ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 328 подписчиков, занимая 7 971 место в категории Религия и духовность и 2 067 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 328 подписчиков.

Согласно последним данным от 25 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 70, а за последние 24 часа — 3, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 15.79%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.63% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 788 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 638 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 33.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 26 августа, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 328
Подписчики
+324 часа
+367 дней
+7030 день

Загрузка данных...

Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
август '26
август '26
+116
в 5 каналах
июль '26
+74
в 7 каналах
Get PRO
июнь '26
+114
в 10 каналах
Get PRO
май '26
+166
в 5 каналах
Get PRO
апрель '26
+112
в 6 каналах
Get PRO
март '26
+36
в 5 каналах
Get PRO
февраль '26
+120
в 2 каналах
Get PRO
январь '26
+103
в 4 каналах
Get PRO
декабрь '25
+156
в 10 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+171
в 7 каналах
Get PRO
октябрь '25
+696
в 14 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+367
в 9 каналах
Get PRO
август '25
+288
в 13 каналах
Get PRO
июль '25
+597
в 17 каналах
Get PRO
июнь '25
+268
в 9 каналах
Get PRO
май '25
+463
в 16 каналах
Get PRO
апрель '25
+1 242
в 22 каналах
Get PRO
март '25
+441
в 13 каналах
Get PRO
февраль '25
+227
в 9 каналах
Get PRO
январь '25
+309
в 12 каналах
Get PRO
декабрь '24
+1 066
в 28 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+607
в 8 каналах
Get PRO
октябрь '24
+581
в 6 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+728
в 7 каналах
Get PRO
август '24
+839
в 26 каналах
Get PRO
июль '24
+616
в 21 каналах
Get PRO
июнь '24
+473
в 7 каналах
Get PRO
май '24
+309
в 5 каналах
Get PRO
апрель '24
+98
в 1 каналах
Get PRO
март '24
+73
в 3 каналах
Get PRO
февраль '24
+235
в 7 каналах
Get PRO
январь '24
+1 595
в 7 каналах
Дата
Привлечение подписчиков
Упоминания
Каналы
26 августа+2
25 августа+3
24 августа+5
23 августа+8
22 августа+3
21 августа+12
20 августа+14
19 августа+3
18 августа+30
17 августа+6
16 августа+1
15 августа0
14 августа0
13 августа+5
12 августа0
11 августа+3
10 августа+3
09 августа0
08 августа0
07 августа+6
06 августа+1
05 августа+5
04 августа+1
03 августа+2
02 августа+3
01 августа0
Посты канала
আপাতত এটাই চূড়ান্ত। . ইনশাআল্লাহ, বাইতুল মুকাররম বইমেলার প্রথম সপ্তাহেই বইটি মেলায় পাওয়া যাবে। সকলের কাছে খাসভাবে দোয়া চাই।
আপাতত এটাই চূড়ান্ত। . ইনশাআল্লাহ, বাইতুল মুকাররম বইমেলার প্রথম সপ্তাহেই বইটি মেলায় পাওয়া যাবে। সকলের কাছে খাসভাবে দোয়া চাই।

2
