ru
Feedback
আল-আকসা ♥️

আল-আকসা ♥️

Открыть в Telegram

♥️ ও. এম. প্রকাশনী (সাহিত্যের মাধ্যমে_তারুণ্যের সৃজনশীলতা বিকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ) 🍀 O.M. MEDIA YouTube channel 👇 https://youtube.com/channel/UCDH_pJHz6kOSzsNymvRGfJA

Больше
951
Подписчики
Нет данных24 часа
-97 дней
-2030 день
Архив постов
রাজধানীর মিরপুরে শেওড়াপাড়ায় মাথায় ইট মেরে মোটরসাইকেল ছিনতাই। সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন মানুষ এই শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাবে। করোনার সময়কার চেয়ে বেশি মানুষ গ্রামে চলে যাবে। এই শহর আর বাসযোগ্য নাই। মানুষের জানমালের দায়িত্ব যাদের ছিল তারা ব্যাংক খেতে ব্যস্ত আছে।

photo content

photo content

photo content

ফেসবুকে নিশ্চয়ই ভিডিও দেখেছেন—চিকিৎসার আগে ১ মিনিট, এখন ১ ঘণ্টা! তারপর লাইভে রোগীর আবেগঘন সাক্ষাৎকার, ওষুধ খেয়ে পেয়েছেন অলৌকিক ফলাফল! 😆 কিন্তু বিজ্ঞান ও গবেষণা কী বলে? আন্তর্জাতিক বড় বড় ৩টি স্টাডিতে দেখা গেছে— ১. গড় Intravaginal Ejaculatory Latency Time (IELT): প্রায় ৫–৬ মিনিট। ২. অধিকাংশ সুস্থ পুরুষের সময়: ৩ মিনিট বা তার কিছু বেশি। ৩. চিকিৎসাবিজ্ঞানের আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুযায়ী, যাদের শুরু থেকেই সমস্যা তাদের সময়কাল ১ মিনিটের কম এবং পরবর্তীতে সমস্যা তৈরি হলে তা ৩ মিনিটের কম হলেই কেবল Premature Ejaculation (PE) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ফেসবুকে যেগুলো শোনেন, তার সবই ভাওতাবাজি। কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ আছে (যেমন SSRI গ্রুপের ওষুধ), যেগুলোর অন্যতম সাইড ইফেক্ট হলো বীর্যপাতকে বিলম্বিত করা। এই সাইড ইফেক্টকে পুঁজি করেই কিছু অসাধু চক্র বা তথাকথিত 'পীরের মুরিদ' লাইভে এসে ১ ঘণ্টা, ৩ ঘণ্টার গল্প ফাঁদে। পর্নোগ্রাফিতে অবাস্তব সব জিনিসপত্র দেখে সেটাকে সত্যি ভাবা সরল মানুষদের খুব সহজেই এই ফাঁদে ফেলে তারা ব্যবসা করে যাচ্ছে। শোনেন, যদি সময় ১ মিনিটের কম হয় (শুরু থেকেই) তবেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর সময় ৩ মিনিটের কম হলে সেটাকে Acquired (পরবর্তীকালে তৈরি হওয়া) বা সাময়িক সমস্যা হিসেবে ধরা হতে পারে, যা মূলত মানসিক চাপ, ভয়, ক্লান্তি বা দুশ্চিন্তার কারণে হয়—এর জন্য কোনো অলৌকিক ওষুধের প্রয়োজন নেই। আপনার সময় যদি ৩ মিনিট বা তার বেশি হয়, তার মানে আপনি একদম পারফেক্ট! শুধু শুধু এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা বা হীনমন্যতায় ভুগবেন না। ভাওতাবাজ ও ভন্ডদের থেকে সাবধান থাকুন। সুখী দাম্পত্য জীবন কাটান। শেয়ার করুন, অন্যদের জানিয়ে দিন। অনেকেই উপকৃত হবেন আশা করছি। আসসালামু আলাইকুম ❤️ — ফাহিম মুন্তাসির এমবিবিএস শিক্ষার্থী রংপুর মেডিকেল কলেজ, রংপুর।

• নবীর প্রতি ভালোবাসা ১.ইবনে আহমাদ আল-বাগদাদী রহ. ভালোবাসার সংজ্ঞা এভাবে দেন_ المحبة الموافقة في جميع الأحوال . অর্থাৎ, ভালোবাসা হল প্রেমাষ্পদের সাথে সর্বাবস্থায় একাত্ম থাকা। (٢٣.كلمة الإخلاص للحافظ ابن رجب ص) ২.হাকীম মাহমূদ ওয়াররাক রাহ. বলেছেন_ لو كان حبك صادقا لأطعته إن المحب لمن يحب مطيع অর্থাৎ, যদি তোমার প্রেম খাঁটি হতো তবে তো তুমি তার অনুগত হতে। কারণ প্রেমিক তো প্রেমাষ্পদের অনুগত থাকে। (শরহুয যুরকানী আলাল মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়্যাহ, পৃ. ১১৮) মানবতার নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করে এক কবি বলেন_ 🌿نکل جاۓ جاں تیرے قدموں کے نیچے, یہی دل کی حسرت یہی آرزو ہے. অনুবাদ _তোমার চরণতলে জীবন সঁপে দিই, এই তো হৃদয়ের আশা আকুলতা ।💖 🌿تمنا یہی ہے یہی آرزو ہے, یہ جان حزیں کاش تجھ پر فدا ہو. অনুবাদ _আশা-আকাক্সক্ষা এই তো ছিল শুধু, জীবন যদি হতো তোমাতে বিলীন।♥️ 🌿کوئی طلب ہے مجھے زیست میں تو اتنی ہے نبی کی چاہ ملے اور بے پناہ ملے. অর্থাৎ, আমার জীবনে যদি কেনো চাওয়া থাকে তবে তা এতটুকুই, যেন নবীর ভালোবাসা অফুরন্ত পাই। সুতরাং , আমরা আমাদের প্রিয় নবীকে কতটুকু ভালবাসি, এর প্রধান প্রমাণ পাওয়া যাবে_ তাঁর আনুগত্যের ভিতরে ও অনুসরণ করার মধ্যে। উসমান বিন আব্দুল আলীম

