আল-আকসা ♥️
Відкрити в Telegram
♥️ ও. এম. প্রকাশনী (সাহিত্যের মাধ্যমে_তারুণ্যের সৃজনশীলতা বিকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ) 🍀 O.M. MEDIA YouTube channel 👇 https://youtube.com/channel/UCDH_pJHz6kOSzsNymvRGfJA
Показати більше940
Підписники
-224 години
-57 днів
-2230 день
Триває завантаження даних...
Схожі канали
Хмара тегів
Немає даних
Виникли проблеми? Будь ласка, оновіть сторінку або зверніться до нашого support-менеджера.
Вхідні та вихідні згадування
---
---
---
---
---
---
Залучення підписників
червень '26
червень '26
+7
в 0 каналах
травень '26
+11
в 0 каналах
Get PRO
квітень '26
+12
в 0 каналах
Get PRO
березень '26
+6
в 0 каналах
Get PRO
лютий '26
+65
в 0 каналах
Get PRO
січень '26
+14
в 0 каналах
Get PRO
грудень '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
листопад '25
+8
в 0 каналах
Get PRO
жовтень '25
+11
в 0 каналах
Get PRO
вересень '25
+11
в 0 каналах
Get PRO
серпень '25
+15
в 0 каналах
Get PRO
липень '25
+10
в 0 каналах
Get PRO
червень '25
+36
в 2 каналах
Get PRO
травень '25
+28
в 2 каналах
Get PRO
квітень '25
+46
в 0 каналах
Get PRO
березень '25
+50
в 0 каналах
Get PRO
лютий '25
+15
в 0 каналах
Get PRO
січень '25
+50
в 2 каналах
Get PRO
грудень '24
+96
в 2 каналах
Get PRO
листопад '24
+78
в 2 каналах
Get PRO
жовтень '24
+144
в 0 каналах
Get PRO
вересень '24
+37
в 2 каналах
Get PRO
серпень '24
+165
в 5 каналах
Get PRO
липень '24
+515
в 4 каналах
| Дата | Залучення підписників | Згадування | Канали | |
| 23 червня | 0 | |||
| 22 червня | 0 | |||
| 21 червня | 0 | |||
| 20 червня | +1 | |||
| 19 червня | 0 | |||
| 18 червня | 0 | |||
| 17 червня | 0 | |||
| 16 червня | 0 | |||
| 15 червня | 0 | |||
| 14 червня | 0 | |||
| 13 червня | 0 | |||
| 12 червня | +2 | |||
| 11 червня | +1 | |||
| 10 червня | 0 | |||
| 09 червня | +1 | |||
| 08 червня | +1 | |||
| 07 червня | 0 | |||
| 06 червня | 0 | |||
| 05 червня | 0 | |||
| 04 червня | 0 | |||
| 03 червня | +1 | |||
| 02 червня | 0 | |||
| 01 червня | 0 |
Дописи каналу
'তোমাদের অবশ্যই পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। আর আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদের।’
(সুরা বাকারা, আয়াত : ১৫৫)
| 2 | গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি তৈরি আর অ্যাডভোকেট চৈতালী নামের মহিলার রংপুরকে আলাদা প্রদেশ বানানোর আলাপ নিয়ে কেন প্রত্যেক বাংলাদেশির গভীরভাবে কনসার্ন্ড হওয়া উচিত?
.
এ প্রশ্নের জবাব কিছুটা হলেও পাওয়া যাবে ভারতের প্রভাবশালী সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট ভরত কর্ণাডের ২০২৫ সালের শেষের দিকে লেখা একটি বিস্ফোরক আর্টিকেল থেকে।
.
