ar
Feedback
আল-আকসা ♥️

আল-আকসা ♥️

الذهاب إلى القناة على Telegram

♥️ ও. এম. প্রকাশনী (সাহিত্যের মাধ্যমে_তারুণ্যের সৃজনশীলতা বিকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ) 🍀 O.M. MEDIA YouTube channel 👇 https://youtube.com/channel/UCDH_pJHz6kOSzsNymvRGfJA

إظهار المزيد
943
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-97 أيام
-2330 أيام

جاري تحميل البيانات...

سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
يونيو '26
يونيو '26
+6
في 0 قنوات
مايو '26
+11
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+12
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '26
+6
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+65
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '26
+14
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+6
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+8
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+11
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+11
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+15
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+10
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+36
في 2 قنوات
Get PRO
مايو '25
+28
في 2 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+46
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '25
+50
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+15
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '25
+50
في 2 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+96
في 2 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+78
في 2 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+144
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+37
في 2 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+165
في 5 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+515
في 4 قنوات
التاريخ
نمو المشتركين
الإشارات
القنوات
17 يونيو0
16 يونيو0
15 يونيو0
14 يونيو0
13 يونيو0
12 يونيو+2
11 يونيو+1
10 يونيو0
09 يونيو+1
08 يونيو+1
07 يونيو0
06 يونيو0
05 يونيو0
04 يونيو0
03 يونيو+1
02 يونيو0
01 يونيو0
منشورات القناة
তাবরেজ আনসারি হত্যা (২০১৯, ঝাড়খণ্ড): ২২ বছর বয়সী এক মুসলিম যুবককে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নির্মমভাবে পেটানো হয় এবং তাকে জোরপূর্বক 'জয় শ্রীরাম' ও 'জয় হনুমান' স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে তিনি মারা যান। ফয়সাল উসমান খান লাঞ্ছনা (২০১৯, মহারাষ্ট্র): ২৫ বছর বয়সী এক মুসলিম ট্যাক্সি চালককে তার ধর্মের কারণে তারের সাহায্যে বেধড়ক পেটানো হয়। তিনি বাঁচার জন্য 'ইয়া আল্লাহ' বললে, আক্রমণকারীরা তাকে ক্ষমা পাওয়ার শর্ত হিসেবে 'জয় শ্রীরাম' বলতে বাধ্য করে। দিল্লি দাঙ্গা (২০২০, দিল্লি): সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে (CAA) কেন্দ্র করে দিল্লিতে হওয়া ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সময় বেশ কিছু উন্মত্ত জনতাকে 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দিয়ে বিভিন্ন এলাকা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় লিপ্ত হতে দেখা যায়। সোহেল ও সাবির মারধর (২০২৩, হরিয়ানা): গোরক্ষার নামে মুসলিম যুবকদের ওপর হামলার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রোহতক ও অন্যান্য এলাকায় একাধিক মুসলিম ব্যক্তিকে জোর করে 'জয় শ্রীরাম' বলানোর জন্য হেনস্থা করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

2
لا يوجد نص...
