ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 300 подписчиков, занимая 8 141 место в категории Религия и духовность и 2 028 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 300 подписчиков.

Согласно последним данным от 23 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 85, а за последние 24 часа — 5, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 19.42%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 7.99% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 194 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 903 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 48.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 24 июня, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 300
Подписчики
+524 часа
+357 дней
+8530 день
Архив постов
السيف يعين على الحق কেউ যখন কারো অধিনে এসে যায়, তখন যার অধিনে আসছে তার আখলাক থেকে প্রভাবিত হয়ে যায়। আদ কেউ যদি অধিনে না আসে, তাহলে তুমি যতই আখলাকি হও, তোমার আখলাকে সে প্রভাবিত হবে না, তার নিজের কাছে থাকা ক্ষমতার দম্ভে। এটাই হলো মানহাজে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কারো যদি এই বিষয়টি বুঝে না আসে, তাহলে কসম করে বলা যাবে তার সিরাতের অনেক কিছুই বুঝে আসবে না। . এই যে একটা কথা ছড়ানো হয় ইসলাম তলোয়ারের জোরে ছড়াইনি আখলাকের জোরে ছড়াইছে, এর মানি কী আখলাক আর তলোয়ার ভিন্ন জিনিষ? এটা ভুল কথা, বরং সহিহ কথা হলো, ইসলাম তলোয়ারওয়ালা আখলাকের মাধ্যমে দুনিয়াতে ছড়িয়েছে। . মাওলানা নাঈম সাহেব হাফিজাহুল্লাহ দরসে জালালাইন, সূরা আলে ইমরান তৃতীয় দরস

দেশ প্রেমের শরয়ী বিধান.pdf2.33 KB

দেখেন যা ভালো মনে করেন।
দেখেন যা ভালো মনে করেন।

শহীম মুফতি নিযামুদ্দিন শামযায়ী রহ. বলেন: اسلامی نظام کا عملی نمونہ اب صرف امارت اسلامی افغانستان میں ہے، لیکن ( دنیا کے اندر تین نظام ).. دنیا کے کسی اور اسلامی ملک میں اسکا نمونہ نہیں۔ عجیب تعجب کی بات یہ ہے کہ دنیا کے اکثر ممالک میں جو سیاسی نظام چل رہے ہیں یہ دونوں سیاسی نظام بھی یہودیوں کے ہیں، جمہوری نظام ہے یہ بھی یہودیوں کا ہے، یہودی ہی اس کے خالق اور یہودی ہی اس کو دنیا کے سامنے پیش کرنے والے ہیں، اور اس طریقے سے یہ جو کیمونسٹ نظام تھا اس کو بھی دنیا کے سامنے پیش کرنے والے یہودی تھے۔ (خطبات شامری، دینی مدارس کے خلاف عالمی سازشیں، ۱۷۲/۱-۱۷۳) "(বিশ্বের তিন রাষ্ট্রব্যবস্থা)..... ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যত নমুনা এখন (তালেবানদের ক্ষমতাকালে) শুধু 'ইমারতে ইসলামি' আফগানিস্তানে রয়েছে। কিন্তু বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম রাষ্ট্রে সেটির নমুনা নেই। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে যে রাষ্ট্রব্যবস্থা চলছে; এ দু'টি রাষ্ট্রব্যবস্থাই ইহুদিদের তৈরি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এটিও ইহুদিদের আবিষ্কার, ইহুদিরাই তার স্রষ্টা এবং ইহুদিরাই সেটিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। তেমনিভাবে এই যে সাম্যবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিলো, সেটিকেও বিশ্বের সামনে ইহুদিরাই পেশ করেছে।" (খুতবাতে শামেযি, ১/১৭২-১৭৩) ©মাহফুজুর রহমান

আগামীকাল অবশ্যই আমাদের অংশগ্রহণ করতে হবে।
আগামীকাল অবশ্যই আমাদের অংশগ্রহণ করতে হবে।

আমীরুল মুমিনিনের কথাগুলো গভিরভাবে অনুধাবন করার চেষ্টা করেন। .

