আল-আকসা ♥️
Открыть в Telegram
♥️ ও. এম. প্রকাশনী (সাহিত্যের মাধ্যমে_তারুণ্যের সৃজনশীলতা বিকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ) 🍀 O.M. MEDIA YouTube channel 👇 https://youtube.com/channel/UCDH_pJHz6kOSzsNymvRGfJA
Больше936
Подписчики
-124 часа
-77 дней
-2630 день
Загрузка данных...
Похожие каналы
Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
июнь '26
июнь '26
+8
в 0 каналах
май '26
+11
в 0 каналах
Get PRO
апрель '26
+12
в 0 каналах
Get PRO
март '26
+6
в 0 каналах
Get PRO
февраль '26
+65
в 0 каналах
Get PRO
январь '26
+14
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+8
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '25
+11
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+11
в 0 каналах
Get PRO
август '25
+15
в 0 каналах
Get PRO
июль '25
+10
в 0 каналах
Get PRO
июнь '25
+36
в 2 каналах
Get PRO
май '25
+28
в 2 каналах
Get PRO
апрель '25
+46
в 0 каналах
Get PRO
март '25
+50
в 0 каналах
Get PRO
февраль '25
+15
в 0 каналах
Get PRO
январь '25
+50
в 2 каналах
Get PRO
декабрь '24
+96
в 2 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+78
в 2 каналах
Get PRO
октябрь '24
+144
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+37
в 2 каналах
Get PRO
август '24
+165
в 5 каналах
Get PRO
июль '24
+515
в 4 каналах
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 28 июня | 0 | |||
| 27 июня | 0 | |||
| 26 июня | 0 | |||
| 25 июня | 0 | |||
| 24 июня | +1 | |||
| 23 июня | 0 | |||
| 22 июня | 0 | |||
| 21 июня | 0 | |||
| 20 июня | +1 | |||
| 19 июня | 0 | |||
| 18 июня | 0 | |||
| 17 июня | 0 | |||
| 16 июня | 0 | |||
| 15 июня | 0 | |||
| 14 июня | 0 | |||
| 13 июня | 0 | |||
| 12 июня | +2 | |||
| 11 июня | +1 | |||
| 10 июня | 0 | |||
| 09 июня | +1 | |||
| 08 июня | +1 | |||
| 07 июня | 0 | |||
| 06 июня | 0 | |||
| 05 июня | 0 | |||
| 04 июня | 0 | |||
| 03 июня | +1 | |||
| 02 июня | 0 | |||
| 01 июня | 0 |
Посты канала
আমি কয়েক মুহূর্ত দরজার সামনে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম।
হাত খালি ছিল,
তবু মনে হচ্ছিল ভেতরে যেন খুব ভারী কিছু ভেঙে পড়েছে।
আন্টি ভেতর থেকে একটা ছোট খাম এনে আমার হাতে দিলেন।
বললেন—
“এটা তোমার জন্য রেখে গিয়েছেন।”
কাঁপা হাতে খামটা খুললাম।
ভেতরে ছিল সেই ৫০০ টাকার নোট।
আর একটা ছোট্ট চিরকুট।
তাতে লেখা ছিল—
“বাবা,
যদি তুমি এই চিঠিটা পড়ো, তবে আমি আর নেই।
সেদিন আমার সঙ্গে বসে খাওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
তুমি আমাকে শুধু খাবার দাওনি—
সম্মান দিয়েছিলে।
আর হ্যাঁ…
মাকে নিয়মিত ফোন করবে।
— আম্মা”
আজও সেই ৫০০ টাকা আমার ব্যাগের ভেতরের পকেটে রাখা আছে।
আমি কখনও খরচ করিনি।
কারণ সেদিন আমি প্রথমবার বুঝেছিলাম—
প্রতিটা দরজার ওপাশে শুধু একজন কাস্টমার থাকে না।
কখনও সেখানে একজন মা অপেক্ষা করেন।
কখনও অপেক্ষা করে থাকে নিঃসঙ্গতা।
কখনও সেটা হয় জীবনের শেষ কথোপকথন।
আমরা সবাই কোনো না কোনো ক্ষুধা নিয়ে বেঁচে আছি।
কারও দরকার খাবার,
কারও দরকার ওষুধ,
আর কারও দরকার শুধু দু’মিনিটের সঙ্গ।
মানুষ সবসময় টাকার ডেলিভারি চায় না—
কখনও কখনও তারা শুধু চায়
একটু উপস্থিতি,
একটু মানবিকতা,
একটু সময়।
গল্পটা এখানেই শেষ।
কিন্তু সত্যি বলতে—
গল্প শেষ হয়ে গেলেও বুকের ভেতরের ভার অনেকদিন থেকে গিয়েছিল।
একাকীত্ব আর বার্ধক্য—
এই দুটো একসাথে যখন জীবনে আসে, তখন তা সত্যিই ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
আর যদি তার সঙ্গে অভাব-অনটনও যোগ হয়,
তবে সেটাই হয়ে দাঁড়ায় জীবনের সবচেয়ে নির্মম ট্র্যাজেডি।
কালেক্টেড।
| 2 | আমি একজন ডেলিভারি বয়।
বেশিরভাগ সময়ই আমার ডিউটি থাকে সন্ধ্যার শিফটে।
সেদিন রাত প্রায় ৯টার সময় আমি শেষ অর্ডারটা হাতে পাই।
রেস্টুরেন্ট থেকে প্যাকেটটা নেওয়ার সময় খেয়াল করলাম—অর্ডারটা খুবই ছোট।
সাধারণ খিচুড়ি, একটু দই, আর দুটো কলা।
ঠিকানাটা ছিল শহরের পুরনো অংশে।
একটা জরাজীর্ণ পুরনো বাড়ি।
তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হলো।
আমি দরজার বেল টিপলাম।
একজন বৃদ্ধা দরজা খুললেন।
সাদা চুল, কাঁপা কাঁপা হাত, চোখে মোটা চশমা।
মুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল, কিন্তু কণ্ঠে ছিল অদ্ভুত এক মমতা।
তিনি মৃদু হেসে বললেন—
“বাবা, খাবারটা ভেতরে টেবিলের ওপর রেখে দাও তো…
হাত দুটো খুব কাঁপে।”
আমি খাবারটা টেবিলে রেখে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছিলাম,
ঠিক তখনই তিনি আবার বললেন—
“দু’মিনিট বসবে বাবা?
