Abdullah bin bashir
📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir
Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 232 подписчиков, занимая 8 139 место в категории Религия и духовность и 2 043 место в регионе Бангладеш.
📊 Показатели аудитории и динамика
С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 232 подписчиков.
Согласно последним данным от 11 июля, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -8, а за последние 24 часа — -8, при этом общий охват остаётся высоким.
- Статус верификации: Не верифицирован
- Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 18.87%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.68% реакций от общего числа подписчиков.
- Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 120 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 638 просмотров.
- Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 43.
📝 Описание и контентная политика
Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 12 июля, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.
Загрузка данных...
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 12 июля | 0 | |||
| 11 июля | 0 | |||
| 10 июля | 0 | |||
| 09 июля | 0 | |||
| 08 июля | 0 | |||
| 07 июля | 0 | |||
| 06 июля | 0 | |||
| 05 июля | 0 | |||
| 04 июля | +4 | |||
| 03 июля | +5 | |||
| 02 июля | 0 | |||
| 01 июля | +1 |
| 2 | ফিতনার যামানা। চারিত্রিক ইত্যাদি ভুল সবার থেকেই হয়, আল্লাহর কাছে তা থেকে আমরা পানাহ চাই, সাধারণ মানুষদের থেকে তো হচ্ছে, আলেমদের থেকেও এসব পদস্খলন হয়ে যাচ্ছে।
.
কিন্তু জামাতের ভাইদের দেখবেন, নিজেদের হাজারো অন্যায়কে একদম না দেখার ভান করে পাশ কেটে যাবে। কিন্তু কওমীর আলেমদের সাধারণ থেকে সাধারণ বিষয় নিয়ে ইহুদিদের মত বারবার বারবার এতবার বলে যাবে যে, আপনি এটা মনে করতে বাধ্য হবেন যে, আলেমদের আর কোনো কাজ নাই, সারাদিন এদের একমাত্র কাজ চারিত্রিক...
.
আল্লাহ জামাতের ভাইদের বুঝ দান করুক। | 538 |
| 3 | ৭১এ নিরপরাধ বাঙ্গালী নারীদের ইজ্জত লুটায় যারা সরাসরি সহযোগিতা করেছে, তারা যদি টিটিরে নিয়ে এই ধরনের কথা কয় তাইলে সেটা ভয়ংকর কমেডি ভাই!
.
পড়াশোনা করা কোনো মানুষকে নিয়ে ট্রল করা বা তার ব্যাপারে অযাচিত শব্দ বলা পছন্দ করি না। কিন্তু জামাতের এই আসিফ মাহমুদের ব্যাপারে একটা কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি।
আসিফ ভাই শিক্ষিত মানুষ হলেও এর আচরণ হলো জামাতের অশিক্ষিত গোয়ার বট আইডিগুলোর মত। সম্ভবত নিজে কোনো বট আইডি নিয়মিত চালায়, তাই মূল আইডিতে ভিতরের নোংরামি আর আটকাইয়া রাখতে পারে না। | 811 |
| 4 | আলহামদুলিল্লাহ, শাইখ হারুন ইজহার হাফি. এর তত্ত্বাবধানে টিম আল কুরআনের দারস এর পক্ষ থেকে আপনাদের দেওয়া ছোট-বড় হাদিয়াগুলো আমাদের সাহায্যের হাতকে শক্তিশালী করে পৌঁছে যাচ্ছে বন্যাকবলিত এলাকার বিপদগামী মানুষের কাছে কিছুটা স্বস্তির হয়ে।
অতএব, আমাদের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং মানবতার সেবার মাধ্যমে মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আপনার হাদিয়া অব্যাহত রাখুন।
আর্থিক সহায়তার জন্য
বিকাশ ও নগদ :
01407 339 468
Bank : Islami Bank Bangladesh PLC
Title : Yar Ali Khan
Account : 2050 7930 2001 82706
Branch : Lalkhan Bazar Sub-Branch, Dewanhat
Routing No : 793
©আল্ কুরআনের দারস - Al Quraner Dars | 871 |
| 5 | জামাতের উপর যখন তীব্র জুলুম চলে তখন দ্বীনদার যেকোনো শ্রেণী সাহায্য না করতে পারলেও জামাতের প্রতি একটা সহানুভূতি ছিলো। স্বৈরাচারী অত্যাচারের কারণে সবাই জামাতের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয়ে ছিলো। কিন্তু সহানুভূতি ছিলো।
.