7
3
কাকা কিন্তু এক পিস!! ‘মোদি সবচেয়ে সুন্দর দেখতে মানুষ, কিন্তু আসলে তিনি একজন কিলার’ —ডোনাল্ড ট্রাম্প
7
4
তবে এ বিষয়ে মো. হাসানের বক্তব্যে বেশকিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। তিনি জানায়, স্বর্ণগুলো আমার ছিল না। এগুলো ছিল আমার খালাতো ভাই নাহিদের। এর বেশি আর বলতে পারব না। তবে চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে নাহিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী বলেন, কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য যদি কাউকে আইনবহির্ভূতভাবে আটকে রাখেন, অর্থ আদায় করেন কিংবা পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেন, তাহলে সেটি শুধু ক্ষমতার অপব্যবহার নয়, রাষ্ট্রের আইনি কাঠামোর জন্যও উদ্বেগের বিষয়।
6
5
চট্টগ্রামে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে রাতভর আটকে রেখে নির্যাতন, শ্লীলতাহানি ও পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দীন রাজু। ভুক্তভোগী লুৎফুর নেছা দৈনিক আমার দেশের সাংবাদিকদের জানান, তাকে বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। এরপর একটি অঙ্গীকারনামায় জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে প্রাণ ও পরিবারের নিরাপত্তার ভয়ে তিনি এবং তার প্রবাসী স্বামী ১ কোটি ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ লেনদেনের স্ক্রিনশট, অডিও রেকর্ড এবং আদালতে দাখিল করা মামলার নথি পর্যালোচনা করে টাকা নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত ১ জুন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে ভুক্তভোগী মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু বাকর সিদ্দিক বলেন, পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, লুৎফুর নেছার স্বামী ফজলুল কাদের বাদশা দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মোবাইল এক্সেসরিজ ব্যবসা করেন। ২০২৪ সালে সেখানে তার পরিচয় হয় ফটিকছড়ির বাসিন্দা নাজমুল হাসান ওরফে নাহিদের সঙ্গে। পরে দুজন যৌথভাবে ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায় লোকসান হওয়ার পর ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে নাহিদ দেশে ফিরে আসেন। এরপর তিনি কাদেরের কাছে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা দাবি করে। স্বামী বিদেশে থাকায় নাহিদ সরাসরি লুৎফুর নেছার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নগরের মুরাদপুর এলাকার নিজ বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি লুৎফুর নেছাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে নাহিদ, ডিবির এসআই মহিউদ্দীন রাজু, বরখাস্ত সাবেক ডিবি কর্মকর্তা দীপঙ্কর এবং আরো দুজন ছিল। লুৎফুর নেছার দাবি, কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা লিখিত নোটিস ছাড়াই তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। এরপর নগরের মনসুরাবাদে ডিবি উত্তর বিভাগের কার্যালয়ে লুৎফুর নেছাকে রাতভর আটকে রাখা হয়। তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয় এবং দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়, টাকা না দিলে তার মেয়ে, জামাই, বাবা ও ভাইকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি তাদের হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয়। লুৎফুর নেছা আমার দেশকে বলেন, এ ঘটনার স্ক্রিনশট এবং অডিও সংরক্ষিত আছে। ডিবি নিজের অফিস থেকে আমাকে ডেকে নিয়ে টাকা নিয়েছে। এখন আমি কোথায় যাব? মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে পরদিন ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা পর্যন্ত তাকে সেখানে রাখা হয়। মামলায় আরো বলা হয়, একপর্যায়ে ভয়ে টাকা দিতে সম্মত হলে ডিবি কার্যালয়ের একটি কম্পিউটারে তিনটি ১০০ টাকার জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা প্রস্তুত করা হয়। ওই দলিলে উল্লেখ ছিল, ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ না করলে এসআই মহিউদ্দীন রাজু যে কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন এবং তাতে লুৎফুর নেছার কোনো