4 184
订阅者
无数据24 小时
-237 天
-5530 天
数据加载中...
吸引订阅者
七月 '26
七月 '26
+35
在0个频道中
六月 '26
+36
在1个频道中
Get PRO
五月 '26
+59
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+119
在1个频道中
Get PRO
三月 '26
+79
在1个频道中
Get PRO
二月 '26
+71
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+60
在4个频道中
Get PRO
十二月 '25
+36
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+53
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+40
在2个频道中
Get PRO
九月 '25
+34
在2个频道中
Get PRO
八月 '25
+106
在2个频道中
Get PRO
七月 '25
+186
在2个频道中
Get PRO
六月 '25
+19
在0个频道中
Get PRO
五月 '25
+67
在3个频道中
Get PRO
四月 '25
+103
在2个频道中
Get PRO
三月 '25
+66
在3个频道中
Get PRO
二月 '25
+71
在2个频道中
Get PRO
一月 '25
+145
在2个频道中
Get PRO
十二月 '24
+372
在5个频道中
Get PRO
十一月 '24
+234
在3个频道中
Get PRO
十月 '24
+306
在3个频道中
Get PRO
九月 '24
+311
在7个频道中
Get PRO
八月 '24
+530
在6个频道中
Get PRO
七月 '24
+261
在9个频道中
Get PRO
六月 '24
+169
在1个频道中
Get PRO
五月 '24
+213
在4个频道中
Get PRO
四月 '24
+196
在5个频道中
Get PRO
三月 '24
+263
在3个频道中
Get PRO
二月 '24
+254
在4个频道中
Get PRO
一月 '24
+230
在3个频道中
Get PRO
十二月 '23
+245
在5个频道中
Get PRO
十一月 '23
+82
在5个频道中
Get PRO
十月 '23
+340
在7个频道中
Get PRO
九月 '23
+38
在0个频道中
Get PRO
八月 '23
+56
在0个频道中
Get PRO
七月 '23
+30
在0个频道中
Get PRO
六月 '23
+70
在0个频道中
Get PRO
五月 '23
+206
在0个频道中
Get PRO
四月 '23
+48
在0个频道中
Get PRO
三月 '23
+36
在0个频道中
Get PRO
二月 '23
+118
在0个频道中
Get PRO
一月 '23
+156
在0个频道中
Get PRO
十二月 '22
+56
在0个频道中
Get PRO
十一月 '22
+34
在0个频道中
Get PRO
十月 '22
+90
在0个频道中
Get PRO
九月 '22
+137
在0个频道中
Get PRO
八月 '22
+534
在0个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 16 七月 | 0 | |||
| 15 七月 | +2 | |||
| 14 七月 | +3 | |||
| 13 七月 | +2 | |||
| 12 七月 | 0 | |||
| 11 七月 | +3 | |||
| 10 七月 | +3 | |||
| 09 七月 | 0 | |||
| 08 七月 | +1 | |||
| 07 七月 | +2 | |||
| 06 七月 | 0 | |||
| 05 七月 | +4 | |||
| 04 七月 | +3 | |||
| 03 七月 | +4 | |||
| 02 七月 | +5 | |||
| 01 七月 | +3 |
频道帖子
Repost from Meer Salman
আমি মনে করি না এই মুহুর্তে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে মিলনের কোন বিকল্প বিএনপির কাছে আছে যদি জাতীয় স্বার্থ চিন্তা করা হয়। নিছক দলীয় স্বার্থে বিবেচনা করলে কি হবে জানি না। তবে এই ফাঁকিবাজ ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে এমন কিছু করা হলে সেটা হবে দেশকে মবের মুল্লুক বানানোর চূড়ান্ত আয়োজন। কোন কারণে যদি ধরে নেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন তবুও এই মুহুর্তে পরিবর্তন করা উচিৎ হবে। ছাত্ররা এবং তাদের অভিভাবকরা হাসিনার আমলে নৈরাজ্যকর ও ধ্বংসাত্মক সুবিধা পেয়ে পেয়ে তারা ফেনসিডিল ইয়াবা টাইপ নেশায় আসক্ত হয়ে গিয়েছে। এখনই এই অটোপাশ, বাম্পার এ প্লাস চাষাবাদ বন্ধ করতে হবে। নেশা ছাড়াতে গেলে কষ্ট হয়। তবে দুই তিন বছর গেলে দেখবেন এই সমস্যা কমে এসেছে। তবে আমার মনে হয় এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে এবং এইচসি পরীক্ষা জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারীর প্রথম সপ্তাহের ভেতর শেষ করা উচিৎ। এতে লাভ হলো দুইটা।