Ccu থেকে বের করার সময় আমাকে নার্স বলল: যাওয়ার সময় তো অক্সিজেন চালু রাখতে হবে, আ্যম্বু দিয়ে শ্বাস চালু রাখতে পারবেন। অনন্যোপায় হয়ে বললাম: হ্যাঁ পারব বললেন: আ্যম্বু নিয়ে যাচ্ছেন, তাই আমাদের কাছে ৩ হাজার টাকা জমা রেখে যান, আ্যম্বু ফেরত না আনলে টাকা পাবেন না, ভালো কথা, (তখন ও বুঝে উঠতে পারি নাই, কেন আমার বাচ্চা কে তাড়াতাড়ি তারা হসপিটাল থেকে বের করতে চাচ্ছে) বাচ্চা কে নিয়ে ভাইজান সহ টিনের কৌটায় উঠলাম, আ্যম্বু দিয়ে ম্যানুয়ালি অক্সিজেন দিচ্ছি, টিনের কৌটা আমাদের নিয়ে ছুটলো মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশন পৌঁছা মাত্র ই ভাইজান ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে উঠলো, ড্রাইভার আমাকে চাপ দিতে আরম্ভ করলো: দেখেন এরকম দেরি করার অনুমতি নেই আমাদের, যদি দেরি হয় তাইলে দ্বিগুণ ভাড়া নেব বললাম দ্বিগুণ কেন তিনগুণ দেব, কিন্তু আল্লাহর ওয়াস্তে চুপ করেন, আমার নবজাতক বাচ্চা এই মাত্র দুষিয়াতে এসেছে, জীবন মরণের মাঝে লড়াই করতেছে, আর আপনার ভাড়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল!!! ভাড়া বেশি পাবে শুনে চুপ, ভাইজান স্ট্রেচার নিয়ে আসলো, অ্যাম্বুলেন্স বিদায় করে দোতলায় উঠলাম, ডঃ তাসনোভা হতবাক একবার আমার দিকে তাকাচ্ছেন, একবার বাচ্চার দিকে: আপনিই আ্যম্বু ব্যবহার করে অক্সিজেন দিতে দিতে এসেছেন??? হ্যাঁ অ্যাম্বুলেন্স ছেঁড়ে দিয়েছেন ?? হ্যাঁ সর্বনাশ, আমাদের এখানে তো সিট খালি নেই, আপনার বাচ্চা কি আসলেই আদ দ্বীনে ডেলিভারি হয়েছে?? হ্যাঁ আদ দ্বীন তো এভাবে রেফার করে না, আগে case summary তৈরি করে , সিট খালি আছে কিনা খবর নিয়ে এরপর রোগী পাঠায়!!!!!! তখন বুঝতে পারলাম, আদ দ্বীন কর্তৃপক্ষ মূলত চেয়েছিল বাচ্চা টা তাদের ccu তে যেন মারা না যায়, এতে তাদের সুনাম নষ্ট হবে, তাই যত দ্রুত সম্ভব আমার বাচ্চা টা কে তাদের ওখান থেকে বিদায় করেছে, বাচ্চা টা সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে যাচ্ছে, আ্যম্বু ব্যবহারের ও কোন দক্ষ মানুষ নেই, যেখানে যাচ্ছে সেখানে সিট খালি আছে কিনা তার ও কোন তোয়াক্কা নেই, তাদের ওখান থেকে বিদায় নিলেই হলো, এরকম দায়সারাভাব সম্পন্ন হসপিটাল খুব কমই দেখেছি, অধিকাংশ কর্মচারীর ব্যবহার খুবই জঘন্য আজীবন একটা কথা বলে যাব (যে হসপিটালে ইচ্ছা যান, কিন্তু মগবাজারের আদ দ্বীনে যেয়েন না) নাম আদ দ্বীন, কাজ আল ফিসক্ব (আমার সেই অবস্থা দেখে ডঃ তাসনোভা অবশেষে হার্ট ফাউন্ডেশনে ই ভর্তি নিলো, বেশ ভালো ব্যবহার, উন্নত মানের চিকিৎসা ও হচ্ছিলো, অতঃপর সেখান থেকে শ্যামলী শিশু হসপিটালে ট্রান্সফার করা হয়, ১/১০/২৫ আমাদের সবাই কে কাঁদিয়ে আল্লাহর সান্নিধ্যে আবার ফিরে চলে গেল) Kazi Abed ভাই

