4 119
Подписчики
-324 часа
-117 дней
-4830 дней
Загрузка данных...
Похожие каналы
Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
сентябрь '26
сентябрь '26
+5
в 0 каналах
август '26
+60
в 0 каналах
Get PRO
июль '26
+74
в 1 каналах
Get PRO
июнь '26
+36
в 1 каналах
Get PRO
май '26
+59
в 0 каналах
Get PRO
апрель '26
+119
в 1 каналах
Get PRO
март '26
+79
в 1 каналах
Get PRO
февраль '26
+71
в 0 каналах
Get PRO
январь '26
+60
в 4 каналах
Get PRO
декабрь '25
+36
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+53
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '25
+40
в 2 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+34
в 2 каналах
Get PRO
август '25
+106
в 2 каналах
Get PRO
июль '25
+186
в 2 каналах
Get PRO
июнь '25
+19
в 0 каналах
Get PRO
май '25
+67
в 3 каналах
Get PRO
апрель '25
+103
в 2 каналах
Get PRO
март '25
+66
в 3 каналах
Get PRO
февраль '25
+71
в 2 каналах
Get PRO
январь '25
+145
в 2 каналах
Get PRO
декабрь '24
+372
в 5 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+234
в 3 каналах
Get PRO
октябрь '24
+306
в 3 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+311
в 7 каналах
Get PRO
август '24
+530
в 6 каналах
Get PRO
июль '24
+261
в 9 каналах
Get PRO
июнь '24
+169
в 1 каналах
Get PRO
май '24
+213
в 4 каналах
Get PRO
апрель '24
+196
в 5 каналах
Get PRO
март '24
+263
в 3 каналах
Get PRO
февраль '24
+254
в 4 каналах
Get PRO
январь '24
+230
в 3 каналах
Get PRO
декабрь '23
+245
в 5 каналах
Get PRO
ноябрь '23
+82
в 5 каналах
Get PRO
октябрь '23
+340
в 7 каналах
Get PRO
сентябрь '23
+38
в 0 каналах
Get PRO
август '23
+56
в 0 каналах
Get PRO
июль '23
+30
в 0 каналах
Get PRO
июнь '23
+70
в 0 каналах
Get PRO
май '23
+206
в 0 каналах
Get PRO
апрель '23
+48
в 0 каналах
Get PRO
март '23
+36
в 0 каналах
Get PRO
февраль '23
+118
в 0 каналах
Get PRO
январь '23
+156
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '22
+56
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '22
+34
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '22
+90
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '22
+137
в 0 каналах
Get PRO
август '22
+534
в 0 каналах
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 02 сентября | +1 | |||
| 01 сентября | +4 |
Посты канала
Repost from Meer Salman