১) মেঘ বৃষ্টির ঋতুতে পরীক্ষা দিতে হবে না।
২) ছাত্রদের জীবন থেকে কয়েকটা মাস অপচয় হওয়া ঠেকানো যাবে। সেক্ষেত্রে সকল ছাত্ররা অনার্স ক্লাস ডিসেম্বর জানুয়ারির ভেতর শুরু করতে পারবে।
| 2 | আমার কাছে ছাত্রদের এই পদত্যাগ চাওয়ার দাবিটা অযৌক্তিক। ন্যায্য দাবি এক জিনিস আর পদত্যাগ আরেক জিনিস। সমস্যা হচ্ছে জেনজি পোলাপান শর্ট টার্মের দাবি দাওয়া চাইতে গিয়া লংটার্মের বিপদ ডাইকা আনতেছে। পরবর্তীতে দেখা যাবে পান থেকে চুন খসলেই এরা সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু করবে, এটা ভালো লক্ষণ না, বরং আওয়ামী লীগের পথ উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষণ, এই সুযোগটা পরে আওয়ামী লীগ আগুনৈ ঘী ঢেলে।
আন্দোলন করুক এটা সমস্যা না, বরং সমস্ত হলো আন্দোলনের ফলাফল নিয়ে ও ভবিষ্যতের দয়ভার তাদেরকেই বহন করতে হবে। যা হওয়ার হয়েছে, এরচেয়ে বেশি আগানো আমার মনে হয় না ঠিক হবে। | 200 |
| 3 | বিক্রমপুরীর মতো একটা রাম ছাগল থাকলে আর শত্রু লাগে না। অথচ আরো কিছু আহাম্মক আছে যারা একে প্রমোট করে। আগ বাড়িয়ে মার খায়, এরপর জেলে হলে দৌড়াদৌড়ি করে, আরভাবে দ্বীনের জন্য ত্যাগ করতেছে। আর কিছু লোক আছে এরে প্রমোট করে!
আরে ভাই আপনি সাপ মারতে পারবেন না, তাইলে খালি খালি সাপের লেজে পা দিবেন কেন? সাধারণ মুসলমানদেরকে টে**রিস্ট জাজমেন্টের স্বীকার কেন হবে আপনাদের জন্য? মাদরাসার উলামা তলাবারা আপনাদের মতো ছাগলদের ছাগলামির কারণে কেন এই ন্যারেটিভের স্বীকার হবে?
ওয়ার অন টেররের ন্যারেটিভ জুলাইয়ের পর বৈধতা পাওয়ার জন্য সর্বপ্রথম দায়ী হচ্ছে ফাতাহ কমবেটের পোলাপানগুলো, এরপর এই কমিউনিটি মাইর খাবে হচ্ছে এই বিক্রমপুরীর মতো লোকদের জন্য। | 312 |
| 4 | আহমাদ আল শারাহ এক অভিনেত্রী মহিলাকে নিয়োগ দেওয়া নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু দীপ্তি চৌধুরীকে দেখলে বুঝতে পারবেন কেন এই নিয়োগগুলো দরকারী।
জেহাদি দলগুলোর যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে বেশি অপছন্দ সেটা হলো তাদের কৌশলগত মৈত্রী তৈরিতে অদক্ষতা এবং ব্যার্থতা। শারাহ জাবাহাত দিয়ে আরও একশত বছরে শাম দখল করতে পারতো না৷ কিন্তু কৌশলগত আপোষ এবং চুক্তির মাধ্যমে অনেক কিছু অর্জন করেছে।
ধরুন আপনি একটি নৌকা বোঝাই করে সোনা নিয়ে যাচ্ছে। নৌকাতে পঞ্চাশ মন সোনা আছে। কিন্তু পথে যে ধরনের ঝড়, বাতাস শুরু হয়ে, নদীর যে স্রোত তাতে ৪০ মন ফেলে না দিলে পুরো নৌকাই ডুবে যাবে? আপনি কি করবেন?
আপনি যেহেতু আদর্শবাদী এখানে আপনার ৪০ মন সোনা ফেলে দিতে হয়তো কম কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ধরুন টাইটানিক সিনেমার সেই দৃশ্য যেখানে কেট উইন্সলেট এবং লিওনার্দো ক্যাপ্রিওর যেকোনো একজনকে মারা যেতেই হবে। সেখানে কি করবেন? আমি আপনার জন্য উদাহরণ আরও কঠিন করে দিতে পারি। কিন্তু মূল আর্গুমেন্টটা বোঝেন।
একটা দেশে তাওহীদ, রিসালাত এবং আখিরাতে ইমান আনাই অপরাধ। তারপর সেখানে একটা পথ বের হলো যেখানে এমন শাসক আসবে যে আপনাকে দ্বীন পালনের এবং দ্বীনের তালিমের স্বাধীনতা দিবে কিন্তু হুদুদ, কিসাস কায়েম করবে না। আমর বিল মারুফ নাহী আনিল মুনকার করতে দিবে না। আপনি প্র্যাক্টিক্যালি এই মুহুর্তে দুর্বল এবং বর্তমান ক্ষমতাসীনদের উৎখাত করে ইলায়ে কালিমাতুল্লাহর কোন সামর্থ্য আপনার নাই। আপনি এখন কি করবেন?
