ar
Feedback
আল-আকসা ♥️

আল-আকসা ♥️

الذهاب إلى القناة على Telegram

♥️ ও. এম. প্রকাশনী (সাহিত্যের মাধ্যমে_তারুণ্যের সৃজনশীলতা বিকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ) 🍀 O.M. MEDIA YouTube channel 👇 https://youtube.com/channel/UCDH_pJHz6kOSzsNymvRGfJA

إظهار المزيد
900
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-27 أيام
-2130 أيام

جاري تحميل البيانات...

سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
سبتمبر '26
سبتمبر '260
في 0 قنوات
أغسطس '26
+5
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '26
+5
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '26
+8
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '26
+11
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+12
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '26
+6
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+65
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '26
+14
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+6
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+8
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+11
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+11
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+15
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+10
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+36
في 2 قنوات
Get PRO
مايو '25
+28
في 2 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+46
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '25
+50
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+15
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '25
+50
في 2 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+96
في 2 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+78
في 2 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+144
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+37
في 2 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+165
في 5 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+515
في 4 قنوات
التاريخ
نمو المشتركين
الإشارات
القنوات
03 سبتمبر0
02 سبتمبر0
01 سبتمبر0
منشورات القناة
2
• সাভারের শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের প্রতি জরুরি আহ্বান সাভারের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামের প্রতি বিনীত কিন্তু জোরালো আহ্বান—এই বিষয়ে আর বিলম্ব করার সুযোগ নেই। প্রয়োজনে দ্রুত মিটিং আহ্বান করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করুন এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আমরা চাই না—কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পর সবাই জেগে উঠুক। যখন পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে যে, পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাবে—তখন জেগে উঠে লাভ কী? ততক্ষণে হয়তো অনেক দেরি হয়ে যাবে। বিশেষ করে সাভারের শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে একটি তদন্ত ও তদারকি কমিটি গঠন করা জরুরি। ইত্তেহাদের দায়িত্বশীল ভাইদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ—আপনারা বিষয়টি সরেজমিনে খোঁজ নিন। সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসায় যান, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলুন এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করুন। মাদ্রাসাটি কওমি, নাকি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান—তার সঠিক পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা পরিষ্কার করুন। অভিযোগ বা ঘটনাটি কতটুকু সত্য, বাস্তবতা কী, কার দায় কতটুকু—সবকিছু নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে জাতির সামনে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ঘটনা সত্য প্রমাণিত হলে প্রশাসনকে সহযোগিতা করুন এবং আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সহযোগিতা করুন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এমন কর্মকাণ্ড করার সাহস না পায়। আজ মনে হচ্ছে, আমরা যেন আবারও কোনো কোনো ক্ষেত্রে জাহেলিয়াতের অন্ধকার সময়ের দিকে ফিরে যাচ্ছি। আর আমাদের অসতর্কতা ও নীরবতাকে মাদ্রাসাবিরোধী মহল সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা যখন পুরো কওমি অঙ্গন ও দ্বীনি শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলার হাতিয়ার হয়ে যায়, তখন বিষয়টি আর শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিষয় থাকে না; এটি হয়ে ওঠে সমগ্র দ্বীনি অঙ্গনের ভাবমূর্তি ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন। তাই আল-হাইআতুল উলয়া, বেফাক এবং ছয় বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান—আপনাদের অধীনস্থ প্রতিটি মাদ্রাসার ব্যাপারে যথাযথ তদারকি, জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন। কোনো প্রতিষ্ঠানে এমন গুরুতর ঘটনা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি, অধিভুক্তি বা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতির বিষয়টিও কঠোরভাবে বিবেচনা করুন—যাতে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়মের দায় পুরো কওমি অঙ্গনের ওপর এসে না পড়ে। একটি ঘটনা যেন হাজারো মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট করার কারণ না হয়। একজনের অপরাধ যেন পুরো অঙ্গনের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ না পায় কেউ। আর আমাদের নীরবতা যেন অপরাধীর জন্য আশ্রয় হয়ে না দাঁড়ায়। এখনই সময়—সত্য উদঘাটনের, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতরে জবাবদিহিতার শক্ত ভিত্তি তৈরি করার। দেরি নয়, এখনই যথাযথ পদক্ষেপ চাই। • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. • বৃহস্পতিবার
9
3
Video Downloader
53
4
Video Downloader
53
5
+1
لا يوجد نص...
