ch
Feedback
আল-আকসা ♥️

আল-আকসা ♥️

前往频道在 Telegram

♥️ ও. এম. প্রকাশনী (সাহিত্যের মাধ্যমে_তারুণ্যের সৃজনশীলতা বিকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ) 🍀 O.M. MEDIA YouTube channel 👇 https://youtube.com/channel/UCDH_pJHz6kOSzsNymvRGfJA

显示更多
945
订阅者
-424 小时
-107
-2130

数据加载中...

标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
六月 '26
六月 '26
+6
在0个频道中
五月 '26
+11
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+12
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+6
在0个频道中
Get PRO
二月 '26
+65
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+14
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+6
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+8
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+11
在0个频道中
Get PRO
九月 '25
+11
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+15
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+10
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+36
在2个频道中
Get PRO
五月 '25
+28
在2个频道中
Get PRO
四月 '25
+46
在0个频道中
Get PRO
三月 '25
+50
在0个频道中
Get PRO
二月 '25
+15
在0个频道中
Get PRO
一月 '25
+50
在2个频道中
Get PRO
十二月 '24
+96
在2个频道中
Get PRO
十一月 '24
+78
在2个频道中
Get PRO
十月 '24
+144
在0个频道中
Get PRO
九月 '24
+37
在2个频道中
Get PRO
八月 '24
+165
在5个频道中
Get PRO
七月 '24
+515
在4个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
15 六月0
14 六月0
13 六月0
12 六月+2
11 六月+1
10 六月0
09 六月+1
08 六月+1
07 六月0
06 六月0
05 六月0
04 六月0
03 六月+1
02 六月0
01 六月0
频道帖子
• এগুলো কলম।🫠

2
没有文字...
30
3
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ব্যয় হয়েছিল ২২০ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি বলেছেন, মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার হলেই প্রতি বছর পৃথিবীর ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্যচাহিদা পূরণ করা সম্ভব। একদিকে কোটি কোটি ক্ষুধার্ত মানুষ, অন্যদিকে অনর্থক এক খেলার পেছনে চলছে গোটা পৃথিবীর সম্মিলিত উন্মাদনা। এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, মনুষ্যত্বের মর্যাদা আমরা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছি। পৃথিবী জুড়ে এখন কেবলই মনুষ্যত্ব-বিবর্জিত ‘খোলস-মানুষের’ বসবাস।
38
4
রয়টার্সের বরাতে ক্ল্যাশ রিপোর্ট লেখছে আরব আমিরাত এবার ইরানের পিছে ছুটছে। ইজরাইল-আমেরিকা নিরাপত্তা দিতে পারবে না বোঝার পর তাৎক্ষনিক ১৮০ ডিগ্রি টার্ন নিছে। বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে ইরানের সাথে সমঝোতায় আসতেছে। ইতোমধ্যেই ৩ বিলিয়ন ডলার দিছে। ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা। ইরান আক্রমণ না করলে সেটা ২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত যাবে! ওদিকে কাতার রাস লাফান গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণ না করার শর্তে যুদ্ধের শুরুর দিকেই এই চুক্তিতে আসছিল যে কাতার গ্যাস প্রোডাকশন বন্ধ করে দিবে। ফলে ইরান আক্রমণ করে, গ্যাস ফিল্ড ধ্বংস করে, বিশ্ববাজারে যে চাপ তৈরি করার কথা, সেটা আক্রমণ ছাড়াই কাতার স্বেচ্ছায় করে দিবে। বিনিময়ে ইরান কাতারে আক্রমণ করবে না। - Rakibul Hasan
51
5
ডাক্তারি পেশায় না আসলে সমাজের এই বিশ্রী অবস্থা জানতে পারতাম না। আপনার সন্তানের দিকে নজর রাখুন। মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগী টা আসছে। বয়স ২৪/২৫ হবে। ৪ মাস ধরে জ্বর। সাথে তীব্র গা ব্যথা আর জয়েন্টে জয়েন্টে যন্ত্রণায় ছটফট করছে। এ পর্যন্ত বাজারে যত রকমের হাই অ্যান্টিবায়োটিক আছে,আরলিন থেকে শুরু করে মেরোপেনাম সব দেওয়া শেষ। কিন্তু জ্বরের কোনো কমতি নাই। ওষুধ চললে ১-২ দিন একটু শান্ত থাকে, তারপর আবার সেই জ্বর। হিস্ট্রি নেওয়ার সময় যখন জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই, কোনো নেশাটেশা করেন?" ছেলেটার সরল উত্তর, "না স্যার, ওসবের ধারেকাছেও কোনোদিন যাইনি।" পেশায় সে একজন ড্রাইভার, সৌদি আরবে ছিলো। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে একটু সন্দেহ ছিল যে হয়তো কিছু লুকোচ্ছে। কিন্তু সে বারবারই অস্বীকার করল। কোনো উপায় না দেখে শেষমেশ তাকে 'Adult-onset Still's disease' (AOSD) ধরে নিয়ে চিকিৎসা চলতে লাগল। ছেলেটার স্ত্রী সব জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করতেছে, টেস্ট করা থেকে শুরু করে ওষুধ কেনা সব। অনেক নম্র ভদ্র মহিলা। বুঝতে পারতেছি তার কষ্ট হয়ে যাচ্ছে এই দৌড়াদৌড়ি তে। কিন্তু সে আমাদেরকে একটু বুঝতে দিচ্ছে না। একটা ছোট বাচ্চাও আছে‌ বয়স ১ বছর মতো হবে। মহিলার এই অবস্থা দেখে খারাপ লাগতো‌। স্বামী অসুস্থ, পরিবারের ভারকর্তা অসুস্থ। তাইলে স্ত্রীর মুখে কি আর নাওয়া খাওয়া থাকবে!! রোগীর স্ত্রী বারবার জিজ্ঞেস করত "স্যার সব ওষুধ খাওয়াচ্ছি, সব টেস্ট করতেছি, কিন্তু স্যার এখনো জ্বর কমতেছে না কেন, রোগী সুস্থ হচ্ছে না কেন?" আমাদের কাছেও উত্তরটা ছিল অজানা। কারন আমরা তখনো কোন সঠিক ডায়াগনোসিস এ পৌঁছাতে পারি নাই। একদিন হসপিটালের ডায়গনোসিস বিশেষজ্ঞ এনামুল স্যার রাউন্ডে এলেন। পুরো ফাইলটা দেখে উনি শান্ত মাথায় বললেন, "একটা Anti-HIV Antibody টেস্ট করাও।" টেস্ট করতে পাঠানো হলো পিজি হসপিটালে ‌। টেস্টের রেজাল্ট যখন হাতে এলো, আমাদের সবার চোখ চড়কগাছ! Anti-HIV টেস্ট পজিটিভ। HIV এমন একটা ভাইরাসজনিত রোগ, যার কোন প্রতিষেধক এখনো তৈরি হয় নাই। এই রোগে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এবং সবশেষে রোগী মারা যায়। কিন্তু এই এইচআইভি উনার শরীরে আসলো কেমনে??? এবার যখন রোগীকে আলাদা ডেকে একটু 'ডাক্তারি কায়দায়' চাপ দিলাম, তখন আসল বিড়াল থলে থেকে বের হলো। ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে স্বীকার করল সে সমকামী। গত ১০-১২ বছর ধরে নিজের আপন চাচাতো ভাইয়ের সাথেই তার 'ইটিশ-পিটিশ' সম্পর্ক চলেছে। সৌদি আরবে গিয়েও সে একই কাজ করছে। এরপর রোগীকে আমরা পিজি হসপিটালে রেফার করে দিলাম। যেহেতু স্বামী এইচআইভি পজিটিভ, স্ত্রীরও এইচআইভি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ওই বাচ্চাটার ও হতে পারে। কারণ এই রোগটা ছড়ায় রক্ত, বীর্য,লালা, দুধের মাধ্যমে . বর্তমানে বাংলাদেশের সমকামিতা অনেক বেশি পরিমাণে বাড়ছে, আবাসিক মাদ্রাসা থেকে শুরু করে গুলশানের হাই সোসাইটিতে এই কাজ অহর চলতেছে। শুধু সমকামিতা না, ছেলে মেয়ের অবৈধ মেলামেশা বর্তমান সমাজের একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে। নিজের সন্তানের দিকে খেয়াল রাখুন । যদি এসব কাজ থেকে আপনার সন্তানকে দূরে না রাখতে পারেন তাহলে বাবা-মা হিসেবে আপনি ব্যর্থ। এরপর মনে মনে উনার স্ত্রী এবং সন্তানের কথা ভাবতে ছিলাম। স্বামীর অপকর্মের দায়ে তাদের কপালে দুঃখ আসলো। পরিবারটা এখন দুর্বিষহ জীবন যাপন করবে। ভাগ্য ভালো থাকলে হয়তো বা সুস্থ হতে পারে অথবা মারা যাবে। মারা যাওয়ার সম্ভাবনায় বেশি। কিন্তু উনি মারা গেলে ওই স্ত্রী এবং বাচ্চাটাকে কে দেখবে ?????????? এই প্রশ্নের উত্তর কই খুঁজবো?
45
6
লেখাটা পইড়েন। আপনার সমর্থন ছাড়া আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি বা পর্তুগালের কিছুই আটকে থাকবে না। তবুও আপনি কাঁদবেন। রাগ করবেন। ঝগড়া করবেন। রাত জেগে ম্যাচ দেখবেন। স্ট্যাটাস দেবেন। কখনো কখনো সম্পর্ক নষ্ট করবেন। কেন? কারণ অধিকাংশ সমর্থকের জন্য ফুটবল আসলে শুধু একটা খেলা না। এটা তাদের পরিচয়ের ক্ষুধার সাথে সম্পর্কিত। মানুষ শুধু বাঁচতে চায় না। সে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করতে চায়। সে অনুভব করতে চায়—"আমি কারো না কারো অংশ।" "আমি কোনো বড় কিছুর সাথে যুক্ত।" "আমার অস্তিত্বের একটা অর্থ আছে।" আর এখানেই শুরু হয় এক অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক খেলা। বাস্তবে আপনি ব্রাজিলিয়ান না। আর্জেন্টাইন না। পর্তুগিজ না। আপনার জন্ম, বেড়ে ওঠা, সংগ্রাম, ভবিষ্যৎ—কোনোটার সাথেই এই দলগুলোর বাস্তব কোনো সম্পর্ক নেই। তবুও আপনি তাদের জয়ে আনন্দিত হন, তাদের হারে ভেঙে