আপত্তি থাকবে না। ভুক্তভোগী জানান, জোরপূর্বক তার কাছ থেকে ওই নথিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ডিবি কার্যালয় থেকে ফিরে পরিবারটি আতঙ্কে পড়ে যায়। লুৎফুর নেছা জানান, স্বর্ণালংকার বিক্রি, আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার এবং বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তারা এক কোটি ১০ লাখ টাকা জোগাড় করেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি তিনি আবার ডিবি কার্যালয়ে যান এবং সেখানে অভিযুক্তদের কাছে ওই টাকা হস্তান্তর করেন। আমার দেশ অর্থ লেনদেন-সংক্রান্ত স্ক্রিনশট পর্যালোচনা করেছে। সেখানে অভিযুক্ত এসআই মহিউদ্দীন রাজুর কাছে ছয় লাখ টাকা পরিশোধের তথ্য দেখা যায়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এক কোটি ১০ লাখ টাকা দেওয়ার পরও বাকি এক কোটি ৪০ লাখ টাকা মাসিক কিস্তিতে পরিশোধের জন্য চাপ অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে নানা ধরনের হুমকিও অব্যাহত ছিল বলে জানান লুৎফুর নেছা। তিনি জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ করতে প্রথমে পাঁচলাইশ থানায় যান। তবে সেখানে মামলা গ্রহণ না করে তাকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আইনজীবীরা বলছেন, কোনো ফৌজদারি অভিযোগে পুলিশ মামলা না নিলে সেটিও প্রশ্নের জন্ম দেয়। বিশেষ করে অভিযোগের তীর যখন পুলিশের একজন সদস্যের দিকে থাকে। অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই মহিউদ্দীন রাজু দাবি করে, মো. হাসান নামে একজন আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। তার দাবি ছিল, প্রায় এক কোটি ২৫ লাখ টাকার স্বর্ণ-সংশ্লিষ্ট একটি কেমিক্যালের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। আমি দুপক্ষের মধ্যে মীমাংসার চেষ্টা করেছি। টাকা নেওয়া বা নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।
7
6
بے ادب اور بے حیا لوگو سے ہم بحث نہیں کرتے کیونکہ کے ہم اپنی تربیت اور کردار کی قدر جانتے ہیں 🌛🌿🥀
13
7
শিক্ষকতা আমার পরিচয়, আর পরিশ্রম আমার পথচলার সঙ্গী। একজন মানুষের জীবনে স্বপ্ন পূরণের জন্য শুধু একটি কাজ নয়, প্রয়োজন নিরলস চেষ্টা, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং আল্লাহর উপর ভরসা। শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রতিদিনের ব্যস্ততা, অনলাইন কাজ, পড়াশোনা, সংসারের দায়িত্ব এবং প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময়—সব মিলিয়েই আমার জীবন। আজকের ভিডিওতে তুলে ধরেছি আমার একটি দিনের গল্প; আমার জীবন, আমার পরিশ্রম, আমার স্বপ্ন।
17
8
My Life, My work, My Dream 💕
My Life, My work, My Dream 💕
23
9
• মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১৪৪৭ থেকে ১৪৪৮ হিজরিতে পদার্পণ। আলহামদুলিল্লাহ। জীবনের পাতা থেকে আরেকটি বছরের বিদায়!
36
10
• এগুলো কলম।🫠
61
11
لا يوجد نص...
62
12
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ব্যয় হয়েছিল ২২০ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি বলেছেন, মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার হলেই প্রতি বছর পৃথিবীর ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্যচাহিদা পূরণ করা সম্ভব। একদিকে কোটি কোটি ক্ষুধার্ত মানুষ, অন্যদিকে অনর্থক এক খেলার পেছনে চলছে গোটা পৃথিবীর সম্মিলিত উন্মাদনা। এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, মনুষ্যত্বের মর্যাদা আমরা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছি। পৃথিবী জুড়ে এখন কেবলই মনুষ্যত্ব-বিবর্জিত ‘খোলস-মানুষের’ বসবাস।
68
13
রয়টার্সের বরাতে ক্ল্যাশ রিপোর্ট লেখছে আরব আমিরাত এবার ইরানের পিছে ছুটছে। ইজরাইল-আমেরিকা নিরাপত্তা দিতে পারবে না বোঝার পর তাৎক্ষনিক ১৮০ ডিগ্রি টার্ন নিছে। বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে ইরানের সাথে সমঝোতায় আসতেছে। ইতোমধ্যেই ৩ বিলিয়ন ডলার দিছে। ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা। ইরান আক্রমণ না করলে সেটা ২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত যাবে! ওদিকে কাতার রাস লাফান গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণ না করার শর্তে যুদ্ধের শুরুর দিকেই এই চুক্তিতে আসছিল যে কাতার গ্যাস প্রোডাকশন বন্ধ করে দিবে। ফলে ইরান আক্রমণ করে, গ্যাস ফিল্ড ধ্বংস করে, বিশ্ববাজারে যে চাপ তৈরি করার কথা, সেটা আক্রমণ ছাড়াই কাতার স্বেচ্ছায় করে দিবে। বিনিময়ে ইরান কাতারে আক্রমণ করবে না। - Rakibul Hasan