1
6
ইহুদি ধর্ম বিচ্যুত। প্রি-তালমুদীয় আর তালমুদীয়। ইসা আলাইহিসালামের সময় তালমুদীয় যুগ শুরু হয়। মৃত্যুর ১০০ বছরের মধ্যে অনেক মিস্টিক ধর্ম শুরু হয় এবং কাব্বালাহর সূচনা। খ্রিস্টান ধর্ম দুই প্রকার, আসল খ্রিস্টান আর পলের খ্রিস্টান। বর্তমান বাইবেল পলের রচিত, যে ইসা আ. দেখেনি, দেখা করেনি, প্রকাশ্যে বিরোধিতা করে। খানিক আসল বাইবেলের দেখা মিলে ইথিওপিয়ান বাইবেলে। ওটা আবার খ্রিস্টানরা একসেপ্ট করে না। ওই ইথিওপিয়ান বাইবেলে নামাজের ধরণ ও আমাদের মত। সেমেটিক ধর্মের ২ টা ধর্ম করাপ্ট হইসে মাত্র ৫০০ বছরের মধ্যে। ইসলাম ওই দুইটাও ছিল। কোনো নবী নতুন ধর্ম শেখাইতে আসে নাই৷ তবে নবীদের শিক্ষাগুলো বাঝেভাবে বিকৃত হইসে আমাদের নবীর ছাড়া। ১৪০০ বছরে কোরআন অবিকৃত আছে। এটা হলো জীবন্ত নিদর্শন যে রাসূল সা. শেষ নবী। কারণ করাপ্ট না হলে নতুন নবীর দরকার ছিল না। সেমেটিক ধর্মগুলো নিয়ে যত জানবেন, তত ইসলামের প্রতি মায়া বাড়বে। - M J Babu (মিকাইল ভাই)
53
7
মাগুরায় মোটরসাইকেলের হর্ন বাজানোকে কেন্দ্র করে এক পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড় মেরে শারীরিক নিপীড়ন এবং লাঞ্চিত করেছে সাবেক সদর থানা ছাত্রদলের সভাপতি নাঈমুজ্জামান নয়ন। পুলিশকে থাপ্পড় মেরে সেটা আবার ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে সাবেক এই ছাত্রদল নেতা। এ সময় তাকে হামলায় সহযোগিতা করেন মাগুরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন। এদিকে প্রকাশ্যে পুলিশ সদস্যকে এভাবে মারধর ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করায় জেলা পুলিশে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
51
8
لا يوجد نص...
1
9
لا يوجد نص...
43
10
সত্যি বলতে এখন আর মুসলিম মেয়েদের সতর্ক করে পোস্ট করতে ইচ্ছে করে না, কারন কি জানেন???? আমার নিজ অভিজ্ঞতা থেকে কয়টা কথা বলি শুনেন? যখন দেখি মুসলিম মেয়েরা, হিন্দু ছেলের সাথে প্রেম করে, ওদের সাথে বিছানায় যায়, আল্লাহর দেয়া পবিত্র সতিত্ব টা, উগ্র হিন্দু কে বিলিয়ে দেই, তখন বড্ড কষ্ট হয় আফসোস লাগে? কেন জানি সব ফেইক মনে হয়, নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারি না, আসলেই কি এই মেয়ে গুলো হিন্দু ছেলের বিছানায় বিছানায় যায়,হিন্দু ছেলের সামনে পাই'জামা খুলে??? নিজেকে বিশ্বাস করানোর জন্য ফেইসবুকে একটা ফেইক একাউন্ট খুলি, প্রোফাইল পিকটা দিছি বেশ আকর্ষণিও, যেনো মালুদের কে সহজেই কাবু করা যায়, এবং ওদের কাছ থেকে সহজেই সত্যি টা জানা যায়, তারপর এড হয় ১৮+ গ্রুপে, এড হয়ে পোস্ট করলাম, হিন্দু ছেলে বন্ধু চাই, কোনো হিন্দু ছেলে আমার বন্ধু হতে চাইলে, আমাকে ইনবক্সে করুন??? পোস্ট করার ৫.৭ মিনিটের মধ্যেই ৪০+৫০ জন হিন্দু ছেলে এবং মধ্যে বয়স্ক হিন্দু লোক জা'পিয়ে পরেছে, আমার ইনবক্সে, এড পাঠিয়ে শুরুতেই মেসেজ দিয়েছে, এই হিজাবী, আমি তোমার সাথে প্রেম করতে চাই, তোমাকে ভো'গ করতে চাই, তুমি কি আমার হবে??? উত্তরে আমি বল্লাম,জি আপনি যা চান সব হবে?তবে কয়টা সত্যি কথা বলতে হবে,পারবেন কি বলতে? তোমাকে পাওয়ার জন্য একটা কেন, হাজার টা সত্যি বলতে রাজি আছি, বলো সোনা, কি জানতে চাও? উত্তরে আমি বল্লাম যে রিলেশন করেন, সে হ্যা করি তো, আমি আবারো জিগ্যেস করলাম, কার সাথে? সে উত্তরে বল্লো, মুসলিম মেয়ের সাথে, আমি তার মেসেজে wow রিয়েক্ট দিয়ে, উৎসাহ মাখা শুরে বল্লাম বাহ ভালই তো, তারপর জিগ্যেস করলাম কখনো সরাসরি দেখা করছেন? সে বল্লো ২০ বারের উপর ভো'গ করেছি, আমি তাকে আবার জিগ্যেস করলাম যে এখন করেন না, সে উত্তরে বল্লো না এখন হয়না, আমি আবার জিগ্যেস করলাম কেন কি হয়েছে??? সে উত্তরে বল্লো,তার