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আফগানের আমিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমীরের আজকের কথাগুলো ছিলো ঈমানের ঝলক। // আপনারা সতর্ক থাকুন! জিহাদকে কখনোই পরিত্যাগ করবেন না। আপনারা সতর্ক থাকুন! মুজাহিদদের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক কখনোই বিচ্ছিন্ন করবেন না। এই কাফিরদের ভয় করবেন না। কারণ এরা কখনোই— আপনাদের বৈশিষ্ট্য, আপনাদের চেহারা-চরিত্র, এমনকি আপনাদের ঈমান ও আকিদা— কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবে না। আপনারা যদি সত্যিই ইসলামকে আঁকড়ে ধরে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দৃঢ় ও অটল থাকার প্রতিজ্ঞা করেন, তবে আপনাদের এসব পরীক্ষার ওপর ধৈর্য ধরতে হবে। শহিদ হওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। বন্দিত্ব ও নির্যাতন সহ্য করার প্রস্তুতি নিতে হবে। স্মরণ করুন! সাহাবায়ে কেরাম শহিদ হতেন, তাদের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হতো, তবুও তারা পিছু হটেননি। আর আমরা? আমরা তো এমন কী কষ্ট ভোগ করেছি? আমাদের কাছে ইসলাম এসেছে একেবারেই সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে— কোনো মেহনত ছাড়াই, কোনো আত্মত্যাগ ছাড়াই। আপনারা চিন্তা করুন! ইসলামের সূচনালগ্নে কী অবস্থা ছিল! কে তখন ইসলামকে সাহায্য করেছিল? কে ইসলামের পতাকা উঁচু করেছিল? সে সময় ইসলামের ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল— সবচেয়ে পবিত্র রক্ত দিয়ে, সবচেয়ে উত্তম আত্মত্যাগ দিয়ে। আজ আমরা যে অবস্থানে আছি— তা তাদের সেই আত্মত্যাগেরই ফল। আর আমরা? আমাদের কাছে তো ইসলাম এসেছে কোনো রকম কষ্ট ছাড়াই! তাহলে আমরা ইসলামের জন্য কী করেছি? কী শ্রম দিয়েছি ইসলামের জন্য? তবুও, আলহামদুলিল্লাহ! আমরা দৃঢ় থাকব, ইনশাআল্লাহ। আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস— পূর্বের কিংবা পশ্চিমের কোনো শক্তিই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। এটাই আমাদের আকিদা। এটাই আমাদের ঈমান। আমরা কি আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখি না? তাহলে কেন আমরা আজ এই কাফিরদের হুমকিতে ভীত হব? কেন আমরা তাদের কথায় প্রভাবিত হব? আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। // অনুবাদ করেছেন মাওলানা মীজানুর রহমান

photo content
+4

photo content
+4

ইন্টারফেইথ.pdf4.45 KB

যারা এখনো রেজিষ্ট্রেশন করেননি করে ফেলতে পারেন। মাদরাসার উস্তাদরা ইলম নয়, মালুমাত অর্জনের নিয়তে আসতে পারেন। ফায়দা হবে ইনশাআল্ল
যারা এখনো রেজিষ্ট্রেশন করেননি করে ফেলতে পারেন। মাদরাসার উস্তাদরা ইলম নয়, মালুমাত অর্জনের নিয়তে আসতে পারেন। ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ। রেজিস্ট্রেশন লিংক : https://themuslimminds.org/registration/

জাতীয় মসজিদের খতিব হজরত মাওলানা আবদুল মালেক হাফি. লেখেন, //উস্তাযের প্রতি সম্মান প্রদর্শন তিনি যেমনই হোন বাঞ্ছনীয়। কিন্তু উস্তায হওয়ার কারণে কারো ভুলকে সঠিক বলা এবং তার গোমরাহীকে তাবীল করতে থাকা নিকৃষ্টতম আসাবিয়্যাত। যা অনেক বড় ও অনেক মারাত্মক কবিরা গোনাহ। আল্লাহ তাআলা উম্মতকে, বিশেষভাবে উলামায়ে কেরামকে, আরো বিশেষভাবে দারুল উলূম দেওবন্দের সাথে সম্পৃক্ত উলামায়ে কেরামকে এই ব্যাধি থেকে সবসময় নিরাপদ রাখুন। আমীন!// সূত্র: আল্লামা আবুল ফাতাহ মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া রহ. স্মারকগ্রন্থ, পৃ. ৭০