কিন্তু এদেশে ইমারত-খেলাফতের স্বপ্ন দেখে, এদেশে যারা ইসলামের বাস্তবিক পরিবর্তন চান, এদেশের কওমীর আলেম, যারা তুরাসের পুনঃপ্রতিষ্ঠা চায়, এদেশের তাবলিগওয়ালারা, যারা মানুষের ঈমানের পরিবর্তন চায়, অরাজনৈতিক আখলাকের পরিবর্তন চান, তাদের উপর যখনই কোনো নিপীড়ন নেমে আসে এরা খুশিতে হাত তালি দেয়। বরং জালেম আর তাগুতকে যতটা সম্ভব সহযোগিতা করে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে।
.
বর্তমাম ইস্যুতে বলেন আর যেকোনো ইস্যুতে বলেন, জামাতের চরিত্রে কোনো পরিবর্তন আসবে না। কিন্তু মজার বিষয় হলো, জঙ্গিবাদের যেকোনো কার্ডে দিনশেষে জামাতই সবচেয়ে বেশি বিপদের স্বীকার হয়।
. | 1 011 |
| 6 | প্রায় প্রতিটি জামাতি ভাইদের এটাই আসল রূপ। তাদের দলে ঢুকা ছাড়া অন্য কেউ যতই দ্বীনের ব্যাপারে আন্তরিক হোক, এদেরকে গুম, খুন ও হত্যা, যেকোনো কিছু করে ফেলতে বা করিয়ে ফেলতে তারা দ্বিতীয়বার ভাবে না। ভাবতে কেনো জানি পারেও না। | 1 143 |
| 7 | সকাল থেকে ঝুম বৃষ্টি। গ্রামের বাড়িতে যে কারণে আসছি সব বন্ধ করে নানুবাড়িতে আটক বসে আছি। এখন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। পুকুরে মাছ ধরতে বসে গেছে। “কাজ নাই তো খৈ ভাজ” টাইপ কিছু একটা আরকি। | 1 314 |
| 8 | ফুকাহায়ে কিরামের একাংশের মতে দাড়ি রাখা আবশ্যক নয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক মুষ্টি দাড়ি ছিল। কিন্তু হতে পারে সেটা সুন্নতে ইবাদত না, বরং সুন্নতে আদত। অর্থাৎ মানুষ হিসেবে, পুরুষ হিসেবে, আরব হিসেবে নবিজি যেসব কাজ স্বাভাবিকভাবেই করতেন।
এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে হজ করে এসেই হুট করে দাড়ি রেখে দিয়ে ভারতকে উস্কানি দেওয়াটা একটা হঠকারী সিদ্ধান্ত। হজ করে আসলে মানুষ ধার্মিক জীবনযাপন করার চেষ্টা করে৷ কিন্তু সেই ধার্মিকতা দাড়ি রেখেই কেন দেখাতে হবে? পরোপকার করা, প্রাণীদের খাওয়ানো, দেশপ্রেম এগুলোও তো ঈমানের অঙ্গ।
এখানেই শেষ না। চারটা কোম্পানির নাম রাখা হয়েছে ইসলামের চার খলিফার নামে। যখন আমরা ফ্যাসিস্টের পুনরুত্থান ঠেকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি, ভারতকে কোনোরকম গুজব ছড়ানোর সুযোগ না দেওয়ার চেষ্টা করছি, তখন এসব সন্দেহজনক কাজকর্ম কীসের আলামত? সরকারের ঘাড়ে বসে কারা এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে?
আপনি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে মুসলিম বীরদের নামে নাম দিতে চান, মানলাম। তাই বলে আবু বকর, ওমর, ওসমান এসব নামই কেন দিতে হবে? রুমি-তাহের-জিয়া এগুলো কি মুসলিম নাম নয়? আইএসের নেতার নাম আবু বকর। তালেবান নেতার নাম ওমর। জাশির একজন আন্ডারকভার এজেন্টের নাম ওসমান, যার ব্যাপারে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন জাশিই তাকে হত্যা করিয়ে দেশে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চেয়েছিল।
তাছাড়া যদি ধরেও নেই এই নামগুলো দিয়ে খলিফাদের বোঝানো হয়েছে, তবুও এতে শিয়া মুসলিমদের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানানো হয়নি৷ এর বদলে এমন চারটা নাম বেছে নেওয়া যেত, যারা শিয়া-সুন্নি-শিন্নি নির্বিশেষে সকল মুসলিমের কাছে সম্মাননীয়। যেমন আহলে বাইত উনাদের নাম। যেমন- ইমাম আলি আ., ইমাম হোসেন আ., ইমাম হুসাইন আ., ইমাম জাফর সাদিক রা.।
এসব দাড়ি রাখা আর নামকরণের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পেছনে যে শুধু র এর না, বরং হ, য, ব, ল সকলের মিলিত ফান্ডিং আছে, তা বোঝার জন্য ককেট সায়েন্স জানা লাগে না, কমন সেক্স থাকাই যথেষ্ট।
#HujurHoye | 1 719 |
| 9 | বিদ্রোহীদের হাত থেকে মালিকে রক্ষা করার কেউ নাই? | 598 |
| 10 | এই নিসফ সব দলের, সব চিন্তার ও সব মানহাজের জন্যই ক্ষতিকর। | 1 767 |
| 11 | জাহান্নাম থেকে মুক্তির সহজ একটি আমল
.