76
14
ডাক্তারি পেশায় না আসলে সমাজের এই বিশ্রী অবস্থা জানতে পারতাম না। আপনার সন্তানের দিকে নজর রাখুন। মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগী টা আসছে। বয়স ২৪/২৫ হবে। ৪ মাস ধরে জ্বর। সাথে তীব্র গা ব্যথা আর জয়েন্টে জয়েন্টে যন্ত্রণায় ছটফট করছে। এ পর্যন্ত বাজারে যত রকমের হাই অ্যান্টিবায়োটিক আছে,আরলিন থেকে শুরু করে মেরোপেনাম সব দেওয়া শেষ। কিন্তু জ্বরের কোনো কমতি নাই। ওষুধ চললে ১-২ দিন একটু শান্ত থাকে, তারপর আবার সেই জ্বর। হিস্ট্রি নেওয়ার সময় যখন জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই, কোনো নেশাটেশা করেন?" ছেলেটার সরল উত্তর, "না স্যার, ওসবের ধারেকাছেও কোনোদিন যাইনি।" পেশায় সে একজন ড্রাইভার, সৌদি আরবে ছিলো। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে একটু সন্দেহ ছিল যে হয়তো কিছু লুকোচ্ছে। কিন্তু সে বারবারই অস্বীকার করল। কোনো উপায় না দেখে শেষমেশ তাকে 'Adult-onset Still's disease' (AOSD) ধরে নিয়ে চিকিৎসা চলতে লাগল। ছেলেটার স্ত্রী সব জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করতেছে, টেস্ট করা থেকে শুরু করে ওষুধ কেনা সব। অনেক নম্র ভদ্র মহিলা। বুঝতে পারতেছি তার কষ্ট হয়ে যাচ্ছে এই দৌড়াদৌড়ি তে। কিন্তু সে আমাদেরকে একটু বুঝতে দিচ্ছে না। একটা ছোট বাচ্চাও আছে‌ বয়স ১ বছর মতো হবে। মহিলার এই অবস্থা দেখে খারাপ লাগতো‌। স্বামী অসুস্থ, পরিবারের ভারকর্তা অসুস্থ। তাইলে স্ত্রীর মুখে কি আর নাওয়া খাওয়া থাকবে!! রোগীর স্ত্রী বারবার জিজ্ঞেস করত "স্যার সব ওষুধ খাওয়াচ্ছি, সব টেস্ট করতেছি, কিন্তু স্যার এখনো জ্বর কমতেছে না কেন, রোগী সুস্থ হচ্ছে না কেন?" আমাদের কাছেও উত্তরটা ছিল অজানা। কারন আমরা তখনো কোন সঠিক ডায়াগনোসিস এ পৌঁছাতে পারি নাই। একদিন হসপিটালের ডায়গনোসিস বিশেষজ্ঞ এনামুল স্যার রাউন্ডে এলেন। পুরো ফাইলটা দেখে উনি শান্ত মাথায় বললেন, "একটা Anti-HIV Antibody টেস্ট করাও।" টেস্ট করতে পাঠানো হলো পিজি হসপিটালে ‌। টেস্টের রেজাল্ট যখন হাতে এলো, আমাদের সবার চোখ চড়কগাছ! Anti-HIV টেস্ট পজিটিভ। HIV এমন একটা ভাইরাসজনিত রোগ, যার কোন প্রতিষেধক এখনো তৈরি হয় নাই। এই রোগে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এবং সবশেষে রোগী মারা যায়। কিন্তু এই এইচআইভি উনার শরীরে আসলো কেমনে??? এবার যখন রোগীকে আলাদা ডেকে একটু 'ডাক্তারি কায়দায়' চাপ দিলাম, তখন আসল বিড়াল থলে থেকে বের হলো। ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে স্বীকার করল সে সমকামী। গত ১০-১২ বছর ধরে নিজের আপন চাচাতো ভাইয়ের সাথেই তার 'ইটিশ-পিটিশ' সম্পর্ক চলেছে। সৌদি আরবে গিয়েও সে একই কাজ করছে। এরপর রোগীকে আমরা পিজি হসপিটালে রেফার করে দিলাম। যেহেতু স্বামী এইচআইভি পজিটিভ, স্ত্রীরও এইচআইভি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ওই বাচ্চাটার ও হতে পারে। কারণ এই রোগটা ছড়ায় রক্ত, বীর্য,লালা, দুধের মাধ্যমে . বর্তমানে বাংলাদেশের সমকামিতা অনেক বেশি পরিমাণে বাড়ছে, আবাসিক মাদ্রাসা থেকে শুরু করে গুলশানের হাই সোসাইটিতে এই কাজ অহর চলতেছে। শুধু সমকামিতা না, ছেলে মেয়ের অবৈধ মেলামেশা বর্তমান সমাজের একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে। নিজের সন্তানের দিকে খেয়াল রাখুন । যদি এসব কাজ থেকে আপনার সন্তানকে দূরে না রাখতে পারেন তাহলে বাবা-মা হিসেবে আপনি ব্যর্থ। এরপর মনে মনে উনার স্ত্রী এবং সন্তানের কথা ভাবতে ছিলাম। স্বামীর অপকর্মের দায়ে তাদের কপালে দুঃখ আসলো। পরিবারটা এখন দুর্বিষহ জীবন যাপন করবে। ভাগ্য ভালো থাকলে হয়তো বা সুস্থ হতে পারে অথবা মারা যাবে। মারা যাওয়ার সম্ভাবনায় বেশি। কিন্তু উনি মারা গেলে ওই স্ত্রী এবং বাচ্চাটাকে কে দেখবে ?????????? এই প্রশ্নের উত্তর কই খুঁজবো?
