en
Feedback
Manzur's posts

Manzur's posts

Open in Telegram

Here, posts and lectures of Ustaz Manzurul Karim will be shared in sha Allah.

Show more
7 076
Subscribers
-224 hours
-87 days
+5930 days

Data loading in progress...

Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
June '26
June '26
+85
in 0 channels
May '26
+131
in 1 channels
Get PRO
April '26
+137
in 4 channels
Get PRO
March '26
+227
in 3 channels
Get PRO
February '26
+109
in 5 channels
Get PRO
January '26
+76
in 2 channels
Get PRO
December '25
+78
in 1 channels
Get PRO
November '25
+63
in 0 channels
Get PRO
October '25
+91
in 2 channels
Get PRO
September '25
+106
in 1 channels
Get PRO
August '25
+146
in 2 channels
Get PRO
July '25
+238
in 3 channels
Get PRO
June '25
+222
in 7 channels
Get PRO
May '25
+144
in 6 channels
Get PRO
April '25
+125
in 3 channels
Get PRO
March '25
+140
in 6 channels
Get PRO
February '25
+77
in 1 channels
Get PRO
January '25
+104
in 3 channels
Get PRO
December '24
+179
in 2 channels
Get PRO
November '24
+116
in 0 channels
Get PRO
October '24
+392
in 0 channels
Get PRO
September '24
+318
in 4 channels
Get PRO
August '24
+593
in 7 channels
Get PRO
July '24
+112
in 1 channels
Get PRO
June '24
+131
in 1 channels
Get PRO
May '24
+195
in 2 channels
Get PRO
April '24
+112
in 3 channels
Get PRO
March '24
+260
in 2 channels
Get PRO
February '24
+186
in 5 channels
Get PRO
January '24
+244
in 6 channels
Get PRO
December '23
+228
in 5 channels
Get PRO
November '23
+402
in 11 channels
Get PRO
October '23
+244
in 2 channels
Get PRO
September '23
+118
in 0 channels
Get PRO
August '23
+275
in 0 channels
Get PRO
July '23
+193
in 0 channels
Get PRO
June '23
+200
in 0 channels
Get PRO
May '23
+440
in 0 channels
Get PRO
April '23
+35
in 0 channels
Get PRO
March '23
+60
in 0 channels
Get PRO
February '23
+138
in 0 channels
Get PRO
January '23
+274
in 0 channels
Get PRO
December '22
+108
in 0 channels
Get PRO
November '22
+103
in 0 channels
Get PRO
October '22
+121
in 0 channels
Get PRO
September '22
+110
in 0 channels
Get PRO
August '22
+317
in 0 channels
Get PRO
July '22
+99
in 0 channels
Get PRO
June '22
+75
in 0 channels
Get PRO
May '22
+107
in 0 channels
Get PRO
April '22
+187
in 0 channels
Get PRO
March '22
+125
in 0 channels
Get PRO
February '22
+21
in 0 channels
Get PRO
January '22
+48
in 0 channels
Get PRO
December '21
+166
in 0 channels
Get PRO
November '21
+116
in 0 channels
Get PRO
October '21
+1 065
in 0 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
21 June+1
20 June+3
19 June+2
18 June+3
17 June+2
16 June+5
15 June+1
14 June+1
13 June+1
12 June+6
11 June+2
10 June+4
09 June+3
08 June+8
07 June+7
06 June+1
05 June+5
04 June+5
03 June+5
02 June+11
01 June+9
Channel Posts