ডগমেটিক ফ্যানাটিকদের নিয়ে সমস্যা হলো তারা এখন বলবে
১) আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং তিনি কারও মুখাপেক্ষী না।
২) হুদুদ, কিসাস, আমর বিল মারুফ নাহী আনিল মুনকার দ্বীনের কাতঈ সাবুত দ্বারা প্রমানিত। খন্ডিত দ্বীন চর্চার কোন সুযোগ নাই।
সমস্যা হলো এদের সাথে কুতর্ক করে লাভ নাই। এরা বাটাম না খাইলে বাস্তবতা বুঝবে না। তার চেয়ে বড় সংকট হলো এরা সাধারণত বাটামও খাবে না। কারণ তারা এসব কুযুক্তি দিয়ে ইমানদারদের মেহেনত এবং সংগ্রামে পানি ঢেলে দিবে কিন্তু নিজেরা তেমন কিছুই করবে না। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা বাটামও খাবে না। এসব কুতর্ক করে জাস্ট ডোপামিন রিলিজ করার জন্য। | 244 |
| 5 | লাশ দাফন করতে না পেরে কলাগাছে লাশ ভাসিয়ে দিচ্ছে, চিন্তা করতেছেন, কি ভয়াবহতা। দোয়া করেন, যাতে আল্লাহ আবহাওয়া পরিবর্তন করেন | 372 |
| 6 | সবাই দোয়া করেন আল্লাহ যেন বাংলাদেশের উপর এই বৃষ্টি বন্ধ করে দেন। | 391 |
| 7 | আমি অন্তর থেকে খালিস দেওবন্দি। আমি আমার আকাবিরদের প্রত্যেককে হক মনে করি। প্রত্যেকের গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে মনে করি। কোন রাজনীতি আমার আকাবির কারও ইখলাসপূর্ন আমলের চেয়ে বড় হতে পারে না। এটাই সত্য যে ৪৭ এবং ৭১ উভয় ক্ষেত্রে আকাবির কেউ এক পক্ষে কেউ অপর পক্ষ এবং নিরপেক্ষ ছিলেন। আমি মনে করি না কারও অবস্থানই শতভাগ ভুল বা খায়েরশূন্য। যারা ভুল করেছেন তাদের অবস্থানের দ্বারাও হয়তো ফায়দা হয়েছে নয়তো ফায়দা হওয়ার যৌক্তিক সম্ভাবনা ছিলো। | 313 |
| 8 | দেখুন অনলাইনে, টকশোতে, সাংবাদিক সম্মেলনে কে কি বলছে এগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে পাঠ করলে কখনো আপনি সত্যে পৌঁছাতে পারবেন না৷ আপনাকে হোলিস্টিকিক্যালি দেখতে হবে। আপনি দালালি করবেন। অন্য একজন কৌশল হিসেবে একই কাজ করবে। এই দুটো কখনো এক হতে পারে না। আপনারা নিজেরাও কিন্তু এই নীতি মানেন। যখন মাইক পম্পে বা জালমে খালিলজাদ মোল্লা বারাদারের সাথে বসে তখন কিন্তু আপনি তাকে জঙ্গি, চরমপন্থী হিসেবে সন্দেহ করবেন না। বড়োজোর তাকে ভন্ড মনে করবেন। এখন একই কাজ যখন মাওলানা মামুনুল হক, মধুপুরের পির সাহেব বা মাওলানা আব্দুল আউয়াল সাহেব করেন সেটার অনুবাদ হয় ভিন্নভাবে। আবার সেই একই কাজ যদি হারুন ইযহার করতেন তাহলে দেখতেন গল্পটা আরও অন্য রকম হচ্ছে। গল্পটা উল্টো দিক থেকেও সত্য। কিন্তু উল্টো দিকের গল্পটা আপনি ভাবতে চাননা কারণ সেটা আমার গোষ্ঠী স্বার্থের সাথে যায় না। আপনি এটা বুঝতে পারলেও মানতে পারবেন না যে পাকিস্তানের বিরোধিতা হাসিনা করা ইমারত করা এক জিনিস না। মোদির সাথে সম্পর্ক আপনারটা, হাসিনারটা এবং ইমারতেরটা আলাদা।
এগুলো তাদের জন্য বলা যারা বুঝতে চায়। যারা দলবাজির উর্ধ্বে চিন্তা করার ক্ষমতা নাই তাদের নিয়ে বলার কিছু নাই। | 389 |