একা একা খেতে আর ভালো লাগে না…”
আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম।
আমার শিফট শেষ হয়ে গিয়েছিল।
শরীরও বেশ ক্লান্ত ছিল।
তবু কেন জানি না, আমি বসে পড়লাম।
ঘরটা একদম নিস্তব্ধ ছিল।
দেওয়ালে ঝোলানো পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ ভেসে আসছিল।
এক কোণে ছোট্ট করে ঈশ্বরের ছবি।
আর সামনের দেয়ালজুড়ে অসংখ্য পুরনো ফ্রেমবন্দী ছবি।
বৃদ্ধা ধীরে ধীরে খাবারের প্লেট খুললেন।
খুব আস্তে আস্তে খিচুড়ি খেতে শুরু করলেন।
প্রতি দু’কামড় পরপর আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসছিলেন।
হঠাৎ তিনি বললেন—
“জানো বাবা, আমি রোজ বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করি না।
আজ শুধু মনে হলো…
একটা মানুষের গলার শব্দ শুনতে ইচ্ছে করছে।”
আমি চুপ করে রইলাম।
তিনি দেয়ালের একটা ছবির দিকে আঙুল তুলে বললেন—
“এই যে, উনি আমার স্বামী।
রেলে চাকরি করতেন।
পাঁচ বছর আগে চলে গেছেন।”
তারপর আরেকটা ছবির দিকে তাকালেন।
“এটা আমার ছেলে।
কানাডায় থাকে।
খুব ভালো আছে…
প্রতি মাসে টাকা পাঠায়।”
এরপর কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।
মুখে হাসি ছিল, কিন্তু চোখ ভিজে উঠেছিল।
তিনি ধীরে বললেন—
“শুধু…
কথা পাঠানোর সময়টা আর হয় না।”
হঠাৎ যেন ঘরের ঘড়ির টিকটিক শব্দটা আরও জোরে শোনা যেতে লাগল।
তিনি আবার একটু খিচুড়ি খেলেন।
“এটা আমার মেয়ে।
বেঙ্গালুরুতে থাকে।
নিজের সংসারে খুব সুখে আছে।
থাকুক…
সন্তানরা যদি উড়তেই না শেখে, তাহলে এত কষ্ট করে মানুষ করলাম কেন?”
কথাগুলো বলতে বলতে তাঁর গলা কেঁপে উঠছিল।
তবু মুখে কোনো অভিযোগ ছিল না।
ছিল শুধু এক গভীর শূন্যতা।
হঠাৎ তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন—
“তোমার মা আছেন বাবা?”
আমি বললাম—
“হ্যাঁ, আছেন।”
তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন—
“প্রতিদিন ফোন করো?”
আমি চুপ করে গেলাম।
সত্যি বলতে, আমিও অনেকদিন বাড়িতে ফোন করতাম না।
কাজের চাপ, ক্লান্তি, ব্যস্ততা—
প্রতিবার ভাবতাম, ‘কাল ফোন করব।’
বৃদ্ধা আমার নীরবতা বুঝে ফেলেছিলেন।
খুব শান্ত গলায় বললেন—
“মা-বাবারা টাকা গোনেন না বাবা…
ওরা অপেক্ষা করে সন্তানের কণ্ঠস্বরের জন্য।”
কথাটা শুনে বুকের ভেতরটা কেমন ভেঙে গেল।
খাওয়া শেষ হলো।
তিনি একটু জল খেলেন।
তারপর পার্স থেকে ৫০০ টাকার একটা নোট বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন।
বললেন—
“এটা টিপস নয় বাবা।
এই আধঘণ্টা তুমি আমাকে একা খেতে দাওনি—
এটা তার দাম।”
আমি তাড়াতাড়ি বললাম—
“না না, আম্মা, এটা আমি নিতে পারব না।”
তিনি মৃদু হেসে বললেন—
“নাও বাবা।
আজ তুমি শুধু খাবার পৌঁছে দাওনি…
তুমি সঙ্গ পৌঁছে দিয়েছ।”
শেষ পর্যন্ত আমি টাকাটা নিলাম।
কিন্তু পকেটে রাখতে পারলাম না।
হাতেই ধরে রইলাম।
আমি বেরিয়ে আসছিলাম, তখন তিনি আবার ডাকলেন—
“আর শোনো—
আজ বাড়ি গিয়ে মাকে অবশ্যই ফোন করবে।”
সেদিন রাতে বিল্ডিংয়ের নিচে নেমে আমি বাইক স্টার্ট দিইনি।
প্রথমেই মাকে ফোন করেছিলাম।
ওপাশ থেকে মায়ের কণ্ঠ ভেসে এলো—
“হঠাৎ আজ ফোন করলি?
সব ঠিক আছে তো বাবা?”