তার আগে কর্ণাড সাহেবের সংক্ষিপ্ত পরিচয়টা জানিয়ে রাখি—ভদ্রলোক দিল্লির ‘সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ’-এর প্রাক্তন অধ্যাপক এবং ভারতের ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ড’-এর সদস্য ছিলেন। ভারতের পরমাণু নীতি বা ‘নিউক্লিয়ার ডকট্রিন’ ড্রাফট করার পেছনে কর্ণাড ভূমিকা রেখেছিলেন। বুঝতেই পারছেন, এলেবেলে কেউ নন।
.
তার এই চিন্তা থেকে দিল্লির জাতীয় ও আঞ্চলিক নীতিনির্ধারকেরা ঠিক কী ভাবছেন বা ভবিষ্যতে কী ভাবতে পারেন, তার একটা আভাস পাওয়া যায়।
.
এবার দেখা যাক, কর্ণাড সাহেব "শিলিগুড়ি করিডোর প্রশস্ত করো, রংপুর বিভাগ গ্রাস করো" - শিরোনামের লেখায় ঠিক কী বলতে চেয়েছেন:
.
.
চিকেনস নেক ও ভারতের শঙ্কা:
কর্ণাড সাহেবের প্রথম কথা হলো, ভারতের বড় দুর্বলতা ১৭ থেকে ২২ কিলোমিটার চওড়া শিলিগুড়ি করিডোর, যেটাকে সবাই ‘চিকেনস নেক’ বলে। তাঁর আশঙ্কা—বাংলাদেশ যদি ক্রমশ ভারত-বিরোধী হয়ে ওঠে এবং চীনের সাথে সামরিক সম্পর্ক তৈরি করর, তবে যেকোনো সংকটে চীন আর বাংলাদেশ মিলে ভারতের ওই গলা টিপে ধরবে। ভারতের ৩৩তম আর্মি কোর আটকা পড়বে, আর মূল ভূখণ্ড থেকে ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
.
.
রংপুর বিভাগ গ্রাস করার প্রস্তাব:
এই ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য কর্ণাড বলছেন, ভারতের উচিত বাংলাদেশের উত্তরভাগের পুরো রংপুর বিভাগটা (প্রায় ১৬ হাজার বর্গকিলোমিটার) নিজেদের দখলে নিয়ে নেওয়া এবং সেটাকে আসামের সাথে জুড়ে দেওয়া। এতে ভারতের চিকেনস নেক চওড়া হবে, সীমান্ত সোজা হবে, আর ডোকলামে চীনের ডানা ছেঁটে দেওয়া যাবে।
.
.
বাংলাদেশের দুই ‘চিকেনস নেক’ ও হিমন্ত বিশ্বশর্মার প্রস্তাব:
কর্ণাড সাহেব আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার প্রশংসা করা বলেছন, শর্মা ২০২৫-এর মে মাসে বলেছিলেন বাংলাদেশেরও দুটো চিকেনস নেক আছে, যা ভারত চাইলে চেপে ধরতে পারে:
.
প্রথমটা হল, উত্তর বাংলাদেশ করিডোর (৮০ কিমি)। দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম গারো পাহাড় পর্যন্ত ছড়ানো। এটা কেটে দিলে রংপুর বাকি বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন।
.
দ্বিতীয়টা চট্টগ্রাম করিডোর (২৮ কিমি)। দক্ষিণ ত্রিপুরা থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সরু পথ, যা ঢাকার সাথে অর্থনৈতিক রাজধানী চট্টগ্রামের সংযোগ ঘটিয়েছে। কর্ণাডের যুক্তি—এই করিডোর কেড়ে নেওয়ার ভয় দেখিয়ে ঢাকাকে চুপ করিয়ে রাখা যাবে।
.
.
ক্রয়চুক্তি বনাম সামরিক আগ্রাসন:
রংপুর ভারত কীভাবে পাবে? কর্ণাড দুটো পথ দেখিয়েছেন। প্রথম পথটা আমেরিকার ‘লুইসিয়ানা পারচেস’-এর মতো। বাংলাদেশ এখন ১০৪ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণের নিচে ডুবছে। ভারতকে প্রস্তাব দেবে—তোমাদের ১০ বা ২০ বিলিয়ন ডলার ক্যাশ দিচ্ছি, রংপুর আমাদের ছেড়ে দাও এবং চীনের সাথে কোনো সামরিক জোট না রাখার চুক্তিতে সই করো।
.
