন্তর্ভুক্ত মনে করে চলছে। ফলে রাষ্ট্রের সঙ্গে তারাও ধীরে ধীরে মুরতাদ হয়ে যাচ্ছে। যদিও রাষ্ট্রের বশ্যতা স্বীকারের ক্ষেত্রে নিরুপায় হওয়ার বিষয়টি রয়েছে বলে রাষ্ট্রের সঙ্গে সবাই একসাথে মুরতাদ হয়ে যায়; একথা আমরা বলি না। এছাড়াও নিজ জাতীর শক্তি ও ক্ষমতায় ক্ষমতাবান রাষ্ট্রের বিপরীতে বাধ্যতামূলক অবস্থান কখনো ভিনদেশি রাষ্ট্রের বিপরীতে বাধ্যতামূলক অবস্থানের মত নয়। যার শক্তিও অনুরূপ ভিনদেশি। ... সহিহ কথা হচ্ছে রাষ্ট্র থেকে দীনকে পৃথককরণের বিষয়টি চাই রাষ্ট্র ও জনগনের কল্যাণে রাষ্ট্রীয় হর্তাকর্তাদের পক্ষ থেকে হোক বা বুদ্ধিজীবী লেখকদের পক্ষ থেকে হোক; ঈমানের সঙ্গে মিলতে পারে না। কেননা দীন আল্লাহর পক্ষ থেকে অবধারিত এবং কুরআন ও সুন্নাতে বর্ণিত বিধিবিধান আল্লাহ তায়ালার বিধিবিধান, যা তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে পৌঁছানো হয়েছে। যে ব্যক্তি সমাজকে (ধর্ম থেকে) পৃথককরণের নীতির নির্দেশনা দেয়, সে হয়তো নিজের ‘ইলহাদ’ গোপনকারী ... অথবা এমন নির্বোধ, যে রাষ্ট্র থেকে দীনকে পৃথক করার অর্থ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে অজ্ঞ। অথচ এটা স্পষ্ট যে, এ দাবীর অর্থই হচ্ছে, রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার উপর ইসলামের কর্তৃত্ব থেকে ইসলামকে সরিয়ে দেয়া এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের প্রবেশকে বাঁধাগ্রস্ত করা। এইজন্যই তো সাধারণত যে আলেমগণ পৃথককরনের নীতির পক্ষে তারাও রাষ্ট্রীয় কাজে জড়াতে নিষেধ করেন। তো যে ব্যক্তি মুসলমানদের একজন হওয়া সত্ত্বেও তার উপর দীনের আদেশ নিষেধের কর্তৃত্ব এবং তার প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের প্রবেশ গ্রহণ করে না, সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়। তাহলে ওই ব্যক্তি কেনো ইসলাম থেকে বের হবে না, যে রাষ্ট্রের কমিশনের সদস্য হিসেবে ইসলামের কর্তৃত্ব ও প্রবেশকে গ্রহণ করে না? . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্য্যতা; দুটি জীবনদর্শনের সঙ্ঘাত বই থেকে (প্রকাশিতব্য)