| 9 | এদের মডার্নিস্ট আইডিয়ালিজমের কারণে মুসলমানদের যে কালেক্টিভ ইমেজ নষ্ট হলো এবং এক সাথে অসংখ্য সাধারণ মুসলমানদের জীবন যে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেলো, এর দায়ভার কি তারা নিবে? দাওয়াতের ময়দান যে আরো সঙ্কুচিত হলো, আলেম উলামা এবং সাধারণ দ্বীনদার মানুষ যে কালেক্টিভ টে***রিস্ট জাজমেন্টের স্বীকার হবে, এর দায়ভার কারা নিবে? এজন্য আমি বারবারই বলি অনলাইনে নন-ডেমোক্রেটিক আইডিয়ালিস্টদের থেকে দূরে থাকেন, আলেমদের সাথে ঘনিষ্ঠ হন। | 481 |
| 10 | গণতন্ত্রকে সামনে এনে "গুড মুসলিম" "বেড মুসলিমের" যেই বাইনারিটা দেয়, এটা সবচেয়ে ফালতু একটা যুক্তি, এই বাইনারিটা দাঁড়িয়েই আছে পশ্চিমাদের মানদণ্ডের উপরে। অথচ এই এই মানদণ্ডকে এরা ফান্ডামেন্টাল ধরে মুসলমানদের বিচার করে।
আমানত ধরা খাওয়ার পর এখন কিছু নন-ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের দেখলাম "এক্টিভ কার্যক্রমের" তারা বিরোধীতা করে, কিন্তু এই "মানসিকতা" কি সমর্থন করে- আমার প্রশ্ন এইখানে। অর্থাৎ "সব সময় কিছু একটা করার মানসিকতা" নিয়ে আমার প্রশ্ন। মানে তারপরো এরা ইনিয়ে বিনিয়ে এই ধরনের মানসিকতার সমর্থন দিচ্ছে, আর ইস্যুটাকে "গুড মুসলিম" "বেড মুসলিম" বাইনারিতে ফেলতেছে।
আমি বারবারই বলছি, উলামায়ে দেওবন্দ গণতন্ত্রকে অবশ্যই কুফরি মনে করে। কিন্তু উলামাদের ফাংশনাল সিস্টেমটাই আর এই নন ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের ফাংশন ভিন্ন ভিন্ন। একদল ইলম আমল ইসলাহকে গুরুত্ব দেয়, আরেকদল দেয় কমিউনিস্ট ফ্রেমওয়ার্ককে। অর্থাৎ "আদর্শ", এজন্য এরা মডার্ন আইডিয়ালিস্টিক। দেখেন যারা এভাবে সাবিতের কারণে আজকে মাজলুম হলো, এরাও কোনো না কোনো ভাবে এই ধরনের আইডিয়ালিস্ট মানসিকতার শিকার, ইলম ছাড়া "বিপ্লব" করবে! তাদের কাছে ডিভাইন গাইডেন্সের এক্সেস নাই, অথচ নিরেট ইন্ডিভিজুয়াল কনসেপশন থেকে তারা বিপ্লব করতে চায়, যেটা আর দশটা মডার্ন আইডিয়ালিস্টরা করে।
আমি বুঝি না, যখন গণতন্ত্রের কথা আসছে তখন এরা দেওবন্দি উলামাদেরকে নানাভাবে ভিলিফাই করে, আবার যখন নিজেদের বোকামি অজ্ঞতার "আদর্শের" কারণে রাষ্ট্রের চাপ এদের উপর পড়ে, তখন এরা বলে "দেওবন্দিরাও গণতন্ত্রকে কুফরি মনে করে"। মানে রাষ্ট্রীয় চাপ পড়লে আবার ঠিকই দেওবন্দী চিন্তাচেতনার আশ্রয় নেয়। অথচ অন্য সময় সারাদিন দেওবন্দিদের মুরজিয়া মুরজিয়া বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলে। এটার কারণ কি জানেন, কারণ তাদের তথাকথিত বিপ্লবী আদর্শের জ্ঞানগত কোনো ভিত্তিই নাই। অথচ ইলমে ওহী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আদমকে ফেরেশতাদের উপর শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম কারণ তাঁকে আল্লাহ ইলম দিছিলেন বিভিন্ন বিষয়ের, যেটা ফেরেশতারা জানতো না।