নিরপেক্ষ মুনাফিকরা মনে করে আমরা তাদের মতো মুনাফিক। মনে মনে মিলিটেন্সি চাই কিন্তু মুখে তাদের মতো ভন্ডামি করি। অথচ আমরা বাংলাদেশে মিলিটেন্সির ততটাই বিরুদ্ধে যতটা মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসুদ (হাফি)। তবে আমরা ততটা লিবারেল ইসলামের বিরুদ্ধে যতটা মিলিটেন্সির বিরুদ্ধে বরং আরও বেশি। কারণ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ (রহ) তাঁর বিখ্যাত India Wins Freedom বইয়ে বলেন, Nonviolence গান্ধীর জন্য creed কিন্তু আমাদের জন্য creed না strategy। কিন্তু লিবারেলিজমের বিরুদ্ধে আমাদের মতাদর্শ আমাদের creed। You should understand what we mean by creed. সহজ অনুবাদ হতে পারে আকিদা।
তবে স্ট্র্যাটিজি ক্রিড না মানে তাকিয়া যেটা নিরপেক্ষ মুনাফিকরা করে সেটাও না।
| 2 | আবালদের একাল সেকাল | 265 |
| 3 | মিউজিক নিয়ে অনেক আলাপ আলোচনা হচ্ছে মা শা আল্লাহ, তবে এখানে কিছু জাহেল ইমাম গাজালীর ফতোয়া নিয়ে বিকৃত করতেছে। ইমাম গাজালী মিউজিকের হালাল হওয়ার বেশি কিছু শর্ত রাখছে, উনার ডিফেনেশন আর এই মডারেট জাহেলদের কথা এক না। ইমাম গাজালী মিউজিকে সাউন্ড ও আওয়াজের যেই ফ্রিকুয়েন্সি আছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটা হলো উনার উদ্দেশ্য। যেমন খালি গলায় নাশিদ গাওয়া এটা মিউজিক, দফ বাজানো এটা মিউজিক। দফ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি তৈরি করা এগুলো মিউজিক, কথার আওয়াজও মিউজিকের অন্তর্ভুক্ত হবে, কারণ এটাও এক ধরনের সাউন্ড। এগুলো কিভাবে বললাম, কারণ ইমাম গাজালী যেই শর্তগুলো রাখছেন এটা হালাল হওয়ার জন্য, এই শর্ত পূরণ করলে, দফ বাজানোর নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি ছাড়া আপনি আর বাজাতে পারবেন না।
এক অক্ষরবাদী বেয়াদবকে দেখালাম, ওর চুলকানি শুধু সুফিদের নিয়ে। সুফিরা যেই সামা বাজায়, সেটার নির্দিষ্ট ধরন আছে, ওই যে উপরে যেটা বললাম। যখন কোনো সুফি কাউকে মিউজিক শোনার কথা বলে, সেটা আধুনিক মিউজিক না, বরং দফ বাজানোর নির্দিষ্ট ধরন থাকে, ফ্রিকোয়েন্সি থাকে, এবং যতটুকু জানি উমুমান সবার জন্য থাকে না, এটা আধুনিক ইন্সট্রুমেন্টাল বিষয়ে না। আধুনিক ইন্সট্রুমেন্ট হারাম হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। আর এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই যে, সুফিদের মধ্যে এসব ক্ষেত্রে বিদআত আছে, এইটা আলাদা আলোচনার বিষয়।
মিউজিক গান বাজনা ইসলামে হারাম হওয়ার অন্যতম কারণ, হলো এটা মানুষের মস্তিষ্কের মধ্যে ফাটল তৈরি করে, psychic পাওয়ারকে দুর্বল করে ফেলে। উদাহরণস্বরূপ আপনারা জানেন শয়তান মানুষের চিন্তার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সংশয় হতাশা নিয়ে আসে, একইভাবে জ্বিনেরাও কিন্তু করে, উদাহরণস্বরূপ মেন্টাল কেওস বা এমন কোনো আওয়াজ বা কথা শোনা, যেটা বাস্তবে হয়নি। এই সবই কিছু মানুষের psychic ক্ষমতাকে দুর্বল করে, আঘাত করে , এটাতে ফাটল ধরায়। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এই সবগুলোই একই রেখার মধ্যে প্রভাব তৈরি করে। অর্থাৎ মিউজিকাল ইন্সট্রুমেন্ট যেমন মানুষের মস্তিষ্কের যেখানে আঘাত করে, জ্বিন শয়তান সেখানেই করে। কিন্তু ওরা এতোটা প্রভাব ফেলতে পারে না, যতটা ক্ষতি মিউজিকের মাধ্যমে করা হয় থাকে। যখন এই psychic এবিলিটি একেবারে দুর্বল হয়ে যায় বা ভেঙ্গে যায়, তখন সে পসেসড হয়ে পড়ে।
