es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 300 suscriptores, ocupando la posición 8 141 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 028 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 300 suscriptores.

Según los últimos datos del 23 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 85, y en las últimas 24 horas de 5, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.42%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 7.99% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 194 visualizaciones. En el primer día suele acumular 903 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 48.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 24 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 300
Suscriptores
+524 horas
+357 días
+8530 días
Archivo de publicaciones
মুজাহিদ রহ. বলেন: ঈমানের মজবূত হাতল হলো আল্লাহ জন্য ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্য বিদ্বেষ রাখা। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক:
মুজাহিদ রহ. বলেন: ঈমানের মজবূত হাতল হলো আল্লাহ জন্য ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্য বিদ্বেষ রাখা। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বনি বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

একবিংশ শতাব্দীর মুসলিমদের কিছু উলিল আমর। ১। শেখ হাসিনা ২। বাশার আল আসাদ ৩। সিসি ৪। মুহাম্মদ বিন সালমান 💯 ৫। মুহাম্মদ বিন যায়েদ আল-নাহিয়ান ৬। দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ ৭। পাক ফৌজ জিন্দাবাদ ৮। ইউনুছ

ইসলামের মুহাফিজ তৈরি করছে আমেরিকা❤️ . আমেরিকা একা যে পরিমান ইসলামের খেদমত করে সকল আরব রাষ্ট্র মিলেও তার সমান হবে না। . এই যে
ইসলামের মুহাফিজ তৈরি করছে আমেরিকা❤️ . আমেরিকা একা যে পরিমান ইসলামের খেদমত করে সকল আরব রাষ্ট্র মিলেও তার সমান হবে না। . এই যে মুসলিম সেনাবাহিনীগুলোকে যে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে এটা তো আর তাদেরকে দীনের শত্রু বানানোর জন্য না। তাই না। অবশ্যই, মুসলিম বাহিনী যেহেতু দূর্বল, তাদের দ্বারা দীনের রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না, তাই আমেরিকা মুসলিম দেশের বাহিনীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দীনের প্রকৃত রক্ষক বানাচ্ছে। কিছুদিন আগে পাকিস্তানে, বর্তমানে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে ট্রেনিং দিচ্ছে। . ইসলামের সাচ্চ খাদেম মেরিকার জন্য একরাশ ভালোবাসা।

আমি আর ভাত খাবো না।
আমি আর ভাত খাবো না।

এবারে আবু উবাইদা গা/জার এই গণহত্যার অপরাধে উম্মাহর আলেমগণকেও শামিল করেছেন। তাঁর প্রদত্ত ভিডিও বার্তার ৯ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের পর উম্মাহর সকল আলিমকে সম্বোধনে শামিল করে বলেছেন— أنتم خصومنا أمام الله عز وجل، أنتم خصوم كل طفل يتيم و كل ثكلى، وكل نازح، وكل مشرد ومقلوم وجريح ومجوع. وإن رقابكم مختلطة بدماء عشرة الآلاف من الأبرياء..... ❝আপনারা মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে আমাদের প্রতিপক্ষ, আপনারা প্রতিপক্ষ প্রত্যেকটা বাবা হারানো শিশুর, প্রত্যেকটা সন্তান হারানো মার, প্রত্যেকটা উদ্বাস্তু মানুষের, প্রত্যেকটা গৃহহারা মানুষের এবং অঙ্গ কর্তিত, আহত, ক্ষুধায় কাতর মানবেতর জীবন কাটানো প্রত্যেকটা প্রাণের। মনে রাখবেন আপনাদের সত্তায়ও এই নিরাপরাধ হাজার হাজার শহীদের রক্তের দাগ লেগে আছে।❞ আবু উবাইদার এ কথাগুলো শুনে কেঁদেছি অনেক সময়। হৃদয়কে এফোঁড়ওফোঁড় করে দিয়েছে বাক্যগুলো...। ©

হিউম্যানিজম_ও_হিউম্যানরাইটস.pdf6.88 KB

মাসুদ ভাই ফাত্রা কথা বলার মত মানুষ নয়। . তো, উর্ধতন কর্মকর্তাগুলো কারা কারা এটা জানতে পারলে উনাদের বুখারীর দরসগুলো থেকে নিয়মি
মাসুদ ভাই ফাত্রা কথা বলার মত মানুষ নয়। . তো, উর্ধতন কর্মকর্তাগুলো কারা কারা এটা জানতে পারলে উনাদের বুখারীর দরসগুলো থেকে নিয়মিত গিয়ে গিয়ে ইস্তেফাদা করে আসতাম।