শুধু সেই গলাটা শুনেই আমার গলা ধরে এলো।
আমি ধীরে বললাম—
“হ্যাঁ মা…
শুধু তোমার গলাটা শুনতে ইচ্ছে করছিল।”
ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।
তারপর মা বললেন—
“খেয়েছিস তো?”
রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েই আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম।
সেই রাতের পর থেকে আমি প্রতিদিন মাকে ফোন করতে শুরু করি।
আর শুধু মাকেই নয়—
প্রতিটা ডেলিভারিও আমার কাছে আর শুধুমাত্র একটা অর্ডার রইল না।
কোনো বাড়িতে ওষুধের দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে একাকীত্বের একটু উপশম দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে কারও ফেরার অপেক্ষা শেষ হওয়ার প্রয়োজন হয়।
আবার কোনো বাড়িতে শুধু দরকার হয়—
একটা মানুষের কণ্ঠস্বর।
এখন দরজা খুললেই আমি আর তাড়াহুড়ো করি না।
আমি মুখের দিকে তাকাই।
কথার ভেতরের ক্লান্তি শুনতে চেষ্টা করি।
মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করি—
“সব ঠিক আছে তো?”
বেশিরভাগ মানুষ শুধু বলে—“হ্যাঁ।”
কেউ একটু হাসে।
আবার কিছু মুখ বলে দেয়—
সারাদিন তারা কারও সঙ্গে কথা বলেনি।
দু’মাস পরে আবার সেই একই ঠিকানা থেকে একটা অর্ডার এলো।
আমি তাড়াতাড়ি সেখানে গেলাম।
কিন্তু দরজা খুললেন অন্য একজন।
পাশের ফ্ল্যাটের এক আন্টি।
তিনি ধীরে বললেন—
“আম্মা গত সপ্তাহে মারা গেছেন।” | 14 |
| 3 | লক্ষ্মীপুর ভাবানিগঞ্জে গতকালের চার খু_নের মতন খুব শীঘ্রই আরো এমন একটা ঘটনা দেখার অপেক্ষায় থাকেন লক্ষ্মী_পুরে মুসলমানরা।
ভাগ_ওয়া সন্ত্রা_সী রাজেশ কর্ম_কার মুসলিম মেয়ে মাহ_মুদা আক্তার রি_ফার পরিবারকে হুমকি দিয়ে_ছিলো তোদের মেয়েকে বিয়ে দিলে আমি তু_লে নিয়ে আসবো, রাজেশ কর্মকার সেটা করেছে, কিছুদিন আগে আবার ও হুম_কি দিয়েছে তোমাদের মেয়েকে অন্য কোথায় ও বিয়ে দেওয়ার চে_ষ্টা করলে তোমাদের পরিবারের সবাই কে হ_ত্যা করবো।
মুসলিম মেয়ে মাহ_মুদা আক্তার রিফার বাবা প্রবাসি তাদের পরিবারে ছেলে স_ন্তান নেই, ফলে রাজেশ যা ইচ্ছা পরিবারটির সাথে করে যাচ্ছে।
আমরা প্রসাশনকে জানিয়ে রাখতে চাই, ১৯৪৬ এর মতো যেন আবার উত্ত_প্ত না হয়ে উঠে সেই অঞ্চল আপনারা সেদিকে খেয়াল রাখবেন, লক্ষ্মীপুর ভাবানিগঞ্জে এই রাজেশের বাপের স্বর্ণের দোকান আছে, ফলে অ_র্থের প্রভাবে সে এলাকায় যা ইচ্ছা করে যাচ্ছে, পরিবারটি মা_মলা করতেও সাহস পাচ্ছে না।
—সংগৃহীত | 36 |
| 4 | Нет текста... | 37 |
| 5 | ২০ মিনিটের জন্য ফজরে আসি না। অথচ ৯০ মিনিটের জন্য খুব আনন্দের সাথে টিভি স্ক্রীনের সামনে চলে আসি!
আহ্ আমাদের ঈমান!
ওগো রব, আমাদের ক্ষমা করো। | 49 |
| 6 | Нет текста... | 51 |
| 7 | দারাজ, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম। এই দারাজ থেকে আমরা খাগড়াছড়িবাসী কোনো অর্ডার প্লেস করতে পারছি না। কেন জানেন?
কারণ, পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর অতিরিক্ত চাঁদার দাবীর সাথে আর কূলিয়ে উঠতে পারছে না দারাজ। বেশ ক'বছর আগে দারাজের বিশাল হাব ছিল আমাদের শহরে। কিন্তু এই বিচ্ছিন্নতাবাদী চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের কারণে সেই হাব বন্ধ করতে হয়েছিল দারাজকে। এরপর থেকে আমাদের এদিকে অন্যান্য কুরিয়ারের মাধ্যমে কিংবা পোস্ট অফিসে দারাজের প্রোডাক্ট ডেলিভারি নেওয়া যেত। এখন নাকি সেগুলোর জন্যও চাঁদা দিতে হবে তাদেরকে! আর তাই খাগড়াছড়ির এড্রেস দিয়ে করা কোনো অর্ডার দারাজ আর নিচ্ছি না।
ব্যাপারটা শুধু দারাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ক'দিন আগেই নাকি পাঠাও কুরিয়ারের গাড়ি আটকে ৩৫ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছে তথাকথিত "ভেতরের পার্টি" নামে পরিচিত সন্ত্রাসীরা। এবং এই চাঁদা খাগড়াছড়িতে ব্যবসা করা প্রতিটা মানুষকে দিতে হয়। মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট বলুন, আর জরুরী ঔষধ সেবা বলুন; প্রতিটা প্রোডাক্ট আমাদের শহরে ঢুকতে হলে তাদেরকে চাঁদা দিয়ে ঢুকতে হয়।
আগে বিষয়টা কিছুটা সহনশীল ছিল। কিন্তু ৫ই আগষ্টের পর থেকে এই চাঁদাবাজির হার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রীতিমতো বাজারে খোলাখুলি এসে চাঁদা দাবী করে যায়, পুলিশ/ আর্মীর সামনেই চাঁদা আদায় করে। শুধু যে ব্যবসায়ীরাই এর ভুক্তভোগী তা কিন্তু নয়, সরকারি বেসরকারি অফিসগুলোতেও এদের চাঁদার চিঠি যায়। এবং ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে সবাই মিলে সেই চাঁদা পরিশোধ করা হয়। কেউ কিচ্ছু করা তো দূরে থাক, এসব নিয়ে টু শব্দটি পর্যন্ত করার সাহস পায় না।
আপনারা যারা সমতলে থাকেন, তারা হয়তো অবাক হয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন, "আমাদের সেনাবাহিনী কী করে?"