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, «يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ الصَّابِرُ فِيهِمْ عَلَى دِينِهِ كَالقَابِضِ عَلَى الجَمْرِ» . "মানুষের ওপর এমন এক সময় আসবে, যখন তাদের মাঝে দ্বীনের ওপর অটল থাকা ব্যক্তি হবে জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে ধরে রাখা ব্যক্তির মত"। [১] . ইমাম মুল্লা আলী আল ক্বারী [রাহ.] লিখেছেন, "(ইমাম তিবী রাহ. বলেছেন) আর এর মর্মার্থ হলো জ্বলন্ত অঙ্গার মুষ্টিবদ্ধকারী ব্যক্তি যেমন হাত পুড়ে যাওয়ার কষ্ট সহ্য করতে পারে না, ঠিক তেমনি সেই যামানার একজন দ্বীনদার ব্যক্তিও পাপাচারী ও পাপাচারের আধিক্য, ফাসেকির বিস্তার এবং ঈমানের দুর্বলতার কারণে নিজের দ্বীনের ওপর অবিচল থাকতে সক্ষম হবে না। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত) . তবে (ইবারতের) প্রকাশ্য দিক থেকে হাদিসটির স্পষ্ট অর্থ হলো, চরম ধৈর্য এবং তীব্র কষ্ট সহ্য করা ছাড়া যেমন জ্বলন্ত কয়লা হাতের মুঠোয় রাখা সম্ভব নয়, ঠিক তেমনি সেই কঠিন সময়েও মহা ধৈর্য আর প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক কষ্ট স্বীকার করা ছাড়া নিজের দ্বীন এবং ঈমানের নূর রক্ষা করা কল্পনাও করা যায় না।"[২] . [১) ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ২২৬০, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ; ২) ইমাম মুল্লা আলী আল ক্বারী (রাহ.), মিরক্বাতুল মাফাতীহ: ৮/৩৩৬৪-৬৫]

2
“যখন তুমি পরিবারের কাছে যাবে তখন তাদেরকে সালাম দেবে। এটি আল্লাহর পক্ষ হতে নির্ধারিত সম্ভাষণ, যা বরকতময় ও পবিত্র”। . ~ জাবির [রা.] . [ইমাম বুখারী (রাহ.), আল আদাবুল মুফরাদ, হা: ১০৯৫, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ]
224
3
“যখন তোমরা কোনো বাড়িতে প্রবেশ করবে তখন তার অধিবাসীদেরকে সালাম দেবে। আবার যখন বের হয়ে যাবে তখন বাড়ির অধিবাসীদেরকে সালাম দিয়ে বিদায় নেবে”। . «إذا دخلتم بيتًا فسلّموا على أهله، فإذا خرجتم فأودعوا أهله بالسّلام» . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), শুআবুল ঈমান, হা: ৮৪৫৯, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে মুরসাল তবে হাসান; সহীহুল জামি, হা: ৫২৬]
273
4
হাসান আল বাসরী [রাহ.] বলেছেন, "যখন ফিতনা ধেয়ে আসে তখন প্রত্যেক আলিমই তা চিনে ফেলে, আর যখন ফিতনা কাজ শেষে চলে যায় তখন প্রত্যেক জাহিল তা চিনতে পারে"। [১] . শাইখ ড. আহমাদ ফারীদ লিখেছেন, "অর্থাৎ ফিতনা ধেয়ে আসার সময়ই তা চিনে ফেলার ফায়দা হচ্ছে তা থেকে মানুষকে নিরাপদ রাখা যায়। আর আলিমরা ছাড়া আর কেউ এভাবে চিনতে পারেনা। তবে যখন ফিতনা চলে যায় তখন প্রত্যেক জাহিলই তা চিনতে পারে। তবে তখন চেনায় কোনো উপকার থাকে না"। [২] . এথেকে এটাও বোঝা যায় যে ফিতনা থেকে নাজাতের সবচাইতে বড় কার্যকারণসমূহের একটি হচ্ছে ইলম। [৩] . বিপরীতক্রমে এটাও বোঝা যায় যে, যিনি অনেক তথ্যের অধিকারী হয়েও ফিতনা চিনতে ব্যর্থ হচ্ছেন তিনি আসলে আলিম হয়ে উঠতে পারেননি। আল্লাহু আ'লাম। . [১) ইমাম ইবনু সা'দ (রাহ.), আত তাবাকাতুল কুবরা: ৭/১৬৬; শাইখ মুহাম্মাদ মুবারাক হাকীমীর মতে সহীহ, আস সহীহুল মুন্তাখাব মিন কালামিল আওয়্যালিন ফি বিদাঈল আমাল, পৃ: ২৮১; ২) শাইখ ড. আহমাদ ফারীদ, মিন আ'লামিস আলাম: ৫/৮; ৩) শাইখ ফাইসাল আলে সুবহান, মাসাইল ফিল ফিতান, পৃ: ৬৪]