ফিকহের একটা মাসআলা হলো, অমুসলিমদের সাথে যদি কোনো কারণে মুসলমানদের জোট করতে হয় তাহলে কয়েকটি শর্ত রয়েছে। তারমধ্যে দুটো শর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক. ঐ জোটের মাধ্যমে বিজয়ী হলে সে বিজয় যেনো ইসলামের বিধিবিধানের হয়, মুসলমানদের এতটুকু শক্তি হতে হবে। দুই. মুসলমানদের এতটুকু শক্তি থাকতে হবে, অমুসলিমরা যদি কোনো কারণে কাফেরদের সাথে মিলে যায় তাহলে যেনো তা প্রতিরোধ করা যায়। (বিস্তারিত জানোট দেখুন, চেতনা থেকে প্রকাশিত মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বইটি) ফুকাহায়ে কেরাম কেনো এই শর্তগুলো আরোপ করেছেন তা আমাদের এই পশ্চিমের দাস সরকার দেখলে স্পষ্ট বুঝা যায়। মুসলমানের বাচ্চারা রক্ত দিলো। সব করলো। কিন্তু আশাআকাঙ্ক্ষা সব বাস্তবায়ন হচ্ছে ইউনুসের প্রভু আমেরিকার। ইসলামের সমস্ত বিধান, পৃথিবীর সকল বাস্তবতা উপেক্ষা করে এক তা*গুত আমাদেরকে স্থায়ীভাবে আরেক তা*গু*তের হাতে তুলে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছে। নোট: অমুসলিমদের সাথে জোট করার এই শর্তের কী কারণ সে সম্পর্কে ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহ লেখেন, কারণ কু*ফ*রি শাসন যদি শক্তিশালী থাকে, তাহলে বিজয় ও শক্তি অর্জিত হলে তা কু*ফ*রি শাসনেরই হবে, ফলত তা হবে কু*ফ]রি শাসনের বিজয়ের লড়াই, অথচ মুসলিমের জন্য কু*ফ*রি শাসনকে বিজয়ী করার জন্য লড়াই করা মোটেও বৈধ নয়; বরং সে লড়াই করবে ইসলামের বিজয়ের জন্য, আল্লাহর কালিমার বুলন্দির জন্য। তাই মুসলিমদের জন্য বৈধ হবে না কা*ফে*র*দের সঙ্গী হয়ে লড়াই করা। আর ইসলামি শাসনব্যবস্থা বিজয়ী থাকা অবস্থায় কা*ফে*রদের সাহায্য নেওয়া জায়েজ।

এদেশে ইসলামকে চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করার কিছুটা দায় আলেমদেরও রইলো আলহামদুলিল্লাহ। . কোন প্রশাসনের হাতে মসজিদগুলো ছাড়া হচ্ছে, যে প
এদেশে ইসলামকে চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করার কিছুটা দায় আলেমদেরও রইলো আলহামদুলিল্লাহ। . কোন প্রশাসনের হাতে মসজিদগুলো ছাড়া হচ্ছে, যে প্রশাসন সম্পূর্ণ সেকুলার। যাদের জীবনের একমাত্র মাকসাদ হলো সেকুলার আর লিবারেল সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। . এত বড় ধংসের সিন্ধান্ত নেওয়ার পরেও যেহেতু দেওবন্দি, তাই তার মধ্য ঠ্যাং গিয়ে চাটেন সবাই।