ওয়েল, শহরের ৯৯% মানুষ মনে করে এসব চাঁদাবাজির ভাগ সেনাবাহিনীর কাছেও পৌছায়। আর সে জন্যেই তাদের নাকের ডগায় বসে অনায়াসে চলতে থাকে এদের দৌরাত্ম্য। বিএনপির অন্যতম বড় নেতা, আমাদের বর্তমান সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়ার কথা বলবেন? এদের কাছে বিএনপিও লিটারেলি পাওয়ারলেস। পুলিশের কথা আর না-ই বা বলি!
শহরে প্রতিনিয়ত সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে অবৈধ অস্ত্র। শোনা কথা অনুযায়ী অস্ত্রের যে পরিমাণ মজুদ জমেছে এদের হাতে, তাতে নাকি খোদ সেনাবাহিনী চাইলেও এদের সাথে টেক্কা দিতে পারবে না। একটু চোখ কান খোলা রাখলে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অস্ত্র হাতে এদেরকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
দেশের সাড়াজাগানো জঙ্গল সলিমপুরের চেয়ে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই আমাদের খাগড়াছড়ি। দিন দিন আমরা আরও আইসোলেটেড হয়ে যাচ্ছি। একই দেশের সীমানার মাঝে থেকেও এখানে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে হচ্ছে আমাদের। অথচ সবাই এমন ভাব নিয়ে চলছে যেন এখানে কিছুই হচ্ছে না।
উলটো সমতলে থাকা কিছু গান্ডু মনে করে এখানে বুঝি পাহাড়িদের ওপর প্রবল অত্যাচার করা হয়। কথাটা অবশ্য পুরোপুরি মিথ্যেও নয়। এক সময়ে বাঙালিরা ভালোই সমস্যা করেছিল। তবে বর্তমানে পাহাড়ি বাঙালি নির্বিশেষে সকলেই এই চাঁদাবাজির শিকার হয়ে মহা বিরক্ত। আমি বেশ কিছু শিক্ষিত পাহাড়িদের সাথে কথা বলেছি, তারা সকলেই স্বীকার করেছেন এই সংগঠনগুলোর উত্থান পাহাড়ি সমাজের উন্নয়নের জন্য হলেও, আদতে এখন তারা স্রেফ নিজেদের আখের গুছানো নিয়ে ব্যস্ত। আর পাহাড়ি বাঙালি সকলেই এই বিষয়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ মনে করে।
দেশের নীতিবির্ধারকদের উচিত অতি সত্ত্বর খাগড়াছড়ি নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া। খুঁজে বের করা উচিত কেন আওয়ামী লীগের পতনের পর তারা হঠাৎ এত এগ্রেসিভ হয়ে গেল? যেসব তথ্য আমি এখানে দিয়েছি তার সবগুলোই এই শহরে বাস করা মানুষজনের কাছে "ওপেন সিক্রেট" টাইপ। আর তাই জানা দরকার একটা শহরের গোটা প্রশাসন এসব ঠেকানোর জন্য একচুয়েলি কী উদ্যোগ নিয়েছে বা নিচ্ছে?