আর বাংলাদেশ যদি ভালো কথায় রাজি না হয়, তবে সোজা সামরিক অভিযান চালিয়ে জোর করে রংপুর দখল করে নেওয়া।
.
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়?:
এমন আগ্রাসনে অ্যামেরিকা বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মেনে নেবে? কর্ণাড বলছেন, ভারতের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমেরিকা এখন এক ক্ষীয়মাণ শক্তি, চীনকে ঠেকাতে তাদের ভারতকে লাগবেই। তা ছাড়া অ্যাপল, গুগল বা মাইক্রোসফটের মতো মার্কিন টেক জায়ান্টরা ভারতের বিশাল বাজার আর সস্তা আইটি মেধার লোভ সামলাতে পারবে না।
.
.
পপুলেশন সোয়াপ:
রংপুর তো দখল হলো, কিন্তু সেখানকার ১৮ মিলিয়ন (১ কোটি ৮০ লাখ) মুসলিম জনগোষ্ঠীর কী হবে? কর্ণাড এখানে ১৯৪৭-এর দেশভাগের সময় ড. বি আর আম্বেদকরের দেওয়া এক তত্ত্বের আশ্রয় নিয়েছেন। রংপুরের ১ কোটি ৮০ লাখ মুসলমানকে ঠেলে বাকি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হোক, আর এর বদলে বাংলাদেশে "নির্যাতিত" অবস্থায় থাকা ১ কোটি ৩০ লাখ হিন্দুকে ভারতে টেনে নেওয়া হোক। তাঁর মতে, এতে বাংলাদেশের ইসলামপন্থীদের ‘ধর্মীয়ভাবে খাঁটি’ দেশের শখও মিটবে, আবার ভারতের পূর্ব সীমান্ত চিরতরে নিষ্কণ্টক হবে।
.
.
সুতরাং, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি স্থাপন কিংবা ‘রংপুর প্রদেশ’ বানানোর আলোচনাগুলোকে আমাদের নিজ গরজেই গুরুত্ব দেয়া উচিত। ভরত কর্ণাডের মতো দিল্লির চাণক্যদের এই ব্লুপ্রিন্ট প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের ভূখণ্ড নিয়ে ওপারে কতটা বিপজ্জনক খেলা চলছে। | 45 |
| 3 | Немає тексту... | 35 |
| 4 | ছবিতে নিথর হয়ে থাকা কন্যা শিশুটির নাম রিক্তা। মাত্র ৯/১০ বছর বয়স। মেয়েটির গ্রামের বাড়ি সিলেটে। গরিব ঘরে তারা ৪ বোন।
কিছুদিন আগে ঢাকায় তাকে ৪ হাজার টাকা বেতনে কাজের জন্য দেওয়া হয়। সরকারের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বাসায়।
কোরবানির ঈদের মাত্র ১৫ দিন আগে কাজে এসেছিল মেয়েটি। দিন কয়েক আগে মেয়েটি মায়ের কাছে ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করে। জানায়, সে আর ওই বাসায় কাজ করবে না।
মেয়ের মা মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চাইলে সেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্ত্রী জানিয়ে দেন যে ব্যক্তির মাধ্যমে মেয়েটিকে কাজে রেখেছেন তাকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি।
ওই ১০ হাজার টাকা দিয়ে পরে মেয়ে নিতে হবে। কিন্তু চার কন্যার জননী যে মা শিশু কন্যাকে মাত্র চার হাজার টাকা বেতনে ঢাকায় পাঠিয়েছেন সে ১০ হাজার টাকা কই পাবে?