বিয়ে হয়ে গেছে, তবে সুযোগ পেলে আবার করবো, আরেক হিন্দু ছেলের সাথে কথা হল, সে ঢাকাতে থাকে, তার পাশের বাসায় একজন মুসলিম মহিলা থাকে, তার বয়স ৩০+ তার হাসবেন্ড বিদেশে থাকে, মুসলিম মেয়েটা তার দুইটা বাচ্চা নিয়ে ঢাকায় একা থাকে? জামাই বিদেশে গেছে ৫ বসর, এই ৫ বসরেই নাকি মুসলিম মেয়েটা কে ভোগ করে আসছে? জিগ্যেস করলাম এখন করেন না, সে উত্তরে বল্লো না,এখন হয়না, আমি জিগ্যেস করলাম কেন কি হয়েছে? সে বল্লো, এখন তার জামাই বিদেশ থেকে চলে আসছে, আরেক জন হিন্দু ছেলেকে সবার মতই জিগ্যেস করার পর, সেও বল্লো, আমি একজন মুসলিম কলেজ পরুয়া মেয়েকে অনেক দিন ভো'গ করেছি, আহ খুব মজা পাইছি??? বেশ কয়েক জন যুবক হিন্দু ছেলে এবং মধ্যে বয়স্ক হিন্দু লোকের সাথে কথা বলার পর, সবাই একি কথা , সবার মুসলিম GF আছে, তাদের কে ওরা একবার দুইবার নয়, বহুবার ধর্ষ'ণ করছে, সত্য যাচাই এর জন্য, পিক ভিডিও চাইলাম, সাথে সাথে মুসলিম মেয়ের সাথে se..করার ভিডিও পিক পাঠিয়ে দিয়েছে... এগুলো দেখার পর, নিজেকে কি ভাবে বুঝ দিবো বুঝতে পারছিলাম না, খুব খারাপ লাগছিল, আহারে এই মেয়ে গুলো যদি উগ্র হিন্দুর সাথে সম্পর্ক না করতো, তাহলে কি ওরা জোর করে তাকে ভোগ করতো পারতো, অবশ্যই না, ইচ্ছে করেই ওরা হিন্দু ছেলের ফাঁদে পা দিচ্ছে, আর নিজেকে ওদের কাছে ভোগের পাত্র বানাচ্ছে, দোষ তো আগে এ মেয়েদের, এরা নাপাক হিন্দু থেকে নিজেকে হেফাজত রাখলে, কোনো হি'ন্দু খান'কির পোলায় তাকে স্পর্শ করার সাহস পেতো, তার আগে আমাদের মুসলিম বঙ্গের ছেলেরা ওদের সেটা ভে'ঙে দিতো, দোষ তো তোর বেশি খান'কি,তুই কেন নাপাক হিন্দু ছেলের কাছে গেলি?? বিশ্বাস করেন ভাই, কোনো হিন্দু মেয়ে যদি আমাকে একা রুমে লেং'টা হয়েও বলে, Osama আমাকে গোয়া মারো, সত্যি মালিকের কসম, আমি তাকে দুইটা কি'ক মেরে চলে আসবো, তারপরও, হিন্দু মেয়ের সাথে se..করবো না, আরে ভাই আমি তো মুসলিম, মুসলমানদের তো একটা রুচি আছে তাইনা. সে যত সুন্দরী মেয়েই হক না কেন, তাকে ইগনোর করার ক্ষমতা আমি রাখি, আমার বহু মুসলিম ভাই, রাখে. যাইহোক কথা হচ্ছে এইটা যে, আমরা মুসলিম ছেলেরা যেখানে হিন্দু মেয়ের সাথে প্রেম করার প্রয়োজন মনে করি না, সেখানে আমাদের কিছু নামধারি মুসলিম খান*কি মেয়েরা কেমনে পারে নাপাক হিন্দু ছেলের সাথে বিছানায় যেতে এবং তার সামনে পাই'জামা খুলতে... সব শেষে এই মা'গিদের কে যখন, হিন্দু'রা ভো'গ করে খেয়ে চলে যায়, তখন বোরকা হিজাব পরে,একেবারে রাবেয়া বসরী সেজে,মুসলিম দারি ওয়ালা টাকা ওয়ালা, ছেলে দেখে ১০-২০ টাকা কাবিন লেখিয়ে বিয়ে করে নেই, আর আমাদের বোকা ছেলেরা তার অতিত নিয়ে প্রশ্নই করে না, মনে করে খুব ভাল মেয়ে পাইছে,উপরে যেমন সুন্দর নিচেও তেমন সুন্দর, তাই তার অতিত নিয়ে প্রশ্ন করার প্রয়োজন মনে করে না, আফসোস হে আল্লাহ আপনি দয়া করে, না'পাক হিন্দু থেকে আমাদের মুসলিম মেয়ে গুলো কে, হেফাজত করুন, তাদের কে সহি বুঝ দান করুন আমিন সংগৃহীত
157
11
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য দেখলাম ৩২১ কোটি টাকার ট্যাব কিনবে সরকার অলরেডি অনুমোদন ও হয়ে গেছে। অথচ এই ৩২১ কোটি টাকা দিয়ে অন্য কোন Sustainable Development করা সম্ভব। অল্প কিছু টাকা খরচ করে একটা Website Development করলেই হয়। যারা সুপারভাইজার হচ্ছে মোটামুটি প্রতিটা ছেলে মেয়ের হাতেই এখন Smart Phone আছে। তাদেরকে একটা ইউজার আর পাসওয়ার্ড দেওয়ার মাধ্যমে এই জিনিস সহজে আলাদা ডিভাইস ছাড়া তাদের ফোন থেকেই কাজ গুলো করা সম্ভব ছিলো। যাইহোক এই রাষ্ট্রে সুচিন্তিত করার মানুষের সংখ্যা অনেক কম সব সময় কিভাবে নতুন নতুন ধান্দা খোলা যায় আর কেমনে রাষ্ট্রের কোষাগারের পুনমেরে নিজের পকেটে মাল পানি ভরা যায় সেটা নিয়েই সবাই বেশি চিন্তিত থাকে। Family Card Project একটা সময় গিয়ে Failed করবে এটা আজকে আমি বলে রাখলাম সবচেয়ে বড় কারণ হবে এমন টাকার অপচয় এবং অব্যবস্থাপনা। একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে রাষ্ট্রের এমন শত শত কোটি টাকা জলে ভাসিয়ে দিতে দেখে বেশ কষ্ট পাচ্ছি। পাশাপাশি ঘৃণা আর রাগে মনে মনে বলছি এই রাষ্ট্রের কখনো কোন দিন ভালো হবে না হওয়ার সম্ভাবনা ও নেই অদূর ভবিষ্যতেও।