এজন্য দেখবেন যারা বেশি বেশি গান শোনে ওরা হতাশা, মন খারাপ ইত্যাদিতে বেশি আক্রান্ত হয়। ইবাদতে মন বসে না, গানের ফ্রিকোয়েন্সিগুলো মাথায় বাজতে থাকে। এর কারণ হলো তার psychic power দুর্বল হয়ে গেছে। অনেক হালাল নাশিদের হারাম ইনস্ট্রুমেন্ট ব্যবহার করে, কিন্তু পরে এগুলো মাথায় বাজতে থাকে। এজন্য আমি নাশিদ শোনাই বন্ধ করে দিছি, তাও যতটুকু মাঝে Instagram আসে, যেদিন ইন্সট্রাতে ঢুকি, সেদিন আর মনোযোগ ধরে রাখা যায় না। কারণ হালাল কন্টেন্ট আসলেও প্রচুর পরিমাণ হারাম মিউজিক থাকে।
এখন সুফিদের এই মিউজিকের ধরন আর এখন যেটা করা হয়, এটা আলাদা সম্পূর্ণভাবে ভিন্ন। সুফিরা যেটা করে এটার নির্দিষ্ট প্যাটার্ন আছে। আপনারা অনলাইনে যেগুলো দেখেন, এগুলো বেশিরভাগই হারাম মিউজিক যুক্ত করা। তো উপরে যেটা বলছি, ইমাম গাজালী যেটা হালাল বলছেন, ওইটা আর এটা এক না, এটা তার নির্ধারিত যুক্ত করে দেওয়ার শর্তগুলো খেয়াল করলে বুঝা যায়। দফের বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি আছে, কাদেরি তরীকা থেকে অনেক তরীকাতেই এগুলো আছে।
মোদ্দা কথা, মিউজিক হারাম হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। আমি আসলে এই বিষয়ে কথাই বলতে চাই নাই, কিন্তু ইমাম গাজালীকে নিয়ে পোলাপান মিথ্যা কথা বলতেছে, আবার কেউ জাহালতের চুলকানিতে সব দোষ দিতাছে সুফিদের। সব মিলিয়ে অনলাইন একটা খিচুড়ি। এখনো পর্যন্ত পর্যন্ত তাসাউফের বিশুদ্ধ ধারা দেওবন্দিদের মধ্যেই আছে। শাহ ওয়ালিউল্লাহ যেই সংস্কার করে গেছেন, এটা তাদের মধ্যে এখনো বিদ্যমান।
আর বাদবাকি তুর্কি, চেচেন নকশবন্দী ও ইরাক সিরিয়ার কাদেরি তরীকা লোকদের মধ্যে দফ বাজানোর প্রচলন আছে। কিন্তু অনলাইনে যেগুলো আসে, বেশিরভাগই হারাম মিউজিক যুক্ত করে আসে। তবে যারা দফ বাজায় তারা সবাইযে বিদআত থেকে মুক্ত তাও না। এই ক্ষেত্রে দেওবন্দিরা সবচেয়ে বিশুদ্ধ আছে এখনো পর্যন্ত। আমি শাহ সাহেবকে এজন্য সবসময়ই গাজালির সাথে গণ্য করি, তিনি তাসাউফের ইলম আমল ও সংস্কারের দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তার পরে উপমহাদেশে এমন কেউ আর আসে নাই। দেওবন্দিরা দফের ব্যাপারেও প্রচণ্ড সতর্ক ছিলো যদিও এটা জায়েজ। তবে ফ্রিকোয়েন্সিগুলো সবাই বুঝে না, এই জায়গাটা আলাদা একটা আর্ট।
শেষ কথা হলো, গান বাজানা থেকে তো দূরে থাকবেনই, যেকোনো ধরনের হালাল কন্টেন্টের মিউজিকের ব্যাপারেও সতর্ক থাইকেন, ছোট ছোট ভুলগুলো বড় বড় পথ তৈরি করে দেয়। | 472 |