‘ধর্ম- রাজনীতি ও মানবিক অধিকারকে মিলিয়ে ফেলা যাবে না। বিএনপি সরকার টেরান্সগেন্ডারেরও অধিকার আছে, এই আদর্শে বিশ্বাসী।’ -শামা ওবায়েদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বিএনপি সরকার . এগুলো স্পষ্ট কুফরি বক্তব্য। যা ব্যক্তিকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়। কোনো ব্যক্তি যদি এমন আকিদা বিশ্বাস করে তাহলে ব্যক্তি কা*ফে*র বলে বিবেচিত হবে। কোনো দল যদি বিশ্বাস করে তাহলে পুরো দলেরও একই বিধান হবে। এই ধরনের বক্তব্য বিশ্বাস করা ও বলা থেকে বিরত থাকা প্রতিটি মুসলিমের কাম্য। আলেমদের উচিত, এই ধরনের আধুনিক কুফরগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট করে সরকারকে বলা। এটা একজন আলেমের প্রধানতম দায়িত্ব। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বই থেকে একটি চয়ন: ‘হালালকে হারান বা হারামকে হালাল করার আধুনিক শব্দ হলো ‘অধিকার’ লিবারেলিজমে 'হারামকে হালাল করণের' স্পষ্ট বহু নীতিমালা থাকলেও কিছু শব্দের আড়ালে তারা মানুষকে এই কুফর গিলিয়েছে খুবই সুন্দরভাবে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো 'অধিকার'। এই অধিকার শব্দটি লিবারেলিজমের একটি অন্যতম আধুনিক অস্ত্র। যেহেতু শব্দটির অনেক ভালো ব্যবহার আছে, তাই খুব সহজেই লিবারেলরা এই শব্দের আড়ালে হালাল ও হারামকরণের বিষয়টি সমাজে পুশ করতে পেরেছে। ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলন মানুষের অধিকার, সমকামী আন্দোলন মানুষের অধিকার, নারীবাদী আন্দোলন মানুষের অধিকার, যৌনকর্মী আন্দোলন মানুষের অধিকার। এভাবে ইসলামের স্পষ্ট অসংখ্য হারামকে মানুষের জন্য হালাল করা হচ্ছে 'অধিকার'-এর কথা বলে। শব্দের মারপ্যাঁচে ধোঁকায় পড়ে, না বুঝে অসংখ্য মুসলমান নিজের ঈমানকে হুমকির মুখে ফেলছে। আর দায়িত্বশীলরা বিষয়গুলো গভীরভাবে খতিয়ে না দেখার কারণে উম্মাহকে সতর্ক করতে পারছেন না। ট্রান্সজেন্ডার, সমকামিতা ইত্যাদি অকাট্য হারামের মাঝে অসংখ্য শিক্ষিত মানুষ নিজে যুক্ত না হলেও, তারা উক্ত কাজের সাথে যুক্তদের বিষয়গুলো সমর্থন করে। আর এই সমর্থনে তাদের বহুল প্রচলিত যুক্তি হলো এই 'অধিকার' শব্দটি 'প্রত্যেকের তো নিজ কর্মের স্বাধীনতা আছে, এটা তো প্রত্যেকের নাগরিক অধিকার', 'তার অধিকার আছে, নিজের জন্য উপযোগী কর্ম নির্বাচনের' ইত্যাদি। নাগরিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবিক অধিকার ইত্যাদির নামে হাজারো নাজায়েয ও হারামকে মানুষ হালাল করে চলছে প্রতিনিয়ত। আর হারামকে হালালকরণের জ্ঞানগত ভিত্তিকে প্রতিষ্ঠিত করছে লিবারেলিজম মতবাদ।’
656
3
Noor_Book_com_2467_تحذير_من_ينتمي_إلى_الإسلام_عن_الاحتماء_بأعداء.pdf
816
4
. আশা করি মূল্যবান এই তিনটি রিসালা তালেবে ইলম ভাইরা গুরুত্বের সাথে পড়বেন।
1
5
তিনটা আজিব রিসালার একসাথে সন্ধান পেলাম! . আহমদ বেলুচ নামের এক ফেসবুক আইডির মাধ্যমে আজ গুরুত্বপূর্ণ তিনটি রিসালার সন্ধান পেলাম। তালেবে ইলম ভাইরা তো রিসালার নামগুলো থেকে বুঝতে পারতেছেন বিষয়বস্তু। তবে আমাকে বইয়ের বিষয়বস্তু থেকেও বেশি আকর্ষণ করেছে লেখকদের পরিচয় ও তাদের সময়কাল! . প্রথম দুই রিসালার লেখকরা হলেন উসমানি খেলাফতের একদম শেষ সময়ের মানুষ। যখন মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর ইংরেজ-ফ্রান্সের দখল চূড়ান্ত চলছিলো এভং মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় মানব রচিত আইন দিয়ে শাসন চলছিলো, তখন এই আলেম দুজন এই রিসালা দুটো লেখেন। তৃতীয় রিসালাটির লেখকের নির্দিষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে তিনি ইয়ামানি হাম্বলি আলেম সেটা নিশ্চিত করেছেন কিতাবের মুহাক্কিক। . বাংলাদেশের অত্যন্ত সম্মানিত একজন আহলে ইলম একবার কিছু মাসআলার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, এই মাসআলাগুলো তো কিছু ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারের আবিষ্কার। কোনো মুসতানাদ আলেম এগুলো বলেনি। কখনো যদি উনি রিসালাটি দেখেন, তাহলে সম্ভবত নিজের সেই মতের ব্যাপারে নজরে সানী করবেন হয়তো। . যাইহোক, কিতাব তিনটি নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। তবে কিতাবের লেখকদের সম্পর্কে কিছু বলি। . * প্রথম রিসালা : এই রিসালাটির লেখক হলেন আলাবি বিন আহমদ আসসাক্কাফ। শাফেয়ী মাজহাবের একজন আলেম। ১২৫৫ হিজরিতে জন্ম আর ওফাত হলো ১৩৩৫ হিজরি। তিনি উসমানি খেলাফতের পক্ষ থেকে মসজিদে হারামে