fa
Feedback
সম্ভাব্য সত্য

সম্ভাব্য সত্য

رفتن به کانال در Telegram

কিছু লেখা ও তথ্য সংগ্রহ করা, কিছু সাম্প্রতিক খবর শেয়ার করা এবং নিজের অল্প কিছু কথা বলার জন্য... চ্যানেল সম্পর্কে যেকোনো ফিডব্যাক এই বটের(@Channel_Owner_chat_bot) মাধ্যমে জানাতে পারেন।

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام সম্ভাব্য সত্য

کانال সম্ভাব্য সত্য (@somvabbosotto) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 14 237 مشترک است و جایگاه 14 787 را در دسته اخبار و رسانه‌ها و رتبه 1 626 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 14 237 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 25 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 61 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 3 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 13.20% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 4.53% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 879 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 645 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 29 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
কিছু লেখা ও তথ্য সংগ্রহ করা, কিছু সাম্প্রতিক খবর শেয়ার করা এবং নিজের অল্প কিছু কথা বলার জন্য... চ্যানেল সম্পর্কে যেকোনো ফিডব্যাক এই বটের(@Channel_Owner_chat_bot) মাধ্যমে জানাতে পারেন।

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 26 ژوئیه, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته اخبار و رسانه‌ها تبدیل کرده‌اند.

14 237
مشترکین
+324 ساعت
+227 روز
+6130 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '26
ژوئیه '26
+147
در 2 کانال‌ها
ژوئن '26
+129
در 2 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+135
در 1 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+111
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+10
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+114
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+85
در 2 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+67
در 1 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+90
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+104
در 5 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+82
در 4 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+101
در 2 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+206
در 10 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+138
در 4 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+167
در 7 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+206
در 7 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+165
در 6 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+153
در 4 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+281
در 7 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+1 070
در 11 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+923
در 6 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+1 202
در 8 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+984
در 4 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+3 007
در 41 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+2 482
در 16 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+501
در 4 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+596
در 4 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+558
در 4 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+593
در 3 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+555
در 4 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+805
در 3 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+773
در 5 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+355
در 8 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+829