পুনশ্চ: এই পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণের মাঝেই আমার কাছের বন্ধুরা, কর্মক্ষেত্রের সহকর্মীরা, এমনকি অফিসের বসও এসে পোস্ট ডিলিট করার জন্য বলবেন। জানি না কতক্ষণ রাখতে পারব পোস্ট বা আদৌ রাখা উচিত হবে কি না। আমি খাগড়াছড়ি বসে তারেক রহমান কিংবা শেখ হাসিনাকে অবাধে যা খুশি তাই বলতে পারি। কিন্তু এই "ভেতরের পার্টি" নিয়ে কিছু বলার সাহস হয়ে উঠেনি এতদিন পর্যন্ত। এবার অনেকটা বাধ্য হয়েই বললাম। যেখানে শহরের সুশীল সমাজ, সাংবাদিক সমাজ, জ্ঞানী ও বিজ্ঞরা এসব নিয়ে আলাপ তোলা বন্ধ করে দিয়েছেন সেখানে আমার মতো চুনোপুঁটির এসব নিয়ে কথা বলা যে ভয়ংকর রকমের একটা অপরাধ তা জেনেবুঝেও লিখলাম। আমার স্বপ্নের শহরটা চোখের সামনে বদলে যাচ্ছে, পরিণত হচ্ছে সন্ত্রাসীদের স্বপ্নের আখড়াতে; এটা চেয়ে চেয়ে দেখা আর সম্ভব হচ্ছে না।
~Zakaria Minhaz | 56 |
| 8 | জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হলেন ব্যারিস্টার আরমান
আমার দেশ অনলাইন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান)।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাতে ব্যারিস্টার আরমানের মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই নিয়োগের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পোস্টে জানানো হয়েছে, নবনিযুক্ত উপদেষ্টা এখন থেকে দলের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রসংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এবার দলীয় আমিরের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন এই দায়িত্ব পাওয়া ব্যারিস্টার আরমান সামাজিক মাধ্যমে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিনন্দন ও শুভকামনার মধ্য দিয়ে প্রশংসিত হচ্ছেন। | 40 |
| 9 | বাংলাদেশে ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও বর্তমানে ইসরায়েলের হয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের মতামতকে প্রভাবিত করার দায়িত্বে থাকা সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর মন্তব্য অনেকে ধরতে পারেননি। আমি ভেঙে বলছি।
ইসরায়েল কিন্তু শুধুমাত্র HAMA$ কে HAMA$ বলে না। ইসরায়েলের চোখে ইসলামপন্থী মতাদর্শ লালনকারী মাত্রই HAMA$। আপনারা যা নিয়মিত দেখে থাকেন। বাংলাদেশে HAMA$ বলতে সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরী সুনির্দিষ্ট করে বলেছে যে, আমাদের দেশে সাম্প্রতিককালে চলমান "কালিমার পতাকা উত্তোলন" শীর্ষক যে আন্দোলন, তা মূলত HAMA$ এর সাথে সংশ্লিষ্ট। Twitter এ সে সরাসরি পতাকা উত্তোলনের ফুটেজ জুড়ে দিয়ে কথাগুলি বলেছে।
মূলত, বাংলাদেশের জনসাধারণের জুলাই গণ-অভ্যূত্থান ও এরপর আমাদের পুরো দেশে ইসলামি মানসিকতার ব্যক্তিত্বদের ব্যাপক জাগরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ইসরায়েলের জন্য চরম হুমকির কারণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে পৃথিবীর সর্বোচ্চ সংখ্যক একক জাতিসত্তার মুসলিম বসবাস করেন। এখানে ইসলামপন্থা সরাসরি নিজের নিশান ও শ্লোগান সহ বিস্তীর্ণ হতে শুরু করলে এটি ইসরায়েলের জন্য প্রচণ্ড ভয়ংকর হুমকি। সুতরাং, Israeli Intelligence Community বর্তমানে অংকুরেই দেশের পতাকা উত্তোলনকারী গোষ্ঠী, যারা কিনা সবচেয়ে আন্তরিক ও দেশের সবচেয়ে দেশপ্রেমিক জনতা, তাঁদের জনপ্রিয়তা নষ্ট করে দিয়ে আমাদের দেশকে পুনরায় শতবর্ষের অতল গহ্বরে ঠেলে দিতে চায়।
এজন্য, আপনারা সতর্ক হোন। মানুষকে ব্যাপকভাবে সচেতন করুন। এসমস্ত পতাকা হুমকি নয়। পতাকাধারীরাও হুমকি নয়। এরা এই মাটির সন্তান। তবে, সতর্ক না হলে সত্যিকার হুমকি এসে দেশের প্রচণ্ড ক্ষয়-ক্ষতি করে এখানে তারপর তাঁদের হুমকি বানিয়ে রেখে যাবে। এটা যেন ঘটতে না পারে।
ধন্যবাদ।
- Revan M
@newsboxbangla02 | 40 |
| 10 | আজ বৃহস্পতিবার
২৫ জুন, ২০২৬
১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বাংলা
৯ মহররম ১৪৪৮
------------------------
ফজর- ৩:৪৫ মিনিট
জোহর- ১২:০৪ মিনিট
আসর- ৪:৪০ মিনিট
মাগরিব- ৬:৫৩ মিনিট
ইশা- ৮:১৯ মিনিট
-------------------------
সূর্যোদয়- ৫:১১ মিনিট
সূর্যাস্ত- ৬:৫০ মিনিট | 36 |
| 11 | یا اللہ دل میں بہت سے ادھوری خواہشات ہیں،
جو صرف آپ ہی پوری کرسکتے ہے ۔
اور میں امید نہیں چھوڑوں گی،
کیونکہ کمزور میرا وقت ہے میرا اللہ نہیں۔
হে আল্লাহ, হৃদয়ে অনেক অপূর্ণ ইচ্ছা আছে,
যা শুধুমাত্র আপনি সম্পন্ন করতে পারেন।
এবং আমি আশা ছেড়ে দেব না,
কারণ, (আমি বিশ্বাস করি) দুর্বল হয়তো আমার সময়, আমার আল্লাহ না। | 37 |
| 12 | Нет текста... | 50 |
| 13 | সিলেটের শাহজালাল মাজারের দান বাক্সের হিসাবের স্বচ্ছতার পরিকল্পনা ও মাজারে চলা মদ ও জুয়ার আসর বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়ার সাথে সাথেই ডিসি সাহেবের বদলির নির্দেশ:
ডিসি সারোয়ার আলম কি মদখোর গাজাখোরদের কাছে হেরে গেলেন, নাকি পর্দার আড়ালের কারো কাছে হেরে গেলেন?
এই দেশে ভালো মানুষের ভাত নেই | 47 |
| 14 | ইসরাইলের মিডিয়াগুলো পর্যবেক্ষণ করছিলাম গত কয়েক দিন ধরে। এদের টেলিভিশনের টকশোগুলো বেশ জমে উঠেছে! নিজেরা নিজেরা ঝগড়াঝাঁটি করছে- কত বড় পরাজয় হয়েছে। কোথায় কত বড় ক্ষতি হলো ইত্যাদি নিয়ে রীতিমত ঝড় উঠেছে ইসরাইলের মিডিয়াগুলোতে।
এদিকে ইজরাইলের হিব্রু ইউনিভার্সিটি একটা জরিপ করেছে। ওই জরিপে ইসরাইলের নাগরিকদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল
- Who do you think won this war? ( এই যুদ্ধে কারা জয়ী হয়েছে বলে তোমরা মনে করো?)