138
12
দীর্ঘকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল৷ জুলাইয়ের কারণে সে তার মাকে মৃত্যুর আগে অন্তত ছুঁয়ে দেখতে পেরেছে। তাই জুলাইয়ের প্রতি তার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত৷ জুলাই সনদ বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির সনদ৷ বিএনপি যদি জুলাইকে গ্রহণ করে তাহলে তার কোনো ক্ষতি নাই৷ যদি গ্রহণ করে তাহলে বিএনপির জনপ্রিয়তা দ্বিগুণ হয়ে যাবে এবং বিরোধীদলীয় রাজনীতি নাই হয়ে যাবে৷ বিএনপির কাছে সুযোগ আছে। এখন দেখা যাক, কোনটা গ্রহণ করে৷ ১২. মির্জা আব্বাসের যদি বৈধতা থাকে তাহলে সিটে এসে বসা উচিত। আর যদি বৈধতা না থাকে তাহলে উপনির্বাচন হওয়া উচিত৷ ওই আসনের মানুষের তো একটা লোক দরকার। তারা তাদের দুঃখগুলো কাকে বলবে! ওসমান হাদি এখন আর ঢাকা-৮ আসনে সীমাবদ্ধ নাই, উনি এখন বাংলাদেশের আজাদির প্রতীক হয়ে গেছেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক। ১৩. জাবেরের সিটি করপোরেশনে ইলেকশন করার এখনো কোনো চিন্তা নাই। র‍্যাপিড ফায়ার— ১. এখনো পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান করার চিন্তাভাবনা নাই কিন্তু প্রয়োজন পড়লে করবেন৷ ২. ইনকিলাব মঞ্চ জামাত-শিবিরের দোকান না, বাংলাদেশের দোকান। ৩. জাবের ৩ মাস ধরে বেকার। আগে একটা পত্রিকায় ফিচার রাইটার হিসেবে ছিলেন, মাসিক ১৫ হাজার টাকা বেতনে। এখন ঢাকায় নিজস্ব কোনো বাসা নাই৷ এখানে-ওখানে থাকেন। ৪. প্রিয় খাবার: মায়ের হাতের খিচুড়ি৷ ৫. হাদি ভাইয়ের প্রিয় খাবার: ভর্তা-ভাজি, পান্তাভাত ৬. ওসমান হাদির ৩টা সমালোচনা— • সবাইকে বিশ্বাস করতেন৷ • জীবনের শেষ সময়ে মিতব্যয়ী ছিলেন না৷ • পরিবারকে সময় দেননাই৷ ৭. এনছিপির ৩টা সমালোচনা— • জুলাইকে শুধু নিজেদের মনে করে৷ • ভাইব্রাদার কোরামের বাইরে বের হতে পারছে না। • জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে খুব একটা সফল হয়নাই৷ ৮. বিএনপি ৩টা সমালোচনা— • ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না৷ • ১৭ বছর গুন-খুমের শিকার হবার পরেও আবার সেই রাজনীতিতেই ফেরত যাবার চেষ্টা করছে৷ • জুলাইয়ের পক্ষে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নাই৷ ৯. জামাতের ৩টা সমালোচনা— • নিজেদের বাইরের লোকদের খুব একটা পুতঃপবিত্র মনে করে না। • নিজেদের লোকদের ভেতরে থাকবার একটা প্রচেষ্টা থাকে সবসময়৷ • ভুল করলেও জাস্টিফাই করার চেষ্টা করে। ১০. পছন্দের রাজনীতিবিদ: নাহিদ ইসলাম (এনছিপি), সালাহউদ্দিন আহমেদ (বিএনপি), ডা. শফিকুর রহমান (জামাত) ১১. একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হলে: শহীদ ওসমান হাদির হোত্তার বিচার করবেন৷ ১২. সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে চলতে চান৷ ১৩. মানুষ যদি মনে করে উনি সৎ, ওনার উপর বিশ্বাস রাখা যায় তাহলেই উনি নিজেকে সফল বলে মনে করবেন৷ পডকাস্টে মোটাদাগে ৩টা সমস্যা খুব চোখে লেগেছে— • এডিটিং ভালো হয়নি৷ • প্রশ্নের একটা ধারা থাকা উচিত ছিল, কেমন যেন খাপছাড়া৷ সাজেশন: একটা গ্রাফে ঢেউ আঁকলে যেমন হয়, তেমন করতে পারলে ভালো। • পিংপং খেলানো উচিত হয়নাই। এইটা শোবিজের লোকজনকে দেওয়া যায়। রাজনীতি একটা সিরিয়াস বিজনেস।