در 5 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+47
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+98
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+85
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+37
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '23
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '23
+1
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '23
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '22
+6
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '22
+5
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '22
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '22
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '22
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '22
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '22
+8
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '22
+23
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '22
+213
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
26 ژوئیه+7
25 ژوئیه+3
24 ژوئیه+9
23 ژوئیه0
22 ژوئیه+12
21 ژوئیه+3
20 ژوئیه+4
19 ژوئیه+8
18 ژوئیه+5
17 ژوئیه+1
16 ژوئیه+1
15 ژوئیه+3
14 ژوئیه+1
13 ژوئیه+6
12 ژوئیه+6
11 ژوئیه+15
10 ژوئیه+31
09 ژوئیه+2
08 ژوئیه+4
07 ژوئیه+7
06 ژوئیه+4
05 ژوئیه0
04 ژوئیه+1
03 ژوئیه+2
02 ژوئیه+6
01 ژوئیه+6
پست‌های کانال
শাইখ ফারুক রামাদান রহঃ। নিজের পরিবার, সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে ইহুদিদের মোকাবিলায় গতকাল পশ্চিম তীরের নাবুলস শহরে শাহাদাতবরণ করেন
শাইখ ফারুক রামাদান রহঃ। নিজের পরিবার, সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে ইহুদিদের মোকাবিলায় গতকাল পশ্চিম তীরের নাবুলস শহরে শাহাদাতবরণ করেন। (সাথে জঙ্গি ইহুদিদের থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে দুই ইহুদিকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেন)

2
আপনাদের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হবে, তবে নিশ্চিত থাকেন এইটা বাস্তবতা - গত দশ বছর থেকে বাংলাদেশের ক্লাস নাইন থেকে ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইয়াবা আশক্ত। বিশেষ করে ঢাকাতে ক্লাস নাই টেন থেকেই ইয়াবা গ্রহন শুরু করে দেয় ছাত্র ছাত্রীরা৷ পাশাপাশি চলে ওপেন সেক্স যা মুলত বহুগামিতা চর্চা। সেক্সকে তারা ফান হিসেবে দেখে৷ আপনার আশেপাশের অনেক ছেলে মেয়েই ইয়াবা আসক্ত৷ এই যে রাস্তায় দেখেন একটুতে উগ্রতা প্রকাশ করে, কাকে কি বলছে হুস জ্ঞান নাই৷ কথায় কথায় সোসাল মিডিয়াতে এসে যাকে যা ইচ্ছা বলে যাচ্ছে। সব গুলো ইয়াবা আসক্ত। ঢাকা শহরে হাতে গুনা কয়েকটি স্কুল আছে এখনো যেখানে পড়াশোনা হয়, পাশাপাশি শিক্ষকেরাও যথেষ্ট আন্তরিক তাদের ছাত্র ছাত্রীদের প্রতি। বাকী সব স্কুল কলেজ নাম মাত্র চলে পড়শানা, আসলে যা ব্যাবসা খুলে বসে আছে। ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ, বাহারুদ্দিন কলেজ, তেজগাঁও কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ। এদের সকলের ড্রাগ টেস্ট নিলে দেখা যাবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইয়াবা আসক্ত। দীর্ঘ দশ বছর থেকে এইসব চলছে স্কুলগুলোতে। এইসবের সাথে সরাসরি জড়িত অনেক গার্জিয়ান৷ তাদের অবৈধ অর্থের কোন লাগাম নেই, ছেলেমেয়েদের হাত খরচের নামে টাকা ছড়ায় খোদ পিতামাতারাই। অবাক হয়ে দেখতে হবে আপনাকে যদি সুক্ষ ভাবে খেয়াল করেন এইসব ছাত্রছাত্রীদের টাকা উড়নো কাকে বলে। গত দশ বছরে অবৈধ অর্থ, দুর্নীতিকে এতটাই সামাজিক করা হয়েছে যে, আগে তাও ঘুসখোরেরা একটু লজ্জা শরম পাইতো আর এখন যার যত অবৈধ অর্থ তার সম্মান সবার থেকে বেশী। পিতামাতাদেরও সার্কেল হয়েছে যেখানে নিজের বা স্বামীর ঘুসের টাকা উড়ানো হচ্ছে আবার এইসব পিতামাতার বন্ধুরাই তাদের বাহবা দিচ্ছে। আমি নিজে দেখেছি ক্লাস ফোরের বাচ্চার হাতে আইফোন সেভেন্টিন প্রো৷ তার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছি এইটা কেন কিনে দিয়েছেন, তার বাবা আরও গর্ব করে আমাকে শুনাইলো , আগের মডেল গুলোও বাচ্চাটিকে আগে কিনে