| 4 | ফুকাহাদের একটা সীমাবদ্ধতা হলো মাযহাবগুলো মূলত ইসলামের শক্তি ও মর্যাদার দিনে গ্রন্থিত হয়েছে। কিন্তু মুসলমানরা যখন দুর্বল এবং গোলাম হয়ে গেলো তখন দীনকে অবিকৃত রেখে মানুষের জন্য যে নমনীয়তা প্রয়োজন ছিলো সেটা খুঁজে বের করাটা তাদের জন্য কঠিন হয়ে যায়। তাছাড়া আরও বাস্তব সমস্যাও ছিলো৷ তবে সুফিয়ানে কেরাম হাজার বছর ধরেই এই সংকট মোকাবেলা করেছেন। তারা তাদের দাওয়াতি এবং মুসলিহ প্রকৃতির কারণে মানুষের সাথে অনেক বেশি মিশেন। মানুষের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করার অনেক পথ বের করেন। যেমন 'আমি প্রত্যেক মুসলমানকে আমার চেয়ে উত্তম মনে করি এবং কাফেরকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার বিচারে আমার চেয়ে উত্তম মনে করি'। এটা কিন্তু সাধারণত ফুকাহাদের মেজাজ না সুফিয়ানে কেরামের মেজাজ। আপনি যখন দাওয়াতকে অগ্রাধিকার দিবেন তখন আপনার ভেতর বিনয় এবং ইশকের প্রাধান্য থাকতে হবে। আদলের পরিবর্তে ইহসানের রাস্তা এখতিয়ার করতে হবে। আমি ফুকাহাদের গুরুত্ব কমাতে চাচ্ছি না। বরং ফুকাহারা যদি দ্বীনকে যথা স্থানে দৃঢ় না রাখেন তবে দ্বীন মানুষের খেলনায় পরিনত হবে। মানুষ দ্বীনকে নিজেদের নফসের অনুগত বানিয়ে ফেলবে। মানুষ ইসলামকে হয় ইয়াহুদিয়াত অথবা নাসারানিয়াতে পরিনত করবে। | 381 |
| 5 | দেওবন্দিয়াত | 543 |
| 6 | ফজরেই পরই দেখি মীর সালমান ভাই রাতে আমাকে নিয়ে পোস্ট দিছেন, ব্যাপারটা হুজুরও জানালেন আমাকে। মীর সালমান ভাই এই ব্যাপারে আমার অবস্থান সবচেয়ে সুন্দরভাবে ধরছেন, জাযাকাল্লাহ ভাই। যদিও জানিনা তিনি আমার সিরিজ পড়ছেন কি না, তবে আমি এখনো তাঁর নিয়মিত পাঠক। এই ক্ষেত্রে আমি কয়েকটা পয়েন্ট বলে রাখি যেটা জরুরী:
১/ নন-ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের মধ্যে কিভাবে মডার্নিজম প্রবেশ করছে, এটা ফেসবুকের পোস্ট থেকে বুঝানো সম্ভব না পুরোপুরি, এটার জন্য সিরিজটা পড়ে তারপর মন্তব্য করলে সবচেয়ে ভালো হবে। কারণ স্পেসিফিকেলি তারা ছাড়াও এই রোগে আরো বহুত মানুষ আছে যারা আক্রান্ত।
২/ আমি গত কয়েক বছর ধরে যেটা বলে আসছি, বাংলাদেশের ভূমিতে আগামী ৫০ বছরে ইসলাম কায়েম করা সম্ভব না, যদি এমনটা হয়, তাহলে নিশ্চিত আল্লাহর অনেক বড় কারামত হবে। তবে আল্লাহ এমন কারামত নবীদের দোয়া ছাড়ান দেখান না। তাই বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হয় না সম্ভব, এটা আল্লাহর সুন্নাতের বিরোধী হবে।
৩/ নন-ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের বেশিরভাগ ছেলেই, অন্তত ৯৯ ভাই ছেলে পেলেই ইসলামের বেসিক ফান্ডামেন্টাল জানেনা, আইডিয়লিজমের ফান্ডামেন্টালের সাথে ইসলামের ফান্ডামেন্টালকে এরা গুলিয়ে ফেলে। এখন আপনারাই বলেন, যারা নিজেরাই ইসলামের মৌলিকত্ব জানেনা, নিজেরাই শরিয়তের রুচিবোধ ও প্রকৃতি বুঝে না, তারা কিভাবে ইসলাম কায়েম করবে? তাও আবার বাংলাদেশে? শরিয়তের ইলম ছাড়া এরা ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে গেলে হয় এরা হবে জামাত ইসলামী আর না হয় হবে খারেজি, যেমনটা সিরিয়াতে হইছে। আর এটা এমনিতেই স্বাভাবিক কমন সেন্সের বাইরে যে, যারা নিজেরাই শরিয়ত বুঝে না, তারা ইসলাম কায়েম করবে, এমন দৃষ্টান্ত আদম আলাইহিস সালাম থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত কোথাও আছে কি না সন্দেহ আছে।