আদ দ্বীন হসপিটাল কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা 25/9/25 বুধবার রাত দশটার দিকে ফোন আসলো: আপনার স্ত্রীর ইমার্জেন্সি সিজার হবে দ্রুত আসেন, যেহেতু নরমাল ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে আদ দ্বীন হসপিটালের বেশ সুনাম সুখ্যাতি রয়েছে, সেজন্য ই ওখানে যাওয়া বাসা থেকে নামতেই হযরত মুফতী হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী হাফিঃ এর সাথে দেখা, হযরতের নিকট দোয়ার দরখাস্ত পেশ করে আম্মু কে নিয়ে রওনা হলাম। হসপিটালে পৌঁছালাম আনুমানিক রাত এগারোটা, আমাকে বলা হলো: সিজার হবে, রক্তের প্রয়োজন, আপনি চাইলে আমাদের ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ করতে পারেন, অস্বীকৃত জানিয়ে বারিধারা মাদ্রাসায় যোগাযোগ করলে সেখানের জালালাইন জামাতের দুইজন তালিবুল ইলম উপস্থিত হন, ভাই আবু সুফিয়ান অপরজনের নাম স্মরণ আসছে না, *শুরু হলো বিড়ম্বনার প্রথম ধাপ, কেন তাদের ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ করলাম না, তাই এক স্টেশন থেকে অপর স্টেশন দৌড়াদৌড়ির শেষ নাই, অন্যদিকে রাত হওয়ার কারণে অধিকাংশ সিঁড়ি ও বন্ধ, অবশেষে রক্ত সংগ্রহের স্টেশন থেকে বিল ধরিয়ে দিয়ে বলল আপনি ওয়ার্ডে চলে যান, সময় মত রক্ত পাঠিয়ে দেয়া হবে, ওয়ার্ডে আসার পর ওয়ার্ড ইনচার্জ আমার হাতের বিল দেখে দিলো বকা : কোথায় রক্ত সংগ্রহের কথা লেখা আছে, এটা তো ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত পাঠানোর রসিদ, আবার ও দৌড়ে নিচের স্টেশনে আসলে সেখানের বিলিং অফিসার কে বললাম: কি ব্যাপার আমি তো ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ করব না, আমার ডোনার আছে, ভদ্রমহিলা উপস্থিত আমাকে মিথ্যুক বানিয়ে দিলো, দোষটা যেন আমার ই, যাইহোক অবশেষে ভিন্ন বিল করল, বিলের রসিদ হাতে নিয়ে আমার মাথায় হাত, ব্যাপার টা কি!!!!! ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহের মূল্য তখন লেখা ছিল ৩০০ থেকে কিছু বেশি, আর ডোনার থেকে রক্ত সংগ্রহের এখন বিল আসছে প্রায় ১৩০০ টাকা!!!!! মূল অপরাধ, কেন তাদের ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ করছি না যাইহোক, ডোনার থেকেই রক্ত সংগ্রহ করলাম রাত বাজে তিনটা (দুই ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করতে সাড়ে তিন ঘন্টা ব্যায় হলো , আল্লাহ তায়ালা উভয় তালিবুল ইলম কে উত্তম বিনিময় দান করুন । ফজরের সময় ডেলিভারি হলো, এমার্জেন্সি অবস্থা, বাচ্চা কান্না করছে না, হার্ট