আজ সে মেয়েটি ভোর ৬ টার দিকে ধানমন্ডির ১৫ নম্বর সড়কের ৯এ-এর ৩৭ নম্বর বাড়ির দশ তলা থেকে পরে মরে গেছে।
সিকিউরিটি গার্ড যখন শব্দ শুনে মেয়েটিকে গিয়ে দেখতে পায়, তখন তার হাত ছিড়ে গেছে এবং সেখান থেকে রক্ত ঝরছে। দ্রুত রিকশায় করে নিয়ে প্রথমে ধানমন্ডির ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যায় তারা।
সেখান থেকে শংকরে ইবনে সিনা হাসপাতালে। সেখানকার গেটে নেওয়ার পর বাচ্চাটি শেষবারের মতো নিঃশ্বাস নেয়।
মাত্র দশ হাজার টাকার জন্য একটা মেয়ে মরে গেল? মেয়েটি কি পরে গেছে? নাকি ফেলে দেওয়া হয়েছে? এটা কি আত্মহত্যা নাকি খুন?
আত্মহত্যা হলেও তা খুনই, পরে গেলেও তা খুনই। মাত্র ১০ হাজার টাকার জন্য সরকারের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মেয়েটিকে তার মায়ের কাছে যেতে দেয় নি। লাশ করে ফেরত দিয়েছে।
মেয়ের মা বলেছেন মেয়েটিকে মেরে ফেলা হয়েছে। ১০ হাজার টাকায় তারা মেয়েটির জীবন কিনে নিলো?
ধানমন্ডির দশতলা বাসার গ্যারেজে একটি গাড়িও ছিল না? সেই প্রকৌশলীরও না? হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গাড়ি জুটলো না!
ছবিতে মেয়ে আর মেয়ের মা!
এই রাষ্ট্র গরিবের জন্য না! রিক্তার জন্য বিচার এনে কে দেবে?
লেখা- Arjo Ahmmed | 44 |
| 5 | Немає тексту... | 38 |
| 6 | Немає тексту... | 58 |
| 7 | • জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে, জনগণের টাকায় পরিচালিত সংসদে বসে যদি দেশের প্রকৃত সমস্যা ও মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে কার্যকর আলোচনা না হয়, তবে সেই সংসদের উদ্দেশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।
আজ দেশের সাধারণ মানুষ নানাভাবে কষ্টে আছে—দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট, আইন-শৃঙ্খলার উদ্বেগ, নিত্যদিনের ভোগান্তি। কিন্তু সংসদের মূল্যবান সময়ের একটি বড় অংশ চলে যায় এমন সব বিষয় নিয়ে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। কখনো ব্যক্তিগত বিষয়, কখনো অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, কখনো অতীতের ঘটনা টেনে এনে দীর্ঘ আলোচনা—এসবের মধ্যেই অনেক সময় কেটে যায়।
জনগণ আশা করে সংসদে আলোচনা হবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা নিয়ে। কিন্তু বাস্তবে সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অনেক সময় পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায় না। সংসদের প্রতিটি মিনিট, প্রতিটি অধিবেশন পরিচালনায় বিপুল অর্থ ব্যয় হয়, আর সেই অর্থ আসে জনগণের কষ্টার্জিত করের টাকা থেকে। তাই জনগণের ন্যায্য প্রত্যাশা—এই সময় ও অর্থ যেন দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়।
আমার নিজের এলাকার নির্বাচিত প্রতিনিধিকেও খুব কমই এলাকার উন্নয়ন বা জনগণের দাবি-দাওয়া নিয়ে জোরালোভাবে কথা বলতে দেখেছি। হয়তো সুযোগ পান না, হয়তো অন্য কোনো কারণ আছে—কিন্তু একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমরা চাই, আমাদের প্রতিনিধিরা সংসদে আমাদের সমস্যাগুলো তুলে ধরুন এবং সমাধানের জন্য সোচ্চার হোন।
আফসোস, আমরা এখনও অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে পারিনি। অথচ দেশের প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। জনগণের অর্থ, জনগণের সময় এবং জনগণের বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষা করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূল অঙ্গীকার।
জাতির জন্য আফসোস হয়, যখন দেখি এত সম্ভাবনার পরও আমরা অনেক ক্ষেত্রে একই জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছি। দেশ এগিয়ে যাক, মানুষের কথা সংসদে প্রাধান্য পাক—এটাই একজন সাধারণ নাগরিকের প্রত্যাশা।
• ৭০ এর বাংলা
উসমান বিন আব্দুল আলীম
১৭-৬-২০২৬ | 68 |
| 8 | তাবরেজ আনসারি হত্যা (২০১৯, ঝাড়খণ্ড):
২২ বছর বয়সী এক মুসলিম যুবককে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নির্মমভাবে পেটানো হয় এবং তাকে জোরপূর্বক 'জয় শ্রীরাম' ও 'জয় হনুমান' স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে তিনি মারা যান।
ফয়সাল উসমান খান লাঞ্ছনা (২০১৯, মহারাষ্ট্র):
২৫ বছর বয়সী এক মুসলিম ট্যাক্সি চালককে তার ধর্মের কারণে তারের সাহায্যে বেধড়ক পেটানো হয়। তিনি বাঁচার জন্য 'ইয়া আল্লাহ' বললে, আক্রমণকারীরা তাকে ক্ষমা পাওয়ার শর্ত হিসেবে 'জয় শ্রীরাম' বলতে বাধ্য করে।
দিল্লি দাঙ্গা (২০২০, দিল্লি):
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে (CAA) কেন্দ্র করে দিল্লিতে হওয়া ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সময় বেশ কিছু উন্মত্ত জনতাকে 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দিয়ে বিভিন্ন এলাকা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় লিপ্ত হতে দেখা যায়।
সোহেল ও সাবির মারধর (২০২৩, হরিয়ানা): গোরক্ষার নামে মুসলিম যুবকদের ওপর হামলার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রোহতক ও অন্যান্য এলাকায় একাধিক মুসলিম ব্যক্তিকে জোর করে 'জয় শ্রীরাম' বলানোর জন্য হেনস্থা করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। | 53 |
| 9 | Немає тексту... | 45 |
| 10 | কাকা কিন্তু এক পিস!!
‘মোদি সবচেয়ে সুন্দর দেখতে মানুষ, কিন্তু আসলে তিনি একজন কিলার’ —ডোনাল্ড ট্রাম্প | 50 |
| 11 | তবে এ বিষয়ে মো. হাসানের বক্তব্যে বেশকিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। তিনি জানায়, স্বর্ণগুলো আমার ছিল না। এগুলো ছিল আমার খালাতো ভাই নাহিদের। এর বেশি আর বলতে পারব না। তবে চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে নাহিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী বলেন, কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য যদি কাউকে আইনবহির্ভূতভাবে আটকে রাখেন, অর্থ আদায় করেন কিংবা পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেন, তাহলে সেটি শুধু ক্ষমতার অপব্যবহার নয়, রাষ্ট্রের আইনি কাঠামোর জন্যও উদ্বেগের বিষয়। | 50 |
| 12 | চট্টগ্রামে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে রাতভর আটকে রেখে নির্যাতন, শ্লীলতাহানি ও পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দীন রাজু।
ভুক্তভোগী লুৎফুর নেছা দৈনিক আমার দেশের সাংবাদিকদের জানান, তাকে বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। এরপর একটি অঙ্গীকারনামায় জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে প্রাণ ও পরিবারের নিরাপত্তার ভয়ে তিনি এবং তার প্রবাসী স্বামী ১ কোটি ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ লেনদেনের স্ক্রিনশট, অডিও রেকর্ড এবং আদালতে দাখিল করা মামলার নথি পর্যালোচনা করে টাকা নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ১ জুন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে ভুক্তভোগী মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু বাকর সিদ্দিক বলেন, পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, লুৎফুর নেছার স্বামী ফজলুল কাদের বাদশা দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মোবাইল এক্সেসরিজ ব্যবসা করেন। ২০২৪ সালে সেখানে তার পরিচয় হয় ফটিকছড়ির বাসিন্দা নাজমুল হাসান ওরফে নাহিদের সঙ্গে। পরে দুজন যৌথভাবে ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায় লোকসান হওয়ার পর ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে নাহিদ দেশে ফিরে আসেন। এরপর তিনি কাদেরের কাছে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা দাবি করে।