আপনার সামনে আপনার কোনো অনুপস্থিত মুসলমান ভাইয়ের গিবত হচ্ছে বা তার ব্যাপারে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে আপনি সেটা বাঁধা দিলেন। ছোট্ট একটি কাজ। কিন্তু এর প্রতিদান কী জানেন? এই এতটুকু কাজের বিনিময়ের আল্লাহ আপনাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করবেন।
এই বিষয়ে কয়েকটি হাদিস দেখে নেই।
১। মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে,
" من ذب عن لحم أخيه بالغيبة ، كان حقا على الله أن يعتقه من النار
যে ব্যক্তি কোনো মুসলমান ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার উপর হওয়া গিবতের প্রতিবাদ জানায় ও প্রতিহত করে তাহলে আল্লাহর উপর আবশ্যক হয়ে যায় প্রতিহতকারী ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া। (বর্ণনা নং ২৭৬০৯)
.
২। জামে তিরমিজতে উল্লেখ হয়েছে,
عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: "من رد عن عرض أخيه، رد الله عن وجهه النار يوم القيامة
যে ব্যক্তি তার কোনো (অনুপস্থিত) মুসলমান ভাইয়ের সম্মান রক্ষা করলো, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার চেহারাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবেন। (বর্ননা নং ২০৪৪)
.
৩। মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবাতে বর্ণিত হয়েছে,
"من ذب عن عرض أخيه كان له حجابا من النار
যে ব্যক্তি তার অনুপস্থিত মুসলমান ভাইয়ের ইজ্জত রক্ষা করবে, এটি তার জন্য জাহান্নাম থেকে রক্ষাকারী পর্দা (ঢাল) হয়ে যাবে। (বর্ণনা নং২৬০৫২)
. .
এই হাদিসগুলোর ব্যাখ্যায় ইবনে আল্লান রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ১০৫৭ হি.) লেখেন,
من رد عن عرض أخيه) أي: في الإيمان وهو المسلم، أي: بأن يمنع من يريد اغتياب المؤمن عنها، إما قبل الوقوع بالزجر والردع عنها، وإما بعده لرد ما قاله عليه. وإن كان ذلك الإنسان بخلافه كما يأتي فيما بعد (رد الله عن وجهه النار يوم القيامة) وذلك: لأنه رد مريد الغيبة عن عذابها لو فعلها، فجوزي بردها عنه في الآخرة ورد عن المغتاب ما يلقاه مما رمى به ممن اغتابه، فردها الله
অর্থাৎ, কেউ যদি কোনো মুমিনের গিবত করতে চায়, তাহলে সে তাকে তা থেকে বিরত রাখে। এটি হতে পারে—গিবত শুরু হওয়ার আগেই তাকে ধমক ও নিষেধ করে থামিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে; অথবা গিবত হয়ে যাওয়ার পর তার সম্পর্কে বলা কথার প্রতিবাদ করে এবং তার পক্ষে জবাব দেওয়ার মাধ্যমে। যদিও বাস্তবে সেই ব্যক্তি তেমন না-ও হতে পারে...