বাস্তবধর্মী হওয়া ইসলামে নিষেধ কিছু নয়। বরং ইসলাম এটা খুবই উৎসাহের সাথেই শিক্ষা দেয়। কিন্তু এই সকল শিক্ষার পাশে ইসলাম আরেকটা মৌলিক ও আসল যে শিক্ষাটি দেয় তাহলো, এতসব বাস্তব হিসাব-নিকাশ, বিশ্লেষণ ইত্যাদি সবকিছুই দুনিয়ার একটি বিধান মাত্র। আসল কার্যকারণ মূলত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা। এই দুনিয়ার একমাত্র মালিক ও খালেক আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা। তিনি এই সকল হিসেবনিকেশের উর্ধ্বে। . আমার একজন উস্তাদ আছেন। বেশ আল্লাহ ওয়ালা। বাংলাদেশের একজন শীর্ষ পীর সাহেবের ইজাজতপ্রাপ্ত। প্রায় আমাকে ফোন দিয়ে ডাকেন এবং বর্তমান পৃথিবীর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেন। একদিন বলতেছেন, ‘আব্দুল্লাহ! একটা সময় এটাই বিশ্বাস হতো, আমেরিকাকে বাদ দিয়ে বর্তমান পৃথিবীতে কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে টিকা সম্ভব না। অন্ন-বস্ত্র মানুষের এই মৌলিক চাহিদাও পূরণ করা কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব না। কিন্তু এটা যে সম্পূর্ণ ভুল, তা আফগানে ইমারাহ ক্ষমতায় আসার পর একদম স্পষ্ট হয়ে গেছে।’ . উস্তাদের কথাগুলো শুনেছিলাম আর মনে মনে হিসেছিলাম আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছিলাম সেদিন। . কী বুঝাচ্ছে তা আপাতত না বললাম, যারা বুঝার বুঝে নিয়েন।

-সিরিয়া বাশারের পতনের মূল কারিগর এরদোয়ান -সিরিয়ার ডিফেন্স তুরষ্কের কন্ট্রোলে। -সিরিয়ার সেনাবাহিনীর বেতন তুরস্ক দেয়। -আহমাদ শারা এত অল্প সময়ে বিশ্বের রাজনৈতিক মঞ্চে সফলতা অর্জন করছে এরদোয়ানের হাত তার পিঠে থাকার কারণে। এরদোয়ান প্রীতির এমন শত শত থিসিস আছে আমার বন্ধু মফিজের। কিন্তু আব্রাহাম এলাইন্সের আলোচনা যখন চলছিলো তখন জুলানী ছিলো আমেরিকার দালাল। আমেরিকাই তাকে ক্ষমতায় এনেছে ইরানকে চাপে ফেলার জন্য। এটাও আমার বন্ধু মফিজের আরেকটি বড় থিসিস ছিলো। . বন্ধুটারে লইয়া আর পারি না।

মনে হচ্ছে আহমদ শারা বড়ধরনের ভুলই করে ফেলছে দ্রুজদের সাথে সমঝোতা করে সেখান থেকে সেনাবাহিনীকে সরিয়ে নিয়ে এসে। দ্রুজদের অঞ্চলে বসবাস করা মুসলমানদের সেখানে কচুকাটা করছে দ্রুজ যি*ন্দি*কগুলো। . সেকুলার তুর্কীদের তালে পড়ে নিজের স্বভাবজাতকে না ভুলে শারার উচিত নিজের আসল অস্তিত্বে ফিরে যাওয়া। এতগুলো নিরিহ মুসলমানদেরকে দ্রুজদের হাতে তুলে দেওয়া কস্মিনকালেও সঠিক হয় নাই। এই রক্তে অবশ্যই শারার দায় রয়েছে। . আল্লাহ তাকে অবিচল রাখুন এবং কল্যাণকর বানাক।

আফগানে একলোক রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবমাননা করেছে। আদালতে তার শাতম প্রমাণিত হয়েছে। ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন সাথে সাথে তার মৃত্যু কার্যক্রম করেছে। . ইনশাআল্লাহ, নামুসে রিসালাতের এই বারাকাহ ইমারতকে আরো সমৃদ্ধ করবে। . বাক স্বাধীনতা নামক মিথ্যা আর ধোকার দিন শেষ।

ইমামুল হারামাইনের দৃষ্টিতে খিলাফতের উদ্দেশ্য: ক. দারুল ইসলামের সুরক্ষা। খ. নাগরিকদের পূর্ণ তত্ত্বাবধান। গ. দলিল ও তরবারির মাধ
ইমামুল হারামাইনের দৃষ্টিতে খিলাফতের উদ্দেশ্য: ক. দারুল ইসলামের সুরক্ষা। খ. নাগরিকদের পূর্ণ তত্ত্বাবধান। গ. দলিল ও তরবারির মাধ্যমে দাওয়াত প্রতিষ্ঠা করা। ঘ. ভয়ভীতি ও জুলুম নির্যাতন দূর করে নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ঙ. জালিমদের থেকে মাজলুমদের পক্ষে ন্যায়বিচার প্রদান করা, অধিকার হরণকারীদের থেকে অধিকার গ্রহণ করে তার হকদারকে ফিরিয়ে দেওয়া। সূত্র : ইসলামি খিলাফত ও আমাদের দায়িত্ব অনুবাদ : Fadlullah Zaber সম্ভাব্য প্রকাশ : রবিউল আওয়াল বাইতুল মুকাররম বইমেলা