পড়েন। কারণ মানুষ অনেক সময় নিজের জীবনে অর্থ তৈরি করতে না পেরে ধার করা অর্থে বাঁচতে শুরু করে। সে নিজের কোনো অর্জনের জন্য গর্বিত না। তাই সে অন্যের অর্জনকে নিজের অর্জন বানিয়ে নেয়। সে নিজে কোনো যুদ্ধ জেতেনি। তাই অন্যের ট্রফিকে নিজের বিজয় বলে অনুভব করে। সে নিজে কোনো ইতিহাস তৈরি করেনি। তাই অন্যের ইতিহাসের সাথে নিজের নাম কল্পনায় জুড়ে দেয়। মনোবিজ্ঞানে এটাকে বলা হয় Basking in Reflected Glory। অর্থাৎ, অন্যের সাফল্যের আলোতে দাঁড়িয়ে নিজেকে উজ্জ্বল অনুভব করা। যখন একজন মানুষ নিজের পরিচয়, মর্যাদা এবং আত্মমূল্যকে নিজের চরিত্র, জ্ঞান, কাজ বা অবদানের উপর না দাঁড় করিয়ে একটা ফুটবল দলের উপর দাঁড় করায়, তখন সে অজান্তেই নিজের সত্তাকে ছোট করে ফেলে। কারণ তখন তার গর্বের উৎস আর সে নিজে না। তার গর্বের উৎস হয়ে যায় এমন কিছু, যার উপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, কোনো অবদান নেই, কোনো মালিকানাও নেই। ভাবুন তো— আপনার জীবনের সবচেয়ে তীব্র আনন্দ যদি আসে এমন এক গোল থেকে, যেখানে আপনার কোনো ভূমিকা নেই— আর সবচেয়ে তীব্র হতাশা যদি আসে এমন এক হারের কারণে, যেখানে আপনার কোনো দায়ও নেই— তাহলে আপনার আবেগের মালিক আসলে কে? আপনি? নাকি অন্য কেউ? মানুষের সবচেয়ে বড় সম্মান হলো তার স্বাধীন সত্তা। তার বিবেক। তার চিন্তা। তার নিজস্ব অর্জন। কিন্তু পরিচয়ের সংকটে ভোগা মানুষ প্রায়ই নিজের সেই সত্তাকে যথেষ্ট মনে করে না। তাই সে নিজেকে বড় দেখানোর জন্য বড় কিছুর সাথে জুড়ে দেয়। কেউ দলের সাথে। কেউ সেলিব্রিটির সাথে। কেউ রাজনৈতিক দলের সাথে। কেউ জাতিগত অহংকারের সাথে। কেউ ফুটবল দলের সাথে। কারণ নিজের ভেতরে শূন্যতা থাকলে মানুষ প্রায়ই বাইরে পরিচয় খোঁজে। আর সেই ধার করা পরিচয় কিছু সময়ের জন্য তাকে উষ্ণতা দেয়। কিন্তু কখনো পূর্ণতা দেয় না। কারণ সত্যিটা খুব নির্মম— মেসি আপনাকে চেনে না। নেইমার আপনাকে চেনে না। রোনালদো আপনাকে চেনে না। বিশ্বকাপ জিতলেও আপনার জীবনের একটা সমস্যাও সমাধান হবে না। হারলেও আপনার জীবনের কোনো বাস্তব ক্ষতি হবে না। সবকিছুই ঘটবে আপনার মাথার ভেতরে। আপনার অনুভূতিতে। আপনার কল্পিত পরিচয়ে। এই কারণেই বিশ্বকাপ আসলে ফুটবলের চেয়ে বেশি মানুষের মনস্তত্ত্বের গল্প। এটা দেখায় একজন মানুষ নিজের পরিচয় কোথায় খুঁজছে। নিজের ভেতরে? নাকি অন্যের জার্সিতে? কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হয়তো কোনো দলের হার না। বরং এই যে, সে নিজের জীবনে এমন কিছু তৈরি করতে পারেনি, যার জন্য গর্ব করা যায়। তাই তাকে অন্যের গোল, অন্যের ট্রফি, অন্যের ইতিহাস ধার করে বাঁচতে হয়। আর একজন মানুষ নিজের জীবন না বাঁচে যতদিন, ততদিন সে কোনো না কোনো দলের সমর্থক হয়েই থাকবে- কিন্তু নিজের গল্পের নায়ক আর হয়ে উঠতে পারবে না। — Mahfuj Alamin
27
7
没有文字...
38
8
আপনার সন্তানকে আপনি যেভাবে তৈরি করবেন, অভ্যাস করবেন সে সেভাবেই গড়ে উঠবে। এখন ভাবার বিষয় আপনি আপনার সন্তানকে কীভাবে তৈরি করছেন। আপনি তাঁকে ভালো আমল, ভালো পড়াশোনা , ভালো জিনিস শিখাচ্ছেন না। অথচ আপনি তার কাছ থেকে আশা করছেন যে, আপনার ছেলে ভালো হোক আপনার ছেলে নামাজি হোক। আপনি নিজে নামাজ পড়ছেন না অথচ আপনি আশাবাদী আপনার ছেলে ভালো হবে। শিশুরা কোমল। তাদেরকে ছোট থেকে যেভাবে তৈরি করবেন, তারা সেভাবেই বড় হবে। এজন্য আপনার ছোট শিশুকে এখন থেকে ই ভালোভাবে তৈরি করার মন মানসিকতা রাখুন।
39
9
রাজধানীর মিরপুরে শেওড়াপাড়ায় মাথায় ইট মেরে মোটরসাইকেল ছিনতাই। সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন মানুষ এই শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাব
রাজধানীর মিরপুরে শেওড়াপাড়ায় মাথায় ইট মেরে মোটরসাইকেল ছিনতাই। সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন মানুষ এই শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাবে। করোনার সময়কার চেয়ে বেশি মানুষ গ্রামে চলে যাবে। এই শহর আর বাসযোগ্য নাই। মানুষের জানমালের দায়িত্ব যাদের ছিল তারা ব্যাংক খেতে ব্যস্ত আছে।
64
10
没有文字...
65
11
没有文字...
64
12
没有文字...