ঠিক মত কাজ করছে না, ডাক্তার cpr ব্যবহারের পর দ্রুত বাচ্চা কে ccu তে ট্রান্সফার করল, আমাকে ডেকে বলল: আপনার বাচ্চার হার্ট জনিত সমস্যা আছে, আমাদের এখানে এই বাচ্চার চিকিৎসা নেই, যেখানে ওর চিকিৎসা আছে, দ্রুত সেখানে ট্রান্সফার করেন আমি হতবাক, বললাম: কোথায় ট্রান্সফার করব, আমি তো জানি না, কোন ডাক্তার কি বিশেষজ্ঞ দেখাবো সেটাও বুঝতে পারছি, অনুগ্রহ করে একটু ডাক্তার সাজেস্ট করলে ভালো হয় ভদ্রমহিলা বললেন: আমরা তো কোথাও ওভাবে সাজেস্ট করতে পারি না, তবে আপনি হার্ট ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করতে পারেন(সারা টা দিনে মনে হলো এবার একজন আমাকে একটা ভালো পরামর্শ দিয়েছে) *শুরু হলো বিড়ম্বনার দিতীয় ধাপ, মোবাইলে চার্জ শেষ, ওদিকে তাঁকে ওটি থেকে বের করা হয়েছে, ভাবতেছি কি করব, বাচ্চা কে নিয়ে একা একাই হার্ট ফাউন্ডেশনে চলে যাব, নাকি এখানে ccu তে বাচ্চা টা কে রেখে তার পাশে থাকব, ফোন অফ কারো সাথে পরামর্শ ও করতে পারছি না, পুরা হসপিটাল এক প্রকার ছুটেছি একটা চার্জের পয়েন্ট যদি পেয়ে যাই, অবশেষে হার মেনে পাঁচ তলায় (যেটা মূলত ডায়ালাইসিসের রুম, ভোর রাতে ওখানে ফাঁকা থাকে, কোন পেশেন্ট থাকে না) মাটির উপর বসে মাথায় হাত দিয়ে কান্না করা আর আল্লাহ কে ডাকা ছাড়া কোন উপায় পেলাম না, কিছুক্ষণ পর আবার নিচ তলায় ছুটে আসলাম, আমার এই দৌড়াদৌড়ি দেখে এক মুরুব্বি দারোয়ান চাচার একটু দয়া হলো, বললেন: ঐ পেছনে দেখেন সুইপার গাড়ি চার্জ করার একটা লাইন আছে সেখানে গিয়ে দেখি আসলেই একটা লাইন আছে, দুই জন ফোন চার্জে দিয়ে মাটিতে শুয়ে ঘুমাচ্ছে, একজন কে ডেকে অনুরোধ করলে আমাকে চার্জ দেয়ার সুযোগ করে দেয়। ফোন ও চার্জ হলো আলহামদুলিল্লাহ, ভাইজানের সাথেও যোগাযোগ হলো আলহামদুলিল্লাহ *শুরু হলো বিড়ম্বনার তৃতীয় ধাপ ভাইজান আসলেন, সিদ্ধান্ত নিলাম শ্বাশুড়ি কে তার কাছে রেখে ভাইজান সহ বাচ্চা নিয়ে হার্ট ফাউন্ডেশনে যাব, ccu তে উপস্থিত হলাম, কর্তব্যরত সিকিউরিটির রাগ ভাষায় প্রকাশের মত না : কোথায় ছিলেন, ম্যাডাম খোঁজ করতেছেন ভেতরে গেলাম, সেই ডাক্তার ভদ্রমহিলা নেই, আছে নার্স, আমাকে বলল কষা কন্ঠে: দ্রুত নিচে গিয়ে এ্যাম্বুলেন্স ঠিক করেন, আপনার বাচ্চা কে এখানে রাখা যাবে না, ফজরের পর নিচে একটাও icu ambulance নেই, আছে ছোট ছোট লাল হলুদ টিনের কৌটা উপায় নেই, এটাই নিতে হবে , বললাম আমার বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক, আপনার গাড়িতে নিলে সমস্যা নেই তো , বলল : এগুলো কোন ব্যাপার ই না