দিয়েছে৷ বাসায় মেয়ের কাছে শুনি তার সহপাঠীদের দৈনিক হাত খরচ দেয় পাঁচশত/হাজার টাকা প্রতিদিন। আর এরা এইসব দিয়ে নেশার জগতে ঢুকে যাচ্ছে। আজ থেকে দুই বছর আগে, একটা বাচ্চা মেয়ে ক্লাস নাইনে পড়ে দেশের অন্যতম সেরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। তাকে রক্ত দিতে গিয়ে শুনি বাচ্চাটির এব্রোশেন করিয়েছে। রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না৷ আমি নিজে রক্ত দিয়েছি, আরেকজনের কাছ থেকে রক্ত যোগার করে দিলাম। বাচ্চা মেয়েটির জন্যে যতটা খারাপ লাগছিল তার থেকে তার বাবা মায়ের আচরণ দেখে। তাদের কাছে বিষয়টি তেমন কোন কিছুই মনে হচ্ছে না। ঢাকাতে বাবা মায়েরা বাচ্চাদের এতটাই লাগামহীন করে ফেলেছে যে, এইসব বাচ্চাদের কাছে কোন নৈতিকতা নাই, কোন শ্রদ্ধা বোধ নাই৷ তারা অন্যদের মানুষই মনে করে না। আর গার্জিয়ানও তাদের এইসব অন্যায়ের পক্ষ নেয়। ঢাকা কলেজ, আইডিয়াল, সিটি কলেজ, তেজগা কলেজ, এইসব কলেজের ইলিভেন টুয়েলভ ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের ড্রাগ টেস্ট করা হোক, দেখবেন কি ভয়ংকর রুপ ধরা পরবে । আরেকটা ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে এদের বাবা মায়ের মধ্যেও বহুগামিতা এদের নৈতিকতাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে৷।। ✍️ রাশেদ আলম
1 764
3
Janjuatalks, একজন পাকিস্তানি ইনফ্লুয়েন্সার, একটা অনন্য ধরনের প্র্যাঙ্ক করে। তিনি অনলাইনে নকল ইসরাইলি আইডি ব্যবহার করে ভারতীয়দের সাথে ভিডিও কল করেন এবং শুরুতেই জিজ্ঞাসা করেন, “তুমি কি ইসরাইলকে পছন্দ করো?” যেই না ইসরাইলের নাম শোনে, অনেক ভারতীয় তৎক্ষণাৎ খুশিতে ফেটে পড়ে। তারা বলতে থাকে, “আমাদের দুই দেশের মধ্যে তো অসাধারণ সম্পর্ক! আমরা একসাথে আছি।” কেউ কেউ আরও উৎসাহ দেখিয়ে বলে, “ইসরাইল আমাদের ভাইয়ের মতো।” তখন Janjuatalks ধীরে ধীরে প্রশ্নটা ঘুরিয়ে দেন, “আমরা তো মুসলমানদের হত্যা করছি, তোমরা কি এটা সমর্থন করো?” অবাক করা বিষয় হলো, অনেকেই সরাসরি বলে ফেলে, “হ্যাঁ, পছন্দ করি। আমরাও মুসলমানদের বিরুদ্ধে আছি।” একটা ভিডিওতে একজন ভারতীয় আর্মির লোক গর্ব করে বলেছে, “আমি ইতিমধ্যে ১০-১২ জনের বেশি মুসলমানকে মেরেছি।” আরেকজন সৌদি আরবে থাকা ভারতীয় প্রবাসী আরও চরম কথা বলেছে, “আমি চাই পুরো পৃথিবী থেকে মুসলমানরা ধ্বংস হয়ে যাক।” কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে: একজন ভারতীয় যুবক বলেছে, “প্যালেস্টাইনের কোনো দরকার নেই, পুরো জায়গাটা ইসরাইলের হওয়া উচিত। মুসলমানদেরকে সাগরে ফেলে দাও।” আরেকজন বলেছে, “কাশ্মীরে যা করছি, সেটাই ঠিক। সব মুসলিমকে ওখান থেকে বিতাড়িত করতে হবে। ইসরাইল যেভাবে করছে, আমরাও সেভাবে করব।” কয়েকজন তো এমনকি হিন্দুত্ববাদী স্লোগান দিয়ে বলেছে যে, “মুসলমানদের জন্য ভারতে কোনো জায়গা নেই। তাদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানিয়ে রাখতে হবে।” প্রতিটা ভিডিওর শেষে Janjuatalks নিজের আসল পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমি আসলে পাকিস্তানি মুসলমান। তোমাদের মাথায় কি কোনো জ্ঞান নেই? তোমরা মুসলমান শিশু-বাচ্চাদের মারতে চাও? ইসরাইলকে সমর্থন করে নিজেদের মানবতা বিকিয়ে দিচ্ছো?” এই কথা শোনার সাথে সাথে অধিকাংশ ভারতীয় ভিডিও কল কেটে দেয়, কেউ কেউ গালাগালি করে, কেউ আবার চুপ করে থাকে। এতে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এই ধরনের চিন্তাভাবনা অনেকের মধ্যে গভীরভাবে গেঁথে আছে। শেষ কথা: এই ভিডিওগুলো দেখলে বোঝা যায়, কিছু মানুষ কতটা বিষাক্ত ঘৃণা পোষণ করে। একজন ইনফ্লুয়েন্সারের একটা প্র্যাঙ্কই অনেকের আসল চেহারা বের করে আনে। এই ঘৃণা শুধু ইসরাইল-প্যালেস্টাইন নিয়ে নয়, এটা মুসলমানদের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে। আপনারা নিজেরাই Janjuatalks এর পেজে গিয়ে ভিডিওগুলো দেখতে পারবেন। সত্যি চোখে দেখলে বিশ্বাস হবে। এই ধরনের প্রতারণা আর প্রকাশিত সত্য যেন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে। ঘৃণা ছড়ানোর আগে নিজেদের চিন্তাভাবনা একবার চেক করা উচিত। 🍥 Ali Akbar
2 006
4
দৃঢ় বার্তা...
দৃঢ় বার্তা...
1 916
5
ধ্বংসস্তুপের মধ্যেও কারা ধ্বংসযজ্ঞ চালায়? -/ আমেরিকান-ইজরাইলী সন্ত্রাসী জঙ্গিরা। (পড়শু দিনের ফুটেজ)