64
15
লেখাটা পইড়েন। আপনার সমর্থন ছাড়া আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি বা পর্তুগালের কিছুই আটকে থাকবে না। তবুও আপনি কাঁদবেন। রাগ করবেন। ঝগড়া করবেন। রাত জেগে ম্যাচ দেখবেন। স্ট্যাটাস দেবেন। কখনো কখনো সম্পর্ক নষ্ট করবেন। কেন? কারণ অধিকাংশ সমর্থকের জন্য ফুটবল আসলে শুধু একটা খেলা না। এটা তাদের পরিচয়ের ক্ষুধার সাথে সম্পর্কিত। মানুষ শুধু বাঁচতে চায় না। সে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করতে চায়। সে অনুভব করতে চায়—"আমি কারো না কারো অংশ।" "আমি কোনো বড় কিছুর সাথে যুক্ত।" "আমার অস্তিত্বের একটা অর্থ আছে।" আর এখানেই শুরু হয় এক অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক খেলা। বাস্তবে আপনি ব্রাজিলিয়ান না। আর্জেন্টাইন না। পর্তুগিজ না। আপনার জন্ম, বেড়ে ওঠা, সংগ্রাম, ভবিষ্যৎ—কোনোটার সাথেই এই দলগুলোর বাস্তব কোনো সম্পর্ক নেই। তবুও আপনি তাদের জয়ে আনন্দিত হন, তাদের হারে ভেঙে পড়েন। কারণ মানুষ অনেক সময় নিজের জীবনে অর্থ তৈরি করতে না পেরে ধার করা অর্থে বাঁচতে শুরু করে। সে নিজের কোনো অর্জনের জন্য গর্বিত না। তাই সে অন্যের অর্জনকে নিজের অর্জন বানিয়ে নেয়। সে নিজে কোনো যুদ্ধ জেতেনি। তাই অন্যের ট্রফিকে নিজের বিজয় বলে অনুভব করে। সে নিজে কোনো ইতিহাস তৈরি করেনি। তাই অন্যের ইতিহাসের সাথে নিজের নাম কল্পনায় জুড়ে দেয়। মনোবিজ্ঞানে এটাকে বলা হয় Basking in Reflected Glory। অর্থাৎ, অন্যের সাফল্যের আলোতে দাঁড়িয়ে নিজেকে উজ্জ্বল অনুভব করা। যখন একজন মানুষ নিজের পরিচয়, মর্যাদা এবং আত্মমূল্যকে নিজের চরিত্র, জ্ঞান, কাজ বা অবদানের উপর না দাঁড় করিয়ে একটা ফুটবল দলের উপর দাঁড় করায়, তখন সে অজান্তেই নিজের সত্তাকে ছোট করে ফেলে। কারণ তখন তার গর্বের উৎস আর সে নিজে না। তার গর্বের উৎস হয়ে যায় এমন কিছু, যার উপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, কোনো অবদান নেই, কোনো মালিকানাও নেই। ভাবুন তো— আপনার জীবনের সবচেয়ে তীব্র আনন্দ যদি আসে এমন এক গোল থেকে, যেখানে আপনার কোনো ভূমিকা নেই— আর সবচেয়ে তীব্র হতাশা যদি আসে এমন এক হারের কারণে, যেখানে আপনার কোনো দায়ও নেই— তাহলে আপনার আবেগের মালিক আসলে কে? আপনি? নাকি অন্য কেউ? মানুষের সবচেয়ে বড় সম্মান হলো তার স্বাধীন সত্তা। তার বিবেক। তার চিন্তা। তার নিজস্ব অর্জন। কিন্তু পরিচয়ের সংকটে ভোগা মানুষ প্রায়ই নিজের সেই সত্তাকে যথেষ্ট মনে করে না। তাই সে নিজেকে বড় দেখানোর জন্য বড় কিছুর সাথে জুড়ে দেয়। কেউ দলের সাথে। কেউ সেলিব্রিটির সাথে। কেউ রাজনৈতিক দলের সাথে। কেউ জাতিগত অহংকারের সাথে। কেউ ফুটবল দলের সাথে। কারণ নিজের ভেতরে শূন্যতা থাকলে মানুষ প্রায়ই বাইরে পরিচয় খোঁজে। আর সেই ধার করা পরিচয় কিছু সময়ের জন্য তাকে উষ্ণতা দেয়। কিন্তু কখনো পূর্ণতা দেয় না। কারণ সত্যিটা খুব নির্মম— মেসি আপনাকে চেনে না। নেইমার আপনাকে চেনে না। রোনালদো আপনাকে চেনে না। বিশ্বকাপ জিতলেও আপনার জীবনের একটা সমস্যাও সমাধান হবে না। হারলেও আপনার জীবনের কোনো বাস্তব ক্ষতি হবে না। সবকিছুই ঘটবে আপনার মাথার ভেতরে। আপনার অনুভূতিতে। আপনার কল্পিত পরিচয়ে। এই কারণেই বিশ্বকাপ আসলে ফুটবলের চেয়ে বেশি মানুষের মনস্তত্ত্বের গল্প। এটা দেখায় একজন মানুষ নিজের পরিচয় কোথায় খুঁজছে। নিজের ভেতরে? নাকি অন্যের জার্সিতে? কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হয়তো কোনো দলের হার না। বরং এই যে, সে নিজের জীবনে এমন কিছু তৈরি করতে পারেনি, যার জন্য গর্ব করা যায়। তাই তাকে অন্যের গোল, অন্যের ট্রফি, অন্যের ইতিহাস ধার করে বাঁচতে হয়। আর একজন মানুষ নিজের জীবন না বাঁচে যতদিন, ততদিন সে কোনো না কোনো দলের সমর্থক হয়েই থাকবে- কিন্তু নিজের গল্পের নায়ক আর হয়ে উঠতে পারবে না। — Mahfuj Alamin
40
16
لا يوجد نص...
52
17
আপনার সন্তানকে আপনি যেভাবে তৈরি করবেন, অভ্যাস করবেন সে সেভাবেই গড়ে উঠবে। এখন ভাবার বিষয় আপনি আপনার সন্তানকে কীভাবে তৈরি করছেন। আপনি তাঁকে ভালো আমল, ভালো পড়াশোনা , ভালো জিনিস শিখাচ্ছেন না। অথচ আপনি তার কাছ থেকে আশা করছেন যে, আপনার ছেলে ভালো হোক আপনার ছেলে নামাজি হোক। আপনি নিজে নামাজ পড়ছেন না অথচ আপনি আশাবাদী আপনার ছেলে ভালো হবে। শিশুরা কোমল। তাদেরকে ছোট থেকে যেভাবে তৈরি করবেন, তারা সেভাবেই বড় হবে। এজন্য আপনার ছোট শিশুকে এখন থেকে ই ভালোভাবে তৈরি করার মন মানসিকতা রাখুন।
52
18
রাজধানীর মিরপুরে শেওড়াপাড়ায় মাথায় ইট মেরে মোটরসাইকেল ছিনতাই। সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন মানুষ এই শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাব
রাজধানীর মিরপুরে শেওড়াপাড়ায় মাথায় ইট মেরে মোটরসাইকেল ছিনতাই। সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন মানুষ এই শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাবে। করোনার সময়কার চেয়ে বেশি মানুষ গ্রামে চলে যাবে। এই শহর আর বাসযোগ্য নাই। মানুষের জানমালের দায়িত্ব যাদের ছিল তারা ব্যাংক খেতে ব্যস্ত আছে।
73
19
لا يوجد نص...
77
20
لا يوجد نص...
76