মানে নূন্যতম লজ্জা থাকা উচিত তাদের। উলামায়ে দেওবন্দের ফাংশন নানামুখী, ফাদার অফ তা*বান নিজেই সংসদের সদস্য ছিলেন। আবার তিনিই ছাত্রদের ফাদার। আরো উদাহরণ দেওয়া সম্ভব যার কারণে বাংলাদেশের এই নন-ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের দ্বিচারিতা তুলে ধরা যায়। জি*দের পবিত্র আমলকে যখন মডার্ন আইডিয়ালিস্টিক কনসেপ্টের নিয়ে আইসা কমিউনিস্ট চিন্তা চেতনার মতো কোয়ালিফিকেশন ছাড়াই এই পবিত্র কাজকে আধুনিকতার ফ্রেমওয়ার্কে কেউ ব্যবহার করে, তখন এই জাহেলদের উপর প্রচন্ড রাগ হয়। | 440 |
| 11 | অবশেষে ওয়াহদাতুল উজুদ নিয়ে একটা আলাপ আনলাম। তবে এখানে আমি ওয়াহদাতুল উজুদকে সিস্টেমেটিকলি ডিফাইন করি নাই, বরং ছোট উদাহরণ দিয়ে এটা বুঝানোর চেষ্টা করছি যে ওয়াহদাতুল উজুদ হচ্ছে তাওহীদের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ, এবং এটা দেখানোর চেষ্টা করছি শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রহ এই উজুদেই বিশ্বাস করতেন, এবং এটাও তুলে ধরছি যারা দাবি করে শাহ আছারি ছিলেন, তাদের জন্য এটা উপস্থাপন করা যে শাহ সাহেব পুরোদস্তুর আছারি ছিলেন।
এখানে কয়েকটা জিনিস আমি ভাঙ্গার চেষ্টা করছি:
> শাহ সাহেব আশআরি ছিলেন এটা তুলে ধরা।
> তিনি ওয়াহদাতুল উজুদে বিশ্বাসী ছিলেন এটা পরিষ্কার করা।
> তিনি যে আশআরি কালাম গ্রহণ করছেন ব্যাপারটা এমন, বরং তিনি শায়খে আকবার রহ চিন্তাকে উপস্থাপন করছেন।
> যারা শাহ সাহেবকে সিলেক্টিভলি উপস্থাপন করে, এবং প্যান্থিয়িজমের সাথে উজুদকে গুলিয়ে ফেলে, তাদের খন্ডন করা।
এই লেখার আমার মূল টার্গেট অডিয়েন্স হলো আলেম উলামা এবং যাদের ইলমুল কালাম সর্ম্পকে মোটামুটি ধারনা আছে তাদের জন্য। আর যদি কেউ একেবারেই আকিদায়, তাহলে এটা তাদের জন্য না। তবে কারো যদি আগ্রহ থাকে, তাহলে তারা চ্যাটজিপিটির সহযোগিতা নিয়ে পড়তে পারেন, বুঝতে সহজ হবে। | 364 |
| 12 | https://open.substack.com/pub/hasan89/p/shah-waliullah-dehlavi-and-the-unity?utm_source=share&utm_medium=android&r=39tejb | 345 |
| 13 | •
ইমাম শামিল রহ সুফি তরিকার মানুষ ছিলেন ককেশাসের, সারাটা জীবন জি*** হাদ করে গেছেন শরিয়তের জন্য। কিন্তু উসমানি খেলাফত ওই সময়ে একই সাথে কয়েকটা ফ্রন্টে যুদ্ধে ব্যস্ত, ইউরোপ ও রাশিয়ার সাথে কয়েক ফ্রন্টে একসাথে যুদ্ধ করার কারণে খেলাফত তখন এমনিতেই দুর্বল ছিলো বলে ইমাম শামিলকে সহযোগিতা করতে পারেন নাই, অথচ উসমানিরা ইমাম শামিলের প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ছিলো।
•
ককেশাস নিজেও উসমানি খেলাফতের মূল ভূখণ্ড থেকে ছিলো অনেক দূরে। অথচ বাংলাদেশের এরা আবেগ দেখিয়ে, ডগমেটিজম,আর আইডিয়ালিস্টিক মাইন্ডসেট থেকে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবে, যেখানে চারপাশেই কুফর শক্তিশালী এবং ইসলামে রাজধানীতেই যখন ইসলামী শাসনব্যবস্থা নাই এমন এক নাজুক সময়ে?