ধ্বংসস্তুপের মধ্যেও কারা ধ্বংসযজ্ঞ চালায়? -/ আমেরিকান-ইজরাইলী সন্ত্রাসী জঙ্গিরা। (পড়শু দিনের ফুটেজ)
1 839
6
ডুবে গেছে চট্টগ্রাম। খিদেয় কাঁদছে শিশুরা। ভেলায় ভাসছে মানুষের লাশ। লাশ দাফনের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। এসব নিয়ে মিডিয়াতেও নেই ক
ডুবে গেছে চট্টগ্রাম। খিদেয় কাঁদছে শিশুরা। ভেলায় ভাসছে মানুষের লাশ। লাশ দাফনের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। এসব নিয়ে মিডিয়াতেও নেই কোনো আলাপ। কঠিন এই সময়ে চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষিত ভার্সিটিওয়ালারা উপভোগ করছেন আর্জেন্টিনার খেলা। আর অশিক্ষিত মোল্লারা ত্রাণের বস্তা কাঁধে নিয়ে ছুটছেন বন্যার্তদের দুয়ারে দুয়ারে। ✍️ Sadik Bin Siddique
2 166
7
কোনো এঙ্গেল থেকেই এজাতীয় হীনম্মন্য কথাবার্তা সমর্থন করার কোন সুযোগ নেই। আগের ধর্মউপদেষ্টা দেখতাম, হিন্দুদের কাছে গিয়ে হিন্দুদ
কোনো এঙ্গেল থেকেই এজাতীয় হীনম্মন্য কথাবার্তা সমর্থন করার কোন সুযোগ নেই। আগের ধর্মউপদেষ্টা দেখতাম, হিন্দুদের কাছে গিয়ে হিন্দুদের গুণগান করত, বৌদ্ধদের কাছে গিয়ে বৌদ্ধদের গুণগান করে মুসলিমদের বাঁশ মেরে আসত। এই টাইপ লোক তালেবদের ভিতরও থাকা অসম্ভব না। কেন, তালেবান জানেনা ভারতে মুসলমানদের উপর কী চলছে। এরপরও ডিপ্লোম্যাসির নামে এ ধরনের হীনম্মন্য তোষামোদি কোনোভাবেই আত্মমর্যাদাশীল জাতির পরিচয় না। ওনাকে তালেবান সরকার পদচ্যুত করা উচিত বলে মনে করি। বিঃদ্রঃ দোভাষীর সমস্যা বা অনুবাদ ইস্যু থাকতে পারে। তবে যদি প্রচারিত বক্তব্য সত্যি কেউ বলে, তার ব্যাপারে আমার মনোভাব এটাই। সেটা যে-ই হউক। ✍️ শামসুল আরেফিন শক্তি ভাই
446
8
বাঁশখালীর অবস্থা যে কত ভয়াবহ সেটা সরজমিন না গেলে বুঝা যাবে না। আজকে গিয়েছিলাম Banshkhali Students' Forum Chittagong Universit
বাঁশখালীর অবস্থা যে কত ভয়াবহ সেটা সরজমিন না গেলে বুঝা যাবে না। আজকে গিয়েছিলাম Banshkhali Students' Forum Chittagong University এর তত্ত্বাবধানে গিয়েছিলাম কাথারিয়া ইউনিয়ন এর একটা ওয়ার্ডে। মাটির ঘর যা আছে সব ডুবে পানির সাথে মিশে গেছে 😭। গলা সমপরিমাণ পানি৷ আল্লাহ হেফাজত করুন বাঁশখালীবাসীকে। 🍥
2 442
9
দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মিডিয়ায় শোরগোল খুব কমই দেখা যাচ্ছে।+2
দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মিডিয়ায় শোরগোল খুব কমই দেখা যাচ্ছে।
2 445
10
সারা দুনিয়া টিভি স্ক্রিনে বা এরকম আয়োজন করে বিশ্বকাপ দেখায় ব্যস্ত। ইজরাইলিরা তখন বড় বড় স্ক্রিনে, গোটা মহল্লা একত্র হয়ে আইডিএফ
সারা দুনিয়া টিভি স্ক্রিনে বা এরকম আয়োজন করে বিশ্বকাপ দেখায় ব্যস্ত। ইজরাইলিরা তখন বড় বড় স্ক্রিনে, গোটা মহল্লা একত্র হয়ে আইডিএফ লেবানিজ গ্রামগুলো ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছে, তা দেখতেছে! এই অনুষ্ঠান হচ্ছে আবার উত্তর ইজরাইলিদের গৃহ-প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে!! নিজ গৃহে ফিরে, আরেকজনের ঘর ধ্বংসের দৃশ্য উদযাপন, জায়োনিস্টদের পক্ষেই সম্ভব। হিটলারকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা উচিৎ। ভিডিওটা প্রকাশ করছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড। ✍️ Rakibul Hasan
2 661
11
বাংলাদেশে ইসলাম ও মুসলমান এমনি এমনি তাচ্ছিল্যের বস্তুতে পরিণত হয় নি। একাত্তরের গণ্ডগোলের পর এদেশে নেতৃস্থানীয় প্রচুর মুসলমান শহীদ করা হয়েছিল। গোটা সিলেটের মুসলমানদের একজন নেতৃস্থানীয় অভিভাবক ছিলেন আজমল আলী চৌধুরী, সাতচল্লিশে সিলেটকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত করে শেরে সিলেট উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। একাত্তরের গণ্ডগোলের পর ফযরের নামায পড়তে গিয়েছিলেন হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি’র মাজার মসজিদে। ফযরের নামায পড়ে মসজিদের বাইরে বের হওয়া মাত্র মুক্তিসন্ত্রাসীরা তাকে ধরে নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় চরম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে। তার দেহ বিকৃত করা হয় এবং সিলেট সরকারি কলেজের বাহিরে জনসম্মুখে দেখানোর জন্য তার লাশ তিনদিন ফেলে রাখা হয়। তিনদিন