53
13
ফেসবুকে নিশ্চয়ই ভিডিও দেখেছেন—চিকিৎসার আগে ১ মিনিট, এখন ১ ঘণ্টা! তারপর লাইভে রোগীর আবেগঘন সাক্ষাৎকার, ওষুধ খেয়ে পেয়েছেন অলৌকিক ফলাফল! 😆 কিন্তু বিজ্ঞান ও গবেষণা কী বলে? আন্তর্জাতিক বড় বড় ৩টি স্টাডিতে দেখা গেছে— ১. গড় Intravaginal Ejaculatory Latency Time (IELT): প্রায় ৫–৬ মিনিট। ২. অধিকাংশ সুস্থ পুরুষের সময়: ৩ মিনিট বা তার কিছু বেশি। ৩. চিকিৎসাবিজ্ঞানের আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুযায়ী, যাদের শুরু থেকেই সমস্যা তাদের সময়কাল ১ মিনিটের কম এবং পরবর্তীতে সমস্যা তৈরি হলে তা ৩ মিনিটের কম হলেই কেবল Premature Ejaculation (PE) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ফেসবুকে যেগুলো শোনেন, তার সবই ভাওতাবাজি। কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ আছে (যেমন SSRI গ্রুপের ওষুধ), যেগুলোর অন্যতম সাইড ইফেক্ট হলো বীর্যপাতকে বিলম্বিত করা। এই সাইড ইফেক্টকে পুঁজি করেই কিছু অসাধু চক্র বা তথাকথিত 'পীরের মুরিদ' লাইভে এসে ১ ঘণ্টা, ৩ ঘণ্টার গল্প ফাঁদে। পর্নোগ্রাফিতে অবাস্তব সব জিনিসপত্র দেখে সেটাকে সত্যি ভাবা সরল মানুষদের খুব সহজেই এই ফাঁদে ফেলে তারা ব্যবসা করে যাচ্ছে। শোনেন, যদি সময় ১ মিনিটের কম হয় (শুরু থেকেই) তবেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর সময় ৩ মিনিটের কম হলে সেটাকে Acquired (পরবর্তীকালে তৈরি হওয়া) বা সাময়িক সমস্যা হিসেবে ধরা হতে পারে, যা মূলত মানসিক চাপ, ভয়, ক্লান্তি বা দুশ্চিন্তার কারণে হয়—এর জন্য কোনো অলৌকিক ওষুধের প্রয়োজন নেই। আপনার সময় যদি ৩ মিনিট বা তার বেশি হয়, তার মানে আপনি একদম পারফেক্ট! শুধু শুধু এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা বা হীনমন্যতায় ভুগবেন না। ভাওতাবাজ ও ভন্ডদের থেকে সাবধান থাকুন। সুখী দাম্পত্য জীবন কাটান। শেয়ার করুন, অন্যদের জানিয়ে দিন। অনেকেই উপকৃত হবেন আশা করছি। আসসালামু আলাইকুম ❤️ — ফাহিম মুন্তাসির এমবিবিএস শিক্ষার্থী রংপুর মেডিকেল কলেজ, রংপুর।
51
14
• নবীর প্রতি ভালোবাসা ১.ইবনে আহমাদ আল-বাগদাদী রহ. ভালোবাসার সংজ্ঞা এভাবে দেন_ المحبة الموافقة في جميع الأحوال . অর্থাৎ, ভালোবাসা হল প্রেমাষ্পদের সাথে সর্বাবস্থায় একাত্ম থাকা। (٢٣.كلمة الإخلاص للحافظ ابن رجب ص) ২.হাকীম মাহমূদ ওয়াররাক রাহ. বলেছেন_ لو كان حبك صادقا لأطعته إن المحب لمن يحب مطيع অর্থাৎ, যদি তোমার প্রেম খাঁটি হতো তবে তো তুমি তার অনুগত হতে। কারণ প্রেমিক তো প্রেমাষ্পদের অনুগত থাকে। (শরহুয যুরকানী আলাল মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়্যাহ, পৃ. ১১৮) মানবতার নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করে এক কবি বলেন_ 🌿نکل جاۓ جاں تیرے قدموں کے نیچے, یہی دل کی حسرت یہی آرزو ہے. অনুবাদ _তোমার চরণতলে জীবন সঁপে দিই, এই তো হৃদয়ের আশা আকুলতা ।💖 🌿تمنا یہی ہے یہی آرزو ہے, یہ جان حزیں کاش تجھ پر فدا ہو. অনুবাদ _আশা-আকাক্সক্ষা এই তো ছিল শুধু, জীবন যদি হতো তোমাতে বিলীন।♥️ 🌿کوئی طلب ہے مجھے زیست میں تو اتنی ہے نبی کی چاہ ملے اور بے پناہ ملے. অর্থাৎ, আমার জীবনে যদি কেনো চাওয়া থাকে তবে তা এতটুকুই, যেন নবীর ভালোবাসা অফুরন্ত পাই। সুতরাং , আমরা আমাদের প্রিয় নবীকে কতটুকু ভালবাসি, এর প্রধান প্রমাণ পাওয়া যাবে_ তাঁর আনুগত্যের ভিতরে ও অনুসরণ করার মধ্যে। উসমান বিন আব্দুল আলীম
67
15
Ccu থেকে বের করার সময় আমাকে নার্স বলল: যাওয়ার সময় তো অক্সিজেন চালু রাখতে হবে, আ্যম্বু দিয়ে শ্বাস চালু রাখতে পারবেন। অনন্যোপায় হয়ে বললাম: হ্যাঁ পারব বললেন: আ্যম্বু নিয়ে যাচ্ছেন, তাই আমাদের কাছে ৩ হাজার টাকা জমা রেখে যান, আ্যম্বু ফেরত না আনলে টাকা পাবেন না, ভালো কথা, (তখন ও বুঝে উঠতে পারি নাই, কেন আমার বাচ্চা কে তাড়াতাড়ি তারা হসপিটাল থেকে বের করতে চাচ্ছে) বাচ্চা কে নিয়ে ভাইজান সহ টিনের কৌটায় উঠলাম, আ্যম্বু দিয়ে ম্যানুয়ালি অক্সিজেন দিচ্ছি, টিনের কৌটা আমাদের নিয়ে ছুটলো মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশন পৌঁছা মাত্র ই ভাইজান ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে উঠলো, ড্রাইভার আমাকে চাপ দিতে আরম্ভ করলো: দেখেন এরকম দেরি করার অনুমতি নেই আমাদের, যদি