আলহামদুলিল্লাহ, এগুলোর মাধ্যমে আসিফ আদনান ভাই, জাকারিয়া মাসুদ ভাই ও রেজাউল করিম আবরার ভাইরা পুরো দেশবাসীর কাছে আরো জনপ্রিয় হবে। উনাদের আহবানগুলো যাদের কাছে উনাদের মাধ্যমে পৌঁছানো সম্ভব না, এই ধরনের মিথ্যা মামলার মাধ্যমে ঐ সমল ব্যক্তিদের কাছেও পৌঁছাবে। যদি ভাইরা ঈমানের উপর ও নিজ দাওয়াতের উপর পূর্ণ অটল থাকে। সমস্ত নবীদের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় তাগুত কর্তৃক মিথ্যাচার, মিথ্যা অপবাদ, চরিত্র হনন, এগুলো নবিওয়ালা কাজের আবশ্যকীয় অংশ। . আমি আল্লাহর কাছে ভাইদের জন্য দোয়া করি ও ভাইদেরও আহবান করি, ইমানি দাবীতে অটল থাকুন, আল্লাহ আপনাদের অটল রাখুন। এই মুসিবতগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, পরিক্ষার জন্য, দায়ীরা নিজ দাবীতে সৎ কি না। ইনশাআল্লাহ, এগুলোর পরেই আসে বিজয়। সিরাতে বিজয়ের কাহিনীগুলো এভাবেই রচিত হয়েছে।

ইসলাম জি/হা/দে/র মাধ্যমে ছড়িয়েছে, না আখলাকের মাধ্যমে? -মাওলানা নাইম সাহেবের জালালাইনের দরস থেকে ভিডিও: Risalah