শিক্ষকতার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। শাফেয়ী মাজহাবের উপর তার বিখ্যাত কিতাব হলো “আলফাওয়ায়িদুল মাক্কিইয়া ফিমা ইয়াহতাজুহু তলাবাতুস সাদাতিশ শাফেয়িয়্যাহ”। তিনি জুলুমের বিরুদ্ধে বেশ সোচ্চার ছিলেন। সে সময়ের মক্কার শাসক জালেম হয়ে উঠলে কয়েকজন বড় আলেম তার নামে উসমানি খলিফার কাছে লিখিত নালিশ করেন। সেই লিখিত নালিশে দস্তখতকারীর একজন ছিলেন শায়খ সাক্কাফ রহিমাহুল্লাহ। পরে উসমানি খলিফা এই জুলুমের বিরুদ্ধে কার্যকত কোনো পদক্ষেপ না নিলে জালেম শাসক সাক্ষরকারী আলেমকদের বিরুদ্ধে কঠোর হন এবং শায়খ সাক্কাফকে সরকারি পদ থেকে বহিষ্কার করেন৷ যদিও পরবর্তীতে উনাকে আবারো উক্ত পদে ফিরিয়ে আনা হয়। উক্ত রিসালায় শায়খের একটি ইবারত দেখুন, وإياك أخي من مدحهم، فإن مدح الكفار لكفرهم ارتداد عن الإسلام، ومنحهم مجرداً عن هذا القصد كبيرة يعزر مرتكبها بما يكون زاجراً له، وأما من يقول أنهم أهل عدل فإن أراد أن الأمور الكفرية التي منها أحكامهم القانونية عدل فقد كفر، والله له ذمها، وشنع عليها، وسماها عتواً وعناداً وطغياناً وإفكاً وإثماً مبيناً وخسرانا مبيناً وبهتاناً، والعدل إنما هو شريعة الله التي حواها كتابه، وسنة نبيه، إن الله يأمر بالعدل. . *দ্বিতীয় রিসালা : দ্বিতীয় রিসালাটির লেখক হলেন, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল বারী আলআহদাল। তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় না। তবে এতটুকু পাওয়া যায়, তিনি ত্রাদশ শতাব্দির একজন ইয়ামানি আলেম৷ ইয়ামানের যাবিদ অঞ্চলে উনার জন্ম। মৃত্যুবরণ করেন ১২৭২ হিজরিতে। উসমানি খলিফা দ্বিতীয় আব্দুল হামিদের সময়ে ইস্তাম্বুলের এক মন্ত্রী ছিলেন ফজল পাশা নামক। পুরো খেলাফত অঞ্চলে ভিতরে বাহিরে ইংরেজদের বিভিন্ন চক্রান্ত দেখে এই মন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল বারীর নিকট সে সময়ের রাজনীতি সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন লেখে পাঠান। সেই প্রশ্নের উত্তরেই শায়খ এই রিসাটি তৈরি করেন। ফজল পাশার সে সময় করা প্রতিটি প্রশ্ন আজও আমাদের সময়ে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নমুনা হিসেবে একটি প্রশ্ন এখানে উল্লেখ করছি, وكذا في قوم في بلاد الإسلام من المسلمين يدعون بأنهم من رعية النصارى ويرضون بذلك ويفرحون به، فما تقولون في إيمانهم؟ ومن الجملة (يتخذون) لسفنهم بيارق وهي التي تسمى الرايات مثل رايات النصارى إعلاماً بأنهم من رعيتهم. অনুরূপভাবে, ইসলামের ভূখণ্ডে এমন কিছু মুসলিমও আছে, যারা নিজেদেরকে খ্রিস্টানদের প্রজা বলে দাবি করে এবং এতে তারা সন্তুষ্ট ও আনন্দিতও হয়। তাদের ঈমান সম্পর্কে আপনি কী বলেন? এর মধ্যে এটিও রয়েছে যে, তারা নিজেদের নৌযানে খ্রিস্টানদের পতাকার অনুরূপ পতাকা—যেগুলোকে ‘রায়াত’ (رايات) বলা হয়—ব্যবহার করে, যাতে বোঝানো যায় যে তারা খ্রিস্টানদের প্রজা।” . *তৃতীয় রিসালা : এই পুস্তিকার লেখকে কে? মুহাক্কিক বহু অনুসন্ধান করেও এর কোনো হদিস বের করতে পারেননি। রিসালাটি সম্পর্কে মুহাক্কিক যা বলেছেন তার সারসংক্ষেপ হলো, ‘পাণ্ডুলিপিটি হাদরামাউতের দাওআন উপত্যকার আল-আমূদী পরিবারের সংরক্ষিত প্রাচীন জ্ঞান-ঐতিহ্যের একটি মূল্যবান নিদর্শন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও এর রচয়িতার পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টির গুরুত্ব এবং এতে কুরআন-সুন্নাহ, ইমামদের বক্তব্য, আব্বাসীয় খলিফাদের কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সংশয়ের জবাব সন্নিবেশিত হওয়ায় পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষত, এতে এমন কিছু দুর্লভ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি রয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলো এখনো মুদ্রিত হয়নি—যা একে নিঃসন্দেহে একটি মূল্যবান ও দুর্লভ রচনায় পরিণত করেছে।’
768
6
Нет текста...