133
13
The Core Concept এর একটা পডকাস্টে অতিথি হিসেবে ছিলেন Abdullah Al Jaber ভাই৷ ১ ঘণ্টা ১৭ মিনিটের পডকাস্টটার লিংক কমেন্টে দিয়ে দিচ্ছি। সময় থাকলে দেখতে পারেন। সময় না থাকলে এই পোস্ট থেকে জিস্ট জেনে নিতে পারেন। মতামত জাবের ভাইয়ের নিজস্ব৷ এটির দায় আমার না। আমি চেষ্টা করেছি ওনার বক্তব্য যতটা সম্ভব অবিকৃত রাখার৷ ১. পডকাস্টে বেশ কয়েকবার হাদি ভাইয়ের পরিবারের সাথে ইনকলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হয়৷ প্রত্যেকবারই জাবের অত্যন্ত ডিপ্লোমেটিক উত্তর দেন৷ সম্মান দিয়ে কথা বলেন৷ হাদি ভাইয়ের বোন মাসুমা হাদি একটা সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসলে জাবের ভাই বা জুমা তাকে কল করেনি। করা উচিত ছিল বলে জাবের বলেন। ওমর হাদির সরকারি চুক্তিভিত্তিক চাকরি নিয়ে দেশত্যাগ করাকেও উনি পজিটিভলি দেখেন। জাবেরের মতে, ভুল বোঝাবুঝি থাকতে পারে কিন্তু দ্বন্দ্ব নাই৷ ২. ইনকিলাব মঞ্চের কাজ চলছে। ওটা হয়তো ইন্টেরিম আমলের মতো অতো হাইলাইটেড হচ্ছে না মিডিয়ায়। ইস্কুল নামে একটা কিশোর পত্রিকা চালু করা হয়েছে৷ দ্বিতীয় সংখ্যা (আজাদি সংখ্যা) ৫,০০০ কপি ছাপানো হয়েছে। তার মধ্যে প্রি-অর্ডার-ই এসেছে ২,৫০০ কপি। নতুন পত্রিকা 'জন্মদাগ' বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে কাজ করবে। একটা কমিক্স আনার প্ল্যান আছে৷ শুধু ডকুমেন্টারি না, সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা আছে। 'দেশভাগের' ন্যারেটিভে না, বরং 'আজাদি'-র সিনেমা। ৩. হাদি ভাইয়ের শাহাদাতের সময় থেকে ডোনেশন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। কিছুদিন আগে 'খয়রাত লাগবে' বলে একটা ক্যাম্পেইন রান করা হয়৷ ইনকিলাব মঞ্চের ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেইসবুক পেইজের মনিটাইজেশন অন হয়ে গেছে৷ বইমেলায় ১৫ লক্ষ টাকার বেশি রেভেনিউ জেনারেট হয়েছে। এভাবে অর্থের সংকুলান হচ্ছে৷ ৪. ৫ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব হয়েছিল শুধু, ফাইনালাইজ কিছুই হয়নি। মিডিয়াগুলো টিআরপির জন্য ওভাবে সংবাদ প্রকাশ করে। জাবের বলেন, "শহীদকে সম্মান জানানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রের। আমরা সর্বোচ্চ, রাষ্ট্রের কাছে আবেদন করতে পারি।" তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বিএনপি সরকার অন্তর্ভুক্তির কাজটি করবে। ৫. জানামতে ফিরনাসের (হাদি ভাইয়ের সন্তান) আর্থিক টানাপোড়েন চলছে না। সরকার ফ্ল্যাট ও ফান্ড দিয়েছে। ৬. ওসমান হাদি হোত্তাকাণ্ডের যে মামলা তাতে বাদী জাবের। কেন উনিই বাদী হলেন এই প্রশ্নটা উনি এড়িয়ে যান এবং পুলিশের ADC ও IO এর কাছে জিজ্ঞেস করলে উত্তর মিলবে বলে জানান। ৭. ওসমান হাদি হোত্তাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া আগায় নাই। ১৮ বার পিছিয়েছে৷ মমতা ব্যানার্জি গুরুতর অভিযোগ করলেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সেটাকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে, আজ হোক কাল হোক, ওসমান হাদির হোত্তার বিচার এই জমিনে হবে। হতেই হবে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি এই জায়গাতে লড়াই করে যেতে চান। ৮. কিছুদিন আগে হামে শিশুমৃত্যুর কারণ হিসেবে 'ফিটনেস ধরে রাখার জন্য নারীরা বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ান না' এরকম একটা মন্তব্যের কারণে সমালোচনার শিকার হন জাবের। সেজন্য তিনি ক্ষমা চান এই পডকাস্টে। অনেক কারণের মধ্যে ওটা একটা কারণ হলেও অবশ্যই একমাত্র কারণ না বলে স্বীকার করেন। ৯. হাদি ভাই জাবের ভাইয়ের