সশ/স্ত্র জি/হা/দের বিধান অস্বীকার করা কিংবা রাসূলের যুগে জিহাদ থাকলেও এখন আর জি/হা/দের বিধান নেই মনে করা অথবা কুরআন-হাদীসে বর
সশ/স্ত্র জি/হা/দের বিধান অস্বীকার করা কিংবা রাসূলের যুগে জিহাদ থাকলেও এখন আর জি/হা/দের বিধান নেই মনে করা অথবা কুরআন-হাদীসে বর্ণিত জি/হা/দকে জ/ঙ্গীবা/দ, বর্বর’তা, মা’রামারি, উ’গ্রতা ও সন্ত্রা’স ইত্যাদি বলা ঈমান ভঙ্গের কারণ। বলাবাহুল্য, জি/হা/দের উদ্দেশ্য কাউকে হত্যা বা ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা নয়; বরং সন্ত্রাস দমন করা এবং দুনিয়াতে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আইন-কানুন মেনে নিতে বাধ্য করা। এ জন্যই তো কোনো কাফের ইসলামী রাষ্ট্রে থাকতে চাইলে সামান্য কর দিয়ে থাকতে পারে। এবং কাফেরদের নারী, বৃদ্ধ ও অক্ষম ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জি/হা/দের বিধান নেই। বই: ঈমান ও কুফর লেখক: সাঈদ আহমাদ চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

উবাইদুল্লাহ ফারুক সাহেব আজ যে তাহরিফগুলো করেছে এগুলো আজকের নতুন না। তার তাহরিফ নিয়ে ইতিপূর্বেও লেখেছিলাম। পড়ে নিতে পারেন। https://t.me/abdullahbinbashir/523

ইউটিউবের বড় বড় দীনি প্লাটফর্ম থেকে কী উবাইদুল্লাহ ফারুক সাহেবের রদ আসবে? যেমনটা রফিফুল ইসলাম নেত্রকোনার জন্য এসেছিলো? . আপনারা অপেক্ষায় আছি। এবং অপেক্ষা করতেই থাকবো।

তিনি যত বড় শাইখুল হাদিসই হোক, তার মর্যাদা দীন থেকে বেশি না। এগুলো স্পষ্ট দীনের তাহরিফ। এই তাহরিফ এই মামুষটির দিকে এবারই প্রথম নয়। আল্লাহ তাকে হেদায়েত দান করুন।

সেকুলার আর লিবারেল শিক্ষা আমাদের জীবনে কী ক্ষতি করেছে। . যারা উর্দু বুঝেন অবশ্যই শুনেন। . (সম্ভব হলে বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে প্রচার করতে পারে।)

কয়েকদিন আগে ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ বিষয় একটি প্রবন্ধ অনুবাদ প্রচার করি। প্রবন্ধটি উস্তাদে মুহতারাম মাওলানা সফিউল্লাহ ফুয়াদ সাহেবের দৃষ্টিগোচর হয়। উস্তাদজি প্রবন্ধটি পাঠ শেষে নিম্নোক্ত বার্তাটি পাঠান। //আপনার 'ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ' শীর্ষক লেখাটি দু-একদিন আগে সম্ভবত দুপুরের খাবারের সময় একজনকে দিয়ে পড়িয়ে শুনেছি। এ ধরনের লেখা প্রচার হওয়া দরকার। এর সর্বনিম্ন ফায়দা হলো, এর দ্বারা হুজ্জত কায়েম হবে। তাছাড়া লেখার দাবির অনুকূলে সাড়া দেওয়ার মতো লোকজনও সর্বযুগেই থাকে।// . আল্লাহ উস্তাদজিকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। . প্রবন্ধটি যারা পড়েননি পড়ার আহবান রইলো। . https://t.me/abdullahbinbashir/1055