রেজাল্ট কি আসছে জানেন?
- 92 percent of the respondents said Iran came out ahead. (জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৯২ শতাংশের মতে, ইরানই এই সংঘাতে বিজয়ী হয়ে বেরিয়ে এসেছে।)
আরও ইন্টারেস্টিং হচ্ছে- এই জরিপে ৮২.৯ ভাগ ইসরাইলি মনে করছে- ইরানে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে ইসরাইলের নিরাপত্তা লম্বা সময়ের জন্য হুমকির মুখে পড়েছে।
মানেটা খুব সহজ। নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটিয়ে দিয়েছে ইরান। কিন্তু তাই বলে ভাববেন না- ইসরাইলের লোকজন একজন ভালো প্রধানমন্ত্রীকে ভোট নিয়ে নির্বাচিত করবে। ভুল। ভয়ানক ভুল। এই মুহূর্তে ইসরাইলে বিরোধী দলীয় নেতাদের মাঝে সব চাইতে আলোচিত নাম হচ্ছে নাফতালি বেনেট।
তো, নাফতালি দিন কয়েক আগে নামকরা ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানের শোতে গিয়েছে। মরগান তাঁকে জিজ্ঞেস করেছে
- What will you do if you are elected? ( নির্বাচিত হলে তুমি কী করবা?)
সে কি উত্তর দিয়েছে জানেন? সে বলেছে
- I will be Iran's worst nightmare ( আমি ইরানের জন্য সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠব।)
সে আরও বলেছে- ইরান নাকি পুরো পৃথিবীর জন্যই হুমকি। তাহলে বুঝতে পারছেন তো ব্যাপারটা? নেতানিয়াহুকে বিদায় দিয়ে ইসরাইলিরা আরও খারাপ নেতাকে নির্বাচিত করতে যাচ্ছে। আর এটাই ইজরাইল।
তাহলে ইরানের এখন কী করা উচিত? আপাতত আজকে সুইজারল্যান্ডে অ্যামেরিকা এবং ইরানের মাঝে প্রথম রাউন্ড আলোচনা হয়েছে। অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ড্যানিয়েল ডেভিস জানিয়েছেন
- আজকের আলোচনায় মূলত লেবানন প্রাধান্য পেয়েছে।
অর্থাৎ ইরানিরা প্রথম দিনই বলে দিয়েছে
- লেবানন থেকে ইসরাইলকে সরে যেতে হবে।
আমি ব্যাপারটা অন্য ভাবে দেখছি- অ্যামেরিকাকে আসলে ইরানের সাথে চুক্তি করতে হলে হেজবুল্লাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে! ব্রিটিশ স্কাই টেলিভিশনের সামরিক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্ক আজ বলেছেন
- The United States will now have to ensure Hezbollah’s security. ( অ্যামেরিকাকে এখন হেজবুল্লাহর নিরাপত্তা দিতে হবে!)
আমি ওর আলোচনা শুনে হাসছিলাম। কী দিন আসলো- এখন ইসরাইলের হাত থেকে হেজবুল্লাহকে নিরাপত্তা দিতে হবে অ্যামেরিকাকে! অথচ অ্যামেরিকা হেজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনে করে। এখন শুনতে হচ্ছে- অ্যামেরিকা নাকি ওদের নিরাপত্তা দিবে!
সব চাইতে মজার কথা আজ বলেছেন অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ম্যাক-গ্রেগর। তিনি বলেছেন
- A divorce is happening between America and Israel ( অ্যামেরিকা এব ইসরাইলের মাঝে ডিভোর্স হচ্ছে)
কিন্তু ট্রাম্প তো আজকেও বলেছে
- Iran must stop ‘proxies’ in Lebanon (ইরানকে লেবাননে তাদের প্রক্সি বাহিনীগুলো বন্ধ করতে হবে।)
আমি কর্নেল ম্যাক-গ্রেগরের সাথে একমত নই। আমার ধারণা ইসরাইল এবং অ্যামেরিকার সাথে এই মুহূর্তে ঝগড়াঝাঁটি চলছে। এখনও পুরো ডিভোর্স হয় নাই। আরেকটু কাব্যিক ভাষায় বললে- যে কোন সম্পর্কে যখন তৃতীয় পক্ষ এসে হাজির হয়। তখনই সাধারণত সম্পর্কগুলো নড়বড়ে হয়ে যায়।
ইরানকে এই তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা নিতে হবে। আর এ জন্য ইরানকে সামরিক দিক থেকে আরও অনেক শক্তিশালী হতে হবে। সমস্যা হচ্ছে- সৌদি আরব এবং অন্যান্য আরব দেশগুলো। অ্যামেরিকার দাস এই সৌদি শেখরা এখনও বলছে
- ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানালে আমাদেরও লাগবে।
সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরব শেখগুলোর জন্য পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল যা ইচ্ছা করতে পারছে। তবুও এরা থামছে না। কর্নেল ম্যাক-গ্রেগর আজও বলেছেন
- আমি অবাক হবো না, এই যুদ্ধের পর আরব দেশগুলো মাঝে বেশ কয়েকটা যদি সম্পূর্ণ ভেঙেও যায়।
তিনি এটাও বলেছেন
- কয়েকটা আরব দেশের অস্তিত্বও হয়ত আর থাকবে না।
আজকেই ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যালিস্টার বলেছেন
- বাহরাইনে অ্যামেরিকান ঘাঁটির যে সদর দপ্তর আছে; সেটি আর নতুন করে ঠিক না করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে অ্যামেরিকা।
আপনাদের জানিয়ে রাখি- ইরান এই ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। অ্যামেরিকা হয়ত এই অঞ্চল থেকে দ্রুতই সরে যাবে। এরপর সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরব শেখদের পরিণতি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
কপি | 55 |
| 15 | 'তোমাদের অবশ্যই পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। আর আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদের।’
(সুরা বাকারা, আয়াত : ১৫৫) | 62 |
| 16 | গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি তৈরি আর অ্যাডভোকেট চৈতালী নামের মহিলার রংপুরকে আলাদা প্রদেশ বানানোর আলাপ নিয়ে কেন প্রত্যেক বাংলাদেশির গভীরভাবে কনসার্ন্ড হওয়া উচিত?