দেরি হয় তাইলে দ্বিগুণ ভাড়া নেব বললাম দ্বিগুণ কেন তিনগুণ দেব, কিন্তু আল্লাহর ওয়াস্তে চুপ করেন, আমার নবজাতক বাচ্চা এই মাত্র দুষিয়াতে এসেছে, জীবন মরণের মাঝে লড়াই করতেছে, আর আপনার ভাড়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল!!! ভাড়া বেশি পাবে শুনে চুপ, ভাইজান স্ট্রেচার নিয়ে আসলো, অ্যাম্বুলেন্স বিদায় করে দোতলায় উঠলাম, ডঃ তাসনোভা হতবাক একবার আমার দিকে তাকাচ্ছেন, একবার বাচ্চার দিকে: আপনিই আ্যম্বু ব্যবহার করে অক্সিজেন দিতে দিতে এসেছেন??? হ্যাঁ অ্যাম্বুলেন্স ছেঁড়ে দিয়েছেন ?? হ্যাঁ সর্বনাশ, আমাদের এখানে তো সিট খালি নেই, আপনার বাচ্চা কি আসলেই আদ দ্বীনে ডেলিভারি হয়েছে?? হ্যাঁ আদ দ্বীন তো এভাবে রেফার করে না, আগে case summary তৈরি করে , সিট খালি আছে কিনা খবর নিয়ে এরপর রোগী পাঠায়!!!!!! তখন বুঝতে পারলাম, আদ দ্বীন কর্তৃপক্ষ মূলত চেয়েছিল বাচ্চা টা তাদের ccu তে যেন মারা না যায়, এতে তাদের সুনাম নষ্ট হবে, তাই যত দ্রুত সম্ভব আমার বাচ্চা টা কে তাদের ওখান থেকে বিদায় করেছে, বাচ্চা টা সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে যাচ্ছে, আ্যম্বু ব্যবহারের ও কোন দক্ষ মানুষ নেই, যেখানে যাচ্ছে সেখানে সিট খালি আছে কিনা তার ও কোন তোয়াক্কা নেই, তাদের ওখান থেকে বিদায় নিলেই হলো, এরকম দায়সারাভাব সম্পন্ন হসপিটাল খুব কমই দেখেছি, অধিকাংশ কর্মচারীর ব্যবহার খুবই জঘন্য আজীবন একটা কথা বলে যাব (যে হসপিটালে ইচ্ছা যান, কিন্তু মগবাজারের আদ দ্বীনে যেয়েন না) নাম আদ দ্বীন, কাজ আল ফিসক্ব (আমার সেই অবস্থা দেখে ডঃ তাসনোভা অবশেষে হার্ট ফাউন্ডেশনে ই ভর্তি নিলো, বেশ ভালো ব্যবহার, উন্নত মানের চিকিৎসা ও হচ্ছিলো, অতঃপর সেখান থেকে শ্যামলী শিশু হসপিটালে ট্রান্সফার করা হয়, ১/১০/২৫ আমাদের সবাই কে কাঁদিয়ে আল্লাহর সান্নিধ্যে আবার ফিরে চলে গেল) Kazi Abed ভাই
87
16
আদ দ্বীন হসপিটাল কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা 25/9/25 বুধবার রাত দশটার দিকে ফোন আসলো: আপনার স্ত্রীর ইমার্জেন্সি সিজার হবে দ্রুত আসেন, যেহেতু নরমাল ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে আদ দ্বীন হসপিটালের বেশ সুনাম সুখ্যাতি রয়েছে, সেজন্য ই ওখানে যাওয়া বাসা থেকে নামতেই হযরত মুফতী হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী হাফিঃ এর সাথে দেখা, হযরতের নিকট দোয়ার দরখাস্ত পেশ করে আম্মু কে নিয়ে রওনা হলাম। হসপিটালে পৌঁছালাম আনুমানিক রাত এগারোটা, আমাকে বলা হলো: সিজার হবে, রক্তের প্রয়োজন, আপনি চাইলে আমাদের ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ করতে পারেন, অস্বীকৃত জানিয়ে বারিধারা মাদ্রাসায় যোগাযোগ করলে সেখানের জালালাইন জামাতের দুইজন তালিবুল ইলম উপস্থিত হন, ভাই আবু সুফিয়ান অপরজনের নাম স্মরণ আসছে না, *শুরু হলো বিড়ম্বনার প্রথম ধাপ, কেন তাদের ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ করলাম না, তাই এক স্টেশন থেকে অপর স্টেশন দৌড়াদৌড়ির শেষ নাই, অন্যদিকে রাত হওয়ার কারণে অধিকাংশ সিঁড়ি ও বন্ধ, অবশেষে রক্ত সংগ্রহের স্টেশন থেকে বিল ধরিয়ে দিয়ে বলল আপনি ওয়ার্ডে চলে যান, সময় মত রক্ত পাঠিয়ে দেয়া হবে, ওয়ার্ডে আসার পর ওয়ার্ড ইনচার্জ আমার হাতের বিল দেখে দিলো বকা : কোথায় রক্ত সংগ্রহের কথা লেখা আছে, এটা তো ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত পাঠানোর রসিদ, আবার ও দৌড়ে নিচের স্টেশনে আসলে সেখানের বিলিং অফিসার কে বললাম: কি ব্যাপার আমি তো ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ করব না, আমার ডোনার আছে, ভদ্রমহিলা উপস্থিত আমাকে মিথ্যুক বানিয়ে দিলো, দোষটা যেন আমার ই, যাইহোক অবশেষে ভিন্ন বিল করল, বিলের রসিদ হাতে নিয়ে আমার মাথায় হাত, ব্যাপার টা কি!!!!! ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহের মূল্য তখন লেখা ছিল ৩০০ থেকে কিছু বেশি, আর ডোনার থেকে রক্ত সংগ্রহের এখন বিল আসছে প্রায় ১৩০০ টাকা!!!!! মূল অপরাধ, কেন তাদের ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ করছি না যাইহোক, ডোনার থেকেই রক্ত সংগ্রহ করলাম রাত বাজে তিনটা (দুই ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করতে সাড়ে তিন ঘন্টা ব্যায় হলো , আল্লাহ তায়ালা উভয় তালিবুল ইলম কে উত্তম বিনিময় দান করুন । ফজরের সময় ডেলিভারি হলো, এমার্জেন্সি অবস্থা, বাচ্চা কান্না করছে না, হার্ট ঠিক মত কাজ করছে না, ডাক্তার cpr ব্যবহারের পর দ্রুত বাচ্চা কে ccu তে ট্রান্সফার করল, আমাকে ডেকে বলল: আপনার বাচ্চার হার্ট জনিত সমস্যা আছে, আমাদের এখানে এই বাচ্চার চিকিৎসা নেই, যেখানে ওর চিকিৎসা আছে, দ্রুত সেখানে ট্রান্সফার করেন আমি হতবাক, বললাম: কোথায় ট্রান্সফার করব, আমি তো জানি না, কোন ডাক্তার কি বিশেষজ্ঞ দেখাবো সেটাও বুঝতে পারছি, অনুগ্রহ করে একটু ডাক্তার সাজেস্ট করলে ভালো হয় ভদ্রমহিলা বললেন: আমরা তো কোথাও ওভাবে সাজেস্ট করতে পারি না, তবে আপনি হার্ট ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করতে পারেন(সারা টা দিনে মনে হলো এবার একজন আমাকে একটা ভালো পরামর্শ দিয়েছে) *শুরু হলো বিড়ম্বনার দিতীয় ধাপ, মোবাইলে চার্জ শেষ, ওদিকে তাঁকে ওটি থেকে বের করা হয়েছে, ভাবতেছি কি করব, বাচ্চা কে নিয়ে একা একাই হার্ট ফাউন্ডেশনে চলে যাব, নাকি এখানে ccu তে বাচ্চা টা কে রেখে তার পাশে থাকব, ফোন অফ কারো সাথে পরামর্শ ও করতে পারছি না, পুরা হসপিটাল এক প্রকার ছুটেছি একটা চার্জের পয়েন্ট যদি পেয়ে যাই, অবশেষে হার মেনে পাঁচ তলায় (যেটা মূলত ডায়ালাইসিসের রুম, ভোর রাতে ওখানে ফাঁকা থাকে, কোন পেশেন্ট থাকে না) মাটির উপর বসে মাথায় হাত দিয়ে কান্না করা আর আল্লাহ কে ডাকা ছাড়া কোন উপায় পেলাম না, কিছুক্ষণ পর আবার নিচ তলায় ছুটে আসলাম, আমার এই দৌড়াদৌড়ি দেখে এক মুরুব্বি দারোয়ান চাচার একটু দয়া হলো, বললেন: ঐ পেছনে দেখেন সুইপার গাড়ি চার্জ করার একটা লাইন আছে সেখানে গিয়ে দেখি আসলেই একটা লাইন আছে, দুই জন ফোন চার্জে দিয়ে মাটিতে শুয়ে ঘুমাচ্ছে, একজন কে ডেকে অনুরোধ করলে আমাকে চার্জ দেয়ার সুযোগ করে দেয়। ফোন ও চার্জ হলো আলহামদুলিল্লাহ, ভাইজানের সাথেও যোগাযোগ হলো আলহামদুলিল্লাহ *শুরু হলো বিড়ম্বনার তৃতীয় ধাপ ভাইজান আসলেন, সিদ্ধান্ত নিলাম শ্বাশুড়ি কে তার কাছে রেখে ভাইজান সহ বাচ্চা নিয়ে হার্ট ফাউন্ডেশনে যাব, ccu তে উপস্থিত হলাম, কর্তব্যরত সিকিউরিটির রাগ ভাষায় প্রকাশের মত না : কোথায় ছিলেন, ম্যাডাম খোঁজ করতেছেন ভেতরে গেলাম, সেই ডাক্তার ভদ্রমহিলা নেই, আছে নার্স, আমাকে বলল কষা কন্ঠে: দ্রুত নিচে গিয়ে এ্যাম্বুলেন্স ঠিক করেন, আপনার বাচ্চা কে এখানে রাখা যাবে না, ফজরের পর নিচে একটাও icu ambulance নেই, আছে ছোট ছোট লাল হলুদ টিনের কৌটা উপায় নেই, এটাই নিতে হবে , বললাম আমার বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক, আপনার গাড়িতে নিলে সমস্যা নেই তো , বলল : এগুলো কোন ব্যাপার ই না
67
17
没有文字...
51
18
আড়াই বছর ধরে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে মেজর জাহিদের লাশ পড়ে থাকলেও, তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি! মেজর "জাহিদুল ইসলাম", বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম একজন ডিসিপ্লিন, চৌকস,আর মেধাবী সেনা অফিসার হিসেবে তার পরিচিতি ছিল! ২০০০ সালে ৪৩-তম বিএমএ লং কোর্সের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে কমিশন পান তিনি। ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার রূপনগরে, নিজের ভাড়া বাসায় নিচেই তাকে জঙ্গি বানিয়ে বন্দুক যুদ্ধের নাটক সাজিয়ে খুব কাছ থেকে ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়! দীর্ঘ ৮ বছর ধরে জাতির কাছে জঙ্গি হিসেবে পরিচয় পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বেরিয়ে, আসে এক নির্মম সত্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি অভিযোগ ঘটনার পেছনের কাহিনী বের করে জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছিল! এটি ছিল পিলখানা হত্যাকান্ডের অন্যতম সাক্ষীকে চিরতরে নিস্তব্ধ করে দেওয়ার নীল নকশা! অথচ এই সেনা অফিসার কঙ্গোতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন,পাকিস্তানে মিড ক্যারিয়ার কোর্স, কানাডায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ শেষ করে হয়ে উঠেন দক্ষ এক অফিসার। ২০০৯ সালে তাকে পিলখানায় পোস্টিং দেওয়া হলেও তিনি ত যোগদান করেননি। ওই সময় পিলখানায় পোস্টিংয়ে ছিলেন তারই বন্ধু ক্যাপ্টেন শহীদ মাজহারুল হায়দার। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সেই নৃশংস হত্যাকান্ডের সময় মেজর জাহিদ কে ফোন করেন ক্যাপ্টেন মাজহারুল। মাজহারুল বলেন বন্ধু আমাদের সব অফিসারদের মেরে ফেলছে! কারা মেরেছে মেজর জাহিদ জানতে চাইলে ক্যাপ্টেন মাজহারুল বলেন কিছু হিন্দুভাষী ব্যাক্তি যাদের তিনি কখনোই পিলখানায় দেখেন নি! পিলখানা ঘটনার পরও মেজর জাহিদ অনেক বেশি সোচ্চার ও প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি জানতেন অনেক গোপন আর স্পর্শকাতর সত্য! সত্যের পথে অবিচল থাকা এই সেনা অফিসারকে কোনোভাবে কেনা, আর দমানো সম্ভব না হওয়ায় তাকে ২০১৫ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়। অবসরের পরেও তিনি নিরাপদ ছিলেন না, তার কাছে থাকা তথ্য তৎকালীন সরকারের ভীত নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। সেজন্যই সাজানো হয় এক ভয়ংকর জঙ্গি নাটক! আর সেটা মঞ্চায়িত করা হয় ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর। রাত ১০টায় মেজর জাহিদের বাসা থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ভয়ানক নির্যাতন করে, তার হাত দু'টো পেছন থেকে বেঁধে হাতগুলো কে পিটিয়ে কাঁধ থেকে আলাদা করা হয়! তার মুখমণ্ডল বিকৃত করে বাসার নিচে নামিয়ে খুব কাছ থেকে ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করা হয় তার বুক।সেদিন পুলিশ এতোটাই হিংস্র ছিল যে, মেজর জাহিদের চোখ দুটোও কোটর থেকে বের করে ফেলে! অথচ রূপনগর থানার এজাহারে উল্লেখ করা হয় পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নাকি মেজর জাহিদ চাকু আর পিস্তল নিয়ে চড়াও হয়েছিল! আত্মরক্ষার্থে তারা নাকি ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করে মেজর জাহিদের বুক। ফরেনসিক রিপোর্ট আর প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী এটি ছিল সম্পুর্ন একটি নাটক। মেজর জাহিদ হত্যার পর সবচেয়ে নির্মম ব্যাপার হচ্ছে, আড়াই বছর ঢাকা মেডিকেলের মর্গে মেজর জাহিদের লাশ পড়ে থাকলেও, তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এরপর পরিবার লাশটাও খুঁজে পায়-নি! আহ! মেজর জাহিদ হত্যার সত্য যেনো বের হয়ে না আসে তাই পরিবারের উপরও চালানো হয় রোলার কোস্টার! মেজর জাহিদকে হত্যার রাতেই তার স্ত্রী আর দুই শিশু সন্তানকে, চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় মেজর জাহিদ কে হত্যার পূর্বেই। প্রায় ৪ মাস সাত দিন দুনিয়ায় আলো দেখতে না দিয়ে ডিবির কথিত আয়নাঘরে বন্দী রাখা হয় স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা আর ১ বছরের ছোট মেয়েকে! ৫ বছরের বড় মেয়েকে নানা নানুর কাছে দেবার কথা বলে, ৭ দিন পর নেওয়া হলেও ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রাতে তৈরি করা হয় আরেক জঙ্গি নাটক! মেজর জাহিদ হত্যার ৯ দিন পর বড় মেয়েকে ঢাকার আজিমপুরে কথিত জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ৩ শিশু উদ্ধারের নামে তাকে উদ্ধার দেখানো হয়। সেদিন ৩ শিশু আটকের মধ্যে ছিল মেজর জাহিদের ৫ বছরের নিষ্পাপ বড় মেয়ে, ৫ বছরের শিশু জুনাইরা বিনতে জাহিদও! আর ২০১৬ সালে ২৪ ডিসেম্বর ৪ মাসের অধিক সময় নির্যাতনের পর আরেক জ-ঙ্গি নাটক সাজিয়ে, মেজর জাহিদের স্ত্রী আর ছোট মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়! এরপর স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলার ভাগ্যে জুটে একের অধিক জঙ্গি মামলা! সবচেয়ে দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে মেজর জাহিদকে হত্যার এক বছরের মধ্যে ছেলের মৃত্যু সইতে না পেরে, মেজর জাহিদের বাবা-মা দু'জনই স্টোক করে মৃত্যু বরন করেন! দীর্ঘ প্রায় ৪ বছর কারাবরণের পর মেজর জাহিদের স্ত্রীর জামিন মিললেও কোন এক অজানা শঙ্কায় তার জামিন বাতিল করে দুই বছর পর আবার হাজতে প্রেরণ করা হয়! ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ৩১ আগস্ট তার আবার জামিন হয়! কিন্তু মুক্তি মেলেনি অভিশপ্ত জঙ্গি মামলা থেকে, এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন এই বোঝা। একটা পরিবারকে ঠিক নিজের ক্ষমতা টিকেয়ে রাখার স্বার্থে এতো নির্মমভাবে ধ্বংস করে দেওয়ায় চেয়ে নৃশংস আর কি হতে পারে?
102
19
没有文字...