“(رد الله عن وجهه النار يوم القيامة)” অর্থাৎ, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার মুখমণ্ডল থেকে জাহান্নামের আগুন দূরে সরিয়ে দেবেন।
এর কারণ হলো, সে গিবত করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে গিবতের গুনাহ ও তার শাস্তি থেকে ফিরিয়ে রেখেছে। তাই এর প্রতিদানস্বরূপ আখিরাতে আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে ফিরিয়ে রাখবেন। আবার, যে ব্যক্তির গিবত করা হচ্ছিল, তার ওপর গিবতকারীর নিক্ষিপ্ত অপবাদ ও ক্ষতিকেও সে প্রতিহত করেছে। তাই আল্লাহও তার কাছ থেকে জাহান্নামের আগুন প্রতিহত করবেন। (দলিলুল ফালেহিন, ৮/৩৫৪) | 2 215 |
| 12 | আল্লাহ এই জাতীয় মিম্বার ও মিম্বারের খতিবকে হিফাজত করুন। এবং এই কথাগুলোকে দায়িত্বশীলদের মানার তাওফিক ও হিম্মত দান করুন। আমীন | 2 068 |
| 13 | হিন্দুত্ববাদ নিয়ে যতই চুপ থাকবো, ততই আমাদের... | 1 923 |
| 14 | আমরা যে একটা সিয়াসাত পাঠচক্র করতেছিলাম মনে আছে আপনাদের? আমাদের প্রথম ফাতরা ছিলো ইসলামি দণ্ডবিধির উপর। তো, আপনাদের একটা সুসংবাদ দেই।
.
আজকে আমাদের পাঠচক্রের একজন পটিয়ার ফারেগ মেধাবী আলেম মাওলানা শাকেরুল্লাহ ভাই “ধর্ষন ও শরীয়া আইন” নামে বিষয়ক চমৎকার একটি মুহাযারা দিচ্ছেন। আল্লাহ ভাইয়ের ইলমে বরকত দান করুন।
.
আরো আকর্ষণীয় একটি সুসংবাদ দেই। মাওলানা শাকেরুল্লাহ ভাই ধর্ষনের শাস্তি বিষয়ক একটি সুদীর্ঘ একটি প্রবন্ধও তৈরি করে ফেলেছেন। আল্লাহ ভাইয়ের বাকি কাজটুকু শেষ করার তাওফিক দান করুন। | 1 672 |
| 15 | পাকিস্তান আফগানের সীমান্ত প্রদেশে আক্রমণ করে এই গঙ্গিগুলোকে হ*ত* করেছে।
এই মহতি কাজে যে যেভাবে শরিক হয়েছেন সবাইকে আল্লাহ তার নেক কাজের অনুপাতে যেনো দুনিয়াতেই ইজ্জত ও সম্মান দান করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে যেনো তাদের হাশর হয়, সেই দোয়া রইলো। | 2 963 |
| 16 | শাইখুল হাদিস ড. শের আলী শাহ রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
খেলাফত পতনের ক্ষতিসমূহ
খেলাফত ব্যবস্থার পতনের পর থেকে আজ পর্যন্ত মুসলিমদের কী অবস্থা তা বিশ্বের সামনে সুস্পষ্ট। আজ মুসলিম উম্মাহর অস্তিত্ব কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। ইসলামি খেলাফতের পতনের পর সমগ্র বিশ্বে ইসলামি আইন কার্যত বিলুপ্ত হয়ে গেছে, জিহাদের ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ধ্বংস হয়ে গেছে, ইসলামি বিশ্ব অসংখ্য ছোট ছোট রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে পড়েছে আর কাফের শক্তিগুলো চিন্তাগত, রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে বিশ্বের সর্বত্র মুসলিমরা দুর্বল, অসহায় ও পরাভূত অবস্থায় জীবনযাপন করছে।
আজ সমগ্র মুসলিম উম্মাহ «عَلَيْكُمْ بِالْجَمَاعَةِ»—“তোমাদের জন্য জামাআতের সঙ্গে অবিচ্ছিন্নভাবে সম্পৃক্ত থাকা অপরিহার্য”—এই নির্দেশনা অনুসরণ না করার কারণে শুধু রাষ্ট্র ও বিভিন্ন দলে বিভক্তই হয়নি; বরং «يَدُ اللَّهِ عَلَى الْجَمَاعَةِ»—“আল্লাহর হাত (অর্থাৎ তাঁর সাহায্য ও সমর্থন) জামাআতের ওপর থাকে”—এই সুসংবাদ এবং আল্লাহর সাহায্য থেকেও বঞ্চিত হয়েছে।
অবক্ষয়ের এসব ধাপ অতিক্রান্ত হওয়ার পরই শয়তান ও তার এজেন্ট ইহুদিরা উম্মাহকে তাদের ষড়যন্ত্রের জলাভূমিতে টেনে নিয়েছে। এরপর মুসলিমদের হাতে যে সামান্য ইসলাম অবশিষ্ট ছিলো তাও হারিয়ে যেতে থাকলো। এখন তারা নামমাত্র মুসলিম; কিন্তু নিজেদের জীবনে আল্লাহর বিধানের পরিবর্তে আল্লাহ ব্যতিত অন্যের আইনকে গ্রহণ করেছে।