photo content

আড়াই বছর ধরে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে মেজর জাহিদের লাশ পড়ে থাকলেও, তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি! মেজর "জাহিদুল ইসলাম", বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম একজন ডিসিপ্লিন, চৌকস,আর মেধাবী সেনা অফিসার হিসেবে তার পরিচিতি ছিল! ২০০০ সালে ৪৩-তম বিএমএ লং কোর্সের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে কমিশন পান তিনি। ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার রূপনগরে, নিজের ভাড়া বাসায় নিচেই তাকে জঙ্গি বানিয়ে বন্দুক যুদ্ধের নাটক সাজিয়ে খুব কাছ থেকে ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়! দীর্ঘ ৮ বছর ধরে জাতির কাছে জঙ্গি হিসেবে পরিচয় পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বেরিয়ে, আসে এক নির্মম সত্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি অভিযোগ ঘটনার পেছনের কাহিনী বের করে জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছিল! এটি ছিল পিলখানা হত্যাকান্ডের অন্যতম সাক্ষীকে চিরতরে নিস্তব্ধ করে দেওয়ার নীল নকশা! অথচ এই সেনা অফিসার কঙ্গোতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন,পাকিস্তানে মিড ক্যারিয়ার কোর্স, কানাডায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ শেষ করে হয়ে উঠেন দক্ষ এক অফিসার। ২০০৯ সালে তাকে পিলখানায় পোস্টিং দেওয়া হলেও তিনি ত যোগদান করেননি। ওই সময় পিলখানায় পোস্টিংয়ে ছিলেন তারই বন্ধু ক্যাপ্টেন শহীদ মাজহারুল হায়দার। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সেই নৃশংস হত্যাকান্ডের সময় মেজর জাহিদ কে ফোন করেন ক্যাপ্টেন মাজহারুল। মাজহারুল বলেন বন্ধু আমাদের সব অফিসারদের মেরে ফেলছে! কারা মেরেছে মেজর জাহিদ জানতে চাইলে ক্যাপ্টেন মাজহারুল বলেন কিছু হিন্দুভাষী ব্যাক্তি যাদের তিনি কখনোই পিলখানায় দেখেন নি! পিলখানা ঘটনার পরও মেজর জাহিদ অনেক বেশি সোচ্চার ও প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি জানতেন অনেক গোপন আর স্পর্শকাতর সত্য! সত্যের পথে অবিচল থাকা এই সেনা অফিসারকে কোনোভাবে কেনা, আর দমানো সম্ভব না হওয়ায় তাকে ২০১৫ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়। অবসরের পরেও তিনি নিরাপদ ছিলেন না, তার কাছে থাকা তথ্য তৎকালীন সরকারের ভীত নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। সেজন্যই সাজানো হয় এক ভয়ংকর জঙ্গি নাটক! আর সেটা মঞ্চায়িত করা হয় ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর। রাত ১০টায় মেজর জাহিদের বাসা থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ভয়ানক নির্যাতন করে, তার হাত দু'টো পেছন থেকে বেঁধে হাতগুলো কে পিটিয়ে কাঁধ থেকে আলাদা করা হয়! তার মুখমণ্ডল বিকৃত করে বাসার নিচে নামিয়ে খুব কাছ থেকে ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করা হয় তার বুক।সেদিন পুলিশ এতোটাই হিংস্র ছিল যে, মেজর জাহিদের চোখ দুটোও কোটর থেকে বের করে ফেলে! অথচ রূপনগর থানার এজাহারে উল্লেখ করা হয় পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নাকি মেজর জাহিদ চাকু আর পিস্তল নিয়ে চড়াও হয়েছিল! আত্মরক্ষার্থে তারা নাকি ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করে মেজর জাহিদের বুক। ফরেনসিক রিপোর্ট আর প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী এটি ছিল সম্পুর্ন একটি নাটক। মেজর জাহিদ হত্যার পর সবচেয়ে নির্মম ব্যাপার হচ্ছে, আড়াই বছর ঢাকা মেডিকেলের মর্গে মেজর জাহিদের লাশ পড়ে থাকলেও, তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এরপর পরিবার লাশটাও খুঁজে পায়-নি! আহ! মেজর জাহিদ হত্যার সত্য যেনো বের হয়ে না আসে তাই পরিবারের উপরও চালানো হয় রোলার কোস্টার! মেজর জাহিদকে হত্যার রাতেই তার স্ত্রী আর দুই শিশু সন্তানকে, চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় মেজর জাহিদ কে হত্যার পূর্বেই। প্রায় ৪ মাস সাত দিন দুনিয়ায় আলো দেখতে না দিয়ে ডিবির কথিত আয়নাঘরে বন্দী রাখা হয় স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা আর ১ বছরের ছোট মেয়েকে! ৫ বছরের বড় মেয়েকে নানা নানুর কাছে দেবার কথা বলে, ৭ দিন পর নেওয়া হলেও ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রাতে তৈরি করা হয় আরেক জঙ্গি নাটক! মেজর জাহিদ হত্যার ৯ দিন পর বড় মেয়েকে ঢাকার আজিমপুরে কথিত জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ৩ শিশু উদ্ধারের নামে তাকে উদ্ধার দেখানো হয়। সেদিন ৩ শিশু আটকের মধ্যে ছিল মেজর জাহিদের ৫ বছরের নিষ্পাপ বড় মেয়ে, ৫ বছরের শিশু জুনাইরা বিনতে জাহিদও! আর ২০১৬ সালে ২৪ ডিসেম্বর ৪ মাসের অধিক সময় নির্যাতনের পর আরেক জ-ঙ্গি নাটক সাজিয়ে, মেজর জাহিদের স্ত্রী আর ছোট মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়! এরপর স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলার ভাগ্যে জুটে একের অধিক জঙ্গি মামলা! সবচেয়ে দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে মেজর জাহিদকে হত্যার এক বছরের মধ্যে ছেলের মৃত্যু সইতে না পেরে, মেজর জাহিদের বাবা-মা দু'জনই স্টোক করে মৃত্যু বরন করেন! দীর্ঘ প্রায় ৪ বছর কারাবরণের পর মেজর জাহিদের স্ত্রীর জামিন মিললেও কোন এক অজানা শঙ্কায় তার জামিন বাতিল করে দুই বছর পর আবার হাজতে প্রেরণ করা হয়! ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ৩১ আগস্ট তার আবার জামিন হয়! কিন্তু মুক্তি মেলেনি অভিশপ্ত জঙ্গি মামলা থেকে, এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন এই বোঝা। একটা পরিবারকে ঠিক নিজের ক্ষমতা টিকেয়ে রাখার স্বার্থে এতো নির্মমভাবে ধ্বংস করে দেওয়ায় চেয়ে নৃশংস আর কি হতে পারে?