298
5
"আর তারা তোমাদের সাথে লড়াই করতে থাকবে, যতক্ষণ না তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দেয়, তারা যদি পারে।" . وَلَا يَزَالُونَ يُقَـٰتِلُونَكُمْ حَتَّىٰ يَرُدُّوكُمْ عَن دِينِكُمْ إِنِ ٱسْتَطَـٰعُواْ‌ۚ. [সূরা বাকারাহ : ২১৭]
380
6
"আলিমদের মজলিসগুলো ছাড়া গোটা দুনিয়া আসলে অন্ধকার"। . ~ ইমাম হাসান আল বাসরী [রাহ.] . [ ইমাম ইবনু আব্দিল বারর (রাহ.), জামিঊ বায়ানিল ইলম ওয়া ফাদ্বলিহ: ১/২৩৬]
385
7
"ইমাম সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব [রাহ.] স্বীয় সন্তানকে বলেছিলেন, আমি তোমার জন্য কিছু নফল সালাত বাড়িয়ে পড়ি, এই আশায় যে তোমার হেফাজতে তা কাজে দেবে। এরপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন, وَكَانَ أَبُوهُمَا صَالِحًا 'আর তাদের উভয়ের পিতা ছিলেন নেককার'[১]। [২] . এই আয়াতে বর্ণিত আছে যে আল্লাহ তাআলা দুই শিশুর জন্য লুক্কায়িত গুপ্তধনকে তাদের প্রাপ্তবয়ষ্ক হয়ে তা বের করা পর্যন্ত হেফাজত করেছিলেন, কেননা তাদের পিতা ছিলেন নেককার। . ইমাম ইবনুল মুনকাদির [রাহ.] বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা একজন নেককার বান্দার জন্য তাঁর সন্তান, নাতি-নাতনী, এবং তার চারপাশের ঘরবাড়িগুলোকে (প্রতিবেশীদের) হেফাজত করেন। ফলে তারা সর্বদাই আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ রক্ষণাবেক্ষণ ও (নিরাপত্তার চাদরে) আবৃত থাকে' [৩]"। [৪] . ~ শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ [হাফি.] . [১) সূরা কাহাফ: ৮২; ২) ইমাম ইবনু রাজাব হাম্বলী (রাহ.), জামিঊল ঊলূমি ওয়াল হিকাম: ১/৪৬৭; ৩) ইমাম সিবত্ব ইবনুল জাওযী (রাহ.), মিরআতুয যামান: ২/১০০; ৪) যাদুল মুরাব্বী, পৃ: ৮]
438
8
জীবনাচরণে নববী আদর্শ, দার্স ১১৭ https://youtu.be/A7w5empkACo
387
9
রমাদ্বানের পর সিয়াম পালনের সর্বোত্তম সময়কাল হচ্ছে মুহাররম মাস। কেবল আশূরা ও তার আগের দিনই নয় গোটা মাসই সিয়ামের জন্য উত্তম। এসময় অধিক সিয়াম পালন সুন্নাহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, . «وَأَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ شَهْرُ اللهِ الَّذِي تَدْعُونَهُ الْمُحَرَّمَ» . "আর রমাদ্বানের পর সর্বাধিক উত্তম সিয়াম হচ্ছে আল্লাহর সেই মাসের সিয়াম যাকে তোমরা মুহাররম বল"।[১] . সর্বাধিক উত্তম সিয়াম দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে সিয়াম পালনের জন্য সর্বাধিক উত্তম মাস। [২] এর আলোকে ইমাম বুহুতী [রাহ.] উল্লেখ করেছেন যে, মুহাররম মাসে সিয়াম পালন করা সুন্নাহ। এর মধ্যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আশূরার দিন সিয়াম পালন করা, অতঃপর ৯ মুহাররম সিয়াম পালন করা। এটা হচ্ছে গুরুত্বের ক্রমধারা।[৩] . আল্লাহ তাআলা আমাদের এই মাসের এই ফযীলতপূর্ণ সময়কে অধিক পরিমাণে সিয়াম পালনের মাধ্যমে কাজে লাগানোর তাওফিক দিন এবং আমাদের এই প্রয়াসকে কবুল করুন-আমিন। . [১) ইমাম আহমাদ (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ৮৫০৭, আল্লামা শুআইব আরনাউত্বের (রাহ.) মতে ইমাম বুখারী ও মুসলিমের (রাহ.) শর্তে সহীহ; ২) ইমাম আব্দুর রাউফ মুনাউই (রাহ.), ফাইদ্বুল কাদীর: ২/৪১; ৩) ইমাম বুহুতী (রাহ.), শারহু মুন্তাহাল ইরাদাত: ১/৪৯৩]