পর তার লাশ তার পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করে। এই আজমল আলী চৌধুরী ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড কেমন ছিল তার একটি উদাহরণ দিতে বলা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান মাহবুব আলী খান ছিল তার চাচাতো ভাই। কবি ফররুখ আহমদকে স্রেফ বিনা চিকিৎসায় না খাইয়ে মেরেছিল শেখ মুজিব সরকার। তার মৃত্যুর পর তার দাফনের জায়গাও পাওয়া যায় নি, কারণ কবির পরিবারের নিকট কোন টাকা ছিল না। ফররুখ আহমদ কতো বড় কবি, তার মর্যাদা কতোটুকু সেটা কিন্তু ইসলাম বিরোধীরা দেখেনি। যেমনটি দেখেনি আজমল আলী চৌধুরীর ক্ষেত্রে। তার পরিবার, বংশমর্যাদা, সামাজিক অবস্থান কিছুই আমলে নেয়া হয় নি। মুসলমানদের প্রতিপক্ষ মুসলমানদের মাথাকে খতম করার নীতিতে বিশ্বাসী। ঐ মাথার সম্মান সে গোনায় ধরে না। কিন্তু মুসলমানরা ছায়ানটি, হিন্দু, নাস্তিক এদের সমাজের রাঘব বোয়ালগুলোকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করে খতমের নীতিতে বিশ্বাসী নয়। উল্টো তাদের সমাজের পা যেগুলো, পা বললে ভুল হবে পায়ের জুতার তলা যেগুলো, যেমন গাইবান্ধায় মূর্তি স্থাপন করা শুয়োর চড়ানো ডোম হরিদাস, প্রতিদিন নবী রসূল তুলে কটূক্তি করে অতঃপর বারবিকিউ হওয়া দিপু চামার রবিদাস, এগুলো গোটা মুসলমান সমাজকে নিয়ে ফুটবলের মতো খেলছে। বিপরীতে এদেশে কথিত আলেমরা অছাম্প্রদায়িকতার নামে নমশূদ্রদের পদসেবা করে, মুসলমানদের যাকাতের টাকায় হিন্দুদের ঘর বানিয়ে দিয়ে ইসলামের ‘মাহাত্ম্য’ তুলে ধরতে তৎপর। আজমল আলী চৌধুরী আর ফররুখ আহমদদের শাহাদাতের বিপরীতে মুসলমানরা যদি ছায়ানটিদের কয়েকটা মাথাকে ধরে অনুরূপ ব্যবস্থা নিতে পারে, না খাইয়ে কিংবা প্রকাশ্যে পিটিয়ে মারতে পারে, তবে এদেশে ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি যে সমীহ তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। নতুবা মুসলমান ও ইসলাম, চিরকাল তাচ্ছিল্যের বস্তু হয়েই থাকবে এই ভূখণ্ডে। ৫ই আগস্টের পর প্রতিশোধের সুযোগ ছিল, কিন্তু জামাতি কওমিদের নেতৃত্বে মন্দির পাহারা দিয়ে সেটা ধ্বংস করা হয়েছে। বদরের যুদ্ধে আবু জেহেলের মাথা কেটে সেটাকে মাছের মাথার মতো কানের একপাশ ফুটো করে আরেকপাশ দিয়ে দড়ি বের করে মাটি দিয়ে ছেঁচড়াতে ছেঁচড়াতে নেয়া হয়েছিল। যদি মুসলমানরা তখন বলতো, আবু জেহেল সমাজের এতো মর্যাদাশালী ব্যক্তি, তার লাশের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে, সেক্ষেত্রে ইসলামের মর্যাদা কখনো প্রতিষ্ঠিত হতো না। ✍ Nayem Jannatun
2 176
12
গাজ্জায় আমেরিকা-ইসরাইল জঙ্গি-সন্ত্রাসী কর্তৃক এক ফিলিস্তিনিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম মোহাম্মদ নাজিব আশুর।
গাজ্জায় আমেরিকা-ইসরাইল জঙ্গি-সন্ত্রাসী কর্তৃক এক ফিলিস্তিনিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম মোহাম্মদ নাজিব আশুর।
1 889
13
নিফাকই এখানে যোগ্যতা। নিফাক করতে পারাটাই পলিটিক্স। জামায়াতের দোষ না। এই সিস্টেমটাই মুনাফেকি। দ্বিচারিতা, দ্বিমুখী কথাবার্তা ঠ+1
নিফাকই এখানে যোগ্যতা। নিফাক করতে পারাটাই পলিটিক্স। জামায়াতের দোষ না। এই সিস্টেমটাই মুনাফেকি। দ্বিচারিতা, দ্বিমুখী কথাবার্তা ঠিকভাবে বলতে পারাটাই এখানে সফলতা। ✍️ শামসুল আরেফিন শক্তি ভাই
1 671
14
ইসলাম বাদ দিয়ে যদি বিয়ে জিনিসটাকে নিয়ে ভাবনা করি তাহলে এই যুগে বিয়ে আসলেই একটা লস প্রজেক্ট। . ধরুন আমরা যারা শারিয়া আইন চাই এবং শারিয়া অনুযায়ি চলতে চাই আমাদের কাছে বিয়ে যেমন শারিয়া অনুযায়ি ফরজ আমল তেমনি দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য চরম জরুরি জিনিস। বিয়ে ছাড়া আমাদের ফিজিক্যাল নিড পূরনের কোনো যায়গা নেই। আবার স্ত্রী সন্তানের পিছনে খাটনি করা এবং তাদের জন্য নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যায় করা একটা সদকা যেগুলো আমাদের দুনিয়া এবং আখিরাত দুই ক্ষেত্রেই উপকারি আমল। এবং এটা মুসলিম নারী পুরুষ সবার জন্যেই সমভাবে সত্য। কিন্তু ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি বাদ দিলে বিয়ের প্রয়োজন টা কোথায় বরং দেখা যাবে বিয়েটা একটা বার্ডেন পূরাতন আমলের বা বা মধ্যযুগিয় একটা ব্যাকডেটেড জিনিস। যদি ফিজিক্যাল নিডের কথা আসে : বিয়ের মতো রিস্কি এবং দায়িত্বের বন্ধন ছাড়াই এটা অনেক সহজলভ্য একটা জিনিস। যদি বাচ্চাকাচ্চার কথা আসে তাহলে এরকম অনিশ্চিত কষ্টকর একটা ইনভেস্টের চেয়ে সেই টাকা ব্যাংকে রাখলে বেশি লাভ পাওয়া যাবে। ইমোশোনাল এটাচমেন্টের ক্ষেত্রেও বিয়ে জরুরি না কেননা বিয়ে এমনকি নারী ছাড়াও বিভিন্ন জিনিস দিয়ে পশ্চিমারা তাদের ইমোশোনাল এটাচম্যান্ট পূরন করে যেগুলো সবই রিস্ক্লেস। এখন বুঝান আমাকে বিয়ের দরকার কী❓ ✍ উস্তায নুমান খুরশেদ