photo content

Main ground tool ফয়সল করিমকে জামিন করিয়েছেন বিএনপি’র কায়সার কামাল। জামিন পেয়েই ফয়সল করিম ইনকিলাব মঞ্চে যাতায়াত শুরু করে দেয়; অর্থাৎ assignment অনুযায়ী কাজ করা শুরু করে দেয়। ফয়সল করিমের girlfriend-এর ভাষ্যটি স্মরণ আছে আপনাদের? সে বলেছিল, ফয়সল তাকে বলেছে—এমন একটি ঘটনা সে ঘটাতে যাচ্ছে, যাতে সারা দেশ কেঁপে উঠবে। তখন সে ফয়সলকে নিষেধ করেছিল—তুমি এই কাজ করো না। ফয়সল উত্তর দিয়েছিল, এই কাজ সে না করলেও কেউ না কেউ করবেই। অর্থাৎ, এটা fixed assignment ছিল। ফয়সলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল ‘ঢাকা ব্যাংক’-এ—হ্যাঁ, থাকতেই পারে। আরও কত মানুষের অ্যাকাউন্ট ঢাকা ব্যাংকে আছে। ‘ঢাকা ব্যাংক’-এর মালিক মির্জা আব্বাস—হ্যাঁ, হতেই পারেন। তাতে কী? ‘ঢাকা ব্যাংক’-এ ফয়সল করিমের শত কোটি টাকার ওপর লেনদেন ছিল—হ্যাঁ, তাতে কী? ব্যাংকে তো শত শত কোটি টাকার লেনদেন হয়। ঘটনার আগের দিনগুলোতে অস্বাভাবিক amount-এর লেনদেন হয়েছে—তো কী হয়েছে? এতে মির্জা আব্বাসের কী করার আছে? খুবই সীমিত সময়ে অস্বাভাবিক লেনদেন হলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টকে red flag করে, ওপরে রিপোর্ট করে—করবেই তো, তাতে কী? কোনো invoice নেই, পণ্যের বিনিময় নেই, শুধু নগদ টাকা স্থানান্তর হচ্ছে—এবার কী বলবেন? এখানে কবি নীরব। ফয়সল যে amountগুলো deal করেছে, সেগুলোতে ছাড় পেতে ব্যাংকের একেবারে ওপর মহলের সম্মতি ছাড়া সম্ভব নয়। যারা ব্যাংকে আট অঙ্কের নগদ লেনদেন করেছেন, তারা সহজেই বুঝবেন। মির্জা আব্বাস, শরীফ ওসমান হাদীকে তার সংসদীয় আসনে নির্বাচন করতে চাওয়ায় শাসিয়েছিলেন। হাদী’র রেকর্ডেড অভিযোগ আছে। যদি DGFI এবং হাসিনার জেনারেলরা যুক্ত না থাকে, তাহলে ঢাকার গডফাদার মির্জা আব্বাস সেই একজন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা আছে—মমতা ব্যানার্জীর ভাষায়, ‘কাকে দিয়ে খুনটা করিয়েছেন’। আবারও flashing red। খালেদা জিয়া মৃত্যুর দুয়ারে, সবাই প্রশ্ন তুলছেন—তারেক রহমান দেশে আসছেন না কেন? সবাইকে অবাক করে দিয়ে তারেক ফেসবুক পোস্ট দিলেন—দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তার জন্য অবারিত নয়। এটা তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না। ঘাতকের গুলির সঙ্গে লড়াই করে যেদিন হাদী আমাদের কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন—অর্থাৎ হাদী’র মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর—সেদিনই তারেক রহমান ঘোষণা দিলেন, কখন তিনি দেশে ফিরছেন! স্বাভাবিক রাজনৈতিক সৌজন্যের দাবি ছিল হাদী’র জন্য শোক জানানো; কিন্তু তিনি বিজয়ের আনন্দে দেশে ফেরার ঘোষণা দিলেন। অথচ তার মাত্র কয়েক দিন আগে, যখন খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার জন্য কাতারের বিশেষায়িত air ambulance আসেনি, তখনও তারেক দেশে ফেরার অপারগতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মা clinically dead জেনেও যে ব্যক্তি দেশে আসে না, কয়েক দিনে এমন কী হয়ে গেল যে হাদী’র মৃত্যুর দিনেই ন্যূনতম সৌজন্যতা বজায় না রেখে দেশে আসার ঘোষণা দিলেন? দু-এক দিন পরেও তো দেওয়া যেত, তাই না? দিল্লিই কি তারেক রহমানকে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, তাদের Hadi killing mission সম্পন্ন হওয়ার পর? হাদী’র মৃত্যুর সংবাদ থেকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতেই কি এই technique? তারেক রহমান কি হাদী’র খুনের পরিকল্পনা জানতেন? কায়সার কামালকে দিয়ে জামিন করানো, স্থানীয় গডফাদার মির্জা আব্বাসের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, হাদী’র মৃত্যুর দিনে তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘোষণা—আত্মভোলা, দলকানা ও morally bankrupt মানুষগুলো কেবলই কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখার কিংবা দেখানোর চেষ্টা করেছে। তারা কোনো red flag দেখেনি, দেখতেও চায়নি। মমতা ব্যানার্জী যখন বলে দিলেন—“কাকে দিয়ে খুনটা করিয়েছেন, সবটাই জানি”—তখন আমাদের কি বড় দুই flashing red-এর একটি বেছে নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো option আছে? কায়সার কামাল, মির্জা আব্বাস বনাম DGFI এবং ওয়াকার গং—tie situation। সেখানে তারেক রহমানের ঠিক একই দিনে, কয়েক ঘণ্টা পরে দেশে আসার ঘোষণা এবং কায়সার কামালের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে উল্লম্ব উত্থান tie breaker হয়ে যায়। হাদী’র খুন আওয়ামী লীগের জন্য যদি উদযাপনের বিষয় হয়, সেটা অবাক হওয়ার মতো কোনো কিছু নয়; কারণ এই ফ্যাসিস্টদের হাত তো শিশু, কিশোর ও শিক্ষার্থীদের রক্তে রঞ্জিত। কিন্তু হাদীকে বিএনপি শত্রুজ্ঞান করে কেন? হাদী’র গ্রাফিতি বিএনপি কেন মুছে দিতে চায়? কোনো জবাব আছে? জুলাইকে নিজেদের দাবি করে জুলাই সনদকে বাতিল করতে চায় বিএনপি? হাদীকে নিয়ে কোনো পোস্ট দিলে বিএনপি’র লোকজন এসে গালাগালি করে—কোনো জবাব আছে? হাদী’র প্রতি বিএনপি’র এত ক্ষোভ কেন? কার বা কাদের নাম বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে বলে মমতা ব্যানার্জী দাবি করলেন—তারেক, মির্জা আব্বাস কিংবা বিএনপি নয় তো? খুব খুশি হবো, যদি যৌক্তিকভাবে কেউ আমার অনুসিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করতে পারেন। মইনুল হক ডেট্রয়েট, মিশিগান। Tarique Rahman Bangladesh Nationalist Party-BNP National Citizen Party - NCP Bangladesh Jamaat-e-Islami Bangladesh Islami Chhatrashibir Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইনকিলাব মঞ্চ