603
7
হিযবুত তাহরিরের ভাইরা আমার “মদিনার কথিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে জিহাদের বাইয়াত” এই লেখা পড়ে আপত্তি শুরু করেছে। তাদের আপত্তি দেখে মনে হচ্ছে তারা আমার কথা বুঝেইনি না বুঝার চেষ্টাও করেনি। ১। পুরো পোষ্টে কোথায় বলা হইছে “জি হা দ করেছে”? আমি তো শুধু এতটুকু বললাম, জি*হা*দের বাইয়াত হয়েছে। ২। আমি কী মদিনাকে কোনো কর্তৃত্ববাদী শক্তি অস্বীকার করেছি? কী লেখা আছে সেটা তো একটু পড়েন ভাইয়ের! আমি শুধু এতটুকু বলেছি, আধুনিক রাষ্ট্র বলতে আমাদের মাথায় যা আসে, মদিনা সেটা ছিলো না৷ ৩। ব্রেকেটের লেখাটুকু ঠাণ্ডা মাথায় পড়লে এটা তো স্বাভাবিক বুঝে আসার কথা মক্কাকে রাজধানী বলা এটা শুধুই আধুনিক সময়ের সাথে একটা তুলনা। যখন তুলনা করা হয়, তখন কী উভয়টির মধ্যে শতভাগ মিল থাকা জরুরি? রাশেদ সিংহ পুরুষ, এই কথা সহিহ হওয়ার জন্য কী সিংহের সমস্ত কিছু রাশের মধ্যে আসা জরুরি? সে সময় পুরো আরব ভূখণ্ড কিছু অলিখিত নিয়ম ছিলো, যেটা অধিকাংশ আরবরা মেনে নিতো, সেটা কাদের নিয়ন্ত্রণে ছিলো? মক্কার কুরাইশদের নয় কী? পুরো আরব কী তখন ইসলামের সাথে মক্কার দ্বন্দ্বে কী ফল হয়, সেটার দিকে তাকিয়ে ছিলো না, বিভিন্ন বিষয়ে মক্কার প্রভাব পুরো আরবে স্বীকৃত ছিলো না? বিভিন্ন মুসলিম গবেষকের লেখায় মক্কাকে কী আরবের রাজধানী তুল্য বলা হয়নি? এটা কী অনেক আনকা কোনো কথা? আমি ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি সাহেবের একটা লেখার স্ক্রিনশট দিচ্ছি, যারা আরবী পারেন একটু দেখে নিয়েন৷ তারপরও এখানে আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মূলক হিসেবেও বলেনি, সেখানে আপনার দ্বিমতের সুযোগ আছে, এতটুকু বলেছি৷ ৪। ইত্যাদি আরো কিছু। কারো কথা খণ্ডন করতে হলে তার কথাটা ভাল করে আগে বুঝতে হয় ভাইয়েরা। হুট করে মাথা গরম করে ফেললে শুধু ভুলই হয় এবং হক গ্রহণ করাটা কষ্টকর হয়ে যায়৷ . আল্লাহ আমাদের হক বুঝার তাওফিক দান করুন৷ আমীন।
751
8
Нет текста...
654
9
খেলাফত ধ্বংস তখনো হয়নি। এক উসমানি আঞ্চলিক কমান্ডার ও শাসক সে সময়ের এক বিখ্যাত আলেমের কাছে কিছু প্রশ্ন পাঠায়। সেই প্রশ্নগুলোর
খেলাফত ধ্বংস তখনো হয়নি। এক উসমানি আঞ্চলিক কমান্ডার ও শাসক সে সময়ের এক বিখ্যাত আলেমের কাছে কিছু প্রশ্ন পাঠায়। সেই প্রশ্নগুলোর একটি এটি। . কিতাবটা পড়তেছি আর অসংখ্য প্রশ্ন মাথায় খেলে যাচ্ছে, কোনো উত্তর পাচ্ছি না। . খুব দ্রুতই কিতাবটি নিয়ে আলাপ করবো ইনশাআল্লাহ। এবং পিডিএফটিও দিবো।
760
10
فهذا هو المراد بالحرب وقد شهد عبادة البيعتين معا. ‘জাবির ইবন আবদুল্লাহ রা.-এর হাদিস থেকেও এ অর্থই প্রতীয়মান হয় যে, এই বাইআতটি ছিল আকাবার গিরিপথে সংঘটিত সত্তরজনের বাইআত—অর্থাৎ দ্বিতীয় আকাবার বাইআত। এটিকে “যুদ্ধের বাইআত” বলা হয়েছে এ কারণে যে, এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার অঙ্গীকার করা হয়েছিল; আর তাঁকে রক্ষা করার এই অঙ্গীকারের মধ্যে তাঁর পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করার বিষয়টিও নিহিত ছিল। সুতরাং এখানে “যুদ্ধ” বলতে এ অর্থই বোঝানো হয়েছে। আর উবাদাহ রা. উভয়টি বাইআতেই উপস্থিত ছিলেন।’ (দেখুন, ফাতফুল বারি ইবনে রজব, ১/৭১, অধ্যায়: কিতাবুল ঈমান, ফাসলুন ফি উমুরিল ঈমান) . বাইয়াত থেকে উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম কী বুঝেছেন? বাইয়াতের পরপরই একটা ঘটনা ঘটে যেটার পরিপ্রেক্ষিতে তখনই আব্বাস ইবনে উবাদাহ রা. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বলেন, والذي بعثك بالحق إنْ شئتَ لنميلَنَّ على أهلِ منًى غدًا بأسيافنا. ‘যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম! আপনি চাইলে আগামীকালই আমরা মিনা প্রান্তরের লোকদের ওপর তরবারি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি।’ এটা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে শান্ত করে বলেন, «لم نُؤْمَرْ بذلك، ولكن ارجعوا إلى رحالكم» আমাকে এখনো এই বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়নি। তাই তোমরা তোমাদের তাবুতে ফিরে যাও। (দেখুন আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ, ৩/৪২২, অধ্যায়: কিসসাতু বাইয়াতিল উকবাতিস সানিয়াহ) . বাইয়াতের খবর শুনে মক্কার কুরাইশরা কী বুঝেছে? আকাবায়ে সানিয়ার এই বাইয়াত যে মক্কার মুশরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বাইয়াত ছিলো, এটা মক্কার মুশরিকদের পরবর্তী আচরণ থেকেও একদম স্পষ্ট বুঝে আসে। তারা এই বাইয়াতকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন। ইবনে কাসির রহিমাহুল্লাহ এই বাইয়াত পরবর্তী ঘটনা লেখেন এভাবে, فلما أصبحنا غدَتْ علينا جِلَّةُ قريش حتى جاؤونا في منازلنا فقالوا: يا معشر الخزرج، إنه قد بلغنا أنكم قد جئتم إلى صاحبنا هذا تستخرجونه من بين أظهرنا، وتبايعونه على حَرْبنا. وإنه واللَّه ما مِنْ حي من العرب أبغض إلينا من أن تنشبَ الحربُ بيننا وبينهم منكم. قال: فانبعث مَنْ هناك من مشركي قومنا يحلفون ما كان من هذا شيءٌ وما علمناه. قال: وصدقوا لم يعلموا. (আব্বাস ইবনে উবাদা রা. বলেন) সকালে কুরাইশের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা আমাদের তাবুতে এসে বললো, “হে খাযরাজ সম্প্রদায়! আমরা জানতে পেরেছি, তোমরা আমাদের এই লোকটিকে আমাদের মাঝখান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার জন্য এখানে এসেছ এবং আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অঙ্গীকার করে তার কাছে বাইআত করেছো। আল্লাহর কসম! আরবের আর কোনো গোত্রের সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যাওয়া আমাদের কাছে যতটা অপছন্দনীয়, তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যাওয়া তার চেয়েও বেশি অপছন্দনীয়।” হযরত আব্বাস ইবনে উবাদা রা. বলেন, তখন সেখানে উপস্থিত আমাদের সম্প্রদায়ের মুশরিকরা উঠে শপথ করে বলতে লাগলো, “এমন কিছুই হয়নি। আমরা এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।” আসলেই তারা সত্যিই বলেছিলো। কারণ, তারা এ বিষয়ে কিছুই জানতো না।’ (দেখুন আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ, ৩/৪২২, অধ্যায়: কিসসাতু বাইয়াতিল উকবাতিস সানিয়াহ)
745
11
মদিনায় কথিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগেই যুদ্ধের বাইয়াত হয়েছিলো . [প্রথমেই স্পষ্ট করে নেই, রাষ্ট্র বলতে এই সময়ে আমরা যা বুঝি, মদিনা সেই অর্থে কোনো রাষ্ট্র ছিলো না। বরং রাষ্ট্রের একটা অংশ বলা যায়। যারা ইসলাম গ্রহণ করে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যার কারণে, রাজধানী তথা মক্কা থেকে বারবার তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। যাইহোক, এখানে আপনার দ্বিমত থাকতেই পারে।] . মদিনায় হিজরতের পূর্বে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনার মুসলমানদের থেকে দুইবার বাইয়াত নেন। এই দুই বাইয়াতেই উপস্থিত ছিলেন সাহাবী হযরত উবাদা ইবনে সামেত রা.। তো, হযরত উবাদাহ রা. এই দুই বাইয়াতের নামকরণ করছেন, একটিকে বাইয়াতুন নিসা বলে, আর অপরটিকে বাইয়াতুল হারব বলে। (দেখুন, মুসনাদে আহমদ, বর্ণনা নং ২২৭০০) সিরাত বিশেষজ্ঞ ইবনে হিশাম রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ২২২ হি.) বাইয়াতে আকাবায়ে সানিয়ার আলোচনা কালে শিরোনকম দেন, شُرُوطُ الْبَيْعَةِ فِي الْعَقَبَةِ الْأَخِيرَةِ সর্বশেষ আকাবার বাইয়াতের শর্তবলি। এরপর লেখেন, قَالَ ابْنُ إسْحَاقَ: وَكَانَتْ بَيْعَةَ الْحَرْبِ، حِينَ أَذِنَ اللَّهُ لِرَسُولِهِ (ﷺ) فِي الْقِتَالِ شُرُوطًا سِوَى شَرْطِهِ عَلَيْهِمْ فِي الْعَقَبَةِ الْأُولَى، كَانَتْ الْأُولَى عَلَى بَيْعَةِ النِّسَاءِ، وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَعَالَى لَمْ يَكُنْ أَذِنَ لِرَسُولِهِ ﷺ فِي الْحَرْبِ، فَلَمَّا أَذِنَ اللَّهُ لَهُ فِيهَا، وَبَايَعَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فِي الْعَقَبَةِ الْأَخِيرَةِ عَلَى حَرْبِ الْأَحْمَرِ وَالْأَسْوَدِ، أَخَذَ لِنَفْسِهِ وَاشْتَرَطَ عَلَى الْقَوْمِ لِرَبِّهِ، وَجَعَلَ لَهُمْ عَلَى الْوَفَاءِ بِذَلِكَ الْجَنَّةَ. ইবনে ইসহাক বলেন, এটি ছিল যুদ্ধের বায়আত। আল্লাহ যখন তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যুদ্ধের অনুমতি দিলেন, তখন এই বায়আতের শর্তগুলো আকাবার প্রথম বায়আতের শর্ত থেকে ভিন্ন ছিল। প্রথম বায়আতটি ছিল ‘“বায়আতুন নিসা”—অর্থাৎ নারীদের বায়আতের অনুরূপ। কারণ তখনও আল্লাহ তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যুদ্ধের অনুমতি দেননি। অতঃপর যখন আল্লাহ তাঁকে যুদ্ধের অনুমতি দিলেন এবং শেষ আকাবায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সঙ্গে সাদা-কালো—অর্থাৎ সর্বপ্রকার মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অঙ্গীকারে বায়আত করলেন, তখন তিনি নিজের জন্য কিছু শর্ত গ্রহণ করলেন এবং তাদের ওপর তাদের রবের পক্ষ থেকে কিছু শর্ত আরোপ করলেন। আর এসব শর্ত যথাযথভাবে পালন করার বিনিময়ে তাদের জন্য জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিলেন। (দেখুন, সিরাত ইবনে হিশাম, ১/৪৫৪) . ইবনে রজব হাম্বলি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ৭৯৫ হি.) এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। তার পুরো কথার সারমর্ম হলো, এই দ্বিতীয় আকবার বাইয়াতে যে শর্তগুলো ছিলো, তাতেই এই বাইয়াতের নাম যে যুদ্ধের বাইয়াত তা যথাযথ বুঝে আসে। কেউ কেউ যুদ্ধের আলোচনা থাকার কারণে এই বাইয়াত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় যাওয়ার পর সংঘটিত হয়েছে বলে মত দিয়েছেন, যা সঠিক নয়। তিনি লেখেন, وهذه الرواية تدل على أن هذه البيعة هي بيعة الحرب وأن بيعة النساء كانت في العقبة الأولى قبل أن يفرض الحرب، فهذا قد يشعر بأن هذه البيعة كانت بالمدينة بعد فرض الحرب. وفي هذا نظر... এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, এই বাইআত ছিল যুদ্ধের বাইআত। আর নারীদের বাইআত হয়েছিল প্রথম আকাবায়—অর্থাৎ যুদ্ধের বিধান ফরজ হওয়ার আগেই। সুতরাং এ থেকে এমনটা মনে হতে পারে যে, এই (দ্বিতীয় আকাবার) বাইআতটি মদিনায় যুদ্ধ ফরজ হওয়ার পর সংঘটিত হয়েছিল। তবে এমনটি মতটা পর্যালোচনাযোগ্য। এই মতের পর্যালোচনা করে লেখেন, وخرج الإمام أحمد من وجه آخر، عن عبادة أنهم بايعوا النبي ﷺ هذه البيعة على السمع والطاعة، الحديث وقال فيه: وعلى أن ننصر النبي ﷺ إذا قدم علينا يثرب، فنمنعه مما نمنع منه أنفسنا . وهذا يدل على أن هذه البيعة كانت قبل الهجرة وذلك ليلة العقبة.... ইমাম আহমদ অন্য একটি সূত্রে উবাদাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তারা এই বাইআতে নবী ﷺ-এর কাছে শ্রবণ ও আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছিলেন। হাদিসের বর্ণনায় আরও রয়েছে, “এবং আমরা এই অঙ্গীকারও করেছিলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদের কাছে ইয়াসরিবে আগমন করবেন, তখন আমরা তাঁকে সাহায্য করব এবং যে বিষয় থেকে নিজেদের রক্ষা করি, সে বিষয় থেকেই তাঁকেও রক্ষা করব।” এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, এই বাইআত হিজরতের পূর্বেই, আকাবার সেই রাতেই সংঘটিত হয়েছিল।’ কেনো এই বাইয়াতকে যুদ্ধের বাইয়াত বলাটা যথাযথ সে সম্পর্কে লেখেন, هذا المعنى من حديث جابر بن عبد الله أن هذه البيعة كانت للسبعين بشعب العقبة وهي البيعة الثانية، وتكون سميت هذه البيعة الثانية، بيعة الحرب، لأن فيها البيعة على منع النبي ﷺ وذلك يقتضي القتال دونه،
678
12