1 891
15
নদীর ওপারে মু'স'লিম অধ্যুষিত অঞ্চলে নির্বিচারে বো'ম্বিং করা হচ্ছে, নদীর এপারে ফুল কমব্যাট গিয়ারে থাকা কিছু মুস'লিম সৈনিক শুধু
নদীর ওপারে মু'স'লিম অধ্যুষিত অঞ্চলে নির্বিচারে বো'ম্বিং করা হচ্ছে, নদীর এপারে ফুল কমব্যাট গিয়ারে থাকা কিছু মুস'লিম সৈনিক শুধুমাত্র তা তাকিয়ে দেখছে। সামর্থ্য থাকা সত্বেও তারা এগিয়ে যেতে পারছে না। দৃশ্যটা গতকালকের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর হলেও পৃথিবীর প্রত্যেকটা নিপী'ড়িত এলাকার পরিচয় বহন করে। হয়তো সেই মুস'লিম সৈনিকদের মধ্যে কারো হৃদয়ে মাজলুমদের জন্য রক্তক্ষরণ হচ্ছে, কিন্তু জাতীয়তাবাদের অদৃশ্য কাটাতারের কারণে তারা এগিয়ে যেতে পারছে না। বাস্তবতা হচ্ছে, জাতীয়তাবাদের কাছে নিজ সীমানার বাহিরে থাকা নির্যাতিত মুস'লিম'দের রক্ষা করা মূল কনসার্ন না। সীমান্তের এপারের বস্তুবাদী স্বার্থই সেখানে মূল যার সাথে আখি'রাতের কোনো সম্পর্কই নেই। অথচ, আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল কিন্তু ভিন্ন কথা বলছেন, "...তোমাদের কী হলো যে, তোমরা আল্লাহর পথে এবং সেই দুর্বল পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে যু'দ্ধ করবে না, যারা বলে, ‘হে আমাদের রব! এই জনপদ, যার বাসিন্দারা জা'লিম, তা থেকে আমাদের বের করে নিন এবং আপনার পক্ষ হতে কাউকে আমাদের অভিভাবক বানিয়ে দিন ও আপনার পক্ষ হতে কাউকে আমাদের সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দিন।’ (সূ'র নিসা : ৭৫) ✍️ মুহাম্মাদ নাজমুল হক শুভ
1 879
16
একটা ইসলামী দলের কর্মী-সমর্থক প্রায় প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই ভুল আর অন্যায়ের পক্ষে থাকে। জোহরান মামদানির মতো সুস্পষ্ট কাফিরের মেয়র হওয়াকে তারা ইসলামের বিজয় বলে সেলিব্রেট করেছে। ইরান-আমেরিকার যুদ্ধে তারা ইরানের প্রতিরোধকে সমর্থনের বদলে রাফেজি শিয়াদের জঘন্য আক্বীদা বিশ্বাসের সাফাই গেয়েছে। কিছুদিন আগ পর্যন্তও তারা সিরিয়া ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে- বলে বলে বাশার আল আসাদের পক্ষে কথা বলেছে। ঐতিহাসিকভাবেও তারা বাশারের পক্ষেই ছিলো। কারণ তাদের রূহানী নেতা খামেনেঈরা ছিলো বাশারের সব জঘন্য কাজের প্রধান জোটসঙ্গী। ইদানিং আবার যখন আহমাদ শারা কৌশলের নামে হারাম কাজ করা শুরু করলো- আস্তে আস্তে ভিলেন থেকে শারা হয়ে গেলো তাদের নেতা। এসব সামান্য কিছু উদাহরণ। ইতিহাসের প্রত্যেকটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় এভাবে ভুলের পক্ষে কেউ কিভাবে থাকতে পারে? ✍️ Iftekhar Tahsin Muhammad Abir
1 465
17
ফিলিসনি নাগরিক আমিন খালেদ আল-ঘুল ২০২৩ সালের ১৪ই নভেম্বর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি দক্ষিণ গাজা উপত্যকা থেকে উত্তরে যাওয়ার চেষ
ফিলিসনি নাগরিক আমিন খালেদ আল-ঘুল ২০২৩ সালের ১৪ই নভেম্বর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি দক্ষিণ গাজা উপত্যকা থেকে উত্তরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার পরিবার তার ভাগ্য জানার জন্য রেড ক্রস এবং বন্দি বিষয়ক সংস্থাগুলোর সাথে যোগাযোগ করে, কিন্তু তাদের জানানো হয় যে তিনি ইসড়ায়েলি কারাগারে বন্দী নন। সম্প্রতি, একজন ইসড়ায়েলি সৈন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাঠের তক্তার সাথে বাঁধা ও চোখবাঁধা এক বন্দীর ছবি প্রকাশ করার পর পরিবারটি তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরপর থেকে পরিবারটি তার অবস্থান উদঘাটন এবং তার ভাগ্য স্পষ্ট করার জন্য হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে আবেদন করেছে। 🍥 DOAM
1 336
18