“কাকে দিয়ে খুনটা করিয়েছেন, সবটাই জানি”—মমতা ব্যানার্জী সরাসরি ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লক্ষ্য করে বললেন। কোনো গুগলি নয়, সোজা মিডল স্ট্যাম্প বরাবর ডেলিভারি। এখানে কোনো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের দরকার নেই। কথা পরিষ্কার—“কাকে দিয়ে খুনটা করিয়েছেন।” অর্থাৎ ভারত নিজে খুনটি করেনি, অন্য কাউকে দিয়ে করিয়েছে। মমতা ব্যানার্জী জানেন, কিন্তু নামটি বলেননি। কারণ, নাম বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। প্রশ্ন হলো—কার নাম বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে? এ প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান জরুরি—বাংলাদেশের স্বার্থে, বাংলাদেশের অস্তিত্বের স্বার্থে। কিন্তু উত্তরটি আমরা খুঁজবো eliminative reasoning পদ্ধতিতে। অর্থাৎ সম্ভাব্য অনেক কারণের তালিকা থেকে যেগুলো তথ্য-প্রমাণের সঙ্গে মেলে না, সেগুলো একে একে বাদ দেবো। শেষে যে কারণটি সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে, সেটিকেই সম্ভাব্য আসল কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এবার আসুন, জট খুলবার চেষ্টা করি। কার নাম বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে? কে খুন করিয়েছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মানে অমিত শাহ—অর্থাৎ ভারত। এই নাম তো বলেই দেওয়া হলো। হাদী নিজের জীবদ্দশায়ও ভারত থেকে ফোনে হুমকি আসার কথা মিডিয়াতে বলেছেন। এটা রহস্যাবৃত কোনো বিষয় নয়। “কাকে দিয়ে খুনটি করিয়েছেন”—তাহলে সহজেই বোঝা যায়, যাদের দিয়ে কাজটি সম্পাদন করানো হয়েছে, তারা বাংলাদেশের। ফয়সল করিম গুলি করেছে—সেটা তো ভিডিও ফুটেজেই আছে। সবাই দেখেছে, সবাই জানে। এখানে নাম গোপন করার কিছু নেই; এটা প্রকাশিত ও প্রমাণিত সত্য। এটা এমন কোনো তথ্য নয়, এমন কোনো নাম নয়, যা গোপন আছে। মূলত ফয়সল করিম হলো একটা tool। এ রকম আরও tools ব্যবহৃত হয়েছে; যেমন: মোটরসাইকেল, পিস্তল বা রিভলবার। মমতা যেখানে রহস্য সৃষ্টি করছেন, সেটা হলো—স্থানীয় কোন শক্তি দিয়ে, ব্যক্তি কিংবা সংস্থা দিয়ে কাজটি করানো হয়েছে? আওয়ামী লীগকে দিয়ে খুন করানো হয়েছে? ফয়সল করিম তো আওয়ামী লীগেরই লোক ছিল। তাহলে স্থানীয়ভাবে ফয়সল করিমকে নিযুক্ত করেছিল কে বা কারা? চাউর ‘করানো’ হয়েছিল, গাজীপুরের কোনো পাতি নেতা প্ল্যান করেছিল। মার্কেটে খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল; কিন্তু কেউ সেই কথা ‘খায়নি’। ওয়াকারের পোদ বালকের কথা খেয়াল আছে? অনুসন্ধানী ‘সাংঘাতিক’! লন্ডনে বসে real time update দিচ্ছিল—মনে পড়ে? এই গল্পগুলো কারা ঐ পোদ বালককে দিয়ে প্রচার করিয়েছিল? নিশ্চিতভাবেই এমন কারও হয়ে পোদ বালক কাজ করছিল, যারা এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মূলত এই pattern বা তার কাছাকাছি pattern-এ কাজ করে। CIA ও অন্যান্য secret service-এর অবসরপ্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত কথা বলেন; যারা তাদের আলোচনাগুলো নিয়মিত শোনেন, তারা সহজেই বুঝতে পারবেন। অর্থাৎ, পোদ বালক হলো সংশ্লিষ্ট tool। ফয়সল কাজ করেছে গ্রাউন্ডে, পোদ বালক কাজ করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়—জনসাধারণ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে সরিয়ে দিয়ে ফয়সল করিমের ভারতে পলায়ন নিশ্চিত করেছে। Ground Tool ফয়সল করিমকে কি কাকতালীয়ভাবেই বেছে নেওয়া হয়েছিল? এসব কথা বড়জোর দুই-তিন বছরের বাচ্চাদের বোঝানো যেতে পারে। যাদের দিয়ে হাদীকে খুন করানো হয়েছে, তারা ফয়সল করিমকে pick করেছে। ফয়সল করিম তো অস্ত্র মামলায় জেলে ছিল। তাকে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে কীভাবে জেল থেকে বের করে নিয়ে আসা হলো? কী deal ছিল ফয়সল করিমের সঙ্গে? তার চেয়েও বড় প্রশ্ন—deal-টি করেছে কারা? কায়সার কামাল—জি, ঠিকই শুনেছেন। বর্তমান ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ছিলেন ফয়সল করিমের আইনজীবী। বড় অঙ্কের লেনদেন ছিল নিশ্চয়ই; তা না হলে হাতেনাতে ধরা পড়া অস্ত্র মামলার আসামিকে বিচারক জামিন দেন কীভাবে? বিএনপি’র অনেক বর্ষীয়ান ও বাঘা বাঘা নেতাকে পেছনে ফেলে কায়সার কামাল এক দৌড়ে ডেপুটি স্পিকারের চেয়ারে! এই প্রশ্নটি কেউ কখনো করেছেন? হ্যাঁ, আপনাকেই বলছি—কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন? হাদীকে নিয়ে আমার আগের লেখায় স্ববিস্তারে আমি এই আলোচনা করেছিলাম। যারা পড়েননি, তাদের জন্য লিংক কমেন্টে দিয়ে দেব। কায়সার কামাল Tool নন; তিনি actor। তিনি হলেন তাদের একজন, যাদের দিয়ে ‘করানো’ হয়েছে। NSI, DGFI-সহ সামরিক ও বেসামরিক অনেক secret service রয়েছে—কাউকে engage হতে দেখেছেন? হাদী ক্যান্টনমেন্টের ইট খুলে নিয়ে আসার কথা বলেছিলেন; DGFI কিংবা ওয়াকার গং কি তাই রাগ করেছিল? এবার মমতা ব্যানার্জীর কথায় ফিরে আসি। DGFI কিংবা ওয়াকার গং-এর নাম বললে কি বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে? হ্যাঁ, যাবে। DGFI সম্ভাব্য actorদের কেউ—অবশ্যই কেউ। কোনো যুক্তিতেই তাদের নাম বাদ দেওয়ার সুযোগ আমি দেখি না। আমাদের eliminative reasoning-এর রাডার এখানে red flash করছে। আমি বলছি flashing red, কিন্তু এটা complete red signal নয়। যে কোনো তদন্তে অর্থের জোগান এবং কে সুবিধাভোগী হলো—এই বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো এমন বিষয়, যা গোপন করা কঠিন এবং কোনো না কোনো trace রেখে যায়।