•
ইমাম শামিলের রহ ২৫ বছর যুদ্ধ করেন, সম্মুখ লড়াই করেন, আর তার পূর্বসূরীদের হিসাবে করলে এটা প্রায় ৫০ ছুঁয়ে যাবে। কিন্তু তারা সফল হননি। কখনো কখনো ইসলাম রাজনৈতিকভাবে বিজয়ী হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই, বরং ইসলাম মুসলমানদের জীবনে টিকে থাকা এবং প্রাসঙ্গিক থাকাই এই বিজয় নির্ধারণ করে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ইসলামকে সঙ্কুচিত করা ডগমেটিক আইডিয়ালিস্টদের কাজ, যারা আমার সিরিজটা পড়ছেন এটা তাদের কাছে পরিষ্কার আশাকরি।
শাহ সাহেব যখন ইসলাম প্রতিষ্ঠার রুপরেখা উপস্থাপন করেন, তখন তিনি তিন-চারশো বছরের কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করেন। উনার পরিকল্পনা ফল দেখেন আমরা আজকে দেখি ইমারতে ইসলামীয়া হিসেবে। অথচ এসব মডার্নিস্ট আইডিয়ালিস্ট পোলাপান চায় পাঁচ বছরের মধ্যে সব উল্টে ফেলতে ! আপনি ভাবতে পারেন এরা কতটা অন্ধ? | 361 |
| 14 | কালো পতাকার ইস্যুটা অনেকটা সেনসেটিভ যার কারণে এটা নিয়ে কিছু একটা বলা মুশকিল। সমস্যা হচ্ছে মানুষ এটাকে এমন একটা বাইনারি কোড বানিয়ে ফেলছে যে, হয় আপনি তাগুত ও লিবারেল অথবা আপনি মুওয়াহহিদ, অথচ এটা সিরিয়াস কোনো বিষয় না বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে। অন্তত বাইনারি কোড বা মানদণ্ড তো কখনোই না।
•
এক্টিভ মাইন্ড চিন্তা করে কিভাবে মানুষকে কনভিন্স করা যায়, অন্যদিকে রিয়েকশনিস্ট চিন্তা চেতনা সবসময়ই কাজ করে কিভাবে অন্যকে ঠেকানো যায়, বিরোধীতা করা যায়। আপনি যখন কোনো কাজের রিয়েকশন হিসেবে আসবেন, তখন আপনি জেনারেলি এটা মানুষের মধ্যে পুশ করতে পারবেন না, বরং এটা আরো ব্যাংক ফায়ার করবে আপনার দিকে, কারণ বিপরীত পক্ষ তখন ডিফেন্সিভ এক্টিভিটিতে চলে আসে।
•
পতাকা ইস্যুতে এটাই হয়েছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলামের ব্যাপারে ব্যাপক আবেগ রাখে, কিন্তু আপনারা এমন একটা সময় চুজ করছেন, যেটা একশনের রিয়েকশন হয়েছে, জেনারেল এক্টিভিটি হয় নাই, ফলে সাধারণ মানুষের পতাকা নিয়ে আগে ভালোবাসা থাকলেও তা আসলে দিনশেষে কোনো কাজে আসে নাই। বরং যেখানে পলিসি ছিলো শত্রু কমানো, সেখানে আরো বাড়ানো হয়েছে।
•
কারণটা আগে বুঝেন, আপনারা মানুষের সেন্টিমেন্টালিজমের রিয়েকশন হিসেবে আসছেন এই সময়ে।
•
ইসলামের দাওয়াতকে যদি আপনারা একশনের রিয়েকশন হিসেবে আনেন, তাহলে আপনাদের বিরোধীতা আরো তীব্র হবে, কারণ "রিয়েকশন" সবসময়ই একটা আক্রমণাত্মক মেন্টালিটিকে এট্র্যাক্ট করে বিপরীত পক্ষকে, ফলে রিয়েকশন দেখলে তারা ডিফেন্সিভ মুডে চলে আসে।
•
অথচ খেলা শেষ হলে মানুষের এই সেন্টিমেন্টালিজম আর বাকি থাকবে না, কিন্তু আপনাদের রিয়েকশন যে তাদেরকে যে ডিফেন্সিভ এক্টিভিটিতে নিয়ে গেছে, সেটা কিন্তু বজায় থাকবে, ফলে খেলা শেষ হলেও আপনাদের আর তাদের মধ্যে একটা দূরত্ব বাইনারি তৈরি হলো, যারা আপনার র মেটেরিয়াল হওয়ার কথা ছিলো তারা এখন আপনার বিরোধী।
•