পুরুষবিদ্বেষী সমাজ কেন অভিযোগের তীর সবসময় বাবার দিকেই ছুঁড়ে দেয়? এই ফটোকার্ড দেখার পরে অভিযোগকারী ভদ্র মহিলার স্বামী  আব্দুল মতিন সাহেবের সাথে ফোনে আমার কথা হলো। ভদ্রলোকের একজন ছেলে ছিলো, জুলাই আন্দোলনে তাকে আল্লাহ নিয়ে গেছেন। উনার ভাইয়েরও কোনো ছেলে সন্তান নেই। বংশের চিহ্ন রক্ষার জন্য উনার ছেলে সন্তান প্রয়োজন। সেজন্য উনারা ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডাক্তার জানিয়ে দিয়েছেন, হালাল পন্থায় উনার প্রথম স্ত্রীর আর সন্তান জন্মদানের মতো সক্ষমতা নেই। তিনি এখন কী করবেন? বাধ্য হয়েই এই বয়সে তাঁকে আরেকটা বিবাহ করতে হয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের পরও উনি উনার প্রথম স্ত্রী এবং কন্যার ভরণ-পোষণ এবং ঢাকার বাসা ভাড়া দিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রিসেন্টলি উনার প্রথম স্ত্রী অফিসে কমপ্লেইন দিয়ে উনার চাকরিটা স্থগিত করে দিয়েছে। উনার ইনকাম বন্ধ। যার কারণে তিনি ঢাকা থেকে গ্রামে চলে এসেছেন। এবং প্রথম স্ত্রী ভদ্রলোকের চাকরিটা খেয়ে দেয়ার ফলে সর্বশেষ মাসে তিনি বাসার ভাড়াটা পর্যন্ত ম্যানেজ করে দিতে পারেননি। সরকার থেকে শহীদ পরিবারকে এককালীন যে টাকা (সঞ্চয়পত্র) দিয়েছে, সেটার সমান অর্ধেক উনার প্রথম স্ত্রীর নামে জমা আছে। প্রতি মাসে যে ভাতা আসে, তারও সমান অর্ধেক টাকা উনার প্রথম স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকে। তাহলে সরকার থেকে প্রাপ্ত টাকার ভাগ উনার প্রথম স্ত্রীকে না দিয়ে সম্পূর্ণ টাকা উনি একাই কব্জা করে সেই টাকায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে ফূর্তি করে বেড়াচ্ছেন, এমনটাও তো নয়। সন্তান হারানোর কষ্ট কি শুধু মায়েরই হয়? বাবার কি কোন কষ্ট হয় না? জুলাই বিপ্লবে শাহাদাত বরণ করা ছেলের পিতা হিসেবে কোন টিভি সাংবাদিক কি গিয়েছেন তাঁর বর্তমান মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে? রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতারা কি গিয়েছেন কখনো একজন শহীদের বাবার বর্তমান  মানসিক যন্ত্রণার গল্প শুনতে? অভিযোগকারী ভদ্র মহিলা উনার স্বামীর দ্বিতীয় বিবাহের পর থেকে স্বামীকে বাসায় প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না। মতিন সাহেব একাধিকবার বাজার-সদাই নিয়ে উনার প্রথম স্ত্রীর বাসায় গিয়ে, দরজা না খোলার কারণে, দরজার সামনে বাজার-সদাই এর ব্যাগ রেখে সেখান থেকেই ফেরত আসতে বাধ্য হয়েছেন। তাকে যদি বাসায় প্রবেশ করতেই না দেওয়া হয়, তাহলে তিনি প্রথম স্ত্রীর হকটা কীভাবে আদায় করবেন? কীভাবে তাকে সময় দিবেন? এই ভদ্র মহিলা নিজের স্বামীকে জাতির সামনে হেয় প্রতিপন্ন করে কী অর্জন করতে চাচ্ছেন, সেটা তিনিই জানেন। স্বামীর একমাত্র আর্থিক অবলম্বন চাকুরীটাও খেয়ে দিয়ে তিনি স্বামীকে তো বেকার বানিয়ে দিয়ে বিপদে ফেললেনই, সেইসাথে নিজের মেয়ে সন্তানটির পায়েও কু-ড়া-ল  মা-র-লে-ন। কারণ এতদিন যাবত স্ত্রী এবং কন্যার ভরণপোষণ তো এই সরকারি চাকুরির বেতনের টাকা থেকেই হত। জুলাই বিপ্লবে ছেলেহারানো একজন পিতা মতিন সাহেব। তাই তিনি বাঙালি জাতির চোঁখে একজন সম্মানিত ব্যক্তি। কিন্তু ভদ্রলোকের প্রতি আমাদের এই সম্মান কি পারবে, তাঁর হারানো একমাত্র ছেলেসন্তানকে ফিরিয়ে দিতে? ✍ অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত উল্লাহ
1 371
19
এটাই মানবরচিত গুনতান্ত্রিক সিস্টেমের সৌন্দ‍র্য।
এটাই মানবরচিত গুনতান্ত্রিক সিস্টেমের সৌন্দ‍র্য।
1 580
20
জাপানকে পুরো দুনিয়ার মানুষ এখন যতটা ভদ্র আর সভ্য মনে করে, হিরোশিমা আর নাগাসাকির আগ পর্যন্ত তারা এতটা ভদ্র ছিল না। বরং তারাও ছিল চরম বর্বর ও নৃশংস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের আগ পর্যন্ত জাপানিরা নিজেদের এশিয়ার শাসক মনে করতো। তারা কোরিয়া দখল করে উপনিবেশ বানিয়েছিল এবং চীনের বড় একটা অংশ দখল করেছিল। শুধু দখল করলে ঠিক ছিল। কিন্তু চীনে জাপানি সেনাবাহিনী গণহত্যার পাশাপাশি আরো মারাত্মক একটি অপরাধ করেছিল। ইতিহাসে যা ইউনিট-৭৩১ নামে পরিচিত। বর্তমান চীনের হারবিন শহরে জাপানিরা একটি কুখ্যাত গোপন সামরিক পরীক্ষাগার গড়ে তুলেছিল। যেখানে গোপন গবেষণা পরিচালনা করা হতো। বিশেষ করে জৈব ও রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চালিয়েছে। আর তাদের এই গবেষণাগুলোর শিকার হয়েছে চীনের বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধবন্দীরা। এসব