স্বামী বিদেশে থাকায় নাহিদ সরাসরি লুৎফুর নেছার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নগরের মুরাদপুর এলাকার নিজ বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি লুৎফুর নেছাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে নাহিদ, ডিবির এসআই মহিউদ্দীন রাজু, বরখাস্ত সাবেক ডিবি কর্মকর্তা দীপঙ্কর এবং আরো দুজন ছিল। লুৎফুর নেছার দাবি, কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা লিখিত নোটিস ছাড়াই তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়।
এরপর নগরের মনসুরাবাদে ডিবি উত্তর বিভাগের কার্যালয়ে লুৎফুর নেছাকে রাতভর আটকে রাখা হয়। তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয় এবং দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়, টাকা না দিলে তার মেয়ে, জামাই, বাবা ও ভাইকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি তাদের হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয়।
লুৎফুর নেছা আমার দেশকে বলেন, এ ঘটনার স্ক্রিনশট এবং অডিও সংরক্ষিত আছে। ডিবি নিজের অফিস থেকে আমাকে ডেকে নিয়ে টাকা নিয়েছে। এখন আমি কোথায় যাব? মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে পরদিন ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা পর্যন্ত তাকে সেখানে রাখা হয়।
মামলায় আরো বলা হয়, একপর্যায়ে ভয়ে টাকা দিতে সম্মত হলে ডিবি কার্যালয়ের একটি কম্পিউটারে তিনটি ১০০ টাকার জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা প্রস্তুত করা হয়। ওই দলিলে উল্লেখ ছিল, ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ না করলে এসআই মহিউদ্দীন রাজু যে কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন এবং তাতে লুৎফুর নেছার কোনো আপত্তি থাকবে না। ভুক্তভোগী জানান, জোরপূর্বক তার কাছ থেকে ওই নথিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
ডিবি কার্যালয় থেকে ফিরে পরিবারটি আতঙ্কে পড়ে যায়। লুৎফুর নেছা জানান, স্বর্ণালংকার বিক্রি, আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার এবং বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তারা এক কোটি ১০ লাখ টাকা জোগাড় করেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি তিনি আবার ডিবি কার্যালয়ে যান এবং সেখানে অভিযুক্তদের কাছে ওই টাকা হস্তান্তর করেন।
আমার দেশ অর্থ লেনদেন-সংক্রান্ত স্ক্রিনশট পর্যালোচনা করেছে। সেখানে অভিযুক্ত এসআই মহিউদ্দীন রাজুর কাছে ছয় লাখ টাকা পরিশোধের তথ্য দেখা যায়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এক কোটি ১০ লাখ টাকা দেওয়ার পরও বাকি এক কোটি ৪০ লাখ টাকা মাসিক কিস্তিতে পরিশোধের জন্য চাপ অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে নানা ধরনের হুমকিও অব্যাহত ছিল বলে জানান লুৎফুর নেছা।
তিনি জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ করতে প্রথমে পাঁচলাইশ থানায় যান। তবে সেখানে মামলা গ্রহণ না করে তাকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আইনজীবীরা বলছেন, কোনো ফৌজদারি অভিযোগে পুলিশ মামলা না নিলে সেটিও প্রশ্নের জন্ম দেয়। বিশেষ করে অভিযোগের তীর যখন পুলিশের একজন সদস্যের দিকে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই মহিউদ্দীন রাজু দাবি করে, মো. হাসান নামে একজন আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। তার দাবি ছিল, প্রায় এক কোটি ২৫ লাখ টাকার স্বর্ণ-সংশ্লিষ্ট একটি কেমিক্যালের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। আমি দুপক্ষের মধ্যে মীমাংসার চেষ্টা করেছি। টাকা নেওয়া বা নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়। | 51 |
| 13 | بے ادب اور بے حیا لوگو سے ہم بحث نہیں کرتے
کیونکہ کے ہم اپنی تربیت اور کردار کی قدر جانتے ہیں 🌛🌿🥀 | 42 |
| 14 | শিক্ষকতা আমার পরিচয়, আর পরিশ্রম আমার পথচলার সঙ্গী।
একজন মানুষের জীবনে স্বপ্ন পূরণের জন্য শুধু একটি কাজ নয়, প্রয়োজন নিরলস চেষ্টা, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং আল্লাহর উপর ভরসা। শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রতিদিনের ব্যস্ততা, অনলাইন কাজ, পড়াশোনা, সংসারের দায়িত্ব এবং প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময়—সব মিলিয়েই আমার জীবন।
আজকের ভিডিওতে তুলে ধরেছি আমার একটি দিনের গল্প; আমার জীবন, আমার পরিশ্রম, আমার স্বপ্ন। | 49 |
| 15 | My Life, My work, My Dream 💕 | 54 |
| 16 | • মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে।
১৪৪৭ থেকে ১৪৪৮ হিজরিতে পদার্পণ। আলহামদুলিল্লাহ। জীবনের পাতা থেকে আরেকটি বছরের বিদায়! | 64 |
| 17 | • এগুলো কলম।🫠 | 87 |
| 18 | Немає тексту... | 88 |
| 19 | ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ব্যয় হয়েছিল ২২০ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি বলেছেন, মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার হলেই প্রতি বছর পৃথিবীর ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্যচাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
একদিকে কোটি কোটি ক্ষুধার্ত মানুষ, অন্যদিকে অনর্থক এক খেলার পেছনে চলছে গোটা পৃথিবীর সম্মিলিত উন্মাদনা।
এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, মনুষ্যত্বের মর্যাদা আমরা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছি। পৃথিবী জুড়ে এখন কেবলই মনুষ্যত্ব-বিবর্জিত ‘খোলস-মানুষের’ বসবাস। | 94 |
| 20 | রয়টার্সের বরাতে ক্ল্যাশ রিপোর্ট লেখছে আরব আমিরাত এবার ইরানের পিছে ছুটছে।
ইজরাইল-আমেরিকা নিরাপত্তা দিতে পারবে না বোঝার পর তাৎক্ষনিক ১৮০ ডিগ্রি টার্ন নিছে।
বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে ইরানের সাথে সমঝোতায় আসতেছে। ইতোমধ্যেই ৩ বিলিয়ন ডলার দিছে। ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা।
ইরান আক্রমণ না করলে সেটা ২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত যাবে!
ওদিকে কাতার রাস লাফান গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণ না করার শর্তে যুদ্ধের শুরুর দিকেই এই চুক্তিতে আসছিল যে কাতার গ্যাস প্রোডাকশন বন্ধ করে দিবে।
ফলে ইরান আক্রমণ করে, গ্যাস ফিল্ড ধ্বংস করে, বিশ্ববাজারে যে চাপ তৈরি করার কথা, সেটা আক্রমণ ছাড়াই কাতার স্বেচ্ছায় করে দিবে।
বিনিময়ে ইরান কাতারে আক্রমণ করবে না।
- Rakibul Hasan | 94 |
Вже доступно! Дослідження Telegram за 2025 — головні інсайти року 