৪/ এই ক্ষেত্রে আমার অবস্থান অনেক স্পষ্ট, আমি শাহ সাহেব থেকে পুরো বর্তমান সময় পর্যন্ত দেওবন্দী আন্দোলন যেই শিক্ষা পাই, এবং এটা আসলে ইউনিভার্সাল রুল, সেটা হলো ব্যাক্তি পর্যায়ে ইলম অর্জন করা, তাসাউফের চর্চা করা, এরপর জি***দে অগ্রসর হওয়া। এই তিনটা জিনিস উপমহাদেশে কুতুব উদ্দিন আইবেগ থেকে আওরঙ্গজেব, টিপু সুলতান বলেন, কিংবা শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী থেকে আমিরুল মুমিনিন আখুন্দাজা, খলিফা হাক্কানী,সবার ক্ষেত্রেই সত্য। সূরা নূর 55 দৃষ্টান্ত।
একটা প্রসিদ্ধ বর্ণণা আছে, সুলায়মান আলাইহিস সালামকে আল্লাহ পুরো পৃথিবীর রাজত্ব দেওয়ার আগে জিজ্ঞেস করছেন, আপনি কোনটা চান? ইলম নাকি রাজত্ব? উনি দাউদ আলাইহিস সালামের রক্ত ছিলেন, তাঁর রক্তেই নবুওয়াতের নূর প্রবাহিত ছিলো, তিনি জানতেন বনি আদমের শ্রেষ্ঠত্ব ক্ষমতা দিয়ে না ইলম দিয়ে। সুলাইমান আলাইহিস সালাম ইলম বেছে নেন, ফলে আল্লাহ তায়ালা সবচেয়ে বেশি ইলম দেন, আর এই ইলমের সাথে সাথে ক্ষমতাও আল্লাহ তায়ালা দেন, যেটা দাউদ আলাইহিস সালামও কল্পনা করেননি।
৫/ বর্তমান নন-ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের মধ্যে এসব বুঝ নাই, তারা বরং বলে, ইসলামকে আল্লাহ জমিনে পাঠিয়েছেনই শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য। এরচেয়ে বড় বিকৃতি আর কি আছে? আমি ইসলামী শাসনের গুরুত্ব অস্বীকার করছি না, বরং বুঝাতে চাচ্ছি তাদের মধ্যে বিকৃতি কোথায় কোথায়। মূসা আলাইহিস সালাম সরাসরি আল্লাহর সাথে কথা বলতেন, যেটা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেওয়া হয়নি, কিন্তু তবুও মূসা আলাইহিস সালাম শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেন নাই। কেন করেন নাই? ক্ষমতাকে আসলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার সাথে যুক্ত কখনোই করেন নাই, এটা তিনি নিজের সাথে রাখছেন। বান্দার সাথে যুক্ত রাখছেন ইলম, ইবাদত নেককাজ, এবং যখন সময় আসে তখন কোরবানী করা, পিছিয়ে না পড়া, কোরবানির সময় পিঠ না দেখানো।
৬/ এই বিপ্লবী ছেলে পেলেদের মধ্যে এইখানকার আলেম ওলামাদের ব্যাপারে প্রচুর পরিমাণ বিদ্বেষ আছে। বিশেষ করে আশআরি মাতুরিদিদের এরা মুসলমানদের কাতারেই মনে করে না। অথচ এরা নিজেরাই শরয়িতের কিছু বুঝে না, অথচ হক হওয়ার দাবি!!! বর্তমান মাদরাসার ছাত্রদের মধ্যে বিপথগামীতা আর নন-ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের মডার্নিজমের সাথে জড়িয়ে পড়ারা কারণও এটা যে, এরা কেউ কালাম বুঝে না, মনে করে এটা সময় নষ্ট। অথচ আব্বাসি যুগ থেকে এই কালামি সিলসিলাই ইসলমাকে নতুন বাতিল চিন্তাধারা থেকে রক্ষা করছে।