420
10
"সন্তানের তারবিয়াত বা পরিচর্যা অভিভাবকের জীবনে এরক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, এটা তার থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হয় না"। . ~ শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ [হাফি.] . [ যাদুল মুরাব্বী, পৃ: ৫]
385
11
"যে জেনে শুনে বাতিলের পক্ষে তর্ক করে, সে তা থেকে বিরত হওয়া আগ পর্যন্ত আল্লাহর অসন্তুষ্টির মাঝে থাকে"। . «وَمَنْ خَاصَمَ فِي بَاطِلٍ وَهُوَ يَعْلَمُهُ، لَمْ يَزَلْ فِي سَخَطِ اللَّهِ حَتَّى يَنْزِعَ عَنْهُ» . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৩৫৯৭, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ]
439
12
একদিন খলীফাহ উমার ইবনু আব্দিল আযীয [রাহ.] দুপুরে একটু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য গেলেন। এমন সময় তাঁর পুত্র আবদুল মালিক ইবনে উমার তাঁর কাছে এসে বললেন, "হে আমীরুল মু'মিনীন, আপনি কী করতে চাচ্ছেন?" তিনি বললেন, "হে বৎস, আমি একটু দুপুরে বিশ্রাম নিতে চাচ্ছি"। পুত্র বললেন, "আপনি দুপুরে বিশ্রাম নেবেন, অথচ মানুষের ওপর হওয়া জুলুম-অন্যায়ের প্রতিকার করবেন না?' তিনি বললেন, 'হে বৎস! গত রাতে আমি তোমার চাচা সুলাইমানের কাজে রাত জেগেছি। তাই যুহরের সালাত আদায় করেই আমি মজলুমের দাবিদাওয়ার প্রতিবিধান করব"। পুত্র বললেন, 'হে আমীরুল মু'মিনীন, আপনি যে যুহর পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন, সেই নিশ্চয়তা আপনাকে কে দিল?" তখন তিনি বললেন, "হে বৎস, আমার কাছে এসো"। পুত্র তাঁর কাছে এলে তিনি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এবং তার দুই চোখের মাঝে (কপালে) চুম্বন করলেন। অতঃপর বললেন, "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমার ঔরস থেকে এমন সন্তান বের করেছেন, যে আমাকে আমার দ্বীনের কাজে সাহায্য করে"। . [ ইমাম আবু বাকর আল আজুররী (রাহ.), আখবারু আবি হাফস উমার ইবনি আব্দিল আযীয, পৃ: ৫৭]
491
13
কদিন খলীফাহ উমার ইবনু আব্দিল আযীয [রাহ.] দুপুরে একটু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য গেলেন। এমন সময় তাঁর পুত্র আবদুল মালিক ইবনে উমার তাঁর কাছে এসে বললেন, "হে আমীরুল মু'মিনীন, আপনি কী করতে চাচ্ছেন?" তিনি বললেন, "হে বৎস, আমি একটু দুপুরে বিশ্রাম নিতে চাচ্ছি"। পুত্র বললেন, "আপনি দুপুরে বিশ্রাম নেবেন, অথচ মানুষের ওপর হওয়া জুলুম-অন্যায়ের প্রতিকার করবেন না?' তিনি বললেন, 'হে বৎস! গত রাতে আমি তোমার চাচা সুলাইমানের কাজে রাত জেগেছি। তাই যুহরের সালাত আদায় করেই আমি মজলুমের দাবিদাওয়ার প্রতিবিধান করব"। পুত্র বললেন, 'হে আমীরুল মু'মিনীন, আপনি যে যুহর পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন, সেই নিশ্চয়তা আপনাকে কে দিল?" তখন তিনি বললেন, "হে বৎস, আমার কাছে এসো"। পুত্র তাঁর কাছে এলে তিনি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এবং তার দুই চোখের মাঝে (কপালে) চুম্বন করলেন। অতঃপর বললেন, "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমার ঔরস থেকে এমন সন্তান বের করেছেন, যে আমাকে আমার দ্বীনের কাজে সাহায্য করে"। . [ ইমাম আবু বাকর আল আজুররী (রাহ.), আখবারু আবি হাফস উমার ইবনি আব্দিল আযীয, পৃ: ৫৭]