78
20
Main ground tool ফয়সল করিমকে জামিন করিয়েছেন বিএনপি’র কায়সার কামাল। জামিন পেয়েই ফয়সল করিম ইনকিলাব মঞ্চে যাতায়াত শুরু করে দেয়; অর্থাৎ assignment অনুযায়ী কাজ করা শুরু করে দেয়। ফয়সল করিমের girlfriend-এর ভাষ্যটি স্মরণ আছে আপনাদের? সে বলেছিল, ফয়সল তাকে বলেছে—এমন একটি ঘটনা সে ঘটাতে যাচ্ছে, যাতে সারা দেশ কেঁপে উঠবে। তখন সে ফয়সলকে নিষেধ করেছিল—তুমি এই কাজ করো না। ফয়সল উত্তর দিয়েছিল, এই কাজ সে না করলেও কেউ না কেউ করবেই। অর্থাৎ, এটা fixed assignment ছিল। ফয়সলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল ‘ঢাকা ব্যাংক’-এ—হ্যাঁ, থাকতেই পারে। আরও কত মানুষের অ্যাকাউন্ট ঢাকা ব্যাংকে আছে। ‘ঢাকা ব্যাংক’-এর মালিক মির্জা আব্বাস—হ্যাঁ, হতেই পারেন। তাতে কী? ‘ঢাকা ব্যাংক’-এ ফয়সল করিমের শত কোটি টাকার ওপর লেনদেন ছিল—হ্যাঁ, তাতে কী? ব্যাংকে তো শত শত কোটি টাকার লেনদেন হয়। ঘটনার আগের দিনগুলোতে অস্বাভাবিক amount-এর লেনদেন হয়েছে—তো কী হয়েছে? এতে মির্জা আব্বাসের কী করার আছে? খুবই সীমিত সময়ে অস্বাভাবিক লেনদেন হলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টকে red flag করে, ওপরে রিপোর্ট করে—করবেই তো, তাতে কী? কোনো invoice নেই, পণ্যের বিনিময় নেই, শুধু নগদ টাকা স্থানান্তর হচ্ছে—এবার কী বলবেন? এখানে কবি নীরব। ফয়সল যে amountগুলো deal করেছে, সেগুলোতে ছাড় পেতে ব্যাংকের একেবারে ওপর মহলের সম্মতি ছাড়া সম্ভব নয়। যারা ব্যাংকে আট অঙ্কের নগদ লেনদেন করেছেন, তারা সহজেই বুঝবেন। মির্জা আব্বাস, শরীফ ওসমান হাদীকে তার সংসদীয় আসনে নির্বাচন করতে চাওয়ায় শাসিয়েছিলেন। হাদী’র রেকর্ডেড অভিযোগ আছে। যদি DGFI এবং হাসিনার জেনারেলরা যুক্ত না থাকে, তাহলে ঢাকার গডফাদার মির্জা আব্বাস সেই একজন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা আছে—মমতা ব্যানার্জীর ভাষায়, ‘কাকে দিয়ে খুনটা করিয়েছেন’। আবারও flashing red। খালেদা জিয়া মৃত্যুর দুয়ারে, সবাই প্রশ্ন তুলছেন—তারেক রহমান দেশে আসছেন না কেন? সবাইকে অবাক করে দিয়ে তারেক ফেসবুক পোস্ট দিলেন—দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তার জন্য অবারিত নয়। এটা তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না। ঘাতকের গুলির সঙ্গে লড়াই করে যেদিন হাদী আমাদের কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন—অর্থাৎ হাদী’র মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর—সেদিনই তারেক রহমান ঘোষণা দিলেন, কখন তিনি দেশে ফিরছেন! স্বাভাবিক রাজনৈতিক সৌজন্যের দাবি ছিল হাদী’র জন্য শোক জানানো; কিন্তু তিনি বিজয়ের আনন্দে দেশে ফেরার ঘোষণা দিলেন। অথচ তার মাত্র কয়েক দিন আগে, যখন খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার জন্য কাতারের বিশেষায়িত air ambulance আসেনি, তখনও তারেক দেশে ফেরার অপারগতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মা clinically dead জেনেও যে ব্যক্তি দেশে আসে না, কয়েক দিনে এমন কী হয়ে গেল যে হাদী’র মৃত্যুর দিনেই ন্যূনতম সৌজন্যতা বজায় না রেখে দেশে আসার ঘোষণা দিলেন? দু-এক দিন পরেও তো দেওয়া যেত, তাই না? দিল্লিই কি তারেক রহমানকে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, তাদের Hadi killing mission সম্পন্ন হওয়ার পর? হাদী’র মৃত্যুর সংবাদ থেকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতেই কি এই technique? তারেক রহমান কি হাদী’র খুনের পরিকল্পনা জানতেন? কায়সার কামালকে দিয়ে জামিন করানো, স্থানীয় গডফাদার মির্জা আব্বাসের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, হাদী’র মৃত্যুর দিনে তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘোষণা—আত্মভোলা, দলকানা ও morally bankrupt মানুষগুলো কেবলই কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখার কিংবা দেখানোর চেষ্টা করেছে। তারা কোনো red flag দেখেনি, দেখতেও চায়নি। মমতা ব্যানার্জী যখন বলে দিলেন—“কাকে দিয়ে খুনটা করিয়েছেন, সবটাই জানি”—তখন আমাদের কি বড় দুই flashing red-এর একটি বেছে নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো option আছে? কায়সার কামাল, মির্জা আব্বাস বনাম DGFI এবং ওয়াকার গং—tie situation। সেখানে তারেক রহমানের ঠিক একই দিনে, কয়েক ঘণ্টা পরে দেশে আসার ঘোষণা এবং কায়সার কামালের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে উল্লম্ব উত্থান tie breaker হয়ে যায়। হাদী’র খুন আওয়ামী লীগের জন্য যদি উদযাপনের বিষয় হয়, সেটা অবাক হওয়ার মতো কোনো কিছু নয়; কারণ এই ফ্যাসিস্টদের হাত তো শিশু, কিশোর ও শিক্ষার্থীদের রক্তে রঞ্জিত। কিন্তু হাদীকে বিএনপি শত্রুজ্ঞান করে কেন? হাদী’র গ্রাফিতি বিএনপি কেন মুছে দিতে চায়? কোনো জবাব আছে? জুলাইকে নিজেদের দাবি করে জুলাই সনদকে বাতিল করতে চায় বিএনপি? হাদীকে নিয়ে কোনো পোস্ট দিলে বিএনপি’র লোকজন এসে গালাগালি করে—কোনো জবাব আছে? হাদী’র প্রতি বিএনপি’র এত ক্ষোভ কেন? কার বা কাদের নাম বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে বলে মমতা ব্যানার্জী দাবি করলেন—তারেক, মির্জা আব্বাস কিংবা বিএনপি নয় তো? খুব খুশি হবো, যদি যৌক্তিকভাবে কেউ আমার অনুসিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করতে পারেন। মইনুল হক ডেট্রয়েট, মিশিগান। Tarique Rahman Bangladesh Nationalist Party-BNP National Citizen Party - NCP Bangladesh Jamaat-e-Islami Bangladesh Islami Chhatrashibir Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইনকিলাব মঞ্চ
99