.
এ প্রশ্নের জবাব কিছুটা হলেও পাওয়া যাবে ভারতের প্রভাবশালী সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট ভরত কর্ণাডের ২০২৫ সালের শেষের দিকে লেখা একটি বিস্ফোরক আর্টিকেল থেকে।
.
তার আগে কর্ণাড সাহেবের সংক্ষিপ্ত পরিচয়টা জানিয়ে রাখি—ভদ্রলোক দিল্লির ‘সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ’-এর প্রাক্তন অধ্যাপক এবং ভারতের ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ড’-এর সদস্য ছিলেন। ভারতের পরমাণু নীতি বা ‘নিউক্লিয়ার ডকট্রিন’ ড্রাফট করার পেছনে কর্ণাড ভূমিকা রেখেছিলেন। বুঝতেই পারছেন, এলেবেলে কেউ নন।
.
তার এই চিন্তা থেকে দিল্লির জাতীয় ও আঞ্চলিক নীতিনির্ধারকেরা ঠিক কী ভাবছেন বা ভবিষ্যতে কী ভাবতে পারেন, তার একটা আভাস পাওয়া যায়।
.
এবার দেখা যাক, কর্ণাড সাহেব "শিলিগুড়ি করিডোর প্রশস্ত করো, রংপুর বিভাগ গ্রাস করো" - শিরোনামের লেখায় ঠিক কী বলতে চেয়েছেন:
.
.
চিকেনস নেক ও ভারতের শঙ্কা:
কর্ণাড সাহেবের প্রথম কথা হলো, ভারতের বড় দুর্বলতা ১৭ থেকে ২২ কিলোমিটার চওড়া শিলিগুড়ি করিডোর, যেটাকে সবাই ‘চিকেনস নেক’ বলে। তাঁর আশঙ্কা—বাংলাদেশ যদি ক্রমশ ভারত-বিরোধী হয়ে ওঠে এবং চীনের সাথে সামরিক সম্পর্ক তৈরি করর, তবে যেকোনো সংকটে চীন আর বাংলাদেশ মিলে ভারতের ওই গলা টিপে ধরবে। ভারতের ৩৩তম আর্মি কোর আটকা পড়বে, আর মূল ভূখণ্ড থেকে ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
.
.
রংপুর বিভাগ গ্রাস করার প্রস্তাব:
এই ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য কর্ণাড বলছেন, ভারতের উচিত বাংলাদেশের উত্তরভাগের পুরো রংপুর বিভাগটা (প্রায় ১৬ হাজার বর্গকিলোমিটার) নিজেদের দখলে নিয়ে নেওয়া এবং সেটাকে আসামের সাথে জুড়ে দেওয়া। এতে ভারতের চিকেনস নেক চওড়া হবে, সীমান্ত সোজা হবে, আর ডোকলামে চীনের ডানা ছেঁটে দেওয়া যাবে।
.
.
বাংলাদেশের দুই ‘চিকেনস নেক’ ও হিমন্ত বিশ্বশর্মার প্রস্তাব:
কর্ণাড সাহেব আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার প্রশংসা করা বলেছন, শর্মা ২০২৫-এর মে মাসে বলেছিলেন বাংলাদেশেরও দুটো চিকেনস নেক আছে, যা ভারত চাইলে চেপে ধরতে পারে:
.
প্রথমটা হল, উত্তর বাংলাদেশ করিডোর (৮০ কিমি)। দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম গারো পাহাড় পর্যন্ত ছড়ানো। এটা কেটে দিলে রংপুর বাকি বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন।
.
দ্বিতীয়টা চট্টগ্রাম করিডোর (২৮ কিমি)। দক্ষিণ ত্রিপুরা থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সরু পথ, যা ঢাকার সাথে অর্থনৈতিক রাজধানী চট্টগ্রামের সংযোগ ঘটিয়েছে। কর্ণাডের যুক্তি—এই করিডোর কেড়ে নেওয়ার ভয় দেখিয়ে ঢাকাকে চুপ করিয়ে রাখা যাবে।
.
.
ক্রয়চুক্তি বনাম সামরিক আগ্রাসন:
রংপুর ভারত কীভাবে পাবে? কর্ণাড দুটো পথ দেখিয়েছেন। প্রথম পথটা আমেরিকার ‘লুইসিয়ানা পারচেস’-এর মতো। বাংলাদেশ এখন ১০৪ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণের নিচে ডুবছে। ভারতকে প্রস্তাব দেবে—তোমাদের ১০ বা ২০ বিলিয়ন ডলার ক্যাশ দিচ্ছি, রংপুর আমাদের ছেড়ে দাও এবং চীনের সাথে কোনো সামরিক জোট না রাখার চুক্তিতে সই করো।
.
আর বাংলাদেশ যদি ভালো কথায় রাজি না হয়, তবে সোজা সামরিক অভিযান চালিয়ে জোর করে রংপুর দখল করে নেওয়া।
.
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়?:
এমন আগ্রাসনে অ্যামেরিকা বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মেনে নেবে? কর্ণাড বলছেন, ভারতের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমেরিকা এখন এক ক্ষীয়মাণ শক্তি, চীনকে ঠেকাতে তাদের ভারতকে লাগবেই। তা ছাড়া অ্যাপল, গুগল বা মাইক্রোসফটের মতো মার্কিন টেক জায়ান্টরা ভারতের বিশাল বাজার আর সস্তা আইটি মেধার লোভ সামলাতে পারবে না।
.
.
পপুলেশন সোয়াপ:
রংপুর তো দখল হলো, কিন্তু সেখানকার ১৮ মিলিয়ন (১ কোটি ৮০ লাখ) মুসলিম জনগোষ্ঠীর কী হবে? কর্ণাড এখানে ১৯৪৭-এর দেশভাগের সময় ড. বি আর আম্বেদকরের দেওয়া এক তত্ত্বের আশ্রয় নিয়েছেন। রংপুরের ১ কোটি ৮০ লাখ মুসলমানকে ঠেলে বাকি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হোক, আর এর বদলে বাংলাদেশে "নির্যাতিত" অবস্থায় থাকা ১ কোটি ৩০ লাখ হিন্দুকে ভারতে টেনে নেওয়া হোক। তাঁর মতে, এতে বাংলাদেশের ইসলামপন্থীদের ‘ধর্মীয়ভাবে খাঁটি’ দেশের শখও মিটবে, আবার ভারতের পূর্ব সীমান্ত চিরতরে নিষ্কণ্টক হবে।
.
.
সুতরাং, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি স্থাপন কিংবা ‘রংপুর প্রদেশ’ বানানোর আলোচনাগুলোকে আমাদের নিজ গরজেই গুরুত্ব দেয়া উচিত। ভরত কর্ণাডের মতো দিল্লির চাণক্যদের এই ব্লুপ্রিন্ট প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের ভূখণ্ড নিয়ে ওপারে কতটা বিপজ্জনক খেলা চলছে। | 80 |
| 17 | Нет текста... | 49 |
| 18 | ছবিতে নিথর হয়ে থাকা কন্যা শিশুটির নাম রিক্তা। মাত্র ৯/১০ বছর বয়স। মেয়েটির গ্রামের বাড়ি সিলেটে। গরিব ঘরে তারা ৪ বোন।
কিছুদিন আগে ঢাকায় তাকে ৪ হাজার টাকা বেতনে কাজের জন্য দেওয়া হয়। সরকারের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বাসায়।
কোরবানির ঈদের মাত্র ১৫ দিন আগে কাজে এসেছিল মেয়েটি। দিন কয়েক আগে মেয়েটি মায়ের কাছে ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করে। জানায়, সে আর ওই বাসায় কাজ করবে না।
মেয়ের মা মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চাইলে সেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্ত্রী জানিয়ে দেন যে ব্যক্তির মাধ্যমে মেয়েটিকে কাজে রেখেছেন তাকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি।
ওই ১০ হাজার টাকা দিয়ে পরে মেয়ে নিতে হবে। কিন্তু চার কন্যার জননী যে মা শিশু কন্যাকে মাত্র চার হাজার টাকা বেতনে ঢাকায় পাঠিয়েছেন সে ১০ হাজার টাকা কই পাবে?
আজ সে মেয়েটি ভোর ৬ টার দিকে ধানমন্ডির ১৫ নম্বর সড়কের ৯এ-এর ৩৭ নম্বর বাড়ির দশ তলা থেকে পরে মরে গেছে।
সিকিউরিটি গার্ড যখন শব্দ শুনে মেয়েটিকে গিয়ে দেখতে পায়, তখন তার হাত ছিড়ে গেছে এবং সেখান থেকে রক্ত ঝরছে। দ্রুত রিকশায় করে নিয়ে প্রথমে ধানমন্ডির ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যায় তারা।
সেখান থেকে শংকরে ইবনে সিনা হাসপাতালে। সেখানকার গেটে নেওয়ার পর বাচ্চাটি শেষবারের মতো নিঃশ্বাস নেয়।
মাত্র দশ হাজার টাকার জন্য একটা মেয়ে মরে গেল? মেয়েটি কি পরে গেছে? নাকি ফেলে দেওয়া হয়েছে? এটা কি আত্মহত্যা নাকি খুন?
আত্মহত্যা হলেও তা খুনই, পরে গেলেও তা খুনই। মাত্র ১০ হাজার টাকার জন্য সরকারের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মেয়েটিকে তার মায়ের কাছে যেতে দেয় নি। লাশ করে ফেরত দিয়েছে।
মেয়ের মা বলেছেন মেয়েটিকে মেরে ফেলা হয়েছে। ১০ হাজার টাকায় তারা মেয়েটির জীবন কিনে নিলো?
ধানমন্ডির দশতলা বাসার গ্যারেজে একটি গাড়িও ছিল না? সেই প্রকৌশলীরও না? হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গাড়ি জুটলো না!
ছবিতে মেয়ে আর মেয়ের মা!
এই রাষ্ট্র গরিবের জন্য না! রিক্তার জন্য বিচার এনে কে দেবে?
লেখা- Arjo Ahmmed | 59 |
| 19 | Нет текста... | 50 |
| 20 | Нет текста... | 77 |
Уже доступно! Исследование Telegram 2025 — ключевые инсайты года 