##
যাইহোক, অনেক কথাই বললাম আর বেশিরভাগ আলোচনায় আমার সিরিজের মধ্যে করা শেষ। আলেমদের কাজ স্থায়ী হয়, আর আলেমদের ছাড়া যেটা হয়, সেটা হাইপ তৈরি করে, এরপর হারিয়ে যায়, গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দাঁড়াতে পারে না। যাইহোক, যারা বুঝতে আগ্রহী আছেন, তারা সিরিজটা পড়বেন এবং কোথাও অস্পষ্টতা থাকলে আমাকে জিজ্ঞেস করবেন। | 702 |
| 7 | শায়খ হারুন ইজহারের পোস্ট স্পষ্ট। আমি আপনাদেরকে অনেকদিন ধরেই বলে আসছি, বর্তমান নন-ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের আন্দোলন কোনভাবেই ফিতরাতগতভাবে ইসলামী শরিয়তের কাঠামোর মধ্যে নেই। এটার পু্রো রুপটাই আধুনিকতার কাঠামোতে দাড় করানো হয়েছে আর এমন বিপ্লবের কথা বলে, যেটার ফান্ডামেন্টাল তাদের নিজেদের কাছেই স্পষ্ট না। এই ব্যাপারে বিস্তারিত সিরিজ আকারে আলোচনা করছি।
মানে তারা নিজেরাই বুঝে না যে তারা মডার্নিটিকেই ডিফল্টলি প্রোমোট করতেছে। দেখেন, ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য শরিয়তের আলাদা কিছু ক্রাইটেরিয়া আছে, কিছু শর্ত আছে। আপনারা এগুলো উপেক্ষা করে মডার্নিটি দিয়ে "ইসলামী বিপ্লব" করার ডিসকোর্সটা আসলে পপুলিস্ট আইডিয়ালিজমের চিন্তাধারা।
যাইহোক, তাদের সাথে আসলে ভালোভাবে আর্গুমেন্টও করা যায় না, কথায় না পারলে তখন আসল চরিত্র বেরিয়ে আসে। বর্তমান এখন যা হচ্ছে, এসবকে আসলে ডিফেন্ড করে কিছু অর্জন করা সম্ভব না। এটা হওয়ারই ছিলো। কারণ এই বিপ্লবী চিন্তাধারার লোকদের মধ্যে এমন কিছু এলিমেন্ট ছিলো এবং এখনো আছে, যারা এতদিন আলেমদেরকে ভিলিফাই করে আসছিলেন কোনো ধরনের একাডেমিক যোগ্যতা ছাড়াই " বিপ্লবের" নামে। আজকে এগুলো আপনাদের উপরেই আসতেছে।
দেখেন শরিয়তের শাসন আমরাও চাই, কিন্তু আপনাদের আর আমাদের চাওয়ার পার্থক্য হলো আপনারা মডার্নিকে গ্রহণ করছেন, ইসলামকে আইডিয়ালিজমের স্তরে নামিয়ে এটাকে বিকৃত করেছেন। শরিয়তের বিধানকে আপনারা আদর্শ ও আইডিওজিতে সঙ্কীর্ণ করছেন। আপনারা মানদণ্ড বানাইছেন এমন জিনিসগুলোকে যেগুলো আসলে মানদণ্ড না, শাখাগত বিষয়।
ইসলামের নিজস্ব একটা ফ্লো আছে। আল্লাহ তায়ালা প্রসেস ফলো করতে বলছেন, অর্থ্যাৎ ঈমান আমল ও আখলাক ও নৈকট্য অর্জনের কথা বলছেন, এরপর তাদেরকে শাসনব্যবস্থার সাথে যুক্ত করেছেন। এখন আপনারা এটাকে যদি রিভার্স করে দেন, তাহলে আপনি সরাসরি আল্লাহর সুন্নাতের মধ্যে হস্তক্ষেপ করলেন। আপনার নিয়ত ভালো, কিন্তু ইসলাম ও শরিয়তের বিধানের প্রকৃতি সম্পর্কে আপনাদের অজ্ঞতা আপনাদেরকে এই পথে নিয়ে আসছে।
যাইহোক, এগুলো অনেক লম্বা আলোচনা, ইতিমধ্যে চারটা পর্ব আমরা শেষ করছি। পড়ে নিতে পারেন পিন পোস্ট থেকে। পরবর্তী আরো একটা পর্ব আসবে ইনশাআল্লাহ। | 674 |
| 8 | কারও মৃত্যু তাকে আরও শক্তিশালী করে নাকি ধ্বংস করে (পার্থিব বিচারে) সেটা নির্ভর করে তার ছাত্র ও উত্তরসূরীদের যোগ্যতা ও সক্ষমতার উপর।