মানুষের উপর তারা বিভিন্ন জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়ার পরীক্ষা চালিয়েছে। ইউনিট-৭৩১ এ ইয়োশিমুরা হিসাতো নামে একজন ফিজিওলজিস্ট ছিলেন, যার হাইপোথার্মিয়ার বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ ছিল। তিনি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আঘাত নিয়ে মারুতার গবেষণার অংশ হিসেবে নিয়মিত বন্দীদের হাত-পা বরফ-ভর্তি পানির মধ্যে ডুবিয়ে রাখতেন এবং ততক্ষণ পর্যন্ত ধরে রাখতেন যতক্ষণ না হাত বা পা পুরোপুরি জমে গিয়ে চামড়ার ওপর বরফের আস্তরণ তৈরি হতো। একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুসারে , লাঠি দিয়ে আঘাত করলে সেই অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো থেকে কাঠের তক্তার মতো শব্দ হতো। এরপর হিসাতো হিমায়িত অঙ্গটিকে দ্রুত গরম করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতিতে চেষ্টা করলেন। কখনও তিনি অঙ্গটিতে গরম জল ঢেলে, কখনও খোলা আগুনের কাছে ধরে কিংবা ব্যক্তিটির নিজের রক্তে তা গলতে কতক্ষণ সময় লাগে তা দেখার জন্য সেটিকে সারারাত চিকিৎসা ছাড়াই রেখে দিতেন। বর্বরতা চরম রূপ ধারণ করেছিল ইউনিট-৭৩১ এ। এখানে সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধক্ষমতার উপর রোগ ও আঘাতের প্রভাব কেমন অনুসন্ধান করার জন্য জীবন্ত মানুষকে অ্যানেস্থেশিয়া ছাড়াই অপারেশন করা হতো এবং অঙ্গচ্ছেদ করা হতো। আর এই গবেষণার জন্য অসংখ্য চীনা, কোরীয়, মঙ্গোলীয় এবং রুশ নাগরিকদের জীবন দিতে হয়েছে। আবার বিভিন্ন অস্ত্রের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য ইউনিট-৭৩১ বন্দীদের একটি ফায়ারিং রেঞ্জে জড়ো করে নাম্বু ৮মিমি পিস্তল, বোল্ট-অ্যাকশন রাইফেল, মেশিনগান ও গ্রেনেডের মতো একাধিক জাপানি অস্ত্র দিয়ে বিভিন্ন দূরত্ব থেকে তাদের ওপর গুলি চালানো হতো। এরপর মৃত ও মুমূর্ষু বন্দীদের দেহে সৃষ্ট ক্ষতের ধরন এবং গুলির প্রবেশের গভীরতা তুলনা করে দেখা হতো। একইভাবে বেয়নেট , তলোয়ার এবং ছুরি নিয়েও গবেষণা করা হতো। এই পরীক্ষাগুলোর জন্য জীবন্ত বন্দীদের বেঁধে রাখা হতো। পিষ্টজনিত আঘাতের গবেষণার জন্য বন্দীদের উপর ভারী বস্তু ফেলা হতো। আবার মানুষ খাদ্য ও জল ছাড়া কতক্ষণ বাঁচতে পারে তা জানার জন্য পরীক্ষা করার জন্য বেছে নেওয়া বন্দীদের খাদ্য ও পানি দেওয়া বন্ধ করা হতো, এবং রক্ত ​​সঞ্চালন ও রক্ত ​​জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া অধ্যয়নের জন্য ভুক্তভোগীদের কেবল সমুদ্রের জল পান করতে দেওয়া হতো অথবা তাদের শরীরে বেমানান মানব বা পশুর রক্তের ইনজেকশন দেওয়া হতো এছাড়া পাইলট ও পতনশীল প্যারাট্রুপারদের উপর উচ্চ জি-ফোর্সের প্রভাব অধ্যয়নের জন্য, ইউনিট ৭৩১-এর কর্মীরা মানুষকে বড় সেন্ট্রিফিউজে ভরে ক্রমবর্ধমান উচ্চ গতিতে ঘোরাতেন যতক্ষণ না তারা জ্ঞান হারাত অথবা মারা যেত, যা সাধারণত ১০ থেকে ১৫ জি-তে ঘটত। এই বর্বর পরীক্ষায় শিশুদেরও ব্যবহার করা হতো। ইউনিট-৭৩১ এ সিফিলিসের মতো যৌন রো গেরও পরীক্ষা করা হতো। রোগটির কার্যকর সংক্রমণ নিশ্চিত করার জন্য সিফিলিসে আক্রান্ত পুরুষদেরকে তাদের নারী ও পুরুষ সহবন্দীদের ধর্ষণ করার আদেশ দেওয়া হতো, যার মাধ্যমে রোগের সূত্রপাত পর্যবেক্ষণ করা হতো। যদি প্রথমবারে সংক্রমণ না ঘটত, তবে সংক্রমণ না ঘটা পর্যন্ত আরও ধর্ষণের ব্যবস্থা করা হতো। এছাড়াও মানসিক আঘাত পরীক্ষা করার জন্য জোরপূর্বক ধর্ষণ ও গর্ভধারণ করানো হতো। এছাড়া বন্দীদের উপর ইচ্ছাকৃতভাবে কলেরা, প্লেগ কিংবা অ্যানথ্রাক্সের মতো রোগের জীবাণু প্রবেশ করা হতো। এছাড়া জাপানি সেনাবাহিনী ১৯৩০-এর দশকের শেষভাগ থেকে তাদের সেনাদের যৌ ন লালসা মেটানোর জন্য দখলকৃত এলাকা, বিশেষ করে কোরিয়া, চীন ও ফিলিপাইন থেকে হাজার হাজার তরুণী ও কিশোরীকে জোরপূর্বক ধরে এনে সামরিক পতিতালয়ে বন্দি করে রাখত। এদের "কমফোর্ট উইমেন" বলা হতো, তবে মূলত তারা ছিলেন চরম যৌন দাসত্বের শিকার। আজকের জাপানের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করা দেখে মনে করি দুনিয়ায় এদের চেয়ে সভ্য-ভদ্র কেউ নাই কিংবা ছিলও না। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের জাপান চরম নৃশংস, চরম বর্বর, যে ইতিহাসের আলাপ তেমন নাই বললেই চলে। 🍥 Zahid Hasan Mithu
2 003