থেকে ৫ বছরের বড়। তাদের গাঢ় বন্ধুত্বের সূচনা মূলত করোনার সময় থেকে। লকডাউনের সময় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া, এলাকার পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালু করা এগুলো থেকেই একসাথে লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে৷ ৫ আগস্টের পরে নলছিটি উপজেলার মন্দির পাহারা দিতে গিয়ে একটা প্ল্যাটফর্ম করার আইডিয়া আসে। ৮ আগস্ট শাহবাগে ব্যানার ছাড়া খুমি হাসিনার বিচারের দাবিতে একটা প্রোগ্রাম করা হয়। ১৩ আগস্ট ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে শাহবাগে প্রথম প্রোগ্রাম হয়৷ ১০. মোদি সরকার ক্ষমতা থেকে নামলেও যে ওসমান হাদি হোত্তার পিছনের নামগুলো বের হয়ে আসবে তা জাবের মনে করেন না। যে সরকারই আসুক, জাতীয় স্বার্থে ইন্ডিয়া যে সিক্রেসি মেইনটেইন করে, উনি তা স্মরণ করিয়ে দেন৷ ১১. নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের কর্মীদের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল৷ বাংলাদেশ ব্যাংকের CSR ফান্ড থেকে জুলাইয়ের শহীদ পরিবারকে ২ লক্ষ করে টাকা দেওয়া শুরু হয়েছিল৷ সেটা বন্ধ করে দিয়ে সরকারদলীয় শহীদদেরই এই টাকা দেওয়া হয় এখন। বর্তমান সরকার জুলাইয়ের সাথে প্রতারণা করেই ক্ষমতায় এসেছে। গণভোটে হ্যাঁ দিতে বলে এখন বাস্তবায়ন করছে না। এই সংবিধান গত ১৭ বছর তাদেরকে গুম হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারেনাই, ফ্যাসিবাদ থেকে মানুষকে বাঁচাইতে পারেনাই, এই সংবিধান বেগম খালেদা জিয়াকে জেল থেকে মুক্ত করতে পারেনাই৷ সুতরাং এই সংবিধানের দোহাই দিয়ে যদি ১৪০০ শহীদের আর্তনাদ, রক্ত, ২০ হাজারের অধিক আহতদের বলিদানকে তুচ্ছ করা হয়.. বিএনপিকে আবারও আগের অবস্থার (ধানক্ষেতে রাত্রিযাপন) পুনরাবৃত্তি করতে হতে পারে৷
105
14
لا يوجد نص...
59
15
لا يوجد نص...
77
16
সবুজ পাসপোর্ট থাকাটাই কি আমাদের সবচেয়ে বড় অপরাধ? 💔 একটু চোখ বন্ধ করে ভাবুন তো - আপনি আপনার বয়স্ক বাবা-মা বা ছোট্ট বাচ্চাটাকে নিয়ে কানাডা থেকে দেশে ফিরছেন। হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আপনার ফ্লাইট ইতালির রোমে ইমার্জেন্সি ল্যান্ড করলো। আপনি ভাবছেন, দেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান, নিশ্চয়ই বিপদে আপনাকে সর্বোচ্চ দেখভাল করবে। কিন্তু বাস্তবতা শুনলে আপনার শিউরে উঠতে হবে! গত ২২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে রোম এয়ারপোর্টের মেঝেতে রিফিউজির মতো পড়ে আছেন ১৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি! অথচ একই ফ্লাইটের (BG-306) প্রায় ৮০ জন আমেরিকান ও কানাডিয়ান পাসপোর্টধারীকে ঠিকই ইমিগ্রেশন পার করে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কেন জানেন? কারণ তাদের হাতে বিদেশি পাসপোর্ট আছে, আর আমাদের যাত্রীদের হাতে আছে যেন এক 'অলিখিত অপরাধের চিহ্ন’-বাংলাদেশের সবুজ পাসপোর্ট! এমনকি যাদের আমেরিকার গ্রিন কার্ড আছে, শুধুমাত্র বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হওয়ায় ইতালির ইমিগ্রেশন তাদেরও কোনো ট্রানজিট ভিসা দেয়নি। তাদেরকেও ফ্লোরে রাত কাটাতে হচ্ছে! এর আগে টানা ৮ ঘণ্টা এসি ছাড়া একটা বদ্ধ বিমানে আড়াইশ যাত্রীকে আটকে রাখা হয়েছিল। শিশু আর বয়স্ক মানুষেরা গরমে আর কষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। কারও কাছে জরুরি ওষুধ নেই, বাচ্চার খাবার নেই, ঘুমানোর জায়গা নেই। আর বিমানের কোনো প্রতিনিধির টিকিটিও সেখানে নেই! সবচেয়ে ভয়ংকর এবং লজ্জার বিষয় কী জানেন? বিমান বাংলাদেশ দেশে বসে দিব্যি প্রেস রিলিজ দিয়ে দিয়েছে- সব যাত্রীকে হোটেলে