mokkar_poth.pdf13.91 MB

মিরপুরে একটা বাসা থেকে এক বৃদ্ধার পচা-গলা লা'শ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাত-আট দিন আগে মা'রা গিয়েছেন৷ শরীর পচে পোকা ধরে গিয়েছে! অথচ এই হতভাগা নারীর চার সন্তানের সবাই উচ্চশিক্ষিত, সমাজে প্রতিষ্ঠিত। একজন বুয়েটের শিক্ষক, একজন যুগ্ম সচিব, আরেকজন কানাডা প্রবাসী। মিরপুরে থাকতেন মেয়ের সাথে। সেই মেয়ের জামাইও সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক! মেয়ের সাথে থাকতেন, মেয়েও নাকি জানে না পাশের রুমে তার মা ম'রে পড়ে আছে! অনেকদিন সাড়াশব্দ না পেয়ে নার্স ডেকে আনে। নার্স এসে তাকে লা'শের খবর দেয়। পুলিশ বলছে বৃদ্ধার রুমে দীর্ঘদিনের অযত্ন, অবহেলার ছাপ স্পষ্ট। পরিচর্যার অভাব বোঝা যায় রুমে ঢুকলেই। অথচ বৃদ্ধা নিশ্চয়ই তার বয়সকালে ছেলেমেয়েদেরকে শিক্ষিত করতে যত্ন-পরিচর্যার কোনো অভাব রাখেন নাই। নাহলে তো তারা এই পর্যায়ে আসতে পারতো না। বুকে আগলে বড়ো করেছেন। শিক্ষিত করেছেন৷ কিন্তু মানুষ হয়তো বানাতে পারেন নাই! শিক্ষিত হলেই সবাই মানুষ হয় না। সন্তানকে শিক্ষিত বানান, সাথে মানুষও বানান

পুরুষটি স্ত্রীর লাশ কাঁধে তুলে নিয়ে বলছে আমার সন্তানের লাশটা বুকে দেন। একজন শিশুটির লাশ তুলে বুকে দিলেন। কাঁধে স্ত্রীর লাশ, বুকে আদরের সন্তানের লাশ, বাম হাতে ধরলেন পেছনে হাউমাউ করে কান্নারত লালটুকটুকে মেয়ে সন্তানটির হাত। এ যেন কোনো সিনেমার মর্মান্তিক দৃশ্য। সমগ্র পৃথিবীতে একজনের পুরুষের নিকট এরচেয়ে ভারি বোঝা বোধহয় আর কিচ্ছু নেই। রাত পোহালে ঈদ। পরিবার নিয়ে গ্রামে ফিরছিলেন, একটি ট্রেন এসে ঈদটা করে দিয়ে গেল সারাজীবনের শোক। হে দেশ লা শের মিছিল থামাও। তুমি একটু শান্ত হও। ছবি: নরসিংদী কক্সবাজার এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়েছে মা ও সন্তান। ঈদের আনন্দে এ কি শুনলাম, আজ আর ঈদের আনন্দে মন হাসবে না🥲

photo content

৫ম বর্ষ, ১৩ সংখ্যা.pdf2.24 MB

photo content