1
14
দ্বীনের আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটা শিক্ষা মনে গেঁথে নেন: দ্বীনের আলোচনা পারিপার্শ্বিকতার বিবেচনায় আপনি যত কমাবেন ততই তার জন্য স্পেস সংকুচিত হতে থাকবে। এটা চারিদিকে তাকালেই দেখতে পাবেন। এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে আপনি যা-ই বলেন না কেন বিরোধিতা করার লোক এসে জুটে যাবে। আপনার বয়ান, আপনার ওয়াজ, আপনার নাসীহাহ মানুষের নফসানিয়্যাতে যত আঘাত করবে বিরোধিতাও তত বেশি হতে থাকবে, তা আপনি তার প্রতি যতই ইহসান করেন না কেন। . দ্বীনের আমল তো এমনি এমনি আজকের অবস্থায় এসে পৌঁছায় নি। যিয়াদ বিন লাবীদ [রা.] বলেছেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো এক বিষয়ের কথা উল্লেখ করে বললেন, "এটা হচ্ছে ইলম চলে যাবার/বিলুপ্ত হবার সময়ের কথা"। বিস্মিত যিয়াদ [রা.] বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইলম কিভাবে লুপ্ত হবে? অথচ আমরা নিজেরা কুরআন পড়ি, আমাদের সন্তানদের পড়াই, আর আমাদের বংশধররাও কিয়ামত পর্যন্ত স্বীয় সন্তানদের কুরআন পড়াতে থাকবে!" . জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, «ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ زِيَادُ إِنْ كُنْتُ لَأَرَاكَ مِنْ أَفْقَهِ رَجُلٍ بِالْمَدِينَةِ، أَوَلَيْسَ هَذِهِ الْيَهُودُ، وَالنَّصَارَى، يَقْرَءُونَ التَّوْرَاةَ، وَالْإِنْجِيلَ لَا يَعْمَلُونَ بِشَيْءٍ مِمَّا فِيهِمَا؟ . "হে যিয়াদ, তোমার মা তোমাকে হারাক! আমি তোমাকে মদীনার শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের একজন মনে করতাম। এই যে ইহূদী ও খৃস্টানরা কি তাওরাত ইনজীল পড়ে না? কিন্তু তারা তো এই দু’টি কিতাবে যা আছে তদনুযায়ী কাজ করে না"। [১] . কাজেই শেষ জামানায় কেন ইলম কম হবে এবং ফিতনা বেশি হবে? এর উত্তরে এই হাদিসের আলোকে শাইখ ফাইসাল বিন হাইয়্যান লিখেছেন, "ইলম অনুযায়ী আমল পরিত্যাগ করা ও গাইরুল্লাহর কাছে বিধান প্রত্যাশা করা"। [২] . অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, হ্যাঁ কুরআন তো থাকবে, কুরআনের অনেক পাঠকও থাকবে, থাকবে হাদিস ও ইসলামী জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডারও, কিন্তু আমল করার লোকের অভাব হবে। তাওহীদের ধারক ও গুনাহ থেকে যথাসম্ভব বেঁচে থেকে তাকওয়ার পথে চলা লোকের অভাব হবে। ফলে ক্রমান্বয়ে ইলম হারিয়ে যেতে থাকবে। . এজন্য আমাদের করণীয় হচ্ছে বলে যাওয়া। থেমে যাওয়া যাবে না। আমাদের নিজের আখিরাত তো বাঁচাতে হবে। আর এক্ষেত্রে কোনো অংশে বিশেষ ছাড় দেবার কিছু নেই। যত ছাড় দেবেন, যত কম বলবেন তত জ্ঞানের বিলুপ্তি অবশ্যম্ভাবী। আর নিজেদের সংশোধনে অনেক জোর দিতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, یَـٰۤأَیُّهَا ٱلَّذِینَ ءَامَنُوا۟ عَلَیۡكُمۡ أَنفُسَكُمۡۖ لَا یَضُرُّكُم مَّن ضَلَّ إِذَا ٱهۡتَدَیۡتُمۡۚ . "হে মুমিনগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে পথ ভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।"