রাখা হয়েছে, খাবার দেওয়া হয়েছে! আর আমাদের দেশের গণমাধ্যমগুলোও যাচাই না করেই সেই নির্লজ্জ মিথ্যাচার ছেপে দিয়েছে। দেশে থাকা পরিবারগুলো পত্রিকা পড়ে ভাবছে তাদের প্রিয়জনরা আরামে হোটেলে আছে, অথচ তারা বিদেশের মাটিতে এয়ারপোর্টের শক্ত ফ্লোরে বসে ধুঁকছে আর কাঁদছে! ৪৮ বছর আগে ১৯৭৮ সালেও বিমানের এমন এক জঘন্য অব্যবস্থাপনার কারণে পুরো পরিচালনা পর্ষদকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। আর আজ ২০২৬ সালে এসে তারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মিথ্যা প্রেস রিলিজ দিয়ে ধামাচাপা দিচ্ছে! আমি আপনাদের কাছে একটা প্রশ্ন রাখতে চাই- বিদেশের মাটিতে ভিনদেশি এয়ারলাইন্সগুলো যেখানে বিপদে পড়লে যাত্রীদের কোলে করে রাখে, সেখানে নিজেদের টাকায় চলা 'পতাকাবাহী' বিমান কি আদৌ আমাদের সম্মান করতে শিখেছে? নাকি আমরা প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর মেশিন, মানুষ হিসেবে আমাদের এক পয়সাও দাম নেই? আমি জানি এই সত্যি কথাগুলো হয়তো কোনো পত্রিকার হেডলাইন হবে না। কিন্তু আপনাদের একটা শেয়ার হয়তো ঘুম ভাঙাতে পারে ওই এসি রুমে বসে থাকা নির্লজ্জ কর্তাদের। সত্যিটা সবার জানা দরকার! ভিডিও এবং প্রমাণগুলো কমেন্ট বক্সে দিলাম। আওয়াজ তুলুন, কারণ কাল এই জায়গায় আপনি বা আপনার পরিবারও থাকতে পারে! 👇
117
17
🥰
🥰
84
18
বিএনপি সরকার ক্ষমাতায় আসার পর উদ্বোধনের পূর্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে যা যা সরানো হয়েছে: ১. বর্ডার কিলিং রুম নামে একটি সেকশনে সীমান্ত হত্যার বিভিন্ন আলামত ও রেকর্ড সংরক্ষিত ছিল। উদ্বোধনের পূর্বে পুরো সেকশনটিই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ২. সীমান্ত হত্যার শিকার ফেলানীর ভাষ্কর্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৩. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির অংশটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৪. আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মোদি বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস সম্বলিত সেকশনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৫. ডিজিটাল সিক্যুরিটি অ্যাক্ট (ডিএসএ) এর মাধ্যমে নিপীড়নের শিকার ভিক্টিমদের আলামত এবং ইতিহাসের সেকশনটি ছোট করে ফেলা হয়েছে। এছাড়াও আরো ছোট ছোট অনেক এলিমেন্ট বাদ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই কম্প্রোমাইজ করা হয়েছে।
99
19
আজকের জাতীয় মসজিদের খুতবা দিয়েছেন ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নুমানী সাহেব। নাতিদীর্ঘ বয়ানের বিষয়বস্তু ছিল নবিজির (ﷺ) বলা ৫ কথা। তিনি (ﷺ) লোকেদের ডেকে বলছেন, কে আছ আমার থেকে এই জিনিসগুলো জানতে চাও, নিজে পালন করতে চাও এবং অন্যদের কাছে পৌঁছুতে চাও? এরপর আবু হুরাইরা রাদ্বিআল্লাহু আনহুকে তিনি ৫টি লাইফ চেঞ্জিং শিক্ষা দেন। . এই হাদিস আমি আগেও শুনেছি। কিন্তু আজকের বয়ানে শুরুতে হৃদয় বিগলিত হয়ে গেল। আসলে জাতির আত্মশুদ্ধি নিয়ে কাজ করা আমলদার মানুষের কথার প্রভাব হয় ভিন্ন রকম। কারো মূল্যবান কথায় যদি মনে প্রভাব না ফেলে তাহলে সাধারণত দুইটার একটা ঘটেছে বলে ধরে নেওয়া যায়- বক্তা নিজে আমলদার নয়। পাপাচারী বা গাফিল মানুষের কথায় প্রভাব সেভাবে থাকে না। অথবা শ্রোতা এতটাই আমল থেকে দূরে যে, অন্তর মরে গেছে। শাইখ মাত্র মিনিট পনের কথা বলেছেন। কিন্তু পনের মিনিটেই জীবন পালটে দেওয়ার খোরাকি আছে। . উর্দু বয়ান শেষ। বাংলা তর্জমা করতে উঠে দাঁড়ালেন খোদ জাতীয় মসজিদের খতিব আব্দুল মালেক সাহেব হুজুর। তর্জমা অনেক কষ্টসাধ্য কাজ। সাধারণ উর্দু বঝে যে কেউ এটা করতে পারলেও উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস নিজেই উঠে দাঁড়ালেন। আমি অবাক হয়ে দেখলাম আল্লাহর এই বান্দা হুবহু সবকিছু বলে গেলেন। উর্দু বক্তব্যে নুমানী হুজুর হাদিসের একটা পয়েন্ট ব্যাখ্যায় অন্য হাদিসের লতানো-পাতানো রেফারেন্সও তিনি মনে রেখেছেন। যে লাইন যেভাবে বলেছেন সেটাকে বাংলাতেও সেই ঢঙেই উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। এখানে চূড়ান্ত অবাক করা বিষয় হচ্ছে তাবলীগের বিদেশি বয়ানগুলোতে সাধারণত কয়েক লাইন বলার পর সেগুলো বাংলা করে আরেকজন। কিন্তু আব্দুল মালেক সাহেব টানা ১৫ মিনিটের বয়ান হুবহু বাংলায় তুলে দিয়ে গেলেন কোনো নড়চড় ছাড়া। বক্তার কথায় নিজের কথা ঢোকাননি। ভাবেন একবার। . এই বয়সেও এরকম প্রখর মেধা দেখে শুধু একটা জিনিসই আরো ভালোভাবে বুঝে এল। মানুষ আসলে যার জন্য নিরবচ্ছিন্ন মেহনত করে, আল্লাহ তাকে সেটা আরো বেশি করার সুযোগ দেন এবং সেটাতেই তাকে সফলতা দান করেন। এটা পৃথিবীর নিয়ম। তিনি ইলমের পিছে জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাকে সেটাতেই সফল করেছেন। ফেরার পথে বাইকওয়ালা ভাড়া ত্রিশ টাকা বাড়িয়ে নিতে সারা রাস্তা মেহনত করেছে, শেষে তাই পেয়েছে। দুই লাখ টাকা দিয়ে ঢোকা ঘুসের চাকরিতে মেহনতকারী এখন নিজেই লাখ লাখ ঘুস পাচ্ছে। ভালো-খারাপ দুইদিকের হিসাবই এক রকম। মানুষ সত্যিই যা চায় এবং নিরন্তর লেগে থাকে, পৃথিবীতে আল্লাহ তাকে সেভাবেই চলতে দেন এবং তা-র সর্বোচ্চটা দান করেন। আবুল কাসেম নুমানী, আব্দুল মালেক হুজুররা নিজের জীবনটা ইসলামের জন্য ব্যয় করেছেন। আজ আল্লাহ তাদের যোগ্য সম্মান দান করেছেন। আনন্দের বিষয়, এই সম্মান আখিরাতেও যাবে। কিন্তু দুনিয়ারটা দুনিয়ার সাথেই শেষ হয়ে যাবে। এই বাস্তবতা কারো শ্বাস থাকতেই মনে পড়ে, কারো পাঁজর-ভাঙা কবরের প্রথম চাপে। . সাহাবিরা সবাই আল্লাহর নবির সান্নিধ্য চাইতেন, হাদিস মুখস্থ করতেন। কিন্তু সবচেয়ে বেশি চাইতেন আব্দুর রহমান ওরফে এক বিড়ালওয়ালা (আবু হুরাইরা)। এজন্য ইসলাম প্রচার শুরুর ২০ বছর পর দ্বীন গ্রহণ করেও সবচেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনায় আল্লাহ তাকেই কবুল করেছেন। . জুমআয় মুহতামিম সাহেবের বর্ণিত হাদিসও তার থেকেই এসেছে। আবু হুরাইরা (রা) বলেছেন, “রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, ‘কে আমার কাছ থেকে এই কথাগুলো গ্রহণ করবে, যাতে সে নিজে এগুলোর ওপর আমল করে অথবা অন্যকে শেখায়?’ আমি বললাম, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি।‘ এরপর তিনি আমার হাত ধরলেন এবং গুনে গুনে এই পাঁচটি কথা বললেন- ‘হারাম বিষয় থেকে বেঁচে থাক, তাহলে তুমি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড়ো ইবাদতকারী হবে। তোমার ভাগ্যে আল্লাহ তা’আলা যা নির্ধারণ করেছেন তাতে খুশি থাকলে লোকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধনী হবে। প্রতিবেশীর সাথে ভদ্র আচরণ করলে প্রকৃত মুমিন হতে পারবে। যা নিজের জন্য পছন্দ কর তা-ই অন্যের জন্যও পছন্দ করতে পারলে প্রকৃত মুসলিম হতে পারবে। এবং অতিরিক্ত হাসাহাসি করো না। কারণ অতিরিক্ত হাসি অন্তরকে মেরে ফেলে।’” . প্রতিটা পয়েন্টে মুহতামিম সাহেব আরো ব্যাখ্যা করে গেছেন। পরে কখনো সময় পেলে বলব। যতটুকু পারলাম, পৌঁছে দিলাম। কারণ এগুলো রাসূলের রেখে যাওয়া সম্পদ। তার প্রিয় ওয়ারিশরা এভাবেই প্রিয় উম্মতের জন্য রেখে গেছেন যুগে যুগে। এ সম্পদ আমার নিজের অনেক পছন্দের। তাই ভাইদের জন্যও রেখে গেলাম। একমাত্র ঐ শিক্ষাই সফল যেটা প্রয়োগ (আমল) করা হয়। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম। ©
87
20
لا يوجد نص...
84