ফাতাহ কমবেটের ছেলেরা হাসিনা যাওয়ার পর থেকেই এমন বেশভূষা আর অঙ্গভঙ্গি দেখিয়ে, নাশিদ লাগিয়ে যেভাবে কাজ করছে, তাতে তখন থেকেই তাদের উপর সবার সন্দেহ ছিলো যে এরা খুব শিগগিরই মারা খেতে যাচ্ছে।
কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপারে কমিউনিটিতে এমন কোনো সুস্থ লোক ছিলো না যে তাদেরকে সতর্ক করবে আবেগে থেকে বের হয়ে বিবেক দিয়ে কাজ করতে বলবে।
ফলাফল, পতাকার পর এরা হলো হাসিনা পরবর্তী যুগের সর্বপ্রথম টার্গেট যাদের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মুসলমানদের পুনরায় সন্দেহজনক নাগরিকদের কাতারে নিয়ে আনা হয়েছে।
•
আপনি স্বীকার করেন আর না করেন, এনসিপি জামাত এরা কট্টর সেক্যুলার হলেও দাঁড়ি টুপি ইস্যু করে সাধারণ দ্বীনদার মানুষকে গ*ঙ্গি বানানোর স্ট্রাকচারাল যেই ন্যারেটটিভের বিরুদ্ধে ছিলো, এটার বিরোধীতা করছে। কিন্তু ফাতাহ কমবেটের পর এই অবস্থান আর পোক্ত থাকলো না, বরং হাসিনার রেখে যাওয়া স্ট্রাকচার একটা বৈধতা পাইলো যে আসলেই দেখে গ*ঙ্গি আছে।
•
কিন্তু কাদের কারণে পাইছে? কিছু আবেগী পোলাপানের কারণে যারা ভাবছে তারা দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে ফেলবে! অথচ এদেরকে আরো কিছু আইডিয়ালিস্টিট নন ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীরা সাপোর্ট করছে! অথচ তারা যে বোকা ওটা কেউ বলতেছে না।
•
প্রথমে এই পোলাপান গুলা নিজেদের সেভাবেই প্রোট্রে করছে যেসব কারণে প্রশাসনের নজর কাড়ে, এখন ধরা খাওয়ার এরাই ভিক্টিম কার্ড খেলতেছে! বুঝতে পারতেছেন! অর্থাৎ এরাই একভাবে তাদের আবেগী এক্টিভিটির কারণে দাওয়াতের ময়দান সঙ্কুচিত করলো এবং একই যারা দ্বীন পালন করে, জেনারেল মা আলেম উলামা, তাদেরকে সন্দেহ করার বৈধতা তৈরি করে দিলো। অর্থাৎ শত্রুর এরাই আরো পথ পরিষ্কার করে দিলো।
•
যারা আমাকে চিনেন তারা জানেন, আমি এসব ব্যাপারে জেল খাটা মানুষ, আমি আমার কট্টর শত্রুর বিরুদ্ধেও এমন কিছু চাই না, কিন্তু কেউ যদি নিছক নির্বুদ্ধিতা ও আবেগের কারণে মার খায়, এরপর ভিক্টিম কার্ড খেলে, তাহলে তাদের প্রতি কেমন মনোভাব থাকবে? আর কিছু ডগমেটিক আইডিয়ালিস্ট এই পোলাপানদের সাপোর্ট দিচ্ছে!
•
আপনি ডগমেটিক, নন-ডেমোক্রেটিক আইডিয়ালিস্টদের কথাই বলেন কিংবা এই সমস্ত বোকা পোলাপান, এদের কারোরই দেখবেন দিনশেষে ইসলামী শরিয়ত ব্যাপারে বাস্তবিক অর্থে বেসিক ঠিক নাই। তার উপর আবার এতদিন যে দাওয়াতের একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছিলো, সেটাও নষ্ট হচ্ছে এদের কারণে।
•
কাউন্টার টেরোরিজম এখন একটা জাতীয় বৈধতা পেয়ে গেছে দাড়ি টুপি ওয়ালাদের সন্দেহ করার, একই সাথে জামাত-শিবির সুযোগ পাইছে আমরা যারা গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিরুদ্ধে এবং একসাথে ডগমেটিজমের বিরুদ্ধে, তাদেরকে গ*ঙ্গি তকমা দিয়ে চালান করে দেওয়ার। এই সুযোগটা কারা করে দিলো? এর জবাব আপনারাই দেন এবার.... | 403 |