পশ্চিমা গণতন্ত্র আমাদের মাথায় একটি মৌলিক গোমরাহি এটা প্রবেশ করাতে সক্ষম হয়েছে যে, গণতন্ত্রের বিপরীত মানেইই হলো রাজতন্ত্র, আর রাজতন্ত্র মানেইই হলো স্বৈরাচার। অতচ আমাদের ইসলামি তুরাসে এমন কোনো কথা নেই। . গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতারা বিশেষ ফরাসি বিপ্লবের আগ মূহুর্তের দার্শনিকদের থেকে পরিবর্তি সময়ে যারা রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেছে, তারা রাজতন্ত্রকে এতটা ঘৃণিতভাবে পেশ করেছে যে, রাজতন্ত্রের মৌলিক বাস্তবতা নিয়ে চিন্তা করার কোনো সুযোগই দেয়নি। . মাওলানা মওদুদির অন্যতম শ্রেষ্ঠ গোমরাহি হলো এটাই যে, রাষ্ট্রনীতি নিয়ে তার মৌলিক পড়াশোনা যতটা না ইসলামি তুরাস থেকে হয়েছে তার থেকেও বেশি হয়েছে আধুনিক পশ্চিমা দার্শনিকদের হাত ধরে। যারফলে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ঘৃণিত মনোভাব তার মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছে। ফলে তিনি যখনই ইসলামের ইতিহাস নিয়ে বসলেন দেখতে পেলেন, রাজতন্ত্রের বাহ্যত সূচনাকারী হযর‍ত মোয়াবিয়া রা.। বাস, আর কোনো কথা নেই। কলমের অস্ত্র নিয়ে নেমে গেলেন রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে আর ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করলেন মহান সাহাবীর ইজ্জত। . মাওলানা মওদুদির সাহাবা সমালোচনার বিরুদ্ধে ওলামায়ে কেরমা কঠোর দমন করলেও, সমালোচনার মূল গোড়ার কারণটি অনেকেই ধরতে পারলেন না৷ যার ফলে সাহাবাদের সমালোচনা না করলেও ব্যাপকভাবে ও ঢালাওভাবে রাজতন্ত্রের বিরোধিতা একদল আলেমদের মধ্যে রয়েই গেলো। . আমাদের সিয়াসি তুরাছের কোথাও রাজতন্ত্রকে ঢালাওভাবে নাজায়েজ বা গোমরাহি মনে করা হয় না। আমাদের প্রায় সকল তুরাছেই এই কথা স্পষ্ট রয়েছে, নিজ সন্তানকে ক্ষমতা দিয়ে যাওয়া বাবার জন্য বৈধ। . ইসলামি খেলাফত সংক্রান্ত আমাদের তুরাসি পড়াশোনো একেতো কম, তার উপর আমরাও এটা ধরেই নিয়েছি, রাজতন্ত্র একটি ঘৃণিত। সুতরাং, ইসলামকে বাচাতে গিয়ে আমরাও ঢালাওভাবে রাজতন্ত্রের কঠোর বিরোধিতা করি। রাজতন্ত্রের ব্যাপারে ঢালাওভাবে বিভিন্ন অন্যায় বক্তব্য দিয়ে থাকি। . ইসলামি খেলাফত সংক্রান্ত একটি লেখায় আমি অনেকদিন আগে লেখেছিলাম, //মজার কথা হলো, কুরআন থেকে রাজতন্ত্র হারামের পক্ষে কোনো দলিল দেওয়া তো অনেক দূরের বিষয় স্বয়ং কুরআনে রাজতন্ত্রের পক্ষে দলিল পাওয়া যায়। যেমন কুরআনে বিভিন্ন নবীদের ঘটনা পাওয়া যায় যারা নিজ বংশে ক্ষমতা থাকার দোয়া করেছেন আর আল্লাহ তাঁদেরকে এই ধরনের দোয়া করতে নিষেধ করেননি। এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই আধুনিক চিন্তাবিধরাও কিন্তু দ্বিমুখী বক্তব্য দিয়ে থাকে। তাদেরকে ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহ.-র ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তারা বলে এটা খিলাফতে রাশেদার নমুনা। অথচ এই নমুনাও কিন্তু মূলত রাজতন্ত্রই ছিলো। চিন্তার বিষয় হলো, গণতন্ত্রকে এরা এতটাই উন্নত শাসনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করে যে, গণতন্ত্রের আলোকে ইসলামি গণতন্ত্র বা ইসলামি জমহুরিয়‍্যাহ খুঁজে বেড়ায় আর রাজতন্ত্রের ব্যাপারে সিন্ধান্ত দেয় অনৈসলামি! অথচ গনতন্ত্রের পক্ষে না শরয়ী কোনো দলিল আছে, না খিলাফতে রাশেদায় এর কোনো নমুনা আছে। বরং রাজতন্ত্রের পক্ষে শরয়ী দলিলও আছে, খাইরুল কুরুনে এর উত্তম দৃষ্টান্তও রয়েছে। এবং সকল মুসলিম রাষ্ট্রচিন্তক ইমামগনের নিকট রাজতন্ত্রের অনুমতিও আছে। ইদ্রিস কান্ধলবি রহ. বলেন, 'ইসলামের মধ্যে মৌলিকভাবে রাজতন্ত্রের অনুমতি রয়েছে। যারা বলের ইসলামে রাজতন্ত্রের অনুমতি নেই তাদের কথা অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ মূল কথা হলো, রাজতন্ত্র সম্পূর্ণরূপে অনৈসলামিক কোনো পদ্ধতি নয়। হাঁ, তা অনুসরণীয় পদ্ধতিও নয়। রাজতন্ত্র খারাপ হওয়ার মূল কারণ এটা নয় যে, এখানে বংশপরম্পরায় ক্ষমতা চলতে থাকে। বরং খারাপ হলো, তার ভুল ব্যবহার। আর এই কথা শুধু রাজতন্ত্রের জন্যেই নয় বরং যেকোনো শাসনব্যবস্থার জন্যেই প্রযোজ্য। আধুনিক যুগের চিন্তাবিদরা রাজতন্ত্রকে তুলনা করে স্বৈরাশাসনের সাথে। যেখানে শাসকের হুকুমই দেশের সংবিধান বলে গন্য হয় অর্থাৎ বিধান দেওয়ার অধিকার বাদশাহের। তাদের এই ধারণাও সম্পূর্ণ ভুল। ইসলামি ইতিহাসে স্বৈরাশাসকের অস্থিত্ব থাকলেও তাদের কথাই একমাত্র আইন ও তারা যেকোনো বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত দিবে তাই পালনীয় এমন কোনো চিত্রের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। বরং রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক কাঠামো চলতো ধর্মীয় বিধিনিষেধনুযায়ী। যেখানে বাদশাহ নয় হাকিমিয়‍্যাত ছিলো আল্লাহর।// বিস্তারিত নীচের এই পিডিএফটিতে দেখতে পারেন। https://t.me/abdullahbinbashir/516