আমরা যদি বাস্তব পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যালোচনা করি, তাহলে দেখতে পাবো—এই দুর্দশা মূলত আল্লাহর এক শাস্তি, যাতে আজ আমরা আক্রান্ত। বর্তমানে আমরা আল্লাহর দ্বীনের যথার্থ প্রতিনিধিত্ব করতে পারছি না। আমাদেরকে পৃথিবীতে আল্লাহর দ্বীনের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিলো; অথচ আজ আমরা গোটা পৃথিবীতে এমন একটি রাষ্ট্রও দেখাতে পারি না, যাকে সামনে রেখে বলতে পারি, “এসো, এটাই খেলাফতব্যবস্থা; এটাই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শভিত্তিক শাসনব্যবস্থা; আর এ হলো পৃথিবীতে আল্লাহর সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠার বরকতসমূহ”।
এতএব আজ আমরা আল্লাহর শাস্তির কবলে রয়েছি। এই শাস্তি থেকে মুক্তির একটিই পথ, আর তা হলো সর্বশেষ নবি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উত্তম আদর্শের আলোকে নিজেদের কর্মপন্থা নির্ধারণ করা, যা আমাদের জন্য আলোকবর্তিকা। এর অর্থ হলো, মুসলিমরা আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করবে, নিজেদের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক জীবনকে ইসলামি জীবনব্যবস্থার আলোকে গড়ে তুলবে এবং খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্ঠা চালাবে। অন্তত পৃথিবীর একটি দেশে হলেও প্রকৃত ইসলামি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে দেখাবে; তারপর বিশ্ববাসীকে আহবান জানাবে—“এসে দেখে, এটাই ইসলাম আর এটাই খেলাফত।”
(প্রকাশিতব্য "উম্মাহের খেলাফত ভাবনা" বই থেকে) | 2 008 |
| 17 | ইনশাআল্লাহ!
আগামী ৪-জুলাই রোজ: শনিবার, বা'দ আছর মাসিক দ্বীনি মজলিস অনুষ্ঠিত হবে।
সকলেই নিজেদের পরিচিতিদের অবশ্যই দাওয়াত পৌঁছে দিবো ইনশাআল্লাহ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য–
মজলিসের আলোচনার রেকর্ড পেতে নিম্নোক্ত টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হোন।
https://t.me/SahwadinimajlisDhaka | 1 456 |
| 18 | মাদরাসা মহলে দ্বীনদার লোকদের মাধ্যমে এই ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
.
মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে মুবারকবাদ এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। আশপাশের উস্তাদরা অবশ্যই অংশগ্রহণ করবেন ইনশাআল্লাহ | 2 141 |
| 19 | সেকুলাঙ্গার আর আমাদের জামাতের ভাইরা আফগানিস্তানের ব্যাপারে একদম গলায় গলায় খাতির। যেকোনো প্রপাগাণ্ডা প্রচারে তারা পরষ্পরের কত আপন ও কত চেনা।
.
ঘটনা হলো, আফগানে সরকারি চাকরিজীবীদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করেছে তালেবান সরকার।
বাস, বিদেশী মিডিয়া, সেকুলার পাড়া ও জামাতের ভাইয়েরা, সবাই এক সুরে তালেবদের চোদ্দগুষ্টি উদ্ধার শুরু করে দিলো। সেকুলারদের তো টোন ধরা যায়। জামাতের ভাইরা সেই টোনের সাথে আবার লাগিয়েছে ইসলামের ফ্লেভার—এভাবে জনগণের সাথে স্বৈরাচারের মত আচরণ, ব্যক্তিগত জীবনেও এভাবে দখলদারি দেওয়া, এটা তালেবানি শাসন হতে পারে, ইসলাম নয়, ইত্যাদি ব্লা ব্লা..
.
অথচ ঘটনা কী দেখা গেলো আখের? মূলত অফিস টাইমে সরাসরি কর্মকর্তা যেনো জনগণের সেবায় পূর্ণ মনোনিবেশ করতে পারে, বসে বসে মোবাইল টিপে সময় নষ্ট না করে, সে জন্যই মূলত এই বিধান। দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সেবার জন্য এত চমৎকার একটি সিদ্ধান্ত, যাকে একটি আদর্শ হিসেব নেওয়া উচিত, সেটাকে সেকুলারদের টোনে এভাবে নিকৃষ্ট করে জামাতের ভাইরা কেন যে করে তা তারাই ভালো জানে। | 2 458 |
| 20 | সিলেটের ভাইরা কোনো ওজর আসলেও মিস দিয়েন না। | 1 552 |