| 15 | ফাতাহ কমবেট ওয়ালারা প্রকাশ্যে মারা খাইতে চাইলে তো এমন হবেই। মানে আপনি ভাবেন নূন্যতম যদি কারো ম্যাচিউরিটি থাকে দ্বীনের ব্যাপারে, সে কি এই ধরনের কার্যক্রম করে? আগ বাড়িয়ে মার খেয়ে "আজিমত" ওয়ালা প্রমাণিত হয় না। দ্বীনের কাজ করতে ঈমানের পর ইলম এবং পরে আমল লাগে, আইডিয়ালিজমের সমস্যা হলো এটা মানুষের স্বাভাবিক চিন্তাকে বাধাগ্রস্ত করে ফেলে আবেগকেই বাস্তব ভাবার মোহে আক্রান্ত করে রাখে। এভাবে দ্বীনের ছিটেফোঁটাও প্রতিষ্ঠা হবে না, বরং ইসলামপন্থীদের নিজেদের মধ্যেই সন্দেহ বিভ্রান্তি গোমারহী বৃদ্ধি করবে।
যারা অনলাইনে ছিলেন, তাদের সকলেরই মোটামুটি ধারনা ছিলো বোধহয় যে এরা একটা বিপদের মধ্যে আছে। অথচ কিছু ডগমেটিক বোকারা তাদেরকে প্রোমোট করছে। দ্বীনের কাজ করতে চাইলে এসব ডগমেটিক বোকাদের থেকে দূরে থাকেন, আলেমদের কাছে যান। | 430 |
| 16 | কিছু ছাগল রাষ্ট্র ও রাজনীতিকে ছেলে খেলা মনে করে। বড়জোর শাহরুখ খান, কাজলের রোমান্টিক সিনেমা। জ্বি না। ষোল কোটি মুসলমানের নিরাপত্তা কিছু মানুষের রোমান্টিক ডগমেটিক অ্যাডমেঞ্চারিজমের কাছে বর্গা দেওয়ার কোন সুযোগ নাই। | 328 |
| 17 | আমি মনে করি না ইরানে খামেনির জানাজায় যাওয়া এবং দেশে বা পশ্চিমে আমেরিকার মিত্রতা কোন স্ববিরোধীতা না। বরং এটা হলো রাজনৈতিক কৌশল। বাস্তবতা বিবর্জিত ডগমেটিক আইডিয়ালিস্টদের আমি যেকোনো আদর্শের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। | 350 |
| 18 | খামেনির উপর আল্লাহ, ফেরেশতা এবং মুমিনদের লানত। | 568 |
| 19 | আল্লাহ এই জাতীয় মিম্বার ও মিম্বারের খতিবকে হিফাজত করুন। এবং এই কথাগুলোকে দায়িত্বশীলদের মানার তাওফিক ও হিম্মত দান করুন। আমীন | 648 |
| 20 | আয়ুশ মালিকের ভিডিওটা দেখে অনেক খারাপ লাগতেছে। কিন্তু আমি বুঝতেছি না, সে মুসলমান হওয়ার পর কেন সে মিডিয়ার সামনে এসে এভাবে প্রকাশ্যে এটা জানাতে হবে? এটা তো পারিবারিকভাবে রাখলে এতো সমস্যা হতো না। বরং মিডিয়ার মধ্যে এভাবে তার উপস্থাপনার কারণে দাদাদের মিডিয়া এবং প্রশাসন চাপ প্রয়োগ করছে তার উপর, আমার ধারণা এটাই।
একই কথা আমাদের ইসলামপন্থী ভাইদের ব্যাপারেও, অতি উৎসাহ দেখাতে এমন কাজ করবেন না যেটা আরো ক্ষতি করে। বাহ্যিকভাবে মনে হতে পারে আয়ুশ মালিক মিডিয়ার সামনে নিজের ঈমান প্রকাশ করে অনেক উত্তম কাজ করছে, কিন্তু আসলে না সেটা বোকামি করছে। যেখানে আল্লাহু আকবার বলার জন্য মুসলমানদের হত্যা করা হয়, সেখানে এভাবে নিজেকে প্রোট্রে করাটা কোনভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না।
আপনারা ইসলামের শুরুর দিকের কথা ভাবেন। অনেক বড় বড় জালিলুল কদর সাহাবিরা নিজেদের ঈমান গোপন রাখছিলেন মক্কি জীবনে? কেন? কারণ সেখানে কুফাররদের প্রভাব বেশি। শুধুমাত্র উমর রাদিআল্লাহু আনহু মুসলমান হওয়ার পর মুসলিমরা সাহস পায়। সুতরাং আবেগী কাজকারবারের নামই ঈমান না, আপাকে পরিস্থিতি বুঝে কাজ করতে হবে। আর সবসময়ই চেষ্টা করবেন পপুলিস্ট মেন্টালিটি ফ্যান্টসিজম থেকে দূরে থাকতে।
আল্লাহ আয়ুশ মালিকের জন্য সবকিছু সহজ করে দিক, আমিন ছুম্মা আমিন। | 824 |