রাষ্ট্রের মুসলমানিত্ব নিয়ে কয়েকটি কথা # দীনের সমগ্র বিষয়ে ঈমান এনেও কেউ যদি কেবল একটি মৌলিক অংশ অস্বীকার করে, তবে সে কাফের হয়ে যাবে। বিপরীতে একাধিক আমলে ত্রুটি হলেও কাফের হবে না। খারেজীরা আমলের বিচ্যুতিকে 'ইসলামহীনতা' মনে করতো। আহলুস সুন্নাহর মতে, আমল ঈমানের অংশ, শক্তি ও সৌন্দর্য। কিন্তু আমলের বিচ্যুতি মানেই ইসলামহীনতা নয়। মুসলিম মানে যিনি ইসলামে বিশ্বাসী ও অনুগত। ইসলামের প্রতি দায়বদ্ধ। এমন ব্যক্তির আমলে মারাত্মক ত্রুটিও ক্ষমাযোগ্য। বিপরীতে যে ইসলামে বিশ্বাসী, অনুগত ও দায়বদ্ধ নয়, তার বাকি সব কাজ ইসলামী হলেও সে কাফের। # রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য। যে রাষ্ট্রের ভিত্তি আল্লাহর কুরআন ও সুন্নাহ, যে রাষ্ট্রের শুরু ও শেষ ইসলামকে ঘিরে, সর্বোপরি যে রাষ্ট্র ইসলামের প্রতি দায়বদ্ধ, বিশ্বাসী ও অনুগত, সেটা ইসলামী রাষ্ট্র। সেই রাষ্ট্রের কোনো এক বা একাধিক অংশ ত্রুটিযুক্ত ও শরীয়াহ-বিরুদ্ধ হয়ে গেলেও (যথা মদ ও করপ্রয়োগ) তা ইসলামী হিসেবে রাষ্ট্র বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সে ইসলামের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে, ওহীর আনুগত্য স্বীকার করে। বিপরীতে যে রাষ্ট্রের ভিত্তিই মানুষ্য মতবাদ, যে রাষ্ট্রের শুরু ও শেষ সেক্যুলারিজম, যে রাষ্ট্র কোনোক্রমে নিজেকে ইসলামের প্রতি দায়বদ্ধ মনে করে না, সেটা কাফের রাষ্ট্র। সেই রাষ্ট্রের কোনো কাজ (যথা বিবাহ ও উত্তরাধিকার) ইসলাম অনুযায়ী হলেও কাফেরই থাকবে। # আধুনিক সেক্যুলার রাষ্ট্রগুলো কুফরের ওপর প্রতিষ্ঠিত, কুফরের সাগরে নিমজ্জিত। ওহী প্রত্যাখ্যান, আল্লাহর দীনের সঙ্গে বেঈমানিই সেক্যুলার রাষ্ট্রগুলোর ঈমান। সেক্যুলার রাষ্ট্রের গায়ে-গত্রে শরীয়াহর যেসব ছিঁটেফোঁটা দেখা যায়, সেটা রাষ্ট্রের ঈমানের কারণে নয়, নাগরিকদের ঈমানের প্রভাবে। এখানেই খিলাফাহর সঙ্গে সেক্যুরাষ্ট্রের মূল দ্বন্দ্ব। খিলাফাহতে রাষ্ট্র ও নাগরিক দু'জনেই মুমিন ও মুসলিম থাকে। শক্তিশালী বা দুর্বল আলাদা প্রসঙ্গ। বিপরীতে সেক্যুলার রাষ্ট্রের নাগরিক মুসলিম হলেও রাষ্ট্র আপাদমস্তক কাফের থাকে। ফলে যে ঈমানটা এখানে চোখে পড়ে, সেটা নাগরিকের ঈমান, রাষ্ট্রের ঈমান নয়। এক্ষেত্রে হরবী বা সুস্পষ্ট কাফের রাষ্ট্রের সঙ্গে মুসলিম অধ্যূষিত সেক্যুরাষ্ট্রের পার্থক্য হতে পারে আবু জাহল ও আবু তালিবের পার্থক্যের মতো। এর বাইরে ঈমান ও কুফরের মাঝে, মুমিন ও কাফেরের মাঝে আর কোনো পার্সেন্টিজ নেই। ©মাওলানা মীজান হারুন হাফিজাহুল্লাহ