আবেগী বকোয়াসে আমার আগ্রহ নাই। ইসলাম জিন্দা হোতা হ্যায় হার কারবালাকে বাদ হ্যায় একটা অন্তস্বারশূন্য কথা। জাকির মুসা বা বোরহান ওয়ানিদের শাহাদাতে ভারতের কোন ক্ষতি হয় নাই, কাশ্মিরীদের স্বাধীনতা আন্দোলন গতিশীল হয় নাই। হুসাইন (রা) এর শাহাদাতেও ইসলামের মৌলিকভাবে বিশেষ কোন লাভ হয় নাই। বরং মুসলমানদের ভেতর এমন ফাটলের রাস্তা তৈরি হয়েছে যেটা মাহদি খতম করতে পারবেন কিনা জানি না। সম্ভবত ইসা (আ)কে লাগবে৷ হ্যাঁ এটুকু লাভ হয়েছে যে যেকোনো অবস্থায় জালিম শাসককে চাটার যে দরবারি মানহায তার বিরুদ্ধে একটা আদর্শ কায়েম হয়েছে। কিন্তু আমাদের যুগে কেউ কারও আদর্শ না। ফলে এটুকু ফায়দাও হওয়ার আসলে খুব বেশি সম্ভাবনা নাই। ফলে উপযুক্ত ছাত্র তৈরি না করে শাহাদাত পার্থিব বিচারে পরাজয়ই বটে। জান্নাতের হিসেব ভিন্ন। আমার মতে বিভিন্ন ধরনের রোমান্টিক বিকার থেকে মুক্ত হতে না পারলে উম্মাহর মুক্তির সম্ভাবনা ক্ষীন। | 452 |
| 9 | আগে মুসলমানরা হক বাতিল পরিমাপ করতো কুরআন সুন্নাহ দিয়ে, এখন পরিমাপ করে "আইডিয়ালিজম" দিয়ে। ইসলামকে সঙ্কুচিত আর বিকৃত করতেছে খোদ আইডিয়ালিস্ট ইসলামপন্থীরাই। | 597 |
| 10 | পাঁচ বছরে ইমারত কতটা অর্থনৈতিক উন্নতি করেছে সেটার হিসেব সবাই কষছে কিন্তু পাঁচ বছরে আল্লাহর দ্বীন কতটুকু কায়েম করতে পারলো সেটা পক্ষে বিপক্ষে কতজন হিসেব করলো?
আমাদের স্ট্যান্ডার্ডটাই ভুল। | 550 |
| 11 | মূর্খদের সাথে তর্ক করা অসম্ভব।
তবে যারা জানতে আগ্রহী তাদের জন্য কথা হলো,
এটা ইমারত আজ বলছে।
এটা ইমারত ২০২১ সালে বলেছে।
এটা ইমারত ২০১৯ সালে বলেছে।
এটা ইমারত ২০১৩ সালে বলেছে।
এটা ইমারত ২০০১ সালে বলেছে।
এটা ইমারত ১৯৯৬ সালে বলেছে।
যারা জানে তারা জানে। যারা বোঝে তারা বোঝে। মূর্খরা কুতর্ক করে। | 546 |
| 12 | Нет текста... | 538 |
| 13 | তালিবদের সফলতার রহস্য
তালিবানদের সাংগঠনিক সফলতার একটা বড় কারণ তাদের ইলমি চর্চা। নতুনদের অবশ্যই মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ করতে হয়। শিক্ষা চলতে থাকে, ক্রমশ নতুনরা প্রশিক্ষকে পরিণত হন। সিনিয়র সদস্যরা তরুণ প্রশিক্ষকদের উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সর্বোচ্চ নেতাদের দরসে বসেন সিনিয়র নেতারা।
এভাবে ক্রমধারায় সবাই ইলমের সাথে সংযুক্ত থাকেন। কঠিন যুদ্ধের মধ্যেও তারা ইলমি চর্চায় অবহেলা করেন না। যারা মৌলিক শিক্ষাগ্রহণে ব্যর্থ হয়, তাদেরকে সংগঠন থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। তালিবানদের সাংগঠনিক কাঠামো এভাবে উস্তাদ-শাগরিদদের মিথস্ক্রিয়ায় পরিচালিত হয়। ছোটরা বড়দের সম্মান করেন, বড়রা ছোটদের দেখেন ছাত্র হিসেবে।