ঘৃণা কাফেরের প্রতি, না কুফরের প্রতি কাফেরদের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক রাখার যে বিধান এখানে বলা হয়েছে, এর ওপর একটি আপত্তি এই উত্থাপিত হয়, 'ঘৃণা ও বিদ্বেষ কাফেরের প্রতি নয়, বরং কুফরের প্রতি। কারণ কাফেররাও তো মানুষ। মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা না রাখাই উচিত। ঘৃণা তো হবে তার কর্মের প্রতি।' এই আপত্তিটি কখনো বিভিন্ন ধর্মীয় ঢঙে উল্লেখ করা হয়, আবার কখনো এমন নিষ্পাপ ভঙ্গিতে উল্লেখ করা হয় যে, সাধারণ মুসলমান ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো না জানা থাকার কারণে এতে বেশ পেরেশান হয় এবং ধোঁকায়ও পতিত হয়ে যায়। বাস্তবতা হলো, এই আপত্তিটির কয়েকটি দিক হতে পারে- ক. ওপরের কথা দ্বারা যদি উদ্দেশ্য এটা হয় যে, কোনো মানুষের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষের মূল ভিত্তি কারও ব্যক্তিত্ব বা সত্তা নয়, বরং ব্যক্তির ঘৃণিত ও নিন্দিত চিন্তা ও কর্মই হলো তাকে ঘৃণা করার মূল ভিত্তি, যেগুলো সে স্বেচ্ছায় করেছে। এই হিসাবে উপরিউক্ত কথাটি ভুল নয়। বরং ইসলামের মূলনীতির সাথেও এটা সামঞ্জস্যশীল। কেননা ইসলাম সকল মানুষকেই 'আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি' হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং তার প্রচার ও প্রসার করে। জাতপাতের কোনো ধারণা ইসলামে নেই। ইসলাম কোনো বংশ বা দলকে সম্মান ও অসম্মানের মাপকাঠি নির্ধারণ করেনি। কুফর ও জুলুমের মতো ঘৃণিত অপরাধ করে কোনো ব্যক্তি নিজের অযোগ্যতার পরিচয় দিলে তার এই পদক্ষেপ নিন্দা ও ঘৃণার যোগ্য হবে, কিন্তু যখনই সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে নিজেকে সংশোধন করে নেবে, তখনই সে পূর্বের ইজ্জত ও সম্মান ফিরে পাবে। কিন্তু কোনো কাফেরের ব্যক্তিত্বকেই যদি ঘৃণার মাপকাঠি বানিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে সে ইসলাম কবুল করার পরও ঘৃণিতই থেকে যেত, কিন্তু বিষয়টা বাস্তবে তেমন নয়। খ. আর এই বাহ্যত নিষ্পাপ স্লোগানের উদ্দেশ্য যদি এটা হয় যে, আমাদের ঘৃণা শুধু 'কুফর' গুণটির সাথে। কিন্তু এই গুণের ধারক কাফেরের সাথে আমাদের কোনো ঘৃণা নেই, বরং তার এই গুণকে ঘৃণা করে তাকে ভালোবাসাই উচিত, তাহলে এটা ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ভুল ও একটি অবাস্তব দাবি। এটা শুধু মানুষের কল্পনাতেই সম্ভব, বাস্তব জীবনে এটার প্রয়োগ অসম্ভব। কেননা 'ব্যক্তি' ও 'তার অর্জিত গুণ' এ দুটিকে পৃথক করার কোনো মাপকাঠি তৈরি কি আদৌ সম্ভব? এটার কল্পনাও কি কেউ করতে পারবে? কেননা ব্যক্তিই তো ঘৃণিত 'গুণটি' নিজের মাঝে ধারণ করে, সেই 'গুণের' কারণে শাস্তি ব্যক্তিকেই পেতে হয়, ব্যক্তির সে 'গুণ'-কে শাস্তি দেওয়া হয় না। এই দাবি ও চিন্তাও কি আদৌ সম্ভব, চুরিকে শাস্তি দেওয়া হোক, চোরকে নয়! বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

photo content