অত্যাচারী ও পাপিষ্ঠকে ভালোবাসা কবিরা গোনাহ অত্যাচারী ও ফাসেক ব্যক্তির সাথে ভালোবাসা ও মুহাব্বত রাখাকে উলামায়ে কেরাম কবিরা গোনাহের তালিকাভুক্ত করেছেন। কবিরা গোনাহসংক্রান্ত গ্রন্থাদির মধ্যে বিস্তর ও বিশদ আলোচনাসমৃদ্ধ গ্রন্থ হলো আল্লামা ইবনে হাজার হাইতামি (মৃত্যু: ৯৭৪ হি.) রচিত 'আয-যাওয়াজের আন-ইকতিরাফিল কবায়ের' নামক গ্রন্থটি। লেখক উক্ত গ্রন্থে মানুষের জীবনের বিভিন্ন বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত প্রায় ৪৬৭টি কবিরা গোনাহের উল্লেখ করেছেন। সে তালিকার ৫৪ ও ৫৫ নম্বরে জালেম ও ফাসেকের (প্রকাশ্যে গোনাহে লিপ্ত ব্যক্তির) সাথে বন্ধুত্ব রাখা ও সৎ লোকদের সাথে বিদ্বেষ রাখার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, الكبيرة الرابعة والخامسة والخمسون : محبة الظلمة أو الفسقة بأي نوع كان فسقهم، وبغض الصالحين. একটি কবিরা হলো, অত্যাচারী ও যেকোনো ধরনের পাপিষ্ঠের প্রতি ভালোবাসা রাখা আর নেককার ব্যক্তিদের প্রতি বিদ্বেষ রাখা। বিস্তারিত জানতে বইটি অবশ্যপাঠ্য। ইবনে হাজার হাইতামির পর আল্লামা বিরকিবি আল-হানাফি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৯৮১ হি.) এ বিষয়ে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিশ্লেষণসহ 'আত-তারিকাতুল মুহাম্মাদিয়া' নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। সেখেনে 'অন্তর'- এর সাথে সংশ্লিষ্ট গোনাহের আলোচনায় ৪১ নম্বরে তিনি উল্লেখ করেন, حب الفسقة والركون إلى الظلمة) (قال الله تعالى ولا تركنوا إلى الذين ظلموا} [هود : ٣١١] أخرج الإمام أبو داود عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : «لا تقولوا للمنافق : سيد، فإنه إن يك سيدا فقد أسخطتم ربكم عز وجل، وضده البغض في الله تعالى لكل عاص لعصيانه، لا سيما المبتدعين و الظلمة لكون معصيتهم متعدية، فلا بد من إظهار البغض لهم، إن لم يخف بخلاف غيرهما من العصاة. 'ফাসেকদের ভালোবাসা ও জালেমদের পক্ষ নেওয়া'। আল্লাহ তাআলা বলেন, 'আর তোমরা জালেমদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না'। ইমাম আবু দাউদ রহিমাহুল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইরশাদ বর্ণনা করেন, তোমরা মুনাফিককে নেতা বলো না। কেননা সে যদি নেতা হয়, তাহলে তো তোমরা তোমাদের রবকে ক্রোধান্বিত করলে। এর বিপরীত হলো আল্লাহর জন্য কোনো গোনাহগারকে তার গোনাহের কারণে ঘৃণা করা। বিশেষত বিদআতি ও জালেম লোকদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করা। কেননা তাদের গোনাহ অন্যকে আক্রান্ত করে। তাই আবশ্যক হলো তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা, যদি কোনো ভয়ের আশঙ্কা না থাকে। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বাশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

photo content