তালিবানদের সফলতা থেকে যদি শুধু একটি বার্তা নেওয়া যায়, তবে সেটি হল সবাইকে মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে। সাধারণরা তো আছেনই, বিশেষত যারা রাজনীতি ও প্রশাসনের সাথে যুক্ত হবেন, তাদেরকে অবশ্যই ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করতে হবে, সবসময় কোন একভাবে ইলমের সাথে যুক্ত থাকতে হবে। প্রত্যেককেই ইসলামি বিশ্বদৃষ্টি সম্পর্কে জানতে হবে। ভুল করলে না হয় তাওবা করে নিলেন, ভুল যে করছেন, সেটা অন্তত জানা থাকুক, মনে আসুক অনুতাপ।
ইলম চর্চা শুধু জানার জন্য নয়, এটা এক বিশেষ লাইফস্টাইল। তৎকালীন তালিবান শীর্ষ নেতা ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সালাম জাইফ মন্ত্রীত্ব ছেড়ে মসজিদের ইমামতি-শিক্ষকতার জীবন বেছে নেন। | 493 |
| 14 | কোয়ান্টাম মেকানিক্সের Observer effects আধুনিক বিজ্ঞানের সামনে আসে ১৯২৪-২৭ এর মধ্যে। অথচ এই ব্যাপারে উজুদি ফিলোসফি আর ইলমুল কালামের মধ্যে অনেক পুরাতন। আকবারিয়ানদের মধ্যেও এটা আগ থেকেই বিদ্যমান। প্লেটো আর নিও-প্লেটোনিস্টদের মধ্যেও এটা ধারনা শক্তভাবে আছে।
আধুনিক যুগটা যদি ভালোভাবে লক্ষ্য করেন, তাহলে প্লেটো এরিস্টটলদের সাথে এদের কোনো সংযোগ পাবেন না। এদের কোনো মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশন নাই, এজন্য এরা মূলত শয়তানের আশ্রয় গ্রহণ করে। কারণ তাদের কাছে এমন কোন গ্রাউন্ড নাই, যেটা তাদেরকে হাকিকত বুঝতে সহযোগিতা করবে।
জ্ঞানের সকল স্তর, মেটাফিজিক্স আর লজিকের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত। এখন সেটা যত ধরনেরই হোক। আর শরিয়তের সাথে আরো শক্তভাবে, এজন্য দেখা যায় মুতাকাল্লিমুনরা এটাকে পুরোপুরি সংশোধন করছেন, যেটা পূর্ণতা দিছেন হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজালী রহ। | 574 |
| 15 | পোস্ট আর প্রোফাইল দেখেন।
কত ছোটলোক আর কতটা নিম্ন ও জঘন্য মানসিকতার আর বলতে হবে বলে মনে হয় না। | 632 |
| 16 | আল হামদুলিল্লাহ হেফাজত এই সব গাধাদের বুদ্ধিতে চলে না। | 541 |
| 17 | কিছু মাতাল পোলাপানের অবস্থা হলো, আলেমরা যদি রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সম্পর্কও রাখে, তাও তাদেরকে দরবারি বলে।
মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী তো কম, উপমহাদেশে বহু রাজাবাদশাহরাই আলেমদের কাছে আসতো সুফিদের কাছে আসতো। এটাতে যেমন রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের স্বার্থ থাকতো, তেমনি আলেম উলামা এবং সাধারণ মুসলমানদেরও স্বার্থ থাকতো।
কিন্তু কিছু জাহেল পোলাপানরা এগুলো নিয়ে অতিরিক্ত কথাবার্তা বলছে, এদের মুখে আর আচরণে কোনো লাগাম নাই। | 680 |
| 18 | খারেজি চিন্তাভাবনার প্রথম আলামত হলো সে সমাজের কোথাও তাওহীদ দেখে না, মসজিদ মাদরাসা, আলেম-উলামা সবখানেই সে শুধু গোমরাহী দেখে। শুধুমাত্র নিজে আর নিজের আশপাশের কিছু মানুষের মধ্যে তাওহীদ দেখে সে। | 658 |
| 19 | Нет текста... | 728 |
| 20 | https://open.substack.com/pub/hasan89/p/islamism-marxism-and-the-trap-of?utm_source=share&utm_medium=android&r=39tejb | 626 |