[৩] . অর্থাৎ তোমরা আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরে নিজেদের সংশোধন করতে থাক। [৪] অথবা এভাবে বলা যায় নিজেদের নফসের সংশোধনে মশগুল থাকো এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যে শরীআহ দিয়েছেন সে মোতাবেক একে পরিশুদ্ধ করতে থাক। যদি তোমরা নিজেরা হিদায়াতের পথে থাক তাহলে অপরের গোমরাহী তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।[৫] . [১) ইমাম ইবনু মাজাহ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৪০৪৮, ইমাম বূসীরীর (রাহ.) মতে সনদ সহীহ; ২) শাইখ ফাইসাল বিন হাইয়্যান, মাসাইল ফিল ফিতান, পৃ: ১০; ৩) সূরা মাইদাহ: ১০৫; ৪) আল্লামা জামালুদ্দীন আল ক্বাসিমী (রাহ.), মাহাসিনুত তাউইল: ৪/২৭৬; ৫) আল্লামা মুহাম্মাদ রাশীদ রিদ্বা (রাহ.), তাফসিরুল মানার: ৭/১৮৬]
488
15
নববী আদর্শ, দার্স ১১৬ https://youtu.be/r4JdHFOQNe4
416
16
মানুষের ঈমান আমলের অবস্থা এমনই দুর্বল পর্যায়ে পৌঁছেছে যে যে বড়সড় কোনো ইস্যু আসার প্রয়োজন নেই ছোটোখাটো ব্যাপারেই দেখবেন নড়তে থাকে। দুনিয়ার তুচ্ছ থেকে তুচ্ছ বস্তুর বিনিময়ে, নফসের দাসত্বে ঈমান বিসর্জন দিতে মানুষ পরোয়া করছে না। এমন ক্ষেত্রে এই আয়াতটা অনেক প্রাসঙ্গিক, আল্লাহ তাআলা বলেন, . يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ . "হে মুমিনগণ! তোমরা পূর্ণাঙ্গভাবে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্কসমূহ অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শক্ৰ।" [১] . আল্লামা হাফিয সালাহুদ্দীন ইউসুফ [রাহ.] এর ব্যাখ্যায় লিখেছেন, . "ঈমানদারদেরকে বলা হচ্ছে যে, তোমরা ইসলামে পরিপূর্ণরূপে প্রবেশ করে যাও। এমন করো না যে, যে নির্দেশগুলো তোমাদের স্বার্থ ও মনপসন্দ হবে, সেগুলোর উপর আমল করবে এবং অন্যান্য নির্দেশগুলো ত্যাগ করবে।" [২] . [১) সূরা বাকারাহ: ২০৮; ২) তাফসীরে আহসানুল বায়ান]
454
17
"সন্তানের উত্তম তারবিয়াতের সুফল হচ্ছে সে দ্বীনের ক্ষেত্রে আপনার সহযোগী হবে"। . ~ শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ [হাফি.] . [ যাদুল মুরুব্বী, পৃ: ৫]
436
18
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে একটা সুন্দর দুআ শিখিয়েছেন। দুআটি হচ্ছে, «رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ» . "হে আমাদের রব! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন যারা হবে আমাদের জন্য চোখজুড়ানো"। [১] . ইমাম হাসান আল বাসরীকে [রাহ.] এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, "এর মানে হচ্ছে আল্লাহ তাআলা তাঁর মুসলিম বান্দাকে দেখাবেন যে তার স্ত্রী, ভাই ও ঘনিষ্ঠজন আল্লাহর আনুগত্যশীল। আল্লাহর কসম, নিজের সন্তান, নাতি, ভাই ও ঘনিষ্ঠজনকে আল্লাহর অনুগত দেখার চেয়ে একজন মুসলিমের কাছে অধিক নয়নজুড়ানো কিছু হতে পারেনা"। [২] . [১) সূরা ফুরকান: ৭৪; ২) ইমাম ইবনু কাসির (রাহ.), তাফসিরুল কুরআনিল আযীম: ৫/৬১৫, উস্তায ড. হিকমাত বিন বাশীরের মতে সনদ হাসান]
534
19
"এই অন্তরগুলো হচ্ছে পাত্র। কাজেই এগুলোকে কুরআন দিয়ে পূর্ণ কর অন্য কিছু দিয়ে নয়"। . ~ আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ [রা.] . [ ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ (রাহ.), আল মুসান্নাফ, হা: ৩২০০৫, শাইখ সা'দ আশ শাসরীর (হাফি.) মতে সহীহ]
544
20
কবিরা গুনাহ, দার্স ৬১ https://youtu.be/UYp27rwOICY
613