“এসব আরাম প্রিয় বিলাসী অপদার্থ মানুষগুলো বিলাসী জীবনের সকল আয়োজন উপাদান ঘরে এনে জড়ো করার পরও এ ঘর ছেড়ে এবং এ ভূমি ছেড়ে পৃথিবীর আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়াতে থাকে। বিশ/বাইশ তাপমাত্রার খোঁজে তারা পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্ত দৌড়াতে থাকে। বাস্তবতা হচ্ছে, তারা আরামের মূল উপাদান ঈমান ও আমলের জীবনকে জবাই করে শুধু বস্তুসামগ্রী দিয়ে আরাম আয়েশ করতে চেয়েছে। ফলে তাদের আরাম আয়েশের সকল উপায় উপকরণের ব্যবস্থা হয়েছে। শুধু আরামটা হাতছাড়া হয়ে গেছে। কারণ আরামের মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মনের আরাম। আর সে আরাম থেকে আল্লাহ তাদেরকে বঞ্চিত করে দিয়েছেন। অতএব কোন ঈমানদার মুসলিমের জন্য কোনভাবেই শোভা পায় না যে, সে শুধু আরামের তালাশে দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়াবে। এ সফর কখনো শরীয়তের বৈধ সফরগুলোর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। কোন মুসলিম যে শিরনামেই সফর করবে, তার পেছনে দ্বীন-ঈমান-ইলম-দাওয়া-জিহাদ ইত্যাদি মৌলিক উদ্দেশ্যগুলোর কোন একটি থাকতে হবে। আর বিলাসী এ মৌসুমী সফরগুলো যদি কোন কাফেরদের দেশে হয়, তখন এর বৈধতার গণ্ডি আরো ছোট হয়ে যাবে। কোন মুসলিম চাইলেই কাফেরদের দেশে সফর করতে পারে না। তাছাড়া কোন মুসলিম কাফের ঘেরা দেশে গিয়ে আরাম বোধ করা, প্রশান্তি অনুভব করা, তার ঈমানী দুর্বলতা ও নেফাকের আলামত বহন করে। কুফরে ঘেরা এ পৃথিবীর প্রতিটি ভূখণ্ডই কুফরের বাজার। এরপরও যে ভূখণ্ডে কুফরের চর্চা, কুফরের শিক্ষা, অনুশীলন ও প্রকাশ তুলনামূলক কম, একজন মুসলিম সেখানেই তার শান্তি ও প্রশান্তি অনুভব করা তার ঈমানের দাবি।” বই: মুকিম ও মুসাফির
738
13
প্রকাশিতব্য বই থেকে কোনো মাসআলায় সকল ফকিহ একমত না হলেই এটা কীভাবে আবশ্যক হয়ে যায় যে, সংখ্যগরিষ্ঠের মতকে বাদ দিয়ে অন্যমত গ্রহণ করতে হবে? সমকালীন অনেক গবেষক মতানৈক্যপূর্ণ মাসআলাগুলোতে ফকিহদের বিভিন্ন মতামত এমনভাবে উপস্থাপন করেন যে, সংশ্লিষ্ট মাসআলার শরয়ী গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়। ফলে সাধারণভাবে এ ধারণা সৃষ্টি হয় যে, এই মাসআলায় যেকোনো একজন ফকিহের মত গ্রহণ করলেই যথেষ্ট। অথচ বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই ধরনের কাজ শরয়ী মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। সকল ইখতিলাফই মাসআলার গুরুত্ব কমিয়ে দেয় না, আবার সকল ইখতিলাফ সকলের জন্য ইচ্ছেমতো যেকোনো মত গ্রহণের সুযোগও তৈরি করে না। বরং এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, ব্যক্তি মুজতাহিদ হলে তার ইজতিহাদি যোগ্যতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিবে আর মাজহাবের অনুসারী হলে নিজ মাজহাবের ইমামের মতটি গ্রহণ করবে। . আসন্ন বাইতুল মুকাররম বই মেলায় ইনশাআল্লাহ
870
14
একটা বার কল্পনা করেন, হেফাজতের কেউ বিএনপির কোনো বড় নেতার কপালে চুমু দিছে, আর জামাতের বট বাহিনীর আচরণ। . কিন্তু এখন পুরো অনলাই
একটা বার কল্পনা করেন, হেফাজতের কেউ বিএনপির কোনো বড় নেতার কপালে চুমু দিছে, আর জামাতের বট বাহিনীর আচরণ। . কিন্তু এখন পুরো অনলাইন একদম নিরব। যেনো এটা কোনো ঘটনাই না।
1 447
15
দারুল ইসলাম ও দারুল হারব সংক্রান্ত প্রকাশিতব্য বই থেকে একটি টিকা লেখক এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের অবতারণা করেছেন। অতীতে মুসলিম শাসকদের হাতে যে ধরনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব ছিলো, তার বলে তারা চাইলে ইসলামি আইন রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন করতে পারতেন। এ ক্ষেত্রে তাদের সামনে বর্তমান সময়ের মতো কোনো আইনি বা সাংবিধানিক জটিলতা ছিলো না। বরং সমাজ, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং প্রচলিত আইনি বাস্তবতাও সাধারণত তাদের এই ক্ষমতা প্রয়োগের অনুকূলে ছিলো। এ কারণে সে সময় কোনো ভূখণ্ড “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম”—মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা, সেটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি ছিলো। কিন্তু বর্তমানের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একজন মুসলিম শাসকের হাতে অতীতের শাসকদের মতো নিরঙ্কুশ রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব নেই। ফলে তিনি যতই মুখলিস ও দ্বীনের ব্যাপারে আন্তরিক হোন না কেন, শুধু নিজের ক্ষমতাবলে চাইলেই পুরো রাষ্ট্রীয় আইন ও সাংবিধানিক কাঠামো পরিবর্তন করে ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠা করতে পারেন না। অতএব, বর্তমান বাস্তবতায় পূর্ববর্তী ফকিহদের “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম” (মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা) কথাটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করা যথার্থ নয়। (আব্দুল্লাহ) . ইনশাআল্লাহ এবারের বাইতুল মুকাররম বইমেলাতেই আসবে।
1 473
16
আহলে ইলম ও তালেবে ইলম ভাইদের জন্য সুখবর! . মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ইংরেজি মাসের প্রথম শুক্রবার বাদ দিয়ে বাকি শুক্রবারগুলোতে উসুলুল বাজদাবীর "বাহসুস সুন্নাহ" থেকে নিয়মিত দরস দিবেন। . স্থান : মিরপুর পল্লবীর মারকাযুদ দাওয়াহ ভবন। সময় : সকাল ৮টা থেকে . যাদের অন্তরের দীর্ঘ এমন তামান্না ছিলো, তাদের জন্য এটা অনেক বড় রহমত ইনশাআল্লাহ।
1 501
17
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  ছিলেন এমন একজন শাসক ও নেতা, যিনি সামনে থাকা ব্যক্তিদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারতেন। তিনি তাদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতেন। তাদের দক্ষতা কিংবা দূর্বলতার দিক ছিল তাঁর কাছে স্পষ্ট। হুদাইবিয়ার সন্ধির সময় সুহাইল বিন আমরকে দেখেই নবিজি বলেছিলেন, তোমাদের জন্য তোমাদের কাজ সহজ হয়ে গেল। কুরাইশরা সন্ধি করতে চায় তাই তারা তাকে পাঠিয়েছে। নবিজি সুহাইল বিন আমরের ভূমিকা সম্পর্কে জানতেন, কুরাইশদের মাঝে তার অবস্থান সম্পর্কেও তিনি ছিলেন অবগত। এই ঘটনার আলোকে আমরা নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে পারি, আজকের সমাজে দাঈ ও সংস্কারকদের কতজন তার এলাকার পুলিশ অফিসার, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক কিংবা অন্য গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের স্বভাব চরিত্র ও কর্মকান্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন? কতজন এমন আছেন যারা এসব ব্যক্তির মনোভাব বুঝতে পেরে তার সাথে সঠিক আচরণ করতে পারেন? আমরা কোনো সমঝোতার কথা বলছি না, বরং আমরা সেই প্রজ্ঞার কথা বলছি, যা নবিজি দাওয়াতের ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়েছেন। বহুবার এমন হয়েছে সঠিক ব্যক্তিকে ভুল পদ্ধতিতে দাওয়াত দেয়ার কারণে তিনি দাওয়াত থেকে দুরে সরে গিয়েছেন এমনকি দাওয়াতের শত্রু হয়ে উঠেছেন। ফলে দাঈদের উচিত নবিজির সিরাত থেকে এই দক্ষতাগুলো অর্জনের গুরুত্ব অনুধাবন করা যা তাদের দাওয়াতকে বেগবান করবে। হাযিম সলাহ আবু ইসমাইল *ইমরান রাইহান ভাইয়ের পোষ্ট থেকে
1 648
18
রেজিস্ট্রেশন ফর্ম লিংক— https://surveyheart.com/form/6a82fb1ea00a75349cd7e540
892
19
পরশু বৃহস্পতিবারের এই মোবারক আয়োজনে ঢাকায় ভাইরা মিস দিয়েন না। টাকা দিয়ে সেমিনারগুলোর সাথে সাথে এই ধরনের ফ্রি পোগ্রামগুলোকেও ব
পরশু বৃহস্পতিবারের এই মোবারক আয়োজনে ঢাকায় ভাইরা মিস দিয়েন না। টাকা দিয়ে সেমিনারগুলোর সাথে সাথে এই ধরনের ফ্রি পোগ্রামগুলোকেও বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ফ্রি দেখে মিস দিয়েন না। অফলাইনে সরাসরি শুনার যে বরকত, তা জীবনেও অফলাইনে পাবেন না।
895
20
উশর; একটি বিস্মৃত ফরয.pdf
1 734